post
খেলা

সরে দাঁড়ালেন বাংলাদেশ জাতীয় ক্রিকেট দলের প্রধান কোচ

বাংলাদেশ জাতীয় ক্রিকেট দলের প্রধান কোচ রাসেল ডমিঙ্গো দায়িত্ব থেকে সরে দাঁড়ালেন। গতকাল মঙ্গলবার ই-মেইলে বিসিবিকে পদত্যাগ পত্র পাঠিয়েছেন এই দক্ষিণ আফ্রিকান কোচ। ডমিঙ্গোর বিদায়ের বিষয়টি আজ বুধবার নিশ্চিত করেছেন বাংলাদেশ ক্রিকেট বোর্ডের (বিসিবি) ক্রিকেট অপারেশন্সের চেয়ারম্যান জালাল ইউনুস। সদ্য ভারতের বিপক্ষে সিরিজের শেষ টেস্টে হারের পর থেকেই গুঞ্জন ছিল ডমিঙ্গোর চাকরি নিয়ে। জালাল ইউনুস সেদিনই জানিয়েছিলেন, পরিবর্তন আসতে যাচ্ছে কোচিং প্যানেলে। তবে খোলাসা করে সেদিন কিছু জানা যায়নি। বুধবার সকাল নাগাদই জানা গেল- ডমিঙ্গো সরে দাঁড়িয়েছেন।টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপ পর্যন্ত শ্রীরামের সঙ্গে চুক্তি থাকলেও আবারো টাইগারদের কোচ হয়ে ফিরছেন সাবেক ভারতীয় এই ক্রিকেটার। এমন কী গুঞ্জন রয়েছে টি-টোয়েন্টির পূর্ণ দায়িত্ব পেতে যাচ্ছেন শ্রীধরন শ্রীরাম। যদিও এখনো পর্যন্ত কোনো কিছু আনুষ্ঠানিকভাবে জানায়নি বিসিবি। সর্বশেষ এশিয়া কাপ থেকেই বিসিবির সঙ্গে সম্পর্কটা ভালো যাচ্ছিল না ডমিঙ্গোর। টি-টোয়েন্টিতে তার বদলি হিসেবে ভারতের শ্রীধরন শ্রীরামকে কোচ হিসেবে নিয়োগ দিয়েছিল বিসিবি। এর অংশ হিসেবে টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপে ডমিঙ্গোকে দেখা যায়নি বাংলাদেশ দলে। ২০১৯ সালে স্টিভ রোডসের স্থলাভিষিক্ত হয়ে বাংলাদেশ দলের দায়িত্ব নেন রাসেল ডমিঙ্গো। এরপর তার কোচিংয়ে ঘরের মাঠে নিউজিল্যান্ড, অস্ট্রেলিয়া এবং সবশেষ ভারতের বিপক্ষে সিরিজে জয় পায় বাংলাদেশ দল। এছাড়া কিউইদের বিপক্ষে তাদের মাটিতে টেস্টে প্রথম জয় পায় বাংলাদেশ দল। দক্ষিণ আফ্রিকার বিপক্ষেও তাদের মাটিতে ওয়ানডে সিরিজ জিতেছিল তামিম ইকবালের দল।ডমিঙ্গোর সময়কালে দারুণ সব সাফল্য পেয়েছে বাংলাদেশ। এই সময়টাতে বাংলাদেশ দল টেস্ট খেলেছে ২২ টি যেখানে ৩ জয়ের সঙ্গে ২টি ড্র। ওয়ানডেতে ৩০ ম্যাচে ২১ জয়ের পাশাপাশি ৯ হার। এছাড়া টি-টোয়েন্টি ফরম্যাটে ৪৬ ম্যাচের মধ্যে ১৯ জয়ের পাশাপাশি ২৬ হার। অমিমাংসিত থেকে গিয়েছিল ১ ম্যাচ। কিন্তু শেষ বেলায় এসে সমালোচনার তোপে থেকেই বিদায় নিতে হলো ডমিঙ্গোকে। 

post
বাংলাদেশ

মেট্রোরেল উদ্বোধন করলেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা

রাজধানী ঢাকাবাসীর জন্য আজ বুধবার বহুল প্রতীক্ষিত মেট্রোরেলের ফলকের রেপ্লিকা উন্মোচন করলেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। আজ বেলা ১১টার দিকে রাজধানীর উত্তরার দিয়াবাড়িতে এক অনুষ্ঠানে মেট্রোরেলের ফলকের রেপ্লিকা উন্মোচন করেন প্রধানমন্ত্রী। এরপরই মোনাজাত করা হয়। এ সময় তাঁর সঙ্গে আছেন ছোট বোন শেখ রেহানা। এদিকে দিয়াবাড়িতে বর্ণাঢ্য উদ্বোধনী অনুষ্ঠানের মাধ্যমে মেট্রোরেল কার্যক্রম উদ্বোধন করবেন প্রধানমন্ত্রী। প্রধানমন্ত্রী দিয়াবাড়িতে সুধী সমাবেশে অংশ নেবেন। সমাবেশ মঞ্চে শেখ রেহানাও আছেন। উদ্বোধনের পর রুটের মধ্যবর্তী স্টেশনে কোনো বিরতি ছাড়াই উত্তরা থেকে আগারগাঁও পর্যন্ত চলবে মেট্রোরেল। পরদিন আগামীকাল বৃহস্পতিবার থেকে যাত্রীরা মেট্রোরেলে যাতায়াত করতে পারবেন।

post
বাংলাদেশ

মেট্রোরেলের উদ্বোধনের দিন আসছে ৫০ টাকা মূল্যমানের স্মারক নোট

বাংলাদেশের প্রথম উড়াল মেট্রোরেলের উদ্বোধন উপলক্ষে বাংলাদেশ ব্যাংক ৫০ টাকা মূল্যমানের একটি স্মারক নোট মুদ্রণ করেছে। প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা বুধবার (২৮ ডিসেম্বর) মেট্রোরেল উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে এই স্মারক নোটটি আনুষ্ঠানিকভাবে অবমুক্ত করবেন। মঙ্গলবার (২৭ ডিসেম্বর) কেন্দ্রীয় ব্যাংক থেকে এ তথ্য জানানো হয়েছে।কেন্দ্রীয় ব্যাংক জানায়, অবমুক্তকরণের পর আগামী ২৯ ডিসেম্বর থেকে এই স্মারক নোট বাংলাদেশ ব্যাংকের মতিঝিল অফিস এবং পরে অন্যান্য শাখা অফিসে পাওয়া যাবে। বাংলাদেশের প্রথম উড়াল মেট্রোরেলের উদ্বোধন উপলক্ষে মুদ্রিত ৫০ টাকা মূল্যমান স্মারক নোটের ডিজাইন ও নিরাপত্তা বৈশিষ্ট্য হলো- বাংলাদেশ ব্যাংকের গভর্নর আব্দুর রউফ তালুকদার স্বাক্ষরিত ১৩০ মিমি x ৬০ মিমি পরিমাপের এ স্মারক নোটের সম্মুখভাগের বামপাশে গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকারের প্রধানমন্ত্রীর প্রতিকৃতি এবং ব্যাকগ্রাউন্ডে মেট্রোরেলের ছবি সংযোজন করা হয়েছে। নোটের পেছনভাগে মেট্রোরেলের অপর একটি ছবি সংযোজন করা হয়েছে। নোটের সম্মুখভাগে শিরোনাম ‘বাঁচবে সময়, বাঁচবে পরিবেশ, যানজট কমাবে মেট্রোরেল’ এবং পেছনভাগে ‘Moving People, Saving Time and Environment’ মুদ্রিত রয়েছে। নোটের সম্মুখভাগে উপরে ডান এবং বামকোণে স্মারক নোটের মূল্যমান ইংরেজিতে ‘50’, নিচে ডানকোণে মূল্যমান বাংলায় ‘৫০’ এবং উপরিভাগে মাঝখানে ‘পঞ্চাশ টাকা’ লেখা রয়েছে। নোটের পেছনভাগে উপরে বামকোণে ইংরেজিতে ‘50’ এবং নিচে বামকোণে বাংলায় ‘৫০’ লেখা রয়েছে। এছাড়া, নোটের উপরে ডানকোণে ‘বাংলাদেশ ব্যাংকের মনোগ্রাম এবং নিচে ডানপাশে ‘FIFTY TAKA’ ও ডানপাশে ‘BANGLADESH BANK’ লেখা রয়েছে।১০০ শতাংশ কটন কাগজে মুদ্রিত ৫০ টাকা মূল্যমান স্মারক নোটটির সম্মুখভাগে প্রধানমন্ত্রীর প্রতিকৃতির ডানে ২ মিলিমিটার চওড়া নিরাপত্তা সুতা রয়েছে এবং নোটের ডানদিকে জলছাপ হিসেবে ‘বঙ্গবন্ধুর প্রতিকৃতি’, ‘50’ এবং ‘বাংলাদেশ ব্যাংকের মনোগ্রাম’ মুদ্রিত রয়েছে। এছাড়া নোটের উভয় পৃষ্ঠে ভার্নিশের প্রলেপ সংযোজন করা হয়েছে। ৫০ টাকা অভিহিত মূল্যের স্মারক নোটটির জন্য পৃথকভাবে বাংলা ও ইংরেজি লিটারেচার সম্বলিত ফোল্ডার প্রস্তুত করা হয়েছে। ফোল্ডার ছাড়া শুধুমাত্র খামসহ স্মারক নোটটির মূল্য নির্ধারণ করা হয়েছে ৫০ টাকামাত্র এবং ফোল্ডার ও খামসহ স্মারক নোটটির মূল্য নির্ধারণ করা হয়েছে ১০০ টাকা।

post
এনআরবি বিশ্ব

দক্ষিণ আফ্রিকার বাংলাদেশ দূতাবাসে ভিসা জটিলতা

দীর্ঘদিন ধরে ভিসা জটিলতার কারণে দেশে আসতে পারছেন না দক্ষিণ আফ্রিকার বাংলাদেশি প্রবাসীরা। দির্ঘসুত্রিতা ও দুর্নীতির কারণে হয়রানির শিকার হচ্ছেন তারা।এমন অবস্থায় বহু প্রবাসী হতাশা প্রকাশ করেছেন। সেই সঙ্গে দ্রুত ভিসা জটিলতা নিরসন করে তাদের দেশে যাওয়ার প্রক্রিয়া সহজ করার আহ্বান জানিয়েছেন তারা। দীর্ঘ একবছরের বেশি সময় ধরে যথাসময়ে ভিসা না পাওয়ায় বাংলাদেশে যেতে পারছেন না আফ্রিকার কয়েকটি দেশে বসবাসরত বাংলাদেশি বংশদ্ভূত প্রবাসী ও আফ্রিকান নাগরিকরা।বৈধ কাগজ এবং যথাযথ পক্রিয়া অনুসরণ করেও ভিসা না পাওয়ার অভিযোগ উঠেছে। দীর্ঘসূত্রিতার কারণে ভোগান্তির শিকার হচ্ছেন ভিসা প্রত্যাশীরা। বছরের শেষ দিকে শিক্ষা প্রতিষ্ঠান বন্ধ থাকলেও সন্তানদের নিয়ে যথাসময়ে নিজ জন্মভূমিতে যেতে না পেরে হতাশ অসংখ প্রবাসী বাংলাদেশি পরিবার।ভিসা প্রক্রিয়ায় অনিয়ম আর দুর্নীতি অভিযোগ তুলেছেন তারা। জটিলতা তুলে দিয়ে দেশে যাওয়ার প্রক্রিয়া সহজ করার আহ্বান জানিয়েছেন ভিসা প্রত্যাশীরা।

post
বাংলাদেশ

বাংলাদেশে আবারো রোহিঙ্গা নেতা খুন

কক্সবাজারের উখিয়ার বালুখালী ক্যাম্পে দুর্বৃত্তের গুলিতে মোহাম্মদ হোসেন প্রকাশ শফিক (৪০) নামের রোহিঙ্গা নেতা (হেড মাঝি) নিহত হয়েছেন। সোমবার (২৬ ডিসেম্বর) সকাল সাড়ে ১০টার বালুখালী ক্যাম্প ৮/ইস্টে এ ঘটনা ঘটে। লাশ হাসপাতাল মর্গে রয়েছে। বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন ৮ আমর্ড পুলিশ ব্যাটালিয়নের সহকারী পরিচালক (মিডিয়া) এএসপি ফারুক আহমেদ। নিহত হোসেন ক্যাম্প ৮/ই এর বি-ব্লকের মোহাম্মদ সিদ্দিকের ছেলে এবং ওই ক্যাম্পের হেড মাঝি। নিহতের ছোট ভাই নুর হাশেম জানান, সকালে তার ভাই বাড়ির পাশে বসে ছিলেন। হঠাৎ একদল সন্ত্রাসী এলোপাতাড়ি গুলি করে পালিয়ে যায়। মুমূর্ষু অবস্থায় তাকে উদ্ধার করে হাসপাতালে নেয়া হলে কর্তব্যরত চিকিৎসক মৃত ঘোষণা করেন। এএসপি ফারুক আহমেদ জানান, ঘটনার খবর পেয়ে ঘটনাস্থলে গিয়ে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনা হয়েছে। ঘাতকদের ধরতে কাজ করছে এপিবিএন পুলিশ। গুলিবিদ্ধ মরদেহ হাসপাতালের মর্গে রয়েছে। স্থানীয় রোহিঙ্গারা জানিয়েছে, ক্যাম্পে ‘আরসা’র (আরাকান রোহিঙ্গা স্যালভেশন আর্মি) বিভিন্ন নেতিবাচক কর্মকাণ্ডে সব সময় সোচ্চার ছিলেন শফিক মাঝি। এ কারণেই তাকে মারা হয়েছে বলে সাধারণ রোহিঙ্গাদের ধারনা। কিছুদিন বিরতির পরে ক্যাম্পে সন্ত্রাসী গ্রুপ আবারও সক্রিয় হওয়ার চেষ্টা করছে বলে তারা ধারনা করছেন।

post
বাংলাদেশ

কক্সবাজার থেকে মালয়েশিয়াগামী ১৮০ রোহিঙ্গার সাগরে ডুবে মৃত্যু

রোহিঙ্গাদের বিপদের যেন কোনও শেষ নেই। মৃত্যুর পর মৃত্যুর ঘটনা ঘটছে তাদের জীবনে। কক্সবাজার থেকে মালয়েশিয়াগামী নৌকায় চড়া ১৮০জন রোহিঙ্গা মৃত্যুবরণ করেছেন বলে জানিয়েছে ভারতীয় সংবাদমাধ্যম জিনিউজ।খবরে বলা হয়, গত ২ ডিসেম্বর পাড়ি দিয়েছিল নৌকাটি। কিন্তু ৮ ডিসেম্বরের পর থেকে সেই নৌকার যাত্রীদের সঙ্গে আর কোনোভাবেই যোগাযোগ করা সম্ভব হয়নি। প্রায় কয়েক সপ্তাহ ধরেই নিখোঁজ ছিল নৌকাটি। জাতিসংঘও এই ধরনের কোনও দুর্ঘটনার আশঙ্কা করেছিল। শেষ পর্যন্ত আশঙ্কাই সত্য হল। পানিতে ডুবে মৃত্যুবরণ করেছেন রোহিঙ্গা শরণার্থীরা। কমপক্ষে ১৮০ জন রোহিঙ্গা শরণার্থী মারা গিয়েছেন বলে জানা গিয়েছে। এখনও বহুজন নিখোঁজ। তাদের সন্ধানে তল্লাশি চলছে। এ নিয়ে যথারীতি উদ্বেগ প্রকাশ করেছে জাতিসংঘ। জিনিউজের খবরে বলা হয়, নৌকাটিতে ধারণক্ষমতার চেয়েও অতিরিক্ত যাত্রী বোঝাই করা হয়েছিল। যার কারণে শ্রীলঙ্কা উপকূলের কাছাকাছি গিয়ে নৌকাটি ডুবে যায়। শ্রীলঙ্কা উপকূলের মৎস্যজীবীরা নৌকাডুবির কথা জানতে পেরে উপকূলরক্ষীদের খবর দেন। তারা গিয়ে উদ্ধারকাজ চালান। ততক্ষণে অবশ্য সমুদ্রে ১৮০ জন শরণার্থী ডুবে গিয়েছেন। নৌকাটির আর কোনও যাত্রীই বেঁচে নেই বলেই আশঙ্কা প্রকাশ করা হয়েছে। এর আগে গত সপ্তাহেও ভারতের উপকূলে রোহিঙ্গাদের একটি নৌকা উদ্ধার করা হয়েছিল। এ নৌকায় ক্ষুধা-তৃষ্ণায় অন্তত ২০ জনের মৃত্যু হয়েছিল। নৌকাটিতে ১০০ জনের মতো রোহিঙ্গা ছিলেন। চলতি মাসের শুরুতে শ্রীলঙ্কার উত্তর উপকূল থেকে ১০৪ জন রোহিঙ্গা-সহ একটি নৌকা উদ্ধার করেছিল শ্রীলঙ্কা নৌবাহিনী।

post
বাংলাদেশ

বাংলাদেশে বিদেশিদের প্রবাসী আয় নেওয়ার পরিমাণ ১০ কোটি ডলার ছাড়িয়েছে

বাংলাদেশে কর্মরত বিদেশিদের বৈধভাবে রেমিট্যান্স তথা প্রবাসী আয় নেওয়ার পরিমাণ বছর বছর বাড়ছে। সর্বশেষ ২০২১-২২ অর্থবছরে তা প্রথমবারের মতো ১০ কোটি ডলার ছাড়িয়ে গেছে। এই অর্থ দেশীয় মুদ্রায় ৮৫০ কোটি টাকার বেশি (প্রতি ডলার ৮৫ টাকা ৬০ পয়সা হিসাবে)। বাংলাদেশে কাজ করে বিদেশিরা যে পরিমাণ রেমিট্যান্স নিয়ে গেছেন, তা দেশের একই বছরের মোট দেশজ উৎপাদনের (জিডিপি) শূন্য দশমিক শূন্য ২ শতাংশ। বিশ্বব্যাংকের সহায়তায় প্রতিষ্ঠিত দ্য গ্লোবাল নলেজ পার্টনারশিপ অন মাইগ্রেশন অ্যান্ড ডেভেলপমেন্টের (নৌম্যাড) সর্বশেষ পরিসংখ্যানে এমন তথ্যই উঠে এসেছে। তাদের তথ্যানুযায়ী, ২০২০ সালে ৯ কোটি ৫০ লাখ ডলারের রেমিট্যান্স নিজেদের দেশে পাঠান বাংলাদেশে কর্মরত বিদেশিরা। সেটি গত বছর ৬ দশমিক ৩ শতাংশ বেড়ে ১০ কোটি ১০ লাখ উঠেছে।নৌম্যাডের পরিসংখ্যান অনুযায়ী, বাংলাদেশে কর্মরত বিদেশিরা ২০১২ সালে মাত্র ১ কোটি ২০ লাখ ডলার রেমিট্যান্স নিজ দেশে নিয়েছিলেন। পরবর্তী এক দশকের মধ্যে এক বছর ছাড়া সংখ্যাটি কেবলই বেড়েছে। ২০১৮ সালে বাংলাদেশ থেকে বিদেশিদের রেমিট্যান্স নেওয়ার পরিমাণ বেড়ে ৫ কোটি ৭০ লাখে দাঁড়ায়। পরের বছরে ৮ কোটি ৩০ লাখ ডলারের রেমিট্যান্স নিজেদের দেশে পাঠিয়েছেন বাংলাদেশে কর্মরত বিদেশিরা। অবশ্য নৌম্যাডের পরিসংখ্যানটি আংশিক। এর কারণ ব্যাংকিং মাধ্যম ছাড়াও অবৈধভাবে রেমিট্যান্স নিজ নিজ দেশে পাঠান বাংলাদেশে কর্মরত বিদেশিরা। ২০২০ সালের ফেব্রুয়ারিতে ট্রান্সপারেন্সি ইন্টারন্যাশনাল বাংলাদেশের (টিআইবি) এক প্রতিবেদনে বলা হয়, বিদেশি কর্মীদের বেতন-ভাতার নামে বাংলাদেশ থেকে প্রতিবছর ২৬ হাজার কোটি টাকা পাচার হয়। কম করে ধরলেও বাংলাদেশে আড়াই লাখ বিদেশি কর্মী কাজ করেন। এর মধ্যে পর্যটক ভিসায় এসে কাজ করেন ১ লাখ ৬০ হাজার কর্মী। এসব বিদেশি কর্মী প্রায় ১২ হাজার কোটি টাকার রাজস্ব ফাঁকি দেন।টিআইবি জানায়, এ দেশে কোনো প্রতিষ্ঠানে বিদেশি কর্মী নিয়োগ দিতে গেলে জনপ্রতি নিয়মবহির্ভূতভাবে ২৩ হাজার থেকে ৩৪ হাজার টাকা ঘুষ দিতে হয়। বৈধভাবে বিদেশি কর্মী আনা হলে আটটি ধাপ সম্পন্ন করতে হয়। অবৈধভাবে বিদেশি কর্মী আনা হলে তিন ধাপেই নিয়োগ চক্র শেষ হয়। সে জন্য বেশির ভাগ পর্যটক ভিসায় এসে এ দেশে কাজ করেন।টিআইবির গবেষণা প্রতিবেদনে আরও বলা হয়, আট ধরনের কাগজপত্র ঠিক করতে এই নিয়মবহির্ভূত আর্থিক লেনদেন করতে হয়। সেগুলো হচ্ছে ভিসার সুপারিশপত্র, বিদেশে বাংলাদেশ মিশন থেকে ভিসা সংগ্রহ, বিদেশি নাগরিক নিবন্ধন, কর্ম অনুমতির জন্য আবেদন, নিরাপত্তা ছাড়পত্র (এসবি পুলিশ), নিরাপত্তা ছাড়পত্র (জাতীয় গোয়েন্দা সংস্থা), নিরাপত্তা ছাড়পত্র (স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়) ও ভিসার মেয়াদ বৃদ্ধি। এ প্রক্রিয়া সম্পন্ন করতে ঘুষ দিতে হয়।

post
বাংলাদেশ

বাংলাদেশে বিদ্যুৎচালিত দ্রুতগতির মেট্রোরেল উদ্বোধন কাল

বাংলাদেশ প্রবেশ করতে যাচ্ছে আধুনিকতার নতুন এক অধ্যায়ে। দেশের প্রথম বিদ্যুৎচালিত দ্রুতগতির মেট্রোরেল উদ্বোধন হতে যাচ্ছে বুধবার (২৮ ডিসেম্বর)। প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা মেট্রোরেলের এমআরটি-৬ লাইনের দিয়াবাড়ী থেকে আগারগাঁও অংশের উদ্বোধন এবং প্রথম যাত্রী হবেন। তবে সাধারণ যাত্রীরা স্বপ্নের মেট্রোরেলে চড়ার সুযোগ পাবে পরদিন ২৯ ডিসেম্বর থেকে। ১১ দশমিক ৭৩ কিলোমিটার দীর্ঘ এ পথের আধুনিক ট্রেনে সবগুলো কোচই শীতাতপ নিয়ন্ত্রিত। শুরুর দিকে পুরাপুরি অপারেশনে যাচ্ছে না মহানগরীর নতুন এ গণপরিবহন। ঢাকা ম্যাস ট্রানজিট কোম্পানি লিমিটেড (ডিএমটিসিএল) জানিয়েছে, সেখানে সকাল ৮টা থেকে দুপুর ১২টা পর্যন্ত সর্বোচ্চ চার ঘণ্টা চালানো হবে।মেট্রোরেলের উত্তরা দিয়াবাড়ী থেকে আগারগাঁও পর্যন্ত অংশে মোট ৯টি স্টেশন। এগুলো হলো- উত্তরা উত্তর (দিয়াবাড়ী), উত্তরা সেন্টার, উত্তরা দক্ষিণ, পল্লবী, মিরপুর ১১, মিরপুর-১০, কাজীপাড়া, শেওড়াপাড়া ও আগারগাঁও। তবে শুরুতে কোনও স্টেশনে দাঁড়াবে না মেট্রো। দিয়াবাড়ী থেকে শুরু করে আগারগাঁওয়ে শেষ করবে। প্রতি ১০ মিনিট পর পর উভয়প্রান্ত থেকে চলাচল করবে শহরের সবচেয়ে আধুনিক এ বাহন।এদিকে উদ্বোধনের আগে সবগুলো মেট্রো স্টেশন সার্বিক প্রস্তুতি মোটামুটি শেষ হয়েছে। বিশেষ করে আগারগাঁও উত্তরা দিয়াবাড়ী স্টেশন বেশ পরিপাটি করে সাজানো হয়েছে। বুধবার বঙ্গবন্ধু আন্তর্জাতিক সম্মেলন কেন্দ্র থেকে এর উদ্বোধন করবেন প্রধানমন্ত্রী। এরপর নিজের প্রথম যাত্রী হয়ে যাবেন উত্তরা দিয়াবাড়ি স্টেশনে।মিরপুরবাসী দীর্ঘভোগান্তি-ত্যাগ শেষে মেট্রোরেলের উদ্বোধন হতে যাওয়ায় বেশ উচ্ছ্বসিত এখানকার বাসিন্দারা। তারা বলছেন, স্বপ্নের এ মেট্রোরেল তাদের প্রতিদিনকার জীবনকে আরও সহজ করে দেবে।এ বিষয়ে ডিএমটিসিএলের ব্যবস্থাপনা পরিচালক এম এ এন ছিদ্দিক বলেন, ২৯ ডিসেম্বর সকাল ৮টা থেকে দুপুর ১২টা পর্যন্ত সর্বোচ্চ চার ঘণ্টা চালানো হবে। প্রথমদিকে মেট্রোরেল কোনো স্টেশনে দাঁড়াবে না। উত্তরা থেকে একটি ট্রেন আর একটি ট্রেন আগারগাঁও স্টেশন থেকে যাত্রা শুরু করবে। উভয় দিকে ট্রেনগুলো প্রতি ১০ মিনিট পর পর চলাচল করবে।তিনি আরও বলেন, আমাদের প্রত্যাশা হলো তিন মাস পরে, সেটি ২৬ মার্চও হতে পারে। আমরা ওইদিন থেকে পূর্ণ অপারেশনে যাব। এই সময়ের মধ্যে মানুষ মেট্রোরেলের চড়ায় অভ্যস্ত হয়ে যাবে এটা আমাদের বিশ্বাস। শুরুতে মেট্রোরেল পূর্ণাঙ্গ অপারেশনে যাচ্ছে না।এমআরটি-৬ লাইনের জন্য ২৪ সেট ট্রেন কেনা হচ্ছে জাপান থেকে। এরই মধ্যে ১৯টি ট্রেন এসেছে। ১৯ ধরনের পরীক্ষা চলছে সেগুলোর। পারফরম্যান্স টেস্ট, ট্রায়াল রান ও ইন্টিগ্রেটেড টেস্ট শেষ হওয়া ১০টি ট্রেন চলবে দিয়াবাড়ী-আগারগাঁও অংশে। আর দুটি রিজার্ভ রাখার পরিকল্পনা রয়েছে। তবে শুরুতে পাঁচটি ট্রেন চলবে।আগামী মার্চে মেট্রোরেল পুরোপুরি বাণিজ্যিক কার্যক্রমে যাওয়ার পর স্টেশনে মাত্র ৩০ সেকেন্ড যাত্রাবিরতি করবে। ডিএমটিসিএলের তথ্য মতে, যাত্রীদের অভ্যস্ত হতে শুরুর দিকে বাড়তি সময় দেওয়া হবে। দিয়াবাড়ী থেকে আগারগাঁওয়ের ভাড়া ৬০ টাকা, কিলোমিটার প্রতি ভাড়া ৫ টাকা। মেট্রোরেলের সর্বোচ্চ ধারণ ক্ষমতা ২ হাজার ৩০৮ জন হলেও শুরুর দিকে প্রতিটি ট্রেন ১০০ থেকে ৩৫০ যাত্রী নিয়ে চলবে। মেট্রোরেলের ছয় বগির ট্রেনের দুই দিকেই থাকবে ট্রেইলার কোচ। মেট্রোরেলে প্রতিটি ট্রেনে একটি করে বগি নারী যাত্রীদের জন্য সংরক্ষিত থাকবে। তবে নারী যাত্রীরা সাধারণ বগিতেও ভ্রমণ করতে পারবেন। জানা যায়, এমআরটি-৬ প্রকল্প সরকারের অনুমোদন পায় ২০১২ সালে। ২১ হাজার ৯৮৫ কোটি টাকা ব্যয় ধরে মেট্রোরেলের নির্মাণকাজ শুরু হয়েছিল। পরে তা ধাপে ধাপে বেড়ে হয়েছে ৩৩ হাজার ৪৭২ কোটি টাকা। এরমধ্যে জাইকা ঋণ দিচ্ছে ১৯ হাজার ৭১৮ কোটি টাকা। সবশেষ ২০২৫ সালের ডিসেম্বর পর্যন্ত প্রকল্পের মেয়াদ বেড়েছে।

post
এনআরবি বিশ্ব

মালয়েশিয়ায় ৩ সেক্টরে দ্রুত বিদেশি কর্মী নিয়োগের তাগিদ

মালয়েশিয়ায় তিন সেক্টরে দ্রুত বিদেশি কর্মী নিয়োগে এগোচ্ছে সরকার। কৃষি, পরিষেবা এবং নির্মাণখাতের সেক্টরগুলোতে বিদেশিকর্মী নিয়োগের আবেদন দ্রুত সম্পন্ন করতে বলা হয়েছে। দেশটির প্রধানমন্ত্রী আনোয়ার ইব্রাহিম বলেছেন, মানবসম্পদ মন্ত্রণালয় এবং স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়কে প্রক্রিয়াটি দ্রুত সম্পন্ন করার জন্য বলা হয়েছে।বুধবার মন্ত্রিসভার বৈঠকে সভাপতিত্ব করার পর পেরদানা পুত্রায় এক সংবাদ সম্মেলনে তিনি বলেন, তিনটি খাতকে অবশ্যই জোর দিতে হবে কারণ দেরিতে অনুমোদনের ফলে স্থবিরতা সৃষ্টি হয়েছে। সরকারের মুখ্য সচিব এবং আমি এটিকে সহজ করব। যেন আবেদনের অনুমোদন দ্রুত করা যায়। তিনি বলেন, উৎপাদক এবং বিনিয়োগকারীরা এসে জিজ্ঞাসা করেছেন। সুতরাং, আমাদের অবশ্যই এটি খতিয়ে দেখে শুরু করতে হবে যেন অনুমোদনের গতি বৃদ্ধি পায় এবং আগের তুলনায় আরও কার্যকর হয়।এদিকে, মানবসম্পদ মন্ত্রী ভি. শিবকুমার বলেন, মন্ত্রণালয় শ্রম ঘাটতির বিষয়টি গুরুত্ব সহকারে দেখছে এবং এটি মন্ত্রিসভায় আলোচনা করা হয়েছে। তিনি বলেন, প্রক্রিয়াগুলোকে গতিশীল করতে এবং দ্রুত পর্যাপ্ত শ্রম সরবরাহ নিশ্চিত করতে স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের সঙ্গেও কাজ করবে।তিনি যোগ করেন, এ পর্যন্ত ৭০ হাজার বিদেশি কর্মীর আবেদন মানবসম্পদ মন্ত্রণালয় অনুমোদন করেছে। প্রদত্ত অনুমোদনগুলোর মধ্যে নির্মাণ, পরিষেবা এবং কৃষিখাত রয়েছে। কার্যকর হচ্ছে কর্মসংস্থান আইন: কর্মসংস্থান আইন ১৯৫৫ (সংশোধন) ২০২২, ২০২৩ সালের ১ জানুয়ারি থেকে কার্যকর হচ্ছে। ২১ ডিসেম্বর মানবসম্পদ মন্ত্রী ভি. শিবকুমার বলেছেন, কর্মসংস্থান আইন ১৯৫৫ (সংশোধন) ২০২২ এর সংশোধিত বিধি প্রয়োগ স্থগিত করা হয়েছিল, এখন ১ জানুয়ারি, ২০২৩-এ কার্যকর করা হবে।মন্ত্রী বলেছেন, যদিও স্থগিতকরণের সময়কাল বাড়ানোর জন্য শিল্প মালিকদের পক্ষ থেকে আহ্বান জানানো হয়েছিল, আইনটির সংশোধনী কার্যকর করারও প্রয়োজন ছিলতিনি মনে করেন বিষয়টি নিয়ে এগিয়ে যাওয়া উচিত কারণ এই আইনটি এরই মধ্যে সংসদে পাস হয়েছে এবং বেশিরভাগ সংশোধনী আন্তর্জাতিক শ্রম সংস্থা (আইএলও) কনভেনশনের ওপর ভিত্তি করে করা হয়েছে।গত ২৬ আগস্ট, তৎকালীন মানবসম্পদমন্ত্রী এম. সারাভানান কর্মসংস্থান আইন ১৯৫৫-এর সংশোধনী ১ সেপ্টেম্বর থেকে ১ জানুয়ারি, ২০২৩ পর্যন্ত স্থগিত করার ঘোষণা দেন। সংশোধনী অনুযায়ী প্রতি সপ্তাহে কর্মঘণ্টা ৪৮ থেকে ৪৫ ঘণ্টায় কমিয়ে আনার পাশাপাশি, মাতৃত্বকালীন ছুটি ৬০ দিন থেকে বাড়িয়ে ৯৮ দিন এবং পিতৃত্বকালীন ছুটি তিন দিন থেকে বাড়িয়ে সাত দিন করা হয়েছে। শিবকুমার বলেন, এমপ্লয়মেন্ট অ্যাক্ট ১৯৫৫-এর সংশোধনীর অধীনে, নিয়োগকর্তাদের ৬০ক (৪) ধারা অনুযায়ী বিদেশি কর্মী নিয়োগের জন্য অবশ্যই ডিপার্টমেন্ট অব লেবার পেনিনসুলার মালয়েশিয়ার (জেটিকেএসএম) ডিরেক্টর-জেনারেল থেকে অনুমোদন নিতে হবে। তার মতে, মালয়েশিয়ায় বিদেশি কর্মী নিয়োগকর্তাদের শ্রমের মান নিশ্চিত করতে ধারা ৬০ক (৪) কাজ করবে।

post
এনআরবি বিশ্ব

আমিরাতে সড়ক দুর্ঘটনায় দুই সৌদি নারীর মৃত্যু, বাংলাদেশ ও ভারতের দুই ব্যক্তিকে জরিমানা

সংযুক্ত আরব আমিরাতে সড়ক দুর্ঘটনায় দুই সৌদি নারীর মৃত্যুর ঘটনায় দোষী সাব্যস্ত বাংলাদেশ ও ভারতের দুই ব্যক্তিকে চার লাখ দিরহাম ক্ষতিপূরণ (ব্লাড মানি) দিতে নির্দেশ দিয়েছেন দেশটির একটি আদালত। বাংলাদেশি মুদ্রায় তা প্রায় ১ কোটি ১৫ লাখ টাকার সমান। আবুধাবিভিত্তিক সংবাদপত্র দ্য ন্যাশনাল এক প্রতিবেদনে এ তথ্য জানিয়েছে। গত ৩ জুলাই সংযুক্ত আরব আমিরাতের দুবাইয়ের আল-বারশা এলাকায় দুর্ঘটনাটি ঘটেছিল। দুর্ঘটনায় দুজন নিহত ও চারজন আহত হন। এ ঘটনায় গত সোমবার দুবাইয়ের একটি আদালত বাংলাদেশ ও ভারতের দুই নাগরিককে দোষী সাব্যস্ত করে সাজার রায় ঘোষণা করেন। দুজনই পেশায় গাড়িচালক। তাঁদের নাম প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়নি। তাঁদের বয়স ৪৮ বছর। আদালত বাংলাদেশিকে ১০ হাজার দিরহাম জরিমানা করেছেন। এ ছাড়া ভুক্তভোগী ব্যক্তিদের পরিবারকে ৩ লাখ ২০ হাজার দিরহাম ক্ষতিপূরণ (ব্লাড মানি) দেওয়ার জন্য তাঁকে নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। তাঁর ড্রাইভিং লাইসেন্স তিন মাসের জন্য স্থগিত করার নির্দেশ দিয়েছেন আদালত। অন্যদিকে ভারতীয় ব্যক্তিকে দুই হাজার দিরহাম জরিমানা করা হয়েছে। এ ছাড়া তাঁকে ৮০ হাজার দিরহাম ব্লাড মানি দিতে বলা হয়েছে। দুবাই ট্রাফিক কোর্টের নথি অনুযায়ী, দোষী সাব্যস্ত হওয়া উভয় ব্যক্তি ঘটনার দিন বেপরোয়াভাবে তাঁদের গাড়ি চালিয়েছিলেন। দুর্ঘটনাটি সম্পর্কে প্রতিবেদনে বলা হয়, বাংলাদেশি ব্যক্তি প্রধান সড়কের মাঝখানে তাঁর গাড়ি থামিয়ে উল্টো দিকে যেতে শুরু করেন। ভারতীয় ব্যক্তি অপর একটি গাড়ি চালাচ্ছিলেন। তিনি বাংলাদেশি চালকের গাড়িটি দেখতে পাননি। এ সময় দুই গাড়ির মধ্যে সংঘর্ষ হয়। পরে দুটি গাড়িই তৃতীয় একটি গাড়িকে ধাক্কা দেয়। তৃতীয় গাড়িতে সৌদি আরবের একটি পরিবার ছিল, যারা দুর্ঘটনায় হতাহত হয়। সংঘর্ষের ঘটনায় দুই সৌদি নারী গুরুতরভাবে আহত হন। ঘটনার পরপরই তাঁরা মারা যান। পরিবারটির অপর চার সদস্য আহত হন। আসামিরা আহত হয়েছিলেন কি না, তা জানা যায়নি। আদালতে দুই আসামি তাঁদের বিরুদ্ধে আনা অভিযোগ অস্বীকার করেছিলেন। তাঁরা অভিযোগ থেকে অব্যাহতি চান। কিন্তু বিচারে তাঁরা দোষী সাব্যস্ত হন।

About Us

NRBC is an open news and tele video entertainment platform for non-residential Bengali network across the globe with no-business vision just to deliver news to the Bengali community.