post
এনআরবি বিশ্ব

থাকব ভালো, রাখব ভালো দেশ; বৈধপথে প্রবাসী আয়-গড়ব বাংলাদেশ

‘থাকব ভালো, রাখব ভালো দেশ; বৈধ পথে প্রবাসী আয়-গড়ব বাংলাদেশ’ প্রতিপাদ্যে মিশরের রাজধানী কায়রোস্থ বাংলাদেশ দূতাবাসে পালিত হয়েছে আন্তর্জাতিক অভিবাসী দিবস।সপ্তাহব্যাপী বিভিন্ন কর্মসূচির পর শুক্রবার (২৩ ডিসেম্বর) স্থানীয় সময় সন্ধ্যা ৫টা ৩০ মিনিটে মনিরুজ্জামানের সঞ্চালনায় কোরআন তেলাওয়াতের মধ্য দিয়ে অনুষ্ঠানটি শুরু হয়।ঢাকা থেকে পাঠানো রাষ্ট্রপতি, প্রধানমন্ত্রী, পররাষ্ট্রমন্ত্রী, প্রবাসী কল্যাণ ও বৈদেশিক কর্মসংস্থানমন্ত্রীর বাণী পাঠ করে শোনানোর পর আন্তর্জাতিক অভিবাসী দিবসের প্রতিপাদ্য বিষয়ের ওপর আলোচনা করেন, মিশরের বিভিন্ন এলাকা থেকে আগত প্রবাসী বাংলাদেশিরা।রাষ্ট্রদূত মো. মনিরুল ইসলামের সভাপতিত্বে ও প্রধান অতিথি (সদ্য অবসরপ্রাপ্ত মন্ত্রিপরিষদ সচিব) খন্দকার আনোয়ারুল ইসলামের উপস্থিতিতে দিবসটির গুরুত্ব ও তাৎপর্যের ওপর বক্তব্য দেন দূতালয় প্রধান ও শ্রম কল্যাণ উইংয়ের কাউন্সিলর (শ্রম) মুহাম্মদ ইসমাইল হুসাইন।মিশরে বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থার পরামর্শক প্রবাসী বাংলাদেশি কাজী নূরে আলম বলেন, প্রবাসী বাংলাদেশিদের আরও দক্ষ হয়ে বিদেশ যেতে হবে। বাংলাদেশ থেকে যারা বিদেশ গমন করেন তাদের ঠিকমত বেতন-ভাতা দেওয়া হয় না, নির্ধারিত কর্মঘণ্টা কাজ করানোর পরও অতিরিক্ত সময় কাজ করান, বিনিময়ে অর্থ পরিশোধ করেন না। বাংলাদেশি কর্মীরা অনেক অবহেলার শিকার হন। বাংলাদেশিদের বিদেশযাত্রার আগে প্রয়োজনীয় প্রশিক্ষণ, গমনকৃত দেশের ভাষা, কাজের ক্ষেত্র এবং বেতন-ভাতা সম্পর্কে সঠিক তথ্য জানা প্রয়োজন মর্মে উল্লেখ করেন।কাউন্সেলর (শ্রম) মুহাম্মদ ইসমাইল হুসাইন আগত অতিথিদের স্বাগত জানিয়ে বলেন, সরকার রেমিট্যান্সযোদ্ধাদের কল্যাণে প্রবাসী কল্যাণ ও বৈদেশিক কর্মসংস্থান মন্ত্রণালয়ের মাধ্যমে বিভিন্ন কল্যাণমূলক কর্মসূচি গ্রহণ করেছে। প্রবাসী কর্মীকে গন্তব্য দেশের উন্নয়ন, নিজেদের দেশের পরিবার উন্নয়ন তথা জাতীয় উন্নয়নে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করেন।তিনি উপস্থিত প্রবাসী কর্মীদের ওয়েজ আর্নার্স কল্যাণ বোর্ডের সদস্যপদের সুবিধাসমূহ অনিবন্ধিতদের নিবন্ধিত হওয়ার অনুরোধ করে পদ্ধতি সহজীকরণের বিষয়ে বিস্তারিত আলোচনা করেন।

post
বাংলাদেশ

'বাংলাদেশি পাসপোর্ট পেতে দ্বৈত নাগরিকত্ব সনদের প্রয়োজন নেই'

এখন থেকে বাংলাদেশি পাসপোর্ট পেতে দ্বৈত নাগরিকত্ব সনদের প্রয়োজন নেই। ১৮ ডিসেম্বর স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয় থেকে এ তথ্য জানানো হয়েছে। পরে প্রবাসীদের অবগত করাতে বাংলাদেশ হাইকমিশন লন্ডন একটি জরুরি বিজ্ঞপ্তি দেয়। বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়েছে, এখন থেকে যুক্তরাজ্যের নাগরিকত্ব গ্রহণকারী বাংলাদেশি নাগরিকসহ দ্বিতীয় বা তৃতীয় প্রজন্ম পর্যন্ত বাংলাদেশি নাগরিকত্ব বহাল থাকবে বিধায় তাদের বাংলাদেশি পাসপোর্ট পেতে দ্বৈত নাগরিকত্ব সনদের প্রয়োজন নেই। দ্বিতীয় বা তৃতীয় প্রজন্মের বাংলাদেশি বংশোদ্ভূত ব্রিটিশ নাগরিকরা শুধুমাত্র জন্মনিবন্ধন সনদ এবং পিতা/মাতার বাংলাদেশি পাসপোর্টের ভিত্তিতে নতুন বাংলাদেশি পাসপোর্ট নিতে পারবেন। এর আগে বাংলাদেশ ইমিগ্রেশন ও পাসপোর্ট অধিদপ্তর ব্রিটিশ-বাংলাদেশি দ্বৈত নাগরিকদের সন্তানদের বাংলাদেশি পাসপোর্ট প্রাপ্তির ক্ষেত্রে দ্বৈত নাগরিকত্ব সনদ বাধ্যতামূলক ছিল। পরে সিদ্ধান্ত পুনর্বিবেচনা করে বাংলাদেশ হাইকমিশন লন্ডন সরকারের উচ্চ পর্যায়ে চিঠি চালাচালি চলে। যোগাযোগও অব্যাহত রাখা হয় দুই দেশের উচ্চ পর্যায় থেকে।

post
এনআরবি সাফল্য

মালয়েশিয়ায় রেমিট্যান্সে অবদান রাখায় সম্মাননা পদক পেলেন ৯ প্রবাসী বাংলাদেশি

মালয়েশিয়া থেকে দেশে সর্বোচ্চ রেমিট্যান্স পাঠিয়ে জাতীয় অর্থনীতিতে গুরুত্বপূর্ণ অবদান রাখার স্বীকৃতিস্বরূপ ৯ প্রবাসী বাংলাদেশি পেলেন সম্মাননা পদক। বৈধ চ্যানেলে বাংলাদেশে রেমিট্যান্স পাঠাতে উদ্বুদ্ধ করতে তাদেরকে এই সম্মাননা দিয়েছে বাংলাদেশ হাইকমিশন।সম্মাননাপ্রাপ্তরা হলেন— মো. মকবুল হোসাইন মুকুল, মো. আমিনুল ইসলাম, মো. ফয়সাল আহমেদ, আহমেদ সাদী ইয়ামিন, মো. হাবিব, জামান মোহাম্মদ বাহাদুর খাঁন, মো. আমিনুর রহমান, আলি আহমেদ এবং মো. আব্দুছ ছাবুর। গত রোববার মালয়েশিয়ার সেলাঙ্গর রাজ্যের ক্লাং-এ একটি হোটেলে আয়োজিত আন্তর্জাতিক অভিবাসী দিবস উদযাপন অনুষ্ঠানে তাদের হাতে সম্মাননা পদক ও সনদ তুলে দেন বাংলাদেশের হাইকমিশনার মো. গোলাম সারোয়ার। অনুষ্ঠানে হাইকমিশন কর্মকর্তা, মালয়েশিয়া সরকারের প্রশাসনিক কর্মকর্তা ও অভিবাসী কর্মী নিয়োগ কর্তা এবং বাংলাদেশ কমিউনিটি নেতাসহ ৩ শতাধিক প্রবাসী বাংলাদেশি কর্মী উপস্থিত ছিলেন। প্রধান অতিথির বক্তব্য হাইকমিশনার মো. গোলাম সারোয়ার বলেন, 'মেধা, শ্রম ও দক্ষতার জন্য মালয়েশিয়ায় বাংলাদেশি কর্মীদের বেশ সুনাম রয়েছে। পাশাপাশি তারা রেমিট্যান্সের মাধ্যমে দেশের কল্যাণে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখছেন। গত বছর প্রায় ২২ বিলিয়ন মার্কিন ডলার রেমিট্যান্স পাঠিয়ে ষষ্ঠ স্থান অধিকার করেন মালয়েশিয়ার প্রবাসী বাংলাদেশিরা।' তিনি জানান, রিহিয়ারিং প্রোগ্রামের আওতায় বৈধতাপ্রাপ্তদের জন্য ৬ নং ভিসা দ্রুত দেওয়ার জন্য কূটনৈতিক যোগাযোগে মালয়েশিয়া সরকারকে অনুরোধ করা হয়েছে। অনুষ্ঠানে জানানো হয়, এ বছর মালয়েশিয়াতে ৭২৪ জন প্রবাসী বাংলাদেশির মৃত্যু হয়েছে। এর মধ্যে ৬৬০ জনের মরদেহ বাংলাদেশ হাইকমিশন ও তাদের নিয়োগকারী কর্তৃপক্ষের মাধ্যমে দেশে পরিবারের কাছে পাঠানো হয়েছে এবং করোনা আক্রান্ত হওয়ায় বাকি ৬৪ জনকে মালয়েশিয়াতে সমাধিস্থ করা হয়েছে। আরও জানানো হয়, বাংলাদেশি কর্মীদের সামাজিক নিরাপত্তা বৃদ্ধিতে দেশটির সোশ্যাল সিকিউরিটি অর্গানাইজেশনের মাধ্যমে ৬ হাজার ৪০৮ জন কর্মী ও তাদের পরিবারকে ২ কোটি ২৭ লাখ ৭০ হাজার টাকা ক্ষতিপূরণ এবং অন্য সুবিধাদি দেওয়া হয়েছে। মালয়েশিয়ার শ্রম অধিদপ্তর থেকে ক্ষতিপূরণ বাবদ পাওয়া ৬০ লাখ রিঙ্গিত বাংলাদেশে পাঠানো হয়েছে। পোস্ট অফিসের মাধ্যমে এ পর্যন্ত ১ লাখ ১৫ হাজার পাসপোর্ট বিতরণ করা হয়েছে। এ ছাড়া, মালয়েশিয়া থেকে দ্রুত দেশে পাঠাতে অনিয়মিত ৩ হাজার ৫০ জন এবং জেল ও ক্যাম্পে থাকা ১ হাজার ৩০৬ জন বাংলাদেশিকে হাইকমিশন থেকে ট্রাভেল পারমিট প্রদান করা হয়েছে।

post
টেক মেন্টর

পিপলএনটেকে অনুষ্ঠিত হয়ে গেলো পোস্ট গ্রাজুয়েশন অন নেটওয়ার্ক সিস্টেম এডমিনিস্ট্রেশনের অরিয়েন্টেশন ক্লাশ

যুক্তরাষ্ট্রে অবস্থিত ওয়াশিংটন ইউনিভার্সিটি অফ সায়েন্স অ্যান্ড টেকনোলজি এর তত্ত্বাবধানে পোষ্ট গ্রাজুয়েশন অন নেটওয়ার্ক সিস্টেম এডমিনিস্ট্রেশন এর ৬ষ্ট ব্যাচের অরিয়েন্টেশন ক্লাস অনুষ্ঠিত হয়েছে।২০ ডিসেম্বর মঙ্গলবার রাজধানীর পান্থপথ গুডলাক সেন্টারের পিপলএনটেক ক্লাসরুমে এ অরিয়েন্টেশন ক্লাস অনুষ্ঠিত হয়।কোর্সটি পরিচালনা করবেন ইন্ডাস্ট্রিতে নেটওয়ার্কিং সেক্টর নিয়ে দীর্ঘ দিনের অভিজ্ঞ মেন্টর কাজী মাহমুদুল হক। ওয়াশিংটন ইউনিভার্সিটি অফ সায়েন্স এন্ড টেকনোলজির তত্ত্বাবধায়নে ১ বছর মেয়াদী পোষ্ট গ্রাজুয়েশন অন নেটওয়ার্ক সিস্টেম এডমিনিস্ট্রেশন কোর্সটির অরিয়েন্টেশন অনুষ্ঠানে এ উপস্থিত ছিলেন পিপলএনটেক ইনস্টিটিউট অফ আইটির ভাইস প্রেসিডেন্ট মাশরুল হোসাইন খান লিওন, চীফ অপারেটিং অফিসার আব্দুল হামিদ, সহকারী ব্যবস্থাপক (অপারেশন) শেখ আহমেদ ও পিপলএনটেকের কর্মকর্তাবৃন্দ। অনুষ্ঠানে শিক্ষার্থীদের সাথে কুশল বিনিময় শেষে কোর্সের খুঁটিনাটি বিষয়ে এবং ক্যারিয়ার ডেভলপমেন্ট বিষয়ে পরামর্শ দেয়া হয়।কোর্সটির রেজিস্ট্রেশন লিঙ্কঃ https://forms.gle/mXuR1FkRp8Xp6iSS8বিস্তারিত জানতে যোগাযোগ করুন –01799 44665501611 446699১৫১/৭, গুডলাক সেন্টার(৭ম ও ৮ম তলা), পান্থপথ সিগন্যাল, গ্রীন রোড, ঢাকা-১২০৫ভিজিট করুনঃ https://www.peoplentech.com.bdনিয়মিত আপডেট পেতে আমাদের সাথে থাকুনঃ- YouTube: youtube.com/channel/UCFsCGU6vp4LApX1wzf0dpUQ- Facebook Page: https://facebook.com/peoplentech/

post
বাংলাদেশ

‘আমাদের সঙ্গে যুক্তরাষ্ট্রের সম্পর্ক খুব ভালো’

পররাষ্ট্রমন্ত্রী এ কে আব্দুল মোমেন বলেন, যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে বাংলাদেশের সম্পর্ক ভালো। সম্পর্ক ভালো থাকার কারণে বাংলাদেশকে পরামর্শ দেয় যুক্তরাষ্ট্র।আজ মঙ্গলবার দুপুরে রাজধানীর বাংলাদেশ ইনস্টিটিউট অব ইন্টারন্যাশনাল অ্যান্ড স্ট্র্যাটেজিক স্টাডিজে (বিআইআইএসএস-বিস) এক অনুষ্ঠান শেষে সাংবাদিকদের প্রশ্নের উত্তরে এ মন্তব্য করেন। তিনি এদিন বিস আয়োজিত সেমিনারে প্রধান অতিথি হিসেবে বক্তব্য দেন। ১৪ ডিসেম্বর রাজধানীর শাহীনবাগে মার্কিন রাষ্ট্রদূত পিটার হাসকে একদল লোক ঘিরে ধরেছিলেন। ওই ঘটনাকে ঘিরে নিরাপত্তার উদ্বেগ জানাতে রাষ্ট্রদূত সরাসরি অনুষ্ঠানস্থল থেকে পররাষ্ট্রমন্ত্রীর কাছে যান। ১৫ ডিসেম্বর এ নিয়ে উদ্বেগ জানাতে ওয়াশিংটনে বাংলাদেশের রাষ্ট্রদূত মোহাম্মদ ইমরানে মার্কিন পররাষ্ট্র দপ্তরে ডাকা হয়েছিল। পিটার হাসকে ঘিরে নিরাপত্তাজনিত উদ্বেগের কারণে সম্পর্কে টানাপোড়েন কিংবা নতুন নিষেধাজ্ঞার আশঙ্কা আছে কি না, জানতে চাইলে আব্দুল মোমেন বলেন, ‘আমাদের আশঙ্কার কোনো কারণ নেই। আমেরিকা যাদের ওপর চাপ প্রয়োগ করতে চায় তাদের ওপর নিষেধাজ্ঞা দেয়। মনে আছে মোদির ওপর তারা নিষেধাজ্ঞা দিয়েছিল। সুতরাং আমেরিকা হাজার হাজার নিষেধাজ্ঞা দেয়। বড় লোকেরা হাজার হাজার নিষেধাজ্ঞা দেয়। এগুলো এক দিকে আসে, আরেক দিক দিয়ে যায়। তাই নিষেধাজ্ঞা নিয়ে আমরা মোটেও আতঙ্কিত নই।’ সঙ্গে সাম্প্রতিক সম্পর্কের ব্যাপকতা বোঝাতে গিয়ে পররাষ্ট্রমন্ত্রী বলেন, আমাদের সঙ্গে আমেরিকার খুব ভালো সম্পর্ক। বিভিন্ন ক্ষেত্রে অনেক যুক্ততা আমাদের। এ বছর দুই দেশের মধ্যে সব মিলিয়ে অন্তত ১৬টা বৈঠক হয়েছে। আমাদের সঙ্গে যুক্তরাষ্ট্রের সম্পর্ক ভালো বলেই আমাদের পরামর্শ দেয়। এটা ভালো। এতে আতঙ্কের আর আশঙ্কার কোনো কারণ নেই। যুক্তরাষ্ট্রের নাগরিকদের জন্য ঢাকায় মার্কিন দূতাবাস তাদের ভ্রমণ সতর্ক বার্তা হালনাগাদ করেছে। এ নিয়ে দৃষ্টি আকর্ষণ করা হলে আব্দুল মোমেন বলেন, ‘সেটা (ভ্রমণ সতর্ক বার্তা) ওদের দায়দায়িত্ব এড়ানোর জন্য। তাদের লোকজন এখানে এসে যদি আহত হয় তাহলে যাতে দূতাবাসের দায়িত্ব নিতে না হয়। এটাতে দোষের কিছু নেই। আর বিষয়টি আপনারা বরং তাদেরই জিজ্ঞাসা করেন। আপনি (সাংবাদিক) কি দেশে কোন আতঙ্ক দেখেন? তাহলে আপনি এটা নিয়ে এত আতঙ্কিত কেন?’

post
খেলা

এমবাপ্পেদের ‘জাতীয় বীর’ হিসাবে বরণ করল ফরাসিরা

বিশ্বকাপের ফাইনালে আর্জেন্টিনার কাছে হেরে গেলেও নিজ দেশে বীরের সম্মান পাচ্ছেন এমবাপ্পেরা। তাদের এ হারকে ‘বীরত্বপূর্ণ পরাজয়’ আখ্যা দিচ্ছেন ফরাসিরা। তাই তো তাদেরকে বীরের বেশেই বরণ করে নিয়েছে তারা।ফ্রান্স ফুটবল অ্যাসোসিয়েশন সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে এক পোস্টে লিখেছে— জাতীয় বীরদের বরণ করছি। ২০১৮ সালে এই মঞ্চে তাদের সঙ্গে ছিল বিশ্বকাপের ট্রফি, এবার নেই। তাতে কষ্ট থাকলেও নেই আক্ষেপ। কারণ মাঠে নিজেদের সর্বোচ্চটা উজাড় করে দিয়েছেন ফরাসি ফুটবলাররা। আর তাদের প্রচেষ্টা মন ছুঁয়েছে ফ্রান্সবাসীর। এজন্য বীরদের ঠিক বীরের বেশেই বরণ করে নিয়েছে ফ্রান্স। সঙ্গে প্যারিসের রাস্তায় ছিল ৫০ হাজার সমর্থক। সোমবার রাতে ফ্রান্সে পা রাখেন দিদিয়ের দেশম, হুগো লরিসরা। তখন তাপমাত্রা ছিল ১০ ডিগ্রি সেলসিয়াস। প্রচণ্ড শীতেও সমর্থকদের ছিল বাঁধভাঙা উল্লাস। প্যারিসের ডি লা কনকর্ডে খেলোয়াড়দের সংবর্ধনার আয়োজন করা হয়। যেখানে উষ্ণ ভালোবাসায় সিক্ত হন এমবাপ্পেরা। গ্রিজম্যান, কোম্যান, কামাভিঙ্গেসহ প্রায় সব খেলোয়াড়ের মুখেই হাসি ছিল। সমর্থকদের ভালোবাসায় হয়তো ভুলে গিয়েছিলেন বিশ্বকাপের মুকুটের কথা। হাত নেড়ে ভালোবাসা ফিরিয়ে দেন তারাও। কিন্তু এখানেও বিমর্ষ ছিলেন এমবাপ্পে। মুখে এক চিলতে হাসি ছিল না। গোল্ডেন বুট পেলেও এমবাপ্পের নজরে ছিল টানা দ্বিতীয় বিশ্বকাপ। ২৩ বছর বয়সি ফরোয়ার্ড সেভাবেই পারফর্ম করেছিলেন। কিন্তু ভাগ্য সহায় না থাকায় শ্রেষ্ঠত্বের মুকুট পাওয়া হয়নি তরুণ সুপারস্টারের। হাত নেড়ে, চুমু উড়িয়ে সমর্থকদের ভালোবাসার জবাব দিলেও তাকে এক মুহূর্তের জন্যও হাসিমুখে দেখা যায়নি। শিরোপা হাতছাড়া হওয়ার কষ্টটা এখনো রয়ে গেছে এমবাপ্পের মনে। উল্লেখ্য, রোববার রাতে বিশ্বকাপের ফাইনালে আর্জেন্টিনার সঙ্গে হাড্ডাহাড্ডি লড়াই হয় ফ্রান্সের। নির্ধারিত সময়ের খেলা ২-২ গোলে ড্র থাকায় ম্যাচ গড়ায় অতিরিক্ত সময়ে। পরবর্তী ৩০ মিনিটেও খেলা ৩-৩ গোলে সমতায় শেষ হয়। এর পর টাইব্রেকারে ৪-২ গোলে হেরে যায় ফ্রান্স। সূত্র: বিবিসি

post
এনআরবি সাফল্য

গ্রিসে আন্তর্জাতিক অভিবাসী দিবস পুরস্কার পেলেন ৭ বাংলাদেশি

গ্রিসের রাজধানী এথেন্সে উৎসাহ-উদ্দীপনার মধ্য দিয়ে উদযাপন করা হয়েছে আন্তর্জাতিক অভিবাসী দিবস। ‘থাকব ভালো, রাখব ভালো দেশ; বৈধপথে প্রবাসী আয়-গড়ব বাংলাদেশ’ এই প্রতিপাদ্যকে সামনে রেখে ১৮ ডিসেম্বর এথেন্সস্থ বাংলাদেশ দূতাবাস প্রাঙ্গণে উদযাপন করা হয় দিবসটিকে। আন্তর্জাতিক অভিবাসী দিবস ২০২২ উপলক্ষে আগামী ১৮-২৩ ডিসেম্বর ‘অভিবাসী সপ্তাহ ২০২২’ ঘোষণা করে বিভিন্ন কর্মসূচি নিয়েছে দূতাবাস। এ উপলক্ষে সপ্তাহব্যাপী অভিবাসন সংক্রান্ত বিভিন্ন সেবা ওয়ানস্টপ সার্ভিসের মাধ্যমে উদ্যোগ নিয়েছে। এছাড়া, দেশে বৈধপথে রেমিট্যান্স পাঠানোর ওপর গুরুত্বারোপ করে বিভিন্ন ধরনের প্রচারাভিযান ও সহায়তা দেওয়ার উদ্যোগ গ্রহণ করেছে। পবিত্র কোরআন থেকে তেলোওয়াত ও পবিত্র গীতা পাঠের মাধ্যমে দিবসটির আলোচনা শুরু হয়। এতে সভাপতিত্ব করেন দূতাবাসের রাষ্ট্রদূত আসুদ আহমেদ।এ সময় রাষ্ট্রপতি, প্রধানমন্ত্রী, পররাষ্ট্রমন্ত্রী, প্রবাসী কল্যাণ ও বৈদেশিক কর্মসংস্থান মন্ত্রণালয়ের মন্ত্রী এবং প্রবাসী কল্যাণ ও বৈদেশিক কর্মসংস্থান মন্ত্রণালয়ের সচিবের প্রদত্ত বাণী পড়ে শোনানো হয়। দিবসটি উপলক্ষে বৈধপথে বাংলাদেশে নিয়মিত রেমিট্যান্স প্রেরণ ও রেমিট্যান্স প্রেরণে সহায়তা করার স্বীকৃতিস্বরূপ আন্তর্জাতিক অভিবাসী দিবস পুরস্কার ২০২২ হিসেবে প্রবাসীদের হাতে সম্মাননা স্মারক ও সম্মাননা পত্র তুলে দেন রাষ্ট্রদূত আসুদ আহমদ। অনাড়ম্বরপূর্ণ পরিবেশে দূতাবাসের প্রথম সচিব (শ্রম) বিশ্বজিত কুমার পালের সঞ্চালনায় অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন দূতাবাসের মিনিস্টার মো. খালেদ ও দূতাবাসের অন্যান্য কর্মকর্তা ও কর্মচারীরা।আলোচনার শুরুতে দূতাবাসের প্রথম সচিব (শ্রম) বিশ্বজিত কুমার পাল দূতাবাস ও বাংলাদেশ সরকার প্রবাসীদের জন্য গৃহীত বিভিন্ন উন্নয়নমূলক কর্মকান্ড সম্পর্কে সবাইকে অবহিত করেন। তিনি প্রবাসী কল্যাণ বোর্ডের কার্যক্রম ও প্রবাসী কল্যাণ বোর্ডের সদস্য অন্তর্ভুক্তিমূলক উপকারিতা ও এর ভবিষ্যত গুরুত্বের ওপর বিশেষভাবে বক্তব্য দেন। আলোচনায় অংশ নেন প্রবাসী বাংলাদেশিদের বিভিন্ন রাজনৈতিক, সামাজিক, সাংস্কৃতিক, আঞ্চলিক ও ব্যবসায়ী সংগঠনের প্রতিনিধি, নারী নেতারা এবং বাংলাদেশ কমিউনিটি ইন গ্রিসের নেতাসহ বিভিন্ন শহর এবং দ্বীপাঞ্চলে বসবাসরত প্রবাসী বাংলাদেশিরা। প্রবাসী বক্তারা আন্তর্জাতিক অভিবাসী দিবসের প্রতিপাদ্য ও চেতনাকে সামনে নিয়ে বাংলাদেশের উন্নয়ন অব্যাহত রাখার প্রত্যয় ব্যক্ত করেন। আলোচনায় গত ৯ ফেব্রুয়ারি অভিবাসন বিষয়ে বাংলাদেশ ও গ্রিসের মধ্যে স্বাক্ষরিত দ্বিপাক্ষিক সমঝোতা স্মারক এর তাৎপর্য তুলে ধরা হয় এবং গ্রিসে বসবাসরত সকল আনডকুমেন্টেড প্রবাসী বাংলাদেশিদের লিগালাইজেশন প্রক্রিয়ার ওপর বাংলাদেশ সরকার ও গ্রিক সরকারের গৃহীত পদক্ষেপ তুলে ধরেন, সেই সঙ্গে গ্রিসের শ্রমবাজারের চাহিদা অনুযায়ী প্রতি বছর বৈধপথে ৪০০০ শ্রমিক বাংলাদেশ থেকে আসার সুযোগ সৃষ্টির বিষয়টি তুলে ধরেন।আগামী ২০২৩ সালের জানুয়ারি মাস থেকে লিগালাইজেশনের প্রক্রিয়া শুরু হবে মর্মে গ্রিক সরকারের পক্ষ থেকে জানা গেছে মর্মে জানানো হয়। এক্ষেত্রে কোনো বাংলাদেশি নাগরিক অতি উৎসাহী হয়ে, কোনোভাবে কোনো দালাল বা প্রতারক দ্বারা প্রতারিত না হোন এবং বিভ্রান্তিমূলক প্রচারণা ও প্রতারক চক্রের প্ররোচনার বিষয়ে সতর্ক থাকার জন্য দূতাবাসের পক্ষ থেকে সবাইকে অনুরোধ করা হয় ও দূতাবাস থেকে নিয়মিত হালনাগাদ তথ্য দেওয়া হবে মর্মে জানানো হয়। উপস্থিত বাংলাদেশ কমিউনিটি ইন গ্রিসের সভাপতি হাজী আব্দুল কুদ্দুস প্রবাসীদের সন্তানদের বাংলাদেশ সরকারের কোটা সুবিধার আওতায় এনে চাকরি ও অন্যান্য সুযোগ-সুবিধা দেওয়ার বিষয়ে দাবি উপস্থাপন করেন এবং দেশ ও জাতির কল্যাণে সরকারের নানামুখী কার্যক্রমে অংশগ্রহণ এবং অসম্প্রদায়িক বাংলাদেশ বিনির্মাণে অবদান রাখারও প্রত্যয় ব্যক্ত করেন বক্তারা এই অনুষ্ঠানের আয়োজন করার জন্য দূতাবাসকে ধন্যবাদ জানান। রাষ্ট্রদূত আসুদ আহমদ জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের সুদৃঢ় নেতৃত্ব এবং মুক্তিযোদ্ধাদের সর্বোচ্চ আত্মত্যাগের কথা স্মরণ করে বলেন, প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার নেতৃত্বে আজ আমরা বঙ্গবন্ধুর স্বপ্নের সোনার বাংলাদেশ বিনির্মাণে এগিয়ে যাচ্ছি। এ বিষয়ে তিনি বলেন বাংলাদেশ সরকার অবৈধ অভিবাসন কখনো চায় না, দালাল চক্রের মাধ্যমে অবৈধ উপায়ে গ্রিস কোনো বাংলাদেশি প্রবেশ করুক তা বাংলাদেশ সরকার চায় না। তিনি প্রবাসী বাংলাদেশিদের প্রধানমন্ত্রীর রূপকল্প ২০৪১-এর লক্ষ্য অর্জনের জন্য কাঁধে কাঁধ মিলিয়ে কাজ করার আহ্বান জানান। এছাড়া তিনি জাতির পিতার জন্ম শতবার্ষিকীতে দূতাবাসের গৃহীত সকল কর্মসূচিতে সক্রিয়ভাবে অংশ নেওয়ার জন্য প্রবাসীদের ধন্যবাদ জানান। এ সময় তিনি বাংলাদেশের অর্থনীতিতে প্রবাসী বাংলাদেশিদের অনন্য অবদান এবং বাংলাদেশের কৃষ্টি-সংস্কৃতি, ঐতিহ্য বিদেশের মাটিতে তুলে ধরার জন্য তাদের প্রশংসা করেন এবং তাদের উত্তরোত্তর সাফল্য, সমৃদ্ধি ও সুস্ব্যাস্থ কামনা করেন। গ্রিস থেকে দেশে বৈধপথে রেমিট্যান্স প্রেরণে বর্তমানে ১৯তম অবস্থানে রয়েছে, প্রতি বছর গ্রিস থেকে প্রায় ১০০ মিলিয়ন ইউএস ডলার রেমিট্যান্স বাংলাদেশে যায়, যার পরিমাণ সমগ্র ইউরোপের মধ্যে চতুর্থ। এ কারণে আন্তর্জাতিক অভিবাসী দিবস ২০২২ উপলক্ষে দূতাবাস বৈধপথে বাংলাদেশে রেমিট্যান্স প্রেরণে উদ্বুদ্ধ করার লক্ষ্যে ৩ টি পর্যায়ে (২টি প্রতিষ্ঠান, ৪ জন পুরুষ ও ১ জন নারী) মোট ৭টি আন্তর্জাতিক অভিবাসী দিবস পুরস্কার ২০২২-এ সর্বোচ্চ রেমিট্যান্স দেওয়া ও রেমিট্যান্স প্রেরণে সহায়তাকারী বিবেচনায় সম্মাননার জন্য মনোনীত করা হয় এবং তাদের আন্তর্জাতিক অভিবাসী দিবস ২০২২-এর অনুষ্ঠানে দূতাবাস কর্তৃক সম্মাননা স্মারক ও সম্মাননা দেওয়া হয়। সম্মাননাপ্রাপ্ত ব্যক্তি ও প্রতিষ্ঠানগুলো হচ্ছে- প্রাতিষ্ঠানিক পর্যায়ে: এন, বি, এল মানি ট্রান্সফার এজেন্সি ও ইসলাম মফিদুল এজেন্সি। ব্যক্তি পর্যায়ে (নারী): মানসুরা আক্তার এবং ব্যক্তি পর্যায়ে (পুরুষ): মো. সাইদুর রহমান, মোশাররফ হোসেন লিয়াকত, মো. আব্দুল্লাহ আল-মামুন, মো. আলামিন মিয়া। সম্মাননা স্মারক ও সম্মাননা পত্র প্রাপ্তরা দূতাবাসকে তাদের কাজের স্বীকৃতিস্বরূপ এ সম্মাননা দেওয়ার জন্য ধন্যবাদ জানান।

post
খেলা

আর্জেন্টিনায় আজ সাধারণ ছুটি ঘোষণা

আর্জেন্টিনার সর্বত্র এখন উৎসবের বর্ণচ্ছটা। বুয়েনস এইরেসের রাস্তায় জনস্রোত। আর্জেন্টাইনরা অপেক্ষায় আছেন, কখন লিওনেল মেসিরা বিমান থেকে দেশের মাটিতে পা রাখবেন। ফ্রান্সকে টাইব্রেকারে হারিয়ে বিশ্বজয় করা বীরদের নিয়ে আনন্দে মেতে উঠবে পুরো আর্জেন্টিনা। এমন আনন্দের দিনে কি আর অফিস–আদালত বা স্কুল–কলেজ করা যায়! আর্জেন্টিনার সরকারও এটা বুঝতে পেরেছে। তাই তো দেশটির প্রেসিডেন্ট আলবার্তো ফার্নান্দেজ ভেবেছেন—আজকের দিনটা হোক আকাশি–নীলের, আজকের দিনটা হোক উৎসব আর আনন্দে মেতে ওঠার। এমন দিনে দরকার নেই অফিস–আদালতের, দরকার নেই স্কুল–কলেজের। কাজ বাদ দিয়ে সবাই সামিল হোক উৎসবে।প্রেসিডেন্ট আলবার্তো ফার্নান্দেজ আর্জেন্টিনায় আজ সাধারণ ছুটি ঘোষণা করেছেন। মেসিদের বহনকারী বিমান এজেইজা বিমানবন্দরে নামার কথা বাংলাদেশ সময় বেলা ১১টা ২৫ মিনিটে। বিশ্বকাপ ট্রফি জিততে আর্জেন্টিনার ৩৬ বছরের অপেক্ষা ঘোচানো নায়কদের বরণ করে নিতে প্রস্তুত পুরো আর্জেন্টিনা।বিমানবন্দরে এরই মধ্যে ভিড় করতে শুরু করেছেন সর্বস্তরের মানুষ। রাস্তায় নেমেছে লাখো মানুষের ঢল। সবার গায়ে আর্জেন্টিনার আকাশি–নীল জার্সি, হাতে বা গায়ে জড়ানো আর্জেন্টিনার পতাকা। তাঁরা নাচছেন, গাইছেন। ওপর থেকে দেখলে মনে হয় যেন আকাশি–নীলের স্রোত বয়ে চলেছে রাস্তা দিয়ে। থেমে থেমে সেই স্রোত থেকে গগণবিদারী চিৎকার ভেসে আসছে—ভামোস আর্জেন্টিনা (এগিয়ে যাও আর্জেন্টিনা)।তিন যুগের অপেক্ষা ফুরিয়েছে আর্জেন্টিনার। ফ্রান্সকে হারিয়ে আলবিসেলেস্তারা জিতে নিয়েছে তৃতীয় বিশ্বকাপ ট্রফি। ছাদখোলা বাসে সেই ট্রফি নিয়ে উল্লাস করতে করতেই পরশু রাতে লুসাইল আইকনিক স্টেডিয়াম থেকে দোহার বেজ ক্যাম্প কাতার ইউনিভার্সিটির ছাত্রাবাসে গেছে বিশ্ব চ্যাম্পিয়নরা আর্জেন্টিনার মানুষের সঙ্গে আনন্দ ভাগ করে নিতে মেসিরা ট্রফি নিয়ে রাস্তায় ঘুরবেন ছাদ খোলা বাসে। সেই বাসে যখন মেসিরা একে একে উঠে আর্জেন্টিনার মানুষদের উদ্দেশে কথা বলবেন, ট্রফি উঁচিয়ে ধরবেন, তখন জনতা আবেগে কতটা ভাসবেন আর উদ্‌যাপনে কতটা উন্মত্ত হবেন, কে জানে!

post
খেলা

মেসিদের জয়ে উন্মাদনায় বাংলাদেশ, যা বলছে আর্জেন্টিনার গণমাধ্যম

বুয়েনস এইরেস টাইমস তাদের প্রতিবেদনটি শুরুই করেছে ১৮ বছর বয়সী বাংলাদেশি আর্জেন্টিনা ও মেসি–ভক্ত নেফাউর রহমান জিয়ানের কথা দিয়ে। বিশ্বকাপের শ্বাসরূদ্ধকর ফাইনালে টাইব্রেকারে ফ্রান্সকে ৪–২ গোলে হারিয়ে ৩৬ বছর পর আর্জেন্টিনার শিরোপা জয় ছুঁয়ে গিয়েছিল বাংলাদেশকেও। জিয়ান তখন কাঁদছিলেন। হাজার মাইল দূরের দেশ আর্জেন্টিনার জয়ে তিনি কেন কাঁদছেন—এমন প্রশ্নে তাঁর মন্তব্য, ‘আমি জানি না আমি কেন কাঁদছি, কিন্তু আমি তাঁর জন্য কাঁদছি। এই “তিনি” লিওনেল মেসি।’বাংলাদেশের মানুষের আবেগ এরই মধ্যে ছুঁয়ে গেছে আর্জেন্টিনাকে। বিশ্বকাপের শুরু থেকেই বাংলাদেশের প্রতি ব্যাপক আগ্রহ তাদের। প্রায় প্রতিদিনই বাংলাদেশের মানুষের উচ্ছ্বাস, সমর্থন ও মেসির প্রতি অনুরাগ নিয়ে প্রতিবেদন ছেপেছে তারা। বুয়েনস এইরেস টাইম বাংলাদেশকে ‘ক্রিকেট পাগল দেশ’ হিসেবে বর্ণনা করে বলেছে, দেশটির ক্রিকেট দল বিশ্বের অন্যতম সেরা। যদিও বাংলাদেশের ফুটবল সম্পর্কে তাদের মন্তব্য, ‘ফুটবলে বৈশ্বিক তালিকার তলানিতে অবস্থান বাংলাদেশের’। বুইনস এইরেস টাইমস লিখেছে, চার বছর পরপর বিশ্বকাপ এলে বাংলাদেশের মানুষ ফুটবল নিয়ে মেতে ওঠে। তারা নিজেদের ভাগ করে নেয় ব্রাজিল ও আর্জেন্টিনা—এই দুই প্রতিদ্বন্দ্বী দলের সমর্থকগোষ্ঠীতে।

post
টেক মেন্টর

পিপলএনটেকের সহযোগিতায় নোয়াখালীতে কম্পিউটার ল্যাব উদ্বোধন

পিপলএনটেক ইনস্টিটিউট অফ আইটির সহযোগিতায় নোয়াখালীর বেগমগঞ্জের শামসুন্নাহার উচ্চ বিদ্যালয়ে জহির উদ্দিন কম্পিউটার ল্যাব উদ্বোধন করা হয়েছে।শনিবার (১৭ ডিসেম্বর) নোয়াখালীর বেগমগঞ্জের শামসুন্নাহার উচ্চ বিদ্যালয়ের হলরুমে এ উদ্বোধন অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন পিপলএনটেক ইনস্টিটিউট অফ আইটির ভাইস প্রেসিডেন্ট মাশরুল হোসাইন খান লিওন, চীফ অপারেটিং অফিসার আব্দুল হামিদ, যুক্তরাষ্ট্রে ইউনিভার্সিটি অফ মারিল্যান্ড গ্লোবাল ক্যাম্পাসের ইকোনোমিক্স এন্ড ফাইনান্স প্রফেসর ড. ফাইজুল ইসলাম । অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে প্রফেসর ড. ফাইজুল ইসলাম বলেন, 'তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি বা আইসিটির মাধ্যমে উন্নত জীবন যাপন, মানব কল্যাণ, সম্পর্ক উন্নয়নমূলক কার্যক্রম পরিচালনা এবং জাতীয় স্বার্থ সংরক্ষণ করা সম্ভব। আইটি শিক্ষার মাধ্যমে পৃথিবীকে একটি বিশ্বগ্রাম বা গ্লোবাল ভিলেজে পরিণত করা যায়। বিশ্বকে জানা এবং নিজেদের দোরগোড়ায় আনা শুধু আইসিটি কে জানা এবং আইসিটি শিক্ষা লাভের মাধ্যমেই সম্ভব। এ লক্ষ্যকে বাস্তবায়নের জন্য তিনি তার দাদার নামকরণে কম্পিউটার ল্যাবটি স্থাপন করেন। যেখানে গ্রামের সকল শিক্ষার্থীরা স্কুলে গিয়ে বিভিন্ন প্রশিক্ষণ নিতে পারবে। আর এই সকল প্রশিক্ষণে অনলাইনের মাধ্যমে কারিগরি সহায়তা প্রদান করবে ঢাকায় অবস্থিত পিপলএনটেক ইনস্টিটিউট অফ আইটি প্রতিষ্ঠান। অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথির বক্তব্যে পিপলএনটেক ইনস্টিটিউট অফ আইটির ভাইস প্রেসিডেন্ট মাশরুল হোসাইন খান লিওন বলেন, 'আমরা ওয়াশিংটন ইউনিভার্সিটি অব সায়েন্স অ্যান্ড টেকনোলজি ও পিপলএনটেকের যৌথ আয়োজনে দেশের বিভিন্ন শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে শিক্ষার্থীদের প্রশিক্ষণ প্রদান শুরু করতে যাচ্ছি, এটির মূলত যে উদ্দেশ্য তা হল গ্রাম বা মফস্বলে থাকা যে শিক্ষার্থীরা বিভিন্ন প্রশিক্ষণ থেকে বঞ্চিত থাকে তাদের প্রশিক্ষণের সুযোগ করে দেওয়া। এই প্রশিক্ষণ আমরা স্কলারশিপের মাধ্যমে এবং কোন কোন ক্ষেত্রে বিনামূল্যে প্রদানের ব্যবস্থা করব যাতে করে শিক্ষার্থীরা আইটি জ্ঞানকে কাজে লাগিয়ে আর্থস্বাবলম্বী হতে পারে। তিনি আরো বলেন আমাদের এই প্রশিক্ষণ কার্যক্রমটি পাইলট প্রকল্প। ভবিষ্যতে দেশের ৬৪ টি জেলায় এই কার্যক্রম অব্যাহত থাকবে। অনুষ্ঠানে বক্তব্য রাখেন পিপলএনটেক ইনস্টিটিউট অফ আইটির চীফ অপারেটিং অফিসার আব্দুল হামিদ, 'তিনি বলেন বিভিন্ন শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের ল্যাবে আমাদের প্রশিক্ষণ কার্যক্রম নোয়াখালীর মাধ্যমে যাত্রা শুরু করলো, ভবিষ্যতে সারাদেশে এই কার্যক্রম অব্যাহত থাকবে। অনুষ্ঠানে আরো উপস্থিত ছিলেন পিপলএনটেক ইনস্টিটিউট অফ আইটির সহকারী ব্যবস্থাপক (অপারেশন) শেখ আহমেদ, ম্যানেজিং কমিটির সভাপতি, স্কুলের প্রধান শিক্ষকসহ বিদ্যালয় প্রতিষ্ঠাতার পরিবার বর্গ।

About Us

NRBC is an open news and tele video entertainment platform for non-residential Bengali network across the globe with no-business vision just to deliver news to the Bengali community.