যুক্তরাষ্ট্রে বাংলাদেশি কমিউনিটিকে পাশে নিয়েই বেড়ে উঠতে চায় ওয়াশিংটন ইউনিভার্সিটি অব সায়েন্স অ্যান্ড টেকনোলজি। এটি কমিউনিটির সকলের বিশ্ববিদ্যালয়, এভাবেই বলছিলেন বিশ্ববিদ্যালয়ের চ্যান্সেলর ইঞ্জিনিয়ার আবুবকর হানিপ।
ভার্জিনিয়াস্থ বাংলাদেশি কমিউনিটির অত্যন্ত জনপ্রিয় সাংস্কৃতিক সংগঠন 'একতারা'র সঙ্গে একটি সহযোগিতা স্মারক সই করার সময় এসব কথা বলেন তিনি।
একতারা'র উদ্যোগে আয়োজিত একটি নাট্ট প্রযোজনায় টাইটেল স্পন্সর হিসেবে পাশে থাকার অঙ্গীকার ব্যক্ত করেন আবুবকর হানিপ।
সে উপলক্ষে একটি অনাড়ম্বর আয়োজনে শুক্রবার সন্ধ্যায় সই করা হয় সমঝোতা স্মারক।
একতারা'র পক্ষে এর অন্যতম প্রধান সংগঠন গোলাম মাওলা মিলন স্মারকে সাক্ষর করেন।
এসময় উপস্থিত ছিলেন বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রেসিডেন্ট ড. হাসান কারাবার্ক।
তিনি বলেন, বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রধানতম লক্ষ্যই হচ্ছে এর ডাইভার্সিটি। বহুসংস্কৃতি থেকে আসা শিক্ষার্থীরা এখানে বিশ্ববিদ্যালয় ক্যাম্পাসকে সম্মৃদ্ধ করছে। বাংলাদেশের সংস্কৃতির ঋদ্ধতার প্রশংসা করে ড. কারাবার্ক বলেন, এমন একটি উদ্যোগের পাশে থাকতে পেরে বিশ্ববিদ্যালয় গৌরব বোধ করছে।
ওয়াশিংটন ইউনিভার্সিটি অব সায়েন্স অ্যান্ড টেকনোলজির পাশাপাশি আবুবকর হানিপের নেতৃত্বে পরিচালিত অপর দুই প্রতিষ্ঠান পিপলএনটেক ও এনআরবি কানেক্ট টিভিও এই সমঝোতার অংশিদারীত্বে রয়েছে।
আবুবকর হানিপ তার বক্তৃতায় আরও বলেন, তার পরিচালনায় এই বিশ্ববিদ্যালয় কোনোভাবেই একটি মানি মেকিং মেশিন হবে না। সংস্কৃতি ও শিক্ষার ওপর যুগপৎ গুরুত্ব দিয়ে বিশ্ববিদ্যালয় তার পথ চলছে।
গোলাম মাওলা মিলন তার বক্তৃতায় বিশ্ববিদ্যালয় তথা এর চ্যান্সেলর আবুবকর হানিপকে বিশেষ ধন্যবাদ জানান। একটি উন্নত সংস্কৃতির চর্চার উদ্যোগে বিশ্ববিদ্যালয়ের এই পৃষ্ঠপোষকতা কমিউনিটি কৃতজ্ঞতার সাথে স্মরণ রাখবে বলে উল্লেখ করেন তিনি।
তিনি জানান এবারের নাটকটি হবে বাংলার এক সময়ের ধনাঢ্য জমিদার ও পরে আধ্যাত্মিক সাধক হাসন রাজার জীবনালেখ্য নিয়ে লেখা গল্প হাসন জনের রাজা। যার নাট্টরূপ দিয়েছেন বাংলাদেশের খ্যাতনামা স্থপতি ও লেখক শাকুর মজিদ।
একতারার অতীতের সকল প্রযোজনার ভূয়সী প্রশংসা করে আবুবকর হানিপ বলেন, এবছরও প্রতিষ্ঠানটি কমিউনিটির জন্য একটি মানসম্মত কর্মসূচি দিতে পারবে এমনটাই তার প্রত্যাশা।
অনুষ্ঠানে অন্যান্যের মধ্যে বিশ্ববিদ্যালয়ের মার্কেটিং বিভাগের প্রধান হোসে ওর্তেগা ও একতারার অপর সংগঠন মিস. রচনা বক্তব্য রাখেন।
পরে একটি কেক কেটে ও অতিথিদের মধ্যে ফুল ও বিশেষ উপহারসামগ্রী বিনিময়ের মধ্য দিয়ে কর্মসূচিটি শেষ হয়।
