বর্তমান যুগে ডিজিটাল মার্কেটিং নিয়ে অনেকের মনে প্রশ্ন আসতেই পারে ডিজিটাল মার্কেটিং আসলে কি?
চলুন জেনে নেওয়া যাক, Digital Marketing হলো ইলেকট্রনিক মিডিয়াকে ব্যবহার করে ইন্টারনেট দুনিয়ায় পণ্য, প্রতিষ্ঠান বা ব্র্যান্ডের প্রচারনা বা বিজ্ঞাপন দেয়া। বিশেষ করে সোশ্যাল মিডিয়াগুলোতে বিজ্ঞাপন দেয়ার হার বর্তমানে সবচেয়ে বেশি। এর কারণ বিশ্বে ৫৫.০৮ শতাংশ মানুষ ইন্টারনেট ব্যবহার করছে তার মধ্যে ৭৫ শতাংশ মানুষ নিয়মিত সোশ্যাল মিডিয়া ব্যবহার করে। তাই Social Media ও Digital মাধ্যমগুলো কে কাজে লাগিয়ে ব্যবসার পথ আরো সমৃদ্ধ হচ্ছে।
এই লক্ষ্য বাস্তবায়নে রাজধানীর সাভারে ইস্টার্ন ইউনিভার্সিটিতে দুই দিন ব্যাপী অনুষ্ঠিত হয়ে গেলো "মাস্টার ইন ডিজিটাল মার্কেটিং ওয়ার্কশপ"।
১ ও ২ নভেম্বর বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রায় শতাধিক শিক্ষার্থীদের অংশগ্রহণে সকাল থেকে শুরু হয়ে বিকেল পর্যন্ত বিভিন্ন বিষয়ের উপর হাতে কলমে প্রশিক্ষণ দেন পিপলএনটেক ইন্সটিটিউট অফ আইটির সিনিয়র ফ্যাকল্টি ও এসইও ফরহাদ হোসেন।
একজন শিক্ষার্থী ডিজিটাল মার্কেটিং করে কিভাবে নিজের ক্যারিয়ার উন্নত করতে পারবেন এব্যাপারে বিভিন্ন দিক নির্দেশনা মূলক বক্তব্য দেন তিনি। অনলাইন হতে টাকা ইনকাম সহ নিজেকে দক্ষ হিসেবে গড়ে তোলার জন্য বিভিন্ন আইটি বিষয়ে হাতে কলমে প্রশিক্ষণ দেওয়া হয় এই ওয়ার্কশপে।
অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন ইস্টার্ন ইউনিভার্সিটির ভাইস চ্যান্সেলর প্রোফেসর ড. শাহিদ আখতার হোসাইন, বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন ইউনিভার্সিটির কোষাধ্যক্ষ ড. আব্বাস আলী খান, পিপলএনটেক ইনস্টিটিউট অফ আইটির ভাইস প্রেসিডেন্ট মাশরুল হোসাইন খান লিওন।
এসময় বিশেষ অতিথির বক্তব্যে মাশরুল হোসাইন খান লিওন বলেন, দক্ষিণ এশিয়ার মধ্যে একমাত্র বাংলাদেশী আবুবকর হানিপ যিনি আমেরিকায় একটি বিশ্ববিদ্যালয় স্থাপন করেছেন। এটা আমাদের জন্য অত্যন্ত গর্বের বিষয়। ২০১৯ সালে আমরা একটা জরিপে দেখেছি প্রথম তিন মাসে প্রায় ৫০০ বাংলাদেশি শিক্ষার্থী ওয়াশিংটন ইউনিভার্সিটিতে উচ্চ শিক্ষার জন্য গিয়েছে।
তিনি বলেন, ‘ওয়াশিংটন ইউনিভার্সিটির চ্যান্সেলর এবং সিইও আবুবকর হানিপ ইতিমধ্যে মেধাবী শিক্ষার্থীদের জন্য ১ মিলিয়ন ডলারের স্কলারশিপ ঘোষণা করেছে, আমি ইস্টার্ন ইউনিভার্সিটি মেধাবী শিক্ষার্থীদের এই স্কলারশীপের সুযোগ করে দিবো’।
‘ওয়াশিংটন ইউনিভার্সিটি ও পিপলএনটেক থেকে একটা তথ্য আপনাদের দিতে চাই, অনেক শিক্ষার্থী আছেন ইংরেজিতে দক্ষতার সাথে কথা বলা বা বিভিন্ন প্রস্তুতির ঘাটতি থাকায় তারা তাদের কাঙ্ক্ষিত লক্ষে যেতে পারছেন না। কিন্তু ওয়াশিংটন ইউনিভার্সিটি অফ সাইন্স এন্ড টেকনোলজি বাংলাদেশি শিক্ষার্থীদের জন্য IELTS স্কোর ৫.৫ পয়েন্ট এবং ডুয়োলিঙ্গ ৯০ স্কোর নিয়ে আপনাকে সেই সুযোগ করে দিচ্ছে’।
তিনি বলেন, যারা আইটিতে বিভিন্ন কোর্স নিয়ে যেতে চাচ্ছেন তাঁদের জন্য পিপলএনটেক প্রশিক্ষণের প্রয়োজনীয় সুবিধা প্রদান করবে এবং প্রশিক্ষণ শেষে আপনাদের জব প্লেসমেন্টের ব্যবস্থা করে দিবে।
প্রধান অতিথির বক্তব্যে ইস্টার্ন ইউনিভার্সিটির ভাইস চ্যান্সেলর প্রফেসর ড. শাহিদ আখতার হোসাইন আমেরিকার বুকে ওয়াশিংটন ইউনিভার্সিটি অফ সায়েন্স এন্ড টেকনোলজি গড়ে তোলায় বিশ্ববিদ্যালয়ের চ্যান্সেলর ও সিইও আবু বকর হানিপকে ধন্যবাদ জানিয়ে বলেন, আমরা আশা রাখছি আমাদের ইউনিভার্সিটি থেকে অনেক শিক্ষার্থী তাঁর এই বিশ্ববিদ্যালয়ে পড়াশোনার সুযোগ পাবে, এবং সকল ধরনের সহযোগিতার জন্য পিপলএনটেক কে পাশে পাবেন বলে মনে করেন তিনি।
দুদিন ব্যাপী এ ওয়ার্কশপ অনুষ্ঠান সঞ্চালনা করেন ইস্টার্ন ইউনিভার্সিটির সহকারী পরিচালক ফরহাদ হোসেন মল্লিক, এছাড়াও অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন পিপলএনটেক ইন্সটিটিউট অফ আইটির বিজনেস ডেভলপমেন্টের ব্যবস্থাপক নজরুল ইসলাম।
