post
বাংলাদেশ

'বাংলাদেশি পাসপোর্ট পেতে দ্বৈত নাগরিকত্ব সনদের প্রয়োজন নেই'

এখন থেকে বাংলাদেশি পাসপোর্ট পেতে দ্বৈত নাগরিকত্ব সনদের প্রয়োজন নেই। ১৮ ডিসেম্বর স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয় থেকে এ তথ্য জানানো হয়েছে। পরে প্রবাসীদের অবগত করাতে বাংলাদেশ হাইকমিশন লন্ডন একটি জরুরি বিজ্ঞপ্তি দেয়। বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়েছে, এখন থেকে যুক্তরাজ্যের নাগরিকত্ব গ্রহণকারী বাংলাদেশি নাগরিকসহ দ্বিতীয় বা তৃতীয় প্রজন্ম পর্যন্ত বাংলাদেশি নাগরিকত্ব বহাল থাকবে বিধায় তাদের বাংলাদেশি পাসপোর্ট পেতে দ্বৈত নাগরিকত্ব সনদের প্রয়োজন নেই। দ্বিতীয় বা তৃতীয় প্রজন্মের বাংলাদেশি বংশোদ্ভূত ব্রিটিশ নাগরিকরা শুধুমাত্র জন্মনিবন্ধন সনদ এবং পিতা/মাতার বাংলাদেশি পাসপোর্টের ভিত্তিতে নতুন বাংলাদেশি পাসপোর্ট নিতে পারবেন। এর আগে বাংলাদেশ ইমিগ্রেশন ও পাসপোর্ট অধিদপ্তর ব্রিটিশ-বাংলাদেশি দ্বৈত নাগরিকদের সন্তানদের বাংলাদেশি পাসপোর্ট প্রাপ্তির ক্ষেত্রে দ্বৈত নাগরিকত্ব সনদ বাধ্যতামূলক ছিল। পরে সিদ্ধান্ত পুনর্বিবেচনা করে বাংলাদেশ হাইকমিশন লন্ডন সরকারের উচ্চ পর্যায়ে চিঠি চালাচালি চলে। যোগাযোগও অব্যাহত রাখা হয় দুই দেশের উচ্চ পর্যায় থেকে।

post
বাংলাদেশ

‘আমাদের সঙ্গে যুক্তরাষ্ট্রের সম্পর্ক খুব ভালো’

পররাষ্ট্রমন্ত্রী এ কে আব্দুল মোমেন বলেন, যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে বাংলাদেশের সম্পর্ক ভালো। সম্পর্ক ভালো থাকার কারণে বাংলাদেশকে পরামর্শ দেয় যুক্তরাষ্ট্র।আজ মঙ্গলবার দুপুরে রাজধানীর বাংলাদেশ ইনস্টিটিউট অব ইন্টারন্যাশনাল অ্যান্ড স্ট্র্যাটেজিক স্টাডিজে (বিআইআইএসএস-বিস) এক অনুষ্ঠান শেষে সাংবাদিকদের প্রশ্নের উত্তরে এ মন্তব্য করেন। তিনি এদিন বিস আয়োজিত সেমিনারে প্রধান অতিথি হিসেবে বক্তব্য দেন। ১৪ ডিসেম্বর রাজধানীর শাহীনবাগে মার্কিন রাষ্ট্রদূত পিটার হাসকে একদল লোক ঘিরে ধরেছিলেন। ওই ঘটনাকে ঘিরে নিরাপত্তার উদ্বেগ জানাতে রাষ্ট্রদূত সরাসরি অনুষ্ঠানস্থল থেকে পররাষ্ট্রমন্ত্রীর কাছে যান। ১৫ ডিসেম্বর এ নিয়ে উদ্বেগ জানাতে ওয়াশিংটনে বাংলাদেশের রাষ্ট্রদূত মোহাম্মদ ইমরানে মার্কিন পররাষ্ট্র দপ্তরে ডাকা হয়েছিল। পিটার হাসকে ঘিরে নিরাপত্তাজনিত উদ্বেগের কারণে সম্পর্কে টানাপোড়েন কিংবা নতুন নিষেধাজ্ঞার আশঙ্কা আছে কি না, জানতে চাইলে আব্দুল মোমেন বলেন, ‘আমাদের আশঙ্কার কোনো কারণ নেই। আমেরিকা যাদের ওপর চাপ প্রয়োগ করতে চায় তাদের ওপর নিষেধাজ্ঞা দেয়। মনে আছে মোদির ওপর তারা নিষেধাজ্ঞা দিয়েছিল। সুতরাং আমেরিকা হাজার হাজার নিষেধাজ্ঞা দেয়। বড় লোকেরা হাজার হাজার নিষেধাজ্ঞা দেয়। এগুলো এক দিকে আসে, আরেক দিক দিয়ে যায়। তাই নিষেধাজ্ঞা নিয়ে আমরা মোটেও আতঙ্কিত নই।’ সঙ্গে সাম্প্রতিক সম্পর্কের ব্যাপকতা বোঝাতে গিয়ে পররাষ্ট্রমন্ত্রী বলেন, আমাদের সঙ্গে আমেরিকার খুব ভালো সম্পর্ক। বিভিন্ন ক্ষেত্রে অনেক যুক্ততা আমাদের। এ বছর দুই দেশের মধ্যে সব মিলিয়ে অন্তত ১৬টা বৈঠক হয়েছে। আমাদের সঙ্গে যুক্তরাষ্ট্রের সম্পর্ক ভালো বলেই আমাদের পরামর্শ দেয়। এটা ভালো। এতে আতঙ্কের আর আশঙ্কার কোনো কারণ নেই। যুক্তরাষ্ট্রের নাগরিকদের জন্য ঢাকায় মার্কিন দূতাবাস তাদের ভ্রমণ সতর্ক বার্তা হালনাগাদ করেছে। এ নিয়ে দৃষ্টি আকর্ষণ করা হলে আব্দুল মোমেন বলেন, ‘সেটা (ভ্রমণ সতর্ক বার্তা) ওদের দায়দায়িত্ব এড়ানোর জন্য। তাদের লোকজন এখানে এসে যদি আহত হয় তাহলে যাতে দূতাবাসের দায়িত্ব নিতে না হয়। এটাতে দোষের কিছু নেই। আর বিষয়টি আপনারা বরং তাদেরই জিজ্ঞাসা করেন। আপনি (সাংবাদিক) কি দেশে কোন আতঙ্ক দেখেন? তাহলে আপনি এটা নিয়ে এত আতঙ্কিত কেন?’

post
বাংলাদেশ

বাংলাদেশে বঙ্গবন্ধুর স্বপ্নগুলো বাস্তবায়ন হোক, প্রত্যাশা বার্নিকাটের

বাংলাদেশে বঙ্গবন্ধুর স্বপ্নগুলোর অব্যহত বাস্তবায়ন প্রত্যাশা করেছেন মার্সা বার্নিকাট। বাংলাদেশের সাবেক এই মার্কিন রাষ্ট্রদূত দেশটির অব্যহত উন্নয়ন এবং আগামী নির্বাচন যাতে অবাধ ও নিরপেক্ষ হয় সে ব্যাপারেও তার প্রত্যাশা ব্যক্ত করেছেন। শুক্রবার যুক্তরাষ্ট্রের ওয়াশিংটনে বাংলাদেশ দূতাবাসে মহান বিজয় দিবস উদযাপন আয়োজনে অংশ নিয়ে এনআরবি কানেক্ট টেলিভিশনকে দেওয়া একান্ত সাক্ষাৎকারে এসব কথা বলেন তিনি।মার্সিয়া স্টেফেন ব্লুম বার্নিকাট বর্তমানে যুক্তরাষ্ট্রের ফরেন সার্ভিস বিভাগের মহাপরিচালকের দায়িত্ব পালন করছেন।  তিনি বলেন, কোভিড-১৯ মোকাবেলায় বাংলাদেশের নেওয়া সকল নীতি ও উদ্যোগগুলো আমাকে গর্বিত করেছে। এখন বাংলাদেশ এই সঙ্কটকে অতিক্রম করে গেছে। এছাড়াও বাংলাদেশের সকল উন্নয়ন পরিকল্পনা নিয়েছে সেগুলোও গুরুত্বপূর্ণ।বার্নিকাট আরও বলেন, "দেশটিতে নির্বাচন ঘনিয়ে আসছে। আমি চাই একটি অবাধ সুষ্ঠু নির্বাচন সংগঠিত হোক। আর এই বিজয় দিবসে এই প্রত্যাশাই করি বঙ্গবন্ধুর স্বপ্নগুলো বাস্তবায়ন হোক।"   বিজয় দিবস উপলক্ষ্যে আয়োজিত সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান উপভোগ করার পর মার্সা বার্নিকাট আরও বলেন, সবসময়ের মতো এবারও দূতাবাসের বিজয় উদযাপন ছিলো অসাধারণ। "আমার সবসময়ই নাচের আয়োজনগুলো দেখতে ভালো লাগে। বিশেষ করে এখানকার তরুণ-তরুণীরা যখন তাদের নৃত্যকলা প্রদর্শণ করে আমি ভীষণ উপভোগ করি।" কোভিড-১৯ এর পর এবার আমরা আবার সশরীরে হাজির হয়ে এই আনন্দ উদযাপন করতে পারছি, এটাও ভালো লাগছে। এখানে সকল বাংলাদেশি বন্ধুদের সঙ্গেও দেখা হয়ে গেলো, সেটাও গুরুত্বপূর্ণ, বলছিলেন মার্শা বার্নিকাট। যুক্তরাষ্ট্র বাংলাদেশি কমিউনিটির অতি পরিচিত মুখ, শিক্ষা ও আইটি প্রশিক্ষণ উদ্যোক্তা, ওয়াশিংটন ইউনিভার্সিটি অব সায়েন্স অ্যান্ড টেকনোলজি'র চ্যান্সেলর ইঞ্জিনিযার আবুবকর হানিপ এসময় মার্শা বার্নিকাটের পাশে ছিলেন। বাংলাদেশকে তিনি ভীষন মিস করেন, বাংলাদেশের জন্য তিনি ভীষণ হোমসিক বোধ করেন এমনটাই বলছিলেন মার্সা বার্নিকাট। তিনি বলেন, বাংলাদেশের মসলাদার খাবারগুলোও তার প্রিয়। দূতাবাসের ডিনারে সেই খাবারগুলো খেতে পারবেন বলেও তার ভালো লাগছে। বাংলাদেশের কথা তিনি আজও তার নতুন কর্মস্থলের সবাইকে শেয়ার করেন। বাংলাদেশ কখনো তার হৃদয় থেকে মুছে যাবে না, বলছিলেন সাবেক এই রাষ্ট্রদূত। বাংলাদেশে নিযুক্ত বর্তমান রাষ্ট্রদূত পিটার হাসের কথা উল্লেখ করে মার্সা বলেন, বাংলাদেশ এখন একজন অসাধারণ রাষ্ট্রদূতকে পেয়েছে। অ্যাম্বাসাডার হাস আমার খুব প্রিয় বন্ধু, দারুণ এক সহকর্মী। আমি সত্যিই গর্বিত পিটার হাসের মতো এক রাষ্ট্রদূত এখন বাংলাদেশে নিযুক্ত রয়েছেন। 'জয়বাংলা' বলে সাক্ষাৎকারটি শেষ করেন মার্শা বার্নিকাট। 

post
বাংলাদেশ

শান্তিরক্ষীদের বিরুদ্ধে অপরাধের জবাবদিহিতা নিশ্চিতের উদ্যোগ চায় বাংলাদেশ

“অবশ্যই শান্তিরক্ষীদের উপর হামলার জবাবদিহিতা নিশ্চিত করতে হবে। এ লক্ষ্যে সমাজের সকল অংশীদারদের নতুন নতুন প্রচেষ্টা ও উদ্যোগ নেয়া প্রয়োজন”।শুক্রবার (১৬ ডিসেম্বর) শান্তিরক্ষীদের বিরুদ্ধে অপরাধের জবাবদিহিতা নিশ্চিত ও সুরক্ষার লক্ষ্যে গঠিত গ্রুপ অব ফ্রেন্ডস” এর উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে দেওয়া বক্তব্যে এ কথা বলেন জাতিসংঘে নিযুক্ত বাংলাদেশের স্থায়ী স্থায়ী প্রতিনিধি ও রাষ্ট্রদূত মুহাম্মদ আব্দুল মুহিত। নতুন গঠিত এই গ্রুপ অব ফ্রেন্ডস-টিতে কো-চেয়ার হিসেবে রয়েছে বাংলাদেশ, মিশর, ফ্রান্স, ভারত, মরক্কো এবং নেপাল। উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে মূল বক্তব্য প্রদান করেন ভারতের পররাষ্ট্রমন্ত্রী ড. এস জয়শংকর। বাংলাদেশসহ অন্য পাঁচটি সহ-সভাপতি দেশের স্থায়ী প্রতিনিধিগন স্ব-স্ব দেশের পক্ষে বক্তব্য প্রদান করেন। এছাড়া বক্তব্য রাখেন জাতিসংঘের পিস অপারেশন বিভাগের আন্ডার সেক্রেটারি জেনারেল জ্যঁ পিয়েরে ল্যাক্রুয়া (Jean-Pierre Lacroix) এবং অপারেশনাল সাপোর্ট বিভাগের প্রতিনিধি। শান্তিরক্ষীদের বিরুদ্ধে সংঘটিত অপরাধের জবাবদিহিতা নিশ্চিত করার বিষয়টিকে একটি বহু অংশিদারীত্ব ভিত্তিক প্রচেষ্টা হিসেবে উল্লেখ করেন ভারতের পররাষ্ট্রমন্ত্রী। তিনি জবাবদিহিতার বিষয়টিকে নিয়মিতভাবে পর্যবেক্ষণ করার উপর জোর দেন। প্রদত্ত্ব বক্তব্যে জাতিসংঘে নিযুক্ত বাংলাদেশের স্থায়ী প্রতিনিধি মুহাম্মদ আব্দুল মুহিত বলেন, বিশ্ব শান্তি প্রতিষ্ঠায় জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান যে দূরদর্শিতার স্বাক্ষর রেখে গেছেন, তা থেকেই উদ্ভূত হয়েছে বিশ্ব শান্তি রক্ষার প্রতি বাংলাদেশের সুদৃঢ় অঙ্গিকার। শান্তিরক্ষীদের বিরুদ্ধে সৃষ্ট অপরাধের জবাবদিহিতা নিশ্চিত ও সুরক্ষার লক্ষ্যে তিনি স্বাগতিক দেশের সাথে কার্যকর যোগাযোগ রক্ষা, ঘটনার দ্রুত তদন্ত, সংশ্লিষ্ট ক্ষেত্রে স্বাগতিক দেশের স্বক্ষমতা বৃদ্ধি, ডিজিটাল প্রযুক্তির বাস্তবায়ন এবং ভুল ও বিকৃত তথ্যের প্রচার বন্ধ করার উপর গুরুত্বারোপ করেন। নবসৃষ্ট এই গ্রুপ অব ফ্রেন্ডসটি যেসকল কাজ করবে তার মধ্যে উল্লেখযোগ্য হল-স্বাগতিক দেশকে সহযোগিতা প্রদান, মানুষের মধ্যে সচেতনতাবোধ তৈরি, সঠিক তথ্যের আদান-প্রদান, সর্বোত্তম অনুশীলন ও সম্পদ ভাগাভাগি এবং সহযোগিতামূলক উদ্যোগ গ্রহণ। এসকল কর্মসূচির মাধ্যমে গ্রুপটি শান্তিরক্ষীদের বিরুদ্ধে সংঘটিত সকল প্রকার সহিংসতামূলক কার্যকলাপ প্রতিহত করার লক্ষ্যে কাজ করে যাবে। উল্লেখ্য, উদ্বোধনী দিনে ৩৬ টি দেশ গ্রুপটিতে যোগ দেয়।

post
বাংলাদেশ

মহান বিজয় দিবসে জাতির শ্রেষ্ঠ সন্তানদের প্রধানমন্ত্রী ও রাষ্ট্রপতির শ্রদ্ধা

মহান বিজয় দিবস উপলক্ষে রাষ্ট্রপতি মো. আবদুল হামিদ ও প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা সাভারে জাতীয় স্মৃতিসৌধে ফুল দিয়ে মুক্তিযুদ্ধের বীর শহীদদের প্রতি শ্রদ্ধা জানিয়েছেন। শুক্রবার (১৬ ডিসেম্বর) সকাল পৌনে ৭টার দিকে এ শ্রদ্ধা জানান তারা।রাষ্ট্রপতি আবদুল হামিদ প্রথমে স্মৃতিসৌধের বেদীতে পুষ্পস্তবক অর্পণ করেন। এরপর প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা পুষ্পার্ঘ্য অর্পণ করেন। এসময় রাষ্ট্রপতি ও প্রধানমন্ত্রী মুক্তিযুদ্ধের বীর শহীদদের স্মরণে কিছুক্ষণ নীরবে দাঁড়িয়ে থাকেন। সেনা, নৌ ও বিমান বাহিনীর একটি সুসজ্জিত দল তখন রাষ্ট্রীয় সালাম জানায়। এসময় বিউগলে করুণ সুর বাজানো হয়।মন্ত্রিপরিষদের সদস্য, প্রধানমন্ত্রীর উপদেষ্টা, সংসদ সদস্য, তিন বাহিনীর প্রধান, বিভিন্ন দেশের রাষ্ট্রদূত ও কূটনীতিক, সরকারের পদস্থ সামরিক-বেসামরিক কর্মকর্তারা এ সময় উপস্থিত ছিলেন।এরপর আওয়ামী লীগ সভাপতি হিসেবে দলের শীর্ষ নেতাদের সঙ্গে নিয়ে জাতীয় স্মৃতিসৌধে ফুল দিয়ে পুনরায় শ্রদ্ধা নিবেদন করেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা।

post
বাংলাদেশ

‘নিজের নিরাপত্তা’ নিয়ে পররাষ্ট্রমন্ত্রীর সাথে পিটার হাসের জরুরি বৈঠক

ঢাকায় নিযুক্ত যুক্তরাষ্ট্রের রাষ্ট্রদূত পিটার হাস তার নিরাপত্তা জনিত বিষয় নিয়ে বাংলাদেশের পররাষ্ট্রমন্ত্রী এ কে আব্দুল মোমেনের সঙ্গে জরুরি ভিত্তিতে বৈঠক করেছেন যেখানে পিটার হাস তার ব্যক্তিগত তথ্য ফাঁস হওয়ার কথা উল্লেখ করেছেন এবং নিজের নিরাপত্তা নিয়ে উদ্বেগ জানিয়েছেন।গত বুধবার (ডিসেম্বর) সকালে শাহীনবাগে প্রায় এক দশক ধরে নিখোঁজ বিএনপির নেতা সাজেদুল ইসলামের বাসায় যান পিটার হাস। সেখান থেকে বেরিয়ে আসার সময় বাসার বাইরে একদল লোক তাঁকে ঘিরে ধরার চেষ্টা করেন। তিনি নিরাপত্তাকর্মীদের সহায়তায় সেখান থেকে বেরিয়ে যান। এ বিষয়ে মার্কিন দূতাবাসের মুখপাত্র সাংবাদিক জানান, নিরাপত্তা নিয়ে উদ্বেগ থাকায় বৈঠক শেষ না করেই সাজেদুলদের বাসা থেকে চলে আসেন পিটার হাস। বিষয়টি তাঁরা সরকারের উচ্চপর্যায়ে জানিয়েছেন। শাহীনবাগ থেকে আসার পর দুপুরে পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ে গিয়ে মন্ত্রীর সঙ্গে বৈঠক করেন রাষ্ট্রদূত পিটার হাস। সন্ধ্যায় রাজধানীর বঙ্গবন্ধু আন্তর্জাতিক সম্মেলন কেন্দ্রে একটি অনুষ্ঠানের ফাঁকে পররাষ্ট্রমন্ত্রী সাংবাদিকদের প্রশ্নের জবাবে এ তথ্য জানান। আব্দুল মোমেন সাংবাদিকদের বলেন, ‘মার্কিন রাষ্ট্রদূত জরুরি ভিত্তিতে আমার সঙ্গে সাক্ষাৎ করেন। তিনি বললেন যে তিনি এক বাসায় গিয়েছিলেন, আর সেখানে যখন গিয়েছেন, কিন্তু বাইরে বহু লোক ছিল। তারা উনাকে কিছু বলতে চাচ্ছিলেন। উনার সিকিউরিটির লোকেরা উনাকে তাড়াতাড়ি সেখান থেকে চলে যেতে বলেন। তারা বলেন যে ‘‘ওরা আপনার গাড়ি ব্লক করে দেবে’’। সেই নিরাপত্তা অনিশ্চয়তা থেকে তিনি তখন তাড়াতাড়ি সেখান থেকে চলে গেছেন। এবং এতে তিনি খুব অসন্তুষ্ট হয়েছেন।’ পররাষ্ট্রমন্ত্রী বলেন, ‘আমি উনাকে (রাষ্ট্রদূত) বললাম যে আপনার নিরাপত্তা বিধানের দায়িত্ব আমাদের। আপনার ওপর বা আপনার লোকের ওপর কেউ আক্রমণ করেছে? উনি বললেন যে, ‘‘না’’। তবে উনি বললেন যে, উনার গাড়িতে হয়ত দাগ লেগেছে। তবে এটা শিওর না। আমি বললাম, আপনার লোকদের নিরাপত্তা আমি দেব। আপনি যদি অধিকতর নিরাপত্তা চান আমরা দেব।’

post
বাংলাদেশ

'ধানমন্ডির ৩২ নম্বরে নিহত দুই বন্ধু খেলা দেখতে টিএসসিতে যাচ্ছিলেন'

রাজধানী ধানমন্ডির ৩২ নম্বরের রাসেল স্কয়ারের সামনে বেপরোয়া ট্রাকচাপায় রিকশার দুই আরোহী নিহতের ঘটনায় মামলা হলেও এখনো গ্রেফতার হয়নি। নিহত দুজনের পরিচয় পাওয়া গেছে। তারা হলেন রিকশার যাত্রী মো. জাকির হোসেন (৩৫) ও জন বিশ্বাস (৩৮)। নিহত জাকিরের মামা আবদুর রহিম জানান, রাতে বিশ্বকাপ খেলা দেখার জন্য বন্ধুর সঙ্গে রিকশায় করে টিএসসিতে যাচ্ছিল জাকির। পথে এ দুর্ঘটনা ঘটে। বুধবার (১৪ ডিসেম্বর) কলাবাগান থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মোহাম্মদ সাইফুল ইসলাম জানান, এ ঘটনায় কলাবাগান থানায় সড়ক পরিবহন আইনে মামলা হয়েছে। মামলার বাদী থানার উপ-পরিদর্শক (এসআই) মিনহাজ। মামলায় আসামি করা হয়েছে ট্রাকচাপায়চালক ও সহকারীকে। ট্রাক চালকটি জব্দ করা হয়েছে। তবে তাদের নাম-পরিচয় পাওয়া যায়নি। দুর্ঘটনার আশপাশের সিসিটিভি ফুটেজ বিশ্লেষণ করে চালক-সহকারীকে গ্রেফতারে অভিযান চলমান। এছাড়া ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের মর্গ থেকে মরদেহ নিহতের পরিবারের কাছে হস্তান্তর করা হয়েছে।নিহত জাকিরের মামা মো. আবদুর রহিম বলেন, জাকির সাকসেস ডেন্টাল ল্যাবের টেকনিশিয়ান ছিল। রাতে বিশ্বকাপ খেলা দেখার জন্য দুই বন্ধু টিএসসিতে যাচ্ছিল। পথে এ দুর্ঘটনা ঘটে। খবর পেয়ে সকালে ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতাল মর্গে এসে মরদেহ দুটি শনাক্ত করি ।তিনি জানান, জাকিরের বাড়ি দিনাজপুরের খানসামা থানার গোয়ালডিহি গ্রামে। বর্তমানে সে রাজধানীর আদাবর এলাকায় ভাড়া বাসায় থাকত। নিহত জন বিশ্বাসের ফুফাতো ভাই রাজু জানান, জনও সাকসেস ডেন্টাল ল্যাবের ল্যাবরেটরির টেকনিশিয়ান ছিলেন। খুলনা জেলার দাকোপ থানার লাউডোব গ্রামে তার বাড়ি। তারা দুই বন্ধু একসঙ্গে আদাবরে ভাড়া বাসায় থাকতেন। কলাবাগান থানার পুলিশের উপ-পরিদর্শক (এসআই) মিনহাজ উদ্দিন জানান, মঙ্গলবার রাতে রাসেল স্কয়ার মোড় এলাকায় রক্তাক্ত অবস্থায় তাদের পড়ে থাকতে দেখে উদ্ধার করে ঢামেক হাসপাতালের জরুরি বিভাগে নিয়ে যাওয়া হয়। সেখানে কর্তব্যরত চিকিৎসক তাদের মৃত ঘোষণা করেন। জানা গেছে, রিকশাযোগে খেলা দেখতে যাওয়ার পথে কাভার্ডভ্যানের ধাক্কায় দুজন গুরুতর আহত হন। তাৎক্ষণিকভাবে তাদের উদ্ধার করে ঢামেক হাসপাতালে নিয়ে গেলে চিকিৎসক মৃত ঘোষণা করেন। এ ঘটনায় রিকশাচালকসহ আরও একজন আহত হয়েছেন।

post
বাংলাদেশ

শহীদ বুদ্ধিজীবী স্মৃতিসৌধে রাষ্ট্রপতি ও প্রধানমন্ত্রীর শ্রদ্ধা

মিরপুরে শহীদ বুদ্ধিজীবী স্মৃতিসৌধে জাতির শ্রেষ্ঠ সন্তানদের প্রতি শ্রদ্ধা নিবেদন করেছেন রাষ্ট্রপতি আবদুল হামিদ ও প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। বুধবার (১৪ ডিসেম্বর) সকাল ৭টায় প্রথমে রাষ্ট্রপতি, পরে প্রধানমন্ত্রী পুষ্পস্তবক অর্পণ করে শহীদ বুদ্ধিজীবীদের প্রতি গভীর শ্রদ্ধা নিবেদন করেন। সেখানে তারা কিছু সময় নীরবে দাঁড়িয়ে থাকেন। এ সময়ে বিউগলে করুণ সুর বেজে ওঠে।পুষ্পস্তবক অর্পণ শেষে রাষ্ট্রপতি ও প্রধানমন্ত্রী শহীদ বুদ্ধিজীবী পরিবারের সদস্যদের সঙ্গে কথা বলেন ও তাদের খোঁজখবর নেন।এ সময় প্রধানমন্ত্রীর উপদেষ্টা, সংসদ সদস্য, তিন বাহিনীর প্রধান, উচ্চপদস্থ সরকারি কর্মকর্তা, আওয়ামী লীগের জ্যেষ্ঠ নেতা এবং দলটির অঙ্গসংগঠনের নেতা-কর্মীরা উপস্থিত ছিলেন। পরে দলীয় নেতাদের সঙ্গে নিয়ে শহীদের প্রতি শ্রদ্ধা নিবেদন করেন আওয়ামী লীগের সভাপতি ও প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা।এ ছাড়া যুবলীগ, স্বেচ্ছাসেবক লীগ, মহিলা লীগ, ছাত্রলীগসহ আওয়ামী লীগের সহযোগী সংগঠনের নেতা-কর্মীরা ফুল দিয়ে শহীদ বুদ্ধিজীবীদের প্রতি শ্রদ্ধা জানান। এরপর সর্বসাধারণের শ্রদ্ধা নিবেদনের জন্য বুদ্ধিজীবী স্মৃতিসৌধের দ্বার উন্মুক্ত করে দেওয়া হয়।

post
বাংলাদেশ

শহিদ বুদ্ধিজীবীদের পূর্ণাঙ্গ তালিকা প্রকাশ সম্পর্কে যা বললেন মন্ত্রী

মুক্তিযুদ্ধবিষয়ক মন্ত্রী আ ক ম মোজাম্মেল হক বলেছেন আমাদের মহান স্বাধীনতা দিবস আগামী ২৬-শে মার্চের মধ্যেই শহিদ বুদ্ধিজীবীদের পূর্ণাঙ্গ তালিকা প্রকাশ করা হবে।বুধবার রায়েরবাজারে শহিদ বুদ্ধিজীবী স্মৃতিসৌধে শ্রদ্ধা নিবেদন শেষে সাংবাদিকদের প্রশ্নের জবাবে এ কথা জানান তিনি। মুক্তিযুদ্ধবিষয়ক মন্ত্রী বলেন, মুক্তিযুদ্ধে ৩০ লাখ মানুষ শহিদ হয়েছেন। সমাজে সবাই বুদ্ধিজীবী হন না। শহিদ বুদ্ধিজীবীদের তালিকা করতে জাতীয়ভাবে কমিটি করা হয়েছে। একটি তালিকা করা হয়েছে। শতাধিক নতুন আবেদন পাওয়া গেছে। আশা করছি, ২৬ মার্চের মধ্যেই শহিদ বুদ্ধিজীবীদের পূর্ণাঙ্গ তালিকা প্রকাশ করতে পারব। তিনি বলেন, পাকিস্তান সেনাবাহিনী কতটা নিষ্ঠুর, নির্মম ছিল, তা স্মৃতিসৌধে এলে বোঝা যায়। বিজয়ের দ্বারপ্রান্তে সুপরিকল্পিতভাবে জাতির মেধাবী সন্তানদের হত্যা করা হয়েছিল। খুনিরা মনে করেছিল, বাংলাদেশ স্বাধীন হলেও যেন দেশটা মেধাশূন্য থাকে— এ রাষ্ট্র যাতে ব্যর্থ রাষ্ট্র হয়। মুক্তিযুদ্ধবিষয়ক মন্ত্রী বলেন, জামায়াত স্বাধীনতাবিরোধী দল, তারা স্বাধীনতার সময় রাজনৈতিকভাবে সিদ্ধান্ত নিয়ে স্বাধীনতার বিরোধিতা করেছে। তাই এ দেশে জামায়াতের রাজনীতি করার অধিকার থাকতে পারে না। এর আগে মিরপুরে শহিদ বুদ্ধিজীবী স্মৃতিসৌধে বুদ্ধিজীবীদের প্রতি শ্রদ্ধা নিবেদন করেন রাষ্ট্রপতি মো. আবদুল হামিদ ও প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। বুধবার সকাল ৭টায় প্রথমে রাষ্ট্রপতি, পরে প্রধানমন্ত্রী পুষ্পস্তবক অর্পণ করে শহিদ বুদ্ধিজীবীদের প্রতি গভীর শ্রদ্ধা নিবেদন করেন। সেখানে তারা কিছু সময় নীরবে দাঁড়িয়ে থাকেন। পুষ্পস্তবক অর্পণ শেষে রাষ্ট্রপতি ও প্রধানমন্ত্রী শহিদ বুদ্ধিজীবী পরিবারের সদস্যদের সঙ্গে কথা বলেন এবং তাদের খোঁজখবর নেন।

post
বাংলাদেশ

বাংলাদেশে কাজের সন্ধানে শ্রমের হাটে শত শত শ্রমিক

গ্রামে ঠিকমতো কাজ পাওয়া যায় না। মজুরিও কম। তাই পরিবারের অভাব-অনটন মেটাতে কাজের সন্ধানে নিজের জেলা ছেড়ে মুন্সিগঞ্জের টঙ্গিবাড়ীর বালিগাঁও বাজারে জড়ো হন অনেক শ্রমিক। এ থেকে যা আয় হয়, তা দিয়েই সংসার চালান তাঁরা। এমন এক শ্রমিক সুভাষিণী। তিনি কুড়িগ্রামের বাসিন্দা। কাজ খুঁজতে স্বামী-সন্তানসহ তিনি এক মাস ধরে মুন্সিগঞ্জের টঙ্গিবাড়ীর শ্রমের হাটে আসেন। শুধু সুভাষিণী নন, তাঁর মতো এমন সাত থেকে আট শ নারী ও পুরুষ শ্রমিক রংপুর, কুড়িগ্রাম, গাইবান্ধা, নীলফামারীসহ বিভিন্ন জেলা থেকে এখানে আসেন কাজের সন্ধানে।সুভাষিণী বলেন, ছয় বছর ধরে এই হাটে তাঁরা শ্রম বিক্রির জন্য আসেন। কৃষিজমি পরিষ্কার, আলু লাগানোসহ দিন চুক্তিতে সব ধরনের কৃষিকাজ করেন তাঁরা। ছয় মাস চলে তাঁদের কাজ। যে টাকা আয় হয়, সেটা দিয়ে সারা বছর সংসার চালান তাঁরা। স্থানীয় কয়েকজনের সঙ্গে কথা বলে জানা যায়, ৩০ বছরের বেশি সময় ধরে মুন্সিগঞ্জ আলুর জন্য নাম করেছে। প্রতিবছর কয়েক হাজার হেক্টর জমিতে আলুর আবাদ হয়। এর মধ্যে সবচেয়ে বেশি আলুর আবাদ টঙ্গিবাড়ী উপজেলায়। একটি নির্দিষ্ট সময়ের মধ্যে আলু আবাদ ও উত্তোলন করতে হয়। এ জন্য অনেক শ্রমিকের প্রয়োজন হয়। তবে মুন্সিগঞ্জে চাহিদার তুলনায় শ্রমিকের সংখ্যা ছিল কম। আর উত্তরাঞ্চলের মানুষের ছিল কাজের অভাব। ২০ বছর আগে চাহিদা ও জোগানের একটা সমন্বয় হয়। উত্তরাঞ্চলের শ্রমিকেরা এদিকে আসতে শুরু করেন শ্রম বিক্রির জন্য। প্রথম দিকে ৫০ থেকে ৬০ জন শ্রমিক এখানে আসতেন। পরে এই সংখ্যা বাড়তে থাকে। ১০ বছর আগে এই সংখ্যা বেড়ে দুই থেকে তিন হাজার হয়ে যায়। তবে কৃষিজমি ও কাজ কমতে শুরু করায় হাটে শ্রমিক আসা কমে গেছে। এখন সাত থেকে আট শ শ্রমিক প্রতিদিন এখানে শ্রম বিক্রি করতে আসেন। বালিগাঁওয়ের অদূরেই আউটশাহী ইউনিয়ন। সেই ইউনিয়নের বরুন্ডা গ্রাম থেকে শ্রমিক নিতে এসেছেন আলী আজগর। তিনি বলেন, আলুর জমি প্রস্তুত করার জন্য ২০ থেকে ২৫ জন শ্রমিক দরকার। একসঙ্গে এত শ্রমিক শুধু এই হাটেই পাওয়া যায়। দিনপ্রতি ৩০০ থেকে ৪০০ টাকা পারিশ্রমিকে একেকজন শ্রমিক পাওয়া যায়। তাই ১০ বছর ধরে ৩ কিলোমিটার পথ পাড়ি দিয়ে এই হাটে এসে শ্রমিক নিয়ে যান তিনি। আজ বুধবার ভোরে বালিগাঁও বাজার এলাকায় গিয়ে দেখা যায়, বাজারের সামনে মুন্সিগঞ্জ-বালিগাঁও-লৌহজং সড়কের দুই পাশে অন্তত ৪০০ থেকে ৫০০ জন শ্রমিক সারিবদ্ধভাবে দাঁড়িয়ে আছেন। তাঁদের মধ্যে প্রায় এক-তৃতীয়াংশ নারী। স্থানীয় কৃষকেরা এসব শ্রমিকদের মধ্য থেকে দরদাম করে জমির কাজের জন্য শ্রমিক নিয়ে যাচ্ছেন। আবার অনেক শ্রমিক দিন চুক্তিতে কাঙ্ক্ষিত মূল্যে কাজ করতে দর–কষাকষি করছেন। কয়েকজন শ্রমিকের সঙ্গে কথা বলে জানা যায়, প্রতিবছর নভেম্বর থেকে পরবর্তী বছরের এপ্রিল পর্যন্ত তাঁদের কাজের চাহিদা থাকে। এই সময় তাঁরা বালিগাঁও ও আশপাশের খুপরি, স্কুলের বারান্দা, নদীর পাড়ে অস্থায়ী বসতি করে থাকেন। আলুর জমি প্রস্তুত, আলু লাগানো ও আলু তোলার কাজ শেষ করে মুন্সিগঞ্জ থেকে চলে যান। রংপুরের পীরগঞ্জ উপজেলার বাসিন্দা মঞ্জু রানী বলেন, ‘সবকিছুর দাম বেশি। পেটের দায়ে কাজ করতে মুন্সিগঞ্জে এসেছি। এখানেও কাজের চাহিদা কমে গেছে। গত বছর দিনভিত্তিক ৫০০ থেকে ৬০০ টাকা মজুরি পেলেও এবার ৩০০ টাকার বেশি পাওয়া যাচ্ছে না।’ গাইবান্ধার সাদুল্যাপুর এলাকার বাসিন্দা রাসেল। সস্ত্রীক বালিগাঁওয়ে কাজের সন্ধানে এসেছেন। তিনি বলেন, প্রতিদিন ভোরের আলো ফোটার আগে তাঁরা শ্রম বিক্রির হাটে এসে বসে থাকেন। কখনো কাজ পান, কখনো পান না।

About Us

NRBC is an open news and tele video entertainment platform for non-residential Bengali network across the globe with no-business vision just to deliver news to the Bengali community.