post
বাংলাদেশ

মেট্রোরেলে প্রথম দিনে ভ্রমণ করেছেন ৩ হাজার ৮৫৭ জন যাত্রী

সাধারণ যাত্রী নিয়ে ঢাকায় মেট্রোরেলের চলাচল শুরু হওয়ার প্রথম দিনে ৩ হাজার ৮৫৭ জন যাত্রী এতে ভ্রমণ করেছেন। আজ মেট্রোরেল চলেছে সকাল ৮টা থেকে দুপুর ১২টা পর্যন্ত। দুপুরে এ তথ্য জানিয়েছেন ঢাকা ম্যাস ট্রানজিট কোম্পানি লিমিটেডের (ডিএমটিসিএল) ব্যবস্থাপনা পরিচালক এম এ এন ছিদ্দিক।সকাল ৮টা থেকে ট্রেন চলার কথা থাকলেও ভোর থেকেই লাইনে দাঁড়িয়েছিলেন যাত্রীরা। এই যাত্রীদের কেউ ছিলেন অফিসগামী, কেউবা এসেছিলেন পরিবারসহ। আবার অনেকেরই লক্ষ্য ছিল শুধু মেট্রোরেলে ঘোরা। তবে সকাল থেকেই যাত্রীদের অভিযোগ ছিল স্টেশনে যাত্রীদের ঢোকাতে ধীরগতিতে কাজ করছে কর্তৃপক্ষ। তবে কর্তৃপক্ষ বলছিল শৃঙ্খলা বজায় রাখতে এবং যাত্রীদের পুরো ব্যবস্থার সঙ্গে অভ্যস্থ করাতে কিছুটা ধীরে কাজ করা হয়েছে। তবে এসবের মাঝেও পূর্ব ঘোষণা অনুযায়ী দুপুর ১২টার পর আর চলেনি মেট্রোরেল। ফলে মেট্রো রেলে চলার ইচ্ছা অপূর্ণ রেখেই শেষ পর্যন্ত স্টেশন ছাড়তে হয় হাজারো মানুষকে।   

post
বাংলাদেশ

দেশের প্রথম মেট্রো রেল চালালেন একজন নারী প্রকৌশলী

সবুজ পতাকা নেড়ে কাঙ্ক্ষিত স্বপ্নের মেট্রো রেল যাত্রার উদ্বোধন করেছেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। বুধবার সকাল ১১টায় উত্তরার দিয়াবাড়িতে বর্ণাঢ্য অনুষ্ঠানের মধ্য দিয়ে এই স্বপ্নের স্থাপনার উদ্বোধন করেন তিনি। আর প্রধানমন্ত্রীর সবুজ সঙ্কেতে প্রথম যাত্রার সেই মেট্রোরেল চালিয়ে নিয়ে যান একজন নারী। তার নাম মরিয়ম আফিজা।লক্ষ্মীপুরের মেয়ে আফিজা নোয়াখালী বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয় (নোবিপ্রবি) থেকে কেমিস্ট্রি অ্যান্ড কেমিকেল ইঞ্জিনিয়ারিংয়ে স্নাতকোত্তর সম্পন্ন করেছেন। আফিজা দেশের বুকে প্রথমবারের মতো মেট্রোরেল চালানোর সুযোগ পেলেন। আর তার প্রথম যাত্রায় যাত্রী হিসেবে পেলেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনাকে। আফিজা জানিয়েছেন এর মধ্য দিয়ে তার স্বপ্নপূরণ হয়েছে। যাত্রা শেষে আগারগাঁওয়ে এসে আনন্দে উদ্বেলিত আফিজা বলেন, "আজকে আমাদের স্বপ্নপূরণ হয়েছে। সবার মতো আমিও আনন্দিত।" তিনি বলেন, দেশবাসী স্বপ্নপূরণের জন্য যেমন অপেক্ষায় ছিল তেমনই আমাদেরও অনেক প্রস্তুতি ছিল। সবকিছু সফল হয়েছে আজকের মেট্রো রেল উদ্বোধনের পর। প্রধানমন্ত্রী এই যাত্রায় সঙ্গী ছিলেন, পুরো দেশবাসীর মতো আমিও অনেক গর্ববোধ করছি। আফিজা আরো বলেন, ঢাকায় যানজটে কী পরিমাণ ভোগান্তি হয়, এটি আমাদের সবার জানা। মেট্রো রেল চালুর ফলে যানজটের অভিশাপ থেকে আমরা মুক্তি পাব। মরিয়ম আফিজা গত বছরের ২ নভেম্বর চালক হিসেবে নিয়োগ পান। টানা এক বছর প্রশিক্ষণ নিয়ে পাকা চালক হিসেবে নিজেকে তৈরি করেন তিনি। মেট্রো রেলের নির্মাতা প্রতিষ্ঠান জাপানের মিতসুবিশি-কাওয়াসাকি কম্পানির বিশেষজ্ঞদের কাছ থেকে ট্রেন পরিচালনার কারিগরি ও প্রায়োগিক প্রশিক্ষণ নিয়েছেন মরিয়ম আফিজা ও অন্যরা।

post
বাংলাদেশ

মেট্রোরেল ব্যবহারে যত্নশীল হওয়ার আহ্বান প্রধানমন্ত্রীর

সবাইকে মেট্রোরেলের সঠিক সংরক্ষণের দায়িত্ব নেওয়ার আহ্বান জানিয়ে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা বলেছেন, অনেক টাকা খরচ করে মেট্রোরেল করা হয়েছে। এ মেট্রোরেল সংরক্ষণ করা সবার দায়িত্ব। যাতে মেট্রোরেলের কোনো কিছু নষ্ট না হয়, সে জন্য তিনি সবাইকে তা ব্যবহারে যত্নশীল হতে আহ্বান জানিয়েছেন। এই মেট্রোরেল পরিষ্কার ও পরিচ্ছন্ন রাখতে হবে।মেট্রোরেলকে বাংলাদেশের উন্নয়ন, অগ্রযাত্রার মুকুটে আরেকটি পালক হিসেবে অভিহিত করেছেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। এ প্রসঙ্গে তিনি বলেছেন, আজকে আমরা বাংলাদেশের অহংকারে আরেকটি পালক সংযোজন করতে পারলাম।মেট্রোরেল উদ্বোধন উপলক্ষ্যে বুধবার দুপুরে রাজধানীর উত্তরার দিয়াবাড়িতে আয়োজিত সুধীসমাবেশে দেওয়া ভাষণে এ কথা বলেন প্রধানমন্ত্রী। মেট্রোরেল প্রসঙ্গে প্রধানমন্ত্রী বলেন, ‘বাংলাদেশের উন্নয়ন, অগ্রযাত্রায় আরেকটি পালক দিতে পারলাম, এটিই বড় কথা।’প্রধানমন্ত্রী বলেন, নৌকা মার্কায় ভোট দিয়ে জনগণ সেবা করার সুযোগ দিয়েছিল। সে জন্য সবার প্রতি তিনি কৃতজ্ঞতা জানাচ্ছেন।

post
বাংলাদেশ

মেট্রোরেল উদ্বোধন করলেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা

রাজধানী ঢাকাবাসীর জন্য আজ বুধবার বহুল প্রতীক্ষিত মেট্রোরেলের ফলকের রেপ্লিকা উন্মোচন করলেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। আজ বেলা ১১টার দিকে রাজধানীর উত্তরার দিয়াবাড়িতে এক অনুষ্ঠানে মেট্রোরেলের ফলকের রেপ্লিকা উন্মোচন করেন প্রধানমন্ত্রী। এরপরই মোনাজাত করা হয়। এ সময় তাঁর সঙ্গে আছেন ছোট বোন শেখ রেহানা। এদিকে দিয়াবাড়িতে বর্ণাঢ্য উদ্বোধনী অনুষ্ঠানের মাধ্যমে মেট্রোরেল কার্যক্রম উদ্বোধন করবেন প্রধানমন্ত্রী। প্রধানমন্ত্রী দিয়াবাড়িতে সুধী সমাবেশে অংশ নেবেন। সমাবেশ মঞ্চে শেখ রেহানাও আছেন। উদ্বোধনের পর রুটের মধ্যবর্তী স্টেশনে কোনো বিরতি ছাড়াই উত্তরা থেকে আগারগাঁও পর্যন্ত চলবে মেট্রোরেল। পরদিন আগামীকাল বৃহস্পতিবার থেকে যাত্রীরা মেট্রোরেলে যাতায়াত করতে পারবেন।

post
বাংলাদেশ

মেট্রোরেলের উদ্বোধনের দিন আসছে ৫০ টাকা মূল্যমানের স্মারক নোট

বাংলাদেশের প্রথম উড়াল মেট্রোরেলের উদ্বোধন উপলক্ষে বাংলাদেশ ব্যাংক ৫০ টাকা মূল্যমানের একটি স্মারক নোট মুদ্রণ করেছে। প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা বুধবার (২৮ ডিসেম্বর) মেট্রোরেল উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে এই স্মারক নোটটি আনুষ্ঠানিকভাবে অবমুক্ত করবেন। মঙ্গলবার (২৭ ডিসেম্বর) কেন্দ্রীয় ব্যাংক থেকে এ তথ্য জানানো হয়েছে।কেন্দ্রীয় ব্যাংক জানায়, অবমুক্তকরণের পর আগামী ২৯ ডিসেম্বর থেকে এই স্মারক নোট বাংলাদেশ ব্যাংকের মতিঝিল অফিস এবং পরে অন্যান্য শাখা অফিসে পাওয়া যাবে। বাংলাদেশের প্রথম উড়াল মেট্রোরেলের উদ্বোধন উপলক্ষে মুদ্রিত ৫০ টাকা মূল্যমান স্মারক নোটের ডিজাইন ও নিরাপত্তা বৈশিষ্ট্য হলো- বাংলাদেশ ব্যাংকের গভর্নর আব্দুর রউফ তালুকদার স্বাক্ষরিত ১৩০ মিমি x ৬০ মিমি পরিমাপের এ স্মারক নোটের সম্মুখভাগের বামপাশে গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকারের প্রধানমন্ত্রীর প্রতিকৃতি এবং ব্যাকগ্রাউন্ডে মেট্রোরেলের ছবি সংযোজন করা হয়েছে। নোটের পেছনভাগে মেট্রোরেলের অপর একটি ছবি সংযোজন করা হয়েছে। নোটের সম্মুখভাগে শিরোনাম ‘বাঁচবে সময়, বাঁচবে পরিবেশ, যানজট কমাবে মেট্রোরেল’ এবং পেছনভাগে ‘Moving People, Saving Time and Environment’ মুদ্রিত রয়েছে। নোটের সম্মুখভাগে উপরে ডান এবং বামকোণে স্মারক নোটের মূল্যমান ইংরেজিতে ‘50’, নিচে ডানকোণে মূল্যমান বাংলায় ‘৫০’ এবং উপরিভাগে মাঝখানে ‘পঞ্চাশ টাকা’ লেখা রয়েছে। নোটের পেছনভাগে উপরে বামকোণে ইংরেজিতে ‘50’ এবং নিচে বামকোণে বাংলায় ‘৫০’ লেখা রয়েছে। এছাড়া, নোটের উপরে ডানকোণে ‘বাংলাদেশ ব্যাংকের মনোগ্রাম এবং নিচে ডানপাশে ‘FIFTY TAKA’ ও ডানপাশে ‘BANGLADESH BANK’ লেখা রয়েছে।১০০ শতাংশ কটন কাগজে মুদ্রিত ৫০ টাকা মূল্যমান স্মারক নোটটির সম্মুখভাগে প্রধানমন্ত্রীর প্রতিকৃতির ডানে ২ মিলিমিটার চওড়া নিরাপত্তা সুতা রয়েছে এবং নোটের ডানদিকে জলছাপ হিসেবে ‘বঙ্গবন্ধুর প্রতিকৃতি’, ‘50’ এবং ‘বাংলাদেশ ব্যাংকের মনোগ্রাম’ মুদ্রিত রয়েছে। এছাড়া নোটের উভয় পৃষ্ঠে ভার্নিশের প্রলেপ সংযোজন করা হয়েছে। ৫০ টাকা অভিহিত মূল্যের স্মারক নোটটির জন্য পৃথকভাবে বাংলা ও ইংরেজি লিটারেচার সম্বলিত ফোল্ডার প্রস্তুত করা হয়েছে। ফোল্ডার ছাড়া শুধুমাত্র খামসহ স্মারক নোটটির মূল্য নির্ধারণ করা হয়েছে ৫০ টাকামাত্র এবং ফোল্ডার ও খামসহ স্মারক নোটটির মূল্য নির্ধারণ করা হয়েছে ১০০ টাকা।

post
বাংলাদেশ

বাংলাদেশে আবারো রোহিঙ্গা নেতা খুন

কক্সবাজারের উখিয়ার বালুখালী ক্যাম্পে দুর্বৃত্তের গুলিতে মোহাম্মদ হোসেন প্রকাশ শফিক (৪০) নামের রোহিঙ্গা নেতা (হেড মাঝি) নিহত হয়েছেন। সোমবার (২৬ ডিসেম্বর) সকাল সাড়ে ১০টার বালুখালী ক্যাম্প ৮/ইস্টে এ ঘটনা ঘটে। লাশ হাসপাতাল মর্গে রয়েছে। বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন ৮ আমর্ড পুলিশ ব্যাটালিয়নের সহকারী পরিচালক (মিডিয়া) এএসপি ফারুক আহমেদ। নিহত হোসেন ক্যাম্প ৮/ই এর বি-ব্লকের মোহাম্মদ সিদ্দিকের ছেলে এবং ওই ক্যাম্পের হেড মাঝি। নিহতের ছোট ভাই নুর হাশেম জানান, সকালে তার ভাই বাড়ির পাশে বসে ছিলেন। হঠাৎ একদল সন্ত্রাসী এলোপাতাড়ি গুলি করে পালিয়ে যায়। মুমূর্ষু অবস্থায় তাকে উদ্ধার করে হাসপাতালে নেয়া হলে কর্তব্যরত চিকিৎসক মৃত ঘোষণা করেন। এএসপি ফারুক আহমেদ জানান, ঘটনার খবর পেয়ে ঘটনাস্থলে গিয়ে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনা হয়েছে। ঘাতকদের ধরতে কাজ করছে এপিবিএন পুলিশ। গুলিবিদ্ধ মরদেহ হাসপাতালের মর্গে রয়েছে। স্থানীয় রোহিঙ্গারা জানিয়েছে, ক্যাম্পে ‘আরসা’র (আরাকান রোহিঙ্গা স্যালভেশন আর্মি) বিভিন্ন নেতিবাচক কর্মকাণ্ডে সব সময় সোচ্চার ছিলেন শফিক মাঝি। এ কারণেই তাকে মারা হয়েছে বলে সাধারণ রোহিঙ্গাদের ধারনা। কিছুদিন বিরতির পরে ক্যাম্পে সন্ত্রাসী গ্রুপ আবারও সক্রিয় হওয়ার চেষ্টা করছে বলে তারা ধারনা করছেন।

post
বাংলাদেশ

কক্সবাজার থেকে মালয়েশিয়াগামী ১৮০ রোহিঙ্গার সাগরে ডুবে মৃত্যু

রোহিঙ্গাদের বিপদের যেন কোনও শেষ নেই। মৃত্যুর পর মৃত্যুর ঘটনা ঘটছে তাদের জীবনে। কক্সবাজার থেকে মালয়েশিয়াগামী নৌকায় চড়া ১৮০জন রোহিঙ্গা মৃত্যুবরণ করেছেন বলে জানিয়েছে ভারতীয় সংবাদমাধ্যম জিনিউজ।খবরে বলা হয়, গত ২ ডিসেম্বর পাড়ি দিয়েছিল নৌকাটি। কিন্তু ৮ ডিসেম্বরের পর থেকে সেই নৌকার যাত্রীদের সঙ্গে আর কোনোভাবেই যোগাযোগ করা সম্ভব হয়নি। প্রায় কয়েক সপ্তাহ ধরেই নিখোঁজ ছিল নৌকাটি। জাতিসংঘও এই ধরনের কোনও দুর্ঘটনার আশঙ্কা করেছিল। শেষ পর্যন্ত আশঙ্কাই সত্য হল। পানিতে ডুবে মৃত্যুবরণ করেছেন রোহিঙ্গা শরণার্থীরা। কমপক্ষে ১৮০ জন রোহিঙ্গা শরণার্থী মারা গিয়েছেন বলে জানা গিয়েছে। এখনও বহুজন নিখোঁজ। তাদের সন্ধানে তল্লাশি চলছে। এ নিয়ে যথারীতি উদ্বেগ প্রকাশ করেছে জাতিসংঘ। জিনিউজের খবরে বলা হয়, নৌকাটিতে ধারণক্ষমতার চেয়েও অতিরিক্ত যাত্রী বোঝাই করা হয়েছিল। যার কারণে শ্রীলঙ্কা উপকূলের কাছাকাছি গিয়ে নৌকাটি ডুবে যায়। শ্রীলঙ্কা উপকূলের মৎস্যজীবীরা নৌকাডুবির কথা জানতে পেরে উপকূলরক্ষীদের খবর দেন। তারা গিয়ে উদ্ধারকাজ চালান। ততক্ষণে অবশ্য সমুদ্রে ১৮০ জন শরণার্থী ডুবে গিয়েছেন। নৌকাটির আর কোনও যাত্রীই বেঁচে নেই বলেই আশঙ্কা প্রকাশ করা হয়েছে। এর আগে গত সপ্তাহেও ভারতের উপকূলে রোহিঙ্গাদের একটি নৌকা উদ্ধার করা হয়েছিল। এ নৌকায় ক্ষুধা-তৃষ্ণায় অন্তত ২০ জনের মৃত্যু হয়েছিল। নৌকাটিতে ১০০ জনের মতো রোহিঙ্গা ছিলেন। চলতি মাসের শুরুতে শ্রীলঙ্কার উত্তর উপকূল থেকে ১০৪ জন রোহিঙ্গা-সহ একটি নৌকা উদ্ধার করেছিল শ্রীলঙ্কা নৌবাহিনী।

post
বাংলাদেশ

বাংলাদেশে বিদেশিদের প্রবাসী আয় নেওয়ার পরিমাণ ১০ কোটি ডলার ছাড়িয়েছে

বাংলাদেশে কর্মরত বিদেশিদের বৈধভাবে রেমিট্যান্স তথা প্রবাসী আয় নেওয়ার পরিমাণ বছর বছর বাড়ছে। সর্বশেষ ২০২১-২২ অর্থবছরে তা প্রথমবারের মতো ১০ কোটি ডলার ছাড়িয়ে গেছে। এই অর্থ দেশীয় মুদ্রায় ৮৫০ কোটি টাকার বেশি (প্রতি ডলার ৮৫ টাকা ৬০ পয়সা হিসাবে)। বাংলাদেশে কাজ করে বিদেশিরা যে পরিমাণ রেমিট্যান্স নিয়ে গেছেন, তা দেশের একই বছরের মোট দেশজ উৎপাদনের (জিডিপি) শূন্য দশমিক শূন্য ২ শতাংশ। বিশ্বব্যাংকের সহায়তায় প্রতিষ্ঠিত দ্য গ্লোবাল নলেজ পার্টনারশিপ অন মাইগ্রেশন অ্যান্ড ডেভেলপমেন্টের (নৌম্যাড) সর্বশেষ পরিসংখ্যানে এমন তথ্যই উঠে এসেছে। তাদের তথ্যানুযায়ী, ২০২০ সালে ৯ কোটি ৫০ লাখ ডলারের রেমিট্যান্স নিজেদের দেশে পাঠান বাংলাদেশে কর্মরত বিদেশিরা। সেটি গত বছর ৬ দশমিক ৩ শতাংশ বেড়ে ১০ কোটি ১০ লাখ উঠেছে।নৌম্যাডের পরিসংখ্যান অনুযায়ী, বাংলাদেশে কর্মরত বিদেশিরা ২০১২ সালে মাত্র ১ কোটি ২০ লাখ ডলার রেমিট্যান্স নিজ দেশে নিয়েছিলেন। পরবর্তী এক দশকের মধ্যে এক বছর ছাড়া সংখ্যাটি কেবলই বেড়েছে। ২০১৮ সালে বাংলাদেশ থেকে বিদেশিদের রেমিট্যান্স নেওয়ার পরিমাণ বেড়ে ৫ কোটি ৭০ লাখে দাঁড়ায়। পরের বছরে ৮ কোটি ৩০ লাখ ডলারের রেমিট্যান্স নিজেদের দেশে পাঠিয়েছেন বাংলাদেশে কর্মরত বিদেশিরা। অবশ্য নৌম্যাডের পরিসংখ্যানটি আংশিক। এর কারণ ব্যাংকিং মাধ্যম ছাড়াও অবৈধভাবে রেমিট্যান্স নিজ নিজ দেশে পাঠান বাংলাদেশে কর্মরত বিদেশিরা। ২০২০ সালের ফেব্রুয়ারিতে ট্রান্সপারেন্সি ইন্টারন্যাশনাল বাংলাদেশের (টিআইবি) এক প্রতিবেদনে বলা হয়, বিদেশি কর্মীদের বেতন-ভাতার নামে বাংলাদেশ থেকে প্রতিবছর ২৬ হাজার কোটি টাকা পাচার হয়। কম করে ধরলেও বাংলাদেশে আড়াই লাখ বিদেশি কর্মী কাজ করেন। এর মধ্যে পর্যটক ভিসায় এসে কাজ করেন ১ লাখ ৬০ হাজার কর্মী। এসব বিদেশি কর্মী প্রায় ১২ হাজার কোটি টাকার রাজস্ব ফাঁকি দেন।টিআইবি জানায়, এ দেশে কোনো প্রতিষ্ঠানে বিদেশি কর্মী নিয়োগ দিতে গেলে জনপ্রতি নিয়মবহির্ভূতভাবে ২৩ হাজার থেকে ৩৪ হাজার টাকা ঘুষ দিতে হয়। বৈধভাবে বিদেশি কর্মী আনা হলে আটটি ধাপ সম্পন্ন করতে হয়। অবৈধভাবে বিদেশি কর্মী আনা হলে তিন ধাপেই নিয়োগ চক্র শেষ হয়। সে জন্য বেশির ভাগ পর্যটক ভিসায় এসে এ দেশে কাজ করেন।টিআইবির গবেষণা প্রতিবেদনে আরও বলা হয়, আট ধরনের কাগজপত্র ঠিক করতে এই নিয়মবহির্ভূত আর্থিক লেনদেন করতে হয়। সেগুলো হচ্ছে ভিসার সুপারিশপত্র, বিদেশে বাংলাদেশ মিশন থেকে ভিসা সংগ্রহ, বিদেশি নাগরিক নিবন্ধন, কর্ম অনুমতির জন্য আবেদন, নিরাপত্তা ছাড়পত্র (এসবি পুলিশ), নিরাপত্তা ছাড়পত্র (জাতীয় গোয়েন্দা সংস্থা), নিরাপত্তা ছাড়পত্র (স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়) ও ভিসার মেয়াদ বৃদ্ধি। এ প্রক্রিয়া সম্পন্ন করতে ঘুষ দিতে হয়।

post
বাংলাদেশ

বাংলাদেশে বিদ্যুৎচালিত দ্রুতগতির মেট্রোরেল উদ্বোধন কাল

বাংলাদেশ প্রবেশ করতে যাচ্ছে আধুনিকতার নতুন এক অধ্যায়ে। দেশের প্রথম বিদ্যুৎচালিত দ্রুতগতির মেট্রোরেল উদ্বোধন হতে যাচ্ছে বুধবার (২৮ ডিসেম্বর)। প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা মেট্রোরেলের এমআরটি-৬ লাইনের দিয়াবাড়ী থেকে আগারগাঁও অংশের উদ্বোধন এবং প্রথম যাত্রী হবেন। তবে সাধারণ যাত্রীরা স্বপ্নের মেট্রোরেলে চড়ার সুযোগ পাবে পরদিন ২৯ ডিসেম্বর থেকে। ১১ দশমিক ৭৩ কিলোমিটার দীর্ঘ এ পথের আধুনিক ট্রেনে সবগুলো কোচই শীতাতপ নিয়ন্ত্রিত। শুরুর দিকে পুরাপুরি অপারেশনে যাচ্ছে না মহানগরীর নতুন এ গণপরিবহন। ঢাকা ম্যাস ট্রানজিট কোম্পানি লিমিটেড (ডিএমটিসিএল) জানিয়েছে, সেখানে সকাল ৮টা থেকে দুপুর ১২টা পর্যন্ত সর্বোচ্চ চার ঘণ্টা চালানো হবে।মেট্রোরেলের উত্তরা দিয়াবাড়ী থেকে আগারগাঁও পর্যন্ত অংশে মোট ৯টি স্টেশন। এগুলো হলো- উত্তরা উত্তর (দিয়াবাড়ী), উত্তরা সেন্টার, উত্তরা দক্ষিণ, পল্লবী, মিরপুর ১১, মিরপুর-১০, কাজীপাড়া, শেওড়াপাড়া ও আগারগাঁও। তবে শুরুতে কোনও স্টেশনে দাঁড়াবে না মেট্রো। দিয়াবাড়ী থেকে শুরু করে আগারগাঁওয়ে শেষ করবে। প্রতি ১০ মিনিট পর পর উভয়প্রান্ত থেকে চলাচল করবে শহরের সবচেয়ে আধুনিক এ বাহন।এদিকে উদ্বোধনের আগে সবগুলো মেট্রো স্টেশন সার্বিক প্রস্তুতি মোটামুটি শেষ হয়েছে। বিশেষ করে আগারগাঁও উত্তরা দিয়াবাড়ী স্টেশন বেশ পরিপাটি করে সাজানো হয়েছে। বুধবার বঙ্গবন্ধু আন্তর্জাতিক সম্মেলন কেন্দ্র থেকে এর উদ্বোধন করবেন প্রধানমন্ত্রী। এরপর নিজের প্রথম যাত্রী হয়ে যাবেন উত্তরা দিয়াবাড়ি স্টেশনে।মিরপুরবাসী দীর্ঘভোগান্তি-ত্যাগ শেষে মেট্রোরেলের উদ্বোধন হতে যাওয়ায় বেশ উচ্ছ্বসিত এখানকার বাসিন্দারা। তারা বলছেন, স্বপ্নের এ মেট্রোরেল তাদের প্রতিদিনকার জীবনকে আরও সহজ করে দেবে।এ বিষয়ে ডিএমটিসিএলের ব্যবস্থাপনা পরিচালক এম এ এন ছিদ্দিক বলেন, ২৯ ডিসেম্বর সকাল ৮টা থেকে দুপুর ১২টা পর্যন্ত সর্বোচ্চ চার ঘণ্টা চালানো হবে। প্রথমদিকে মেট্রোরেল কোনো স্টেশনে দাঁড়াবে না। উত্তরা থেকে একটি ট্রেন আর একটি ট্রেন আগারগাঁও স্টেশন থেকে যাত্রা শুরু করবে। উভয় দিকে ট্রেনগুলো প্রতি ১০ মিনিট পর পর চলাচল করবে।তিনি আরও বলেন, আমাদের প্রত্যাশা হলো তিন মাস পরে, সেটি ২৬ মার্চও হতে পারে। আমরা ওইদিন থেকে পূর্ণ অপারেশনে যাব। এই সময়ের মধ্যে মানুষ মেট্রোরেলের চড়ায় অভ্যস্ত হয়ে যাবে এটা আমাদের বিশ্বাস। শুরুতে মেট্রোরেল পূর্ণাঙ্গ অপারেশনে যাচ্ছে না।এমআরটি-৬ লাইনের জন্য ২৪ সেট ট্রেন কেনা হচ্ছে জাপান থেকে। এরই মধ্যে ১৯টি ট্রেন এসেছে। ১৯ ধরনের পরীক্ষা চলছে সেগুলোর। পারফরম্যান্স টেস্ট, ট্রায়াল রান ও ইন্টিগ্রেটেড টেস্ট শেষ হওয়া ১০টি ট্রেন চলবে দিয়াবাড়ী-আগারগাঁও অংশে। আর দুটি রিজার্ভ রাখার পরিকল্পনা রয়েছে। তবে শুরুতে পাঁচটি ট্রেন চলবে।আগামী মার্চে মেট্রোরেল পুরোপুরি বাণিজ্যিক কার্যক্রমে যাওয়ার পর স্টেশনে মাত্র ৩০ সেকেন্ড যাত্রাবিরতি করবে। ডিএমটিসিএলের তথ্য মতে, যাত্রীদের অভ্যস্ত হতে শুরুর দিকে বাড়তি সময় দেওয়া হবে। দিয়াবাড়ী থেকে আগারগাঁওয়ের ভাড়া ৬০ টাকা, কিলোমিটার প্রতি ভাড়া ৫ টাকা। মেট্রোরেলের সর্বোচ্চ ধারণ ক্ষমতা ২ হাজার ৩০৮ জন হলেও শুরুর দিকে প্রতিটি ট্রেন ১০০ থেকে ৩৫০ যাত্রী নিয়ে চলবে। মেট্রোরেলের ছয় বগির ট্রেনের দুই দিকেই থাকবে ট্রেইলার কোচ। মেট্রোরেলে প্রতিটি ট্রেনে একটি করে বগি নারী যাত্রীদের জন্য সংরক্ষিত থাকবে। তবে নারী যাত্রীরা সাধারণ বগিতেও ভ্রমণ করতে পারবেন। জানা যায়, এমআরটি-৬ প্রকল্প সরকারের অনুমোদন পায় ২০১২ সালে। ২১ হাজার ৯৮৫ কোটি টাকা ব্যয় ধরে মেট্রোরেলের নির্মাণকাজ শুরু হয়েছিল। পরে তা ধাপে ধাপে বেড়ে হয়েছে ৩৩ হাজার ৪৭২ কোটি টাকা। এরমধ্যে জাইকা ঋণ দিচ্ছে ১৯ হাজার ৭১৮ কোটি টাকা। সবশেষ ২০২৫ সালের ডিসেম্বর পর্যন্ত প্রকল্পের মেয়াদ বেড়েছে।

post
বাংলাদেশ

রোহিঙ্গা সমস্যা সমাধানে নতুন আশাবাদ, প্রথমবারের মত জাতিসংঘের নিরাপত্তা পরিষদে মিয়ানমার বিষয়ক রেজুল্যুশন গৃহীত

জাতিসংঘ নিরাপত্তা পরিষদে প্রথমবারের মত “মিয়ানমারের পরিস্থিতি” বিষয়ক একটি রেজুল্যুশন গৃহীত হয়েছে। বুধবার গৃহীত এই রেজুলেশনে মিয়ানমারের বিদ্যমান রাজনৈতিক অস্থিতিশীলতা, জরুরি অবস্থা, বন্দি মুক্তিসহ বিভিন্ন বিষয় তুলে ধরে রোহিঙ্গা সমস্যার সমাধানের বিষয়টিকে প্রাধান্য দেয়া হয়।রেজুল্যুশনটির উপর ভোট আহবান করা হলে তা ১২-০ ভোটে অনুমোদিত হয়। ভোটাভুটি পর্বে এই প্রস্তাবনার বিপক্ষে কোন সদস্য ভোট অথবা ভেটো প্রদান করেনি । চীন, ভারত ও রাশিয়া ভোটদানে বিরত ছিল। ভোটদান শেষে সংযুক্ত আরব আমিরাত, ফ্রান্স, মেক্সিকো, গ্যাবন এবং নরওয়ে তাদের বক্তব্যে রেজুল্যুশনটিতে রোহিঙ্গা সংকটের বিষয়টি অন্তর্ভুক্তি করণের প্রশংসা করে এই সমস্যা সমাধানে নিরাপত্তা পরিষদের জোরালো ভূমিকার দাবি জানান। মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র তার বক্তব্যে রেজুল্যুশনটি উত্থাপন করার জন্য যুক্তরাজ্যকে ধন্যবাদ জ্ঞাপন করে। বলা বাহুল্য, এই রেজুল্যুশনটি রোহিঙ্গা বিষয়ে বাংলাদেশ সরকারের অবস্থানের প্রতি জাতিসংঘের সবচেয়ে ক্ষমতাধর অঙ্গটির শক্তিশালি সমর্থনেরই বহিঃপ্রকাশ। রাশিয়া-ইউক্রেন সংকটসহ অন্যান্য বৈশ্বিক চ্যালেঞ্জের প্রেক্ষাপটে গৃহীত রেজুল্যুশনটি রোহিঙ্গা সংকটের প্রতি বিশ্ব সম্প্রদায়ের দৃষ্টি আরো সুসংহত করতে সহায়ক হবে বলে আশা করা যায়। মিয়ানমার কর্তৃপক্ষের অমানবিক নির্যাতনের স্বীকার হয়ে ২০১৭ সালে ৮ লক্ষাধিক রোহিঙ্গাসহ এ পর্যন্ত ১.২ মিলিয়নের অধিক রোহিঙ্গা বাংলাদেশে প্রবেশ করে। প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা মানবিক কারণে তাদের অস্থায়ীভাবে বাংলাদেশে আশ্রয় প্রদান করেন এবং শুরু থেকেই তাদের মাতৃভূমি মিয়ানমারে নিরাপদ, টেকসই ও মর্যাদাপূর্ণ প্রতাবসনের নিমিত্ত্ব বিশ্ব নেতৃবৃন্দের কাছে জোরালো দাবি উত্থাপন করে আসছেন। এই প্রস্তাবনা অনুমোদিত হওয়ার ফলে রোহিঙ্গা সমস্যার সমাধানের বিষয়টি নিরাপত্তা পরিষদের নিয়মিত কার্যকলাপের অংশ হয়ে গেল। একই সাথে এটি রোহিঙ্গা সমস্যার দ্রুত ও স্থায়ী সমাধানে বাংলাদেশের এতদসংক্রান্ত অব্যাহত প্রচেষ্টাকে আরো শক্তিশালি ও ত্বরান্বিত করবে। রেজুল্যুশনটিতে রোহিঙ্গা শরণার্থীদের আশ্রয়, নিরাপত্তা ও মানবিক সহযোগিতা প্রদানের জন্য বাংলাদেশ সরকারের প্রশংসা করা হয়। পরিষদ রোহিঙ্গা সঙ্কটের মূল কারণগুলো চিহ্নিত করে তাদের নিরাপদ, টেকসই ও মর্যাদাপূর্ণ প্রত্যাবসনের নিমিত্ত্ব অনুকূল পরিবেশ সৃষ্টির জন্য মিয়ানমার কর্তৃপক্ষকে আহবান জানায়। মিয়ানমারের বর্তমান রাজনৈতিক অস্থিরতা যে রোহিঙ্গাদের তাদের নিজ বাসভূমি মিয়ানমারে প্রত্যাবসনের ওপর নেতিবাচক প্রভাব বিস্তার করবে এবং আঞ্চলিক নিরাপত্তাকে ঝুঁকিতে ফেলবে, সে বিষয়টি দৃঢ়ভাবে তুলে ধরা হয়। এছাড়া, এ সমস্যার সমাধানে আসিয়ানের সদস্য রাষ্ট্রসমূহের ২০২১ সালে গৃহীত পাঁচ দফা ঐক্যমত্যের দ্রুত ও পূর্ণবাস্তবায়নের উপর গুরুত্বারোপ করা হয় এবং এর বাস্তবায়নে জাতিসংঘের কোন সহযোগিতার প্রয়োজন হবে কিনা সে বিষয়ে জাতিসংঘ মহাসচিব এবং মিয়ানমার বিষয়ক বিশেষ দূতকে আগামি ১৫ মার্চ ২০২৩ তারিখের মধ্যে নিরাপত্তা পরিষদে একটি প্রতিবেদন পেশ করার জন্য অনুরোধ করা হয়। জাতিসংঘে বাংলাদেশ স্থায়ী মিশন রেজুল্যুশনটিতে বাংলাদেশের স্বার্থ সংরক্ষণে উল্লেখযোগ্য ভূমিকা পালন করে। বাংলাদেশের স্থায়ী প্রতিনিধি ও রাষ্ট্রদূত মোহাম্মদ আব্দুল মুহিত নিরাপত্তা পরিষদের গুরুত্বপূর্ণ স্থায়ী ও অস্থায়ী বিভিন্ন সদস্য রাষ্ট্রের সাথে প্রয়োজনীয় দ্বিপাক্ষিক বৈঠক করেন এবং বাংলাদেশের জন্য গুরুত্বপূর্ণ বিষয়গুলো যাতে রেজুল্যুশনে অন্তর্ভুক্ত হয়, সে বিষয়টি নিশ্চিত করেন। উল্লেখ্য, রেজুল্যুশনটির পেন হোল্ডার (মূল স্পন্সর) পরিষদের অন্যতম স্থায়ী সদস্য যুক্তরাজ্য। বিগত তিনমাস ধরে রেজুল্যুশনটির নেগোশিয়েশন শেষে আজ এটি নিরাপত্তা পরিষদে গৃহীত হয়। নিরাপত্তা পরিষদের ডিসেম্বর ২০২২ এর সভাপতি ভারত এবং তাদের সভাপতি থাকাকালীন সময়েই রেজুল্যুশনটি নিরাপত্তা পরিষদে গৃহীত হল। এর ফলে রোহিঙ্গা সমস্যার সমাধানে বহুপাক্ষিক কূটনীতিতে এক অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ প্রচেষ্টায় সফল হল বাংলাদেশ।

About Us

NRBC is an open news and tele video entertainment platform for non-residential Bengali network across the globe with no-business vision just to deliver news to the Bengali community.