post
বাংলাদেশ

ঢাকায় রাজনৈতিক সহিংসতা নিয়ে যুক্তরাষ্ট্রের রাষ্ট্রদূত পিটার হাসের বিবৃতি

ঢাকায় রাজনৈতিক সহিংসতা নিয়ে যুক্তরাষ্ট্রের রাষ্ট্রদূত পিটার হাস একটি বিবৃতি দিয়েছেন। দূতাবাসের পক্ষ থেকে বিবৃতিটি সংবাদমাধ্যমে পাঠানো হয়েছে। এতে বলা হয়েছে-"যুক্তরাষ্ট্র দূতাবাস বুধবার ঢাকায় নিহত ও আহতদের পরিবারবর্গের প্রতি সমবেদনা জানাচ্ছে। আমরা ঢাকায় ভয়ভীতি প্রদর্শন ও রাজনৈতিক সহিংসতার খবরে উদ্বিগ্ন এবং আইনের শাসনকে সম্মান জানাতে এবং সহিংসতা, হয়রানি ও ভয় দেখানো থেকে বিরত থাকতে সবার প্রতি আহ্বান জানাচ্ছি। সহিংসতার এই খবরগুলোর সুষ্ঠু তদন্ত করতে, এবং মত প্রকাশ, সভা ও শান্তিপূর্ণ সমাবেশের মৌলিক স্বাধীনতা রক্ষা করতে আমরা সরকারি কর্তৃপক্ষকে উৎসাহিত করছি।

post
বাংলাদেশ

‘যেকোনো মুহূর্তে মিয়ানমার সরকার রোহিঙ্গাদের ফেরত নিয়ে যেতে পারে'

পররাষ্ট্রমন্ত্রী এ কে আব্দুল মোমেন বলেছেন, ‘যেকোনো মুহূর্তে মিয়ানমার সরকার রোহিঙ্গাদের ফেরত নিয়ে যেতে পারে। এজন্য তারা কয়েকশ’ লোককে ভেরিফাইও করেছে।’ বৃহস্পতিবার (৮ ডিসেম্বর) দুপুরে কক্সবাজারের উখিয়ার ইনানীতে আয়োজিত আন্তর্জাতিক ফ্লিট রিভিউ-২০২২ এর অনুষ্ঠান শেষে সংবাদ সম্মেলনে তিনি এসব কথা বলেন। পররাষ্ট্রমন্ত্রী বলেন, ‘যারা ২০১৬ সালের পর বাংলাদেশে এসেছে, তাদের মিয়ানমার ফিরিয়ে নিতে রাজি আছে। কিন্তু যারা ২০১৬ সালের আগে এসেছে, তাদের নিয়ে যেতে রাজি নয়। এরইমধ্যে মিয়ানমার যেসব রোহিঙ্গার পরিচয় সম্পর্কে নিশ্চিত হয়েছে, তাদের যেকোনো মুহূর্তে দেশে নিয়ে যেতে পারে।’যারা ২০১৬ সালের আগে এসেছিল তাদের সংখ্যা ৩৩ হাজার উল্লেখ করে তিনি বলেন, ‘মিয়ানমার তাদের না নিলে যুক্তরাষ্ট্রসহ যেসব দেশ রোহিঙ্গা নিয়ে যাচ্ছে, সেসব দেশকে পুরোনো রোহিঙ্গাদের নিয়ে যাওয়ার জন্য সুপারিশ করা হবে। ’প্রসঙ্গত, আজ ৮ ডিসেম্বর প্রথম পর্যায়ে ২৪ জন রোহিঙ্গাকে যুক্তরাষ্ট্রে নিয়ে যাওয়া হচ্ছে।

post
বাংলাদেশ

জ্বালানি নিরাপত্তায় আমিরাতের স‌ঙ্গে সম্পর্ক জোরদার করবে বাংলাদেশ

জ্বালানি এবং খাদ্য নিরাপত্তায় সংযুক্ত আরব আমিরাতের সঙ্গে সহযোগিতা জোরদার করতে আগ্রহী বাংলাদেশ। অন্যদিকে দেশটি স্বল্প মূল্যে ঢাকা-চট্টগ্রাম-আবুধাবি রুটে আবুধাবি ভিত্তিক উইজ এয়ার পরিচালনায় বাংলাদেশের সহযোগিতা চায়।বুধবার (৭ ডিসেম্বর) পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ে পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রীর সাক্ষাতে আসেন ঢাকায় নিযুক্ত আমিরাতের নতুন রাষ্ট্রদূত আব্দুল্লা আলি আলহামুদি। এ সময় উভয়পক্ষ যার যার আগ্রহের কথা জানান। প্রতিমন্ত্রী নতুন রাষ্ট্রদূতকে স্বাগত জানান এবং মন্ত্রণালয়ের পক্ষ থেকে সম্ভাব্য সব ধরনের সহযোগিতার আশ্বাস দেন। রাষ্ট্রদূত বাংলাদেশের অভূতপূর্ব উন্নয়ন ও অগ্রগতির জন্য প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার নেতৃত্বের ভূয়সী প্রশংসা করেন। শাহরিয়ার আলম বলেন, বাংলাদেশ ও আমিরাতের মধ্যে সম্পর্ক দিন দিন দৃঢ় হচ্ছে। রাষ্ট্রদূতের মেয়াদকালে পারস্পরিক স্বার্থে দ্বিপাক্ষিক সম্পর্ক আরও সম্প্রসারিত হবে বলে আশা প্রকাশ করেন প্রতিমন্ত্রী। রাষ্ট্রদূত বাণিজ্য, বিনিয়োগ, বিমান ও শিপিং সংযোগ, কৃষি, খাদ্য নিরাপত্তা, সৌরশক্তি, ওষুধ, আইটি ও বনায়ন বিষয়ে সহযোগিতার বিষয়ে আলোচনা করেন। তিনি আগামী বছর দুবাইয়ে অনুষ্ঠেয় কপ-২৮ সম্মেলনে বাংলাদেশের সহযোগিতা চান।

post
বাংলাদেশ

১০ ডিসেম্বরের সমাবেশ: ঢাকায় অবস্থানরত নাগরিকদের সতর্ক করল যুক্তরাষ্ট্র

ঢাকায় ১০ ডিসেম্বর বিএনপির গণসমাবেশকে কেন্দ্র করে নাগরিকদের উদ্দেশে সতর্কবার্তা দিয়েছে যুক্তরাষ্ট্র। ঢাকায় মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের দূতাবাস ওই দিন গণসমাবেশ এড়িয়ে চলার পাশাপাশি বড় জমায়েত এবং তার আশপাশের এলাকার বিষয়ে সতর্ক থাকার পরামর্শ দিয়েছে।বুধবার ঢাকায় মার্কিন দূতাবাসের ওয়েবসাইট ও টুইটারে ঢাকায় অবস্থানরত যুক্তরাষ্ট্রের নাগরিকদের এ সতর্ক করেছে। টুইট বার্তায় বলা হয়েছে, ‘বাংলাদেশের বড় দুটি রাজনৈতিক দল ঢাকার ভিন্ন ভিন্ন এলাকায় সমাবেশের ডাক দিয়েছে। মার্কিন নাগরিকদের বিক্ষোভ এড়িয়ে চলা উচিত এবং যেকোনো বড় গণজমায়েতের আশেপাশে সতর্কতা অবলম্বন করা উচিত।’ ঢাকায় মার্কিন দূতাবাস আজ বুধবার সন্ধ্যায় তাদের ওয়েবসাইটে গণসমাবেশকে কেন্দ্র করে একটি সতর্কবার্তা জারি করে। এতে বলা হয়, বাংলাদেশে পরবর্তী জাতীয় নির্বাচন ২০২৪ সালের জানুয়ারি কিংবা তার আগে হতে পারে। এরই মধ্যে রাজনৈতিক দলের সমাবেশ ও নির্বাচনকেন্দ্রিক তৎপরতা শুরু হয়ে গেছে। সতর্কবার্তায় আরও বলা হয়, সাধারণ নির্বাচনের দিনক্ষণ ঘনিয়ে আসার সঙ্গে সঙ্গে রাজনৈতিক দলের মিছিল ও গণসমাবেশ ক্রমে বাড়তে পারে। বাংলাদেশের প্রধান দুটি রাজনৈতিক দল ১০ ডিসেম্বর রাজধানী ঢাকার বিভিন্ন এলাকায় গণসমাবেশ আয়োজনের ঘোষণা দিয়েছে। এ পরিস্থিতিতে ঢাকায় অবস্থানরত তাদের নাগরিকদের নিজেদের নিরাপত্তার পরিকল্পনা পর্যালোচনার পাশাপাশি স্থানীয় অনুষ্ঠানসহ নিজেদের চারপাশের বিষয়ে সতর্ক থাকা এবং হালনাগাদ তথ্য জানতে স্থানীয় খবরে নজর রাখার পরামর্শ দিয়েছে মার্কিন দূতাবাস।

post
বাংলাদেশ

আগামীকাল বাংলাদেশ থেকে রোহিঙ্গা নিবে যুক্তরাষ্ট্র

মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র সম্ভবত মিয়ানমার থেকে জোরপূর্বক বাস্তুচ্যুত কিছু সংখ্যক রোহিঙ্গাকে বাংলাদেশ থেকে তাদের ভূখন্ডে নিয়ে যাওয়া শুরু করবে।মঙ্গলবার বিকেলে পররাষ্ট্রমন্ত্রী ডা. এ কে আব্দুল মোমেন গণমাধ্যমকে বলেন, ‘প্রথম পর্যায়ে প্রায় ৬২ জন রোহিঙ্গাকে তালিকাভুক্ত করেছে। এদের মধ্যে ৮ ডিসেম্বর তারা অল্প কিছু রোহিঙ্গাকে নিবে।’মোমেন মঙ্গলবার ফরেন সার্ভিস একাডেমিতে সফররত মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের জনসংখ্যা, শরণার্থী ও অভিবাসন ব্যুরোর সহকারি পররাষ্ট্রমন্ত্রী জুলিয়েটা ভালস নয়েসের সঙ্গে বৈঠক শেষে এ মন্তব্য করেন।‘উত্তেজিত হওয়ার কিছু নেই [যেহেতু মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র কিছু রোহিঙ্গাকে নেবে]। এটা [রোহিঙ্গাদের সংখ্যা] সমুদ্রের একটি ফোঁটা মাত্র,’ মোমেন বলেছেন বাংলাদেশ ১১ লাখেরও বেশি রোহিঙ্গাকে আশ্রয় দিয়েছে।মোমেন বলেন, এর আগে তিনি অন্তত এক লাখ রোহিঙ্গাকে নিতে যুক্তরাষ্ট্রের প্রতি আহ্বান জানিয়েছিলেন, কারণ বাংলাদেশের তুলনায় যুক্তরাষ্ট্রে মানুষের ঘনত্ব অনেক কম।তবে পররাষ্ট্রমন্ত্রী বলেন, এটি একটি ভালো পদক্ষেপ কারণ, যুক্তরাষ্ট্র রোহিঙ্গাদের নেওয়া শুরু করতে চলেছে এবং ওয়াশিংটন প্রতি বছর বাংলাদেশ থেকে কিছু কিছু রোহিঙ্গা নেওয়ার সিদ্ধান্ত নিয়েছে।তিনি আরো বলেন, বাংলাদেশ সরকার রোহিঙ্গাদের উন্নত জীবন দেখতে চায়।মার্কিন সহকারি পররাষ্ট্রমন্ত্রী রোহিঙ্গাদের জীবন রক্ষাকারী সহায়তার জন্য বাংলাদেশ সরকারকে ধন্যবাদ জানান এবং বাস্তুচ্যুত মিয়ানমারের জনগণের নিরাপদ প্রত্যাবর্তন, জীবিকা ও তৃতীয় দেশের পুনর্বাসনের বিষয়ে আলোচনা করেন।কক্সবাজার ও ভাষানচরে রোহিঙ্গা ক্যাম্প পরিদর্শনে পাঁচ দিনের সরকারি সফরে শনিবার বাংলাদেশে এসেছেন মার্কিন সহকারি সচিব।বুধবার সহকারি পররাষ্ট্রমন্ত্রীর থাইল্যান্ডের উদ্দেশে বাংলাদেশ ত্যাগ করেন।

post
বাংলাদেশ

প্রবাসীদের লাল সবুজের পতাকাবাহী বাংলাদেশ বিমান ব্যবহার করার আহ্বান

সরকার প্রবাসীদের যাতায়াত সুবিধার কথা বিবেচনা করে লাল সবুজ পতাকাবাহী বাংলাদেশ বিমান সংযুক্ত করেছে। কষ্টার্জিত অর্থ দেশের বাহিরে চলে না যায় সেজন্য প্রবাসীদের যাতায়াতে নিজ দেশের বিমান ব্যবহারের আহ্বান জানিয়েছেন বাংলাদেশ বিমানের কান্ট্রি ম্যানেজার আবু বক্কর সিদ্দিক।মঙ্গলবার সার্কের সিটি টাওয়ার হোটেলে কুয়েতে বাংলাদেশ প্রেস ক্লাব ও বাংলাদেশি জাতীয় চ্যানেলের সংবাদকর্মীদের সঙ্গে মতবিনিময়কালে এসব কথা বলেন। আবু বক্কর সিদ্দিক আরও বলেন প্রবাসীদের আয় দেশের রিজার্ভ বৃদ্ধি ও দেশে উন্নয়নে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে। এ সময় সভায় আরও উপস্থিত ছিলেন বাংলাদেশ প্রেস ক্লাবের সভাপতি মঈন উদ্দিন সরকার সুমন, সহ-সভাপতি মোহা. জালাল উদ্দিন, ভারপ্রাপ্ত সাধারণ সম্পাদক আল আমিন রানা, একাত্তর টিভি প্রতিনিধি সাদেক রিপন, যমুনা টিভি প্রতিনিধি হেব্জু মিয়া, এসএ টিভি প্রতিনিধি সেলিম হাওলাদার, যায়যায় দিন পত্রিকার প্রতিনিধি আবু বক্কর পাভেল, ডিবিসি নিউজ প্রতিনিধি মহসিন পারভেজ, দৈনিক একুশে সংবাদ প্রতিনিধি জসিম উদ্দিন ভুঁইয়া, কোয়ালিটি বাংলা টিভির প্রতিনিধি আলাল আহমেদসহ বিমান অফিসের কর্মকর্তা সামসুল আলম তুহিন ও গিয়াস উদ্দিন। প্রবাসীদের জন্য সরকার যত বেশি সুযোগ সুবিধা প্রদান করবে এবং সমস্যা সমাধানে দ্রুত পদক্ষেপ গ্রহণ করবে তত বেশি রেমিট্যান্স পাঠাতে উৎসাহিত হবে। প্রবাসীরা ভালো থাকলে দেশের উন্নয়নে গতি বৃদ্ধি পাবে। এছাড়াও দেশের অর্থনৈতিক উন্নয়নে প্রবাসীদের যথাযথ মূল্যায়ন জরুরি বলে মনে করেন প্রবাসী সংবাদকর্মীরা।

post
বাংলাদেশ

যুদ্ধে কোনো সমাধান নেই--আন্তর্জাতিক নৌশক্তি প্রদর্শন অনুষ্ঠানে শেখ হাসিনা

প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা বলেছেন, ‘সংঘাত নয়, আমরা সমঝোতায় বিশ্বাসী। সেভাবে আমরা দেশকে এগিয়ে নিয়ে যাচ্ছি। যুদ্ধে কোনো সমাধান নেই। স্বাধীনতা যুদ্ধের সময় তা আমরা দেখেছি’।বুধবার ইনানীর পাটুয়ারটেকস্থ বঙ্গোপসাগরে আন্তর্জাতিক নৌশক্তি প্রদর্শন অনুষ্ঠানে প্রধানমন্ত্রী এসব কথা বলেন। বুধবার বেলা ১১টা ২২ মিনিটে নৌবাহিনীসহ সবাইকে স্বাগত জানিয়ে ভাষণ শুরু করেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। নৌমহড়ায় যেসব দেশ যোগদান করেছে, তাদের প্রতিও ধন্যবাদ জ্ঞাপন করেন তিনি। এ সময় ১৫ আগস্ট কালো রাতে নিহত বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান, মা শেখ ফজিলাতুন নেছা মুজিবসহ পরিবারের সব সদস্য ও বীর শহিদদের শ্রদ্ধাভরে স্মরণ করেন প্রধানমন্ত্রী। শেখ হাসিনা বলেন, যুদ্ধবিধ্বস্ত দেশকে শক্তিশালী দেশে রূপান্তর করতে উদ্যোগ নেন বঙ্গবন্ধু। সব দেশের সঙ্গে সুসসম্পর্ক রেখে আমরা দেশ পরিচালনা করছি। এগিয়ে যাচ্ছি। বঙ্গবন্ধুর জন্মশতবার্ষিকী ও স্বাধীনতার সুবর্ণজয়ন্তী উপলক্ষ্যে ‘সীমানা ছাড়িয়ে বন্ধুত্ব’ প্রতিপাদ্যে এই প্রদর্শনীর আয়োজন করে বাংলাদেশ নৌবাহিনী। অনুষ্ঠানে ভাষণ শেষে ইনানী পাটুয়ারটেক সৈকতে নবনির্মিত নেভি জেটি উদ্বোধন করেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। নৌবাহিনীর সদর দপ্তর জানিয়েছে, মহড়ায় বাংলাদেশসহ ২৮ দেশের ৪৩টি যুদ্ধজাহাজ, ২টি বিএন এমপিএ, ৪টি বিএন হেলিকপ্টার অংশ নেয়। যুক্তরাজ্য, জার্মানি, ইতালি, নেদারল্যান্ডস, অস্ট্রেলিয়া, তুরস্ক, মিশর, নাইজেরিয়া, সুদান, মালদ্বীপ, শ্রীলংকা, জাপান, দক্ষিণ কোরিয়া, ইন্দোনেশিয়া, সিঙ্গাপুর, তিমুর থেকে নৌ প্রতিনিধিরা অংশ নেবেন। মহড়ায় ইরান, ওমান, ফিলিস্তিন ও সৌদি আরবের প্রতিনিধিরাও উপস্থিত ছিলেন। প্রসঙ্গত, এর আগে বাংলাদেশ নৌবাহিনী ২০১৭ সালের নভেম্বরে কক্সবাজারে ইন্ডিয়ান ওশান নেভাল সিম্পোজিয়াম বহুপাক্ষিক মেরিটাইম অনুসন্ধান ও উদ্ধার মহড়ার আয়োজন করেছিল। এর পর গত ১২-১৫ সেপ্টেম্বর বাংলাদেশ সেনাবাহিনী ও প্রশান্ত মহাসাগরীয় অঞ্চলের যুক্তরাষ্ট্রের সেনাবাহিনীর যৌথ ব্যবস্থাপনায় ঢাকা ও কক্সবাজারে ৪৬তম ইন্দো-প্যাসিফিক আর্মিস ম্যানেজমেন্ট সেমিনার অনুষ্ঠিত হয়।

post
বাংলাদেশ

"সকলের সাথে বন্ধুত্ব, কারো সাথে বৈরিতা নয়” বঙ্গবন্ধুর উক্তি সন্নিবেশিত জাতিসংঘ রেজুলেশনে

জাতিসংঘ সাধারণ পরিষদে মঙ্গলবার গৃহীত “ইন্টারন্যাশনাল ইয়ার অব ডায়ালগ অ্যাজ এ গ্যারান্টি অব পিস, ২০২৩” শীর্ষক রেজুলেশনের ১৪তম প্যারায় সন্নিবেশন করা হলো সর্বকালের সর্বশ্রেষ্ঠ বাঙালি, জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের ঐতিহাসিক ও মহান উক্তি “সকলের সাথে বন্ধুত্ব, কারো সাথে বৈরিতা নয়"(Friendship to all, malice towards none), যা বাংলাদেশের পররাষ্ট্র নীতির মূল ভিত্তি।কোভিড পরবর্তী বিশ্ব ব্যবস্থা এবং রাশিয়া-ইউক্রেন যুদ্ধের বৈশ্বিক প্রেক্ষাপটে সাধারন পরিষদের প্লেনারিতে রেজুলেশনটি উত্থাপন করে তুর্কমেনিস্তান । এটি সর্বসম্মতিক্রমে গৃহীত হয় । বিশ্বমানবতা ও বিশ্বশান্তির অন্যতম প্রবক্তা বঙ্গবন্ধুর ঐতিহাসিক উক্তিটি এবারই প্রথমবারের মতো জাতিসংঘ রেজুলেশনে সন্নিবেশিত হলো। রেজুলেশনটির ১৪তম প্যারাতে বঙ্গবন্ধুর উক্তিটি যেভাবে সন্নিবেশিত হয়েছে, তা নিম্নরূপ: “দারিদ্র্য, ক্ষুধা, রোগ, নিরক্ষরতা এবং বেকারত্বের বিরুদ্ধে লড়াইয়ের গুরুত্ব স্বীকার করে এবং গঠনমূলক সহযোগিতা, সংলাপ এবং পারস্পরিক বোঝাপড়ার চেতনায় সকলের সাথে বন্ধুত্ব এবং কারও প্রতি বিদ্বেষ নয় মর্মে জোর দেওয়া হলে তা এই উদ্দেশ্যগুলি অর্জনে সহায়তা করবে, (Recognizing the importance of combating poverty, hunger, disease, illiteracy and unemployment, and emphasizing that friendship to all and malice towards none, in the spirit of constructive cooperation, dialogue and mutual understanding, will help to achieve these objectives,)" উল্লেখ্য ১৯৭৪ সালের ২৫ সেপ্টেম্বর জাতিসংঘ সাধারণ পরিষদে ভাষণদানকালে জাতির পিতা যে বিষয়গুলোর উপর জোর দিয়ে বিশ্ব শান্তি প্রতিষ্ঠার কথা বলেছিলেন, সেগুলোর ধারণামূলক ভিত্তি হতে এই অনুচ্ছেদটির প্রস্তাবনা তৈরি করা হয়। জাতিসংঘে নিযুক্ত বাংলাদেশের স্থায়ী প্রতিনিধি রাষ্ট্রদূত মুহাম্মদ আব্দুল মুহিত এর দিক নির্দেশনায় মিশনের কূটনীতিক ড. মোঃ মনোয়ার হোসেন রেজুলেশনটির প্রস্তুতিপর্ব থেকে শুরু করে চূড়ান্তপর্ব পর্যন্ত নিবিড়ভাবে কাজ করেন। ফলে বিশ্বশান্তিকে এগিয়ে নেওয়ার প্রচেষ্টায় গৃহীত এই রেজুলেশনটিতে জাতির পিতার ঐতিহাসিক উক্তিটি অন্তর্ভূক্ত করা সম্ভব হয়। রেজুলেশনটিতে বাংলাদেশসহ দক্ষিণ এশিয়ার সকল দেশ কো-স্পন্সর করে। সর্বমোট কো-স্পন্সর করে ৭০টি দেশ।

post
বাংলাদেশ

বাংলাদেশ ভ্রমণে যুক্তরাজ্যের সতর্কতা, যা বললেন পররাষ্ট্রমন্ত্রী

১০ ডিসেম্বর ঢাকায় বিএনপির গণসমাবেশ ঘিরে বাংলাদেশে ভ্রমণের বিষয়ে নিজ দেশের নাগরিকদের সতর্ক করেছে যুক্তরাজ্য। মঙ্গলবার রাতে মন্ত্রণালয়ে সাংবাদিকরা এ বিষয়ে জানতে চাইলে বিরক্তি প্রকাশ করেন বাংলাদেশের পররাষ্ট্রমন্ত্রী একে আব্দুল মোমেন।পররাষ্ট্রমন্ত্রী বলেন, ‘বলছে, বলছে। তারে জিজ্ঞেস করেন, আমাকে জিজ্ঞেস করছেন কেন? সে কি বেসিসে করেছে, তাকে জিজ্ঞেস করেন। তার দেশে ইদানীং বোধহয় অভাব-টভাব বেশি সে কারণে।’ ১০ ডিসেম্বর নিয়ে শঙ্কিত হওয়ার কোনো কারণ নেই মন্তব্য করে মোমেন বলেন, ‘এ ধরনের ঢং-ঢাং আমরা আগেও শুনেছি। জনগণের সমর্থন না থাকলে এগুলো সব বিলীন হয়ে যাবে।’ এদিকে ১০ ডিসেম্বর ঘিরে কূটনীতিকপাড়ায় বাড়তি নিরাপত্তা দিতে পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের পক্ষ থেকে বলা হবে কিনা- জানতে চাইলে মন্ত্রী বলেন, ‘না। আমরা মনে করি না, এটাতে বিরাট কিছু একটা হবে। এটা নিয়ে আমরা খুব চিন্তিত না। আপনারা মিডিয়ারাই খুব এটা নিয়ে চিন্তিত। এটা মিডিয়া ইস্যু।’ তিনি আরও বলেন, ‘কেউ কেউ হুঙ্কার দিলে সবাই কি পালাবে। কোনোভাবেই না। আপনাদের এত শঙ্কা কিসের, শঙ্কার তো কোনো কারণ নাই। আপনি ঠিকই খাওয়া-দাওয়া করতে পারবেন, ঘোরাফেরা করতে পারবেন। এখানে একটা সরকার আছে। সরকারের দায়-দায়িত্ব রয়েছে শান্তি-শৃঙ্খলা রক্ষার।’ উল্লেখ্য, মঙ্গলবার ব্রিটিশ পররাষ্ট্র দপ্তরের ওয়েবসাইটে এক সতর্কবার্তায় বলা হয়েছে- ‘ঢাকায় রাজনৈতিক সমাবেশ ঘিরে আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর সঙ্গে নেতাকর্মীদের সংঘর্ষের আশঙ্কা করা হচ্ছে। গণপরিবহণ, যোগাযোগব্যবস্থা ও শহরে চলাচলে ব্যাঘাত ঘটতে পারে। সমাবেশের আগে ও পরে কয়েক দিন ঢাকায় আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর ব্যাপক উপস্থিতি হতে পারে। তাই আপনাদের রাজনৈতিক সমাবেশ ও বড় জমায়েত এড়িয়ে চলার পরামর্শ দেওয়া হচ্ছে।’ ব্রিটিশ পররাষ্ট্র দপ্তর বলছে, প্রতি বছর যুক্তরাজ্যের আনুমানিক দেড় লাখ নাগরিক বাংলাদেশ ভ্রমণ করেন। এর মধ্যে বেশির ভাগ ক্ষেত্রে কোনো সমস্যা হয় না। ১০ ডিসেম্বর ঢাকায় বিএনপির গণসমাবেশ। তবে কোথায় সমাবেশ হবে, তা এখনো নির্ধারিত হয়নি। স্থান নিয়ে পুলিশ ও বিএনপি নেতাদের আলোচনা চলছে।

post
বাংলাদেশ

বাংলাদেশকে ২ হাজার ৫৫০ কোটি টাকা ঋণ দিলো বিশ্বব্যাংক

বাংলাদেশের জন্য ২৫ কোটি ডলার ঋণ অনুমোদন করেছে বিশ্বব্যাংক। বর্তমানে প্রতি ডলার ১০২ টাকা ধরে বাংলাদেশি মুদ্রায় এই ঋণের পরিমাণ ২ হাজার ৫৫০ কোটি টাকা।শুক্রবার (২ ডিসেম্বর) সংস্থাটির প্রধান কার্যালয় থেকে পাঠানো এক প্রেস বিজ্ঞপ্তিতে এসব তথ্য জানানো হয়।সংস্থাটি জানায়, এ অর্থায়ন বাংলাদেশকে পরিবেশ ব্যবস্থাপনার উন্নয়নে সহায়তা করবে। বাংলাদেশের পরিবেশ ব্যবস্থাপনা শক্তিশালী করতে এবং সবুজ বিনিয়োগে বেসরকারি খাতের অংশগ্রহণকে উৎসাহিত করতে এই অর্থায়ন অনুমোদন করেছে বিশ্বব্যাংক।‘বাংলাদেশ এনভায়রনমেন্টাল সাসটেইনেবিলিটি অ্যান্ড ট্রান্সফরমেশন’ প্রকল্পে এই ঋণ ব্যবহার করা হবে। দূষণ রোধে এবং পরিবেশগত মান উন্নত করতে পরিবেশগত বিধিবিধান এবং প্রয়োগের উন্নতিতেও প্রকল্পটি সহায়তা করবে। প্রকল্পের লক্ষ্যবস্তু সবুজ বিনিয়োগ উন্নীত করার জন্য নতুন অর্থায়নের পথ সৃষ্টি। এটি বায়ু দূষণ কমাতে সবুজ বিনিয়োগকে সমর্থন করার জন্য আর্থিক খাতকে উৎসাহিত করার জন্য একটি গ্রিন ক্রেডিট গ্যারান্টি স্কিমও প্রতিষ্ঠা করবে। প্রকল্পের সফল বাস্তবায়ন দূষণ মোকাবিলায় সাহায্য করবে। বৃহত্তর ঢাকা এবং তার বাইরে বসবাসকারী ২১ মিলিয়নেরও বেশি মানুষ উপকৃত হবে এই প্রকল্পের মাধ্যমে।বাংলাদেশ ও ভুটানের ভারপ্রাপ্ত কান্ট্রি ডিরেক্টর ড্যান ড্যান চেন বলেন, বাংলাদেশ দ্রুত অর্থনৈতিক প্রবৃদ্ধি অর্জন করছে। পাশাপাশি নগরায়ণের ফলে দূষণের সৃষ্টি হচ্ছে। দূষণ শুধু যে আমাদের স্বাস্থ্যের ওপর প্রভাব ফেলছে তা নয়, এটি দেশের অর্থনৈতিক প্রতিযোগিতার ক্ষমতাও নষ্ট করছে। পরিবেশগত চ্যালেঞ্জ মোকাবিলায় বিশ্বব্যাংক বাংলাদেশের দীর্ঘদিনের অংশীদার। এই প্রকল্প দূষণ নিয়ন্ত্রণ এবং টেকসই উন্নয়নের জন্য দেশের পরিবেশ সংস্থাগুলিকে শক্তিশালী করবে।প্রকল্পটি বাস্তবায়নের মাধ্যমে বার্ষিক প্রায় ৪৬ হাজার যানবাহন পরিদর্শনের জন্য সরকারি-বেসরকারি অংশীদারত্বের মাধ্যমে চারটি যানবাহন পরিদর্শন কেন্দ্র নির্মাণে সহায়তা করবে। বার্ষিক সাড়ে তিন মেট্রিক টন ই-বর্জ্য প্রক্রিয়াজাত করার জন্য একটি ই-বর্জ্য ব্যবস্থাপনা স্থাপন করা হবে। প্রকল্পটির লক্ষ্য এক মিলিয়ন টন গ্রিনহাউস গ্যাস নির্গমন কমাতে সহায়তা করা।বিশ্বব্যাংকের সিনিয়র পরিবেশ বিশেষজ্ঞ এবং টাস্ক টিমের নেতা জিয়াং রু বলেন, পত্র-পত্রিকায় আমরা নিয়মিত ঢাকার উচ্চ মাত্রার বায়ু দূষণের প্রতিবেদন দেখি। বিশ্বব্যাংকের অনুমান দেখায় যে, ২০১৯ সালে বায়ু দূষণ এবং সীসার এক্সপোজার বাংলাদেশে মৃত্যুর এক-পঞ্চমাংশেরও বেশির জন্য দায়ী, যা দেশের জিডিপির প্রায় ১২ শতাংশ ব্যয় করে। পরিবেশগত বিধিবিধান এবং কঠোর পরিবেশগত প্রয়োগ বেসরকারি খাতকে দূষণ নিয়ন্ত্রণ এবং সবুজ বাড়াতে বিনিয়োগ করতে উৎসাহিত করবে প্রকল্পটি। দেশকে ২০৫০ সালের মধ্যে নেট-শূন্য নির্গমনের লক্ষ্য অর্জনে সহায়তা করবে।বাংলাদেশকে এই ঋণ বিশ্বব্যাংকের ইন্টারন্যাশনাল ডেভেলপমেন্ট অ্যাসোসিয়েশন (আইডিএ) থেকে দেওয়া হবে। যা পাঁচ বছরের গ্রেস পিরিয়ড সহ ৩০ বছরে পরিশোধ করতে হবে। প্রচলিত ঋণের শূন্য দশমিক ৭৫ শতাংশ হারে সার্ভিস চার্জ দিতে হবে।

About Us

NRBC is an open news and tele video entertainment platform for non-residential Bengali network across the globe with no-business vision just to deliver news to the Bengali community.