post
এনআরবি বিশ্ব

নিউইয়র্কের পথমেলায় গান গাইলেন বাংলাদেশি শিল্পীরা

রোববার (২৬ জুন) বাংলাদেশি বিজনেস অ্যাসোসিয়েশন অব এনওয়াই (জেবিবিএ) এর উদ্যোগে পথমেলা অনুষ্ঠিত হয়। জ্যাকসন হাইটসের প্রাণকেন্দ্র ৩৭ এভিনিউ ও ব্রডওয়ের মধ্যে ৭৩ স্ট্রিটে বসে এ মেলা। হরেক রকমের পণ্যের সমাহার ঘটে মেলার স্টলে স্টলে। তবে মেলার সবচেয়ে বড় আকর্ষণ ছিল এর সংগীত উৎসব। মেলা দেখতে এসে দীর্ঘদিন পর প্রমিথিউসের সাবেক ভোকাল ব্যান্ড তারকা বিপ্লবের গান শোনে প্রবাসী বাংলাদেশিরা। যুক্তরাষ্ট্রে স্থায়ীভাবে বসবাস করা এই গায়ক তার স্বভাবসুলভ ভঙ্গিমায় গান গেয়ে দর্শকদের মুগ্ধ করেন।কোকিল কণ্ঠী বেবী নাজনীনও দীর্ঘদিন ধরে থাকছেন নিউইয়র্কে। তারও দুর্দান্ত পারফরম্যান্স ছিল দেখার মতো। দেশাত্মবোধক গান দিয়ে শুরু করলেও একে একে গেয়েছেন নিজের সেরা গানগুলো। বাংলাদেশের আরেক স্বনামখ্যাত সংগীত শিল্পী তপন চৌধুরী বসবাস করেন প্রতিবেশি দেশ কানাডার টরন্টোতে। নিউইয়র্কে এসে দর্শকদের মাতিয়ে গেলেন তিনি। আর সবাইকে ফিরিয়ে নিয়ে গেলেন সত্তর-আশির দশকে। নিউইয়র্কে রোববার ছুটির দিনটা এমনই আনন্দমুখর ছিল প্রবাসীদের কাছে। জ্যাকসন হাইটস বাংলাদেশি বিজনেস অ্যাসোসিয়েশন-জেবিবিএ’র উদ্যোগে পথমেলার আয়োজন করে ওয়ার্ল্ড হিউম্যান রাইটস ডেভেলপমেন্ট। আয়োজকরা জানান, মেলা থেকে উপার্জিত অর্থ দেশের বন্যা দুর্গতদের দান করবেন তারা।জ্যাকসন হাইটসের প্রাণ কেন্দ্রে অনুষ্ঠিত পথমেলায় আরও গান গেয়ে শোনান প্রবাসের জনপ্রিয় তরুণ কণ্ঠশিল্পী ও নাচ পরিবেশন করেন নতুন প্রজন্মের শিল্পীরা। বাংলাদেশের সংষ্কৃতি ও ঐতিহ্যের নানা অনুসঙ্গ ছিল পুরো আয়োজনে। ঘোড়ার গাড়িতে পুরো জ্যাকসন হাইটস ঘুরে বেরিয়েছেন দর্শনার্থীরা। মেলায় নানা পণ্যের পসরাও সাজিয়ে বসেছিলেন দোকানিরা। জ্যাকসন হাইটসে বাংলাদেশিদের সঙ্গে বসবাস করা স্প্যানিশ কমিউনিটির একজন শিল্পীও সংগীত পরিবেশন করেন। শেষে গাড়ি, বিমান টিকেট, নগদ ডলার, স্বর্ণালঙ্কার-সহ মূল্যবান সামগ্রী নিয়ে অনুষ্ঠিত হয় র‌্যাফেল ড্র।

post
এনআরবি বিশ্ব

যুক্তরাষ্ট্রের রেনো শহরে পদ্মা সেতুর উদ্বোধন উদযাপন

যুক্তরাষ্ট্রের নেভাদা অঙ্গরাজ্যে বসবাসরত প্রবাসী বাংলাদেশিদের সঙ্গে নিয়ে পদ্মা সেতু উদ্বোধনের ঐতিহাসিক মুহূর্ত উদযাপন করেছে লস এঞ্জেলেসের বাংলাদেশ কনস্যুলেট। শুক্রবার (স্থানীয় সময় রাত ৯টায়) নেভাদা অঙ্গরাজ্যের রেনো শহরে এ উপলক্ষে আয়োজিত অনুষ্ঠানে রেনো ও পার্শ্ববর্তী শহরগুলোতে বসবাসরত বিপুল সংখ্যক প্রবাসী বাংলাদেশি অংশগ্রহণ করেন।মঙ্গলবার (২৮ জুন) লস এঞ্জেলেসের বাংলাদেশ কনস্যুলেট জানায়, ওই‌দিন পদ্মা সেতু উদ্বোধন অনুষ্ঠান সরাসরি সম্প্রচার করা হয়। পদ্মা সেতু উদ্বোধনের ঐতিহাসিক মুহূর্তের সাক্ষী হতে পেরে বাংলাদেশ কমিউনিটির সদস্যরা উচ্ছ্বাস প্রকাশ করেন এবং স্বপ্নের পদ্মা সেতু উপহার দেওয়ার জন্য প্রধানমন্ত্রীর প্রতি কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করেন। অনুষ্ঠানের শুরুতেই পদ্মা সেতু উদ্বোধন উপলক্ষে রাষ্ট্রপতি এবং প্রধানমন্ত্রীর দেওয়া বাণী পড়ে শোনানো হয়। লস এঞ্জেলেসে নিযুক্ত বাংলাদেশের কনসাল জেনারেল সামিয়া আঞ্জুম বলেন, প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার বলিষ্ঠ নেতৃত্বে ও সাহসী পদক্ষেপে নিজস্ব অর্থায়নে নির্মিত পদ্মা সেতু বাংলাদেশের অপ্রতিরোধ্য অগ্রযাত্রার প্রতীক। দেশের এই উন্নয়ন অগ্রযাত্রায় শামিল হয়ে জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের স্বপ্নের সোনার বাংলা বিনির্মাণে ভূমিকা রাখার জন্য তিনি প্রবাসী বাংলাদেশিদের প্রতি আহ্বান জানান। 

post
এনআরবি বিশ্ব

পদ্মা সেতুর উদ্বোধনে উচ্ছ্বসিত প্রবাসীরা

আন্তর্জাতিকভাবে পদ্মা সেতুর উদ্বোধনকে স্মরণীয় করে রাখতে সৌদি আরবের বাংলাদেশ দূতাবাসে ভিন্নধর্মী আনন্দ উৎসবের আয়োজন করা হয়। এতে যোগ দেন দেশটিতে বসবাসরত প্রবাসীরা। দিনটিকে বাংলাদেশের জন্য এক গৌরবোজ্জ্বল ঐতিহাসিক দিন বলে অভিহিত করেন দূতাবাস কর্মকর্তারা। সৌদি আরবে বাংলাদেশের রাষ্ট্রদূত ড. জাবেদ পাটোয়ারী বলেন, পদ্মা সেতু বাংলাদেশের মানুষের মর্যাদা ও সক্ষমতার প্রতীক। এদিকে পদ্মা সেতুর উদ্বোধন উপলক্ষ্যে অনুষ্ঠানের আয়োজন করে স্পেনের বাংলাদেশ দূতাবাস। অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করেন রাষ্ট্রদূত মোহাম্মদ সারোয়ার মাহমুদ। দেশের অর্থনৈতিক উন্নয়নে পদ্মা বহুমুখী সেতুর অবদানের চিত্র তুলে ধরে এর সুফল বাংলাদেশের প্রতিটি অঞ্চলের মানুষ পাবেন বলে উল্লেখ করেন তিনি। অনুষ্ঠানে বক্তব্য রাখেন স্থানীয় আওয়ামী লীগের নেতাকর্মীরা। অনুষ্ঠানে পদ্মা সেতুর ওপর একটি ডকুমেন্টারি প্রদর্শন করা হয়। পরে কেক কাটার মধ্য দিয়ে শেষ হয় অনুষ্ঠান।পদ্মা সেতুর উদ্বোধন উৎসব উদ্‌যাপন করেছে দক্ষিণ আফ্রিকার কেপটাউনের আওয়ামী লীগ ও যুবলীগ। স্থানীয় সময় বিকেল থেকেই একটি কমিউনিটি সেন্টারে কয়েকশ নেতাকর্মী নিয়ে ব্যাপক উৎসাহ, উদ্দীপনার সঙ্গে কেক কেটে ও মিষ্টি বিতরণ করে এ উৎসব উদ্‌যাপন করা হয়। দক্ষিণ আফ্রিকায় বাংলাদেশ আওয়ামী লীগের ৭৩তম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকীর আলোচনাসভা ও পদ্মা সেতুর উদ্বোধন উৎসব উদ্‌যাপন করা হয়। উন্নয়ন, অগ্রতি আর সাফল্যের ৭৩তম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী উপলক্ষ্যে আলোচনাসভায় বক্তব্য রাখেন সংগঠনের নেতারা।বাংলাদেশের সক্ষমতা এবং বাস্তবতায় স্বপ্নের পদ্মা সেতুর উদ্বোধনে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার ভূয়সী প্রশংসা করে বক্তব্য রাখেন সংগঠনের ভারপ্রাপ্ত সভাপতি নাছরুল্লা নাছরু। মু, নাজমুল হোসাইনের উপস্থাপনয় প্রধান অতিথি ছিলেন সংগঠনের সেক্রেটারি মোক্তার মাদবর। অনুষ্ঠানে বক্তব্য রাখেন যুবলীগের সভাপতি রুবেল মাদবর, সেক্রেটারি জামাল হোসাইনসহ অনেকে। সভায় বক্তরা রেমিট্যান্স পাঠানোর মাধ্যমে বাংলাদেশ কে এগিয়ে নিতে সব প্রবাসীর প্রতি আহ্বান জানান। এ ছাড়া পদ্মা সেতুর উদ্বোধন অনুষ্ঠান হয়েছে ভারতের দিল্লি, কলকাতাসহ স্পেন ও সংযুক্ত আরব আমিরাতে।

post
এনআরবি বিশ্ব

অষ্ট্রেলিয়ার পার্থে বাংলাদেশিদের জমকালো আয়োজন

ড্রামা ফেস্ট ও হিডেন ট্যালেন্টস (মিনি ফিলোসপারস) এই দুটি পৃথক পরিবেশনার সমন্বয়ে সুন্দর একটি সন্ধ্যা উপহার দিল ওয়েস্টার্ন অস্ট্রেলিয়ার বৃহত্তম বাংলাদেশি সংগঠন বাওয়া। শিশু-কিশোরদের সৃজনশীল চলচ্চিত্র প্রদর্শন সেই সঙ্গে মঞ্চ নাটকের সাবলীল পরিবেশনা উপভোগের মোক্ষম সুযোগ করে দেন আয়োজকরা। শনিবার (১৮ জুন) অস্ট্রেলিয়ার পার্থের বাংলাদেশিদের মনোরঞ্জন করতে এই আয়োজন করা হয়। প্রবাসের একঘেয়েমিকে পাশ কাটিয়ে মা ও মাতৃভূমির চেনা সংস্কৃতিকে নয়ন জুড়িয়ে উপভোগ করার নেপথ্যে কাজ করে বাওয়ার সাংস্কৃতিক ও সমাজ কল্যাণ নামের দুটি পৃথক দল। সাপ্তাহিক ছুটির দিন হওয়ায় প্রবাসীদের সাড়া মেলে বেশ। পূর্বনির্ধারিত টিকিট নিয়ে পার্থের কালামুন্ডা পারফর্মিং আর্টস হলে হাজির হন দর্শনার্থীরা।সন্ধ্যা ৬টায় পর্দা উঠে অনুষ্ঠানের। স্বাগত বক্তব্য দিয়ে সবাইকে উৎসাহ ও ধন্যবাদ জ্ঞাপন করেন বাওয়ার চালকের আসনে থাকা এম এস এন শাহীদ রাজু। শুরুতে শিশু-কিশোরদের নির্মিত স্বল্পদৈর্ঘ্যের চলচ্চিত্রকে প্রাধান্য দিয়ে প্রদর্শনী করা হয়। সরেজমিনে দেখা যায় প্রতিটি চলচ্চিত্রে একটি করে বার্তা দেওয়ার প্রয়াস রাখে ক্ষুদে নির্মাতারা। দীর্ঘদিন ধরে নিজেদের এ কাজে নিয়োজিত রেখে চলচ্চিত্র নির্মাণের স্বাদ নেওয়ার ইচ্ছা পূরণের কথা জানিয়েছেন ক্ষুদেরা। দেখা যায়, পরিবেশ দূষণ, বন উজাড়, খাদ্যভেজাল, শিশুশ্রমের মতো গুরুত্বপূর্ণ কিছু বিষয়কে পর্দায় নিয়ে আসেন ক্ষুদেরা। তারা নিজেরাই এই চলচ্চিত্রগুলোতে অভিনয় করেন, স্ক্রিপ্ট, লাইট, সম্পাদনা সবকিছুতেই তাদের অংশগ্রহণ থাকে। অভিভাবকরাও তাদের সহায়তা করেন।শিশুশ্রমের ওপর নির্মিত চলচ্চিত্রটি প্রথম পর্বের শেষাংশে রাখা হয়। প্রবাসে বেড়ে ওঠা শিশুরা সাবলীল বাংলায় অভিনয়ের দক্ষতা দেখায়, তুলে ধরে শিশুশ্রমের ক্ষতিকর দিকগুলো। খোদেজা খাতুন খুকি নামের একজন  জানান, আমার ছেলে এই থিমে অভিনয় করেছে, প্রায় দুবছর ধরে একটি টিম এই মিনি সিনেমাটির জন্য শ্রম দিয়েছে। প্রবাসে বাচ্চারা দেশীয় কন্টেন্ট নিয়ে কাজ করেছে এটা মা হিসেবে আমাদের জন্য গর্বের। প্রতিটি চলচ্চিত্র পদর্শনীর আগে নির্মাতাদের অভিব্যক্তি জানতে তাদের মঞ্চে ডেকে নেন উপস্থাপক অভিষেক বড়ুয়া। ইভেন্ট কোঅর্ডিনেটর হিসেবে কাজ করেন বাওয়া সোশ্যাল ওয়েলফেয়ার অ্যান্ড কমিউনিকেশন সেক্রেটারি সামা কামাল। তৌসিফ আক্কাস, ইয়াসিন মুন্না ও সামির আহমেদ থাকেন মেন্টর হিসেবে।বিরতির পর মূল আকর্ষণ ভদ্দরনোক নাটক মঞ্চায়িত করা হয়। দেখা যায়, সেই চিরচেনা দেশীয় অবয়ব, হাসি-উচ্ছ্বাসের রসালো সংলাপ। শিল্পীদের অভিনয়ের দক্ষতায় হাসির খোরাক পায় দর্শকরা। দেখা মেলে মঞ্চ নাটক উপভোগের তৃপ্তি। মঞ্চে নিখুঁতভাবে ফুটিয়ে তুলা হয় ফজর আলীর পারিবারিক গল্প। হঠাৎ বড়লোক বনে যাওয়া ফজর আলী কীভাবে পর-নারীর দিকে ঝোঁকে, নিজের বউকে তাচ্ছিল্য করে, ছোট বোনদের জন্য পয়সাওয়ালা স্বামী খোঁজে সর্বস্বান্ত হন, সেগুলো ফুটিয়ে তুলতে সর্বাত্মক চেষ্টা করেন শিল্পীরা। তাছাড়া তুলে ধরা হয় পারিবারিক খুনসুটি, চিরায়ত বাংলার রূপ ও আবেগঘন প্রেম। আরও রাখা হয় প্রতিটি দৃশ্যের জন্য পৃথক কস্টিউম, যাতে ফুটে উঠে বাংলাদেশ।

post
এনআরবি বিশ্ব

ফ্লোরিডায় ৪ দিনব্যাপী ‘ওয়ার্ল্ড ফেয়ার এ্যান্ড ফেস্ট’ ৯ দেশের শতাধিক বিজ্ঞানী-উদ্ভাবক-শিল্পপতি-ব্যবসায়ীর অংশগ্রহণ

নিউইয়র্ক প্রতিনিধি: চার দিনব্যাপী ‘ওয়ার্ল্ড ফেয়ার এ্যান্ড ফেস্ট’ ফ্লোরিডার ওরল্যান্ডোতে শুরু হয়েছে বৃহস্প্রতিবার ৯ জুন। যুক্তরাষ্ট্র, বাংলাদেশ ছাড়াও সাত দেশের বিষয় বিশেষজ্ঞরা এতে অংশ নিচ্ছেন।ব্যবসা-সম্প্রসারণ, বৈশ্বিক অর্থনীতি, ট্যুরিজম, ইভেন্ট মার্কেট, ইয়ুথ ট্যালেন্ট ইত্যাদি আলোকে ৮টি সেমিনার ছাড়াও থাকবে উদ্ভাবনী জগতের লোকজনের নেটওয়ার্কিং। রয়েছে জনপ্রিয় শিল্পীদের পরিবেশনাও। এই উৎসবের মূল পর্ব অর্থাৎ সকল গবেষক-উদ্ভাবক-বিজ্ঞানীগণের শীর্ষ সম্মেলন অনুষ্ঠিত হবে ১১ জুন শনিবার লিজেন্সী ইভেন্ট অডিটরিয়ামে। ৭ জুন মঙ্গলবার সন্ধ্যায় নিউইয়র্কে এক সংবাদ সম্মেলনে এই উৎসবের হোস্ট ‘এসোসিয়েশন অব ওয়ার্ল্ড ফেয়ার এ্যান্ড ফেস্ট ইউএসএ’র নেতৃবৃন্দ আরো জানান, বিভিন্ন সেমিনার-সিম্পোজিয়ামে বক্তব্য উপস্থাপনাকারিগণের মধ্যে থাকবেন ময়লা-অবর্জনাকে মানবতার কল্যাণে ব্যবহারের বিভিন্ন কৌশল উদ্ভাবনকারি বাংলাদেশি আমেরিকান বিজ্ঞানী এবং কানেকটিকাটে অবস্থিত ‘ওয়াস্ট টেকনোলজিজ’র সিইও ড. মঈনুদ্দিন সরকার, ইউনিসেফ স্টাফ এসোসিয়েশনের প্রাক্তন চেয়ারম্যান এ কে মাসুদ আহমেদ, ব্যবসায়ী ও সমাজকর্মী নাঈম খান, আনোয়ার হোসেন, উদ্যোক্তা ফারজানা আলী, জিউনেস গ্লোবালের পরিচালক বেটি পেরেজ, মিন্টু কুমার রায়, লুইসা ইউ, ড. ইশাক শরিফ, ভেরনিকা কে ফাজিও, তাকভির শাহ, সাদমান রহমান প্রমুখ। এর আগে সংবাদ সম্মেলনে জানানো হয় যে. স্বাধীন বাংলা বেতার কেন্দ্রের কন্ঠযোদ্ধা রথীন্দ্রনাথ রায়কে এ উৎসবে আজীবন সম্মাননা জানানো হবে। আরো উল্লেখ করা হয় যে, এটি হবে প্রথম আয়োজন। উৎসবের দ্বিতীয় বার্ষিক আয়োজনটি হবে সামনের বছর নিউইয়র্কে-এ তথ্য জানিয়ে এখন থেকেই ব্যাপক প্রস্তুতি গ্রহণের আশা পোষণ করা হয়। সংবাদ সম্মেলনে এ আয়োজনের বিষয়ে কথা বলেন, ট্রেড এ্যান্ড ফেয়ার কমিটির পরিচালক মৃধা জসীম, অর্থ বিষয়ক পরিচালক আতিকুর রহমান, যুগ্ম সচিব আতিয়ার রহমান মার্শাল, পরিচালক ফাহাদ সোলায়মান, মাহমুদুল আলম দিপু, প্রোগ্রাম কো-অর্ডিনেটর সেলিম ইব্রাহিম, হোস্ট সংগঠনের পরিচালক জিল্লুর রহমান, জান্নাত রহমান তারামনি, পুরো আয়োজনের প্রিমিয়াম স্পন্সর ড. মঈনুদ্দিন সরকার প্রমুখ। মঞ্চে আরো ছিলেন কন্ঠশিল্পী কামরুজ্জামান বকুল, কন্ঠশিল্পী মেহজাবিন মেহা, কন্সালট্যান্ট আলী এইচ ডনার।

post
এনআরবি বিশ্ব

বাংলাদেশ লেডিস ক্লাবের আয়োজনে সিডনিতে মীনা বাজার

বাংলাদেশ লেডিস ক্লাব অস্ট্রেলিয়ার আয়োজনে এই প্রথম সিডনিতে মীনা বাজার অনুষ্ঠিত হয়। গতকাল (শনিবার) সিডনির চুরুলাস্থ লিবারটি হিল ক্রিস্টিয়ান সেন্টারে এই মিনা বাজার দুপুর ১২ টা থেকে শুরু হয়ে রাত ১১ টায় শেষ হয়। বিনামূল্যে প্রবেশ ও আশেপাশে গাড়ী পার্কিং এর সুবিধা সহ নয়ানাভিরাম সাজে সজ্জিত মীনা বাজার প্রাঙ্গণে ছিল প্রচুর দর্শক সমাবেশ। আনন্দ উল্লাস, রকমারি পোশাকের স্টল, মুখরোচক খাবার ও গহনার স্টল, শিশুদের ফেজ পেইন্টিং, মেহেদি, যেমন খুশি তেমন সাজোসহ মনোজ্ঞ সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠানে প্রাঙ্গণ এক টুকরো বাংলাদেশে পরিণত হয়। কামরুন চৌধুরী লিন্ডার উপস্থাপনায় বিকেল ৪ টায় অনুষ্ঠানের প্রথম পর্বে বাংলাদেশ লেডিস ক্লাব অস্ট্রেলিয়ার প্রেসিডেন্ট রাহেলা আরেফিন ও জেনারেল সেক্রেটারি শিরীন আখতার মুন্নি বক্তব্য রাখেন। স্বাগত বক্তব্যের পর মঞ্চে বিশেষ অতিথিদের বাংলাদেশ লেডিস ক্লাব অস্ট্রেলিয়ার পক্ষ থেকে সৌজন্যমূলক স্কার্ফ পড়িয়ে দেয়া হয়।বাংলাদেশ লেডিস ক্লাব অস্ট্রেলিয়ার মীনা বাজার থেকে সংগৃহীত অর্থ অক্সফাম অস্ট্রেলিয়া, সিডনি চিলড্রেন হাসপাতাল ও ডেইজ ফর গার্লসকে ব্যাংক চেক ও একাউন্ট ট্রান্সফারের মাধ্যমে প্রদান করা হয়। অনুষ্ঠানে অংশগ্রহণকারী সব শিশু কিশোরদের সান্তনা পুরস্কার ও যেমন খুশি তেমন সাজো ও রাফেল ড্রর বিজয়ীদের পুরস্কার দেয়া হয়। বাংলাদেশ লেডিস ক্লাব অস্ট্রেলিয়ার মীনা বাজারের এই আয়োজনের প্রাইম স্পন্সর স্টামফোর্ড এডুকেশন, অরোরা মেডিকেল সেন্টার, ক্যাসুলা সেন্ট্রাল মেডিকেল সেন্টার ও টেলিওজকে কৃতজ্ঞতা জানিয়ে সম্মানসূচক উপহার দেয়া হয়।সবশেষে আয়োজক কমিটি উপস্থিত সবাইকে আন্তরিক ধন্যবাদ ও কৃতজ্ঞতা জানিয়ে অনুষ্ঠানের সমাপ্তি ঘোষণা করেন।

post
এনআরবি বিশ্ব

লন্ডন বাংলা প্রেসক্লাবে হয়ে গেল ‘কনসার্ট ফর বাংলাদেশ

লন্ডন বাংলা প্রেসক্লাবের হলরুমে গত বৃহস্পতিবার সন্ধ্যা ৭টায় বঙ্গবন্ধু লেখক ও সাংবাদিক ফোরাম ইউকে আয়োজন করে ‘কনসার্ট ফর বাংলাদেশ: দুই বন্ধু এক দেশ’ বইয়ের আলোচনা অনুষ্ঠান। গিয়াছুর রহমানের সভাপতিত্বে প্রধান আলোচক হিসেবে বক্তব্য দেন লর্ড রামি রানজির ওবিই। এ ছাড়া বক্তব্য দেন যুক্তরাজ্যস্থ বাংলাদেশ হাইকমিশনের ভারপ্রাপ্ত হাইকমিশনার এ এফ এম জাহিদুল ইসলাম, বীর মুক্তিযাদ্ধা ইমরান চৌধুরী, লন্ডন বারা অব টাওয়ার হ্যামলেটসের সাবেক স্পিকার আহবাব হোসেইন, প্রিয়জিৎ দেব সরকার ও বাংলাদেশ থেকে অনলাইনে যুক্ত হন বইয়ের আরেক লেখক আবু সাঈদসহ প্রমুখ। লন্ডন বাংলা প্রেসক্লাবে ‘কনসার্ট ফর বাংলাদেশ: দুই বন্ধু এক দেশ’ বইয়ের আলোচনা অনুষ্ঠানের অতিথিরামুক্তিযুদ্ধের সময়ে বিশ্বজনমত সৃষ্টি করার জন্য রবিশঙ্কর ও জর্জ হ্যারিসনের উদ্যোগে ‘কনসার্ট ফর বাংলাদেশ’ আয়োজনটি ছিল অপরিসীম গুরুত্বপূর্ণ। বইটিতে তিনটি অধ্যায় আলোচনা করা হয়। প্রথম অধ্যায় ‘বাংলাদেশের মুক্তিসংগ্রামের প্রেক্ষাপট, দ্বিতীয় অধ্যায় ‘কনসার্ট ফর বাংলাদেশ আয়োজন, ফলাফল ও তার প্রতিক্রিয়া’ এবং তৃতীয় অধ্যায় তুলে ধরা হয়েছে ‘কনসার্ট ফর বাংলাদেশের সচিত্র।

post
এনআরবি বিশ্ব

জার্মানির বুকে এক টুকরো বাংলাদেশ!

জার্মানি প্রবাসী বাংলাদেশিদের সংগঠন ‌‌‘সোনার বাংলা’র উদ্যোগে দিনব্যাপী এক মনোমুগ্ধকর ঈদ পুনর্মিলনীর আয়োজন করা হয়। সম্প্রতি ফ্রাঙ্কফুর্ট শহরের একটি পার্কে এ অনুষ্ঠানের আয়োজন করা হয়। ফ্রাঙ্কফুর্ট ও এর আশপাশে বসবাসকারী প্রবাসীরা এতে অংশ নেন।ঈদের পর এটিই প্রথম প্রবাসী বাংলাদেশিদের বড় কোনো অনুষ্ঠান। তত্ত্বাবধায়নে ছিলেন সংগঠনের সভাপতি মোহাম্মদ জাকির হোসেন, সহযোগিতায় ছিলেন নজরুল ইসলাম, জেসমিন হোসেনসহ সংগঠনের অন্যান্য সদস্যরা। ঈদের আনন্দ সবার মাঝে ছড়িয়ে দিতে এমন আয়োজন। দিনব্যাপী অনুষ্ঠানে সব দল-মতের প্রবাসীরা অংশ নেন, ফলে অনুষ্ঠানটি হয়ে উঠেছিল বাংলাদেশিদের মিলনমেলায়। খেলাধুলা, সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান ও বিভিন্ন ধরনের দেশীয় খাবারসহ সবকিছু মিলে পুরো পার্কটি যেন হয়ে উঠেছিল জার্মানির বুকে এক টুকরো বাংলাদেশ!করোনা মহামারির কারণে দীর্ঘদিন ঘরবন্দি জীবনযাপন করতে হয়েছিল জার্মানি প্রবাসী বাংলাদেশিদের। এখন পরিস্থিতি স্বাভাবিক হওয়ায় ও বিধিনিষেধ তুলে নেওয়ায় দীর্ঘদিন পর সবাই এক হতে পেরে আনন্দিত ছিলেন প্রবাসী বাংলাদেশিরা।

post
এনআরবি বিশ্ব

নিউইয়র্কে অনুষ্ঠিত হয়ে গেলো ১২ তম এনআরবি অ্যাওয়ার্ড

নিউইয়র্কে এনআরবি অ্যাওয়ার্ডস আয়োজনে পুরষ্কৃত হলেন এখানকার সেই মানুষগুলো যারা দেশ ছেড়ে সুদুরে এসে সমাজের নানা খাতে রেখে চলেছেন অবদান। এদের কেউ চিকিৎসক, কেউ আইনজীবী কেউ বা সফল উদ্যোক্তা। এরা সকলেই স্রেফ নিজের নয়, কমিউনিটির জন্য বয়ে এনেছেন সুনাম।এমনই নন-রেসিডেন্সিয়াল বাংলাদেশিকে সংবর্ধনা ও অ্যাওয়ার্ড তুলে দেওয়া হলো নিউইয়র্কের উডসাইডে কুইন্স প্যালেসে। নিউইয়র্কে শোটাইম মিউজিকের দ্বিতীয় সিগনেচার প্রোগ্রাম এই ‘এনআরবি অ্যাওয়ার্ড’।জমকালো সেই আসরে জমজমাট সন্ধ্যাটি হয়ে উঠেছিলো বাংলাদেশময়। কেবল পুরষ্কার তুলে দেওয়া নয়, নাচে গানে ভরপুর ছিলো সে আয়োজন। পুরষ্কৃতরা তাদের পুরস্কার নিচ্ছিলেন আর একে একে জানাচ্ছিলেন তাদের প্রতিক্রিয়া। সকলের মুখেই ছিলো আয়োজকদের প্রশংসা। এটি ছিলো এই আয়োজনের ১২তম আসর। সেখানে যারা পুরষ্কৃত হয়েছেন, জয়ী হয়েছেন এনআরবি অ্যাওয়ার্ডস তারা বলছিলেন, প্রতিবছর তারা এই অ্যাওয়ার্ডের দিনটির জন্য অপেক্ষা করে থাকেন। আর এই অপেক্ষায়ও থাকেন কারা হচ্ছেন নতুন বছরের অ্যাওয়ার্ড জয়ী।  এবারের আয়োজনে বিশেষ সংবর্ধনা দেওয়া হয় ও পুরষ্কৃত করা হয় যুক্তরাষ্ট্রে প্রথম বাংলাদেশি হিসেবে একটি পূর্ণাঙ্গ বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রতিষ্ঠাতা চ্যান্সেলর ইঞ্জিনিয়ার আবুবকর হানিপকে। তিনি এই অ্যাওয়ার্ড নিয়ে বক্তৃতায় বলেন, "এই দেশে বাংলাদেশিরা এখন চিকিৎসা, প্রকৌশল, আইন পেশায় অনেকেই সুপ্রতিষ্ঠিত হয়েছেন। কিন্তু এখনো এখানে আমাদের সামনের রয়েছে অপার সুযোগ। সেই সুযোগগুলো আমাদের কাজে লাগাতে হবে।" নিজের প্রতিষ্ঠিত ওয়াশিংটন ইউনিভার্সিটি অব সায়েন্স অ্যান্ড টেকনোলজির কথা উল্লেখ করে তিনি বলেন, এটি সেই প্রচেষ্টার একটি অংশ মাত্র। আবুবকর হানিপ বলেন, এদেশে দক্ষ জনশক্তির প্রয়োজন। প্রতিবছর এইচওয়ানবি ভিসার মাধ্যমে তাদের আনার চেষ্টা করা হয়। আমরা এই বিশ্ববিদ্যালয়ের মাধ্যমে প্রয়োজনীয় দক্ষ জনশক্তি গড়ে তুলতেই সচেষ্ট রয়েছি। পরে এনআরবি অ্যাওয়ার্ড বিজয়ীদের মধ্যে পুরষ্কার তুলে দেন আবুবকর হানিপ। আয়োজক প্রতিষ্ঠান শোটাইম মিউজিকের কর্ণধার আলমগীর খান আলম বলেন, এই দেশে যারা তাদের দক্ষতা যোগ্যতা দিয়ে উপরে উঠতে পেরেছে তাদের স্বীকৃতি দিতেই এই পুরষ্কারের আয়োজন। এর মাধ্যমে আরও মানুষকে উদ্বুদ্ধ করা সম্ভব। অনুষ্ঠানে পুরস্কার দেওয়ার ফাঁকে ফাঁকে ছিলো নাচ ও গানের আয়োজন। যা মুগ্ধ হয়ে উপভোগ করেন দর্শকরা। জনপ্রিয় টিভি অভিনেতা আব্দুন নূর সজল, অভিনেত্রী ও মডেল পিয়া বিপাশা, চিত্রনায়িকা শিরীন শীলী ও অধরা খান ছিলেন সে অনুষ্ঠানে। প্রবাসের জনপ্রিয় শিল্পীদের মধ্যে অংশগ্রহণ করেন শিমুল খান, চন্দন চৌধুরী, রানো নেওয়াজ, কামরুজ্জামান বকুল, শামীম সিদ্দিকী, তৃণিয়া হাসান, অনিক রাজ প্রমুখ। নৃত্য পরিবেশনা ও ফ্যাশন শো’তে অংশ নেয় মাজিদ ডিজায়ার। কানাডা ও যুক্তরাষ্ট্রের ফ্লোরিডা থেকে বেশকয়েকজন শিল্পীও এ অনুষ্ঠানে অংশ নেন। সবশেষ ছিলো বাংলাদেশের জনপ্রিয় কণ্ঠশিল্পী বর্তমানে নিউইয়র্ক প্রবাসী কনকচাঁপার গান। তার মধুর কণ্ঠে গাওয়া তিনটি গানই দর্শককে মুগ্ধ করে। আমার সোনার ময়না পাখি... কোনবা দোষে গেলি উইড়ার দিয়া মোরে ফাঁকি এই গান সকলের প্রাণ ছুয়ে যায়। অনুষ্ঠান স্থলে সৃষ্টি হয় ভালোলাগার আবেশ। যা হৃদয়ে ধারণ করে ঘরে ফেরেন সকলে

post
এনআরবি বিশ্ব

ওমানে সড়ক দুর্ঘটনায় প্রবাসী বাংলাদেশি নিহত

ওমানের সালালাহ নগরীতে সড়ক দুর্ঘটনায় মোহাম্মদ সুজন (২৮) নামে এক বাংলাদেশি নিহত হয়েছেন। শনিবার (২৮ মে) ওমানের স্থানীয় সময় বিকেল ৫টার দিকে এ দুর্ঘটনা ঘটে। মোহাম্মদ সুজন নোয়াখালীর কোম্পানীগঞ্জ উপজেলার চরফকিরা ইউনিয়নের ৬ নং ওয়ার্ডের উজির আলী মেস্তরি বাড়ির তোফাজ্জল হোসেন তজু মিয়ার ছেলে।সোমবার (৩০ মে) সকালে নিহতের বড় ভাই এনামুল হক মাস্টার মৃত্যুর সত্যতা নিশ্চিত করেছেন। তিনি বলেন, মোহাম্মদ সুজন ওমানে কৃষিকাজ করতেন। কাজ শেষ করে ফেরার পথে সালালাহ নগরীর একটি সড়কে মোটরসাইকেল দুর্ঘটনার শিকার হন তিনি। পরে প্রবাসীরা তাকে উদ্ধার করে হাসপাতালে নিয়ে গেলে সেখানে তার মৃত্যু হয়। তিনি আরও বলেন, পরিবারের স্বপ্ন পূরণের লক্ষে সাত বছর আগে ওমান পাড়ি দেয় সুজন। তার মৃত্যুতে বাবা-মা কান্নায় ভেঙে পড়েছেন।

About Us

NRBC is an open news and tele video entertainment platform for non-residential Bengali network across the globe with no-business vision just to deliver news to the Bengali community.