post
এনআরবি বিশ্ব

লন্ডনে আলোচনা, আবেদন করে মুক্তিযোদ্ধার সনদ পেতে চাননি গাফফার চৌধুরী

মুক্তিযোদ্ধা হওয়ার জন্য নিজে আবেদন করবেন না বলে জানিয়েছিলেন কিংবদন্তী লেখক, সাংবাদিক ও কলামিস্ট আবদুল গাফফার চৌধুরী। মুক্তিযোদ্ধা তালিকাভূক্তির জন্য সরকার নির্ধারিত নিয়মে আবেদনের অনুরোধের পরও গাফফার চৌধুরীকে রাজী করানো যায়নি বলে জানালেন ১৯৭১ সালের যুক্তরাজ্যে ছাত্র সংগ্রাম পরিষদের সদস্য ও ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় ক্লাব ইউকের উপদেষ্টা মুক্তিযোদ্ধা সৈয়দ মোজাম্মেল আলী। অমর একুশের গানের রচয়িতা আবদুল গাফফার চৌধুরী স্মরণে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় ক্লাব ইউকের স্মরণ সভায় একথা বলেন তিনি। শনিবার যুক্তরাজ্যে বসবাসরত ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় অ্যালামনাইদের সংগঠন ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় ক্লাবে ইউকের ভার্চুয়াল স্মরণ সভা 'আমি কি ভূলিতে পারি' শীর্ষক আলোচনায় স্মৃতি চারণ করতে গিয়ে একথা বলেন প্রয়াত গাফফার চৌধুরীর ঘনিষ্ঠ সহচর সৈয়দ মোজাম্মেল আলী। ভার্চুয়াল আলোচনায় ভিডিও বার্তায় গাফফার চৌধুরীর কন্যা ড. তনিমা চৌধুরী বলেন, বাবা ছিলেন তাদের জীবনে বট গাছের মতো, ছোট বেলায় তিনি বাবার কাঁধে বসে থাকতেন। যদিও গাফফার চৌধুরী বাঙালি জাতীর একজন আইকন, কিন্তু তার কাছে শুধুই একজন বাবা। 'পিতা হিসেবে তিনি ছিলেন আমাদের অনুপ্রেরণা, সিদ্ধান্ত গ্রহণে সব সময় তিনি আমাদের সহযোগিতা করতেন। তবে মৃত্যুর ৩৫ দিন আগে বিনিতার মৃত্যুতে তিনি সবচেয়ে বেশী ভেঙ্গে পড়েছিলেন। দুইজন দুই হাসপাতালে চিকিৎসা নিচ্ছিলেন, ডাক্তারদের অনুমতি পাওয়া না যাওয়ায় পিতা-কন্যার শেষ দেখা হয়নি'। ড. তনিমা বলেন, তার বোন বিনিতা আবদুল গাফফার চৌধুরীকে বলেছিলে,' বাবা আমি যদি তোমার আগে যাই আমি তোমার জন্য অপেক্ষা করবো, তুমি আমার আগে গেলে আমার জন্য অপেক্ষা করো'। গাফফার চৌধুরী বাংলাদেশ ও বঙ্গবন্ধুকে এতটাই ভালোবাসতেন যে ৭৫ সালে বঙ্গবন্ধুর মৃত্যুর পর বাবাকে তিনি প্রথম কাঁদতে দেখেছিলেন বলে বলেন ড. তনিমা। যুক্তরাজ্য আওয়ামী লীগের সভাপতি মুক্তিযোদ্ধা সুলতান মাহমুদ শরীফ অপর এক ভিডিও বার্তায় বলেন, ১৫ আগষ্টের কষ্ট আর বেদনাকে সাথে নিয়ে মূঢ় হয়ে থাকেন নাই আবদুল গাফফার চৌধুরী। তিনি সাথে সাথে প্রতিবাদ শুরু করেছেন। ব্রিটেন থেকে প্রকাশিত সাপ্তাহিক জনমত পত্রিকায় বঙ্গবন্ধুর খুনিদের প্রতি ঘৃণা জানিয়ে, তিরস্কার করে বিশ্ব পরিমলন্ডে প্রথম লেখাটি লিখেছিলেন আবদুল গাফফার চৌধুরী। ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় ক্লাব ইউকে'র ম্যানেজমেন্ট কমিটির সদস্য ও অনুষ্ঠানের চেয়ার বিধান গোস্বামী আবদুল গাফফার চৌধুরীর স্মৃতিকে স্মরণীয় করে রাখতে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের গাফফার চৌধুরী চেয়ার স্থাপনের দাবী জানান। অনুষ্ঠানের মডারেটর সাংবাদিক তানভীর আহমেদ ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের সাংবাদিকতা ও বাংলা বিভাগের শিক্ষার্থীদের জন্য আবদুল গাফফার চৌধুরী নামে ফেলোশিপ প্রবর্তনের প্রস্তাব দেন। ভার্চুয়াল আলোচনায় আবদুল গাফফার চৌধুরীর সাথে ব্যক্তিগত জীবনের স্মৃতিচারণ করে বক্তৃতা করেন ব্যরিস্টার চৌধুরী হাফিজুর রহমান, ব্যরিস্টার কাজী আশিকুর রহমান, লিংকনস ইন বিশ্ববিদ্যালয়ের সহকারী অধ্যাপক মাহফুজুর রহমান, জার্মানে নিযুক্ত বাংলাদেশের সম্মানিত কনসাল জেনারেল ইঞ্জিনিয়ার হাসনাত মিয়া, ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় ক্লাবের ম্যানেজমেন্ট কমিটির সদস্য পলি জাহান ও শওকত আলী বেনু।অনুষ্ঠানে সিনিয়র এ্যালামনাই ও ম্যানেজমেন্টের সদস্যদের মধ্যে উপস্থিত ছিলেন, ব্যরিস্টার অজয় রায় রতন, সোনালী ব্যাংক ইউকের সাবেক সহকারী প্রধান নির্বাহী আমীরুল ইসলাম, প্রদীপ মজুমদার, ঝুমুর দত্ত, পুস্পদেব, ফাতেমা লিলি, চিত্রকর মাসুদ মিজান, মোকাররম হোসেন, সাংবাদিক জুনায়েদ জিলানী, আরিফুর রহমান, সুলতানা রশীদ নাসরিন সহ অন্যরা।অনুষ্ঠানের শুরুতে গাফফার চৌধুরীর প্রতি শ্রদ্ধা নিবেদন করে দাঁড়িয়ে ১ মিনিট নিরবতা পালন ও অমর একুশের সঙ্গীত রচনার প্রেক্ষাপটের উপর ধারণ করা একাত্তর টেলিভিশনে প্রচারিত আবদুল গাফফার চৌধুরীর শেষ টেলিভিশন সাক্ষাতকার ' রক্তে রাঙানো একুশের সত্তর' এর ধারণকৃত অংশ প্রচার করা হয়। 

post
এনআরবি বিশ্ব

গাফফার চৌধুরীর প্রয়াণে নিউইয়র্কে নাগরিক স্মরণসভা

নিউইয়র্ক প্রতিনিধিঃ আব্দুল গাফফার চৌধুরী ছিলেন বঙ্গবন্ধুর পর বাংলাদেশের একজন মুরুব্বি। তিনি বাংলা ভাষাকে ভালবাসার বিষয়টি ১৭ কোটি মানুষের অন্তরে বসিয়ে দিয়েছেন। শনিবার (২৮ মে) নিউইয়র্কে আব্দুল গাফফার চৌধুরীর স্বরণে নাগরিক স্মরণ সভায় এমন অভিমত পোষণ করা হয়। স্কলারস বাংলাদেশ’ এর আয়োজনে অমর একুশের গানের রচয়িতা, ভাষা সৈনিক, শক্তিমান কলামিস্ট, সাংবাদিক আব্দুল গাফফার চৌধুরীর মহাপ্রয়াণে এই স্মরণসভার আয়োজন করা হয়। স্বরণসভায় প্রবীন সাংবাদিক সৈয়দ মোহাম্মদ উল্লাহ্'র সভাপতিত্বে সঞ্চালনা করেন হোস্ট সংগঠনের প্রধান এম ই চৌধুরী শামীম। শুরুতে রূপা চৌধুরীর নেতৃত্বে সমবেত কন্ঠে ‘আগুনের পরশমনি ছোঁয়াও প্রাণে-এ জীবন পুণ্য করো দহন-দানে’ পরিবেশিত হয়। তারপর অবিস্মরণীয় সেই ‘আমার ভাইয়ের রক্তে রাঙানো একুশে ফেব্রুয়ারি-আমি কী ভুলিতে পারি’ গাইতে গাইতে উপস্থিত সকলে গাফফার চৌধুরীর প্রতিকৃতিতে পুষ্পার্ঘ অর্পণ করেন। এ সময় গোটা পরিবেশ ভিন্ন এক আমেজে আবর্তিত হয়।স্বরণসভায় বিটিভির সাবেক প্রযোজক, চারণকবি বেলাল বেগ বলেন, ‘আমাদের হৃদয়ে থাকবে একজন চন্ডিদাস, একজন রবীন্দ্রনাথ, একজন নজরুল এবং একজন গাফফার চৌধুরী। কারন, আমি ব্যক্তিগতভাবে গাফফার চৌধুরীকে চিনি এবং জানি। আমি যখন ম্যাট্টিক পরীক্ষার্থী ছিলাম তখন তিনি বাঙালিত্বকে জাগ্রত রাখতে অবিস্মরনীয় কবিতাটি লিখেছিলেন-যা বাঙালি-বিশ্বে চিরভাস্বর হয়ে থাকবে।'কলামিস্ট-সাংবাদিক-কবি গাফফার চৌধুরীর জীবন-কর্ম নিয়ে আলোচনার ফাঁকে ‘সময়ের ঘড়ি’ নামক একটি গ্রন্থের মোড়ক উম্মোচন করেন অতিথিবৃন্দ। আব্দুল গাফ্ফার চৌধুরীর লেখা ৮০/৯০টি কবিতার সংকলন এটি প্রকাশ করেছেন এম ই চৌধুরী শামীম। তিনি বলেন,'এই কবিতাগুলির মোড়ক উম্মোচন করার কথা গাফফার চৌধুরীর। কিন্তু তার আগেই আমরা তাঁকে হারালাম।

post
এনআরবি বিশ্ব

মালদ্বীপ প্রবাসীদের সুখবর দিলেন বাংলাদেশ হাইকমিশন

সুখবর পেলেন মালদ্বীপ প্রবাসীরা মালদ্বীপে বাংলাদেশ হাইকমিশনপুলিশ ভেরিফিকেশন ছাড়াই পাসপোর্ট জমা নিচ্ছে মালদ্বীপে বাংলাদেশ হাইকমিশন। এর আগে ভেরিফিকেশনের জন্য হাজার হাজার প্রবাসী পাসপোর্ট ও ভিসা সেবা নিতে পারেননি।পুলিশ ভেরিফিকেশন ছাড়া সহজে কীভাবে পাসপোর্ট বানানো যায়- এ বিষয়ে মালদ্বীপে অবস্থিত বাংলাদেশ হাইকমিশনের দৃষ্টি আকর্ষণ করেন বহু প্রবাসী বাংলাদেশি।এছাড়া সম্প্রতি একটি পত্রিকায় ‘মালদ্বীপে পুলিশ ভেরিফিকেশন ছাড়া মিলছে না পাসপোর্ট’ শিরোনামে একটি প্রতিবেদন প্রকাশিত হয়। প্রতিবেদন প্রকাশিত হওয়ার পর বৃহস্পতিবার (২৬ মে) থেকে মালদ্বীপে বাংলাদেশ হাইকমিশন পুলিশ ভেরিফিকেশন ছাড়াই পাসপোর্ট জমা নিচ্ছে।প্রায় ৫০ হাজার বাংলাদেশি বৈধ হওয়ার সুযোগ পাবেন। সুযোগটি নেওয়ার জন্য অবৈধ বাংলাদেশিদের আহ্বান জানিয়েছে মালের বাংলাদেশ হাইকমিশন। শনিবার দূতাবাসের এক বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানানো হয়।এতে বলা হয়, মালদ্বীপে বসবাসরত অবৈধ বাংলাদেশি নাগরিকদের জানানো যাচ্ছে, ইকোনমিক ডেভেলপমেন্ট মিনিস্ট্রির আওতায় বৈধকরণ প্রক্রিয়া বর্তমানে চালু রয়েছেযাদের বৈধ ভিসা ও ওয়ার্ক পারমিট নেই তাদের দ্রুত ভিসা/ওয়ার্ক পারমিট সংগ্রহ করে মালদ্বীপে বৈধভাবে কাজ করার জন্য বলা হয়েছে।বৈধকরণ প্রক্রিয়ার সুযোগে যদি কেউ বৈধ ভিসা বা ওয়ার্ক পারমিট সংগ্রহ না করেন, তবে তার বিরুদ্ধে মালদ্বীপের আইন অনুযায়ী কঠোর শাস্তিমূলক ব্যবস্থা নেওয়া হবে বলে জানা গেছে।দূতাবাস মালদ্বীপ সরকারের শাস্তি এড়াতে অবৈধ বাংলাদেশিদের জরুরি ভিত্তিতে বৈধকরণ প্রক্রিয়ায় ভিসা ও ওয়ার্ক পারমিট সংগ্রহ করার জন্য অনুরোধ করেছে।পাসপোর্ট ও ভিসা সেবা পেতে যেসব কাগজাদি প্রয়োজনপাসপোর্টের পুরোনো ফটোকপি, জন্ম নিবন্ধনের ফটোকপি, এনআই আইডির ফটোকপি, একটি পাসপোর্ট সাইজের ছবি, পাসপোর্ট ফি বাবদ ১১০ মার্কিন ডলার এবং বাংলাদেশে পরিবারের যে মোবাইল নম্বরটি চালু আছে সেই নম্বরটা নিয়ে সরাসরি হাইকমিশনার অফিসে গিয়ে জামা দিতে হবে।বৈধকরণের জন্য যে শ্রমিক যেখানে কাজ করছেন সে মালিককে ইকোনমিক ডেভেলপমেন্ট মিনিস্ট্রিতে আবেদন করতে হবে বলেও বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়।

post
এনআরবি বিশ্ব

মালয়েশিয়ায় শুরু হয়েছে ১৭তম এশিয়া মিডিয়া সামিট

মালয়েশিয়ায় শুরু হয়েছে ১৭তম এশিয়া মিডিয়া সামিট। সোমবার (২৩ মে) থেকে শুরু হওয়া সামিট চলবে ২৬ মে পর্যন্ত। গণমাধ্যম উন্নয়ন সংস্থা এশিয়া-প্যাসিফিক ইনস্টিটিউট ফর ব্রডকাস্টিং ডেভেলপমেন্ট-এআইবিডির আমন্ত্রণে ও অর্থায়নে, কুয়ালালামপুরে বাংলাদেশের প্রতিনিধিত্ব করছেন জাতীয় গণমাধ্যম ইনস্টিটিউটের উপ-পরিচালক মো. আবু সাদেক। ‘ফিউচার ফরওয়ার্ড: রিইমাজিনিং মিডিয়া’ শীর্ষক থিম নিয়ে অনুষ্ঠিত সামিটে বিশ্বের বিভিন্ন প্রান্তের গণমাধ্যম নেতারা অংশ নেন। এছাড়া বিভিন্ন দেশ থেকে গণমাধ্যম নেতারা ভার্চুয়ারি সামিটে অংশগ্রহণ করেছেন। একই সঙ্গে ২৩ থেকে ২৬ মে পর্যন্ত, গণমাধ্যমকর্মীদের জন্য স্বাস্থ্য যোগাযোগ নির্দেশিকা (এইচসিএম) প্রণয়নে গঠিত টাস্কফোর্সের সভায় ও সামিট-পূর্ব কর্মশালায় অংশগ্রহণ ও করোনাকালীন গণমাধ্যম বিষয়ে বিশেষজ্ঞ আলোচনায় বাংলাদেশের প্রতিনিধিত্ব করছেন আবু সাদেক।এআইবিডি, বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থার সঙ্গে পরামর্শক্রমে গণমাধ্যমকর্মীদের জন্য স্বাস্থ্য যোগাযোগ নির্দেশিকা প্রণয়ন কার্যক্রমের উদ্যোগ নেয়। শ্রোতা-দর্শক-পাঠকের কাছে নির্ভরযোগ্য সূত্র থেকে স্বাস্থ্য বিষয়ক সঠিক বার্তা, পেশাগত দক্ষতার সঙ্গে উপস্থাপনে, স্বাস্থ্য বিশেষজ্ঞ ও গণমাধ্যম কর্মীদের মধ্যে যোগসূত্র স্থাপন করবে এআইবিডি-এইচসিএম। বিশ্বের বিভিন্ন দেশের ১২ জন টাস্কফোর্স সদস্য স্বাস্থ্য যোগাযোগ নির্দেশিকা প্রণয়ন ও এ সংক্রান্ত সকল প্রশিক্ষণ, গবেষণা ইত্যাদি বিষয় তদারকি করছেন। তথ্য ও সম্প্রচার মন্ত্রণালয়ের যথাযথ অনুমোদনক্রমে ও মহাপরিচালক শাহিন ইসলামের দক্ষ নেতৃত্বে, জাতীয় গণমাধ্যম ইনস্টিটিউট, এআইবিডির সক্রিয় সদস্য হিসেবে নির্দেশিকা প্রণয়নে যুক্ত হয়েছে।এআইবিডি গঠিত এইচসিএম টাস্কফোর্সে বাংলাদেশ প্রতিনিধিত্ব করছে। এছাড়া টাস্কফোর্সে ভারত, ভুটান, মালয়েশিয়া, কোরিয়া, ইন্দোনেশিয়া, নাইজেরিয়া, আমেরিকা ও ফিজির ১২ জন সদস্য রয়েছেন। সামিটে বাংলাদেশের প্রতিনিধিত্বকারী আবু সাদেক এর আগে কানাইঘাট কলেজ ও সিলেটের নয়াসড়কস্থ খাজাঞ্জিবাড়ী ইন্টারন্যাশনাল স্কুলের শিক্ষক ছিলেন।এছাড়া তিনি শীর্ষস্থানীয় সফটওয়্যার নিমার্তা প্রতিষ্ঠান টেকনোভিস্তা লিমিটেডে, সফটওয়্যার ইঞ্জিনিয়ার হিসাবে কর্মরত ছিলেন। বাংলাদেশের প্রতিনিধিত্বকারী মো. আবু সাদেকের বাড়ি সিলেট জেলার কানাইঘাট থানার সাতবাক ইউনিয়নের জুলাই গ্রামে। তিনি এমসি কলেজের সাবেক শিক্ষক (১৯৭০-১৯৮৩) মরহুম মোহাম্মদ আবু সালেহ ও শাহিদা বেগম চৌধুরীর পুত্র।তিনি কানাইঘাট হাইস্কুলের দীর্ঘদিনের কর্ণধার (১৯৪৩-১৯৭১) প্রখ্যাত শিক্ষাবিদ মরহুম ‘হেডমাস্টার মৌলভী ইব্রাহিম আলী’ এর নাতি ও সমাজসেবক মরহুম তফজ্জুল আলী চৌধুরীর দৌহিত্র। ‘এআইবিডি’ এশিয়া প্যাসিফিক অঞ্চলের আন্ত:সরকার এবং ইউএন-এসকাপ সদস্য দেশসমূহের গণমাধ্যম উন্নয়ন সংস্থা হিসেবে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রেখে আসছেন। বিশ্বের ৪৬টি দেশের ৯৩টি গণমাধ্যম সংস্থা ‘এআইবিডি’ এর সদস্য এবং এশিয়া, ইউরোপ, আফ্রিকা ও উত্তর আমেরিকার ৫০টিরও বেশি অংশিদার প্রতিষ্ঠান রয়েছে। জাতীয় গণমাধ্যম ইনস্টিটিউট ১৯৮০ সাল থেকে ‘এআইবিডি’ এর সদস্য। এছাড়া বাংলাদেশ টেলিভিশন ও বাংলাদেশ বেতার মালয়েশিয়াভিত্তিক এ সংস্থার সদস্য।

post
এনআরবি বিশ্ব

যুক্তরাষ্ট্র-কানাডা প্রবাসীদের টেবিল টেনিসের আসর বসছে মিশিগানে

যুক্তরাষ্ট্র ও কানাডা প্রবাসী বাংলাদেশি খেলোয়াড়দের অংশগ্রহণে মিশিগানে অনুষ্ঠিত হতে যাচ্ছে নর্থ আমেরিকান প্রবাসী বাংলাদেশি টেবিল টেনিস টুর্নামেন্ট। আয়োজকরা বলেছেন, প্রবাসে বেড়ে ওঠা প্রজন্মকে খেলাধুলায় উৎসাহী করতে এই টুর্নামেন্টের উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। এতে যুক্তরাষ্ট্র ও কানাডায় বসবাসরত বাংলাদেশি প্রবাসী ১২টি টেনিস ক্লাব অংশ নেবে। ক্লাবের বেশির ভাগ খেলোয়াড়ই বাংলাদেশে থাকতে জাতীয় দলে এবং বিভিন্ন ইউনিভার্সিটি টেনিস ক্লাবে খেলেছেন।আগামী ১১ জুন মিশিগান স্টেটের নোভাই শহরে স্পার্ক এরিনায় এ টুর্নামেন্ট অনুষ্ঠিত হবে। টুর্নামেন্টে এবারই প্রথম যুক্তরাষ্ট্র ও কানাডার দুটি দেশের প্রতিযোগীরা অংশ নেবেন। টুর্নামেন্টকে ঘিরে স্থানীয় সময় রোববার (২৩ মে) বিকেলে মিশিগান রাজ্যের হ্যামট্টামিক শহরের আলাদিন রেস্টুরেন্টে সংবাদ সম্মেলন করেন আয়োজকরা। সংবাদ সম্মেলনে জানানো হয়, মিশিগান রাজ্যে থেকে চারটি, শিকাগো থেকে দুটি, নিউইয়র্ক থেকে একটি এবং কানাডার টরন্টো থেকে পাঁচটি টেনিস ক্লাবসহ মোট ১২টি ক্লাব টুর্নামেন্টে অংশ নেবে। চারটি একক এবং একটি দ্বৈত ম্যাচ অনুষ্ঠিত হবে। একটি ক্লাবে সর্বনিম্ন তিন জন এবং সর্বোচ্চ চার জন খেলোয়াড় থাকবেন। টুর্নামেন্টের প্রধান পৃষ্ঠপোষকতায় রয়েছে রিয়েল এস্টেট এজেন্ট জেএস গ্রুপের জাহেদ জিয়া ও তার সহধর্মিণী সালমা রহমান মুমু। সহযোগিতায় থাকছেন রয়েল বেঙ্গল ইন্ডিয়ান কুজিন রেস্টুরেন্টের কর্ণধার ক্রীড়া ব্যক্তিত্ব হাসান খান

post
এনআরবি বিশ্ব

বিদেশ পাঠিয়ে দু'বছরেও খোঁজ মিলেনি মিরাজুলের, ছেলেকে হারিয়ে বাকরুদ্ধ মা

গত দুই বছরেও সন্ধান মেলেনি মালয়েশিয়া প্রবাসী মিরাজুল মন্ডলের। ছেলেকে ফিরে পেতে সংশ্লিষ্ট মন্ত্রণালয়সহ বিভিন্ন স্থানে ধর্না দিচ্ছেন তার বাবা-মা। কিন্তু এখনো জানতে পারেননি ভাগ্য পরিবর্তনের আশায় মালয়েশিয়া গিয়ে নিখোঁজ মিরাজুল কেমন আছেন। এদিকে একমাত্র ছেলেকে হারিয়ে প্রায় বাকরুদ্ধ তার মা।মিরাজুল পাবনার আটঘরিয়া উপজেলার একদন্ত ইউনিয়নের চৌকিবাড়ী গ্রামের দুলাল মন্ডলের ছেলে।পরিবার সূত্রে জানা যায়, ২০১৮ সালের ২৮ মার্চ বাংলাদেশি রিক্রুটিং এজেন্সি মেসার্স ক্যাথারসিস ইন্টারন্যাশনালের (আরএল-৫৪৯) মাধ্যমে মালয়েশিয়ায় পাড়ি জমান তিনি।দেশটিতে পৌঁছানোর পর মালয়েশিয়ার ‘ইয়াংসিং ইন্ডাস্ট্রিজ-ইপু এসডিএন. বিএইচডি’ কোম্পানিতে সাধারণ কর্মী হিসেবে যোগ দেন মিরাজুল।এরপর প্রথম দিকে তিনি নিয়মিত দেশে টাকা পাঠাতেন ও বাবা-মাসহ পরিবারের লোকজনের খোঁজ নিতেন। কিন্তু হঠাৎ করেই ২০২০ সালের জানুয়ারি থেকে পরিবারের সঙ্গে তার যোগাযোগ বন্ধ হয়ে যায়। এরপর দুই বছর কেটে গেলেও আর খোঁজ মেলেনি মিরাজুলের। পরিবার বা আত্মীয় কেউই জানে না তিনি এখন কেমন আছেন। বেঁচে আছেন নাকি মারা গেছেন।মিরাজুলের বাবা দুলাল মন্ডল অভিযোগ করে বলেন, মালয়েশিয়া যাওয়ার পর ২০১৯ সাল পর্যন্ত আমাদের সঙ্গে যোগাযোগ করাসহ টাকা পাঠাতো সে। তবে মাঝেমধ্যে ফোনে আমাকে বলতো তার রুমমেট পাবনার মিলন, কুমিল্লার ফরহাদ ও ব্রাহ্মণবাড়িয়ার সজিব নামে তিনজন তাকে নির্যাতন করে। তার টাকা কেড়ে নেয়। এমনকি তাকে মেরে ফেলার হুমকিও দেওয়া হয়।তিনি আরও বলেন, ২০২০ সালের ১৭ জানুয়ারি আমার সঙ্গে শেষ কথা হয় মিরাজুলের। এরপর আমরা তার সঙ্গে যোগাযোগের অনেক চেষ্টা করেছি, কিন্তু সন্ধান পাইনি।এদিকে মিরাজুলের মা একমাত্র ছেলেকে হারিয়ে বাকরুদ্ধ হয়ে ঢাকার মহাখালী ক্যান্সার হাসপাতালে চিকিৎসাধীন। তবে অনেকেই আশা করছেন, ছেলেকে ফিরে পেলে হয়তো আবারও সুস্থ হতে পারেন তিনি।মিরাজুলের বাবা জানান, ছেলের সন্ধান চেয়ে বাংলাদেশে জনশক্তি কর্মসংস্থান ও প্রশিক্ষণ ব্যুরো এবং থানায় লিখিত আবেদন জমা দিয়েছেন। কিন্তু তিনি এখনো এ বিষয়ে কোনো সহায়তা পাননি। এছাড়া রিক্রুটিং এজেন্সি মেসার্স ক্যাথারসিস ইন্টারন্যাশনাল থেকেও কিছু বলা হয়নি।এদিকে মিরাজুলকে খুঁজে পেতে বাংলাদেশ সরকারের সহায়তা চেয়েছেন তার পরিবারের সদস্যরা ও স্থানীয় চেয়ারম্যান মো. লিয়াকত হোসেন আলাল।মালয়েশিয়াস্থ বাংলাদেশ দূতাবাস সংশ্লিষ্টরা জানান, বিষয়টি নিয়ে এরই মধ্যে নিয়োগকারী কোম্পানির সঙ্গে যোগাযোগ করা হয়েছে। এছাড়া স্থানীয় প্রশাসনের সহায়তা পেতে নেওয়া হয়েছে পদক্ষেপ। খুব শিগগির মিরাজুলের সন্ধান পাওয়া যাবে বলে আশা করছেন দূতাবাস সংশ্লিষ্টরা।

post
এনআরবি বিশ্ব

বাংলাদেশের উন্নয়ন-প্রবাসীদের অধিকার নিয়ে আলোচনা সভা করেছে কানেক্ট বাংলাদেশ

‘বাংলাদেশের উন্নয়ন ও প্রবাসীদের অধিকার’ স্লোগান নিয়ে আলোচনা সভা করেছে কানেক্ট বাংলাদেশ। সম্প্রতি অনলাইন প্লাটফর্ম জুমে এ সভার আয়োজন করা হয়। এতে পৃথিবীর বিভিন্ন দেশ থেকে কানেক্ট বাংলাদেশের সদস্যরা আলোচনায় অংশ নেন। আলোচ্য বিষয় ছিল বাংলা নববর্ষের তাৎপর্য, গত ৬ বছরের কানেক্ট বাংলাদেশের কার্যক্রমের মূল্যায়ন, শ্রমিক দিবস স্মরণে কানেক্ট বাংলাদেশের দাবি সমূহের যৌক্তিকতা, প্রবাস জীবনে ঈদের আনন্দ। এসব বিষয়ের ওপর বিষদ আলোচনা করেন উপস্থিত বক্তারা। এসময় আলোচকরা বিভিন্ন প্রস্তাবনা তুলে ধরেন বাংলা নববর্ষের তাৎপর্য, গত ৬ বছরের ‘কানেক্ট বাংলাদেশ’ এর কার্যক্রমের মূল্যায়ন ও প্রবাস জীবনে ঈদের আনন্দ ইত্যাদি। বক্তারা বলেন, বাংলা নববর্ষের শুরু হওয়ার পটভূমি ও বাঙালি জীবনে এর গুরুত্ব এবং বাংলা নববর্ষ আজ আমাদের সামাজিক ও জাতীয় জীবনে একটি উৎসব হয়ে দাঁড়িয়েছে। সারা পৃথিবীতে বসবাসরত সমগ্র বাঙালি সমাজ খুব আনন্দের সাথে দিবসটি উদযাপন করে যাচ্ছে। তারা বলেন, ‘কানেক্ট বাংলাদেশ’এর প্রতিষ্ঠার পটভূমি ও গত ৬ বছরের কার্যক্রম বর্ণনা তুলে ধরেন। ‘কানেক্ট বাংলাদেশ’ আয়োজিত ৪টি বিশ্ব সম্মেলন ও একটি অনলাইন সম্মেলনের সফলতা তুলে ধরেন। বিশ্বের ২৩টি দেশে সংগঠনের কমবেশি তৎপরতা তুলে ধরেন সভায়। এই বছর থেকে চারটি জাতীয় দিবসে নিয়মিত অনলাইন সভা অনুষ্ঠানের প্রচেষ্টাকে স্বাগত জানান। এছাড়াও করোনা মহামারি সংকটে সংগঠনের সহযোগিতা কার্যক্রম, প্রবাসীদের ওপর নানা অন্যায় অত্যাচারের প্রতিবাদ, দেশের উন্নয়নে নিয়মিত আলোচনা, বিতর্ক, প্রস্তাবনা, দেশের গণতান্ত্রিক রাজনৈতিক ব্যবস্থার উন্নয়ন ও দলসমূহে গণতান্ত্রিক রীতিনীতি চর্চাসহ সার্বিক তৎপরতার প্রশংসা করেন বক্তারা। নির্দলীয় রাজনৈতিক সংগঠন হিসাবে ‘কানেক্ট বাংলাদেশ’ সত্যি অনন্য। এসময় প্রবাস জীবনে ঈদের আনন্দ এই বিষয়ে অনেকে নানা প্রসঙ্গ তুলে ধরেন। পৃথিবীর অনেক দেশে সম্মিলিতভাবে ঈদ উদযাপন সম্ভব হচ্ছে। ঈদের জামাতে নামাজ পড়া, পাস্পরিক কৌশল ও শুভেচ্ছা বিনিময় আজ দেশে দেশে সম্ভব হচ্ছে। প্রায় দেড় কোটি বাংলাদেশি পৃথিবীর বিভিন্ন দেশে সম্মিলিতভাবে আনন্দও ভাগাভাগি করে যাচ্ছেন। একই সাথে বিশ্বের অপরাপর জাতির সহিত সৌহাদ্য ও সম্প্রীতি গড়ে তুলছেন। মে দিবস স্মরণে আলোচকরা দেশ ও প্রবাসের শ্রমিকদের নানাহ সমস্যা ও অধিকারের প্রসঙ্গ তুলে ধরেন। তারা বলেন, শিশু শ্রম সম্পূর্ণরূপে নিষিদ্ধ। নারী শ্রমিকদের ওপর সবধরনের নিপীড়ন বন্ধ করতে হবে। বিশেষ করে সৌদিসহ বিদেশে কর্মরত বাংলাদেশি নারী শ্রমিক বিশেষ যত্ন নিতে হবে ও তাদের ওপর নিপীড়ন বন্ধের দাবি করেন। আই এল ও সনদ স্বীকৃত বিধান মোতাবেক ট্রেড ইউনিয়ন করার অধিকার দিতে হবে। ন্যায্য মজুরি দিতে হবে, যা কমপক্ষে বিশ হাজার টাকা হতে হবে। কর্মঘণ্টা আট ঘণ্টার বেশি হতে পারবে না। এর বেশি হলে দ্বিগুণ মজুরি নিশ্চিত করতে হবে। বাসযোগ্য আবাসন নিশ্চিত করতে হবে। বেতনের এক-তৃতীয়াংশ আবাসন ভাতা চালু করতে হবে। দেশব্যাপী সর্বজনীন চিকিৎসা সুবিধা চালু করা। শ্রমজীবী, কর্মজীবীদের বিনামূল্যে চিকিৎসা, সর্বজনীন, কর্মমুখী, বৈষম্যহীন শিক্ষা ব্যবস্থা চালু, কর্মজীবীদের সন্তানদের শিক্ষা অবৈতনিক, সর্বোপরি সকল কর্মক্ষেত্রে যৌথ ব্যবস্থাপনা (মালিক প্রতিনিধি, শ্রমজীবী/কর্মজীবীদের প্রতিনিধি, কলাকৌশলীদের প্রতিনিধি চালু এবং পৌর এলাকায় প্রতিটি ওয়ার্ডে সরকারিভাবে শিশু পরিচর্যা কেন্দ্র গড়ে তোলার আহ্বান জানান।

post
এনআরবি বিশ্ব

এক মাস পেছাল দুবাইয়ে বাংলাদেশ বইমেলা

এক মাস পেছাল সংযুক্ত আরব আমিরাতের বাণিজ্যিক রাজধানী দুবাইয়ে অনুষ্ঠিতব্য তিন দিনব্যাপী বাংলাদেশ বইমেলা ও বৈশাখী উৎসবের তারিখ। আগামী ২৭ থেকে ২৯ মে এর পরিবর্তে মেলা অনুষ্ঠিত হবে আগামী ২৪ থেকে ২৬ জুন। বৃহস্পতিবার এক বিজ্ঞপ্তির মাধ্যমে বইমেলা ও বৈশাখী উৎসবের সময় পুনঃনির্ধারণের বিষয়টি অবগত করে দুবাইয়ের বাংলাদেশ কনস্যুলেট।একই বিজ্ঞপ্তিতে বইমেলা ও বৈশাখী উৎসবে স্টল বরাদ্দের জন্য আগ্রহী প্রতিষ্ঠান ও ব্যক্তিদের কাছ থেকে আবেদন ফরম পূরণের বিষয়ে উল্লেখ করা হয়। আগ্রহীরা আগামী ১৫ জুন বিকাল ৪টা পর্যন্ত ই-মেইলের মাধ্যমে স্টল বরাদ্দের আবেদন করতে পারবেন।

post
এনআরবি বিশ্ব

নিউইয়র্কের বাংলা বইমেলায় কাদরী পুরস্কারের জন্য বই আহ্বান

প্রতিবারের মতো ৩১তম নিউইয়র্ক বাংলা বইমেলায় এবারও বিশেষ আকর্ষণ হিসেবে থাকছে অভিবাসী লেখকদের প্রকাশিত সেরা বইয়ের জন্য শহীদ কাদরী পুরস্কার ২০২২। এ লক্ষ্যে ১৫ জুন এর মধ্যে বই জমা দেয়ার আহ্বান জানানো হয়েছে। এর আর্থিক মূল্যমান ৫০০ ইউএস ডলার।আগ্রহীরা তাদের বাংলা ভাষায় রচিত ২০২১ সালে প্রকাশিত যেকোনো একটি শিরোনামের বই পাঠাতে পারবেন। উল্লেখ্য, বাংলাদেশ এবং পশ্চিম বঙ্গের বিশিষ্ট লেখকদের সমন্বয়ে গঠিত একটি বিচারক সভা সেরা বই নির্বাচন করবেন। শহীদ কাদরী পুরস্কার ২০২২-এ অংশগ্রহণের জন্য লেখককে নিচের শর্তগুলো অনুসরণ করতে হবে:১. লেখককে অবশ্যই বাংলাদেশ ও ভারতের বাইরের কোনো দেশে অভিবাসী হতে হবে।২. লেখকেরা তাদের বাংলাভাষায় রচিত একটিমাত্র শিরোনামের বই জমা দিয়ে এই পুরস্কার প্রত্যাশী হতে পারবেন। ৩.বইটি অবশ্যই ২০২১ সালের জানুয়ারি থেকে ২০২১ সালের ডিসেম্বরের মধ্যে প্রকাশিত হতে হবে। ৪. লেখককে নিজ খরচে তার বইয়ের ৩ কপি নিচের ঠিকানায় পাঠানোর জন্য অনুরোধ করা যাচ্ছে।৫. অভিবাসী লেখকদের সেরা বই পুরস্কারের জন্য অংশগ্রহণ করতে হলে ১৫ জুনের মধ্যে বইটি পাঠাতে হবে। উল্লেখ্য, ২৮, ২৯, ৩০ ও ৩১ জুলাই নিউইয়র্কে অনুষ্ঠিতব্য ৩১তম নিউইয়র্ক বাংলা বইমেলা আয়োজন করছে মুক্তধারা ফাউন্ডেশন। বাংলাদেশ ও পশ্চিম বাংলার বাইরে সবচেয়ে বড় ও দীর্ঘস্থায়ী বইমেলা হিসেবে স্বীকৃত 'নিউইয়র্ক বাংলা বইমেলা'র ৩১তম আসরের আহ্বায়ক নির্বাচিত হয়েছেন গোলাম ফারুক ভুঁইয়া। বাংলাদেশ ও পশ্চিম বঙ্গ থেকে উল্লেখযোগ্য সংখ্যক লেখক, শিল্পী, প্রকাশক বরাবরের মতো এ বইমেলায় অংশগ্রহণ করে থাকেন। বই পাঠানোর ঠিকানা:USA: শহীদ কাদরী পুরস্কার ২০২২, Muktadhra Foundation 37-69, 74th St, 2nd Floor, Jackson Heights, NY 11372Bangladesh: শহীদ কাদরী পুরস্কার ২০২২, Muktadhra Foundation , 44 Arambagh, 2nd Floor, Motijheel, Dhaka 1000, Bangladesh. 

post
এনআরবি বিশ্ব

কানাডার অন্টারিওর নির্বাচনে বাংলাদেশি বংশোদ্ভূত প্রার্থীদের বিজয়ী করতে আহ্বান

অন্টারিওর প্রভিন্সিয়াল নির্বাচনে বাংলাদেশি বংশোদ্ভূত প্রার্থীদের বিজয়ী করতে কমিউনিটির প্রতি আহ্বান জানিয়ে ভার্চুয়াল আলোচনায় বক্তারা বলেছেন কানাডার মূলধারায় বাংলাদেশিদের অবস্থান সুসংহত করতে রাজনীতিতে বাংলাদেশি কানাডিয়ানদের প্রতিনিধিত্বের বিকল্প নেই। কানাডার বাংলা পত্রিকা ‘নতুনদেশ’ এর প্রধান সম্পাদক শওগাত আলী সাগরের সঞ্চালনায় শ্ওগাত আলী সাগর লাইভের আলোচনায় তারা এই আহ্বান জানান। আলোচনায় অন্যদের মধ্যে অংশ নেন সিনিয়র সাংবাদিক এবং গণমাধ্যম বিশ্লেষক সৈকত রুশদী, প্রোগ্রেসিভ অ্যাকশন ফর কমিউনিটি এমপাওয়ারমেন্ট এর নির্বাহী পরিচালক ইমামুল হক। স্থানীয় সময় বুধবার রাতে এই আলোচনা অনুষ্ঠিত হয়।বক্তারা বলেন, প্রধান রাজনৈতিক দল থেকে মনোনয়ন পাওয়া বাংলাদেশি কানাডিয়ান প্রার্থীরা ইতোমধ্যে তাদের যোগ্যতার স্বাক্ষর রেখেছেন। আমাদের উচিত এই যোগ্য প্রার্থীদের বিজয়ে নিজ নিজ অবস্থান থেকে ভূমিকা রাখা। প্রসঙ্গত, আগামী ২ জুন অনুষ্ঠিতব্য অন্টারিওর প্রভিন্সিয়াল নির্বাচনে এনডিপির মনোনয়নে স্কারবোরো সাউথওয়েষ্ট আসনে ডলি বেগম এবং ইটোবিকো-লেকশোর আসনে ফারহিন আলিম এবং লিবারেল পার্টির মনোনয়নে ওকভিল নর্থ – বারলিংটন থেকে কানিজ মৌলী প্রতিদ্বন্ধিতা করছেন। কানাডায় বাংলাদেশি বংশোদ্ভূত প্রথম নির্বাচিত জনপ্রতিনিধি ডলি বেগম দ্বিতীয় মেয়াদের জন্য প্রার্থী হয়েছেন। আলোচনায় অংশ নিয়ে গণমাধ্যম বিশ্লেষক সৈকত রুশদী মূলধারার রাজনীতিতে বাংলাদেশি কানাডিয়ানদের বেশি বেশি অংশ নেয়ার আহ্বান জানিয়ে বলেন, স্কারবোরোর প্রায় প্রতিটি রাইডিংয়ে শ্রীলঙ্কান কানাডিয়ানদের প্রার্থী আছে। অথচ পুরো প্রভিন্সে বাংলাদেশি কমিউনিটির মাত্র তিনজন প্রার্থী। তিনি বলেন, কেবল প্রার্থী হওয়াটাই বড় কথা নয়, নিজেদের যোগ্য করে তুলে নির্বাচনে প্রার্থী হতে হবে। আর যোগ্য হয়ে ওঠার জন্য প্রস্তুতি দরকার, কাজ করা দরকার। স্কুল, কমিউনিটি পর্যায়ে কাজ করে নিজেদের নেতৃত্ব দেয়ার যোগ্য করে তুলতে হবে। আসন্ন নির্বাচনে বাংলাদেশি কানাডিয়ান প্রার্থীদের নির্বাচিত করতে প্রয়োজনীয় ভূমিকা রাখতে কমিউনিটির প্রতি আহ্বান জানিয়ে সৈকত রুশদী বলেন, যারা অন্য নির্বাচনী এলাকায় বসবাস করেন তারাও বাংলাদেশি কানাডিয়ান প্রার্থীদের পক্ষে ভূমিকা রাখতে পারেন। বাংলাদেশি কমিউনিটির স্বার্থেই প্রভিন্সিয়াল সংসদে বাংলাদেশি কানাডিয়ান প্রতিনিধি থাকা দরকার বলে তিনি মত দেন।কমিউনিটি এমপাওয়ারমেন্ট সংগঠক ইমামুল হক ২০১৫ সালে পরিচালিত তাদের সংস্থার একটি সমীক্ষার উদ্ধৃতি দিয়ে বলেন সেই সময় মূলধারার রাজনীতির ব্যাপারে বাংলাদেশি কমিউনিটিতে তেমন একটা আগ্রহ দেখা যায়নি। তবে ডলি বেগম প্রথমবারের মতো নির্বাচিত হওয়ার পর বাংলাদেশি কানাডিয়ানদের মধ্যে বিশেষ করে নতুন প্রজন্মের মধ্যে রাজনীতি এবং নির্বাচনের ব্যাপারে আগ্রহ অনেক বেড়েছে। এবারের নির্বাচনে প্রধান রাজনৈতিক দলের প্রার্থীদের পক্ষে প্রচারণায় উল্লেখযোগ্য সংখ্যক বাংলাদেশি কানাডিয়ান তরুণ-তরুণীকে স্বেচ্ছাসেবক হিসেবে কাজ করতে দেখা যাচ্ছে। শওগাত আলী সাগর আলোচনায় অংশ নিয়ে বলেন, এবারের নির্বাচনে অংশ নেওয়া বাংলাদেশি কানাডিয়ান তিন প্রার্থীই যোগ্য এবং দক্ষ। ডলি বেগমের কর্মতৎপরতা কানাডার মূলধারার মিডিয়ায় সবসময়ই দৃশ্যমান ছিল। প্রভিন্সিয়াল পার্লামেন্টে তিনি নিজেকে ইমিগ্র্যান্ট’স ভয়েস’ হিসেবে প্রতিষ্ঠা করেছেন। 

About Us

NRBC is an open news and tele video entertainment platform for non-residential Bengali network across the globe with no-business vision just to deliver news to the Bengali community.