post
এনআরবি বিশ্ব

পোল্যান্ডে বাংলাদেশিদের জাঁকজমকপূর্ণ ঈদ পুনর্মিলনী

পোল্যান্ডে বাংলাদেশিদের জাঁকজমকপূর্ণভাবে ঈদ পুনর্মিলনী অনুষ্ঠিত হয়েছে। সম্প্রতি দেশটির রাজধানীতে ওয়ারশতে বাংলাদেশ কমিউনিটির উদ্যোগে হোটেল গ্ৰোমানের কনভেনশন হলে এ অনুষ্ঠানের আয়োজন করা হয়।এসময় বিপুল সংখ্যক বাংলাদেশি দেশটির বিভিন্ন প্রান্ত থেকে স্বতস্ফূর্তভাবে অনুষ্ঠানে অংশ নেয়। দীর্ঘদিন ধরেই পোল্যান্ডে বাংলাদেশিদের তেমন কোনো আয়োজন চোখে পড়ে না। সম্প্রতি করোনা মহামারিজনিত বাধ্যবাধকতা এর অন্যতম কারণ। বর্তমান সরকারি নিষেধাজ্ঞা না থাকায় সব বয়সীদের উপস্থিতিতে অনুষ্ঠান হয়ে উঠে প্রাণবন্ত। এ যেন পোল্যান্ডের বুকে এক টুকরো বাংলাদেশ!প্রবাসী বাংলাদেশিরা ঈদের আনন্দ ভাগাভাগি করে নিতে মেতে উঠেছিল সেদিন। এ মিলনমেলা যেন প্রবাসে একটি ছোট বাংলাদেশে। ঈদ উপলক্ষে সবাই বাংলাদেশের ঐতিহ্যবাহী পোশাক এমনকি প্রবাসীদের বিদেশি স্বামী ও স্ত্রীরাও বাংলাদেশি পোশাকে উপস্থিত ছিলেন।অনুষ্ঠান সঞ্চালনা করেন ফজলে রাব্বী। শুরু হয় ‘রমজানের ওই রোজার শেষে এলো খুশির ঈদ’ এই গণসংগীত দিয়ে। এরপর তানিয়া আফরিনের কোরিওগ্ৰাফিতে নৃত্য পরিবেশন করেন ইশমাম ও তানিয়া। সংগীত পরিবেশন করেন মাহদীসহ আরও অনেকে।উৎসবে নানা আয়োজনের মধ্যে ছিল নারীদের পিলো পাসিং খেলা, ছেলেদের ফুটবল পাসিং, বড়দের মোরগ লড়াই, বাচ্চাদের মিউজিকাল চেয়ার ও ফান বক্স। সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান শেষে আমন্ত্রিত অতিথিদের আপ্যায়ন করা হয় দেশীয় খাবার দিয়ে।অনুষ্ঠান শেষে বিজয়ীদের হাতে পুরস্কার তুলে দেওয়া হয়। সবশেষে আমন্ত্রিত অতিথিদের, সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠানে অংশগ্রহণকারীদের, অনুষ্ঠানে অর্থায়নকারী প্রতিষ্ঠানদের ও আয়োজকদের ধন্যবাদ জানিয়ে বক্তব্য দেন ড. মাহবুবুর রহমান ও শেখ এরশাদুর রহমান।সার্বিক আয়োজনে ছিলেন শরিফ আহমেদ, সিদ্দিকুর রহমান, তানিয়া আফরিন, হামিদুল ইসলাম চৌধুরী মুরাদ, নাজমুল হাসান প্রমুখ। অনুষ্ঠানকে সফল করতে আর্থিক সহযোগিতা করেছে একুশ বাংলাদেশি প্রতিষ্ঠান।আমন্ত্রিত অতিথিদের সবাই অনুষ্ঠান উপভোগ করে আনন্দ করেছেন। সবাই এমন আয়োজন বেশি বেশি করতে জোর দেন। এছাড়াও পোল্যান্ডে সবাই একটি কমিউনিটি গড়ে তুলতে দাবি জানান। বিশেষ করে বাংলাদেশি অনুষ্ঠানের মাধ্যমে সবাইকে ঐক্যবদ্ধ করতে জোর দেওয়া হয়।আহমেদ রাজ- পোলান্ড থেকে

post
এনআরবি বিশ্ব

প্যারিসে বাংলাদেশিদের আনন্দপূর্ণ ঈদ উৎসব

ফ্রান্স প্রবাসী বাংলাদেশিদের সন্মানে প্যারিসে অনুষ্ঠিত হয়ে গেলো ঈদ ফেস্টিভ্যাল। আয়োজনটি করেছে ফ্রান্সের জনপ্রিয় সামাজিক সংগঠন বাংলাদেশ কমিউনিটি ইন ফ্রান্স (বিসিএফ) । এ নিয়ে তৃতীয় বার আয়োজন করা হলো এই উৎসবের।প্যারিসের পার্ক দো লা ভিলের সুবিশাল সবুজ চত্বরটিতে পাঁচ হাজারের বেশি প্রবাসী বাংলাদেশি জড়ো হন এই উৎসব উপলক্ষে। শিশু কিশোর ও পরিবারগুলো দলে দলে ভাগ হয়ে চাদর বিছিয়ে গল্প জুড়ে দেয়, তরুন-যুবকেরা মেতে থাকে গান, নাচ আর হৈ-হুল্লোড়ে।অন্যদিকে, শিশুদের দৌড়, পুরুষদের মোরগ লড়াই, নারীদের বালিশ খেলা, ফুড চ্যাম্পিয়নশিপ (রান্না) প্রতিযোগিতা, নাচ-গান আর খাবারের আয়োজন করা হয় ।অনুষ্ঠানে প্রতিযোগীদের মধ্যে পুরস্কার বিতরণ করেন বিডি বসের স্বত্ত্বাধিকারী আইয়ুব হাসান, সরুফ সোদিওল, ফারুক খান, আশরাফুল ইসলাম, দাতো ইবাদত হোসেন, এমডি নুর, মোসিওঁ জেরেমি, রাব্বানী খান, লুৎফুর রহমান বাবু, ফেরদৌস করিম আখঞ্জী, নয়ন মামুন প্রমুখ।

post
এনআরবি বিশ্ব

কানাডার নির্বাচনে বাংলাদেশি বংশোদ্ভূত কানিজ মৌলীর নির্বাচনী প্রচারণা

কানাডার অন্টারিওর প্রভিন্সিয়াল নির্বাচনে বাংলাদেশি বংশোদ্ভূত প্রার্থী কানিজ মৌলীর নির্বাচনী প্রচারণা শনিবার আনুষ্ঠানিকভাবে শুরু হয়েছে। বার্লিংটনের ৪০৪ পালাডিয়াম ওয়েতে বিপুল সংখ্যক সমর্থক স্বেচ্ছাসেবক এবং শুভানুধ্যায়ীদের অংশগ্রহণে কানিজ মৌলী তার নির্বাচনী প্রচারণার ঘোষণা দেন।সরকারে ক্ষমতাসীন লিবারেল পার্টির মনোনয়ন নিয়ে কানিজ মৌলী ওকভিল নর্থ-বার্লিংটন এলাকা থেকে প্রভিন্সিয়াল পার্লামেন্টে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করছেন। আগামী ২ জুন এই নির্বাচন অনুষ্ঠিত হবে।কানিজ মৌলী তাকে এবং লিবারেল পার্টিকে ভোট দেয়ার আহ্বান জানিয়ে বলেন, অভিবাসী পরিবারের সন্তান হিসেবে অভিবাসীদের সংকট তিনি ভালোভাবেই বুঝতে পারেন। সেই সব সংকট দূর করার ক্ষেত্রে তিনি অগ্রণী ভূমিকা রাখবেন বলে ঘোষণা দেন।

post
এনআরবি বিশ্ব

নিউইয়র্কে 'গোল্ডেন জুবিলি বাংলাদেশ কনসার্টে মাতলেন প্রবাসীরা

মুক্তিযুদ্ধের স্মৃতি বিজড়িত নিউ ইয়র্কের ম্যাডিসন স্কয়ার গার্ডেনে অনুষ্ঠিত হয়েছে ‘গোল্ডেন জুবিলি বাংলাদেশ কনসার্ট’, যাতে ভিনদেশিরাসহ হাজারও প্রবাসী উচ্ছ্বাসে মেতে উঠেন।শুক্রবার রাত ৮টার পর বাংলাদেশের জাতীয় সংগীত পরিবেশেনের মধ্য দিয়ে শুরু হয় অনুষ্ঠান। এ পর্বে নেতৃত্ব দেন স্বাধীন বাংলা বেতার কেন্দ্রের শিল্পী কাদেরি কিবরিয়া।মুক্তিযুদ্ধ বিষয়ক মন্ত্রী আ ক ম মোজাম্মেল হক, প্রধানমন্ত্রীর তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি বিষয়ক উপদেষ্টা সজীব ওয়াজেদ জয়, তথ্য ও যোগাযোগ প্রতিমন্ত্রী জুনাইদ আহমেদ পলক, সংসদ সদস্য শামীম ওসমান, অপরাজিতা হক ও নুরুল আমিন দাঁড়িয়ে জাতীয় সংগীতে অংশ নেন।একইসঙ্গে ভিনদেশিরাও দাঁড়িয়ে বাঙালিদের সঙ্গে কণ্ঠ মেলান। অংশগ্রহণকারীরা ‘জয় বাংলা জয় বঙ্গবন্ধু’ স্লোগানে অনুষ্ঠানস্থল প্রকম্পিত করে তোলেন। শুরুর পর্বে বাংলাদেশের উন্নয়ন চিত্র উপস্থাপন করা হয়।১৯৭১ সালের মুক্তিযুদ্ধে বাংলাদেশি শরণার্থীদের সাহায্যে এবং বাংলাদেশের পক্ষে আন্তর্জাতিক জনমত সুসংহত করতে এই ম্যাডিসন স্কয়ারে অনুষ্ঠিত হয় ‘কনসার্ট ফর বাংলাদেশ’। ঐতিহাসিক এই কনসার্টের ৫০তম বার্ষিকী উপলক্ষে ‘গোল্ডেন জুবিলি বাংলাদেশ কনসার্ট’ আয়োজন করা হয়।তবে ‘দ্য কনসার্ট ফর বাংলাদেশ’ এর দুই উদ্যোক্তা জর্জ হ্যারিসন কিংবা পণ্ডিত রবিশংকরের পরিবারের কেউ সুবর্ণজয়ন্তীর এ আয়োজনে ছিলেন না।অনুষ্ঠানে বাংলাদেশের চিরকুট ব্যান্ডের শারমিন সুলতানা সুমি ছয়টি গান পরিবেশন করেন। তবে তার জন্য মাত্র ২০ মিনিট সময় বরাদ্দ থাকায় কোনো গানই পুরোপুরি শেষ করতে পারেননি। সুমির সঙ্গে যন্ত্র সঙ্গীতে ছিলেন ইমন চৌধুরী ও জাহিদ নিরব।এরপর জার্মানির রক ব্যান্ড স্করপিয়ন্স মঞ্চ সাজাতে ৩৫ মিনিটের অধিক সময় ক্ষেপণ করে। তবে স্কোরপিয়ন্স’র শিল্পীরা পর্দা উঠানোর পর নেচে উঠে গোটা মিলনায়তন।রকস্টাররা সকলকে তাক লাগিয়ে এক ঘণ্টারও বেশি সময় গান পরিবেশন করেন। এ ব্যান্ডের শিল্পীদের মধ্যে ছিলেন ক্লাউস মেইন, রুডল্ফ শেঙ্কার, মিক্কে ডি, মাইকেল শেঙ্কার, ম্যাথিয়াস জাবস।

post
এনআরবি বিশ্ব

বাংলাদেশের জাতীয় পতাকার রঙে আলোকসজ্জায় সজ্জিত ক্যানবেরা

বাংলাদেশ ও অস্ট্রেলিয়ার কূটনৈতিক সম্পর্কের ৫০ বছর পূর্তি উপলক্ষে লাল সবুজের আলোকসজ্জায় সাজে ক্যানবেরার গুরুত্বপূর্ণ স্থাপনা। বাংলাদেশের জাতীয় পতাকার রঙে আলোকসজ্জায় সজ্জিত করা হয় অস্ট্রেলিয়ার রাজধানীর এসব স্থাপনা।অস্ট্রেলিয়ার সরকারের বন্ধুত্বের নিদর্শন হিসেবে এ প্রদর্শনীর আয়োজন করা হয়। স্থানীয় সময় শুক্রবার (৬ মে) সন্ধ্যা থেকে শনিবার ভোর পর্যন্ত এ আলোকসজ্জা প্রদর্শন করা হয়। প্রবাসী বাংলাদেশি ও হাইকমিশনের কর্মকর্তা-কর্মচারীরা এ আলোকসজ্জা উপভোগ করেন।এদিন বাংলাদেশের জাতীয় পতাকার রঙে আলোক সজ্জায় সজ্জিত করা হয় অস্ট্রেলিয়ার পুরাতন পার্লামেন্ট ভবন, ঐতিহাসিক জন গর্টন বিল্ডিং এবং ন্যাশনাল ক্যারিলিয়ন।এর আগে বাংলাদেশের স্বাধীনতা দিবস উপলক্ষে গত ২৭ মার্চ ন্যাশনাল ক্যারিলিয়নেও এরূপ আলোকসজ্জার প্রদর্শন করা হয়েছিল।

post
এনআরবি বিশ্ব

বাংলাদেশ-যুক্তরাষ্ট্র সম্পর্কের ৫০ বছর পূর্তি, কংগ্রেসে প্রস্তাব

বাংলাদেশ-যুক্তরাষ্ট্র কূটনৈতিক সম্পর্কের ৫০তম বার্ষিকী উপলক্ষে একটি দ্বিদলীয় প্রস্তাব উত্থাপন হয়েছে মার্কিন কংগ্রসে।নিউ ইয়র্কের ডেমোক্র্যাটিক কংগ্রেসম্যান ব্রায়ান হিগিন্স গত মঙ্গলবার প্রস্তাবটি তোলেন। এই প্রস্তাবের কো-স্পন্সর হিসেবে আছেন আমেরিকান সামোয়ার রিপাবলিকান কংগ্রেস সদস্য আমাটা কোলম্যান রাদেওয়াগেন।প্রস্তাবটি মার্কিন পররাষ্ট্র বিষয়ক হাউস কমিটিতে পাঠানো হয়েছে বলে বৃহস্পতিবার জানিয়েছেন বাংলাদেশ দূতাবাসের প্রেস মিনিস্টার এ জেড এম সাজ্জাদ হোসেন।    প্রস্তাবে বলা হয়েছে, যুক্তরাষ্ট্র এবং বাংলাদেশ একটি অবাধ, উন্মুক্ত, অন্তর্ভুক্তিমূলক, শান্তিপূর্ণ ও নিরাপদ ইন্দো-প্যাসিফিক অঞ্চলের যৌথ ধারণাকে এগিয়ে নিতে অর্থনৈতিক, নিরাপত্তা, শাসন এবং উন্নয়নসহ বিভিন্ন বিষয়ে সহযোগিতার উপর দৃষ্টি রেখেছে। এবং এর ভিত্তিতে একটি সমৃদ্ধ এবং বহুমুখী সম্পর্ক বজায় রাখছে।মুক্তিযুদ্ধের মধ্য দিয়ে স্বাধীনতা অর্জনের পরের বছর ১৯৭২ সালের ৪ এপ্রিল বাংলাদেশকে স্বাধীন রাষ্ট্র হিসেবে যুক্তরাষ্ট্রের স্বীকৃতি দান এবং ৯ এপ্রিল বাংলাদেশের তৎকালীন প্রধানমন্ত্রী বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবর রহমানকে লেখা সে সময়ের মার্কিন প্রেসিডেন্ট রিচার্ড নিক্সনের চিঠির কথাও প্রস্তাবে তুলে ধরা হয়েছে।১৯৭১ সালে বাংলাদেশের স্বাধীনতার সমর্থনে সেনেটর এডওয়ার্ড কেনেডির ভূমিকা এবং ২০০০ সালে প্রথম মার্কিন রাষ্ট্রপ্রধান হিসেবে প্রেসিডেন্ট বিল ক্লিনটনের বাংলাদেশ সফরের কথাও উল্লেখ করা হয়েছে সেখানে।কোভিড মহামারী মোকাবিলায় বাংলাদেশ-যুক্তরাষ্ট্রে যৌথ প্রচেষ্টা এবং মিয়ানমারে সেনা অভিযানের মুখে পালিয়ে এসে বাংলাদেশে আশ্রয় নেওয়া রোহিঙ্গাদের সহায়তায় দুই দেশেরর ভূমিকাও স্থান পেয়েছে প্রস্তাবে।জলবায়ু পরিবর্তনের বিরূপ প্রভাব মোকাবিলায় বাংলাদেশকে সহযোগিতা দিয়ে যেতে ২০২১ সালে প্রেসিডেন্ট জো বাইডেনের প্রতিশ্রুতির কথাও প্রস্তাবে উল্লেখ করা হয়েছে।বাংলাদেশ-যুক্তরাষ্ট্র কূটনৈতিক সম্পর্কের ৫০ বছর পূর্তিতে কংগ্রেসে উত্থাপিত এই প্রস্তাবকে স্বাগত জানিয়েছে বাংলাদেশ দূতাবাস।

post
এনআরবি বিশ্ব

নিউইয়র্কে 'দ্য কনসার্ট ফর বাংলাদেশ' আজ

মুক্তিযুদ্ধের সমর্থনে একাত্তরের 'দ্য কনসার্ট ফর বাংলাদেশ' এর ৫০ বছর পূর্তিতে একই স্থানে এ আয়োজন করা হয়েছে বলে তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি প্রতিমন্ত্রী জুনাইদ আহমেদ পলক জানিয়েছেন।দুই ঘণ্টার এই অনুষ্ঠানে মঞ্চে গাইবেন স্বাধীন বাংলা বেতার কেন্দ্রের কণ্ঠযোদ্ধা কাদেরী কিবরিয়া। এ ছাড়া ঢাকার ব্যান্ড চিরকুট এবং জার্মানির রক ব্যান্ড স্করপিয়ন্স অংশ নেবে এ কনসার্টে।তবে 'দ্য কনসার্ট ফর বাংলাদেশ' এর দুই উদ্যোক্তা জর্জ হ্যারিসন কিংবা পণ্ডিত রবিশংকরের পরিবারের কেউ সুবর্ণজয়ন্তীর এ আয়োজনে থাকছেন না।বুধবার নিউ ইয়র্কে বাংলাদেশ কনস্যুলেট মিলনায়তনে এক সংবাদ সম্মেলনে এবারের আয়োজনের বিস্তারিত তুলে ধরে কনসার্টের আয়োজক ‘হাইটেক পার্ক কর্তৃপক্ষ’।তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি প্রতিমন্ত্রী পলক বলেন, বিশ্বের দরিদ্র দেশগুলোর শিশুদের জন্য সাইবার নিরাপত্তা সহায়তা তহবিল গঠনের উদ্দেশ্য নিয়ে এই কনসার্টে আয়োজন করতে বাংলাদেশ সরকার ১০ কোটি টাকা বরাদ্দ দিয়েছে। অনুষ্ঠানের একমাত্র মিডিয়া পার্টনার বিটিভি। এছাড়া দেশের সাত কোম্পানি ওয়ালটন, সিটি গ্রুপ, আবুল খায়ের স্টিল, ইউনাইটেড গ্রুপ, বিকাশ, দারাজ এবং এডিএন পৃষ্ঠপোষকতা দিচ্ছে।  ‘গোল্ডেন জুবিলি বাংলাদেশ কনসার্ট’ এ আমন্ত্রণ না পাওয়ায় এর আগে অসন্তোষ প্রকাশ করেছিলেন প্রবাসী মুক্তিযোদ্ধারা। প্রবাসী মুক্তিযোদ্ধাদের সংগঠন ‘বাংলাদেশ লিবারেশন ওয়ার ভ্যাটেরানস’ গত মাসে এ বিষয়ে একটি সংবাদ সম্মেলনও করে।বাংলাদেশের সুবর্ণজয়ন্তীর আয়োজনে গাইবে স্করপিয়ন্স‘গোল্ডেন জুবিলি বাংলাদেশ কনসার্ট’ নিয়ে মুক্তিযোদ্ধাদের অসন্তোষ  এ প্রসঙ্গে দুঃখ প্রকাশ করে পলক বলেন, “নানাবিধ জটিলতায় কনসার্ট হচ্ছে কি হচ্ছে না এমন একটি পরিস্থিতিতে আমরা আবর্তিত হচ্ছিলাম। এমনকি ঢাকার শিল্পী গোষ্ঠি ‘চিরকুট’র সদস্যরাও দুদিন আগে ভিসা পেয়েছেন।“কনসার্ট নিয়ে সীমাহীন নীরবতা কিংবা গোপনীয়তা অবলম্বন করায় প্রবাসীরা আগে কিছুই জানতে পারেননি।”প্রতিমন্ত্রী বলেন, কনসার্টের জন্য বাংলাদেশ থেকে একাধিক মন্ত্রী, এমপি এবং বেশ কয়েকজন কর্মকর্তা এসেছেন, তবে সে সংখ্যা ২০ জনের বেশি হবে না।আরো কয়েকজন ব্যক্তি 'নিজ খরচে' এসেছেন জানিয়ে তিনি বলেন, “এ নিয়ে বিভ্রান্তির কোনো অবকাশ নেই।”সংবাদ সম্মেলনে জানান হয়, প্রবাসে বসবাসকারী বীর মুক্তিযোদ্ধা, লেখক, সাহিত্যিত, সাংবাদিক এবং আওয়ামী লীগের নেতারা কনসার্টের ফ্রি টিকিট পাচ্ছেন। ওই অডিটোরিয়ামের ১৪ হাজার আসনের বিপরীতে ৪ মে পর্যন্ত টিকিটি বিক্রি হয়েছে চার হাজারের মত। প্রতিমন্ত্রী বলেন, টিকেট বিক্রির হিসাব পাওয়ার পর তহবিলের পরিমাণও সংবাদ সম্মেলন করে জানানো হবে।নিউ ইয়র্কে বাংলাদেশের কনসাল জেনারেল মুনিরুল ইসলামের সঞ্চালনায় সংবাদ সম্মেলনে অন্যদের মধ্যে চাঁদপুর-২ এর এমপি নুরুল আমিন, সংসদ সদস্য অপরাজিতা হক, হাই টেক পার্ক কর্তৃপক্ষের এমডি বিকর্ণ কুমার ঘোষ বক্তব্য দেন।

post
এনআরবি বিশ্ব

যুক্তরাজ্যের লোকাল কাউন্সিল নির্বাচন, লড়ছেন ২ বংশোদ্ভূত বাংলাদেশি

যুক্তরাজ্যে (বৃহস্পতিবার) চলছে লোকাল কাউন্সিল নির্বাচনের ভোটগ্রহণ। সকাল ৭টা থেকে শুরু হয়ে ভোট চলবে রাত ১০টা পর্যন্ত। ইংল্যান্ডে ৩০০টিরও বেশি স্থানীয় কর্তৃপক্ষ রয়েছে। তবে এবারের নির্বাচনে শুধুমাত্র লিডস, ম্যানচেস্টার, বার্মিংহাম এবং লন্ডনের ৩২টি ব্যুরোসহ ১৪৬টি কাউন্সিলে নির্বাচন অনুষ্ঠিত হচ্ছে। একইসঙ্গে স্কটল্যান্ডে ৩২টি এবং ওয়েলসে ২২টি কাউন্সিলে চলছে নির্বাচন।যুক্তরা‌জ্যের সব‌চে‌য়ে বে‌শি সংখ্যক বাংলা‌দেশির বসবাস টাওয়ার হ্যামলেটস কাউন্সিলে মেয়র নির্বাচনে ত্রিমুখী লড়াই চলছে। মেয়র প‌দে সরাসরি নির্বাচনে বাঙালিপাড়া টাওয়ার হ‌্যাম‌লেটসে দুই বাংলা‌দেশি প্রার্থী লড়াই‌য়ে আছেন। মূলধ‌ারার বি‌ভিন্ন প্রতিষ্ঠানের নেতৃ‌ত্বে রয়ে‌ছেন বাঙালি ক‌মিউনিটির মানুষজন। লেবার পার্টির ‘সেফ সিট’ হি‌সে‌বে প‌রি‌চিত এ এলাকার দুই এম‌পি রুশনারা আলী ও আফসানা বেগম বাংলা‌দেশি বং‌শোদ্ভূত। তারা দুইজ‌নই লেব‌ার পা‌র্টির প্রার্থীর প‌ক্ষে মা‌ঠে র‌য়ে‌ছেন।টাওয়ার হ‌্যাম‌লেট‌সের বর্তম‌ান মেয়র লেবার পার্টির জন বিগ‌সের সঙ্গে এবার লড়াই‌য়ে র‌য়ে‌ছেন দুইবা‌রের মেয়র লুৎফুর রহমান এবং তার এক সম‌য়ের ঘনিষ্ঠ অনুসারী সাবেক মেয়র প্রার্থী কাউন্সিলার রা‌বিনা খান।  ইংল্যান্ডে ১৮ বছর, স্কটল্যান্ড এবং ওয়েলসে ১৬ বছর বয়স হলেই ভোটার রেজিস্ট্রেশনের পর ভোট দিতে পারবেন। রাত ১০টায় ভোটগ্রহণ শেষে প্রতিটি কাউন্সিলের একটি নির্দিষ্ট স্থানের বিশাল হল রুমে ভোট গণনা করা হবে। ভোটের ফল পেতে শুক্রবার সকাল এমনকি আবার অনেক কেন্দ্রের ফল পেতে শনিবার পর্যন্ত অপেক্ষা করতে হবে।বাসিন্দাদের জন্য কাউন্সিল নির্বাচন খুবই গুরুত্বপূর্ণ। কেননা কাউন্সিলাররা বাসিন্দাদের জীবন যাপনে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করতে পারেন। যেমন, রাস্তাঘাট পরিষ্কার রাখা, রাস্তায় লাইট এবং গুরুত্বপূর্ণ স্থানে ক্যামেরা সেট করা, ময়লার বিন কালেকশন করা, বাসিন্দাদের জানমালের সিকিউরিটি দেওয়া, ড্রাগ ও ক্রাইম নিয়ন্ত্রণ করা, নতুন হাউজিং নির্মাণ ও কাউন্সিল হাউজিং সুবিধা দেওয়া, কাউন্সিল ট্যাক্স সহনশীল অবস্থায় রাখা, যোগাযোগ ব্যবস্থার ক্ষেত্রে এমনকি রাস্তাঘাট নির্মাণ ও মেরামতে ভূমিকা রাখা, স্বাস্থ্য সেবা ইত্যাদি।তাই স্থানীয় নির্বাচন বাসিন্দাদের জন্য অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। এ কারণেই বাসিন্দারা তাদের ভোটের মাধ্যমে পছন্দের কাউন্সিলর নির্বাচিত করে থাকেন।  

post
এনআরবি বিশ্ব

অস্ট্রেলিয়ায় দুইদিনের ঈদ উদযাপন

গত ২ ও ৩ মে (সোম- মঙ্গলবার) দুইদিন যথাযোগ্য মর্যাদা, ধর্মীয় ভাবগাম্ভীর্য ও আনন্দ-উচ্ছ্বাসের মধ্য দিয়ে সিডনিতে পবিত্র ঈদ-উল ফিতর উদযাপিত হয়েছে। পবিত্র রমজান মাসে সিয়াম সাধনার পর সিডনির মুসলিম সম্প্রদায় ও প্রবাসী বাংলাদেশিরা তাদের বৃহত্তম ধর্মীয় উৎসব ঈদুল ফিতর উদযাপন করেন।মাসব্যাপী সিয়াম সাধনার পর মুসলমানরা পালন করেন ঈদ-উল ফিতর। শুধু মুসলিম অধ্যুষিত দেশগুলোতেই নয়, এই ঈদ উৎসাহ-উদ্দীপনার মধ্য দিয়ে পালিত হয় বিশ্বের নানা দেশে, নানা রূপে। ধর্মীয় অনুভূতির সঙ্গে সঙ্গে কোনও দেশের কৃষ্টি ও সংস্কৃতির সঙ্গে মিশে যায় এই উৎসব।আল্লাহর সন্তুষ্টি লাভের আশায় ধর্মপ্রাণ মুসলমানরা নামাজের জন্য সমবেত হন স্থানীয় মসজিদ, ইসলামিক সেন্টার, কনভেনশন হল কিংবা পার্কে। আবার কোথাও অংশগ্রহণকারীর সংখ্যা বেশি হওয়ায় একাধিক সময়ে নামাজের আয়োজন করা হয়। ঈদ উপলক্ষে কোনও কোনও মসজিদে বা কমিউনিটি হলগুলোতে বিশাল আকারের খাওয়া-দাওয়ার আয়োজন করা হয়।সিডনিতে দুইদিনই সাধারণ কর্মদিবস থাকায় খুব সকাল থেকেই ঈদের জামাত শুরু হয়। ঈদের নামাজে বিশ্বের মুসলমানদের জন্য বিশেষ প্রার্থনা ও বিশ্বব্যাপী মুসলিম উম্মাহর শান্তি, কল্যাণ ও সমৃদ্ধি কামনা করে বিশেষ মোনাজাত করা হয়। করোনার বিধিনিষেধ না থাকায় সারাদিন সিডনি প্রবাসী বাংলাদেশিরা বন্ধু-বান্ধব, আত্মীয়-স্বজনের বাসায় বাসায় বেড়িয়ে আড্ডায় মেতেছেন দীর্ঘ সময় নিয়ে। পাশাপাশি দেশে বাবা-মা, আত্মীয়-পরিজনের সঙ্গে অনেকেই দিনভর ফোনালাপে ঈদ আনন্দ ভাগাভাগি করে নিয়েছেন।অস্ট্রেলিয়ার মুসলমানদের ঈদের শুভেচ্ছা জানিয়ে বাণী দিয়েছেন দেশটির প্রধানমন্ত্রী স্কট মরিসন, বিরোধী দলীয় নেতা ও প্রথম সারির নেতৃবৃন্দ।

post
এনআরবি বিশ্ব

চীনে কেমন কাটলো প্রবাসী বাংলাদেশিদের ঈদ

যথাযথ স্বাস্থ্যবিধি মেনে কুনমিংয়ে আজ মঙ্গলবার পবিত্র ঈদুল ফিতর উদযাপন করেছেন প্রবাসী বাংলাদেশিরা। করোনা ঝুঁকির কারণে মসজিদে ঈদের নামাজের জামাত বন্ধ থাকায় কনসাল জেনারেলের বাসভবনে অভ্যর্থনা অনুষ্ঠানে আগত অতিথিদের নিয়ে সেখানেই ঈদের জামাতের আয়োজন করা হয়। কনসাল জেনারেল এ এফ এম আমিনুল ইসলাম ঈদের জামাতে ইমামতি করেন। নামাজ শেষে কনসাল জেনারেল প্রবাসী বাংলাদেশি, মিশনের কর্মকর্তা কর্মচারী ও তাদের পরিবারের সদস্যদের সঙ্গে ঈদের শুভেচ্ছা বিনিময় করেন। পবিত্র ঈদুল ফিতর উপলক্ষে রাষ্ট্রপতি মো. আবদুল হামিদ ও প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার ঈদ শুভেচ্ছা বাণী পাঠ করা হয়।আগত অতিথিদের মধ্যাহ্নভোজে আপ্যায়ন করা হয়। এরপর কুনমিংয়ের বিভিন্ন বিশ্ববিদ্যালয়ে অধ্যয়নরত বাংলাদেশি ছাত্রছাত্রীরা ঈদ আনন্দে 'ও মন রমজানের ঐ রোজার শেষে এলো খুশির ঈদ' গানটিসহ বিভিন্ন গান-নাচে মেতে ওঠেন।ইউনান বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষক ড. মো. নাসিরউদ্দীন ও মিশনের প্রথম সচিব (উপসচিব) মো. বজলুর রশীদ অনুষ্ঠান সঞ্চালনা করেন।

About Us

NRBC is an open news and tele video entertainment platform for non-residential Bengali network across the globe with no-business vision just to deliver news to the Bengali community.