post
এনআরবি বিশ্ব

মালদ্বীপের একটি বাড়িতে অগ্নিকাণ্ডে বাংলাদেশিসহ ১১ জনের মৃত্যু

মালদ্বীপের রাজধানী মালের মাফান্নু এলাকায় একটি বাড়িতে অগ্নিকাণ্ডে দুই বাংলাদেশিসহ এ পর্যন্ত ১১ জনের মৃত্যু হয়েছে। এ ঘটনায় আরও ১৪ জনকে হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে। স্থানীয় সময় বুধবার দিবাগত রাত ১টার দিকে রাজধানী মালের মাফান্নু এলাকায় অগ্নিকাণ্ডে এ হতাহতের ঘটনা ঘটে। মালদ্বীপ সময় সকাল ১১টা পর্যন্ত পাওয়া খবরে এ তথ্য জানা গেছে। অগ্নিকাণ্ডে যারা মারা গেছে তাদের জাতীয়তা সম্পর্কে ফায়ার সার্ভিস কর্মকর্তাদের তথ্যমতে, ৯ জন ভারতীয় ও দু’জন বাংলাদেশি নারী শ্রমিক রয়েছেন। তবে এখনও আহত অনেকের পরিচয় নিশ্চিত করতে পারেননি ফায়ার সার্ভিসের কর্মকর্তারা। এ ঘটনায় গুরুতর আহত হয়ে হাসপাতালে চিকিৎসাধীন রয়েছেন অনেকেই। কর্তৃপক্ষ আশঙ্কা করছে যে মৃতের সংখ্যা আরও বাড়তে পারে। উল্লেখ্য, যে ভবনের নিচতলায় অগ্নিকাণ্ডের ঘটনা ঘটেছে সেই ভবনে অধিকাংশই ছিল বাংলাদেশি ও ভারতীয় নাগরিক। এদিকে, মালদ্বীপে বাংলাদেশের হাইকমিশনের প্রথম সচিব মোহাম্মদ সোহেল পারভেজ ও কল্যাণ সহকারী আল মামুন পাঠান, জসিম উদ্দিন ঘটনাস্থল ও মালদ্বীপের ইন্দিরা গান্ধী মেমোরিয়াল হাসপাতাল পরিদর্শন করেছেন। অগ্নিকাণ্ডে আহত হয়ে হাসপাতালে চিকিৎসাধীন পুরুষ শ্রমিকসহ আরও দুইজন রোগীর খোঁজ খবর নিয়েছেন।

post
এনআরবি বিশ্ব

কুয়েতে ভিসা জটিলতায় প্রতিনিয়ত বিপাকে প্রবাসী বাংলাদেশিরা

মধ্যপ্রাচ্যের মধ্যে গুরুত্বপূর্ণ শ্রমবাজার কুয়েত। দেশটিতে কাজের ধরন অনুযায়ী ভিসার ধরনেও রয়েছে ভিন্নতা ও আলাদা নিয়ম-কানুন। অথচ এসব বিষয়ে না জেনে দালালের খপ্পরে পড়ে কুয়েতে আসার পর বিপাকে পড়তে হচ্ছে বাংলাদেশি শ্রমিকদের। কুয়েতে অন্য দেশ থেকে ২০ নম্বর খাদেম (গৃহকর্মী) এবং ১৮ নম্বর (শোন কোম্পানি) দুই ধরনের ভিসায় শ্রমিকরা আসে। খাদেম ভিসার মধ্যে রয়েছে ড্রাইভার, বাবুর্চি ও গৃহকর্মের সহযোগী এই তিন ধরনের ভিসা। এসব শ্রমিক মালিকের অনুমতি নিয়ে অন্য বাসায় কিছু সময় কাজ করতে পারে। এছাড়া অভিজ্ঞতা থাকা সত্ত্বেও অন্য কোথাও ভালো সুযোগ-সুবিধা পেলে ভিসা পরিবর্তনে সুযোগ পান না খাদেম আকামাধারীরা।শোন ভিসা কয়েক ধরনের রয়েছে, এগুলোর মধ্যে মাজরা শোন ভিসা (বাগানের কৃষি কাজ), রায় গানাম শোন ভিসা (খামারের পশু-পাখি দেখাশোনা করা), মাসনা শোন ভিসা (বিভিন্ন ধরণের পণ্য উৎপাদনকারী কারখানার কাজ) রয়েছে। এছাড়া মাসুরা সাগীরা (ছোট কোম্পানি বা প্রতিষ্ঠান), আখুদ হুকুমা ভিসা পরিষ্কার-পরিচ্ছন্নতা কর্মীদের দেওয়া হয়। কোম্পানি লাইসেন্সের মাধ্যমে বিভিন্ন দেশ থেকে শ্রমিক নিয়ে আসে দেশটির বিভিন্ন অফিস, আদালত, শপিং মহল, রাস্তাঘাট, মসজিদ, শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে পরিষ্কার-পরিচ্ছন্নতার কাজে। সাধারণত আট ঘণ্টা ডিউটিতে ৭৫ দিনার বেতন, খাওয়া নিজের, থাকা মালিকের এমনটিই নিয়ম।এই কয়েক ধরনের ভিসায় বাংলাদেশি শ্রমিকরা এসে থাকেন। এসব ভিসায় আসা শ্রমিকরা কোম্পানির অনুমতি নিয়ে একই ভিসায় একই ধরনের অন্য আরেকটি কোম্পানিতে আকাম পরিবর্তন করতে পারেন। ভিন্ন ধরনের ভিন্ন কোম্পানিতে ভালো সুযোগ-সুবিধা থাকলেও ভিসা পরিবর্তন করা সুযোগ নেই। তবে ১৮ নম্বর শোন ভিসার মধ্যে আহালি নামে এক ধরনের ভিসা রয়েছে, এই ভিসায় আসা শ্রমিকরা নিজের পছন্দ মতো কাজ ও কোম্পানিতে আকামা পরিবর্তন করতে পারেন। ভিসাগুলো কয়েক হাত ঘুরে আসার ফলে বাংলাদেশিদের ভিসার মূল্য দিতে হয় ৬ লাখ টাকা থেকে ৮ লাখ টাকা পর্যন্ত। একই ভিসায় ভারত ও নেপালের শ্রমিকদের আসতে খরচ ১ লাখ থেকে দেড় লাখ টাকা পর্যন্ত। বর্তমানে দেশটিতে ২ লাখ ৫০ হাজারের মতো বাংলাদেশি শ্রমিক রয়েছে।শোন ভিসা নিয়ে দেশটিতে সাত বছর আগে আসা চট্টগ্রামের শাহজাহান বলেন, আমি মোবাইল মেরামতের কাজ জানি। দোকান বিক্রি করে দালালের মাধ্যমে ৮ লাখ টাকা দিয়ে ভিসা কিনি। দালাল বলেছিল আহালি ভিসা যেকোনো জায়গায় আকামা পরিবর্তন করতে পারব। আসার পরে দেখে ক্লিনিং কোম্পানিতে কাজ। এই কাজ ছাড়া অন্য কোম্পানিতে ভিসা পরিবর্তনে সুযোগ নেই। কোম্পানির ডিউটি শেষে একটি মোবাইল দোকানে পার্ট টাইম কাজ করি। আমার মতো অনেকেই করছে, যেটা স্থানীয় আইনে অবৈধ। চেকে ধরা পড়লে দেশে পাঠিয়ে দেওয়া হয়। কুয়েত প্রবাসী সমাজকর্মী মো. সাইফুল ইসলাম বলেন, আমি এক ল’ ফার্মে কাজ করা সুবাদে দেখেছি গত কয়েক বছরে দেশ থেকে অনেক শিক্ষিত বিভিন্ন কাজে দক্ষ তরুণরা শুধু ভিসা পরিবর্তন করার সুযোগ না থাকার কারণে তাদের দক্ষতা কাজে লাগাতে পারছেন না। যার ফলে অনেককেই দেখা যায় কোম্পানিতে ডবল ডিউটি করতে হচ্ছে, কিন্তু সেই পরিমাণ বেতন পাচ্ছে না। কেউ আবার দক্ষতা অনুযায়ী অন্য জায়গায় পার্ট টাইম কাজ করেন, যেটা স্থানীয় আইনে অবৈধ। নানামুখী ছাপে প্রবাসীরা হতাশায় ভুগে অসুস্থ হয়ে পড়েন। প্রবাসে যারা মারা যান তার বেশিভাগেরই স্ট্রোকে মৃত্যু।

post
এনআরবি বিশ্ব

দুবাইয়ে শেষ হলো প্রবাসী বাঙালিদের বইমেলা

সংযুক্ত আরব আমিরাতে দুবাইয়ে শেষ হলো প্রবাসী বাঙালির বইমেলা। মেলার শেষদিনে ছিল জমজমাট আয়োজন। আমিরাতে প্রবাসী বইপ্রেমীদের আনাগোনায় মুখর ছিলো তিনদিনব্যাপী বই মেলা। শিশু থেকে কিশোর-কিশোরীর কিংবা মধ্যবয়সী সবাই স্টলে স্টলে ঘুরে তাদের প্রিয় বইটি কিনেছেন। আমিরাতে বিভিন্ন প্রদেশ থেকে অনেকে পরিবারের সদস্য নিয়ে এসেছেন। তবে মেলায় শিশুদের উৎসাহ ছিল চোখে পড়ার মতো। মেলায় আসা ক্রেতা ও দর্শনার্থীরা বলেন, প্রবাসের মাটিতে এমন উদ্যোগ অত্যন্ত প্রশংসনীয়। এ ধরনের মেলা প্রতিবছরে করা দরকার। ছুটির দিন রবিবার ছিল মেলাল শেষ দিন। সরেজমিনে দুবাই বই মেলা ঘুরে দেখা গেছে, সকাল থেকে রাত পর্যন্ত বিভিন্ন বয়সের মানুষ এই বইমেলায় অংশ নিয়েছে। সকাল থেকে ভিড় কম থাকলেও বিকাল হতে মেলার শেষ ঘণ্টা পর্যন্ত মানুষের পদচারণায় মেলা মুখর হয়ে ওঠে। সেখান থেকে তারা বাংলা ও ইংরেজি ভাষার বিভিন্ন ধরনের বই কিনেছেন। বেলা ১১টা থেকে রাত ৮টা পর্যন্ত চলে বইমেলা। বঙ্গবন্ধু ফাউন্ডেশন ইউএই আহবায়ক মনছুর সবুর বলেন, ‘এমন বইমেলা প্রতি বছর হওয়া দরকার। ছোট পরিসরে এই বইমেলায় অংশ নিয়ে আমার অনেক ভালো লেগেছে। বই মানুষের নিঃস্বার্থ বন্ধু। প্রবাসের মাটিতে পরিবারের সদস্যদের সঙ্গে ছোটরাও এখানে বই কিনতে এসেছে। এমন উদ্যোগ বারবার করা দরকার।’ সমাপনী অনুষ্ঠানে মেলায় বাংলাদেশ প্রেসক্লাব (ইউএই) নেতৃবৃন্দের হাতে সম্মাননা স্মারক তুলে দেন কনসাল জেনারেল এ বি এম জামাল হোসেন। পরে মনোমুগ্ধকর সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠানের মধ্যে দিয়ে সমাপনী অনুষ্ঠান শেষ হয়।

post
এনআরবি বিশ্ব

ঢাকায় মা‌র্কিন দূতাবাসে ভিসা সেবা দি‌তে ‘সুপার ফ্রাইডে’

চল‌তি সপ্তাহের শেষ পর্যন্ত দুই শতা‌ধিক অ‌ভিবাসী‌কে ভিসা সেবা দি‌তে ‘সুপার ফ্রাইডে’ আয়োজন করেছে ঢাকায় মা‌র্কিন দূতাবাস। সোমবার (৭ ন‌ভেম্বর) এক ক্ষু‌দে বার্তায় এ তথ্য জা‌নি‌য়ে‌ছে মা‌র্কিন দূতাবাস।দূতাবাসের বার্তায় জানা‌নো হয়, চলতি সপ্তাহান্তে যুক্তরাষ্ট্র দূতাবাস ২০০শর বেশি অভিবাসী ভিসা আবেদনকারীকে সেবা দিতে ‘সুপার ফ্রাইডে’ আয়োজন করেছে। করোনা মহামারির পর সব কনস্যুলার পরিষেবা পুনরায় চালু হওয়ায় দূতাবাস সাক্ষাৎকারের জন্য অপেক্ষার সময় কমানোর জন্য বিশেষ প্রচেষ্টা নি‌য়ে‌ছে। ক‌রোনা মহামা‌রির পর চল‌তি বছ‌রের জুলাই মা‌সের মাঝামা‌ঝি‌তে অনভিবাসীদের ভিসা দেওয়ার প্রক্রিয়া ত্বরা‌ন্বিত কর‌তে শুক্রবার দূতাবাসে ‘সুপার ফ্রাইডে’ নামে বিশেষ এক কর্মদিবসের আয়োজন করা হয়। সে সময় অনভিবাসীর প্রায় ৬০০ শিক্ষার্থীর সাক্ষাৎকার নেওয়া হয়। ওই মা‌সের শে‌ষের দি‌কে আরেক‌টি সুপার ফ্রাইডে আয়োজন ক‌রে দূতাবাস।

post
এনআরবি বিশ্ব

করোনার সকল বিধিনিষেধ প্রত্যাহার করে নিয়েছে আরব আমিরাত

করোনাভাইরাস সংক্রান্ত সকল বিধিনিষেধ প্রত্যাহার করে নিয়েছে সংযুক্ত আরব আমিরাত (ইউএই)। এখন থেকে মাস্ক পরাসহ সামাজিক দূরত্ব মেনে চলার মতো বাধ্যবাধকতা আর থাকছে না মধ্যপ্রাচ্যের এই দেশটিতে। রোববার (৬ নভেম্বর) এক প্রতিবেদনে এই তথ্য জানিয়েছে সংবাদমাধ্যম খালিজ টাইমস এবং দ্য নিউজ ইন্টারন্যাশনাল। এদিকে সরকারি ঘোষণার পর সোমবার (৭ নভেম্বর) থেকেই আরব আমিরাতে নতুন এই নিয়ম কার্যকর হয়েছে।প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, রোববার কোভিড-১৯ সম্পর্কিত সকল বিধিনিষেধ এবং সতর্কতামূলক ব্যবস্থা তুলে নেওয়ার ঘোষণা দেয় সংযুক্ত আরব আমিরাত। এরপর স্থানীয় সময় সোমবার সকাল ৬টা থেকেই দেশটিতে নতুন এই নির্দেশনা কার্যকর হয়। এতে করে মাস্ক পরাসহ সামাজিক দূরত্ব মেনে চলার বিষয়ে এতোদিনের বাধ্যবাধকতা এখন শিথিল হলো। সংযুক্ত আরব আমিরাতের সরকার ঘোষণা করেছে, মসজিদ, উপাসনালয়, উন্মুক্ত জায়গা এবং আবদ্ধ স্থানগুলোতে এখন থেকে ফেসমাস্ক পরা ঐচ্ছিক বলে বিবেচিত হবে। অর্থাৎ কেউ চাইলে মাস্ক পরতে পারেন, আবার না পরলেও সরকারিভাবে কোনো বাধ্যবাধকতা নেই। তবে, হাসপাতাল এবং স্বাস্থ্য বিষয়ক কেন্দ্রগুলোতে বাধ্যতামূলকভাবে মাস্ক পরিধান করতে হবে।সংবাদমাধ্যম বলছে, কোভিড-১৯ নিষেধাজ্ঞা তুলে নেওয়ার পর এখন থেকে সরকারি স্থাপনা এবং সরকারি অফিসে প্রবেশের জন্য আর গ্রিন পাসের প্রয়োজন হবে না। উল্লেখ্য, বৈশ্বিক বাণিজ্যের অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ কেন্দ্র সংযুক্ত আরব আমিরাতের আয়তন ৮৩ হাজার ৬০০ বর্গকিলোমিটার। ২০২০ সালে করোনা মহামারি শুরুর পর বিশ্বের অন্যান্য দেশের মতো এই দেশটিতেও নানা বিধিনিষেধ জারি করা হয়।

post
এনআরবি বিশ্ব

ভারতে বাংলাদেশি নাগরিকদের অবৈধভাবে বসবাসের বিষয়ে সতর্কতা জারি

ভারতে বাংলাদেশি নাগরিকদের অবৈধভাবে বসবাসের বিষয়ে সতর্কতা জারি করেছে দেশটির কেন্দ্রীয় সরকার। রোববার (৬ নভেম্বর) দেশটির ক্ষমতাসীন নরেন্দ্র মোদির বিজেপি সরকারের এই সতর্কতা জারির খবরটি প্রকাশ হয়।এতে বলা হয়েছে, ভারতে অবৈধভাবে বসবাসরত বাংলাদেশিরা চাকরি, পাসপোর্ট পেতে ভুয়া পরিচয়পত্র দিয়ে প্রাপ্ত নথি ব্যবহার করছেন। রোববার এক প্রতিবেদনে এই তথ্য জানিয়েছে ভারতীয় সংবাদমাধ্যম দ্য হিন্দু। পুলিশ সূত্রের বরাত দিয়ে প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, সতর্কতা জারি করে রাজ্য/কেন্দ্রশাসিত অঞ্চলের ডিরেক্টর জেনারেল অব পুলিশকে বলা হয়েছে, অবৈধ অভিবাসীরা যারা পশ্চিমবঙ্গের বাংলাদেশ সীমান্ত দিয়ে ভারতে প্রবেশ করে লুকিয়ে লুকিয়ে দেশজুড়ে বসতি স্থাপন করেছে, তাদের বিরুদ্ধে যথাযথ ব্যবস্থা নিতে হবে। দ্য হিন্দু বলছে, নিরাপত্তা সংস্থাগুলোকে পশ্চিমবঙ্গ রাজ্যের স্থানীয় লোকজন এবং এজেন্টদের একটি শক্তিশালী নেটওয়ার্ক সম্পর্কে জানানো হয়েছে। নিজেদের মধ্যে অত্যন্ত মজবুতভাবে সম্পৃক্ত ওই নেটওয়ার্কটি বিদেশি (বাংলাদেশি) নাগরিকদের প্রবেশ, জাল ঠিকানা ও পরিচয় ইত্যাদির সাহায্যে আসল নথি পেতে সহায়তা করে থাকে। এছাড়া ভারতে প্রবেশের পর অবৈধ অভিবাসীদের যারা প্রাথমিকভাবে আধার কার্ড হাতে পান তারা কর্মসংস্থানের জন্য ভারতের বিভিন্ন স্থানে চলে যান এবং সেখানে বসতি স্থাপন করেন। কেউ কেউ ঠিকানা বা পরিচয়ের অন্যান্য প্রমাণ যেমন ব্যাংকের পাসবই, ভোটার পরিচয়পত্র এবং প্যান কার্ড পেতেও সক্ষম হয়েছেন বলে সূত্র জানিয়েছে। ভারতের সিনিয়র একজন পুলিশ কর্মকর্তা দ্য হিন্দুকে বলেছেন, ‘ভারতে প্রবেশের পর এই ধরনের নথিগুলো অবৈধ বিদেশিদের কোনো এক প্রদত্ত ঠিকানায় জাল পরিচয় প্রতিষ্ঠা করতে এবং চাকরি পেতে সহায়তা করে। বিদেশ ভ্রমণে পাসপোর্ট পেতে অনেকেই এগুলো ব্যবহার করছেন। যেহেতু পাসপোর্টসহ এই ধরনের নথিগুলো উপযুক্ত কর্তৃপক্ষের মাধ্যমে প্রদান করা হয়, তাই অভিযুক্ত ব্যক্তিরা সন্দেহ বা ধরা পড়া ছাড়াই ভ্রমণ করেন।’ সম্প্রতি জারি করা ভারতের মোদি সরকারের সতর্কতায় বলা হয়েছে, পশ্চিমবঙ্গের কিছু স্থানীয় বাসিন্দা জালিয়াতি করে প্রাপ্ত ভারতীয় পরিচয় নথি, বিশেষ করে আধার কার্ড প্রদান করে এসব কাজে এজেন্ট হিসাবে কাজ করছে। ভারতীয় নাগরিক হিসাবে জাহির করা বিদেশিরা ভারতজুড়ে বিভিন্ন উদ্দেশ্যে এসব নথি ব্যবহার করছে ইঙ্গিত দিয়ে ওই পুলিশ কর্মকর্তা আরও বলেছেন, অভিযুক্ত বিদেশি নাগরিকরা তামিলনাড়ু, কেরালা এবং কর্ণাটকসহ বেশ কয়েকটি রাজ্যে বসতি স্থাপন করছেন। সতর্কতা জারি হওয়ার কয়েকদিন পর ১৯৫৫ সালের আইনে বাংলাদেশি সংখ্যালঘুদের নাগরিকত্ব দেওয়ার ঘোষণা দেয় ভারত। মূলত দেশটির পশ্চিমাঞ্চলীয় রাজ্য গুজরাটের দুই জেলায় বসবাসকারী বাংলাদেশি সংখ্যালঘুরা এই ঘোষণার আওতায় নাগরিকত্ব পাবেন। একইভাবে পাকিস্তান ও আফগানিস্তান থেকে যাওয়া হিন্দু, শিখ, বৌদ্ধ, জৈন, পার্সি ও খ্রিস্টানসহ ধর্মীয় সংখ্যালঘুদেরও নাগরিকত্ব দেওয়া হবে জানায় ভারতের স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়। অবশ্য কয়েক বছর আগে ভারতের দক্ষিণাঞ্চলীয় রাজ্য তামিলনাড়ুর পুলিশ বাংলাদেশি নাগরিকদের বিরুদ্ধে অভিযান শুরু করেছিল। মূলত পশ্চিমবঙ্গের স্থানীয় বাসিন্দা হিসাবে নথি থাকা এসব বাংলাদেশিরা তামিলনাড়ুর বিভিন্ন জেলায় বসতি স্থাপন করেছিল এবং নির্মাণ, আতিথেয়তা এবং টেক্সটাইল শিল্পে চাকরি নিয়েছিল। সেসময় কয়েকজনকে ফরেনার্স অ্যাক্টের ধারায় গ্রেপ্তার করে কারাগারে রাখা হয়। এই ধরনের সন্দেহভাজনদের বেশিরভাগই তিরুপুর, চেঙ্গলপাট্টু, ইরোড, কুদ্দালোর এবং কাঞ্চিপুরম জেলায় বসতি স্থাপন করেছিলেন বলে জানায় দ্য হিন্দু। এছাড়া করোনা মহামারির লকডাউনের সময় কয়েক লাখ অভিবাসী ভারতীয় শ্রমিক তাদের নিজ নিজ রাজ্যের উদ্দেশে রওনা হলেও সেসময় বাংলাদেশি শ্রমিকরা তামিলনাড়ুতেই থেকে যান। তাদের মধ্যে কেউ কেউ মহামারির সময়কালে মাদক ব্যবসার মতো কার্যকলাপে লিপ্ত ছিলেন বলেও বেশ কয়েকটি সূত্র দাবি করেছে।

post
এনআরবি বিশ্ব

মিশিগানের ডেট্রয়েট বাংলাটাউন নামফলকে কালো কালি লেপন,ক্ষোভ প্রবাসীদের

মিশিগানের ডেট্রয়েট বাংলাটাউন নামফলকে কালো কালি লেপন করে দিয়েছে দুর্বৃত্তরা। এ ঘটনায় বাংলাদেশি প্রবাসীদের মাঝে ব্যাপক ক্ষোভের সৃষ্টি হয়েছে। নিন্দার ঝড় বইছে সোশ্যাল মিডিয়ায়। প্রবাসীরা এ ঘটনায় জড়িতদের খুঁজে বের করে দৃষ্টান্তমূলক শাস্তি দেওয়ার দাবি জানিয়েছেন প্রশাসনের কাছে। এদিকে দুর্বৃত্তদের চিহ্নিত করতে ডেট্রয়েট সিটি পুলিশ তদন্তে নেমেছে।শনিবার (৫ নভেম্বর) বিকেলে বিষয়টি স্থানীয় প্রবাসীদের নজরে আসে। তাদের ধারণা, শুক্রবার দিবাগত রাতের যেকোনো সময়ে দুর্বৃত্তরা এ ঘটনা ঘটিয়েছে।বাংলাটাউন নামফলকের দুই পাশে কালো রং দিয়ে লেপন করে দেওয়ায় ফলকটি শ্রীহীন হয়ে পড়েছে। ডেট্রয়েট সিটি পুলিশকে ঘটনার তদন্তের জন্য সরেজমিন পরিদর্শন করতে দেখা গেছে। বাংলাদেশের জাতীয় স্মৃতিসৌধ এবং আমেরিকা ও বাংলাদেশের জাতীয় পতাকা খচিত বাংলাটাউন এই ফলকটি নির্মাণ করে বাংলাদেশি আমেরিকান পাবলিক অ্যাফেয়ার্স। ২০১৭ সালের ২০ অক্টোবর ডেট্রয়েট সিটির মেয়র মাইক ডোগান আনুষ্ঠানিকভাবে এর উদ্বোধন করেন। এর আগে ২০১৫ সালে ৬ নভেম্বর মিশিগান স্টেটের তৎকালীন গভর্নর রিক স্নাইডার এই এলাকাকে আনুষ্ঠানিকভাবে বাংলাটাউন স্বীকৃতি প্রদান করেন।ডেট্রয়েট-হ্যামট্রাম্যাক শহরের প্রবেশমুখের কনান্টে দৃষ্টিনন্দন বাংলাটাউন ফলকটি বাংলাদেশিসহ অন্যদেশের মানুষের দৃষ্টি আকর্ষণ করে আসছে। বাংলাদেশি ঐতিহ্য বহন করে আসা এই ফলকটি মিশিগানে বেড়াতে আসা বাংলাদেশি পর্যটকদের কাছে খুবই আকর্ষণীয় স্পট।

post
এনআরবি বিশ্ব

বাংলাদেশে বিমান যাত্রীর ব্যাগ থেকে আড়াই লাখ দিরহাম উদ্ধার

চট্টগ্রামে শাহ আমানত আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে মোহাম্মদ আলী নামের শারজাহগামী এক যাত্রীর ব্যাগে তল্লাশি চালিয়ে ২ লাখ ৫১ হাজার ৭৯০ দিরহাম ও ৬টি মোবাইল ফোন উদ্ধার করেছে শুল্ক গোয়েন্দা ও তদন্ত অধিদপ্তর।বাংলাদেশি টাকায় উদ্ধারকৃত দিরহামের মূল্যমান ৭৩ লাখ টাকার বেশি।শুল্ক গোয়েন্দা ও তদন্ত অধিদপ্তরের অতিরিক্ত মহাপরিচালক বশীর আহমেদ দ্য ডেইলি স্টারকে বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন।আজ শুক্রবার সকালে মোহাম্মদ আলীর এয়ার অ্যারাবিয়ার একটি ফ্লাইটে চড়ে শারজাহ যাওয়ার কথা ছিল।শুল্ক গোয়েন্দাদের ধারণা, আটক মোহাম্মদ আলী কোনো আন্তর্জাতিক মুদ্রা পাচার দলের সদস্য। কারণ হিসেবে তারা জানান, ২০১৮ সালের মার্চে পাসপোর্ট ইস্যু হওয়ার পর থেকে তিনি মোট ৬টি আন্তর্জাতিক রুটে চলাচল করেছেন।

post
এনআরবি বিশ্ব

দুবাইয়ে তিন দিনব্যাপী বইমেলা শুরু ৪ নভেম্বর

সংযুক্ত আরব আমিরাতের দুবাই শহরে প্রথমবারের মত শুরু হতে যাচ্ছে বইমেলা ও বঙ্গসাংস্কৃতি উৎসব। মেলার সার্বিক প্রস্তুতি সম্পন্ন করেছে বাংলাদেশ কনস্যুলেট দুবাই। তিন দিনব্যাপি বইমেলা শুরু হচ্ছে শুক্রবার (৪ নভেম্বর)। ইতোমধ্যেই মেলার প্রস্তুতি শেষ হয়েছে বলে জানা গেছে।প্রবাসীদের নিয়ে প্রথমবারের মত আয়োজিত এই বইমেলা ইতিমধ্যে ব্যাপক সাড়া ফেলেছে। মেলায় ঢাকা থেকে যোগ দিচ্ছে ৩০টি প্রসিদ্ধ প্রকাশনা সংস্থা। প্রবাসে অবস্থানরত কবি-সাহিত্যিকদের মানসম্মত বই যাচাই বাছাই করে মেলায় উপস্থাপনের জন্য জায়গা করে দেওয়া হচ্ছে। আগামী ৪, ৫, ও ৬ নভেম্বর আরব আমিরাতের দুবাইতে বাংলাদেশ কনস্যুলেট প্রাঙ্গনে বইমেলা ও বঙ্গসাংস্কৃতি উৎসব অনুষ্ঠিত হবে। এই বইমেলা নিয়ে বাংলাদেশের বইপাড়ায়ও শুরু হয়েছে তোরজোড়। মেলায় যেখানে ৫০টি স্টল বরাদ্দ রাখার কথা ছিল সেখানে চাহিদার কারণে স্টল সংখ্যা দাঁড়িয়েছে এখন ৭৩টি। মেলাটি দুবাইয়ে অনুষ্ঠিত হওয়ার কারণে আন্তর্জাতিক কবি-সাহিত্যিকদের মিলন মেলায় পরিণত হওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে বলে জানান সংশ্লিষ্টরা। ইতিমধ্যে মেলার প্রায় সকল প্রস্তুতি সম্পন্ন হয়েছে। বৈচিত্রতা নিয়ে আসার জন্য একটি সৃজনশীল টিম অবিরাম কাজ করে যাচ্ছে। সাংস্কৃতিক আয়োজনকে মনমুগ্ধ করে তোলার জন্য বাংলাদেশি ও পশ্চিম বাংলার শিল্পীরা ব্যাপক প্রস্তুতি নিয়েছেন। কনস্যুলেট সুত্রে জানা যায়, উদ্বোধনী অনুষ্ঠান বর্ণাঢ্য করে তোলার জন্য বইমেলা ছাড়াও আরও বিভিন্ন কর্মসূচি গ্রহণ করেছে বাংলাদেশ কনস্যুলেট দুবাই। এই দিন মেলায় প্রধান অতিথি থাকবেন বাংলাদেশ সরকারের শিক্ষা উপমন্ত্রী মহিবুল হাসান চৌধুরী এমপি। মেলা উদ্বোধন করবেন প্রখ্যাত কবি ও প্রধানমন্ত্রীর সাবেক মুখ্য সচিব কবি কামাল আব্দুল নাসের চৌধুরী। সম্মানিত অতিথি হিসেবে থাকবেন বাংলা একাডেমির মহাপরিচালক কবি মোহাম্মদ নুরুল হুদা। অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করবেন আমিরাতে নিযুক্ত বাংলাদেশের রাষ্ট্রদূত আবু জাফর। সার্বিক বিষয়ে বি এম জামাল হোসেন বলেন, কনস্যুলেট প্রাঙ্গণে এই প্রথম তিন দিনব্যাপি বইমেলার আয়োজন করা হচ্ছে। বস্তুত, আমাদের উদ্দেশ্য মানসম্পন্ন লেখক তৈরি করা এবং পাঠক আগ্রহ সৃষ্টি করা। আমরা ইতোমধ্যে প্রবাসীদের থেকে সন্তোষজনক সাড়া পেয়েছি। বাংলাদেশ বইমেলা স্থায়ী প্রবর্ত্তন করা এবং আগামীতে এই মেলায় পরিসর আরও বাড়ানোর ও প্রতি বছর নভেম্বর করার পরিকল্পনা রয়েছে। প্রস্তুতির বিষয়ে তিনি বলেন, ইতোমধ্যে সকল প্রস্তুতি সম্পন্ন হয়েছে। প্রস্তুতি সন্তোষজনক। সবকিছু ঠিক থাকলে কাল যথাসময়ে মেলার উদ্বোধন হবে। প্রেসক্লবা ইউএই সভাপতি শিবলী সাদিক বলেন, সংযুক্ত আরব আমিরাতে বাংলাদেশ কনস্যুলেট প্রাঙ্গণে বইমেলা প্রবাসীদের জন্য এক নতুন বার্তা। এই বইমেলার মধ্য দিয়ে বাংলাদেশের ইতিহাস, ঐতিহ্য, সংস্কৃতি, মুক্তিযুদ্ধের ইতিহাসসহ নানা কিছু বহিঃবিশ্বে ছড়িয়ে পড়বে। প্রবাসী বাংলাদেশিদের মধ্যে প্রকাশ পাবে সৃজনশীলতা। বিনিময় হবে একাধিক দেশের সংস্কৃতি। তিনি আরও বলেন, বাঙালি বা বাংলাদেশি সংস্কৃতির বর্ণাঢ্য ইতিহাস প্রসঙ্গে জানতে পারবে বিশ্বের বিভিন্ন দেশের লোকজন। বাংলাদেশ এবং বাংলা ভাষার প্রতি প্রবাসী শিক্ষার্থীদের আগ্রহ বাড়বে। সংযুক্ত আরব আমিরাতবাসীর মধ্যে সৃষ্টি হবে বাংলাদেশ প্রসঙ্গে ইতিবাচক দৃষ্টিভঙ্গি। আমাদের প্রত্যাশা এই বইমেলা সফল হোক, সাথে আমাদের ভাবমূর্তিও উজ্জ্বল হোক।

post
এনআরবি বিশ্ব

দুবাইয়ে তিন দিনব্যাপি বইমেলা শুরু হচ্ছে কাল

সংযুক্ত আরব আমিরাতের দুবাই শহরে প্রথমবারের মত শুরু হতে যাচ্ছে বইমেলা ও বঙ্গসাংস্কৃতি উৎসব। মেলার সার্বিক প্রস্তুতি সম্পন্ন করেছে বাংলাদেশ কনস্যুলেট দুবাই। তিন দিনব্যাপি বইমেলা শুরু হচ্ছে শুক্রবার (৪ নভেম্বর)। ইতোমধ্যেই মেলার প্রস্তুতি শেষ হয়েছে বলে জানা গেছে। প্রবাসীদের নিয়ে প্রথমবারের মত আয়োজিত এই বইমেলা ইতিমধ্যে ব্যাপক সাড়া ফেলেছে। মেলায় ঢাকা থেকে যোগ দিচ্ছে ৩০টি প্রসিদ্ধ প্রকাশনা সংস্থা। প্রবাসে অবস্থানরত কবি-সাহিত্যিকদের মানসম্মত বই যাচাই বাছাই করে মেলায় উপস্থাপনের জন্য জায়গা করে দেওয়া হচ্ছে। আগামী ৪, ৫, ও ৬ নভেম্বর আরব আমিরাতের দুবাইতে বাংলাদেশ কনস্যুলেট প্রাঙ্গনে বইমেলা ও বঙ্গসাংস্কৃতি উৎসব অনুষ্ঠিত হবে। এই বইমেলা নিয়ে বাংলাদেশের বইপাড়ায়ও শুরু হয়েছে তোরজোড়। মেলায় যেখানে ৫০টি স্টল বরাদ্দ রাখার কথা ছিল সেখানে চাহিদার কারণে স্টল সংখ্যা দাঁড়িয়েছে এখন ৭৩টি। মেলাটি দুবাইয়ে অনুষ্ঠিত হওয়ার কারণে আন্তর্জাতিক কবি-সাহিত্যিকদের মিলন মেলায় পরিণত হওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে বলে জানান সংশ্লিষ্টরা। ইতিমধ্যে মেলার প্রায় সকল প্রস্তুতি সম্পন্ন হয়েছে। বৈচিত্রতা নিয়ে আসার জন্য একটি সৃজনশীল টিম অবিরাম কাজ করে যাচ্ছে। সাংস্কৃতিক আয়োজনকে মনমুগ্ধ করে তোলার জন্য বাংলাদেশি ও পশ্চিম বাংলার শিল্পীরা ব্যাপক প্রস্তুতি নিয়েছেন। কনস্যুলেট সুত্রে জানা যায়, উদ্বোধনী অনুষ্ঠান বর্ণাঢ্য করে তোলার জন্য বইমেলা ছাড়াও আরও বিভিন্ন কর্মসূচি গ্রহণ করেছে বাংলাদেশ কনস্যুলেট দুবাই। এই দিন মেলায় প্রধান অতিথি থাকবেন বাংলাদেশ সরকারের শিক্ষা উপমন্ত্রী মহিবুল হাসান চৌধুরী এমপি। মেলা উদ্বোধন করবেন প্রখ্যাত কবি ও প্রধানমন্ত্রীর সাবেক মুখ্য সচিব কবি কামাল আব্দুল নাসের চৌধুরী। সম্মানিত অতিথি হিসেবে থাকবেন বাংলা একাডেমির মহাপরিচালক কবি মোহাম্মদ নুরুল হুদা। অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করবেন আমিরাতে নিযুক্ত বাংলাদেশের রাষ্ট্রদূত আবু জাফর। সার্বিক বিষয়ে বি এম জামাল হোসেন বলেন, কনস্যুলেট প্রাঙ্গণে এই প্রথম তিন দিনব্যাপি বইমেলার আয়োজন করা হচ্ছে। বস্তুত, আমাদের উদ্দেশ্য মানসম্পন্ন লেখক তৈরি করা এবং পাঠক আগ্রহ সৃষ্টি করা। আমরা ইতোমধ্যে প্রবাসীদের থেকে সন্তোষজনক সাড়া পেয়েছি। বাংলাদেশ বইমেলা স্থায়ী প্রবর্ত্তন করা এবং আগামীতে এই মেলায় পরিসর আরও বাড়ানোর ও প্রতি বছর নভেম্বর করার পরিকল্পনা রয়েছে। প্রস্তুতির বিষয়ে তিনি বলেন, ইতোমধ্যে সকল প্রস্তুতি সম্পন্ন হয়েছে। প্রস্তুতি সন্তোষজনক। সবকিছু ঠিক থাকলে কাল যথাসময়ে মেলার উদ্বোধন হবে। প্রেসক্লবা ইউএই সভাপতি শিবলী সাদিক বলেন, সংযুক্ত আরব আমিরাতে বাংলাদেশ কনস্যুলেট প্রাঙ্গণে বইমেলা প্রবাসীদের জন্য এক নতুন বার্তা। এই বইমেলার মধ্য দিয়ে বাংলাদেশের ইতিহাস, ঐতিহ্য, সংস্কৃতি, মুক্তিযুদ্ধের ইতিহাসসহ নানা কিছু বহিঃবিশ্বে ছড়িয়ে পড়বে। প্রবাসী বাংলাদেশিদের মধ্যে প্রকাশ পাবে সৃজনশীলতা। বিনিময় হবে একাধিক দেশের সংস্কৃতি। তিনি আরও বলেন, বাঙালি বা বাংলাদেশি সংস্কৃতির বর্ণাঢ্য ইতিহাস প্রসঙ্গে জানতে পারবে বিশ্বের বিভিন্ন দেশের লোকজন। বাংলাদেশ এবং বাংলা ভাষার প্রতি প্রবাসী শিক্ষার্থীদের আগ্রহ বাড়বে। সংযুক্ত আরব আমিরাতবাসীর মধ্যে সৃষ্টি হবে বাংলাদেশ প্রসঙ্গে ইতিবাচক দৃষ্টিভঙ্গি। আমাদের প্রত্যাশা এই বইমেলা সফল হোক, সাথে আমাদের ভাবমূর্তিও উজ্জ্বল হোক।

About Us

NRBC is an open news and tele video entertainment platform for non-residential Bengali network across the globe with no-business vision just to deliver news to the Bengali community.