post
এনআরবি বিশ্ব

মালয়েশিয়ায় অবৈধ অভিবাসীদের বৈধকরণ প্রক্রিয়া শুরু

মালয়েশিয়ায় অবৈধ অভিবাসী শ্রমিকদের বৈধকরণ প্রক্রিয়া শুরু হয়েছে। দেড় হাজার রিঙ্গিত দিয়ে এই কর্মসূচিতে অংশ নিতে পারবেন অবৈধ হয়ে পড়া প্রবাসীরা। শুক্রবার (২৭ জানুয়ারি) থেকে শুরু হওয়া এ কার্যক্রম চলবে পুরো বছর। তবে কালো তালিকাভুক্তরা রিক্যালিব্রেশন বৈধতার প্রোগ্রামে অংশ নিতে পারবেন না। ইমিগ্রেশন বিভাগের এক নোটিশে এ তথ্য জানানো হয়েছে।এর আগে গত ১০ জানুয়ারি মালয়েশিয়ার প্রধানমন্ত্রী আনোয়ার ইব্রাহিম মন্ত্রিপরিষদ বৈঠকে ২০২৩ সালের ডিসেম্বর পর্যন্ত ম্যান পাওয়ার রিক্যালিব্রেশন প্রোগ্রামের (এমআরপি) জন্য বিশেষভাবে অবৈধ অভিবাসীদের রিক্যালিব্রেশন প্ল্যান দুই দশমিক শূন্য (আইআইআরপি) বাস্তবায়নের সিদ্ধান্ত নেন। ওইদিন স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সাইফুদ্দিন নাসুশন ইসমাইল অনথিভুক্ত বিদেশি শ্রমিকদের বৈধকরণের রিক্যালিব্রেশন প্রোগ্রামের ঘোষণা দেন।পরে গত ১৮ জানুয়ারি দেশটির ইমিগ্রেশন মহাপরিচালক খায়রুল জাইমি দাউদ এক বিবৃতিতে ‘লেবার রিক্যালিব্রেশন প্রোগ্রাম (আরটিকে) দুই দশমিক শূন্য এর মাধ্যমে বিদেশি কর্মীদের বৈধতা দেওয়ার ঘোষণা দেন।ওই ঘোষণার আলোকে শুক্রবার (২৭ জানুয়ারি) থেকে আরটিকে দুই দশমিক শূন্য এর মাধ্যমে বিদেশি কর্মী নিয়োগের কার্যক্রম শুরু হয়েছে।

post
এনআরবি বিশ্ব

মালয়েশিয়ায় প্রবাসী বাংলাদেশিদের সহজ প্রক্রিয়ায় বৈধ করার আশ্বাস

মালয়েশিয়ার স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সাইফুদ্দিন নাসুসন ইসমাইলের সঙ্গে বৈঠক করেছেন, দেশটিতে নিযুক্ত বাংলাদেশের হাইকমিশনার মো. গোলাম সারোয়ার। ২৫ জানুয়ারি স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীর কার্যালয়ে এ বৈঠক অনুষ্ঠিত হয়। এ সময় তার সঙ্গে ছিলেন, মিনিস্টার শ্রম মো. নাজমুছ সাদাত সেলিম, প্রতিরক্ষা উপদেষ্টা কমডোর মো. হাসান তারিক মন্ডল ও কাউন্সিলর রাজনৈতিক ফারহানা আহমেদ চৌধুরী। এছাড়া মালয়েশিয়ার অভিবাসন বিভাগের মহাপরিচালক খায়রুল জাইমি দাউদসহ স্বরাষ্ট্র মন্ত্রলালয়ের ঊর্ধ্বতন কর্মকতারা বৈঠকে ছিলেন।বৈঠকে বাংলাদেশ এবং মালয়েশিয়ার মধ্যকার দ্বিপাক্ষিক সম্পর্কের বিভিন্ন দিক নিয়ে আলোচনা করেন। স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী, বাংলাদেশ সফরকে ঘিরে তার আগ্রহের কথা ব্যক্ত করেন। হাই কমিশনার বাংলাদেশে তার এই গুরুত্বপূর্ণ সফরকে আন্তরিকভাবে স্বাগত জানান এবং সফরটির বিভিন্ন দিক নিয়ে আলোচনা করেন।এছাড়াও, স্বল্প সময়ে এবং স্বল্প ব্যয়ে আরও বেশি সংখ্যক বাংলাদেশি জনশক্তি নিয়োগের ক্ষেত্রে দু’পক্ষের আন্তরিক প্রচেষ্টার বিষয়ে মতবিনিময় করেন।হাই কমিশনার মালয়েশিয়ায় বসবাসরত অনথিভুক্ত বাংলাদেশিদের যেন রিক্যালিব্রেশনের আওতায় সহজ প্রক্রিয়ায় বৈধ করা হয় সে বিষয়ে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীকে অনুরোধ করেন। প্রত্যুত্তরে, স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী বিষয়টি সহানভূতির সঙ্গে বিবেচনার আশ্বাস দেন।মালয়েশিয়ার নবনিযুক্ত স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীর আগামী ফেব্রুয়ারি মাসে বাংলাদেশ সফর স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী হিসাবে দায়িত্বভার গ্রহণের পর তার প্রথম বিদেশ সফর বিধায় সফরটি দু’দেশের জন্যই তাৎপর্যপূর্ণ।

post
এনআরবি বিশ্ব

সৌদি আরবে সড়ক দুর্ঘটনায় প্রবাসী বাংলাদেশির মৃত্যু

সৌদি আরবে সড়ক দুর্ঘটনায় মো. আরিফুল ইসলাম আরিফ (৫০) নামে এক প্রবাসী বাংলাদেশি নিহত হয়েছেন। রবিবার সন্ধ্যায় সৌদি আরবের রাজধানী রিয়াদ শহরে এ দুর্ঘটনা ঘটে।আরিফুল ইসলামের বাড়ি চাঁদপুরের হাজীগঞ্জ উপজেলার হাটিলা পূর্ব ইউনিয়নের পশ্চিম হাটিলা গ্রামে। তার বাবার নাম মোবারক হোসেন। প্রতিবেশী প্রবাসীদের সূত্রে জানা যায়, রোববার মাগরিবের নামাজ পড়ে নিজ বাসায় ফেরার পথে রাস্তা পার হতে গিয়ে দ্রুতগামী গাড়ির ধাক্কায় ঘটনাস্থলেই তিনি নিহত হন। মরদেহ স্থানীয় হাসপাতালের মর্গে রাখা হয়েছে। পারিবারিক সূত্রে জানা গেছে, তিনি দীর্ঘদিন রিয়াদ শহরে চাকরি করতেন। সেখানে আরিফ হাজি নামে পরিচিত ছিলেন। তার ইকামা (কাজের অনুমতিপত্র) না থাকায় মরদেহ দেশে আনতে জটিলতা হতে পারে বলে জানিয়েছেন পরিবার।সরকারের সহায়তা চেয়ে আরিফুলের ছেলে আকরাম মামুন বলেন, '১ মাস আগে বাবার ইকামার মেয়াদ শেষ হয়ে যাওয়ায় তিনি সেখানে অবৈধভাবে ছিলেন। এর মধ্যে তিনি ইকামার জন্য কাগজপত্র জমা দিয়েছেন। কিন্তু তার আগেই সড়ক দুর্ঘটনায় মারা যান।' তিনি আরও বলেন, 'ইকামার মেয়াদ না থাকায় বাবার মরদেহ দেশে আনা অনেকটা অসম্ভব। সম্ভব না হলে সেখানেই বাবাকে দাফন করা হবে।

post
এনআরবি বিশ্ব

মালদ্বীপে ব্রেইন স্ট্রোক করে এক প্রবাসী বাংলাদেশির মৃত্যু

মালদ্বীপে ব্রেইন স্ট্রোক করে আবদুল খালেক সিদ্দিক (৪৬) নামে এক বাংলাদেশির মৃত্যু হয়েছে। বৃহস্পতিবার (১৯ জানুয়ারি) দেশটির তিনাধু আইল্যান্ডে চিকিৎসাধীন অবস্থায় মারা যান। জানা গেছে, ওইদিন রাতে তিনি ব্রেইন স্ট্রোক করলে সহকর্মীদের সহযোগিতায় প্রাথমিক চিকিৎসা দেওয়া হয়। তিনি আবার অসুস্থ হয়ে পড়লে দ্রুত হাসপাতালে নেওয়া হয়। অবস্থা গুরতর হলে কর্তব্যরত চিকিৎসক সি-প্লেনে করে পার্শ্ববর্তী তিনাধু আইল্যান্ডে পাঠিয়ে দেন, সেখানেই তার মৃত্যু হয়।তিনাধু আইল্যান্ডে আবারও রক্তক্ষরণে নিস্তেজ হয়ে নুইয়ে পড়েন আব্দুল খালেক সিদ্দিক। এরপর দ্রুত তাকে আইসিইউতে নেওয়া হয়। আজ চিকিৎসাধীন অবস্থায় ভোর ৬টার দিকে শেষনিঃশ্বাস ত্যাগ করেন তিনি। মালদ্বীপ থেকে তার ভাগিনা নিজাম উদ্দিন জানান, কিছু দিন থেকে তার ফুপা বলছেন ছুটিতে দেশে যাবেন। তার ফুপা ওই আইল্যান্ডের একটি আবাসিক হোটেলের রুমে কাজ করতেন। গতকাল ফুপা অসুস্থতার কথা জানান। আজ কাগজপত্র নিয়ে বাংলাদেশ হাইকমিশন অফিসে যাবেন বলে জানিয়েছেন নিজাম উদ্দিন।আবদুল খালেকের দেশের বাড়ি হবিগঞ্জের লাখায়ল উপজেলার বাদাখারা গ্রামে। মরহুমের বাড়িতে যোগাযোগ করা হলে তার নিকটাত্মীয় আকতার হোসেন ও ছোট ভাই আবদুল হামিদ ভাইয়ের মরদেহ হাই কমিশনারের সহযোগিতায় দেশে পাঠানোর জন্য অনুরোধ করেন। এ বিষয়ে মালদ্বীপের বাংলাদেশ হাইকমিশনের কাউন্সেলর (শ্রম) মো. সোহেল পারভেজ জানান, খালেকের পরিবারের সম্মতিতে মরদেহ মালদ্বীপে দাফন করা হবে। তিনি যেখানে কাজ করতেন সেখান থেকে পরিবারকে আর্থিক সহায়তার বিষয়ে চেষ্টা চলমান রয়েছে বলেও জানান তিনি। বর্তমানে আবদুল খালেকের মরদেহ মালদ্বীপের তিনাধু আইল্যান্ডের মর্গে রাখা হয়েছে। খালেকের মৃত্যুতে মালদ্বীপ প্রবাসীরা মৃতের আত্মার মাগফিরাত ও শোকাহত পরিবারের প্রতি গভীর সমবেদনা জানিয়েছেন।

post
এনআরবি বিশ্ব

কাতারে বাংলা‌দে‌শি শিক্ষার্থী‌দের বৃ‌ত্তি দেওয়ার অনু‌রোধ

কাতার বিশ্ববিদ্যালয়ে বাংলাদেশি শিক্ষার্থী‌দের বিভিন্ন লেভেলে বৃত্তি প্রদানের জন্য বিশ্ব‌বিদ‌্যাল‌য়ের প্রেসিডেন্ট ড. হাসান রাশিদ আল দেরহামকে অনু‌রোধ ক‌রে‌ছেন কাতারে বাংলাদেশ দূতাবাসের চার্জ দ্য এফেয়ার্স ড. মুহাম্মদ মুস্তাফিজুর রহমান। রোববার (২২ জানুয়া‌রি) কাতার বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রেসিডেন্টের স‌ঙ্গে অনু‌ষ্ঠিত বৈঠ‌কে এ অনু‌রোধ ক‌রেন তিনি। চার্জ দ্য’এফেয়ার্সের অনু‌রো‌ধে কাতার বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রেসিডেন্ট এ বিষয়ে ইতিবাচক মনোভাব প্রকাশ করেন এবং বংলাদেশের পক্ষ থেকে এ সংক্রান্ত একটি লিখিত প্রস্তাব পাঠানোর পরামর্শ দেন। মুস্তাফিজুর রহমান কাতার ও বাংলাদেশ শিক্ষা সহায়তা বিষয়ক খসড়া সমঝোতা স্মারক অনুমোদন করার জন্য কাতার সরকারকে ধন্যবাদ জানান। এ স্মারক স্বাক্ষরিত হলে দুই দেশের দ্বিপাক্ষিক সম্পর্ক আরও এক ধাপ এগিয়ে যাবে বলে আশাবাদ ব্যক্ত করেন মুস্তাফিজুর রহমান। এছাড়াও তি‌নি বাংলাদেশ প্রকৌশল বিশ্ববিদ্যালয় ও কাতার বিশ্ববিদ্যালয়ের মধ্যে উচ্চ শিক্ষা, গবেষণা ও প্রকাশনা বিষয়ে একটি সমঝোতা স্মারক স্বাক্ষরের বিষয়ে বাংলাদেশ প্রকৌশল বিশ্ববিদ্যালয়ের আগ্রহের কথা উপস্থাপন করেন। জবাবে কাতার বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রেসিডেন্ট জানান, বিশ্বের অন্যান্য বিশ্ববিদ্যালয়ের মতো বাংলাদেশ প্রকৌশল বিশ্ববিদ্যালয়ের সঙ্গেও এ ধরনের সমঝোতা স্বাক্ষর করা যেতে পারে। চার্জ দ্য’এফেয়ার্স সফলভাবে ফিফা বিশ্বকাপ কাতার-২০২২ সম্পন্ন করার জন্য কাতার সরকারকে অভিনন্দন জানান।

post
এনআরবি বিশ্ব

গ্রিসে যে প্রক্রিয়ায় বৈধ হতে পারবেন বাংলাদেশিরা

অবশেষে গ্রিসে বসবাসরত অনিয়মিত অভিবাসীদের সুখবর দিয়েছে দেশটির সরকার। এরই মধ্যে ১৫ হাজার বাংলাদেশিকে পাঁচ বছরের জন্য অস্থায়ী আবাসন ও কাজের অনুমতি দেওয়ার কার্যক্রম শুরু হয়েছে। সম্প্রতি বাংলাদেশ দূতাবাস বিজ্ঞপ্তিতে উল্লেখ করেছে, বাংলাদেশ ও গ্রিসের মধ্যে অভিবাসন বিষয়ে স্বাক্ষরিত সমঝোতা স্মারক আইন (নং- ৪৯৫৯/২০২২ ও আন্তঃমন্ত্রণালয় ডিসিশন নং ৭১৬৬৫৯; ২৯/১১/২০২২) অনুযায়ী ৯ ফেব্রুয়ারি ২০২২ বা এর আগে থেকে যেসব বাংলাদেশি দেশটিতে অনিয়মিতভাবে বসবাস করছিলেন, তাদের বৈধতা দেওয়ার জন্য একটি বিশেষ অনলাইন প্ল্যাটফর্ম চালু করা হয়েছে।এই প্ল্যাটফর্মে আবেদনের জন্য নিম্নোক্ত কাগজপত্র প্রয়োজন হবে:ক) দুই বছরের বেশি মেয়াদযুক্ত বাংলাদেশি পাসপোর্ট (আবেদন করার দিন পর্যন্ত) খ) ৯ ফেব্রুয়ারি, ২০২২ বা এর আগে থেকে গ্রিসে অবস্থানের প্রমাণপত্রগ) গ্রিসের একজন চাকরিদাতার প্রদত্ত নিয়োগের কাগজপত্র ঘ) আবেদন ফি (পারাবোলো) ৭৫ ইউরো (নির্ধারিত ২১৪৮ কোডে) জমা করে তার কোড সংগ্রহ ঙ) নিজ নামে নিবন্ধিত মোবাইল নম্বর (মোবাইল নম্বরে প্রয়োজনীয় বার্তা ও কোড যাবে) চ) ব্যক্তিগত, সক্রিয় ই-মেইল আইডি (ই-মেইলে প্রয়োজনীয় বার্তা ও কোড যাবে)বৈধতা দেওয়ার এই প্রক্রিয়ার প্রথম ধাপে গ্রিসে বসবাসরত উপযুক্ত এবং আগ্রহী বাংলাদেশি নাগরিকরা দূতাবাস থেকে প্রয়োজনীয় কাগজপত্রসহ নিজ নিজ পাসপোর্ট সত্যায়িত করার মাধ্যমে প্রাথমিক নিবন্ধন সম্পন্ন করবেন। দ্বিতীয় ধাপে দূতাবাসে নিবন্ধন নেওয়া বাংলাদেশিদের গ্রিক সরকারের চালু করা অনলাইন প্ল্যাটফর্মে প্রাথমিক তথ্য দিয়ে বৈধতার জন্য আবেদন চালু হবে। অনলাইন প্ল্যাটফর্মে যাদের আবেদন চালু হয়েছে দূতাবাস ক্রমানুযায়ী তাদের তালিকা প্রতি সপ্তাহে দূতাবাসের ফেসবুক পেজে (Bangladesh Embassy in Athens বাংলাদেশ দূতাবাস, এথেন্স) প্রকাশ করবে। তৃতীয় ধাপে সংশ্লিষ্ট আবেদনকারী অনলাইন প্ল্যাটফর্মে বাংলাদেশিদের বৈধকরণের জন্য চালু করা ট্যাবে প্রবেশ করে নাম ও পাসপোর্ট নম্বর দিয়ে প্রোফাইলে ঢুকবেন এবং তার পাসপোর্টের সত্যায়িত অনুলিপি, ৯ ফেব্রুয়ারি, ২০২২ বা এর আগে থেকে গ্রিসে অবস্থানের প্রমাণপত্র ও সম্ভাব্য একজন চাকরিদাতার নিয়োগের ইচ্ছাপত্র আপলোড করবেন এবং তার নামে নিবন্ধিত মোবাইল নম্বর, নিজ ই-মেইল আইডি, নির্ধারিত ২১৪৮ কোডে জমা দেওয়া ৭৫ ইউরো আবেদন ফি (পারাবোলো) এর কোড আবেদনপত্রের নির্ধারিত ঘরে প্রবেশ করাবেন।এর মাধ্যমে আবেদন সম্পন্ন হলে সাবমিট করতে হবে। আবেদন সাবমিট করার নির্দিষ্ট সময়ের মধ্যে তার নিজ ই-মেইল আইডিতে বৈধতা লাভের জন্য আবেদনের সনদ পাঠানো হবে যা স্মার্ট কার্ড রেসিডেন্স পারমিট ইস্যু না হওয়া পর্যন্ত বিকল্প রেসিডেন্স পারমিট হিসেবে কার্যকর থাকবে। এই বিকল্প রেসিডেন্স পারমিট দিয়ে আবেদনকারী যেকোনো ধরনের চাকরি লাভসহ সবধরনের নাগরিক সুযোগ-সুবিধা ভোগ করতে পারবেন এবং বাংলাদেশে নিয়মিত যাতায়াত করতে পারবেন। আবেদনকারীদের সুবিধার্থে ও সতর্কতাক) অনলাইনে আবেদন একটি সহজ ও সংক্ষিপ্ত প্রক্রিয়া যা আবেদনকারী নিজেই অথবা ক্ষেত্র বিশেষে ইংরেজি জ্ঞান সম্পন্ন একজন প্রবাসীর সহায়তায় সম্পন্ন করতে পারবেন। এজন্য কোনো উকিলের প্রয়োজন নাই। দূতাবাস যেকোনো সময়ে এ বিষয়ে সহায়তা অব্যাহত রাখবে। খ) আবেদনকারীরা অবশ্যই নিজ নামে নিবন্ধিত সিমের নম্বর ও নিজ ই-মেইল অ্যাড্রেস ব্যবহার করবেন। কারণ, গ্রিক কর্তৃপক্ষ তা যাচাই/ভেরিফাই করবে। এছাড়া, কোনো অবস্থাতেই নিজ মোবাইল নম্বর এবং নিজ ই-মেইল ব্যতীত অন্য কারো মোবাইল নম্বর এবং ই-মেইল ব্যবহার করা যাবে না। করলে ভবিষ্যতে প্রতারিত হওয়ার সমূহ সম্ভাবনা রয়েছে। গ) যেহেতু ছয় মাস ধরে এই বৈধকরণ প্রক্রিয়া চলবে তাই কোনো ধরনের তাড়াহুড়া না করে, প্রয়োজনীয় প্রস্তুতি নিয়ে নির্ভুলভাবে আবেদন সম্পন্ন করুন। ঘ) নিজ নাম ও পাসপোর্ট নম্বর দিয়ে অনলাইন প্ল্যাটফর্মে প্রবেশ করতে হবে বা করা যাবে তাই নিজ নাম, পাসপোর্ট নম্বর, মোবাইল নম্বর এবং নিজ ই-মেইল অ্যাড্রেসসহ কোনো ধরনের তথ্য ও দলিলপত্র কাউকে দেবেন না। কোনো বাংলাদেশি নাগরিক অতি উৎসাহী হয়ে যেন কোনো দালাল বা প্রতারক দ্বারা প্রতারিত না হোন এবং বিভ্রান্তিমূলক প্রচারণা ও প্রতারক চক্রের প্ররোচনার শিকার যাতে না হতে হয় সে বিষয়ে সতর্ক থাকার জন্য দূতাবাসের পক্ষ থেকে সবাইকে অনুরোধ করা হলো। গ্রিক সরকার ঘোষিত সময়ের মধ্যে নির্ধারিত পদ্ধতিতে আবেদন করতে হবে। এ বিষয়ে দূতাবাস থেকে নিয়মিত হালনাগাদ তথ্য দেওয়া অব্যাহত থাকবে। ১। আবেদন করার দিন পর্যন্ত যাদের পাসপোর্টের মেয়াদ দুই বছরের বেশি সময় রয়েছে এবং লিগালাইজেশন প্রক্রিয়ায় অংশ নিতে আগ্রহী, তারা দূতাবাসে এসে নাম নিবন্ধন করে সত্যায়ন ফি দুই ইউরো ও ব্যাংক ফি দুই ইউরো মোট চার ইউরো জমা করে পাসপোর্টের কপি সত্যায়িত নেওয়ার জন্য অনুরোধ করা হলো।নিবন্ধনের জন্য যা লাগবে (১) মূল পাসপোর্টের দুটি ফটোকপি (২) ৯ ফেব্রুয়ারি, ২০২২ বা এর আগে থেকে গ্রিসে অবস্থান সংক্রান্ত প্রমাণপত্রের কপি (৩) গ্রিসের একজন চাকরিদাতার চাকুরির নিশ্চয়তাপত্রের হতে ইস্যুকৃত কপি (৪) নিজ নামে নিবন্ধিত মোবাইল নম্বরের প্রমাণপত্রের কপি ৫) ব্যক্তিগত সক্ৰিয় ই-মেইল আইডির তথ্য সংবলিত কপি দূতাবাসে জমা দিতে হবে (ক) গ্রিসসস্থ বাংলাদেশ দূতাবাস থেকে ইস্যুকৃত পাসপোর্ট অথবা পাসপোর্টের আবেদনের রিসিট কপি (ডেলিভারি স্লিপ) অথবা দূতাবাস থেকে ইস্যুকৃত বিভিন্ন সার্টিফিকেট বা অন্যান্য রেকর্ড অথবা দূতাবাস থেকে ইস্যুকৃত জন্ম নিবন্ধন সনদ অথবা (খ) গ্রিসে অবস্থানের অন্যান্য রেকর্ডপত্র, যেমন আফিমি/আমকা/ভ্যাক্সিনেশন কার্ড/পুলিশ রিপোর্ট/নিজ নামে ক্রয়কৃত মোবাইল সিম কার্ডের তথ্য/নিজ নামের ব্যাংক অ্যাকাউন্টের তথ্য/হাসপাতালের চিকিৎসাপত্র/কোর্টের আদেশপত্র/বৈধ চ্যানেলে টাকা পাঠানোর রিসিট /আন্তর্জাতিক সুরক্ষা সংক্রান্ত রেকর্ডপত্র ইত্যাদি দাখিল করা যাবে। গ্রিসের একজন সম্ভাব্য চাকরিদাতার প্রদত্ত চাকরির ইচ্ছাপত্র, গ্রিক সরকারের অনলাইন প্ল্যাটফর্ম, থেকে আবেদনকারীর নাম, পাসপোর্ট নম্বর, কাজের ধরন বা কাজের ক্ষেত্র উল্লেখ করে চাকরিদাতা বা তার ব্যক্তিগত লগস্তি কর্তৃক তার ব্যবসায়িক বা ব্যক্তিগত myTaxisNet (ক্লিদিয়াআরিকমস) থেকে ইস্যু করতে হবে (নমুনা কপি সংযুক্ত)। এটি সম্পূর্ণ ডিজিটাল কিউ-আর কোড সংবলিত একটি সার্টিফিকেট, যার সঠিকতা যেকোনো সময় যাচাই করা যায়। ৪। আবেদন ফি (পারাবোলো) ৭৫ ইউরো (নির্ধারিত ২১৪৮ কোডে) অনলাইন ব্যাংকে জমা করার পর, বিশেষ কোডসহ রশিদ পাওয়া যাবে, যা একজন আবেদনকারী অনলাইন প্ল্যাটফর্মে ব্যবহার করবেন।

post
এনআরবি বিশ্ব

মালয়েশিয়ার হাসপাতালে ৪০ দিন ধরে মর্গে পড়ে আছে এক বাংলাদেশির মরদেহ

প্রায় ৪০ দিন ধরে মালয়েশিয়ার কুয়ালালামপুর হাসপাতাল মর্গে এক বাংলাদেশির মরদেহ পড়ে আছে। ওই বাংলাদেশির নাম রেজাউল করিম (৪৫)। গত ১২ ডিসেম্বর মারা যান তিনি। পাসপোর্ট থেকে নাম জানা গেলেও এখন পর্যন্ত তার পরিবারের সন্ধান মেলেনি। ফলে মরদেহ বাংলাদেশে পাঠানোও সম্ভব হচ্ছে না। পাসপোর্ট থেকে পাওয়া তথ্যমতে, রেজাউল করিম সিরাজগঞ্জের চৌহালী থানার সাইলজানা গ্রামের আব্দুল কাইয়ূম ও সুফিয়া বেগমের ছেলে। তবে ওই ঠিকানায় রেজাউলের পরিবারের সন্ধান না পাওয়ায় তার মরদেহ হস্তান্তর করতে পারছে না বাংলাদেশ হাইকমিশন।রেজাউল করিমের মৃত্যুর এক মাস পরেও পরিবারের সন্ধান না পেয়ে মরদেহ দেশে পাঠাতে বা স্থানীয়ভাবে (মালয়েশিয়া) দাফনের ব্যাপারে পরিবারের সম্মতি নিতে ওয়েজ আর্নার্স কল্যাণ বোর্ডের মহাপরিচালককে চিঠি দিয়েছে হাইকমিশন। গত ১২ জানুয়ারি হাইকমিশনের শ্রম শাখার প্রথম সচিব এ এস এম জাহিদুর রহমান স্বাক্ষরিত চিঠিতে বলা হয়েছে, নাগরিকত্ব নিশ্চিত এবং মরদেহের দাবিদার না পাওয়া পর্যন্ত রেজাউল করিমের মরদেহ দেশে পাঠানো সম্ভব নয়। পরিবারের সম্মতি নিয়ে হাইকমিশনকে অবহিত করার জন্যও চিঠিতে উল্লেখ করা হয়।এ বিষয়ে সিরাজগঞ্জের চৌহালী থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) হারুন-অর- রশিদের সঙ্গে কথা হলে তিনি জানান, মালয়েশিয়া প্রবাসী রেজাউল করিমের পরিবারের সন্ধানে স্থানীয়ভাবে খোঁজ-খবর নিয়েছি। কিন্তু এই ঠিকানায় এমন কোনো ব্যক্তির সন্ধান পাওয়া যায়নি। তবে আমাদের চেষ্টা অব্যাহত আছে। এদিকে, মৃত রেজাউল করিমের পরিবারের সন্ধানে হাইকমিশনের অনুসন্ধান চলছে। পাশাপাশি পরিচিতজন বা স্বজনদের হাইকমিশনে যোগাযোগ করতে বলা হয়েছে।

post
এনআরবি বিশ্ব

কর্মী নিয়োগের ক্ষেত্রে শর্ত শিথিল করেছে মালয়েশিয়া সরকার

বিদেশি কর্মী নিয়োগের ক্ষেত্রে শর্ত শিথিল করেছে মালয়েশিয়া সরকার। নতুন নিয়ম অনুযায়ী ‘মাই ফিউচার জব’ পোর্টালে চাকরির শূন্যপদের বিজ্ঞাপন দেওয়া লাগবে না। তবে এ শৈথিল্য শুধু পাঁচটি খাতে সীমাবদ্ধ থাকবে। এর মধ্যে রয়েছে- উৎপাদন, নির্মাণ, বৃক্ষরোপণ, কৃষি এবং খাদ্য ও পানীয়। স্থানীয় সময় মঙ্গলবার (১৭ জানুয়ারি) এক বিবৃতিতে এ তথ্য জানিয়েছেন মালয়েশিয়ায় মানবসম্পদ মন্ত্রী ভি শিবকুমার। তিনি বলেন, এসব খাতের নিয়োগকর্তারা মন্ত্রণালয়ের ফরেন ওয়ার্কার সেন্ট্রালাইজড ম্যানেজমেন্ট সিস্টেমের (এফডব্লিউসিএমএস) মাধ্যমে বিদেশি কর্মীদের জন্য আবেদন করতে পারবেন। আবেদন পাওয়ার পর মানবসম্পদ মন্ত্রণালয় তিন কার্যদিবসের মধ্যে আবেদন প্রক্রিয়াকরণ ও অনুমোদন করবে। এক্ষেত্রে ‘মাই ফিউচার জব’ পোর্টালে চাকরির শূন্যপদের বিজ্ঞাপন আর দিতে হবে না। তিনি বলেন, চলতি বছরের ১৭ জানুয়ারির আগে এফডব্লিউই অনুমোদন এবং ইকোটার মডিউলের মাধ্যমে যারা আবেদন করেছেন; তাদের পুনরায় আবেদন জমা দিতে অনুরোধ করা হচ্ছে। গত সপ্তাহে দেশটির স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সাইফুদ্দিন নাসুশন ইসমাইল বলেন, সরকার বিদেশি জনশক্তির জন্য বিভিন্ন খাতের চাহিদা পূরণের লক্ষ্যে একটি ‘বিশেষ পরিকল্পনা’ তৈরি করবে। এতে নিয়োগকর্তারা কোটা বা কর্মসংস্থানের পূর্বশর্ত পূরণ না করেই তাদের সামর্থ্য ও চাহিদার ভিত্তিতে ১৫টি উৎস দেশ থেকে বিদেশি কর্মী আনতে পারবেন।

post
এনআরবি বিশ্ব

হজের খরচ ৩০ শতাংশ কমানোর সিদ্ধান্ত

আসন্ন হজে এবার ৩০ শতাংশ খরচ কমানোর সিদ্ধান্ত নিয়েছে সৌদি আরব সরকার। মহামারি করোনাভাইরাসের কারণে গত তিন বছর সীমিত সংখ্যক ধর্মপ্রাণ মুসল্লি হজ করার সুযোগ পেয়েছিলেন।সৌদি সরকারের নতুন সিদ্ধান্ত অনুযায়ী এ বছর থাকছে না কোনো বাধানিষেধ। গত সপ্তাহে সৌদি আরবের হজ ও ওমরাহ মন্ত্রণালয় এ তথ্য জানান। সৌদি আরব সরকারের নতুন ঘোষণামতে, ২০২২ সালের তুলনায় ২০২৩ সালে কমানো হয়েছে হজ প্যাকেজের মূল্যও। গত বছরের তুলনায় ৩০ শতাংশ কম খরচে এবার হজ পালনের সুযোগ পাবেন মুসল্লিরা। হজ ও ওমরাহ মন্ত্রণালয়ের সহকারী সচিব ডক্টর আমর বিন রেদা আল মাদ্দাহ ১৫ জানুয়ারি এ তথ্য জানিয়েছেন। তিনি আরও জানিয়েছেন, ‘ইকোনমিক হজ প্যাকেজের’ প্রায় ৯০ ভাগ ইতোমধ্যে বিক্রি হয়ে গেছে।সহকারী সচিব আল মাদ্দাহ আরও জানিয়েছেন, সৌদির অভ্যন্তরীণ যে হজ প্যাকেজগুলো রয়েছে, সেগুলো কোম্পানির সেবার মানের ওপর ভিত্তি করে কয়েকটি ক্যাটাগরিতে ভাগ করা হয়েছে। হজ ক্যাম্পে সেবার মান দেখে এটি নির্ধারণ করা হবে। এদিকে গত সপ্তাহে হজ মন্ত্রণালয় জানিয়েছিল, সৌদি আরবের স্থানীয় মুসল্লিরা চাইলে তিন ভাগে হজ প্যাকেজের অর্থ পরিশোধ করতে পারবেন। আগে একসঙ্গে পুরো অর্থ পরিশোধের নিয়ম ছিল। হজ পালনে আগ্রহীদের আগে নিবন্ধন করতে হবে। এরপর ৭২ ঘণ্টার মধ্যে প্যাকেজের ২০ শতাংশ অর্থ পরিশোধ করে নিজের জায়গা নিশ্চিত করতে হবে। এর পরের ৪০ শতাংশ অর্থ ২৯ জানুয়ারির (৭ রজব) মধ্যে পরিশোধ করতে হবে। আর শেষ ৪০ শতাংশ অর্থ দেওয়া যাবে এপ্রিলের ২৩ (৩ শাওয়াল) তারিখের মধ্যে। প্রতিটি কিস্তির অর্থ পাওয়ার পর একটি করে রসিদ দেওয়া হবে। নির্ধারিত সময়ের মধ্যে অর্থ পরিশোধের পর হজ প্যাকেজটি ‘নিশ্চিতকরণ’ করা হবে। না হলে এটি বাতিল করা হবে। প্রতিবছর সৌদি আরবের পবিত্র মক্কায় ২৫ লাখ মানুষ হজ পালন করেন। কিন্তু করোনাভাইরাসের বিধিনিষেধের কারণে এ সংখ্যা ২০২০ সালে কয়েক হাজারে নামিয়ে নিয়ে আসা হয়। ২০২১ সালে সৌদির ভেতর অবস্থানরত ৬০ হাজার মুসল্লি হজ পালনের সুযোগ পান। আর গত বছর বিদেশিসহ ১০ লাখ মানুষ হজ পালন করেছিলেন। চাঁদ দেখা সাপেক্ষে আগামী ২৮ জুন পবিত্র হজ অনুষ্ঠিত হওয়ার কথা রয়েছে।

post
এনআরবি বিশ্ব

পাসপোর্ট সূচকে ১০৯ দেশের মধ্যে বাংলাদেশের অবস্থান ১০১তম

পাসপোর্ট সূচকে মোট ১০৯ দেশ আছে। এর মধ্যে বাংলাদেশের অবস্থান ১০১তম। কসোভো ও লিবিয়াও একই অবস্থানে আছে।লন্ডনভিত্তিক অভিবাসন, নাগরিকত্ব ও পরিকল্পনাবিষয়ক সংস্থা 'হেনলি অ্যান্ড পার্টনার্স' গত ১০ জানুয়ারি এক গবেষণামূলক তথ্য প্রকাশ করে। ওই তথ্য নতুন করে প্রমাণ করেছে, এখনো জাপান, সিঙ্গাপুর, যুক্তরাষ্ট্র, কানাডা ও অস্ট্রেলিয়া থেকে কতটা পিছিয়ে আছে বাংলাদেশ। কতটা পিছিয়ে আছে দেশটির অর্থনীতি, শাসনপদ্ধতি ও মানুষের জীবনযাপন।হেনলি অ্যান্ড পার্টনার্সর তথ্য ৩ মাস পরপর হালনাগাদ করে। একটি দেশের সামাজিক, রাজনৈতিক ও অর্থনৈতিক জীবনযাপনের গতিশীলতা বিবেচনায় নিয়ে সে দেশের পাসপোর্টের অবস্থান নির্ধারণ করা হয়। গত ১৮ বছরেরও বেশি সময় ধরে অত্যাধুনিক বিশেষজ্ঞের ভাষ্য ও ঐতিহাসিক তথ্য নিয়ে হেনলি অ্যান্ড পার্টনার্স পাসপোর্টের সূচক নির্ধারণ করে আসছে। ২২৭ দেশের মধ্যে ১৯৯ দেশের পাসপোর্টের ভিসামুক্ত প্রবেশ তুলনা করতে ইন্টারন্যাশনাল এয়ার ট্রান্সপোর্ট অথরিটির তথ্য ব্যবহার করা হয়। একটি দেশের পাসপোর্টের শক্তির সঙ্গে সেই দেশের সার্বিক শক্তির সম্পর্ক আছে। পাসপোর্টের মাধ্যমে পরোক্ষভাবে নাগরিকত্বের মূল্যায়ন হয়। এই সূচকের মাধ্যমে একটি দেশ সম্পর্কে জানা যায়। পাসপোর্টের এ সূচক দেশের অর্থনীতি, শাসন ব্যবস্থা ও দেশের মানুষের অবস্থাসহ অনেক বিষয় বিবেচনায় নিয়ে তৈরি করা হয়। মনে করা হয়, যে দেশগুলোর পাসপোর্ট যত বেশি শক্তিশালী ওই দেশগুলোর প্রাতিষ্ঠানিক কাঠামো, অর্থনীতি ও শাসনপদ্ধতি তত বেশি শক্তিশালী। বিশ্বে ওই দেশগুলোর ইতিবাচক ভাবমূর্তি আছে। যে সব দেশের পাসপোর্টের অবস্থান তলানিতে তাদেরকে উন্নত দেশগুলো নানাভাবে অবমূল্যায়ন করে থাকে। কোন প্রচারণাতেই সেই বাস্তবতা ঢেকে দেওয়া যায় না। ২০২৩ সালের হেনলি পাসপোর্ট সূচকে শীর্ষে আছে জাপান। জাপানিরা এখন বিশ্বের ২২৭ দেশের মধ্যে ১৯৩ দেশে ভিসা ছাড়া যেতে পারেন। সূচকে সিঙ্গাপুর ও দক্ষিণ কোরিয়ার পাসপোর্ট বিশ্বে দ্বিতীয় শক্তিশালী। জার্মানি ও স্পেন তৃতীয় অবস্থানে আছে। তারা ১৯০ দেশে ভিসামুক্ত প্রবেশাধিকার পান। যুক্তরাজ্য ও যুক্তরাষ্ট্রের অবস্থান যথাক্রমে ৬ ও ৭-এ। তাদের দেশের নাগরিকরা ভিসা ছাড়া যথাক্রমে ১৮৭ ও ১৮৬ দেশে প্রবেশ করতে পারেন। অস্ট্রেলিয়ার পাসপোর্টের অবস্থান অষ্টম। এ দেশের নাগরিকরা ১৮৫ দেশে ভিসা ছাড়া ভ্রমণ করতে পারেন। বর্তমানে অস্ট্রেলিয়ান পাসপোর্টধারী প্রায় ৭০ হাজার বাংলাদেশিও এই সুযোগ পেয়ে থাকেন। পর্তুগাল থেকে পোল্যান্ড ও যুক্তরাজ্য থেকে যুদ্ধবিধ্বস্ত ইউক্রেন পর্যন্ত ৩৯ ইউরোপীয় দেশ অস্ট্রেলিয়ানদের ভিসা ছাড়াই প্রবেশের অনুমতি দিয়েছে। নিউজিল্যান্ড, ফিজি ও ফরাসি পলিনেশিয়াসহ বার্বাডোস, কেম্যান দ্বীপপুঞ্জ, জ্যামাইকা ও ক্যারিবিয়ান অঞ্চলের দেশগুলোয় যেতে অস্ট্রেলিয়ানদের ভিসার প্রয়োজন হয় না। উত্তর ও দক্ষিণ আমেরিকা মহাদেশে ১৯ দেশে ও আফ্রিকার ১২ দেশে অস্ট্রেলিয়ানদের ভিসা ছাড়া যেতে পারেন। এ ছাড়াও, অস্ট্রেলিয়ানরা ভিসা ছাড়া এশিয়ার ১০ দেশে এবং মধ্যপ্রাচ্যের ৬ দেশ ভ্রমণ করতে পারেন। কম্বোডিয়া, মিশর, লেবানন, প্যারাগুয়ে, সামোয়াসহ ৪০টিরও বেশি দেশে অস্ট্রেলিয়ানরা ভিসা বা ভিজিটর পারমিট পেতে পারেন। যুক্তরাষ্ট্র, কানাডা, শ্রীলঙ্কা ও পাকিস্তানে প্রবেশের সময় তাদেরকে ইলেকট্রনিক ট্রাভেল অথরিটি নিতে হয়।বাংলাদেশিরা ৪১ দেশ ভিসামুক্ত প্রবেশাধিকার পান। এশিয়ায় ভুটান, ইন্দোনেশিয়া, মালদ্বীপ, নেপাল, শ্রীলংকা ও পূর্ব তিমুর ছাড়াও আফ্রিকার ১৬, ওশেনিয়া অঞ্চলের ৭ ও ক্যারিবীয় অঞ্চলের ১২ দেশে বাংলাদেশিদের ভিসামুক্ত প্রবেশের সুবিধা মেলে। সূচক অনুসারে ভারত ৮৫তম অবস্থানে আছে। এই দেশের পাসপোর্টধারীরা ৬০ দেশে ভিসা ছাড়া যেতে পারেন। গত ১০ জানুয়ারি প্রকাশিত সূচকে বেশ কয়েকটি দেশ সম্পর্কে আকর্ষণীয় মন্তব্য ও তাদের ভবিষ্যৎ বাস্তবতা তুলে ধরেছে।

About Us

NRBC is an open news and tele video entertainment platform for non-residential Bengali network across the globe with no-business vision just to deliver news to the Bengali community.