post
এনআরবি বিশ্ব

ভারতে অনুপ্রবেশকালে ১২ বাংলাদেশি-রোহিঙ্গাকে আটক

ভারতের উত্তর-পূর্বাঞ্চলীয় রাজ্য ত্রিপুরায় ১২ বাংলাদেশি ও রোহিঙ্গাকে আটক করেছে পুলিশ। আটককৃতদের মধ্যে দুইজন বাংলাদেশি এবং ১০ জন রোহিঙ্গা। অবৈধভাবে ভারতে প্রবেশ করার অভিযোগে রাজ্যটির রাজধানী আগরতলা থেকে রেলওয়ে পুলিশ ফোর্স (আরপিএফ) তাদের আটক করে।কর্মকর্তাদের বরাত দিয়ে রোববার (১৯ ফেব্রুয়ারি) এক প্রতিবেদনে এই তথ্য জানিয়েছে ভারতীয় সংবাদমাধ্যম এনডিটিভি।প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, ১২ জন রোহিঙ্গা ও বাংলাদেশি নাগরিকসহ ১৬ জনকে আগরতলা রেলওয়ে স্টেশনে রেলওয়ে পুলিশ ফোর্স আটক করেছে বলে কর্মকর্তারা রোববার জানিয়েছেন। আটককৃতদের বিরুদ্ধে অবৈধভাবে ভারতে প্রবেশের অভিযোগ আনা হয়েছে।গভর্নমেন্ট রেলওয়ে পুলিশ (জিআরপি) স্টেশন ইনচার্জ রানা চ্যাটার্জি জানিয়েছেন, গোপন তথ্যের ভিত্তিতে রেলওয়ে স্টেশন থেকে তিন শিশুসহ মোট ১৬ জনকে আটক করেছে আরপিএফ। এর মধ্যে ১২ জন বিদেশি নাগরিক রয়েছে; যাদের দুইজন বাংলাদেশি ও ১০ জন রোহিঙ্গা।এনডিটিভি বলছে, আটককৃতদের মধ্যে মধুপুরের বাসিন্দা অভিজিৎ দেব নামে এক দালালও রয়েছে বলে পুলিশ জানিয়েছে।পুলিশ জানায়, তারা সবাই বাংলাদেশ থেকে অবৈধভাবে ভারতে প্রবেশ করে। পরে তারা আগরতলা রেলস্টেশন থেকে সকাল ৮টা ৫ মিনিটে কলকাতার উদ্দেশ্যে কাঞ্চনজঙ্ঘা এক্সপ্রেস ট্রেনে উঠতে যাচ্ছিল।সংবাদমাধ্যমটি বলছে, অভিযুক্তদের আদালতে তোলার আগে ডাক্তারি পরীক্ষার জন্য পাঠানো হয়েছে। তাদের বিরুদ্ধে সুনির্দিষ্ট মামলাও দায়ের করা হয়েছে। পুলিশ অভিযুক্তদের জিজ্ঞাসাবাদ করছে এবং তাদের অবৈধ অনুপ্রবেশের পথ খুঁজে বের করার চেষ্টা করছে।এই বিষয়ে দায়ের হওয়া মামলার অধিকতর তদন্ত চলছে বলেও জানিয়েছে এনডিটিভি।ভারতীয় সীমান্তরক্ষী বাহিনীর (বিএসএফ) তৈরি একটি অফিসিয়াল রিপোর্ট অনুযায়ী, আন্তঃসীমান্ত অপরাধে জড়িত থাকার অভিযোগে ২০২২ সালে মেঘালয় এবং ত্রিপুরার ভারত-বাংলাদেশ সীমান্তে ৫০১ জন দুর্বৃত্তকে আটক করা হয়। আটককৃতদের মধ্যে মোট ৮৯ জন ছিল রোহিঙ্গা।প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, মেঘালয় সীমান্ত থেকে মোট ৩০ জন এবং বাংলাদেশের সঙ্গে ত্রিপুরা সীমান্ত থেকে ৫৯ জন রোহিঙ্গাকে গতবছর আটক করা হয়।ভারতীয় সংবাদমাধ্যম বলছে, মেঘালয় সীমান্তে ৩০ জন রোহিঙ্গাকে আটক করার পাশাপাশি আরও ১৩২ জন দুর্বৃত্তকে আটক করা হয়। যাদের মধ্যে ৪১ জন বাংলাদেশি এবং ৬১ জন ভারতীয় নাগরিক। তারা আন্তঃসীমান্ত অপরাধে জড়িত ছিল। মেঘালয়ে বিভিন্ন অভিযান পরিচালনা করার সময় তাদের আটক করে বিএসএফ।

post
এনআরবি বিশ্ব

পর্তুগালে সড়ক দুর্ঘটনায় প্রবাসী বাংলাদেশি মোহাম্মদ আবদুল মমিনের লাশ দেশে ফিরেছে

পর্তুগালে সড়ক দুর্ঘটনায় মর্মান্তিকভাবে প্রাণ হারান প্রবাসী বাংলাদেশি মোহাম্মদ আবদুল মমিন। তার বাড়ি সুনামগঞ্জ জেলার ছাতক উপজেলার মাধবপুর গ্রামে। রাজধানী লিসবনের কেন্দ্রীয় মসজিদে বুধবার (১৫ ফেব্রুয়ারি) প্রবাসী বাংলাদেশীসহ স্থানীয় হাজারো মুসল্লির অংশগ্রহণে নামাজের জানাজা অনুষ্ঠিত হয়। বৃহস্পতিবার (১৬ ফেব্রুয়ারি) দুপুর ১টা ৩৫ মিনিটে এমিরেটসের একটি ফ্লাইটে প্রবাসীর লাশ বাংলাদেশের উদ্দেশে রওনা হয়ে পরের দিন বিকেল আনুমানিক বিকেল ৫টার শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে পৌঁছবে বলে নিশ্চিত করেছেন সমন্বয়কারী মোহাম্মদ শাহজাহান।গত বুধবার (৮ ফেব্রুয়ারি) রাত ৯টায় বাইসাইকেল যোগে ফুড ডেলিভারিতে কর্মরত অবস্থায় লিসবনের ব্যস্ততম প্রধান সড়ক আইপি-৭ এ পেছন থেকে দ্রুতগামী একটি গাড়ি ধাক্কা দিলে তিনি দুর্ঘটনার শিকার হন। ঘটনাস্থলে তাৎক্ষণিক পুলিশ ও ফায়ার সার্ভিস উপস্থিত হয়। মারাত্মকভাবে আহত প্রবাসীর স্বাস্থ্য পরীক্ষা করে মৃত ঘোষণা করেন উপস্থিত চিকিৎসক। তার মৃত্যুতে লিসবনসহ পুরো পর্তুগাল বাংলাদেশ কমিউনিটিতে শোকের ছায়া নেমে এসেছে। দীর্ঘদিন ইউরোপের বিভিন্ন দেশে অবস্থান করে ইউরোপীয় ইউনিয়নভুক্ত এই দেশে নিয়মিত হওয়ার আশায় তিনি পর্তুগালে আসেন।মৃত প্রবাসীর লাশ দেশে পাঠানোর খরচসহ তার পরিবারকে সহযোগিতা করার জন্য পর্তুগালে বাংলাদেশ কমিউনিটির বিভিন্ন রাজনৈতিক ও বিভিন্ন নেতারা উদ্যোগ গ্রহণ করেন। আগামী শুক্রবার জুমার নামাজের আগে-পরে পর্তুগালের বাংলাদেশি অধ্যুষিত মসজিদগুলোতে যোগাযোগ করে সহযোগিতা করতে পারবেন।

post
এনআরবি বিশ্ব

বাংলাদেশ থেকে মালয়েশিয়ায় কর্মী নিয়োগে স্বচ্ছতা নিশ্চিতের আহ্বান

বাংলাদেশ থেকে মালয়েশিয়ায় কর্মী নিয়োগে স্বচ্ছতা নিশ্চিতের আহ্বান জানিয়েছেন দেশটিতে নিযুক্ত বাংলাদেশের হাইকমিশনার মো. গোলাম সারোয়ার।বুধবার (৮ ফেব্রুয়ারি) পুত্রজায়ায় মালয়েশিয়ার মানবসম্পদমন্ত্রী ভি. শিবকুমার নাইডুর সঙ্গে সৌজন্য সাক্ষাৎ করেন তিনি। সাক্ষাতকালে দ্বিপাক্ষিক সম্পর্কের বিভিন্ন দিক নিয়ে আলোচনা হয়। একই সঙ্গে মালয়েশিয়ায় অবস্থানরত বাংলাদেশি নাগরিকদের স্বার্থ সংশ্লিষ্ট বিষয় নিয়ে আলোচনা করেন হাইকমিশনার।এসময় তিনি মালয়েশিয়ায় বাংলাদেশি জনশক্তি নিয়োগ আরও বেগবান করতে এবং কম খরচে অধিক সংখ্যক কর্মী নিয়োগের প্রস্তাবনা মালয়েশিয়ার মানবসম্পদ মন্ত্রীর কাছে তুলে ধরেন। এ বিষয়ে দ্রুত দুই দেশের মধ্যে যৌথ ওয়ার্কিং গ্রুপের সভা করার অনুরোধ জানান হাইকমিশনার।গুরুত্ব বিবেচনায় মার্চ মাসে সভা করার প্রতিশ্রুতি দেন মালয়েশিয়ার মন্ত্রী। একই সঙ্গে তিনি কর্মী নিয়োগে বাংলাদেশকে সব প্রকার সহযোগিতা প্রদানের প্রতিশ্রুতি দেন।এছাড়া অনথিভুক্ত বাংলাদেশি কর্মীদের বৈধ হওয়ার সুযোগ করে দেওয়ায় মালয়েশিয়া সরকারকে ধন্যবাদ জানান বাংলাদেশের হাইকমিশনার।তিনি বলেন, বাংলাদেশি কর্মীদের বৈধ হওয়ার জন্য প্রয়োজনীয় পরামর্শ ও সহযোগিতা করা হচ্ছে। প্রতারণা এড়াতে সরাসরি উপযুক্ত কোম্পানির মাধ্যমে বৈধতা নিতে সতর্ক করা হয়েছে।বৈধতা চলাকালে প্রতারণা হওয়ার ঘটনার পুনরাবৃত্তি যাতে না হয়, এজন্য প্রতারকদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নিতে মালয়েশিয়ার মন্ত্রীকে অনুরোধ জানান হাইকমিশনার।

post
এনআরবি বিশ্ব

বিদেশি কর্মী নিয়োগে এজেন্সি হস্তক্ষেপ বন্ধ চায় মালয়েশিয়ার প্রধানমন্ত্রী

বিদেশি কর্মী নিয়োগে তৃতীয় পক্ষের (এজেন্সি) হস্তক্ষেপ বন্ধ করতে চান মালয়েশিয়ার প্রধানমন্ত্রী আনোয়ার ইব্রাহিম। গতকাল বুধবার দেশটির মন্ত্রিসভার বৈঠকের পর সংবাদ সম্মেলনে আনোয়ার ইব্রাহিম বলেন, 'মালয়েশিয়ায় কর্মী হিসেবে আসতে নেপালের শ্রমিকদের খরচ মাত্র ৩ হাজার ৭০০ রিঙ্গিত। কিন্তু বাংলাদেশ ও ইন্দোনেশিয়ার শ্রমিকদের জন্য তা ২০ হাজার থেকে ২৫ হাজার রিঙ্গিত।'তিনি বলেন, এজেন্টদের এই উচ্চ ফি 'আধুনিক দাসত্বের' সমতুল্য। মালয়েশিয়ার প্রধানমন্ত্রীর এই ঘোষণার পর অতিরিক্ত খরচের হাত থেকে বিদেশি কর্মীরা রেহাই পাবে এবং আন্তর্জাতিকভাবে মালয়েশিয়া মর্যাদাবান হবে বলে মনে করছেন সংশ্লিষ্টরা। দেশটির প্রধানমন্ত্রীর এমন সদিচ্ছায় সন্তুষ্টিও জানিয়েছে প্রবাসী বাংলাদেশিরা। মালয়েশিয়ায় কাজ করতে আসা বিদেশি কর্মীদের বর্ধিত খরচের জন্য দায়ী করা হয় রিক্রুটিং এজেন্টদের। তাদের নেওয়া উচ্চ ফি এর কারণে শ্রমিকদের প্রায়ই উচ্চ সুদে ঋণ নিতে বা জমি বন্ধক রাখতে বাধ্য হতে হয়। আন্তর্জাতিক অভিবাসী সংস্থা অভিবাসী কর্মীদের বিদেশ যেতে অনাকাঙ্ক্ষিত উচ্চ খরচ হওয়াকে 'দাসের শ্রম' বা ফোর্স লেবার এবং মানবপাচার হিসেবে চিহ্নিত করেছে। এই ২টি অভিযোগে মালয়েশিয়া থেকে আমেরিকা ও ইউরোপের মার্কেটে মালয়েশিয়ান পণ্য প্রবেশে নিষেধাজ্ঞা আরোপ করে। বেশ কয়েকটি স্থানীয় হ্যান্ড গ্লোভ প্রস্তুতকারক কোম্পানি তাদের বর্তমান ও সাবেক বিদেশি কর্মীর অতিরিক্ত অভিবাসন খরচ ফেরত দিয়ে সেই অভিযোগ থেকে মুক্ত হতে পেরেছে। কেননা কোম্পানি ও কর্মী উভয়ই এই উচ্চ খরচের পদ্ধতি মেনে নিতে বাধ্য হয়। সম্প্রতি মালয়েশিয়ার স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সাইফুদ্দিন নাসুসন ইসমাইল বাংলাদেশ ও নেপাল সরকারের সঙ্গে অভিবাসন খরচ ও প্রক্রিয়া নিয়ে আলোচনা করেন। মালয়েশিয়ান নিয়োগকর্তারা নামমাত্র বা শূন্য খরচে কর্মী নিয়োগ করার ইচ্ছা বিভিন্ন সময় সরকারকে জানিয়েছে। তারা নিশ্চয়তা চেয়েছে, উৎস দেশের কর্মীর অতিরিক্ত কোনো খরচ হবে না। গত ফেব্রুয়ারিতে তৎকালীন মানবসম্পদ মন্ত্রী এম সারাভানান নিয়োগকর্তাদের বলেছিলেন, যারা বিদেশি কর্মী নিয়োগ করতে চান তারা তৃতীয় পক্ষের মাধ্যমে না করে যেন সরাসরি মানবসম্পদ মন্ত্রণালয়ে আবেদন করে। সারাভানান আরও বলেছিলেন, নিয়োগকারী সংস্থাগুলোর আবেদন অবিলম্বে প্রত্যাখ্যান করা হবে।

post
এনআরবি বিশ্ব

বিদেশি কর্মী নিয়োগে মালয়েশিয়ার স্থানীয় কর্মীদের বরখাস্ত করলে কঠোর ব্যবস্থা

বিদেশি কর্মী নিয়োগের জন্য মালয়েশিয়ার স্থানীয় কর্মীদের বরখাস্ত করা হলে নিয়োগদাতাদের বিরুদ্ধে কঠোর ব্যবস্থা নেওয়া হবে বলে জানিয়েছেন দেশটির মানবসম্পদমন্ত্রী ভি শিবকুমার।শনিবার ৪ ফেব্রুয়ারী দেশটির সোশ্যাল সিকিউরিটি অর্গানাইজেশনের (সকসো) প্রফেশনাল সার্টিফিকেশন প্রোগ্রামের স্নাতকদের সনদ প্রদানের পর এক সংবাদ সম্মেলনে তিনি বলেন, 'সরকার যদি দেখতে পায় যে, এমন ঘটনার কারণে স্থানীয় শ্রমিকরা তাদের কাজ হারিয়েছে তাহলে কোন অজুহাত গ্রহণ করা হবে না। নিয়োগকর্তার বিরুদ্ধে কঠোর ব্যবস্থা নেওয়া হবে।'মানবসম্পদমন্ত্রী আরও বলেন, 'বিদেশি কর্মীদের সঙ্গে স্থানীয়দের প্রতিস্থাপন করা ঠিক নয়।' মালয়েশিয়ার বেশ কয়েকটি সংস্থার দাবি- উৎপাদন, নির্মাণ, বৃক্ষরোপণ, কৃষি এবং পরিষেবার মতো গুরুত্বপূর্ণ খাতে বিদেশি কর্মী নিয়োগের জন্য মালয়েশিয়ার স্থানীয় শ্রমিকদের ছাঁটাই করা হয়েছে। করোনা মহামারির পরবর্তী সময়ে মালয়েশিয়া সরকার নিয়োগের ক্ষেত্রে স্থানীয় শ্রমিকদের প্রাধান্য দিয়ে বিদেশি কর্মী নিয়োগের অনুমতি দেয়। অভিবাসী শ্রমিকদের চাহিদা মেটাতে প্রধানমন্ত্রী আনোয়ার ইব্রাহিমের সভাপতিত্বে ১০ জানুয়ারির বৈঠকে বিদেশি কর্মীদের কর্মসংস্থানের ওপর বিধিনিষেধ শিথিল করা হয়।

post
এনআরবি বিশ্ব

আমিরাতে হৃদরোগে আক্রান্ত হয়ে প্রবাসী বাংলাদেশির মৃত্যু

সংযুক্ত আরব আমিরাতের রাস আল খাইমায় হৃদরোগে আক্রান্ত হয়ে মোহাম্মদ লোকমান (৪৯) নামে এক বাংলাদেশির মৃত্যু হয়েছে। লোকমানের গ্রামের বাড়ি চট্টগ্রামের হাটহাজারী থানায়। ১৫ বছর ধরে তিনি আমিরাতে অবস্থান করছিলেন। জানা গেছে, গত ৩০ জানুয়ারি কর্মস্থলেই হৃদরোগে আক্রান্ত হন লোকমান। পরে হাসপাতালে নেওয়া হলে চিকিৎসক মৃত ঘোষণা করেন।শুক্রবার (৩ ফেব্রুয়ারি) আমিরাতের সময় দিবাগত রাত সাড়ে ৩টায় লোকমানের মরদেহ শারজা এয়ারপোর্ট থেকে বাংলাদেশ বিমানের একটি ফ্লাইটে দেশে পাঠানো হয়। শনিবার বাংলাদেশ সময় সকাল ৯টায় চট্টগ্রাম বিমানবন্দরে ফ্লাইটটি অবতরণ করে।মরদেহ বিমানবন্দর থেকে হাটহাজারীর ছিপাতলী ইউনিয়নে নিজ বাড়িতে নেওয়া হয়। জোহর নামাজের পর তার জানাজা সম্পন্ন হয়। লোকমান ছিপাতলী ইউনিয়নের কালু মাজির বাড়ির আবদুল হামিদের ছেলে। নয় ভাই-বোনের মধ্যে তিনি ছিলেন দ্বিতীয়। মৃত্যুকালে তিনি স্ত্রী, এক ছেলে, তিন মেয়েসহ আত্মীয়স্বজন রেখে যান।

post
এনআরবি বিশ্ব

বাংলাদেশের অর্থনৈতিক সাফল্যের প্রশংসা ইউএস সিনেটরের

ইউএস সিনেটর রজার মার্শাল বাংলাদেশ-যুক্তরাষ্ট্র সম্পর্ককে আরো এগিয়ে নিতে তার সহায়তার কথা বলেছেন। ক্যানসাস থেকে নির্বাচিত রিপাবলিকান সিনেটর রজার মার্শাল শুক্রবার ওয়াশিংটন ডিসিতে তার ক্যাপিটল হিল অফিসে যুক্তরাষ্ট্রে নিযুক্ত বাংলাদেশের রাষ্ট্রদূত মোহাম্মদ ইমরানের সাথে এক বৈঠকে এই আগ্রহ প্রকাশ করেন। বৈঠকে সিনেটর আশা প্রকাশ করেন, দুই দেশ সম্ভাব্য সকল ক্ষেত্রে দ্বিপাক্ষিক সহযোগিতা জোরদারে কাজ করে যাবে। সিনেটর মার্শাল জাতিসংঘ শান্তিরক্ষা মিশনের মাধ্যমে বিশ্বে শান্তি বজায় রাখার ক্ষেত্রে বাংলাদেশের অবদানেরও প্রশংসা করেন। হোমল্যান্ড সিকিউরিটি এবং সরকার সম্পর্কিত সিনেট কমিটির সদস্য সিনেটর মার্শাল রজার বাংলাদেশের অসাধারণ অর্থনৈতিক সাফল্যেরও প্রশংসা করেন। রাষ্ট্রদূত ইমরান প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার নেতৃত্বে বাংলাদেশে যে অভূতপূর্ব আর্থ-সামাজিক উন্নয়ন হয়েছে সেই বিষয়ে সিনেটরকে অবহিত করেন। তিনি বাংলাদেশের টেকসই অর্থনৈতিক প্রবৃদ্ধি, খাদ্য উৎপাদনে স্বয়ংসম্পূর্ণতা, স্বাস্থ্যসেবা খাতে অগ্রগতি, দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা, নারীর ক্ষমতায়ন এবং দক্ষ কোভিড-১৯ ব্যবস্থাপনার কথাও তুলে ধরেন। রাষ্ট্রদূত ইমরান বাংলাদেশে মার্কিন সরকারের কোভিড-১৯ ভ্যাকসিন অনুদানের প্রশংসা করেন। রোহিঙ্গা ইস্যুর বিষয়ে অবহিত করার সময় তিনি রোহিঙ্গাদের তাদের নিজ দেশ মিয়ানমারে প্রত্যাবাসনে সিনেটর রজার মার্শাল এবং মার্কিন কংগ্রেসের সমর্থন কামনা করেন। তারা উভয়েই বাংলাদেশ ও যুক্তরাষ্ট্রের মধ্যে বাণিজ্য ও বিনিয়োগ সম্পর্ক আরো সম্প্রসারিত করা এবং দুদেশের চমৎকার অংশীদারিত্ব আগামীতে আরো গভীর করার ওপর গুরুত্ব আরোপ করেন।

post
এনআরবি বিশ্ব

ঢাকায় মালয়েশিয়ার স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী; শ্রমবাজার ‘গতিশীল’ হওয়ার প্রস্তাব দিবে ঢাকা

মালয়েশিয়ার শ্রমবাজার নিয়ে গত কয়েক বছর ধরে নানা নাটকীয়তা চলছে। বর্তমানে দেশটির শ্রমবাজার বাংলাদেশিদের জন্য খোলা থাকলেও সেটি অনেকটা অচল অবস্থায় আছে। দেশটিতে প্রত্যাশিত শ্রমিক পাঠাতে পারছে না বাংলাদেশ। এমন পরিস্থিতিতে শ্রমবাজারটির জটিলতা নিরসনে আলোচনা করতে সংক্ষিপ্ত সফরে নেপাল হয়ে শনিবার (৪ ফেব্রুয়ারি) বিকেলে ঢাকায় আসছেন মালয়েশিয়ার স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সাইফুদ্দিন নাসুসন ইসমাইল। তার সফরে শ্রমবাজারটি গতিশীল করতে সমঝোতা স্মারক (এমওইউ) পরিবর্তন, অতিরিক্ত অভিবাসন ব্যয় কমানোসহ দেশের সব বৈধ রিক্রুটিং এজেন্সির জন্য বাজার উন্মুক্ত করার প্রস্তাব দেবে ঢাকা।প্রবাসী কল্যাণ ও বৈদেশিক কর্মসংস্থান মন্ত্রণালয় এবং পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় সূত্রে এসব তথ্য জানা গেছে। প্রবাসী কল্যাণ মন্ত্রণালয়ের এক কর্মকর্তা জানান, মালয়েশিয়ার স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীর সফরটা আমাদের জন্য খুবই গুরুত্বপূর্ণ। তিনি শ্রমবাজারের জটিলতা নিয়ে আলাপ করবেন। কীভাবে দেশটিতে আমরা সহজে কর্মী পাঠাতে পারি; সেগুলো আলোচনায় আসবে। এক্ষেত্রে কিছু প্রস্তাব আমাদের দিক থেকে দেওয়া হবে। আমাদের কর্মীদের স্বার্থ আগে। আমরা চাই, সবার জন্য বাজার খুলে দেওয়া হোক। নিয়াগকর্তার পছন্দ মতো রিক্রুটিং এজেন্সি নিয়োগ— এটা আমরা চাই না। অভিবাসন ব্যয় আরও কমানো দরকার। পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের তথ্য বলছে, ২৪ ঘণ্টার সফরে মালয়েশিয়ার স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী প্রবাসী কল্যাণ ও বৈদেশিক কর্মসংস্থানমন্ত্রী ইমরান আহমদ এবং স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী আসাদুজ্জামান কামালের সঙ্গে বৈঠক করবেন। পাশাপাশি তিনি সেনা কল্যাণ সংস্থার সঙ্গেও একটি বৈঠক করবেন। রোববার (৫ ফেব্রুয়ারি) বিকেলে তিনি ঢাকা ছেড়ে যাবেন।পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের এক কর্মকর্তা বলেন, এ সফর খুবই গুরুত্বপূর্ণ। ২০২১ সালে কর্মী পাঠানো নিয়ে আমরা চুক্তি করলেও বাজারটি কিছুটা অচল অবস্থার মধ্যে চলছে। প্রত্যাশিত পর্যায়ে শ্রমিক নিয়োগ হচ্ছে না। শ্রমিক যেতে পারছেন না। অথচ মালয়েশিয়ার শ্রমিক চাহিদা অনেক বেশি। তারা ক্ষতিগ্রস্ত হচ্ছে, আমরাও হচ্ছি। সেই দৃষ্টিকোণ থেকে মালয়েশিয়ার স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীর সফর দু’দেশের জন্য গুরুত্বপূর্ণ। আমরা আশা করছি, বাজার নিয়ে যেসব জটিলতা আছে সেগুলো দূর করা হবে। আমাদের শ্রমিকদের যাওয়ার পথ সুগম হবে। কূটনৈতিক সূত্রগুলো বলছে, আনোয়ার ইব্রাহিম মালয়েশিয়ার প্রধানমন্ত্রীর দায়িত্ব নেওয়ার পর থেকে দেশটির শ্রমবাজারের ওপর বিশেষ নজর দিচ্ছেন। নতুন করে এটি ঢেলে সাজাতে এবং অনিয়ম দূর করতে আইনি ব্যবস্থা নেওয়া হচ্ছে। কর্মীসংশ্লিষ্ট দেশগুলো থেকেও এ বিষয়ে সহযোগিতা চাচ্ছে দেশটি। এরই ধারাবাহিকতায় নেপাল ও বাংলাদেশ পাঠানো হয়েছে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সাইফুদ্দিনকে। ১০ এজেন্সির সিন্ডিকেটের মাধ্যমে হাজার হাজার কোটি টাকার দুর্নীতি ও অনিয়মের অভিযোগে ২০১৮ সালের সেপ্টেম্বর থেকে বাংলাদেশিদের জন্য মালয়েশিয়ার শ্রমবাজার বন্ধ হয়ে যায়। তিন বছর শ্রমবাজারটি বন্ধ থাকার পর ঢাকার কূটনৈতিক প্রচেষ্টায় দেশটিতে নতুন করে কর্মী পাঠাতে ২০২১ সালের ডিসেম্বরে একটি সমঝোতা স্মারক সই করে দুই দেশ। চুক্তি সইয়ের পরের মাস থেকে এটি কার্যকর হওয়ার কথা। কিন্তু কর্মী পাঠানো শুরুর আগেই নতুন শর্ত আসে কুয়ালালামপুরের পক্ষ থেকে। তৎকালীন মালয়েশিয়ার মানবসম্পদমন্ত্রী সারাভারান প্রবাসী কল্যাণমন্ত্রীকে এক চিঠি দিয়ে ২৫টি রিক্রুটিং এজেন্সির মাধ্যমে কর্মী নিয়োগের বার্তা দেয়। ঢাকা এ শর্ত মেনে নিতে রাজি হয়নি। ফিরতি বার্তায় নিবন্ধিত এক হাজারের বেশি রিক্রুটিং এজেন্সির তালিকা মালয়েশিয়ার কাছে হস্তান্তর করে বাংলাদেশ। রিক্রুটিং এজেন্সি নিয়ে শুরু হওয়া নাটকীয়তা বন্ধে গত বছরের জুনের শুরুতে তৎকালীন মালয়েশিয়ার মানবসম্পদমন্ত্রীকে একটি প্রতিনিধিদল নিয়ে ঢাকায় জয়েন্ট ওয়ার্কিং গ্রুপের বৈঠকের জন্য আমন্ত্রণ করে নিয়ে আসেন প্রবাসী কল্যাণমন্ত্রী। তার দুই মাস পর ২০২২ সালে হওয়া চুক্তির পরিপ্রেক্ষিতে ৯ আগস্ট মালয়েশিয়ায় ৫৩ কর্মী পাঠানো সম্ভব হয়। মালয়েশিয়ার শ্রমবাজার নিয়ে জটিলতা কেন— জানতে চাইলে পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের এক কর্মকর্তা বলেন, আমাদের দিক থেকে যেটা দেখা যাচ্ছে, মূল সমস্যাটা মালয়েশিয়া প্রান্তে। আমাদের দিক থেকেও কিছু সমস্যা আছে। রিক্রুটিং এজেন্সি নিয়েই তো মূল সমস্যা। দুই প্রান্তে সংশ্লিষ্ট রিক্রুটিং এজেন্সিগুলো যদি অ্যাকটিভ না হয় এমওইউ সাইন করে কোনো কাজ হবে না। কেননা মাঠে কিন্তু তারাই প্লেয়ার। এ কর্মকর্তা বলেন, একটা বছর জটিলতায় নষ্ট হয়ে গেছে। আমার ধারণা, মালয়েশিয়ার নতুন সরকার বিষয়টাকে খুব ভালোভাবে নিচ্ছেন। সৃষ্ট জটিলতা থেকে যত দ্রুত সম্ভব বের হয়ে আসা দরকার। আমাদের লোকও যাওয়া দরকার। মালয়েশিয়ার স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীর সেনা কল্যাণ সংস্থার সঙ্গে বৈঠকে দেশটিতে নিরাপত্তাকর্মী নিয়োগের বিষয়ে আলাপ করবেন বলে ধারণা দেন এ কর্মকর্তা। তিনি বলেন, সেনা কল্যাণ সংস্থার মাধ্যমে আমাদের সাবেক সেনা, তাদের সিকিউরিটি গার্ড হিসেবে মালয়েশিয়ায় রিক্রুট করার একটা প্রক্রিয়া আছে। এটা নিয়ে একটা চুক্তিও আছে। সিকিউরিটি গার্ড নিয়োগের বিষয়ে আলাপ হতে পারে। গত ৩০ জানুয়ারি মালয়েশিয়ার স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীর ঢাকা সফরের কারণ হিসেবে পররাষ্ট্রমন্ত্রী ড. এ কে আব্দুল সাংবাদিকদের বলেন, তিনি (মালয়েশিয়ার স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী) ঢাকায় আসবেন। আমরা যে কর্মী পাঠাই, এগুলোতে অনেক সময় উল্টাপাল্টা কাজ হয়। তিনি আসছেন এগুলো ঠিক করার জন্য। মোমেন বলেন, ‘আমাদের বিশ্বাস, তিনি আসার পর মানুষ পাঠানোর ক্ষেত্রে যে কার্টেল (মধ্যস্বত্বভোগী চক্র) আছে, সেগুলো দূর হবে। ফলে বাংলাদেশ থেকে কর্মীরা হয়তো স্বল্প খরচেই মালয়েশিয়া যেতে পারবেন।’

post
এনআরবি বিশ্ব

মালদ্বীপে সাততলা থেকে পড়ে এক প্রবাসী শ্রমিক আহত

মালদ্বীপে এসি লাগাতে গিয়ে সাততলা থেকে পড়ে এক প্রবাসী শ্রমিক আহত হয়েছেন। স্থানীয় গণমাধ্যমে বলা হচ্ছে, ওই শ্রমিক বাংলাদেশি নাগরিক। তবে তার নাম উল্লেখ করা হয়নি। বয়স ২৫ বছর বলা হয়েছে। শনিবার (২৮ জানুয়ারি) স্থানীয় সময় বিকেল ৪টা ৪০ মিনিটে দেশটির রাজধানী মালে শহরে ঘটে এ ঘটনা। তবে রোববার (২৯ জানুয়ারি) পুলিশের বরাত দিয়ে এ খবর প্রকাশ করে স্থানীয় গণমাধ্যম।বর্তমানে আহত ওই শ্রমিককে মালদ্বীপের ইন্দিরা গান্ধী মেমোরিয়াল হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে। এটি মালদ্বীপের সরকারি হাসপাতাল।প্রত্যক্ষদর্শীরা জানান, রাশেদ কনস্ট্রাকশন কোম্পানির (আরসিসি) ইউনিফর্ম পরা ওই কর্মী এসি লাগাতে গিয়ে নিচে পড়ে যান। এরপর এলাকাবাসী ও আরসিসি কর্মীরা তাকে হাসপাতালে নিয়ে যান।হাসপাতালের একজন মিডিয়া অফিসার গণমাধ্যমকে জানান, আহত ব্যক্তি জরুরি বিভাগে চিকিৎসা নিচ্ছেন। তবে ওই ব্যক্তির শারীরিক অবস্থা সম্পর্কে কিছু জানাননি তিনি।মালদ্বীপের পুলিশ জানিয়েছে, তারা শনিবার বিকেলে ভবন থেকে এক ব্যক্তির পড়ে যাওয়ার খবর পায়।এর আগে গত বছরের সেপ্টেম্বরে একই কোম্পানির কর্মী কাজ করতে গিয়ে আহত হয়েছিলেন। তখন ওপর থেকে রড পড়ে তার কপালে ঢুকে যায়। পরে মালের এডিকা হাসপাতালে অস্ত্রোপচার হয় তার।

post
এনআরবি বিশ্ব

মালয়েশিয়ায় জাল ভিসা তৈরি ও অবৈধ শ্রমিক সরবরাহকারী ৫ বাংলাদেশি আটক

মালয়েশিয়ায় জাল ভিসা তৈরি ও অবৈধভাবে শ্রমিক সরবরাহকারী ৫ বাংলাদেশিসহ একটি সিন্ডিকেটের ৬ সদস্যকে গ্রেপ্তার করেছে দেশটির অভিবাসন বিভাগ। গত বৃহস্পতিবার সেলাঙ্গর রাজ্যের ক্লাং এলাকায় অভিযান চালিয়ে তাদের গ্রেপ্তার করা হয়। শুক্রবার ২৭ জানুয়ারি রাজধানী পুত্রযায়ায় সংবাদ সম্মেলনে এ বিষয়ে জানান ইমিগ্রেশন মহাপরিচালক খাইরুল জাইমি দাউদ। তবে গ্রেপ্তারকৃতদের বিস্তারিত পরিচয় এখনো প্রকাশ করা হয়নি। ৫ বাংলাদেশির সঙ্গে স্থানীয় এক নারীকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। খাইরুল জাইমি দাউদ জানান, 'মূল হোতা ২ বাংলাদেশির নেতৃত্বে সিন্ডিকেট ভুয়া অস্থায়ী কর্মসংস্থান ভিজিট পাস (পিএলকেএস) ব্যবহার করে বিভিন্ন প্রতিষ্ঠানে বিদেশী কর্মী সরবরাহ করে আসছিল। গত ৮ মাস ধরে এভাবে প্রায় ৮ লাখ ৮০ হাজার রিঙ্গিত আয় করেছে বাংলাদেশি ও স্থানীয়দের সমন্বয়ে গঠিত সিন্ডিকেটটি।' ইমিগ্রেশন মহাপরিচালক বলেন, 'সিন্ডিকেটের টার্গেট ছিল বিদেশি শ্রমিক। যাদের কোনো বৈধ পাস বা ভ্রমণ নথি নেই। সিন্ডিকেটটি বিদেশীদের (পিএলকেএস) স্টিকার পাওয়ার জন্য প্রত্যেকের কাছে ৫ হাজার থেকে ৬ হাজার রিঙ্গিত চার্জ করত।'

About Us

NRBC is an open news and tele video entertainment platform for non-residential Bengali network across the globe with no-business vision just to deliver news to the Bengali community.