post
খেলা

শেষ দিনে বাংলাদেশের প্রয়োজন ৩ উইকেট

ব্যাট হাতে বড় পুঁজি না গড়তে পারলেও সিলেট টেস্টের চতুর্থ দিনটি স্বপ্নের মতো কেটেছে বাংলাদেশের। ঘরের মাঠে নিউজিল্যান্ডের বিপক্ষে চতুর্থ দিন শেষে জয়ের দ্বারপ্রান্তে টাইগাররা।শুক্রবার (১ ডিসেম্বর) ৩৩২ রানের লক্ষ্যে ব্যাট করতে নেমে চতুর্থ দিন শেষে দ্বিতীয় ইনিংসে কিউইদের সংগ্রহ ৭ উইকেটে ১১৩ রান। জয়ের জন্য ব্ল্যাক-ক্যাপসদের প্রয়োজন আরও ২১৯ রান। আর বাংলাদেশের প্রয়োজন মাত্র ৩ উইকেট।তবে দেশের মাটিতে কিউইদের বিপক্ষে প্রথম টেস্ট জয়ের কীর্তিতে বাংলাদেশের অন্যতম বাধা ড্যারিল মিচেল। ৪৪ রানে অপরাজিত আছেন এই কিউই ব্যাটার। ৭ রানে তার সঙ্গী ইশ সোধি।প্রথম ইনিংসে চার উইকেট নিয়ে ব্ল্যাক-ক্যাপসদের ধসিয়ে দিয়েছিলেন তাইজুল। দ্বিতীয় ইনিংসেও বল হাতে চমক দেখাচ্ছেন বাঁহাতি এই স্পিনার। ডেভন কনওয়ে, কেন উইলিয়ামসনের পর টম ব্ল্যান্ডেলকেও ফিরিয়েছেন তিনি। এ ছাড়া শরিফুল ইসলাম, মেহেদী হাসান মিরাজ ও নাঈম হাসান নিজের ঝুলিতে একটি করে উইকেট পুরেছেন।লক্ষ্য তাড়া করতে নেমে চতুর্থ দিনের চা-বিরতি পর্যন্ত ৩ উইকেটে ৩৭ রান করে কিউইরা।টম ল্যাথামকে শূন্যতে শিকার করে বাংলাদেশকে প্রথম সাফল্য এনে দেন পেসার শরিফুল ইসলাম। প্রথম ইনিংসের সেঞ্চুরিয়ান উইলিয়ামসনকে ১১ রানে বিদায় দেন স্পিনার তাইজুল ইসলাম। ২ রান করে স্পিনার মিরাজের শিকার হন হেনরি নিকোলস। ৩০ রানে ৩ উইকেট পতন হয় নিউজিল্যান্ডের।এরপর ক্রিজে আসেন নিকোলস। তবে তাকেও বেশিক্ষণ টিকতে দেননি মিরাজ। নিকোলসকে নাঈমের তালুবন্দী করেন এই স্পিনার। নিকোলসের ব্যাট থেকে আসে মাত্র ২ রান।এরপর তাইজুলের ঘূর্ণিতে পরাস্ত হয়ে সাজঘরে ফেরেন ডেভন কনওয়ে ও টম ব্লান্ডেল। দীপুর হাতে ক্যাচ দিয়ে কনওয়ে (২২) ও ৬ রানে সোহানের হাতে কটবিহাইন্ড হয়ে ফেরেন ব্লান্ডেল। এতে নিয়মিত বিরতিতে উইকেট হারিয়ে ধুঁকতে থাকে কিউইরা।ষষ্ঠ উইকেটে ফিলিপসকে সঙ্গে নিয়ে দলের হাল ধরার চেষ্টা করেন ড্যারিল মিচেল। কিন্তু শেষ বেলায় ফিলিপসকে এলবিডব্লিউর ফাঁদে ফেলেন নাঈম হাসান। ২৬ বলে ১২ রান করে ফেরেন উইকেটকিপার এই ব্যাটার। এরপর কাইল জেমিসনও ক্রিজে এসে স্থায়ী হতে পারেননি। তাতে ১০২ রানেই ৭ উইকেট হারিয়ে ফেলে ব্ল্যাক-ক্যাপসরা।এর আগে, নিজেদের দ্বিতীয় ইনিংসে ৩৩৮ রানে অল-আউট হয় বাংলাদেশ। দলের পক্ষে অধিনায়ক নাজমুল হোসেন শান্ত ১০৪, মুশফিকুর রহিম ৬৭ ও মেহেদি হাসান মিরাজ অপরাজিত ৫০ রান করেন। নিউজিল্যান্ডের স্পিনার অ্যাজাজ প্যাটেল ১৪৮ রানে ৪ উইকেট নেন।এরও আগে, প্রথম ইনিংসে টাইগারদের তিন শ’ ছাড়ানো পুঁজি এনে দিতে ৮৬ রানের ইনিংস খেলেন জয়। এ ছাড়া ৩৭ করে রান যোগ করেন শান্ত ও মুমিনুল। শাহাদাত ২৪, মিরাজ ২০ ও সোহান খেলেন ২৯ রানের ইনিংস।কিউইদের হয়ে প্রথম ইনিংসে ১০৪ রানের ইনিংস খেলেন উইলিয়ামসন। মিডল-অর্ডারে ড্যারেল মিচেল ৪১ ও ফিলিপস ৪২ রানের ইনিংস খেলেন। এ ছাড়া জেমিনসন ও সাউদির ব্যাট থেকে আসে ২৩ ও ৩৫ রানের ইনিংস।প্রথম ইনিংসে ব্ল্যাক-ক্যাপসদের খণ্ডকালীন অফ-স্পিনার ফিলিপস তুলে নেন ৪ উইকেট। জেমিনসন ও অ্যাজাজ প্যাটেল দুটি করে উইকেট নেন। অন্যদিকে বাংলাদেশের হয়ে ৪ উইকেট নিয়েছেন স্পিনার তাইজুল ইসলাম। এ ছাড়া গোল্ডেন হ্যান্ড বনে ক্যারিয়ার সেরা বোলিং করে ৪ রান দিয়ে ৩ উইকেট মুমিনুল হক। আর একটি করে উইকেট শিকার করেন শরিফুল ইসলাম-মেহেদি হাসান মিরাজ ও নাইম হাসান।

post
খেলা

সিলেট টেস্টের তৃতীয় দিন শেষে ২০৫ রানের লিড দিলো বাংলাদেশ

সিলেট টেস্টের তৃতীয় দিন শেষে নিউজিল্যান্ডের বিপক্ষে দ্বিতীয় ইনিংসে ২০৫ রানের লিড দিয়েছে বাংলাদেশ। এদিনে টেস্ট ক্যারিয়ারের পঞ্চম সেঞ্চরি পেয়েছে নাজমুল হোসেন শান্ত। তবেক দিনের প্রথম ঘণ্টা ভীষণ হতাশায় পড়ে টিম টাইগার্সরা।বাংলাদেশের হাতে রেয়েছে ৭ উইকেট নিউজিল্যান্ডের সামনে বড় রানের লক্ষ্য দেয়ার ভালো সম্ভাবনা স্বাগতিকদের।

post
খেলা

সিলেট টেস্টে প্রথম ইনিংসে নিউজিল্যান্ডের সংগ্রহ ৮ উইকেটে ২৬৬ রান

সিলেট টেস্টে দ্বিতীয়দিন শেষে প্রথম ইনিংসে নিউজিল্যান্ডের সংগ্রহ ৮ উইকেটে ২৬৬ রান।টেস্ট ক্যারিয়ারের ২৯তম সেঞ্চুরি পেয়েছেন নিউজিল্যান্ডের উইলিয়ামসন। অপরদিকে, বোলিংয়ে বাংলাদেশের তাইজুল ইসলাম ৪ উইকেট ও শরিফুল, মিরাজ, নাঈম ও মুমিনুল ১টি করে উইকেট পেয়েছেন। এর আগে, ৩১০ রানে শেষ হয় বাংলাদেশের প্রথম ইনিংস। দ্বিতীয়দিন শেষে এখন ৪৪ রানে এগিয়ে স্বাগতিকরা।

post
খেলা

নিউজিল্যান্ডের বিপক্ষে ১ম দিনে বাংলাদেশের সংগ্রহ ৯ উইকেটে ৩১০ রান

নিউজিল্যান্ডের বিপক্ষে ঘরের মাঠে দুই ম্যাচ টেস্ট সিরিজের প্রথম দিনে বাংলাদেশের সংগ্রহ ৯ উইকেটে ৩১০ রান।মঙ্গলবার সিলেট আন্তর্জাতিক ক্রিকেট স্টেডিয়ামে টসে জিতে প্রথমে ব্যাট করার সিদ্ধান্ত নেয় বাংলাদেশের অধিনায়ক নাজমুল হোসেন শান্ত। দলের পক্ষে সর্বোচ্চ ৮৬ রান করেন মাহমুদুল হাসান জয়। তাইজুল ৮ আর শরিফুল ১৩ রানে অপরাজিত রয়েছেন। এদিকে, নিউজিল্যান্ডের পক্ষে সর্বোচ্চ ৪ উইকেট নেন গ্লেন ফিলিপস জেমিসন, এজাজ প্যাটেল ও জেমিসন ২টি করে এবং সোধি ১টি উইকেট নেন।

post
খেলা

চার পয়েন্টে এগিয়ে রিয়াল মাদ্রিদ ক্লাব

রিয়াল মাদ্রিদের জার্সিতে রদ্রিগো সেরা ফর্মে আছেন। ২০১৯ সালে স্প্যানিশ ক্লাবে যোগ দেওয়ার পর এই প্রথমবার টানা তৃতীয় ম্যাচে গোল করেছেন ব্রাজিলিয়ান এ ফরোয়ার্ড। গতকাল তার দুটি গোলের মধ্যদিয়ে ৩-০ গোলে কাদিজের মাঠে জিতেছে মাদ্রিদ ক্লাব।অপরদিকে উড়তে থাকা জিরোনাকে এক পয়েন্টে পেছনে ফেলেছে রিয়াল। ১৪ ম্যাচে ৩৫ পয়েন্ট নিয়ে শীর্ষে তারা। তৃতীয় ও চতুর্থ স্থানে থাকা অ্যাটলেটিকো মাদ্রিদ ও বার্সেলোনার চেয়ে চার পয়েন্টে এগিয়ে গেলো মাদ্রিদ ক্লাব। এক নম্বর স্থান পুনরুদ্ধার করতে সোমবার অ্যাথলেটিক বিলবাওকে ঘরের মাঠে খেলবে জিরোনা (৩৪)।

post
খেলা

বিশ্বকাপের সেরা একাদশে ভারতের ৬ অস্ট্রেলিয়ার ২ ক্রিকেটার

ইন্টারন্যাশনাল ক্রিকেট কাউন্সিল (আইসিসি) সম্প্রতি ওয়ানডে বিশ্বকাপ ফাইনালের পর তাদের সেরা একাদশ ঘোষণা করেছে। আইসিসির একাদশে জায়গা পেয়েছেন ভারতসহ পাঁচ দেশের ক্রিকেটাররা। তার মধ্যে এই দলে সর্বোচ্চ ৬ জন ভারতীয় ক্রিকেটার রয়েছেন। একাদশের অধিনায়ক করা হয়েছে ভারতের রোহিত শর্মাকে। চ্যাম্পিয়ন অস্ট্রেলিয়া থেকে মাত্র দুইজন ক্রিকেটার এই একাদশে জায়গা পেয়েছেন। সাউথ আফ্রিকা, নিউ যিল্যান্ড এবং শ্রীলংকা থেকে একজন করে খেলোয়াড় একাদশে নির্বাচিত হয়েছেন। বাংলাদেশ, পাকিস্তান, ইংল্যান্ড, আফগানিস্তান ও নেদারল্যান্ডসের কোনো খেলোয়াড় এই দলে স্থান পাননি। ব্যাটিং অর্ডারে, রোহিত শর্মা ও কুইন্টন ডি কক ওপেনার হিসেবে নির্বাচিত হয়েছেন। ভিরাট কোহলি তিন নম্বরে আছেন, যিনি টুর্নামেন্টের সেরা খেলোয়াড় হিসেবে সর্বোচ্চ ৭৬৫ রান করেছেন। ড্যারিল মিচেল এবং লোকেশ রাহুল মিডল অর্ডারে আছেন। অলরাউন্ডার হিসেবে গ্লেন ম্যাক্সওয়েল এবং রবিন্দ্র জাদেজা নির্বাচিত হয়েছেন। এবারের বিশ্বকাপে জাদেজা নিয়েছেন ১৬ উইকেট এবং ম্যাক্সওয়েল ৪০০ রানের পাশাপাশি ৬ উইকেট নিয়েছেন। বোলিং বিভাগে জাসপ্রিত বুমরাহ, মোহাম্মদ সামি, দিলশান মাদুশঙ্কা এবং অ্যাডাম জ্যাম্পা রয়েছেন। বিশ্বকাপের এই আসরে মোহাম্মদ সামি সর্বোচ্চ ২৪ উইকেট নিয়েছেন এবং বুমরাহ ২০ উইকেট নিয়েছেন। বিশ্বকাপের সেরা একাদশের দ্বাদশ খেলোয়াড় হিসেবে সাউথ আফ্রিকার পেইসার জেরাল্ড কোয়েৎজিকে রাখা হয়েছে। এই দল বাছাই করেছেন ইয়ান বিশপ, কাস নাইড়ু, শেন ওয়াটসন, আইসিসির ক্রিকেট মহাব্যবস্থাপক ওয়াসিম খান, এবং সাংবাদিক সুনিল বৈদ্য। বিশ্বকাপের সেরা একাদশ: রোহিত শর্মা (অধিনায়ক), কুইন্টন ডি কক (উইকেটকিপার), ভিরাট কোহলি, ড্যারিল মিচেল, লোকেশ রাহুল, গ্লেন ম্যাক্সওয়েল, রবিন্দ্র জাদেজা, জসপ্রিত বুমরাহ, দিলশান মাদুশঙ্কা, অ্যাডাম জ্যাম্পা ও মোহাম্মদ সামি। (দ্বাদশ খেলোয়াড়) জেরাল্ড কোয়েৎজি।

post
খেলা

নিলামে উঠছে মেসির বিশ্বকাপজয়ী জার্সি, দাম ১১১ কোটি টাকা!

আর্জেন্টিনার বিশ্বকাপজয়ী তারকা লিওনেল মেসির জার্সি নিলামে তোলা হচ্ছে। এই নিলামে কাতার বিশ্বকাপে মেসির পরিহিত ৬টি জার্সি অন্তর্ভুক্ত থাকবে, যার মধ্যে সৌদি আরব, মেক্সিকো, অস্ট্রেলিয়া, নেদারল্যান্ডস, ক্রোশিয়া এবং ফ্রান্সের বিপক্ষে ম্যাচের জার্সিগুলো রয়েছে। আন্তর্জাতিক নিলাম প্রতিষ্ঠান সোথবি’স এই জার্সিগুলোর দাম ১০ মিলিয়ন ডলার (প্রায় ১১১ কোটি বাংলাদেশি টাকা) পর্যন্ত উঠতে পারে বলে আশা করছে। এই নিলাম ক্রীড়া সম্পর্কিত নিলামের ইতিহাসে সবচেয়ে মূল্যবান সংগ্রহে পরিণত হতে পারে। এর আগে, ১৯৯৮ সালে মাইকেল জর্ডানের জার্সি ১০.১ মিলিয়ন ডলারে বিক্রি হয়েছিল, যা এখন পর্যন্ত সর্বোচ্চ দামে বিক্রি হওয়া ক্রীড়াবিদের জার্সির রেকর্ড। মেসির জার্সিগুলো নিলামে তুলবে যুক্তরাষ্ট্রের প্রযুক্তিবিষয়ক স্টার্টআপ কোম্পানি এসি মোমেন্টো, এবং নিলামে প্রাপ্ত অর্থের একটি অংশ 'ইউনিকাস' নামক মানবিক সহায়তা প্রকল্পে দান করা হবে, যা বার্সালোনায় শিশুদের বিরল রোগের চিকিৎসা প্রদান

post
খেলা

২৫ বছরের জন্য ২ মাঠ লিজ পেয়েছে বাফুফে !

জাতীয় ক্রীড়া পরিষদের কাছ থেকে দুইটি মাঠ ২৫ বছরের জন্য লিজ পেয়েছে বাংলাদেশ ফুটবল ফেডারেশন-বাফুফে।কমলাপুরের বীরশ্রেষ্ঠ শহিদ সিপাহি মোস্তফা কামাল স্টেডিয়াম ও বাফুফে ভবনের পাশের মাঠটি আগামী ২৫ বছরের জন্য বাফুফে ব্যবহার করার সম্মতি পেয়েছে। আজ ক্রীড়া পরিষদের অফিসে দুই পক্ষের মধ্যে এ নিয়ে চুক্তি স্বাক্ষর হয়। এই দুটি মাঠ জাতীয় ক্রীড়া পরিষদের কাছ থেকে লিজ নিয়ে বাফুফে ব্যবহার করে আসছে। তবে এই দুইটি মাঠের মেয়াদ শেষ হওয়ার আগেই বাংলাদেশ ফুটবল নিয়ন্ত্রক সংস্থা আবারও লিজের জন্য আবেদন করে। জাতীয় ক্রীড়া পরিষদ সেই আবেদন পর্যালোচনা করে মঞ্জুর করেছে। বাফুফের কর্তকর্তারা আশা করছেন,ফিফা ফরোয়ার্ড-৩ প্রকল্পের অধীনে নতুন বছরের ফেব্রুয়ারিতে দুই মাঠে টার্ফ বসানোর কাজ শুরু হতে পারে।

post
আন্তর্জাতিক

অপ্রতিরধ্য ভারতের হৃদয় ভেঙে ওয়ানডে বিশ্বকাপের হেক্সা জয় অস্ট্রেলিয়ার

আহমেদাবাদের নরেন্দ্র মোদী স্টেডিয়ামে বিশ্বের সবচেয়ে বড় দর্শক সমাগম সাক্ষী হয়ে থাকলো এক অসাধারণ ক্রিকেট ম্যাচের, যেখানে ভারতের স্বপ্ন ভেঙে চুরমার হয়ে গেল অস্ট্রেলিয়ার পেশাদারিত্বের কাছে। ট্রাভিস হেডের মনোমুগ্ধকর সেঞ্চুরি এবং দুর্দান্ত বোলিং-ফিল্ডিংয়ে তারা জয় করে নিলো ষষ্ঠ বিশ্বকাপ শিরোপা। হেক্সা মিশন সম্পন্ন করে ভারতের মাটিতে উড়ালো বিজয় কেতন। আগের সব ম্যাচে এ দলটি ছিল অপরাজিত অপ্রতিরধ্য। কিন্তু ফাইনালে এসে থেমে গেলো বিরাট-শামীদের জয় রথ। অজিরা জয় ছিনিয়ে নিলো ম্যাচটাকে এরকমক একপেশে বানিয়ে। অথচ বিশ্বকাপ মিশন তারা শুরু করেছিলো প্রথম দুই ম্যাচ হেরে। সেই অস্ট্রেলিয়া কিনা অসাধারণ প্রত্যাবর্তন ঘটিয়ে টানা নয় ম্যাচ জিতে হয়ে গেলো ২০২৩'র বিশ্বচ্যাম্পিয়ন। প্যাট কামিন্সের অসাধারণ অধিনায়কত্ব ও কৌশলগত সিদ্ধান্ত অস্ট্রেলিয়ার এই জয়ে ছিলো অনন্য ভূমিকা। তার নেতৃত্বে অস্ট্রেলিয়া না কেবল টেস্ট চ্যাম্পিয়নশিপ, বরং জয় করে নিলো ওয়ানডে বিশ্বকাপও। ট্রাভিস হেডের অসাধারণ ব্যাটিং এবং মার্নাস লাবুশেনের সাথে তার জুটি ছিল এই জয়ের মূল চাবিকাঠি। ১২০ বলে ১৩৭ রানের ঐতিহাসিক ইনিংস খেলেন ট্রাভিস হেড। এক প্রান্ত আগলে রেখে ১১০ বলে ৫৮ রানের মহামূল্য অপরাজিত ইনিংস খেলেন লাবুশেন। ম্যাচের শুরুর সময়টাও ছিল বেশ রোমাঞ্চকর। টস হেরে আগে ব্যাটিং পেয়ে খুশিই হয়েছিলেন রোহিত। তার চাওয়া ছিল আগে ব্যাটিং করাই। কিন্তু ভারতের ব্যাটিং লাইন আপে রোহিত শর্মা, বিরাট কোহলি ও লোকেশ রাহুলের প্রচেষ্টা সত্ত্বেও দল বড় স্কোর গড়তে ব্যর্থ হয়। পরে অস্ট্রেলিয়ার দারুণ বোলিং ও ফিল্ডিংয়ে ভারত ২৪০ রানে আটকে যায়, পাঁচ বারের চ্যাম্পিয়নদের জন্য যা ছিলো সহজ লক্ষ্য। যদিও ৪৭ রানে তারা হারিয়ে বসেছিলো ৩ উইকেট। কিন্ত অজিদের চেনা পেশাদারিত্বে পিষ্ট হয় ভারতের তৃতীয় বিশ্বকাপ জয়ের স্বপ্ন। ফাইনালে ৪২ বল হাতে রেখে ৬ উইকেটের জয়ে বিশ্বকাপ ইতিহাসের সফলতম দল হিসেবে অস্ট্রেলিয়া জিতে নিল তাদের ষষ্ঠ শিরোপা। ম্যান অব দ্যা ম্যাচ হয়েছেন ট্রাভিস হেড। আর কোন বিশ্বকাপে সর্বোচ্চ ব্যাক্তিগত রান সংগ্রাহক হিসেবে ৭৬৫ করে ম্যান অব দ্যা টুর্নামেন্ট হয়েছেন বিরাট কোহলি। স্বভাবতই ম্যাচ শেষে দুই দলের অনুভূতির বিপরীত চিত্র দেখা যায়। একপাশে যখন রোহিত-সিরাজদের চোখে পানি, পাশেই চলছিলো ওয়ার্নার-ম্যাক্সওয়েলদের বিজয় উৎসব। এই জয় অস্ট্রেলিয়ার ক্রিকেট ইতিহাসে যোগ হলো আরেকটি গৌরবময় অধ্যায়।  

post
খেলা

মালদ্বীপকে হারিয়ে বিশ্বকাপ বাছাইয়ের দ্বিতীয় ধাপে বাংলাদেশ

এই ম্যাচে জয় পেলেই বিশ্বকাপ বাছাইপর্বে খেলতে যাওয়া, এবং হারলে একরকম আর্ন্তজাতিক ফুটবল থেকে নির্বাসনে যেতে হবে, – এই কঠিন সমীকরণ নিয়েই ১৭ অক্টোবর ঢাকায় বসুন্ধরা কিংস অ্যারেনায় মাঠে নেমেছে বাংলাদেশ ও মালদ্বীপের জাতীয় ফুটবল দল। লাল-সবুজদের এই ম্যাচটি জেতা অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ ছিল, এই বাস্তবতাও স্বীকার করেছেন বাংলাদেশের জাতীয় ফুটবল দলের অধিনায়ক জামাল ভুঁইয়া। তিনি বলেছেন, এই ম্যাচটি তার জীবনের সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ ম্যাচ ছিল। ম্যাচটিকে তিনি বলে রেখেছিলেন ‘ফাইনাল অব দ্য ইয়ার’ ম্যাচ। বাছাই পর্বের প্লে অফের দ্বিতীয় লেগের এমন ম্যাচে দশ জন নিয়েও বাংলাদেশ মালদ্বীপকে ২-১ গোলে হারিয়ে বিশ্বকাপ বাছাইপর্বের দ্বিতীয় ধাপে খেলার যোগ্যতা অর্জন করেছে। ২০২৬ বিশ্বকাপ বাছাইপর্বের মূল গ্রুপপর্বে জায়গা করে নিতে মালদ্বীপের বিপক্ষে এ ম্যাচ জেতার বিকল্প ছিল না। মালেতে প্রথম লেগ ১-১ গোলে ড্র হওয়ায় বসুন্ধরা কিংস অ্যারেনার এ ম্যাচ আসলেই পরিণত হয়েছিল ‘ফাইনালে’। সেই ফাইনাল ২-১ গোলে জিতেই বিশ্বকাপ বাছাইপর্বের মূলপর্বে জায়গা করে নিয়েছে হাভিয়ের কাবরেরার দল। প্রথমার্ধের খেলা ছিল ১-১ গোলে অমীমাংসিত। ১১ মিনিটে রাকিব হোসেনের গোলে এগিয়ে গিয়েছিল বাংলাদেশ। সাদউদ্দিনের বাড়ানো বল ধরে ফয়সাল আহমেদ ফাহিম খুব ছোট অ্যাঙ্গেল থেকে চমৎকার এক কাটব্যাক করেন মালদ্বীপ বক্সে। তা থেকে গোল করে কিংস অ্যারেনাকে উল্লাসে মাতান রাকিব হোসেন। ৩৬ মিনিটে আইসাম ইব্রাহিমের গোলে সমতায় ফিরেছিল মালদ্বীপ। কিন্তু দ্বিতীয়ার্ধের শুরুতেই ফয়সাল আহমেদ ফাহিমের গোলে ২-১ গোলে এগিয়ে যায় বাংলাদেশ। কিন্তু ৫৯ মিনিটে সোহেল রানা জুনিয়র লাল কার্ড পেলে ম্যাচের বাকি সময়টা ১০ জন নিয়ে দরুণ লড়াই করেছে বাংলাদেশ। একের পর এক আক্রমণে গেছে বাংলাদেশের ফুটবলাররা। মালদ্বীপও অবশ্য এ সময় গোলের সুযোগ তৈরি করেছিল। কিন্তু বাংলাদেশের রক্ষণভাগ দাঁতে দাঁত চেপে লড়াই করেছে। ম্যাচের শেষ প্রান্তে গিয়ে মালদ্বীপও দশ জনের দলে পরিণত হয়। বক্সের সামনে বাংলাদেশের ফরোয়ার্ডকে বাজেভাবে ফাউল করলে রেফারি মালদ্বীপের ফুটবলারকে সরাসরি লাল কার্ড দেখান। ফলে দশজন নিয়েও র‌্যাঙ্কিংয়ে এগিয়ে থাকা মালদ্বীপকে হারিয়ে বিশ্বকাপ বাছাইয়ের দ্বিতীয় রাউন্ডে উঠল হ্যাভিয়ের ক্যাবরেরার শিষ্যরা। কোচ কাবরেরা ম্যাচ শেষেও বলেছেন, মালদ্বীপকে হারিয়ে লক্ষ্য অর্জিত হয়েছে। এখন আরও বড় অর্জনের দিকে ঝাঁপাতে প্রস্তুত বাংলাদেশ দল। সেই অর্জনের পথটা কঠিন। গ্রুপপর্বে বাংলাদেশকে লড়তে হবে অস্ট্রেলিয়া, লেবানন, ফিলিস্তিনের বিপক্ষে।

About Us

NRBC is an open news and tele video entertainment platform for non-residential Bengali network across the globe with no-business vision just to deliver news to the Bengali community.