post
বাংলাদেশ

আওয়ামী লীগের সময়ের কোনো নির্বাচন প্রশ্নবিদ্ধ হয়নি : প্রধানমন্ত্রী

জাতীয় নির্বাচন অবাধ, সুষ্ঠু ও নিরপেক্ষ করার ক্ষেত্রে সরকার বদ্ধপরিকর বলে জানিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। তিনি বলেন, বর্তমান সরকার নির্বাচনের ক্ষেত্রে একটি উচ্চ মানদণ্ড স্থাপন করতে পেরেছে। আওয়ামী লীগের সময়ের কোনো নির্বাচন প্রশ্নবিদ্ধ হয়নি।আজ বুধবার জাতীয় সংসদে সরকারি দলের সংসদ সদস্য কাজিম উদ্দিন আহম্মেদের প্রশ্নের জবাবে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা এসব কথা বলেন। প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা রাষ্ট্রীয় সফরে সুইজারল্যান্ডে অবস্থান করছেন। তবে সংসদে প্রধানমন্ত্রীর জন্য নির্ধারিত লিখিত প্রশ্নোত্তর টেবিলে উত্থাপন করা হয়।প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা বলেন, ‘আমরা নির্বাচনের ক্ষেত্রে একটি উচ্চ মানদণ্ড স্থাপন করতে পেরেছি। নির্বাচনে জনগণ যাকে ভোট দিয়েছে, সে–ই নির্বাচিত হয়েছে। বিএনপির আমলে অনুষ্ঠিত ১৯৯৬ সালের ১৫ ফেব্রুয়ারির মতো বিতর্কিত নির্বাচন কখনো আওয়ামী লীগ সরকারের আমলে হয়নি এবং হবেও না। দেশের জনগণ যাতে তাদের মূল্যবান ভোটাধিকার প্রয়োগ করে জনপ্রতিনিধি নির্বাচিত করতে পারে, সে লক্ষ্যে সাংবিধানিক প্রতিষ্ঠান নির্বাচন কমিশনের স্বাধীন কর্মকাণ্ডকে এগিয়ে নিতে আমাদের সরকার সদা প্রস্তুত রয়েছে।’ প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা বলেন, আগামী জাতীয় সংসদ নির্বাচনকে স্বচ্ছ, অবাধ, ভীতিহীন, সুষ্ঠু, নিরপেক্ষ এবং সর্বমহলে গ্রহণযোগ্য করার লক্ষ্যে বর্তমান সরকার নির্বাচন কমিশনকে পূর্ণ সহায়তা প্রদানসহ প্রয়োজনীয় সব ব্যবস্থা গ্রহণ করেছে। আগামী নির্বাচন সুষ্ঠু করতে নেওয়া বিভিন্ন পদক্ষেপের কথা তুলে ধরেন সংসদ নেতা শেখ হাসিনা। তিনি বলেন, ‘নির্বাচন কমিশন তার সাংবিধানিক বাধ্যবাধকতা অনুযায়ী স্বাধীনভাবে কাজ করে যাবে এবং সুষ্ঠু নির্বাচনের প্রয়োজনে যা যা করার, তার সবকিছু করবে। আমরা দেশি-বিদেশি পর্যবেক্ষককে নির্বাচন পর্যবেক্ষণের জন্য আহ্বান জানাচ্ছি। যারাই পর্যবেক্ষক পাঠাতে চায়, তারা পাঠাতে পারবে।’ নির্বাচন কমিশন যেকোনো সময়ের চেয়ে শক্তিশালী, নিরপেক্ষ এবং প্রশাসনিক ও আর্থিকভাবে স্বাধীন উল্লেখ করে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা বলেন, নির্বাচনকালে নির্বাচনের সঙ্গে সংশ্লিষ্ট সব সরকারি কর্মকর্তা/প্রতিষ্ঠান সুনির্দিষ্ট সময়ে নির্বাচন কমিশনের অধীন ন্যস্ত হবে। সংসদ নেতা বলেন, আওয়ামী লীগ জনগণের ম্যান্ডেটে বিশ্বাসী। জনগণই ঠিক করবে কে দেশ চালাবে। এটা জনগণের ক্ষমতা। সরকার জনগণের ক্ষমতা নিশ্চিত করতে প্রতিশ্রুতিবদ্ধ। আওয়ামী লীগ যখনই সরকার গঠন করেছে, তখনই সুষ্ঠু, অবাধ ও নিরপেক্ষ নির্বাচন হয়েছে উল্লেখ করে সংসদ নেতা বলেন, ‘ইতিমধ্যে যতগুলো জাতীয় সংসদ নির্বাচন, জাতীয় সংসদের শূন্য পদের নির্বাচন, স্থানীয় সরকার প্রতিষ্ঠানের নির্বাচন, উপনির্বাচন হয়েছে, তা সম্পূর্ণ নিরপেক্ষ, অবাধ ও সুষ্ঠু হয়েছে। নির্বাচন কমিশন পূর্ণ সক্ষমতা নিয়ে স্বাধীনভাবে এসব নির্বাচন অনুষ্ঠান সম্পন্ন করেছে। সরকারের সকল দপ্তর/বিভাগ এতে সহযোগিতা করেছে। আমাদের সরকারের সময়ের কোনো নির্বাচন প্রশ্নবিদ্ধ হয়নি।’ সিরাজগঞ্জ-৬ আসনের সংসদ সদস্য মেরিনা জাহানের প্রশ্নের জবাবে প্রধানমন্ত্রী বলেন, ‘গত তিন যুগ ধরে সংসদে আমি গণতন্ত্র, আইনের শাসন, জনগণের ভোট ও ভাতের অধিকার প্রতিষ্ঠা এবং দুঃখী মানুষের মুখে হাসি ফোটানোর জন্য নিরলস কাজ করছি। বাংলাদেশের জনগণই আমার শক্তি, প্রেরণা। বাংলাদেশের মানুষের জীবনমান উন্নয়নে যেকোনো ত্যাগ স্বীকার করতে সদা প্রস্তুত আমি।’ তিনি বলেন, ধারাবাহিকভাবে সরকার পরিচালনার ফলে বাংলাদেশ আজ আর্থসামাজিক উন্নয়নের এক অনন্য উচ্চতায় পৌঁছেছে।

post
বাংলাদেশ

বাংলাদেশে অর্থনৈতিক অঞ্চল গড়ে তোলার জন্য ভুটানকে প্রস্তাব প্রধানমন্ত্রীর

প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা পারস্পরিক স্বার্থে বাংলাদেশে একটি অর্থনৈতিক অঞ্চল গড়ে তোলার জন্য ভুটানকে প্রস্তাব দিয়েছেন। শনিবার (মে ০৬) সন্ধ্যায় লন্ডনের হোটেল ক্ল্যারিজে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা এবং ভুটানের রাজা জিগমে খেসার নামগায়েল ওয়াংচুক ও রানি গায়ালতসুয়েন জেতসুন পেমা বৈঠক করেন। এ সময় বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রী ভুটানকে অর্থনৈতিক অঞ্চল দেওয়ার প্রস্তাব দেন। এর আগে হোটেলে পৌঁছালে প্রধানমন্ত্রী ও তার ছোট বোন শেখ রেহানা ভুটানের রাজা ও রানিকে স্বাগত জানান। বৈঠকের পর পররাষ্ট্রমন্ত্রী একে আব্দুল মোমেন সাংবাদিকদের ব্রিফ করেন। পররাষ্ট্রমন্ত্রী মোমেন বলেন, ভুটানের রাজা ও রানি বাংলাদেশের অর্থনৈতিক উন্নয়নের ভূয়সী প্রশংসা করেন। ভুটানের রাজা বলেন, তাদের দেশেও তারা একটা অ্যাডমিনিসট্রেটিভ ইকোনোমিক জোন করতে চান। যেখানে বৈদেশিক বিনিয়োগ আসে। ভৌগলিক আয়তনে ছোট দেশ ভুটানের রাজা বলেন, অর্থনৈতিক অঞ্চল করা নিয়ে তারা খুব দুশ্চিন্তায় রয়েছেন। কারণ তারা (ভুটান) তাদের পরিবেশকে দূষিত করতে চান না। তারা সুখী দেশ। কোনভাবে পরিবেশকে বিকৃত করতে চান না। এ সময় প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা বলেন, আমরা আমাদের দেশে অনেকগুলো অর্থনৈতিক অঞ্চল প্রতিষ্ঠা করছি। আপনারা আমাদের দেশে অর্থনৈতিক অঞ্চল করতে পারেন। এটি ভুটান অর্থনৈতিক অঞ্চল হিসেবে পরিচিত হবে। শেখ হাসিনা বলেন, আমরা ইন্ডিয়া, জাপান, দক্ষিণ কোরিয়া সবাইকে একের অধিক অর্থনৈতিক অঞ্চল দিয়েছি। আপনারা চাইলে আমরা একটা অর্থনৈতিক অঞ্চল দিতে পারি। প্রতিবেশীদের সঙ্গে আঞ্চলিক কানেকটিভিটি বাড়ানো প্রসঙ্গে প্রধানমন্ত্রী বলেন, আমরা সব প্রতিবেশির সঙ্গে যোগাযোগ ব্যবস্থা উন্নত করেছি। এ প্রসঙ্গে ভুটানের রাজা বলেন, এটা ভালো হয়েছে। রেলওয়ে কানেকটিভিটি প্রসঙ্গে ভুটানের রাজা বলেন, আগামীতে তারা এটা করতে চান। রাজা বলেন, আমি দুটা চাই। একটা হচ্ছে ভারতের মধ্যে দিয়ে, আরেকটা হচ্ছে আমি ডাইরেক্ট ট্রানজিট চাই। সরাসরি প্রবেশ চাই বাংলাদেশে। ভুটানের রাজার এই চাওয়াকে সমর্থন জানিয়ে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা বলেন, আমরা এটাকে স্বাগত জানাই। সেই জন্য ভারতকে কিছু বলতে হলে আমরা সেটা বলবো। বাংলাদেশকে কানেকটিভিটির হাব হিসেবে উল্লেখ করেন প্রধানমন্ত্রী। ভুটানের জন্য বাংলাদেশের দুইটা বন্দর এবং সৈয়দপুর বিমানবন্দর ব্যবহারের সুযোগের কথা উল্লেখ করেন শেখ হাসিনা। বাংলাদেশের সঙ্গে ভুটানের সুসম্পর্কের কথা উল্লেখ করে ভুটানের রাজা ও রানি বলেন, আমার দেশের প্রধানমন্ত্রী, পররাষ্ট্রমন্ত্রী, তারা সবাই বাংলাদেশে পড়াশোনা করেছে। এই জন্য আমাদের দেশের মানুষের বাংলাদেশের প্রতি একট বিশেষ আকর্ষণ রয়েছে। বাংলাদেশে বেড়ানোর আগ্রহ প্রকাশ করে ভুটানের রাজা ও রানি বলেন, তারা বাংলাদেশে আরও সফর করতে চান। রাষ্ট্রীয়ভাবে না, তারা বাংলাদেশে বেড়াতে চান। বাংলাদেশের সংস্কৃতি তাদের খুব পছন্দ। তারা ভিজিটর হিসেবে বাংলাদেশে বেড়াতে চান। প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা ভুটানের রাজা ও রাণীর এই আগ্রহকে স্বাগত জানিয়ে বলেন, আমাদের দুয়ার সব সময় আপনাদের জন্য খোলা। আন্তরিক পরিবেশ প্রায় ঘণ্টা খানেক আলাপ হয় জানিয়ে পররাষ্ট্রমন্ত্রী একে আব্দুল মোমেন বলেন, অনেক পারিবারিক আলাপ হয়। তারা প্রধানমন্ত্রীকে খালা হিসেবে, অভিভাবক হিসেবে সম্মান করেন। ভুটানের রাজা-রানি ও প্রধানমন্ত্রীর বৈঠকের সময় অন্যান্যের মধ্যে উপস্থিত ছিলেন, পররাষ্ট্রমন্ত্রী ড. একে আব্দুল মোমেন, প্রধানমন্ত্রীর বেসরকারি শিল্প ও বিনিয়োগ উপদেষ্টা সালমান এফ. রহমান, পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী মো. শাহরিয়ার আলম, প্রধানমন্ত্রীর মুখ্য সচিব মোহাম্মদ তোফাজ্জল হোসেন মিয়া, পররাষ্ট্র সচিব মাসুদ বিন মোমেন, প্রধানমন্ত্রীর স্পিচ রাইটার নজরুল ইসলাম, যুক্তরাজ্যে নিযুক্ত বাংলাদেশের হাইকমিশনার সাইদা মুনা তাসনীম।

post
বাংলাদেশ

আ.লীগ সরকার সব ধর্মের মানুষের অধিকার নিশ্চিতে কাজ করছে : প্রধানমন্ত্রী

প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা বলেছেন, তার দল আওয়ামী লীগ যখনই সরকারে থাকে, সব ধর্মীয় বিশ্বাসের মানুষের অধিকার নিশ্চিত করতে সব সময় কাজ করে।বাংলাদেশ হিন্দু, বৌদ্ধ, খ্রিস্টান ঐক্য পরিষদের নেতারা বুধবার গণভবনে তার সঙ্গে সৌজন্য সাক্ষাৎকালে প্রধানমন্ত্রী এ কথা বলেন। সাক্ষাৎ শেষে প্রধানমন্ত্রীর ডেপুটি প্রেস সেক্রেটারি সাখাওয়াত মুন সাংবাদিকদের এ তথ্য জানান। প্রধানমন্ত্রী নেতাদের বলেন, ধর্ম যার যার কিন্তু উৎসব সবার। তার সরকার বঙ্গবন্ধুর আদর্শ ও মুক্তিযুদ্ধের চেতনা বাস্তবায়ন করে দেশকে এগিয়ে নিয়ে যাচ্ছে। বাংলাদেশ হিন্দু, বৌদ্ধ, খ্রিস্টান ঐক্য পরিষদের সাধারণ সম্পাদক রানা দাস গুপ্তের নেতৃত্বে বৈঠকে নেতারা বলেন, দেশে চাকরি, নিয়োগ, পদোন্নতির মতো সব ক্ষেত্রে বৈষম্য দূর হয়েছে। তারা বিভিন্ন ধর্মের মানুষ স্বাধীনভাবে তাদের ধর্মীয় রীতি পালন করায় প্রধানমন্ত্রীকে ধন্যবাদ জানান। এ সময় প্রধানমন্ত্রীর বিশেষ সহকারী ও আওয়ামী লীগের দপ্তর সম্পাদক ব্যারিস্টার বিপ্লব বড়ুয়া এবং কেন্দ্রীয় কমিটির সদস্য নির্মল কুমার চ্যাটার্জি উপস্থিত ছিলেন।

post
আন্তর্জাতিক

ঢাকা-কায়রো রুটে ইজিপ্টএয়ারের সরাসরি ফ্লাইট শুরু ১৪ মে

এলামী মোঃ কাউসার, কায়রো, মিশরমিশরের কায়রো থেকে ঢাকা রুটে ফ্লাইট পরিচালনার অনুমতি পেয়েছে দেশটির সরকারি মালিকানাধীন এয়ারলাইন্স প্রতিষ্ঠান ইজিপ্ট এয়ার। সম্প্রতি বেসামরিক বিমান চলাচল কর্তৃপক্ষের (বেবিচক) কাছে আবেদনের পরিপ্রেক্ষিতে এ অনুমতি পায় তারা।বিষয়টি নিশ্চিত করেছে ইজিপ্ট এয়ার। তারা জানায়, আগামী ১৪ মে এ রুটে প্রথম ফ্লাইট পরিচালনা করবে প্রতিষ্ঠানটি। ইতোমধ্যে ফ্লাইটের টিকিট বিক্রি শুরু হয়েছে।মার্চের ২৯ তারিখে বেবিচকের সহকারী পরিচালক (এয়ার ট্রান্সপোর্ট) মো. ওয়াহিদুজ্জামান ওই অনুমতি পত্রে সই করেন। নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক ইজিপ্টএয়ারের একজন কর্মকর্তা বলেন, ইজিপ্টএয়ার ঢাকা-কায়রো রুটে প্রাথমিকভাবে সপ্তাহে দু’টি ফ্লাইট পরিচালনা করবে। এয়ারলাইন্সটি এই রুটে যাত্রী বহনে বোয়িং ৭৮৭-৯ মডেলের একটি এয়ারক্রাফট ব্যবহার করবে।এছাড়া ওই রুটে ফ্লাইট সংখ্যা আরও বাড়ানোর জন্য বেবিচকের কাছে অনুমতি চাইবে এয়ারলাইন্সটি।এভিয়েশন সংশ্লিষ্টরা বলছেন, এই রুটে ফ্লাইট চালু শুরু হলে সেটি এভিয়েশন খাতে নতুন মাত্রা যোগ করবে। সেই সঙ্গে দেশের আকাশ পথের সংযোগ সীমাও বৃদ্ধি পাবে। পরিসংখ্যান বলছে, বাংলাদেশ এবং মিশর এ দু’দেশের মধ্যে ২০১৯ সালে মোট ১৭৩২০ জন্য টু-ওয়ে যাত্রী যাতায়াত করে, যার মধ্যে কায়রো-ঢাকা শহরের যাত্রী ছিল ৭৫ শতাংশ। এই সময়ে সরাসরি ফ্লাইট না থাকায় প্রায় ৩৫ শতাংশ যাত্রী দুবাই হয়ে কায়রোতে এক-স্টপেজ রুটে যাত্রা করেন।বর্তমানে ইজিপ্টএয়ার আফ্রিকা, ইউরোপ, এশিয়া এবং আমেরিকার ৮১টি গন্তব্যে যাত্রী ও মালবাহী পরিষেবা পরিচালনা

post
এনআরবি বিশ্ব

মিশরে, বাংলাদেশ স্টুডেন্টস অর্গানাইজেশনের ইফতার মাহফিল।

এলামী মোঃ কাউসার। কায়রো,মিশর।নীলনদ ও পিরামিডের দেশ, মিশরের আল-আযহার সহ সমস্ত বিশ্ববিদ্যালয়, শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের বাংলাদেশী ছাত্রদের একমাত্র সংগঠন, বাংলাদেশ স্টুডেন্টস অর্গানাইজেশন এর ইফতার মাহফিল সম্পন্ন হল। আল-আযহার বিশ্ববিদ্যালয় সহ অন্যান্য বিশ্ববিদ্যালয়ের ৬০০ জন বাংলাদেশী ছাত্র ছাত্রী এবং তাদের পরিবারের সদস্যরা অংশগ্রহণ করেছিলেন এই ইফাতার আয়োজনে। অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন, গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকারের মিশরস্থ রাষ্ট্রদূত মো. মনিরুল ইসলাম সহ দূতাবাসের কর্মকর্তাবৃন্দ, প্রবাসী বাংলাদেশী ব্যবসায়ীগণ। এবং অন্যান্য দেশের অর্গানাইজেশনের ছাত্র প্রতিনিধিরা। মিশরীয় সময় বিকেল চারটায় অনুষ্ঠান শুরু হয়ে চলে মাগরিবের আযানের আগ পর্যন্ত। ১৬ ই রমাজানুল মোবারকে আয়োজিত এই অনুষ্ঠানে আলাদা দুইটি অডিটরিয়াম বুকিং করা হয়। যেন অর্গানাইজেশনের মহিলা সদস্যরা পর্দার সাথে ইফতারী আয়োজনে অংশগ্রহণ করতে পারেন। অনুষ্ঠানের সভাপতিত্ব করেন, বাংলাদেশ স্টুডেন্টস অর্গানাইজেশনের সভাপতি মো. নাজিব শাওকী। অনুষ্ঠান পরিচালনা করেন, অর্গানাইজেশনের সেক্রেটারি জেনারেল, সাইমুম আল-মাহদী। ইফতার প্রোগ্রামে, অর্গানাইজেশনের উপদেষ্টা মন্ডলির সদস্যগণ ও সিনিয়রদের মাঝে বক্তব্য রাখেন, জনাব শোয়াইব হোসাইন আল-আযহারী, জনাব তাজদিদ বিন অদুদ এবং মো. শিহাবউদ্দীন আল-আযহারী। এবং সমাপনী বক্তব্য ও দোয়া মোনাজাত পরিচালনা করেন, অর্গানাইজেশনের সহ সভাপতি, শাহেদুল ইসলাম। অনুষ্ঠানের শুরুতেই শুভেচ্ছা বক্তব্য রাখেন, অর্গানাইজেশনের সভাপতি এবং তিনি, ছাত্রদেরকে মতানৈক্য ভুলে ইসলামের সুমহান আদর্শের ছায়াতলে, একতার বন্ধনে অটুট থাকার জোড় তাগিদ দেন। অনুষ্ঠানে বক্তরা, গ্রাজুয়েশন সম্পন্ন করে বাংলাদেশে ফিরে গিয়ে আপামর জনতার আত্ম শুদ্ধির লক্ষ্যে ইসলামের সঠিক দাওয়াত পৌছে দেওয়ার আহ্বান জানান। উক্ত অর্গানাইজেশনের নয় সদস্যের কার্যকরী কমিটির অক্লান্ত পরিশ্রমে আয়োজিত মনজ্ঞ অনুষ্ঠানে, কুরআন তেলওয়াত, রমাজান নাশিদ, অর্গানাইজেশনের থিম সং সহ ইসলামী সাংস্কৃতির নানান কার্যক্রম উপস্থাপিত হয়। অর্গানাইজেশনের সাংস্কৃতিক ফোরামের সদস্যগণ পারফরম্যান্স করেন। মনোমুগ্ধকর এই আয়োজনে সঙ্গীত পরিবেশন করেছেন, রেজাউর রহমান, সাজিদুল ইসলাম, কাওসার হাবিব, নেওয়াজ জুলকারনাইন। ইফতারের আয়োজনেও ছিলো, বাংলাদেশী খাবারের ছোঁয়া। ছাত্রদের নিজ হাতে রান্না করা, বিফ বিরিয়ানি। যা বাঙালির ঐতিহ্যকে প্রোস্ফুটিত করে। প্রধান অতিথির বক্তব্যে রাষ্টদূত জনাব মনিরুল ইসলাম বলেন, ছাত্রদের কল্যাণের জন্য দূতাবাস সর্বদা বদ্ধপরিকর। অর্গানাইজেশনের সমস্ত প্রোগ্রাম, শিক্ষা ও বিনোদন কার্যক্রমে তিনি অংশগ্রহণ করেন। স্কলারশিপ বৃদ্ধি করণে আল-আযহারের গ্রান্ড ইমাম (প্রেসিডেন্ট ওব আযহার) এর সাথে তিনি সাক্ষাৎ করেছিলেন। এবং তেনার দাবির প্রেক্ষিতে, বাংলাদেশী ছাত্রদের জন্য প্রতি বছর ৫০টি স্কলারশিপের স্বীকৃতি দিয়েছিলেন, শাইখুল আযহার। তাছাড়া,বাংলাদেশের স্টুডেন্টদের ভিসা জটিলতা ও মিশরে উচ্চ শিক্ষায় আগত ছাত্রদের কার্যক্রম সহজ করার জন্য, অর্গানাইজেশনের প্রতিনিধি নিয়ে, তিনি মিশরের পররাষ্ট্র মন্ত্রনালয়ে মান্যবর মন্ত্রী মহোদয়ের দেখা করেছিলেন। মিশরে ছাত্রদের জন্য নিবেদিত প্রাণ, মান্যবর রাষ্ট্রদূত স্যার। বাংলাদেশ স্টুডেন্টস অর্গানাইজেশন, সবার আস্থার প্রতিক। মিশরের রাষ্ট্রীয় সাংস্কৃতিক প্রোগ্রাম থেকে শুরু করে, এম্বাসী আয়োজিত বাংলাদেশের প্রতিটি জাতীয় দিবসে, অর্গানাইজেশনটি সতস্ফূর্তভাবে অংশগ্রহণ করে থাকে। বিদেশের মাটিতে বাংলাদেশী ছাত্রদের সুপ্ত প্রতিভা বিকাশ ও সুস্থ বিনোদনের লক্ষ্যে, নানাবিধ কাজ করে যাচ্ছে সংগঠনটি। যেমন, ক্রিকেট, ফুটবল টুর্নামেন্টে, বাৎসরিক শিক্ষা সফর, সাংস্কৃতিক নানা প্রতিযোগিতা, শিক্ষা মূলক কর্মসূচি, নানান দিবস কেন্দ্রীক প্রোগ্রাম সহ ইত্যাদি আয়োজন করে থাকে। মিশরের বুকে বাংলাদেশী ছাত্ররা উচ্চশিক্ষায় অসামান্য অবদান রেখে যাচ্ছে। আল-আযহারের কলেজ লেভেল ও বিশ্ববিদ্যালয়ের বিভিন্ন ডিপার্টমেন্টে, সারা বিশ্বের ছাত্রদের মাঝে, প্রথম থেকে দশ জনের মেধা তালিকার সিংহভাগ বাংলাদেশী ছাত্ররা অর্জন করে থাকে। যা বাংলাদেশকে নিয়ে গেছে অনন্য উচ্চতায়। ছাত্রদের রেজাল্ট ও পড়াশোনা কেন্দ্রীক উৎসাহ প্রদান ও কার্যকরী পদক্ষেপের জন্য অর্গানাইজেশন সত্যিই বিদেশের মাটিতে একটি রোল মডেল। দল মত নির্বিশেষে এই সংগঠন একটি ঐক্যমতের প্রতিক। যেখানে বাংলাদেশের সমস্ত মতাদর্শের ছাত্রগণ নিজেদের দূরত্ব ভুলে, কাঁধে কাঁধ মিলিয়ে কাজ করেন। ইসলামের অনন্য সৌন্দর্য ফুটে উঠেছে এ সংগঠনের মাধ্যমে। বর্তমান কার্যকরী কমিটির সেশনে, নয় সদস্যের মাঝে আরো রয়েছেন, অর্থ সম্পাদক, সাইফুর রহমান ও শরীফ মো. কাওসার হোসাইন। শিক্ষা সম্পাদক, আব্দুর রহমান। অফিস সম্পাদক, সাইফুল ইসলাম। সাংস্কৃতিক সম্পাদক, ইয়াসিন আরাফাত। এবং মিডিয়া ও প্রেস সম্পাদক, আল আমিন সরকার।

post
বাংলাদেশ

আগুন থেকে বাঁচিয়ে দোকানের মালপত্র বাইরে, অতঃপর চুরি

রাজধানীর বঙ্গবাজারে অগ্নিকাণ্ডস্থলে দোকানের মালামাল চুরি গেছে বলে অভিযোগ করেছেন এক ব্যবসায়ী। আগুন থেকে বাঁচিয়ে তিনি দোকানের মালপত্র বাইরে নিয়ে এসেছিলেন। পরে সেখান থেকে কয়েকটি বস্তা চুরি হয়ে গেছে বলে জানান তিনি।আজ মঙ্গলবার মায়ের দোয়া নামের কাপড়ের দোকানের ব্যবসায়ী সাইফুল ইসলাম ওই অভিযোগ করেন। তিনি বলেন, মহানগর শপিং কমপ্লেক্সে আগুন লাগার পর তিনি মালামালগুলো দোকান থেকে বস্তায় করে রাস্তায় এনে রেখেছিলেন। সেখান থেকে কয়েকটি বস্তা কে বা কারা চুরি করে নিয়ে গেছে। সাইফুল ইসলাম আরও বলেন, ঈদকে সামনে রেখে প্রায় কোটি টাকার কাপড় দোকানে ওঠানো হয়েছিল। আগুন লাগার পর সেগুলো দ্রুত সরিয়ে রাস্তায় নিয়ে আসি। তারপর সেখান থেকে কয়েকটি বস্তা চুরি হয়ে গেছে।

post
বাংলাদেশ

গাজীপুরে বকেয়া বেতনের দাবিতে পোশাক শ্রমিকদের সড়ক অবরোধ

গাজীপুর মহানগরীর কোনাবাড়ী থানাধীন জরুন এলাকার একটি পোশাক কারখানার শ্রমিকেরা বকেয়া বেতনের দাবিতে সড়ক অবরোধ করে বিক্ষোভ করছেন। আজ সোমবার সকাল ৭টা থেকে কেয়া নিট কম্পোজিট লিমিটেড নামের ওই কারখানার শ্রমিকেরা বিক্ষোভ শুরু করেন। একপর্যায়ে কোনাবাড়ী-জিরাব আঞ্চলিক সড়ক অবরোধ করেন তাঁরা। দুপুর সাড়ে ১২টা পর্যন্ত সড়কে শ্রমিকদের বিক্ষোভ চলছিল। এতে ওই সড়কের উভয় দিকে দীর্ঘ যানজটের সৃষ্টি হয়েছে। কারখানার শ্রমিক মো. আমিনুল  ইসলাম বলেন, ‘বকেয়া বেতনের মধ্যে এক মাসের টাকা গতকাল দেওয়ার কথা ছিল। কিন্তু রাত পর্যন্ত অপেক্ষা করে শ্রমিকেরা বাড়ি ফিরে গেছেন। রোজার মাস, সামনে ঈদ—সব মিলিয়ে বেতন না পেয়ে আমাদের অবস্থা খারাপ। এর আগেও কয়েকবার বেতনের দাবিতে অবস্থান নিয়েছি আমরা। কিন্তু তাঁরা (কারাখানা কর্তৃপক্ষ) শুধু তারিখ পরিবর্তন করছে। যে কারণে আন্দোলন ছাড়া আর কোনো উপায় পাচ্ছি না।’ এ বিষয়ে কথা বলতে কেয়া নিট কম্পোজিটের চেয়ারম্যান আবদুল খালেক পাঠানের মুঠোফোনে একাধিকবার কল করা হলে তিনি ধরেননি। কারখানার প্রশাসনিক কর্মকর্তা এস এম সুমন আহমেদ বলেন, ‘শ্রমিকদের বোঝানোর চেষ্টা করা হচ্ছে। কিন্তু তাঁরা কিছুই মানছেন না। তাঁদের বারবার বলছি, আজকেই (সোমবার) বেতন দিয়ে দেওয়া হবে।’ সড়কে অবস্থান নেওয়া কয়েকজন শ্রমিক বলেছেন, কেয়া নিট কম্পোজিট লিমিটেড কারখানায় তিন পালায় প্রায় সাত হাজার শ্রমিক কাজ করেন। স্টাফ আছেন শতাধিক। স্টাফদের তিন মাসের বেতন বকেয়া। এ ছাড়া শ্রমিকদের গত ফেব্রুয়ারি ও মার্চ মাসের বেতন বকেয়া আছে। গত বৃহস্পতিবার এ বকেয়া বেতন দেওয়ার কথা থাকলেও কারখানা কর্তৃপক্ষ ‘দিই, দিচ্ছি’ বলে কালক্ষেপণ করে। পরে তাঁরা গতকাল রোববার বেতন দেওয়ার কথা জানায়। দিন পেরিয়ে রাত হয়ে গেলেও বেতন না পেয়ে শ্রমিকেরা গতকাল রাতে কারখানায় বিক্ষোভ করেন। এরপর আজ সকাল ৭টা থেকে তাঁদের একটি পক্ষ কারখানার বাইরে কোনাবাড়ী-জিরাব অঞ্চলিক সড়ক অবরোধ করে। এতে উভয় দিকে দীর্ঘ যানজটের সৃষ্টি হয়। একই সময়ে শ্রমিকদের আরেকটি পক্ষ কারখানার ভেতরে কাজ বন্ধ রেখে অবস্থান কর্মসূচি পালন করে। কয়েকজন শ্রমিক উত্তেজিত হয়ে কারখানার বেশকিছু গ্লাসও ভাঙচুর করেন। নাম প্রকাশ না করার শর্তে কারখানার একজন কর্মকর্তা বলেন, কারখানার শতাধিক স্টাফ তিন মাসের বেতন পাবেন। এ ছাড়া শ্রমিকেরা বেতন পাবেন দুই মাসের। তাঁদের বেতন না দিয়ে কয়েক দিন ধরে টালবাহানা করা হচ্ছে। গাজীপুর মেট্রোপলিটন কোনাবাড়ী থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) কে এম আশরাফ বলেন, বকেয়া বেতনের দাবিতে শ্রমিকেরা কারখানার সামনে অবস্থা নিয়ে সড়ক অবরোধ করে রেখেছেন। তাঁদের বোঝানোর চেষ্টা চলছে এবং মালিকের সঙ্গেও যোগাযোগ করা হচ্ছে। বিকেলের মধ্যে শ্রমিকদের বেতন পরিশোধ করে দেবেন বলে কর্তৃপক্ষ জানিয়েছে। কিন্তু শ্রমিকেরা মালিক পক্ষের কথা বিশ্বাস করতে পারছেন না। তাঁরা এখনই বকেয়া বেতন চাচ্ছেন।

post
বিনোদন

কাঠগড়ায় সাকিব খানকে যা বললেন বিচারক

টেলিভিশনে মিথ্যা ও মানহানিকর বক্তব্য দেওয়ায় অভিযোগে প্রযোজক রহমত উল্লাহর বিরুদ্ধে ডিজিটাল নিরাপত্তা আইনে মামলা করেন চিত্রনায়ক শাকিব খান। সোমবার (২৭ মার্চ) দুপুর ১২টা ৫০ মিনিটে ঢাকার সাইবার ট্রাইব্যুনালে এর বিচারক জুলফিকার হায়াতে উপস্থিত হন শাকিব খান। এরপর জবানবন্দি দিতে কাঠগড়ায় উঠেন। এসময় বিচারক বলেন, সময় মতো আসতে হবে। আগের দিনই বলে দেওয়া হয়েছে কখন আসতে হবে।তখন শাকিব খান বলেন, জ্বি স্যার। এরপর বিচারক বলেন, এটা তো আপনার আইনজীবী ভালো জানার কথা। এরপর তিনি জবানবন্দি দিতে শপথ পাঠ করেন। জবানবন্দিতে শাকিব খান বলেন, রহমত উল্লাহ টেলিভিশনে আমার নামে মিথ্যা বক্তব্য দিয়েছেন। তিনি হঠাৎ আসেন, হঠাৎ বক্তব্য দিয়ে পালিয়ে যান। তিনি বলেছেন, অস্ট্রেলিয়া থেকে আমি দুবার পালিয়ে এসেছি। অথচ অস্ট্রেলিয়ায় আমার বিরুদ্ধে এ ধরনের কোনো অভিযোগ নেই। আমার নামে কোনো মামলাও হয়নি।এরপর বিচারক বললেন, ঠিক আছে আপনি সই করে যাবেন। আদেশ পরে দেওয়া হবে। এরপর শাকিব খান সই করে আদালত থেকে বের হয়ে যান। এর কিছুক্ষণ পর বিচারক মামলার আদেশ দিলেন। আগামী ৬ জুন পিবিআইকে তদন্ত করে প্রতিবেন দাখিলের জন্য নির্দেশ দেন।এ বিষয় শাকিব খানের আইনজীবী খায়রুল হাসান বলেন, টেলিভিশনে মিথ্যা ও মানহানিকর বক্তব্য দেওয়ায় রহমত উল্লাহ বিরুদ্ধে মামলা করেছি। আদালত বাদীর জবানবন্দি গ্রহণ করে পিবিআইকে তদন্ত করে প্রতিবেদন দাখিলের জন্য নির্দেশ দেন।এর আগে বৃহস্পতিবার (২৩ মার্চ) ঢাকা মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট আরাফাতুল রাকিবের আদালতে চাঁদাবাজি ও হত্যার হুমকির অভিযোগ এনে রহমত উল্লাহ বিরুদ্ধে মামলা করেন চিত্রনায়ক শাকিব খান। আদালত বাদীর জবানবন্দি গ্রহণ পরে আসামি রহমত উল্লাহকে আগামী ২৬ এপ্রিল আদালতে হাজির হতে সমন জারি করেছেন। এরপর শাকিব খান ডিজিটাল নিরাপত্তা আইনে রহমত উল্লার বিরুদ্ধে মামলা করতে সাইবার ট্রাইব্যুনালে আসেন। বিচারক তাকে সোমবার (২৭ মার্চ) সকালে আদালতে আসতে বলেন। দুপুর ১২টা ৫০ মিনিটে আদালতে আসলে বিচারক তাকে বলেন, সময় মতো আদালতে আসতে হবে। জবাবে শাকিব খান বলেন, জ্বি স্যার।

post
বিনোদন

শাকিব খানের বিরুদ্ধে ধর্ষণের অভিযোগ 'মিথ্যা ও বানোয়াট' : বুবলি

চিত্রনায়ক শাকিব খানের বিরুদ্ধে অস্ট্রেলিয়ায় ‘অপারেশন অগ্নিপথ’এর শুটিংয়ে শিডিউল ফাঁসানো ও সহ-নারী প্রযোজককে ধর্ষণের গুরুতর অভিযোগ তুলেন রহমত উল্লাহ নামের একজন। তবে এসব অভিযোগকে শুরু থেকেই ‘মিথ্যা ও বানোয়াট’ বলে এসেছেন শাকিব খান। রহমত উল্লাহ ওই ছবির প্রযোজক নন, তার সঙ্গে কোনো চুক্তি হয়নি- এমনটাও বলে এসেছেন শাকিব। পরে ওই প্রযোজকের বিরুদ্ধে আইনি ব্যবস্থা নিতে সম্প্রতি থানা পুলিশের শরণাপন্ন হয়েছেন শাকিব খান। চিত্রনায়িকা শবনম বুবলী স্বামীর বিরুদ্ধে এমন গুরুতর অভিযোগ আনায় সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে উষ্মা প্রকাশ করেন। সেইসঙ্গে তিনি বেশকিছু বিষয় নিয়ে যৌক্তিক প্রশ্ন রাখেন। অভিযোগকারীর উদ্দেশে বুবলী প্রশ্ন রেখে বলেন, শুটিং চলাকালীন এতো এতো অভিযাগ যখন টের পেয়েছিলো উনারা, তাহলে কেনো তখন তাকে (শাকিব) বাদ দেয়া হলো না? সমিতিগুলোতে অভিযোগ করা হলো না? দু-পক্ষের কথা শোনা হলো না? ২০১৬ সালের অস্ট্রেলিয়ায় ‘অপারেশন অগ্নিপথ’ শুটিং এর পর ২০১৮ সালে শাকিব খান তার ‘সুপার হিরো’ নামের আরেকটি সিনেমার শুটিং সম্মানের সঙ্গে প্রায় ২০ দিনে অস্ট্রেলিয়া থেকে শেষ করে আসেন। উনি যদি কোনো ব্যাপারে গিল্টি থাকতেন তাহলে তো অস্ট্রেলিয়ান পুলিশ তাকে তখন শুটিং এর অনুমতিই দিতেন না, শাকিব খান নিজেও অস্ট্রেলিয়া যেতেন না।’ বুবলী মনে করেন, দেশে হোক বা বিদেশে! যে কেউ যে কারো বিরুদ্ধে অভিযোগ করতেই পারে, খাতায় নাম উঠতেই পারে, কিন্তু আইন তার নিজস্ব গতিতে চলবে। বুবলী বলেন, কয়েক বছর ধরে দেখছি, একটা চক্র কিছুদিন পর পরই শাকিব খানকে নিয়ে ওঠেপড়ে লাগে। নানা চক্রান্তে মেতে ওঠে।

post
বিনোদন

মঞ্চে এখন গরু-ছাগলের পারফরম্যান্সও দেখতে হচ্ছে : ওমর সানী

ঢাকাই সিনেমার একসময়ের জনপ্রিয় চিত্রনায়ক ওমর সানী। সোশ্যাল মিডিয়ায় বেশ সক্রিয়। মাঝে মাঝে ক্যারিয়ার, ব্যক্তিজীবন ও ব্যবসার বিষয়ে নানা কথা বলে থাকেন তিনি। পাশাপাশি ইন্ডাস্ট্রির সমসাময়িক বিষয়েও কথা বলতে দেখা যায় এ নায়ককে। সম্প্রতি এ নায়ক ফেসবুক ভেরিফায়েড প্রোফাইলে এক স্ট্যাটাসে প্রশ্ন রাখেন— দেশে কী শিল্পীর এতই অভাব যে, মঞ্চে দুই-একজন গরু-ছাগলের পারফরম্যান্স দেখতে হয়? রোববার রাত ১২টায় ফেসবুকে ওমর সানী লেখেন— ‘আমাদের দেশে শিল্পীর এতই অভাব যে, মঞ্চে দুই-একজন গরু-ছাগলের পারফরম্যান্স দেখতে হয়।’ এর পর তিনি লেখেন, ‘দালালি-চামচামি এগুলো করলেই পারফরম্যান্স করা যায়। আর শিল্পী সবাই হতে পারে না রে, সবাই হলে তো হয়েছিল। যারা সিলেকশনে আছেন, তারাই চায় না বাংলা চলচ্চিত্র দর্শক দেখুক।’ এর পরই এ অভিনেতা নায়করাজ রাজ্জাকের প্রসঙ্গ টানেন। বলেন, ‘যাক, নায়করাজ রাজ্জাক (আঙ্কেল) বেঁচে নাই, তা হলে আমাদেরকে থাপড়াতেন।’ এদিকে ওমর সানীর এই মন্তব্যকে অপু বিশ্বাসকে কোলে তুলতে গিয়ে পড়ে গেলেন নিরব— এ ঘটনার প্রসঙ্গ টেনে আলোচনা-সমালোচনা করছেন নেটিজেনরা। তাদের মতে, তবে কি নাম উল্লেখ না করে অপু ও নিরবকে ইঙ্গিত করলেন এ নায়ক? আবার ওমর সানীর ওই পোস্টে মন্তব্যের ঘরে কেউ বলছেন, সিনিয়র একজন শিল্পীর (ওমর সানী) থেকে এমন মন্তব্য আশা করা যায় না। আবার কেউ বলছেন, সাহসী উচ্চারণ। ভালোই বলেছেন। প্রসঙ্গত, স্টেজে পারফরম্যান্সের সময় চিত্রনায়িকা অপু বিশ্বাসকে কোলে তুলতে গিয়ে পড়ে যান নায়ক নিরব। অনাকাঙ্ক্ষিত সেই ঘটনার দৃশ্য দ্রুতই ছড়িয়ে পড়ে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে। গত ১১ মার্চ মুন্সীগঞ্জ-বিক্রমপুর সমিতির ৭৫ বছরপূর্তি উদযাপন উপলক্ষ্যে সিরাজদিখানের একটি অভিজাত রিসোর্টে এ ঘটনা ঘটে। এ বিষয়ে অভিনেতা নিরব স্টেজের সমস্যা জানিয়ে বলেছিলেন, এটা কেবলই একটা দুর্ঘটনা।

About Us

NRBC is an open news and tele video entertainment platform for non-residential Bengali network across the globe with no-business vision just to deliver news to the Bengali community.