post
এনআরবি বিশ্ব

ওয়ার্ল্ড ফেয়ার অ্যান্ড ফিস্ট-২০২৩ এ বিশেষ সম্মাননা অ্যাওয়ার্ড পেলেন রথীন্দ্রনাথ রায় ও কাজী মারুফ!

৬ আগষ্ট রোববার নিউইয়র্কের উডসাইটের গুলশান ট্যারেসে হয়ে গেলে ওয়ার্ল্ড ফেয়ার এন্ড ফিস্ট-২০২৩। অনুষ্ঠানটির আয়োজক অ্যাসোসিয়েশন অব ওয়ার্ল্ড ফেয়ার অ্যান্ড ফিস্ট ইউএসও ইনক। তারা কাজ করে বিভিন্ন পেশাজিবীদের মাঝে একটি নেটওয়ার্ক গড়ে তোলা, প্রচার, প্রদর্শন এবং বিভিন্ন ধরনের পণ্য ও পরিষেবা অন্য দেশগুলোর সাথে পরিচয় করিয়ে দেয়ার লক্ষ্য নিয়ে। সন্ধ্যা সাতটায় ফিতা ফ্যাস্টিভলের উদ্বোধন করেন আয়োজনের আহ্ববায়ক মেহজাবিন মেহা, প্রধান উপদেষ্টা মো: আতিকুর রহমান ও সভাপতি তারেক মাহমুদ, সাধারণ সম্পাদক সোহেল চৌধুরী, লেস্টার চ্যাং, মার্ক মেয়ার অ্যাপেল ও কে সি রায়। বাংলাদেশ ও যুক্তরাষ্ট্রের জাতীয় সঙ্গীতের মধ্য দিয়ে শুরু হয় মুলে আনিষ্ঠানিকতা।  বিশ্বের বিভিন্ন দেশের বিভিন্ন পেশার নেতৃস্থানীয় ব্যাক্তিবর্গ অংশ নেন এই আয়োজনে। একে অপরের ভাবনা শেয়ার করেন মঞ্চে। ফাকে ফাকে চলে বিশেষদের সম্মান জানানো ও বিশিষ্ট অতিথীদের পরিচিতি পর্ব। সেখানে আয়োজক ও আমন্ত্রিত অতিথীরা পুরস্কার তুলে দেন বিশেষ ক্ষেত্রে অবদান রাখা ১২ জন ব্যাক্তিবর্গকে। পুরস্কার পাওয়া ব্যাক্তিরা হলেন অভিনেতা কাজী মারুফ, রথীন্দ্র নাথ রায়, তমালিকা করমোকার, ইরফান খান। পুরস্কার দিয়ে সম্মাননা জানানো হয়েছে আমন্ত্রিত বিশেষ অতিথীদেরও। পুরস্কার প্রাপ্তরা হলেন লেস্টার চ্যাং, প্রতিষ্ঠাতা বিএমএপিসি মার্ক মেয়ার অ্যাপল, কে সি রায়, মার্সিডিজ নার্সিস, মার্ক মেয়ার অ্যাপল, অ্যাল্ডার অ্যাম্বার, ডাঃ সিমা কারেতনয়া এবং ফাহাদ সুলাইমান পুরস্কার পেয়েছেন।এরপর মার্ক মেয়ার আপেল নিউইয়র্ক সিটি ও স্টেট ডিপার্টমেন্টের পক্ষ থেকে সার্টিফিকেট গ্রহন করেন আয়োজনের আহ্বায়ক মেহাজাবিন মেহা এবং প্রধান উপদেষ্টা মোহাম্মদ আতিকুর রহমান। এরপর তাদের হাতে অ্যাওয়ার্ড তুলে দেন জনপ্রিয় অভিনেত্রী মডলে মোনালিসা। আমন্ত্রিত নগর কর্মকর্তাদের সামনে মঞ্চে ডেকে পরিচয় করিয়ে দেয়ার পাশাপাশি বিশেষ সম্মান জানানো হয় অনুষ্ঠানের রাষ্ট্রদূত সগীর খানকে, বাংলাদেশ আমেরিকান পুলিশ অ্যাসোসিয়েশনের সাধারণ সম্পাদর্ক প্রিন্স আলম, বাপার দ্বিতীয় সহ-সভাপতি আলী চৌধুরী, সিডব্লিউ লোকাল ১১৮২'র সভাপতি সৈয়দ রহিম সাধারণ সম্পাদক সৈয়দ ইসলাম ও সহ-সভাপতি সাদিক প্রমুখকে। অনুষ্ঠানে শেষ অংশে ছিলো সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান ও নৌশ ভোজ। খাবার গ্রহনের পাশাপাশি আমন্ত্রিত অতিথীরা উপভোগ করেছেন জমকালো সাংস্কৃতি অনুষ্ঠান। যেখানে পারফর্ম করে বাংলা ব্যান্ড। গান গেয়ে দর্শকদের মাতান রেশমী মির্জা, হীরা, মার্শাল টিটো, শামীম সিদ্দিক, অউনিক ও আহবায়ক নিজেও। সবশেষে পারফর্ম করেন বাংলাদেশের জনপ্রিয় প্লেব্যাক সিঙ্গার রিজিয়া পারভিন। রাত ১২টায় শেষ হয় ওয়ার্ল্ড ফিস্ট অ্যান্ড ফেয়ারের দ্বিতীয় আসরের আয়োজন। সংগঠনের কার্যক্রম ও পুরো আয়োজনকে সফল করতে যারা নিরলস পরিশ্রম করে যাচ্ছেন তারা হলেন সহ-আহ্বায়ক মার্শাল টিটো, সহ-সভাপতি সাংস্কৃতিক কমিটির সদস্য মাহমুদুল হাসান অণিক, অনুষ্ঠান কমিটির সদস্য হীরা, নিলুফার ইয়াসমিন, নাসরিন ঝুমুর, ডা. রফিক, ডা. মোক্তার, ড. কামরুল, প্রধান সমন্বয়ক মিন্টু কুমার রায় ও সদস্য সচিব দীপক দাস। অনুষ্ঠানটির পরিচালনা করে আনিকা চৌধুরী। ২০২০ সালে প্রতিষ্ঠা পাওয়া সংগঠনটি ২০২২ সালে ওরলেন্ডুতে করিছেলা তাদের প্রথম ওয়ার্ল্ড ফেয়ার অ্যান্ড ফ্যাস্টিবল। গতবারের আয়োজনে অংশ নিয়েছিলো বিশ্বের ছয়টি দেশের প্রতিনিধগণ। এবার আয়োজনে উপস্থিত হয়েছিলেন দশটি দেশের বিভিন্ন পেশার প্রতিনিধিরা। 

post
আন্তর্জাতিক

ইসলামকে ‘মহান ধর্মের’ স্বীকৃতি দিতে মার্কিন কংগ্রেসে প্রস্তাব!

ইসলাম ধর্মকে মহান ধর্ম হিসেবে স্বীকৃতি দিতে যুক্তরাষ্ট্রের আইন পরিষদের নিম্নকক্ষ কংগ্রেসে প্রস্তাব উত্থাপন করা হয়েছে। টেক্সাসের প্রতিনিধি আল গ্রিন এই প্রস্তাবটি দিয়েছেন। এতে সম্মতি জানিয়েছেন ইলহান ওমর, রাশিদা তাইয়িব এবং আন্দ্রে কারসন। দ্য ডন। কংগ্রেসে এমন সময় এ প্রস্তাব উত্থাপন করা হলো- যখন ইসলামকে বিশ্বব্যাপী নতুন করে আবারো উগ্র ধর্ম হিসেবে উপস্থাপনের চেষ্টা করা হচ্ছে। এই প্রস্তাব গত কয়েক দিন ধরে পশ্চিমা বিশ্বে কুরআন অবমাননাসহ যেসব ইসলামবিরোধী কার্যক্রম হচ্ছে- সেগুলো বন্ধ হতে সহায়ক হবে। টেক্সাসের আইনপ্রণেতা গ্রিন কংগ্রেসে পাকিস্তান রাজনৈতিক সমিতিরও একজন সদস্য। সাবেক প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প যুক্তরাষ্ট্রে মুসলিম দেশগুলোর শরণার্থীদের প্রবেশে নিষেধজ্ঞা দিতে চেয়েছিলেন। ট্রাম্পের এই প্রস্তাবের বিরুদ্ধে দাঁড়িয়েছিলেন গ্রিন। এ ছাড়া ২০১৫ সালে যুক্তরাষ্ট্রে ইসলামকে একটি উগ্র ধর্ম হিসেবে স্বীকৃতি দেয়ার চেষ্টা করা হয়েছিল। এটির বিরোধিতাও করেছিলেন তিনি। গ্রিনের এই প্রস্তাবটি গত ২৮ জুলাই গ্রহণ করে কংগ্রেস। প্রস্তাবটির লক্ষ্য হলো আমেরিকান সমাজে ইসলামের মাহাত্ম্য তুলে ধরা। প্রস্তাবটি পরবর্তীতে হাউজ কমিটির ফরেন অ্যাফেয়ার্সে পাঠানো হয়। প্রস্তাবে ইসলাম ও মুসলিমদের সাধারণ রীতিনীতি, আচার-আচরণ তুলে ধরা হয়েছে। এ ছাড়া বলা হয়েছে ইসলামের অর্থ হলো ‘সৃষ্টিকর্তার কাছে নিজেকে সমর্পণ করা’ এবং ‘শান্তি।’ এ ছাড়া প্রস্তাবে কুরআনকে ইসলামের প্রধান ধর্মগ্রন্থ হিসেবে স্বীকৃতি দেয়া হয়েছে এবং বলা হয়েছে মুসলিমরা এটিকে ঐশ্বরিক নির্দেশিকা হিসেবে বিবেচনা করেন। এ ছাড়া এ প্রস্তাবে বলা হয়েছে, ইসলাম বর্তমানে বিশ্বের দ্বিতীয় বৃহৎ এবং দ্রুত বর্ধনশীল ধর্ম। বিশ্বের ২০০ কোটি মানুষ ইসলাম ধর্ম পালন করেন এবং শুধুমাত্র যুক্তরাষ্ট্রে তিন কোটি ৫০ লাখ মুসলিম বসবাস করেন।

post
এনআরবি বিশ্ব

ওয়াশিংটন ডিসিতে হয়ে গেলো রাবি এলামনাই'র বনভোজন ও কমিটি গঠন

মতিহারের সবুজ চত্বরে ফেলা আসা স্মৃতি রোমান্থন করতে রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রাক্তন শিক্ষার্থীরা ছুটে এসেছেন বনভোজনে। প্রবাসে ব্যস্ত জীবনের পিছুটান ঠেলে রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয় এলামনাই এসোসিয়েশন, ওয়াশিংটন ডিসি'র অনুষ্ঠান, তাইতো এমন প্রাণের উচ্ছাস। টগবগে যৌবনে পেরিয়ে অনেকেই এখন প্রৌঢ় বয়সে পড়েছেন। কিন্তু রাবির প্রতি আন্তরিকতা ও ভালোবাসা যেন এতটুকু ম্লান হয়নি তাঁদের। অনুষ্ঠানে এসে কেউ খুঁজে পায় তাদের শিক্ষক, বন্ধু, বড় ভাই-বোনকে। প্রবাসে যেখানে বাংলাদেশী মানুষ পেলে উচ্ছাসের ঘাটতি থাকে না, সেখানে ক্যাম্পাসের পরিচিত যেনকে পেয়ে যেন আনন্দ- উল্লাসের কমতি ছিল না।'এসো মিলি শেকড়ের টানে, রাবিয়ানরা একসাথে' এই স্লোগানে গেল ২৯ শে জুলাই শনিবার বনভোজন ও ঈদ পুনর্মিলনী অনুষ্ঠানের আয়োজন করে রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয় এলামনাই এসোসিয়েশন, ওয়াশিংটন ডিসি।একইসাথে সংগঠনের কাজ বড় পরিসরে করতে গঠন করা হয় নতুন কমিটি। কোরআন তোলওয়াতের মাধ্যমে শুরু হয় অনুষ্ঠান। তেলাওয়াত করেন, সংগঠনের প্রতিষ্ঠাতা এস এম জাহিদুর রহমান এবং ড. ইয়াসমিন এর কন্যা জাফরা রহমান।এরপর শুরু হয় পরিচিতি ও বক্তব্যের পালা। শ্রদ্ধেয় শিক্ষক ও সাবেক শিক্ষার্থীরা তাদের অনুভূতি ব্যাক্ত করেন। ব্যক্তব্যের সময় অনেকে আনমনা হয়ে ক্ষণিকের জন্য ফিরে যায় রাবি ক্যাম্পাসে। ক্যাম্পসের প্রিয় মানুষদের সাথে মিলতে নিজ গৃহে তৈরি করা নানা পদের, নানা স্বাদের খাবার নিয়ে হাজির হয় অনেকে। সুস্বাদু এসব খাবার বেশ আনন্দের সাথেই গ্রহণ করে আমন্ত্রিত অতিথিরা। সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান পর্বে গানে গানে চলতে থাকে আলাপচারিতা এবং পারস্পারিক পরিচিতি। গান পরিবেশন করেন ওয়াশিংটন ডিসির জনপ্রিয় শিল্পী অসিম রানা, ড.সীমা খান, বুলবুলি ইসলাম, মাসুদ রহমান প্রমুখ। পড়ন্ত বেলায় সুরের মূর্ছনায় হঠাৎ বৃষ্টির আগমন সবাইকে উদ্বেলিত করে। বৃষ্টি বিলাসে ফিরে যায় মতিহারের সবুজ আঙ্গিনায়।  বনভোজনে বক্তব্য রাখেন, রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ের স্বাধীনতারও পূর্বের পরিসংখ্যানের ছাত্র ড. কাশেম। তিনি ওয়াশিংটন ডিসির হাওয়ার্ড বিশ্ববিদ্যালয়ে প্রায় তিন দশক ধরে অধ্যাপনা করেন; এখন তিনি প্রফেসর ইমিরেটস। স্মরণ করেন ফেলে আসা দিনগুলি, সহপাঠী, সহকর্মীদের কথা। রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ের সাবেক রেজিস্টার অধ্যাপক এন্তাজুল ইসলাম জানান, ছাত্র জীবন, শিক্ষকতা ও প্রশাসনের দায়িত্ব পালনে তর অভিজ্ঞতা। তিনিই ছিলেন রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ের এলামনাই এসোসিয়েশনের প্রথম সেক্রেটারি। প্রফেসর ড.আতিয়ার রহমান বিশ্ববিদ্যালয়ে জীবনের সুন্দর সময় বলে অবহিত করেন।অনুষ্ঠানে বাচ্চাদের জন্য ছিল 'যেমন খুশি তেমন সাজো'। পুরুষরা সুই সুতান মালা গেঁথে ভালোবাসার বন্ধনে স্ত্রীদের গলায় মালা পরিয়ে দেয়। আর ঈদের আমেজকে জাগিয়ে তুলতে মেয়েরা হাতে দেয় মেহেদী। পরে বাচ্চাদের হাতে পুরস্কার তুলে দেন সাবেক রেজিস্টার ড. এন্তাজুল ইসলাম।আর র‍্যাফেল ড্রতে ৫০ ইঞ্চি টেলিভিশন জিতে নেন শিল্পী ড. সীমা খান।উল্লেখ্য র‍্যাফেল ড্র স্পনসর করেন রিয়েলেটর মোঃ মজিবুল হক।পিকনিকের আমেজের মধ্যেই এলামনাই-এর সকলের উপস্থিতি রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয় এলামনাই এসোসিয়েশন, ওয়াশিংটন ডিসি-এর কমিটি গঠন করা হয়। অ্যালামনাই ও উপস্থিত সকলের সম্মুখে ভোটের মাধ্যমে প্রেসিডেন্ট নির্বাচিত হন জোহুরুল ইসলাম এবং সেক্রেটারি হন আজিমা আজমল (রক্সি)। নির্বাচন পরিচালনা করেন ড.মোহাম্মদ কাসেম, ড.এন্তাজুল ইসলাম।প্রকাশ্যে কেউ দায়িত্ব নিতে আগ্রহী না থাকায় ভোটের মাধ্যমে কমিটি গঠন করা হয়। তাদের হাত ধরে এগিয়ে যাবে রাবির সাবেক শিক্ষার্থীদের আবেগের সংগঠন এমনটাই প্রত্যাশা সবার।অনুষ্ঠান পরিচালনায় ছিলেন, আবু জাফর ও সাংবাদিক জাহিদ রহমান। আর গরম আবহাওয়ার মধ্যে উপস্থিত থাকায় সবার প্রতি কৃতজ্ঞতা জানান এলামনাই এর প্রতিষ্ঠাতা এস এম জাহিদুর রহমান।প্রসঙ্গত, ২০২১ সালে ২৩ শে অক্টোবর পিকনিক এবং আহবায়ক কমিটির মাধ্যমে পথ চলা শুরু হয় সংগঠনটির। গেল বছর ১০ই ডিসেম্বর পিঠা উৎসবও করে রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয় এলামনাই অ্যাসোসিয়েশন ওয়াশিংটন ডিসি।

post
বাংলাদেশ

ডিজিটাল নিরাপত্তা আইনের জায়গায় আসছে সাইবার নিরাপত্তা আইন!

অবশেষে বহুল আলোচিত ও বিতর্কিত ‘ডিজিটাল নিরাপত্তা আইন-২০১৮’ পরিবর্তনের সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। আইনটির বেশকিছু ধারা সংশোধন করে ‘সাইবার নিরাপত্তা আইন-২০২৩’ নামে নতুন একটি আইন করা হবে।৭ আগস্ট সোমবার সকালে মন্ত্রিসভার বৈঠকে এই সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়। বৈঠকে সভাপতিত্ব করেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা।বিষয়টি নিশ্চিত করে আইনমন্ত্রী আনিসুল হক বলেন, ডিজিটাল নিরাপত্তা আইন বাতিল হচ্ছে না, পরিবর্তন করা হচ্ছে। এর অনেকগুলো ধারা সংশোধন করে ‘সাইবার নিরাপত্তা আইন-২০২৩’ নামে নতুন একটি আইন করা হবে- মন্ত্রিসভার বৈঠকে এমনটাই সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে।ডিজিটাল নিরাপত্তা নিশ্চিতকরণ এবং ডিজিটাল মাধ্যমে সংঘটিত অপরাধ শনাক্তকরণ, প্রতিরোধ ও দমনে তথ্যপ্রযুক্তি আইনের মোট ৫টি ধারা বিলুপ্ত করে ২০১৮ সালের ১৮ সেপ্টেম্বর জাতীয় সংসদে কণ্ঠভোটে ডিজিটাল নিরাপত্তা আইন ২০১৮ পাস হয়। এর পর থেকেই এই আইন বাতিল ও সংশোধন চেয়ে প্রতিবাদ জানিয়ে আসছে বিভিন্ন মহল। একই বছরের ৮ অক্টোবর থেকে আইনটি কার্যকর হয়। শুরু থেকেই আইনটির অপব্যবহারের জন্য ব্যাপকভাবে সমালোচনা হয়। গত ২৫ জুলাই সচিবালয়ে ইইউর বিশেষ প্রতিনিধি দলের সঙ্গে বৈঠক শেষে আইনমন্ত্রী সাংবাদিকদের জানিয়েছিলেন, জিডিটাল নিরাপত্তা আইনে সংশোধনী আসছে। বহুল আলোচিত ডিজিটাল নিরাপত্তা আইনের অনেকগুলো ধারায় পরিবর্তন আনা হচ্ছে বলে জানিয়েছেন আইনমন্ত্রী আনিসুল হক।লেখক, কবি, সাংবদিক, রাজনীতিবিদসহ বিভিন্ন মহল দীর্ঘদিন ধরেই ডিজিটাল নিরাপত্তা আইন বাতিলের দাবি জানিয়ে আসছেন। তাদের মতে আইনটি গণমাধ্যমের স্বাধীনতা ও মুক্তচিন্তা প্রকাশের স্বাধীনতাকে খর্ব করে। সরকারের পক্ষ থেকে এর আগে বহুবার আইনটি সংশোধনের আশ্বাস দিলেও তা করা হয়নি। তবে গত ২৫ জুলাই আইনমন্ত্রী আনিসুল হক জানিয়েছিলেন, সরকার ডিজিটাল নিরাপত্তা আইন সংশোধন করার সিদ্ধান্ত নিয়েছে। আগামী সেপ্টেম্বরে এ সংশোধনী জাতীয় সংসদে উত্থাপন করা হবে।

post
আন্তর্জাতিক

খুলে গেলো সম্ভাবনার নতুন দুয়ার, ডব্লিউইউএসটির সামার কোয়ার্টারের ওরিয়েন্টেশন সম্পন্ন

যুক্তরাষ্ট্রের ভার্জিনিয়াস্থ ওয়াশিংটন ইউনিভার্সিটি অব সায়েন্স অ্যান্ড টেকনোলজি বিশ্ববিদ্যালয়ের সামার কোয়ার্টারে ভর্তি হওয়া শিক্ষার্থীদের ওরিয়েন্টেশন হয়ে গেলো ৬জুলাই বৃহস্পতিবার। যেখানে অংশ নেন দুইশোর মতো শিক্ষার্থী। বিশ্বের ১০০টিরও বেশি দেশের ছাত্রছাত্রী এখন পড়াশোনা করছেন ওয়াশিংটন ইউনিভার্সিটি অব সায়েন্স অ্যান্ড টেকনোলজিতে। তাদের মধ্যে নতুন সিমেস্টারে যোগ দিয়েছেন দুই শতাধিক শিক্ষার্থী। ১০জুলাই থেকে শুরু হতে যাচ্ছে ২০২৩ এর সামার কোয়ার্টারের ক্লাস। ইনপার্সন ও অনলাইন মিলিয়ে হওয়া এবারের ওরিয়েন্টেশনে শিক্ষার্থীদের জন্য ছিলো নানা আয়োজন। এর মাধ্যমে বিশ্ববিদ্যালয় র্কতৃপক্ষ ছাত্রছাত্রীদের সামনে তুলে ধরেন ডব্লিউইউএসটির সার্বিক চিত্র। শিক্ষার্থীদের ধারনা দেওয়া হয় বিশ্ববিদ্যালয়ের পাঠদান থেকে শুরু করে নানা সুযোগ সুবিধা ও নিয়ম নীতির বিষয়ে। ডব্লিউইউএসটির চ্যান্সেলর বাংলাদেশি বংশোদ্ভুত আমেরিকান ইঞ্জিনিয়ার আবুবকর হানিপ শিক্ষার্থীদের প্রতি লেখাপড়ায় সর্বোচ্চ গুরুত্ব দেওয়ার আহ্বান জানান। তিনি বলেন, সফলভাবে পড়াশোনা শেষ করে শিক্ষার্থীরা যখন তাদের কর্মজগতে যোগ দেবে তখন তাদের সামনে খুলে যাবে অনেক বড় সম্ভাবনার দুয়ার। লক্ষ্যে পৌছাতে প্রত্যেককে সুনির্দিষ্ট পরিকল্পনা নিয়ে এগুনোর পরামর্শ দিয়ে আবুবকর হানিপ বলেন, লেখাপড়ায় ভালো গ্রেডই তৈরি করতে পারে ভালো সম্ভাবনা।ডব্লিউইউএসটি বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রেসিডেন্ট ড. হাসান কারাবার্ক বলেন, নতুন কোয়ার্টারে অনেক শিক্ষার্থী পরিবার পরিজন ছেড়ে বিদেশের মাটিতে প্রথমবারের মতো পড়তে এসেছে। নতুন জায়গা নতুন পরিবেশ অনেকের মানিয়ে নিতে কষ্ট হবে, কেউ কেউ অসুস্থ হয়ে যেতে পারে, পরিবারকে মিস করবে, একেবারে নতুন সাবজেক্ট হওয়ায় বুঝতে কঠিন হবে, বিষয়গুলো ভাবনায় রয়েছে, বলেন ড. হাসান কারাবার্ক। তিনি আরও বলেন এখানে সম্ভাবনা অপরিসীম তবে তার জন্য প্রচণ্ড পরিশ্রম করতে হবে এবং অধ্যাবসায়ী হতে হবে। যোগাযোগ বাড়াতে হবে। ভবিষ্যতে যা খুব কাজে দিবে বলে প্রেসিডেন্ট পরামর্শ রাখেন। ওরিয়েন্টেশন কর্মসূচিতে বিশ্ববিদ্যালয়ের একাডেমিক রীতিপদ্ধতির উপর আলোচনা হয়। ডব্লিউইউএসটি কোন লক্ষ্য নিয়ে এগোচ্ছে, ক্যারিয়ার ডেভেলপমেন্টে ছাত্রছাত্রীদের জন্য বিশ্ববিদ্যালয় কিভাবে পাশে থাকবে সে সব বিষয়ে আলোকপাত করে শুরুতে বিশ্ববিদ্যালয়ের নিজস্ব এজেন্ডাগুলো সামনে নিয়ে আসেন ডব্লিউইউএসটির স্কুল অব বিজনেস এর পরিচালক অধ্যাপক ড. মার্ক এল রবিনসন। শিক্ষার্থীদের সামনে তাদের পড়াশোনার নানা ধরন পরীক্ষার মান বন্টনের বিষয়গুলো বিস্তারিত তুলে ধরেন ড. অ্যাপোসটোলস।ডব্লিউইউএসটির এডমিশন ম্যানেজার কিমবারলি সিম্পসন, স্টুডেন্ট ভিসায় আসার পর একজন শিক্ষার্থীকে যে সব নিয়ম মানতে হয় সে বিষয়ে সম্যক ধারনা দেন। ভর্তি পদ্ধতি, বিষয় পরিবর্তন, লাইব্রেরি ও আইটি ল্যাবের ব্যবহার সম্পর্কে কথা বলেন তিনি। এই আয়োজনে আরও বক্তব্য রাখেন ডব্লিউইউএসটির মার্কেটিং ডিরেক্টর হোসে ওর্তেগা, স্টুডেন্ট সাকসেস এন্ড ক্যারিয়ার সার্ভিস ম্যানেজার রিচেল রোজ, আইটি ম্যানেজার কাজী বারী, স্টুডেন্ট গভর্নমেন্ট অ্যাসোসিয়েশনের প্রেসিডেন্ট সেলিন ইয়েগিত। ওরিয়েন্টেশন শেষে ডব্লিউইউএসটির ক্যাম্পাস বিল্ডিংয়ের সামনে নতুন স্টুডেন্টদের সাথে গ্রুপ ফটোসেশন অংশ নেন চ্যান্সেলর, প্রেসিডেন্টসহ বিশ্ববিদ্যালয়ের সকল কর্মকর্তা। আর মধ্যান্হ ভোজের মধ্য দিয়ে শেষ হয় সামার ওরিয়েন্টেশন। খাবার গ্রহনের সময় নতুন সহপাঠীরা একে অপরের সাথে পরিচয় পর্ব সেড়ে গল্পে মেতে উঠেন একেকজন। ২০০৮ সালে প্রতিষ্ঠিত বিশ্ববিদ্যালয়টি ২০২১ সাল থেকে ওয়াশিংটন ইউনিভার্সিটি অব সায়েন্স অ্যান্ড টেকনোলজি হিসেবে যুক্তরাষ্ট্রে বাংলাদেশি উদ্যোক্তা ইঞ্জিনিয়ার আবুবকর হানিপের ব্যবস্থাপনা ও নেতৃত্বে পরিচালিত হচ্ছে। এটি যুক্তরাষ্ট্রে বাংলাদেশি আমেরিকানের হাতে পরিচালিত প্রথম পূর্ণাঙ্গ একটি বিশ্ববিদ্যালয়। এখানে তথ্য-প্রযুক্তি, সাইবার সিকিউরিটি ও এমবিএ-বিবিএ কোর্সে বর্তমানে বিশ্বের ১২১ দেশের ১৫ শ'র বেশি শিক্ষার্থী লেখাপড়া করছে।

post
খেলা

প্রধানমন্ত্রীর নির্দেশে অবসর ভেঙে আবারও ফিরলেন তামিম

অবশেষে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার সঙ্গে সাক্ষাতের পর মান ভেঙেছে তামিম ইকবালের। অবসরের সিদ্ধান্ত থেকে সরে এসেছেন তিনি। এর জন্য দেড় মাস সময় দেওয়া হয়েছে ৩৪ বছর বয়সী দেশসেরা ওপেনারকে।এর আগে গতকাল বৃহস্পতিবার চট্টগ্রামে আন্তর্জাতিক ক্রিকেট থেকে আচমকা অবসরের ঘোষণা দেন তামিম। তারপরপরই গণমাধ্যম থেকে সাবেক ক্রিকেটার, সাধারণ মানুষের মধ্যে চলতে থাকে আলোচনা সমালোচনা নানা রকম বিচার বিশ্লেষণ। এরপর ৬ জুন শুক্রবার সাবেক অধিনায়ক মাশরাফি বিন মর্তুজার মাধ্যমে তামিমকে বঙ্গভবনে ডাকেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। এ ছাড়া তামিমের স্ত্রী আয়শাও সঙ্গে ছিলেন। একই সঙ্গে বিসিবিপ্রধান নাজমুল হাসান পাপনকেও ডাকা হয় সেখানে। তামিমের গণভবনে আসার খবর পেয়ে দর্শকরা ছুটে গিয়েছিলেন সেখানে। প্ল্যাকার্ড হাতে তারা রাস্তায় দাঁড়িয়েছিলেন। অবসর ভেঙে ফের ক্রিকেটে ফেরার দাবি জানাতে থাকেন তারা। প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে কয়েক ঘণ্টার বৈঠকের পর অবসরের সিদ্ধান্ত থেকে সরে এসেছেন তামিম। তবে আপাতত তিনি দেড় মাসের বিশ্রামে থাকবেন বলে জানা গেছে। তিনি অধিনায়ক হয়েই ফিরবেন এশিয়া কাপ দিয়ে।প্রধানমন্ত্রীর বাসা থেকে বের হওয়ার পর গণমাধ্যমে তামিম বলেছেন, ‘আজ দুপুরে আমাকে প্রধানমন্ত্রী তার বাসায় দাওয়াত করেছিলেন। উনার সঙ্গে অনেক্ষণ আমরা আলোচনা করেছি। উনি আমাকে নির্দেশ দিয়েছেন খেলায় ফিরে আসতে। আমি আমার রিটায়ারমেন্ট এই মুহূর্তে তুলে নিচ্ছি। কারণ আমি সবাইকে না বলতে পারি কিন্তু দেশের সবচেয়ে বড় ব্যক্তিকে না বলা আমার পক্ষে অসম্ভব। তাতে অবশ্যই পাপন ভাই ও মাশরাফি ভাইয়ের বড় ভূমিকা ছিল। মাশরাফি ভাই আমাকে ডেকে নিয়েছেন। পাপন ভাই সঙ্গে ছিলেন। প্রধানমন্ত্রী আমাকে দেড় মাসের জন্য একটা ছুটিও দিয়েছেন।’বৈঠক শেষে তামিমের পর বিসিবি সভাপতি সংবাদকর্মীদের বলেছেন, 'এটা সবার জন্য স্বস্তির খবর। অধিনায়কই যদি না থাকে বাংলাদেশ খেলব কীভাবে!’বিসিবি সভাপতি বলেছেন, 'যেহেতু সে শারীরিক ও মানসিকভাবে এখনও ফিট না, সেজন্য সে দেড়মাস সময় নিয়েছে। এই দেড়মাসে সে পুনর্বাসন করে আশা করছি শিগগিরই ক্রিকেটে ফিরে আসবে।’ গণমাধ্যমে তামিমের অবসর ভাঙার খবর আসার পরেই তার নিজ বাড়ির সামনে শুরু হয় আনন্দ উৎসব। চট্টগ্রামের কাজীর দেউড়ি এলাকায় ভক্তদের মাঝে মিষ্টি বিতরণ করতে দেখা যায়। তামিমের পরিবারের পক্ষ থেকে ভক্তদের জন্য ছিল এই আয়োজন।

post
আন্তর্জাতিক

আনন্দঘন ঈদ ভোজন ও সাংস্কৃতিক সন্ধ্যা

এলামী মোঃ কাউসার, কায়রো, মিশরগত ২৮ জুন বুধবার সন্ধ্যায় পবিত্র ঈদুল আদহা উপলক্ষে ‘বাংলাদেশ স্টুডেন্টস অর্গানাইজেশন,মিশর’ এর উদ্যোগে কায়রো শহরের সুপ্রসিদ্ধ তাইসির হলে উদযাপিত হয় আনন্দঘন ঈদুল আদহা ও সাংস্কৃতিক সন্ধ্যা। লাল সবুজের প্রিয় মাতৃভূমি বাংলাদেশ থেকে, ছয় হাজার কিলোমিটার দূরে, পরিবারের প্রিয়জনদের রেখে, নীলনদ আর পিরামিডের দেশে, শিক্ষার্থীদের একাকীত্বের ঈদ, আনন্দমুখর করার লক্ষ্যেই এই আয়োজন। ঈদের সন্ধ্যায় মহাগ্রন্থ আল-কুরআন তেলওয়াতের মাধ্যমে অনুষ্ঠানটি শুরু হয়। সাধারণ সম্পাদক, জনাব সাইমুম আল-মাহদী ও শিক্ষা-সংস্কৃতি সম্পাদক আবদুর রহমানের যৌথ উপস্থাপনায়, অনুষ্ঠানের সভাপতিত্ব করেন ইত্তেহাদের ২০২২-২৩ সেশনের কার্যকরী পরিষদের সভাপতি জনাব নাজিব শাওকি। সভাপতি মহোদয় উদ্ভোধনী বক্তব্যে বলেন, বিদেশের মাটিতে সকল বাংলাদেশী শিক্ষার্থী যেন মিলেমিশে আনন্দঘন পরিবেশে উদযাপন করতে পারে ঈদের আমেজ সেই লক্ষেই এ মিলনমেলা ও জাঁকজমকপূর্ণ সাংস্কৃতিক সন্ধ্যা। তিনি সকলকে কুরবানীর আত্মত্যাগের শিক্ষাকে হৃদয়ে ধারণ করার মাধ্যমে, সত্যিকারের মানুষ রুপে নিজেকে গড়ে তুলার আহ্বান‌ও জানান। সভাপতির উদ্ভোধনী বক্তব্যের পর ‘ইত্তেহাদ সাংস্কৃতিক ফোরাম’ এর শিল্পীবৃন্দ মন মাতানো সুরের মূর্সনায় উপস্থিত ছাত্র-ছাত্রী ও শিশু-কিশোরসহ সকলকে‌ই উপহার দেয় এক স্মরনীয় মুগ্ধ প্রহর। অনুষ্ঠানে পর্যায়ক্রমে সিনিয়র শিক্ষার্থীদের মধ্য হতে সকলের সাথে ঈদ শুভেচ্ছা বিনিময় করেন, মো. তাজদীদ বিন ওয়াদুদ ও জনাব মাজহারুল ইসলাম। সর্বশেষ দোয়া মোনাজাতের মাধ্যমে অনুষ্ঠানের সাংস্কৃতিক পর্বের সমাপ্তি ঘোষনা করেন উপদেষ্টা প্রধান শিহাব উদ্দীন। এরপর শুরু হয় ঈদ ভোজন পর্ব। ইত্তেহাদের পক্ষ থেকে কুরবানীকৃত গরুর ভুনা গোশতের মৌ মৌ ঘ্রাণ পূর্ণতা এনে দেয় সকল শিক্ষার্থীর ঈদ আনন্দে। সাংস্কৃতিক সন্ধ্যা ও ঈদ ভোজনসহ বাহারি আয়োজন উপভোগ করে উপস্থিত পাঁচশত শিক্ষার্থীর মুখে যখন আনন্দের হাসি ফুটে উঠে তখন আড়ালে ঘাম ঝরানো দায়িত্বশীলগণের হৃদয়‌ও পুলকিত হয়ে উঠে ত্যাগ ও কুরবানীর আমেজে।

post
আন্তর্জাতিক

যুক্তরাষ্ট্রে ধর্মীয় উৎসব আমেজে পবিত্র ঈদুল আযহা উদযাপিত !

মুসলিম বিশ্বসহ সমগ্র মানবতার কল্যাণ কামনার মধ্য দিয়ে যথাযথ ধর্মীয় ভাবগাম্ভীর্য ও উৎসব আমেজে ২৮ জুন বুধবার যুক্তরাষ্ট্রে উদযাপিত হয়েছে পবিত্র ঈদুল আযহা। চমৎকার আবহাওয়া থাকায় বিভিন্ন মসজিদের ব্যবস্থাপনায় খোলা মাঠে ও মসজিদে ঈদ জামাতে মানুষের ঢল নেমেছিল। সকালে সপরিবারে মসজিদে মসজিদে নামাজ আদায় করেন তারা। মসজিদে মসজিদে ধ্বনিত হতে থাকে- আল্লাহু আকবর আল্লাহু আকবর... লা ইলাহা ইল্লাল্লাহু...আল্লাহু আকবর আল্লাহু আকবর... ওয়ালিল্লাহিল হামদ।যুক্তরাষ্ট্রের ভার্জিনিয়াস্থ অ্যাডামস সেন্টারে মুসলমানদের ঢল নামে ঈদের জামায়াত আদায়ের জন্য। মসজিদে চারটি জামাত অনুষ্টিত হয়। সেখানে যোগ দেন এই অঙ্গরাজ্যে বাংলাদেশি কমিউনিটির অনেকেই। এখানে বিপুল সংখ্যক নারী জামাতে অংশ নেন। এই মসজিদে নামাজ আদায় করেন কমিউনিটির সুপরিচিত মুখ ওয়াশিংটন ইউনিভার্সিটি অব সায়েন্স অ্যান্ড টেকনোলজি'র চ্যান্সেলর আবুবকর হানিপ ও সিএফএ ফারহানা হানিপ। যুক্তরাষ্ট্রের ভার্জিনিয়ার আর্লিংটনে বায়তুল মোকাররম মসজিদে চারটি জামাত অনুষ্টিত হয়। সকাল ৮টা ৯টা ১০টা ও ১১টায় অনুষ্ঠিত এসব জামাত। এই মসজিদেও বিপুল সংখ্যক বাংলাদেশি মুসলিম ঈদের নামাজ আদায় করেন। ভার্জিনিয়ার গ্রিনসভিলেও হয়েছিলো বিশাল জমায়েত। পুরষদের পাশাপাশি ছিলো নারীদের উপস্থিতি। ওয়াশিংটন ডিসি ইসলামিক সেন্টারে ঈদের জামাত অনুষ্ঠিত হয় সকাল সোয়া ১০টায়। ওয়াশিংটনের বাংলাদেশ অ্যাসোসিয়েশন অব আমেরিকা ইনক ঈদুল আজহার নামাজের আয়োজন করে। ভার্জিনিয়ার দার আল নূর মসজিদ, দার আল হুদা, ফাতেমা মসজিদসহ বিভিন্ন মসজিদে পবিত্র ঈদুল আজহার জামাত অনুষ্ঠিত হয়।নিউইয়র্কসহ আমেরিকার বিভিন্ন রাজ্যে বসবাসরত মুসলমানরা এদিন সপরিবারে নিকটস্থ মসজিদ ও খোলা মাঠে পবিত্র ঈদুল আজহার নামাজ আদায় করেন। নিউইয়র্কে ঈদের বড় জামাত অনুষ্ঠিত হয়েছে কুইন্সে জ্যামাইকা মুসলিম সেন্টারের আয়োজনে থমাস হাইস্কুল খেলার মাঠে। অন্য জামাতগুলোর মধ্যে ছিল জ্যাকসন হাইটসে নিউইয়র্ক ঈদগাহ, ব্রঙ্কসে বাংলাবাজার জামে মসজিদ, পার্কচেস্টার জামে মসজিদ, নর্থ ব্রঙ্কস জামে মসজিদ, ওজোন পার্কে মসজিদ আল আমান, এস্টোরিয়ায় আল আমিন মসজিদ, ব্রুকলিনে বাংলাদেশ মুসলিম সেন্টার ও বায়তুল জান্নাহ মসজিদ।এদিকে যুক্তরাষ্ট্রের জনবহুল ও বাংলাদেশি অধ্যুষিত নিউ জার্সি, পেনসিলভানিয়া, ম্যাসাচুসেটস, কানেকটিকাট, ক্যালিফোর্নিয়া, টেক্সাস, ফ্লোরিডা, ওহাইও, ইলিনয়স, কলারাডো, ডেলাওয়ার, জর্জিয়া, কানসাস, ম্যারিল্যান্ড, মিশিগান, সাউথ ক্যারোলিনা, ওয়াশিংটন ও কেন্টাকি’র বিভিন্ন মসজিদ ও ইসলামিক সেন্টার ও দেড় শতাধিক খোলা মাঠে ঈদের জামাত অনুষ্ঠিত হবে বলে খবর পাওয়া গেছে। এসকল মসজিদে মসজিদে খুতবায় ঈদুল আযহার নামাজের তাৎপর্য এবং বর্তমান মুসলিম বিশ্বে ত্যাগের মহিমায় মহিমান্বিত হয়ে মুসলমানদের কাজ করার উপর গুরুত্বারোপ করা হয়। মুসলিম বিশ্বের শান্তি, সমৃদ্ধি কামনা করে বিশেষভাবে মোনাজাত করা হয়। নামাজ শেষে মুসলিম ভ্রাতৃত্বের গৌরবে গৌরবান্বিত মুসল্লিরা কোলাকুলি করে পরষ্পরের প্রতি ঈদের শুভেচ্ছা বিনিময় করেন। ঈদের নামাজ শেষে প্রবাসের ধর্মপ্রাণ মুসলমানরা পশু কোরবানির মধ্য দিয়ে উদ্‌যাপন করেন এই ধর্মীয় উৎসব। অপরদিকে গ্রোসারীর মাধ্যমে অনেকেই মহান আল্লাহতায়ালার সন্তুষ্টির জন্য খাসী ও গরু কোরবানী দেন। যার কারণে দোকানগুলোতে ব্যস্ত সময় কাটাতে দেখা গেছে সবাইকে। কোরবানীর মাংস হাতে পাওয়ার পর সেই মাংস আত্বীয়-স্বজন, বন্ধু-বান্ধবদের বাসায় বাসায় গিয়ে বিতরণ করা হয়। ঈদের জামাত আদায় ও পশু কোরবানি এবং প্রিয় জনের সান্নিধ্যে থেকে নানারকম উপাদেয় খাবার খেয়ে দিনটি কাটিয়েছেন এখানকার মুসলিম কমিউনিটির মানুষগুলো

post
প্রযুক্তি

আসল ও নকল আইফোন চিনবেন যেভাবে

একটা আইফোন কেনার শখ নেই, এমন মানুষ পাওয়া দায়। মানুষ যে পেশারই হোক না কেন, সবারই শখের মোবাইলের নাম আইফোন। অনেকেই একটু একটু করে টাকা জমিয়ে কেনেন আইফোন। কিন্তু এত শখ করে, এত দাম দিয়ে যে ফোনটি কিনছেন, সেটি আসল নাকি নকল তা বুঝবেন কীভাবে? বাংলাদেশে আইফোনের কোনো নিজস্ব শোরুম নেই, কিন্তু বেশ কিছু অফিসিয়াল রিসেলার ব্রান্ড আছে। তবে, অফিসিয়াল ব্রান্ড রিসেলার শোরুম থেকে না কিনে যদি অন্য কোনো দোকান থেকে আইফোন কেনা যায়, তাহলে অনেক কম দামে একই মডেলের আইফোন পেতে পারেন। আবার অনেকে নতুন আইফোন কেনার বাজেট মেলাতে হিমশিম খান। ফলে, তারা পছন্দের তালিকায় সেকেন্ড হ্যান্ড বা ব্যবহৃত আইফোনকে জায়গা দিতে বাধ্য হন। আইফোনের ব্যাপক চাহিদা থাকায় নকল আইফোনও রয়েছে বাজারে। আসল আইফোনের আদলে পাওয়া যায় নকলটা। অনেক বিক্রেতাই গ্রাহকের কম ধারণার সুযোগ নিয়ে নকল আইফোন বিক্রি করছেন এবং অজান্তেই এসব ফোন কিনে প্রতারিত হচ্ছেন গ্রাহক। কেনার আগে অবশ্যই আইফোনের আইএমইআই (ইন্টারন্যাশনাল মোবাইল ইকুইপমেন্ট আইডেনটিটি) নম্বরের সঙ্গে বক্সের আইএমইআই নম্বর মিলিয়ে দেখতে হবে। আইফোনের সেটিংস থেকে জেনারেল অপশনে ক্লিক করে অ্যাবাউট নির্বাচন করলেই আইএমইআই নম্বর পাওয়া যাবে। তারপর http://checkcoverage.apple.com ওয়েবসাইটে ব্রাউজ বরে ফোনের আইএমইআই নম্বর ভেরিফাই করে দেখতে পারেন যে ফোনটি আসল নাকি নকল। যদি অ্যাপলের ওয়েবসাইটে আপনার দেওয়া আইএমইআই নম্বরটি ভুল দেখায় বা কোনো তথ্য না দেখায়, তাহলে বুঝবেন ওই ফোনটি নকল। আর আইফোনটির সব তথ্য যদি সেখানে দেখায়, তাহলে বুঝবেন ফোনটি অ্যাপলের অফিসিয়াল। এ ছাড়া, *#06# ডায়াল করে ফোনের আইএমইআই নম্বর বের করতে পারবেন এবং অ্যাপলের ওয়েবসাইট থেকে ফোনটি যাচাই করতে পারবেন। আইএমইআই নম্বর দিয়ে সার্চ করলে আপনি ফোনের সকল তথ্য সেখানে দেখতে পারবেন।

post
বাংলাদেশ

বাংলাদেশ কারো খবরদারির কাছে মাথা নত করবে না : প্রধানমন্ত্রী

বাংলাদেশ কারো খবরদারির কাছে মাথা নত করবে না বলে মন্তব্য করেছেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। আজ রবিবার (১৮ জুন) সকালে প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ের শাপলা হলে স্পেশাল সিকিউরিটি ফোর্সের (এসএসএফ) ৩৭তম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী উদযাপন অনুষ্ঠানে এমন মন্তব্য করেন তিনি।শেখ হাসিনা বলেন, ‘বাংলাদেশের এত দ্রুত উন্নয়ন অনেকে সহ্য করতে পারছেন না বলেই নানা বাধা ও চক্রান্ত হচ্ছে। তবে এ নিয়ে ঘাবড়ানোর কিছু নেই। বাংলাদেশ কারো খবরদারির কাছে নতজানু হবে না। এটাই সরকারের সিদ্ধান্ত।’ দেশের মানুষের ভাগ্য পরিবর্তনের প্রত্যয় নিয়ে সরকার দেশ গড়ার কাজ করছে মন্তব্য করে প্রধানমন্ত্রী বলেন, ‘দেশের আর্থ-সামাজিক ক্ষেত্রে উন্নয়ন করাই সরকারের লক্ষ্য। সেই লক্ষ্য নিয়ে সরকার কাজ করছে। ইতোমধ্যে ঘরে ঘরে বিদ্যুৎ পৌঁছে দেওয়া হয়েছে।’ শেখ হাসিনা বলেন, ‘বাংলাদেশের মানুষ যেন বিশ্বে মাথা উঁচু করে চলতে পারে সরকার সেই লক্ষ্য নিয়ে কাজ করছে। দেশের আর্থ-সামাজিক উন্নয়নের পাশাপাশি সশস্ত্র বাহিনীকে যুগোপযোগী করে গড়ে তোলা হচ্ছে।’ দুর্নীতি করতে নয় দেশের মানুষের ভাগ্য গড়তে এসেছি এমন মন্তব্য করে বঙ্গবন্ধুকন্যা বলেন, ‘আমার পূর্বে যারা ক্ষমতায় ছিল (বিএনপি) বিভিন্ন জায়গায় দুর্নীতির কারণে তখনো বিশ্ব ব্যাংক তাদের অর্থ ফিরিয়ে নিয়েছিল। কিন্তু তখনকার সরকারের সাহস ছিল না যে তাদের প্রতিবাদ করে, কিন্তু পদ্মা সেতু নির্মাণের সময় তারা দুর্নীতির অভিযোগ তুলে যখন আমাদের ওপর দোষারোপ করল আমি তার প্রতিবাদ করেছিলাম। কারণ আমার কোনো দুর্বলতা ছিল না। আগের সরকার পারেনি কারণ তাদের দুর্বলতা ছিল। তারা সত্যিই দুর্নীতি করেছিল। আমরা দুর্নীতি করতে আসিনি, মানুষের ভাগ্য গড়তে এসেছি।’ সরকারপ্রধান বলেন, ‘পদ্মা সেতু করার একটা ঘটনাই আন্তর্জাতিকভাবে বাংলাদেশের ভাবমূর্তি পরিবর্তন হয়েছে। আগে যেমন প্রতিটি ক্ষেত্রে শুধু শর্ত আর শর্ত আর নানা কথা, এখন আর সেটা করতে কেউ সাহস পায় না। বাংলাদেশকে এখন সকলেই সমীহের চোখে দেখে। আমি মনে করি, এই আত্মবিশ্বাস নিয়েই আমাদের এগিয়ে যেতে হবে।’

About Us

NRBC is an open news and tele video entertainment platform for non-residential Bengali network across the globe with no-business vision just to deliver news to the Bengali community.