post
এনআরবি লাইফ

সুস্থ ধারায় বেড়ে ওঠার আহবান জার্মান প্রবাসীদের

জীবিকার তাগিদে প্রবাসের কঠিন পথ বেছে নিয়েছেন প্রায় দেড় কোটি বাংলাদেশি। তবে বিদেশে থাকলেও নানান কর্মকান্ডের মাধ্যমে মাতৃভাষা ও ভূমির প্রতি ভালোবাসার অনন্য দৃষ্টান্ত রাখছেন এই প্রবাসীরা। রেমিট্যান্স পাঠিয়ে যেমন দেশের আর্থ-সামাজিক উন্নয়নে অবদান রাখছেন, একইভাবে লাল-সবুজের বাংলাদেশকেও বিশ্ব দরবারে তুলে ধরতে ছুটছেন উল্কার বেগে। তাদের মধ্যে অন্যতম অবস্থানে রয়েছেন জার্মান প্রবাসীরাও। নতুন প্রজন্মের প্রতি এ বাংলাদেশিদের আহবান, সুস্থ ধারায় বেড়ে ওঠার।সংশ্লিষ্টরা জানান, ইউরোপের দেশটিতে উচ্চ শিক্ষা বা অভিবাসনের জন্যে পাড়ি জমিয়েছেন প্রায় অর্ধ লক্ষ বাংলাদেশি। জার্মানির প্রায় প্রতিটি ক্ষেত্রেই রয়েছে বাংলাদেশিদের অবস্থান। জার্মান প্রবাসী সাকি চৌধুরী, যিনি একাধারে লেখক, সমাজসেবক ও সাংস্কৃতিককর্মী। তবে দীর্ঘ জীবন প্রবাসে কাটালেও মাতৃভাষা ও ভূমির জন্যেও কাজ করছেন এই বাংলাদেশি। সামাজিক কাজে বিশেষ অবদানের জন্যে সম্প্রতি জার্মানীর সর্বোচ্চ সম্মাননা পেয়েছেন আরেক প্রবাসী মো: হামিদুল খান। জার্মানির আরেক প্রবীণ প্রবাসী শীব শংকর পাল, আন্তর্জাতিক এই দৌড়বিদ বাংলাদেশের লাল-সবুজের পতাকা বিশ্বদরবারে তুলে ধরতে ছুটছেন অবিরত।

post
আন্তর্জাতিক

ভুয়া বিয়ে: ইউরোপে ১৫ সদস্য আটক

ভুয়া বিয়ের মাধ্যমে ইউরোপে মানবপাচারের দায়ে চক্রের ১৫ সদস্যকে আটক করেছে ইউরোপীয় ইউনিয়ন পুলিশ। চক্রটি পর্তুগিজ ও লাটভিয়ার মেয়েদের সঙ্গে ভারতীয় ও পাকিস্তানি ছেলেদের পাতানো বিয়ের ব্যবস্থা করতো। ইনফো-মাইগ্রেন্টসের প্রতিবেদনে বলা হয়,গত ২৯ জানুয়ারি ‘অপারেশন টাস্ক ফোর্স লিমাসল’ নামে যৌথ স্টিং অপারেশন পরিচালনা করে সাইপ্রাস, পর্তুগাল ও লাটভিয়ার পুলিশ।পুলিশ জানিয়েছে, চক্রের সন্দেহভাজন দুই হোতাকে লাটভিয়া ও পর্তুগাল থেকে এবং ১৩ সদস্যকে সাইপ্রাস থেকে আটক করা হয়। চক্রটি পাতানো বিয়ের মাধ্যমে তৃতীয় বিশ্বের দেশের নাগরিকদের ইউরোপীয় ইউনিয়নের দেশগুলোতে অবৈধ অভিবাসনের সুযোগ করে দিতো। সাইপ্রাসের রাজধানী নিকোসিয়া ও লারনাকা শহরের টাউন হলে এ বিয়ের আয়োজন করা হতো।ভারত-পাকিস্তানের অভিবাসন প্রত্যাশী ছেলেদের সাথে পর্তুগিজ-লাটভিয়ার মেয়েদের এমন ১৩৩টি বিয়ের তথ্য তদন্তে উঠে এসেছে।

post
এনআরবি লাইফ

বাংলাদেশী গার্ডেনার্স সোস্যাইটির বিজয়মেলা

বাংলাদেশী গার্ডেনার্স সোস্যাইটি ইউকের উদ্যোগে অনুষ্ঠিত বিজয়মেলা হয়েছে। রবিবার লন্ডনের মে ফেয়ার ভ্যানুতে অনুষ্ঠিত হয় এ মেলা। এতে ব্রিটেনের বিভিন্ন শহর থেকে শখের বাগানীরা অংশ নেন। মেলায় বিভিন্ন প্রজাতির ফুল, ফলমূল এবং বীজ প্রদর্শন করা হয়। আয়োজকরা জানান, দূর দূরান্ত থেকে যারা মেলায় উপস্থিত হতে পারেন নি, এমন অন্তত পাঁচশজনের জন্য ডাকযোগে বীজ পাঠানো হয়েছে। এবারের মেলায় যুক্ত করা হয়েছে নতুন প্রজন্মের শিশু-কিশোরদের। আয়োজকরা মনে করেন, নতুন প্রজন্মের হাতে পুরো ব্রিটেনে ছড়িয়ে পড়বে বাংলাদেশী শাক সবজির চাষ। এতে করে ব্রিটেনে বাঙালীদের সবুজ বিপ্লব সুচিত হবে বলেও মনে করছেন তারা। এছাড়াও এ আয়োজনের ফলে বিলেতে বসবাসরত বাঙালীদের মধ্যে বাগান তৈরীর উৎসাহ বাড়বে বলেও মনে করেন অতিথিরা। মেলায় বিলেতের জনপ্রিয় শিল্পীরা সঙ্গীত পরিবেশন করেন।

post
আন্তর্জাতিক

যুক্তরাজ্যে নিষিদ্ধ হচ্ছে ই-সিগারেট

ডিসপোজেবল ভ্যাপ বা একক ব্যবহারের ই-সিগারেট নিষিদ্ধ করতে যাচ্ছে যুক্তরাজ্য। পরিবেশ ও জনস্বাস্থ্যের জন্য হুমকি হিসেবে বিবেচনা করে এ সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। বিবৃতিতে ব্রিটেনের প্রধানমন্ত্রী বলেছেন, আমরা আমাদের শিশু ও কিশোর-কিশোরীদের ধূমপান থেকে বিরত রাখতে প্রতিশ্রুতিবদ্ধ। এমনকি যেসব প্রাপ্তবয়স্ক তরুণ-তরুণী ধূমপানে অভ্যস্ত হয়ে পড়েছে, আমরা তাদেরও ধীরে ধীরে ধূমপানমুক্ত জীবনে ফিরিয়ে আনতে চাই। শিগগিরই এ পদক্ষেপ নেওয়া হবে।এদিকে, সরকারের এই সিদ্ধান্তের তীব্র প্রতিবাদ জানিয়েছে ই-সিগারেট প্রস্তুতকারী ব্রিটিশ উদ্যোক্তাদের সংগঠন ইউকে ভ্যাপিং ইন্ডাস্ট্রি অ্যাসোসিয়েশন। সেই সঙ্গে অ্যাসোসিয়েশন হুঁশিয়ারি দিয়ে বলেছে, যদি সত্যিই সরকার এই কঠোর সিদ্ধান্ত বাস্তবায়ন করে, সেক্ষেত্রে ২০২৪ সালের পার্লামেন্ট নির্বাচনে ভোটের ক্ষেত্রে তার ফল ভোগ করতে হবে।যুক্তরাজ্যের সরকারি পরিসংখ্যান দপ্তর এবং অলাভজনক সংস্থা অ্যাকশন অন স্মোকিং অ্যান্ড হেলথের (অ্যাশ) তথ্য অনুসারে, ২০২০ সালে যেখানে ৪.১ শতাংশ কিশোর-কিশোরী ধূমপানে আসক্ত ছিল। ২০২৩ সালে তা বেড়ে পৌঁছেছে প্রায় ৯ শতাংশে।

post
এনআরবি লাইফ

বার্সেলোনায় পিঠা উৎসব অনুষ্ঠিত

স্পেনের বার্সেলোনায় বাংলাদেশ বন্ধুসূলভ মহিলা সংগঠনের উদ্যোগে অনুষ্ঠিত হয়েছে পিঠা উৎসব। সংগঠনের সভাপতি শিউলি আক্তারের সভাপতিত্বে স্থানীয় একটি হলে আয়োজন করা হয় বাংলার ঐতিহ্যবাহি এ উৎসবের। অনুষ্ঠান যৌথ পরিচালনা করেন জান্নাতুল ফেরদৌস নিগার ও মিতু এবং কিশমা। এতে প্রধান অতিথি ছিলেন স্পেনে নিযুক্ত বাংলাদেশের রাষ্ট্রদূত মোহাম্মদ সারওয়ার মাহমুদ। আরও উপস্থিত ছিলেন  দূতাবাসের মিনিস্টার পলিটিক্যাল ও ডেপুটি চিপ আবদুর রউফ মন্ডল, কাতালুনিয়ার পার্লামেন্টের সাবেক এমপি মারিয়া দান্তে, বার্সেলোনা সিটি কমিশনার ইভান, স্পেন-বাংলা প্রেসক্লাবের সভাপতি সাহাদুল সুহেদ সহ কমিউনিটির শীর্ষ সদস্যরা। পিঠা উৎসবে ভাপা পিঠা, নারিকেল দুধ পুলি, গোলাপ ফুল পিঠা, পাটি সাপটা, চিতই পিঠা, মালপোয়া পিঠাসহ প্রায় ৬০ রকমের পিঠা প্রদর্শন করা হয়। অনুষ্ঠানের সার্বিক সহযোগিতায় ছিলেন সিনিয়র সভাপতি খাদিজা আক্তারসহ সংগঠনের সদস্যরা। শেষে সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান পরিবেশন করেন স্থানীয় শিল্পীরা।

post
এনআরবি সাফল্য

ইংল্যান্ডের স্কুলগুলোতে বাংলাদেশিরা চমৎকারভাবে ভালো করছে: দ্য ইকোনমিস্ট

দুই দশক আগেও শ্বেতাঙ্গ ব্রিটনদের তুলনায় বাংলাদেশিরা দেশটির জেনারেল সার্টিফিকেট অফ সেকেন্ডারি এজুকেশন (জিসিএসই) পরীক্ষায় খুবই পিছিয়ে ছিল। কিন্তু সে অবস্থায় বেশ পরিবর্তন ঘটেছে সাম্প্রতিক সময়ে, এখন বাংলাদেশিরাই এগিয়ে রয়েছে বলে মন্তব্য করেছে দ্য ইকোনমিস্ট। ইংল্যান্ডে থাকা অন্য কোনো জাতির শিক্ষার্থীরা বাংলাদেশিদের তুলনায় এত উন্নতি করেনি। ফলে বিশ্ববিদ্যালয়ের সেরা অবস্থান কিংবা ভালো চাকরিতে এগিয়ে থাকা, উভয় জায়গাতেই বাংলাদেশিরা বেশ এগিয়ে রয়েছে, ব্রিটিশ সাপ্তাহিকটির এক সাম্প্রতিক নিবন্ধে এ তথ্য উঠে এসেছে। ১৯৮৫ সালে পূর্ব লন্ডনের স্কুলের ছাত্রদের ওপর গবেষণা পরিচালনা করা হয়, সেখানে দেখা যায় বাংলাদেশি ছাত্ররা "খুবই বাজে" পারফর্ম করছে। একই নিবন্ধে উল্লেখ করা হয় লন্ডনের বিশিল্পায়নের কারণে বাংলাদেশিরা আরও প্রান্তিক পর্যায়ে পৌঁছাবে। তবে ইংল্যান্ড ও ওয়েলসের জনসংখ্যার ১ শতাংশ বাংলাদেশিদের ক্ষেত্রে ভবিষ্যদ্বাণীর উল্টো ঘটেছে। সত্তরের দশকের শুরুর দিকে বাংলাদেশিরা যুক্তরাজ্যে ভিড়তে শুরু করে। অনেক অভিবাসীরাই বাণিজ্যিক এলাকার পাশে থাকা পূর্ব লন্ডনের ভেতরদিকে স্থায়ীভাবে থাকতে শুরু করে। কাউন্সিলের বৈষম্যমূলক আবাসন নীতির স্বীকার হতে হয় তাদেরকে, বর্ণবাদী আচরণেরও মুখোমুখি হতে হয়, যার ফলে তাদেরকে আরো পূর্বদিকে সরে যেতে হয়। বেশিরভাগ বাংলাদেশিরাই রেস্টুরেন্ট এবং কাপড়ের ব্যবসা শুরু করে।শিক্ষার ব্যবস্থাও ছিল একইরকম বাজে, বিশেষ করে মেয়েদের ক্ষেত্রে। মালবেরি স্কুল ফর গার্লস নামের এক বাংলাদেশি-বহুল উচ্চমাধ্যমিক বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক ভ্যানেসা ওগডেন জানালেন, "আমাদের মেয়েরা বিশ্ববিদ্যালয়েরা যাওয়ার জন্য আগ্রহী ছিল না। বেশিরভাগেরই বিয়ে দিয়ে দেওয়া হতো, তারপর ঘরে বসে জীবন কাটাতো। এরপর অনেকেই এর প্রতিবাদ শুরু করে।" ২০০৪ সালে এক স্কুল ইন্সপেক্টরকে এক বাংলাদেশি ছাত্রী বলেছিল, "যখন আমরা বিয়ে করবো এবং আমাদের মেয়ে হবে, আমরা তাদের সাথে ভিন্নভাবে আচরণ করবো।" তার মতো বাংলাদেশিরা তাদের কথা রেখেছিলেন। ২০০৯-১০ সাল থেকে বর্তমান সময় পর্যন্ত ব্রিটেনের সবচেয়ে প্রতিযোগিতামূলক বিশ্ববিদ্যালয়গুলোতে বাংলাদেশিদের হার ৫ শতাংশ থেকে বেড়ে ১৬ শতাংশে দাঁড়িয়েছে। অন্যদিকে শ্বেতাঙ্গ ব্রিটনদের হার একই সময়ে ৮ শতাংশ থেকে মাত্র ১০ শতাংশে এসেছে। এই সাফল্যের পেছনে অন্যতম কারণ হতে পারে নীতি নির্ধারণ এবং ধৈর্য। ১৯৯৭ সালে লেবার সরকার একটি এজুকেশন টাস্ক ফোর্স গঠন করে। তারই একজন সদস্য হেইডি মির্জা জানান, দরিদ্র ইনার-সিটি স্কুলগুলোর জন্য অতিরিক্ত বাজেট বরাদ্দ এবং সঠিক তদারকির ফলাফল অবশেষে দেখা যাচ্ছে। তবে কনজার্ভেটিভ সরকারের আমলে এই মনোযোগ অন্যদিকে সরিয়ে নেওা হয়েছে। ৫৫টি শিক্ষা বিনিয়োগ এলাকার কোনোটিই লন্ডনের মধ্যে নয়। এগুলো পূর্ব লন্ডনের বাংলাদেশিদের জন্য খারাপ সংবাদ হলেও এখনই এর প্রভাব পড়বে না। এছাড়াও লন্ডনে থাকার কারণও বাংলাদেশিদের এই সাফল্যের পেছনে একটি বড় কারণ। আশির দশকের মধ্যভাগ থেকেই বাণিজ্যিক ক্ষেত্রে নিয়ম-নীতি শিথিল করায় লন্ডনের অর্থনীতিতে পুনর্জাগরণ হয়। সবগুলো জাতি হিসাব করলে বাংলাদেশিরাই সবচেয়ে বেশি রাজধানী-কেন্দ্রিক। ২০১৯ সালের পরিসংখ্যান অনুযায়ী, যুক্তরাজ্যের ৫৫ শতাংশ বাংলাদেশিই লন্ডনে থাকে, যা আর কোন জাতির মধ্যে দেখা যায় না। ফলে অর্থনৈতিক কেন্দ্রের আশেপাশে থাকায় বাংলাদেশিরা এর সুবিধা পেয়েছে। দুই মার্কিন গবেষকের গবেষণা থেকে দেখা যায়, অভিবাসীদের এই সাফলের পেছনে মূলত অর্থনৈতিকভাবে এগিয়ে থাকা অঞ্চলের একটি সংযোগ রয়েছে। যদিও, ২৪ শতাংশ বাংলাদেশি বিভিন্ন ধরনের ভাতা পেয়ে থাকে, যেখানে অন্যান্য জাতিগুলোর গড় ১৬ শতাংশ। অফিস ফর ন্যাশনাল স্ট্যাটিস্টিক্সের পরিসংখ্যান অনুযায়ী, ব্রিটিশদের তুলনায় বাংলাদেশিদের গড় সম্পদ মাত্র এক-পঞ্চমাংশ। অন্যদিকে, শ্বেতাঙ্গ, কৃষ্ণাঙ্গ এবং ভারতীয় নারীদের তুলনায় বাংলাদেশি নারীরা বেশ পিছিয়ে, অর্ধেকেরও কম বাংলাদেশি নারী অর্থনৈতিকভাবে সক্রিয় নয়।  

post
আন্তর্জাতিক

বিক্ষোভে উত্তাল ইইউ পার্লামেন্ট এলাকা

কর এবং ক্রমবর্ধমান ব্যয় বৃদ্ধি মোকাবিলায় জনগণকে সহায়তা করার পদক্ষেপ নিতে ইউরোপীয় ইউনিয়নের (ইইউ) নেতাদের সম্মেলন ঘিরে তীব্র প্রতিবাদ করছে ইউরোপের হাজার হাজার মানুষ। বৃহস্পতিবার ব্রাসেলসে ইউরোপীয় পার্লামেন্টে ডিম এবং পাথর ছুঁড়েছেন ইউরোপের বিভিন্ন দেশ থেকে আসা কৃষকরা। একই সঙ্গে ভবনের কাছে অগ্নিসংযোগ করে বিক্ষোভ করেছেন তারা।ব্রিটিশ বার্তা সংস্থা রয়টার্সের এক প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, ব্রাসেলসে ইউরোপীয় পার্লামেন্ট ভবনের সামনে বিক্ষোভ ঠেকাতে বসানো প্রতিবন্ধকতা গুঁড়িয়ে দেওয়ার চেষ্টা করেছেন কৃষকরা। এ সময় পুলিশ গরম পানি ও টিয়ার গ্যাস নিক্ষেপ করে বিক্ষোভকারীদের সরিয়ে দেয়।স্থানীয় একজন কর্মকর্তা বলেছেন, পার্লামেন্ট ভবনের চত্বরের একটি মূর্তির সামনে কৃষকরা তাদের ট্রাক্টর নিয়ে জড়ো হয়েছেন। ইউরোপীয় ইউনিয়নের প্রাণকেন্দ্র ব্রাসেলসের প্রধান প্রধান সব রাস্তা প্রায় এক হাজার ৩০০ ট্রাক্টর দিয়ে অবরোধ করে রেখেছেন কৃষকরা। ব্রাসেলসে এই বিক্ষোভে ইতালি, স্পেন এবং ইউরোপের অন্যান্য দেশের কৃষকরাও অংশ নিয়েছেন।ইউরোপীয় কাউন্সিলের সদরদপ্তরে ইউরোপের বিভিন্ন দেশের নেতাদের বৈঠকের সময় বাইরে বিক্ষোভ করেন ক্ষুব্ধ কৃষকরা। এ সময় ওই এলাকায় দাঙ্গা পুলিশের সদস্যরা নিরাপত্তায় নিয়োজিত ছিলেন। কৃষকরা বলছেন, তাদের পর্যাপ্ত অর্থ সহায়থা দেওয়া হচ্ছে না। ক্রমবর্ধমান কর এবং সবুজ বিধি-বিধানের কারণে তাদের দম বন্ধ হয়ে যাওয়ার মতো দশা তৈরি হয়েছে। এ ছাড়া বিদেশ থেকেও অন্যায্য প্রতিযোগিতার সম্মুখীন হচ্ছেন তারা।

post
এনআরবি বিশ্ব

যুক্তরাজ্যে বিজয় দিবসের আলোচনা সভা

মহান বিজয় দিবস উপলক্ষ্যে বাংলাদেশ ওয়েলফেয়ার এসোসিয়েশন ক্রয়ডনের উদ্দ্যোগে আলোচনা সভা ও মনোজ্ঞ সাংস্কৃতিক উৎসব অনুষ্ঠিত হয়েছে। এসোসিয়েশনের নিজস্ব ভবনের হল রুমে আয়োজিত এ অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করেন সংগঠনের সভাপতি আনোয়ার হোসেন বাচ্চু। সভা সঞ্চালনা করেন সাধারণ সম্পাদক হাসান ইমাম। এতে প্রধান অতিথি ছিলেন ক্রয়ডনের সাবেক মেয়র কাউন্সিলার শেরওয়ান চৌধুরী। এসময় বক্তব্য রখেন সংগঠনের সাবেক প্রেসিডেন্ট নজমুল হক সাদিক, মুজিবুর রহমান আনা, মুক্তা বেগমসহ অনেকে। অনুষ্ঠানে ওয়েলফেয়ারের শিক্ষার্থীরা বাংলাদেশের জাতীয় সংগীত, বাংলা কবিতা ও ছড়া পরিবেশন করে অতিথিদের মাতিয়ে রাখেন।

post
এনআরবি বিশ্ব

যুক্তরাজ্য যুবলীগের ভারপ্রাপ্ত সাধারণ সম্পাদক জামাল আহমদ খানকে নাগরিক সংবর্ধনা

‘ফ্রিডম অব দ্য সিটি অব লন্ডন’ সম্মাননায় ভূষিত হওয়ায় যুক্তরাজ্য যুবলীগের ভারপ্রাপ্ত সাধারণ সম্পাদক জামাল আহমদ খানকে নাগরিক সংবর্ধনা দেয়া হয়েছে। সোমবার পূর্ব লন্ডনের একটি হলে তরুণ এই রাজনীতিবিদকে সংবর্ধনা দেয়া হয়। এ আয়োজন করে প্রবাসী বালাগঞ্জ ও উসমানী নগর উপজেলা যুব সমিতি ইউকে। অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করেন শেখ নুরুল ইসলাম জিতু। ফয়জুর রহমান ফয়েজ ও ফয়সল আহমদ সুমনের যৌথ পরিচালনায় অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি ছিলেন বাংলাদেশ হাই কমিশন যুক্তরাজ্যের পলিটিক্যাল কাউন্সিলর দেওয়ান মাহমুদুল হক। এতে বিশেষ অতিথি ছিলেন রশিদ আহমেদ, বদরুল ইসলাম, আলহাজ্ব কবির উদ্দিন, হেলাল আব্বাসসহ অনেকে।

post
এনআরবি বিশ্ব

গ্রেটার ঢাকা সোসাইটি ইউকের আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত

গ্রেটার ঢাকা সোসাইটি ইউকের আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত যুক্তরাজ্যে নবগঠিত গ্রেটার ঢাকা সোসাইটি ইউকের আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত হয়েছে। সোমবার পূর্ব লন্ডনের একটি রেষ্টুরেন্টে এ সভার আয়োজন করা হয়। এসময় মুক্তিযোদ্ধা আবু আহমেদ খিজিরের সভাপতিত্বে চার সদস্য বিশিষ্ট আহবায়ক কমিটি গঠন করা হয়। তাঁরা আগামী ৯০ দিনের মধ্যে নির্বাচন করে নতুন কমিটি গঠন করবেন। সভায় বক্তব্য রাখেন ডাক্তার ফিরোজা ভূঁইয়া কণা, অ্যাডভোকেট আব্দুল হালিম, মোঃ মোতালেব মিয়া, তাহমিনা আক্তার শিপু, রৌশন আরা কলি ও সানজিদা আহমেদ ববীসহ অনেকে।

About Us

NRBC is an open news and tele video entertainment platform for non-residential Bengali network across the globe with no-business vision just to deliver news to the Bengali community.