post
এনআরবি বিশ্ব

ওয়াশিংটন ডিসি’র বাংলাদেশ দূতাবাসে যথাযোগ্য মর্যাদায় ‘শহিদ বুদ্ধিজীবী দিবস’ পালিত

ওয়াশিংটন ডিসি, ১৫ ডিসেম্বর, ২০২৩ ১৯৭১ সালে মহান মুক্তিযুদ্ধে চূড়ান্ত বিজয়ের প্রাক্কালে পাকিস্তানি হানাদার বাহিনী এবং তাদের এদেশীয় দোসরদের হাতে নির্মমভাবে নিহত এ মাটির শ্রেষ্ঠ সন্তানদের প্রতি গভীর শ্রদ্ধা নিবেদনের মাধ্যমে ১৪ ডিসেম্বর বৃহস্পতিবার ওয়াশিংটন ডিসিস্থ বাংলাদেশ দূতাবাসে ‘শহিদ বুদ্ধিজীবী দিবস’ পালিত হয়েছে।যুক্তরাষ্ট্রে নিযুক্ত বাংলাদেশের রাষ্ট্রদূত জনাব মোহাম্মদ ইমরান কর্তৃক বঙ্গবন্ধু কর্নারে অবস্থিত জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের আবক্ষ ভাস্কর্যে পুষ্পস্তবক অর্পণের মাধ্যমে দিনের কর্মসূচি শুরু হয়। এ সময় মিশনের কর্মকর্তা-কর্মচারীবৃন্দ উপস্থিত ছিলেন।পরে বঙ্গবন্ধু মিলনায়তনে এ উপলক্ষে মহামান্য রাষ্ট্রপতি মোহাম্মদ সাহাবুদ্দিন ও মাননীয় প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা প্রদত্ত বাণী পাঠ করে শোনান মিনিস্টার (কনস্যুলার) মোহাম্মদ হাবিবুর রহমান এবং মিনিস্টার (পলিটিক্যাল) মোঃ রাশেদুজ্জামান। এরপরে দিনটির তাৎপর্য তুলে ধরে এক আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত হয়। আলোচনা সভায় অংশ নিয়ে রাষ্ট্রদূত ইমরান শহিদ বুদ্ধিজীবীদের প্রতি গভীর শ্রদ্ধা জ্ঞাপন করেন। তিনি জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান ও মহান মুক্তিযুদ্ধের সকল শহিদের প্রতিও গভীর শ্রদ্ধা জানান। তিনি পাকিস্তানি হানাদার বাহিনী ও তাদের দোসরদের দ্বারা বিশিষ্ট বুদ্ধিজীবীদের বর্বরোচিত হত্যাযজ্ঞকে মানব ইতিহাসের অন্যতম গুরুতর মানবাধিকার লঙ্ঘন বলে অভিহিত করেন এবং এই দিনটি আরো বৃহৎ পরিসরে পালনের মাধ্যমে এই নৃশংস হত্যাযজ্ঞকে বিশ্ববাসীর সামনে তুলে ধরার জন্য সকলের প্রতি আহ্বান জানান। রাষ্ট্রদূত ইমরান বলেন, এই নৃশংস হত্যাযজ্ঞ ছিল জাতির জন্য একটি অপূরণীয় ক্ষতি। তিনি মহান মুক্তিযুদ্ধের চেতনা ও শহিদ বুদ্ধিজীবীদের আত্মত্যাগে উদ্বুদ্ধ হয়ে ক্ষুধা ও দারিদ্র্যমুক্ত সোনার বাংলা গড়তে সবাইকে ঐক্যবদ্ধভাবে কাজ করার অনুরোধ জানান । আলোচনায় অংশ নিয়ে মিনিস্টার (প্রেস) এজেডএম সাজ্জাদ হোসেন ১৪ ডিসেম্বরকে বাঙালি জাতির ইতিহাসে একটি কলঙ্কজনক দিন হিসেবে বর্ণনা করেন। তিনি বলেন পাকিস্তানি হানাদার বাহিনী ও তাদের দোসররা এই দিনে দেশের প্রখ্যাত বুদ্ধিজীবীদের হত্যা করে জাতিকে মেধাশূন্য করতে চেয়েছিল। একাত্তরে মানবতাবিরোধী অপরাধের শাস্তি এড়াতে কিছু যুদ্ধাপরাধী বাংলাদেশ থেকে পালিয়ে বিভিন্ন দেশে আশ্রয় নিয়েছে বলে তিনি উল্লেখ করেন এবং খুনিদের বিচারের মুখোমুখি করতে অবিলম্বে তাদের বাংলাদেশে ফেরত পাঠানোর জন্য সংশ্লিষ্ট দেশগুলোর প্রতি আহ্বান জানান। শহিদ বুদ্ধিজীবী, জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান এবং মুক্তিযুদ্ধের সকল শহিদের বিদেহী আত্মার মাগফেরাত কামনা করে এক বিশেষ মোনাজাতের মধ্য দিয়ে দিনের কর্মসূচি শেষ হয়। কর্মসূচি পরিচালনা করেন কাউন্সেলর ও দূতালয় প্রধান শামীমা ইয়াসমিন স্মৃতি।

post
ক্যাম্পাস লাইফ

ভারতের নিমস ইউনিভার্সিটির শিক্ষার্থীদের আমেরিকান ডিগ্রীর স্বপ্ন পূরণ করবে ডব্লিউইউএসটি

উচ্চমান সম্পন্ন শিক্ষা, গবেষণা উন্নয়ন, সহযোগীতা ও অন্যান্য শিক্ষাবিনিময় কার্যক্রম পরিচালনার লক্ষ্যে ওয়াশিংটন ইউনিভার্সিটি অব সায়েন্স অ্যান্ড টেকনোলজি ও ভারতের শীর্ষস্থানীয় বেসরকারি নিমস ইউনিভার্সিটির মাঝে একটি দীর্ঘ মেয়াদী সমঝোতা স্মারক স্বাক্ষর হয়েছে। ৪ ডিসেম্বর সোমবার যুক্তরাষ্ট্রের ভার্জিনিয়াস্থ ডব্লিউইউএসটির লিসবার্গ পাইক ক্যাম্পাসের হল রুমে অনুষ্ঠিত হয় এই কার্যক্রম। এই সমঝোতা স্বারক স্বাক্ষর করেন ডব্লিউইউএসটির চ্যান্সেলর আবুবকর হানিপ এবং নিমস ইউনিভার্সিটির চ্যান্সেলর প্রফেসর ড. বলবীর এস. তুমার। ভারত এবং যুক্তরাষ্ট্রের মধ্যে উচ্চ শিক্ষা এবং শিক্ষাগত গবেষণার উন্নয়নের স্বার্থে পারস্পরিক সহযোগীতায় এই দুই বিশ্ববিদ্যালয় দীর্ঘস্থায়ীভাবে এক সাথে কাজ করার লক্ষ্যে এই সমঝোতা স্মারক স্বাক্ষর করেছে। ভারতের অন্যতম শীর্ষস্থানীয় শিক্ষা প্রতিষ্ঠান নিমস ইউনিভার্সিটির ক্যাম্পাস রাজস্থানের জয়পুরে। বেসরকারী মেডিকেল নির্ভর ইউনিভার্সিটির মধ্যে দীর্ঘ সময় ধরে এটি সারা ভারতের মধ্যে অন্যতম বিশ্ববিদ্যালয়। ডব্লিউইউএসটিতে পরিচালিত চলমান প্রোগ্ররামগুলোর সিলেবাস অনুসরণ করে পড়ানো হবে নিমস ইউনিভার্সিটিতে। আর সেই প্রোগ্রামের ছাত্রছাত্রীরা তাদের ডিগ্রীর অর্ধেক বা একাংশ সম্পূর্ণ করবেন যুক্তরাষ্ট্রের ভার্জিনিয়াস্থ ওয়াশিংটন ইউনিভার্সিটি অব সায়েন্স অ্যান্ড টেকনোলজিতে এসে। এটি ছিলো এই এমওইউর অন্যতম বিষয়। এই সমঝোতা স্মারক স্বাক্ষর করার উদ্দেশ্যে ডব্লিউইএসটির ক্যাম্পাসে আসেন নিমস ইউনিভার্সিটির চ্যান্সেলর প্রফেসর ড. বলবীর এস তুমার ও প্রফেসর ড. নিপাক নাথিয়া। যেখানে উপস্থিত ছিলেন ডব্লিউইউএসটির শিক্ষক ও কর্মকর্তাগণ। শুরুতে নিমস ইউনিভার্সিটির সার্বিক চিত্র প্রেজেন্টেশনের মাধ্যমে তুলে ধরেন প্রফেসর ড. নিপাক নাথিয়া। আর ডব্লিউইউএসটির পক্ষ থেকে এই বিশ্ববিদ্যালয়ের মিশন, ভিশন ও বৈশিষ্ট্যসূমহ পাওয়ার পয়েন্টের মাধ্যমে অতিথীদের সামনে উপস্থাপন করেন স্টুডেন্ট সাকসেস এন্ড ক্যারিয়ার সার্ভিস ম্যানেজার রিচেল রোজ। দুই বিশ্ববিদ্যালয়ের উপস্থাপন পর্ব শেষে চ্যান্সেলর ইঞ্জিনিয়ার আবুবকর হানিপ তার বক্তৃতায় বলেন, " নিমস ইউনিভার্সিটি সার্বিক বিবেচনায় সফলতার এমন জায়গায় গিয়ে পৌঁছেছে যে এটি অন্য যে কোন বিশ্ববিদ্যালয়ের জন্য অনুসরণীয়। সেই বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীদের কাছে ডব্লিউইউএসটির মাধ্যমে শিক্ষা সেবা পৌঁছে দিতে পারাটা হবে আনন্দের ও গর্বের।" তিনি আমন্ত্রিত অতিথীদের সামনে ডব্লিউইউএসটির কথা বলতে গিয়ে বলেন, "দু বছর আগে মাত্র ২৮২ জন শিক্ষার্থী নিয়ে শুরু হয়েছিলো এই বিশ্ববিদ্যালয়ের নতুন করে পথচলা। অল্প সময়ের ব্যবধানে বর্তমানে বিশ্বের একশোর বেশি দেশের ১৭'শো ছাত্রছাত্রী এখানে পড়শোনা করছে।" তিনি আরও জানান," আসছে নতুন বছরের প্রথম দিন থেকে নিজস্ব নতুন ক্যাম্পাসে ক্লাস ও সকল কার্যক্রম শুরু হতে যাচ্ছে ডব্লিউইউএসটির। চলছে নার্সিং ও ডাটা সাইন্সের মত নতুন প্রোগ্রাম শুরু করার প্রক্রিয়া। সুতরাং নিমসের মেডিকেল শিক্ষার্থীদের পাশাপাশি আইটির স্টুডেন্টরাও এখানে এসে তাদের আমেরিকান উচ্চ শিক্ষার স্বপ্ন পূরণ করতে পারবে।" আবুবকর হানিপ যোগ করেন, "ডব্লিউইউএসটির শিক্ষার্থীরা বিনা খরচে পিপলএনটেকের মত ইন্টারন্যাশনাল লেভেলের সফট স্কিল প্রতিষ্ঠান থেকে পাঁচ হাজার ডলারের যে কোন একটি কোর্স বিনামূল্যে করতে পারছে। বিগত দেড় যুগে পিপলএনটেক থেকে সার্টিফিকেশন কোর্স করে যুক্তরাষ্ট্রের বিভিন্ন আইটি কোম্পানীতে দশ হাজার মানুষ সফল আইটি ক্যারিয়ার গড়েছে, দেড় থেকে দুই লাখ ইউএস ডলারে সেলারি পাচ্ছে তাদের অনেকে। সুতরাং নিমসের শিক্ষার্থীরাও এই পিপলএনটেক থেকে যে কোন একটি আইটি কোর্স বিনা খরচ করতে পারবে বলে জানান, আবুবকর হানিপ।" নিমস ইউনিভার্সিটির চ্যন্সেলর ড. বলবীর এস তুমার বক্তব্য দিতে এসে বলেন, "ইঞ্জিনিয়ার আবুবকর হানিপ যেমন একজন অসাধারণ মানুষ তেমনি একজন ক্যারিশম্যাটিক লিডার, তার নেতৃত্বে ডব্লিউইউএসটি দারুণ গতিতে এগিয়ে চলছে। যে স্বপ্ন আর পরিকল্পনা নিয়ে তিনি এগিয়ে চলছেন দ্রুত সময়ের মধ্যে ডব্লিউইউএসটি আমেরিকার মেইন স্ট্রিমের সেরা বিশ্ববিদ্যালয়গুলোর তালিকায় জায়গা করে নিবে। ড. বলবীর আরও বলেন, "ডব্লিউইউএসটির শিক্ষার্থীদের সংখ্যাও অদূর ভবিষ্যতে ২০ হাজার ছাড়িয়ে যাবে।" ডব্লিউইউএসটির প্রেসিডেন্ট ড. হাসান কারাবার্ক নিমস বিশ্ববিদ্যালয়ের বৃহৎ আকারের শিক্ষা কার্যক্রম ও সফলতার প্রশংসা করেন এবং তাদের এই কার্যক্রমের সাথে তার বিশ্ববিদ্যালয়কে যুক্ত করার জন্য ধন্যবাদ জানান। প্রেসিডেন্ট ড. কারাবার্ক তার বিশ্ববিদ্যালয়ের 'ত্রিপল এ' মিশন অর্থাৎ অ্যক্রিডিয়েটেড, অ্যাফোরডেবল ও অ্যাক্সেসেবল বৈশিষ্ট্যের কথা তুলে ধরেন। নিমস ইউনিভার্সিটির চ্যান্সেলর ও তার প্রতিনিধি দলকে ডব্লিউইউএসটিতে স্বাগতম জানিয়ে ডব্লিউইউএসটির প্রধান অর্থকর্মকর্তা ফারহানা হানিপ বলেন, "নিমসের মতো ভারতের শীর্ষস্থানীয় বিশ্ববিদ্যালয়ের সাথে এক হয়ে কাজ করা হবে সত্যিই গর্বের।" তারপর আনুষ্ঠানিকভাবে সমঝোতা স্মারক স্বাক্ষর করেন দুই চ্যান্সেলর। ওয়াশিংটন ইউনিভার্সিটি অব সায়েন্স অ্যান্ড টেকনোলজির পক্ষ থেকে সুভিনির তুলে দেয়া হয় অতিথীদের হাতে। গ্রুপ ফটোসেশনে অংশ নেন সকলে। অনুষ্ঠানে যোগ দেবার আগে লিসবার্গ পাইকের ক্যম্পাস ঘুরে ফিরে দেখেন চ্যান্সেলর ড. বলবীর এস. তুমার। সেখানে থেকে চলে যান ওয়াশিংটন ইউনিভার্সিটি অব সায়েন্স অ্যান্ড টেকনোলজির আলেকজেন্দ্রিয়ার নতুন ক্যম্পাসে। ক্যাম্পাসের বিস্তৃতি এবং ক্যাম্পাস জুড়ে শিক্ষার্থীদের জন্য সর্বাধুনিক ক্লাসরুম, ল্যাব, লাইব্রেরী, ক্যাফেটেরিয়া, গেমিং জোন, অডিটোরিয়ামসহ সব কিছু ঘুরে ফিরে দেখে ভূয়সী প্রশংসা করেন প্রফেসর ড. বলবীর। তিনি বলেন তার বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীরা উচ্চ শিক্ষার জন্য একেবারে সঠিক ঠিকানা খুঁজে পেয়েছে। একাডেমিক কারিকুলাম, বিশ্ববিদ্যালয়ের ফ্যাকাল্টি, মিশন ও ভিশন আর সর্বপরি চ্যান্সেলর আবুবকর হানিপ এবং প্রেসিডেন্ট ড. হাসান কারাবার্কে মতো নেতৃত্বের হাতে পরিচালিত কোন বিশ্ববিদ্যালয়ের থেকে শিক্ষার্থীরা সেরাটাই পাবে বলে মন্তব্য করেন নিমস বিশ্ববিদ্যালয়ের চ্যান্সেলর ড. বলবীর। ২০০৮ সালে প্রতিষ্ঠিত বিশ্ববিদ্যালয়টি ২০২১ সাল থেকে ওয়াশিংটন ইউনিভার্সিটি অব সায়েন্স অ্যান্ড টেকনোলজি হিসেবে যুক্তরাষ্ট্রে বাংলাদেশি-আমেরিকান উদ্যোক্তা ইঞ্জিনিয়ার আবুবকর হানিপের ব্যবস্থাপনা ও নেতৃত্বে পরিচালিত হচ্ছে। এটি যুক্তরাষ্ট্রে বাংলাদেশি-আমেরিকানের হাতে পরিচালিত প্রথম পূর্ণাঙ্গ একটি বিশ্ববিদ্যালয়। এখানে তথ্য-প্রযুক্তি, সাইবার সিকিউরিটি ও ব্যবসায়িক প্রশাসনের উপর ব্যাচেলর ও মাস্টার্স কোর্সে বর্তমানে বিশ্বের ১২১ দেশের সতেরশো শিক্ষার্থী লেখাপড়া করছে। অন্যদিকে ভারতে অন্যতম শীর্ষস্থানীয় বেসরকারী নিমস ইউনিভার্সিটিতে মেডিকেলের প্রোগামের পাশাপাশি রয়েছে প্রায় সবরকম নন-মেডিকেল সাবজেক্ট। ২০ হাজার শিক্ষার্থীর জন্য রয়েছে সাড়ে পাঁচ হাজার ‌ফ্যাকাল্টি মেম্বার। চারশো একর জমির উপর প্রতিষ্ঠিত এই বিশ্ববিদ্যালয়ের একশোর বেশি প্রোগ্রামের অধীনে সাড়ে চারশো কোর্স চালু রয়েছে। মেডিকেল সায়েন্সের সকল সাবজেক্টের পাশাপাশি আইন, ব্যবসায়িক প্রশাসন, লিবারেল আর্টস থেকে শুরু করে প্রযুক্তি সংশ্লিষ্ট সকল সাবজেক্টের সাথে এই বিশ্ববিদ্যালয়ে পড়ানো হয় আর্টিফিসিয়াল ইন্টিলিজেন্সের মতো বিষয়। আর এখন ডব্লিউইউএসটির সাথে এই সমঝোতার স্মারকের ফলে খুলে গেলো হাজারো শিক্ষার্থীর আমেরিকান ডিগ্রীর স্বপ্নের দোঁয়ার।

post
প্রবাস রাজনীতি

বিরোধী নেতাকর্মীদের গ্রেপ্তারে উদ্বিগ্ন যুক্তরাষ্ট

বাংলাদেশে বিরোধী নেতাকর্মীদের গণগ্রেপ্তার এবং কারাগারে নির্যাতনের খবরে গভীর উদ্বেগ প্রকাশ করেছে যুক্তরাষ্ট্র। এছাড়া দেশটি সকল পক্ষকে সহিংসতা থেকে বিরত থাকতে বলেছে। একইসঙ্গে সকল পক্ষ যেন স্বাধীনভাবে, হয়রানি এবং সহিংসতামুক্ত নির্বাচনী প্রক্রিয়ায় অংশ নিতে পারে, নির্বাচনের আগে সেই পরিবেশ নিশ্চিত করতে বাংলাদেশ সরকারে প্রতি আহ্বানও জানিয়েছে দেশটি।বুধবার নিয়মিত সংবাদ সম্মেলনে এক প্রশ্নের জবাবে এসব কথা বলেন মার্কিন পররাষ্ট্র দপ্তরের মুখপাত্র ম্যাথিউ মিলার। এদিনের ব্রিফিংয়ে আসন্ন নির্বাচনের আগেই বাংলাদেশের ওপর নতুন নিষেধাজ্ঞা আরোপের বিষয়ে প্রশ্নও উঠে এসেছে। ব্রিফিংয়ে সাংবাদিকেরা কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা প্রযুক্তি ব্যবহার করে বাংলাদেশে ভুয়া সংবাদ এবং ভিডিও প্রচারের বিষয়ে জানতে চান। তিনি বলেন, প্রভাবশালী পত্রিকা দ্য ফিন্যান্সিয়াল টাইমসের অনুসন্ধানী প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, আসন্ন নির্বাচনকে সামনে রেখে কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা প্রযুক্তি ব্যবহারের মাধ্যমে ভুয়া সংবাদ এবং ভুয়া ভিডিও বানিয়ে শেখ হাসিনার নেতৃত্বাধীন সরকার যুক্তরাষ্ট্র এবং বাংলাদেশের বিরোধীদলগুলোর বিরুদ্ধে পরিকল্পিত প্রচারণা চালাচ্ছে। তিনি আরও বলেন, বাংলাদেশে মৌলিক অধিকার নিশ্চিত করতে ছয়টি আন্তর্জাতিক মানবাধিকার সংস্থা আন্তর্জাতিক সম্প্রদায়ের প্রতি আহ্বান জানিয়েছে। কারণ নির্বাচনকে সামনে রেখে পুরো বাংলাদেশকে কারাগারে রূপান্তরিত করেছে ক্ষমতাসীন সরকার। ডিসেম্বরের ১৮ তারিখ থেকে নির্বাচনী প্রচারণা ছাড়া সব ধরনের রাজনৈতিক কর্মসূচি নিষিদ্ধ করা হয়েছে। এসময়ে তিনি বলেন, আমরা বাংলাদেশ সরকারকে এমন একটি পরিবেশ তৈরি করতে সকল অংশীদারদের (স্টেকহোল্ডার) সাথে কাজ করার আহ্বান জানাচ্ছি যেখানে সবাই সহিংসতা বা প্রতিশোধের ভয় ছাড়াই প্রাক-নির্বাচন এবং নির্বাচনী পরিবেশে অবাধে অংশগ্রহণ করতে পারে।

post
এনআরবি বিশ্ব

ইন্টারন্যাশনাল হিউম্যান রাইটস ডে এবং জেনেভা কনভেনশনের ৭৫ বছর পূর্তি উপলক্ষে শীতবস্ত্র বিতরন

জলি আহমেদ: রবিবার, ১০ই ডিসেম্বর ২০২৩মানবিকতার অংশ হিসেবে আজ ১০ই ডিসেম্বর ২০২৩ এ জ্যাকসন হাইটস এর ডায়ভারসিটি প্লাজায় শীতার্ত মানুষের মাঝে শীতবস্ত্র বিতরন করা হয় ইন্টারন্যাশনাল হিউম্যান রাইটস ডে এবং জেনেভা কনভেনশনের ৭৫ বছর পূর্তি উপলক্ষে ওয়াল্ড হিউম্যান রাইটস ইউএসএ ইনক্ এউ আয়োজন করেন। এবং এই বিতরণ প্রোগ্রাম চলবে সমগ্র ডিসেম্বর মাস ব্যাপী। এমন সমাজ সেবা মূলক কাজে সতস্ফুর্ত  চেতনায় উদ্ভুদ্ধ হয়ে বৃষ্টি এবং তীব্র শীতকে উপেক্ষা করে বঞ্চিত মানুষের মাঝে উপস্থিত থেকে অনুষ্ঠানের  উদ্ভোধন করেন মেয়র অফিসের সাউথ এশিয়ান লায়াজন শুক্রানি ধানপাত পেট্রেশিয়া। অনুষ্ঠানে আরও উপস্থিত ছিলেন নিউইয়র্ক সিটির প্রতিনিধিদের মধ্যে মি: নবরাজ কেসি, ড. গিরি ও আজাদ কাশ্মীর নিউইয়র্কের বলিষ্ঠ নেতা সাগির খান।অনুষ্ঠানের আহবায়ক  ছিলেন রোটারিয়ান মোহাম্মদ আতিকুর রহমান ও সমন্বয়কারী লায়ন্স মারুফ আহমেদ, নির্বাহী সদস্য তরিকুল হাসান বাদল, জাবেদ উদ্দিন, রাশেদ উদ্দিন হীরা ও সেলিনা ইসলাম। আরো উপস্থিত ছিলেন সংগঠনের উপদেষ্টা জনাব মাসুদ রানা, সেক্রেটারি জেনারেল ড. কামরুল ইসলাম এবং সভাপতি ড. রফিকুল ইসলাম। সার্বিক সহযোগিতায় ছিলেন সংগঠনের অন্যান্য সদস্যবৃন্দ। অনুষ্ঠানে উপস্থিত থেকে শীতবস্ত্র বিতরন করেন বাংলাদেশ থেকে আসা স্বনামধন্য নায়িকা ওয়াল্ড হিউম্যান রাইটস ইউএসএ ইনক্ এর ব্র্যান্ড অ্যাম্বাসেডর চিত্রনায়িকা সৈয়দা কামরুন নাহার শাহনুর (অর্গানাইজিং সেক্রেটারি বাংলাদেশ চলচ্চিত্র  শিল্পী সমিতি এবং লায়ন প্রেসিডেন্ট )।প্রচন্ড শৈত্যপ্রবাহ ও বৃষ্টি উপেক্ষা করে সংগঠনের উদ্দোগে কমিটির সদস্যরা স্বতস্ফূর্ত ভাবে বিনা স্বার্থে এই শীতবস্র বিতরন কার্যক্রমে অংশ গ্রহন করেন। ডিসেম্বরের এই কনকনে ঠান্ডা আর শতভাগ বৃষ্টির মধ্যেও সকল কমুউনিটির অনেক নিম্ন আয়ের মানুষ কষ্ট করছে ভেবে এবং তাদের দূর্ভোগ লাঘবে সংগঠনের পক্ষ থেকে এই আয়োজন করা হয়। যাহা খুবই সময় উপযোগী ও যথার্থ ছিলো। অনেক সংখ্যক বিভিন্ন কমুউনিটির মানুষ সুশৃঙ্খল ভাবে শীতবস্ত্র সংগ্রহ করেন।অনুষ্ঠানটি সরাসরি সমপ্রচারিত হয় এনআরবিসি টিভি এর মাধ্যমে।

post
আন্তর্জাতিক

গাজায় যুদ্ধবিরতির প্রস্তাব পাস জাতিসংঘে

গাজায় মানবিক যুদ্ধবিরতির প্রস্তাব জাতিসংঘ সাধারণ পরিষদে সর্বসম্মতভাবে পাস হয়েছে।বুধবার অনুষ্ঠিত জাতিসংঘ সাধারণ পরিষদের সভায় ১৯৩টি সদস্যের মধ্যে ১৫৩ রাষ্ট্র যুদ্ধবিরতির পক্ষে ভোট দিয়েছে। এটাকে মানবিক যুদ্ধবিরতি হিসেবে বর্ণনা করছে জাতিসংঘ। যদিও এ প্রস্তাব মেনে চলার কোনো আইনগত বাধ্যবাধকতা নেই। তবে এই প্রস্তাবের রাজনৈতিক গুরুত্ব রয়েছে, এর মধ্য দিয়ে প্রতিফলিত হয়েছে বিশ্ব জনমত। অপরদিকে যুক্তরাষ্ট্র, প্যারাগুয়ে ও অস্ট্রিয়াসহ ১০টি দেশ যুদ্ধবিরতি প্রস্তাবের বিপক্ষে ভোট দিয়েছে। এছাড়া ব্রিটেন, জার্মানি, ইটালি, নেদারল্যান্ডস, এবং ইউক্রেনসহ ২৩টি দেশ ভোটদানে বিরত ছিল।

post
এনআরবি বিশ্ব

জ্যামাইকা বাংলাদেশ এসোসিয়েশন ইনক- জেবিএ প্রথম সফল উদ্যোগ জ্যামাইকায় বসবাসরত শীতাত মানুষের মাঝে কম্বল বিতরন

জ্যামাইকা বাংলাদেশ এসোসিয়েশন জেবিএ প্রথম সফল উদ্যোগ মানবিকতার অংশ হিসেবে গত ৬ ই ডিসেম্বর ২০২৩ এ হিলসাইড ও হোমলনের মাঝে লিটল বাংলাদেশ চত্বরে শীতাত মানুষের মাঝে কম্বল বিতরন করা হয় । এমন সমাজ সেবা মূলক কাজে তীব্র শীতের মাঝেও উপস্থিত ছিলেন বরো প্রেসিডেন্ট ডোনাভান রিচাড। তিনি এই কার্যক্রমের উদ্বোধন করেন। অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি ছিলেন মেয়র অফিসের সাউথ এশিয়ান লায়াশন শুক্রানি ধানপাত পেট্রেশিয়া । এই সময় আরো উপস্থিত ছিলেন জেবিএ সভাপতি বিশিষ্ট ব্যবসায়ী শাহ নেওয়াজ, সিনি: সহ সভাপতি আহসান হাবীব,সাধারন সম্পাদক রাব্বী সৈয়দ, উপদেষ্টা আকাশ রহমান,শেখ ইলিয়াস হাবীব ,নূরুল আজীম সহ কমিটির প্রায় সবাই ।সংগঠনের প্রথম আয়োজনে এমন মহৎতী উৎদোগ উদীয়মান একটি নতুন সংগঠনের জন্য খুবই আশা ব্যান্জক।প্রচন্ড শৈত্যপ্রবাহ ও স্নোফল উপেক্ষা করে সংগঠনের উদ্দোগে কমিটির সদস্যরা শতফূত ভাবে বিনা স্বাথে এই কম্বল বিতরন কাযক্রমে অংশ গ্রহন করেন ।ডিসেম্বরের এই ঠান্ডায় অনেক নিন্ম আয়ের মানুষ কষ্ট করছে,তাদের  দূর্ভোগ লাগবে সংগঠনের পক্ষ থেকে এই আয়োজন করা হয় যা খুবই সময় উপযোগীও যথার্থ ছিলো।প্রায় তিনশ এর অধিক কম্বল দেয়া হয় এবং আগের দিন থেকে ই নামের তালিকা তৈরী করা হয় ।বিপুল সংখ্যক দেশী বিদেশী মানুষ সুশৃঙ্খল ভাবে লাইনে দারিয়ে এই কম্বল সংগ্রহ করেন।জেবিএ এমন মহৎ উৎদোগের প্রশংসা করে বরো প্রেসিডেন্ট বলেন”জ্যমাইকায় একটা বিশাল জনগোষ্ঠী বাঙ্গালী,এই টাফ টাইমে শীতার্থ মানুষের পাশে দারানো কে আমি সাধুবাদ জানাই।” সভাপতি শাহনেওয়াজ বলেন, “ব্লান্কেট কার্যক্রমের আওতায় আমরা প্রকৃতপক্ষে যাদের প্রয়োজন তাদের পর্যাপ্ত পরিমান ব্লান্কেট দিয়ে যাবো যতক্ষন আমরা পারি।” সিনি:সহ সভাপতি আহসান হাবিব ও সাধারন সম্পাদক রাব্বী সৈয়দ জেবিএ প্রথম আয়োজনকে সফল করতে কমিটির যারা কম্বল ডোনেট করেছেন তাদের প্রতি কৃতজ্ঞতা জ্ঞাপন করেন।কম্বল বিতরনের কার্যক্রম যাদের অক্রান্ত পরিশ্রম সুন্দরভাবে সম্পন্ন হয়েছে তারা হলেন -মো:আলী,ডিউক খান,সেলিম খান,অনিক রাজ,বেলাল আহমেদ ,আহনাফ আহমেদ, মোতালিব শিকদার , আসাদুজ্জামান বাবু,মোতালিব শিকদার,এডভোকেট সামিউল কবির ,বদরুদ্দোজা সাগর ,কাজী জামান বিটু,মনিউর রহমান জাহাঙ্গীর,সোহেল সীমান্ত,রিনা সাহা,হুমায়ন কবির তুহিন,আকাশ রহমান,রুবাইয়া রহমান,মো:কবির, এডভোকেট মাহবুর রহমান বকুল, এডভোকেট মতিউর রহমান, সিরাজুল ইসলাম লিপন সহ আরো অনেকে। গেষ্ট হিসেবে ছিলেন ফকরুল ইসলাম দেলোয়ার,এবি এম ওসমান গুনী,আল আমিন রাসেল,কামরুল ইসলাম সনি,আবুল কাশেম সহ আরো অনেকে ।উল্লেখ্য, নিউইয়র্ক সিটির বৃহত্তর জ্যামাইকায় ক্রমবর্ধমান বাংলাদেশী কমিউনিটির শিল্প, সংস্কৃতি সহ বিভিন্ন সামাজিক কর্মকান্ডেকে আরো সু-শৃঙ্খল ও গতিশীল করার লক্ষ্যে একটি ঐক্যবদ্ধ সামাজিক সংগঠনের প্রত্যাশাই নতুন সংগঠনের লক্ষ্য বলে জানান সংশ্লিস্টরা ।

post
প্রবাস রাজনীতি

নির্বাচনের সময় কম আর ব্যবস্থাপনার ঘাটতিতে ভোট বঞ্চিতের আশংকা প্রবাসীদের

ভোটের অধিকারের দাবিতে বিভিন্ন সময় আন্দোলন-সংগ্রাম করেছেন প্রবাসীরা। তারই ধারবাহিকতায় এবারের দ্বাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে প্রবাসীরা পোস্টাল ব্যালটের মাধ্যমে ভোট দিতে পারবেন বলে জানিয়েছে সরকার। তবে, বিশ্লেষকরা বলছেন, নির্বাচনের সময় কম থাকা আর ব্যবস্থাপনার ঘাটতিতে এবারও ভোট বঞ্চিত হবেন প্রবাসীরা। সংবিধানে সব নাগরিকের ভোটের অধিকারের কথা বলা হলেও স্বাধীনতার দীর্ঘ ৫২ বছরে দেড় কোটি প্রবাসী বাংলাদেশির মৌলিক এই অধিকার এখনো প্রতিষ্ঠিত হয়নি। যুক্তরাজ্যের প্রবাসী বাংলাদেশী ভোটাধিকার আন্দোলনের কনভেনার কে এম আবু তাহের চৌধুরী বলেন, প্রবাসীদের ভোটের অধিকারের দাবিতে যুক্তরাজ্যে বিভিন্ন সময় আন্দোলন-সংগ্রাম করেছেন তারা।তবে বিশ্লেষকরা বলছেন,নির্বাচনের সময় কম থাকা এবং প্রবাসীদের এনআইডি কার্ড না থাকায় এবারও অনিশ্চিত পোস্টাল ভোট।এদিকে,ইতালিতে এনআইডি কার্যক্রমের উদ্বোধন করা হলেও তা এখনও বাস্তবায়ন হয়নি বলে অভিযোগ করেন ইতালী প্রবাসী কমিউনিটি নেতা শাহাদাত হোসাইন। সম্প্রতি প্রবাসে বসবাসরত বাংলাদেশি ভোটাররাও দ্বাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে ভোট দিতে পারবেন বলে এক বিজ্ঞপ্তিতে এ কথা জানিয়েছে নির্বাচন কমিশন।

post
এনআরবি বিশ্ব

নিউ ইয়র্কে শো টাইম মিউজিক আয়োজিত এনআরবি অ্যাওয়ার্ডের ১৩তম জমকালো আসর

জলি আহমেদ: সোমবার,৪ ডিসেম্বর ২০২৩  গত ৩ ডিসেম্বর ২০২৩,কুইন্স প্যালেস, উডসাইড, নিউইয়র্কে আয়োজিত হলো শো টাইম মিউজিক ১৩তম এনআরবি অ্যাওয়ার্ড ২০২৩। এক যুগ পেরিয়ে ১৩ বছরে পা ফেলেছে শোটাইম মিউজিক এর প্রতিভা বিকাশে সর্বাধিক জনপ্রিয়  এনআরবি এ্যাওয়ার্ড  অনুষ্ঠান। প্রবাসে চরম বাস্তবতার মাঝেও শিল্প সাহিত্যে, ব্যবসা-বাণিজ্যে মানুষের কল্যানে যারা কাজ করেন তাদের সম্মান জানাতে এই এ্যাওয়ার্ড প্রদান করা হয়ে থাকে। দেশের অন্যতম সেরা চলচ্চিত্র অভিনেত্রী, নায়িকা মৌসুমীর উপস্থিতি অনুষ্ঠানের সৌন্দর্য্য বাড়িয়ে তুলে বহুগুণ।অনুষ্ঠানের শুরুতে স্বাগত জানিয়ে শুভেচ্ছা বক্তৃতা করেন শোটাইম মিউজিকের সিইও আলমগীর খান আলম। তিনি বলেন, “১৩তম আসরেও আপনাদের সরব উপস্থিতি প্রমাণ করে আপনারা শো টাইম মিউজিকের এই এ্যাওয়ার্ড প্রদানকে যথার্থ মনে করেন। অর্থাৎ আমরা মানুষকে সম্মানীত করার যে প্রক্রিয়া অনুসরন করছি সেটি সঠিক পথেই এগুচ্ছে।”বাবু জামান আর সোনিয়ার প্রাণবন্ত উপস্থাপনায় অনুষ্ঠানের প্রধান আকর্ষণ, বাংলাদেশ চলচ্চিত্রের প্রিয়দর্শিনী নায়িকা মৌসুমী বলেন,”প্রবাসে থেকেও যে সকল বাবা মা তাদের সন্তানদের মাঝে দেশীয় সংস্কৃতি তথা বাংলা সংস্কৃতি ধরে রাখতে এত পরিশ্রম করছেন, তাদের প্রতি আমার বিনম্র শ্রদ্ধা”।এখানে জন্ম নেওয়া শিল্পীদের পরিবেশনায় তিনি তাঁর মুগ্ধতা প্রকাশ করেন।এ সময় ডেমোক্রেটিক পার্টির ডিস্ট্রিক্ট লিডার এট লার্জ এটর্নী মঈন চৌধুরী বলেন, “দিনে দিনে এনআরবি এ্যাওয়ার্ড একটি প্রেস্টিজিয়াস এ্যাওয়ার্ডে পরিণত হয়েছে”।নিউইয়র্কের সেরা শিল্পীদের নাচ আর গানের ফাঁকে ফাঁকে শিল্পী, সাহিত্যিক,সমাজকর্মীদের হাতে এ্যাওয়ার্ড তুলে দেন চিত্রনায়িকা মৌসুমীসহ অতিথিরা।বিভিন্ন ক্ষেএে অবদানের জন্য কাজের স্বীকৃতি স্বরুপ  যারা সম্মানিত হয়েছেন তারা হলেন যথাক্রমে -এ প্রজন্মের জনপ্রিয় শিল্পী আলবান, ঋত্বিকা ব্যানার্জি, জারিন মাইসা, সাগ্নিক মজুমদার, জনপ্রিয় কণ্ঠশিল্পী নীলিমা শশী, কৃষ্ণা তিথি, কামরুল ইসলাম , মিতু মাহমুদ,  মিউজিসিয়ান শরীফ, নৃত্যশিল্পী প্রিয়া ডায়েস, অ্যাটর্নি রুমা জান্নাতুল, বিশিষ্ট রিয়েল এস্টেট ব্যবসায়ী নূরুল আজিম, নাসির সবুজ,  রহমান মালিক , তারেক হাসান খান গ্লোবাল মাল্টি সার্ভিস, ফারহানা খান, মাশুদ রানা তপন,  এএসএম উদ্দিন, লেখক ও আবৃত্তিকার গোপন সাহা, গীতিকার ইশতিয়াক রুপু, উপস্থাপক বাবুজামান, সনিয়া, সাংবাদিক ইকবাল ফেরদৌস, অভিনেতা তরিকুল ইসলাম মিঠু, ডিরেক্টর ইমন, বিপ্লব, হোম কেয়ার সার্ভিস মোঃ জামিল, কাজী লিটন, মোঃ খালেক, ডক্টর শাহজাদী পারভীন  (মা ফাউন্ডেশন), কমিউনিটি এক্টিভিটি আহসান হাবীব, রাব্বি সাঈদ, হাসান জিলানী , মোঃ কাসেম , সিপিএ চিশতী, মোহাম্মদ সারোয়ার (ফ্রেশ ফুড), ব্রডকাস্ট জার্নালিস্ট রেজওয়ানা আলভিস এবং ব্রডকাস্ট জার্নালিস্ট (ভলেন্টায়ারি) জলি আহমেদ।প্রিয়দর্শনী মৌসুমির হাতে লাইফ টাইম এচিভম্যান্ট এ্যাওয়ার্ড তুলে দেন বিশিষ্ট রিয়েল এস্টেট ব্যবসায়ী নুরুল আজিম।অনুষ্ঠানে অন্যান্যের মধ্যে উপস্থিত ছিলেন ডা. সারওয়ারুল হাসান, বিশিষ্ট ব্যবসায়ী নূরুল আজিম, আব্দুল আলিম, মোঃ সোহাগ, হেলাল মিয়া, আব্দুর রশিদ বাবু, রেদওয়ান হক, ডিউক খান, রহমান মালিক, তানভীর কায়সার ,কণ্ঠশিল্পী চন্দন চৌধুরী, শামীম সিদ্দিকী, কমিউনিটি এক্টিভিস্ট আহসান হাবীব,  রাব্বি সাঈদ, মনিকা রায়, সাংবাদিক মে: সাঈদ,  মিজানুর রহমান মিজান, আকবর হায়দার কিরণ, রাশেদ আহমেদ,তোফাজ্জল লিটন,  সাকায়েত হোসেন সেলিম, ফটো সাংবাদিক নিয়ার সিদ্দিকী, তুষার পিক ,বাংলাদেশ আমেরিকান লায়ন্স ক্লাবের সাবেক সভাপতি আহসান হাবিব, মোস্তাকিম- রাবু বিল্লাহ, মাকসুদুল এইচ চৌধুরী, শাকিল মিয়াসহ অনেকে। পুরো অনুষ্ঠানটি সরাসরি সম্প্রচার করেছে এনআরবিসিটিভি। এর আগে প্রিয়া ডায়েসের নেতৃত্বে নৃত্য শিল্পীদের পরিবেশনা দর্শকদের মন ছুঁয়ে যায়।অনুষ্ঠানে সঙ্গীত পরিবেশন করেন বিন্দু কনা, কৃষ্ণ তিথি , নীলিমা শশী, মনিকা দাস, মিতু মাহমু, আফতাব জনি, আলভিন, সাগ্নিক মজুমদার, রওশন আরা কাজল, ড. কামরুল হকসহ একঝাঁক তারকা শিল্পী। সব মিলিয়ে এক অসাধারণ সন্ধ্যা কাটাল নিউইয়র্কের বাংলাদেশ কমিউনিটি।

post
এনআরবি সাফল্য

আর্জেন্টিনার সিনেটে কমুনাস পুরস্কার পেলেন প্রবাসী বাংলাদেশি তালুকদার আলিম আল রাজী

আর্জেন্টিনার সিনেটে কমুনাস পুরস্কার পেয়েছেন প্রবাসী বাংলাদেশি তালুকদার আলিম আল রাজী।দেশটির জাতীয় সিনেটে তার হাতে এই পুরস্কার তুলে দেন ভিক্টোরিয়া ফাউন্ডেশনের আন্তর্জাতিক সম্পর্ক পর্যবেক্ষণ কেন্দ্রের সভাপতি জুলিয়া পেরি। আলিম আল রাজি বাংলাদেশ-আর্জেন্টিনা চেম্বার অব কর্মাসের সভাপতি। তিনি দু-দেশের মধ্যে বাণিজ্যিক উন্নয়ন, দ্বিপাক্ষিক সম্পর্ক ও কর্মসংস্থান সৃষ্টিতে বিশেষ ভূমিকা পালন করছেন। পাশাপাশি দেশটিতে বাংলা ভাষার বিকাশ ও উভয় দেশের মধ্যে সাংস্কৃতিক সম্পর্ক জোরদার করতে কাজ করে চলেছেন এই সফল ব্যবসায়ী ।

post
আন্তর্জাতিক

মুসলিম আমেরিকানদের কাছে ক্ষমা চাইলেন প্রেসিডেন্ট বাইডেন

ইসরাইলের হামলায় ফিলিস্তিনিদের মৃতের সংখ্যা সন্দেহ প্রকাশ করে যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট জো বাইডেন এবার তিনি নিজের ভুল ধরতে পেরেছেন। এই বিষয়ে যুক্তরাষ্ট্রে আমেরিকান মুসলিম নেতাদের কাছে ক্ষমা চাইলেন তিনি। বেশ কিছু মুসলিম নেতা বাইডেনের সঙ্গে দেখা করতে গেলে তিনি এই ভুল শিকার করেন। আলোচিত এই বৈঠক নিয়ে নতুন বিবরণ পেয়েছে এবিসি নিউজ। তাদের প্রতিবেদনে বলা হয়, গত ৭ অক্টোবর ইসরাইলে হামাসের সন্ত্রাসী হামলার পর শুরু হয় যুদ্ধ। যুদ্ধে হামাস পরিচালিত গাজার স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয় তাদের নিহতের যে সংখ্যা প্রকাশ করে তা নিয়ে গত ২৫ অক্টোবর প্রকাশ্যে প্রশ্ন তোলেন বাইডেন। ইসরাইলি হামলায় ফিলিস্তিনিদের মৃত্যুর সংখ্যা নিয়ে ফিলিস্তিনের স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয়ের দেওয়া তথ্য নিয়ে সন্দেহের কথা জানান তিনি।   অধিকারকর্মীরা জানান, পরের দিন হোয়াইট হাউজে এক বৈঠকে বাইডেন তাদের কাছে একান্তে ক্ষমা চান। বৈঠকে বাইডেন বলেন, ফিলিস্তিনিরা তাদের মানুষদের মৃতের সংখ্যা নিয়ে সত্য বলছে কি না তা নিয়ে আমার কোনো বক্তব্য নেই। তবে আমি একটি বিষয়ে নিশ্চিত যে, নিরাপরাধ মানুষই মারা যাচ্ছে। প্রেসিডেন্ট বলেন, "আমি দুঃখিত। আমি আমার নিজের ওপরই হতাশ।" বৈঠকটি ৩০ মিনিটের জন্য নির্ধারিত হলেও পরে মুসলিম নেতাদের সাথে ঘণ্টাখানেক সময় পার করেন প্রেসিডেন্ট বাইডেন।

About Us

NRBC is an open news and tele video entertainment platform for non-residential Bengali network across the globe with no-business vision just to deliver news to the Bengali community.