post
বাংলাদেশ

প্রথম আলোর সাংবাদিক শামসুজ্জামানের জামিন মঞ্জুর

রাজধানীর রমনা মডেল থানার ডিজিটাল নিরাপত্তা আইনের মামলায় প্রথম আলোর সাংবাদিক শামসুজ্জামানের জামিন মঞ্জুর করেছেন আদালত। সোমবার (৩ এপ্রিল) ঢাকার অতিরিক্ত চিফ মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট আসাদুজ্জামান নুরের আদালতে তার আইনজীবী জামিনের আবেদন করেন। শুনানি শেষে বিচারক তার জামিন মঞ্জুর করেন। গত ৩০ মার্চ শামসুজ্জামানকে কারাগারে পাঠানোর আবেদন করেন মামলার তদন্তকারী কর্মকর্তা ও রমনা মডেল থানার পরিদর্শক আবু আনছার। এসময় আসামিপক্ষের আইনজীবী প্রশান্ত কুমার কর্মকার জামিন চেয়ে আবেদন করেন। অন্যদিকে, রাষ্ট্রপক্ষ জামিনের বিরোধিতা করেন। উভয়পক্ষের শুনানি শেষে আদালত তার জামিন নামঞ্জুর করে কারাগারে পাঠানোর আদেশ দেন। বুধবার (২৯ মার্চ) সৈয়দ মো. গোলাম কিবরিয়া নামে একজন বাদী হয়ে ডিএমপির তেজগাঁও থানায় সাংবাদিক শামসুজ্জামানের বিরুদ্ধে ডিজিটাল নিরাপত্তা আইনে আরও একটি মামলা করেন। গত ২৬ মার্চ মহান স্বাধীনতা দিবসে প্রথম আলোর একটি ফটোকার্ডে একজন দিনমজুরের বক্তব্য উদ্ধৃত করা হয়। কিন্তু সেই উদ্ধৃতির সঙ্গে জুড়ে দেওয়া হয় একটি শিশুর ছবি। দিনমজুরের উদ্ধৃতির সঙ্গে শিশুর ছবি প্রকাশের অসংগতির বিষয়টি তুলে ধরে ১৭ মিনিটের মধ্যেই ফটোকার্ডটি সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম থেকে প্রত্যাহার করে সংশোধনী দেয় প্রথম আলো। এ ঘটনায় ডিজিটাল নিরাপত্তা আইনে গত ২৯ মার্চ অ্যাডভোকেট আবদুল মশিউর মালেক বাদি হয়ে রাজধানীর রমনা থানায় এ মামলা দায়ের করেন। এ মামলায় প্রথম আলোর সম্পাদক মতিউর রহমান, পত্রিকাটির সাভারের নিজস্ব প্রতিবেদক শামসুজ্জামান শামস, সহযোগী একজন ক্যামেরাম্যান এবং অজ্ঞাতনামা ব্যক্তিদের আসামি করা হয়। রোববার এ মামলায় মতিউর রহমান হাইকোর্ট থেকে ছয় সপ্তাহের আগাম জামিন পেয়েছেন।   

post
বাংলাদেশ

গাজীপুরে বকেয়া বেতনের দাবিতে পোশাক শ্রমিকদের সড়ক অবরোধ

গাজীপুর মহানগরীর কোনাবাড়ী থানাধীন জরুন এলাকার একটি পোশাক কারখানার শ্রমিকেরা বকেয়া বেতনের দাবিতে সড়ক অবরোধ করে বিক্ষোভ করছেন। আজ সোমবার সকাল ৭টা থেকে কেয়া নিট কম্পোজিট লিমিটেড নামের ওই কারখানার শ্রমিকেরা বিক্ষোভ শুরু করেন। একপর্যায়ে কোনাবাড়ী-জিরাব আঞ্চলিক সড়ক অবরোধ করেন তাঁরা। দুপুর সাড়ে ১২টা পর্যন্ত সড়কে শ্রমিকদের বিক্ষোভ চলছিল। এতে ওই সড়কের উভয় দিকে দীর্ঘ যানজটের সৃষ্টি হয়েছে। কারখানার শ্রমিক মো. আমিনুল  ইসলাম বলেন, ‘বকেয়া বেতনের মধ্যে এক মাসের টাকা গতকাল দেওয়ার কথা ছিল। কিন্তু রাত পর্যন্ত অপেক্ষা করে শ্রমিকেরা বাড়ি ফিরে গেছেন। রোজার মাস, সামনে ঈদ—সব মিলিয়ে বেতন না পেয়ে আমাদের অবস্থা খারাপ। এর আগেও কয়েকবার বেতনের দাবিতে অবস্থান নিয়েছি আমরা। কিন্তু তাঁরা (কারাখানা কর্তৃপক্ষ) শুধু তারিখ পরিবর্তন করছে। যে কারণে আন্দোলন ছাড়া আর কোনো উপায় পাচ্ছি না।’ এ বিষয়ে কথা বলতে কেয়া নিট কম্পোজিটের চেয়ারম্যান আবদুল খালেক পাঠানের মুঠোফোনে একাধিকবার কল করা হলে তিনি ধরেননি। কারখানার প্রশাসনিক কর্মকর্তা এস এম সুমন আহমেদ বলেন, ‘শ্রমিকদের বোঝানোর চেষ্টা করা হচ্ছে। কিন্তু তাঁরা কিছুই মানছেন না। তাঁদের বারবার বলছি, আজকেই (সোমবার) বেতন দিয়ে দেওয়া হবে।’ সড়কে অবস্থান নেওয়া কয়েকজন শ্রমিক বলেছেন, কেয়া নিট কম্পোজিট লিমিটেড কারখানায় তিন পালায় প্রায় সাত হাজার শ্রমিক কাজ করেন। স্টাফ আছেন শতাধিক। স্টাফদের তিন মাসের বেতন বকেয়া। এ ছাড়া শ্রমিকদের গত ফেব্রুয়ারি ও মার্চ মাসের বেতন বকেয়া আছে। গত বৃহস্পতিবার এ বকেয়া বেতন দেওয়ার কথা থাকলেও কারখানা কর্তৃপক্ষ ‘দিই, দিচ্ছি’ বলে কালক্ষেপণ করে। পরে তাঁরা গতকাল রোববার বেতন দেওয়ার কথা জানায়। দিন পেরিয়ে রাত হয়ে গেলেও বেতন না পেয়ে শ্রমিকেরা গতকাল রাতে কারখানায় বিক্ষোভ করেন। এরপর আজ সকাল ৭টা থেকে তাঁদের একটি পক্ষ কারখানার বাইরে কোনাবাড়ী-জিরাব অঞ্চলিক সড়ক অবরোধ করে। এতে উভয় দিকে দীর্ঘ যানজটের সৃষ্টি হয়। একই সময়ে শ্রমিকদের আরেকটি পক্ষ কারখানার ভেতরে কাজ বন্ধ রেখে অবস্থান কর্মসূচি পালন করে। কয়েকজন শ্রমিক উত্তেজিত হয়ে কারখানার বেশকিছু গ্লাসও ভাঙচুর করেন। নাম প্রকাশ না করার শর্তে কারখানার একজন কর্মকর্তা বলেন, কারখানার শতাধিক স্টাফ তিন মাসের বেতন পাবেন। এ ছাড়া শ্রমিকেরা বেতন পাবেন দুই মাসের। তাঁদের বেতন না দিয়ে কয়েক দিন ধরে টালবাহানা করা হচ্ছে। গাজীপুর মেট্রোপলিটন কোনাবাড়ী থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) কে এম আশরাফ বলেন, বকেয়া বেতনের দাবিতে শ্রমিকেরা কারখানার সামনে অবস্থা নিয়ে সড়ক অবরোধ করে রেখেছেন। তাঁদের বোঝানোর চেষ্টা চলছে এবং মালিকের সঙ্গেও যোগাযোগ করা হচ্ছে। বিকেলের মধ্যে শ্রমিকদের বেতন পরিশোধ করে দেবেন বলে কর্তৃপক্ষ জানিয়েছে। কিন্তু শ্রমিকেরা মালিক পক্ষের কথা বিশ্বাস করতে পারছেন না। তাঁরা এখনই বকেয়া বেতন চাচ্ছেন।

post
বাংলাদেশ

বাংলাদেশে দ্বাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে থাকছে না ইভিএম

আসন্ন দ্বাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে কোনো আসনেই ইলেকট্রনিক ভোটিং মেশিনে (ইভিএম) ভোট না নেওয়ার সিদ্ধান্ত নিয়েছে নির্বাচন কমিশন। আজ সোমবার দুপুরে নির্বাচন কমিশন সচিবালয়ে আয়োজিত নির্বাচন কমিশনারদের বৈঠক শেষে কমিশন সচিব মো. জাহাংগীর আলম গণমাধ্যমকে এই তথ্য জানিয়েছেন।তিনি বলেন, '৩০০ আসনেই ব্যালট পেপার ও স্বচ্ছ ব্যালট বাক্সের মাধ্যমে ভোট গ্রহণ করবে নির্বাচন কমিশন।' এর কারণ জানতে চাইলে জাহাংগীর আলম বলেন, 'নির্বাচন কমিশন নির্বাচনী রোড ম্যাপে সর্বোচ্চ ১৫০ আসনে ইভিএমে ভোটগ্রহণের পরিকল্পনা নিয়েছিল। এই লক্ষ্য ৮ হাজার কোটি টাকার প্রকল্প পরিকল্পনা কমিশনে পাঠানো হয়েছিল। কিন্তু সরকার সেই প্রকল্পটি অনুমোদন করেনি। অন্য দিকে বিদ্যমান ইভিএম সংস্কারে প্রায় ১ হাজার ২০০ কোটি টাকা প্রয়োজন। সেই টাকা দিতেও অর্থ মন্ত্রণালয় অপারগতা প্রকাশ করেছে। এছাড়া রাজনৈতিক দলগুলোর মধ্যে ইভিএম নিয়ে ঐক্যমতের অভাব ছিল। এই সব বিষয় বিবেচনায় নিয়ে কমিশন হয়তো এই সিদ্ধান্ত নিয়েছে।'

post
বাংলাদেশ

এবার ২৭০ আসন নিয়ে সংসদে যাবে বিএনপি: রুমিন ফারহানা

বিএনপির সহ-আন্তর্জাতিকবিষয়ক সম্পাদক ব্যারিস্টার রুমিন ফারহানা বলেছেন, জনগণের ভোটে ক্ষমতায় আসব আমরা এবং সেই দিন আর বেশি দূরে নয়। আর কয়েকটা মাস অপেক্ষা করেন মাত্র। এবারের ভোটে ২৭০টা আসন নিয়ে বিএনপি সংসদে যাবে ইনশাআল্লাহ। বিএনপি সংসদে যদি যায়, সরকার যদি গঠন করে গুম, খুনসহ প্রত্যেকটা বিচারবহির্ভূত হত্যার বিচার করব আমরা। আপনাদের সব অনিয়ম, দুঃশাসন অত্যাচারের জবাব দেশের ১৭ কোটি মানুষ আপনাদের কাছ থেকে বুইঝা নিবে ইনশাআল্লাহ’। শনিবার বিএনপির পূর্বঘোষিত ১০ দফা বাস্তবায়নের দাবিতে জেলায় জেলায় অবস্থান কর্মসূচির অংশ হিসেবে চান্দিনায় কুমিল্লা উত্তর জেলা বিএনপির কর্মসূচিতে প্রধান অতিথির বক্তৃতায় তিনি এসব কথা বলেন।তিনি বলেন, তিন বছরের দুঃশাসনের জন্য যদি ২১ বছর আপনাদের ক্ষমতার বাহিরে থাকতে হয়, তা হলে এই ১৫ বছরের ক্ষমতায় যে অত্যাচার চালাইছেন—আগামী ১০০ বছরেও আর ক্ষমতায় আসতে পারবেন না। রুমিন ফারহানা বলেন, ১৯৭২ থেকে ‘৭৫ আপনাদের অন্যায়, ‘দুঃশাসন, অনিয়ম, দুর্নীতির কারণে ২১ বছর ক্ষমতায় আসতে পারেননি। মানুষের দরজায় ভিক্ষা করছেন, মানুষের কাছে হাত-পা ধইরা মাফ চাইছেন। বলছেন— এবার একটু সুযোগ দেন। ’৯৬ সালে ২১ বছর পর ক্ষমতায় এসে মানুষের ভোটের অধিকার হরণ করেছেন। গুম, খুন, বিচারবহির্ভূত হত্যা করে ক্ষমতা ধরে রাখছেন। যদি মনে করেন আজীবন ক্ষমতায় থাকবেন, এতবড় চিন্তা কইরা ঘুম নষ্ট কইরেন না। আমরা পরিষ্কার বলে দিতে চাই— বাংলাদেশ যতদিন থাকবে বিএনপির নাম ততদিন থাকবে ইনশাআল্লাহ। দ্বাদশ সংসদ নির্বাচন নিয়ে রুমিন ফারহানা বলেন, ‘আরেকটা নির্বাচন আসতেছে। ২০১৪ সালে কোনো নির্বাচন হয়নি। ২০১৪ সালে তারা সংসদ বানাইয়া বইসা রইছে একটা ভোটও পড়ে নাই। ২০১৮ সালে সাহস হয় নাই। লুকাইয়া লুকাইয়া রাতের আঁধারে ব্যালট বাক্স ভরছে। ২০২৪ সালে যে নির্বাচন হবে, ওই নির্বাচন দেশের মানুষের নির্বাচন হবে। মানুষ ওই নির্বাচনে ভোট দেবে। আর যদি নির্বাচনের পরিবেশ তৈরি না হয়, তা হলে আমরা ওই নির্বাচনে জান, প্রাণ ও রক্ত দিয়ে নির্বাচনি পরিবেশ তৈরি করব ইনশাআল্লাহ। একবার যখন ঘর থেকে বের হইছি, একবার যখন মামলা খাইছি, একবার যখন জেল খাটছি, তখন আর পেছনে ফিরে তাকানোর কিছু নাই।’ কুমিল্লা উত্তর জেলা বিএনপি আহ্বয়ক আক্তারুজ্জামান সরকারের সভাপতিত্বে বক্তৃতা করেন কুমিল্লা উত্তর জেলা বিএনপির সদস্য সচিব এএফএম তারেক মুন্সি, চান্দিনা উপজেলা বিএনপি সভাপতি মো. আতিকুল আলম শাওন। এ সময় উপস্থিত ছিলেন কুমিল্লা উত্তর জেলা বিএনপি যুগ্ম আহ্বায়ক তৌফিক মীর, রমিজ লন্ডনি, হোমনা উপজেলা বিএনপি ভারপ্রাপ্ত সভাপতি ও উপজেলা পরিষদ সাবেক চেয়ারম্যান জহিরুল হক জহর মিয়া, চান্দিনা উপজেলা বিএনপি সাধারণ সম্পাদক কাজী আরশাদ প্রমুখ। 

post
বাংলাদেশ

বাংলাদেশে ডিজিটাল নিরাপত্তা আইনের প্রয়োগ স্থগিত করার আহ্বান জাতিসংঘের মানবাধিকারবিষয়ক হাইকমিশনারের

বাংলাদেশ সরকারের প্রতি অবিলম্বে ডিজিটাল নিরাপত্তা আইনের প্রয়োগ স্থগিত করার আহ্বান জানিয়েছেন জাতিসংঘের মানবাধিকারবিষয়ক হাইকমিশনার ফলকার টুর্ক। আজ শুক্রবার এক বিবৃতিতে তিনি এই আহ্বান জানিয়েছেন। ফলকার টুর্ক বলেছেন, ‘আমি উদ্বিগ্ন যে বাংলাদেশজুড়ে সাংবাদিক ও মানবাধিকারকর্মীদের গ্রেপ্তার, হয়রানি ও ভীতি প্রদর্শন এবং অনলাইনে সমালোচকদের কণ্ঠ রোধ করতে ডিজিটাল নিরাপত্তা আইন ব্যবহার করা হচ্ছে। আমি পুনরায় কর্তৃপক্ষের প্রতি অবিলম্বে এর প্রয়োগ স্থগিত এবং এই আইনকে আন্তর্জাতিক মানবাধিকার আইনের সঙ্গে সামঞ্জস্যপূর্ণ করতে এর ধারাগুলোতে প্রয়োজনীয় সংশোধনী আনার আহ্বান জানাচ্ছি।’ এই সংশোধনী আনতে সহযোগিতার লক্ষ্যে জাতিসংঘের মানবাধিকারবিষয়ক হাইকমিশনারের দপ্তর থেকে বাংলাদেশকে ইতিমধ্যে বিস্তারিত পরামর্শ পাঠানো হয়েছে বলে জানিয়েছেন ফলকার টুর্ক। তাঁর বিবৃতিতে বলা হয়েছে, ২০১৮ সালের ১ অক্টোবর ডিজিটাল নিরাপত্তা আইন কার্যকর হওয়ার পর থেকে এই আইনে দুই হাজারের বেশি মামলা হয়েছে। সর্বশেষ ২৯ মার্চ বাংলাদেশের সর্ববৃহৎ সংবাদপত্র প্রথম আলোর সাংবাদিক শামসুজ্জামান এর শিকার হয়েছেন। বাড়িতে তল্লাশি চালিয়ে তাঁকে আটক করা হয়েছে। সঙ্গে তাঁর ল্যাপটপ, ফোন ও অন্যান্য সরঞ্জাম জব্দ করে নেওয়া হয়েছে। তাঁর জামিনের আবেদন নাকচ করা হয়েছে। দ্বিতীয় আরেকটি মামলায় প্রথম আলোর সম্পাদক মতিউর রহমান এবং একজন আলোকচিত্রী সাংবাদিককেও আসামি করা হয়েছে। এই মামলা করা হয়েছে বাংলাদেশে জীবনযাপনের ব্যয় বেড়ে যাওয়ায় সৃষ্ট সংকট নিয়ে একটি প্রতিবেদনের ভিত্তিতে।গত ফেব্রুয়ারিতে পরিতোষ সরকার নামের এক তরুণকে এই আইনের আওতায় পাঁচ বছরের কারাদণ্ড দেওয়া হয়। তাঁর বিরুদ্ধে অভিযোগ ছিল, একটি ফেসবুক পোস্টে ধর্মীয় অনুভূতিতে আঘাত হেনেছেন তিনি।ফলকার টুর্ক বলেছেন, ডিজিটাল নিরাপত্তা আইনের কয়েকটি ধারা নিয়ে তাঁর দপ্তর থেকে ধারাবাহিকভাবে উদ্বেগ জানানো হচ্ছে। এসব ধারা অস্পষ্ট এবং বিস্তৃত পরিসরে সেগুলোর প্রয়োগ করা যায়। তিনি বলেছেন, বাংলাদেশ সরকার এই আইনের যথেচ্ছ ও মাত্রাতিরিক্ত প্রয়োগ বন্ধে সুরক্ষাকবচ রাখার প্রতিশ্রুতি দিয়েছিল। কিন্তু যখন গ্রেপ্তার করা অব্যাহত রয়েছে, তখন তাদের এই প্রতিশ্রুতি যথেষ্ট নয়। খোদ এই আইনেরই যথাযথ সংস্কার দরকার।প্রথম আলোর সাংবাদিক শামসুজ্জামানের মুক্তির দাবিতে একটি প্রচারণা শুরু করেছে আন্তর্জাতিক মানবাধিকার সংস্থা অ্যামনেস্টি ইন্টারন্যাশনাল বর্তমানে ডিজিটাল নিরাপত্তা আইনের যেসব মামলা রয়েছে, সেগুলো পর্যালোচনা করতে একটি স্বাধীন বিচারিক প্যানেল গঠনের জন্য বাংলাদেশ সরকারের প্রতি আহ্বান জানিয়েছেন জাতিসংঘের মানবাধিকারবিষয়ক হাইকমিশনার। তাঁর ভাষ্যমতে, এই পর্যালোচনা করা হবে যেন অভিযুক্ত ব্যক্তিরা মুক্তি পান।বাংলাদেশে নিবন্ধন হারানো মানবাধিকার সংগঠন অধিকারের আদিলুর রহমান খান ও নাসিরুদ্দিন এলানের বিরুদ্ধে চলমান বিচারপ্রক্রিয়া নিয়েও উদ্বেগ জানিয়েছেন ফলকার টুর্ক। তাঁদের বিরুদ্ধে ২০১৩ সালে মানবাধিকার লঙ্ঘন নিয়ে মিথ্যা প্রতিবেদন করার অভিযোগে এই মামলা হয়েছিল। 

post
বাংলাদেশ

‘সংলাপ নয়, বিএনপিকে অনানুষ্ঠানিক বৈঠকের জন্য আমন্ত্রণ জানানো হয়েছিল’

সংলাপ নয়, বিএনপিকে অনানুষ্ঠানিক বৈঠকের জন্য আমন্ত্রণ জানানো হয়েছিল। এর সঙ্গে সরকারের কোনও সংশ্লিষ্টতা ছিল না বলে জানিয়েছেন প্রধান নির্বাচন কমিশনার (সিইসি) কাজী হাবিবুল আউয়াল। মঙ্গলবার (২৮ মার্চ) রাজধানীর আগারগাঁওয়ে নির্বাচন ভবনে নিজ দপ্তরের সামনে সংবাদ সম্মেলনে এ কথা বলেন সিইসি।তিনি বলেন, আমরা গণমাধ্যমে দেখলাম অনেকে লিখেছেন, বিএনপিকে চিঠি দেওয়া সরকারের কূটকৌশল। তবে আমি বলছি, বিএনপিকে চিঠি দেওয়ার পেছনে সরকারের কোনও কূটকৌশল নেই। বরং এটা ইসির কূটকৌশল হতে পারে। আর নির্বাচন কমিশন কখনোই কূটকৌশল হিসেবে এই কাজটি করেনি। নির্বাচন কমিশন প্রথম থেকেই অবাধ, সুষ্ঠু, নিরপেক্ষ, অংশগ্রহণমূলক ও কার্যকর প্রতিদ্বন্দ্বিতামূলক নির্বাচন প্রত্যাশা করে।’ সিইসি বলেন, সরকার ইসির ওপর চাপ দিলে যে ডেবে যাবে বিষয়টা ওরকম না। এখানে সরকারের কোনও রকম সংশ্লিষ্টতা নেই। সরকারের আজ্ঞাবহ কোনো কাজ নির্বাচন কমিশন করে না বলেও জানান কাজী হাবিবুল আউয়াল। তিনি আরও বলেন, ‘নির্বাচন কমিশন মনে করে গণতন্ত্রের স্বার্থে, নির্বাচনের স্বার্থে বিশেষ করে বড় দলগুলোর নির্বাচনে অংশগ্রহণ করা প্রয়োজন। সংসদীয় গণতন্ত্রে দলীয় শাসনটাই হচ্ছে মুখ্য। বিদ্রোহী প্রার্থী বা স্বতন্ত্র প্রার্থীর দ্বারা কখনো সরকার গঠন করা সম্ভব নয়। সেজন্য আমাদেরও লক্ষ্য দলগুলো চর্চার মাধ্যমে গণতন্ত্র আরও সমৃদ্ধ হোক, সংহত হোক। দলীয় চর্চা এবং সংস্কৃতির মাধ্যমে গণতান্ত্রিক চর্চা আরও সংহত হোক। সেটা আমাদের প্রথমদিন থেকে সদিচ্ছা। সেই সদিচ্ছার প্রতিফলন আমাদের প্রথমদিন থেকে সব সময় আপনাদের (গণমাধ্যমের) মাধ্যমে ঘটানোর চেষ্টা করেছি।’সাংবাদিকদের বিভিন্ন প্রশ্নের জবাবে সিইসি বলেন, বিএনপির মতো একটি দলকে নির্বাচনে আনতে পারলে ভালো হয়, সেজন্যই ডেকেছি অনানুষ্ঠানিকভাবে ডেকেছি। কোনো আন্তর্জাতিক গোষ্ঠীর চাপে বিএনপিকে ডাকা হয়নি। সব নির্বাচন কমিশনার বসেই সিদ্ধান্ত নিয়ে বিএনপিকে চিঠি দেওয়া হয়েছে। অপর এক প্রশ্নের জবাবে তিনি আরও বলেন, গাইবান্ধা ভোট বন্ধের ইস্যুতে ১৩৪ জনের মধ্যে ৪০ বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়া হয়েছে। বাকিদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নিতে আবারও পদক্ষেপ নিবে ইসি। গত ২৩ মার্চ বিএনপি ও সমমনা দলগুলোকে আলোচনার জন্য আমন্ত্রণ জানিয়ে চিঠি পাঠান সিইসি কাজী হাবিবুল আউয়াল। ওই চিঠিতে সিইসি লেখেন, ২০২২ সালের ২৭ ফেব্রুয়ারি আমরা দায়িত্ব গ্রহণের পর ধারাবাহিকভাবে স্থানীয় পর্যায়ের নির্বাচন করে আসছি। বর্তমান কমিশন দায়িত্ব গ্রহণের পর থেকেই অংশগ্রহণমূলক ও প্রতিদ্বন্দ্বিতাপূর্ণ সংসদ নির্বাচনের কথা অনুধাবন করে আসছে। বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল বর্তমান কমিশনের প্রতি অনাস্থা ব্যক্ত করে প্রত্যাখ্যান করে আসছে। আপনারা নির্বাচনকালীন তত্ত্বাবধায়ক সরকার ছাড়া নির্বাচন না করার সিদ্ধান্ত নিয়েছেন।

post
বাংলাদেশ

এলিফ্যান্ট রোড মার্কেটে আগুন, নিয়ন্ত্রণে কাজ করছে ফায়ার সার্ভিস

রাজধানীর এলিফ্যান্ট রোডের বাটা সিগন্যাল সংলগ্ন ৯তলা শেলটেক সিয়েরা কম্পিউটার সিটি মার্কেটের পঞ্চম তলায় আগুন লেগেছে। আগুন নিয়ন্ত্রণে ফায়ার সার্ভিসের ১০টি ইউনিট কাজ করছে।সোমবার (২৭ মার্চ) সন্ধ্যা ৭টা ৩০ মিনিটে আগুন লাগার খবর পায় ফায়ার সার্ভিস।ফায়ার সার্ভিসের সদর দপ্তরের মিডিয়া সেলের কর্মকর্তা আনোয়ারুল ইসলাম দোলন জানান, সন্ধ্যা ৭টা ৩০ মিনিটে আগুন লাগার খবর পাই আমরা। খবর পেয়ে ঘটনাস্থলে প্রথমে আমাদের দুইটি ইউনিট পাঠানো হয়। পরে আরো ইউনিট যোগ দেয়। এখন মোট ১০টি ইউনিট কাজ করছে।তিনি বলেন, প্রাথমিকভাবে আগুন লাগার কারণ ও ক্ষয়ক্ষতির পরিমাণ জানা যায়নি। এছাড়া আগুনে হতাহতের খবর পাওয়া যায়নি।মার্কেটের সাধারণ সম্পাদক মেজবাউদ্দিন বলেন, আমরা পৌনে ৮টার দিকে আগুন লাগার খবর পাই। মার্কেটে আগুন লাগার সময় ক্রেতা-বিক্রেতা অনেকেই ছিলেন। তবে আমার জানামতে ভেতর থেকে সবাই বের হয়ে আসতে পেরেছেন। আমরা যতটুকু জানতে পেরেছি মার্কেটের পাঁচতলায় আগুন লেগেছে। আমাদের ধারণা এসি থেকে, নয়তো কোনো দোকানের শর্ট সার্কিটের কারণে আগুন লেগেছে। মার্কেটটিতে মূলত কম্পিউটারের দোকান রয়েছে।নিউ মার্কেট থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) শফিকুল গনি সাবু বলেন, আমরা ঘটনাস্থলে উপস্থিত হয়েছি। মার্কেটের ভেতরে কেউ আটকে আছে এমন খবর পাওয়া যায়নি।

post
বাংলাদেশ

'আদালত বলেছে জিয়া-এরশাদ সম্পূর্ণ অবৈধ, তারা আবার নাকি গণতন্ত্র চায়'

প্রধানমন্ত্রী ও আওয়ামী লীগের সভাপতি শেখ হাসিনা বলেছেন, বিএনপি নালিশ করে তাদের ওপরে নাকি খুব অত্যাচার করা হয়। অত্যাচার তো আমরা করি নাই। অত্যাচার করেছে বিএনপি-জামায়াত জোট। জিয়াউর রহমান এসে হাজার হাজার মানুষ হত্যা করেছে। সেনা বাহিনীর মুক্তিযোদ্ধা অফিসার, সৈনিক থেকে শুরু করে প্রায় ৫ হাজার মানুষকে নির্বিচারে ফাঁসি দিয়েছে, গুলি করেছে, হত্যা করেছে। পরিবারগুলো তাদের প্রিয়জনের লাশও পায়নি। সব লাশ গুম হয়ে গেছে। মহান স্বাধীনতা ও জাতীয় দিবস উপলক্ষ্যে সোমবার (২৭ মার্চ) দুপুরে বঙ্গবন্ধু আন্তর্জাতিক সম্মেলন কেন্দ্রে আওয়ামী লীগের আয়োজিত আলোচনা সভায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন। শেখ হাসিনা বলেন, যার যা কিছু আছে তা নিয়ে এদেশের মানুষ লড়াই করতে নেমে গিয়েছিল। বাংলাদেশের যুদ্ধটা একটা জনযুদ্ধ ছিল। যারা ট্রেনিং নিয়ে দেশে এসেছে, দেশের মানুষকে তৈরি করেছে। প্রতিটি ক্ষেত্রে পাকিস্তানি হানাদার বাহিনীকে বাধা দিয়েছে। ট্রেনিংপ্রাপ্তরা যে নেমেছে শুধু তা নয়, বাংলাদেশের সাধারণ মানুষও নেমে গিয়েছিল। যে যেভাবে পেরেছে, পাকিস্তানি হানাদার বাহিনীকে প্রতিবন্ধকতা তৈরি করেছিল। যেহেতু এটা গেরিলা যুদ্ধ, গেরিলা যোদ্ধারা যখন দেশে ঢুকেছে, এদেশের মা-বোনেরা রান্না করে খাওয়ার দেওয়া, পাকিস্তানি হানাদার বাহিনীর অবস্থানের তথ্য দেওয়া; সেই কাজগুলো করেছে। একটা জনযুদ্ধের মধ্য দিয়ে আমরা এদেশে স্বাধীনতা অর্জন করতে পেরেছি। সরকারপ্রধান বলেন, অবৈধভাবে সংবিধান লঙ্ঘন করে ক্ষমতা দখল করা এবং প্রথমে লেবাস পরে ক্ষমতা যাওয়া, রাজনীতিকে গালি দিয়ে ক্ষমতা দখল করে, আবার সেই লেবাস খুলে নিজেরাই রাজনীতিবিদ হয়ে যাওয়া, আর ক্ষমতা উচ্ছিষ্ট বিলিয়ে দল গঠন করার কালচারটাই শুরু হয়েছিল বাংলাদেশে। শেখ হাসিনা বলেন, অবৈধ দখলকারীদের হাতে তৈরি করা যে সংগঠন, তারা নাকি গণতন্ত্র চায়। যাদের জন্মই গণতন্ত্রের মধ্য দিয়ে হয়নি। যাদের জন্ম মিলিটারি ডিক্টেটরশিপের মধ্য দিয়ে, তারা আবার গণতন্ত্র চায়। আওয়ামী লীগ গণতন্ত্র দেয়নি, তারা গণতন্ত্র দেবে। গণতন্ত্রের জন্য নাকি তারা লড়াই করে। ওদের জিজ্ঞেস করতে হয়, তাদের জন্মটা কোথায়? অবৈধ দখলদার এটা তো আমাদের কথা না। আমাদের উচ্চ আদালত বলে দিয়েছে, জিয়া-এরশাদ সম্পূর্ণ অবৈধ। তারপর তারাও নাকি গণতন্ত্রের জন্য সংগ্রামও করে। আলোচনা সভায় আরও বক্তব্য রাখেন আওয়ামী লীগের আন্তর্জাতিক বিষয়ক উপ কমিটির চেয়ারম্যান অ্যাম্বাসেডর মোহাম্মদ জমির, আওয়ামী লীগের সভাপতিমন্ডলীর সদস্য শাহজাহান খান, মোফাজ্জল হোসেন চৌধুরী মায়া, ডা. মোস্তফা জালাল মহিউদ্দিন, অ্যাডভোকেট জাহাঙ্গীর কবির নানক, আব্দুর রহমান, মুক্তিযুদ্ধ বিষয়ক সম্পাদক অ্যাডভোকেট মৃণাল কান্তি দাস, কার্যনির্বাহী সদস্য পারভীন জামান কল্পনা, সানজিদা খানম, ঢাকা মহানগর দক্ষিণ আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক মো. হুমায়ুন কবির, ঢাকা মহানগর উত্তর আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক এস এম মান্নান কচি প্রমুখ। আলোচনা সভাটি যৌথভাবে সঞ্চালনা করেন আওয়ামী লীগের প্রচার ও প্রকাশনা বিষয়ক সম্পাদক আব্দুস সোবহান গোলাপ এবং উপ-প্রচার ও প্রকাশনা বিষয়ক সম্পাদক আব্দুস আউয়াল শামীম।

post
বাংলাদেশ

শেষ পর্যন্ত লিবিয়ার বন্দিশিবিরের নির্যাতন থেকে মুক্তি পেল আরিফ

কিশোরগঞ্জের ভৈরব পৌর শহরের জগন্নাথপুর এলাকার আরিফ আহমেদ (২৪) প্রায় দুই বছর পর লিবিয়ার এক বন্দিশিবির থেকে মুক্ত হয়েছেন। পরিবার থেকে দালাল চক্রের হাতে ১২ লাখ টাকা পৌঁছানোর পর বন্দিশিবিরে তাঁর ওপর নির্যাতন বন্ধ হয়। পরে তাঁকে ছেড়ে দেওয়া হয়।আরিফের বড় ভাই আসাদ মিয়া গণমাধ্যমকে এই তথ্য জানিয়েছেন। গতকাল রোববার আরিফকে বন্দিশিবির থেকে ছেড়ে দেওয়ার পর মুঠোফোনে কথা হয়েছে উল্লেখ করে আসাদ মিয়া বলেন, আরিফ বর্তমানে নিরাপদ জায়গায় আছেন। মুক্তিপণের এই টাকা সংগ্রহ করতে তাঁদের অনেক কষ্ট হয়েছে। এখন আরিফকে ফিরিয়ে আনার চেষ্টা করছেন। পরিবারের সদস্যরা জানান, আরিফের বাবা বাবুল মিয়া রেলওয়ের অবসরপ্রাপ্ত একজন কর্মচারী। দুই বছর আগে ফারুক মিয়া নামের স্থানীয় এক দালালের মাধ্যমে ১২ লাখ টাকা চুক্তিতে অবৈধ পথে ইতালি যাত্রা করেন আরিফ। কথা ছিল প্রথমে ৪ লাখ ৫০ হাজার টাকা নগদ এবং পৌঁছানোর পর বাকি টাকা পরিশোধ করতে হবে। কথামতো ৪ লাখ ৫০ হাজার টাকা পরিশোধ করা হয়। লিবিয়া পৌঁছানোর পর ফারুকের সহযোগী সজীব মিয়া খবর পাঠান, সাগর পাড়ি দিয়ে ইতালি যেতে হলে আরও তিন লাখ টাকা লাগবে। কথামতো টাকা পাঠানো হয়। টাকা পাওয়ার পরও আরিফকে পৌঁছানোর ব্যবস্থা করেননি তাঁরা। এরই মধ্যে আরিফ একটি দালাল চক্রের হাতে আটক হন। সেখান থেকে টাকার বিনিময়ে মুক্ত হন। কিছুদিন পর আবার অন্য একটি চক্র তাঁকে আটক করে টাকা আদায় করে। সর্বশেষ একটি চক্র বন্দিশিবিরে আটকে রেখে প্রতিদিন শারীরিক নির্যাতন করে আসছিল। চক্রটি মুক্তিপণ হিসেবে ১৫ লাখ টাকা দাবি করে। কিছুদিন আগে আরিফকে নির্যাতনের ভিডিও পরিবারের কাছে পাঠানো হয়। ভিডিওতে আরিফের বা চোখে গুরুতর আঘাত এবং হাতে–পায়ে জখমের চিহ্ন দেখা গেছে। এই সময় আরিফ কাঁদতে কাঁদতে তাঁকে মুক্ত করার আকুতি জানাচ্ছিলেন। পরবর্তী সময়ে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে এই ভিডিও ভাইরাল হয়। ভয়ংকর নির্যাতনের এই দৃশ্য দেখার পর পরিবারের সদস্যরা আরিফকে মুক্ত করার উদ্যোগ নেন। বিভিন্ন প্রক্রিয়ার মাধ্যমে দালাল চক্রের চাহিদা অনুযায়ী ১২ লাখ টাকা পরিশোধ করা হয় বলে জানিয়েছেন পরিবারের সদস্যরা।

post
বাংলাদেশ

স্বাধীনতা দিবসে স্মৃতিসৌধে প্রধানমন্ত্রী ও রাষ্ট্রপতির শ্রদ্ধা

মহান স্বাধীনতা দিবস ও জাতীয় দিবস উপলক্ষে সাভার জাতীয় স্মৃতিসৌধে ফুল দিয়ে বীর শহীদদের প্রতি শ্রদ্ধা নিবেদন করেছেন রাষ্ট্রপতি মো. আবদুল হামিদ ও প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা।আজ রোববার ভোর ৫টা ৫৬ মিনিটে জাতীয় স্মৃতিসৌধের বেদিতে প্রথমে রাষ্ট্রপতি এবং পরে প্রধানমন্ত্রী পুষ্পস্তবক অর্পণ করে বীর শহীদদের প্রতি শ্রদ্ধা জানান।১৯৭১ সালের মহান স্বাধীনতা যুদ্ধের বীর শহীদদের স্মরণে এক মিনিট নীরবে দাঁড়িয়ে থাকেন তারা। এ সময় বিউগলে করুণ সুর বাজানো হয় এবং সেনা, নৌ ও বিমান বাহিনীর একটি চৌকস দল অভিবাদন জানায়।জাতীয় সংসদের স্পিকার, মুক্তিযুদ্ধ বিষয়কমন্ত্রী, মন্ত্রিপরিষদ সচিব, ৩ বাহিনীর প্রধান ও ঢাকায় নিযুক্ত বিভিন্ন দেশের কূটনৈতিকরা এ সময় স্মৃতিসৌধে উপস্থিত ছিলেন। রাষ্ট্র ও সরকার প্রধানের শ্রদ্ধা জানানোর পর সাধারণ মানুষের শ্রদ্ধা জানানোর জন্য স্মৃতিসৌধ উন্মুক্ত করে দেওয়া হয়।

About Us

NRBC is an open news and tele video entertainment platform for non-residential Bengali network across the globe with no-business vision just to deliver news to the Bengali community.