post
বাংলাদেশ

বাংলাদেশের ৩ বিভাগে বৃষ্টির সম্ভাবনা, ঢাকায় তাপমাত্রা কমতে পারে

বরিশাল, চট্টগ্রাম ও সিলেট বিভাগের দু'এক জায়গায় বৃষ্টির সম্ভাবনা রয়েছে বলে জানিয়েছে আবহাওয়া অধিদপ্তর। আবহাওয়াবিদরা মনে করছেন, ঢাকার তাপমাত্রা অন্তত ১ ডিগি সেলসিয়াস কমে যেতে পারে। এছাড়া সারা দেশেই তাপমাত্রা কিছুটা কমে আসার সম্ভাবনা রয়েছে। আজ সোমবার দুপুরে আবহাওয়াবিদ মো. ওমর ফারুক বলেন, 'আজ ৩টি বিভাগের দু'এক জায়গায় আমরা বজ্রসহ বৃষ্টির সম্ভাবনা দেখছি। বৃষ্টি হলে ঢাকার তাপমাত্রা ১ ডিগ্রি সেলসিয়াস কমে আসতে পারে। এছাড়া, এখন রোজই তাপমাত্রা কমতে থাকবে।'অধিদপ্তর জানিয়েছে, খুলনা বিভাগ এবং ঢাকা, ফরিদপুর, গোপালগঞ্জ, মানিকগঞ্জ, নারায়ণগঞ্জ, রাজশাহী ও পাবনা জেলার ওপর দিয়ে তীব্র তাপপ্রবাহ বয়ে যাচ্ছে। দেশের অন্যান্য জায়গায় মৃদু থেকে মাঝারী ধরনের তাপপ্রবাহ বয়ে যাচ্ছে। উল্লেখ্য, ৩৬ থেকে ৩৭ দশমিক ৯ ডিগ্রি সেলসিয়াস তাপমাত্রাকে মৃদু, ৩৮ ডিগ্রি থেকে ৩৯ দশমিক ৯ ডিগ্রি সেলসিয়াস মাঝারী, ৪০ থেকে ৪১ দশমিক ৯ ডিগ্রি সেলসিয়াস তীব্র ও ৪২ ডিগ্রি সেলসিয়াসের উপরে অতি তীব্র তাপপ্রবাহ বিবেচনা করা হয়। সিনপটিক অবস্থায় দেখা যাচ্ছে, লঘুচাপের বর্ধিতাংশ পশ্চিমবঙ্গ ও এর আশেপাশের এলাকায় অবস্থান করছে। মৌসুমের স্বাভাবিক লঘুচাপ দক্ষিণ বঙ্গোপসাগরে অবস্থান করছে। এর প্রভাবে দেশের আকাশ অস্থায়ীভাবে মেঘলা থাকতে পারে। এছাড়া সারা দেশে আবহাওয়া মূলত শুষ্ক থাকতে পারে বলে জানিয়েছে আবহাওয়া অধিদপ্তর।

post
বাংলাদেশ

ঐতিহাসিক মুজিবনগর দিবস আজ, বঙ্গবন্ধুর প্রতিকৃতিতে প্রধানমন্ত্রীর শ্রদ্ধা

ঐতিহাসিক মুজিবনগর দিবস উপলক্ষ্যে বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের প্রতি শ্রদ্ধা নিবেদন করেছেন আওয়ামী লীগ সভাপতি ও প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। সোমবার (১৭ এপ্রিল) সকাল ৭টায় ৫ মিনিটে তিনি রাজধানীর ধানমন্ডি ৩২ নম্বরে বঙ্গবন্ধুর প্রতিকৃতিতে পুষ্পস্তবক অর্পণ করেন।প্রধানমন্ত্রীর শ্রদ্ধা নিবেদন শেষে আওয়ামী লীগের অঙ্গ, সহযোগী ও ভাতৃপ্রতিম সংগঠনের নেতাকর্মীরা বঙ্গবন্ধুর প্রতিকৃতিতে ফুল দিয়ে তার প্রতি শ্রদ্ধা নিবেদন করেন। এ সময় স্লোগানে স্লোগানে এলাকা মুখরিত হয়ে ওঠে। উল্লেখ্য, আজ ঐতিহাসিক মুজিবনগর দিবস। ১৯৭১ সালের অগ্নিঝরা এই দিনে হানাদার বাহিনী কর্তৃক আক্রান্ত বাঙালি জাতির আলোকবর্তিকা হিসেবে গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকারের প্রথম মন্ত্রিসভার শপথগ্রহণ অনুষ্ঠিত হয়। সরকারের শপথগ্রহণ আর মুক্তির সনদ স্বাধীনতার ঘোষণাপত্র পাঠের মাধ্যমে এদিন কবর রচিত হয় অখণ্ড পাকিস্তানের। রচিত হয় স্বাধীন বাংলাদেশের নতুন ইতিহাস। ৯ মাস সশস্ত্র মুক্তিযুদ্ধের মাধ্যমে বিশ্বের মানচিত্রে স্থান করে নেয় স্বাধীন ও সার্বভৌম গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ।

post
বাংলাদেশ

ঢাকায় ৫৮ বছরের মধ্যে সবচেয়ে বেশি তাপমাত্রা আজ

বৈশাখের তৃতীয় দিনে আজ রোববারও তীব্র গরমে নাজেহাল রাজধানীবাসী। শনিবারের মতো আজও ঢাকায় ৫৮ বছরের মধ্যে সবচেয়ে বেশি তাপমাত্রা রেকর্ড করা হয়েছে।আবহাওয়া অধিদপ্তরের তথ্যানুযায়ী, আজ দুপুর ১টা পর্যন্ত ঢাকায় সর্বোচ্চ তাপমাত্রা রেকর্ড করা হয়েছে ৪১ দশমিক ১ ডিগ্রি সেলসিয়াস। এর আগে শনিবার ঢাকায় সর্বোচ্চ তাপমাত্রা রেকর্ড করা হয়েছিল ৪০ দশমিক ৪ ডিগ্রি সেলসিয়াস। এর আগে ১৯৬৫ সালে রাজধানীবাসী সবচেয়ে উত্তপ্ত দিন পার করেছিল। তখন ঢাকার তাপমাত্রা উঠেছিল ৪২ ডিগ্রি সেলসিয়াসে। ২০১৪ সালের ২২ এপ্রিল ঢাকার সর্বোচ্চ তাপমাত্রা উঠেছিল ৪০ দশমিক ২ ডিগ্রি সেলসিয়াস, যা ছিল পাঁচ দশকে সর্বোচ্চ। তার আগে ঢাকায় সর্বোচ্চ তাপমাত্রার রেকর্ড হয়েছিল ২০০৯ সালের ২৭ এপ্রিল ৩৯ দশমিক ৬ ডিগ্রি সেলসিয়াস। ১৯৬০ সালে ঢাকায় ৪২ দশমিক ৩ ডিগ্রি সেলসিয়াস তাপমাত্রা উঠেছিল। এদিকে আবহাওয়া অফিস জানিয়েছে, সারা দেশে দিনের তাপমাত্রা প্রায় অপরিবর্তিত থাকতে পারে এবং রাতের তাপমাত্রা সামান্য বাড়তে পারে। পরবর্তী তিন দিনে আবহাওয়ার অবস্থা সামান্য পরিবর্তন হতে পারে। রোববার দেশের সর্বোচ্চ তাপমাত্রা চুয়াডাঙ্গায় ৪২ দশমিক ২ ডিগ্রি সেলসিয়াস রেকর্ড করা হয়েছে। একই সঙ্গে আগামী তিন দিনের মধ্যে আবহাওয়া সামান্য পরিবর্তন হতে পারে বলেও জানানো হয়েছে।

post
বাংলাদেশ

সাম্প্রতিক অগ্নিকাণ্ডে বিএনপি-জামায়াতের হাত আছে কি না খতিয়ে দেখতে নির্দেশ প্রধানমন্ত্রীর

সাম্প্রতিক অগ্নিকাণ্ডের ঘটনাগুলোর পেছনে ‘বিএনপি-জামায়াতের অগ্নিসংযোগ, সন্ত্রাস’ আছে কি না, তা খতিয়ে দেখতে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষকে নির্দেশ দিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। আজ শনিবার গণভবনে আওয়ামী লীগের স্থানীয় সরকার মনোনয়ন বোর্ডের সভায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা এ কথা বলেন। এ সময় শেখ হাসিনা বলেন, ‘তারা (বিএনপি-জামায়াত) আগুনের মতো ঘটনা ঘটিয়ে ভিন্নপথ অবলম্বন করছে কি না, তা তদন্ত করে দেখা উচিত।’ সেই সঙ্গে তিনি দেশের গুরুত্বপূর্ণ মার্কেটগুলোয় নজরদারি জোরদার করতে বলেন। প্রধানমন্ত্রী আরও বলেন, ‘সবাইকে আরও সচেতন হতে হবে। প্রত্যেককে নিজ নিজ উদ্যোগে (নিজেদের প্রতিষ্ঠান) পাহারা দেওয়ার ব্যবস্থা করতে হবে। সেই সঙ্গে সরকারের সকল প্রচেষ্টা অব্যাহত থাকবে।’ শেখ হাসিনা বলেন, ফায়ার সার্ভিসের কর্মীরা যখন আগুন নেভানোর চেষ্টা করেন, তখন ঘটনাস্থলে অপ্রয়োজনীয় জমায়েত হওয়া উচিত নয়। এ বিষয়ে কোনো বাধার ক্ষেত্রে কঠোর ব্যবস্থা নেওয়া হবে বলেও জানান তিনি।

post
বাংলাদেশ

রাজধানীর নিউ সুপার মার্কেটের আগুন নিয়ন্ত্রণে এসেছে- ফায়ার সার্ভিস ডিজি

রাজধানীর নিউ সুপার মার্কেটের আগুন নিয়ন্ত্রণ এসেছে। তবে আগুন পুরোপুরি নির্বাপণে সময় লাগবে। ফায়ার সার্ভিস ও সিভিল ডিফেন্স অধিদপ্তরের মহাপরিচালক ব্রিগেডিয়ার জেনারেল মো. মাইন উদ্দিন এসব কথা বলেন। আজ শনিবার সকাল সোয়া ১০টার দিকে নিউ মার্কেটের চার নম্বর ফটকের সামনে ব্রিফিংয়ে মহাপরিচালক সাংবাদিকদের এসব তথ্য জানান। আজ ভোর ৫টা ৪০ মিনিটে নিউ সুপার মার্কেটে আগুন লাগার খবর পায় ফায়ার সার্ভিস। এরপর একে একে ২৮টি ইউনিট ঘটনাস্থলে পৌঁছে আগুন নিয়ন্ত্রণে আনতে কাজ শুরু করে। ফায়ার সার্ভিস ও সিভিল ডিফেন্স অধিদপ্তরের মহাপরিচালক মো. মাইন উদ্দিন বলেন, সকাল ৯টা ১০ মিনিটে আগুন নিয়ন্ত্রণে এসেছে। তবে নির্বাপণে সময় লাগবে। দোকানিদের মালামাল উদ্ধারে সর্বোচ্চ গুরুত্ব দেওয়া হচ্ছে। বঙ্গবাজারসহ বিভিন্ন স্থানে আগুন লাগছে, এটা নাশকতা কি না—এমন প্রশ্নের জবাবে মো. মাইন উদ্দিন বলেন, ‘একের পর আগুন লাগছে। এমন কিছু আছে কি না—এটি খতিয়ে দেখার জন্য পুলিশকে অনুরোধ করব।’ আগুন লাগার কারণ কী—এমন প্রশ্নে মহাপরিচালক মো. মাইন উদ্দিন বলেন, এখনো নির্ণয় করা হয়নি, অনুসন্ধানের পর জানা যাবে।তৃতীয় তলার আগুন ছড়িয়ে পড়েছে দ্বিতীয় তলাতেও। সেখানে প্রচণ্ড ধোঁয়ার সৃষ্টি হয়েছে চার নম্বর গেটের সামনের পদচারী-সেতু গভীর রাতে সিটি করপোরেশনের কর্মীরা ভাঙার কাজ করছিলেন। ব্যবসায়ীদের সন্দেহ, তাঁরা আগুন লাগাতে পারেন—এমন অভিযোগ বিষয়ে মো. মাইন উদ্দিন বলেন, এ বিষয়ে জানা নেই। এর আগে শনিবার ভোর ৫টা ৪০ মিনিটে আগুনের তথ্য জানতে পারে ফায়ার সার্ভিস। পরে একে একে ২৮টি ইউনিট ঘটনাস্থলে পৌঁছে আগুন নিয়ন্ত্রণে আনতে কাজ শুরু করে। সম্প্রতি রাজধানীর বঙ্গবাজারে ভয়াবহ আগুনে পাঁচ হাজার দোকান ক্ষতিগ্রস্ত হয়। বঙ্গবাজারের দোকান পুড়ে ছাই হয়েছে। ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছেন কয়েক হাজার ব্যবসায়ী।

post
বাংলাদেশ

কেন্দ্রীয় শহীদ মিনারে ডা. জাফরুল্লাহ চৌধুরীর মরদেহে সর্বস্তরের শ্রদ্ধা

রাজধানীর কেন্দ্রীয় শহীদ মিনারে গণস্বাস্থ্য কেন্দ্রের প্রতিষ্ঠাতা ও বীর মুক্তিযোদ্ধা ডা. জাফরুল্লাহ চৌধুরীর মরদেহে শ্রদ্ধা জানাচ্ছেন বিভিন্ন শ্রেণি-পেশার মানুষ। আজ বৃহস্পতিবার সকাল সাড়ে ১০টায় শ্রদ্ধা জানানো শুরু হয়েছে। কেন্দ্রীয় শহীদ মিনার প্রাঙ্গণে একটি অস্থায়ী মঞ্চ বানানো হয়েছে। সেখানে রাখা হয়েছে ডা. জাফরুল্লাহ চৌধুরীর মরদেহ। পাশে রয়েছেন স্ত্রী শিরীন হকসহ পরিবারের সদস্যরা। ডা. জাফরুল্লাহ চৌধুরীকে শ্রদ্ধা জানাতে অসংখ্য মানুষ শহীদ মিনার প্রাঙ্গণে জড়ো হয়েছেন। তাঁরা লাইন ধরে একে একে মরদেহের কাছে যাচ্ছেন। ফুল দিয়ে শ্রদ্ধা জানাচ্ছেন। ফুলেল শ্রদ্ধা জানানো হচ্ছে বিভিন্ন সংগঠনের পক্ষ থেকেও।এর আগে সকালে যখন ডা. জাফরুল্লাহ চৌধুরীর মরদেহ শহীদ মিনার প্রাঙ্গণে আনা হয়, তখন বীর মুক্তিযোদ্ধারা তাঁর মরদেহ গাড়ি থেকে নামান। পরে তাঁরা মরদেহ বহন করে অস্থায়ী মঞ্চ পর্যন্ত নিয়ে যান। বেলা একটা পর্যন্ত ডা. জাফরুল্লাহ চৌধুরীর মরদেহে শ্রদ্ধা জানাতে পারবেন সর্বস্তরের মানুষ। এরপর তাঁর মরদেহ নেওয়া হবে সোহরাওয়ার্দী উদ্যানে। বেলা আড়াইটার দিকে সেখানে তাঁর প্রথম জানাজা অনুষ্ঠিত হবে।আগামীকাল শুক্রবার সকাল ১০টায় শ্রদ্ধা নিবেদনের জন্য ডা. জাফরুল্লাহ চৌধুরীর মরদেহ সাভারের গণস্বাস্থ্য কেন্দ্রে নেওয়ার কথা রয়েছে। জুমার নামাজ শেষে সেখানে তাঁর দ্বিতীয় জানাজা অনুষ্ঠিত হবে।গত মঙ্গলবার রাত ১১টায় রাজধানীর ধানমন্ডির গণস্বাস্থ্য নগর হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় ডা. জাফরুল্লাহ চৌধুরী ইন্তেকাল করেন। তাঁর বয়স হয়েছিল ৮১ বছর। তিনি দীর্ঘদিন কিডনি জটিলতায় ভুগছিলেন। বার্ধক্যজনিত সমস্যাও দেখা দিয়েছিল তাঁর।

post
বাংলাদেশ

ডিজিটাল নিরাপত্তা আইন বাতিলের দাবি টিআইবির

ডিজিটাল নিরাপত্তা আইনের অনেকগুলো ধারা জনগণের মৌলিক অধিকার পরিপন্থী। এর সঙ্গে আইনটির যথেচ্ছ অপব্যবহারের ফলে গণমাধ্যম, নাগরিক সমাজ এবং সর্বোপরি জনগণ নিরাপত্তাহীনতায় আছে। ডিজিটাল নিরাপত্তা আইন বাতিলের দাবি জানিয়ে আজ এক বিবৃতিতে এসব কথা বলেছে ট্রান্সপারেন্সি ইন্টারন্যাশনাল বাংলাদেশ (টিআইবি)। টিআইবি বলেছে, ডিজিটাল নিরাপত্তা আইন সংশোধন কোনো সমাধান নয়। আইনটি পুরোপুরি বাতিল করে আন্তর্জাতিক অভিজ্ঞতার আলোকে শুধুমাত্র ডিজিটাল পরিকাঠামোর নিরাপত্তার জন্য নতুন আইন প্রণয়ন করতে হবে।বিবৃতিতে টিআইবির নির্বাহী পরিচালক ড. ইফতেখারুজ্জামান বলেন, 'ডিজিটাল নিরাপত্তার নামে সংবিধান পরিপন্থী প্রক্রিয়ায় গণমাধ্যম, নাগরিক সমাজ তথা আপামর জনগণের জন্য আতঙ্ক ও নিরাপত্তাহীনতার সৃষ্টি করা হয়েছে। আমরা আইনটি অবিলম্বে বাতিলের দাবি জানাচ্ছি।' বিবৃতিতে আরও বলা হয়, সন্দেহাতীতভাবে প্রমাণিত হয়েছে যে ডিজিটাল নিরাপত্তা আইন বাকস্বাধীনতা ও মত প্রকাশের সাংবিধানিক অধিকারের পরিপন্থী। গণমাধ্যমের স্বাধীনতা হরণকারী ও ভিন্নমতাবলম্বীর শায়েস্তাকারী এই আইন স্বাধীনতার চেতনাবিরোধী। 'আইনপ্রয়োগকারী সংস্থার একাংশ আইন লঙ্ঘনের হাতিয়ার হিসেবে ডিজিটাল নিরাপত্তা আইনকে ব্যবহার করছে' দাবি করে টিআইবি বলেছে, 'ভিন্নমত দমন, গণমাধ্যমের কণ্ঠরোধ, সংখ্যালঘু নির্যাতন, গভীর রাতে তুলে নিয়ে যাওয়া, দীর্ঘসময় গুম করে রাখার পর মামলা দিয়ে গ্রেপ্তার দেখানো, এমনকি গ্রেপ্তারের পর হেফাজতে নির্যাতনকে স্বাভাবিক ঘটনায় পরিণত করতে এই আইন ব্যবহার করা হচ্ছে।' টিআইবি আরও বলেছে, 'মুক্তচিন্তা, ধর্মনিরপেক্ষতা, অসাম্প্রদায়িক মূল্যবোধ দমনে যেমন ডিজিটাল নিরাপত্তা আইনের ব্যবহার হচ্ছে, তেমনি এটি সাম্প্রদায়িকতা, মৌলবাদ ও উগ্র ধর্মান্ধতা বিকাশে সহায়ক ভূমিকা পালন করছে। সরকারের তরফ থেকে এই আইন সংশোধনের কথা বলা হলেও, এই আইনটি পুরোপুরি বাতিল করা ছাড়া আর কোনো পথ নেই।'

post
বাংলাদেশ

আ.লীগ সরকার সব ধর্মের মানুষের অধিকার নিশ্চিতে কাজ করছে : প্রধানমন্ত্রী

প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা বলেছেন, তার দল আওয়ামী লীগ যখনই সরকারে থাকে, সব ধর্মীয় বিশ্বাসের মানুষের অধিকার নিশ্চিত করতে সব সময় কাজ করে।বাংলাদেশ হিন্দু, বৌদ্ধ, খ্রিস্টান ঐক্য পরিষদের নেতারা বুধবার গণভবনে তার সঙ্গে সৌজন্য সাক্ষাৎকালে প্রধানমন্ত্রী এ কথা বলেন। সাক্ষাৎ শেষে প্রধানমন্ত্রীর ডেপুটি প্রেস সেক্রেটারি সাখাওয়াত মুন সাংবাদিকদের এ তথ্য জানান। প্রধানমন্ত্রী নেতাদের বলেন, ধর্ম যার যার কিন্তু উৎসব সবার। তার সরকার বঙ্গবন্ধুর আদর্শ ও মুক্তিযুদ্ধের চেতনা বাস্তবায়ন করে দেশকে এগিয়ে নিয়ে যাচ্ছে। বাংলাদেশ হিন্দু, বৌদ্ধ, খ্রিস্টান ঐক্য পরিষদের সাধারণ সম্পাদক রানা দাস গুপ্তের নেতৃত্বে বৈঠকে নেতারা বলেন, দেশে চাকরি, নিয়োগ, পদোন্নতির মতো সব ক্ষেত্রে বৈষম্য দূর হয়েছে। তারা বিভিন্ন ধর্মের মানুষ স্বাধীনভাবে তাদের ধর্মীয় রীতি পালন করায় প্রধানমন্ত্রীকে ধন্যবাদ জানান। এ সময় প্রধানমন্ত্রীর বিশেষ সহকারী ও আওয়ামী লীগের দপ্তর সম্পাদক ব্যারিস্টার বিপ্লব বড়ুয়া এবং কেন্দ্রীয় কমিটির সদস্য নির্মল কুমার চ্যাটার্জি উপস্থিত ছিলেন।

post
বাংলাদেশ

আগামীকাল শহীদ মিনারে ডা. জাফরুল্লাহ চৌধুরীর প্রতি শ্রদ্ধা

সর্ব সাধারণের শ্রদ্ধা জানানোর জন্য ডা. জাফরুল্লাহ চৌধুরীর মরদেহ বৃহস্পতিবার (১৩ এপ্রিল) কেন্দ্রীয় শহীদ মিনারে রাখা হবে বলে জানিয়েছেন গণস্বাস্থ্য কেন্দ্রের চেয়ারম্যান আলতাফুন নেছা মায়া। বুধবার (১২ এপ্রিল) ধানমন্ডি গণস্বাস্থ্য কেন্দ্র হাসপাতালে এক সংবাদ সম্মেলনে তিনি এ কথা বলেন।তিনি বলেন, ওইদিন সকাল ১০টা থেকে দুপুর ১টা পর্যন্ত ডা. জাফরুল্লাহ চৌধুরীর মরদেহ কেন্দ্রীয় শহীদ মিনারে রাখা হবে। এরপর সেখানে রাষ্ট্রীয় গার্ড অব অনার জানানোর জন্য রাখা হবে।বর্তমানে ড. জাফরুল্লাহ চৌধুরী মরদেহ বারডেম হাসপাতালের হিমাগারে রয়েছে বলেও জানান তিনি।আলতাফুন নেছা বলেন, বীর মুক্তিযোদ্ধা ও গণস্বাস্থ্য কেন্দ্রের ট্রাস্টি ডা. জাফরুল্লাহ চৌধুরীর প্রথম জানাজা রাজধানীর সোহরাওয়ার্দী উদ্যানে বৃহস্পতিবার দুপুর ২টা ৩০ মিনিটে অনুষ্ঠিত হবে। তিনি বলেন, শ্রদ্ধা জানানো জন্য ১৪ এপ্রিল (শুক্রবার) সকাল ১০টায় সাভারের গণবিশ্ববিদ্যালয় ক্যাম্পাসে ডা. জাফরুল্লাহ চৌধুরীর মরদেহ রাখা হবে। পরে জুমার নামাজের পর দ্বিতীয় জানাজা হবে গণবিশ্ববিদ্যালয় ক্যাম্পাসে। মঙ্গলবার (১১ এপ্রিল) রাতে গণস্বাস্থ্য নগর হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় শেষ নিঃশ্বাস ত্যাগ করেন ডা. জাফরুল্লাহ।

post
বাংলাদেশ

না ফেরার দেশে চলে গেলেন ডা. জাফরুল্লাহ চৌধুরী

গণস্বাস্থ্য কেন্দ্রের প্রতিষ্ঠাতা ও বীর মুক্তিযোদ্ধা ডা. জাফরুল্লাহ চৌধুরী আর নেই। আজ মঙ্গলবার রাতে রাজধানীর ধানমন্ডির গণস্বাস্থ্য নগর হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় তিনি ইন্তেকাল করেন (ইন্না লিল্লাহি ওয়া ইন্না ইলাইহি রাজিউন)। ৮১ বছর বয়সী ডা. জাফরুল্লাহ চৌধুরী দীর্ঘদিন কিডনি জটিলতায় ভুগছিলেন। কিছু দিন ধরে তিনি বার্ধক্যজনিত রোগেও ভুগছিলেন। গত বুধবার তাঁকে গণস্বাস্থ্য নগর হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছিল।গণস্বাস্থ্য নগর হাসপাতালের প্রধান কিডনি বিশেষজ্ঞ ও ডা. জাফরুল্লাহ চৌধুরীর প্রধান চিকিৎসক অধ্যাপক মামুন মোস্তাফী আজ রাত ১১টা ৩৫ মিনিটে জাফরুল্লাহ চৌধুরীর মৃত্যুর খবর আনুষ্ঠানিকভাবে ঘোষণা করেন।জাফরুল্লাহ চৌধুরী একজন ভাস্কুলার সার্জন। তিনি মূলত জনস্বাস্থ্য চিন্তাবিদ। ১৯৮২ সালের ওষুধ নীতি দেশকে ওষুধে প্রায় স্বয়ংসম্পূর্ণ করে, ওই নীতি প্রণয়নের অন্যতম কারিগর ছিলেন জাফরুল্লাহ চৌধুরী। বহির্বিশ্বে তাঁর পরিচয় বিকল্প ধারার স্বাস্থ্য আন্দোলনের সমর্থক ও সংগঠক হিসেবে।জাফরুল্লাহ চৌধুরীর জন্ম ১৯৪১ সালের ২৭ ডিসেম্বর চট্টগ্রাম জেলার রাউজান উপজেলার কোয়েপাড়া গ্রামে। তাঁর বাবা হুমায়ন মোর্শেদ চৌধুরী ছিলেন পুলিশ কর্মকর্তা। মা হাছিনা বেগম চৌধুরী ছিলেন গৃহিনী। মা–বাবার দশ সন্তানের মধ্যে জাফরুল্লাহ চৌধুরী ছিলেন সবার বড়।

About Us

NRBC is an open news and tele video entertainment platform for non-residential Bengali network across the globe with no-business vision just to deliver news to the Bengali community.