post
বাংলাদেশ

বাংলাদেশে পরবর্তী জাতীয় নির্বাচন অবাধ ও সুষ্ঠু হবে প্রত্যাশা যুক্তরাষ্ট্রের

বাংলাদেশে পরবর্তী জাতীয় নির্বাচন অবাধ ও সুষ্ঠু হবে—এমনটাই প্রত্যাশা করে যুক্তরাষ্ট্র। তাই বিরোধী রাজনৈতিক দলসহ সবার জন্য কোনো রকম ভয়ভীতি-দমন ছাড়া শান্তিপূর্ণ সমাবেশের পরিবেশ সৃষ্টির জন্য বাংলাদেশে সরকারের প্রতি যুক্তরাষ্ট্র আহ্বান জানিয়েছে। ওয়াশিংটনের স্থানীয় সময় গতকাল সোমবার দুপুরে মার্কিন পররাষ্ট্র দপ্তরের নিয়মিত ব্রিফিংয়ে দেশটির পররাষ্ট্র দপ্তরের মুখপাত্র নেড প্রাইস এক প্রশ্নের উত্তরে এই আহ্বান জানান।ব্রিফিংয়ে নেড প্রাইসের কাছে জানতে চাওয়া হয়েছিল, প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা সতর্ক করে দিয়ে বলেছেন, সরকারবিরোধী আন্দোলনের নামে বিএনপি বাড়াবাড়ি করলে দলটির চেয়ারপারসন খালেদা জিয়াকে জেলে পাঠানো হবে। যুক্তরাষ্ট্র অবিলম্বে খালেদা জিয়ার মুক্তির দাবি জানাবে কি না—এমন প্রশ্নের উত্তরে নেড প্রাইস বলেন, বিশ্বজুড়ে যুক্তরাষ্ট্রের সম্পর্কসহ পররাষ্ট্রনীতির কেন্দ্রবিন্দুতে রয়েছে গণতন্ত্র ও মানবাধিকার। বাংলাদেশসহ বিশ্বের সব দেশের সঙ্গেই তারা নিয়মিতভাবে বিষয়গুলো আলোচনা তুলে থাকে। তারা বিষয়গুলো যেমন ব্রিফিং রুম থেকে প্রকাশ্যে বলে, তেমনি ব্যক্তিগত আলোচনায়ও নিয়ে আসে। এটা করার মধ্য দিয়ে তারা গণতান্ত্রিক প্রক্রিয়া, রাজনৈতিক প্রতিষ্ঠানকে শক্তিশালী করার পাশাপাশি সব বাংলাদেশির স্বার্থে আইনের শাসন, মানবাধিকারের সুরক্ষা ও মৌলিক মানবাধিকারের প্রতি শ্রদ্ধা জানানোর আহ্বান জানান।নেড প্রাইস বলেন, ‘বাংলাদেশের আগামী নির্বাচন ও রাজনৈতিক প্রক্রিয়ার প্রতি আমাদের শ্রদ্ধা রয়েছে। আমরা আশা করি, নাগরিক সমাজের সক্রিয় অংশগ্রহণের মধ্য দিয়ে জনগণ একটি অবাধ ও সুষ্ঠু নির্বাচনের মধ্য দিয়ে তাদের সরকার বেছে নিতে পারবেন। এটাই আমাদের প্রত্যাশা। এই লক্ষ্যের প্রতি আমাদের সমর্থন অব্যাহত থাকবে।’ মার্কিন পররাষ্ট্র দপ্তরের মুখপাত্র নেড প্রাইস বলেন, তাই বাংলাদেশে বিরোধী রাজনৈতিক দলসহ সব জনগণের জন্য কোনো রকম ভয়ভীতি-দমন ছাড়া শান্তিপূর্ণ সমাবেশের পরিবেশ সৃষ্টির জন্য তারা সরকারের প্রতি আহ্বান জানান।

post
বাংলাদেশ

যান চলাচলের জন্য ১০০টি সেতু উদ্বোধন করেছেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা

যান চলাচলের জন্য ১০০টি সড়ক সেতুর উদ্বোধন করেছেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। আজ (সোমবার) বেলা ১১টায় গণভবন থেকে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা ভার্চুয়ালি এসব সেতুর উদ্বোধন করেন। আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক এবং সড়ক পরিবহন ও সেতুমন্ত্রী ওবায়দুল কাদেরের সভাপতিত্বে উদ্বোধনী অনুষ্ঠানটির গণভবন প্রান্তে সঞ্চালনা করেন প্রধানমন্ত্রীর মুখ্য সচিব ড. আহমদ কায়কাউস। অনুষ্ঠানে সেতুগুলোর বিস্তারিত তুলে ধরেন সড়ক পরিবহন ও মহাসড়ক বিভাগের সচিব এ বি এম আমিন উল্লাহ নুরী। অনুষ্ঠানের সেতুগুলো ওপরে একটি প্রামাণ্যচিত্র প্রদর্শন করা হয়।উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে শেখ হাসিনা বলেন, আমরা নিজস্ব অর্থায়নে পদ্মা সেতু নির্মাণ করেছি। এটা আমাদের জন্য অত্যন্ত গর্বের বিষয়। আমরা বাংলাদেশটাকে উন্নয়নের জন্য রূপকল্প ২০২১ ঘোষণা দিয়েছিলাম। সরকার ৮৭৯ কোটি ৬২ লাখ টাকা ব্যয়ে সেতুগুলো নির্মাণ করেছে। সেতুগুলোর মধ্যে চট্টগ্রাম বিভাগে ৪৫টি, সিলেট বিভাগে ১৭টি, বরিশাল বিভাগে ১৪টি, ময়মনসিংহে ছয়টি, গোপালগঞ্জ, রাজশাহী ও রংপুরে পাঁচটি করে, ঢাকায় দুটি ও কুমিল্লায় একটি রয়েছে।তিনি আরও বলেন, আজ ডিজিটাল বাংলাদেশ করেছি। পার্বত্য চট্টগ্রামে যেখানে মোবাইল নেটওয়ার্ক ছিল না, সেখানে সেটা করে দিয়েছি। এর জন্য বিভিন্ন জেলা যুক্ত করে আজ একসাথে ১০০ সেতুর উদ্বোধন করতে পারছি।

post
বাংলাদেশ

বাংলাদেশের রিজার্ভ নামবে ২৬ বিলিয়ন ডলারে !

ডলার সংকটের কারণে দেশে বৈদেশিক মুদ্রার রিজার্ভ ধারাবাহিকভাবে কমছে। এতে করে চাপে পড়েছে কেন্দ্রীয় ব্যাংক। সোমবার (৭ নভেম্বর) এশিয়ান ক্লিয়ারিং ইউনিয়নের (আকু) সেপ্টেম্বর-অক্টোবর মাসের আমদানি বিল ১৩০ কোটি ডলার পরিশোধ করা হলে রিজার্ভ কমে ৩৪ বিলিয়ন ডলারে নেমে আসবে।আন্তর্জাতিক মুদ্রা তহবিলের (আইএমএফ) শর্ত অনুযায়ী হিসাবায়ন হলে রিজার্ভের অঙ্ক নেমে দাঁড়াবে ২৬ বিলিয়ন ডলারে। যা গত সাত বছরের মধ্যে সর্বনিম্ন। এর আগে ২০১৪-১৫ অর্থবছরে রিজার্ভ ছিল ২৫ বিলিয়ন ডলার। আমদানি নিয়ন্ত্রণে বিভিন্ন পদক্ষেপ নিয়েছে কেন্দ্রীয় ব্যাংক। এতে করে নতুন এলসি খোলা কমেছে। তবে বাকি বা দেরিতে পরিশোধের শর্তে আগের খোলা এলসির দায় এখন পরিশোধ করতে হচ্ছে। ফলে বৈদেশিক মুদ্রার ব্যয় কমেনি। এই কারণে দিন দিন ডলারের সংকট বাড়ছে। বাজারে ‘স্থিতিশীলতা’ আনতে ডলার বিক্রির চাপে কমছে অর্থনীতির অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ ও স্পর্শকাতর এই সূচক। কেন্দ্রীয় ব্যাংক সূত্রে জানা গেছে, বর্তমানে দেশে বৈদেশিক মুদ্রার রিজার্ভ আছে ৩৫ দশমিক ৭২ বিলিয়ন ডলার । ৭ নভেম্বর আন্ত-আঞ্চলিক লেনদেন নিষ্পত্তিকারী সংস্থা-আকুর (সেপ্টেম্বর-অক্টোবর) আমদানি বিল বাবদ ১৩০ কোটি ডলার পরিশোধ করা হবে। এতে করে রিজার্ভ নেমে আসবে ৩৪ দশমিক ৪২ বিলিয়ন ডলারে। আইএমএফের দেওয়া শর্তে হিসাব করলে যা কমে দাঁড়াবে ২৬ দশমিক ০২ বিলিয়ন ডলারে। প্রতি মাসে ৮ বিলিয়ন ডলার হিসাবে এই রিজার্ভ দিয়ে সাড়ে তিন মাসের আমদানি ব্যয় মেটাতে পারবে বাংলাদেশ। সূত্র-ঢাকা পোস্ট

post
বাংলাদেশ

বাংলাদেশে অবাধ ও সুষ্ঠু নির্বাচনের জন্য কাজ করছে যুক্তরাষ্ট্র

একটি অবাধ ও সুষ্ঠু নির্বাচনের জন্য যুক্তরাষ্ট্র বাংলাদেশের নাগরিক সমাজের সঙ্গে কাজ করছে বলে মন্তব্য করেছেন দক্ষিণ ও মধ্য এশিয়া বিষয়ক মার্কিন সহকারী উপসচিব আফরিন আক্তার।আজ রোববার পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ে পররাষ্ট্রসচিব মাসুদ বিন মোমেন ও মেরিটাইম ইউনিট সচিব অ্যাডমিরাল (অব.) খুরশেদ আলমের সঙ্গে সাক্ষাৎ শেষে তিনি এসব কথা বলেন। ২ দিনের সফরে গতকাল বিকেলে ঢাকায় আসেন আফরিন আক্তার। তিনি সাংবাদিকদের বলেছেন, বঙ্গোপসাগরে অবৈধভাবে মাছ ধরা ও অন্যান্য ধরণের অপরাধ মোকাবিলাসহ সমুদ্র নিরাপত্তায় সহযোগিতার সম্ভাবনা নিয়ে তিনি আলোচনা করেছেন। আফরিন আক্তার আগামী বছরের শেষের দিকে বাংলাদেশে অনুষ্ঠেয় নির্বাচন যেন অবাধ ও সুষ্ঠু হয়, সেই বিষয়েও আলোচনা করেন।

post
বাংলাদেশ

প্রবাস জীবন ছেড়ে ৭৫ লাখ টাকায় মাল্টা বাগান করলেন লক্ষ্মীপুরের যুবক

ছোট থেকেই উদ্যোক্তা হওয়ার স্বপ্ন লক্ষ্মীপুরের যুবক আজিম ভূঁইয়ার। প্রবাসজীবন ছেড়ে পাঁচ বছরের চেষ্টায় এখন তিনি একজন উদ্যোক্তা। তার বাগানে গাছ ভর্তি মাল্টা প্রমাণ করে তিনি সফল হয়েছেন। এই মৌসুমে তার বাগানে ফলন হয়েছে ২৫-৩০ হাজার কেজি মাল্টা। বর্তমানে যার আনুমানিক বাজার মূল্য ২৫ লাখ টাকা।আজিম লক্ষ্মীপুর পৌরসভার পশ্চিম লক্ষ্মীপুর এলাকার মোহাম্মদ শাহ নেওয়াজের ছেলে। প্রায় ৭৫ লাখ টাকা ব্যয়ে তিনি জেলার রায়পুর উপজেলার দক্ষিণ চরবংশী ইউনিয়নের চরলক্ষ্মী গ্রামে সাড়ে ৮ একর জমিতে বাগানটি করেছেন। জানা গেছে, আজিম এইচএসসি শেষ না করেই ২০১৩ সালে দক্ষিণ কোরিয়ায় চাকরি করতে যান। সেখান থেকে সাড়ে ৩ বছর পর দেশে ফিরে আসেন। ছোট বেলার স্বপ্ন পূরণ করতে ফলের বাগান দেওয়ার পরিকল্পনা করেন। পরিবারের সহযোগিতায় চরলক্ষ্মী এলাকায় তোফায়েল আহমেদ ও আলী দরবেশের কাছ থেকে ১০ বছরের জন্য সাড়ে ৮ একর জমি লীজ নেন। ২০১৭ সালের জানুয়ারিতে শুরু করেন ফলের চাষ। তিনি বাগানে মাল্টা, বরই, আম ও পেয়ারা গাছের চারা লাগান। এছাড়াও রয়েছে নারকেল, আপেল ও বাউকুল। আমের মধ্যে রয়েছে বারি-৪ ও হিমসাগর। আজিম এখন পরিবার নিয়ে বাগানেই বসবাস করেন। ছোট ভাই মোক্তার ভূঁইয়াসহ তিনি এখন বাগানটি দেখাশোনা করেন। তার বাগানে ১৫-২০ জন লোক প্রতিদিন কাজ করেন। প্রতিদিনই তার বাগানে বিভিন্ন এলাকার মানুষ গিয়ে ভিড় জমান। ফরমালিন মুক্ত রসালো মাল্টা কিনতে দূর-দূরান্ত থেকে হাজির হন অনেকেই। কৃষি বিপণন কর্মকর্তারাও সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম ফেসবুকে তার বাগানটির সম্পর্কে জানতে পারেন। এছাড়া জেলা শহর, রায়পুর ও রামগঞ্জ উপজেলার থেকেও অনেকেই বাগানটি দেখতে ছুটে যান। আজিম জানান, বাগানটি শুরু করার সময় তার কোন অভিজ্ঞতা ছিল না। প্রথমে মাল্টার চারা লাগালে তা নষ্ট হয়ে যেত। তখন তার প্রায় ১০ লাখ টাকা ক্ষতি হয়। তবে তিনি থেমে যাননি। ক্ষতিকে অভিজ্ঞতা হিসেবে রুপ দিয়েই নিজের মত করে বাগানে গাছ লাগিয়েছেন। এখন যদি কেউ মাল্টা বাগান করতে চায়, সেক্ষেত্রে তিনি সর্বোচ্চ সহযোগিতা করতে চান। চলতি বছর গণমাধ্যম কর্মীদের কাছ থেকে তথ্য পেয়ে জেলা কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তরের উপ-পরিচালক ড. জাকির হোসেন বাগানটি পরিদর্শনে যান। পরে কৃষি বিভাগ থেকে সকল ধরনের সুযোগ-সুবিধা দেওয়ার ব্যবস্থার আশ্বাসও দিয়েছেন এ কর্মকর্তা। ফরিদগঞ্জ থেকে আসা ৩ জন যুবক জানিয়েছেন, তারা কৃষি বিপণন কর্মকর্তার ফেসবুকে বাগানটির ছবি ও ভিডিও দেখেছেন। এজন্যই তারা বাগানটি দেখতে এসেছেন। এটি অনেক বড়। এ ধরণের বাগান তাদের এলাকাতেও কোথাও নেই। নিজ হাতেই তারা গাছ থেকে মাল্টা সংগ্রহ করে খেয়েছেন। আজিম ভূঁইয়া বলেন, স্বপ্ন অনেকটাই সফল হয়েছে। প্রায় ৭৫ লাখ টাকা এ বাগানে ব্যয় হয়েছে। পুরো টাকা উঠাতে অন্তত আরও কয়েক বছর কষ্ট করতে হবে। তবে আলহামদুলিল্লাহ, ভালো ফলন হয়েছে। বাগানে যারা আসেন, তারা নিজ হাতেই গাছ থেকে মাল্টা সংগ্রহ করেন। এখানে কোন ফলেই ফরমালিন বা বিষাক্ত কোন কিছু ব্যবহার করা হয় না। কৃষি অধিপ্তরের কর্মকর্তা ড. জাকির হোসেন প্রায়ই বাগানে এসে খোঁজ নিয়ে যান। এবার মাল্টা বিক্রিতে কৃষি বিপণন কর্মকর্তা মনির হোসেন অনেক সহযোগিতা করেছেন। লক্ষ্মীপুর কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তরের উপ-পরিচালক ড. জাকির হোসেন বলেন, মেঘনা উপকূলীয় অঞ্চল হওয়ায় মাল্টা চাষ নিয়ে আমরা সন্দিহান ছিলাম। কিন্তু কয়েকজন কৃষক মাল্টা চাষে সফল হয়েছেন। বর্তমানে জেলায় ২০ হেক্টর জমিতে মাল্টা চাষ হচ্ছে। আজিম এবার প্রায় ২৫ লাখ টাকার মাল্টা বিক্রি করতে পারবেন। গত বছর তারা ১০ লাখ টাকার মাল্টা বিক্রি করতে পেরেছেন। তার বাগানে আম ও পেয়ারাও রয়েছে। সবমিলিয়ে কয়েক বছরের মধ্যেই আজিম লাভজনক অবস্থানে যাবেন বলে আশা করছি। বাগানটি বেকার তরুণদের জন্য আদর্শ। তিনি আরও বলেন, শুষ্ক মৌসুমে বাগানে পানির সমস্যা হয়। এতে সেচের জন্য ডিফ ইরিগ্রেশন সিস্টেম স্থাপন করে দেওয়া হবে। এ ব্যাপারে প্রক্রিয়া চলমান। এটাই তাদের বড় চাহিদা। আজিমসহ ৩ জনের নাম বঙ্গবন্ধু কৃষি পদকের জন্য প্রস্তাব করেছি। সকল কাগজপত্র ঢাকায় মন্ত্রণালয়ে পাঠিয়ে দেওয়া হয়েছে। আশা করছি পরিশ্রমের মূল্যায়ন হিসেবে তারা কৃষি পদক পাবেন।

post
বাংলাদেশ

মালয়েশিয়ায় নিহত আজিজুরের মরদেহ ফেরত চায় পরিবার

মালয়েশিয়ায় সড়ক দুর্ঘটনায় নিহত হয়েছেন ফরিদপুরের সালথা উপজেলার আজিজুর মোল্লা (২৬)। শনিবার (২৯ অক্টোবর) সন্ধ্যায় কুয়ালালামপুর থেকে ফোন করে নিহতের খবর জানান আজিজুরের সহকর্মীরা।নিহত আজিজুর উপজেলার মাঝারদিয়া ইউনিয়নের বাতাগ্রামে মো. কালাম মোল্লার ছেলে। এদিকে দ্রুত আজিজুরের মরদেহ দেশে আনতে বাংলাদেশ সরকারের সহযোগিতা চেয়েছেন পরিবার। অন্যদিকে আজিজুরের মরদেহ দেশে ফিরিয়ে আনতে সহযোগিতার আশ্বাস দিয়েছে সালথা উপজেলা প্রশাসন।নিহতের চাচাতো ভাই মো. ইউসুফ মোল্লা জানান, শনিবার সন্ধ্যা ৭টার দিকে জানানো হয়, কাজ শেষে সাইকেলযোগে বাজারে যাওয়ার সময় পেছন থেকে একটি দ্রুতগামী গাড়ি তাকে ধাক্কা দিলে আজিজুর ঘটনাস্থলেই নিহত হন। এরপর সেই খবর আজিজুরের পরিবারকে জানানো হয়।আজিজুরের সেজো ভাই মো. ইয়াসিন মোল্লা জানান, পাঁচ ভাই-বোনের মধ্যে আজিজুর চতুর্থ, একমাত্র বোন সবার ছোট। সে দরিদ্র বাবার পরিবারের স্বচ্ছলতা আনতে মালয়েশিয়া যান।তিনি জানান, আজিজুরের ওপর ভর করেই কৃষক বাবার দরিদ্র পরিবার ঘুরে দাঁড়ানোর স্বপ্ন দেখছিল। দুর্ঘটনায় পুরো পরিবার বিমর্ষ। বড় ভাইয়েরা সবাই বিয়ে করে যে যার মতো সংসার গড়েছেন। আর আজিজুর তার বয়স্ক মা-বাবার ভরণ পোষণ দিতেন।আজিজুরের মৃত্যুর খবর জানার পর থেকেই বারবার মুর্ছা যাচ্ছেন বৃদ্ধ মা কমেলা বেগম। কোনো শান্ত্বনা যেন তার মনকে মানাতে পারছেন না। যাকে তাকে ধরে আজিজুরকে ফিরিয়ে দেওয়ার আকুতি জানাচ্ছেন বারবার।আজিজুরের বাবা মো. কালাম মোল্লা সন্তানের মরদেহটি ফিরিয়ে আনতে চান। দরিদ্র পরিবার জানে না কোন প্রক্রিয়ায় ফেরত পাওয়া যাবে লাশ, তাই সরকারের সংশ্লিষ্ট মহলের সহযোগিতা চেয়েছেন তিনি।নিহতের চাচা আকুব্বর মোল্লাও জানান, যেভাবেই হোক আজিজুরের মরদেহ দেশে ফিরিয়ে অনুরোধ করেন তিনি।মাঝারদিয়া ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান মো. আফসার উদ্দিন মাতুব্বর জানান, মরদেহ ফিরিয়ে আনতে কাগজপত্র সংগ্রহের চেষ্টা চলছে।এ বিষয়ে সালথা উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) মো. আক্তার হোসেন শাহীন বলেন, মারা যাওয়ার খবর সংশ্লিষ্ট ইউপি চেয়ারম্যানের মাধ্যমে জেনেছি। মরদেহ ফিরিয়ে আনার ক্ষেত্রে আমাদের (উপজেলা প্রশাসনের) যতটুকু সহযোগিতা করার প্রয়োজন তা করা হবে।

post
বাংলাদেশ

বাংলাদেশে প্রবেশে অনলাইনে 'হেলথ ডিক্লারেশন ফরম' পূরণের নিয়ম বাতিল

বাংলাদেশে আসার ক্ষেত্রে অনলাইনে 'হেলথ ডিক্লারেশন ফরম' পূরণের নিয়ম বাতিল করা হয়েছে। স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের নির্দেশনার পরিপ্রেক্ষিতে এ বিধান জারি করে সার্কুলার দিয়েছে বেসামরিক বিমান চলাচল কর্তৃপক্ষ (বেবিচক)। বেবিচকের সদস্য (ফ্লাইট স্ট্যান্ডার্ড অ্যান্ড রেগুলেশন্স) এয়ার কমোডর শাহ কাওছার আহমদ চৌধুরীর স্বাক্ষর করা সার্কুলারটি গত ৩০ অক্টোবর জারি করা হয়।সার্কুলারে বলা হয়, বাংলাদেশে আসার ক্ষেত্রে অনলাইনে হেলথ ডিক্লারেশন ফরম পূরণ করার বিধান বাতিল করা হয়েছে। তবে অন্যান্য শর্ত আগের মতো বহাল থাকবে। এয়ার কমোডর শাহ কাওছার আহমদ চৌধুরী বলেন, 'স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের নির্দেশনার পরিপ্রেক্ষিত হেলথ ডিক্লারেশন ফরম পূরণ করার নিয়ম বাতিলের বিধান জারি করে সার্কুলার দেওয়া হয়েছে। তবে ভ্যাকসিন সংক্রান্ত অন্যান্য শর্তগুলো আগের মতো বহাল থাকবে।' শর্তের মধ্যে রয়েছে- বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা অনুমোদিত যেকোনো টিকার পূর্ণ ডোজ যারা নিয়েছেন, বাংলাদেশ আসতে তাদের করোনা পরীক্ষা করাতে হবে না। যাত্রীদের ভ্যাকসিন গ্রহণের প্রমাণ সঙ্গে রাখতে হবে। যেসব যাত্রী এক ডোজ কিংবা কোনো ভ্যাকসিন নেননি, তাদের বাংলাদেশ আসতে হলে ৭২ ঘণ্টার মধ্যে করোনা পরীক্ষার নেগেটিভ রিপোর্ট থাকতে হবে। ১২ বছরের নিচে শিশুদের কোনো করোনা টেস্ট করাতে হবে না। তবে তাদের স্বাস্থ্য সংক্রান্ত অন্যান্য নির্দেশনাগুলো মানতে হবে। টিকা নেওয়া বা না নেওয়া কোনো যাত্রীর মধ্যে করোনার লক্ষণ বা উপসর্গ যদি দেখা যায়, তাহলে বিমানবন্দরের স্বাস্থ্য বিভাগ যাত্রীর করোনা টেস্ট করাবে। টেস্টে তার রিপোর্ট করোনা পজিটিভ আসলে, তাকে নিজ খরচে সরকার নির্ধারিত হোটেলে ৭ দিন আইসোলেশনে থাকতে হবে। এরপর পুনরায় ৭ দিন পর আবারও তার করোনা পরীক্ষা করা হবে।

post
বাংলাদেশ

বিদেশে উচ্চ আয়ের পেশাজীবী বাংলাদেশিরাও পাবেন ডলারের সর্বোচ দর ১০৭ টাকা

এখন থেকে সরাসরি ব্যাংকের মাধ্যমে উচ্চ আয়ের প্রবাসী পেশাজীবীদের পাঠানো প্রবাসী আয় বা রেমিট্যান্সের ক্ষেত্রে প্রতি ডলারে ১০৭ টাকা করে দেওয়ার সিদ্ধান্ত হয়েছে। একই সঙ্গে ব্যাংকগুলো আপাতত রেমিট্যান্স আহরণ বাবদ কোনো চার্জ বা মাশুলও নেবে না বলে জানা গেছে। সোমবার কেন্দ্রীয় ব্যাংকের সঙ্গে বৈঠক করে ব্যাংকের প্রধান নির্বাহীদের সংগঠন এবিবি ও বৈদেশিক মুদ্রা লেনদেনকারী ব্যাংকগুলোর সংগঠন বাফেদা। ওই বৈঠকে এমন সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়।ব্যাংকাররা জানান, এত দিন উচ্চ আয়ের পেশাজীবীরা দেশে প্রবাসী আয় পাঠালে ডলারের দাম পেতেন রপ্তানি আয়ের জন্য নির্ধারিত দরের সমান, ৯৯ টাকা ৫০ পয়সা। এতে তারা ব্যাংকের মাধ্যমে প্রবাসী আয় পাঠাতে নিরুৎসাহিত হচ্ছিলেন। এ কারণে তাদের জন্য ডলারের দাম বাড়িয়ে ১০৭ টাকা করা হয়েছে। বর্তমানে প্রবাসী আয়ে সর্বোচ্চ ডলারের দাম সর্বোচ্চ ১০৭ টাকা। উচ্চ আয়ে পেশাজীবীদের পাঠানো প্রবাসী আয়ের ক্ষেত্রে ডলারের দাম বাড়ানোর পাশাপাশি ব্যাংকগুলোকে নিজস্ব উৎস থেকে ডলার সংস্থান করে ঋণপত্র বা এলসি খুলতে বলেছে বাংলাদেশ ব্যাংক। বাংলাদেশ ব্যাংকের সভাকক্ষে অনুষ্ঠিত বৈঠকে উপস্থিত ছিলেন ডেপুটি গভর্নর আহমেদ জামাল ও কাজী ছাইদুর রহমানসহ বিভিন্ন পর্যায়ের কর্মকর্তারা। অন্যদিকে, ব্যাংকগুলোর পক্ষে অ্যাসোসিয়েশন অব ব্যাংকার্স, বাংলাদেশের (এবিবি) চেয়ারম্যান ও ব্র্যাক ব্যাংকের ব্যবস্থাপনা পরিচালক (এমডি) সেলিম আর এফ হোসেন, বাংলাদেশ ফরেন এক্সচেঞ্জ ডিলারস অ্যাসোসিয়েশনের (বাফেদা) চেয়ারম্যান ও সোনালী ব্যাংকের এমডি আফজাল করিম, মিউচুয়াল ট্রাস্ট ব্যাংকের এমডি সৈয়দ মাহবুবুর রহমান, সিটি ব্যাংকের এমডি মাসরুর আরেফিন প্রমুখ। আন্তর্জাতিক মুদ্রা তহবিলের (আইএমএফ) প্রতিনিধি দলের ঢাকা সফরের মধ্যে সোমবার হঠাৎ করেই এ বৈঠক ডাকা হয় বলে জানা গেছে। বাংলাদেশ ব্যাংকের নীতিমালা অনুসারে ওয়েজ আর্নার হিসেবে সব প্রবাসীর সমান রেমিট্যান্স দর পাওয়ার কথা। কিন্তু গত সেপ্টেম্বর মাসে মুদ্রার বিনিময় হার বাজারের ওপর ছেড়ে দেওয়া হলে হোয়াইট কলার বলে পরিচিত চিকিৎসক, ইঞ্জিনিয়ার, আইনজীবী, ব্যাংকার, নার্সসহ উচ্চ আয়ের পেশাজীবীদের ক্ষেত্রে বিনিময় হার কমিয়ে ধরে ব্যাংকগুলো। সে সময় থেকে এ ধরনের পেশাজীবীদের পাঠানো প্রবাসী আয়ে ডলারের দাম রপ্তানি বিলের সমান হারে অর্থাৎ ৯৯ টাকা ৫০ পয়সা ধরা হচ্ছিল। তবে এক্সচেঞ্জ হাউসগুলো তাদের ভালো দর দিত। অন্যদিকে ব্যাংকগুলো বর্তমানে এক্সচেঞ্জ হাউস থেকে ডলার কেনার ক্ষেত্রে ১০৭ টাকা করেই দাম দিচ্ছিল। এতে করে ব্যাংকের মাধ্যমে অর্থ পাঠাতে অনেকে নিরুৎসাহিত হচ্ছে। এ রকম বাস্তবতায় উভয় ক্ষেত্রে ডলারের অভিন্ন দর দিতে বলেছে কেন্দ্রীয় ব্যাংক। এর ফলে এখন থেকে চিকিৎসক, ইঞ্জিনিয়ার, আইনজীবী ও সেবিকাদের আয় ব্যাংকের মাধ্যমে পাঠালেও ওয়েজ আর্নার্সদের মতো সর্বোচ্চ ১০৭ টাকা দর দেওয়া হবে। পাশাপাশি বিদেশি এক্সচেঞ্জ হাউজ নির্ভরতা কমিয়ে সরাসরি ব্যাংকের মাধ্যমে প্রবাসী আয় আহরণ উৎসাহিত করতে দেশের বাইরে নিজস্ব এক্সচেঞ্জ হাউজ বাড়াতে বলা হয়েছে বৈঠকে। এ ক্ষেত্রে প্রয়োজনীয় সহায়তা দেবে বলে জানিয়েছে কেন্দ্রীয় ব্যাংক। একই সঙ্গে ডলার সংকটের এ সময়ে আনুষ্ঠানিক চ্যানেলে প্রবাসী আয় পাঠানোকে উদ্বুদ্ধ করতে কোনো ধরনের চার্জ বা মাশুল না নিতে বলা হয়েছে বৈঠকে। ব্যাংকগুলোও এসব সিদ্ধান্ত কার্যকরের প্রতিশ্রুতি দিয়েছে।

post
বাংলাদেশ

বাংলাদেশে জানুয়ারি থেকে ডলার-সংকট কমে আসবে আশা কেন্দ্রীয় ব্যাংকের

ডলার-সংকটের কারণে আমদানি তদারকি জোরদার করা হয়েছে। ফলে ঋণপত্র খোলার পরিমাণ কমেছে। এরপরও আরও দুই মাস ডলার-সংকট চলবে। আগামী জানুয়ারির শুরু থেকে ডলার-সংকট কমে আসবে। বাংলাদেশ ব্যাংকের জ্যেষ্ঠ কর্মকর্তাদের এক আলোচনায় এমন মতামত উঠে এসেছে।দেশের বর্তমান সার্বিক আর্থিক পরিস্থিতি নিয়ে গভর্নর আব্দুর রউফ তালুকদার গতকাল রোববার সকালে কেন্দ্রীয় ব্যাংকের ডেপুটি গভর্নর ও নির্বাহী পরিচালকদের সঙ্গে মতবিনিময় করেন। বাংলাদেশ ব্যাংকের সভাকক্ষে অনুষ্ঠিত ওই মতবিনিময় সভায় এমন মতামত তুলে ধরেন কেন্দ্রীয় ব্যাংকের জ্যেষ্ঠ কর্মকর্তারা। সভায় আলোচনার বড় অংশজুড়েই ছিল ডলার-সংকট ও বৈদেশিক মুদ্রার রিজার্ভ পরিস্থিতি। মূল্যস্ফীতি ও সুদহার নিয়ে আলোচনা উঠলেও তা এগোতে দেননি ডেপুটি গভর্নররা। আজ ব্যাংক পরিদর্শনের সঙ্গে যুক্ত কর্মকর্তাদের সঙ্গে আলোচনার সূচি রয়েছে গভর্নরের। এ বিষয়ে কেন্দ্রীয় ব্যাংকের মুখপাত্র জি এম আবুল কালাম আজাদ প্রথম আলোকে বলেন, সভায় বাংলাদেশ ব্যাংক ও দেশের আর্থিক খাতের সার্বিক পরিস্থিতি নিয়ে আলোচনা হয়েছে। গভর্নর কিছু দিকনির্দেশনা দিয়েছেন। জানা যায়, আব্দুর রউফ তালুকদার গত ১২ জুলাই গভর্নর হিসেবে যোগ দেন। তাঁর যোগদানের পর কেন্দ্রীয় ব্যাংকের পরিস্থিতি কেমন হয়েছে, তা নির্বাহী পরিচালকদের কাছে জানতে চান। এ সময় দেশের আর্থিক খাতের বর্তমান পরিস্থিতি নিয়েও নির্বাহী পরিচালকদের কাছে মতামত জানতে চান তিনি। সভায় নির্বাহী পরিচালকেরা বিচ্ছিন্নভাবে তাঁদের মতামত তুলে ধরেন। নির্বাহী পরিচালকদের বেশির ভাগই কেন্দ্রীয় ব্যাংকের বিভিন্ন সিদ্ধান্তে ঢালাও সমর্থন দিয়ে আলোচনা করেন। একজন নির্বাহী পরিচালক মূল্যস্ফীতির চেয়ে আমানতের সুদহার কমে গেছে, এ জন্য সুদহারের সীমা প্রত্যাহারের আলোচনা তুললে একজন ডেপুটি গভর্নর তাঁকে থামিয়ে দেন। এ সময় একজন বলেন, ব্যাংকে টাকা রাখলে অনেক দেশে খরচ দিতে হয়। মুনাফার জন্য শেয়ারবাজার আছে, অন্য বিনিয়োগের জায়গা আছে। ব্যাংক তো সুদ আয়ের মাধ্যম হতে পারে না। ডলার বাজার পরিস্থিতি নিয়ে সভায় বলা হয়, ৩০ লাখ ডলারের বেশি মূল্যের আমদানি ঋণপত্র তদারকি করা হচ্ছে। এতে ঋণপত্র খোলার পরিমাণ কমে গেছে। ফলে সামনের দিনে সংকট কেটে যাবে। গত মার্চ থেকে দেশে ডলারের সংকট তৈরি হয়। বাংলাদেশ ব্যাংক দীর্ঘদিন ডলারের দাম আটকে রেখে সংকটকে ত্বরান্বিত করে। পরে বাধ্য হয়ে ডলারের দাম নির্ধারণের দায়িত্ব ব্যাংকগুলোর ওপর ছেড়ে দেয়। মতবিনিময় সভা হলেও সভার আলোচনার বিষয়বস্তু নিয়ে কেউ মুখ খোলেননি। এদিকে মূল্যস্ফীতি নিয়ন্ত্রণ কেন্দ্রীয় ব্যাংকের অন্যতম প্রধান দায়িত্ব হলেও এ নিয়ে কোনো আলোচনাই হয়নি সভায়।

post
বাংলাদেশ

সীমান্তে উত্তেজনার ঘটনায় বাংলাদেশ মিয়ানমার পতাকা বৈঠক শুরু

সীমান্তে উত্তেজনার ঘটনায় বর্ডার গার্ড বাংলাদেশ (বিজিবি) ও মিয়ানমারের সীমান্তরক্ষী বর্ডার গার্ড পুলিশের (বিজিপি) ব্যাটালিয়ন কমান্ডার পর্যায়ে পতাকা বৈঠক শুরু হয়েছে।রোববার (৩০ অক্টোবর) সকাল সাড়ে ৯টায় নাফ নদ সংলগ্ন সীমান্তে টেকনাফের শাহ পরীর দ্বীপে বিজিবির নির্মিত ‘সাউদান পয়েন্ট’ এর সম্মেলন কক্ষে দু’দেশের প্রতিনিধি দলের মধ্যে বৈঠক শুরু হয়। এর আগে সকাল ৯টায় দুটি স্পিডবোটযোগে মিয়ানমারের প্রতিনিধি দল শাহপরীর দ্বীপ জেটি ঘাটে পৌঁছায়। এসব তথ্য নিশ্চিত করেছেন বিজিবির টেকনাফ ২ ব্যাটালিয়নের অধিনায়ক লেফটেন্যান্ট কর্নেল শেখ খালিদ মোহাম্মদ ইফতেখার। তিনি জানান, বৈঠক শুরু হয়েছে। বৈঠক শেষে সংবাদ সম্মেলনে বিস্তারিত জানানো হবে।বিজিবি সূত্রে জানা যায়, শাহপরীর দ্বীপে রোববার সকাল সাড়ে ৯টায় টেকনাফ-২ বিজিবি ব্যাটালিয়নের অধিনায়ক লেফটেন্যান্ট কর্নেল শেখ খালিদ মোহাম্মদ ইফতেখারের নেতৃত্বে ৯ সদস্যের বাংলাদেশ প্রতিনিধি দল ও মিয়ানমার মংডুর ১ নম্বর বর্ডার গার্ড পুলিশ ব্রাঞ্চের কমান্ডিং অফিসার লেফটেন্যান্ট কর্নেল কাও না ইয়ান শোর নেতৃত্বে ৯ সদস্যের প্রতিনিধি দলের মধ্যে পতাকা বৈঠক অনুষ্ঠিত হয়।

About Us

NRBC is an open news and tele video entertainment platform for non-residential Bengali network across the globe with no-business vision just to deliver news to the Bengali community.