post
বাংলাদেশ

মালয়েশিয়ায় নিহত আজিজুরের মরদেহ ফেরত চায় পরিবার

মালয়েশিয়ায় সড়ক দুর্ঘটনায় নিহত হয়েছেন ফরিদপুরের সালথা উপজেলার আজিজুর মোল্লা (২৬)। শনিবার (২৯ অক্টোবর) সন্ধ্যায় কুয়ালালামপুর থেকে ফোন করে নিহতের খবর জানান আজিজুরের সহকর্মীরা।নিহত আজিজুর উপজেলার মাঝারদিয়া ইউনিয়নের বাতাগ্রামে মো. কালাম মোল্লার ছেলে। এদিকে দ্রুত আজিজুরের মরদেহ দেশে আনতে বাংলাদেশ সরকারের সহযোগিতা চেয়েছেন পরিবার। অন্যদিকে আজিজুরের মরদেহ দেশে ফিরিয়ে আনতে সহযোগিতার আশ্বাস দিয়েছে সালথা উপজেলা প্রশাসন।নিহতের চাচাতো ভাই মো. ইউসুফ মোল্লা জানান, শনিবার সন্ধ্যা ৭টার দিকে জানানো হয়, কাজ শেষে সাইকেলযোগে বাজারে যাওয়ার সময় পেছন থেকে একটি দ্রুতগামী গাড়ি তাকে ধাক্কা দিলে আজিজুর ঘটনাস্থলেই নিহত হন। এরপর সেই খবর আজিজুরের পরিবারকে জানানো হয়।আজিজুরের সেজো ভাই মো. ইয়াসিন মোল্লা জানান, পাঁচ ভাই-বোনের মধ্যে আজিজুর চতুর্থ, একমাত্র বোন সবার ছোট। সে দরিদ্র বাবার পরিবারের স্বচ্ছলতা আনতে মালয়েশিয়া যান।তিনি জানান, আজিজুরের ওপর ভর করেই কৃষক বাবার দরিদ্র পরিবার ঘুরে দাঁড়ানোর স্বপ্ন দেখছিল। দুর্ঘটনায় পুরো পরিবার বিমর্ষ। বড় ভাইয়েরা সবাই বিয়ে করে যে যার মতো সংসার গড়েছেন। আর আজিজুর তার বয়স্ক মা-বাবার ভরণ পোষণ দিতেন।আজিজুরের মৃত্যুর খবর জানার পর থেকেই বারবার মুর্ছা যাচ্ছেন বৃদ্ধ মা কমেলা বেগম। কোনো শান্ত্বনা যেন তার মনকে মানাতে পারছেন না। যাকে তাকে ধরে আজিজুরকে ফিরিয়ে দেওয়ার আকুতি জানাচ্ছেন বারবার।আজিজুরের বাবা মো. কালাম মোল্লা সন্তানের মরদেহটি ফিরিয়ে আনতে চান। দরিদ্র পরিবার জানে না কোন প্রক্রিয়ায় ফেরত পাওয়া যাবে লাশ, তাই সরকারের সংশ্লিষ্ট মহলের সহযোগিতা চেয়েছেন তিনি।নিহতের চাচা আকুব্বর মোল্লাও জানান, যেভাবেই হোক আজিজুরের মরদেহ দেশে ফিরিয়ে অনুরোধ করেন তিনি।মাঝারদিয়া ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান মো. আফসার উদ্দিন মাতুব্বর জানান, মরদেহ ফিরিয়ে আনতে কাগজপত্র সংগ্রহের চেষ্টা চলছে।এ বিষয়ে সালথা উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) মো. আক্তার হোসেন শাহীন বলেন, মারা যাওয়ার খবর সংশ্লিষ্ট ইউপি চেয়ারম্যানের মাধ্যমে জেনেছি। মরদেহ ফিরিয়ে আনার ক্ষেত্রে আমাদের (উপজেলা প্রশাসনের) যতটুকু সহযোগিতা করার প্রয়োজন তা করা হবে।

post
বাংলাদেশ

বাংলাদেশে প্রবেশে অনলাইনে 'হেলথ ডিক্লারেশন ফরম' পূরণের নিয়ম বাতিল

বাংলাদেশে আসার ক্ষেত্রে অনলাইনে 'হেলথ ডিক্লারেশন ফরম' পূরণের নিয়ম বাতিল করা হয়েছে। স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের নির্দেশনার পরিপ্রেক্ষিতে এ বিধান জারি করে সার্কুলার দিয়েছে বেসামরিক বিমান চলাচল কর্তৃপক্ষ (বেবিচক)। বেবিচকের সদস্য (ফ্লাইট স্ট্যান্ডার্ড অ্যান্ড রেগুলেশন্স) এয়ার কমোডর শাহ কাওছার আহমদ চৌধুরীর স্বাক্ষর করা সার্কুলারটি গত ৩০ অক্টোবর জারি করা হয়।সার্কুলারে বলা হয়, বাংলাদেশে আসার ক্ষেত্রে অনলাইনে হেলথ ডিক্লারেশন ফরম পূরণ করার বিধান বাতিল করা হয়েছে। তবে অন্যান্য শর্ত আগের মতো বহাল থাকবে। এয়ার কমোডর শাহ কাওছার আহমদ চৌধুরী বলেন, 'স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের নির্দেশনার পরিপ্রেক্ষিত হেলথ ডিক্লারেশন ফরম পূরণ করার নিয়ম বাতিলের বিধান জারি করে সার্কুলার দেওয়া হয়েছে। তবে ভ্যাকসিন সংক্রান্ত অন্যান্য শর্তগুলো আগের মতো বহাল থাকবে।' শর্তের মধ্যে রয়েছে- বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা অনুমোদিত যেকোনো টিকার পূর্ণ ডোজ যারা নিয়েছেন, বাংলাদেশ আসতে তাদের করোনা পরীক্ষা করাতে হবে না। যাত্রীদের ভ্যাকসিন গ্রহণের প্রমাণ সঙ্গে রাখতে হবে। যেসব যাত্রী এক ডোজ কিংবা কোনো ভ্যাকসিন নেননি, তাদের বাংলাদেশ আসতে হলে ৭২ ঘণ্টার মধ্যে করোনা পরীক্ষার নেগেটিভ রিপোর্ট থাকতে হবে। ১২ বছরের নিচে শিশুদের কোনো করোনা টেস্ট করাতে হবে না। তবে তাদের স্বাস্থ্য সংক্রান্ত অন্যান্য নির্দেশনাগুলো মানতে হবে। টিকা নেওয়া বা না নেওয়া কোনো যাত্রীর মধ্যে করোনার লক্ষণ বা উপসর্গ যদি দেখা যায়, তাহলে বিমানবন্দরের স্বাস্থ্য বিভাগ যাত্রীর করোনা টেস্ট করাবে। টেস্টে তার রিপোর্ট করোনা পজিটিভ আসলে, তাকে নিজ খরচে সরকার নির্ধারিত হোটেলে ৭ দিন আইসোলেশনে থাকতে হবে। এরপর পুনরায় ৭ দিন পর আবারও তার করোনা পরীক্ষা করা হবে।

post
বাংলাদেশ

বিদেশে উচ্চ আয়ের পেশাজীবী বাংলাদেশিরাও পাবেন ডলারের সর্বোচ দর ১০৭ টাকা

এখন থেকে সরাসরি ব্যাংকের মাধ্যমে উচ্চ আয়ের প্রবাসী পেশাজীবীদের পাঠানো প্রবাসী আয় বা রেমিট্যান্সের ক্ষেত্রে প্রতি ডলারে ১০৭ টাকা করে দেওয়ার সিদ্ধান্ত হয়েছে। একই সঙ্গে ব্যাংকগুলো আপাতত রেমিট্যান্স আহরণ বাবদ কোনো চার্জ বা মাশুলও নেবে না বলে জানা গেছে। সোমবার কেন্দ্রীয় ব্যাংকের সঙ্গে বৈঠক করে ব্যাংকের প্রধান নির্বাহীদের সংগঠন এবিবি ও বৈদেশিক মুদ্রা লেনদেনকারী ব্যাংকগুলোর সংগঠন বাফেদা। ওই বৈঠকে এমন সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়।ব্যাংকাররা জানান, এত দিন উচ্চ আয়ের পেশাজীবীরা দেশে প্রবাসী আয় পাঠালে ডলারের দাম পেতেন রপ্তানি আয়ের জন্য নির্ধারিত দরের সমান, ৯৯ টাকা ৫০ পয়সা। এতে তারা ব্যাংকের মাধ্যমে প্রবাসী আয় পাঠাতে নিরুৎসাহিত হচ্ছিলেন। এ কারণে তাদের জন্য ডলারের দাম বাড়িয়ে ১০৭ টাকা করা হয়েছে। বর্তমানে প্রবাসী আয়ে সর্বোচ্চ ডলারের দাম সর্বোচ্চ ১০৭ টাকা। উচ্চ আয়ে পেশাজীবীদের পাঠানো প্রবাসী আয়ের ক্ষেত্রে ডলারের দাম বাড়ানোর পাশাপাশি ব্যাংকগুলোকে নিজস্ব উৎস থেকে ডলার সংস্থান করে ঋণপত্র বা এলসি খুলতে বলেছে বাংলাদেশ ব্যাংক। বাংলাদেশ ব্যাংকের সভাকক্ষে অনুষ্ঠিত বৈঠকে উপস্থিত ছিলেন ডেপুটি গভর্নর আহমেদ জামাল ও কাজী ছাইদুর রহমানসহ বিভিন্ন পর্যায়ের কর্মকর্তারা। অন্যদিকে, ব্যাংকগুলোর পক্ষে অ্যাসোসিয়েশন অব ব্যাংকার্স, বাংলাদেশের (এবিবি) চেয়ারম্যান ও ব্র্যাক ব্যাংকের ব্যবস্থাপনা পরিচালক (এমডি) সেলিম আর এফ হোসেন, বাংলাদেশ ফরেন এক্সচেঞ্জ ডিলারস অ্যাসোসিয়েশনের (বাফেদা) চেয়ারম্যান ও সোনালী ব্যাংকের এমডি আফজাল করিম, মিউচুয়াল ট্রাস্ট ব্যাংকের এমডি সৈয়দ মাহবুবুর রহমান, সিটি ব্যাংকের এমডি মাসরুর আরেফিন প্রমুখ। আন্তর্জাতিক মুদ্রা তহবিলের (আইএমএফ) প্রতিনিধি দলের ঢাকা সফরের মধ্যে সোমবার হঠাৎ করেই এ বৈঠক ডাকা হয় বলে জানা গেছে। বাংলাদেশ ব্যাংকের নীতিমালা অনুসারে ওয়েজ আর্নার হিসেবে সব প্রবাসীর সমান রেমিট্যান্স দর পাওয়ার কথা। কিন্তু গত সেপ্টেম্বর মাসে মুদ্রার বিনিময় হার বাজারের ওপর ছেড়ে দেওয়া হলে হোয়াইট কলার বলে পরিচিত চিকিৎসক, ইঞ্জিনিয়ার, আইনজীবী, ব্যাংকার, নার্সসহ উচ্চ আয়ের পেশাজীবীদের ক্ষেত্রে বিনিময় হার কমিয়ে ধরে ব্যাংকগুলো। সে সময় থেকে এ ধরনের পেশাজীবীদের পাঠানো প্রবাসী আয়ে ডলারের দাম রপ্তানি বিলের সমান হারে অর্থাৎ ৯৯ টাকা ৫০ পয়সা ধরা হচ্ছিল। তবে এক্সচেঞ্জ হাউসগুলো তাদের ভালো দর দিত। অন্যদিকে ব্যাংকগুলো বর্তমানে এক্সচেঞ্জ হাউস থেকে ডলার কেনার ক্ষেত্রে ১০৭ টাকা করেই দাম দিচ্ছিল। এতে করে ব্যাংকের মাধ্যমে অর্থ পাঠাতে অনেকে নিরুৎসাহিত হচ্ছে। এ রকম বাস্তবতায় উভয় ক্ষেত্রে ডলারের অভিন্ন দর দিতে বলেছে কেন্দ্রীয় ব্যাংক। এর ফলে এখন থেকে চিকিৎসক, ইঞ্জিনিয়ার, আইনজীবী ও সেবিকাদের আয় ব্যাংকের মাধ্যমে পাঠালেও ওয়েজ আর্নার্সদের মতো সর্বোচ্চ ১০৭ টাকা দর দেওয়া হবে। পাশাপাশি বিদেশি এক্সচেঞ্জ হাউজ নির্ভরতা কমিয়ে সরাসরি ব্যাংকের মাধ্যমে প্রবাসী আয় আহরণ উৎসাহিত করতে দেশের বাইরে নিজস্ব এক্সচেঞ্জ হাউজ বাড়াতে বলা হয়েছে বৈঠকে। এ ক্ষেত্রে প্রয়োজনীয় সহায়তা দেবে বলে জানিয়েছে কেন্দ্রীয় ব্যাংক। একই সঙ্গে ডলার সংকটের এ সময়ে আনুষ্ঠানিক চ্যানেলে প্রবাসী আয় পাঠানোকে উদ্বুদ্ধ করতে কোনো ধরনের চার্জ বা মাশুল না নিতে বলা হয়েছে বৈঠকে। ব্যাংকগুলোও এসব সিদ্ধান্ত কার্যকরের প্রতিশ্রুতি দিয়েছে।

post
বাংলাদেশ

বাংলাদেশে জানুয়ারি থেকে ডলার-সংকট কমে আসবে আশা কেন্দ্রীয় ব্যাংকের

ডলার-সংকটের কারণে আমদানি তদারকি জোরদার করা হয়েছে। ফলে ঋণপত্র খোলার পরিমাণ কমেছে। এরপরও আরও দুই মাস ডলার-সংকট চলবে। আগামী জানুয়ারির শুরু থেকে ডলার-সংকট কমে আসবে। বাংলাদেশ ব্যাংকের জ্যেষ্ঠ কর্মকর্তাদের এক আলোচনায় এমন মতামত উঠে এসেছে।দেশের বর্তমান সার্বিক আর্থিক পরিস্থিতি নিয়ে গভর্নর আব্দুর রউফ তালুকদার গতকাল রোববার সকালে কেন্দ্রীয় ব্যাংকের ডেপুটি গভর্নর ও নির্বাহী পরিচালকদের সঙ্গে মতবিনিময় করেন। বাংলাদেশ ব্যাংকের সভাকক্ষে অনুষ্ঠিত ওই মতবিনিময় সভায় এমন মতামত তুলে ধরেন কেন্দ্রীয় ব্যাংকের জ্যেষ্ঠ কর্মকর্তারা। সভায় আলোচনার বড় অংশজুড়েই ছিল ডলার-সংকট ও বৈদেশিক মুদ্রার রিজার্ভ পরিস্থিতি। মূল্যস্ফীতি ও সুদহার নিয়ে আলোচনা উঠলেও তা এগোতে দেননি ডেপুটি গভর্নররা। আজ ব্যাংক পরিদর্শনের সঙ্গে যুক্ত কর্মকর্তাদের সঙ্গে আলোচনার সূচি রয়েছে গভর্নরের। এ বিষয়ে কেন্দ্রীয় ব্যাংকের মুখপাত্র জি এম আবুল কালাম আজাদ প্রথম আলোকে বলেন, সভায় বাংলাদেশ ব্যাংক ও দেশের আর্থিক খাতের সার্বিক পরিস্থিতি নিয়ে আলোচনা হয়েছে। গভর্নর কিছু দিকনির্দেশনা দিয়েছেন। জানা যায়, আব্দুর রউফ তালুকদার গত ১২ জুলাই গভর্নর হিসেবে যোগ দেন। তাঁর যোগদানের পর কেন্দ্রীয় ব্যাংকের পরিস্থিতি কেমন হয়েছে, তা নির্বাহী পরিচালকদের কাছে জানতে চান। এ সময় দেশের আর্থিক খাতের বর্তমান পরিস্থিতি নিয়েও নির্বাহী পরিচালকদের কাছে মতামত জানতে চান তিনি। সভায় নির্বাহী পরিচালকেরা বিচ্ছিন্নভাবে তাঁদের মতামত তুলে ধরেন। নির্বাহী পরিচালকদের বেশির ভাগই কেন্দ্রীয় ব্যাংকের বিভিন্ন সিদ্ধান্তে ঢালাও সমর্থন দিয়ে আলোচনা করেন। একজন নির্বাহী পরিচালক মূল্যস্ফীতির চেয়ে আমানতের সুদহার কমে গেছে, এ জন্য সুদহারের সীমা প্রত্যাহারের আলোচনা তুললে একজন ডেপুটি গভর্নর তাঁকে থামিয়ে দেন। এ সময় একজন বলেন, ব্যাংকে টাকা রাখলে অনেক দেশে খরচ দিতে হয়। মুনাফার জন্য শেয়ারবাজার আছে, অন্য বিনিয়োগের জায়গা আছে। ব্যাংক তো সুদ আয়ের মাধ্যম হতে পারে না। ডলার বাজার পরিস্থিতি নিয়ে সভায় বলা হয়, ৩০ লাখ ডলারের বেশি মূল্যের আমদানি ঋণপত্র তদারকি করা হচ্ছে। এতে ঋণপত্র খোলার পরিমাণ কমে গেছে। ফলে সামনের দিনে সংকট কেটে যাবে। গত মার্চ থেকে দেশে ডলারের সংকট তৈরি হয়। বাংলাদেশ ব্যাংক দীর্ঘদিন ডলারের দাম আটকে রেখে সংকটকে ত্বরান্বিত করে। পরে বাধ্য হয়ে ডলারের দাম নির্ধারণের দায়িত্ব ব্যাংকগুলোর ওপর ছেড়ে দেয়। মতবিনিময় সভা হলেও সভার আলোচনার বিষয়বস্তু নিয়ে কেউ মুখ খোলেননি। এদিকে মূল্যস্ফীতি নিয়ন্ত্রণ কেন্দ্রীয় ব্যাংকের অন্যতম প্রধান দায়িত্ব হলেও এ নিয়ে কোনো আলোচনাই হয়নি সভায়।

post
বাংলাদেশ

সীমান্তে উত্তেজনার ঘটনায় বাংলাদেশ মিয়ানমার পতাকা বৈঠক শুরু

সীমান্তে উত্তেজনার ঘটনায় বর্ডার গার্ড বাংলাদেশ (বিজিবি) ও মিয়ানমারের সীমান্তরক্ষী বর্ডার গার্ড পুলিশের (বিজিপি) ব্যাটালিয়ন কমান্ডার পর্যায়ে পতাকা বৈঠক শুরু হয়েছে।রোববার (৩০ অক্টোবর) সকাল সাড়ে ৯টায় নাফ নদ সংলগ্ন সীমান্তে টেকনাফের শাহ পরীর দ্বীপে বিজিবির নির্মিত ‘সাউদান পয়েন্ট’ এর সম্মেলন কক্ষে দু’দেশের প্রতিনিধি দলের মধ্যে বৈঠক শুরু হয়। এর আগে সকাল ৯টায় দুটি স্পিডবোটযোগে মিয়ানমারের প্রতিনিধি দল শাহপরীর দ্বীপ জেটি ঘাটে পৌঁছায়। এসব তথ্য নিশ্চিত করেছেন বিজিবির টেকনাফ ২ ব্যাটালিয়নের অধিনায়ক লেফটেন্যান্ট কর্নেল শেখ খালিদ মোহাম্মদ ইফতেখার। তিনি জানান, বৈঠক শুরু হয়েছে। বৈঠক শেষে সংবাদ সম্মেলনে বিস্তারিত জানানো হবে।বিজিবি সূত্রে জানা যায়, শাহপরীর দ্বীপে রোববার সকাল সাড়ে ৯টায় টেকনাফ-২ বিজিবি ব্যাটালিয়নের অধিনায়ক লেফটেন্যান্ট কর্নেল শেখ খালিদ মোহাম্মদ ইফতেখারের নেতৃত্বে ৯ সদস্যের বাংলাদেশ প্রতিনিধি দল ও মিয়ানমার মংডুর ১ নম্বর বর্ডার গার্ড পুলিশ ব্রাঞ্চের কমান্ডিং অফিসার লেফটেন্যান্ট কর্নেল কাও না ইয়ান শোর নেতৃত্বে ৯ সদস্যের প্রতিনিধি দলের মধ্যে পতাকা বৈঠক অনুষ্ঠিত হয়।

post
বাংলাদেশ

ব্যবসায়ীদের দেশ ও মানুষের কথা ভাবতে বললেন প্রধানমন্ত্রী

ব্যবসায়ীদের জন্য আওয়ামী লীগ সরকারের নেওয়া নানা পদক্ষেপের কথা স্মরণ করিয়ে দিয়ে তাদের দেশ ও মানুষের কথা ভাবতে বলেছেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা।বুধবার (২৬ অক্টোবর) গণভবনে ভোগ্যপণ্য আমদানিকারক ও রপ্তানিকারকদের সঙ্গে মতবিনিময়কালে তিনি এ আহ্বান জানান।সভায় সরকার প্রধান তেল, চিনিসহ নিত্য প্রয়োজনীয় পণ্য বাংলাদেশের সকল নাগরিকের কাছে যথাযথ মূল্যে সরবরাহ করতে ভোগ্যপণ্য আমদানিকারক ও সরবরাহকারীদের প্রতি আহ্বান জানান।প্রধানমন্ত্রী বলেন, ‘২০০৯-এ সরকার গঠনের পর আমাদের ব্যবসায়ীরা সে যে দলেরই হোক আমরা কিন্তু ওখানে দল বাছতে যাইনি। যে দলেরই হোক, যাতে তারা ব্যবসাটা ব্যবসায়ী হিসেবে করতে পারে, সেই পরিবেশটা আমি সৃষ্টি করে দিয়েছি। ’তিনি বলেন, ‘এখানে কোনো হাওয়া ভবনও নেই, আর পিএমও-তে (প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ে) কোনো উন্নয়ন উইংও নাই যে, হাওয়া ভবনে এক ভাগ দিতে হবে, উন্নয়ন ভবনে এক ভাগ দিতে হবে বা অমুক জায়গায় দিতে হবে। এই যন্ত্রণা তো আপনাদের ভুগতে হয় না এখন আর। এটা তো আপনারা নিশ্চয় স্বীকার করবেন, সেই যন্ত্রণা থেকে তো সবাই মুক্ত। ’শেখ হাসিনা বলেন, ‘এখন প্রফিটের (লাভ) ব্যাপারে চিন্তা করেন। আগে তো একটা বড় অংশ হাওয়া হয়ে যেতো। এখন আর সেই হাওয়া হওয়ার ব্যবস্থাটা নাই। সেখান থেকে সবাইকে মুক্ত রেখেছি। তো সেটাই মাথায় রেখে যদি মনে করেন যে, দেশের কথা চিন্তা করে, দেশের মানুষের কথা চিন্তা করে...। ’টানা তিনবারের সরকারপ্রধান বলেন, ‘এতদিন এই ১৪ বছর একটানা ধারাবাহিকভাবে আপনারা লাভজনক ব্যবসাটা করে গেছেন, এখনকার... আমরা কিন্তু করোনার সময়ও সেটা মোকাবিলা করলাম। প্রণোদনা দিলাম, বিশেষ প্রণোদনা, আমার কাছে কেউ এসে দাবি করেননি। কেউ বলে নাই। কিন্তু আমরা সিদ্ধান্ত নিয়েছি। আমার একটা টিম খুব ভালো কাজ করছিল—কোথায় কী করা যেতে পারে। আমার অর্থনীতির চাকাটাকে চলমান রাখতে হবে। ’শেখ হাসিনা বলেন, ‘পৃথিবীর উন্নত দেশগুলো তাদের ইন্ডাস্ট্রি বন্ধ, তাদের সমস্ত কর্মকাণ্ড বন্ধ, সব কিছু। আমরা বলেছি, আমরা এখানে বন্ধ হতে দেবো না, আমার এখানে চালু করে রাখতে হবে। শ্রমিকদের বেতন, এই যে গার্মেন্টস, তার বেতন তো আমি দিয়ে দিলাম সব। প্রণোদনা প্যাকেজ করলাম, বিশেষ বরাদ্দ দেওয়ার ব্যবস্থা করলাম। ’দলের নাম উল্লেখ না করে বিএনপিকে ইঙ্গিত করে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা বলেন, ‘এখন একটু যখন অপজিশন মাঠে নেমে গেছে হঠাৎ, ব্যবসায়ী মহলে আবার একটু শঙ্কার সৃষ্টি হয়েছে অথবা কারো আসার প্রদীপ জ্বলে উঠছে; যদি আবার হাওয়া ভবন খুলতে পারে তাহলে কি সুবিধা পাবে।’তিনি বলেন, ‘১৪ টা বছর আমরা সরকারে, আমি জানিনা ব্যবসায়ীরা এটা উপলব্ধি করে কি? করে না? এত নিশ্চিন্তে ব্যবসা করার সুযোগ তো আর পান নাই।’বিশ্বব্যাপী জ্বালানি সংকটের কথা তুলে ধরে শেখ হাসিনা বলেন, ‘এই এনার্জি ক্রাইসিসে বাংলাদেশ একা না পৃথিবীর সব দেশেই কিন্তু ভুগছে।’তিনি বলেন, ‘ক্রাইসিসটা তো বাংলাদেশের না, ক্রাইসটা তো ইন্টারন্যাশনাল; এটা মাথায় রাখতে হবে। আজকে যেসব জায়গা থেকে আমরা সার, গম, খাবার পণ্য আনি সব জায়গায় সমস্যা।’মেগা প্রজেক্ট এবং কুইক রেন্টাল বিদ্যুৎ কেন্দ্র নিয়ে সরকারের সমালোচনার জবাবে শেখ হাসিনা বলেন, ‘হ্যাঁ সমালোচনা- মেগা প্রজেক্ট, তারপর বিদ্যুৎ নিয়ে সমালোচনা, কুইক রেন্টাল পাওয়ার প্লান্ট কেন আনলাম সেটা নিয়ে সমালোচনা। সেখানে নাকি টাকা মেরেই খেয়ে দিলাম। যারা ওরকম টাকা খেয়ে অভ্যস্ত টাকা খাওয়ার বিষয়টা বুঝে ভালো। কিন্তু আমরা যদি তখন এটা না আনি বিদ্যুৎ উৎপাদন বাড়াতে পারতাম না। আমরা বলেছিলাম বিদ্যুৎ ঘরে ঘরে দেবো, আমরা দিয়েছি। কিন্তু এখন যে ক্রাইসিস সেটা তো বাংলাদেশের না এটা তো ইন্টারন্যাশনাললি হচ্ছে। আন্তর্জাতিক পর্যায়ে সবাই এই ক্রাইসিসে ভুগছে।’ব্রাজিল থেকে সয়াবিন ও চিনি আমদানি করার চেষ্টার কথা জানান সরকার প্রধান।দুর্ভিক্ষ আসতে পারে এমন বক্তব্যের সমালোচকদের উদ্দেশে প্রধানমন্ত্রী বলেন, ‘আমি কিন্তু আগাম কিছু কিছু কথা বলি- অনেকে মনে করেন আমি কেন বলি? কই থেকে বলি? এটা হচ্ছে আমার একটা ধারণা অর্থাৎ দীর্ঘদিনের একটা অভিজ্ঞতা।’শেখ হাসিনা বলেন, ‘যখন ইউক্রেন আর রাশিয়ার যুদ্ধটা হলো সারা বিশ্বে এটার অর্থনৈতিক ধাক্কাটা আসলো কিন্তু। শুধু আমাদের ওপর না পুরো ইউরোপ, আমেরিকা, ইংল্যান্ড থেকে শুরু করে ডেভেলপ কান্ট্রি ওপরে এর প্রভাব আরো ব্যাপকভাবে পড়ল। তখন আমি বললাম যে আগামীতে একটা দুর্ভিক্ষ অবস্থা হতে পারে। এখন তো সবাই সে কথাই বলছে, কালকে বৃটেনের নতুন প্রধানমন্ত্রী গতকালকে তার বক্তব্যে এ কথাটাই বলছে, বলছে যে বিরাট ক্রাইসিস সামনে। এটা যে শুধু আমরা বলছি তা নয়।’টানা তিনবারের সরকার প্রধান বলেন, ‘আমি যেটা আশঙ্কা করি আমি পাবলিকের কাছে সরাসরি বলি। আমার এখানে লুকানোর কিছু নেই। জনগণ ভোট দিছে ক্ষমতায় আছি, না দিলে থাকবো না। কিন্তু জনগণের জন্যই তো কাজ করতে এসেছি।’গণভবনে অন্যান্যের মধ্যে উপস্থিত ছিলেন কৃষি মন্ত্রী ড. মো: আব্দুর রাজ্জাক, বাণিজ্যমন্ত্রী টিপু মুনশি, প্রধানমন্ত্রীর বেসরকারি শিল্প ও বিনিয়োগ উপদেষ্টা সালমান ফজলুর রহমান, প্রধানমন্ত্রীর মুখ্যসচিব ড. আহমদ কায়কাউস, প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ের সিনিয়র সচিব মো. তোফাজ্জল হোসেন মিয়া, জাতীয় ভোক্তা অধিকার সংকরক্ষণ অধিদপ্তরের মহাপরিচালক এ.এইচ.এম সফিকুজ্জামান প্রমুখ।ব্যবসায়ীদের মধ্যে উপস্থিত ছিলেন এফবিসিসিআইয়ের সভাপতি জসিম উদ্দিন, বসুন্ধরা গ্রুপের চেয়ারম্যান আহমেদ আকবর সোবহান, আওয়ামী লীগের শিল্পও বাণিজ্য বিষয়ক সম্পাদক মো. সিদ্দিকুর রহমানসহ টিকে গ্রুপ, সিটি সুগার ইন্ডাস্ট্রিজ লিমিটেড, সিটি এডিবল অয়েল লিমিটেড, এস. আলম গ্রুপ, দেশ বন্ধু গ্রুপ, মেঘনা গ্রুপ, এসিআই লিমিটেড, আকিজ গ্রুপের প্রতিনিধি উপস্থিত ছিলেন।

post
বাংলাদেশ

বাংলাদেশে ১৪ জনের প্রাণ কেড়ে নিল ঘূর্ণিঝড় সিত্রাং

শক্তি হারিয়ে দুর্বল হয়েছে ঘূর্ণিঝড় সিত্রাং। আবহাওয়া অধিদপ্তর বলছে, বৃষ্টি ঝড়িয়ে দুর্বল হয়ে সিত্রাং এখন স্থল নিম্নচাপে রূপ নিয়েছে। সোমবার মধ্যরাতে ভোলার নিকট দিয়ে বরিশাল-চট্টগ্রাম উপকূল অতিক্রম করে ঘূর্ণিঝড়টি।সিত্রাংয়ের প্রভাবে উপকূলীয় জেলাগুলোতে ঝোড়ো বাতাস ও ভারী বৃষ্টি হয়েছে। ঝোড়ো বাতাস ও বৃষ্টিতে দুর্ঘটনার শিকার হয়ে দেশের বিভিন্ন অঞ্চলে বেশ কয়েকজনের প্রাণহানি হয়েছে। প্রতিনিধিদের পাঠানো প্রতিবেদন থেকে মঙ্গলবার দুপুর দেড়টা পর্যন্ত ৮ জেলায় অন্তত ১৪ জনের প্রাণহানির খবর পাওয়া গেছে। এই সংখ্যা আরও বাড়তে পারে। কুমিল্লার নাঙ্গলকোটে একটি ঘরের ওপর গাছ ভেঙে পড়ে একই পরিবারের তিনজন নিহত হয়েছেন। নিহতরা হলেন, নিজাম উদ্দিন, তার স্ত্রী ও কন্যাশিশু নুসরাত। পুলিশ জানায়, সোমবার রাতে ঘূর্ণিঝড় সিত্রাংয়ের প্রভাবে ঝোড়ো হাওয়ায় একটি গাছ নিজামের ঘরের ওপর পড়ে। এতে ঘটনাস্থলেই নেজাম ও তার স্ত্রী নিহত হন। পরে গুরুতর আহত অবস্থায় উদ্ধার করে শিশু নুসরাতকে নাঙ্গলকোট উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স নিয়ে গেলে কর্তব্যরত চিকিৎসক তাকে মৃত ঘোষণা করেন। ঘূর্ণিঝড় সিত্রাংয়ের প্রভাবে ঝোড়ো হাওয়ায় বরগুনায় ঘরের ওপর গাছ পড়ে এক বৃদ্ধা নিহত হয়েছেন। সোমবার রাত ৮টার দিকে এই ঘটনা ঘটে। নিহত নারীর নাম আমেনা খাতুন। তার বয়স ১১৫ বছর। তিনি বরগুনা সদর উপজেলার সোনাখালি গ্রামের বাসিন্দা। তার পরিবারকে আর্থিক সহায়তার আশ্বাস দিয়েছে জেলা প্রশাসন।  ঘূর্ণিঝড় সিত্রাংয়ের প্রভাবে ঝোড়ো হাওয়ায় বসতঘরের ওপর গাছ পড়ে শরীয়তপুরের জাজিরায় সাফিয়া খাতুন (৬৫) নামে এক নারী মারা গেছেন। সোমবার সন্ধ্যার দিকে এ ঘটনা ঘটে। বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন উপজেলা নির্বাহী অফিসার মো. কামরুল হাসান সোহেল। নড়াইলের লোহাগড়ায় ঘূর্ণিঝড় সিত্রাংয়ের প্রভাবে ভারী বর্ষণ ও ঝোড়ো বাতাসে গাছের ডাল ভেঙে পড়ে মর্জিনা বেগম (৪০) নামে এক গৃহপরিচারিকার মৃত্যু হয়েছে। সদর উপজেলার সয়দাবাদ ইউনিয়নের পূর্বমোহন ও শিল্পপার্কের মাঝখানে যমুনা নদীর ক্যানেলে ঝড়-বৃষ্টির কবলে পড়ে নৌকাডুবিতে মা-ছেলে মারা গেছেন। সোমবার (২৪ অক্টোবর) রাত ৯টার দিকে এ ঘটনা ঘটে। মৃতরা হলেন- সিরাজগঞ্জ সদর উপজেলার সয়দাবাদ ইউনিয়নের পূর্বমোহন গ্রামের খোকনের স্ত্রী আয়েশা খাতুন (২৮) ও তার ছেলে আরাফাত হোসেন (০২)। ঘূর্ণিঝড় সিত্রাংয়ের প্রভাবে ভোলায় গাছ ও ঘরচাপায় তিনজনের মৃত্যু হয়েছে। ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে ঘরবাড়ি, ফসলি জমি ও পুকুরের মাছ। জানা গেছে, ভোলা সদর উপজেলার ধনিয়ায় গাছচাপায় মফিজুল ইসলাম নামে এক যুবক এবং দৌলতখানে ঘরচাপায় খাদিজা বেগম নামে এক বৃদ্ধা ও চরফ্যাশনে মোটরসাইকেলে করে বাড়ি ফেরার পথে গাছচাপায় মনির খন্দকার নামে একজন মারা গেছে। এছাড়া অনেক জায়গায় গাছ উপড়ে সড়ক যোগাযোগ বিচ্ছিন্ন হয়ে গেছে। এখনো বেশির ভাগ এলাকা বিদ্যুৎ বিচ্ছিন্ন রয়েছে। ভোলার ত্রাণ ও পুনর্বাসন কর্মকর্তা মো. দেলোয়ার হোসেন ও চরফ্যাশন থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মুরাদ হোসেন এসব তথ্য নিশ্চিত করেছেন। গোপালগঞ্জের টুঙ্গিপাড়ায় ঘূর্ণিঝড় সিত্রাংয়ের প্রভাবে দমকা বাতাসে সোমবার রাতে ঘরের ওপর গাছ পড়ে দুই নারী নিহত হয়েছেন। নিহতরা হলেন- উপজেলার পাঁচকাহনিয়া গ্রামের রেজাউল খাঁর স্ত্রী শারমিন বেগম (২৫) ও বাঁশবাড়িয়া গ্রামের হান্নান তালুকদারের স্ত্রী রুমিছা বেগম (৬৫)। সিত্রাংয়ের প্রভাবে ঝোড়ো হাওয়ায় নোয়াখালীর সুবর্ণচরে ঘরের ওপর গাছ পড়ে সানজিদ আফ্রিদি আদি নামে এক শিশুর (১) মৃত্যু হয়েছে। সোমবার (২৪ অক্টোবর) রাতে উপজেলার পূর্ব চরবাটা গ্রামে এ ঘটনা ঘটে। এসময় শিশুটির মা সানজিদা খানম গুরুতর আহত হলে তাকে হাসপাতালে নেওয়া হয়। আফ্রিদি পূর্ব চরবাটা ইউনিয়নের পূর্ব চরবাটা গ্রামের মো. আবদুল্লার ছেলে।

post
বাংলাদেশ

ঢাকার ফ্লাইট নামল ইয়াঙ্গুন ও সিলেটে, বাতিল ৬০ ফ্লাইট

ঘূর্ণিঝড় সিত্রাংয়ের প্রভাবে সকাল থেকে বৃষ্টি ও ঝোড়ো বাতাস বইছে ঢাকাসহ সারা দেশে। বৈরী আবহাওয়ার কারণে চট্টগ্রামসহ কয়েকটি বিমানবন্দর বন্ধ ঘোষণা করা হয়েছে। ঢাকার শাহজালাল বিমানবন্দরে ফ্লাইট চলাচল কিছুটা ব্যাহত হয়েছে।সোমবার বিকেলে সৌদি অ্যারাবিয়ান এয়ারলাইন্সের (সাউদিয়া) একটি ফ্লাইট ঢাকায় অবতরণে ব্যর্থ হয়ে মিয়ানমারের ইয়াঙ্গুন বিমানবন্দরে অবতরণ করেছে। এছাড়া সন্ধ্যার পর বেশ কয়েকটি অভ্যন্তরীণ ফ্লাইট ঢাকার পরিবর্তে সিলেটে অবতরণ করেছে।হজরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরের একটি সূত্র এসব তথ্য নিশ্চিত করেছে।সূত্র জানায়, সাউদিয়ার এসভি-৮৮৩ ফ্লাইটটি সকালে গুয়াঞ্জু থেকে ঢাকার উদ্দেশে রওনা হয়। বিকেলে ঢাকার আকাশে বেশ কয়েকটি চক্কর দিয়ে নামতে পারেনি। পরে ফ্লাইটটি মিয়ানমারে গিয়ে অবতরণ করে। টরন্টো ও দুবাই থেকে আসা বিমান বাংলাদেশ এয়ারলাইন্সের দুটি ফ্লাইটও ঢাকায় ঘণ্টা খানেক চেষ্টার পর সিলেটে অবতরণ করে।এছাড়া ইউএস-বাংলা এয়ারলাইন্সের বিএস-৩০৮ ফ্লাইটটি সিঙ্গাপুর থেকে এসে ঢাকায় অবতরণ করতে না পেরে সিলেটে গিয়ে অবতরণ করে। তাদের চেন্নাই থেকে ঢাকাগামী ফ্লাইটটিও গেছে সিলেটে।তবে শাহজালাল বিমানবন্দর কর্তৃপক্ষ বলছে, ফ্লাইট চলাচল সেখানে স্বাভাবিক আছে। বিমানবন্দরের নির্বাহী পরিচালক গ্রুপ ক্যাপ্টেন মো. কামরুল ইসলাম ঢাকা পোস্টকে বলেন, ঢাকায় ফ্লাইট উড্ডয়ন ও অবতরণ স্বাভাবিক রয়েছে। তবে কয়েকটি এয়ারলাইন্সের পাইলটের সিদ্ধান্তে সেগুলো আশপাশের বিমানবন্দরে ডাইভার্ট করা হয়েছে। আমরা আবহাওয়া পর্যবেক্ষণ করছি।এদিকে একটি সূত্রে জানা গেছে, বৈরী আবহাওয়ার কারণে বিকেল ৩টা থেকে চট্টগ্রাম, কক্সবাজার ও বরিশাল বিমানবন্দর বন্ধ ঘোষণা করায় বিমান বাংলাদেশ এয়ারলাইন্স, ইউএস-বাংলা এয়ারলাইন্স এবং নভোএয়ারের প্রায় ৬০টি ফ্লাইট বাতিল করতে হয়েছে।বাংলাদেশ বিমান কর্তৃপক্ষ জানায়, তাদের কক্সবাজার ও চট্টগ্রাম রুটের ১০টি ফ্লাইট বাতিল হয়েছে। এছাড়া বিমানের শারজাহ, আবুধাবি, দুবাই ও মাস্কাট রুটের ফ্লাইটের সময়সূচি পরিবর্তন করা হয়েছে।আর বেসরকারি ইউএস-বাংলা এয়ারলাইন্সের ২৮টি এবং নভোএয়ারের ২২টি ফ্লাইট বাতিল হয়েছে।

post
বাংলাদেশ

সোমবার সন্ধ্যায় বাংলাদেশের উপকূলীয় এলাকায় আঘাত হানতে পারে ঘূর্ণিঝড় 'সিত্রাং’

বঙ্গোপসাগরে সৃষ্ট প্রবল ঘূর্ণিঝড় 'সিত্রাং'র অগ্রভাগ আজ সোমবার সন্ধ্যায় দেশের উপকূলীয় এলাকায় আঘাত হানবে। এর কেন্দ্র আঘাত করবে আগামীকাল মঙ্গলবার ভোর ৬টায়।আজ দুপুরে সচিবালয়ে দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা ও ত্রাণ প্রতিমন্ত্রী মো. এনামুর রহমান এ তথ্য জানিয়েছেন।তিনি বলেন, ঘূর্ণিঝড়টি গতি পরিবর্তন করে শুধুমাত্র বাংলাদেশের দিকে ধাবিত হচ্ছে।মন্ত্রী আরও বলেন, ঘূর্ণিঝড়টি খুলনা, বরিশাল ও চট্টগ্রাম বিভাগের ১৩ জেলায় প্রবলভাবে আঘাত করবে।ঘূর্ণিঝড়ের কেন্দ্র পটুয়াখালী ও বরগুনা জেলা দিয়ে অতিক্রম করবে বলে জানান তিনি।'১৫ জেলায় ৭ হাজার ৩০ আশ্রয়কেন্দ্র প্রস্তুত রাখা হয়েছে' উল্লেখ করে মন্ত্রী আরও বলেন, 'সেখানে ২৫ লাখ মানুষ আশ্রয় নিতে পারবেন।'

post
বাংলাদেশ

শিগগিরই ঢাকা-নিউইয়র্ক ফ্লাইট চালু হচ্ছে

শিগগিরই ঢাকা-নিউইয়র্ক ফ্লাইট চালু হবে বলে আশা করছে বেসামরিক বিমান চলাচল কর্তৃপক্ষ (বেবিচক) ও মার্কিন রাষ্ট্রদূত পিটার হাস।আজ রোববার বেবিচক চেয়ারম্যান এয়ার ভাইস মার্শাল মো. মফিদুর রহমানের কার্যালয়ে তার সঙ্গে সাক্ষাৎ করেন বাংলাদেশে নিযুক্ত মার্কিন রাষ্ট্রদূত পিটার হাস। এ সময় দুজনে এ বিষয়ে আশা প্রকাশ করেন।দুই দেশের মধ্যে ফ্লাইট চলাচল, বিশেষ করে ঢাকা-নিউইয়র্ক ফ্লাইট চালুর বিষয়ে আলোচনা করেন।বেবিচক চেয়ারম্যান মার্কিন রাষ্ট্রদূতকে একটি সময়বদ্ধ পরিকল্পনার মাধ্যমে এফএএ ক্যাটাগরি-১ বাস্তবায়নের জন্য দূতাবাসের হস্তক্ষেপ ও সহযোগিতা কামনা করেন। আলোচনাকালে রাষ্ট্রদূত পিটার হাস ঢাকা-নিউইয়র্ক ফ্লাইট চালুর বিষয়ে সর্বাত্মক সহযোগিতার আশ্বাস দেন। এ সময় দুই দেশের অ্যাভিয়েশন সেক্টরের মধ্যে পারস্পরিক যোগাযোগ ও সহযোগিতা বৃদ্ধির বিষয়েও আলোচনা হয়। বাংলাদেশের অ্যাভিয়েশন সেক্টরে দক্ষ জনবল গড়ে তুলতে যুক্তরাষ্ট্র বাংলাদেশকে সহযোগিতা করবে বলে রাষ্ট্রদূত জানান।

About Us

NRBC is an open news and tele video entertainment platform for non-residential Bengali network across the globe with no-business vision just to deliver news to the Bengali community.