ট্রেন্ডিং
শীর্ষ খবর
সর্বশেষ খবর
সাম্প্রতিক খবর
এনআরবি লাইফ
ওজন কমাতে চাইলে যে ভুল নয়
- ০৯ মে ২০২৪
আমিরাতে সফল চট্টগ্রামের খোরশেদ
- ০৯ মে ২০২৪
দই খাওয়ার উপকারিতা
- ০৭ মে ২০২৪
ক্যান্সার থেকে বাঁচতে সচেতন হওয়ার তাগিদ
- ০৩ মে ২০২৪
এনআরবি সাফল্য
এনআরবিসি টিভির আলোচনায় যা বললেন স্কটিশ পার্লামেন্টের শ্যাডো মিনিস্টার ফয়সল চৌধুরী!
১৭ সেপ্টেম্বর ২০২৪
১৭ অক্টোবর থেকে পিপলএনটেকের সেলেনিয়ামের নতুন ব্যাচের ক্লাস শুরু
১৩ অক্টোবর ২০২৩
নাটকের পর তামিমকে ছাড়াই বাংলাদেশের বিশ্বকাপ দল
০৫ অক্টোবর ২০২৩
একাত্তর ফাউন্ডেশনের লাইভ কনসার্টে ভার্জিনিয়ার দর্শকদের মাতিয় গেলেন ইমরান-কনা ও মিতালী মুখার্জী
০৫ অক্টোবর ২০২৩একাত্তর ফাউন্ডেশনের লাইভ কনসার্টে ভার্জিনিয়ার দর্শকদের মাতিয় গেলেন ইমরান-কনা ও মিতালী মুখার্জী
০৫ অক্টোবর ২০২৩
সফলতার নতুন রেকর্ড গড়লো ডালাস ফোবানা-২০২৩ II FOBANA-2023
১২ সেপ্টেম্বর ২০২৩
ধ্রুপদের আয়োজনে চমৎকার এক সঙ্গীত সন্ধ্যা উপভোগ করলো ডিএমভিবাসী!
২২ আগস্ট ২০২৩
যুক্তরাষ্ট্রে ট্যাক্সফাইল কিভাবে করবেন? এনআরবিসি বিজনেস অনুষ্ঠানে কাজী ইসলাম দিয়েছেন সব উত্তর!
২২ আগস্ট ২০২৩
আনুষ্ঠানকিভাবে নেইমার এখন আল হিলালের
২২ আগস্ট ২০২৩ডব্লিউইউএসটির সমাবর্তনে সাবেক মার্কিন প্রেসিডেন্ট বিল ক্লিনটনের শুভেচ্ছা বার্তা
২২ জুন ২০২৩
পা দিয়ে লিখেই পরিবারের দুঃখ ঘোচাতে চায় দুখু মিয়া
২২ জুন ২০২৩
পিকনিক করে উৎসবমুখর এক দিন কাটালো ডব্লিউইউএসটির ছাত্রছাত্রীরা
২২ জুন ২০২৩আরো খবর
ওয়াশিংটনে খালেদা জিয়াকে স্মরণ তার সকল উজ্জ্বলতায়, দৃঢ়তায়
যুক্তরাষ্ট্রের ওয়াশিংটনে ন্যাশনাল প্রেসক্লাবে সোমবার অনুষ্ঠিত হলো বাংলাদেশের সদ্যপ্রয়াত রাজনৈতিক ব্যক্তিত্ব, সাবেক প্রধানমন্ত্রী, বাংলাদেশ ন্যাশনালিস্ট পার্টি (বিএনপি)'র চেয়ারপারসন বেগম খালেদা জিয়ার জন্য শোক ও স্মৃতিচারণ। এতে অংশ নিয়ে একজন রাষ্ট্রনায়ক, রাজনীতিক তথা ব্যক্তি খালেদা জিয়ার সকল উজ্জ্বলতা ও দৃঢ়তার কথা বললেন আলোচকরা।একসময়ে বাংলাদেশ নিযুক্ত দুই মার্কিন রাষ্ট্রদূতসহ সাংবাদিক, শিক্ষক ও রাজনৈতিক ব্যক্তিত্বরা এই আলোচনায় অংশ নেন।একসময়ে খালেদা জিয়ার প্রধানমন্ত্রীত্বে তার প্রেসউইংয়ে কর্মরত, বর্তমানে মেক্সিকোয় বাংলাদেশের রাষ্ট্রদূত মুশফিকুল ফজল আনসারীর উদ্যোগ ও আয়োজনে এই শোকসভায় বক্তব্য রাখেন অ্যাটর্নি এহতেশামুল হক, ভয়েস অব আমেরিকার সাবেক প্রধান ইকবাল বাহার চৌধুরী, বাংলাদেশে নিযুক্ত সাবেক রাষ্ট্রদূত ড্যান মজেনা ও মার্শা বার্নিকাট, যুক্তরাষ্ট্র ন্যাশনাল প্রেসক্লাবের বর্তমান প্রেসিডেন্ট মার্ক শেফ, সাবেক প্রেসিডেন্ট ম্যারন বেলকাইন্ড প্রমুখ।অনুষ্ঠানে স্বাগত বক্তব্যে রাষ্ট্রদূত মুশফিকুল ফজল আনসারী বেগম খালেদা জিয়া ছিলেন বাংলাদেশের গণতন্ত্রিক সংগ্রামের ইতিহাসের অবিচ্ছেদ্য অংশ, স্বাধীনতা ও সার্বভৌমত্বের প্রটেক্টর এবং অর্থনৈতিক প্রগতির নির্মাতা হিসেবে উল্লেখ করে বলেন, "যখন দেশের গণতান্ত্রিক প্রতিষ্ঠানগুলো ধ্বংসপ্রাপ্ত এবং বিরোধী মতের কণ্ঠ রুদ্ধ, তখন তিনি নির্ভীক চিত্তে স্বৈরাচারের বিরুদ্ধে দাঁড়িয়েছেন।"খালেদা জিয়া ছিলেন বিশ্বে নজির সৃষ্টিকারী এক অনন্য নেতা, বলেন মুশফিকুল ফজল। খালেদা জিয়ার ওপর সংক্ষিপ্ত জীবনালাপ তুলে ধরেন এটর্নি এহতেশামুল হক। খালেদা জিয়াকে নিয়ে বাংলাদেশিদের অত্যন্ত জনপ্রিয় স্লোগান- নেত্রী মোদের খালেদা, গর্ব মোদের আলাদা'র কথা স্মরণ করে তিনি বলেন, খালেদা জিয়ার সকল জীবন কর্মই ছিলো গর্ব করার মতো। একজন গৃহবধু থেকে রাজনীতিতে এসে কিভাবে রাজনীতির কেন্দ্রবিন্দুতে পরিণত হয়েছিলেন বেগম খালেদা জিয়া তারই ধারবাহিকতা উঠে আসে এহতেশামুল হকের বক্তৃতায়।তিনি বলেন, বাংলাদেশে খালেদা জিয়া যতবার যত আসনে নির্বাচনী লড়াইয়ে অংশ নেন, তার সবগুলোতেই জয়ী হন। ১৯৯১ সালে দেশের প্রথম নারী প্রধানমন্ত্রী হিসেবে নির্বাচিত হন।সারা জীবন জুড়েই খালেদা জিয়া দেশের মানুষের পক্ষে দাঁড়িয়ে আপোষহীন থেকেছেন। নিজের জীবনে নানাভাবে রাজনৈতিক দুর্যোগ নেমে আসার পরেও, কারান্তরীণ থেকেও তিনি ছিলেন দৃঢ়চেতা, উঠে আসে তার আলোচনায়। তিনি বলেন, স্বৈরাচার এরশাদবিরোধী আন্দোলন থেকে শুরু করে পরবর্তী সময়ে রাজনৈতিক নিপীড়নের মধ্যেও তাঁকে দমিয়ে রাখা যায়নি। খালেদা জিয়ার নৈতিক সাহস ও গণতন্ত্রের পক্ষে নিরবচ্ছিন্ন লড়াইই তাকে দেশের মানুষের কাছে প্রিয় করে তোলে।বাংলাদেশের রাজনীতির প্রতিটি স্তরে স্তরে খালেদা জিয়া তার অবদান রেখে গেছেন। আর সে কারণেই তিনি স্মরণীয় ও বরণীয় হয়ে থাকবেন, বলেন এহতেশামুল হক।বক্তাদের সকলেই তাদের স্মৃতিচারণে খালেদা জিয়ার দেশপ্রেম তথা সরকারপ্রধান ও বিরোধীদলীয় নেতা হিসেবে তার রাজনৈতিক দৃঢ়তার কথা উল্লেখ করেন।দুই রাষ্ট্রদূত মার্শা বার্নিকাট ও ড্যান মজেনা তাদের বক্তৃতায় খালেদা জিয়ার সঙ্গে তাদের সকল সাক্ষাত ও বৈঠকের কথা উল্লেখ করে বলেন, সেসব বৈঠক কূটনীতিক চরিত্রের বাইরেও অত্যন্ত আন্তরিক ও প্রাণবন্ত হতো। আর তা খালেদা জিয়ার কারণেই হতো। তিনি তাদের পারিবারিক খোঁজ-খবরই নিতেন।ড্যান মজেনা বলেন, বেগম খালেদা জিয়া অন্যকে সম্মান দিয়ে নিজেও সম্মানিত হতেন। অসুস্থ শরীর নিয়েও তিনি অন্যদের খোঁজখবর নিতেন। গণতন্ত্র ও বাংলাদেশের উন্নয়নের ইতিহাসে খালেদা জিয়ার নাম স্মরণীয় হয়ে থাকবে উল্লেখ করেন তিনি।"আমার দায়িত্ব পালনকালে বিরোধীদলে ছিলেন খালেদা জিয়া। সবাই খালেদা জিয়ার সঙ্গে সহজে যোগাযোগ করতে পারতো। তিনি সবার সঙ্গে যোগেযাগের বিষয়টি সহজ করে রেখেছিলেন। আমি তাঁর সঙ্গে যখনি দেখা করতে গিয়েছি তিনি সময় দিয়েছেন," বলেন বাংলাদেশে নিযুক্ত সাবেক এই রাষ্ট্রদূত। অপর সাবেক রাষ্ট্রদূত মার্শা বার্নিকাট জানান, বাংলাদেশে দায়িত্বপালন কালে খালেদা জিয়ার সঙ্গে তার অনেকবার দেখা হয়েছে। তিনি বলেন, "খুব বিপদ এবং সংকটের মধ্যেও তিনি হাস্যোজ্জ্বল এবং আন্তরিক থাকতেন।" "একজন নারী হিসাবে বাংলাদেশকে খালেদা জিয়া যেভাবে নেতৃত্ব দিয়েছেন তা এশিয়া উপমহাদেশে দৃষ্টান্ত হয়ে থাকবে। বাংলাদেশ যতদিন থাকবে ততদিন তার লিগ্যাসি স্মরণে রাখবে মানুষ," বলেন বার্নিকাট।খালেদা জিয়ার রাজনৈতিক প্রজ্ঞা ও অনন্য ব্যক্তিত্বের কথাও উঠে আসে সকল বক্তার বক্তৃতায়। সাংবাদিক ইকবাল বাহার চৌধুরী বলেন, খালেদা জিয়ার রাজনৈতিক জীবনের শুরু থেকে ধারাবাহিক অগ্রসরতার কথা উল্লেখ করে বলেন, "১৯৮১ সালে প্রেসিডেন্ট জিয়াউর রহমানের শাহাদাতের পর পরিবারের দায়িত্ব কাঁধে নিয়ে তিনি রাজনীতির হাল ধরতে বাধ্য হন। সমর্থকদের চাপেই বিএনপির নেতৃত্ব গ্রহণ করে তিনি বাংলাদেশের প্রথম নারী প্রধানমন্ত্রী হিসেবে নির্বাচিত হন এবং দীর্ঘ সময় রাজনীতির কেন্দ্রে অবস্থান করেন।"ওয়াশিংটনে নিযুক্ত বাংলাদেশের প্রেস মিনিস্টার গোলাম মোর্তজা বাংলাদেশের রাজনৈতিক ইতিহাসে জিয়া পরিবারকে সবচেয়ে জনপ্রিয় উল্লেখ করে বলেন, "গণতন্ত্র ও জাতীয় রাজনীতিতে জিয়াউর রহমান, খালেদা জিয়া ও তারেক রহমানের অবদান অনস্বীকার্য।"ন্যাশনাল প্রেস ক্লাবের সভাপতি মার্ক শেফ খালেদা জিয়াকে বাংলাদেশের গণতান্ত্রিক আন্দোলনের একজন চ্যাম্পিয়ন হিসেবে উল্লেখ করে বলেন, তার মৃত্যুতে এই স্মরণসভা আয়োজন করতে পেরে ন্যাশনাল প্রেসক্লাব গর্বিত। ম্যারন বিলকাইন্ড বলেন , বেগম খালেদা জিয়ার জীবন আমাদের শিক্ষা দেয়- গণতন্ত্র কোনো উপহার নয়, এটি রক্ষার জন্য প্রয়োজনে জীবন উৎসর্গ করতেও প্রস্তুত থাকতে হয়। যাঁরা ক্ষমতায় থাকেন তারাই ইতিহাস গড়েন না, বরং যাঁরা অন্যায়ের বিরুদ্ধে ধৈর্য ও সাহস নিয়ে লড়াই করেন, তাঁরাই ইতিহাসের নায়ক হয়ে থাকেন। আলোচনার আগে বেগম খালেদা জিয়ার জীবন ও রাজনৈতিক সংগ্রাম নিয়ে নির্মিত একটি তথ্যচিত্র প্রদর্শন করা হয়, যা উপস্থিত অতিথিদের আবেগাপ্লুত করে তোলে। ডিসি-ম্যারিল্যান্ড-ভার্জিনিয়ায় বসবাসকারী বিশিষ্ট ব্যক্তিবর্গ এই শোকসভায় উপস্থিত ছিলেন।
- ১৪ জানুয়ারি ২০২৬
ডব্লিউইউএসটি'র আয়োজনে অনুষ্ঠিত আন্তর্জাতিক গবেষণা সম্মেলন আইট্রিপলই-আইকস্টি ২০২৫
ওয়াশিংটন ইউনিভার্সিটি অব সায়েন্স অ্যান্ড টেকনলোলজিতে এবার সম্পন্ন হলো আন্তর্জাতিক গবেষণা সম্মেলন আইট্রিপলই-আইকস্টি ২০২৫ (ইন্টারন্যাশনাল কনফারেন্স অন সাসটেইনেবল টেকনোলজি অ্যান্ড ইঞ্জিনিয়ারিং। গত ২-৪ ডিসেম্বর তিন দিন ব্যাপী এই সম্মেলনে উপস্থাপন করা হয়েছে ৯০টিরও বেশি গবেষণাপত্র। বিশ্বের এক ডজনেরও বেশি দেশের গবেষক, শিক্ষক ও বিশেষজ্ঞরা এই সম্মেলনে অংশ নেন। হাইব্রিড পদ্ধতিতে অনুষ্ঠিত এই সম্মেলনের প্রথম ও তৃতীয় দিনে গবেষকরা ভার্চুয়াল প্ল্যাটফর্মে তাদের গবেষণাপত্র উপস্থাপন করেন। দ্বিতীয় দিনে ছিলো ইন-পার্সন সেশন। এইদিন বিশ্বের বিভিন্ন দেশের গবেষকরা ডব্লিউইউএসটি ক্যাম্পাস মিলনায়তনে উপস্থিত হন ও তাদের পেপার উপস্থাপন করেন।মানবতার জন্য টেকসই প্রযুক্তি, এই প্রতিপাদ্যে আয়োজিত এবারের সম্মেলনের উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে বক্তব্য রাখেন ওয়াশিংটন ইউনিভার্সিটি অব সায়েন্স অ্যান্ড টেকনোলজির চ্যান্সেলর ও চেয়ারম্যান ইঞ্জিনিয়ার আবুবকর হানিপ। গেস্ট অব অনার ছিলেন বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রেসিডেন্ট ড. হাসান কারাবার্ক। প্রধান আয়োজক ছিলেন বাংলাদেশ ইউনিভার্সিটি অব বিজনেস অ্যান্ড টেকনোলজির ভাইস চ্যান্সেলর ড. শওকত আলী এবং সম্মেলনের জেনারেল চেয়ার ছিলেন ডব্লিউইউএসটি'র অধ্যাপক ও স্কুল অব আইটির অ্যাসিস্ট্যান্ট ডিরেক্টর ড. তৌহিদ ভূঁইয়া। কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা, গ্রিন কম্পিউটিং, জলবায়ু পরিবর্তন, সীমিত সম্পদ, টেকসই উন্নয়ন, ডিজিটাল ডিভাইড, নবায়নযোগ্য ও বিকল্প জ্বালানির ব্যবহারের মতো বিষয়গুলো উঠে আসে সম্মলনে উপস্থাপিত পেপারসমূহে। আবুবকর হানিপ তার বক্তৃতায় শিক্ষার্থীদের আগামী কর্মজগতের জন্য তৈরি করে তুলতে এসব গবেষণালব্দ জ্ঞানের প্রয়োজনীয়তার ওপর জোর দেন। ডব্লিউইউএসটির ট্রিপল মিশন- ডিগ্রি, স্কিল ও ক্যারিয়ারের কথা উল্লেখ করে তিনি বলেন, কার্যকর গবেষণা উদ্যোগের মধ্য দিয়েই ইন্ডাস্ট্রি ও অ্যাকাডেমিয়ার মধ্যে যোগাযোগ স্থাপনের পথ সুগম করা সম্ভব। প্রেসিডেন্ট ড. হাসান কারাবার্ক শিক্ষার্থীদের প্রয়োজনেই আরো বেশি করে গবেষণাভিত্তিক জ্ঞান তৈরির ওপর জোর দেন এবং ডব্লিউইউএসটির পক্ষ থেকে গবেষণাভিত্তিক কাজ ও উদ্যোগসমূহে সকল সহযোগিতা নিশ্চিত করার অঙ্গীকার ব্যক্ত করেন। এদিন ডব্লিউইউএসটি ক্যাম্পাসে তিনটি টেকনিকাল সেশন অনুষ্ঠিত হয়। এর প্রতিটি সেশনে পাঁচটি করে পেপার উপস্থাপন করা হয়। সেশনচেয়ার হিসেবে দায়িত্ব পালন করেন স্কুল অব আইটির অধ্যাপক ড. জিনেব কোরাচি ও অধ্যাপক মাহমুদ মেনন খান এবং স্কুল অব বিজনেসের সহকারী পরিচালক ড. আমালিশা আরিদি। এবারের সম্মলনে থেকে বেস্ট পেপার অ্যাওয়ার্ড পায় দুটি পেপার ও তার লেখকরা। এরা ছিলেন- ডিসেন্ট্রালাইজড অ্যাকসেস কন্ট্রোল ইউজিং ব্লকচেইন অ্যান্ড স্মার্ট কনট্রাক্টস ফর এনহ্যান্সড সাইবার সিকিউরিটি' শিরোনামের পেপারটির লেখক আহমেদ আফিফ মোনরাত ও কার্ল এন্ডারসন। মাল্টিলোকেশন সিকুয়েন্সিয়াল নেভিগেশন ফর অটোনোমাস মোবাইল রোবোটস বেজড অন আইআর-ইউডব্লিউবি রেঞ্জিং শিরোনামের অপর পেপারটির লেখক হুয়ান ব্যাঙ- লি, তাকেশি মাটসুমুরা, ইওসুকি তাকিগুচি ও চিতাকি কারাকি। এবারের সম্মেল উপলক্ষে মোট ৩৫০টি পেপার জমা পড়ে। যার মধ্য থেকে ১০৫টি পেপার গৃহীত হয়। সম্মেলনের জন্য গৃহিত ও উপস্থাপিত সবগুলো পেপারই আইট্রিপলই-ইনডেক্সড ডিজিটাল লাইব্রেরির অংশ হবে এবং টপ র্যাংকড পূর্ণাঙ্গ পেপারগুলো মর্যাদাকর এসসিআইই ও স্কুপাস ইডডেক্সড জার্নালে প্রকাশিত হবে। যার মধ্যে রয়েছে আইট্রিপলই সিস্টেমস জার্নাল, এনার্জিস, সাসটেইন্যাবিলিটি, ইন্টারন্যাশনাল জার্নাল অব ইন্টলিজেন্ট সিস্টেম ও অন্যান্য। আইট্রিপলই-আইকস্টি ২০২৫ আয়োজনের মধ্য দিয়ে ওয়াশিংটন ইউনিভার্সিটি অব সায়েন্স অ্যান্ড টেকনোলজি টেকসই প্রযুক্তি উন্নয়নে আন্তর্জাতিক সহযোগিতার সম্পর্ক স্থাপনে তার অঙ্গীকার আরও জোরদার করলো। এটি ছিলো ২০২৫ সালে ডব্লিউইউএসটির আয়োজনে তৃতীয় আন্তর্জাতিক সম্মেলন। এর আগে গত অক্টোবরে অনুষ্ঠিত হয় ইন্টারন্যাশনাল কনফারেন্স অন অ্যাপ্লায়েড ইন্টলিজেন্স অ্যান্ড ইনফরমেটিকস এবং আগস্টে অনুষ্ঠিত হয় ইন্টারন্যাশনাল কনফারেন্স অন অ্যাডভান্সেস ইন কম্পিউটেশনাল ইন্টলিজেন্স।
- ১০ ডিসেম্বর ২০২৫
ইউএসএ-তে পড়তে আসা? জানুন কিছু গুরুত্বপূর্ণ পরামর্শ আপনার নিরাপত্তা ও সাফল্যের জন্য।
বর্তমান ট্রাম্প অ্যাডমিনেস্ট্রেসন এর অভিবাসন নীতি ও আইস ( United States Immigration and Customs Enforcement ) এর ধরপাকড়ে অনেকেই অনেক ভীত। প্রতদিন শত সহস্র মানুষকে ধরে ধরে দেশে পাঠান হচ্ছে, তবে ইন্টারন্যাশনাল শিক্ষার্থীরা যদিও এই ধরপাকড়ের বাইরে, তথাপি, কিছু কিছু বিশ্ববিদ্যালয় থকে কয়েকজন শিক্ষার্থীকেও দেশে চলে যেতে হয়েছে, স্টুডেন্ট ভিসার শর্ত অমান্য করার অপরাধে। একজন শিক্ষক হিসেবে, বিশ্ববিদ্যালয়ের চেয়ারম্যান এবং চ্যান্সেলর হিসেবে যুক্তরাষ্ট্রে কাজ করার অভিজ্ঞতার আলোকে, আমি কিছু পরামর্শ শেয়ার করবো, যাতে আপনি নিরাপদ, আইনগতভাবে সঠিক, এবং সফলভাবে এগিয়ে যেতে পারেন। আপনার সমস্ত ইন-পার্সন ক্লাসে অংশ নিন শারীরিকভাবে ক্লাসে উপস্থিত থাকা বাধ্যতামূলক। স্কুল যদি আনুষ্ঠানিকভাবে অনুমতি না দেয়, তাহলে শুধু অনলাইনে অংশ নেওয়া যাবে না। বিশ্ববিদ্যালয়ের কাছাকাছি থাকুন। অন্য স্টেটে থেকে প্রতিদিন আসা-যাওয়া করবেন না। এটি আপনার ভিসার জন্য ঝুঁকিপূর্ণ। ভালো গ্রেড বজায় রাখুন। অনেক স্কুল শুরুতে স্কলারশিপ দেয়, কিন্তু তা ধরে রাখতে হলে প্রথম টার্মের পর ভালো ফলাফল করতে হবে। ফুল-টাইম স্টুডেন্ট হিসেবে থাকুন আন্ডারগ্র্যাড হলে কমপক্ষে ১২ ক্রেডিট এবং গ্র্যাজুয়েট হলে ৯ ক্রেডিট নিতে হবে। এর কম হলে ভিসা সমস্যায় পড়বে। ইমেইল, টেক্সট, এবং ক্লাস প্ল্যাটফর্ম (যেমন Canvas) প্রতিদিন চেক করুন। স্কুলের বার্তাগুলোর উত্তর দিন এবং কেউ ফোন করলে ধরুন। যুক্তরাষ্ট্রের আইন এবং আপনার স্কুলের নিয়ম মেনে চলুন। অপ্রাপ্তবয়স্কদের মদ পান, চুরি, মাদক-এইসব ছোট খাটো কাজও বড় সমস্যায় ফেলতে পারে এবং ইমিগ্রেশন ঝুঁকির মধ্যে ফেলতে পারে। ঠিকানা, ফোন নম্বর বা ভিসা সম্পর্কিত কিছু পরিবর্তন হলে স্কুলকে জানান। সাধারণত ১০ দিনের মধ্যে জানাতে হয়। স্কুলের অনুমতি ছাড়া কাজ করবেন না। অন-ক্যাম্পাস কাজ বা CPT/OPT ইন্টার্নশিপের জন্য অনুমতি নিতে হবে। বড় সিদ্ধান্ত নেওয়ার আগে আন্তর্জাতিক স্টুডেন্ট অ্যাডভাইজরের (DSO) সাথে কথা বলুন। আপনি কাজ করতে চান, ভ্রমণে যেতে চান, বা ছুটি নিতে চান—আগে জিজ্ঞাসা করুন। বন্ধু তৈরি করুন এবং নিজের নেটওয়ার্ক গড়ে তুলুন। এখানে যাদের সঙ্গে পরিচয় হচ্ছে—সহপাঠী, শিক্ষক, মেন্টর—তারা আপনার ভবিষ্যৎ গড়ে তুলতে সাহায্য করতে পারে। মনে রাখবেন: আপনার নেটওয়ার্ক হলো আপনার নেট ওয়ার্থ । গবেষণার কাজে যুক্ত হন এবং একাডেমিক পেপার প্রকাশ করুন। এটি আপনার রেজ্যুমে শক্তিশালী করে, চাকরি পাওয়ায় সহায়তা করে, ইমিগ্রেশন প্রক্রিয়ায় সাহায্য করে, এমনকি ভবিষ্যতে পিএইচডি করার পথও তৈরি করে। পড়াশোনার পাশাপাশি প্র্যাকটিক্যাল স্কিল তৈরি করুন। ডিগ্রি ভালো, কিন্তু চাকরির বাজারে স্কিল আরও জরুরি। স্কিল থাকলে CPT, OPT, এমনকি H1B-র মত ভিসার জন্যও সম্ভাবনা বেড়ে যায়। সবাইকে শ্রদ্ধা করুন এবং সদয় থাকুন আপনি একটি আন্তর্জাতিক পরিবেশের অংশ। যেকোনো ধর্ম, জাতি বা বিশ্বাসের মানুষ—সবাই সম্মান পাওয়ার যোগ্য।কাউকে কখনো মারবেন না, হেনস্থা করবেন না, বা আঘাত করবেন না—শারীরিক, মৌখিক বা অনলাইনে। বিশেষ করে ডোমেস্টিক ভায়োলেন্স বা যৌন নিপীড়ন—এসব অপরাধ আমেরিকায় গুরুতর এবং এর পরিণতিতে গ্রেফতার ও ডিপোর্ট হতে পারেন। এখানে কোনো ছাড় নেই। পরিষ্কার সম্মতি ছাড়া কাউকে স্পর্শ করবেন না। মানুষের ব্যক্তিগত সীমা ও স্পেসকে সম্মান করুন মিথ্যা বলবেন না বা জাল কাগজপত্র ব্যবহার করবেন না। ক্লাস, চাকরি, বা ইমিগ্রেশন যেকোনো কিছুর জন্য সততা অপরিহার্য। সোশ্যাল মিডিয়া ব্যবহারে সাবধান থাকুন। কী পোস্ট করছেন তা ভেবে করুন—স্মার্ট, শ্রদ্ধাশীল এবং দায়িত্বশীল থাকুন। শুধু টাকা আয়ের চিন্তায় পড়াশোনা থেকে বিচ্যুত হবেন না। আপনার শিক্ষা আপনার সবচেয়ে বড় বিনিয়োগ—তুচ্ছ আয়ের লোভে সবকিছু ঝুঁকির মধ্যে ফেলবেন না। স্কুলের আচরণবিধি অনুসরণ করুন। শ্রদ্ধাশীল, পেশাদার এবং সৎ আচরণ করুন—শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের ভিতর এবং বাইরে দুটোতেই। সহায়তা প্রয়োজন হলে সাহায্য চেয়ে নিন। সমস্যা বাড়ার আগেই কারো কাছে যান—স্কুলে অনেক সাপোর্ট সিস্টেম আছে। আপনি একা নন। আপনাকে মনে রাখতে হবে যে, যুক্তরাষ্ট্রে আপনি উচ্চশিক্ষা গ্রহণের জন্যে আবেদন করেছিলেন এখানে থাকাকালীন সময়ে কতিপয় নিয়ম মেনে চলবেন বলে প্রতিশ্রুতি দেবার পর। বিশ্ববিদ্যালয় বা কলেজ গুলোও তাদের শিক্ষার্থীদের কর্মকাণ্ডের জন্যে ফেডারেল সরকারের কাছে নিয়মিত জবাবদিহি করতে হয়। আপনি কোনও বিপদে পড়লে বা আপনার শিক্ষার্থী ভিসা প্রশ্নের সম্মুখীন হলে বিশ্ববিদ্যালয়ই সবার আগে আপনার পাশে এসে দাঁড়াবে। সেক্ষেত্রে, বিশ্ববিদ্যালয়কেও আপনার গতিবিধি ও কর্মকাণ্ড সম্পর্কে অবহিত রাখাটা আপনার জন্যেই অধিক মঙ্গল। বিস্তারিত আরও জানার থাকলে আমাকে সরাসরি লিখতে পারেন এখানে- [email protected]
- ০৭ আগস্ট ২০২৫
Collaborate, Change: WUST’s Hackathon Unites 200+ Innovators Worldwide
On May 25, the virtual hallways of the Washington Hackathon 2025 were buzzing— not with idle chatter, but with the electric hum of code compiling, ideas colliding, and dreams taking digital shape. Hosted by the Washington University of Science and Technology (WUST), the two-day, fully virtual hackathon brought together over 200 innovators from across the globe. Themed “Innovate, Code, Transform,” the event showcased a new generation of thinkers building sustainable solutions to some of the planet’s most pressing challenges. From eco-efficient energy systems to AI-powered disaster response, teams turned their screens into command centers for change. The event wasn’t just about competition—it was a call to action. Inaugural remarks were made by Engr. Abubokor Hanip, Chairman and Chancellor of WUST, who underscored the university’s dedication to creating a launchpad for technological innovation and nurturing the next wave of tech leadership. “This hackathon embodies everything we stand for- Creativity, collaboration, and a commitment to making the world a better place through technology,” said Abubokor Hanip. “Hackathons like this are incubators of imagination,” said Dr. Hasan Karaburk, President of WUST. “Here we see a glimpse of a better tomorrow, built by the hands of those who dare to dream differently,” he added. “The energy and cleverness on display at the Washington Hackathon 2025 were truly inspiring,” said Professor Dr.Touhid Bhuiyan, the lead organizer of the Hackathon. “We witnessed technology’s potential not just as a tool, but as a force for good, he added.” The opening session was moderated by Professor Mahmood Menon Khan of WUST, while Dr. Sandeep Kumar, Professor of Computer Science and Engineering at Christ University in India, provided an in-depth overview of the program to the virtual audience. Virtual Walls, Real-World Impact Despite being held online, the event buzzed with synergy. Participants collaborated seamlessly across time zones, exchanging ideas and crafting solutions under the mentorship of over 60 judges, advisors, and thought leaders. Among them were Prof. Mohammad Shorif Uddin and Dr. Amalisha Sabie-Aridi, who provided invaluable feedback on both technical execution and real-world relevance. Teams explored a broad range of domains—from healthcare and education to urban intelligence and disaster resilience—all through the lens of sustainability and innovation. “Every submission reflected a serious commitment to innovation. It wasn’t just about building something cool—it was about building something that matters," one judge noted. And the Winners Are… After intense evaluation, the Hackathon Champions emerged: Med Bot – AI & Robotics for Disaster Management: A pioneering system using AI-driven robots for emergency response. CareBridge – HealthCare Connect – Open Innovation: Seamlessly bridging healthcare access gaps through smart tech. MindHaven – Mental Health Support – Open Innovation: A platform focused on digital mental wellness tools. NextGen Neural – AI-Integrated Wearable for Real-Time Health Monitoring: Smart healthcare meets wearable AI. First Runners-Up included: MediNova AI, DiagnoSmart AI, and PrioritiZen—each pushing the boundaries of AI in healthcare, diagnostics, and productivity. Second Runners-Up spotlighted innovation in broader areas: EduNova’s immersive digital classroom, FactWise’s AI fact-checking for urban governance, and FioriNext’s cutting-edge enterprise UX for smart operations. A Movement, Not Just a Moment For WUST, this was more than an event—it was a testament to its mission. As the virtual applause faded, what remained was a strong sense of momentum. From Alexandria to across the globe, Washington Hackathon 2025 proved that borders don’t limit bold ideas—and that even in 48 hours, the seeds of sustainable solutions can be planted.
- ০৩ জুন ২০২৫
