post
এনআরবি বিশ্ব

টাকার অভাবে একমাস পর দেশে এলো প্রবাসীর লাশ

সংযুক্ত আরব আমিরাতের রাস আল খাইমায় হৃদরোগে আক্রান্ত হয়ে শাকিল হোসাইন (২৩) নামে এক প্রবাসী বাংলাদেশি মারা গেছেন। তিনি কালীগঞ্জের গাজীপুর থানার জামালপুর ইউনিয়নের কবির হোসাইনের ছেলে।জানা গেছে, গত ৪ জুন হৃদরোগে আক্রান্ত হয়ে মারা যান শাকিল। এরপর তার মরদেহ রাস-আল-খাইমা হাসপাতালের মর্গে রাখা হয়। তিনি ভিজিট ভিসায় ১০ মাস আগে আমিরাতে এসেছিলেন। অর্থ সংকটের কারণে তার মরদেহ দেশে পাঠাতে বিলম্ব হয়েছে।  তবে মানবিক দিক বিবেচনায় তার মরদেহ দেশে প্রেরণের জন্য রাস আল খাইমার স্থানীয় এক আরবি মোহাম্মদ, বাংলাদেশ কমিউনিটির সিআইপি ইব্রাহিম ওসমান আফলাতুন, এম জাহেদ হাসান, জাফর চৌধুরী, জসিম মল্লিক ও আবুল ফজল অর্থ দিয়ে সহযোগিতা করেন। তাদের দেওয়া অর্থ পাওয়ার পর ওই বাংলাদেশির মরদেহ গতকাল সোমবার রাতে এয়ার আরাবিয়াযোগে বাংলাদেশে পাঠানো হয়।এর আগে দুবাই মোহেসনা সোনাপুর হেলথ সেন্টার জামে মসজিদে বাদ আছর তার জানাজা অনুষ্ঠিত হয়। জানাজায় স্থানীয় আরবি, কমিউনিটির ইব্রাহিম ওসমান আফলাতুন, এম জাহেদ হাসান, সাইফুল ইসলাম তালুকদারসহ অসংখ্য প্রবাসী বাংলাদেশি অংশ নেন। উল্লেখ্য, শাকিল হোসাইন মৃত্যুকালে তার ৮ মাস বয়সী এক ছেলে, স্ত্রী এবং পিতা-মাতা রেখে গেছেন।

post
এনআরবি বিশ্ব

বৈধ পথে রেমিট্যান্স পাঠাতে প্রবাসীদের প্রতি আহ্বান

বৈধ পথে রেমিট্যান্স পাঠানোর বিষয়ে প্রবাসীদের সঙ্গে মতবিনিময় সভা করেছে যুক্তরাষ্ট্রের বাংলাদেশ দূতাবাস। স্থানীয় সময় শনিবার (২ জুলাই) বিকেলে মিশিগানের বাংলাটাউন খ্যাত হ্যামট্রামিক শহরের গেইট অব কলম্বাস হল রুমে এ সভা অনুষ্ঠিত হয়। যুক্তরাষ্ট্রের বাংলাদেশ দূতাবাসের দিক নির্দেশনায় মিশিগান মহানগর আওয়ামী লীগ সভার আয়োজন করে। এতে বাংলাদেশি কমিউনিটির বিভিন্ন সামাজিক, আঞ্চলিক সংগঠনের নেতারাসহ নানা শ্রেণি-পেশার মানুষ উপস্থিত ছিলেন।মতবিনিময় সভায় প্রধান অতিথি ছিলেন যুক্তরাষ্ট্রের বাংলাদেশ দূতাবাসের ইকোনোমিক মিনিস্টার মো. মেহেদী হাসান। বিশেষ অতিথি ছিলেন যুক্তরাষ্ট্রের সোনালী এক্সচেঞ্জের সিও দেবাশ্রী মিত্র। এতে সভাপতিত্ব করেন মিশিগান মহানগর আওয়ামী লীগ সভাপতি আব্দুস শাকুর খান মাখন। সঞ্চালনা করেন মিশিগান মহানগর আওয়াম লীগ সাধারণ সম্পাদক মোহাম্মদ মোতালিব।প্রধান অতিথির বক্তব্যে দূতাবাসের ইকোনোমিক মিনিস্টার মেহেদী হাসান অবৈধ চ্যানেল বা হুন্ডির মাধ্যমে রেমিট্যান্স না পাঠিয়ে বৈধ ব্যাংকিং চ্যানেলের মাধ্যমে রেমিট্যান্স পাঠাতে প্রবাসীদের প্রতি আহ্বান জানান। তিনি বলেন, বৈধ উপায়ে পাঠানো রেমিট্যান্সের ওপর সরকার নগদ প্রণোদনা দিচ্ছে। প্রবাসী বক্তারা বলেন, অন্যান্য ব্যাংকিং চ্যানেলের চেয়ে সোনালী এক্সচেঞ্জে ডলারের রেট কম। হুন্ডির দৌরাত্ম্য রুখতে হলে সোনালী এক্সচেঞ্জে ডলারের রেট বাড়াতে হবে। নগদ প্রণোদনা ২ শতাংশ থেকে বাড়িয়ে ৩ শতাংশ করার দাবিও করেন তারা। এছাড়া, মিশিগানে স্থায়ী কনস্যুলেট অফিস স্থাপনে যুক্তরাষ্ট্রের বাংলাদেশ দূতাবাস বরাবরে লিখিত দাবি জানিয়েছে মিশিগান আওয়ামী লীগ নেতারা। সভা শেষে তারা দূতাবাসের ইকোনোমিক মিনিস্টারের কাছে এই লিখিত দরখাস্ত তুলে দেন।

post
বাংলাদেশ

ছেলে মেয়েকে নিয়ে পদ্মাসেতুতে প্রধানমন্ত্রী

ছেলে সজীব ওয়াজেদ জয় ও মেয়ে সায়মা ওয়াজেদ পুতুলকে সঙ্গে নিয়ে পদ্মা সেতু হয়ে সড়কপথে প্রথমবারের মতো টুুঙ্গিপাড়া গেছেন প্রধানমন্ত্রী। সোমবার (৪ জুলাই) সকাল আটটায় গণভবন থেকে রওনা হয়ে বেলা ১১টা ৪০ মিনিটে পৈত্রিক বাড়িতে প্রবেশ করেন তিনি। এর আগে সকাল আটটা ৪৮ মিনিটে মাওয়া টোল প্লাজায় পদ্মা সেতুর টোল দিয়ে ওঠেন সেতুতে। ব্রিজের মাঝামাঝি গিয়ে সন্তানদের নিয়ে কিছু সময় পার করেন শেখ হাসিনা। সে সময় মেয়ে সায়মা ওয়াজেদ পুতুলের ক্যামেরায় ছেলের সঙ্গে সেলফি তোলেন প্রধানমন্ত্রী। পরে দুপুর সাড়ে ১২টার দিকে সজীব ওয়াজেদ জয় তার নিজের ভেরিফায়েড ফেসবুক পেজে এ ছবি পোস্ট করেছেন।সকাল সোয়া ৯টার দিকে প্রধানমন্ত্রী জাজিরা প্রান্তে যান এবং সেখানে ফলকের সামনে কিছু সময় দাঁড়ান। এরপর প্রায় ৪০ মিনিট বিশ্রাম নেন জাজিরা প্রান্তের সার্ভিস এরিয়া-২ এ। সোয়া ১০টায় সেখান থেকে টুঙ্গিপাড়ার উদ্দেশ্যে যাত্রা করেন প্রধানমন্ত্রী।

post
এনআরবি বিশ্ব

পর্তুগালে উদ্বোধন হলো বাংলাদেশের স্থায়ী দূতাবাস

পর্তুগালের লিসবনে বাংলাদেশ দূতাবাসের নতুন চ্যান্সারি ভবনের আনুষ্ঠানিক উদ্বোধন করেছেন পররাষ্ট্রমন্ত্রী ড. এ কে আব্দুল মোমেন। শুক্রবার (১ জুলাই) উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন পর্তুগালের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের মহাসচিব রাষ্ট্রদূত আলভারো মেন্ডোনসা ই মৌরা। উদ্বোধনী ফলক উন্মোচন ও ফিতা কাটার পর পররাষ্ট্রমন্ত্রী চ্যান্সারি ভবনের দেয়ালে স্থাপিত জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের প্রতিকৃতিতে পুষ্পস্তবক অর্পণ করে শ্রদ্ধা নিবেদন করেন। রাষ্ট্রদূত তারিক আহসান, রিয়ার অ্যাডমিরাল (অব.) মো. খুরশেদ আলম, পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের কর্মকর্তা, দূতাবাসের অন্যান্য কর্মকর্তা, পর্তুগিজ অতিথিসহ প্রবাসী বাংলাদেশিরা এসময় উপস্থিত ছিলেন।রাষ্ট্রদূত তারিক আহসান স্বাগত বক্তব্যে বলেন, স্থায়ী চ্যান্সারি বিল্ডিং একটি দীর্ঘদিনের প্রত্যাশা ছিল। কারণ আমাদের দূতাবাসের কাজের চাপ বহুগুণ বেড়েছে, অর্থনৈতিক, সাংস্কৃতিক এবং জনসাধারণের জন্য কনস্যুলার বিষয়ে কার্যক্রম বৃদ্ধি এটি গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করবে। তিনি মনে করেন, নতুন চ্যান্সারি ভবন বাংলাদেশ ও পর্তুগালের জনগণের মধ্যে বন্ধুত্বের বন্ধন জোরদার করতে বড় ভূমিকা রাখবে। তিনি লিসবনে স্থায়ী চ্যান্সারি ভবন এবং রাষ্ট্রদূতের স্থায়ী বাসভবন নিশ্চিত করতে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার নির্দেশনার জন্য তার প্রতি কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করেন।রাষ্ট্রদূত আলভারো মেন্ডোসা ই মৌরা তার বক্তব্যে এই ঐতিহাসিক মুহূর্তে বাংলাদেশ সরকার এবং পর্তুগালে বসবাসরত প্রবাসীদের অভিনন্দন জানান। লিসবনে স্থায়ী চ্যান্সারি ভবন উদ্বোধনের মাধ্যমে বাংলাদেশ ও পর্তুগালের মধ্যে বন্ধুত্বপূর্ণ সম্পর্ক আরও উচ্চতর পর্যায়ে উন্নীত হবে বলে তিনি অভিমত ব্যক্ত করেন। পররাষ্ট্রমন্ত্রী ড. এ কে আব্দুল মোমেন তার বক্তব্যে বলেন, চ্যান্সারি বিল্ডিংটি আমরা যে গত বছর স্বাধীনতার পঞ্চাশ বছর উদযাপন করেছি তারই একটি রূপান্তরের প্রতীক এবং এটি জাতীয় উন্নয়ন আকাঙ্ক্ষার মান অনুযায়ী বিশ্বব্যাপী কূটনৈতিক সম্পর্ক এগিয়ে নিয়ে যাওয়ার পদচিহ্ন হিসেবে দাঁড়িয়ে আছে। তিনি আরও বলেন, এই স্থাপনাটি কেবল একটি ভবন নয়, এটি পর্তুগালে আমাদের বন্ধুদের কাছে আমাদের বার্তা বহন করে যে আমরা আমাদের দ্বিপাক্ষিক সম্পর্কের ইতিহাসকে মূল্য দেই। অনুষ্ঠানের অংশগ্রহণকারীরা বিশেষ দিনে তাদের অনুভূতি ভাগাভাগি করতে চ্যান্সারি মিলনায়তনে একত্রিত হন। পর্তুগালে বাংলাদেশের মালিকানাধীন দূতাবাস থাকায় প্রবাসীরা আনন্দ প্রকাশ করেন। পর্তুগিজ অতিথিরা লিসবনে বাংলাদেশের স্থায়ী ঠিকানা নিশ্চিত করায় বাংলাদেশ সরকারকে অভিনন্দন জানান।

post
এনআরবি বিশ্ব

'বাংলাদেশি অভিবাসী দিবস’ ঘোষণার সিদ্ধান্ত নিউইয়র্ক সিনেটে

চলতি বছরের ২৫ সেপ্টেম্বরকে ‘বাংলাদেশি অভিবাসী দিবস’ ঘোষণার সিদ্ধান্ত নিয়েছে যুক্তরাষ্ট্রের নিউইয়র্ক অঙ্গরাজ্যের আইনসভার উচ্চকক্ষ সিনেট। এ উপলক্ষে বাংলাদেশের ব্যবসায়ীদের শীর্ষ সংগঠন এফবিসিসিআইয়ের সহযোগিতায় মুক্তধারা নিউইর্য়ক ও ইউএসএ-বাংলাদেশ বিজনেস লিঙ্কস নিউইয়র্কে বাংলাদেশি ইমিগ্রান্ট ডে এবং ট্রেড ফেয়ারের আয়োজন করছে। গত একবছর ধরে যুক্তরাষ্ট্র-বাংলাদেশ সম্পর্কের ৫০ বছরকে বিভিন্নভাবে তুলে ধরার কাজ করে চলেছে আয়োজকরা।সিনেটে গৃহীত প্রস্তাবে বলা হয়েছে, এমন সময় এ প্রস্তাব গৃহীত হলো, যখন যুক্তরাষ্ট্র-বাংলাদেশ সর্ম্পকের ৫০ বছর উদযাপন করা হচ্ছে। বাংলাদেশি অভিবাসীরা উনিশ শতকের দিকে তাদের পরিবার ও স্বজনদের ছেড়ে যুক্তরাষ্ট্রে পাড়ি জমান। যুক্তরাষ্ট্রে আসা বাংলাদেশি অভিবাসীদের মধ্যে সবচেয়ে বেশি সংখ্যায় নিউইয়র্কে বসবাস করেন। এখানে বাংলাদেশিদের সংস্কৃতি সম্পর্কে জানতে হলে, তাঁদের মুদিদোকান, কাপড়ের দোকান ও রেস্তোরাঁগুলোতে যেতে হবে। নিউইর্য়ক পার্শ্ববর্তী অঙ্গরাজ্যগুলোতেও বহু বাংলাদেশি অভিবাসী বসবাস করেন।প্রস্তাবে বলা হয়েছে, ১৯৭১ সালে স্বাধীন হয় বাংলাদেশ। ১৯৭৪ সালের ২৫ সেপ্টেম্বর বাংলাদেশিদের জন্য একটি ঐতিহাসিক দিন। কারণ, ওই দিন জাতিসংঘের সাধারণ পরিষদে বাংলাদেশের জাতির জনক বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান বাংলায় তার ভাষণটি দিয়েছিলেন। প্রস্তাবে ১৯৭১ সালে মুক্তিযুদ্ধের সময় মুক্তিকামী বাংলাদেশিদের অবদানের প্রশংসা করা হয়। একই সঙ্গে নিউইয়র্কসহ বিশ্বের বিভিন্ন প্রান্তে থাকা বাংলাদেশি প্রবাসীদের অর্জনের প্রশংসা করা হয়।উল্লেখ্য, নিউইয়র্কের মুক্তধারা ফাউন্ডেশনের প্রতিষ্ঠাতা ও প্রধান নির্বাহী বিশ্বজিত সাহার প্রচেষ্টায় সিনেটর স্ট্যাভেস্কির প্রস্তাবনায় ২০১৯ সালে প্রথম বারের মতো নিউইয়র্ক অঙ্গরাজ্যের আইনসভার উচ্চকক্ষ সিনেটে ২৫ সেপ্টেম্বরকে বাংলাদেশি ইমিগ্রান্ট ডে হিসেবে বিলটি পাস হয়। এই নিয়ে পরপর চতুর্থ বছর বিলটি আইন পরিষদে গৃহীত হলো। সূত্র : বাসস।  

post
বিনোদন

এবিপিসির বনভোজনে আনন্দ-আড্ডা

প্রাণের আমেজ এবং হৃদয়ের উষ্ণতায় ২৫ জুন অনুষ্ঠিত হলো এবিপিসির (আমেরিকা-বাংলাদেশ প্রেসক্লাব) বনভোজন। নিউইয়র্কের ক্রটন পয়েন্ট পার্কের মনোরম পরিবেশে একটি দিন কাটালেন ক্লাবের সদস্যরা ও তাদের পরিবার-পরিজন।মুক্তিযুদ্ধের স্মৃতি জাগানিয়া গানের সাথে বাঙালির আরেক বিজয়ের পদ্মা সেতুর সম্পৃক্ততায় ভিন্ন এক আমেজ তৈরি করেন একুশের পদকপ্রাপ্ত কন্ঠযোদ্ধা রথন্দ্রিনাথ রায় এবং শহীদ হাসান। প্রবাসের জনপ্রিয় শিল্পী শাহ মাহবুবের গানে আপ্লুত হন অংশগ্রহণকারি সকলে। মেহজাবিনও গেয়েছেন তার প্রিয় গানগুলো। সবিতা দাস, উইলি নন্দীও অংশ নেন তাদের গান নিয়ে। এভাবেই গান আর জমপেশ আড্ডায় পাশে নীলাভ সমুদ্রের উত্তাপ একেবারেই গা সওয়া হয়ে গিয়েছিল। প্রকৃতির নির্মল পরিবেশ গ্রীষ্মের তাপদাহকে অগ্রাহ্য করে বারবিকিউ চিকেন রান্নায় ব্যস্ত ছিলেন ক্লাবের নির্বাহী সদস্য এবং বিশ্ববাংলা টোয়েন্টিফোর টিভির সিইও আলিম খান আকাশ। নতুন প্রজন্মের সকলেই তা পরম তৃপ্তির সাথে খেয়েছে। ক্লাবের সদস্য-কর্মকর্তা এবং অতিথিরাও প্রশংসায় পঞ্চমুখ ছিলেন চিকেন এবং ল্যাম্ব বারবিকিউ পেয়ে। নির্মল পরিবেশকে আরো মধুময় করে ছোট্টমণিদের বিচরণ। বনভোজনের অন্যতম পৃষ্টপোষক খ্যাতনামা এটর্নী মঈন চৌধুরীর পক্ষে সর্বজিৎ পোদ্দারও মেতে উঠেন তরমুজ কাটায়। ক্লাবেরই একজন হয়ে উঠেছিলেন সর্বজিৎ। খামার বাড়ির হারুন ভূইয়ার দেওয়া কাঁঠাল ছিল দিবসের আরেক অধ্যায়-যা খেয়ে সকলে উচ্ছ্বসিত প্রশংসা করেছেন। মধ্যাহ্নভোজনের সময় বাসা থেকে আনা ফ্রুট সালাদ বিতরণ করেন ক্লাবের কোষাধ্যক্ষ জামান তপন। খেলাধূলা পরিচালনায় ছিলেন শাহ ফারুক, আজিমউদ্দিন অভি, শহীদুল্লাহ কায়সার প্রমুখ। ছোট্টমণিদের দৌড় প্রতিযোগিতায় প্রথম-নাভিনা আলম, দ্বিতীয়-সাইফা নেহান, তৃতীয়-আলিশা খান এবং চতুর্থ হয়েছে আল আরাফ অভি। মিউজিকের তালে মহিলাদের বালিশ নিক্ষেপ প্রতিযোগিতায় বিজয়ীরা হলেন প্রথম-নাভিনা, আকতার বেগম এবং নিশা খান। বয়স্কদের বল নিক্ষেপ প্রতিযোগিতায় প্রথম হয়েছেন কন্ঠযোদ্ধা রথন্দ্রিনাথ রায়, দ্বিতীয়-আজিমউদ্দিন অভি এবং তৃতীয় হয়েছেন তপন চৌধুরী। বনভোজনের সবচেয়ে আকর্ষণীয় পর্ব ছিল র‌্যাফেল ড্র। ৫ ডলারের টিকিটে স্বর্ণালংকার, নগদ এক হাজার ডলার, ৫৬ ইঞ্চি টিভি, ল্যাপটপ, আইফোন ইত্যাদি পুরস্কার ছিল। এগুলোর স্পন্সরের মধ্যে ছিলেন মার্কস হোমকেয়ারের সিইও প্রকৌশলী মাহফুজুল হক, তরঙ্গ কেয়ার ইউএসএর কর্ণধার নিলুফা শিরিন, খামার বাড়ির হারুন ভূইয়া, কাওরান বাজার চেইন স্টোরের সিইও ইলিয়াস খান প্রমুখ। অতিথি হিসেবে আরো ছিলেন একাত্তর টেলিভিশনের বিশেষ সংবাদদাতা ও চলচ্চিত্র নির্মাতা শামীম আল আমিন, নবযুগের সম্পাদক সাহাবউদ্দিন সাগর, বিশিষ্ট উপস্থাপিকা শামসুন্নাহার নিম্মি, শেরপুর জেলা সমিতির সভাপতি মামুন রাশেদ, বিশিষ্ট ব্যবসায়ী আব্দুর রশীদ বাবু, আনোয়ার হোসেন প্রমুখ। বনভোজনে অংশগ্রহণকারি বীর মুক্তিযোদ্ধাগণের সরব উপস্থিতিতে বিভিন্ন পর্বে বিজয়ীদের মধ্যে পুরষ্কার বিতরণ করেন কুইন্স সোসাল এডাল্ট ডে-কেয়ার সেন্টারের সিইও ইঞ্জিনিয়ার মাহফুজুল হক, এটর্নী মঈন চৌধুরীর প্রতিনিধি সর্বজিৎ পোদ্দার, খ্যাতনামা রিয়েল এস্টেট ব্যবসায়ী নুরুল আজিম, জেবিবিএর প্রেসিডেন্ট হারুন ভ’ইয়া এবং সেক্রেটারি ফাহাদ সোলায়মান, ভাইস প্রেসিডেন্ট মোহাম্মদ আলম নমী, লায়ন্স ক্লাবের প্রেসিডেন্ট আহসান হাবিব প্রমুখ। বনভোজনে অংশগ্রহণকারি বীর মুক্তিযোদ্ধাগণের মধ্যে ছিলেন রেজাউল বারি, আবুল বাশার চুন্নু, আমির আলী, নাজিমউদ্দিন, মোহাম্মদ সানাউল্লাহ, আব্দুর রহমান প্রমুখ। নির্বাচন কমিশনার পপি চৌধুরী, ক্লাবের প্রেসিডেন্ট বীর মুক্তিযোদ্ধা রাশেদ আহমেদ এবং সেক্রেটারি মোহাম্মদ আবুল কাশেমের সার্বিক নির্দেশনায় বিভিন্ন পর্বে সহায়তা করেন ভাইস প্রেসিডেন্ট সুব্রত চৌধুরী, যুগ্ম সম্পাদক শাহ ফারুক, কোষাধ্যক্ষ জামান তপন, প্রচার সম্পাদক শহিদুল্লাহ কায়সার, সাংগঠনিক সম্পাদক আজিমউদ্দিন অভি, নির্বাহী সদস্য কানু দত্ত , আলিম খান আকাশ, শামিম আকতার প্রমুখ।

post
এনআরবি বিশ্ব

সিলেটে বন্যার্তদের বাংলাদেশ সেন্টার লন্ডনের ১০ হাজার পাউন্ড অনুদান

সিলেটে বন্যার্তদের সাহায্যার্থে বাংলাদেশ সেন্টার লন্ডনের পক্ষ থেকে প্রধানমন্ত্রীর ত্রাণ তহবিলে ১০ হাজার পাউন্ড অনুদান প্রদান করা হয়েছে। ২৭ জুন সোমবার রাতে লন্ডনের ইম্প্রেশন ভেন্যুতে পররাষ্ট্রমন্ত্রী এ কে আবদুল মোমেনের হাতে বাংলাদেশ সেন্টারের পক্ষ থেকে আনুষ্ঠানিকভাবে ১০ হাজার পাউন্ডের অনুদানের একটি চেক হস্তান্তর করেন সেন্টারের চেয়ারম্যান ও যুক্তরাজ্যে নিযুক্ত বাংলাদেশের হাই কমিশনার সাঈদা মুনা তাসনিম ও সেন্টারের সাধারণ সম্পাদক মো. দেলোয়ার হোসেন।বাংলাদেশ সেন্টার লন্ডনের মিডিয়া অ্যান্ড পাবলিসিটি কমিটির আহ্ববায়ক আলী বেবুল এক বিজ্ঞপ্তির মাধ্যমে এ তথ্য জানিয়েছেন।

post
এনআরবি বিশ্ব

নিউইয়র্কের পথমেলায় গান গাইলেন বাংলাদেশি শিল্পীরা

রোববার (২৬ জুন) বাংলাদেশি বিজনেস অ্যাসোসিয়েশন অব এনওয়াই (জেবিবিএ) এর উদ্যোগে পথমেলা অনুষ্ঠিত হয়। জ্যাকসন হাইটসের প্রাণকেন্দ্র ৩৭ এভিনিউ ও ব্রডওয়ের মধ্যে ৭৩ স্ট্রিটে বসে এ মেলা। হরেক রকমের পণ্যের সমাহার ঘটে মেলার স্টলে স্টলে। তবে মেলার সবচেয়ে বড় আকর্ষণ ছিল এর সংগীত উৎসব। মেলা দেখতে এসে দীর্ঘদিন পর প্রমিথিউসের সাবেক ভোকাল ব্যান্ড তারকা বিপ্লবের গান শোনে প্রবাসী বাংলাদেশিরা। যুক্তরাষ্ট্রে স্থায়ীভাবে বসবাস করা এই গায়ক তার স্বভাবসুলভ ভঙ্গিমায় গান গেয়ে দর্শকদের মুগ্ধ করেন।কোকিল কণ্ঠী বেবী নাজনীনও দীর্ঘদিন ধরে থাকছেন নিউইয়র্কে। তারও দুর্দান্ত পারফরম্যান্স ছিল দেখার মতো। দেশাত্মবোধক গান দিয়ে শুরু করলেও একে একে গেয়েছেন নিজের সেরা গানগুলো। বাংলাদেশের আরেক স্বনামখ্যাত সংগীত শিল্পী তপন চৌধুরী বসবাস করেন প্রতিবেশি দেশ কানাডার টরন্টোতে। নিউইয়র্কে এসে দর্শকদের মাতিয়ে গেলেন তিনি। আর সবাইকে ফিরিয়ে নিয়ে গেলেন সত্তর-আশির দশকে। নিউইয়র্কে রোববার ছুটির দিনটা এমনই আনন্দমুখর ছিল প্রবাসীদের কাছে। জ্যাকসন হাইটস বাংলাদেশি বিজনেস অ্যাসোসিয়েশন-জেবিবিএ’র উদ্যোগে পথমেলার আয়োজন করে ওয়ার্ল্ড হিউম্যান রাইটস ডেভেলপমেন্ট। আয়োজকরা জানান, মেলা থেকে উপার্জিত অর্থ দেশের বন্যা দুর্গতদের দান করবেন তারা।জ্যাকসন হাইটসের প্রাণ কেন্দ্রে অনুষ্ঠিত পথমেলায় আরও গান গেয়ে শোনান প্রবাসের জনপ্রিয় তরুণ কণ্ঠশিল্পী ও নাচ পরিবেশন করেন নতুন প্রজন্মের শিল্পীরা। বাংলাদেশের সংষ্কৃতি ও ঐতিহ্যের নানা অনুসঙ্গ ছিল পুরো আয়োজনে। ঘোড়ার গাড়িতে পুরো জ্যাকসন হাইটস ঘুরে বেরিয়েছেন দর্শনার্থীরা। মেলায় নানা পণ্যের পসরাও সাজিয়ে বসেছিলেন দোকানিরা। জ্যাকসন হাইটসে বাংলাদেশিদের সঙ্গে বসবাস করা স্প্যানিশ কমিউনিটির একজন শিল্পীও সংগীত পরিবেশন করেন। শেষে গাড়ি, বিমান টিকেট, নগদ ডলার, স্বর্ণালঙ্কার-সহ মূল্যবান সামগ্রী নিয়ে অনুষ্ঠিত হয় র‌্যাফেল ড্র।

post
বাংলাদেশ

‘ত্রাণের লাইগ্গা ইখানো পইড়া রইছি-রেণু রাণী

হবিগঞ্জের বানিয়াচং উপজেলায় ৯ দিন হলো বন্যার পানি এসেছে। ঘরে কোমরসমান পানি ওঠায় সরকারি আশ্রয়ণ প্রকল্পের ঘর ছেড়ে পাশের বুরুজপাড়া সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে আশ্রয় নিয়েছেন রেণু রাণী সরকার (৫৫)। তবে এখন আশ্রয়কেন্দ্রও পানিতে ডুবে আছে। রেণু রাণী বললেন, ‘ত্রাণের লাইগ্গা ইখানো পইড়ারইছি। রাইত হইলে অন্যের বাড়িত থাকি। আর দিন ইলে ইখানো আই। এখন ফর্যন্ত সরকার থেইক্কা কোনো সায্য (সাহায্য) পাইছি না। এখন আত্মীয় আর প্রতিবেশীর দয়ায় বাইচ্চা আছি।’ রেণু রাণীর বাড়ি বানিয়াচং উপজেলার দক্ষিণ-পশ্চিম ইউনিয়নের বুরুজপাড়া গ্রামে। গত বছর বুরুজপাড়া সরকারি আশ্রয়ণ প্রকল্পের একটি ঘর পান রেণু রাণী। কিন্তু সেই ঘরে পানি ওঠায় রেণু রাণী বিপাকে পড়েছেন। সোমবার সকাল পর্যন্ত সরকারি কোনো ত্রাণ পাননি বলে দাবি করেন রেণু রাণী। তিনি বলেন, প্রতিবেশীর কাছ থেকে ১০ কেজি চাল ধার নিয়েছেন। তবে সেটাও শেষের দিকে। ওই চাল দিয়ে আজ রাত পর্যন্ত চলবে। কিন্তু কাল রাত পোহালে কী করবেন, সেটা তিনি ভেবে পাচ্ছেন না। ১৯ জুন বিকেলে কুশিয়ারা নদীর পানি বেড়ে প্লাবিত হয় বানিয়াচং উপজেলার ১৫টি ইউনিয়ন। এর মধ্যে উপজেলার বুজপাড়া এলাকায় বন্যা দেখা দিলে সরকারি আশ্রয়ণ প্রকল্পের ৫৬টি ঘর পানিতে তলিয়ে যায়। এরপর রেণু রাণীসহ ওই প্রকল্পের বাসিন্দারা আশ্রয়কেন্দ্রে গিয়ে আশ্রয় নেন।পাঁচ বছর আগে স্বামীকে হারান রেণু রাণী। তিন ছেলে, এক ছেলের স্ত্রী ও নাতিকে নিয়েই তাঁর সংসার। রেণু রাণী কখনো অন্যের বাড়িতে কাজ করেন। কখনো মাটি কাটার কাজও করেন। তাঁর ছেলেরা দিনমজুরের কাজ করেন। তবে বন্যার কারণে কয়েক দিন ধরে তাঁরা কেউ কাজ পাচ্ছেন না। অভাবের সংসারে কোনো সঞ্চয়ও নেই তাঁদের কাছে। উপজেলা প্রশাসনের তথ্য অনুয়ায়ী, বেশ ধীরগতিতে বানিয়াচংয়ে বন্যার পানি কমছে। আজ সোমবার পানি কিছুটা কমলেও বেশির ভাগ বাড়িঘরে কোমরসমান পানি রয়ে গেছে। উপজেলার বেশির ভাগ গ্রামের মানুষ কৃষিকাজ ও দিনমজুরের কাজের ওপর নির্ভরশীল। এর মধ্যে বুরজপাড়া গ্রামের কয়েক হাজার মানুষ বন্যায় ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছেন। কারও ঘর ভেঙে গেছে, কারও ফসল নষ্ট হয়েছে। কাজ বন্ধ থাকায় অনেকের হাতে টাকা নেই। বানিয়াচং উপজেলা পরিষদের চেয়ারম্যান আবদুল কাশেম চৌধুরী বলেন, বানিয়াচংয়ে এবার বন্যায় কয়েক হাজার মানুষ ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছেন। এর বিপরীতে ত্রাণ অপ্রতুল। জানতে চাইলে উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) পদ্মাসন সিংহ বলেন, প্রয়োজনের তুলনায় ত্রাণ পর্যাপ্ত নয়। আজ পর্যন্ত তিনি নগদ ২ লাখ টাকা, ৭০ মেট্রিক টন চাল, ৩০০ শুকনা খাবারের প্যাকেট পেয়েছেন। বরাদ্দ বাড়ানোর জন্য তিনি জেলা প্রশাসকের কাছে চাহিদাপত্র জমা দিয়েছেন।

post
এনআরবি বিশ্ব

যুক্তরাষ্ট্রের রেনো শহরে পদ্মা সেতুর উদ্বোধন উদযাপন

যুক্তরাষ্ট্রের নেভাদা অঙ্গরাজ্যে বসবাসরত প্রবাসী বাংলাদেশিদের সঙ্গে নিয়ে পদ্মা সেতু উদ্বোধনের ঐতিহাসিক মুহূর্ত উদযাপন করেছে লস এঞ্জেলেসের বাংলাদেশ কনস্যুলেট। শুক্রবার (স্থানীয় সময় রাত ৯টায়) নেভাদা অঙ্গরাজ্যের রেনো শহরে এ উপলক্ষে আয়োজিত অনুষ্ঠানে রেনো ও পার্শ্ববর্তী শহরগুলোতে বসবাসরত বিপুল সংখ্যক প্রবাসী বাংলাদেশি অংশগ্রহণ করেন।মঙ্গলবার (২৮ জুন) লস এঞ্জেলেসের বাংলাদেশ কনস্যুলেট জানায়, ওই‌দিন পদ্মা সেতু উদ্বোধন অনুষ্ঠান সরাসরি সম্প্রচার করা হয়। পদ্মা সেতু উদ্বোধনের ঐতিহাসিক মুহূর্তের সাক্ষী হতে পেরে বাংলাদেশ কমিউনিটির সদস্যরা উচ্ছ্বাস প্রকাশ করেন এবং স্বপ্নের পদ্মা সেতু উপহার দেওয়ার জন্য প্রধানমন্ত্রীর প্রতি কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করেন। অনুষ্ঠানের শুরুতেই পদ্মা সেতু উদ্বোধন উপলক্ষে রাষ্ট্রপতি এবং প্রধানমন্ত্রীর দেওয়া বাণী পড়ে শোনানো হয়। লস এঞ্জেলেসে নিযুক্ত বাংলাদেশের কনসাল জেনারেল সামিয়া আঞ্জুম বলেন, প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার বলিষ্ঠ নেতৃত্বে ও সাহসী পদক্ষেপে নিজস্ব অর্থায়নে নির্মিত পদ্মা সেতু বাংলাদেশের অপ্রতিরোধ্য অগ্রযাত্রার প্রতীক। দেশের এই উন্নয়ন অগ্রযাত্রায় শামিল হয়ে জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের স্বপ্নের সোনার বাংলা বিনির্মাণে ভূমিকা রাখার জন্য তিনি প্রবাসী বাংলাদেশিদের প্রতি আহ্বান জানান। 

About Us

NRBC is an open news and tele video entertainment platform for non-residential Bengali network across the globe with no-business vision just to deliver news to the Bengali community.