post
বাংলাদেশ

চট্টগ্রামের মিরসরাইয়ে ট্রেনের ধাক্কায় মাইক্রোবাসের ১১ যাত্রী নিহত

চট্টগ্রামের মিরসরাইয়ের খৈয়াছড়া ঝরনা এলাকায় ট্রেনের ধাক্কায় মাইক্রোবাসের ১১ যাত্রী নিহত হয়েছেন। শুক্রবার দুপুরে এই দুর্ঘটনা ঘটে। ঢাকা পোস্টকে বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন মিরসরাই থানার এসআই সৈয়দ আহমদ। তিনি বলেন, ঢাকা থেকে ছেড়ে আসা একটি ট্রেনের ধাক্কায় মাইক্রোবাসের ১১ যাত্রী নিহত হয়েছেন। বিস্তারিত পরে জানানো হবে।তবে দুর্ঘটনার পর তাৎক্ষণিকভাবে ১২ জন নিহত হওয়ার তথ্য পাওয়া গিয়েছিল। এর ঘণ্টাখানেক পর জানা যায় ১১ জন নিহত হয়েছেন।সর্বশেষ মিরসরাই ফায়ার স্টেশনের স্টেশন অফিসার ইমাম হোসেন পাটোয়ারী বলেন, দুর্ঘটনায় মোট ১১ জন নিহত হয়েছেন। আহত অবস্থায় একজনকে উদ্ধার করে হাসপাতালে পাঠানো হয়েছে। মাইক্রোবাসটিকে রেললাইন থেকে সরানোর চেষ্টা করছি। দুর্ঘটনার পরপর চট্টগ্রামের রেলওয়ে থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা ( ওসি) নিজাম উদ্দিন বলেছিলেন, খৈয়াছড়া এলাকায় একটি ট্রেনের ধাক্কায় মাইক্রোবাসের কয়েকজন যাত্রী নিহত হয়েছেন। আমরা ঘটনাস্থলের দিকে যাচ্ছি। রেলওয়ের পূর্বাঞ্চলের মহাব্যবস্থাপক (জিএম) মো. জাহাঙ্গীর হোসেন ঢাকা পোস্টকে বলেন, খৈয়াছড়া এলাকায় রেলওয়ের ওপর দিয়ে একটি সড়ক পথ গেছে। সেখানে রেলওয়ের নিযুক্ত গেটম্যানও আছে। দুর্ঘটনার পরপর গেটকিপারে সঙ্গে কথা বলেছি। গেটকিপার আমাকে জানিয়েছেন, ট্রেন আসার আগেই গেট ফেলা ছিল। কিন্তু মাইক্রোবাসের চালক গেটবারটি জোর করে তুলে রেললাইনে প্রবেশ করেন। এরপর মহানগর প্রভাতী ট্রেন মাইক্রোবাসটিকে ধাক্কা দেয়। আমরা ঘটনাটি তদন্ত করে দেখছি। স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, মাইক্রোবাসটি করে কয়েকজন খৈয়াছড়া ঝর্ণা দেখতে এসেছিলেন। তবে নিহতদের বিস্তারিত পরিচয় এখনও জানা যায়নি।

post
এনআরবি বিশ্ব

যুক্তরাষ্ট্রের বুকে লিটল বাংলাদেশ

যুক্তরাষ্ট্রের বুকে ছোট বা লিটল বাংলাদেশ নামের জয়জয়কার চলছে। এখন পর্যন্ত যুক্তরাষ্ট্রের তিন অঞ্চলের নামকরণ করা হলো ছোট বা 'লিটল বাংলাদেশ'। সর্বশেষ ব্রুকলিনের বাংলাদেশি অধ্যুষিত চার্চ-ম্যাকডোনাল্ড নামের সংযোগস্থলকে লিটল বাংলাদেশ নামকরণের ঘোষণার মধ্য দিয়ে যুক্তরাষ্ট্রের বুকে ছোট বা লিটল বাংলাদেশের সংখ্যা দাঁড়াল তিনটিতে। এছাড়াও বাংলাদেশ এভ্যেনু ও ব্লুভার্ড নামেও রয়েছে বেশ কয়েকটি সড়কের নাম। এ নিয়ে নিউ ইয়র্ক সিটির একটি বিল ইতিমধ্যে সিটি কাউন্সিলে সর্বসম্মতিক্রমে পাশ হয়েছে বলে জানান বাংলাদেশি কাউন্সিলর শাহানা হানিফ। তিনি আরও জানান, তার উত্থাপিত বিলটি গত ১৪ জুলাই ৪৭-০ ভোটে সিটি কাউন্সিলে পাশ হয়েছে। যে কোনো সময় চার্চ-ম্যাকডোনাল্ড নামের সংযোগস্থলকে লিটল বাংলাদেশ নামের সাইনবোর্ড লাগানো হবে। চলতি বছরের ২১ ফেব্রুয়ারি আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা দিবসে নিউ ইয়র্ক সিটির কুইন্সের জ্যামাইকার হিলসাইড অ্যাভিনিউ ও হোমলন স্ট্রিটের সংযোগস্থলকে লিটল বাংলাদেশ হিসেবে নামরকরণ করা হয়। ব্রুকলিনের চার্চ-ম্যাকডোনাল্ডের লিটল বাংলাদেশ নামকরণের ঘোষণার মাধ্যমে নিউ ইয়র্কের দু'টি এলাকার নামকরণ করা হল লিটল বাংলাদেশ। এদিকে যুক্তরাষ্ট্রের নিউ ইয়র্কের বাংলাদেশি অধুষ্যিত জ্যাকসন হাইটসে 'বাংলাদেশ' নামে একটি সড়ক করার উদ্যোগ নিয়েছে জ্যাকসন হাইটস বাংলাদেশি বিজনেস অ্যাসোসিয়েশন (জেবিবিএ)। সংগঠনের কর্মকর্তারা ইতোমধ্যে নিউ ইয়র্ক নগর কর্মকর্তাদের কাছে প্রস্তাব পাঠিয়েছেন। প্রস্তাবটি পাস করানোর চেষ্টাও করা হচ্ছে বলে জানিয়েছেন কর্মকর্তারা। ২০১০ সালে যুক্তরাষ্ট্রের ক্যালিফোর্নিয়া অঙ্গরাজ্যের লস অ্যাঞ্জেলেস শহরের থার্ড স্ট্রিট ও আলেকজান্দ্রিয়া অ্যাভিনিউয়ের মাঝে অবস্থিত একটি এলাকাকে লস অ্যাঞ্জেলস শহর কর্তৃপক্ষ কর্তৃক 'লিটল বাংলাদেশ' নামে স্বীকৃতি দেয়। এটি শহরটিতে বসবাসকারী বাংলাদেশি বংশোদ্ভূত ব্যক্তিদের প্রাণকেন্দ্র। ২০১৯ সালে যুক্তরাষ্ট্রের নিউ জার্সি অঙ্গরাজ্যের প্যাটারসন সিটির ইউনিয়ন অ্যাভিনিউ সড়কের নাম পরিবর্তন করে ‘বাংলাদেশ বুলেভার্ড’ রাখা হয়। ২০১৯ সালের ২২ জুন আনুষ্ঠানিকভাবে ওই সড়কে নামফলক লাগিয়ে বাংলাদেশ বুলেভার্ড করা হয়।

post
টেক মেন্টর

ফুলেল শুভেচ্ছায় সিক্ত পিপলএনটেক প্রেসিডেন্ট ফারহানা হানিপ

বাংলাদেশের স্বনামধন্য আইটি প্রতিষ্ঠান পিপলএনটেকে’র প্রেসিডেন্ট ফারহানা হানিপকে ফুলেল শুভেচ্ছা জানিয়েছেন প্রতিষ্ঠানটির সকল কর্মকর্তা ও কর্মচারীবৃন্দ ।বুধবার (২৭ জুলাই) পিপলএনটেক বাংলাদেশ অফিসে দুপুর ১ টায় তাকে ফুল দিয়ে শুভেচ্ছা জানান পিপলএনটেকের ভাইস প্রেসিডেন্ট মাশরুল হোসাইন খান লিওন। পরে ফারহানা হানিপ প্রতিষ্ঠানটির সকল কর্মকর্তা কর্মচারীদের সাথে কুশল বিনিময় করেন। এসময় উপস্থিত ছিলেন এইচ আর এন্ড এডমিন তৌহিদুর রহমান,নেটওয়ার্ক সিস্টেমের হেড অফ ফ্যাকলটি কাজী মাহমুদ, জবপ্লেসমেন্ট ব্যবস্থাপক মাছুমা ভূইয়া ফারহা, সফটওয়্যার ডেভলপমেন্ট ম্যানেজার তাপস চন্দ্র দাস, বিজনেস ডেভলপমেন্ট ডেপুটি ম্যানেজার রনি সাহা, সহকারী ব্যবস্থাপক( একাউন্টস) হাসিনা আক্তার, সহকারী ব্যবস্থাপক (অপারেশন) শেখ আহমেদ, বিজনেস ডেভলপমেন্টের সহকারী ব্যবস্থাপক নজরুল ইসলাম, সহকারী ব্যবস্থাপক (প্রজেক্ট) ইয়াসিন আলম, হাফিজুর রহমান, আশরাফুল হক, ফরহাদ হোসেন, সাবরিনা পারভিন, অনামিকা সরকার পুজা, সাজ্জাদ হোসাইন, প্রীতি সরকার, মাহির হোসাইন, তাসকিন আরিফ মেঘা, লাবনি আক্তার, তানহা, শর্ণা, আশরাফুল সহ সকল কর্মকর্তা কর্মচারীবৃন্দ।

post
এনআরবি বিশ্ব

কার্ডিফে পাঁচ বাংলাদেশি কাউন্সিলরকে সংবর্ধনা

ব্রিটেনের ওয়েলসের রাজধানী কার্ডিফের সিটি কাউন্সিলের নির্বাচনে নবনির্বাচিত পাঁচ বাংলাদেশি কাউন্সিলরকে সংবর্ধনা দিয়েছে বাংলাদেশ ওয়েলফেয়ার সেন্টার। গত সোমবার (১৮ জুলাই) এ সংবর্ধনা অনুষ্ঠানের আয়োজন করা হয়। সংবর্ধনা অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করেন বাংলাদেশ ওয়েলফেয়ার অ্যাসোসিয়েশনের চেয়ারম্যান মোহাম্মদ আব্দুল হান্নান শহীদুল্লাহ। পরিচালনায় ছিলেন সেক্রেটারি মোহাম্মদ আসকর আলী। অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি ছিলেন ওয়েলসের ফার্স্ট মিনিস্টার মার্ক ড্রেইকফোর্ড। বিশেষ অতিথি হিসেবে বক্তব্য রাখেন কার্ডিফ কাউন্সিল লিডার হিউ টমাস, কাউন্সিলর জেসমিন চৌধুরী ও কাউন্সিলর ড. বাবলিন মল্লিক।মার্ক ড্রেইকফোর্ড তার বক্তব্যে কার্ডিফ বাংলাদেশ ওয়েলফেয়ার অ্যাসোসিয়েশনের বই প্রকাশনাসহ বিগত দিনের কর্মকাণ্ডের প্রশংসা করেন। কার্ডিফ কাউন্সিলে এ বছর পাঁচ জন বাঙালি কাউন্সিলর নির্বাচিত হওয়ায় আনন্দিত হয়েছেন উল্লেখ করে তিনি আগামীতে আরও বাঙালি কাউন্সিলর নির্বাচিত হবেন বলে আশাবাদ ব্যক্ত করেন। একইসঙ্গে বৃটিশ রাজনীতিতে বাংলাদেশ কমিউনিটির নব প্রজন্মের সন্তানদের এগিয়ে আসার আহ্বানও জানান তিনি। সংবর্ধনা অনুষ্ঠানে কার্ডিফ বাংলাদেশ ওয়েলফেয়ার অ্যাসোসিয়েশনের পক্ষ থেকে কমিউনিটির জন্য করণীয় কিছু প্রস্তাবনা তুলে ধরা হয়েছে। এগুলো হচ্ছে- বাংলাদেশ কমিউনিটির কল্যাণে একটি বড় আকারের মাল্টিপারপাস ও মাল্টিকালচারাল সেন্টার প্রতিষ্ঠা, একটি ইসলামিক মাদরাসা করার উদ্যোগ, একটি বড় কবরস্থান করার প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ গ্রহণ ও কার্ডিফ শাহজালাল মসজিদের সামনে একটি ক্রসিংয়ের ব্যবস্থা করার যথাযথ ভূমিকা রাখা।  

post
এনআরবি বিশ্ব

দক্ষিণ আফ্রিকায় সন্ত্রাসীদের গুলিতে দুই বাংলাদেশি যুবক নিহত

দক্ষিণ আফ্রিকার ব্রাকফান শহরে সন্ত্রাসীদের গুলিতে মো. শুভ (২৩) ও আরিফ হোসেন (২২) নামের দুই বাংলাদেশি যুবক নিহত হয়েছেন। এ ঘটনায় আহত হয়েছেন আরও দুজন। স্থানীয় সময় শনিবার (২৩ জুলাই) রাত সাড়ে ৮টার দিকে ব্রাকফান শহরের একটি ব্যবসা প্রতিষ্ঠানে এ ঘটনা ঘটে। নিহতরা হলেন-নোয়াখালীর সোনাইমুড়ী উপজেলার বজরা ইউনিয়নের দক্ষিণ পশ্চিম বদরপুর গ্রামের মৃত মহিন উদ্দিনের ছেলে আরিফ হোসেন ও পোরকরা গ্রামের আবদুল লতিফের ছেলে শুভ। চাঁদা ও টাকা-পয়সা লুটের উদ্দেশ্যে সন্ত্রাসীরা এ হামলার ঘটনা ঘটিয়েছে বলে ধারণা করা হচ্ছে। নিহত আরিফের প্রতিবেশী আজাদ জানান, গত ৩-৪ মাস আগে জীবিকার সন্ধানে আফ্রিকায় যান শুভ ও আরিফ হোসেন। পরে তারা আফ্রিকার ব্রাকফান শহরের বাংলাদেশি একজনের দোকানে চাকরি নেয়। আফ্রিকার সময় শনিবার রাত সাড়ে ৮টার দিকে ওই দেশের দুজন কৃষ্ণাঙ্গ সন্ত্রাসী তাদের দোকানে প্রবেশ করে। কিছু বুঝে ওঠার আগেই সন্ত্রাসীরা হামলা চালিয়ে ওই দোকান থেকে টাকা ও মালামাল লুট করে পালিয়ে যায়। পরে স্থানীয় লোকজন আহতদের উদ্ধার স্থানীয় হাসপাতালে নিয়ে গেলে কর্তব্যরত চিকিৎসক শুভ ও আরিফকে মৃত ঘোষণা করেন। আহত দুজন হাসপাতালে চিকিৎসাধীন রয়েছেন।

post
আন্তর্জাতিক

দক্ষিণ কোরিয়ায় কালার ফেস্টিভ্যালের মঞ্চ মাতাল বাংলাদেশ

দক্ষিণ কোরিয়ার দেগু শহরে অনুষ্ঠিত হয়েছে দেগু কালারফুল ফ্যাস্টিভ্যাল। দুইদিন ব্যাপী এ আন্তর্জাতিক ড্যান্স প্যারেড উৎসবে ছিল জাঁকজমকপূর্ণ আয়োজন। আন্তর্জাতিক এই উৎসবে প্রথমবারের মতো আমন্ত্রণ পেল বাংলাদেশ। বাংলাদেশের তুরঙ্গমী রেপার্টরি ড্যান্স থিয়েটার আরতি নৃত্যের মাধ্যেমে বাংলাদেশে সংস্কৃতিকে তুলে ধরে।শনিবার (৯ জুলাই) থেকে শুরু হয়ে রোববার (১০ জুলাই) দুই দিনব্যাপী চলে এ উৎসব। সেসময়টা পুরো রাস্তা শিল্পী এবং দর্শকদের দখলে ছিল। আন্তর্জাতিক এই উৎসবে কোরিয়ার বৃহত্তম প্যারেডে প্রথমবার আমন্ত্রণ পেয়েছে বাংলাদেশ। দেগু কালার ফেস্টিভ্যাল’-এ তুরঙ্গমী রেপার্টরি ড্যান্স থিয়েটার বাংলাদেশকে বিশ্বের সামনে তুলে ধরেছে। বিশ্ববাসীর সম্মুখে বাঙালি আরতি নৃত্যের মাধ্যমে সংস্কৃতিকে তুলে ধরে রীতিমতো সবাইকে মুগ্ধ করেছে। তুরঙ্গমীর আর্টিস্টিক ডিরেক্টর ও নৃত্যশিল্পী পূজা সেনগুপ্তর নের্তৃত্বে ১০ সদস্যের একটি দল তুরঙ্গমী রেপার্টরি ডান্স থিয়েটারের নৃত্যশিল্পী ও তুরঙ্গমী স্কুল অব ডান্সের শিক্ষার্থীরা ফ্যাস্টিভ্যালে অংশগ্রহণ করেন।উৎসবে তুরঙ্গমীর দুটি প্রযোজনা 'পাঁচফোড়ন' ও 'নন্দিনী' মঞ্চস্থ হয়। ১০ মিনিট ও ৫ মিনিট দৈর্ঘ্যের প্রযোজনা দুটির ভাবনা, বিকাশ, নকশা, নৃত্যনির্মাণ ও নির্দেশনা দিয়েছেন পূজা সেনগুপ্ত। পূজা সেনগুপ্ত সময় সংবাদকে বলেন, দক্ষিণ কোরিয়ার বৃহত্তম ড্যান্স প্যারেডে প্রথমবারের মতো অংশগ্রহণ করতে পেরে অনেক ভালো লাগছে। সবচেয়ে বেশি ভালো লাগছে 'পাঁচফোড়ন' ও 'নন্দিনী' আরতি নৃত্যের মঞ্চস্থ করার মাধ্যমে বাংলাদেশের সংস্কৃতিকে উপস্থাপন করতে পেরে।দেগু কালারফুল ফ্যাস্টিভ্যালে ১০ টি দেশের প্রায় ২ হাজার শিল্পী অংশগ্রহণ করেন। এ ফ্যাস্টিভ্যালকে ঘিরে নানা আয়োজন করে থাকেন কোরীয় নাগরিকরা। করোনার কারণে গত ৩ বছর উৎসব না করতে পারায় এবারের থিম ছিল 'দ্য রিটার্ন অফ দ্য ফেস্টিভ্যাল-এ কালারফুল ইজ ব্যাগ'। দুদিন জুংগাং ইন্টারসেকশন থেকে শুরু করে জংগাক ইন্টারসেকশন পর্যন্ত জায়গাজুড়ে বিশাল কনসার্ট হলে পরিণত হয়। উৎসবটি দেগুর ইয়াংনিওংসি ওরিয়েন্টাল মেডিসিন কালচার ফেস্টিভ্যালের মতো দেগু শহরের একটি প্রতিনিধিত্বমূলক উৎসব। তাই এটিকে রঙিন দেগু উৎসব বলা হয়। উৎসবের নামের প্রতীক রঙিন এবং এটি দেগু শহরের একটি স্লোগান।

post
এনআরবি সাফল্য

বিশ্বের দ্বিতীয় সর্বোচ্চ পর্বতশৃঙ্গ জয় করেছেন বাংলাদেশি ওয়াসফিয়া

বিশ্বের দ্বিতীয় সর্বোচ্চ পর্বতশৃঙ্গ পাকিস্তানের কে টু এর চূড়ায় ওঠার জন্য গত ১৭ জুলাই বেইজ ক্যাম্প থেকে যাত্রা শুরু করেন ওয়াসফিয়া নাজরীন। ফেইসবুক থেকে নেওয়া ছবি।প্রথম বাংলাদেশি হিসেবে বিশ্বের দ্বিতীয় সর্বোচ্চ পর্বতশৃঙ্গ পাকিস্তানের কে টু জয় করেছেন ওয়াসফিয়া নাজরীন। যে দলের সঙ্গে এভারেস্ট বিজয়ী পবর্তারোহী ওয়াসফিয়া ৮ হাজার ৬১১ মিটার উঁচু কে টু জয় করেছেন, সেটির প্রতিষ্ঠান এলিট এক্সপেড শুক্রবার ইনস্টাগ্রাম পোস্টে এ সুখবর দেয়। পোস্টে বলা হয়, “শতভাগ সাফল্যের হার! অসাধারণ এই মওসুম। কে টু অভিযানে আমাদের অবিশ্বাস্য দলটি তাদের লক্ষ্য অর্জন করেছে।” ওয়াসফিয়া তার ফেইসবুক পেইজে গত ১৭ জুলাই রাতে বেইজ ক্যাম্প থেকে কে টু চূড়ার উদ্দেশ্যে যাত্রার করার কথা জানিয়ে একটি ছবি পোস্ট করেন। এক সপ্তাহের মধ্যে ‘সুখবর আসার’ কথা জানিয়ে ওই পোস্টে ৩৯ বছর বয়সী এ পবর্তারোহী সেদিন তার সঙ্গে থাকা অন্য পবর্তারোহীদের নামও জানান। নিমসদাই, মিংমা তেনজি শেরপা ও মিংমা ডেভিড শেরপার নেতৃত্বে কে টু জয়ের জন্য যাত্রা করার কথা জানান তিনি।বিশ্বের দ্বিতীয় সর্বোচ্চ পর্বতশৃঙ্গ কে টু এর চূড়ায় ওঠার জন্য বেইজ ক্যাম্পে অপেক্ষা। খারাপ আবহাওয়ার কারণে ১৫ জুলাই যাত্রা পিছিয়ে যাওয়ার কথা জানান ওয়াসফিয়া নাজরীন। ফেইসবুক থেকে নেওয়া ছবি। কারাকোরাম পবর্তমালার সর্বোচ্চ শৃঙ্গ কে টু স্থানীয়ভাবে চোগোরি নামে পরিচিত। এর উচ্চতা ৮ হাজার ৬১১ মিটার। ’হিংস্র পর্বত’ নামে পরিচিত এ পর্বতশৃঙ্গ অনেক পর্বতারোহীর বিবেচনায় এভারেস্টের চেয়েও দুর্গম। কে টু এর পাশাপাশি ব্রড পিকেও উঠেছেন ওয়াসফিয়াররা; যেটি স্থানীয়ভাবে পরিচিত ফাইচান কাংরি, যেটির উচ্চতা ৮ হাজার ৬৮ মিটার। দ্বিতীয় সর্বোচ্চ পর্বতশৃঙ্গের পথে ওয়াসফিয়া বাংলাদেশের দ্বিতীয় নারী হিসেবে এভারেস্ট জয়ী ওয়াসফিয়া গত ১৪ জুন এক ফেইসবুক লাইভে নিজের কারাকোরাম পর্বত জয়ের পরিকল্পনার বিস্তারিত তুলে ধরেন। সেদিন তিনি বলেন, কারাকোরাম দুই শৃঙ্গ পাড়ির এই অভিযান দুই থেকে আড়াই মাসের। কে টু বেইজ ক্যাম্প থেকেই দুতো ৮ হাজার মিটারের উচ্চতার পর্বতারোহণ করবেন তারা। প্রথমে ব্রড পিকে যাবেন, তারপরে কে টু তে। দেশবাসীর দোয়া প্রত্যাশা করে ওয়াসফিয়া বলেন, “দুইটা ৮ হাজার মিটারের চূড়ায় পরপর উঠা সহজ কথা নয়। আমাকে দোয়ায় রাখবেন।” এভারেস্টজয়ী ওয়াসফিয়া ফিরছেন শনিবার পর্বতারোহীদের জন্য দুর্গম হওয়ার কারণে কে টু তে যাওয়া মানুষের সংখ্যা খুব বেশি না হওয়ার কথা তুলে ধরে তিনি বলেন, “স্পেসে যত মানুষ গেছে, তার চেয়ে কম মানুষ গেছে কে২ তে। মানে খুব কম মানুষই কে টু তে যাওয়ার অ্যাটেম্প করেছে। “শুধু প্রথম বাংলাদেশি নারী যাচ্ছে সেখানে। এই পর্বতে নারীরা সেভাবে সাহস করে না বলা হয়। আমাদের দলে আছে ৬ জন নারী।” সেখানকার পরিবেশ দুর্গম হওয়ার কথা তুলে ধরে ওয়াসফিয়া বলেন, “কারাকোরামের ভিন্ন ব্যাপার হচ্ছে ক্রেজি ওয়েদার। এভারেস্ট থেকেও এটা ভিন্নতর। শুষ্ক আর রুক্ষ আবহাওয়া।”বিশ্বের দ্বিতীয় সর্বোচ্চ পর্বতশৃঙ্গ কে টু এর চূড়ায় ওঠার বেইজ ক্যাম্পে ওয়াসফিয়া নাজরীনসহ পবর্তারোহীরা। ২০১২ সালের ২৬ মে ওয়াসফিয়া দ্বিতীয় বাংলাদেশি নারী হিসেবে এভারেস্ট চূড়ায় উঠেন। তিনি সেভেন-সামিটিয়ার বা পৃথিবীর সাত মহাদেশের সব বড় পর্বতজয়ী একজন। তার আগে ২০১২ সালে ১৯ মে নিশাত মজুমদার বাংলাদেশের প্রথম নারী হিসেবে বিশ্বের সর্বোচ্চ পর্বতশৃঙ্গ এভারেস্টে জয় করেন। ইউরোপের সর্বোচ্চ চূড়ায় ওয়াসফিয়া ইনস্টাগ্রাম পোস্টে ওয়াসফিয়াসহ কে টু জয়ীদের নামের তালিকা যুক্ত করে সবাইকে অভিনন্দন জানিয়েছে এলিট এক্সপেড লিখেছে, “প্রতিভাবান এই দলটি নতুন সম্ভাবনাকে হাতের মুঠোয় নিয়েছে। এলিট এক্সপেড তোমাদের জন্য এর চেয়ে গৌরবান্বিত হতে পারে না! ”আমাদের দল আপনাদের প্রচেষ্ঠা, কঠোর পরিশ্রম ও পরিবারের কাছ থেকে দীর্ঘ সময় দূরে থাকার এই ধৈর্য্যকে সম্মান জানাচ্ছে।” দুর্গম এ অভিযানে নেতৃত্ব দেন নেপালি পর্বতারোহী মিংমা তেনজি শেরপা। ভারতীয় পত্রিকা দি ওয়াল এক খবরে জানিয়েছে, প্রথম বাংলাদেশি নয়, দুই বাংলা মিলিয়ে কে টু জয়ী প্রথম বাঙালিও ওয়াসফিয়া নাজরীন। প্রতিবেদনে বলা হয়, “এর আগে এই শৃঙ্গে কোনও বাঙালি পা রাখেননি। বাংলাদেশের নাগরিক হওয়ার কারণেই এই সুযোগ পেলেন ওয়াসফিয়া। কেটু শৃঙ্গ আরোহণে ভারতীয়দের উপর রয়েছে নিষেধাজ্ঞা। তবু জয়ের পালক এল বাঙালির ঘরেই।”

post
বাংলাদেশ

ডেপুটি স্পিকারের মৃত্যুতে রাষ্ট্রপতি ও প্রধানমন্ত্রীর শোক

জাতীয় সংসদের ডেপুটি স্পিকার অ্যাডভোকেট ফজলে রাব্বী মিয়ার মৃত্যুতে গভীর শোক প্রকাশ করেছেন রাষ্ট্রপতি মো. আবদুল হামিদ ও প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। শনিবার (২৩ জুলাই) এক শোকবার্তায় রাষ্ট্রপতি বলেন, সংসদ পরিচালনায় মরহুম ফজলে রাব্বী মিয়ার দক্ষতা ও অভিজ্ঞতা এবং সংসদীয় গণতন্ত্রের চর্চা ও বিকাশে তার অবদান জাতি শ্রদ্ধার সঙ্গে স্মরণ করবে।মরহুম ফজলে রাব্বী মিয়ার রুহের মাগফিরাত কামনা করেন ও তার শোকসন্তপ্ত পরিবারের প্রতি গভীর সমবেদনা জানান তিনি। পৃথক শোকবার্তায় শেখ হাসিনা বলেন, ছাত্রজীবন থেকেই ফজলে রাব্বী মিয়া আইয়ুব বিরোধী আন্দোলন এবং ‘৬২-এর শিক্ষা কমিশন বিরোধী আন্দোলনে জড়িত ছিলেন। মহান মুক্তিযুদ্ধের সময় তিনি ১১নং সেক্টরে যুদ্ধ করেছিলেন। সংসদীয় গণতন্ত্রে অসামান্য ভূমিকার জন্য তিনি স্মরণীয় হয়ে থাকবেন। মরহুমের বিদেহী আত্মার মাগফিরাত কামনা করেন এবং তার শোকসন্তপ্ত পরিবারের সদস্যদের প্রতি আন্তরিক সমবেদনা জানান প্রধানমন্ত্রী।শুক্রবার (২২ জুলাই) দিবাগত রাত ২টার দিকে (নিউইয়র্ক সময় বিকেল ৪টা) যুক্তরাষ্ট্রের একটি হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় তিনি শেষ নিঃশ্বাস ত্যাগ করেন। দুরারোগ্য ক্যান্সারে আক্রান্ত হয়ে দীর্ঘ নয় মাস ওই হাসপাতালে ভর্তি ছিলেন তিনি। অ্যাডভোকেট ফজলে রাব্বী মিয়ার মৃত্যুতে গভীর শোক প্রকাশ করেছেন প্রধান বিচারপতি হাসান ফয়েজ সিদ্দিকী। সুপ্রিম কোর্টের মুখপাত্র মুহাম্মদ সাইফুর রহমানের পাঠানো শোকবার্তায় প্রধান বিচারপতি বলেন, আইনের শাসন প্রতিষ্ঠা ও ন্যায়বিচার নিশ্চিত করণে অ্যাডভোকেট ফজলে রাব্বী মিয়ার অসামান্য অবদান রয়েছে। তিনি ছিলেন সর্বজন শ্রদ্ধেয় ব্যক্তি। জাতি চিরকাল শ্রদ্ধাভরে তাকে স্মরণ রাখবে। তার সঙ্গে দীর্ঘদিনের অত্যন্ত ঘনিষ্ঠ সম্পর্কের কথা স্মরণ করেন প্রধান বিচারপতি। তিনি মরহুমের বিদেহী আত্মার মাগফিরাত কামনা এবং শোকসন্তপ্ত পরিবারের প্রতি গভীর সমবেদনা জ্ঞাপন করেন। ফজলে রাব্বীর মৃত্যুতে শোক প্রকাশ করেছেন পররাষ্ট্রমন্ত্রী ড. এ কে আব্দুল মোমেনও। শোক বার্তায় তিনি বলেন, অ্যাডভোকেট ফজলে রাব্বী মিয়া একজন দেশপ্রেমিক ও নিবেদিতপ্রাণ রাজনীতিবিদ হিসেবে জনগণের কল্যাণে আজীবন কাজ করে গেছেন। অত্যন্ত দক্ষ ও অভিজ্ঞতাসম্পন্ন সংসদ সদস্য হিসেবে বাংলাদেশের সংসদীয় গণতন্ত্র চর্চায় তিনি যে অবদান রেখে গেছেন, জাতি তা চিরদিন স্মরণ করবে। শোক জানিয়েছেন প্রবাসী কল্যাণ ও বৈদেশিক কর্মসংস্থান মন্ত্রী ইমরান আহমদও। তিনি বলেন, ফজলে রাব্বী মিয়া একজন আদর্শবান রাজনীতিক এবং অভিজ্ঞ পার্লামেন্টারিয়ান ছিলেন। তিনি আজীবন গণমানুষের অধিকার আদায়ে রাজনীতি করেছেন। তিনি দক্ষতা ও নিষ্ঠার সাথে জাতীয় সংসদে ডেপুটি স্পিকারের দায়িত্ব পালন করেছেন। এছাড়াও তিনি বাংলাদেশের স্বাধীনতা সংগ্রামের একজন অগ্রসৈনিক ছিলেন। তিনি আরও বলেন, ফজলে রাব্বী মিয়ার মৃত্যু দেশের জন্য অপূরণীয় ক্ষতি হয়ে গেল। তার মৃত্যুতে জাতীয় সংসদ হারাল এক নিষ্ঠাবান অভিভাবক আর জাতি হারাল একজন নিবেদিত প্রাণ অভিজ্ঞ রাজনীতিককে। মুক্তিযুদ্ধসহ দেশের রাজনীতিতে এবং সংসদীয় গণতন্ত্রের বিকাশে গুরুত্বপূর্ণ অবদান রাখার কারণে তিনি দেশবাসীর কাছে চিরস্মরণীয় হয়ে থাকবেন। ফজলে রাব্বী মিয়ার মৃত্যুতে গভীর শোক ও দুঃখ প্রকাশ করেছেন এফবিসিসিআইয়ের সভাপতি মো. জসিম উদ্দিন। মরহুমের বিদেহী আত্মার শান্তি কামনা করে শোকাহত পরিবারের সদস্যদের প্রতি গভীর সমবেদনা জ্ঞাপন করেন জসিম উদ্দিন।

post
বাংলাদেশ

ডেপুটি স্পিকার মো. ফজলে রাব্বী মিয়া মারা গেছেন

জাতীয় সংসদের ডেপুটি স্পিকার ও গাইবান্ধা-৫ আসনের সংসদ সদস্য অ্যাডভোকেট মো. ফজলে রাব্বী মিয়া মারা গেছেন।যুক্তরাষ্ট্রের নিউ ইয়র্কে একটি হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় শুক্রবার (২২ জুলাই) দিনগত রাত ২টার দিকে, নিউ ইয়র্ক সময় বিকেল ৪টায় শেষ নিঃশ্বাস ত্যাগ করেন তিনি।সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ফেসবুকে এক পোস্টের মাধ্যমে বিষয়টি জানিয়েছেন তার ভাতিজা ফাহাদ রাব্বী সৈকত। ফেসবুক পোস্টে তিনি লিখেন, ‘আজ ২৩/০৭/২০২২ ইং বাংলাদেশ সময় আনুমানিক রাত ২টায় মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের নিউইয়র্কে মাউন্ট সিনাই হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় জাতীয় সংসদের ডেপুটি স্পিকার ফজলে রাব্বী মিয়া ইন্তেকাল করেছেন। বিষয়টি আমি ফাহাদ রাব্বী সৈকত আমাদের পরিবারের পক্ষ থেকে নিশ্চিত করছি।’জাতীয় সংসদের ডেপুটি স্পিকার ও গাইবান্ধা-৫ আসনের এই সংসদ সদস্য দুরারোগ্য ক্যান্সারে আক্রান্ত ছিলেন।ফজলে রাব্বী মিয়া ১৯৪৬ সালের ১৫ এপ্রিল গাইবান্ধা জেলার সাঘাটা উপজেলার গটিয়া গ্রামে জন্মগ্রহণ করেন। তার পিতার নাম ফয়জার রহমান এবং মাতার নাম হামিদুন নেছা।১৯৭১ সালে বাংলাদেশের স্বাধীনতার জন্য মুক্তিযুদ্ধ শুরু হলে ফজলে রাব্বী মিয়া মুক্তিযুদ্ধে যোগদান করেন। তিনি ১১নং সেক্টরে যুদ্ধ করেন। এছাড়া বাংলাদেশের স্বাধীনতার পক্ষে বৈশ্বিক জনমত গড়ে তুলতে তিনি কাজ করেছেন।ফজলে রাব্বী মিয়া ১৯৮৬ সালের তৃতীয়, ১৯৮৮ সালে চতুর্থ, ১৯৯১ সালের পঞ্চম ও ১৯৯৬ সালে ১২ জুন সপ্তম জাতীয় সংসদ নির্বাচনে গাইবান্ধা-৫ আসন থেকে জাতীয় পার্টির প্রার্থী হিসেবে সংসদ সদস্য নির্বাচিত হন। পরে বাংলাদেশ আওয়ামী লীগে যোগ দিয়ে ২০০১ সালে অষ্টম জাতীয় সংসদ নির্বাচনে পরাজিত হন।২০০৮ সালে নবম, ২০১৪ সালে দশম ও ২০১৮ সালে একাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে গাইবান্ধা-৫ আসন থেকে তিনি বাংলাদেশ আওয়ামী লীগের প্রার্থী হিসেবে সংসদ সদস্য নির্বাচিত হন।

post
এনআরবি সাফল্য

আরব আমিরাতে গোল্ডেন ভিসা পেল বাংলাদেশি তাওহিদুল

সংযুক্ত আরব আমিরাত সরকারের বিশেষ স্বীকৃতিস্বরূপ মেধাবী শিক্ষার্থী হিসেবে পাঁচ বছর মেয়াদি গোল্ডেন ভিসা পেলেন বাংলাদেশি তাওহিদুল ইসলাম। মঙ্গলবার (১৯ জুলাই) তাকে এ গোল্ডেন ভিসা প্রদান করা হয়।তার বাবা মোহাম্মদ শফিকুল ইসলাম আমিরাতের আল আনসারী এক্সচেঞ্জের ম্যানেজার এবং মা মাহবুবা সিদ্দিকা সিপু আল আনসারী এক্সচেঞ্জের ফরেন কারেন্সি ক্যাশিয়ার। তারা আমিরাতে ১৯ বছর ধরে বসবাস করছেন।ADVERTISEMENTআমিরাত সরকারের গোল্ডেন ভিসা দেওয়ার ক্যাটাগরি অনুযায়ী, শিক্ষার্থীদের ক্ষেত্রে ‘এ’ লেভেল (এইচএসসি) পরীক্ষায় সব বিষয়ে শতকরা ৯৬ শতাংশ নম্বর পেতে হবে। তাওহিদুল ইসলাম দুবাই আরব ইউনিটি স্কুলে ২০২১ সালে অনুষ্ঠিত হওয়া পরীক্ষায় ইংলিশ মিডিয়ামে ব্রিটিশ সিলেবাসে সব বিষয়ে শতকরা ৯৮ শতাংশ নম্বর পান।তাওহিদুল ইসলাম গোল্ডেন ভিসা পেয়ে আনন্দিত। তার সাফল্যে গর্ববোধ করছেন বাবা-মা। এজন্য তারা আরব আমিরাত সরকারকে ধন্যবাদ জানিয়েছেন। তাওহিদুল ইসলাম বর্তমানে চেক রিপাবলিক অব ইউরোপের চার্লস মেডিকেল ইউনিভার্সিটিতে এসবিবিএস (জেনারেল মেডিসিন) কোর্সে পড়াশোনা করছেন।ছেলের এমন সাফল্যের জন্য তার বাবা-মাকেও আমিরাত সরকার গোল্ডেন ভিসা দিতে যাচ্ছে বলে জানিয়েছেন তাওহিদুলের বাবা মোহাম্মদ শফিকুল ইসলাম।

About Us

NRBC is an open news and tele video entertainment platform for non-residential Bengali network across the globe with no-business vision just to deliver news to the Bengali community.