post
শিক্ষা

কম্পিউটারের সাধারণ সমস্যা ও সমাধান ( পর্ব-১ )

কম্পিউটারের সমস্যা ও সমাধানসমস্যা ও কারণ সমাধানসমস্যা: ০১: Computer / Laptop চালু হচ্ছে না। কারণ: ১. পাওয়ার সাপ্লাইয়ের সমস্যা। ২. পাওয়ার বাটনে সমস্যা। ৩. র‌্যামের সমস্যা। ৪. প্রসেসরে সমস্যা। ৫. Charging পোর্ট সমস্যা।১. পাওয়ার সাপ্লাইয়ের ক্যাবল ভালভাবে চেক করতে হবে। ২. পাওয়ার বাটন চেক করতে হবে। ৩. বার বার বিপ দিলে র‌্যাম বদলাতে হবে। ৪. প্রসেসর ঠিকমতো কাজ করছে কিনা তা চেক করা ও কুলিং ফ্যান চেক করা। ৫. Charging পোর্ট ঠিক আচে কিনা তা দেখা। ৬. Charging Adapter Cheek করা। সমস্যা: ০২: Computer বারবার Restart হচ্ছে।কারণ:১. ভাইরাসের / এন্টিভাইরাসের কারণে।২. Unexpected Software Install করায়।১. Antivirus দিয়ে পুরো PC Scan করুণ।২. একাধিক Antivirus Delate করুন।৩. কোন Software Install করার পর এমন হলে সেই Software Uninstall করুন।সমস্যা: ০৩: উইন্ডোজ চালু হতে বেশি সময় নিচ্ছে।কারণ:১. স্টার্টআপে প্রোগ্রামের সংখ্যা বেশি।২. C Drive জায়গা কম।৩. C Drive অনন্ত ২০% ফাঁকা না থাকলে।১. Start Menu / Run গিয়ে MSCONFIG লিখে Enter দিন। অথবা২. Task Bur গিয়ে Task Manager ক্লিক করে Startup Click করে অপ্রয়োজনীয় Software Delete করুন।সমস্যা: ০৪: Computer Slow হয়ে গেছে।কারণ:১. C Drive জায়গা কম।২. অপ্রয়োজনীয় প্রোগ্রাম বেশি।৩. Virus এর কারণে।১. C Drive অনন্ত ২০% ফাঁকা রাখুন।২. অপ্রয়োজনীয় Delete প্রোগ্রাম করতে হবে।৩. Antivirus দিয়ে পুরো PC Scan করুন।৪. Run গিয়ে tree, temp, %temp%, prefetch, recent, Recycle Bin লিখে Delete করুন।সমস্যা: ০৫: Computer এ ঘরির সময় ঠিক থাকে না।কারণ: ১. বায়োসের ব্যাটারী ডাউন হলে।১. বায়োসের ব্যাটারীটি পরিবর্তন করে দিন।২. সময় ঠিক করে দিন।মো: আলিউল ইসলামফ্যাকাল্টি, পিপলএনটেক।

post
এনআরবি বিশ্ব

আরব আমিরাতে হৃদরোগে আক্রান্ত হয়ে প্রবাসীর মৃত্যু

সংযুক্ত আরব আমিরাতের বাণিজ্যিক রাজধানী দুবাইয়ে সৈয়দ মুহাম্মদ বেলাল নামে ফটিকছড়ির এক প্রবাসী যুবক হৃদরোগে আক্রান্ত হয়ে মৃত্যুবরণ করেছেন (ইন্না লিল্লাহ ওয়া ইন্না ইলাইহি রাজিউন)।১০ দিন চিকিৎসাধীন থেকে রোববার (২১ আগস্ট) দুবাই এনএমসি স্পেশালিটি হাসপাতালে মৃত্যুবরণ করেন তিনি।সৈয়দ বেলাল চট্টগ্রামের ফটিকছড়ি উপজেলার নানুপুর ইউনিয়নের সৈয়দ পাড়া নতুন হাবিলদার বাড়ির সৈয়দ শাহিনের ছেলে।আইনি প্রক্রিয়া শেষে তার মরদেহ দেশে পাঠানো হবে।

post
এনআরবি বিশ্ব

যুক্তরাষ্ট্রে সড়ক দুর্ঘটনায় দুই বাংলাদেশি শিক্ষার্থী নিহত

যুক্তরাষ্ট্রে সড়ক দুর্ঘটনায় দুই বাংলাদেশি শিক্ষার্থী নিহত হয়েছেন। দুর্ঘটনায় প্রাণ হারানো শাহরিয়ার উদ্দিন আহমেদ (১৯) বস্টনের এমআইটি’র ইলেক্ট্রিক্যাল ইঞ্জিনিয়ারিংয়ে দ্বিতীয় বর্ষের ছাত্র এবং শাকিল আলী (১৯) ইউনিভার্সিটি অব সাউথ ক্যালিফোর্নিয়ার কম্প্যুটার সায়েন্সের ছাত্র। শুক্রবার রাতে এক সড়ক দুর্ঘটনায় তারা নিহত হয়েছেন। দুর্ঘটনা কবলে পড়া গাড়িতে (জীপ) থাকা তাদের আরও ৩ সহপাঠী গুরুতর আহত হয়েছেন। তারা হলেন, তাহমিদুর চৌধুরী (১৯), সুব্রত চৌধুরী (১৯) এবং যসোয়া রিভারা (১৮)। গাড়িটি চালাচ্ছিলেন যসোয়া। নিউজার্সি স্টেটের প্যাসেইক কাউন্টি প্রসিকিউটর এবং লিটল ফলস পুলিশের পক্ষ থেকে জানা যায়, বাংলাদেশি অধ্যুষিত নিউজার্সির প্যাটারসন শহরের ২৩ রুট এবং উডহ্যাল রোডে একটি মার্সিডিজ গাড়ির সাথে সংঘর্ষে ঘটনাস্থলেই শাহরিয়ারের মুত্যু হয়েছে। গুরুতর অবস্থায় নিকটস্থ সেন্ট যোসেফ ইউনিভার্সিটি হাসপাতালে নেয়ার পর জরুরি বিভাগের চিকিৎসকরা শাকিলের মৃত্যুর তথ্য জানান। অন্যরা একই হাসপাতালে চিকিৎসা নিচ্ছেন বলে রবিবার দুপুরে প্রাপ্ত সংবাদে জানা গেছে। নিহত শাহরিয়ারের মা-বাবা সিলেটের এবং শাকিলের মা-বাবা পাবনা থেকে যুক্তরাষ্ট্রে এসে বসতি গড়েছেন বলে প্যাটারসন সিটির বাসিন্দা এবং যুক্তরাষ্ট্র আওয়ামী লীগের প্রতিষ্ঠাতা সাধারণ সম্পাদক এম এ সালাম জানিয়েছেন। সালাম উল্লেখ করেন যে, হতাহতরা গত বছর প্যাসেইক কাউন্টি টেকনিক্যাল ইন্সটিটিউট থেকে গ্র্যাজুয়েশন করেছেন। ভিকটিম পরিবারের উদ্ধৃতি দিয়ে এম এ সালাম আরো জানান, ৫ বন্ধু নিকটস্থ একটি দোকানে আইসক্রিম কিনতে যাবার পথেই এই দুর্ঘটনার শিকার হন। উল্লেখ্য, নিহত শাহরিয়ার উদ্দিন আহমেদ ‘সবুজ বাংলা’ টিভির টেকনোলজি ডিরেক্টর ছিলেন। প্যাটারসন এলাকার কংগ্রেসম্যান বিল প্যাসক্রলের নামে তিনি একটি অনলাইন টিউটোরিং এ্যাপ চালু করেছেন হোমওয়ার্কে সহযোগিতার জন্যে। অপরদিকে শাকিল আলী ছিলেন ইউনিভার্সিটিতে চালু ‘ফিউচার বিজনেস লিডারস অব আমেরিকা’র প্রেসিডেন্ট। এটি হচ্ছে ইউনিভার্সিটির নেতৃস্থানীয় একটি কর্মসূচি, যেটি রবোটিক্স এবং ইঞ্জিনিয়ারিং ক্লাবের পরিপূরক। অ্যামাজনের ইন্টার্ন হিসেবে কর্মরত শাকিল ট্রেজারার ছিলেন ‘রোহ ক্যাপ্পা অনর সোসাইটি’র। এদিকে, নিহতদের দাফন-কাফন এবং আহতদের চিকিৎসায় তাৎক্ষণিক সহযোগিতার অভিপ্রায়ে সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে এই ৫ জনের বন্ধুরা ‘গো ফান্ড ফর মী’ একাউন্ট খুলেছেন। ৩০ হাজার ডলার সংগ্রহের লক্ষ্য নির্দ্ধারণ করে খোলা এই একাউন্টে রোববার দুপুর পর্যন্ত ২৫৬ জন ছাত্র-ছাত্রী ১৫৫৪৫ ডলার দিয়েছেন বলে জানা গেছে। এদিকে, প্যাসেইক কাউন্টি প্রসিকিউটর অফিস জানায় যে, দুর্ঘটনার কারণ উদঘাটনে তদন্ত চলছে। এ ব্যাপারে কারো কিছু জানা থাকলে ১-৮৭৭-৩৭০-৭২৭৬ নম্বরে যোগাযোগ করতে বলা হয়েছে। নিহত দু’বন্ধুর লাশ রবিবার পর্যন্ত মর্গে রয়েছে। ময়না তদন্তের পর তা স্বজনের কাছে হস্তান্তরের পরই জানাযার কর্মসূচি ঘোষণা করা হবে বলে জানান এম এ সালাম। 

post
এনআরবি বিশ্ব

বাংলাদেশিদের অন অ্যারাইভাল ভিসা দেবে মিশর

এখন থেকে বাংলাদেশি নাগরিকদের শর্তসাপেক্ষে অন অ্যারাইভাল ভিসা দেবে মিশর। গতকাল বৃহস্পতিবার কায়রোর বাংলাদেশ দূতাবাস এ তথ্য জানায়। গত ১৫ আগস্ট মিশরের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের এশিয়াবিষয়ক সহকারী পররাষ্ট্রমন্ত্রীর সঙ্গে কায়রোর বাংলাদেশ দূতাবাসের এক বৈঠক হয়। সেই বৈঠকে এ সিদ্ধান্ত হয়। মিশরের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের বরাত দিয়ে বাংলাদেশ দূতাবাস জানায়, এখন থেকে বাংলাদেশিরা শর্তসাপেক্ষে অন অ্যারাইভাল ভিসা সুবিধা পাবেন। যেসব বাংলাদেশি নাগরিক জাপান, কানাডা, অস্ট্রেলিয়া, নিউজিল্যান্ড, যুক্তরাষ্ট্র, যুক্তরাজ্য বা সেনজেনভুক্ত দেশ ভ্রমণ করেছেন, তারা মিশরে অন অ্যারাইভাল ভিসা পাবেন। আগামী এক বছরের জন্য এ নিয়ম প্রযোজ্য থাকবে। তবে মিশর ভ্রমণে আগ্রহীদের এ সার্কুলার সঙ্গে রাখারও অনুরোধ জানানো হয়েছে। মিশরের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় জানায়, পরে উভয়পক্ষের আলোচনার মাধ্যমে পুনরায় এর মেয়াদ বাড়ানোর সুযোগ আছে।

post
এনআরবি বিশ্ব

গ্রিসে অনিবন্ধিত বাংলাদেশি অভিবাসীদের জন্য সুখবর

গ্রিসে অনিবন্ধিত বাংলাদেশি অভিবাসীদের জন্য সুখবর জানিয়েছে এথেন্সের বাংলাদেশ দূতাবাস। প্রায় ২৮ হাজার বাংলাদেশি এখন গ্রিসে বসবাস করছেন। এরমধ্য থেকে প্রায় ১৫ হাজার অনথিভুক্ত বাংলাদেশি বৈধ হওয়ার সুযোগ পাচ্ছেন। আগামী সেপ্টেম্বরের মাঝামাঝি থেকে এই বৈধকরণ শুরু হবে। চলতি বছরের ফেব্রুয়ারিতে ঢাকায় দুই দেশের মধ্যে স্বাক্ষরিত সমঝোতা স্মারকের (এমওইউ) সাথে সামঞ্জস্য রেখে এই বৈধকরণ করা হবে। শিগগিরই এর প্রক্রিয়া সম্পর্কে গেজেট প্রকাশিত হবে। দূতাবাস সূত্রে জানা গেছে, গ্রিসে অনেক বাংলাদেশি অভিবাসী শ্রমিক তাদের অনিয়মিত অবস্থার কারণে চক্রের দ্বারা শোষিত হচ্ছেন। তাঁরা কম মজুরিতে কাজ করতে বাধ্য হচ্ছেন। এই সমস্যা মোকাবিলা করতে এবং অবৈধ অভিবাসন রোধ করতে বাংলাদেশ ও গ্রিস এমওইউ স্বাক্ষর করে। এটি বাংলাদেশ এবং ইউরোপীয় ইউনিয়নের একটি দেশের মধ্যে প্রথম। চুক্তির আওতায় গ্রিস প্রতি বছর কৃষি খাতে চার হাজার নতুন বাংলাদেশি কর্মী নিয়োগ করবে। দূতাবাস থেকে জানানো হয়েছে, এজন্য গ্রিক সরকার একটি অনলাইন প্লাটফর্ম চালু করবে। সেখানে অনিয়মিতভাবে বসবাসরত বাংলাদেশিরা আবেদন করে প্রয়োজনীয় কাগজপত্র আপলোড করে তাৎক্ষণিকভাবেই বৈধ হয়ে যেতে পারবেন। এরপর তাঁরা বৈধভাবে চাকরির সুযোগ পাবেন। অনলাইনে আবেদন সঠিকভাবে সম্পন্ন হওয়ার পরপরই আবেদনকারীর ইমেইলে তার অস্থায়ী রেসিডেন্স পারমিট পাঠানো হবে। এই বৈধ বা নিয়মিত হওয়ার প্রক্রিয়াটি সহজ ও সংক্ষিপ্ত বলে জানিয়েছে দূতাবাস। আবেদন প্রক্রিয়াটি তিনটি ধাপে সম্পন্ন হবে। প্রথম ধাপে দূতাবাসে নাম নিবন্ধন করতে হবে এবং পাসপোর্ট ও একটি অনুলিপি সত্যায়িত করে নিতে হবে। দূতাবাসে নাম নিবন্ধনের সময় কয়েকটি বিষয় খেয়াল রাখতে হবে। সেগুলো হলো- ১. দুই বছরের বেশি মেয়াদ সম্পন্ন পাসপোর্ট নিয়ে আসতে হবে। ২. ২০২২ সালের ৯ ফেব্রুয়ারির আগে গ্রিসে আগমন বা বসবাসের প্রমাণপত্র থাকতে হবে। ৩. একটি ইমেইল অ্যাড্রেস থাকতে হবে এবং ৪. আবেদনকারীর নামে নিবন্ধিত একটি মোবাইল নম্বর থাকতে হবে। যারা ইতোমধ্যে তাদের সম্ভাব্য চাকরিদাতা নিশ্চিত করতে পেরেছেন তারা যথাশিগগির দূতাবাসে এসে নাম নিবন্ধন করে এবং তাদের পাসপোর্টটি সত্যায়িত করে নিয়ে যেতে পারেন। ইতোমধ্যে নিবন্ধন কার্যক্রম শুরু হয়েছে এবং প্রায় শতাধিক আবেদনকারীর নাম নিবন্ধিত করা হয়েছে বলে জানিয়েছে দূতাবাস। দূতাবাস এক ফেসবুক পোস্টে জান জানিয়েছে, শুধুমাত্র দুই বছরের বেশি মেয়াদ যুক্ত পাসপোর্টধারীরাই দূতাবাসের নাম নিবন্ধনের এবং অনলাইন প্লাটফর্মে নিয়মিতকরণের জন্য আবেদনের সুযোগ পাবেন। সংশ্লিষ্ট গ্রিক কর্তৃপক্ষ আবেদনটি যাচাইবাছাই করে গ্রহণের পর পাঁচ বছরের রেসিডেন্ট কার্ড প্রদান করবে। প্রতি পাঁচ বছর পর এটি নবায়ন করা যাবে। 

post
এনআরবি বিশ্ব

প্রবাসীদের জন্য সঞ্চয় প্রকল্প চালুর পরিকল্পনা করছে মালয়েশিয়া

বিদেশি কর্মীদের জন্য সঞ্চয় প্রকল্প চালুর পরিকল্পনা করছে মালয়েশিয়া সরকার। এ প্রকল্প বাস্তবায়ন হলে বিদেশি কর্মীদের চাকরির মেয়াদ শেষে এককালীন সঞ্চয় নিয়ে দেশে ফিরতে পারবেন।শুক্রবার (১৯ আগস্ট) দেশটির টিভি চ্যানেলে সম্প্রচারিত এক অনুষ্ঠানে এ তথ্য জানান মালয়েশিয়ার মানবসম্পদমন্ত্রী এম সারাভানান।তিনি বলেন, ১০ বছর পর চাকরির মেয়াদ শেষে বিদেশি কর্মীদের নিজ দেশে ফিরে যেতে অস্বীকৃতি জানানোর সমস্যাটি ছিল। কারণ তাদের সঞ্চয় ছিল না। স্কিমটি চালু হলে এ সমস্যা আর থাকবে না। সুতরাং এই সঞ্চয় স্কিমটি বাস্তবায়িত করা প্রয়োজন। যেন তাদের সঞ্চয় থাকে এবং শর্তটি অন্তর্ভুক্ত থাকবে সঞ্চয় শুধু ১০ বছর পর তারা নিজ দেশেই তুলতে পারবেন।সারাভানান বলেন, এই স্কিমটি বাস্তবায়িত হতে সময় লাগতে পারে। কারণ আন্তর্জাতিক শ্রম সংস্থার অধীনে জোরপূর্বক শ্রমের সূচকসহ বেশ কয়েকটি বিষয় বিবেচনা করতে হবে।এদিকে, আগামী ১ সেপ্টেম্বর থেকে দক্ষ শ্রমিকসহ বিদেশি কর্মীদের প্রবেশের ক্ষেত্রে জনশক্তি অধিদপ্তরের অনুমোদন নিতে হবে। এই নতুন পদ্ধতির বিস্তারিত মন্ত্রিসভা বৈঠকের পরের সপ্তাহে ঘোষণা করা হবে বলে জানিয়েছেন মালয়েশিয়ার মানবসম্পদমন্ত্রী।

post
এনআরবি বিশ্ব

মালদ্বীপে অসুস্থ প্রবাসী বিল্লালকে দেশে ফেরার ব্যবস্থা হাইকমিশনের

মালদ্বীপে অসুস্থ প্রবাসী বাংলাদেশি বিল্লালকে দেশে যাওয়ার বিমানের টিকিট হস্তান্তর করেছেন হাইকমিশনের প্রথম সচিব (শ্রম) ও দূতালয় প্রধান মো. সোহেল পারভেজ। বৃহস্পতিবার (১৮ আগস্ট) ওয়েজ আর্নার্স কল্যাণ তহবিল থেকে টিকিট হস্তান্তর করা হয়।এ সময় হাইকমিশনের কল্যাণ সহকারী মোহাম্মদ জসিম উদ্দিন উপস্থিত ছিলেন। মোহাম্মদ বিল্লাল কিছুদিন আগে একটি দ্বীপে স্ট্রোক করেন এবং তার শরীরের একাংশ প্যারালাইজড হয়ে যায়।এরপর তিনি মালের আইজিএম হাসপাতালে চিকিৎসাধীন ছিলেন। হাইকমিশনার অসুস্থ প্রবাসী বাংলাদেশি বিল্লালের দ্রুত সুস্থতা কামনা করেন। পাশাপাশি তাকে একটি বিমানের টিকিট দেওয়ার ব্যবস্থা করেন।গত জুলাই মাসের ৩০ তারিখ হাসপাতাল থেকে খবর পেয়ে শনিবার দুপুর ১টা ৩০ মিনিটের দিকে ওই বিল্লালকে দেখতে যান মালদ্বীপ হাইকমিশন অফিসের কল্যাণ সহকারী আল মামুন পাঠান ও মোহাম্মদ জসিম উদ্দীন।তখন তিনি তিনি তার নাম-ঠিকানা কোনো কিছুই বলতে পারছিলেন না। মালদ্বীপে তার নিকটাত্মীয়-স্বজন আছে কি-না সেটাও জানা ছিল না। শুধু বলতে পেরেছেন, গ্রামের বাড়ি কুমিল্লার ইলিয়াটগঞ্জে।পরে হাইকমিশনার অফিস ও হাসপাতাল সূত্র থেকে পাওয়া তথ্য জানা যায়, তার দেশের বাড়ি, কুমিল্লা জেলার মুরাদনগর থানার দাড়িপাড়া গ্রামের আলী মিয়া ও পরাশা বেগমের ছেলে মোহাম্মদ বিল্লাল।

post
এনআরবি বিশ্ব

আরব আমিরাতে তৈরি পোশাকশিল্পে বাংলাদেশিরা এগিয়ে

বাংলাদেশি উদ্যোক্তাদের হাত ধরে সংযুক্ত আরব আমিরাতের আজমান শহরে সুঁই সুতো আর আধুনিক যন্ত্রপাতির মেলবন্ধনে প্রতিদিন তৈরি হচ্ছে লাখো কোটি তৈরি পোশাক। দীর্ঘদিন ধরে আমিরাতের এই প্রদেশে পোশাক উৎপাদনের একচেটিয়া বাজার ধরে রেখেছেন বাংলাদেশিরা। ছোট পরিসরে ব্যবসা শুরু করলেও ক্রমান্বয়ে ব্যবসায় সফলতা পেয়েছেন অনেকে।ব্যবসায়ীরা জানান, আমিরাতের তৈরি পোশাক উৎপাদনের অন্যতম বড় বাজার এটি। যেখানে প্রায় ২ হাজার গার্মেন্টস ব্যবসায়ীসহ প্রায় ১০ হাজারের অধিক বাংলাদেশি কর্মী এ শিল্পে জড়িত। আজমানের এক বাজারেই রয়েছে বাংলাদেশিদের প্রায় ৫ শতাধিক তৈরি পোশাক প্রতিষ্ঠান। এ ছাড়াও রপ্তানিকারক, পাইকারি ও খুচরা ব্যবসায়ীদের আলাদা শ্রেণিবিন্যাস আছে এখানে। দেশ থেকে সরাসরি তৈরি পোশাক বাজারজাত করেও এ ব্যবসায় আধিপত্য ধরে রেখেছেন অনেক বাংলাদেশি। এসব প্রতিষ্ঠানে প্রতিমাসে ২৫ কোটি টাকার মতো ব্যবসায়িক টার্নওভার হয়। এখান থেকে প্রতিমাসে দেশে কয়েক কোটি টাকা রেমিট্যান্স যায়।বরিশালের বাকেরগঞ্জ উপজেলার মেয়ে শেফালী আক্তার আঁখি এই বাজারের তৈরি পোশাক শিল্পের একজন উদ্যোক্তা। ২০ বছরের ব্যবধানে গড়ে ওঠেছে তার পাঁচটি পোশাক শিল্প প্রতিষ্ঠান। যেখানে প্রায় ২ শতাধিক কর্মী কাজ করছেন। মধ্যপ্রাচ্যের দেশ ইরান, ওমান, কুয়েত, কাতার, সৌদি আরব, মিশরসহ বেশ কিছু দেশে রপ্তানি হয় তার প্রতিষ্ঠানে তৈরিকৃত পণ্য।শেফালী আক্তার আঁখি বলেন, নতুন ব্যবসায়ীদের আগ্রহী করে তুলতে দেশীয় উদ্যোগে আমিরাতে অন্তত বছরে একবার হলেও পোশাক শিল্প মেলা করা দরকার। দেশের বাইরে তৈরি পোশাক শিল্পের এমন উৎপাদন ও ব্যবসা বাড়াতে বিজিএমইএ কর্তৃপক্ষ এইদিকে মনোযোগ দিতে পারেন। তাতে প্রবাসী উদ্যোক্তারা উৎসাহিত হবেন। দিনাজপুর ঘোড়াঘাট উপজেলার মোহাম্মদ আনিসুর রহমানও একই বাজারের ব্যবসায়ী। পোশাক শিল্প উদ্যোক্তা হিসেবে এখানে নয় বছর ধরে ব্যবসা পরিচালনা করছেন তিনি। তার শুরুটা একজন সাধারণ পোশাক শ্রমিক হিসেবে হলেও নিয়মিত সুঁই সুতার কারিগর হিসেবে তার অধীনে বর্তমানে কাজ করছেন ৩০ জন কর্মী। তার প্রতিষ্ঠানে মাসে ব্যবসায়িক লেনদেন ৩ লাখ দিরহাম ছাড়িয়ে যায়। বরিশাল মুলাদী উপজেলার আরেক ব্যবসায়ী দিদারুল আলম প্রায় ১৩ বছর ধরে নিজস্ব ফ্যাক্টরি পরিচালনা করছেন এখানে। শুরুতে সামান্য অপারেট হিসেবে এই পেশায় এলেও ২০০৯ সালে নিজের মালিকানায় তৈরি পোশাক উৎপাদনের কাজ শুরু করেন। অল্প সময়ে হয়ে ওঠেন সফল উদ্যোক্তা।দিদারুল আলম বলেন, করোনার কারণে অন্যান্য সেক্টরে ক্ষতি হলেও এখানকার গার্মেন্টস ব্যবসায়ীরা লাভবান হয়েছেন পিপিই, মাস্ক ও মেডিকেল সরঞ্জাম তৈরি করে। কাজের মাত্রা গতিশীল থাকায় তখন ক্ষতির মুখে না পড়লেও ইউক্রেন-রাশিয়ার যুদ্ধের কারণে নিয়মিত বাণিজ্য কিছুটা থমকে আছে। তবে পরিস্থিতি স্বাভাবিক হলে ব্যবসা বাড়ার পাশাপাশি বাড়বে রেমিট্যান্স।ব্যবসায়ী মনিরুজ্জামান মনির বলেন, আমিরাতের সঙ্গে সমুদ্রপথে সরাসরি যোগাযোগ না থাকায় কয়েকটি দেশ ঘুরে এসব বিক্রয়জাত পণ্য আনতে হয়। দেশ থেকে মালামাল আমিরাতে পৌঁছাতে সময় লাগে ২০ থেকে ৩০ দিন। শিপমেন্ট জটিলতা ও সময়ের দূরত্ব কমানো গেলে এই বাজারে দেশীয় তৈরি পোশাক রপ্তানি আরও বাড়ার সম্ভাবনা আছে।

post
দূতাবাস খবর

ইতালির রোমে বাংলাদেশ দূতাবাসে ভাঙচুর-বিশৃঙ্খলা খতিয়ে দেখা হবে: দূতাবাস

রোমে বাংলাদেশ দূতাবাসে ভাঙচুর-বিশৃঙ্খলার ঘটনায় রাষ্ট্রদূত মো. শামীম আহসান বলেছেন, দূতাবাসে ভাঙচুর করা খুবই দুঃখজনক ঘটনা। এই বিশৃঙ্খলায় কারো কোন ইন্ধন আছে কি না তা খতিয়ে দেখা হচ্ছে।এর আগে রোমে বাংলাদেশ দূতাবাসে পাসপোর্টের বয়স সংশোধন ও ফিঙ্গার প্রিন্টসহ অন্যান্য সমস্যার সমাধান না পেয়ে বিক্ষুব্ধ কয়েকশ প্রবাসী বাংলাদেশি দূতাবাসে ভাঙচুর করেছেন। মঙ্গলবার (১৬ আগস্ট) স্থানীয় সময় বেলা ১১টার দিকে দূতাবাসে এ ঘটনা ঘটে।বিক্ষুব্ধ প্রবাসীরা সেখানে বিকেল পাঁচটা পর্যন্ত অবস্থান করেন। পরে দূতাবাসের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা বাইরে এসে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনেন।এ সময় রাষ্ট্রদূত মো. শামীম আহসান প্রবাসীদের এ সমস্যা সমাধানের আশ্বাস দেন তাদের। এরপর বিক্ষুব্ধ কয়েকজন বাংলাদেশি রাষ্ট্রদূতের হাতে স্মারকলিপি তুলে দেন।ওই দিন ১৭ জনের একটি প্রতিনিধি দল দূতাবাসের কর্মকর্তাদের সঙ্গে পাসপোর্ট সংক্রান্ত বৈঠক করে। বৈঠক শেষে পুলিশ দুজনকে আটক করে। কিন্তু পরে আবার তাদের ছেড়ে দেওয়া হয়।জানা গেছে, কয়েক বছর ধরে প্রায় ৭ হাজার পাসপোর্ট আটকে আছে দূতাবাসের অধীনে। এ কারণে এসব বাংলাদেশিরা পাসপোর্ট জটিলতার কারণে বিপদে আছেন। এর কোন সমাধান না পেয়ে দূতাবাসে এসে বিক্ষুব্ধ প্রবাসীরা ভাঙচুর করে।নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক এক ভুক্তভোগী বলেন, গত তিন বছর ধরে ফিঙ্গারপ্রিন্ট সমস্যার কারণে আমার পাসপোর্টটি আটকে আছে। আমার মতো আরও অনেক বাংলাদেশিদের একই সমস্যা। খুবই বিপদে আছি। রাষ্ট্রের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তাদের হস্তক্ষেপ ও সুদৃষ্টি কামনা করছি। আমাদের মত অসহায় প্রবাসীদের সহযোগিতায় এগিয়ে আসার জন্য।তিনি বলেন, ইতালিতে আমরা বৈধ হলেও পাসপোর্টের কারণে চরম বিপদে আছি। যেকোনো মুহূর্তে অবৈধ হয়ে যেতে পারি। এরমধ্যে আমার বাবা মারা গেছেন পাসপোর্টের কারণে দেশে যেতে পারিনি।এ ব্যাপারে ইতালিতে নিযুক্ত বাংলাদেশের রাষ্ট্রদূত মোঃ শামীম আহসান বলেন, দূতাবাসে পাসপোর্টের বয়স সংশোধনসহ অন্যান্য চলমান প্রক্রিয়া অব্যাহত রয়েছে। এরপরেও দূতাবাসের এরকম একটি সুশৃঙ্খল কাজে বিশৃঙ্খলা করার কোন কারণ দেখছি না। বিষয়টি সমাধান করতে ঢাকা অফিসে নিয়মিত যোগাযোগ করা হচ্ছে। তারপরেও দূতাবাসে ভাঙচুর এটা খুবই দুঃখজনক ঘটনা।তিনি আরও বলেন, এই বিশৃঙ্খলায় কারো কোন ইন্ধন আছে কি না তা খতিয়ে দেখা হচ্ছে যদি এরকম কিছু পাওয়া যায় তবে এদেশের নিয়ম মেনে আইনি ব্যবস্থা নেওয়া হবে। বাংলাদেশ যেমন সবার, দূতাবাসও তেমন সবার।প্রসঙ্গত, গতকাল পাসপোর্টের বয়স সংশোধনসহ অন্যান্য সমাধান না পেয়ে দূতাবাসের ভিতরে বিক্ষুব্ধ কয়েকশ প্রবাসী বাংলাদেশিরা ভাঙচুর করে। পরে পরিস্থিতি সামাল দিতে প্রশাসনের নিরাপত্তা জোরদার করা হয়।

post
এনআরবি সাফল্য

আগষ্টের ১৬ দিনে ১১৭ কোটি ডলার রেমিট্যান্স পাঠিয়েছেন প্রবাসী বাংলাদেশিরা

বাংলাদেশে ডলার সংকট চরমে। সংকট সমাধানে রিজার্ভ থেকে ডলার ছাড়ছে বাংলাদেশ ব্যাংক। এতে টান পড়েছে রিজার্ভে, কমে দাঁড়িয়েছে ৪০ বিলিয়নের নিচে। রিজার্ভের অন্যতম প্রধান উৎস রেমিট্যান্স।এসব উদ্বেগের মধ্যে প্রশান্তির সুবাতাস নিয়ে আসছে রেমিট্যান্স। প্রবাসীদের পাঠানো রেমিট্যান্স বেড়েই চলেছে। জুলাই মাসের পর আগস্টেও প্রবাসী আয় ঊর্ধ্বমুখী।চলতি আগস্ট মাসের ১৬ দিনে ১১৭ কোটি ১০ লাখ ডলার দেশে পাঠিয়েছেন প্রবাসী বাংলাদেশিরা। যা বাংলাদেশি মুদ্রায় (প্রতি ডলার ৯৫ টাকা) ১১ হাজার ১২৪ কোটি টাকা। এটি গত বছরের (২০২১ এর আগস্টের ১৬ দিন) একই সময়ের চেয়ে ১৬.৩০ শতাংশ বেশি। প্রতিদিন এসেছে ৭ কোটি ২৬ লাখ ডলার বা প্রায় ৭০০ কোটি টাকা। বাংলাদেশ ব্যাংক সূত্রে এ তথ্য জানা গেছে।ব্যাংকখাত সংশ্লিষ্টরা বলছেন, যেভাবে রেমিট্যান্স আসছে এটা ইতিবাচক দিক। এ ধারা অব্যাহত থাকলে গত জুলাই মাসের মতো আগস্ট মাসেও ২ বিলিয়ন ডলারের বেশি রেমিট্যান্স আসবে।চলতি ২০২২-২৩ অর্থবছরের প্রথম মাস জুলাইয়ে ২০৯ কোটি ৬৯ লাখ ১০ হাজার ডলার রেমিট্যান্স এসেছে দেশে। আর গত বছরের (২০২১) জুলাই মাসের চেয়ে বেশি ছিল ১২ শতাংশ।চলতি অর্থবছরের ১ জুলাই থেকে শুরু হওয়া নতুন অর্থবছরের (চলতি মাস আগস্টের ১৬ দিন) প্রথম দেড় মাসে ৩২৮ কোটি ৮০ লাখ (৩.২৭ বিলিয়ন) ডলারের রেমিট্যান্স দেশে এসেছে। দেশীয় মুদ্রায় (প্রতি ডলার ৯৫ টাকা হিসাবে) এ অর্থের পরিমাণ ৩১ হাজার ৪৬ কোটি টাকা।গত বছরের আগস্টের একই (১ থেকে ১৬ আগস্ট) সময়ে ১০০ কোটি ৭০ লাখ ডলার রেমিট্যান্স এসেছে। আর গত ২০২১-২২ অর্থবছরের প্রথম দেড় মাসে (২০২১ এর আগস্টের ১৬ দিন) ২৮৭ কোটি ৮০ লাখ (২.৮৮ বিলিয়ন) ডলার এসেছিল দেশে। সে হিসাবে গত অর্থবছরের দেড় মাসের চেয়ে ১৩.৫০ শতাংশ বেশি এসেছে।২০২১-২০২২ অর্থবছরে ২ হাজার ১০৩ কোটি (২১.০৩ বিলিয়ন) ডলার এসেছিল দেশে। যা গড়ে প্রতিদিন ৫ কোটি ৭৬ লাখ ডলার। সবচেয়ে বেশি এসেছিল ২০২০-২১ অর্থবছরে। ওই অর্থবছরে ২ হাজার ৪৭৮ কোটি (২৪.৭৮ বিলিয়ন) ডলার রেমিট্যান্স এসেছিল দেশে যা প্রতিদিন গড়ে আসে ৬ কোটি ৭৯ ডলার।

About Us

NRBC is an open news and tele video entertainment platform for non-residential Bengali network across the globe with no-business vision just to deliver news to the Bengali community.