post
বাংলাদেশ

বাংলাদেশ আর কখনো পেছনে ফিরে তাকাবে না : শেখ হাসিনা

প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা বলেছেন, বাংলাদেশ আর কখনো পেছনে ফিরে তাকাবে না। একটি স্মার্ট উন্নত ও সমৃদ্ধ বাংলাদেশ হয়ে ওঠার জন্য এগিয়ে যাবে। তিনি বলেন, 'ইনশাআল্লাহ, বাংলাদেশ আর কখনো পেছনে ফিরে তাকাবে না, বাংলাদেশ এগিয়ে যাচ্ছে এবং তা অব্যাহত থাকবে।'প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা আজ রোববার গাজীপুরের সফিপুরে আনসার ও ভিডিপি একাডেমিতে বাংলাদেশ আনসার ও ভিডিপির '৪৩তম জাতীয় সমাবেশ-২০২৩'-এ প্রধান অতিথির ভাষণে এ কথা বলেন। তিনি বলেন, ইনশাল্লাহ এই দেশ আর পেছনে ফিরে তাকাবে না। বাংলাদেশ এগিয়ে যাচ্ছে, এগিয়ে যাবে। আমরা বাংলাদেশে তথ্য প্রযুক্তির প্রসারের যে উদ্যোগ নিয়েছি, এতে এই বাংলাদেশ হবে স্মার্ট বাংলাদেশ। শেখ হাসিনা বলেন, সবার সম্মিলিত প্রয়াসেই বাংলাদেশকে আমরা উন্নত সমৃদ্ধ করে গড়ে তুলব। স্মার্ট বাংলাদেশ হিসেবে গড়ে তুলব ইনশাল্লাহ। প্রধানমন্ত্রী বলেন, আজকে শতভাগ বিদ্যুৎ দিতে পেরেছি, আমরা স্যাটেলাইট বঙ্গবন্ধু-১ উৎক্ষেপণ করেছি, আমাদের দেশে মেট্রোরেল চালু হয়েছে, পাতাল রেলও চালু হবে, কর্ণফুলী নদীর তলদেশ দিয়ে টানেল করে দিচ্ছি, পদ্মা সেতু নিজেদের অর্থায়নে আমরা করেছি। আর এই প্রতিটি স্থাপনার নিরাপত্তার সঙ্গে আনসার বাহিনী বিশেষভাবে জড়িত রয়েছে। প্রধানমন্ত্রী বলেন, 'আমাদের দেশটা আমরা অনেক রক্তের বিনিময়ে স্বাধীন করেছি এবং আজকে বাংলাদেশ উন্নয়নশীল দেশের মর্যাদা পেয়েছে, আমরা আরও সামনের দিকে এগিয়ে যেতে চাই। বাংলাদেশকে আমরা উন্নত সমৃদ্ধ দেশ হিসেবে গড়ে তুলতে চাই।' অনুষ্ঠানে মনোজ্ঞ কুচকাওয়াজের মাধ্যমে আসনার ও ভিডিপি সদস্যরা প্রধানমন্ত্রীকে রাষ্ট্রীয় সালাম জানায়। প্রধানমন্ত্রী সালাম গ্রহণ করেন এবং একটি খোলা জিপে করে প্যারেড পরিদর্শন করেন। এর আগে প্রধানমন্ত্রী অনুষ্ঠানস্থলে পৌঁছালে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী আসাদুজ্জামান খান ও জননিরাপত্তা বিভাগের সিনিয়র সচিব মো. আমিনুল ইসলাম খান, বাংলাদেশ আনসার ও ভিডিপির মহাপরিচালক মেজর জেনারেল একেএম আমিনুল হক এবং বাংলাদেশ আনসার ও ভিডিপি একাডেমীর ভারপ্রাপ্ত কমানড্যান্ট মো. ফখরুল আলম তাকে স্বাগত জানান। প্রধানমন্ত্রী নিজ নিজ ক্ষেত্রে অসামান্য অবদানের জন্য ১৮০ জন আনসার ও ভিডিপি সদস্যের হাতে ৮টি ক্যাটাগরিতে বিভিন্ন পদক তুলে দেন। পরে তিনি আনসার একাডেমীতে বিভিন্ন স্থাপনার উদ্বোধন করেন এবং আনসার ও ভিডিপি পরিবেশিত বর্ণাঢ্য সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান ও কোরিওগ্রাফি উপভোগ করেন। বিএনপি জামাতের অগ্নি সন্ত্রাস এবং সন্ত্রাস ও জঙ্গিবাদ দমন করে মানুষের জানমালের নিরাপত্তা বিধানে আনসার বাহিনীর ভূমিকার প্রশংসা করেন প্রধানমন্ত্রী। তিনি বলেন, অগ্নিসন্ত্রাস ও জ্বালাও পোড়াও যখন বিএনপি জামাত জোট শুরু করেছিল; বাস, ট্রেন, লঞ্চ, গাড়িতে যখন তারা আগুন দিচ্ছিল আসনার বাহিনীর সদস্যরা তখন নিজ নিজ এলাকায় দায়িত্ব পালন করে এই অগ্নিসন্ত্রাস থেকে দেশের মানুষকে মুক্তি দিতে যথেষ্ট সহায়তা করেছে। তাছাড়া জঙ্গিবাদ ও সন্ত্রাস দমনেও ভূমিকা পালন করে যাচ্ছে। 'পাশাপাশি খেলাধূলা এবং শরীরচর্চাসহ ক্রীড়াঙ্গনেও আনসার বাহিনীর সদস্যরা বিরাট ভূমিকা রেখে যাচ্ছে এবং অনেক পুরস্কারও পাচ্ছে,' বলেন তিনি। দেশের তৃণমূলের মানুষের আর্থসামাজিক উন্নয়নে তার সরকারের উদ্যোগ উল্লেখ করে সরকার প্রধান বলেন, 'আমরা বিনা পয়সায় ঘর করে দিচ্ছি এবং তাদের জীবনমান উন্নয়নে বিভিন্ন উদ্যোগ নেওয়া হচ্ছে। যাতে তারা নিজের পায়ে দাঁড়াতে পারে।'

post
বাংলাদেশ

বাংলাদেশের পরবর্তী রাষ্ট্রপতি সাহাবুদ্দিন চুপ্পু

অবসরপ্রাপ্ত জেলা ও দায়রা জজ এবং দুর্নীতি দমন কমিশনের (দুদক) সাবেক কমিশনার মো. সাহাবুদ্দিন চুপ্পু দেশের পরবর্তী রাষ্ট্রপতি হিসেবে মনোনীত হয়েছেন। রোববার এক ফেসবুক পোস্টে এ তথ্য জানিয়েছেন আওয়ামী লীগের দপ্তর সম্পাদক বিপ্লব বড়ুয়া।এদিন সকালে প্রধানমন্ত্রী ও আওয়ামী লীগ সভাপতি শেখ হাসিনার সঙ্গে সাক্ষাৎ করতে গণভবনে যান ওবায়দুল কাদেরসহ আওয়ামী লীগের নেতারা। এরপর নির্বাচন কমিশনে গিয়ে দলীয় প্রার্থী হিসেবে সাহাবুদ্দিন চুপ্পুর নাম দাখিল করেন ওবায়দুল কাদের। পরে নির্বাচন কমিশন ভবনের সামনে সাংবাদিকদের এ বিষয়ে ব্রিফও করেন কাদের। বিপ্লব বড়ুয়া জানান, বাংলাদেশ আওয়ামী লীগ গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশের পরবর্তী রাষ্ট্রপতি হিসাবে মো. সাহাবুদ্দিনকে মনোনয়ন প্রদান করেছেন। বাংলাদেশ আওয়ামী লীগের মাননীয় সভাপতি এবং বাংলাদেশ আওয়ামী লীগের পার্লামেন্টারি পার্টির প্রধান বঙ্গবন্ধু কন্যা মাননীয় শেখ হাসিনা এই মনোনয়ন চূড়ান্ত করেছেন। তিনি পেশায় একজন আইনজীবী এবং বাংলাদেশ আওয়ামী লীগের উপদেষ্টা মণ্ডলীর সদস্য।১৯৪৯ সালে পাবনায় জন্মগ্রহণ করেন সাহাবুদ্দিন চুপ্পু। তিনি ইতিপূর্বে জেলা ও দায়রা জজ এবং দুর্নীতি দমন কমিশনের একজন কমিশনার হিসেবে দায়িত্ব পালন করেছেন। মো. সাহাবুদ্দিন ১৯৭১ সালে পাবনা জেলার স্বাধীন বাংলা ছাত্র সংগ্রাম পরিষদের আহ্বায়ক ছিলেন এবং মহান মুক্তিযুদ্ধে অংশগ্রহণ করেন। তিনি ১৯৮২ সালে বিসিএস (বিচার) বিভাগে যোগদান করেন এবং ১৯৯৫ সালে জুডিশিয়াল সার্ভিস অ্যাসোসিয়েশনের মহাসচিব হিসেবে নির্বাচিত হন। তিনি বঙ্গবন্ধু হত্যা মামলায় আইন মন্ত্রণালয় কর্তৃক নিযুক্ত সমন্বয়কারী হিসেবে দায়িত্ব পালন করেন। তিনি ২০০১ সালের সাধারণ নির্বাচন পরবর্তী সময়ে বিএনপি-জামাত জোটের নেতা কর্মীর দ্বারা সংঘটিত হত্যা, ধর্ষণ ও লুণ্ঠন এবং মানবতা বিরোধী কর্মকাণ্ডের অনুসন্ধানে গঠিত বিচার বিভাগীয় তদন্ত কমিশন এর চেয়ারম্যান হিসেবে দায়িত্ব পালন করেন। তিনি ছাত্র জীবনে পাবনা জেলা ছাত্রলীগের সভাপতি এবং ১৯৭৪ সালে পাবনা জেলা যুবলীগের সভাপতির দায়িত্ব পালন করেন। ১৯৭৫ সালে সংঘটিত জাতির পিতা বঙ্গবন্ধুর নির্মম হত্যাকাণ্ডের পর কারা বরণ করেন। তিনি বাংলাদেশ আওয়ামী লীগের সর্বশেষ জাতীয় কাউন্সিলে নির্বাচন কমিশনার হিসেবে দায়িত্ব পালন করেছেন। তিনি ব্যক্তিগত জীবনে এক পুত্র সন্তানের পিতা এবং তার স্ত্রী প্রফেসর ড, রেবেকা সুলতানা সরকারের সাবেক যুগ্ম সচিব ছিলেন। এদিকে সোমবার (১৩ ফেব্রুয়ারি) সকাল ১০টা থেকে মনোনয়নপত্র যাচাই-বাছাই হবে এবং ১৪ ফেব্রুয়ারি বিকেল ৪টা পর্যন্ত মনোনয়নপত্র প্রত্যাহার করা যাবে। আগামী ১৯ ফেব্রুয়ারি জাতীয় সংসদ কমপ্লেক্সে দুপুর ২টা থেকে বিকেল ৫টা পর্যন্ত দেশের ২২তম রাষ্ট্রপতি নির্বাচন অনুষ্ঠিত হবে। রাষ্ট্রপতি দায়িত্ব গ্রহণের তারিখ থেকে পরবর্তী ৫ বছরের জন্য এই পদে অধিষ্ঠিত থাকেন। বর্তমান রাষ্ট্রপতি মো. আবদুল হামিদ ২০১৮ সালের ২৪ এপ্রিল দায়িত্বভার গ্রহণ করেন। সেই অনুযায়ী, তার ৫ বছরের মেয়াদ আগামী ২৩ এপ্রিল শেষ হবে।

post
বাংলাদেশ

বাংলাদেশে আমরা নারী ও মেয়েদের নেতৃত্বকে অগ্রাধিকার দিচ্ছি : শেখ হাসিনা

প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা আজ আরও বেশি সংখ্যক নারী ও মেয়েদের বিজ্ঞানে উৎকর্ষতা লাভের সুযোগ দিতে সবার মানসিকতা পরিবর্তনে বৈশ্বিক প্রচেষ্টার প্রয়োজনীয়তার ওপর জোর দিয়েছেন এবং নিজেদের পরিবর্তনের লক্ষ্যে এজেন্ট হিসেবে কাজ করার জন্য নারীদের প্রতি আহ্বান জানিয়েছেন।তিনি বলেন, এটি দুর্ভাগ্যজনক যে নারীরা বিশ্বব্যাপী মাত্র ১২% বিজ্ঞানী এবং ৩০% গবেষকদের প্রতিনিধিত্ব করে। আমাদের অবশ্যই মানসিকতা এবং শিক্ষার পরিবেশের প্রতিবন্ধকতাগুলি দূর করার লক্ষ্যে কাজ করতে হবে যাতে আরও বেশি সংখ্যক নারী ও মেয়েরা বিজ্ঞানে উৎকর্ষতা লাভ করতে পারে। প্রধানমন্ত্রী যুক্তরাষ্ট্রের নিউইয়র্কে জাতিসংঘ সদর দফতরে অনুষ্ঠিত ৮ম নারী ও মেয়েদের দিবস বিজ্ঞান সমাবেশে এক ভিডিও বিবৃতিতে নারী ও মেয়েদের নিজেদের বদলে দেয়ার এজেন্ট হিসেবে কাজ করার আহ্বান জানান। তিনি বলেন, বিজ্ঞান ও প্রযুক্তিতে নিয়োজিত নারী ও মেয়েদের মনে রাখতে হবে যে, তারা একা নন। তারা যে পদক্ষেপগুলি নেন তা বিশ্বজুড়ে তাদের বোনদের জন্য আরও দ্বার উন্মুক্ত করতে সাহায্য করবে। তিনি বলেন, বাংলাদেশে প্রতিটি ক্ষেত্রে আমরা নারী ও মেয়েদের নেতৃত্ব দেওয়ার বিষয়টিকে অগ্রাধিকার দিচ্ছি। তিনি বলেন, আমাদের নারীরা গবেষণা ও উচ্চশিক্ষার ক্ষেত্রে খুব ভালো করছে। কৃষি, শিল্প, স্বাস্থ্য, বিজ্ঞান, শিল্প, তথ্য প্রযুক্তিসহ সকল ক্ষেত্রে গবেষণার জন্য মেয়েদের বৃত্তি দেওয়া হচ্ছে। তিনি আরো বলেন, মেয়েদের উৎসাহিত করার জন্য, তার সরকার সারা দেশে ৫,২৭৫টি ডিজিটাল সেন্টার প্রতিষ্ঠা করেছে যেখান থেকে একজন মেয়ে এবং একজন ছেলে উদ্যোক্তা ২০০ ধরনের সেবা প্রদান করছে। তার সরকারের গৃহীত পদক্ষেপের বর্ণনা দিয়ে তিনি বলেন, বাংলাদেশী ছেলে-মেয়েদের জন্য সহজ প্রবেশাধিকার নিশ্চিত করতে তারা দেশব্যাপী বেশ কিছু বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয় প্রতিষ্ঠা করেছে। প্রধানমন্ত্রী বলেন, হাই-টেক পার্কগুলো একটি অন্তর্ভুক্তিমূলক পরিবেশ তৈরি করেছে যেখানে ছেলেদের পাশাপাশি মেয়েরাও উন্নতি করতে পারে। তিনি বলেন, আমরা দেখতে চাই যে, আমাদের নারী ও মেয়েরা বিজ্ঞানে উদ্ভাবন এবং সৃজনশীলতার সম্ভাবনা পূরণ করছে। আমাদেরকে অবশ্যই উন্নত ও উন্নয়নশীল দেশগুলিতে তাদের জন্য বিদ্যমান সুযোগ লাভের বাধা দূর করতে হবে। আমরা চাই আমাদের মেয়েরা স্মার্ট, জ্ঞান ভিত্তিক সমাজ গঠনে পূর্ণ সুযোগ পাবে। ২০১৫ সালে জাতিসংঘে গৃহীত প্রস্তাব অনুযায়ী বিজ্ঞানে নারী ও মেয়েদের আন্তর্জাতিক দিবস শুরু হয়েছিল। লক্ষ্য ছিল বিজ্ঞানে নারীদের অবদান এবং কৃতিত্ব উদযাপনের মাধ্যমে বিজ্ঞান, প্রযুক্তি, প্রকৌশল এবং গণিত (এসটিইএম) ক্ষেত্রে নারী-পুরুষের ব্যবধান দূর করা।

post
আন্তর্জাতিক

সমালোচনা ও বিতর্কের মুখে ‘গরুকে আলিঙ্গনের’ আহ্বান প্রত্যাহার

ভারতে আগামী ১৪ ফেব্রুয়ারি ভালোবাসা দিবসে ‘গরুকে আলিঙ্গনের‘ আহ্বান জানিয়েছিল দেশটির পশুকল্যাণ বোর্ড। তবে ব্যাপক সমালোচনা ও বিতর্কের মুখে সেই আহ্বান প্রত্যাহার করা হয়েছে।সংবাদমাধ্যম এনডিটিভি জানায়, গত বুধবার (৮ ফেব্রুয়ারি) গরুকে ভালোবেসে ‘জড়িয়ে ধরার’ অনুরোধ জানিয়ে ভারতের পশুকল্যাণ বোর্ড একটি বিজ্ঞপ্তি প্রকাশ করে। এ নিয়ে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ব্যাপক সমালোচনা ও বিদ্রূপ-উপহাস চলতে থাকে। এমন অবস্থায় নতুন একটি বিজ্ঞপ্তি দিয়ে পশুকল্যাণ বোর্ড আগের বিজ্ঞপ্তিটি প্রত্যাহার করে নিয়েছে। বোর্ডের সেক্রেটারি এস কে দত্ত স্বাক্ষরিত নতুন বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, যথাযথ কর্তৃপক্ষ এবং মৎস্যসম্পদ ও পশুসম্পদ মন্ত্রণালয়ের নির্দেশনায় পশুকল্যাণ বোর্ড ১৪ ফেব্রুয়ারি ‘গরুকে আলিঙ্গন দিবস’ হিসেবে পালনের যে আহ্বান জানিয়েছিল, তা প্রত্যাহার করা হচ্ছে। এর আগে ভালোবাসা দিবসে গরুকে আলিঙ্গন দিবস হিসেবে পালনের জন্য পশুকল্যাণ বোর্ডের বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, গরুকে জড়িয়ে ধরলে মানসিক সমৃদ্ধি হবে এবং মন খুশি থাকবে। এতে আরও বলা হয়, পাশ্চত্য সংস্কৃতির প্রভাবে দেশীয় রীতিনীতি প্রায় বিলুপ্তির পথে। ভারতীয় সংস্কৃতির মেরুদণ্ড হচ্ছে গরু। জীববৈচিত্র্য রক্ষা করতে, জীবনধারণে ও গ্ৰামীণ অর্থনীতির বিকাশে গরুর ভূমিকা অপরিসীম। পাশ্চাত্যনীতি থেকে ভারতবাসীকে সরিয়ে আনতেই এই সিদ্ধান্ত বলে দাবি করা হয়েছিল। কিন্তু এসবের মধ্যেই অনেকে প্রশ্ন তুলছিলেন, গরুকে জড়িয়ে ধরতে গেলে যদি গুঁতিয়ে দেয়? তবে শেষ পর্যন্ত সিদ্ধান্তটি পরিবর্তন করল ভারত।

post
বিনোদন

শাকিব খানের সঙ্গে সম্পর্ক জোড়া লাগছে অপুর !

সাবেক স্বামী চিত্রনায়ক শাকিব খানের সঙ্গে সম্পর্কের বরফ ধীরে ধীরে গলছে বলে জানালেন চিত্রনায়িকা অপু বিশ্বাস। শাকিব খানের পরিবারের সঙ্গে সম্পর্ক আরও দৃঢ় হয়েছে বলে ভারতীয় গণমাধ্যমে দেওয়া এক সাক্ষাৎকারে বলেছেন অপু। বিষয়টি নিয়ে আলোচনার মধ্যে দেওয়া সাক্ষাৎকারে অপু বিশ্বাস জানালেন, শাকিব খানের সঙ্গে এখন প্রায়ই তাঁর কথাবার্তা হয়। ব্যক্তিগত ব্যাপারের পাশাপাশি কাজ নিয়েও পরামর্শ পান তাঁর কাছে।অপু বলেন, ‘আমরা দুজন মিলেই জয়কে স্কুল থেকে আনা-নেওয়া করি। কখনো আমি রেখে আসি, শাকিব নিয়ে আসে। শাকিব রেখে আসে, আমি নিয়ে আসি। তা ছাড়া শাকিব আমার ব্যক্তিগত ব্যাপার বা মিডিয়াতে কাজের ব্যাপারেও মাঝেমধ্যে পরামর্শ দেয়।’ভালোবেসে বিয়ের পর ঢালিউডের আলোচিত জুটির সংসারে পুত্রসন্তান আব্রাহাম খান জয় আসে, ছেলের বয়স যখন দুই বছর তখন বিচ্ছেদের পথে হাঁটেন শাকিব ও অপু। সম্পর্কের টানাপোড়েনের মধ্যে পাল্টাপাল্টি অভিযোগ করেন তাঁরা। বিচ্ছেদের ছয় বছরের মাথায় অপু বিশ্বাসের উপলব্ধি হয়েছে, আবেগের বশবর্তী হয়ে সেসব বলেছিলেন। তিনি তাঁদের কাছে ক্ষমা চান।অপু বিশ্বাসের এমন উপলব্ধি প্রকাশ্যে আসার পর ইন্ডাস্ট্রিতে কানাঘুষা চলছে, বিচ্ছেদ ভুলে আবার এক ছাদের নিচে আসছেন এ জুটি? বিষয়টি জানতে চাইলে অপু বিশ্বাস বললেন, ‘সেটা এখন বলব না, সময় বলে দেবে। আগে কী করছে না করছে, সেটা আমি জানি না, শাকিবের এখন অনেক পরিবর্তন লক্ষ করেছি। সন্তান, পরিবার-পরিজনের প্রতি দারুণ আবেগ কাজ করে তার। শাকিব একজন ভালো মনের মানুষ।’ আব্রাহাম খান জয় বেশির ভাগ সময়ই শাকিব খানের গুলশানের বাসায় দাদা-দাদির কাছে থাকে। সেই সুবাদে অপু বিশ্বাসের শাকিবের বাসায় যাতায়াত বেড়েছে। অপু বিশ্বাস বলেন, ‘আমার তো মা-বাবা নেই। শ্বশুর-শাশুড়িই এখন আমার মা-বাবা। তো বাবা-মায়ের বাসায় যাব না কেন? প্রায়ই যাওয়া হয় সেখানে। তাঁরা আমাকে একেবারেই মেয়ের আদরে দেখেন। আমাকে খুব ভালোবাসেন তাঁরা। আমার মা মারা যাওয়ার পর কাছের মানুষদের সঙ্গে মিলেমিশে থাকার বিষয়টি আমি নিজ থেকে বেশি অনুভব করেছি। এতে তাঁদের সঙ্গে সম্পর্কটা আরও গাঢ় হয়েছে আমার।’অপু বলেন, ‘কয়েক দিন আগে আমি শাশুড়ির কাছে ফোন করে ইলিশ মাছ খেতে চেয়েছিলাম। মা বললেন, “ঠিক আছে আমি রান্না করছি। একটু পর ফোন করে জানাও সঙ্গে কী দিয়ে রান্না করব।” এর পর আমি ফোন রেখে ভুলে গেছি। হঠাৎই শাশুড়ির ফোন। ধমকের স্বরে বললেন, “এই মেয়ে, তুমি কী দিয়ে ইলিশ খাবে, জানাতে বললাম, দেরি করছ কেন?” এই হলে আমার শাশুড়ি। সত্য কথা বলি, আমার জীবনে ভুলভ্রান্তি হতে পারে, কিন্তু আমি একটা পর্যায়ে এসে বুঝেছি, তাঁরা কতটা ভালো মনের মানুষ। এখন কতটা আমাকে ভালোবাসেন তাঁরা।’ শাকিবের ছোট বোন মনির সঙ্গেও অপুর মান-অভিমান ভেঙে আবার দুজনের বন্ধুর সম্পর্ক তৈরি হয়েছে। অপু বিশ্বাস বলেন, ‘সে আমাকে খুব ভালোবাসত, আমিও। কিন্তু মাঝে আমার আর শাকিবের ঘটনার কারণে সেই সম্পর্ক ভেঙে যায়। এখন আমাদের সেই পুরোনো সম্পর্ক ফিরেছে। মনি আমার কাছে ঠিক বন্ধুর মতোই। মনি তো জানে আমি কী খেতে পছন্দ করি। মাঝেমধ্যে মনি সেই আইটেমের খাবার রান্না করে আমাকে ডেকে নেয়।’

post
খেলা

খেলার মাঠে সুজনের প্রকাশ্যে ধুমপানের দৃশ্য ভাইরাল

বাংলাদেশ প্রিমিয়ার লিগের (বিপিএল) নবম আসরে গ্রুপ পর্বের শেষ ম্যাচে ফরচুন বরিশালের মোকাবিলায় ব্যাট করছিল খুলনা টাইগার্স। এসময় ড্রেসিংরুমের একটি দৃশ্য হঠাৎ ধরা পড়ে ক্যামেরায়। যেখানে দেখা যায় প্রকাশ্যে ধূমপান করছেন খুলনার প্রধান কোচ খালেদ মাহমুদ সুজন।শুক্রবার (১০ ফেব্রুয়ারি) মিরপুর শের-ই-বাংলা স্টেডিয়ামে বরিশালের দেয়া ১৭০ রানের লক্ষ্যে ব্যাট করতে নামে খুলনা। জয়ের জন্য যখন তাদের শেষ ৪ বলে প্রয়োজন মাত্র ৪ রানের প্রয়োজন, তখনই সরাসরি ম্যাচ সম্প্রচারকারী ক্যামেরার চোখে ধরা পড়ে ড্রেসিংরুমের একটি দৃশ্য।যেখানে দেখা যায় খুলনার প্রধান কোচ খালেদ মাহমুদ সুজন ম্যাচের দিকে নজর দেয়ার পাশাপাশি ধূমপান করে যাচ্ছেন।বিপিএলে এমন ঘটনা অবশ্য নতুন কিছু নয়। গত আসরে মাঠের মধ্যেই প্রকাশ্যে ধূমপান করেছিলেন আফগানিস্তানের ব্যাটার মোহাম্মদ শেহজাদ। এমন আচরণ, ক্রিকেটের কোড অব কন্ডাক্টের বাইরে থাকায় তাকে সেবার শাস্তিও পেতে হয়েছিল।এর আগে মিরপুর শের-ই-বাংলা স্টেডিয়ামে বিদ্যুত বিভ্রাটের সাক্ষী হয় সমর্থকরা। পুরো স্টেডিয়াম অন্ধকারাচ্ছন্ন হয়ে পড়লে খেলা বন্ধ থাকে প্রায় ১০ মিনিটের মতো।

post
এনআরবি বিশ্ব

বাংলাদেশ থেকে মালয়েশিয়ায় কর্মী নিয়োগে স্বচ্ছতা নিশ্চিতের আহ্বান

বাংলাদেশ থেকে মালয়েশিয়ায় কর্মী নিয়োগে স্বচ্ছতা নিশ্চিতের আহ্বান জানিয়েছেন দেশটিতে নিযুক্ত বাংলাদেশের হাইকমিশনার মো. গোলাম সারোয়ার।বুধবার (৮ ফেব্রুয়ারি) পুত্রজায়ায় মালয়েশিয়ার মানবসম্পদমন্ত্রী ভি. শিবকুমার নাইডুর সঙ্গে সৌজন্য সাক্ষাৎ করেন তিনি। সাক্ষাতকালে দ্বিপাক্ষিক সম্পর্কের বিভিন্ন দিক নিয়ে আলোচনা হয়। একই সঙ্গে মালয়েশিয়ায় অবস্থানরত বাংলাদেশি নাগরিকদের স্বার্থ সংশ্লিষ্ট বিষয় নিয়ে আলোচনা করেন হাইকমিশনার।এসময় তিনি মালয়েশিয়ায় বাংলাদেশি জনশক্তি নিয়োগ আরও বেগবান করতে এবং কম খরচে অধিক সংখ্যক কর্মী নিয়োগের প্রস্তাবনা মালয়েশিয়ার মানবসম্পদ মন্ত্রীর কাছে তুলে ধরেন। এ বিষয়ে দ্রুত দুই দেশের মধ্যে যৌথ ওয়ার্কিং গ্রুপের সভা করার অনুরোধ জানান হাইকমিশনার।গুরুত্ব বিবেচনায় মার্চ মাসে সভা করার প্রতিশ্রুতি দেন মালয়েশিয়ার মন্ত্রী। একই সঙ্গে তিনি কর্মী নিয়োগে বাংলাদেশকে সব প্রকার সহযোগিতা প্রদানের প্রতিশ্রুতি দেন।এছাড়া অনথিভুক্ত বাংলাদেশি কর্মীদের বৈধ হওয়ার সুযোগ করে দেওয়ায় মালয়েশিয়া সরকারকে ধন্যবাদ জানান বাংলাদেশের হাইকমিশনার।তিনি বলেন, বাংলাদেশি কর্মীদের বৈধ হওয়ার জন্য প্রয়োজনীয় পরামর্শ ও সহযোগিতা করা হচ্ছে। প্রতারণা এড়াতে সরাসরি উপযুক্ত কোম্পানির মাধ্যমে বৈধতা নিতে সতর্ক করা হয়েছে।বৈধতা চলাকালে প্রতারণা হওয়ার ঘটনার পুনরাবৃত্তি যাতে না হয়, এজন্য প্রতারকদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নিতে মালয়েশিয়ার মন্ত্রীকে অনুরোধ জানান হাইকমিশনার।

post
এনআরবি বিশ্ব

বিদেশি কর্মী নিয়োগে এজেন্সি হস্তক্ষেপ বন্ধ চায় মালয়েশিয়ার প্রধানমন্ত্রী

বিদেশি কর্মী নিয়োগে তৃতীয় পক্ষের (এজেন্সি) হস্তক্ষেপ বন্ধ করতে চান মালয়েশিয়ার প্রধানমন্ত্রী আনোয়ার ইব্রাহিম। গতকাল বুধবার দেশটির মন্ত্রিসভার বৈঠকের পর সংবাদ সম্মেলনে আনোয়ার ইব্রাহিম বলেন, 'মালয়েশিয়ায় কর্মী হিসেবে আসতে নেপালের শ্রমিকদের খরচ মাত্র ৩ হাজার ৭০০ রিঙ্গিত। কিন্তু বাংলাদেশ ও ইন্দোনেশিয়ার শ্রমিকদের জন্য তা ২০ হাজার থেকে ২৫ হাজার রিঙ্গিত।'তিনি বলেন, এজেন্টদের এই উচ্চ ফি 'আধুনিক দাসত্বের' সমতুল্য। মালয়েশিয়ার প্রধানমন্ত্রীর এই ঘোষণার পর অতিরিক্ত খরচের হাত থেকে বিদেশি কর্মীরা রেহাই পাবে এবং আন্তর্জাতিকভাবে মালয়েশিয়া মর্যাদাবান হবে বলে মনে করছেন সংশ্লিষ্টরা। দেশটির প্রধানমন্ত্রীর এমন সদিচ্ছায় সন্তুষ্টিও জানিয়েছে প্রবাসী বাংলাদেশিরা। মালয়েশিয়ায় কাজ করতে আসা বিদেশি কর্মীদের বর্ধিত খরচের জন্য দায়ী করা হয় রিক্রুটিং এজেন্টদের। তাদের নেওয়া উচ্চ ফি এর কারণে শ্রমিকদের প্রায়ই উচ্চ সুদে ঋণ নিতে বা জমি বন্ধক রাখতে বাধ্য হতে হয়। আন্তর্জাতিক অভিবাসী সংস্থা অভিবাসী কর্মীদের বিদেশ যেতে অনাকাঙ্ক্ষিত উচ্চ খরচ হওয়াকে 'দাসের শ্রম' বা ফোর্স লেবার এবং মানবপাচার হিসেবে চিহ্নিত করেছে। এই ২টি অভিযোগে মালয়েশিয়া থেকে আমেরিকা ও ইউরোপের মার্কেটে মালয়েশিয়ান পণ্য প্রবেশে নিষেধাজ্ঞা আরোপ করে। বেশ কয়েকটি স্থানীয় হ্যান্ড গ্লোভ প্রস্তুতকারক কোম্পানি তাদের বর্তমান ও সাবেক বিদেশি কর্মীর অতিরিক্ত অভিবাসন খরচ ফেরত দিয়ে সেই অভিযোগ থেকে মুক্ত হতে পেরেছে। কেননা কোম্পানি ও কর্মী উভয়ই এই উচ্চ খরচের পদ্ধতি মেনে নিতে বাধ্য হয়। সম্প্রতি মালয়েশিয়ার স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সাইফুদ্দিন নাসুসন ইসমাইল বাংলাদেশ ও নেপাল সরকারের সঙ্গে অভিবাসন খরচ ও প্রক্রিয়া নিয়ে আলোচনা করেন। মালয়েশিয়ান নিয়োগকর্তারা নামমাত্র বা শূন্য খরচে কর্মী নিয়োগ করার ইচ্ছা বিভিন্ন সময় সরকারকে জানিয়েছে। তারা নিশ্চয়তা চেয়েছে, উৎস দেশের কর্মীর অতিরিক্ত কোনো খরচ হবে না। গত ফেব্রুয়ারিতে তৎকালীন মানবসম্পদ মন্ত্রী এম সারাভানান নিয়োগকর্তাদের বলেছিলেন, যারা বিদেশি কর্মী নিয়োগ করতে চান তারা তৃতীয় পক্ষের মাধ্যমে না করে যেন সরাসরি মানবসম্পদ মন্ত্রণালয়ে আবেদন করে। সারাভানান আরও বলেছিলেন, নিয়োগকারী সংস্থাগুলোর আবেদন অবিলম্বে প্রত্যাখ্যান করা হবে।

post
এনআরবি লাইফ

চীনে তুষার আনন্দে মেতেছে বাংলাদেশিরা

আরও একটি শীতকাল এসেছে, সঙ্গে বছর ঘুরে এলো চন্দ্র নববর্ষ। নববর্ষ উপলক্ষে চীনজুড়ে এখন উৎসবের নগরীতে পরিণত হয়েছে। বসন্ত উৎসব উদযাপনের পাশাপাশি উদ্দীপনায় বরফ ও তুষার ক্রীড়ার আনন্দ উপভোগ করছে চীনা নাগরিকসহ প্রবাসী বাংলাদেশিরা। চীনে এখন চলছে পুরোদমে শীতকাল। অনেক শহরের তাপমাত্রা এক থেকে পাঁচ ডিগ্রি সেলসিয়াসের মধ্যে উঠা-নামা করে। আবার কোনো কোনো শহরের তাপমাত্রা মাইনাস ডিগ্রি সেলসিয়াসের নিচে থাকে। শীতকালে বেইজিং, হেবেই, হেইলংচিয়াং, চিনলিন, ইনার মঙ্গোলিয়া, চিয়াংসু, লিয়াওনিং, হুবেইসহ অধিকাংশ প্রদেশে প্রচুর তুষারপাত হয়।প্রকৃতির সঙ্গে মিলেমিশে বরফ ও তুষার বিনোদন বর্তমানে বাংলাদেশসহ চীনা মানুষের বসন্ত উৎসবের ছুটি কাটানোর পদ্ধতিতে পরিণত হয়েছে। করোনাভাইরাস সংক্রান্ত যাবতীয় বিধিনিষেধ শিথিল করার বরফ ও তুষার আনন্দ উপভোগ অন্য মাত্রায় নিয়ে গেছে।তুষার পড়ার সময় বাইরের পরিবেশ সাদা স্নিগ্ধ কাশফুলের বাগানের মতো দেখায়। রাস্তার গাছগুলো তুষারকে আলিঙ্গন করে নিয়েছে। তুষারের ভারে নুয়ে পড়ে মগডাল, পাতারাও ঝুলে আছে দোলনার মতো। বাংলাদেশে তুষারপাত দেখা, তাও আবার নিজের চোখে দেখা, হাত দিয়ে স্পর্শ করা! তুষার নিয়ে খেলা করা! এসবইতো কল্পনার বাইরে। কিন্তু চীনে বসবাসরত প্রবাসী বাংলাদেশিরা কল্পনাকেও হার মানিয়ে নরম পালকের মতো ধবধবে সাদা তুষারে আনন্দ উপভোগ করছে। আর স্মৃতিগুলো ক্যামেরায় বন্দি করছে অনেকে। আগে আমরা বিভিন্ন হলিউড মুভিতে বরফ পড়া দেখতাম। তখন খুব ইচ্ছে ছিল ধবধবে সাদা তুষারে আনন্দ উপলদ্ধি করা কিন্তু এই স্বপ্নটা বাস্তবায়ন হয়েছে চায়নাতে এসে। শীতকালে চায়নাতে প্রায় সব জায়গাতেই বরফ পরেছে, এভাবেই অনুভূতি প্রকাশ করেন শুঝৌ মেডিকেল ইউনিভার্সিটিতে অধ্যয়নরত বাংলাদেশি শিক্ষার্থী রাফিদ ইবনে মাজহার।তিনি বলেন, বাংলাদেশে বরফ পড়ে না। সেখানে শীতকালে অনেক কুয়াশা হয়। কিন্তু চায়নাতে শীতে কুয়াশা কম হলেও এখানে বরফ পড়ে। শুধু বাঙালি নয়, চীনে বসবাসরত অন্যান্য বিদেশিরা বরফ পড়ার আনন্দ উপভোগ করে এবং সবাই নিজের মতো ছবি, ভিডিও করে নিজের স্মৃতি ধারণ করে থাকে। বাঙালী হিসেবে এই ‘স্নো-ফল’ দেখতে পেরে আমি খুবই খুশী। কথা হয় চীনা নাগরিক ওয়াং তানহোং যিনি বেইজিংয়ে বসবাস করছেন, তার বাংলা নাম রুবিনা। ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় থেকে বাংলা ভাষায় পড়াশোনা করেছেন। তিনি বলেন, বাংলাদেশে বরফ না দেখলেও শীতকালীন সুন্দর দৃশ্য উপভোগ করেছি। শীতকালে পিঠা উৎসবে গিয়ে বিভিন্ন রকমের পিঠা খেয়েছি, বিশেষ করে ভাপা পিঠা।চীনে করোনাভাইরাস শিথিল হওয়ায়, এই প্রথম আমরা বরফ ও তুষারের নান ধরনের খেলাধুলার আনন্দ উপভোগ করতে পারছি। বেইজিংয়ের সামার প্যালেস, ওল্ড সামার প্যালেস, শি ছা হাই ও বেইজিং শীতকালীন অলিম্পিক পার্কসহ বিভিন্ন জায়গায় চীনা নাগরিকরা নানা বিনোদনমূলক কার্যক্রমে অংশ নিচ্ছে। বাংলাদেশি শিক্ষার্থী বায়েজিদ বোস্তামি বলেন, গত তিন বছর করোনা মহামারির কারণে চাইনিজ নিউ ইয়ার এবং স্নো ফলের যে উৎসব কোনোটাই উদযান করতে পারিনি। কিন্তু এই বছর কোনো বিধিনিষেধ না থাকায় চাইনিজ জনগনসহ আমরা বাংলাদেশিরা খুব ভালোভাবে এই উৎসবগুলো উদযাপন করতে পারছি। চাইনিজ নিউ ইয়ার এবং বরফ ও তুষার আনন্দ উপভোগ, এক কথায় অসাধারণ।

post
বাংলাদেশ

এইচএসসি ও সমমানে ফল প্রকাশ, পাসের হার ৮৫.৯৫ এগিয়ে মেয়েরা

২০২২ সালের উচ্চ মাধ্যমিক সার্টিফিকেট (এইচএসসি) ও সমমান পরীক্ষার ফল প্রকাশ করা হয়েছে। এবার নয়টি সাধারণ শিক্ষা বোর্ড, মাদরাসা ও কারিগরি শিক্ষা বোর্ড মিলিয়ে পাসের হার ৮৫ দশমিক ৯৫ শতাংশ। আর এইচএসসি নয়টি সাধারণ শিক্ষা বোর্ডে পাসের হার ৮৪ দশমিক ৩১ শতাংশ। বুধবার (৮ ফেব্রুয়ারি) দুপুর সাড়ে ১২টায় রাজধানীর সেগুনবাগিচায় আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা ইনস্টিটিউটে সংবাদ সম্মেলনে ফলাফলের বিস্তারিত তুলে ধরেন শিক্ষামন্ত্রী দীপু মনি। এর আগে বেলা ১১টার পর প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয় চামেলী হলে নিজ নিজ বোর্ডের ফলাফল প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার হাতে তুলে দেন শিক্ষামন্ত্রী দীপু মনি ও বোর্ডের চেয়ারম্যানরা। এসময় শিক্ষা উপমন্ত্রী মহিবুল হাসান চৌধুরী নওফেল উপস্থিত ছিলেন। ঘোষিত ফলাফল অনুযায়ী এবার ঢাকা শিক্ষা বোর্ডে পাসের হার ৮৭ দশমিক ৮০ শতাংশ। ঢাকা বোর্ডে জিপিএ- ৫ পেয়েছেন ৬২ হাজার ৪২১ জন। চট্টগ্রাম শিক্ষা বোর্ডে পাসের হার ৭৮ দশমিক ৭৬ শতাংশ, জিপিএ- ৫ পেয়েছেন ১২ হাজার ৬৭০ জন। রাজশাহী শিক্ষা বোর্ডে পাসের হার ৮১ দশমিক ৫৯ শতাংশ, জিপিএ- ৫ পেয়েছেন ২১ হাজার ৮৫৫ জন। সিলেট শিক্ষা বোর্ডে পাসের হার ৮১ দশমিক ৪ শতাংশ, জিপিএ- ৫ পেয়েছেন ৪ হাজার ৮৭১ জন। বরিশাল শিক্ষা বোর্ডে পাসের হার ৮৬ দশমিক ৯৫ শতাংশ, জিপিএ- ৫ পেয়েছেন ৭ হাজার ৩৮৬ জন। যশোর বোর্ডে পাসের হার ৮৩ দশমিক ৯ শতাংশ, এ প্লাস পেয়েছেন ১৮ হাজার ৭০৬ জন। দিনাজপুর বোর্ডে পাসের হার ৭৯ দশমিক শূন্য ৬ শতাংশ, এ প্লাস পেয়েছেন ১১ হাজার ৮৩০ জন। ময়মনসিংহ বোর্ডে পাসের হার ৭৭ দশমিক শূন্য ৩ শতাংশ, এ প্লাস পেয়েছেন ৭ হাজার ১৭৯ জন। কুমিল্লা বোর্ডে পাসের হার ৯০ দশমিক ৭ শতাংশ, এ প্লাস পেয়েছেন ১৪ হাজার ৯৯১ জন। এছাড়া কারিগরি বোর্ডে পাসের হার ৯১ দশমিক শূন্য ২ শতাংশ, এ প্লাস পেয়েছেন ৭ হাজার ১০৫ জন। মাদরাসা বোর্ডে পাসের হার ৯২ দশমিক ৫৬ শতাংশ। এ প্লাস পেয়েছেন ৯ হাজার ৪২৩ জন। গত বছরের ৬ নভেম্বর শুরু হয়েছিল এইচএসসি ও সমমানের পরীক্ষা। ৯টি সাধারণ শিক্ষা বোর্ড, মাদ্রাসা ও কারিগরি বোর্ড মিলিয়ে ১১টি শিক্ষা বোর্ডের অধীন মোট পরীক্ষার্থী ছিলেন ১২ লাখের কিছু বেশি।

About Us

NRBC is an open news and tele video entertainment platform for non-residential Bengali network across the globe with no-business vision just to deliver news to the Bengali community.