post
এনআরবি বিশ্ব

বাংলাদেশের অর্থনৈতিক সাফল্যের প্রশংসা ইউএস সিনেটরের

ইউএস সিনেটর রজার মার্শাল বাংলাদেশ-যুক্তরাষ্ট্র সম্পর্ককে আরো এগিয়ে নিতে তার সহায়তার কথা বলেছেন। ক্যানসাস থেকে নির্বাচিত রিপাবলিকান সিনেটর রজার মার্শাল শুক্রবার ওয়াশিংটন ডিসিতে তার ক্যাপিটল হিল অফিসে যুক্তরাষ্ট্রে নিযুক্ত বাংলাদেশের রাষ্ট্রদূত মোহাম্মদ ইমরানের সাথে এক বৈঠকে এই আগ্রহ প্রকাশ করেন। বৈঠকে সিনেটর আশা প্রকাশ করেন, দুই দেশ সম্ভাব্য সকল ক্ষেত্রে দ্বিপাক্ষিক সহযোগিতা জোরদারে কাজ করে যাবে। সিনেটর মার্শাল জাতিসংঘ শান্তিরক্ষা মিশনের মাধ্যমে বিশ্বে শান্তি বজায় রাখার ক্ষেত্রে বাংলাদেশের অবদানেরও প্রশংসা করেন। হোমল্যান্ড সিকিউরিটি এবং সরকার সম্পর্কিত সিনেট কমিটির সদস্য সিনেটর মার্শাল রজার বাংলাদেশের অসাধারণ অর্থনৈতিক সাফল্যেরও প্রশংসা করেন। রাষ্ট্রদূত ইমরান প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার নেতৃত্বে বাংলাদেশে যে অভূতপূর্ব আর্থ-সামাজিক উন্নয়ন হয়েছে সেই বিষয়ে সিনেটরকে অবহিত করেন। তিনি বাংলাদেশের টেকসই অর্থনৈতিক প্রবৃদ্ধি, খাদ্য উৎপাদনে স্বয়ংসম্পূর্ণতা, স্বাস্থ্যসেবা খাতে অগ্রগতি, দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা, নারীর ক্ষমতায়ন এবং দক্ষ কোভিড-১৯ ব্যবস্থাপনার কথাও তুলে ধরেন। রাষ্ট্রদূত ইমরান বাংলাদেশে মার্কিন সরকারের কোভিড-১৯ ভ্যাকসিন অনুদানের প্রশংসা করেন। রোহিঙ্গা ইস্যুর বিষয়ে অবহিত করার সময় তিনি রোহিঙ্গাদের তাদের নিজ দেশ মিয়ানমারে প্রত্যাবাসনে সিনেটর রজার মার্শাল এবং মার্কিন কংগ্রেসের সমর্থন কামনা করেন। তারা উভয়েই বাংলাদেশ ও যুক্তরাষ্ট্রের মধ্যে বাণিজ্য ও বিনিয়োগ সম্পর্ক আরো সম্প্রসারিত করা এবং দুদেশের চমৎকার অংশীদারিত্ব আগামীতে আরো গভীর করার ওপর গুরুত্ব আরোপ করেন।

post
ক্যাম্পাস লাইফ

মালয়েশিয়ার বিশ্ববিদ্যালয়ের ক্যাম্পাস এখন ঢাকায়

মালয়েশিয়ার রাজধানী কুয়ালালামপুরের লা কাদরি হোটেলে হয়ে গেল ইউসিএসআই বিশ্ববিদ্যালয়ের বাংলাদেশ ক্যাম্পাসের 'সফট লঞ্চ' অনুষ্ঠান। অনুষ্ঠানের প্রধান অতিথি ছিলেন মালয়েশিয়ার উচ্চশিক্ষামন্ত্রী দাতো সেরি মোহাম্মদ খালেদ। গতকাল শুক্রবার এই অনুষ্ঠানের আয়োজন করা হয়।কুয়ালালামপুরের এ বিশ্ববিদ্যালয়টি প্রথমবারের মতো আন্তর্জাতিক ক্যাম্পাস চালু করতে যাচ্ছে। আগামী মে মাসে ঢাকার বনানীতে এর শিক্ষা কার্যক্রম শুরুর প্রস্তুতি নেওয়া হচ্ছে। বাংলাদেশ থেকে শতাধিক শিক্ষার্থী এই বিশ্ববিদ্যালয়ে পড়াশোনা করছেন। উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে উচ্চশিক্ষামন্ত্রী দাতো সেরি মোহাম্মাদ খালেদ বলেন, ‘ইউসিএসআই ইউনিভার্সিটি দিন দিন নিজেদের মান উন্নয়ন করছে। মালয়েশিয়ার সরকার চায় শিক্ষা-সংস্কৃতি আদান-প্রদানের মাধ্যমে সবার সঙ্গে সম্পর্ক তৈরি করতে। এ ছাড়া গবেষণার ক্ষেত্রে সরকার বিশেষ জোর দিচ্ছে। আমাদের শিক্ষা ব্যবস্থাকে গ্লোবাল হাবে পরিণত করতে চাই। ইউসিএসআইর এই সফট লঞ্চ তারই ধারাবাহিকতা।’ ইউসিএসআই ইউনিভার্সিটির ভাইস চ্যান্সেলর প্রফেসর দাতুক ড. সিতি হামিসাহ তাপসির বলেন, ‘নতুন এই ক্যাম্পাস শিক্ষার সংযোগ তৈরি করবে। এর মাধ্যমে শিক্ষার্থীরা নতুন পথের দিশা পাবেন। তারা মেধা-দক্ষতা দিয়ে বাংলাদেশের অর্থনীতিকে সমৃদ্ধ করবেন। আমাদের নতুন ক্যাম্পাসে গবেষণাকে বেশি গুরুত্ব দেব।’ সংশ্লিষ্টরা জানিয়েছেন—নতুন ক্যাম্পাসে বিজনেস, কম্পিউটার সায়েন্স, ইঞ্জিনিয়ারিং, সোশ্যাল সায়েন্সসহ ২৪ বিষয়ে ডিগ্রি দেওয়া হবে। নতুন ক্যাম্পাসে ৫ হাজার শিক্ষার্থী পড়াশুনা করতে পারবেন। বর্তমানে বিশ্ববিদ্যালয় তালিকায় এর অবস্থান ২৮৪তম। এজে/

post
বাংলাদেশ

বই মেলায় এসেছি লেখক হিসেবে, নায়ক হিসেবে নয় - ফেরদৌস

অনেক বছর পর অমর একুশে বই মেলায় এসেছিলেন ২ বাংলার জনপ্রিয় নায়ক ফেরদৌস। যখন ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ে সাংবাদিকতা বিভাগের ছাত্র ছিলেন তখন বইমেলায় নিয়মিত আসতেন। কখনো একা, কখনো বন্ধুদের নিয়ে মেলা থেকে পছন্দের বই কিনতেন।ফেরদৌস বলেন, 'বইমেলায় এসে স্মৃতিকাতর হয়ে পড়েছি। ফিরে গেছি অনেক পেছনে। স্মৃতির পাখিরা যেন উড়ছে আর আমি দেখছি।' 'বই মেলায় এসে কী যে ভালো লাগছে! দীর্ঘ বিরতির পর আবার বইমেলায় এলাম। আমি ফিরে গেছি ছাত্রজীবনে। নস্টালজিক হয়ে পড়ছি। এখানে এসে বিশ্ববিদ্যালয় জীবনের বন্ধুদের কথাও মনে পড়ছে।'গতকাল শুক্রবার ফেরদৌস সোহরাওয়ার্দী উদ্যানে বই মেলায় এসেছিলেন নায়ক হিসেবে নয়, লেখক হিসেবে। তার প্রথম উপন্যাস প্রকাশিত হয়েছে। 'এই কাহিনি সত্য নয়' উপন্যাসটি প্রকাশ করেছে প্রথমা। প্রচ্ছদ করেছেন মাসুক হেলাল। 'মেলার তৃতীয় দিনে এত ভিড় দেখতে পাব ভাবিনি। সবাই যদি বই কিনতেন তাহলে মেলায় বই থাকত না। তারপরও তারা বইয়ের সান্নিধ্যে আছেন—এটাও বড় বিষয়। আমি বই মেলায় এসেছি নায়ক হিসেবে নয়, লেখক হিসেবে,' যোগ করেন ফেরদৌস।মেলায় ঢুকে ফেরদৌস তার নতুন বইয়ের মোড়ক উন্মোচন করেন। সঙ্গে ছিলেন সাহিত্যিক আনিসুল হক ও গীতিকার কবির বকুল। অনেক ভিড় ছিল সেসময়। মোড়ক উন্মোচন শেষে ফেরদৌস ভিড় ঠেলে চলে আসেন 'প্রথমা'র প্যাভিলিয়নে। বেড়ে যায় ভিড়। মেলায় এসে জনপ্রিয় এই নায়ককে পেয়ে ভীষণ খুশি পাঠকেরা। প্রিয় নায়কের সঙ্গে ছবি তুলতে চাইলে ভিড় আরও বাড়ে। সেলফির পাশাপাশি বইয়ের অটোগ্রাফ দিতে হিমশিম খেতে হয় তাকে।'লেখালেখি করতে কেমন লাগে?'—তিনি বলেন, 'অসাধারণ। খুব ভালো লাগে। ভারতে অনেকদিন শুটিং করেছি। অনেক জায়গা ভ্রমণ করেছি। একটি ভ্রমণ কাহিনী লিখতে চেয়েছিলাম। কিন্তু এটি উপন্যাস। কলকাতা থেকে শিলিগুড়ি যাচ্ছিলাম। ওখান থেকে গল্পের শুরু।'পাঠকদের উদ্দেশে ফেরদৌস বলেন, 'লিখতে খুব ভালো লাগে। সাংবাদিকতার ছাত্র ছিলাম। পাঠকরা যদি বইটি পড়েন তাহলেই উৎসাহ পাব। নতুন করে লিখব। বই পড়ে রিভিউ দিলে আরও ভালো লাগবে।' তিনি বলেন, 'প্রথম আলোর সম্পাদক মতিউর রহমান ভাই উৎসাহ দিয়েছেন। গীতিকার কবির বকুলও। প্রথমা বইটি প্রকাশ করেছে। সবার কাছে আমি কৃতজ্ঞ।' 'বই পড়ার আগ্রহ কমে গেছে' উল্লেখ করে তিনি আরও বলেন, 'ছোটদের মেলায় আনা উচিত।'

post
এনআরবি বিশ্ব

ঢাকায় মালয়েশিয়ার স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী; শ্রমবাজার ‘গতিশীল’ হওয়ার প্রস্তাব দিবে ঢাকা

মালয়েশিয়ার শ্রমবাজার নিয়ে গত কয়েক বছর ধরে নানা নাটকীয়তা চলছে। বর্তমানে দেশটির শ্রমবাজার বাংলাদেশিদের জন্য খোলা থাকলেও সেটি অনেকটা অচল অবস্থায় আছে। দেশটিতে প্রত্যাশিত শ্রমিক পাঠাতে পারছে না বাংলাদেশ। এমন পরিস্থিতিতে শ্রমবাজারটির জটিলতা নিরসনে আলোচনা করতে সংক্ষিপ্ত সফরে নেপাল হয়ে শনিবার (৪ ফেব্রুয়ারি) বিকেলে ঢাকায় আসছেন মালয়েশিয়ার স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সাইফুদ্দিন নাসুসন ইসমাইল। তার সফরে শ্রমবাজারটি গতিশীল করতে সমঝোতা স্মারক (এমওইউ) পরিবর্তন, অতিরিক্ত অভিবাসন ব্যয় কমানোসহ দেশের সব বৈধ রিক্রুটিং এজেন্সির জন্য বাজার উন্মুক্ত করার প্রস্তাব দেবে ঢাকা।প্রবাসী কল্যাণ ও বৈদেশিক কর্মসংস্থান মন্ত্রণালয় এবং পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় সূত্রে এসব তথ্য জানা গেছে। প্রবাসী কল্যাণ মন্ত্রণালয়ের এক কর্মকর্তা জানান, মালয়েশিয়ার স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীর সফরটা আমাদের জন্য খুবই গুরুত্বপূর্ণ। তিনি শ্রমবাজারের জটিলতা নিয়ে আলাপ করবেন। কীভাবে দেশটিতে আমরা সহজে কর্মী পাঠাতে পারি; সেগুলো আলোচনায় আসবে। এক্ষেত্রে কিছু প্রস্তাব আমাদের দিক থেকে দেওয়া হবে। আমাদের কর্মীদের স্বার্থ আগে। আমরা চাই, সবার জন্য বাজার খুলে দেওয়া হোক। নিয়াগকর্তার পছন্দ মতো রিক্রুটিং এজেন্সি নিয়োগ— এটা আমরা চাই না। অভিবাসন ব্যয় আরও কমানো দরকার। পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের তথ্য বলছে, ২৪ ঘণ্টার সফরে মালয়েশিয়ার স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী প্রবাসী কল্যাণ ও বৈদেশিক কর্মসংস্থানমন্ত্রী ইমরান আহমদ এবং স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী আসাদুজ্জামান কামালের সঙ্গে বৈঠক করবেন। পাশাপাশি তিনি সেনা কল্যাণ সংস্থার সঙ্গেও একটি বৈঠক করবেন। রোববার (৫ ফেব্রুয়ারি) বিকেলে তিনি ঢাকা ছেড়ে যাবেন।পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের এক কর্মকর্তা বলেন, এ সফর খুবই গুরুত্বপূর্ণ। ২০২১ সালে কর্মী পাঠানো নিয়ে আমরা চুক্তি করলেও বাজারটি কিছুটা অচল অবস্থার মধ্যে চলছে। প্রত্যাশিত পর্যায়ে শ্রমিক নিয়োগ হচ্ছে না। শ্রমিক যেতে পারছেন না। অথচ মালয়েশিয়ার শ্রমিক চাহিদা অনেক বেশি। তারা ক্ষতিগ্রস্ত হচ্ছে, আমরাও হচ্ছি। সেই দৃষ্টিকোণ থেকে মালয়েশিয়ার স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীর সফর দু’দেশের জন্য গুরুত্বপূর্ণ। আমরা আশা করছি, বাজার নিয়ে যেসব জটিলতা আছে সেগুলো দূর করা হবে। আমাদের শ্রমিকদের যাওয়ার পথ সুগম হবে। কূটনৈতিক সূত্রগুলো বলছে, আনোয়ার ইব্রাহিম মালয়েশিয়ার প্রধানমন্ত্রীর দায়িত্ব নেওয়ার পর থেকে দেশটির শ্রমবাজারের ওপর বিশেষ নজর দিচ্ছেন। নতুন করে এটি ঢেলে সাজাতে এবং অনিয়ম দূর করতে আইনি ব্যবস্থা নেওয়া হচ্ছে। কর্মীসংশ্লিষ্ট দেশগুলো থেকেও এ বিষয়ে সহযোগিতা চাচ্ছে দেশটি। এরই ধারাবাহিকতায় নেপাল ও বাংলাদেশ পাঠানো হয়েছে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সাইফুদ্দিনকে। ১০ এজেন্সির সিন্ডিকেটের মাধ্যমে হাজার হাজার কোটি টাকার দুর্নীতি ও অনিয়মের অভিযোগে ২০১৮ সালের সেপ্টেম্বর থেকে বাংলাদেশিদের জন্য মালয়েশিয়ার শ্রমবাজার বন্ধ হয়ে যায়। তিন বছর শ্রমবাজারটি বন্ধ থাকার পর ঢাকার কূটনৈতিক প্রচেষ্টায় দেশটিতে নতুন করে কর্মী পাঠাতে ২০২১ সালের ডিসেম্বরে একটি সমঝোতা স্মারক সই করে দুই দেশ। চুক্তি সইয়ের পরের মাস থেকে এটি কার্যকর হওয়ার কথা। কিন্তু কর্মী পাঠানো শুরুর আগেই নতুন শর্ত আসে কুয়ালালামপুরের পক্ষ থেকে। তৎকালীন মালয়েশিয়ার মানবসম্পদমন্ত্রী সারাভারান প্রবাসী কল্যাণমন্ত্রীকে এক চিঠি দিয়ে ২৫টি রিক্রুটিং এজেন্সির মাধ্যমে কর্মী নিয়োগের বার্তা দেয়। ঢাকা এ শর্ত মেনে নিতে রাজি হয়নি। ফিরতি বার্তায় নিবন্ধিত এক হাজারের বেশি রিক্রুটিং এজেন্সির তালিকা মালয়েশিয়ার কাছে হস্তান্তর করে বাংলাদেশ। রিক্রুটিং এজেন্সি নিয়ে শুরু হওয়া নাটকীয়তা বন্ধে গত বছরের জুনের শুরুতে তৎকালীন মালয়েশিয়ার মানবসম্পদমন্ত্রীকে একটি প্রতিনিধিদল নিয়ে ঢাকায় জয়েন্ট ওয়ার্কিং গ্রুপের বৈঠকের জন্য আমন্ত্রণ করে নিয়ে আসেন প্রবাসী কল্যাণমন্ত্রী। তার দুই মাস পর ২০২২ সালে হওয়া চুক্তির পরিপ্রেক্ষিতে ৯ আগস্ট মালয়েশিয়ায় ৫৩ কর্মী পাঠানো সম্ভব হয়। মালয়েশিয়ার শ্রমবাজার নিয়ে জটিলতা কেন— জানতে চাইলে পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের এক কর্মকর্তা বলেন, আমাদের দিক থেকে যেটা দেখা যাচ্ছে, মূল সমস্যাটা মালয়েশিয়া প্রান্তে। আমাদের দিক থেকেও কিছু সমস্যা আছে। রিক্রুটিং এজেন্সি নিয়েই তো মূল সমস্যা। দুই প্রান্তে সংশ্লিষ্ট রিক্রুটিং এজেন্সিগুলো যদি অ্যাকটিভ না হয় এমওইউ সাইন করে কোনো কাজ হবে না। কেননা মাঠে কিন্তু তারাই প্লেয়ার। এ কর্মকর্তা বলেন, একটা বছর জটিলতায় নষ্ট হয়ে গেছে। আমার ধারণা, মালয়েশিয়ার নতুন সরকার বিষয়টাকে খুব ভালোভাবে নিচ্ছেন। সৃষ্ট জটিলতা থেকে যত দ্রুত সম্ভব বের হয়ে আসা দরকার। আমাদের লোকও যাওয়া দরকার। মালয়েশিয়ার স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীর সেনা কল্যাণ সংস্থার সঙ্গে বৈঠকে দেশটিতে নিরাপত্তাকর্মী নিয়োগের বিষয়ে আলাপ করবেন বলে ধারণা দেন এ কর্মকর্তা। তিনি বলেন, সেনা কল্যাণ সংস্থার মাধ্যমে আমাদের সাবেক সেনা, তাদের সিকিউরিটি গার্ড হিসেবে মালয়েশিয়ায় রিক্রুট করার একটা প্রক্রিয়া আছে। এটা নিয়ে একটা চুক্তিও আছে। সিকিউরিটি গার্ড নিয়োগের বিষয়ে আলাপ হতে পারে। গত ৩০ জানুয়ারি মালয়েশিয়ার স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীর ঢাকা সফরের কারণ হিসেবে পররাষ্ট্রমন্ত্রী ড. এ কে আব্দুল সাংবাদিকদের বলেন, তিনি (মালয়েশিয়ার স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী) ঢাকায় আসবেন। আমরা যে কর্মী পাঠাই, এগুলোতে অনেক সময় উল্টাপাল্টা কাজ হয়। তিনি আসছেন এগুলো ঠিক করার জন্য। মোমেন বলেন, ‘আমাদের বিশ্বাস, তিনি আসার পর মানুষ পাঠানোর ক্ষেত্রে যে কার্টেল (মধ্যস্বত্বভোগী চক্র) আছে, সেগুলো দূর হবে। ফলে বাংলাদেশ থেকে কর্মীরা হয়তো স্বল্প খরচেই মালয়েশিয়া যেতে পারবেন।’

post
শিক্ষা

চ্যাটজিপিটি মানুষের বিকল্প নাকি সহায়ক, কি থাকছে চ্যাটজিপিটিতে

চ্যাট জেনারেটিভ প্রি-ট্রেইনড ট্রান্সফরমার সংক্ষেপে যাকে বলে চ্যাটজিপিটি। সাম্প্রতিক সময়ে বিশ্বজুড়ে সবচেয়ে আলোচিত বিষয়। প্রযুক্তির নতুন বিস্ময়। এই চ্যাটজিপিটির কারণে সবাই নড়েচড়ে বসেছে। নতুন করা ভাবতে হচ্ছে অনেক কিছু।চ্যাটজিপিটি হলো একটি শক্তিশালী মেশিন লার্নিং মডেল অর্থাৎ। ওপেন এআই নামের একটি প্রযুক্তি প্রতিষ্ঠান এটি তৈরি করেছে। চ্যাটজিপিটির প্রধান বৈশিষ্ট্য হলো মানুষের মতো লেখা বা টেক্সট তৈরি করার ক্ষমতা। এর মানে হলো, কোনে একটি বিষয়ে একজন মানুষ যেমন প্রত্যুত্তর দিতে পারে, চ্যাটজিপিটি সে রকমই জবাব লিখে জানাতে পারে। ২০১৫ সালে ইলন মাস্ক ও স্যাম অল্টম্যান শুরু করেছিলেন এই চ্যাটবট তৈরি করার কাজ। কিন্তু ২০১৮ সালে ইলন মাস তার স্পেসসেক্স এবং টেসলায় বেশি সময় দেবার জন্য ওপেন এ আই এর কাজ থেকে সরে আসে। ওপেন এ আই এর কাজে সরাসরি যুক্ত না থাকলেও বিনিয়োগকারী এবং পরামর্শ কার হিসেবে রয়ে যায় কোম্পানিটির সাথে। ২০২০ সালের শেষের দিকে এআইটি স্বরূপে প্রকাশ্যে আসতে শুরু করে। গত বছরের ২০২২ নভেম্বরে এটি চালু করা হয়। চ্যাটজিপিটি যে কোনো প্রশ্নের উত্তর গুগলের চেয়ে ভালোভাবে ব্যাখ্যা করতে পারে। সেদিক থেকে বলা যায়, গুগলের ঘুম কেড়ে নিয়েছে এই এআইটি। নতুন এ প্রবর্তন চ্যাট জিপিটি যা মানুষের ভেতরে ব্যাপক সাড়া জাগিয়েছে। উন্মোচনের দুই মাসের মধ্যেই গ্রাহক অ্যাপ্লিকেশনের ইতিহাসে সবচেয়ে দ্রুতগতিতে ব্যবহারকারী বৃদ্ধির রেকর্ড করেছে চ্যাটজিপিটি। জানুয়ারি মাসের মধ্যে এটি ১০ কোটি গ্রাহকের মাইলফলকে পৌঁছিয়েছে। ১লা জানুয়ারি বুধবার বিশ্লেষক সংস্থা ‘ইউবিএস’-এর এক গবেষণায় এ তথ্য উঠে এসেছে। প্রতিষ্ঠানটির হিসাব অনুযায়ী, জানুয়ারিতেই ১০ কোটি মাসিক সক্রিয় ব্যবহারকারীর মাইলফলক ছুঁয়েছে জনপ্রিয় এই চ্যাটবট। যে মাইলফলক ছুঁতে ইনস্টাগ্রামের লেগেছিল আড়াই বছর। আর টিকটকের লেগেছিল নয় মাস। জানুয়ারিতে দৈনিক প্রায় এক কোটি ৩০ লাখ ব্যবহারকারী চ্যাটজিপিটি ব্যবহার করেছেন, যা ডিসেম্বরের তুলনায় দ্বিগুণেরও বেশি। এতে বিস্ময় প্রকাশ করে ইউবিএস বিশ্লেষকরা বলেছেন, ‘ইন্টারনেটের গত ২০ বছরের ইতিহাসে আমরা কোনো গ্রাহক ইন্টারনেট অ্যাপকে এতটা দ্রুত বৃদ্ধি পেতে দেখিনি।’ চ্যাটজিপিটির রয়েছে আকর্ষণীয় কিছু ফিচার। চ্যাটজিপিট প্রযুক্তি নতুন এমন এক আবিস্কার কেউ যদি ভুল ইনফরমেশন দিলেও আপনাকে সঠিক করে দিতে পারে। এমনকি প্রগরামিংয়ের যে কোন কোড ৩০ সেকেন্ডের মধ্যে লিখে দিতে পারে। রচনা লেখা থেকে শুরু করে গানের লিরিক্স লেখা, গল্প লেখা, গবেষণা পত্র এমনকি কবিতা লিখতেও নির্দেশ দেওয়া যাবে এই চ্যাটবটকে। চ্যাট জিপিটির প্রবর্তনে মানুষ অবাক বিস্ময় নিয়ে তাকিয়ে আছে আর ভাবছে কি ঘটতে যাচ্ছে অদূর ভবিষ্যতে, কতটা সহজ হয়ে যাচ্ছে সব কিছু। এই ফলে কর্মজগতে মানুষের অবস্থান কোথায় গিয়ে দাড়াবে। মানুষের স্থলে কিছুদিন পর কি এই কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তাই বাজার দখল করে নিবে কিনা সেই শঙ্কা দেখা দিয়েছে মানুষের মনে।

post
বিনোদন

মুক্তি পেল হোলি আর্টিজানের ঘটনা নিয়ে নির্মিত সিনেমা ‘ফারাজ’

ঢাকার হলি আর্টিজানে সংগঠিত নৃশংস হামলার ঘটনা নিয়ে ফারাজ নামে সিনেমা তৈরি করেছেন মুম্বাইয়ের হংসল মেহতা। ভারত ও বাংলাদেশে আলোচনার জন্ম দেওয়া সিনেমাটি ভারতের ১০০ প্রেক্ষাগৃহে মুক্তি পেয়েছে ৩ ফেব্রুয়ারি ।প্রযোজনা প্রতিষ্ঠান টি সিরিজ এর এক বিবৃতিতে হংসল মেহতা জানান, তরুণেরা কীভাবে সহিংসতায় জড়িয়ে পড়েন, তা আবিষ্কারের চেষ্টা করেছেন সিনেমায়। সেই সঙ্গে সহিংসতার বিরুদ্ধে দাঁড়াতে অসম সাহস ও মানবতার প্রয়োজন, সে বিষয়েও তুলে ধরা হয়েছে সিনেমায়। সিনেমা টি প্রযোজনা করছেন অনুভব সিনহা ও ভূষণ কুমার। অনুভব সিনহা বলেন, ‘ফারাজ এমন একটি গল্প, যা বলা খুব প্রয়োজন। ‘পাঠান’–এর দাপটের মধ্যেই মুক্তি পাবে ‘ফারাজ’। তবে এ নিয়ে কোনো চাপে নেই পরিচালক। কারণ, বক্স অফিসের লাভ থেকে তিনি ভালো ছবি নির্মাণে বিশ্বাসী। আর ‘ফারাজ’–এ মানবিকতা, বন্ধুত্ব আর অহিংসার গল্প বলেছেন হংসল মেহেতা। মুম্বাইয়ের টি-সিরিজের দপ্তরে গত বুধবার ফারাজ সিনেমার মুক্তি উপলক্ষে সংবাদ সম্মেলনের আয়োজন করা হয়েছিল। হংসল মেহেতা ছাড়াও তাতে হাজির ছিলেন ছবির দুই মূল অভিনয়শিল্পী—জাহান কাপুর ও আদিত্য রাওয়াল। ঢাকার হোলি আর্টিজানের সন্ত্রাসী হামলার ঘটনা নিয়ে হিন্দি সিনেমা ‘ফারাজ’ ভারতজুড়ে ১০০ প্রেক্ষাগৃহে মুক্তি পেয়েছে সিনেমাটি।এর আগে দিল্লি হাইকোর্ট ছবিটির মুক্তি স্থগিত চেয়ে করা আবেদন বাতিল করে দেয়াহয়। ফারাজ’–এর প্রযোজক আরেক বলিউড নির্মাতা অনুভব সিনহা। ছবিটির মুক্তির আগে তিনি টাইমস অব ইন্ডিয়াকে বলেন, ‘এটি একটি বিশেষ সিনেমা, আমরা চাই ভারতজুড়ে যত বেশি সম্ভব মানুষ সিনেমাটি দেখুক।’  ছবিটি দেখতে দর্শককে আহ্বান জানিয়ে তিনি বলেন, ‘“ফারাজ” এমন একটি গল্প, যা বড় পর্দায় উপভোগ করতে হবে, আমরা চেয়েছি নির্বাচিত হলগুলোতে ছবিটি জাঁকজমকভাবে মুক্তি দিতে। হংসল ‘ফারাজ’ ছবির জন্য বেছে নিয়েছেন নতুন দুই মুখ—কারিনা কাপুরের চাচাতো ভাই জাহান কাপুরকে দেখা যাবে ফারাজ হোসেনের চরিত্রে, পরেশ রাওয়ালের ছেলে আদিত্য রাওয়াল ছবিটির মাধ্যমে বলিউডে পা রাখতে চলেছেন।‘ফারাজ’ ছবির অন্যান্য চরিত্রে আছেন আমির আলী, জুহি বব্বর, শচিন লালওয়ানি, পলক লালওয়ানি, রেশম সাহানিসহ আরও অনেকে।  কিছুদিন আগে কাপুর পরিবারের জন্য ‘ফারাজ’-এর এক বিশেষ প্রদর্শনী রাখা হয়েছিল। এদিন কাপুর খানদান থেকে কারিনা, নীতু কাপুর, রণবীর কাপুর, সাইফ আলী খান, আলিয়া, জাহানের বাবা কুনাল কাপুর আর মা শীনা সিপ্পিসহ অনেকেই উপস্থিত ছিলেন। ‘ফারাজ’-এর চরিত্রে জাহান সবার হৃদয় ছুঁয়ে গেছেন। এদিন কাপুর পরিবার রীতিমতো আবেগে ভেসেছিল।

post
বাংলাদেশ

উপনির্বাচন : ইসিকে চ্যালেঞ্জ করে গণভোটের দাবী করলেন হিরো আলম

বগুড়া-৪ আসনের উপনির্বাচনে হেরে যাওয়া স্বতন্ত্র প্রার্থী আশরাফুল আলম ওরফে হিরো আলম ভোটের দুদিন পর তার নির্বাচনী এলাকার ভোটারদের সঙ্গে শুভেচ্ছা বিনিময় করে গণভোট দেওয়ার দাবী করেন।আজ শুক্রবার (৩ ফেব্রুয়ারি) দুপুরে ভোট পরবর্তী কাহালুর বিভিন্ন এলাকা পরিদর্শনের সময় সংবাদমাধ্যমের সামনে তিনি ইসি রাশেদা সুলতানাকে এ চ্যালেঞ্জ জানান। ফলাফল প্রকাশে কারচুপি হয়েছে অভিযোগ করে নির্বাচন কমিশনার রাশেদা সুলতানাকে চ্যালেঞ্জ ছুড়ে দিয়েছেন আশরাফুল আলম ওরফে হিরো আলম। তিনি বলেন, ‘হিরো আলম এবং তানসেনের (জাসদের রেজাউল করিম তানসেন) মশাল এই দুইজনের মধ্যে গণভোট দেন। জনগণ ভোট দিয়েছে কি দেয়নি, ফলাফল চুরি করেছেন কিনা সেটাও আমি দেখাব।’ হিরো আলম বলেন, ‘গণভোটে প্রতিটা কেন্দ্রে সিসি ক্যামেরা দিবেন এবং যারা নির্বাচন কমিশনার আছেন, তাঁরা সবাই সেই ভোট দেখবেন। আমি চ্যালেঞ্জ করে বলছি, আমি আর কোনো দিন নির্বাচন করব না, নির্বাচনের নাম মুখে আনব না, যদি গণভোটের মাধ্যমে হেরে যাই।’ পরাজিত প্রার্থী হিরো আলম আরও বলেন, ‘আমি চাই গণভোট হবে ব্যালটে। কারণ ইভিএমে কারচুপি হয়। আর কারচুপি করেই আমাকে হারিয়ে দিয়েছে তারা। আমি এখন কাহালু উপজেলার প্রতিটা কেন্দ্রে ঘুরছি। ভোটারেরা আমার হেরে যাওয়া মেনে নিতে পারছেন না। তারা বলছে আপনার সঙ্গে অন্যায় করা হয়েছে।’ হিরো আলম বলেন, ‘আমি ফল প্রত্যাখ্যান করেছি। আগামী দুই তিন দিনের মধ্যে আদালতে রিট করব। আশা করছি সেখানে আমার পক্ষে ফল আসবে।’ গত বৃহস্পতিবার হিরো আলম ফল পাল্টানোর যে অভিযোগ করেছেন তাঁর ভিত্তি নেই এবং এ আসনের উপনির্বাচনের ফলাফল শতভাগ সঠিক বলে মন্তব্য করেন নির্বাচন কমিশনার রাশেদা সুলতানা। গত বুধবার বগুড়া-৪ (কাহালু ও নন্দীগ্রাম) আসনে উপনির্বাচনে আওয়ামী লীগ নেতৃত্বাধীন ১৪ দলীয় জোট প্রার্থী জাসদ নেতা রেজাউল করিম তানসেন বিজয়ী হন। মশাল প্রতীক নিয়ে তিনি পান ২০ হাজার ৪০৫ ভোট। তাঁর নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী হিরো আলম একতারা প্রতীকে ১৯ হাজার ৫৭১ ভোট পান। ৮৩৪ ভোটের ব্যবধানে হেরে যান তিনি। ভোট নিয়ে তাঁর অভিযোগ না থাকলেও খুব অল্প ব্যবধানে হারার পর থেকেই হিরো আলম অভিযোগ করে আসছেন, তাঁকে জোর করে হারানো হয়েছে। বিষয়টি নিয়ে সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমেও ব্যাপক আলোচনা হচ্ছে। এজে/

post
বাংলাদেশ

দেশে সাত মাসে রপ্তানি আয় এলো ৩২ দশমিক ৪৪৭ বিলিয়ন ডলার

লক্ষ্যে স্থির হলো হলো রপ্তানি আয়। চলতি ২০২২-২৩ অর্থবছরের জুলাই-জানুয়ারি সাত মাসে রপ্তানি আয় এলো ৩২ দশমিক ৪৪৭ বিলিয়ন ডলার, যা লক্ষ্যমাত্রার সমান। সাত মাসের কৌশলগত লক্ষ্যমাত্রা ছিল ৩২.৪৩৭ বিলিয়ন ডলার। জুলাই-জানুয়ারি সাত মাসে প্রবৃদ্ধি কিছুটা পিছালো। এ সময়ে প্রবৃদ্ধি দাঁড়ালো ৯.৮১ শতাংশ। আগের মাসে রপ্তানি আয়ের প্রবৃদ্ধি ছিল ১০.৫৮ বিলিয়ন ডলার। এ হিসাবে চলতি বছরে ছুটতে থাকা প্রবৃদ্ধির গতি কিছুটা কমলো। বৃহস্পতিবার (২ ফেব্রুয়ারি) সকালে এ প্রতিবেদন প্রকাশ করে রপ্তানি উন্নঢন ব্যুরো (ইপিবি)। বাংলাদেশের রপ্তানি পণ্যের প্রধান বাজার ইউরোপে যুদ্ধের দামামা আর বিশ্বজুড়ে অর্থনৈতিক সংকটের মধ্যেই চলতি বছরের শুরু থেকে রপ্তানি আয়ে ভাল খবর দিয়ে আসছিল। বাড়ছিল আয়। এ সময়ে দেশে ডলারের তীব্র সংকট চলছে। এই সংকটের মধ্যে কিছুটা হলেও স্বস্তি দিচ্ছিলো রপ্তানি আয়ে। বাড়ছিল প্রতি মাসেই। এর মধ্যে রপ্তানি আয়ের কার্যাদেশ কিছুটা কমেছিল। রপ্তানিকারকরা বলছিল, মার্চের দিকে রপ্তানি আয় কমে আসতে পারে। কিন্তু তার আগেই জানুয়ারি মাসে কিছুটা কমলো। যদিও চলতি বছরের প্রথম সাত মাস জুলাই-জানুয়ারি সাত মাসের জন্য যে লক্ষ্যমাত্রা ছিল তার চেয়ে কমেনি। পাশাপাশি আগের বছরের চেয়ে বেশি আছে প্রায় দশ শতাংশ। চলতি ২০২২-২৩ অর্থবছরের রপ্তানি আয়ের লক্ষ্যমাত্রা রয়েছে ৫৮ বিলিয়ন ডলার। আর জুলাই-জানুয়ারি সাত মাসের লক্ষ্যমাত্রা ছিল ৩২.৪৩৭ বিলিয়ন ডলার। দেশের প্রধান রপ্তানি পণ্য তৈরি পোশাক। তৈরি পোশাক কমলেই মোট রপ্তানি আয়ে ঝাঁকুনি লাগে। তথ্য বলছে তৈরি পোশাকের রপ্তানি কিছুটা কমার কারণে মোট রপ্তানি আয়ে এর প্রভাব পড়েছে। জানুয়ারি শেষে তৈরি পোশাক রপ্তানি আয়ে প্রবৃদ্ধি দাঁড়িয়েছে ১৪.৩১ শতাংশ। ডিসেম্বরে এ হার ছিল ১৫.৫৬ শতাংশ। জুলাই-জানুয়ারি সাত মাসে মোট ২৭.৪১৮ বিলিয়ন ডলারের তৈরি পোশাক রপ্তানি হয়েছে। যা মোট রপ্তানি আয়ের ৮৪.৫০ শতাংশ। আর ডিসেম্বর মাসে এ হার ছিল ৮৪.২০ শতাংশ। মূলত তৈরি পোশাক রপ্তানি আয় কমার কারণেই কমেছে মোট রপ্তানি আয়। জুলাই-জানুয়ারি সাত মাসে অন্যান্য প্রধান রপ্তানি পণ্যগুলোর মধ্যে রয়েছে হিমায়িত মৎস্য ২৯২.৬৫ মিলিয়ন ডলার, কৃষিজাত পণ্য ৫৫৫.২৭ মিলিয়ন ডলার এবং পাট ও পাটজাত পণ্য ৫৪৮ মিলিয়ন ডলার।

post
বাংলাদেশ

দেশের প্রথম পাতাল মেট্রোরেল নির্মাণকাজের উদ্বোধন করলেন শেখ হাসিনা

দেশের প্রথম পাতাল মেট্রোলাইন নির্মাণকাজের উদ্বোধনী ফলক উন্মোচন করলেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। আজ বৃহস্পতিবার বেলা ১১টা ৫ মিনিটের দিকে পূর্বাচল নতুন শহর প্রকল্প, নারায়ণগঞ্জ রূপগঞ্জের রাজউক কমার্শিয়াল প্লট মাঠে পাতাল মেট্রোলাইন নির্মাণকাজের উদ্বোধন ঘোষণা ও ফলক উন্মোচন করেন তিনি। উত্তরা দিয়াবাড়ি থেকে আগারগাঁও পর্যন্ত মেট্রোরেল উদ্বোধনের এক মাসের মাথায় দেশের প্রথম পাতাল মেট্রোরেলের নির্মাণকাজেরও উদ্বোধন করলেন তিনি। সড়ক পরিবহন ও সেতুমন্ত্রী ওবায়দুল কাদের, ঢাকা উত্তর সিটি করপোরেশনের মেয়র আতিকুল ইসলাম, বস্ত্র ও পাটমন্ত্রী গোলাম দস্তগীর গাজী, বাংলাদেশে জাপানের রাষ্ট্রদূত ইওয়ামা কিমিনোরি, সড়ক পরিবহন ও মহাসড়ক বিভাগের সচিব এ বি এম আমিন উল্লাহ নূরী এবং ঢাকা ম্যাস ট্রানজিট কোম্পানি লিমিটেডের ব্যবস্থাপনা পরিচালক (ডিএমটিসিএল) এম এ এন সিদ্দিক প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে ছিলেন।এ নির্মাণকাজ শেষ হলে ২৫টি পাতালরেল চলবে। একেকটি ট্রেনে আটটি করে কোচ থাকবে। দিনের মূল সময়ে আড়াই থেকে সাড়ে তিন মিনিট পরপর ট্রেন চলবে। বিমানবন্দর থেকে কমলাপুর যেতে সময় লাগবে ২৪ মিনিট। দৈনিক আট লাখ যাত্রী পরিবহন করা যাবে এ পাতালরেলে। অত্যাধুনিক বোরিং মেশিন দিয়ে নিঃশব্দে কাজ করা হবে। পূর্বাচল এক্সপ্রেসওয়ে বা ৩০০ ফুট সড়কের কোনো ক্ষতি হবে না। মাঝে সড়ক বিভাজকে ৪ মিটার জায়গা রাখা হয়েছে। ২০২৬ সালের মধ্যে নির্মাণকাজ শেষ করার প্রচেষ্টা থাকবে বলে পাতালরেল কর্তৃপক্ষ জানিয়েছে। এই পাতালরেল হচ্ছে ম্যাস র‌্যাপিড ট্রানজিট (এমআরটি-১) প্রকল্পের আওতায়। এটি বাস্তবায়ন করবে ঢাকা ম্যাস ট্রানজিট কোম্পানি লিমিটেড (ডিএমটিসিএল)। এরই মধ্যে নারায়ণগঞ্জের পিতলগঞ্জে মেট্রোরেলের ডিপো নির্মাণে ঠিকাদার প্রতিষ্ঠানের সঙ্গে চুক্তি সই করেছে ডিএমটিসিএল। প্রকল্প সূত্র জানায়, সরকার ২০২৬ সালের মধ্যে আনুমানিক ৫২ হাজার ৫৬১ কোটি ৪৩ লাখ টাকা ব্যয়ে বিমানবন্দর থেকে কমলাপুর এবং পূর্বাচল থেকে নতুন বাজার পর্যন্ত মাটির নিচ দিয়ে এবং এলিভেটেড উভয় সুবিধাসংবলিত ৩১ দশমিক ২৪২ কিলোমিটার দীর্ঘ এমআরটি লাইন-১ নির্মাণ করবে। ২০৩০ সাল নাগাদ রাজধানী ঢাকায় মোট ছয়টি মেট্রোরেল রুট উদ্বোধন করা হবে এবং ডিএমটিসিএল এই মেগা প্রকল্পগুলো বাস্তবায়ন করবে।

post
বিনোদন

ভাষার মাসে শুভমুক্তি পেল ‘বীরকন্যা প্রীতিলতা’

ব্রিটিশবিরোধী আন্দোলনের বীরকন্যা প্রীতিলতা ওয়াদ্দেদারের জীবনের ওপর কথাসাহিত্যিক সেলিনা হোসেনের উপন্যাস ‘ভালোবাসা প্রীতিলতা’ অবলম্বনে নির্মিত হয়েছে পূর্ণদৈর্ঘ্য চলচ্চিত্র ‘বীরকন্যা প্রীতিলতা’ ভাষার মাসে শুভমুক্তি পেয়েছে।পহেলা ফেব্রুয়ারি বুধবার রাজধানীর বসুন্ধরা স্টার সিনেপ্লেক্সের প্রেক্ষাগৃহে সিনেমাটি শুভমুক্তি পায়। সিনেমাটির শুভমুক্তি অনুষ্ঠান উদ্বোধন করেন তথ্য ও সম্প্রচার মন্ত্রী ড. হাসান মাহমুদ।চলচ্চিত্রটি গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকারের তথ্য ও সম্প্রচার মন্ত্রণালয়ের ২০১৯-২০ অর্থবছরের অনুদানে নির্মিত হয়েছে।চলচিত্রটি প্রদশর্নের পূর্বে সিনেমার পরিচালক, প্রযোজক, কলাকুশলী ও অভিনেতাদের ধন্যবাদ জানান তথ্যমন্ত্রী। ব্রিটিশ বিরোধী আন্দোলন অবলম্বনে নির্মিত সিনেমাটি দর্শকদের হলে এসে দেখার অনুরোধ জানান মন্ত্রী। এর আগে, গত বছরের ২৫ নভেম্বর মুক্তির তারিখ নির্ধারণ করা হলেও শেষ মুহূর্তে কিছু কারিগরি সংকট দেখা দেয়ায় ছবিটির মুক্তির তারিখ পিছিয়ে যায়। ২৪ জানুয়ারি সিনেমাটির নির্মাতা এক সংবাদ সম্মেলনে জানান, চলতি বছরের ১ ফেব্রুয়ারি মুক্তি পাচ্ছে এ সিনেমাটি। সিনেমাটি নিয়ে নির্মাতা প্রদীপ ঘোষ বলেন, ‘আমরা দেশের বিভিন্ন সিনেপ্লেক্স ও সিনেমা হলে সিনেমাটির প্রদর্শনীর ব্যাপারে উদ্যোগ নিয়ে ফেলেছি। তিনি আরও বলেন, ‘অন্য সিনেপ্লেক্সগুলোতেও আমরা শিক্ষার্থীদের হাফ পাসের ব্যাপারে আলোচনা চালিয়ে যাচ্ছি। এছাড়া শুভমুক্তি অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন বাংলাদেশ বিশ্ববিদ্যালয় মুঞ্জুরী কমিশনের সদস্য প্রফেসর ড সাজ্জাদ হোসেন সহ সিনেমাটির প্রযোজক, পরিচালক, বিভিন্ন বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য গণ, ও বিভিন্ন অভিনেতা অভিনেত্রী, কলাকুশলী গণ। প্রসঙ্গত, প্রীতিলতা চরিত্রে অভিনয় করেছেন নুসরাত ইমরোজ তিশা। তার বিপরীতে বিপ্লবী রামকৃষ্ণের চরিত্রে দেখা যাবে মনোজ প্রামাণিককে। এদিকে টিভি নাটকে অভিনয় করেই তারকাখ্যাতি পেয়েছেন নুসরাত ইমরোজ তিশা। পরবর্তী সময়ে সিনেমায় অভিনয় করেও প্রশংসিত হয়েছেন। তার অভিনয়গুণে এখন দেশ কিংবা দেশের বাইরে রয়েছে জনপ্রিয়তা। মাঝে ব্যক্তিগত ব্যস্ততা থাকায় শুটিং থেকে দূরে ছিলেন। এখন আবার ধীরে ধীরে শুটিংয়ে ফিরছেন তিনি।

About Us

NRBC is an open news and tele video entertainment platform for non-residential Bengali network across the globe with no-business vision just to deliver news to the Bengali community.