post
এনআরবি চাকুরী

ফার্স্ট অফিসার নেবে বিমান বাংলাদেশ এয়ারলাইনস

বিমান বাংলাদেশ এয়ারলাইনস লিমিটেড জনবল নিয়োগের বিজ্ঞপ্তি প্রকাশ করেছে। বোয়িং-৭৭৭ মডেলের উড়োজাহাজের জন্য ফার্স্ট অফিসার নেবে প্রতিষ্ঠানটি। বিজ্ঞপ্তিতে বর্ণিত যোগ্যতা পূরণ সাপেক্ষে আবেদন করতে পারবেন যে কেউ। পদের নাম: ফার্স্ট অফিসার পদসংখ্যা: ১১ যোগ্যতা: এয়ারলাইন ট্রান্সপোর্ট পাইলট লাইসেন্সধারী (এটিপিএল) হতে হবে। এটিপিএলের সব বিষয়ে পাসসহ সিপিএল ও আইআর ইস্যু/সিভিল অ্যাভিয়েশন অথরিটির তালিকাভূক্ত হতে হবে। বৈধ ফ্লাইং লাইসেন্স ও প্রথম শ্রেণির মেডিকেল সনদ থাকতে হবে। মাল্টি ক্রু ও মাল্টি ইঞ্জিনের উড়োহাজাজ চালনায় ২ হাজার ঘণ্টা ফ্লাইং অভিজ্ঞতা থাকতে হবে। এর মধ্যে গত দুই বছরে ৩০০ ঘণ্টা ফ্লাইং অভিজ্ঞতা থাকতে হবে। বোয়িং (বি৭৩৭/বি৭৪৭/বি৭৬৭/বি৭৭৭/বি৭৮৭)চালানোয় অভিজ্ঞদের অগ্রাধিকার দেওয়া হবে। ইংরেজি ভাষায় সাবলীল হতে হবে। ইন্টারন্যাশনাল সিভিল অ্যাভিয়েশনের (আসিএও) মানদণ্ড অনুযায়ী ইংরেজি লেভেল ৪ বা এর বেশি থাকতে হবে। গত পাঁচ বছরে কোনো দুর্ঘটনার রেকর্ড থাকা যাবে না। বয়স: সর্বোচ্চ ৬০ বছরচাকরির ধরন: এক বছরের চুক্তিভিত্তিক (নবায়নযোগ্য) বেতন: আলোচনা সাপেক্ষে আবেদন যেভাবেআগ্রহী প্রার্থীদের ডাকযোগে আবেদনপত্র পাঠাতে হবে। আবেদনপত্রের সঙ্গে পূর্ণাঙ্গ জীবনবৃত্তান্ত; সম্প্রতি তোলা আট কপি রঙিন ছবি; বৈধ এটিপিএল বা সিপিএল অ্যান্ড আইআরসহ এটিপিএলের সব বিষয়ে পাসের সনদ; জাতীয় পরিচয়পত্র ও বৈধ পাসপোর্টের কপি; প্রথম শ্রেণির বৈধ মেডিকেল সনদ; ইনস্ট্রুমেন্ট রেটিং; পিপিসি; লগবুকের শেষ দুই পৃষ্ঠার কপিসহ অন্যান্য প্রয়োজনীয় কাগজপত্র সংযুক্ত করতে হবে।আবেদনপত্র পাঠানোর ঠিকানা ম্যানেজার রিক্রুটমেন্ট অ্যান্ড স্ট্যাফিং, বিমান বাংলাদেশ এয়ারলাইনস লিমিটেড, বলাকা ভবন (তৃতীয় তলা), এইচএসআইএ, কুর্মিটোলা, ঢাকা-১২২৯। আবেদনের শেষ সময়: ১৪ ফেব্রুয়ারি ২০২৩।

post
বাংলাদেশ

দুর্নীতিগ্রস্ত দেশের তালিকায় বাংলাদেশের অবস্থান ১২ তম

বিশ্বের ১৮০টি দেশের মধ্যে ‘সবচেয়ে দুর্নীতিগ্রস্ত দেশের তালিকায় বাংলাদেশের অবস্থান ১২তম বলে জানিয়েছে ট্রান্সপারেন্সি ইন্টারন্যাশনাল (টিআই)। বাংলাদেশের স্কোর ১ পয়েন্ট কমে ২৬ থেকে ২৫ হয়েছে। দুর্নীতিগ্রস্ত দেশ হিসেবে এক ধাপ অবনমন হয়েছে।বার্লিনভিত্তিক দুর্নীতিবিরোধী এই সংস্থার প্রকাশ করা ‘দুর্নীতির ধারণা সূচক (সিপিআই)’-এ এ তথ্য উঠে এসেছে। মঙ্গলবার (৩১ জানুয়ারি) বেলা ১১টায় ধানমন্ডির মাইডাস সেন্টারে ট্রান্সপারেন্সি ইন্টারন্যাশনালের বাংলাদেশের (টিআইবি) এক সংবাদ সম্মেলনে বিষয়টি উপস্থাপন করা হয়েছে। সংবাদ সম্মেলনে টিআইবির নির্বাহী পরিচালক ড. ইফতেখারুজ্জামান বলেন, সিপিআই অনুযায়ী বাংলাদেশের অবস্থান হতাশাজনক। এবছর সূচকে নিচের দিক থেকে বাংলাদেশের অবস্থান ১২ এবং ওপরের দিক থেকে ১৪৭। এবার বাংলাদেশ ১০০ স্কোরের মধ্যে ২৫ অর্জন করেছে। দক্ষিণ এশিয়ার ৮টি দেশের মধ্যে এবারও বাংলাদেশের অবস্থান ও স্কোর যথারীতি বিব্রতকরভাবে আফগানিস্তানের পর দ্বিতীয় সর্বনিম্ন। এবার আফগানিস্তানের স্কোর ১৬ থেকে বেড়ে ২৪ হয়েছে। অথচ বাংলাদেশের স্কোর ঘুরেফিরে ২৫ থেকে ২৮ এর মধ্যে রয়েছে। এর আগে দুর্নীতির ধারণা সূচক (সিপিআই)-২০২১ অনুসারে বাংলাদেশের স্কোর ছিল ২৬। বিশ্বের সবচেয়ে বেশি দুর্নীতিগ্রস্ত দেশের তালিকায় বাংলাদেশের এক ধাপ এগিয়ে ১২তম অবস্থান থেকে ১৩তম অবস্থানে এসেছিল। আর তালিকায় উপরের দিক থেকে বাংলাদেশের অবস্থান ছিল ১৪৭তম। অবশ্য দুর্নীতির এই সূচকে বা স্কোরের ক্ষেত্রে বাংলাদেশের কোনো অগ্রগতি হয়নি৷ এর আগের বছরের মতো একই স্কোর ছিল৷ চার বছর ধরেই একই স্কোর রয়েছে। ১৯৯৫ সাল থেকে বেসরকারি সংস্থা ট্রান্সপারেন্সি ইন্টারন্যাশনাল দ্বারা প্রতি বছর এই সূচক প্রকাশ করা হয়।

post
বাংলাদেশ

বাংলাদেশে মেট্রোরেল উদ্বোধনের পর থেকে ২৯ দিনে আয় ২ কোটি ৪৬ লাখ

গেলো বছর মেট্রোরেল উদ্বোধনের পর থেকে ২৯ দিনে টিকিট বিক্রি করে আয় হয়েছে ২ কোটি ৪৬ লাখ টাকা । ঢাকা ম্যাস ট্রানজিট কোম্পানি লিমিটেডের (ডিএমটিসিএল) ব্যবস্থাপনা পরিচালক (এমডি) এম এন সিদ্দিক এ কথা জানান । মঙ্গলবার (৩১ জানুয়ারি) রাজধানীর পুরাতন এলিফ্যান্ট রোডে ঢাকা ম্যাস ট্রানজিট কোম্পানি লিমিটেডের (ডিএমটিসিএল) সভাকক্ষে এ তথ্য জানান তিনি। তিনি আরও বলেন, মূল আয় বোঝা যাবে পুরো রুট চালু হলে। এই সময়ে ৩ লাখ ৩৫ হাজার টিকিট বিক্রি করা হয়েছে। গত ২৯ ডিসেম্বর উত্তরা-আগারগাঁও-উত্তরা রুটে বিরতিহীনভাবে চলাচল শুরু করে মেট্রোরেল। পরে যাত্রীদের জন্য খুলে দেওয়া হয় মেট্রোরেলের পল্লবী স্টেশন। এর আগে ৯ জানুয়ারি রাজধানীর প্রবাসী কল্যাণ ভবনে আয়োজিত সংবাদ সম্মেলনে ডিএমটিসিএলের এমডি এম এ এন সিদ্দিক বলেছিলেন, মেট্রোরেলে বিদ্যুৎ খরচ, ব্যবস্থাপনা খরচ ও নির্মাণে যে বৈদেশিক ঋণ নেওয়া হয়েছে তাতে করে দৈনিক তিন কোটি টাকা আয় করতে হবে। আগামী ডিসেম্বর মাস থেকে উত্তরা উত্তর স্টেশন থেকে মতিঝিল পর্যন্ত ২০ দশমিক ১২ কিলোমিটার রুট খুলে দেওয়া হবে। মেট্রোরেলের এই রুট থেকে বছরে হাজার কোটি টাকা আয় করতে হবে। তবে আমাদের যে পরিকল্পনা আছে সেই অনুযায়ী আমরা এই আয় করতে পারবো, কোনো সমস্যা হবে না।

post
এনআরবি বিশ্ব

মালদ্বীপে সাততলা থেকে পড়ে এক প্রবাসী শ্রমিক আহত

মালদ্বীপে এসি লাগাতে গিয়ে সাততলা থেকে পড়ে এক প্রবাসী শ্রমিক আহত হয়েছেন। স্থানীয় গণমাধ্যমে বলা হচ্ছে, ওই শ্রমিক বাংলাদেশি নাগরিক। তবে তার নাম উল্লেখ করা হয়নি। বয়স ২৫ বছর বলা হয়েছে। শনিবার (২৮ জানুয়ারি) স্থানীয় সময় বিকেল ৪টা ৪০ মিনিটে দেশটির রাজধানী মালে শহরে ঘটে এ ঘটনা। তবে রোববার (২৯ জানুয়ারি) পুলিশের বরাত দিয়ে এ খবর প্রকাশ করে স্থানীয় গণমাধ্যম।বর্তমানে আহত ওই শ্রমিককে মালদ্বীপের ইন্দিরা গান্ধী মেমোরিয়াল হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে। এটি মালদ্বীপের সরকারি হাসপাতাল।প্রত্যক্ষদর্শীরা জানান, রাশেদ কনস্ট্রাকশন কোম্পানির (আরসিসি) ইউনিফর্ম পরা ওই কর্মী এসি লাগাতে গিয়ে নিচে পড়ে যান। এরপর এলাকাবাসী ও আরসিসি কর্মীরা তাকে হাসপাতালে নিয়ে যান।হাসপাতালের একজন মিডিয়া অফিসার গণমাধ্যমকে জানান, আহত ব্যক্তি জরুরি বিভাগে চিকিৎসা নিচ্ছেন। তবে ওই ব্যক্তির শারীরিক অবস্থা সম্পর্কে কিছু জানাননি তিনি।মালদ্বীপের পুলিশ জানিয়েছে, তারা শনিবার বিকেলে ভবন থেকে এক ব্যক্তির পড়ে যাওয়ার খবর পায়।এর আগে গত বছরের সেপ্টেম্বরে একই কোম্পানির কর্মী কাজ করতে গিয়ে আহত হয়েছিলেন। তখন ওপর থেকে রড পড়ে তার কপালে ঢুকে যায়। পরে মালের এডিকা হাসপাতালে অস্ত্রোপচার হয় তার।

post
বাংলাদেশ

ফেব্রুয়ারিতে ঢাকায় দূতাবাস চালু করতে যাচ্ছে আর্জেন্টিনা

বিশ্বকাপ ফুটবলকে কেন্দ্র করে বাংলাদেশে আর্জেন্টিনার সমর্থকদের সমর্থনের আবেগ ছুঁয়েছে দেশটির সাধারণ মানুষ থেকে শুরু করে নীতিনির্ধারক মহল পর্যন্ত। ভৌগোলিকভাবে আর্জেন্টিনার সঙ্গে বাংলাদেশের দূরত্বটা ১৭ হাজার কিলোমিটারের বেশি। কিন্তু আলবিসেলেস্তের প্রতি বাংলাদেশের জনগণের ভালোবাসায় এ দূরত্বকে বিস্তর মনে হয় না।কাতার বিশ্বকাপ ফুটবলের সময় আর্জেন্টিনা দলকে নিয়ে বাংলাদেশের উন্মাদনা লাতিন আমেরিকার দেশটিকে চমকে দিয়েছে। এ উন্মাদনা আর্জেন্টিনা তো বটেই, সারা বিশ্বের নজর কেড়েছে। আর্জেন্টিনার মানুষও এখন বাংলাদেশকে আপন ভাবছে। বাংলাদেশের সঙ্গে বন্ধুত্ব আরও গভীর করতে বিশ্বকাপজয়ী দেশটি ফেব্রুয়ারিতে ঢাকায় দূতাবাস চালু করতে যাচ্ছে। ঢাকায় দূতাবাসের উদ্বোধন করতে আগামী ২৬ ফেব্রুয়ারি বাংলাদেশে আসছেন আর্জেন্টিনার পররাষ্ট্রমন্ত্রী সান্তিয়াগো ক্যাফিয়েরো। পরদিন ২৭ ফেব্রুয়ারি দূতাবাস উদ্বোধন করা হবে। বাংলাদেশে দূতাবাস খোলার পূর্বপ্রস্তুতির অংশ হিসেবে নয়াদিল্লিতে অবস্থিত আর্জেন্টিনা দূতাবাসের উপরাষ্ট্রদূত ফ্রাঙ্কো সেনিলিয়ানির নেতৃত্বে একটি প্রতিনিধিদল আজ সোমবার ঢাকায় আসছেন। ফ্রাঙ্কো গতকাল রোববার সন্ধ্যায় গণমাধ্যমকে এ তথ্য নিশ্চিত করেছেন।বাংলাদেশের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের এক জ্যেষ্ঠ কর্মকর্তা বলেন, আর্জেন্টিনার পররাষ্ট্রমন্ত্রী সান্তিয়াগো তিন দিনের সফরে ২৬ ফেব্রুয়ারি ঢাকায় আসবেন। সফরকালে দূতাবাস উদ্বোধনের পাশাপাশি তিনি প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার সঙ্গে সৌজন্য সাক্ষাৎ করবেন। এ ছাড়া তিনি পররাষ্ট্রমন্ত্রী এ কে আব্দুল মোমেন ও বাণিজ্যমন্ত্রী টিপু মুনশির সঙ্গে বৈঠক করবেন। গত বছরের ডিসেম্বরে আর্জেন্টিনার বিশ্বকাপ ফুটবলের শিরোপা জয়ের পর অভিনন্দন জানিয়ে দেশটির প্রেসিডেন্ট আলবার্তো ফার্নান্দেজকে চিঠি পাঠান প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। অভিনন্দনবার্তার জবাবে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনাকে ধন্যবাদ জানিয়ে চিঠি দেন আর্জেন্টিনার প্রেসিডেন্ট আলবার্তো। চিঠিতে আলবার্তো বলেন, ২০২৩ সালে ঢাকায় আর্জেন্টিনার দূতাবাস স্থাপনের মাধ্যমে দুই দেশের জনগণ ভ্রাতৃত্ব ও সম্প্রীতির দৃঢ়বন্ধনে আবদ্ধ হবে বলে মনে করেন তিনি। ঢাকায় আর্জেন্টিনার দূতাবাস চালুর বিষয়টি মূলত সামনে আসে দেশটির পররাষ্ট্রমন্ত্রীর একটি টুইটকে কেন্দ্র করে। গত বছরের ১২ ডিসেম্বর আর্জেন্টিনার পররাষ্ট্রমন্ত্রী সান্তিয়াগো এক টুইটে লেখেন, ঢাকায় ১৯৭৮ সালে বন্ধ হয়ে যাওয়া তাঁর দেশের দূতাবাস পুনরায় চালুর বিষয়ে বাংলাদেশের পররাষ্ট্রমন্ত্রী এ কে আব্দুল মোমেনের সঙ্গে আলোচনা হয়েছে।বিশ্বকাপে মেক্সিকোর বিপক্ষে মেসির গোলের পর উল্লাসরত বাংলাদেশি সমর্থকদের একটি ভিডিও ফিফার অফিশিয়াল টুইটার অ্যাকাউন্টে পোস্ট করার পর তা বিশ্ববাসীর নজর কাড়ে। ভিডিওটি দ্রুত সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়ে। আর্জেন্টিনার বিভিন্ন গণমাধ্যমে ঘটনাটি ফলাও করে প্রচার করা হয়। পরে আর্জেন্টিনা জাতীয় ফুটবল দলের টুইটারে বলা হয়, ‘আমাদের দলকে সমর্থন করার জন্য আপনাদের ধন্যবাদ! ওরা (বাংলাদেশিরা) আমাদের মতোই পাগল!’বাংলাদেশের কর্মকর্তারা মনে করেন, ফুটবলের প্রতি ভালোবাসার মধ্য দিয়ে দুই দেশের বন্ধন দৃঢ় হবে। দূতাবাস চালুর ফলে আর্জেন্টিনার সঙ্গে বাংলাদেশের ব্যবসা-বিনিয়োগ বাড়ার সম্ভাবনা রয়েছে। আর্জেন্টিনার সঙ্গে সহযোগিতার মাধ্যমে বাংলাদেশ লাতিন আমেরিকার অভিন্ন বাজার মারকোসুরে প্রবেশেধাকিরার উদ্যোগ নিতে পারে। দক্ষিণ আমেরিকার দ্বিতীয় সর্বোচ্চ সয়াবিন উৎপাদনকারী দেশ আর্জেন্টিনা। সম্পর্কের নতুন প্রেক্ষাপটে দেশটি থেকে বাংলাদেশের সয়াবিন তেল আমদানি সহজতর হতে পারে। পাশাপাশি চিনি আমদানির সুবিধা বাড়বে। সূত্র- প্রথম আলো

post
বিনোদন

রাজের সাথে সংসার নিয়ে যা বললেন পরীমনি

কয়েক দিন আগে ঢালিউড তারকা পরীমনি আর শরিফুল রাজের বিচ্ছেদের বিষয় নিয়ে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে বেশ আলোচনায় ছিল। রাজের বাড়ি ছেড়ে চলেও গিয়েছিলেন পরীমনি। কিন্তু এখন আবার সব কিছু ঠিক হয়ে গেছে। স্বামী রাজের সঙ্গে তিনি এখন সুখে সংসার করছেন।বিয়ের এক বছর পর পরীমনি জানালেন, শরিফুল রাজের জন্য ভালোবাসা বেড়েই চলেছে তার। পরীমনি অভিনীত নতুন সিনেমা ‘অ্যাডভেঞ্চার অব সুন্দরবন’ সম্প্রতি মুক্তি পেয়েছে। সিনেমা মুক্তি উপলক্ষ্যে রাজধানী ঢাকার বিভিন্ন প্রেক্ষাগৃহে ছুটে যাচ্ছেন তিনি। একই সঙ্গে ছবিটির ব্যাপারে দর্শকের আগ্রহ বাড়াতে কথা বলছেন বিভিন্ন গণমাধ্যমেও। এক গণমাধ্যম সাক্ষাৎকারে পরীমনি তার আর রাজের ভালোবাসা, সন্তান রাজ্যের বিষয়ে নানান কথা বলেন। রাজকে নিয়ে পরী জানান, সম্পর্ক যতদূর, যতদিন যায় ভালোবাসাও বেড়ে যায়, মান-অভিমান হয়, বন্ধুত্ব বাড়ে, শেয়ারিং বাড়ে। দুজনের বন্ধুত্বের জোরেই এখনো অবধি সম্পর্ক টিকে আছে বলেও জানান পরীমনি। জীবনের নানা চড়াই-উতরাই পার করে যতটা আলোচিত হয়েছেন, তেমনি সমালোচিতও কম হননি পরীমনি। চলচ্চিত্রে অভিনয় করবেন, এমনটি কখনো ভাবেননি বলেও জানান পরী। গণমাধ্যমে পরী আরও বলেন, নাটকে কাজ করছিলাম। তা নিয়েই সন্তুষ্ট ছিলাম। নাটকে কাজ করতে গিয়ে চম্পা ম্যাডামের সঙ্গে পরিচয় হয়। নাটকের শুটিংয়ের ফাঁকে প্রায়ই তিনি আমাকে চলচ্চিত্রের নায়িকা হওয়ার কথা বলতেন। অনেক উৎসাহ ও অনুপ্রেরণা দিতেন। প্রতিনিয়ত তার বলা কথাগুলো আমাকে নায়িকা হওয়ার স্বপ্ন দেখায়। আমিও আত্মবিশ্বাসী হয়ে ওঠি। এভাবেই একদিন পরিচালক শাহ আলম মণ্ডল আমাকে তার ছবিতে অভিনয়ের জন্য নির্বাচিত করেন। এর পর ২০১৫ সালে 'ভালোবাসা সীমাহীন' ছবি মুক্তির মাধ্যমে বড়পর্দায় অভিষেক ঘটে পরীমনির। প্রসঙ্গত, ২০২১ সালে ‘গুণিন’ সিনেমার শুটিংয়ে প্রেমের সম্পর্কে জড়ান পরী ও রাজ। গত বছরের ২২ জানুয়ারি পারিবারিক আয়োজনে বিয়ের আনুষ্ঠানিকতা সম্পন্ন করেন তারা। যদিও তাদের প্রকৃত বিয়ে হয়েছিল ২০২১ সালের ১৭ অক্টোবর। তবে বিবাহবার্ষিকী হিসেবে ২২ জানুয়ারিকেই বেছে নিলেন।

post
আন্তর্জাতিক

তীব্র শীতে আফগানিস্তানে মৃতের সংখ্যা ১৬৬ ছাড়িয়েছে

আফগানিস্তানে ভয়াবহ ঠান্ডার কারণে এ পর্যন্ত ১৬৬ জনের মৃত্যুর খবর পাওয়া গেছে। শনিবার (২৮ জানুয়ারি) দেশটির সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তারা এ তথ্য নিশ্চিত করে। ভঙ্গুর অর্থনীতির দেশটিতে এমনিতেই চরম খাদ্য সংকট দেখা দিয়েছে। ত্রাণসংকটে পড়ে বিপর্যস্ত আফগানদের জনজীবন। আফগানিস্তানে গত ১০ জানুয়ারি থেকে তাপমাত্রা মাইনাস ৩৩ ডিগ্রিতে নেমে গেছে। ভয়াবহ তুষারপাত আর বিদ্যুৎবিচ্ছিন্ন হয়ে পড়ায় ব্যাপক ভোগান্তিতে পড়েছে দেশটির সাধারণ মানুষ।সহায়তাকারী সংস্থাগুলো ঠান্ডা আবহাওয়ার কারণে আগেই বিপদের শঙ্কা করেছিল। তারা জানায়, দেশটিতে ৩ কোটি ৮০ লাখ মানুষের মধ্যে অর্ধেকেরও বেশি ক্ষুধার্ত এবং ৪০ লাখ শিশু অপুষ্টিতে ভুগছে।দেশটির দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা মন্ত্রণালয় শনিবার জানায়, গত সপ্তাহে মৃতের সংখ্যা ৮৮ জন ছিল। সেই সংখ্যা এখন ১৬৬। দেশের ৩৪ টি প্রদেশের ২৪ টিতে মানুষের মৃত্যুর তথ্য পাওয়া গেছে। মন্ত্রণালয়ের সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তা আব্দুল রহমান জাহিদ এক ভিডিও বার্তায় বলেছেন, বন্যা, বাড়ি গরম করার জন্য গ্যাস হিটার ব্যবহার, আগুন লাগা ও গ্যাস লিকেজের কারণে এসব মানুষের মৃত্যু হয়েছে। একই সঙ্গে প্রতিকূল আবহাওয়ার কারণে দেশটিতে মারা গেছে প্রায় ৭০ হাজার গবাদিপশু।আরও পড়ুন - তীব্র শীতে আফগানিস্তানে ৭৮ জনের মৃত্যুবিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা (ডব্লিউএইচও) জানিয়েছে, এ সপ্তাহে উত্তর-পূর্ব বাদাখশান প্রদেশের একটি গ্রামেই শ্বাসকষ্টে ১৭ জন মারা গেছে। সংস্থাটি আরও জানিয়েছে, দুর্যোগপূর্ণ আবহাওয়ার কারণে ত্রাণ সহায়তার কাজ ব্যাহত হচ্ছে।মার্কিন সেনাদের আফগানিস্তান ত্যাগ ও সশস্ত্র গোষ্ঠী তালেবানের ক্ষমতা গ্রহণের পর দ্বিতীয় শীতকাল পার করছে আফগানরা। আফগান সরকারের মুখপাত্র জাবিহুল্লাহ মুজাহিদ ঠান্ডার কারণে মারা যাওয়া ব্যক্তিদের পরিবারের প্রতি গভীর শোক ও সমবেদনা জানিয়েছেন। এক টুইটে তিনি লেখেন, প্রকৃতির ওপর কারও হাত নেই। তবে ঠান্ডায় এমন প্রাণহানি কষ্টের বিষয়। তিনি আরও বলেন, এরই মধ্যে সংশ্লিষ্ট সংস্থার কর্মকর্তাদের ক্ষতিগ্রস্ত পরিবারগুলোকে সর্বোচ্চ সাহায্য করার আদেশ দেওয়া হয়েছে। প্রাণহানি রোধে প্রয়োজনীয় সব ব্যবস্থা নেওয়ার নির্দেশ দিয়েছে সরকার। দেশটির অর্থনৈতিক পরিস্থিতি অনেকটাই নির্ভর করছে তালেবানের আন্তর্জাতিকভাবে স্বীকৃতি পাওয়ার ওপর। যদিও অর্থনীতির চাকা পুনরায় সচল করতে বারবার প্রতিশ্রুতি দিচ্ছেন তালেবান নেতারা।

post
বাংলাদেশ

ফেব্রুয়ারিতে ঢাকায় আসছেন মালয়েশিয়ার স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী

মালয়েশিয়ার নব নিযুক্ত স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সাইফুদ্দিন নাসুসন ইসমাইল ফেব্রুয়ারির প্রথম সপ্তাহে ঢাকা সফরে আসছেন। দেশটির স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী হিসেবে দায়িত্বভার গ্রহণের পর এটাই হতে যাচ্ছে তার প্রথম বিদেশ সফর। মালয়েশিয়ায় নিযুক্ত বাংলাদেশের হাইকমিশনার মো. গোলাম সারোয়ার দেশটির নবনিযুক্ত স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সাইফুদ্দিন নাসুসন ইসমাইলের সঙ্গে বৃহস্পতিবার সৌজন্য বৈঠক করেন। বৈঠকে তারা বাংলাদেশ-মালয়েশিয়ার মধ্যকার দ্বিপাক্ষিক সম্পর্কের বিভিন্ন দিক নিয়ে আলোচনা করেন। স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সাইফুদ্দিন তার আসন্ন বাংলাদেশ সফর ঘিরে আলোচনা করেন। হাইকমিশনার বাংলাদেশে তার এই গুরুত্বপূর্ণ সফরকে আন্তরিকভাবে স্বাগত জানান। এছাড়া তারা স্বল্প সময়ে ও স্বল্প ব্যয়ে আরও অধিকসংখ্যক বাংলাদেশি জনশক্তি নিয়োগের ক্ষেত্রে দুপক্ষের আন্তরিক প্রচেষ্টার বিষয়ে মতবিনিময় করেন। হাইকমিশনার মালয়েশিয়ায় বসবাসরত অ-নথিভুক্ত বাংলাদেশিদের যাতে রিক্যালিব্রেশনের আওতায় সহজ প্রক্রিয়ায় বৈধতা দেওয়া হয়, তার জন্য মালয়েশিয়ার স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীকে অনুরোধ করেন। প্রত্যুত্তরে, স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী বিষয়টি সহানভূতির সঙ্গে বিবেচনার আশ্বাস দেন।

post
এনআরবি সাফল্য

যুক্তরাষ্ট্রে বাণিজ্য মেলায় অংশ নেবে বাংলাদেশি ১০টি প্রতিষ্ঠান

যুক্তরাষ্ট্রে ‘টেস্কওয়ার্ল্ড ইউএসএ/এপারেল সোর্সিং ইউএসএ-২০২৩’ শীর্ষক তিন দিনব্যাপী বাণিজ্য মেলায় অংশ নেবে বাংলাদেশি ১০টি প্রতিষ্ঠান। বৃহস্পতিবার (৩১ জানুয়ারি) থেকে ২ ফেব্রুয়ারি পর্যন্ত নিউইয়র্কে এই মেলা অনুষ্ঠিত হবে। শুক্রবার (২৭ জানুয়ারি) এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এই তথ্য জানানো হয়। এতে বলা হয়, বাংলাদেশ গার্মেন্টস বাইং হাউস অ্যাসোসিয়েশনের সভাপতি হোসেনের নেতৃত্বে সংগঠনটি একটি বিশেষ বাংলাদেশি প্যাভিলিয়নসহ এই বাণিজ্য মেলায় অংশ নেবে। বাংলাদেশে উৎপাদিত প্রায় সব ধরনের পণ্য অ্যাসোসিয়েশনের পক্ষ থেকে প্যাভিলিয়নে ক্রেতাদের কাছে উপস্থাপন করা হবে। সূত্র জানায়, ২২টি দেশের মোট ৩২৪ প্রতিষ্ঠান এ মেলায় অংশ নেবে। চীন, তাইওয়ান ও দক্ষিণ কোরিয়ার প্যাভিলিয়ন থাকবে এ মেলায়। চীনের ১৭৫টি প্রতিষ্ঠান অংশ নেবে এ মেলায়। বাংলাদেশের যেসব কম্পানি নিউইয়র্ক মেলায় অংশ নেবে সেগুলো হলো— আরজিন্স প্রডিউসার লি., হাম-মীম ডেনিম, পাওনিয়ার ডেনিম, ম্যাস্ক উইল বিডি, পেঙ্গনু গ্রুপ, ভেরো স্টাইল, টোটাল এ্যাপারেল, এনটুএন সোর্সিং। এসব কম্পানি বাংলাদেশ গার্মেন্ট বাইং হাউস অ্যাসোসিয়েশনের আওতায় মেলায় অংশ নেবে। তা ছাড়া ঢাকা ফারইস্ট এবং উইকিটেক্স বিডি (ইন্টারলিংক ড্রেসেস) সরাসরি মেলায় অংশ নেবে। সূত্র : বাসস

post
বাংলাদেশ

'তিন ধরনের ঝুঁকিতে রয়েছে বাংলাদেশের সার্বিক অর্থনীতি'

বাংলাদেশের সার্বিক অর্থনীতি তিন ঝুঁকিতে রয়েছে। এগুলো হচ্ছে-অব্যাহতভাবে বৈদেশিক মুদ্রার রিজার্ভ কমে যাওয়া, ডলারের বিপরীতে টাকার মানে নিম্নমুখীর প্রবণতা ও বৈদেশিক মুদ্রা আয়-ব্যয়ের মধ্যে ঘাটতি। এসব কারণে মূল্যস্ফীতির ওপর চাপ বাড়ছে। যা অর্থনৈতিক ভারসাম্য রক্ষার ক্ষেত্রে বড় ধরনের আঘাত করে যাচ্ছে।এ কারণে সরকারের সার্বিক ব্যয় বেড়ে যাচ্ছে। বাড়তি ব্যয় মেটাতে বেড়েছে সরকারের ঋণনির্ভরতা। বৈদেশিক মুদ্রা আয়, রাজস্ব বাড়ানো ও ভর্তুকি কমানোর মাধ্যমেই এই চাপ কমানো সম্ভব। বাংলাদেশের অর্থনীতি নিয়ে আন্তর্জাতিক অর্থ তহবিলের (আইএমএফ) এক পর্যবেক্ষণে এসব তথ্য উঠে এসেছে। বাংলাদেশের সঙ্গে আইএমএফের ঋণ আলোচনা চূড়ান্ত করার জন্য গত ১৪ জানুয়ারি বাংলাদেশে আসেন সংস্থাটির উপব্যবস্থাপনা পরিচালক (ডিএমডি) অ্যান্তইনেত এম সায়েহ। তিনি ১৮ জানুয়ারি পর্যন্ত ঢাকা সফর করেন। ওই সময় বাংলাদেশের অর্থনীতির সার্বিক অবস্থা সম্পর্কে আইএমএফ একটি পর্যবেক্ষণ তুলে ধরে সরকারকে একটি প্রতিবেদন দিয়েছে। ওই প্রতিবেদন থেকে এসব তথ্য পাওয়া গেছে। এতে ঋণ পাওয়ার ব্যাপারে আইএমএফের অ্যাকশন প্ল্যানও তুলে ধরা হয়েছে। এগুলো বাস্তবায়ন ও বাস্তবায়ন প্রক্রিয়ার অগ্রগতি পর্যালোচনা করতে সরকারের বিভিন্ন সংস্থা কাজ করছে। এই প্রতিবেদনে বাংলাদেশের অর্থনীতির বেশ কিছু ইতিবাচক দিক তুলে ধরা হয়েছে। এর মধ্যে বৈদেশিক ঋণ পরিস্থিতি এখনো স্বস্তিদায়ক। তবে স্বল্পমেয়াদি ঋণ গ্রহণের প্রবণতা কমানোর ওপর জোর দিয়েছে সংস্থাটি। তারা বলেছে, এ ধরনের ঋণের কারণে ঝুঁকি বাড়বে। অর্থনৈতিক মন্দা মোকাবিলায় আইএমএফের কাছ থেকে বাংলাদেশ ৪৫০ কোটি ডলারের ঋণ পাচ্ছে। আগামী ৩০ জানুয়ারি ঋণ প্রস্তাব আইএমএফের নির্বাহী বোর্ডের সভায় অনুমোদন হতে পারে। এটি হলে ফেব্রুয়ারির মাঝামাঝি সময়ে ঋণের প্রথম কিস্তির অর্থ পাওয়া যেতে পারে। আইএমএফের পর্যবেক্ষণে বলা হয়, বৈশ্বিক পরিস্থিতির কারণে আন্তর্জাতিক বাজারে পণ্যের দাম বাড়ায় আমদানি ব্যয়ও বেড়েছে বেশিমাত্রায়। এর বিপরীতে বৈদেশিক মুদ্রা আয় কমেছে। বৈশ্বিক অস্থিরতায় সরাসরি বৈদেশিক বিনিয়োগের (এফডিআই) প্রবাহ কমে গেছে। এতে আমদানি ব্যয়ের প্রবল চাপে রিজার্ভ কমে যাচ্ছে। অব্যাহতভাবে রিজার্ভ কমে যাওয়াটা অর্থনীতির জন্য শঙ্কার কারণ। রিজার্ভ কমে গেলে বাজারে ডলারের চাপও বাড়বে। এতে ডলারের বিপরীতে টাকার মান কমে যাবে। যা এশিয়ার প্রায় সব দেশেই হচ্ছে। টাকার মান কমে গেলে সব খাতেই সরকারের ব্যয় বেড়ে যাবে। একই সঙ্গে বাড়বে আমদানি ব্যয় ও পণ্যমূল্য। যা মূল্যস্ফীতির হারকে আরও উসকে দেবে। যা পুরো অর্থনৈতিক ব্যবস্থাপনাকে চাপে ফেলতে পারে। আমদানি ব্যয়সহ অন্যান্য খাতে বৈদেশিক মুদ্রা ব্যয় যেভাবে বাড়ছে, সেভাবে আয় বাড়ছে না। এতে সার্বিক বৈদেশিক মুদ্রা ব্যবস্থাপনায় ঘাটতি বেড়ে যাচ্ছে। এ ঘাটতি কমাতে বৈদেশিক মুদ্রা আয় বাড়ানোর ওপর গুরুত্ব আরোপ করা হয়েছে। বৈশ্বিক অস্থিরতার কারণে অর্থনীতিতে যে সংকটের সৃষ্টি হয়েছে তা কাটিয়ে উঠতে সরকারকে দুদিক থেকে আয় বাড়াতে হবে। বৈদেশিক খাতে ভারসাম্য রক্ষায় বৈদেশিক মুদ্রা আয় বাড়াতে হবে। এজন্য রপ্তানিবহুমুখীকরণ ও রেমিট্যান্স ব্যাংকিং চ্যানেলে পাঠানোর বিষয়ে প্রবাসীদের উৎসাহিত করতে হবে। অভ্যন্তরীণভাবে ব্যয় বাড়িয়ে কর্মসংস্থান সৃষ্টির জন্য রাজস্ব আয় বাড়াতে হবে। একই সঙ্গে অপ্রয়োজনীয় খাতে ভর্তুকি কমাতে হবে। তাহলে দুই খাতেই ভারসাম্য রক্ষা করে অর্থনৈতিক ব্যবস্থাপনাকে শৃঙ্খলার মধ্যে রাখা সম্ভব হবে। প্রতিবেদনে বলা হয়, সংকট মোকাবিলায় রিজার্ভের ওপর চাপ কমাতে সব ধরনের বিলাসী পণ্য আমদানি কমানো হয়েছে। অত্যাবশ্যকীয় পণ্যের আমদানিও কমে গেছে। মূল্যস্ফীতির অব্যাহত ঊর্ধ্বগতিতে মানুষের আয় কমেছে ও সরকারি সংস্থাগুলোর ব্যয়ে নেতিবাচক প্রভাব পড়েছে। আন্তর্জাতিক বাজারে সব ধরনের জ্বালানির দাম বাড়ায় বৈদেশিক মুদ্রার সাশ্রয় করতে তেল, গ্যাস আমদানি কমানো হয়েছে। এতে বিদ্যুৎসহ সব ধরনের জ্বালানির ঘাটতি হয়েছে। যা অর্থনৈতিক কর্মকাণ্ডকে সংকুচিত করেছে। একই সঙ্গে মুদ্রানীতিতে কঠোরতা আরোপ করায় অর্থনৈতিক কর্মকাণ্ড আরও কমেছে। এতে চাহিদা যেমন কমছে, তেমনি ক্রয়ক্ষমতাও কমছে। এতে মূল্যস্ফীতির হার নিম্নমুখী হলেও সরকারের মাত্রাতিরিক্ত ঋণ গ্রহণ এর ঝুঁকি বাড়িয়ে দিচ্ছে। এতে আরও বলা হয়, চলতি অর্থবছরে বাংলাদেশের অর্থনীতি ঘুরে দাঁড়াতে পারবে না। তবে অর্থনৈতিক কর্মকাণ্ড গত বছরের চেয়ে বাড়বে। আগামী অর্থবছরে বাংলাদেশের অর্থনীতি সম্ভাব্য গতিতে ফিরবে বলে প্রতিবেদনে আশাবাদ ব্যক্ত করা হয়। এতে বলা হয়, বৈশ্বিক পরিস্থিতির নেতিবাচক প্রভাবের কারণে বাংলাদেশ ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে। পণ্যের সরবরাহ খাতে নতুন করে সংকট দেখা দেওয়ার আশঙ্কা রয়েছে। এতে সার্বিকভাবে পণ্যমূল্য বৃদ্ধির ঝুঁকি রয়েই গেছে। এছাড়া মার্কিন কেন্দ্রীয় ব্যাংক ফেডারেল রিজার্ভ ব্যাংক (এফআরবি) তাদের নীতি সুদের হার যেভাবে বাড়িয়ে যাচ্ছে তাতেও বাংলাদেশে নেতিবাচক প্রভাব পড়তে পারে। কারণ এতে ডলারের দাম আরও বাড়বে। একই সঙ্গে বাড়বে সংকটও।প্রতিবেদনে বলা হয়, আইএমএফ থেকে বাংলাদেশ ঋণ পাচ্ছে। এতে সরকারের বৈদেশিক মুদ্রা ব্যবস্থাপনার চাপে কিছুটা স্বস্তি মিলবে। এর সঙ্গে সমন্বয় রেখে সরকারকে রাজস্ব আহরণ বাড়ানো ও বৈদেশিক মুদ্রা আয় বৃদ্ধি করতে হবে। পাশাপাশি ভর্তুকি কমাতে হবে। তাহলে সরকার সুফল পাবে। এসব উদ্যোগের ফলে বৈশ্বিক মন্দার নেতিবাচক প্রভাব মোকাবিলা করা সম্ভব হবে।

About Us

NRBC is an open news and tele video entertainment platform for non-residential Bengali network across the globe with no-business vision just to deliver news to the Bengali community.