post
এনআরবি বিশ্ব

বাংলাদেশের সঙ্গে অগ্রাধিকারমূলক বাণিজ্য চুক্তি দ্রুত বাস্তবায়ন চায় শ্রীলঙ্কা

শ্রীলঙ্কার মন্ত্রিসভা বাংলাদেশের সঙ্গে অগ্রাধিকারমূলক বাণিজ্য চুক্তি দ্রুত বাস্তবায়নের অনুমোদন দিয়েছে। আজ মঙ্গলবার সিঙ্গাপুর ভিত্তিক সংবাদ মাধ্যম সিএনএ শ্রীলঙ্কার মন্ত্রিসভার মুখপাত্রের বরাত দিয়ে এই তথ্য জানিয়েছে।মুখপাত্র বান্দুলা গুনাবর্ধনে সাপ্তাহিক মন্ত্রিসভা ব্রিফিংয়ে সাংবাদিকদের বলেন, 'নতুন বাণিজ্য চুক্তি করা সরকারের নীতিমালার অংশ এবং শ্রীলঙ্কাকে চলমান অর্থনৈতিক সংকট থেকে বের হয়ে আসতে হলে অবশ্যই নিশ্চিত করতে হবে, যে রপ্তানিকারকরা প্রয়োজনীয় সহায়তা পাচ্ছেন।' শ্রীলঙ্কা সম্প্রতি একটি আন্তর্জাতিক বাণিজ্য কার্যালয় প্রতিষ্ঠা করেছে, যাতে চীন ও থাইল্যান্ডের সঙ্গে স্তিমিত বা থেমে থাকা বাণিজ্য চুক্তি নিয়ে আলোচনা নতুন করে শুরু করে যায় এবং ভারতের সঙ্গে ইতোমধ্যে সই হওয়া চুক্তি আরও সম্প্রসারিত করা যায়। পাশাপাশি, নতুন করে বাংলাদেশ সহ অন্যান্য দেশের সঙ্গে এ ধরনের অগ্রাধিকারমূলক চুক্তি নিয়েও কাজ করবে এই কার্যালয়।

post
বাংলাদেশ

মিঠামইন যাচ্ছেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা

প্রধানমন্ত্রী ও আওয়ামী লীগ সভাপতি শেখ হাসিনা আজ মঙ্গলবার কিশোরগঞ্জের হাওর–অধ্যুষিত উপজেলা মিঠামইন যাচ্ছেন। তাঁর সফর উপলক্ষে উৎসব ও ধুমধাম করে স্বাগত জানাতে কিশোরগঞ্জবাসী এখন পুরোপুরি প্রস্তুত। তিনি আজ সকালে মিঠামইনে মুক্তিযোদ্ধা আবদুল হামিদ সেনানিবাসের উদ্বোধন করবেন। আজ বিকেলে মিঠামইন উপজেলা আওয়ামী লীগ আয়োজিত জনসভায় ভাষণ দেবেন প্রধানমন্ত্রী। সমাবেশে যোগ দেওয়ার আগে তিনি উপজেলার কামালপুরে রাষ্ট্রপতি মো. আবদুল হামিদের জন্মস্থান পরিদর্শন করবেন। আওয়ামী লীগ নেতারা জানান, শেখ হাসিনার আগমন উপলক্ষে শুধু কিশোরগঞ্জের মিঠামইন নয়, পুরো হাওরাঞ্চলের নেতা-কর্মীদের মধ্যে ব্যাপক উৎসাহ–উদ্দীপনার সৃষ্টি হয়েছে। সাংবাদিকদের ব্রিফিংকালে কিশোরগঞ্জ-৪ আসনের সংসদ সদস্য রেজওয়ান আহাম্মদ তৌফিক বলেন, ‘১৯৯৮ সালে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা এখানে এলে হেলিপ্যাড থেকে জনসভার মাঠে যাওয়ার জন্য কিশোরগঞ্জ থেকে দুটি রিকশা আনা হয়। কিন্তু রাস্তার জরাজীর্ণ অবস্থার কারণে রিকশায় চড়ে সামনে যাওয়া সম্ভব না হওয়ায় কিছুক্ষণ পর তাঁকে রিকশা থেকে নামতে হয়। সে সময় রাস্তাঘাটের অবস্থা খুবই খারাপ ছিল। প্রধানমন্ত্রী গত ১৪ বছরে যে ব্যাপক উন্নয়নমূলক কর্মকাণ্ড করেছেন, তা আমাদের কল্পনার বাইরে!’ রাষ্ট্রপতির ছেলে রেজওয়ান আহাম্মদ তৌফিক বলেন, হাওর অঞ্চলে সেতু, কালভার্ট, রাস্তাসহ ব্যাপক উন্নয়নমূলক কাজ করায় এ অঞ্চলের মানুষ আর বঞ্চিত থাকবে না। কিশোরগঞ্জের জলাশয়ের ওপর দিয়ে এলিভেটেড হাইওয়ে বাস্তবায়িত হলে হাওরাঞ্চলের দৃশ্যপট পাল্টে যাবে। তিনি আরও বলেন, ‘প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনাকে স্বাগত জানাতে কিশোরগঞ্জের মানুষ উৎসাহ ও অধীর আগ্রহের সঙ্গে অপেক্ষা করছে। সমগ্র জেলা ও অন্যান্য অঞ্চলের মানুষ শেখ হাসিনাকে দেখতে সমাবেশে যোগ দেবে। হাওর অঞ্চলের মানুষ প্রধানমন্ত্রীর কাছে সত্যিই ঋণী, কারণ তিনি এ অঞ্চলের ব্যাপক উন্নয়ন করেছেন।’

post
বাংলাদেশ

প্রধানমন্ত্রীর মধ্যাহ্নভোজে রাষ্ট্রপতির বাসভবনে থাকছে হাওরের ২৩ জাতের মাছ

রাষ্ট্রপতি মো. আবদুল হামিদের কিশোরগঞ্জের মিঠামইনের গ্রামের বাড়িতে আজ মঙ্গলবার অতিথি হয়ে আসছেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। হাওরের মিঠাপানির ২৩ জাতের মাছ আর অষ্টগ্রামের বিখ্যাত পনির দিয়ে তাঁকে আপ্যায়ন করা হবে। সঙ্গে থাকবে মুরগি, হাঁস, খাসি ও গরুর মাংস এবং নানা জাতের পিঠা। রাষ্ট্রপতির বড় ছেলে স্থানীয় সংসদ সদস্য মো. রেজওয়ান আহাম্মদ তৌফিক এসব তথ্য নিশ্চিত করেছেন। মো. রেজওয়ান আহাম্মদ তৌফিক বলেন, বড় মাছের মধ্যে থাকবে আইড়, রুই, কাতলা, বোয়াল, চিতল ইত্যাদি। বঙ্গভবনের বাবুর্চি ও পরিবারের নারীরা মিলে খাবারের আয়োজন করছেন। প্রধানমন্ত্রীকে নিজ বাড়িতে স্বাগত জানাতে এক দিন আগেই গতকাল সোমবার বিকেলে মিঠামইন পৌঁছেছেন রাষ্ট্রপতি মো. আবদুল হামিদ। সঙ্গে আছেন তাঁর স্ত্রী রাশিদা হামিদসহ পরিবারের সদস্যরা। প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা আজ সকালে ঢাকা থেকে হেলিকপ্টারে মিঠামইনে বীর মুক্তিযোদ্ধা আবদুল হামিদ সেনানিবাসে পৌঁছান। সেখানে তিনি প্রধান অতিথি হিসেবে সেনানিবাসের উদ্বোধন ও পতাকা উত্তোলন করবেন। এরপর তিনি যাবেন রাষ্ট্রপতির কামালপুরের গ্রামের বাড়িতে। সেখানে তিনি সড়ক পরিবহন ও সেতুমন্ত্রী এবং দলের সাধারণ সম্পাদক ওবায়দুল কাদেরসহ কয়েকজন সফরসঙ্গীকে নিয়ে মধ্যাহ্নভোজে অংশ নেবেন।মধ্যাহ্নভোজ শেষে বিকেলে মিঠামইনে সুধী সমাবেশে যোগ দেবেন শেখ হাসিনা। প্রধানমন্ত্রীর জনসভা উপলক্ষে দূরদূরান্ত থেকে নেতা-কর্মীরা রাত থেকেই আসতে শুরু করেছেন। প্রধানমন্ত্রীকে স্বাগত জানিয়ে নির্মাণ করা হয়েছে বহু দৃষ্টিনন্দন তোরণ। জনসভার জন্য তৈরি করা হয়েছে বিশাল আকারের নৌকার আদলের মঞ্চ।

post
প্রযুক্তি

তথ্যপ্রযুক্তি খাতের সঙ্গে থাকবে সরকার, বেসিস সফটএক্সপোতে সালমান এফ রাহমান

শেষ হলো ‘বেসিস সফটএক্সপো ২০২৩’। রোববার (২৬ ফেব্রুয়ারি) রাজধানীর পূর্বাচলের বঙ্গবন্ধু বাংলাদেশ-চীন মৈত্রী প্রদর্শনী কেন্দ্রে অনুষ্ঠিত চারদিনের বেসিস সফটএক্সপোর আয়োজন করা হয়েছিল।বেসিস সফটএক্সপোর সফল সমাপ্তিতে তথ্যপ্রযুক্তি খাতের সঙ্গে থাকবে সরকার, এমন ঘোষণা দিয়েছেন প্রধানমন্ত্রীর বেসরকারি শিল্প ও বিনিয়োগ বিষয়ক উপদেষ্টা সালমান এফ রহমান ও আইসিটি প্রতিমন্ত্রী জুনাইদ আহমেদ পলক। সমাপনী অনুষ্ঠানের শুভেচ্ছা বক্তব্যে বেসিস সভাপতি রাসেল টি আহমেদ এবারের বেসিস সফটএক্সপোর আয়োজনে সহায়তাকারী, অংশগ্রহণকারী, সহযোগী ও স্পন্সরদের ধন্যবাদ জানান। তিনি বলেন, ‘এক্সপোর চতুর্থ দিনের সন্ধ্যা পর্যন্ত ৯২ হাজার দর্শনার্থী সফটএক্সপো ভ্রমণ করেছেন। এছাড়া অংশগ্রহণকারী ২০৪টি কোম্পানি ইতিমধ্যেই স্থানীয় ও বৈশ্বিকভাবে প্রায় একশ বিশ কোটি টাকার সম্ভাব্য লিড পেয়েছে। ঢাকার বাইরে হলেও এটি একটি মাইলফলক।’অনুষ্ঠানের প্রধান অতিথি প্রধানমন্ত্রীর বেসরকারি শিল্প ও বিনিয়োগ বিষয়ক উপদেষ্টা সালমান এফ রহমান এই আয়োজনের জন্য বেসিসকে ধন্যবাদ ও অভিনন্দন জানান। তিনি বলেন, ‘বেসিস সফটএক্সপো একটা আন্তর্জাতিকমানের অনুষ্ঠান হয়েছে। কোন পলিসি সাপোর্ট দিলে বড় ধরনের ইমপ্যাক্ট পড়বে, মৌলিক পরিবর্তন হবে সেটি আপনাদেরকে বের করে সরকারকে জানাতে হবে। আমার এই মেলা দেখার পর মনে হয়েছে বেসিসকে দাবায় রাখা যাবে না।’তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি প্রতিমন্ত্রী জুনাইদ আহমেদ পলক বলেন, ‘আমি মন্ত্রীত্ব পাওয়ার পর প্রথম যে অফিসে যাই সেটা হলো বেসিস। সেখান থেকেই আমি ১০০ দিনের একটা পরিকল্পনার কথা ঘোষণা করি। বেসিস সভাপতি রাসেল টি আহমেদ যে থ্রি বাই থ্রি থিওরির কথা বলেছেন, তাতে আমি সম্পূর্ণ একমত। আমরা সরকারের পক্ষ থেকে সব ধরনের সহায়তা দেব।’ এর আগে বেসিস সফটএক্সপোর বিশেষ আয়োজন হিসেবে ‘বিজনেস লিডারস মিট’ অনুষ্ঠিত হয়। সেখানে স্মার্ট বাংলাদেশ বাস্তবায়নে বিভিন্ন বিষয় নিয়ে আলোচনা হয়।আলোচনায় অংশ নেন চট্টগ্রাম স্টক এক্সেচেঞ্জের স্বতন্ত্র পরিচালক আসিফ ইব্রাহীম, ফাইবার অ্যাট হোমের সিইও ময়নুল হক সিদ্দিকী ও এফআইসিসিআইয়ের প্রেসিডেন্ট নাসিরুজ্জামান বিজয়। আর অনু্ষ্ঠান সঞ্চালনা করেন বেসিসের সিনিয়র সহ-সভাপতি সামিরা জুবেরী হিমিকা।

post
এনআরবি বিশ্ব

যুক্তরাষ্ট্রে শহীদ মিনারে পুস্পস্তবক অর্পণের মাধ্যমে ভাষা শহীদদের শ্রদ্ধা জানালো পিপলএনটেক পরিবার

মহান অমর একুশে ফেব্রুয়ারি ও আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা দিবসে সকল ভাষা শহীদের প্রতি শ্রদ্ধা জানিয়েছে যুক্তরাষ্ট্রের অন্যতম আইটি প্রশিক্ষণ ইনস্টিটিউট পিপলএনটেক ফাউন্ডেশন ও এর পরিবার। যুক্তরাষ্ট্রের ওয়াশিংটন ডিসির বাংলাদেশ দূতবাসের স্থায়ী শহীদ মিনারে ও আর্লিংটনের কেনমোর মিডল স্কুল মিলনায়তনে ডিসি একুশে অ্যালায়েন্সের উদ্যোগে স্থাপিত অস্থায়ী শহীদ মিনারে পৃথকভাবে ফুল দিয়ে এই শ্রদ্ধা জানানো হয়।  পিপলএনটেকের প্রতিষ্ঠাতা চেয়ারম্যান ইঞ্জিনিয়ার আবুবকর হানিপ ও প্রেসিডেন্ট ফারহানা হানিপ এতে নেতৃত্ব দেন। শ্রদ্ধাঞ্জলি দেবার সময় প্রতিষ্ঠানের অন্য কর্মকর্তা ও প্রশিক্ষণার্থীরা অংশ নেন।বাংলাকে রাষ্ট্রভাষা হিসেবে প্রতিষ্ঠার জন্য ৭১ বছর আগে ঢাকায় জীবন উৎসর্গকারী ভাষাসৈনিকদের সর্বোচ্চ আত্মত্যাগের স্মরণে দুটি কর্মসূচির আয়োজনই ছিলো অনন্য।২১ ফেব্রুয়ারি দিনব্যাপী এক অনুষ্ঠানের আয়োজন করে যুক্তরাষ্ট্রে বাংলাদেশ দূতাবাস। একুশের প্রথম প্রহরে প্রভাতফেরী ও শহীদ মিনার ফুল দিয়ে শ্রদ্ধা জানানো হয়। সন্ধ্যায় দূতাবাসের বঙ্গবন্ধু মিলনাযতনে আয়োজন করা হয় আলোচনা ও সাংস্কৃতিক পর্ব। আন্তর্জাতিক মাতৃভাষার তাৎপর্য তুলে ধরতে বিশ্বব্যাপী সাংস্কৃতিক বৈচিত্র্য ফুটিয়ে তোলা হয় এই আয়োজনে। যাতে বাংলাদেশসহ ছয়টি দেশের শিল্পীরা একটি মনোজ্ঞ সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান পরিবেশন করেন। এই আয়োজনে আমন্ত্রিত অতিথি হিসেবে অংশ নেন পিপলএনটেকের চেয়ারম্যান আবুবকর হানিপ ও প্রেসিডেন্ট ফারহানা হানিপসহ অন্য কর্মকর্তারা।অনুষ্ঠানে বিভিন্ন দেশের রাষ্ট্রদূত ও কূটনীতিকবৃন্দ, মার্কিন পররাষ্ট্র দফতর ও সরকারের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তা, রাজনৈতিক নেতৃবৃন্দ, সাংবাদিক, সামাজিক ও সাংস্কৃতিক সংগঠনের প্রতিনিধি এবং প্রবাসী বাংলাদেশিরা উপস্থিত ছিলেন। সকলের সঙ্গে কুশল বিনিমিয়ের পাশাপাশি ভাষা আন্দোলনের গুরুত্ব ও ইতিহাসে এর অবস্থান নিয়ে কথা বলেন ইঞ্জিনিয়ার আবুবকর হানিপ ও ফারহানা হানিপ। এর আগে ১৮ ফেব্রুয়ারি শনিবার ভার্জিনিয়ার আলিংটন কেনমোর মিডল স্কুলে অমর একুশে ফেব্রুয়ারি উদযাপন করা হয় ডিসি একুশে অ্যালায়েন্সের উদ্যোগে।ডিসি ভার্জিনিয়া মেরিল্যান্ডে বাংলাদেশি কমিউনিটর ২৫ টি সংগঠন নিয়ে গঠিত এই অ্যালায়েন্সের অন্যতম সদস্য পিপলএনটেক ফাউন্ডেশন। সেখানেও অনুষ্ঠানস্থলে স্থাপিত অস্থায়ী শহিদ মিনারে ফুল দিয়ে ভাষা শহীদদের প্রতি শ্রদ্ধা জানান পিপলএনটেক ফাউন্ডেশনের চেয়ারম্যান, প্রেসিডেন্ট ও অন্য কর্মকর্তারা। এই আয়োজনের অন্যতম পৃষ্ঠপোষকও ছিলো পিপলএনটেক। গত এক যুগেরও বেশি সময় ধরে একুশ উদযাপনের আয়োজনগুলোতে নানাভাবে সহযোগিতা করে আসছে এই আইটি প্রশিক্ষণ প্রতিষ্ঠানটি। শ্রদ্ধা নিবেদন শেষে পিএনটির প্রতিষ্ঠাতা ও চেয়ারম্যান ইঞ্জিনিয়ার আবুবকর হানিপ বলেন, "ভাষা আন্দোলন একদিকে আমাদের জন্য শোকের। কারণ এই ভাষার জন্য বাংলার অনেক দামাল ছেলেকে প্রাণ দিতে হয়েছে। তবে আজ বিশ্বজুড়ে দিনটি আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা দিবস হিসেবে স্বীকৃত ও উদযাপিত হয়। বিষয়টি আমাদের জন্য গর্বের।"পিপলএনটেকের প্রেসিডেন্ট ফারহানা হানিপ বলেন, "ভাষা সৈনিকদের প্রাণের বিনিময়ে আমরা আমাদের মাতৃভাষা পেয়েছি, সে সব ভাষা শহীদদের সম্মান জানানো আমাদের যেমন নৈতিক দায়িত্ব তেমনি বিদেশের মাটিতে হলেও সেই ভাষাকে যথাযথ চর্চার মাধ্যমে নতুন প্রজন্মের কাছে পৌছে দেওয়া আমাদের দায়িত্ব। তিনি আরও বলেন, আমাদের সন্তানেরা বিদেশের মাটিতে বেড়ে উঠলেও বাংলা ভাষার চর্চাটা তাদের কাছে পৌছে দেয়ার চেষ্টা করছি। সাথে করে নিয়ে এসে শহীদ মিনারে ফুল দিয়ে মাতৃভাষার বিষয়ে তাদের উদ্বুদ্ধ, উজ্জীবিত করছি।"ভাষা আন্দোলন, স্বাধীনতা দিবস, বিজয় দিবসসহ বাংলাদেশের জাতীয় দিনগুলো যুক্তরাষ্ট্রে পালন ও উদযাপনের সকল আয়োজনেই পিপলএনটেকের অংশগ্রহণ ও পৃষ্ঠপোষকতা থাকে। বিগত কয়েক বছরের মতো এবছরও ডিসি একুশে অ্যালায়েন্স সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠানের সার্বিক প্রস্তুতি, সাংস্কৃতিক পর্বের মহড়া সম্পন্ন হয়েছে পিপলএনটেকের কার্য্যালয়ের অডিটোরিয়ামে।এ প্রসঙ্গে পিপলএনটেকের প্রতিষ্ঠাতা আবুবকর হানিপ বলেন, যুক্তরাষ্ট্রে অবস্থান করলেও বাংলাদেশকে আমরা ভালোবাসি। এখানে বাংলাদেশি কমিউনিটিকেও আমরা ভালোবাসি। কমিউনিটির আয়োজনে যে কোনো জাতীয় দিবস উদযাপনে পিপলএনটেক পাশে থাকে এবং থাকবে। যুক্তরাষ্ট্রের পাশাপাশি পিপলএনটেকের বাংলাদেশের কার্যালয়ের কর্মকর্তা ও প্রশিক্ষণার্থীরাও কেন্দ্রীয় শহীদ মিনারে পুস্পস্তবক অর্পণ করে এবং একুশে উদযাপনের বিভিন্ন কার্যক্রমে অংশ নেন।

post
প্রযুক্তি

স্মার্ট বাংলাদেশ গড়তে স্মার্ট সিটিজেন গুরুত্বপূর্ণ বিষয় : স্পিকার শিরীন শারমিন

ওয়েলকাম টু স্মার্টভার্স’ প্রতিপাদ্য নিয়ে রাজধানীতে শুরু হয়েছে দক্ষিণ এশিয়ার তথ্যপ্রযুক্তির সবচেয়ে বড় প্রদর্শনী ১৭ তম বেসিস সফট এক্সপো- ২০২৩।  বৃহস্পতিবার (২৩ ফেব্রুয়ারি) সকালে রাজধানীর পূর্বাচলে অবস্থিত বঙ্গবন্ধু বাংলাদেশ-চীন মৈত্রী প্রদর্শনী কেন্দ্রে বেসিস সফট এক্সপো ২০২৩ উদ্ভোধন করেন জাতীয় সংসদের স্পিকার ড. শিরীন শারমিন চৌধুরী।প্রদর্শনীটির আয়োজন করেছে তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি খাতের বাণিজ্য সংগঠন বাংলাদেশ অ্যাসোসিয়েশন অব সফটওয়্যার অ্যান্ড ইনফরমেশন সার্ভিসেস (বেসিস)।অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে ড. শিরীন শারমিন বলেন, আইসিটি সেক্টরে সাফল্যের জন্য অ্যাকাডেমিক, ইন্ডাস্ট্রি এবং সরকারের মধ্যে সমন্বয়ের প্রয়োজন।  তিনি বলেন, বাংলাদেশের তরুণ প্রজন্ম অত্যন্ত দক্ষ এবং মেধাবী। এদেরকে যোগ্য করে গড়ে তুলতে হবে। এই সেক্টরের যাতে তারা আরও বেশি আগ্রহী হয় এবং তাদের মেধা এবং যোগ্যতাকে কাজে লাগায় সে বিষয়ে তাদের উৎসাহিত করতে হবে। প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা স্মার্ট বাংলাদেশ বিনির্মাণে যে ঘোষণা দিয়েছেন সেখানে চারটি বিষয় স্মার্ট ইকনমি, স্মার্ট কমিউনিটি, স্মার্ট গভার্নেন্স এবং স্মার্ট সিটিজেন এই বিষয়গুলোর ওপর গুরুত্ব দেওয়া হয়েছে।স্মার্ট সিটিজেন গড়ে তোলার বিষয়ে কাজ করে যেতে হবে উল্লেখ করে ড. শিরীন শারমিন বলেন, স্মার্ট বাংলাদেশ গড়তে স্মার্ট সিটিজেন এটা অনেক গুরুত্বপূর্ণ বিষয়। কেননা সব ধরনের বিষয়কে যদি আমরা আধুনিকায়ন করেও ফেলি, সেটাকে পরিচালনা করার সেই কর্মদক্ষতা সম্পন্ন মানব সম্পদের উন্নয়নও খুবই গুরুত্বপূর্ণ হয়ে উঠবে। তাই স্মার্ট সিটিজেন গড়ে তোলার বিষয়ে আমাদের একসঙ্গে কাজ করে যেতে হবে।সংসদের অনেক কার্যক্রম এই সফটওয়্যার সেবার মাধ্যমে সহজ হয়েছে উল্লেখ করে স্পিকার বলেন, আইসিটি প্রতিমন্ত্রী জুনায়েদ আহমেদ পলকের সহযোগিতায় সংসদে অনেকগুলো বিষয় আমরা সফটওয়্যার ইনক্লুড করেছি। যা আমাদের কার্যক্রমকে অনেক সহজ করেছে। ই-ফাইলসহ আরও অনেকগুলো ক্ষেত্রে জাতীয় সংসদ ডিজিটাইজেশন করা যে উদ্যোগ সেখানে বেশি বেসিসের অনেক গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রয়েছে।তিনি বলেন, জাতীয় সংসদের একটা অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ কার্যক্রম হচ্ছে প্রশ্ন জিজ্ঞাসা এবং উত্তর। যেখানে সংসদ সদস্যরা বিভিন্ন বিষয়ে মন্ত্রীদের এবং প্রধানমন্ত্রীকে প্রশ্ন করেন এবং তারা এসব প্রশ্নের উত্তর দেন। এই প্রশ্ন এবং উত্তরগুলোর যে হার্ডকপি জমা পড়ে তার সবকিছুই এখন একটা সফটওয়্যারের মাধ্যমে নিয়ে আসা হয়েছে। এই কাজটি করতে বিভিন্ন প্রসেস করা হয়েছে। যা বেসিসের মাধ্যমে সম্পন্ন হয়েছে।ড. শিরীন শারমিন বলেন, আজ থেকে ১০ বছর আগে ডিজিটাইজেশন মানুষের কাছে ছিল এক প্রকার স্বপ্ন। কিন্তু এখন তা বাস্তব। প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা বাংলাদেশকে একটি উন্নয়নশীল ডিজিটাল দেশের রূপান্তর করেছেন। বাংলাদেশের বর্তমানে ইন্টারনেট ব্যবহারকারীর সংখ্যা ১৩ কোটির বেশি। বর্তমানে গ্রাম পর্যায়ে পর্যন্ত পৌঁছে গেছে ইন্টারনেট ব্রডব্যান্ড সেবা। মাত্র ১৩ বছরের প্রযুক্তি শিল্পে রপ্তানি আয় দাঁড়িয়েছে এক দশমিক চার বিলিয়ন ডলার।  ১৭ বছরে বেসিস যেভাবে সংগঠিত হয়েছে সেটা জাতির জন্য গৌরবের বিষয় উল্লেখ করে ড. শিরীন শারমিন বলেন, আমি মনে করি যে স্টলগুলো এখানে দেওয়া হয়েছে তা থেকে তরুণ প্রজন্ম সফটওয়্যার ডেভলপমেন্টের বর্তমান অবস্থা এবং আগামী দিনের সম্ভাবনা সম্পর্কে জানতে পারবে।  অনুষ্ঠানের সভাপতিত্ব করেন বেসিস সভাপতি রাসেল টি আহমেদ।বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন ডাক ও টেলিযোগাযোগ মন্ত্রী মোস্তাফা জব্বার এবং তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি (আইসিটি) প্রতিমন্ত্রী জুনাইদ আহমেদ পলক।

post
দূতাবাস খবর

ওয়াশিংটনে বাংলাদেশ দূতাবাসে আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা দিবস পালিত

যথাযোগ্য মর্যাদা ও ভাবগম্ভীর্যের সাথে ওয়াশিংটন ডিসিতে অবস্থিত বাংলাদেশ দূতাবাসে গতকাল মঙ্গলবার ‘মহান শহিদ দিবস’ ও আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা দিবস পালিত হয়েছে।বাংলাকে রাষ্ট্রভাষা হিসেবে প্রতিষ্ঠার জন্য ৭১ বছর আগে ঢাকায় জীবন উৎসর্গকারী ভাষাবীরদের সর্বোচ্চ আত্মত্যাগের স্মরণে দূতাবাস দিনব্যাপী এক অনুষ্ঠানের আয়োজন করে।যুক্তরাষ্ট্রে নিযুক্ত বাংলাদেশের রাষ্ট্রদূত মোহাম্মদ ইমরান কর্তৃক রাত ১২.০১ মিনিটে দূতাবাস প্রাঙ্গণে নির্মিত শহিদ মিনারের বেদিতে পুষ্পস্তবক অর্পণের মধ্য দিয়ে দিনের কর্মসূচি শুরু হয়।এসময় ‘অমর একুশে’ নিয়ে রচিত বিখ্যাত গান--"আমার ভাইয়ের রক্তে রাঙানো একুশে ফেব্রুয়ারি, আমি কি ভুলিতে পারি"-- বাজানো হয়। দূতাবাসের কর্মকর্তা-কর্মচারী ও তাদের পরিবারের সদস্যরা এসময় উপস্থিত ছিলেন।সকালে দূতাবাসের কর্মকর্তা-কর্মচারীদের উপস্থিতিতে রাষ্ট্রদূত দূতাবাসের সামনে জাতীয় পতাকা অর্ধনমিত করে উত্তোলন করেন। দিবসটি স্মরণে এক প্রভাত ফেরিরও আয়োজন করা হয়।জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের প্রতি গভীর শ্রদ্ধা জানিয়ে দূতাবাসের বঙ্গবন্ধু কর্নারে অবস্থিত জাতির পিতার আবক্ষ মূর্তিতে পুষ্পস্তবক অর্পণ করা হয়।দিবসটি উপলক্ষে মহামান্য রাষ্ট্রপতি, মাননীয় প্রধানমন্ত্রী, পররাষ্ট্রমন্ত্রী ও পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী কর্তৃক প্রদত্ত বাণী পাঠ করে শোনান ডেপুটি চীফ অব মিশন ফেরদৌসী শাহরিয়ার, ইকনোমিক মিনিস্টার মোঃ মেহেদী হাসান, প্রেস মিনিস্টার এজেডএম সাজ্জাদ হোসেন এবং পাবলিক ডিপ্লোমেসি কাউন্সেলর আরিফা রহমান রুমা।পরে মহান ভাষা আন্দোলনের ইতিহাস নিয়ে নির্মিত দুটি তথ্যচিত্র প্রদর্শন করা হয়। ভাষা আন্দোলনের শহিদের আত্মার মাগফেরাত এবং জাতির অব্যাহত শান্তি, অগ্রগতি ও সমৃদ্ধি কামনা করে বিশেষ মোনাজাত করা হয়।মঙ্গলবার সন্ধ্যায় বাংলাদেশ দূতাবাস বঙ্গবন্ধু অডিটোরিয়ামে দিনটির তাৎপর্য তুলে ধরে এক আলোচনা সভার আয়োজন করে। পরে বিশ্বব্যাপী সাংস্কৃতিক বৈচিত্র্য তুলে ধরতে বাংলাদেশসহ ছয়টি দেশের শিল্পীরা একটি মনোজ্ঞ সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান পরিবেশন করেন।রাষ্ট্রদূত মোহাম্মদ ইমরান তার বক্তব্যে মহান ভাষা আন্দোলনের চেতনাকে বাঙালি জাতির জন্য বাতিঘরের মতো আখ্যায়িত করে বলেন, প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার সুযোগ্য নেতৃত্বে দেশ এখন বঙ্গবন্ধুর আজীবনের লালিত স্বপ্ন একটি উন্নত ও সমৃদ্ধ সোনার বাংলায় পরিণত হওয়ার পথে দ্রুত এগিয়ে যাচ্ছে।তিনি যুক্তরাষ্ট্রে প্রবাসী বাংলাদেশিদের দেশের উন্নয়নে ঐক্যবদ্ধভাবে অবদান রাখতে এবং নতুন প্রজন্মকে সমৃদ্ধ বাংলা ভাষা, সংস্কৃতি ও ঐতিহ্য সম্পর্কে আরও জানতে উৎসাহিত করার আহ্বান জানান।বঙ্গবন্ধু অডিটোরিয়ামে বাংলাদেশ, ভারত, প্যারাগুয়ে, ঘানা ও নেপালের শিল্পীরা এবং পূর্ব ইউরোপের দেশগুলোর সমন্বয়ে গঠিত একটি সাংস্কৃতিক দল তাদের নিজস্ব সংগীত ও নৃত্য পরিবেশন করে অতিথিদের মুগ্ধ করেন।অনুষ্ঠানে বিভিন্ন দেশের রাষ্ট্রদূত ও কূটনীতিকবৃন্দ, মার্কিন পররাষ্ট্র দফতর ও সরকারের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তা, রাজনৈতিক নেতৃবৃন্দ, সাংবাদিক, সামাজিক ও সাংস্কৃতিক সংগঠনের প্রতিনিধি এবং প্রবাসী বাংলাদেশিরা উপস্থিত ছিলেন।পলিটিক্যাল-১ কাউন্সেলর মোহাম্মদ মনিরুজ্জামান এবং পাসপোর্ট ও ভিসা উইংয়রে ফার্স্ট সেক্রেটারি মোঃ আব্দুল হাই মিল্টন দিনব্যাপী দুই পর্বের এই অনুষ্ঠানটি পরিচালনা করেন।

post
বাংলাদেশ

ভাষা আন্দোলন থেকে বঙ্গবন্ধুর নাম মুছে ফেলার চেষ্টা হয়েছিল

আওয়ামী লীগ সভাপতি ও প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা বলেছেন, বঙ্গবন্ধু যখনই যে কাজ করেছেন তখনই ইতিহাস থেকে তার নামটা মুছে ফেলার চেষ্টা করা হয়েছে। ভাষা আন্দোলনে বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের যে অবদান আছে সেটি স্পষ্ট। যদি এই তথ্যগুলো আমরা বের না করতাম আর জাতির পিতার লেখা ‘অসমাপ্ত আত্মজীবনী’ যদি বের না হতো তাহলে... ভাষা আন্দোলন থেকে তাকে তো মুছেই ফেলা হয়েছিল। নামটাই মুছে ফেলা, এটাই হচ্ছে দুর্ভাগ্য। বুধবার (২২ ফেব্রুয়ারি) বিকেলে বঙ্গবন্ধু আন্তর্জাতিক সম্মেলন কেন্দ্রে ‘মহান শহীদ দিবস ও আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা দিবস-২০২৩’ উপলক্ষে আওয়ামী লীগ আয়োজিত আলোচনা সভায় সভাপতির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন।তিনি বলেন, ভাষা আন্দোলনের অনেক তথ্য আপনারা পাবেন, বঙ্গবন্ধুর বিরুদ্ধে পাকিস্তানি গোয়েন্দা সংস্থা যেসব রিপোর্ট দিয়েছিল সেখানে। আমি ১৯৯৬ সালে ক্ষমতায় এসে সমস্ত রিপোর্ট সংগ্রহ করি। সেগুলো কপি করে আমাদের কাছে রাখি। আমাকে সহযোগিতা করে আমার বান্ধবী বেবী মওদুদ। প্রায় ২০টা বছর আমরা এর ওপরে কাজ করি, প্রত্যেকটা ফাইল আমরা দেখি। দ্বিতীয় বার যখন আমি ক্ষমতায় আসি, তখন সিদ্ধান্ত নিই এগুলো প্রকাশ করব। পৃথিবীতে কোনো নেতার ওপর কোনো রিপোর্ট প্রকাশ করা হয়নি। আমাদের এই রিপোর্টটাই সর্বপ্রথম আমি প্রকাশ করলাম। তিনি আরও বলেন, আমি অনেক নেতার ফাইল এনেছি, দেখেছি। কারও হয়তো একটা ফাইলের বেশি কিছু নেই। আর এখানে ৪৮টি ফাইল, ৪৬ হাজার পৃষ্ঠা। আমি যখন এটার এডিট করি, অনেক কিছু বাদ দিয়ে মূল যে তথ্যগুলো সেখানে নিয়ে এসেছি। তাতেও ১৪ খণ্ড হচ্ছে। ১১ খণ্ড ইতোমধ্যে ছাপা হয়ে গেছে। ১২ নম্বরটাও ছাপতে দেওয়া হয়েছে। ১৩ নম্বরটা এডিট করে দিয়ে দিয়েছি, আর ১৪ নম্বরটা করব। ভাষা আন্দোলনে বঙ্গবন্ধুর যে অবদান সেই কথাটা কিন্তু স্পষ্ট এখানে আছে। যদি এই তথ্যগুলো আমরা বের না করতাম, আর জাতির পিতার লেখা অসমাপ্ত আত্মজীবনী যদি বের না হতো তাহলে... তাকে তো ভাষা আন্দোলন থেকে মুছেই ফেলা হয়েছিল। আলোচনা সভার শুরুতে শহীদদের প্রতি সম্মান জানিয়ে এক মিনিট নীরবতা পালন করা হয়। সভায় স্বাগত বক্তব্য রাখেন দলের সাধারণ সম্পাদক ও সেতুমন্ত্রী ওবায়দুল কাদের।বক্তব্য রাখেন আওয়ামী লীগের সভাপতিমণ্ডলীর সদস্য বেগম মতিয়া চৌধুরী, মোফাজ্জল হোসেন চৌধুরী মায়া, ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের সাবেক উপাচার্য আ আ ম স আরেফিন সিদ্দিক, আওয়ামী লীগের উপদেষ্ঠামণ্ডলীর সদস্য অধ্যাপক ড. সাদেকা হালিম, চিলচ্চিত্রের অভিনেতা নায়ক ফেরদৌস আহমেদ, আওয়ামী লীগের তথ্য ও গবেষণা বিষয়ক সম্পাদক ড. সেলিম মাহমুদ, কার্যনিবাহী কমিটির সদস্য নির্মল কুমার চ্যাটার্জী, ঢাকা মহানগর উত্তর আওয়ামী লীগের সভাপতি শেখ বজলুর রহমান, ঢাকা মহানগর দক্ষিণ আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদ হুমায়ুন কবির। আলোচনা সভাটি পরিচালনা করছেন আওয়ামী লীগের প্রচার ও প্রকাশনা বিষয়ক সম্পাদক আব্দুস সোবহান গোলাপ।

post
বিনোদন

বাংলাদেশে পাঠান সিনেমা নিয়ে খেপে গেলেন ঝন্টু

শর্ত সাপেক্ষে বাংলাদেশের প্রেক্ষাগৃহে হিন্দি সিনেমা আমদানির প্রশ্নে একমত হয়েছেন ঢাকাই চলচ্চিত্রের প্রযোজক, প্রেক্ষাগৃহমালিক, পরিচালক, অভিনয়শিল্পী ও কলাকুশলীদের ১৯টি সংগঠন। গত রোববার দুপুরে ১৯ সংগঠনের মোর্চা সম্মিলিত চলচ্চিত্র পরিষদ একটি চিঠি তথ্য ও সম্প্রচারমন্ত্রী হাছান মাহমুদের হাতে তুলে দিয়ে জানিয়েছে, শর্ত সাপেক্ষে হিন্দি সিনেমা আমদানির ব্যাপারে তাদের আপত্তি নেই। এর পরিপ্রেক্ষিতে তথ্য ও সম্প্রচারমন্ত্রী হাছান মাহমুদ বলেছেন, ‘আমরা আপনাদের প্রস্তাব অনুযায়ী পদক্ষেপ গ্রহণ করব। বিষয়টি প্রধানমন্ত্রীর নজরেও আনতে হবে। আপনারা যে আজ আসবেন, সেটিও তাঁকে জানিয়েছিলাম। আমরা এখন কার্যকর পদক্ষেপ গ্রহণ করতে পারব।’বাংলাদেশে হিন্দি ছবি আমদানির বিষয়টি এখন সরকারের অনুমতির অপেক্ষায়। চলতি সপ্তাহেই অনুমতি মিললে ফেব্রুয়ারি মাসেই বাংলাদেশে মুক্তি পাবে ‘পাঠান’। তবে চলচ্চিত্রের প্রযোজক, প্রেক্ষাগৃহমালিক, পরিচালক, অভিনয়শিল্পী ও কলাকুশলীদের ১৯টি সংগঠন হিন্দি সিনেমা আমদানির বিষয়ে একমত হলেও বিষয়টি নিয়ে নিজের ক্ষোভ প্রকাশ করলেন চিত্রনাট্যকার ও নির্মাতা দেলোয়ার জাহান ঝন্টু। হিন্দি সিনেমা আমদানি প্রসঙ্গে কথা বলতে গিয়ে একদল গণমাধ্যমকর্মীর সামনে খেপে গেলেন তিনি। গতকাল মঙ্গলবার দুপুরে পরিচালক দেলোয়ার জাহান ঝন্টু সংবাদকর্মীদের বলেন, ‘আমরাই একমাত্র জাতি, ভাষার জন্য গুলি খেয়ে ভাষাকে প্রতিষ্ঠিত করেছি। বাংলাদেশ ছাড়া পৃথিবীর কোথাও এই নজির নেই। এ জন্য মাথা উঁচু করে আমরা কথা বলি। আমার দেশে উর্দু, হিন্দি ছবি চলবে কেন? আমাদের ওই সব কালচারের প্রয়োজন নেই।’বক্তব্যে ঝন্টু আরও বলেন, ‘আমি বিশ্বাস করি, আমাদের প্রধানমন্ত্রী এ দেশে “পাঠান” চালাতে দেবেন না। বঙ্গবন্ধুকন্যা এই উর্দু, হিন্দি ছবি এ দেশে আসতে দেবেন না।’ উর্দু, হিন্দি ছবি এ দেশে চলা নিয়ে অতীতের একটি ঘটনার কথা উল্লেখ করে ঝন্টু বলেন, ‘অনেক দিন আগে এ দেশে যখন উর্দু–হিন্দি ছবি চলছিল, তখন আমরা চলচ্চিত্রের অনেকেই বঙ্গবন্ধুর কাছে গিয়েছিলাম। বলেছিলাম, এ দেশে উর্দু–হিন্দি ছবি চলুক, আমরা চাই না। বঙ্গবন্ধু তখন বলেছিলেন, “যা তাহলে চলবে না।’” বঙ্গবন্ধু এ কথাও বলেছিলেন, “‘তোরা কটি ছবি দিতে পারবি?” তখন আমরা বলেছিলাম, প্রতি সপ্তাহে একটা করে নতুন ছবি দিতে পারব। তখন তিনি দৃঢ় কণ্ঠে আমাদের বলে দিলেন, “যা হিন্দি চলবে না।”’তবে সিনেমা হলের বর্তমান অবস্থা তুলে ধরে গণমাধ্যমের কাছে এই নির্মাতা আরও বলেন, ‘সিনেমার অভাবে অনেক সিনেমা হলের মালিকেরা হল ভেঙে ফেলেছেন। তাঁদের ব্যবসা হচ্ছে না। কারণ, একটি হলে মাসে অনেক খরচ। কর্মচারীদের বেতন, ট্যাক্সসহ আনুষঙ্গিক খরচ বাদ দিয়ে এক-দেড় লাখ টাকা থাকে হলমালিকদের। কিন্তু হল ভেঙে যদি মার্কেট হয়, তাহলে কয়েক শ দোকান হবে সেখানে। আয়ও আসবে বেশি।’ এ সময় এক সংবাদকর্মী দেলোয়ার জাহান ঝন্টুকে প্রশ্ন করেন, তাহলে কি আপনারা সিনেমা দিতে ব্যর্থ হচ্ছেন? প্রশ্ন শুনেই খেপে যান ঝন্টু। উত্তেজিত হয়ে ওই সংবাদকর্মীকে তিনি বলেন, ‘তুমি তো আক্রমণাত্মক। তুমি অ্যাটাক করার জন্য প্রশ্ন করো। তুমি আর প্রশ্নই করবে না। এসব কথা বলো কেন তুমি? কেন ব্যর্থ হবো? ব্যর্থতার কী বুোঝো তুমি?’এরপর ওই সংবাদকর্মী তাঁকে জানান, তথ্যমন্ত্রী তো হিন্দি ছবির ব্যাপারে মত দিয়েছেন। এ কথা শুনে তিনি বলেন, ‘তথ্যমন্ত্রী যদি অনুমতি দেন, আমরা প্রতিবাদ করব। আমাদের কথা তাঁরা শুনবেন। না শুনলে বাঙালিরা মেনে নেবে না। এর বিরুদ্ধে কথা বলবে।’ ‘পাঠান’ ছবি নিয়ে যখন এফডিসিতে ১৯ সংগঠনের মিটিং হয়, তখনকার কথা উল্লেখ করে এই নির্মাতা বলেন, ‘একদিন ১৯ সংগঠনের মিটিং হচ্ছিল। আমাকে ডাকা হলো, গেলাম। জিজ্ঞাসা করলাম, কীসের মিটিং? তাঁরা বললেন, “পাঠান” এখানে আসুক আমরা চাচ্ছি।’ এ কথা শুনে বের হয়ে আসলাম। কারণ, আমি তর্ক এড়াতে চেয়েছি। আমি জানি, ওখানে আমি বেশি সাপোর্ট পাব না।’

post
বাংলাদেশ

কার্যাদেশের বিপরীতে জামানতবিহীন ঋণ নিতে পারবেন এসএমই উদ্যোক্তারা: এ বিষয়ে উদ্যোক্তাদের সচেতন করতে কাজ করবে এসএমই ফাউন্ডেশন

কার্যাদেশের বিপরীতে জামানতবিহীন ঋণ নিতে পারবেন এসএমই উদ্যোক্তারা। এ বিষয়ে কর্পোরেট প্রতিষ্ঠান, ব্যাংক ও আর্থিক প্রতিষ্ঠানের পাশাপাশি উদ্যোক্তাদের সচেতন করতে কাজ করবে এসএমই ফাউন্ডেশন এবং থিংকবিজ সলিউশন ট্রেডেক্স)। ১৫ ফেব্রুয়ারি ২০২৩ এসএমই ফাউন্ডেশনের সম্মেলন কক্ষে এসএমই ফাউন্ডেশন ও থিংকবিগ সলিউশনস (ট্রেডেক্স) এর উদ্যোগে আয়োজিত ফ্যাক্টরিং ফাইন্যান্স বিষয়ে কর্পোরেট প্রতিষ্ঠান, ফাইন্যান্সার ও সাপ্লায়ার ম্যাচমেকিং ও মতবিনিময় সভায় এ তথ্য জানানো হয়। এসএমই ফাউন্ডেশনের ব্যবস্থাপনা পরিচালক ড. মো. মফিজুর রহমানের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে অতিথি ছিলেন জিন্নাত রেহানা, প্রশাসক (যুগ্মসচিব), বাংলাদেশ অ্যাগ্রো-প্রসেসর্স এসোসিয়েশন (বাপা) এবং ড. এম মাসরুর রিয়াজ, ব্যবস্থাপনা পরিচালক, থিংকবিগ সলিউশনস (ট্রেডএক্স অনলাইন)। অনুষ্ঠানে স্বাগত বক্তব্য রাখেন এসএমই ফাউন্ডেশনের মহাব্যবস্থাপক নাজিম হাসান সাত্তার। এছাড়াও বক্তব্য প্রদান করেন ফাউন্ডেশনের উপব্যবস্থাপনা পরিচালক সালাহ উদ্দিন মাহমদু এবং মহাব্যবস্থাপক মোহাম্মদ জাহাঙ্গীর হোসেন। মতবিনিময় সভায় জানানো হয়, দারিদ্র্য দূরীকরণ, কর্মসংস্থান সৃষ্টি এবং অর্থনৈতিক প্রবৃদ্ধি অর্জনে মাইক্রো, ক্ষুদ্র ও মাঝারি শিল্পোদ্যোগ (এমএসএমই) একটি গুরুত্বপূর্ণ খাত। দেশের ব্যাংক ব্যবস্থায় এসএমই খাত উন্নয়নে বিভিন্ন ধরণের ঋণ সহায়তা (প্রচলিত ব্যাংক ঋণ) কার্যক্রম চলমান রয়েছে। তবে বিভিন্ন প্রতিবন্ধকতার কারণে সংশ্লিষ্ট উদ্যোক্তাগণের প্রয়োজন অনুযায়ী ব্যাংক ঋণ গ্রহণের প্রক্রিয়াটি সহজ নয়। ঋণ প্রাপ্তির পর পণ্য তৈরি করে ক্রেতা প্রতিষ্ঠানকে সরবরাহের মাধ্যমে প্রাপ্ত ‘ট্রেড রিসিভেবল’ সমূহের বিপরীতে তাৎক্ষণিকভাবে অর্থপ্রাপ্তির প্রক্রিয়াটি সহজ ও স্বয়ংক্রিয় নয়। তাছাড়া ওয়ার্কিং ক্যাপিটাল নিয়েও উদ্যোক্তাবৃন্দ বিভিন্ন সমস্যার সম্মুখীন হচ্ছেন। এক্ষেত্রে স্বল্পমেয়াদী এবং জামানতবিহীন ঋণ সুবিধা হিসেবে 'ফ্যাক্টরিং ফাইন্যান্স' শিল্প খাতে বিশেষত এসএমই খাতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখছে।উল্লেখ্য, কোনো ব্যবসায়ী প্রতিষ্ঠান তার বকেয়া বিল ডিসকাউন্ট/কমিশনে দেনাদার ব্যতীত তৃতীয় কোনো পক্ষের কাছে বিক্রি করাকে ফ্যাক্টরিং বলে। মূলত: কোন পণ্য উৎপাদনকারী বা সেবা সরবরাহকারী প্রতিষ্ঠান কোন অর্ডারের বিপরীতে পণ্য বা সেবা প্রস্তুতের লক্ষ্যে প্রয়োজনীয় চলতি মূলধন ঘাটতি মেটানোর জন্য অর্ডারটি তৃতীয় কোন প্রতিষ্ঠানের নিকট কমিশনে বিক্রি করে তহবিল সংগ্রহ করার পদ্ধতিই হলো ফ্যাক্টরিং। চলতি মূলধন সংকট লাগবের লক্ষ্যে অর্ডার দাতা এবং পণ্য প্রস্তুতকারী প্রতিষ্ঠান ব্যতীত তৃতীয় কোন পক্ষের নিকট হতে তহবিল সংগ্রহের জন্য ফ্যাক্টরিং উন্নত দেশে একটি জনপ্রিয় পদ্ধতি। ফ্যাক্টরিং ফাইন্যান্স একটি জামানতবিহীন অর্থায়ণ প্রক্রিয়া, যা বিলম্বিত পরিশোধের শর্ত এবং চেকের মাধ্যমে পরিশোধ ব্যবস্থা থাকলে যে কোনো পন্য বা সেবা উৎপাদনকারী গ্রহণ করতে পারে। বৈধ কাগজপত্র যেমন ট্রেড লাইসেন্স, এনআইডি, ব্যাংক স্টেটমেন্ট, বিক্রয় ডাটাসহ দেনাদারের তথ্য দিয়েই যে কোনো প্রতিষ্ঠান সহজে এ সেবা নিতে পারে। ‘ফ্যাক্টরিং’ এর সাথে এলসি এর মূল পার্থক্য হলো ‘এলসি’ একটি পেমেন্ট পদ্ধতি আর ‘ফ্যাক্টরিং’ এর মাধ্যমে তৃতীয় পক্ষ হতে মূলধন জোগান করা হয়। স্বল্প মেয়াদী এবং জামানতবিহীন ঋণ সুবিধা হিসেবে 'ফ্যাক্টরিং ফাইন্যান্স' শিল্প খাতে বিশেষত এসএমই খাতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখছে। বাংলাদেশের আমদানি-রফতানি বাণিজ্যের প্রায় ৯০ শতাংশ সম্পন্ন হয় এলসির মাধ্যমে। কিন্তু এলসি পদ্ধতিতে বাণিজ্য করা সময়সাপেক্ষ ও জটিলতানির্ভর। তাছাড়া ক্ষুদ্র ও মাঝারি (এসএমই) ব্যবসায়ীদের জন্য এলসি পাওয়া আরো কঠিন। এক্ষেত্রে ফ্যাক্টরিং ফাইন্যান্স একটি বিশেষ বিকল্প হতে পারে। আন্তর্জাতিক অর্থ তহবিলের এক প্রতিবেদনে করোনার প্রভাব মোকাবেলায় রফতানি খাতে অর্থের প্রবাহ বাড়াতে ফ্যাক্টরিং প্রক্রিয়াকে কাজে লাগানোর পরামর্শ দেয়া হয়েছে।এসএমই ফাউন্ডেশন এবং থিংকবিগ সলিউশনস এর যৌথ উদ্যোগে বাংলাদেশে ফ্যাক্টরিং ফাইন্যান্স কার্যক্রম পরিচালনার জন্য ডিজিটাল প্ল্যাটফর্ম হিসেবে বাংলাদেশ ব্যাংক থেকে পাইলট আকারে থিংকবিগ সলিউশনস (ট্রেডেক্স) -কে ১৮ জানুয়ারি ২০২২ লোকাল ফ্যাক্টরিং প্ল্যাটফর্ম পরিচালনা করার অনুমোদন প্রদান করা হয়। ফ্যাক্টরিং ফাইন্যান্স কার্যক্রমের প্রচার ও প্রসারে যৌথ কর্মসূচি বাস্তবায়নের লক্ষ্যে ২১ ডিসেম্বর ২০২২ এসএমই ফাউন্ডেশনের সাথে থিংকবিগ সলিউশনস (ট্রেডেক্স)-এর সমঝোতা স্মারক স্বাক্ষর করা হয়। যৌথ কর্মসূচি বাস্তবায়নের অংশ হিসেবে কর্পোরেট, ফাইন্যান্সার ও সাপ্লায়ার ম্যাচমেকিং এবং ফাইন্যান্সিং কর্মসূচিতে কর্পোরেট প্রতিষ্ঠানের প্রতিনিধিবৃন্দ, ব্যাংক ও আর্থিক প্রতিষ্ঠানের প্রতিনিধিবৃন্দ, এসএমই চেম্বার/অ্যাসোসিয়েশনের প্রতিনিধিবৃন্দ, এসএমই উদ্যোক্তাবৃন্দ এবং এসএমই ফাউন্ডেশনের কর্মকর্তাবৃন্দ উপস্থিত ছিলেন।

About Us

NRBC is an open news and tele video entertainment platform for non-residential Bengali network across the globe with no-business vision just to deliver news to the Bengali community.