post
আন্তর্জাতিক

পাকিস্তানে শাহবাজের নেতৃত্বে জোট সরকার

পাকিস্তানে জোট সরকার গঠনের ঘোষণা দিয়েছে নওয়াজ শরিফ নেতৃত্বাধীন পিএমএল-এন ও পাকিস্তান পিপলস পার্টি-পিপিপি সহ কয়েকটি দল। এ দলগুলোই দুই বছর আগে ইমরান খান সরকারকে উৎখাত করে শাহবাজ শরিফের নেতৃত্বে জোট সরকার গঠন করেছিল। মঙ্গলবার রাতে ইসলামাবাদে দলগুলোর নেতাদের বৈঠক হয়। পরে যৌথ সংবাদ সম্মেলনে পিপিপির কো-চেয়ারম্যান আসিফ আলী জারদারি নতুন জোট সরকার গঠনের ঘোষণা দেন। এ সময় শাহবাজ শরিফও একই কথা বলেন। নতুন এই সরকারেরও নেতৃত্বে থাকবেন শাহবাজ শরিফ। এত দিন পিএমএল-এন থেকে প্রধানমন্ত্রী প্রার্থী হিসেবে নওয়াজ শরিফের কথা বলা হয়েছিল। কিন্তু হঠাৎ করেই নওয়াজ প্রধানমন্ত্রী প্রার্থী হিসেবে ছোট ভাই শাহবাজকে মনোনীত করার ঘোষণা দেন।

post
আন্তর্জাতিক

বিশেষ কমিটি গঠন করলো পিটিআই

পাকিস্তানের কেন্দ্র, পাঞ্জাব এবং খাইবার পাখতুনখাওয়া প্রদেশে সরকার গঠনকে সামনে রেখে বিশেষ কমিটি প্রতিষ্ঠা করেছে পাকিস্তান তেহরিক-ই-ইনসাফ পিটিআই। জাতীয় নির্বাচনে জয়ের পর প্রাদেশিক শাসন কৌশল ঠিক করতেই এ কমিটি করেছে কারান্তরীণ সাবেক প্রধানমন্ত্রী ইমরান খানের দলটি।গুরুত্বপূর্ণ এ বৈঠকের পর পিটিআই কোর কমিটি তাদের সিদ্ধান্ত এবং ভবিষ্যৎ পরিকল্পনার রূপরেখা দিয়ে একটি বিবৃতি প্রকাশ করেছে। এতে বলা হয়, পিটিআই কোর কমিটি বিশেষায়িত কয়েকটি কমিটি গঠন করেছে। এ প্রদেশগুলোর মতো গুরুত্বপূর্ণ অঞ্চলগুলোতে সরকার গঠনের কৌশল নিয়ে পরিকল্পনা করতে এসব কমিটি গঠন করা হয়েছে। কমিটির কাজ হচ্ছে, ওই অঞ্চলগুলোতে সরকারি এবং পার্লামেন্টে অবস্থানের জন্য সুপারিশ করা। আর এই সুপারিশের ভিত্তিতে গুরুত্বপূর্ণ সরকারি ও পার্লামেন্টারি পদের জন্য দ্রুত প্রার্থী মনোনয়ন করতেও পার্টির প্রতিশ্রুতি তুলে ধরা হয়েছে।

post
এনআরবি বিশ্ব

জাপানে বাংলাদেশিদের পিঠা উৎসব

অনেক বাংলাদেশির দীর্ঘদিনের বসবাস জাপানে। বিভিন্ন পেশায় কর্মরত রয়েছেন তারা। জাপানের বিভিন্ন শহরে ছড়িয়ে ছিটিয়ে রয়েছেন এসব বাংলাদেশিরা। তাদের একত্রিত করতে দেশটির সাইতামা প্রেফেক্সারে পিঠা উৎসব ও সাংস্কৃতিক সন্ধ্যার আয়োজন করে ব্রাক্ষণবাড়িয়া সোসাইটি। দিনব্যাপি উৎসবে ব্রাক্ষণবাড়িয়ার ঐতিহ্যবাহী পিঠা ছাড়াও ভাপা পিঠা, পুলি পিঠা, খোলা চিতই, দুধ চিতই, ডিম চিতই, ঝাল কুলি,পায়েস,পাটি সাপটা ও কলার পিঠাসহ হরেক রকমের পিঠার পসরা বসানো হয় । আয়োজকরা জানান,প্রবাসে নিজেদের ঐতিহ্যকে ধারণ ও লালন করতেই এ পিঠা উৎসব ও সাংস্কৃতিক সন্ধ্যার আয়োজন করা হয়। জাপানে বেড়ে ওঠা বাংলাদেশি শিশুদের জন্য চিত্রাঙ্কন প্রতিযোগিতারও আয়োজন করা হয় এই উৎসবে। পরে সাংস্কৃতিক দল মাদলের গান আর নৃত্যের মধ্য দিয়ে শেষ হয় এ অনুষ্ঠান।

post
এনআরবি বিশ্ব

মুক্তি পেলেন মালয়েশিয়ায় আটক বিএনপি নেতা কাইয়ুম

অবশেষে মুক্তি পেলেন মালয়েশিয়ার অভিবাসন বিভাগ কর্তৃক আটক বিএনপি নেতা এমএ কাইয়ুম। বৃহস্পতিবার (৮ ফেব্রুয়ারি) এম এ কাইয়ুম (৬১) পুত্রজায়ার অভিবাসন আটক কেন্দ্র থেকে মুক্তি দেয়া হয়েছে। এসময় উপস্থিত ছিলেন, তার স্ত্রী শাহামিন আরা বেগম, মেয়ে অর্ণিতা তাসনিম আনকাউর এবং আইনজীবী এডমন্ড বন। কাইয়ুমের মুক্তিতে মালয়েশিয়া সরকারকে ধন্যবাদ জানিয়েছেন তার পরিবার।এর আগে, কুয়ালালামপুর হাইকোর্ট তাকে দেশে ফেরত পাঠানোর ওপর স্টে অর্ডার দেয়। কাইয়ুমের পক্ষে এ আবেদন করেছিলেন আইনজীবী কী শু মিন। পরে বিচারক এ আবেদনের পরবর্তী শুনানির তারিখ আগামী ৫ই এপ্রিল ধার্য করেন।পরবর্তীতে, গত ৩১ জানুয়ারি এক সংবাদ সম্মেলনে দেশটির স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সাইফুদ্দিন নাসুশন ইসমাইল বলেন, অভিবাসন বিভাগ আদালতের আদেশ মেনে চলবে। আদালত যতক্ষণ পর্যন্ত তার অবস্থার বিষয়ে সিদ্ধান্ত না দেয় অভিবাসন বিভাগ তাকে নির্বাসন দেবে না।উল্লেখ্য, ২০১৩ সাল থেকে মালয়েশিয়ায় তিনি ‘সেকেন্ড হোম’ হিসেবে অবস্থান করছেন। এর পাশাপাশি জাতিসংঘের শরণার্থীবিষয়ক সংস্থা ইউএনএইচসিআরের তালিকাভুক্ত শরণার্থী হিসেবে মালয়েশিয়ায় অবস্থান করছেন।

post
আন্তর্জাতিক

জামিন পেলেন ইমরান খান

পাকিস্তানের সাবেক প্রধানমন্ত্রী ও তেহরিক-ই-ইনসাফের (পিটিআই) প্রতিষ্ঠাতা ইমরান খানকে ১৪টি মামলায় জামিন দেওয়া হয়েছে। পিটিআইয়ের আরেক নেতা শাহ মাহমুদ কুরেশিও ১৩টি মামলায় জামিন পেয়েছেন। তিনি সাবেক পররাষ্ট্রমন্ত্রী ছিলেন। শনিবার (১০ ফেব্রুয়ারি) রাওয়ালপিন্ডির সন্ত্রাসবিরোধী আদালত (এটিসি) এ রায় দেন।সংবাদ মাধ্যমটি জানায়, এটিসি ৯ মে দাঙ্গা সংশ্লিষ্ট ১২টি মামলায় ইমরান খানের জামিন মঞ্জুর করেছেন। এ ছাড়া সেনাবাহিনীর সদর দপ্তর এবং সেনা জাদুঘরে হামলা নিয়ে আরও দুই মামলায় তাকে জামিন দেওয়া হয়েছে।ইমরান ও মাহমুদ কুরেশির জামিন আবেদনের শুনানি করেন এটিসির বিচারক মালিক এজাজ আসিফ। শুনানিতে আদালত বলেন, ইমরানকে গ্রেপ্তার করে রাখার কোন এখতিয়ার নেই। ৯ মে দাঙ্গা সংশ্লিষ্ট মামলায় সব আসামি জামিনে রয়েছেন।ইমরান খানের নামে গত কয়েক মাসে প্রায় ২০০ মামলা দেওয়া হয়েছে। সম্প্রতি চার মামলায় দোষী সাব্যস্ত করে ইমরানকে ৩৪ বছরের কারাদণ্ড দেওয়া হয়েছে। ১০ বছরের জন্য তাকে নির্বাচনে নিষিদ্ধ করা হয়েছে।তবে পিটিআই ও ইমরান-সমর্থকদের দাবি, রাজনৈতিক উদ্দেশ্যপ্রণোদিত ভাবে তাকে এসব সাজা দেওয়া হয়েছে। বর্তমানে কারাগারে বন্দি তিনি।উল্লেখ্য, ২৬৫ আসনের মধ্যে ২৫২টি আসনের ফল ঘোষণা করা হয়েছে ইতোমধ্যে। ঘোষিত ফলে নওয়াজ শরিফের পাকিস্তান মুসলিম লীগ ও বিলাওয়াল ভুট্টোর পাকিস্তান পিপলস পার্টির চেয়ে বেশ ভালো ব্যবধানে এগিয়ে আছেন স্বতন্ত্র প্রার্থীরা। তাদের অধিকাংশই কারাবন্দি ইমরান খানের পিটিআই সমর্থিত স্বতন্ত্র প্রার্থী। তবে ফলাফলের দ্বিতীয় ও তৃতীয় অবস্থানে রয়েছে পিএমএল-এন ও পিপিপি। এই দুটি দলই জোট গঠনের বিষয়ে একমত হয়েছে বলে খবর পাওয়া গেছে।জিও নিউজের প্রতিবেদন অনুযায়ী, ২৬৫ আসনের মধ্যে এখন পর্যন্ত ২৫২টি আসনের ফল ঘোষণা করেছে পাকিস্তান নির্বাচন কমিশন। এতে স্বতন্ত্র প্রার্থীরা পেয়েছেন ১০৬টি আসন। তাদের মধ্যে ইমরান খানের দল পিটিআই সমর্থিত প্রার্থী ৯৯ জন। অন্যদিকে নওয়াজ শরিফের পিএমএল-এন পেয়েছে ৭৩টি আসন এবং বিলাওয়াল ভুট্টোর পিপিপি পেয়েছে ৫৩টি আসন।

post
এনআরবি লাইফ

আদালতে চিৎকার, নিজের মৃত্যুদণ্ড বহাল চান প্রবাসী বাংলাদেশি!

 মালদ্বীপের এক নাগরিককে হত্যায় দোষী সাব্যস্ত হওয়ার পর প্রথমবারের মতো একজন বাংলাদেশিকে মৃত্যুদণ্ড দিয়েছেন দেশটির একটি আদালত। ২০২২ সালের ২৭ ফেব্রুয়ারি মালদ্বীপের ফৌজদারি আদালত শাহ আলম মিয়া ওরফে সেলিম মিয়া নামে প্রবাসী ওই বাংলাদেশিকে মৃত্যুদণ্ড দেন।দীর্ঘদিন ধরে সেলিম মিয়া তার সাজার বিরুদ্ধে আদালতে কোনো আপিল দাখিল না করায়, বুধবার (৭ ফেব্রুয়ারি) রাষ্ট্রপক্ষের আইনজীবী সেলিমের সাজার বৈধতা নিশ্চিত করতে হাইকোর্টের দ্বারস্থ হন। এ তথ্য নিশ্চিত করে স্থানীয় গণমাধ্যম দ্য এডিশন। পরে আদালতের শুনানিতে প্রবাসী সেলিম তার দোভাষীর মাধ্যমে অনুরোধের প্রেক্ষিতে, সব তদন্তের সত্যতার ভিত্তিতে এবং বিচারকের সহায়তায় তার মৃত্যুদণ্ড বহাল রাখার প্রস্তাব আনেন আদালতে!  মালদ্বীপের আলিফ ধালু ধানগেঠি আইল্যান্ডের স্থানীয় ব্যবসায়ী মাহমুদ আবু বকুর হত্যা মামলায় মৃত্যুদণ্ডপ্রাপ্ত আসামি প্রবাসী সেলিম মিয়া (২৯)। বাংলাদেশে তার বাড়ি হবিগঞ্জ জেলার লাখাইল উপজেলার কামালপুর গ্রামে। ২০২১ সালের অক্টোবরে ফৌজদারি আদালত মালদ্বীপের নাগরিক মাহমুদকে নির্মমভাবে হত্যা এবং দ্বীপে একটি পরিত্যক্ত প্লটে তার মরদেহ ফেলে রাখার সব অভিযোগ প্রমাণিত হওয়ায় মৃত্যুদণ্ড দিয়েছিলেন সেলিমকে। মালদ্বীপের ইতিহাসে এটিই প্রথম কোনো বিদেশিকে মৃত্যুদণ্ডের রায় দেয়ার ঘটনা। রাষ্ট্র নিযুক্ত আসামিপক্ষের আইনজীবী আহমেদ শফিউ বলেন, সেলিম হাইকোর্টের সঙ্গে নতুন তথ্য শেয়ার করতে চান। এতে সেলিমের আইনজীবী সতর্ক করেছেন যাতে সেলিম আদালতে মিথ্যা বক্তব্য না দেন। তবুও সেলিম বক্তব্য দিতে চাইলে বিচারকের বেঞ্চ বলেন, আইনজীবী এবং তার আসামির মধ্যে ভাগ করা তথ্য গোপনীয়, যা আদালতে প্রকাশ করা যাবে না। সেক্ষেত্রে আসামিপক্ষের আইনজীবী যদি মনে করেন, তিনি তার মক্কেলের স্বার্থের প্রতিনিধিত্ব করতে পারবেন না বা তার অনুরোধগুলো পূরণ করতে পারবেন না; তাহলে তার পক্ষে মামলা প্রত্যাহার করে নেয়া উচিত। এসময় বিচারকের বেঞ্চ প্রবাসী সেলিমকে জিজ্ঞেস করেন তার পক্ষে নতুন কোনো আইনজীবী চান কিনা। জবাবে সেলিম চিৎকার করে বলেন, ‘আমি নতুন আইনজীবী চাই না। আমি আর কোনো বিচারও চাই না। তবে আমার অনুরোধ আপনাদের কাছে, সাজাটি যেমন আছে তেমনই বহাল রাখুন। এর কারণ হলো আমি আজ পর্যন্ত নিজেকে রক্ষা করতে পারিনি। কর্তৃপক্ষের কেউই আমার বক্তব্য গ্রহণ করছে না। আমি অনুরোধ করছি নিম্ন আদালতের সিদ্ধান্ত বহাল রাখা হোক। এবং এর কোনো পরিবর্তনের দরকার মনে করছি না।’ এর পরিপ্রেক্ষিতে আদালত কিছুক্ষণের জন্য মুলতবি ঘোষণা করা হয়। পুনরায় শুনানি শুরু হওয়ার পর, বেঞ্চ আবারও সেলিমকে নতুন আইনজীবী দেয়ার প্রস্তাব দেন। তারা সেলিমকে ব্যাখ্যা করেন যে তাকে হত্যার দায়ে দোষী সাব্যস্ত করা হয়েছে, নিম্ন আদালতের রায় সম্পর্কে তার কাছে এমন কিছু আছে কি না, তা-ও জানতে চাওয়া হয়। সেলিম প্রতিক্রিয়ায় জানান, এই বিষয়ে তার আর কোনো অভিযোগ নেই। তবে তিনি তদন্তে পূর্ণ সহযোগিতার প্রস্তাব দেয়ার কারণে সম্ভাব্য নম্রতার জন্য আবেদন করেছিলেন। কিছুক্ষণ পর সেলিম আবারও তার অবস্থান পরিবর্তন করে বিচারকের কাছে দাবি করেন, নিম্ন আদালত তাকে কিছু মৌলিক অধিকার থেকে বঞ্চিত করেছে। বিস্তারিত জানতে চাওয়া হলে বলেন, তিনি যে অপরাধ করেননি তা স্বীকার করতে তাকে বাধ্য করা হয়েছিল। পরে বিচারকের বেঞ্চ সেলিমকে জিজ্ঞাসা করেন তার কোন বক্তব্য তদন্ত ও নিম্ন আদালত খারিজ করেছে। সেলিম জবাবে বলেন, নিম্ন আদালতে যখন তার মামলা চলছিল, তখন তিনি দিভেহি ভাষা বুঝতেন না বা বলতেন পারতেন না। তবে তিনি মালদ্বীভিয়ান ওই ব্যবসায়ীকে হত্যা করেননি বলে জানান। সাজা কমিয়ে দেশে পাঠানো হবে এই আশ্বাস পেয়ে, দোভাষীর শেখানো কথায় তিনি হত্যার অভিযোগ স্বীকার করেন বলে জানিয়েছেন আদালতকে। এজন্য দোভাষী পরিবর্তনের দাবি জানিয়েছিলেন তখন। এরপরই নিম্ন আদালত মালদ্বীপে নিযুক্ত বাংলাদেশ হাইকমিশনের সঙ্গে বিষয়টি শেয়ার করে নতুন দোভাষী নিয়োগের জন্য, সেলিমকে হাইকোর্টে দরখাস্ত জমা দেয়ার পরামর্শ দেন। তবে মালদ্বীপের বাংলাদেশ হাইকমিশনের শ্রম কাউন্সেলর মো. সোহেল পারভেজ সময় সংবাদকে জানান, প্রবাসী সেলিম মিয়ার অনুরোধে রাষ্ট্রীয়ভাবে আইনজীবী নিয়োগসহ আগের দোভাষীর পরিবর্তে তার পছন্দমতো বাংলাদেশি একজন দোভাষী পর্যন্ত নিয়োগ দেয়া হয়েছে। তারপরও কেন সে আদালতে এ ধরনের আচরণ করছে, তা বোধগম্য নয়। মৃত্যুদণ্ডপ্রাপ্ত সেলিমের জন্য নতুন নিয়োগ পাওয়া বাংলাদেশি দোভাষী এ এইচ শরিফ সময় সংবাদকে বলেন, ‘যতটুকু বুঝতে পারলাম সেলিম মানসিকভাবে খুব অসুস্থ। তাকে বারবার সংযত হয়ে আদালতে কথা বলতে বললেও, চিৎকার আর চেঁচামেচি করে শেখানো কথার প্রসঙ্গ এড়িয়ে বলেছে রায় বহাল রাখতে। তার প্রতি বিচারকরা নমনীয় ছিল এবং বারবার আইনজীবী পরিবর্তন করা লাগবে কিনা জানতে চাইলেও সেলিম না বলেছে। এখন অপেক্ষা আগামী তারিখে কী সিদ্ধান্ত দেয় হাইকোর্ট বেঞ্চ।’ বিচারক বেঞ্চ, মৃত্যুদণ্ডের বিষয়ে সেলিম অবগত ছিলেন কিনা জানতে চাইলে তিনি দাবি করেন, সাজা ঘোষণার সময় থেকে অনেক দিন পর তিনি তা জানতে পেরেছেন। বিচারক বেঞ্চ, এই বিষয়ে সেলিমের কাছে তার চূড়ান্ত বক্তব্য জানতে চাইলে সেলিম জানান, তিনি সুস্থ নন, তবে আদালতে দেয়া তার প্রস্তাবে কী সহযোগিতা করা লাগবে জানতে চান। রাষ্ট্রপক্ষ বা ভিকটিমের আইনজীবী আদালতে বলেন, আসামি এমন সময়ে তার অপরাধ স্বীকার করেছিল যখন তার সব অধিকার নিশ্চিত করা হয়েছিল। আসামির জন্য একজন দোভাষী পরিবর্তন এবং রাষ্ট্রপক্ষের একজন আইনজীবীর পরিষেবাও দেয়া হয়েছিল। তবে ভিকটিমের নিকটবর্তী পরিবারের ইচ্ছা অনুযায়ী এবং ইসলামী শরীয়াহ অনুযায়ী, সেলিমকে অবশ্যই মৃত্যুদণ্ড দিতে হবে। কারণ, সেখানে কোনো অপ্রীতিকর পরিস্থিতি নেই। তারা সেলিমের বিরুদ্ধে নিম্ন আদালতের মৃত্যুদণ্ড বহাল রাখার জন্য পুনরায় আবেদন করেন। সব তথ্য-উপাত্তের ভিত্তিতে দেশটির হাইকোর্ট বেঞ্চ ঘোষণা করেছেন যে, মামলাটির আর কোনো স্পষ্টীকরণের প্রয়োজন না হলে পরবর্তী শুনানিতে রুল ঘোষণা করা হবে। হাইকোর্ট বেঞ্চের তিন বিচারপতির মধ্যে ছিলেন বিচারক ফাতিমাথ ফারুহিজা, বিচারক মোহাম্মদ নিয়াজ এবং সভাপতিত্বকারী বিচারক হাসান শাফিউ।

post
আন্তর্জাতিক

পাকিস্তানের নির্বাচনে জয়ী পিটিআই সমর্থকেরা

সব প্রতিবন্ধকতা ছাপিয়ে ভোটের মাঠে জয়ী হলেন পাকিস্তানের সাবেক প্রধানমন্ত্রী ইমরান খান। তাঁর দল পাকিস্তান তেহরিক–ই–ইনসাফ পিটিআই দলীয়ভাবে নির্বাচন করতে না পারলেও এবার দেশটির জাতীয় নির্বাচনে সবচেয়ে বেশি আসনে জয়ী হয়েছেন পিটিআই–সমর্থিত প্রার্থীরা। পাকিস্তানে জাতীয় নির্বাচনের ভোটগ্রহণ শেষ হয় গত বৃহস্পতিবার। এরপর থেকে শনিবার ভোররাত পর্যন্ত ঘোষিত ফলে,সবচেয়ে বেশি আসনে জয়ী হয়েছেন স্বতন্ত্র প্রার্থীরা। স্বতন্ত্র প্রার্থীদের প্রায় সবাই পিটিআইয়ের সমর্থন নিয়ে নির্বাচনে লড়েছেন। পাকিস্তান নির্বাচন কমিশনের সর্বশেষ তথ্য অনুযায়ী, ২৬৫টি আসনের মধ্যে ২৫০ আসনের ফল পাওয়া গেছে। এর মধ্যে সবচেয়ে বেশি ৯৯ আসনে জয় পেয়েছেন ইমরান খানের দল পাকিস্তান তেহরিক-ই-ইনসাফ (পিটিআই)। এরপরই পিএমএলএন ৭১ আসনে, পিপিপি ৫৩ আসনে ও এমকিউএম ১৭ আসনে জয়ী হয়েছে। এ ছাড়া অন্যান্য দল পেয়েছে ১০টি আসন ।

post
আন্তর্জাতিক

২৪৬ আসনের ফল : পার্থক্য বাড়িয়ে চলেছেন ইমরানের সমর্থিতরা

পাকিস্তানের সাধারণ নির্বাচনে এখন পর্যন্ত ২৬৬টি আসনের মধ্যে ২৪৬টির ফলাফল ঘোষণা করা হয়েছে। এতে দেখা গেছে, ইমরান খানের দল পাকিস্তান তেহরিক-ই-ইনসাফ (পিটিআই) সমর্থিত স্বতন্ত্র প্রার্থীরা সবচেয়ে বেশি আসন পেয়ে এগিয়ে রয়েছেন।কাতার ভিত্তিক সংবাদমাধ্যম আল জাজিরার প্রকাশিত ফলাফলে ফলাফলে দেখা গেছে, ২৪৬ আসনের মধ্যে স্বতন্ত্র প্রার্থীরা ৯৯টি আসনে জয় পেয়েছেন। যার অধিকাংশই ইমরান খানের পিটিআই সমর্থিত স্বতন্ত্র প্রার্থী। এ ছাড়া নওয়াজ শরীফের পাকিস্তান মুসলিম লিগ-নওয়াজ (পয়স্বিনী-এন) ৭০টি আসন, বিলাওয়ালের পাকিস্তান পিপলস পার্টি ৫২টি আসনে জয় পেয়েছে। আর ২৫টি আসনে জিতেছেন অন্য প্রার্থিরা।ভোট স্থগিত হয়েছে ১টি কেন্দ্রের। এর আগে, বৃহস্পতিবার (৮ ফেব্রুয়ারি) পাকিস্তানে জাতীয় ও প্রাদেশিক পরিষদে নির্বাচন অনুষ্ঠিত হয়। কারাগারে বন্দি থাকায় এবারের নির্বাচনে অংশ নিতে পারেননি দেশটির সাবেক প্রধানমন্ত্রী ইমরান খান। এ ছাড়া তার দল পিটিআইকে এবার নির্বাচনী প্রতীক ‘ব্যাট’ ব্যবহারের সুযোগ দেওয়া হয়নি। ফলে ইমরানের দলের লোকেরা স্বতন্ত্র হিসেবে নির্বাচনে অংশ নেন।পাকিস্তানে জাতীয় পরিষদে মোট আসন সংখ্যা ৩৩৬টি। এর মধ্যে ২৬৬টিতে ভোট হয়েছে। বাকি আসনগুলো নারী ও অন্যান্য ধর্মাবলম্বীদের জন্য সংরক্ষিত। দেশটিতে কোনো দল যদি এককভাবে সরকার গঠন করতে চায়— তাহলে সংরক্ষিতসহ মোট ১৭২টি আসন পেতে হবে। সে হিসেবে যদি পিটিআই এককভাবে সরকার গঠন করতে চায় তাহলে তাদের নির্বাচন হওয়া আসনগুলো থেকে অন্তত ১৫০টিতে জয়ী হতে হবে। সবশেষ ফলাফল অনুযায়ী, এখন পর্যন্ত নির্বাচনে অংশ নেওয়া কোনো দল এককভাবে সংখ্যাগরিষ্ঠতা পায়নি। ফলে শেষ পর্যন্ত দেশটিতে জোট সরকার গঠন হওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে।

post
এনআরবি বিশ্ব

মালয়েশিয়ায় প্রতারণার শিকার ৭ শতাধিক বাংলাদেশি কর্মী পাচ্ছেন বকেয়া বেতন

মালয়েশিয়ায় প্রতারণার শিকার ৭ শতাধিক বাংলাদেশি কর্মী পাচ্ছেন বকেয়া বেতন। পেনিনসুলার লেবার ডিপার্টমেন্ট (জেকেটিএসএম) জোহরের পেনজেরাংয়ে ৭৩৩ জন বাংলাদেশি শ্রমিকের নিয়োগকর্তাকে বকেয়া বেতন পরিশোধ করার নির্দেশ দিয়েছেন।চাকরির প্রস্তাব দিয়ে বাংলাদেশি কর্মীদের মালয়েশিয়ায় নিয়ে অমানবিক পরিস্থিতিতে ফেলে সে দেশের পেঙ্গেরাংয়ের একটি কোম্পানি। মুলিয়াঅন এনার্জি এসডিএন বিএইচডি নামের ওই কোম্পানিটি ভুয়া চাকরির প্রস্তাব দিয়ে সে দেশে কর্মী নিয়েছে। পরবর্তীকালে মালয়েশিয়ার ওই অঞ্চলের শ্রম আদালতে অভিযোগ দায়ের করলে অর্ধেক বেতন পরিশোধের শর্তে বিরোধ নিষ্পত্তি করতে রাজি হয়েছে কোম্পানিটি। বৃহস্পতিবার মেট্রো হারিয়ানের এক প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, গত সোমবার জোহর শ্রম বিভাগের (জেটিকে) কর্মকর্তারা নিয়োগকর্তা ও কর্মচারীদের উপস্থিতিতে শ্রম আদালত এ নির্দেশনা দেন। গত বছরের অক্টোবর থেকে বেকার দিনযাপন করা এই কর্মীরা বাকি অর্ধেক বেতন কবেনাগাদ পাবেন, সেই নিশ্চয়তা এখনো পর্যন্ত পাওয়া যায়নি। তবে ১০ ফেব্রুয়ারির মধ্যে তাদের কর্মসংস্থান নিশ্চিতের নির্দেশ দিয়েছেন আদালত। মালয়েশিয়ার শ্রম আদালত জানিয়েছেন, জোহর রাজ্যে সাত শতাধিক বাংলাদেশি কর্মীকে চাকরি দেওয়ার নামে তাদের সঙ্গে প্রতারণা করেছে ওই কোম্পানি। পরে আদালতে অভিযোগ করা হলে ২০২৩ সালের অক্টোবর থেকে ওই কর্মীদের বকেয়া বেতনের অর্ধেক (প্রায় ১০ লাখ রিঙ্গিত বা ৩ লাখ মার্কিন ডলার) পরিশোধ করতে রাজি হয় মুলিয়াঅন এনার্জি এসডিএন বিএইচডি।

post
আন্তর্জাতিক

বাংলাদেশ-মালয়েশিয়ার ক্রমবর্ধমান সম্পর্ক জোরদার

দক্ষিণ-পূর্ব এশিয়ার অন্যতম দৃশ্যমান অর্থনৈতিক শক্তি মালয়েশিয়ার সঙ্গে রয়েছে বাংলাদেশের দীর্ঘদিনের গভীর দ্বিপক্ষীয় সম্পর্ক। দক্ষিণ-পূর্ব এশিয়ার দেশসমূহের মধ্যে মালয়েশিয়া প্রথম স্বাধীন বাংলাদেশকে স্বীকৃতি দেয়। ১৯৭২ সালের ৩১ জানুয়ারি দুই দেশের মধ্যে কূটনৈতিক সম্পর্ক স্থাপনের পর ২০২২ সালে পালিত হয়েছে বাংলাদেশ ও মালয়েশিয়ার মধ্যে দ্বিপক্ষীয় সম্পর্কের সুবর্ণজয়ন্তী।গত কয়েক দশক ধরে মালয়েশিয়া বাংলাদেশের জন্য অন্যতম বড় শ্রমবাজার হিসেবে বিবেচিত হয়ে আসছে এবং বর্তমানে ১২ লক্ষাধিক প্রবাসী বাংলাদেশি বিভিন্ন সেক্টরে কর্মরত রয়েছেন। শ্রমবাজারে দৃশ্যমান ও সক্রিয় উপস্থিতির পাশাপাশি প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা ঘোষিত ‘অর্থনৈতিক কূটনীতি’ জোরদারে মালয়েশিয়ার সরকার ও বেসরকারি সেক্টরের সঙ্গে নিবিড়ভাবে কাজ করে যাচ্ছে কুয়ালালামপুরে বাংলাদেশ হাইকমিশন। এরই ধারাবাহিকতায় বাংলাদেশ ও মালয়েশিয়ার বিদ্যমান অর্থনৈতিক ও ব্যবসায়িক সম্পর্ক দৃঢ়তর করার অভিপ্রায়ে ৫ ফেব্রুয়ারি ২০২৪ বাংলাদেশের হাইকমিশনার মো. শামীম আহসান ন্যাশনাল চেম্বার অব কমার্স অ্যান্ড ইন্ডাস্ট্রি, মালয়েশিয়ার (এনসিসিআইএম) প্রেসিডেন্ট তান শ্রী দাতো সোহ থিয়ান লাইয়ের সঙ্গে তার কার্যালায়ে বৈঠক করেছেন। বৈঠকে পারস্পারিক বাণিজ্য প্রসার ও বিনিয়োগ সুবিধার ক্ষেত্রে অধিকতর সহযোগিতা, দক্ষতা ভাগাভাগি এবং দুই দেশের মধ্যে বাণিজ্যিক ও অর্থনৈতিক সম্পর্ক আরও জোরদার করাসহ অভিন্ন স্বার্থের বিষয়গুলো প্রাধান্য পায়। এ ছাড়া দুই দেশের বাণিজ্য মন্ত্রণালয় ও শীর্ষ ব্যবসায়িক চেম্বারসমূহের সমন্বয়ে বাংলাদেশ-মালয়েশিয়া জয়েন্ট বিজনেস কাউন্সিল গঠন বিষয়ে বৈঠকে আলোচনা হয়। বৈঠকে উপস্থিত ছিলেন এনসিসিআইএমের সদস্য চাইনিজ চেম্বার, ইন্ডিয়ান চেম্বার ও আন্তর্জাতিক চেম্বারের ঊর্ধ্বতন ব্যবসায়িক প্রতিনিধিবৃন্দ এবং বাংলাদেশ হাইকমিশনের প্রথম সচিব (বাণিজ্যিক) প্রণব কুমার ঘোষ ও প্রথম সচিব (রাজনৈতিক) রেহানা পারভীন। এর আগে রাবার উন্নয়নের ক্ষেত্রে সহযোগিতা বৃদ্ধিসহ পাম অয়েল সেক্টরে দক্ষতা ভাগাভাগি এবং দুই দেশের মধ্যে বাণিজ্যিক ও অর্থনৈতিক সম্পর্ককে আরও জোরদার করার বিষয় নিয়ে, মালয়েশিয়ার প্ল্যান্টেশন অ্যান্ড কমোডিটিজ মন্ত্রণালয়ের সেক্রেটারি জেনারেল দাতো হাজি মাদ জাইদি মোহাম্মদ কারলির সঙ্গে তার কার্যালয়ে আলোচনা করেন হাইকমিশনার মো. শামীম আহসান। মালয়েশিয়ায় নিযুক্ত বাংলাদেশের হাইকমিশনার মো. শামীম আহসান জানান, বাংলাদেশের সঙ্গে ব্যবসা ও বিনিয়োগ সম্প্রসারণে মালয়েশিয়ার ন্যাশনাল চেম্বার অফ কমার্স অ্যান্ড ইন্ডাস্ট্রির সঙ্গে ইতিবাচক আলোচনা হয়েছে। মালয়েশিয়া বাংলাদেশে ৮ম শীর্ষ বিনিয়োগকারী দেশ এবং বিনিয়োগের পরিমাণ ৮৩২.৭০ মিলিয়ন মার্কিন ডলার (সেপ্টেম্বর ২০২৩) এ বিষয়টি তুলে ধরে তিনি মালয়েশিয়ার ব্যবসায়ীদের অন্যান্য দেশের ন্যায় পৃথক অর্থনৈতিক অঞ্চল প্রতিষ্ঠাসহ বাংলাদেশের ১০০টি অর্থনৈতিক এলাকায় বিনিয়োগের জন্যও আহ্বান জানিয়েছেন।

About Us

NRBC is an open news and tele video entertainment platform for non-residential Bengali network across the globe with no-business vision just to deliver news to the Bengali community.