post
এনআরবি বিশ্ব

কানাডার অন্টারিও নির্বাচনে বাংলাদেশি বংশোদ্ভূত ৩ প্রার্থী

আগামী ২ জুন কানাডার অন্টারিও প্রভিন্সিয়াল নির্বাচনকে সামনে রেখে পুরো প্রদেশে এখন ভোটের হাওয়া বইতে শুরু করেছে। বিভিন্ন কারণে প্রদেশের বাসিন্দাদের জন্য এবারের নির্বাচনটিকে অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ হিসেবে দেখা হচ্ছে। তবে বাংলাদেশি কমিউনিটিতে এর আলাদা একটি গুরুত্ব তৈরি হয়েছে। কারণ এবারের নির্বাচনে বাংলাদেশি বংশোদ্ভূত তিন প্রার্থী প্রতিদ্বন্দ্বিতা করছেন। এবারের নির্বাচনে প্রার্থী হয়েছেন ডলি বেগম। এর আগেও তিনি ২০১৮ সালে এনডিপির মনোনয়ন নিয়ে নির্বাচিত হয়ে বাংলাদেশি কমিউনিটির জন্য একটি গৌরবোজ্জ্বল রেকর্ড প্রতিষ্ঠা করেছিলেন। স্কারবোরো সাউথওয়েস্ট রাইডিং-এ এবারও তিনি প্রার্থী। ডলি বেগমের বাইরে আরও দুজন বাংলাদেশি বংশোদ্ভূত প্রার্থী এবার প্রধান দুটি রাজনৈতিক দলের মনোনয়ন নিয়ে নির্বাচনী লড়াইয়ে অবতীর্ণ হয়েছেন। এর মধ্যে ইটোবিকো-লেকশোর থেকে প্রার্থী হয়েছেন এনডিপি প্রার্থী ফারহিন আলিম এবংর ওকভিল নর্থ বারলিংটন থেকে লিবারেল পার্টির প্রার্থী হিসেবে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করছেন কানিজ মৌলি। বিজয়ী হওয়ার প্রত্যয় নিয়ে এনডিপি প্রার্থী ডলি বেগম বলেন, গত চার বছর তিনি অন্টারিয়ানদের বিভিন্ন ইস্যুতে সংসদে সোচ্চার থেকেছেন। অভিবাসীদের সমস্যা নিয়ে সরব থেকেছেন। তার চার বছরের কাজের মূল্যায়নে ভোটাররা এবারো তাকে বিজয়ী করবেন বলে আশা প্রকাশ করেন। ডলি বেগম বলেন, আমার নির্বাচনী এলাকার ভোটাররা মূলত অভিবাসী। নিজে একজন অভিবাসী পরিবারের সদস্য হিসেবে তার সমস্যা, তাদের চাওয়া আমি সবচেয়ে ভালো বুঝতে পারি। ওকভিল নর্থ বারলিংটন থেকে লিবারেল পার্টির প্রার্থী কানিজ মৌলি বলেন, অন্টারিওর মধ্যবিত্ত সমাজের জন্য সবচেয়ে প্রগতিশীল এবং অগ্রসর ভাবনার কর্মসূচি নিয়ে অন্টারিও লিবারেল পার্টি এবার নির্বাচন করছে। তিনি আশা করছেন, তাদের কর্মসূচির কারণেই জনগণ তাদের এবার ভোট দেবে। বিশ্ববিদ্যালয় থেকে সক্রিয় রাজনীতি করা কানিজ মৌলি বলেন, রাজনীতি এবং প্রশাসনিক পর্যায়ে প্রত্যক্ষ অভিজ্ঞতা অর্জন করার পর তিনি নির্বাচনে প্রার্থী হয়েছেন। নির্বাচনে তিনি বিজয়ী হবেন বলে আশা প্রকাশ করেন। ইটোবিকো-লেকশোর থেকে এনডিপি প্রার্থী ফারহিন আলিম বলেন, আমি একজন হাই স্কুল শিক্ষক, পেশাদার রাজনীতিক নই। কিন্তু কোভিড মহামারিতে আমার ছাত্রছাত্রীদের যে দুর্ভোগ পোহাতে হয়েছে, তা দেখে আমি নির্বাচনে প্রার্থী হয়েছি। নিজের বিজয়ের ব্যাপারে আশাবাদী ফারহিন আলিম বলেন, অভিবাসী, মধ্যবিত্ত নাগরিকদের সমস্যা নিয়ে আমি কাজ করতে চাই। অন্টারিওর প্রভিন্সিয়াল নির্বাচনে বাংলাদেশি বংশোদ্ভূতদের প্রার্থিতা নিয়ে কানাডার নতুন দেশ পত্রিকার প্রধান সম্পাদক ও সাংবাদিক শওগাত আলী সাগর বলেন, প্রভিন্সিয়াল নির্বাচনে প্রধান রাজনৈতিক দলগুলো থেকে বাংলাদেশি বংশোদ্ভূত তিনজনের মনোনয়ন পাওয়ায় প্রবাসে বাংলাদেশি কমিউনিটির জন্য অত্যন্ত উৎসাহব্যঞ্জক এবং সম্মানের বিষয়। তিনি কানাডার মূলধারার রাজনীতিতে বাংলাদেশিদের আরও বেশি অংশগ্রহণের উপর গুরুত্বারোপ করে বলেন, শুধু প্রার্থী নয়, ভবিষ্যতে আমরা আরও বেশি বিজয়ী প্রবাসীদের কানাডার মূলধারার রাজনীতিতে দেখতে চাই, যাতে বাংলাদেশ ও কানাডার মধ্যে একটি সুদৃঢ় সেতুবন্ধন তৈরি হয়।

post
এনআরবি বিশ্ব

বাংলা কালচারাল সেন্টার পাচ্ছেন মিশিগানের প্রবাসীরা

যুক্তরাষ্ট্রের মিশিগান রাজ্যে বসবাসরত প্রবাসী বাঙালিরা পেতে যাচ্ছেন একটি কালচারাল সেন্টার। বাংলা সংস্কৃতি চর্চার জন্য বাংলাদেশি বংশোদ্ভূত মার্কিন চিকিৎসক ড. দেবাশীষ মৃধা ও তার সহধর্মিণী চিনু মৃধা এ সেন্টার গড়ছেন। নাম ‘মৃধা বেঙ্গলি কালচারাল সেন্টার’। এর অবস্থান ওয়ারেন শহরের ৯ মাইলের ২২০২১ মেমফিস এভিনিউয়ে। জানা গেছে, ১১ জুন আনুষ্ঠানিকভাবে এ সেন্টারের উদ্বোধন করা হবে। ড. দেবাশীষ মৃধা এ সেন্টার গড়তে প্রায় তিন লাখ ডলার খরচ করেছেন। ভবনের সংস্কার কাজ চলছে। মৃধা পরিবার জানায়, সেন্টারের জন্য আরও দুই লাখ ডলারের বাজেট রয়েছে।    ড. দেবাশীষ মৃধার বাড়ি বাংলাদেশের পিরোজপুর জেলায়। তিনি ইউক্রেনের একটি বিশ্ববিদ্যালয় থেকে ডাক্তারি পাস করে ১৯৯১ সালে আসেন আমেরিকায়। তিনি সেন্ট্রাল মিশিগান ইউনির্ভাসিটির অ্যাসোসিয়েট প্রফেসর। এছাড়া সাগিনা সিটিতে তার নিজস্ব ক্লিনিক রয়েছে।   মৃধা বেঙ্গলি কালচারাল সেন্টারে থাকছে, বাংলা ভাষা শিক্ষার স্কুল, বাংলা গানের স্কুল, নাচের স্কুল, শেখানো হবে গিটার বাজানো। এ সেন্টারে থাকছে বাংলা সাহিত্য সংসদ। বসবে কবিতা পাঠের আসর। উদযাপন করা হবে জাতীয় দিবসগুলো। আয়োজন করা হবে বাংলা মেলার। সরেজমিনে নির্মাণাধীন সেন্টারে গিয়ে দেখা গেছে, সেন্টারের মিলনায়তনটি খুবই চমৎকার। এখানে জন্মদিন, বিবাহবার্ষিকী পালন, সভা-সেমিনারসহ ছোটখাটো অনুষ্ঠান করার বাড়তি সুবিধা রয়েছে। সেন্টারের পাশেই রয়েছে একটি মাঠ এবং পার্ক। ছোট্ট এ মাঠে শিশু-কিশোররা খেলতে পারবে এবং পার্কে বিনোদন পাবে।  এ প্রসঙ্গে জানতে চাইলে ড. দেবাশীষ মৃধা বলেন, বিদেশের মাটিতে বাংলা ভাষা, সংস্কৃতি ও দেশের ইতিহাসকে তুলে ধরার জন্যই এ প্রয়াস। এখানে আমাদের প্রজন্ম বেড়ে উঠছে। তারা বাংলা সংস্কৃতি সম্পর্কে শেখার কোনো মাধ্যম পাচ্ছে না। তাদের নিজ জাতির সংস্কৃতি চর্চায় মনোনিবেশ করার জন্য এ কালচারাল সেন্টার। 

post
এনআরবি বিশ্ব

অষ্ট্রেলিয়ার ফেডারেল নির্বাচনে প্রথম বাংলাদেশি নারী প্রার্থী সাজেদা

অস্ট্রেলিয়ার নির্বাচনে প্রার্থী হয়েছেন প্রবাসী বাংলাদেশি সাজেদা আক্তার। আগামী ২১মে অনুষ্ঠেয় ফেডারেল নির্বাচনে ওয়াটসন আসন থেকে প্রথম বাংলাদেশি মহিলা হিসেবে তিনি ক্ষমতাসীন লিবারেল পার্টির মনোনয়ন পেয়েছেন।  বিজ্ঞজনদের মতে, এই নির্বাচনী এলাকায় দলমত নির্বিশেষে সবাই সাজেদা আক্তারকে সমর্থন করলে ইতিহাস সৃষ্টি করে বিজয় আনা সম্ভব। এই নির্বাচনের সঙ্গে জড়িয়ে আছে প্রবাসী বাংলাদেশিদের স্বার্থ ও ক্ষমতায়নের প্রশ্ন।একই সঙ্গে এটি বহুজাতিক উন্নত সমাজ ও রাষ্ট্রীয় ব্যবস্থায় বাংলাদেশিদের নেতৃত্ব গ্রহণের যোগ্যতারও পরিচয় বহন করে।  সাজেদা আক্তার বর্তমানে ক্ষমতাসীন লিবারেল দলের কাউন্সিলর।নির্বাচনী ইশতেহারে সাজেদা আক্তার বলেছেন, বিজয়ী হলে তিনি ওয়াটসন এলাকায় স্থানীয় ব্যবসায়ীদের সুযোগ-সুবিধা বৃদ্ধি, বহুতল বিশিষ্ট পার্কিং নির্মাণ, রাস্তাগুলোতে নতুন কার্পেটিংয়ের ব্যবস্থা করবেন। এ ছাড়া মানসম্মত বাংলা স্কুল প্রতিষ্ঠাসহ প্রবাসী বাংলাদেশিদের জন্য কমিউনিটি সেন্টার তৈরির অঙ্গীকার করেন তিনি।নির্বাচনে তিনি অস্ট্রেলিয়া প্রবাসী সব বাংলাদেশিদের সার্বিক সহযোগিতা কামনা করেছেন।ব্যক্তিজীবনে স্বামী সাবেক কাউন্সিলর মোহাম্মদ জামান টিটু আর দুই ছেলেকে নিয়ে তাঁর ছোট সংসার।  উল্লেখ্য, অস্ট্রেলিয়ার সাবেক প্রধানমন্ত্রী জন ওয়াটসনের নাম অনুসারে ওয়াটসন নির্বাচনী এলাকার নামকরণ করা হয়। ৪৭ বর্গকিলোমিটার আয়তনের নির্বাচনী এলাকায় বহুজাতিক অভিবাসীদের আবাসস্থলে বাংলাদেশিরা সংখ্যাগরিষ্ঠ।

post
এনআরবি বিশ্ব

চীনে বাংলাদেশি শিক্ষার্থীদের অংশগ্রহণে 'ইয়ুথ সেলুন' অনুষ্ঠিত

বাংলাদেশসহ দক্ষিণ এশিয়ার দেশগুলোর অংশগ্রহণে ‘উন্নয়নের জন্য সংহতি এবং শান্তির দৃষ্টিভঙ্গি গড়ে তোলা’ প্রতিপাদ্যে ১১তম চীন-দক্ষিণ এশিয়া আন্তর্জাতিক সাংস্কৃতিক ফোরামের ‘ইয়ুথ সেলুন’ অনুষ্ঠিত হয়েছে। ইয়ুথ সেলুনে তরুণ প্রতিনিধিরা ‘আঞ্চলিক উন্নয়ন’ এবং ‘জনগণের মধ্যে বন্ধন’ এ দুটি বিষয়ে বন্ধুত্বপূর্ণ আলোচনা করেন। বৃহস্পতিবার বিকেলে ১১তম চীন-দক্ষিণ এশিয়া আন্তর্জাতিক সাংস্কৃতিক ফোরামের ইয়ুথ সেলুন ভিডিও কনফারেন্সে অনুষ্ঠিত হয়।ইয়ুথ সেলুনটি চাইনিজ পিপলস অ্যাসোসিয়েশন ফর ফ্রেন্ডশিপ উইথ ফরেন কান্ট্রিজ (সিপিএএফএফসি) এবং ইউনান প্রাদেশিক জনগণের সরকারের উদ্যোগে ইউনান প্রভিন্সিয়াল পিপলস অ্যাসোসিয়েশন ফর ফ্রেন্ডশিপ উইথ ফরেন কান্ট্রিজ এবং কুনমিং মিউনিসিপাল পিপলস গভর্নমেন্ট আয়োজন করে।ইয়ুথ সেলুনে বাংলাদেশ থেকে আলোচনায় অংশ নেওয়ার জন্য আমন্ত্রিত শিক্ষার্থীরা হলেন, চিয়াংশি ইউনিভার্সিটি অব ফাইন্যান্স অ্যান্ড ইকোনমিক্স বিশ্ববিদ্যালয়ে অধ্যয়নরত মোহাম্মদ ছাইয়েদুল ইসলাম, সিচুয়ান বিশ্ববিদ্যালয়ে অধ্যয়নরত মো. সাদ্দাম হোসেন, ইউনান বিশ্ববিদ্যালয়ে অধ্যয়নরত মো. তরিকুল ইসলাম।চাইনিজ পিপলস অ্যাসোসিয়েশন ফর ফ্রেন্ডশিপ উইথ ফরেন কান্ট্রিজের সভাপতি রাষ্ট্রদূত লিন সোংথিয়ান, চীনে পাকিস্তানের রাষ্ট্রদূত মইন উল হক, ইউনান প্রাদেশিক পিপলস কংগ্রেসের স্থায়ী কমিটির ডেপুটি ডিরেক্টর লুও হংচিয়াং, চীনে শ্রীলঙ্কার দূতাবাসের ডেপুটি চিফ অব মিশন কে. কে.যোগানদান উদ্বোধনী অধিবেশনে বক্তব্য দেন।উদ্বোধনী অধিবেশনের বক্তব্যে রাষ্ট্রদূত লিন সোংথিয়ান বলেন, চীন এবং দক্ষিণ এশিয়ার দেশগুলো ভৌগলিকভাবে সংযুক্ত এবং সাংস্কৃতিকভাবে একই রকম। করোনাভাইরাস মহামারি মোকাবিলায় উভয় দেশ ঐক্যবদ্ধ হয়েছে এবং অসুবিধাগুলো কাটিয়ে উঠতে একে অপরকে সাহায্য করেছে; যৌথভাবে মানুষের জীবন, স্বাস্থ্য এবং নিরাপত্তা রক্ষায় কাজ করছে। তিনি আশা করেন, চীন ও দক্ষিণ এশিয়ার তরুণরা পরিস্থিতিকে স্পষ্টভাবে চিনবে; "এশিয়া এক পরিবার" ধারণার অনুশীলন করবে; সক্রিয়ভাবে ন্যায্যতা এবং ন্যায়বিচার বজায় রাখাসহ একটি শান্তিপূর্ণ, সহযোগিতামূলক, ঐক্যবদ্ধ এশিয়া এবং বিশ্ব গড়ে তোলার জন্য প্রচেষ্টা করবে।চীনে পাকিস্তানের রাষ্ট্রদূত মইন উল হক তার আলোচনার শুরুতে সম্প্রতি পাকিস্তানে সন্ত্রাসী হামলায় নিহত চীনা নাগরিকদের প্রতি গভীর সমবেদনা প্রকাশ করেন। তিনি বলেন, সংলাপের প্রচার, আদর্শিক বৈচিত্র্যের প্রচার এবং বোঝাপড়া ও সহযোগিতার সেতু নির্মাণের জন্য আন্তঃসাংস্কৃতিক আদান-প্রদান অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। "ইয়ুথ সেলুন" প্ল্যাটফর্মে ইতিবাচক মন্তব্য চীনা-দক্ষিণ এশীয় যুবকদের "এশিয়ান স্পিরিট" গভীরভাবে বুঝতে, ভুল বোঝাবুঝি এবং বাধা দূর করতে, আঞ্চলিক শান্তি, উন্নয়ন এবং সমৃদ্ধিতে ইতিবাচক অবদান রাখতে উৎসাহিত করবে। 

post
এনআরবি বিশ্ব

দক্ষিণ আফ্রিকায় সড়ক দুর্ঘটনায় প্রবাসী বাংলাদেশির মৃত্যু

দক্ষিণ আফ্রিকার জোহানেসবার্গের স্প্রিংস টাউনে বসবাসকারী কামাল উদ্দিন নামে এক বাংলাদেশি সড়ক দুর্ঘটনায় নিহত হয়েছেন। তার দেশের বাড়ি ফেনী জেলার দাগনভুঞা পৌরসভার মাস্টারবাড়ি।শুক্রবার স্প্রিংস টাউনে কামাল উদ্দিন মোটরসাইকেল দুর্ঘটনায় আহত হলে স্থানীয় হাসপাতালে ভর্তি করা হয়। সেখানে আজ জীবনের শেষ নিঃশ্বাস ত্যাগ করেন।জানা গেছে, স্প্রিংস টাউনে ভবঘুরে অবস্থায় থাকতো; কোনো কাজকর্ম করতো না। দেশের সাথেও তার কোনো যোগাযোগ ছিলো না।প্রবাসী বাংলাদেশি তারভীর ভুুইয়া বাবু জানান, নিহতের পরিবারের সঙ্গে যোগাযোগ করা হয়েছে, কিন্তু তারা মরদেহ দেশে নিতে নারাজ; তাই আগামীকাল সকালে স্প্রিংস কমিউনিটির পক্ষ থেকে কামালের মরদেহ স্থানীয় কবরস্থানে দাফন করা হবে।দক্ষিণ আফ্রিকায় বাংলাদেশি কমিউনিটির পক্ষ থেকে নিহতদের রুহের মাগফেরাত কামনা ও শোকাহত পরিবারের প্রতি গভীর সমবেদনা জানানো হয়েছে।

post
এনআরবি বিশ্ব

চীনে কেমন কাটলো প্রবাসী বাংলাদেশিদের ঈদ

যথাযথ স্বাস্থ্যবিধি মেনে কুনমিংয়ে আজ মঙ্গলবার পবিত্র ঈদুল ফিতর উদযাপন করেছেন প্রবাসী বাংলাদেশিরা। করোনা ঝুঁকির কারণে মসজিদে ঈদের নামাজের জামাত বন্ধ থাকায় কনসাল জেনারেলের বাসভবনে অভ্যর্থনা অনুষ্ঠানে আগত অতিথিদের নিয়ে সেখানেই ঈদের জামাতের আয়োজন করা হয়। কনসাল জেনারেল এ এফ এম আমিনুল ইসলাম ঈদের জামাতে ইমামতি করেন। নামাজ শেষে কনসাল জেনারেল প্রবাসী বাংলাদেশি, মিশনের কর্মকর্তা কর্মচারী ও তাদের পরিবারের সদস্যদের সঙ্গে ঈদের শুভেচ্ছা বিনিময় করেন। পবিত্র ঈদুল ফিতর উপলক্ষে রাষ্ট্রপতি মো. আবদুল হামিদ ও প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার ঈদ শুভেচ্ছা বাণী পাঠ করা হয়।আগত অতিথিদের মধ্যাহ্নভোজে আপ্যায়ন করা হয়। এরপর কুনমিংয়ের বিভিন্ন বিশ্ববিদ্যালয়ে অধ্যয়নরত বাংলাদেশি ছাত্রছাত্রীরা ঈদ আনন্দে 'ও মন রমজানের ঐ রোজার শেষে এলো খুশির ঈদ' গানটিসহ বিভিন্ন গান-নাচে মেতে ওঠেন।ইউনান বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষক ড. মো. নাসিরউদ্দীন ও মিশনের প্রথম সচিব (উপসচিব) মো. বজলুর রশীদ অনুষ্ঠান সঞ্চালনা করেন।

post
এনআরবি বিশ্ব

যুক্তরাজ্যের লোকাল কাউন্সিল নির্বাচন, লড়ছেন ২ বংশোদ্ভূত বাংলাদেশি

যুক্তরাজ্যে (বৃহস্পতিবার) চলছে লোকাল কাউন্সিল নির্বাচনের ভোটগ্রহণ। সকাল ৭টা থেকে শুরু হয়ে ভোট চলবে রাত ১০টা পর্যন্ত। ইংল্যান্ডে ৩০০টিরও বেশি স্থানীয় কর্তৃপক্ষ রয়েছে। তবে এবারের নির্বাচনে শুধুমাত্র লিডস, ম্যানচেস্টার, বার্মিংহাম এবং লন্ডনের ৩২টি ব্যুরোসহ ১৪৬টি কাউন্সিলে নির্বাচন অনুষ্ঠিত হচ্ছে। একইসঙ্গে স্কটল্যান্ডে ৩২টি এবং ওয়েলসে ২২টি কাউন্সিলে চলছে নির্বাচন।যুক্তরা‌জ্যের সব‌চে‌য়ে বে‌শি সংখ্যক বাংলা‌দেশির বসবাস টাওয়ার হ্যামলেটস কাউন্সিলে মেয়র নির্বাচনে ত্রিমুখী লড়াই চলছে। মেয়র প‌দে সরাসরি নির্বাচনে বাঙালিপাড়া টাওয়ার হ‌্যাম‌লেটসে দুই বাংলা‌দেশি প্রার্থী লড়াই‌য়ে আছেন। মূলধ‌ারার বি‌ভিন্ন প্রতিষ্ঠানের নেতৃ‌ত্বে রয়ে‌ছেন বাঙালি ক‌মিউনিটির মানুষজন। লেবার পার্টির ‘সেফ সিট’ হি‌সে‌বে প‌রি‌চিত এ এলাকার দুই এম‌পি রুশনারা আলী ও আফসানা বেগম বাংলা‌দেশি বং‌শোদ্ভূত। তারা দুইজ‌নই লেব‌ার পা‌র্টির প্রার্থীর প‌ক্ষে মা‌ঠে র‌য়ে‌ছেন।টাওয়ার হ‌্যাম‌লেট‌সের বর্তম‌ান মেয়র লেবার পার্টির জন বিগ‌সের সঙ্গে এবার লড়াই‌য়ে র‌য়ে‌ছেন দুইবা‌রের মেয়র লুৎফুর রহমান এবং তার এক সম‌য়ের ঘনিষ্ঠ অনুসারী সাবেক মেয়র প্রার্থী কাউন্সিলার রা‌বিনা খান।  ইংল্যান্ডে ১৮ বছর, স্কটল্যান্ড এবং ওয়েলসে ১৬ বছর বয়স হলেই ভোটার রেজিস্ট্রেশনের পর ভোট দিতে পারবেন। রাত ১০টায় ভোটগ্রহণ শেষে প্রতিটি কাউন্সিলের একটি নির্দিষ্ট স্থানের বিশাল হল রুমে ভোট গণনা করা হবে। ভোটের ফল পেতে শুক্রবার সকাল এমনকি আবার অনেক কেন্দ্রের ফল পেতে শনিবার পর্যন্ত অপেক্ষা করতে হবে।বাসিন্দাদের জন্য কাউন্সিল নির্বাচন খুবই গুরুত্বপূর্ণ। কেননা কাউন্সিলাররা বাসিন্দাদের জীবন যাপনে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করতে পারেন। যেমন, রাস্তাঘাট পরিষ্কার রাখা, রাস্তায় লাইট এবং গুরুত্বপূর্ণ স্থানে ক্যামেরা সেট করা, ময়লার বিন কালেকশন করা, বাসিন্দাদের জানমালের সিকিউরিটি দেওয়া, ড্রাগ ও ক্রাইম নিয়ন্ত্রণ করা, নতুন হাউজিং নির্মাণ ও কাউন্সিল হাউজিং সুবিধা দেওয়া, কাউন্সিল ট্যাক্স সহনশীল অবস্থায় রাখা, যোগাযোগ ব্যবস্থার ক্ষেত্রে এমনকি রাস্তাঘাট নির্মাণ ও মেরামতে ভূমিকা রাখা, স্বাস্থ্য সেবা ইত্যাদি।তাই স্থানীয় নির্বাচন বাসিন্দাদের জন্য অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। এ কারণেই বাসিন্দারা তাদের ভোটের মাধ্যমে পছন্দের কাউন্সিলর নির্বাচিত করে থাকেন।  

post
এনআরবি বিশ্ব

নিউইয়র্কে 'দ্য কনসার্ট ফর বাংলাদেশ' আজ

মুক্তিযুদ্ধের সমর্থনে একাত্তরের 'দ্য কনসার্ট ফর বাংলাদেশ' এর ৫০ বছর পূর্তিতে একই স্থানে এ আয়োজন করা হয়েছে বলে তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি প্রতিমন্ত্রী জুনাইদ আহমেদ পলক জানিয়েছেন।দুই ঘণ্টার এই অনুষ্ঠানে মঞ্চে গাইবেন স্বাধীন বাংলা বেতার কেন্দ্রের কণ্ঠযোদ্ধা কাদেরী কিবরিয়া। এ ছাড়া ঢাকার ব্যান্ড চিরকুট এবং জার্মানির রক ব্যান্ড স্করপিয়ন্স অংশ নেবে এ কনসার্টে।তবে 'দ্য কনসার্ট ফর বাংলাদেশ' এর দুই উদ্যোক্তা জর্জ হ্যারিসন কিংবা পণ্ডিত রবিশংকরের পরিবারের কেউ সুবর্ণজয়ন্তীর এ আয়োজনে থাকছেন না।বুধবার নিউ ইয়র্কে বাংলাদেশ কনস্যুলেট মিলনায়তনে এক সংবাদ সম্মেলনে এবারের আয়োজনের বিস্তারিত তুলে ধরে কনসার্টের আয়োজক ‘হাইটেক পার্ক কর্তৃপক্ষ’।তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি প্রতিমন্ত্রী পলক বলেন, বিশ্বের দরিদ্র দেশগুলোর শিশুদের জন্য সাইবার নিরাপত্তা সহায়তা তহবিল গঠনের উদ্দেশ্য নিয়ে এই কনসার্টে আয়োজন করতে বাংলাদেশ সরকার ১০ কোটি টাকা বরাদ্দ দিয়েছে। অনুষ্ঠানের একমাত্র মিডিয়া পার্টনার বিটিভি। এছাড়া দেশের সাত কোম্পানি ওয়ালটন, সিটি গ্রুপ, আবুল খায়ের স্টিল, ইউনাইটেড গ্রুপ, বিকাশ, দারাজ এবং এডিএন পৃষ্ঠপোষকতা দিচ্ছে।  ‘গোল্ডেন জুবিলি বাংলাদেশ কনসার্ট’ এ আমন্ত্রণ না পাওয়ায় এর আগে অসন্তোষ প্রকাশ করেছিলেন প্রবাসী মুক্তিযোদ্ধারা। প্রবাসী মুক্তিযোদ্ধাদের সংগঠন ‘বাংলাদেশ লিবারেশন ওয়ার ভ্যাটেরানস’ গত মাসে এ বিষয়ে একটি সংবাদ সম্মেলনও করে।বাংলাদেশের সুবর্ণজয়ন্তীর আয়োজনে গাইবে স্করপিয়ন্স‘গোল্ডেন জুবিলি বাংলাদেশ কনসার্ট’ নিয়ে মুক্তিযোদ্ধাদের অসন্তোষ  এ প্রসঙ্গে দুঃখ প্রকাশ করে পলক বলেন, “নানাবিধ জটিলতায় কনসার্ট হচ্ছে কি হচ্ছে না এমন একটি পরিস্থিতিতে আমরা আবর্তিত হচ্ছিলাম। এমনকি ঢাকার শিল্পী গোষ্ঠি ‘চিরকুট’র সদস্যরাও দুদিন আগে ভিসা পেয়েছেন।“কনসার্ট নিয়ে সীমাহীন নীরবতা কিংবা গোপনীয়তা অবলম্বন করায় প্রবাসীরা আগে কিছুই জানতে পারেননি।”প্রতিমন্ত্রী বলেন, কনসার্টের জন্য বাংলাদেশ থেকে একাধিক মন্ত্রী, এমপি এবং বেশ কয়েকজন কর্মকর্তা এসেছেন, তবে সে সংখ্যা ২০ জনের বেশি হবে না।আরো কয়েকজন ব্যক্তি 'নিজ খরচে' এসেছেন জানিয়ে তিনি বলেন, “এ নিয়ে বিভ্রান্তির কোনো অবকাশ নেই।”সংবাদ সম্মেলনে জানান হয়, প্রবাসে বসবাসকারী বীর মুক্তিযোদ্ধা, লেখক, সাহিত্যিত, সাংবাদিক এবং আওয়ামী লীগের নেতারা কনসার্টের ফ্রি টিকিট পাচ্ছেন। ওই অডিটোরিয়ামের ১৪ হাজার আসনের বিপরীতে ৪ মে পর্যন্ত টিকিটি বিক্রি হয়েছে চার হাজারের মত। প্রতিমন্ত্রী বলেন, টিকেট বিক্রির হিসাব পাওয়ার পর তহবিলের পরিমাণও সংবাদ সম্মেলন করে জানানো হবে।নিউ ইয়র্কে বাংলাদেশের কনসাল জেনারেল মুনিরুল ইসলামের সঞ্চালনায় সংবাদ সম্মেলনে অন্যদের মধ্যে চাঁদপুর-২ এর এমপি নুরুল আমিন, সংসদ সদস্য অপরাজিতা হক, হাই টেক পার্ক কর্তৃপক্ষের এমডি বিকর্ণ কুমার ঘোষ বক্তব্য দেন।

post
এনআরবি বিশ্ব

বাংলাদেশ-যুক্তরাষ্ট্র সম্পর্কের ৫০ বছর পূর্তি, কংগ্রেসে প্রস্তাব

বাংলাদেশ-যুক্তরাষ্ট্র কূটনৈতিক সম্পর্কের ৫০তম বার্ষিকী উপলক্ষে একটি দ্বিদলীয় প্রস্তাব উত্থাপন হয়েছে মার্কিন কংগ্রসে।নিউ ইয়র্কের ডেমোক্র্যাটিক কংগ্রেসম্যান ব্রায়ান হিগিন্স গত মঙ্গলবার প্রস্তাবটি তোলেন। এই প্রস্তাবের কো-স্পন্সর হিসেবে আছেন আমেরিকান সামোয়ার রিপাবলিকান কংগ্রেস সদস্য আমাটা কোলম্যান রাদেওয়াগেন।প্রস্তাবটি মার্কিন পররাষ্ট্র বিষয়ক হাউস কমিটিতে পাঠানো হয়েছে বলে বৃহস্পতিবার জানিয়েছেন বাংলাদেশ দূতাবাসের প্রেস মিনিস্টার এ জেড এম সাজ্জাদ হোসেন।    প্রস্তাবে বলা হয়েছে, যুক্তরাষ্ট্র এবং বাংলাদেশ একটি অবাধ, উন্মুক্ত, অন্তর্ভুক্তিমূলক, শান্তিপূর্ণ ও নিরাপদ ইন্দো-প্যাসিফিক অঞ্চলের যৌথ ধারণাকে এগিয়ে নিতে অর্থনৈতিক, নিরাপত্তা, শাসন এবং উন্নয়নসহ বিভিন্ন বিষয়ে সহযোগিতার উপর দৃষ্টি রেখেছে। এবং এর ভিত্তিতে একটি সমৃদ্ধ এবং বহুমুখী সম্পর্ক বজায় রাখছে।মুক্তিযুদ্ধের মধ্য দিয়ে স্বাধীনতা অর্জনের পরের বছর ১৯৭২ সালের ৪ এপ্রিল বাংলাদেশকে স্বাধীন রাষ্ট্র হিসেবে যুক্তরাষ্ট্রের স্বীকৃতি দান এবং ৯ এপ্রিল বাংলাদেশের তৎকালীন প্রধানমন্ত্রী বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবর রহমানকে লেখা সে সময়ের মার্কিন প্রেসিডেন্ট রিচার্ড নিক্সনের চিঠির কথাও প্রস্তাবে তুলে ধরা হয়েছে।১৯৭১ সালে বাংলাদেশের স্বাধীনতার সমর্থনে সেনেটর এডওয়ার্ড কেনেডির ভূমিকা এবং ২০০০ সালে প্রথম মার্কিন রাষ্ট্রপ্রধান হিসেবে প্রেসিডেন্ট বিল ক্লিনটনের বাংলাদেশ সফরের কথাও উল্লেখ করা হয়েছে সেখানে।কোভিড মহামারী মোকাবিলায় বাংলাদেশ-যুক্তরাষ্ট্রে যৌথ প্রচেষ্টা এবং মিয়ানমারে সেনা অভিযানের মুখে পালিয়ে এসে বাংলাদেশে আশ্রয় নেওয়া রোহিঙ্গাদের সহায়তায় দুই দেশেরর ভূমিকাও স্থান পেয়েছে প্রস্তাবে।জলবায়ু পরিবর্তনের বিরূপ প্রভাব মোকাবিলায় বাংলাদেশকে সহযোগিতা দিয়ে যেতে ২০২১ সালে প্রেসিডেন্ট জো বাইডেনের প্রতিশ্রুতির কথাও প্রস্তাবে উল্লেখ করা হয়েছে।বাংলাদেশ-যুক্তরাষ্ট্র কূটনৈতিক সম্পর্কের ৫০ বছর পূর্তিতে কংগ্রেসে উত্থাপিত এই প্রস্তাবকে স্বাগত জানিয়েছে বাংলাদেশ দূতাবাস।

post
এনআরবি বিশ্ব

বাংলাদেশের জাতীয় পতাকার রঙে আলোকসজ্জায় সজ্জিত ক্যানবেরা

বাংলাদেশ ও অস্ট্রেলিয়ার কূটনৈতিক সম্পর্কের ৫০ বছর পূর্তি উপলক্ষে লাল সবুজের আলোকসজ্জায় সাজে ক্যানবেরার গুরুত্বপূর্ণ স্থাপনা। বাংলাদেশের জাতীয় পতাকার রঙে আলোকসজ্জায় সজ্জিত করা হয় অস্ট্রেলিয়ার রাজধানীর এসব স্থাপনা।অস্ট্রেলিয়ার সরকারের বন্ধুত্বের নিদর্শন হিসেবে এ প্রদর্শনীর আয়োজন করা হয়। স্থানীয় সময় শুক্রবার (৬ মে) সন্ধ্যা থেকে শনিবার ভোর পর্যন্ত এ আলোকসজ্জা প্রদর্শন করা হয়। প্রবাসী বাংলাদেশি ও হাইকমিশনের কর্মকর্তা-কর্মচারীরা এ আলোকসজ্জা উপভোগ করেন।এদিন বাংলাদেশের জাতীয় পতাকার রঙে আলোক সজ্জায় সজ্জিত করা হয় অস্ট্রেলিয়ার পুরাতন পার্লামেন্ট ভবন, ঐতিহাসিক জন গর্টন বিল্ডিং এবং ন্যাশনাল ক্যারিলিয়ন।এর আগে বাংলাদেশের স্বাধীনতা দিবস উপলক্ষে গত ২৭ মার্চ ন্যাশনাল ক্যারিলিয়নেও এরূপ আলোকসজ্জার প্রদর্শন করা হয়েছিল।

About Us

NRBC is an open news and tele video entertainment platform for non-residential Bengali network across the globe with no-business vision just to deliver news to the Bengali community.