নিউইয়র্কে 'গোল্ডেন জুবিলি বাংলাদেশ কনসার্টে মাতলেন প্রবাসীরা
মুক্তিযুদ্ধের স্মৃতি বিজড়িত নিউ ইয়র্কের ম্যাডিসন স্কয়ার গার্ডেনে অনুষ্ঠিত হয়েছে ‘গোল্ডেন জুবিলি বাংলাদেশ কনসার্ট’, যাতে ভিনদেশিরাসহ হাজারও প্রবাসী উচ্ছ্বাসে মেতে উঠেন।শুক্রবার রাত ৮টার পর বাংলাদেশের জাতীয় সংগীত পরিবেশেনের মধ্য দিয়ে শুরু হয় অনুষ্ঠান। এ পর্বে নেতৃত্ব দেন স্বাধীন বাংলা বেতার কেন্দ্রের শিল্পী কাদেরি কিবরিয়া।মুক্তিযুদ্ধ বিষয়ক মন্ত্রী আ ক ম মোজাম্মেল হক, প্রধানমন্ত্রীর তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি বিষয়ক উপদেষ্টা সজীব ওয়াজেদ জয়, তথ্য ও যোগাযোগ প্রতিমন্ত্রী জুনাইদ আহমেদ পলক, সংসদ সদস্য শামীম ওসমান, অপরাজিতা হক ও নুরুল আমিন দাঁড়িয়ে জাতীয় সংগীতে অংশ নেন।একইসঙ্গে ভিনদেশিরাও দাঁড়িয়ে বাঙালিদের সঙ্গে কণ্ঠ মেলান। অংশগ্রহণকারীরা ‘জয় বাংলা জয় বঙ্গবন্ধু’ স্লোগানে অনুষ্ঠানস্থল প্রকম্পিত করে তোলেন। শুরুর পর্বে বাংলাদেশের উন্নয়ন চিত্র উপস্থাপন করা হয়।১৯৭১ সালের মুক্তিযুদ্ধে বাংলাদেশি শরণার্থীদের সাহায্যে এবং বাংলাদেশের পক্ষে আন্তর্জাতিক জনমত সুসংহত করতে এই ম্যাডিসন স্কয়ারে অনুষ্ঠিত হয় ‘কনসার্ট ফর বাংলাদেশ’। ঐতিহাসিক এই কনসার্টের ৫০তম বার্ষিকী উপলক্ষে ‘গোল্ডেন জুবিলি বাংলাদেশ কনসার্ট’ আয়োজন করা হয়।তবে ‘দ্য কনসার্ট ফর বাংলাদেশ’ এর দুই উদ্যোক্তা জর্জ হ্যারিসন কিংবা পণ্ডিত রবিশংকরের পরিবারের কেউ সুবর্ণজয়ন্তীর এ আয়োজনে ছিলেন না।অনুষ্ঠানে বাংলাদেশের চিরকুট ব্যান্ডের শারমিন সুলতানা সুমি ছয়টি গান পরিবেশন করেন। তবে তার জন্য মাত্র ২০ মিনিট সময় বরাদ্দ থাকায় কোনো গানই পুরোপুরি শেষ করতে পারেননি। সুমির সঙ্গে যন্ত্র সঙ্গীতে ছিলেন ইমন চৌধুরী ও জাহিদ নিরব।এরপর জার্মানির রক ব্যান্ড স্করপিয়ন্স মঞ্চ সাজাতে ৩৫ মিনিটের অধিক সময় ক্ষেপণ করে। তবে স্কোরপিয়ন্স’র শিল্পীরা পর্দা উঠানোর পর নেচে উঠে গোটা মিলনায়তন।রকস্টাররা সকলকে তাক লাগিয়ে এক ঘণ্টারও বেশি সময় গান পরিবেশন করেন। এ ব্যান্ডের শিল্পীদের মধ্যে ছিলেন ক্লাউস মেইন, রুডল্ফ শেঙ্কার, মিক্কে ডি, মাইকেল শেঙ্কার, ম্যাথিয়াস জাবস।
