post
এনআরবি বিশ্ব

নিউইয়র্কের পথমেলায় গান গাইলেন বাংলাদেশি শিল্পীরা

রোববার (২৬ জুন) বাংলাদেশি বিজনেস অ্যাসোসিয়েশন অব এনওয়াই (জেবিবিএ) এর উদ্যোগে পথমেলা অনুষ্ঠিত হয়। জ্যাকসন হাইটসের প্রাণকেন্দ্র ৩৭ এভিনিউ ও ব্রডওয়ের মধ্যে ৭৩ স্ট্রিটে বসে এ মেলা। হরেক রকমের পণ্যের সমাহার ঘটে মেলার স্টলে স্টলে। তবে মেলার সবচেয়ে বড় আকর্ষণ ছিল এর সংগীত উৎসব। মেলা দেখতে এসে দীর্ঘদিন পর প্রমিথিউসের সাবেক ভোকাল ব্যান্ড তারকা বিপ্লবের গান শোনে প্রবাসী বাংলাদেশিরা। যুক্তরাষ্ট্রে স্থায়ীভাবে বসবাস করা এই গায়ক তার স্বভাবসুলভ ভঙ্গিমায় গান গেয়ে দর্শকদের মুগ্ধ করেন।কোকিল কণ্ঠী বেবী নাজনীনও দীর্ঘদিন ধরে থাকছেন নিউইয়র্কে। তারও দুর্দান্ত পারফরম্যান্স ছিল দেখার মতো। দেশাত্মবোধক গান দিয়ে শুরু করলেও একে একে গেয়েছেন নিজের সেরা গানগুলো। বাংলাদেশের আরেক স্বনামখ্যাত সংগীত শিল্পী তপন চৌধুরী বসবাস করেন প্রতিবেশি দেশ কানাডার টরন্টোতে। নিউইয়র্কে এসে দর্শকদের মাতিয়ে গেলেন তিনি। আর সবাইকে ফিরিয়ে নিয়ে গেলেন সত্তর-আশির দশকে। নিউইয়র্কে রোববার ছুটির দিনটা এমনই আনন্দমুখর ছিল প্রবাসীদের কাছে। জ্যাকসন হাইটস বাংলাদেশি বিজনেস অ্যাসোসিয়েশন-জেবিবিএ’র উদ্যোগে পথমেলার আয়োজন করে ওয়ার্ল্ড হিউম্যান রাইটস ডেভেলপমেন্ট। আয়োজকরা জানান, মেলা থেকে উপার্জিত অর্থ দেশের বন্যা দুর্গতদের দান করবেন তারা।জ্যাকসন হাইটসের প্রাণ কেন্দ্রে অনুষ্ঠিত পথমেলায় আরও গান গেয়ে শোনান প্রবাসের জনপ্রিয় তরুণ কণ্ঠশিল্পী ও নাচ পরিবেশন করেন নতুন প্রজন্মের শিল্পীরা। বাংলাদেশের সংষ্কৃতি ও ঐতিহ্যের নানা অনুসঙ্গ ছিল পুরো আয়োজনে। ঘোড়ার গাড়িতে পুরো জ্যাকসন হাইটস ঘুরে বেরিয়েছেন দর্শনার্থীরা। মেলায় নানা পণ্যের পসরাও সাজিয়ে বসেছিলেন দোকানিরা। জ্যাকসন হাইটসে বাংলাদেশিদের সঙ্গে বসবাস করা স্প্যানিশ কমিউনিটির একজন শিল্পীও সংগীত পরিবেশন করেন। শেষে গাড়ি, বিমান টিকেট, নগদ ডলার, স্বর্ণালঙ্কার-সহ মূল্যবান সামগ্রী নিয়ে অনুষ্ঠিত হয় র‌্যাফেল ড্র।

post
এনআরবি বিশ্ব

সিলেটে বন্যার্তদের বাংলাদেশ সেন্টার লন্ডনের ১০ হাজার পাউন্ড অনুদান

সিলেটে বন্যার্তদের সাহায্যার্থে বাংলাদেশ সেন্টার লন্ডনের পক্ষ থেকে প্রধানমন্ত্রীর ত্রাণ তহবিলে ১০ হাজার পাউন্ড অনুদান প্রদান করা হয়েছে। ২৭ জুন সোমবার রাতে লন্ডনের ইম্প্রেশন ভেন্যুতে পররাষ্ট্রমন্ত্রী এ কে আবদুল মোমেনের হাতে বাংলাদেশ সেন্টারের পক্ষ থেকে আনুষ্ঠানিকভাবে ১০ হাজার পাউন্ডের অনুদানের একটি চেক হস্তান্তর করেন সেন্টারের চেয়ারম্যান ও যুক্তরাজ্যে নিযুক্ত বাংলাদেশের হাই কমিশনার সাঈদা মুনা তাসনিম ও সেন্টারের সাধারণ সম্পাদক মো. দেলোয়ার হোসেন।বাংলাদেশ সেন্টার লন্ডনের মিডিয়া অ্যান্ড পাবলিসিটি কমিটির আহ্ববায়ক আলী বেবুল এক বিজ্ঞপ্তির মাধ্যমে এ তথ্য জানিয়েছেন।

post
এনআরবি বিশ্ব

'বাংলাদেশি অভিবাসী দিবস’ ঘোষণার সিদ্ধান্ত নিউইয়র্ক সিনেটে

চলতি বছরের ২৫ সেপ্টেম্বরকে ‘বাংলাদেশি অভিবাসী দিবস’ ঘোষণার সিদ্ধান্ত নিয়েছে যুক্তরাষ্ট্রের নিউইয়র্ক অঙ্গরাজ্যের আইনসভার উচ্চকক্ষ সিনেট। এ উপলক্ষে বাংলাদেশের ব্যবসায়ীদের শীর্ষ সংগঠন এফবিসিসিআইয়ের সহযোগিতায় মুক্তধারা নিউইর্য়ক ও ইউএসএ-বাংলাদেশ বিজনেস লিঙ্কস নিউইয়র্কে বাংলাদেশি ইমিগ্রান্ট ডে এবং ট্রেড ফেয়ারের আয়োজন করছে। গত একবছর ধরে যুক্তরাষ্ট্র-বাংলাদেশ সম্পর্কের ৫০ বছরকে বিভিন্নভাবে তুলে ধরার কাজ করে চলেছে আয়োজকরা।সিনেটে গৃহীত প্রস্তাবে বলা হয়েছে, এমন সময় এ প্রস্তাব গৃহীত হলো, যখন যুক্তরাষ্ট্র-বাংলাদেশ সর্ম্পকের ৫০ বছর উদযাপন করা হচ্ছে। বাংলাদেশি অভিবাসীরা উনিশ শতকের দিকে তাদের পরিবার ও স্বজনদের ছেড়ে যুক্তরাষ্ট্রে পাড়ি জমান। যুক্তরাষ্ট্রে আসা বাংলাদেশি অভিবাসীদের মধ্যে সবচেয়ে বেশি সংখ্যায় নিউইয়র্কে বসবাস করেন। এখানে বাংলাদেশিদের সংস্কৃতি সম্পর্কে জানতে হলে, তাঁদের মুদিদোকান, কাপড়ের দোকান ও রেস্তোরাঁগুলোতে যেতে হবে। নিউইর্য়ক পার্শ্ববর্তী অঙ্গরাজ্যগুলোতেও বহু বাংলাদেশি অভিবাসী বসবাস করেন।প্রস্তাবে বলা হয়েছে, ১৯৭১ সালে স্বাধীন হয় বাংলাদেশ। ১৯৭৪ সালের ২৫ সেপ্টেম্বর বাংলাদেশিদের জন্য একটি ঐতিহাসিক দিন। কারণ, ওই দিন জাতিসংঘের সাধারণ পরিষদে বাংলাদেশের জাতির জনক বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান বাংলায় তার ভাষণটি দিয়েছিলেন। প্রস্তাবে ১৯৭১ সালে মুক্তিযুদ্ধের সময় মুক্তিকামী বাংলাদেশিদের অবদানের প্রশংসা করা হয়। একই সঙ্গে নিউইয়র্কসহ বিশ্বের বিভিন্ন প্রান্তে থাকা বাংলাদেশি প্রবাসীদের অর্জনের প্রশংসা করা হয়।উল্লেখ্য, নিউইয়র্কের মুক্তধারা ফাউন্ডেশনের প্রতিষ্ঠাতা ও প্রধান নির্বাহী বিশ্বজিত সাহার প্রচেষ্টায় সিনেটর স্ট্যাভেস্কির প্রস্তাবনায় ২০১৯ সালে প্রথম বারের মতো নিউইয়র্ক অঙ্গরাজ্যের আইনসভার উচ্চকক্ষ সিনেটে ২৫ সেপ্টেম্বরকে বাংলাদেশি ইমিগ্রান্ট ডে হিসেবে বিলটি পাস হয়। এই নিয়ে পরপর চতুর্থ বছর বিলটি আইন পরিষদে গৃহীত হলো। সূত্র : বাসস।  

post
এনআরবি বিশ্ব

পর্তুগালে উদ্বোধন হলো বাংলাদেশের স্থায়ী দূতাবাস

পর্তুগালের লিসবনে বাংলাদেশ দূতাবাসের নতুন চ্যান্সারি ভবনের আনুষ্ঠানিক উদ্বোধন করেছেন পররাষ্ট্রমন্ত্রী ড. এ কে আব্দুল মোমেন। শুক্রবার (১ জুলাই) উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন পর্তুগালের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের মহাসচিব রাষ্ট্রদূত আলভারো মেন্ডোনসা ই মৌরা। উদ্বোধনী ফলক উন্মোচন ও ফিতা কাটার পর পররাষ্ট্রমন্ত্রী চ্যান্সারি ভবনের দেয়ালে স্থাপিত জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের প্রতিকৃতিতে পুষ্পস্তবক অর্পণ করে শ্রদ্ধা নিবেদন করেন। রাষ্ট্রদূত তারিক আহসান, রিয়ার অ্যাডমিরাল (অব.) মো. খুরশেদ আলম, পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের কর্মকর্তা, দূতাবাসের অন্যান্য কর্মকর্তা, পর্তুগিজ অতিথিসহ প্রবাসী বাংলাদেশিরা এসময় উপস্থিত ছিলেন।রাষ্ট্রদূত তারিক আহসান স্বাগত বক্তব্যে বলেন, স্থায়ী চ্যান্সারি বিল্ডিং একটি দীর্ঘদিনের প্রত্যাশা ছিল। কারণ আমাদের দূতাবাসের কাজের চাপ বহুগুণ বেড়েছে, অর্থনৈতিক, সাংস্কৃতিক এবং জনসাধারণের জন্য কনস্যুলার বিষয়ে কার্যক্রম বৃদ্ধি এটি গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করবে। তিনি মনে করেন, নতুন চ্যান্সারি ভবন বাংলাদেশ ও পর্তুগালের জনগণের মধ্যে বন্ধুত্বের বন্ধন জোরদার করতে বড় ভূমিকা রাখবে। তিনি লিসবনে স্থায়ী চ্যান্সারি ভবন এবং রাষ্ট্রদূতের স্থায়ী বাসভবন নিশ্চিত করতে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার নির্দেশনার জন্য তার প্রতি কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করেন।রাষ্ট্রদূত আলভারো মেন্ডোসা ই মৌরা তার বক্তব্যে এই ঐতিহাসিক মুহূর্তে বাংলাদেশ সরকার এবং পর্তুগালে বসবাসরত প্রবাসীদের অভিনন্দন জানান। লিসবনে স্থায়ী চ্যান্সারি ভবন উদ্বোধনের মাধ্যমে বাংলাদেশ ও পর্তুগালের মধ্যে বন্ধুত্বপূর্ণ সম্পর্ক আরও উচ্চতর পর্যায়ে উন্নীত হবে বলে তিনি অভিমত ব্যক্ত করেন। পররাষ্ট্রমন্ত্রী ড. এ কে আব্দুল মোমেন তার বক্তব্যে বলেন, চ্যান্সারি বিল্ডিংটি আমরা যে গত বছর স্বাধীনতার পঞ্চাশ বছর উদযাপন করেছি তারই একটি রূপান্তরের প্রতীক এবং এটি জাতীয় উন্নয়ন আকাঙ্ক্ষার মান অনুযায়ী বিশ্বব্যাপী কূটনৈতিক সম্পর্ক এগিয়ে নিয়ে যাওয়ার পদচিহ্ন হিসেবে দাঁড়িয়ে আছে। তিনি আরও বলেন, এই স্থাপনাটি কেবল একটি ভবন নয়, এটি পর্তুগালে আমাদের বন্ধুদের কাছে আমাদের বার্তা বহন করে যে আমরা আমাদের দ্বিপাক্ষিক সম্পর্কের ইতিহাসকে মূল্য দেই। অনুষ্ঠানের অংশগ্রহণকারীরা বিশেষ দিনে তাদের অনুভূতি ভাগাভাগি করতে চ্যান্সারি মিলনায়তনে একত্রিত হন। পর্তুগালে বাংলাদেশের মালিকানাধীন দূতাবাস থাকায় প্রবাসীরা আনন্দ প্রকাশ করেন। পর্তুগিজ অতিথিরা লিসবনে বাংলাদেশের স্থায়ী ঠিকানা নিশ্চিত করায় বাংলাদেশ সরকারকে অভিনন্দন জানান।

post
এনআরবি বিশ্ব

বৈধ পথে রেমিট্যান্স পাঠাতে প্রবাসীদের প্রতি আহ্বান

বৈধ পথে রেমিট্যান্স পাঠানোর বিষয়ে প্রবাসীদের সঙ্গে মতবিনিময় সভা করেছে যুক্তরাষ্ট্রের বাংলাদেশ দূতাবাস। স্থানীয় সময় শনিবার (২ জুলাই) বিকেলে মিশিগানের বাংলাটাউন খ্যাত হ্যামট্রামিক শহরের গেইট অব কলম্বাস হল রুমে এ সভা অনুষ্ঠিত হয়। যুক্তরাষ্ট্রের বাংলাদেশ দূতাবাসের দিক নির্দেশনায় মিশিগান মহানগর আওয়ামী লীগ সভার আয়োজন করে। এতে বাংলাদেশি কমিউনিটির বিভিন্ন সামাজিক, আঞ্চলিক সংগঠনের নেতারাসহ নানা শ্রেণি-পেশার মানুষ উপস্থিত ছিলেন।মতবিনিময় সভায় প্রধান অতিথি ছিলেন যুক্তরাষ্ট্রের বাংলাদেশ দূতাবাসের ইকোনোমিক মিনিস্টার মো. মেহেদী হাসান। বিশেষ অতিথি ছিলেন যুক্তরাষ্ট্রের সোনালী এক্সচেঞ্জের সিও দেবাশ্রী মিত্র। এতে সভাপতিত্ব করেন মিশিগান মহানগর আওয়ামী লীগ সভাপতি আব্দুস শাকুর খান মাখন। সঞ্চালনা করেন মিশিগান মহানগর আওয়াম লীগ সাধারণ সম্পাদক মোহাম্মদ মোতালিব।প্রধান অতিথির বক্তব্যে দূতাবাসের ইকোনোমিক মিনিস্টার মেহেদী হাসান অবৈধ চ্যানেল বা হুন্ডির মাধ্যমে রেমিট্যান্স না পাঠিয়ে বৈধ ব্যাংকিং চ্যানেলের মাধ্যমে রেমিট্যান্স পাঠাতে প্রবাসীদের প্রতি আহ্বান জানান। তিনি বলেন, বৈধ উপায়ে পাঠানো রেমিট্যান্সের ওপর সরকার নগদ প্রণোদনা দিচ্ছে। প্রবাসী বক্তারা বলেন, অন্যান্য ব্যাংকিং চ্যানেলের চেয়ে সোনালী এক্সচেঞ্জে ডলারের রেট কম। হুন্ডির দৌরাত্ম্য রুখতে হলে সোনালী এক্সচেঞ্জে ডলারের রেট বাড়াতে হবে। নগদ প্রণোদনা ২ শতাংশ থেকে বাড়িয়ে ৩ শতাংশ করার দাবিও করেন তারা। এছাড়া, মিশিগানে স্থায়ী কনস্যুলেট অফিস স্থাপনে যুক্তরাষ্ট্রের বাংলাদেশ দূতাবাস বরাবরে লিখিত দাবি জানিয়েছে মিশিগান আওয়ামী লীগ নেতারা। সভা শেষে তারা দূতাবাসের ইকোনোমিক মিনিস্টারের কাছে এই লিখিত দরখাস্ত তুলে দেন।

post
এনআরবি বিশ্ব

টাকার অভাবে একমাস পর দেশে এলো প্রবাসীর লাশ

সংযুক্ত আরব আমিরাতের রাস আল খাইমায় হৃদরোগে আক্রান্ত হয়ে শাকিল হোসাইন (২৩) নামে এক প্রবাসী বাংলাদেশি মারা গেছেন। তিনি কালীগঞ্জের গাজীপুর থানার জামালপুর ইউনিয়নের কবির হোসাইনের ছেলে।জানা গেছে, গত ৪ জুন হৃদরোগে আক্রান্ত হয়ে মারা যান শাকিল। এরপর তার মরদেহ রাস-আল-খাইমা হাসপাতালের মর্গে রাখা হয়। তিনি ভিজিট ভিসায় ১০ মাস আগে আমিরাতে এসেছিলেন। অর্থ সংকটের কারণে তার মরদেহ দেশে পাঠাতে বিলম্ব হয়েছে।  তবে মানবিক দিক বিবেচনায় তার মরদেহ দেশে প্রেরণের জন্য রাস আল খাইমার স্থানীয় এক আরবি মোহাম্মদ, বাংলাদেশ কমিউনিটির সিআইপি ইব্রাহিম ওসমান আফলাতুন, এম জাহেদ হাসান, জাফর চৌধুরী, জসিম মল্লিক ও আবুল ফজল অর্থ দিয়ে সহযোগিতা করেন। তাদের দেওয়া অর্থ পাওয়ার পর ওই বাংলাদেশির মরদেহ গতকাল সোমবার রাতে এয়ার আরাবিয়াযোগে বাংলাদেশে পাঠানো হয়।এর আগে দুবাই মোহেসনা সোনাপুর হেলথ সেন্টার জামে মসজিদে বাদ আছর তার জানাজা অনুষ্ঠিত হয়। জানাজায় স্থানীয় আরবি, কমিউনিটির ইব্রাহিম ওসমান আফলাতুন, এম জাহেদ হাসান, সাইফুল ইসলাম তালুকদারসহ অসংখ্য প্রবাসী বাংলাদেশি অংশ নেন। উল্লেখ্য, শাকিল হোসাইন মৃত্যুকালে তার ৮ মাস বয়সী এক ছেলে, স্ত্রী এবং পিতা-মাতা রেখে গেছেন।

post
এনআরবি বিশ্ব

বার্লিনে নবম এশিয়া অ্যাপারেলস এক্সপোতে বাংলাদেশি ৩৭টি স্টল

জার্মানির রাজধানী বার্লিনে শুরু হয়েছে এশিয়ার তৈরি পোশাক শিল্প প্রতিষ্ঠানগুলো নিয়ে তিন দিনব্যাপী আন্তর্জাতিক মেলা 'নবম এশিয়া অ্যাপারেলস এক্সপো বার্লিন'। আন্তর্জাতিক মেসে দক্ষিণ সেন্টারে এই মেলার আয়োজন করা হয়। এই মেলায় রপ্তানি উন্নয়ন ব্যুরোর (ইপিবি), বাণিজ্য মন্ত্রণালয় ও বার্লিনের বাংলাদেশ দূতাবাসের সহযোগিতায় বাংলাদেশের ৩৭টি প্রতিষ্ঠান ছাড়াও হংকং, ভারত, চীন, নেপাল, পাকিস্তান, থাইল্যান্ড, ভিয়েতনামসহ এশিয়ার বিভিন্ন দেশের কয়েকশ তৈরি পোশাক শিল্প প্রতিষ্ঠান অংশ নিয়েছে।মঙ্গলবার থেকে জার্মানির রাজধানী বার্লিনে শুরু হয়েছে মেলা। আন্তর্জাতিক এই মেলার প্রথম দিনটি ছিল জার্মানিসহ ইউরোপের বিভিন্ন দেশের ক্রেতা ও বিক্রেতাদের মধ্যে দ্বিপক্ষীয় সম্পর্ক উন্নয়ন ও পোশাক শিল্পের বাজার সম্প্রসারণ, পণ্যের মানোন্নয়নে নিয়ে কাজ ও দ্রুততার সাথে বাংলাদেশ থেকে পণ্যের আমদানি ও রপ্তানির বিষয় নিয়ে ব্যস্ততা। মেলায় বাংলাদেশের বিভিন্ন প্রতিষ্ঠান কর্তৃক তৈরি পোশাক ছাড়াও বুটিক, এমব্রয়ডারিসহ বিভিন্ন রকমের সুতা ও কুটির শিল্পের সামগ্রী উপস্থাপন করা হয়েছে।মেলায় অংশগ্রহণকারী বাংলাদেশের তৈরি পোশাক প্রস্তুতকারী প্রতিষ্ঠানগুলোর মধ্যে সাহারা এক্সপোর্ট ইনকর্পোরেশন এর ব্যবস্থাপনা পরিচালক শরিফুল ইসলাম, বি ব্রাদারস গার্মেন্টস কোম্পানি লিমিটেড এর স্বত্বাধিকারী হাসান এবং মেলার সমন্বয়ক ও লর্ড ইনকর্পোরেট এর এমডি প্রবীর কান্তি দাস ও দেওয়ান তাজ আহমেদ বলেন, করোনার কারণে গত দু'বছর জার্মানিসহ ইউরোপের বাজার ছিল স্থবির। কিন্তু সকল সমস্যার অবসান ঘটিয়ে বাংলাদেশের তৈরি পোশাক বিশেষ করে নিট ও ওভেনের বাজার এই মুহূর্তে খুবই সন্তোষজনক। দেশের ব্যবসায়ীরা জোর তৎপরতা চালাচ্ছেন যাতে লক্ষ্য মাত্রা অর্জন করে দেশে ফিরতে পারেন।এবারের মেলাতে ক্রেতাদের উপস্থিতি বাংলাদেশের তৈরি পোশাকশিল্পের বাজারের জন্যও অবশ্যই আশাব্যাঞ্জক বলে মনে করেন বাংলাদেশি ব্যবসায়ীরা। আন্তর্জাতিক এই মেলায় বাংলাদেশের অংশগ্রহণকারী প্রতিষ্ঠানের সংখ্যা ৫৫টির বেশী অংশ নেয়ার কথা থাকলেও ভিসা জটিলতা ও নানা কারণে সেটা সম্ভব হয়নি। তবে প্রথম দিন থেকেই বাংলাদেশ প্যাভিলিয়নে স্থানীয় ও ইউরোপীয় ব্যসায়ী ও ক্রেতাদের আগ্রহ ছিল চোখে পড়ার মতো।

post
এনআরবি বিশ্ব

কানাডার ক্যালগেরি শহরে অনুষ্ঠিত হলো 'ক্যালগেরি স্ট্যাম্পিড'

কানাডার আলবার্টার ক্যালগেরি শহরে চলছে বিশ্বের সবচেয়ে বড় রোডিও শো ‘ক্যালগেরি স্ট্যাম্পিড’! এতে পৃথিবীর বিভিন্ন দেশ থেকে আসা পর্যটকদের সঙ্গে যোগ দিয়েছেন প্রবাসী বাঙালিরাও। পর্যটকদের আনাগোনায় পুরো শহর এখন মুখরিত।১১০ বছর পুরোনো ঐতিহাসিক ক্যালগেরি স্ট্যাম্পিড প্রথম শুরু হয় ১৯১২সালে। এটি কাউ বয়খ্যাত ক্যালগেরির ঐতিহ্য, ইতিহাস এবং সাংস্কৃতিক পরিচয়ের আইকন। দশ দিনব্যাপী স্ট্যাম্পিড ৮ জুলাই থেকে শুরু হয়। চলবে আগামী ১৭ তারিখ পর্যন্ত।ক্যালগেরি স্ট্যাম্পিড উপলক্ষে প্রতি বছরের মতো এবারও ক্যালগেরির ডাউনটাউনসহ বিভিন্ন সড়ক বর্ণিল রং আর আলোকসজ্জায় সজ্জিত করা হয়েছে। কাউবয় খ্যাত শহরটি মেতে ওঠেছে তার নিজস্ব অবয়বে। বিশ্বের বিভিন্ন দেশ থেকে আসা দর্শনার্থীদের পদচারণায় মুখরিত আর লোকে লোকারণ্য মিলন মেলার কেন্দ্রবিন্দুতে যোগ দিয়েছে প্রবাসী বাঙালিরাও।ইতোমধ্যেই স্ট্যাম্পিডে কানাডার প্রধানমন্ত্রী জাস্টিন ট্রুডো অংশ নিয়েছেন। কানাডায় বসবাসরত কমিউনিটিগুলো বিভিন্ন সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠানের মাধ্যমে তুলে ধরছেন নিজেদের ইতিহাস ও ঐতিহ্যকে।ঘোড়া দৌড়, মিডওয়ে গেমস, লাইভ মিউজিক, শিশুদের বিভিন্ন রাইড, আতশবাজি এবং স্ট্যাম্পিড প্যারেডের প্রদর্শনীতে মুগ্ধ দর্শক এবং পর্যটকরা।অন্যদিকে সকাল থেকে শুরু হয় জনপ্রিয় স্ট্যাম্পিড ব্রেকফাস্ট। এতে অংশ নেন প্রাদেশিক সরকার প্রধান থেকে শুরু করে, সিটি মেয়র, এবং নির্বাচিত প্রতিনিধিরা। তারা শহরের বিভিন্ন স্থানে নিজ হাতে জনগণকে সকালের নাস্তা পরিবেশন করেন।ক্যালগেরির এবিএম কলেজের প্রতিষ্ঠাতা প্রেসিডেন্ট ড. বাতেন বলেন, ক্যালগেরি স্ট্যাম্পিডের মাধ্যমে সবাই তাদের নিজস্ব ইতিহাস ঐতিহ্য ও সংস্কৃতিকে তুলে ধরার সুযোগ পায়।বাংলাদেশ কানাডা অ্যাসোসিয়েশন অব ক্যালগেরির সাধারণ সম্পাদক জয়ন্ত বসু বলেন, ক্যালগেরি স্ট্যাম্পিডে বাংলাদেশিদের অংশগ্রহণের ধারা অব্যাহত থাকবে, এটাই আমার বিশ্বাস।

post
এনআরবি বিশ্ব

ব্রিটিশ-বাংলাদেশি উদ্যোক্তা এনামের মৃত্যু, হাইকমিশনার মুনার শোক প্রকাশ

বিশিষ্ট ব্রিটিশ-বাংলাদেশি উদ্যোক্তা এবং ব্রিটিশ কারি অ্যাওয়ার্ডের প্রবর্তক এনাম আলী এমবিই’র মৃত্যুতে যুক্তরাজ্যে নিযুক্ত বাংলাদেশের হাইকমিশনার সাইদা মুনা তাসনিম গভীর শোক ও দুঃখ প্রকাশ করেছেন।সোমবার (১৮ জুলাই) এক শোকবার্তায় হাইকমিশনার বলেন, বিশিষ্ট ব্রিটিশ-বাংলাদেশি উদ্যোক্তা এবং ব্রিটিশ কারি শিল্পের নন্দিত নেতা এনাম আলী এমবিই’র আকস্মিক মৃত্যুতে আমি গভীরভাবে মর্মাহত এবং শোকাহত।হাইক‌মিশনার মুনা ব‌লেন, এনাম আলী শুধুমাত্র মর্যাদাপূর্ণ ব্রিটিশ কারি অ্যাওয়ার্ডের প্রবর্তকই ছিলেন না, তিনি ব্রিটেনের মূলধারায় বাংলাদেশি কারি শিল্পের ব্র্যান্ডি এবং প্রোফাইলিংয়ের ক্ষেত্রেও অসাধারণ ও অনুসরণীয় ভূমিকা রেখে গেছেন।হাইক‌মিশনার ব‌লেন, এনাম আলী তার অনুকরণীয় নেতৃত্ব, অনুপ্রেরণামূলক উদ্যোগ, নিবেদিত জনহিতকর কাজ এবং কমিউনিটি সেবার জন্য শুধু ব্রিটিশ-বাংলাদেশি কমিউনিটির মধ্যেই নয়, ব্রিটেনের মূলধারার হসপিটালিটি সেক্টরেও চিরস্মরণীয় হয়ে থাকবেন।সাইদা মুনা ব‌লেন, আমি আশা করি, মরহুম এনাম আলীর জীবন এবং কর্ম তরুণ ব্রিটিশ-বাংলাদেশিদের ব্রিটিশ কারি শিল্পের প্রচারে ও প্রসারে এবং কমিউনিটির সেবায় নেতৃত্ব গ্রহণে অনুপ্রাণিত করবে।তি‌নি ব‌লেন, আমি মরহুমের বিদেহী আত্মার মাগফেরাত কামনা করছি ও বাংলাদেশ হাইকমিশন, লন্ডনের পক্ষ থেকে তার শোক-সন্তপ্ত পরিবারের প্রতি গভীর সমবেদনা জানাচ্ছি। আমি মহান আল্লাহ তায়ালার দরবারে মরহুম আলীর জান্নাতুল ফেরদৌস প্রাপ্তির জন্যও বিশেষভাবে দোয়া প্রার্থনা করছি।রোববার (১৭ জুলাই) যুক্তরাজ্যের একটি হাসপাতালে এনাম আলী মৃত্যুবরণ করেন।

post
এনআরবি বিশ্ব

স্পেনের ‘বার্সেলোনায় বঙ্গবন্ধুর বাংলাদেশ’ শীর্ষক সেমিনার অনুষ্ঠিত

স্পেনের ঐতিহ্যবাহী বিদ্যাপীঠ বার্সেলোনা বিশ্ববিদ্যালয়ে ‌‘বার্সেলোনায় বঙ্গবন্ধুর বাংলাদেশ’ শীর্ষক এক বর্ণাঢ্য সেমিনার অনুষ্ঠিত হয়েছে। গতকাল সোমবার মাদ্রিদস্থ বাংলাদেশ দূতাবাসের উদ্যোগে এ সেমিনার অনুষ্ঠিত হয়। জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের ১০২তম জন্মবার্ষিকী, বাংলাদেশের স্বাধীনতার ৫১তম বর্ষ এবং স্পেন-বাংলাদেশ দ্বিপাক্ষিক কূটনৈতিক সম্পর্কের সূবর্ণজয়ন্তী উদযাপন কর্মসূচির অংশ হিসেবে এ সেমিনারের আয়োজন করা হয়। সেমিনারে সূচনা বক্তব্যে স্পেন, এন্ডোরা ও ইকুয়েটরিয়াল গিনিতে নিযুক্ত বাংলাদেশের রাষ্ট্রদূত মোহাম্মদ সারওয়ার মাহমুদ বলেন, ‘১৯৭৪ সালে জাতিসংঘ সাধারণ পরিষদে প্রদত্ত বঙ্গবন্ধুর অনবদ্য ভাষণে তার বিশ্বশান্তির দর্শন অনুসরণেই নিহিত রয়েছে আজকের সংকটময় পরিস্থিতির বিশ্বজনীন সমাধান। রাষ্ট্রদূত বাংলাদেশের দ্রুত বর্ধনশীল এগ্রোপ্রসেসিং, অটোমােবাইল ও মেডিক্যাল ডিভাইস মেনুফ্যাকচারিং, তথ্যপ্রযুক্তি, সুনীল অর্থনীতি এবং পর্যটন ও হসপিটালিটি খাতে বৈদেশিক বিনিয়ােগের ক্ষেত্রে ব্যবসাবান্ধব পরিবেশ ও আকর্ষণীয় কর-প্রণােদনার সুযােগ গ্রহণের লক্ষ্যে স্প্যানিশ ব্যবসায়ী সম্প্রদায়ের প্রতি আহ্বান জানান। বক্তব্য শেষে তিনি বঙ্গবন্ধুর সংগ্রামমুখর জীবনালেখ্য ও ‘বাংলাদেশ ব্র্যান্ডিং’ এর উপর একটি মনােগ্রাহী ভিডিও তথ্যচিত্র উপস্থাপন করেন। উদ্বোধনী বক্তব্যে স্বাগতিক বিশ্ববিদ্যালয়ের রেক্টর (উপাচার্য) প্রফেসর জন গার্ডিয়া বলেন, ‘বাংলাদেশের অপ্রতিরােধ্য অগ্রযাত্রায় বার্সেলােনা বিশ্ববিদ্যালয় ঐকান্তিক শুভানুধ্যায়ী। এখানে উচ্চশিক্ষায় অধিকসংখ্যক বাংলাদেশি ছাত্রছাত্রীকে আমরা সাদর স্বাগত জানাই।’ সেমিনারে ঢাকা থেকে শুভেচ্ছা বক্তব্য দেন বাংলাদেশে নিযুক্ত স্পেনের রাষ্ট্রদূত ফ্রান্সিসকো ডি আসিস বেনিতেজ সালাস। আরও বক্তব্য রাখেন স্পেন আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক রিজভী আলম, বার্সেলােনায় বাংলাদেশের অনারারি কনসাল রেমন পেড্রো এবং স্প্যানিশ পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের সহযােগী প্রতিষ্ঠান কাসা এশিয়ার মহাপরিচালক জাভিয়ের প্যারোন্ডো। বার্সেলােনা বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রফেসর এন্টোনিনা টোরেন্স দক্ষিণ-পূর্ব এশিয়ায় টেকসই পানিসম্পদ ব্যবস্থাপনার উপর এবং প্রফেসর আলেক্স অ্যাগুইলার সুন্দরবনের অনন্য জীববৈচিত্র্য বিষয়ে গবেষণা-নিবন্ধ উপস্থাপন করেন।

About Us

NRBC is an open news and tele video entertainment platform for non-residential Bengali network across the globe with no-business vision just to deliver news to the Bengali community.