post
এনআরবি বিশ্ব

দক্ষিণ আফ্রিকায় একদিনে দুই প্রবাসী বাংলাদেশি অপহৃত

দক্ষিণ আফ্রিকায় বাংলাদেশি অপহরণ থামছে না। একেক দিন একেক শহরে অপহৃত হচ্ছেন বাংলাদেশিরা। উদ্ধার হওয়ার আগেই ভুক্তভোগীর তালিকায় যোগ হচ্ছে নতুন নাম। অপহৃত কাউকে কাউকে উদ্ধার করা যাচ্ছে না, শেষ পর্যন্ত মৃত্যু হচ্ছে তাদের।  এবার একদিনেই দুই বাংলাদেশি অপহরণের শিকার হয়েছেন দেশটিতে। ৮ সেপ্টেম্বর দক্ষিণ আফ্রিকার কুইন্স শহরের ইন্ডিওয়ে এলাকা থেকে আল-আমীন এবং কিংভেলি শহর থেকে নাসির উদ্দীন নামে দুই বাংলাদেশিকে অপহরণ করা হয়েছে। বাংলাদেশে নাসিরের বাড়ি নরসিংদীতে, আর আল-আমিনের দেশের বাড়ি মুন্সিগঞ্জ বলে জানা গেছে।দক্ষিণ আফ্রিকায় বাংলাদেশি প্রবাসী ব্যবসায়ীদের অপহরণের পর মুক্তিপণ আদায় নিয়মিত ঘটনায় পরিণত হয়েছে। এ পরিস্থিতিতে আতঙ্কের মধ্যে দিনযাপন করছেন প্রবাসীরা। কেউ কেউ অপহরণ থেকে বাচাঁর উপায় জানতে চেয়ে ফেসবুকে পোস্ট করছেন। দক্ষিণ আফ্রিকায় অপহৃত প্রবাসী ব্যবসায়ীদের উদ্ধারে স্থানীয় প্রশাসন ও বেসরকারি নিরাপত্তা সংস্থার সাথে কাজ করেন বাংলাদেশি শফিকুর ইসলাম বলেছিলেন, সপ্তাহে দুই থেকে চারটা অপহরণের ঘটনা আমরা শুনছি। বাস্তবে দক্ষিণ আফ্রিকায় অপহরণের শিকার হচ্ছে এর চেয়ে আরও বেশি। 

post
এনআরবি বিশ্ব

মালদ্বীপে বাংলাদেশিরা বৈধ না হলে শাস্তিমূলক ব্যবস্থা

মালদ্বীপে অনিয়মিত প্রবাসী কর্মীরা চলমান বিশেষ প্রোগ্রামের অধীনে নির্দিষ্ট মেয়াদকালের মধ্যে বৈধ না হলে নিয়োগকর্তাসহ তাদের বিরুদ্ধে শাস্তিমূলক ব্যবস্থা নেওয়া হবে বলে জানিয়েছেন দেশটির অর্থনৈতিক উন্নয়নমন্ত্রী ইসমাইল ফাইয়াজ। মন্ত্রী সরকারের দেওয়া সুযোগ নিয়ে অনিয়মিত প্রবাসী বাংলাদেশি কর্মীদের দ্রুত বৈধ হওয়ার অনুরোধ জানিয়েছেন।তার মন্ত্রণালয়ে নিয়োগকর্তার মাধ্যমে আবেদন করে 'ওয়ার্ক পারমিট' বা বৈধ হওয়ার সুযোগ পাচ্ছেন অনিয়মিত প্রবাসী কর্মীরা। বৃহস্পতিবার রাজধানী মালেতে অর্থনৈতিক উন্নয়ন মন্ত্রণালয়ে মালদ্বীপে নিযুক্ত বাংলাদেশের হাইকমিশনার রিয়ার এডমিরাল এস এম আবুল কালাম আজাদের সঙ্গে সাক্ষাৎ শেষে এ কথা বলেন মন্ত্রী। মালদ্বীপে প্রায় এক লাখ প্রবাসী বাংলাদেশি কর্মী আছেন, যাদের অনেকে নানা সময়ে নানা কারণে অনিয়মিত বা অবৈধ হয়ে পড়েন। বাংলাদেশ হাইকমিশনের হিসেব মতে, এমন প্রায় ৩৪ হাজার বাংলাদেশি কর্মী আছেন, যাদের বর্তমানে বিশেষ প্রোগ্রামের অধীনে নিয়মিত হওয়ার প্রক্রিয়া চলমান রয়েছে। হাইকমিশনার অনিয়মিত বাংলাদেশি কর্মীদের বৈধকরণে সুযোগ দেওয়ায় কৃতজ্ঞতা জানিয়ে বাংলাদেশ থেকে নতুন কর্মী নিয়োগের জন্য মালদ্বীপ সরকারকে কাছে অনুরোধ জানান। সাক্ষাতে অনিয়মিত প্রবাসী বাংলাদেশি কর্মীদের বৈধকরণ ছাড়াও বৈধ কর্মীদের স্বাস্থ্যসেবা, আবাসন, বৈধপথে রেমিট্যান্স পাঠানোর ব্যবস্থা সহজীকরণ ও চুক্তি মোতাবেক বিভিন্ন সুযোগ-সুবিধা নিশ্চিতকরণের বিষয়ে বিস্তারিত আলোচনা হয়। সাম্প্রতিক সময়ে হৃদরোগে আক্রান্ত হয়ে প্রবাসী কর্মীদের মৃত্যু বৃদ্ধি পাওয়ায় তা প্রতিরোধে ও প্রবাসী কর্মীদের নিয়মিত স্বাস্থ্য পরীক্ষা ও চিকিৎসার বিষয়ে সচেতনতা বৃদ্ধির জন্য প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণের জন্য অনুরোধ জানানো হয়।

post
এনআরবি বিশ্ব

রেমিট্যান্স পাঠাতে সৌদি প্রবাসী বাংলাদেশিদের ভোগান্তি

কষ্টার্জিত টাকা পাঠিয়ে নিজ দেশের অর্থনীতির চাকা সচল রাখলেও রেমিট্যান্স পাঠাতে গিয়ে নানা ভোগান্তির শিকার হচ্ছেন সৌদি প্রবাসী বাংলাদেশিরা। তীব্র গরম উপেক্ষা করে ব্যাংকে দীর্ঘ লাইনে দাঁড়িয়ে অর্থ পাঠাচ্ছেন তারা। ভোগান্তি কমাতে ব্যাংকিং পরিষেবা বাড়ানোর দাবি প্রবাসীদের।স্বাধীনতার পর বাংলাদেশে বরাবরই সৌদি আরব থেকে সবচেয়ে বেশি রেমিট্যান্স পাঠিয়েছেন প্রবাসীরা। দেশের অর্থনীতির টালমাটাল পরিস্থিতেও প্রবাসীদের পাঠানো বিদেশি মুদ্রায় পথ হারায়নি বাংলাদেশ। কেন্দ্রীয় ব্যাংকের তথ্য অনুযায়ী গত আগস্ট মাসেও সর্বোচ্চ পরিমাণ রেমিট্যান্স পাঠিয়েছেন সৌদি প্রবাসীরা। তবে রেমিট্যান্স পাঠাতে গিয়ে তাদের ভোগান্তির যেন শেষ নেই। টাকা পাঠানোর ক্ষেত্রে সৌদি সরকারের নির্দিষ্ট পরিমাণের সীমাবদ্ধতা থাকায় একজন প্রবাসী চাইলেই দেশে বেশি অর্থ পাঠাতে পারেন না। এ কারণে সৌদি আরবে বাংলাদেশের ব্যাংকিং পরিষেবা বাড়ানোর আহ্বান প্রবাসীদের। এ ছাড়া ঘণ্টার পর ঘণ্টা লাইনে দাঁড়িয়ে ভোগান্তি পোহাতে হয় বলেও অভিযোগ তাদের।এদিকে বৈধ পথে দেশে রেমিট্যান্স পাঠাতে প্রতিবন্ধকতা দূর না হলে অনেকে অবৈধ হুন্ডির পথ বেছে নিতে পারেন বলে শঙ্কার কথা জানান প্রবাসীরা। প্রবাসীকল্যাণ ও বৈদেশিক কর্মসংস্থান মন্ত্রণালয়ের তথ্য অনুযায়ী, বাংলাদেশি কর্মীর বড় বাজার মধ্যপ্রাচ্যের দেশ সৌদি আরব। বর্তমানে ২২ লাখের মতো বাংলাদেশি সৌদি আরবে কর্মরত আছেন।

post
এনআরবি বিশ্ব

ফ্রান্সে বাংলাদেশি মালিকানাধীন আইনি সহায়তা কেন্দ্র বাড়ছে

ভাষাগত দুর্বলতার কারণে ভিনদেশি প্রতিষ্ঠান থেকে সেবা নিতে বেশ বিড়ম্বনায় পড়তে হতো প্রবাসীদের। তবে বাংলাদেশি মালিকানাধীন আইনি সহায়তা কেন্দ্র বাড়ছে ফ্রান্সে।রাজনৈতিক আশ্রয়ের নিয়ম, ইমিগ্রেন্ট ফাইল জমা, নাগরিকত্ব অর্জন ও প্রশাসনিক সমস্যায় আইনি সহায়তা ও পরামর্শসহ নানা সেবা দিচ্ছে এসব প্রতিষ্ঠান। আর এমন সেবা পেয়ে সন্তুষ্ট প্রবাসীরা। দেশের বাইরে প্রশাসনিক নিয়মকানুন সম্পর্কে ভালো ধারণা না থাকায় বিপত্তিতে পড়তে হয় প্রবাসীদের। এছাড়া ভাষাগত দুর্বলতা তো আছেই। তবে ফ্রান্সের প্রবাসী বাংলাদেশিদের এমন সমস্যায় বিভিন্ন সহায়তা দিয়ে আসছে কয়েকটি বাংলাদেশি প্রতিষ্ঠান।রাজনৈতিক আশ্রয়ের নিয়ম থেকে শুরু করে বৈধতার নানা পন্থার আইনি সহায়তা, নাগরিকত্ব অর্জনসহ এ সংক্রান্ত অন্যান্য সহায়তা দিতে কাজ করছে এ প্রতিষ্ঠানগুলো। এসব প্রতিষ্ঠান বিনামূল্যে প্রবাসীদের ইমিগ্রেন্ট ফাইল‌ জমা, প্রশাসনিক বিভিন্ন সমস্যায় আইনি সহায়তাসহ বিভিন্ন সেবা দিয়ে থাকে। ধারণা করা হয়, বর্তমানে ৫০ থেকে ৬০ হাজার বাংলাদেশির বসবাস ফ্রান্সে। যে সংখ্যা দিন দিন বেড়েই চলছে। আর বসবাসের ক্ষেত্রে এই বাংলাদেশিদের বিভিন্ন প্রশাসনিক সমস্যার মধ্যে পড়তে হয়। যে সমস্যা সমাধানের ক্ষেত্রে সহযোগিতা করছে এই বাংলাদেশি প্রতিষ্ঠানগুলো।

post
এনআরবি বিশ্ব

স্বামীকে জীবিত অথবা মৃত ফিরিয়ে পেতে এক প্রবাসীর স্ত্রীর আকুতি

পরিবারের সুখের কথা ভেবে ২০০৭ সালে সৌদি আরবে যান হারুন অর রশিদ। দেশটির আভকিক শহরের সাদ আলী আল এশা নামের একটি প্রতিষ্ঠানে চাকরি করতেন তিনি ।বিদেশ থেকে দেশে নিয়মিত টাকা পাঠাতেন প্রবাসী হারুন অর রশিদ। সেই টাকায় তার বৃদ্ধ মা, স্ত্রী ও সন্তানেরা ভালোভাবেই চলছিলেন। কিন্তু হঠাৎ ২৫ আগস্ট সেখান থেকে অচেনা এক ব্যক্তি হারুন অর রশিদের পরিবারকে ফোন করে বলেন, তিনি মারা গেছেন।পরে ওই প্রতিষ্ঠানের সঙ্গে বার বার সরাসরি যোগাযোগ করার চেষ্টা করা হয়, কিন্তু সাড়া মিলছিল না। অবশেষে ১০ আগস্ট কোম্পানি থেকে হারুনের ছেলেকে ফোন করে বলা হয়, ‘ইয়োর ফাদার ইজ লস্ট’। এরপর ফোনের সংযোগ কেটে দেওয়া হয়। এ অবস্থায় ১৫ দিন ধরে পরিবারটি দুশ্চিন্তা আর অনিশ্চয়তায় সময় কাটাচ্ছে।নিহত হারুন অর রশিদ নাটোরের বড়াইগ্রাম উপজেলার বনপাড়া পৌরসভার মালিপাড়া মহল্লার বাসিন্দা ছিলেন।আজ মঙ্গলবার নিজ বাড়িতে এক সংবাদ সম্মেলনে হারুনকে জীবিত অথবা মৃত অবস্থায় ফিরিয়ে দেওয়ার জন্য সরকারের প্রতি অনুরোধ জানিয়েছেন তার পরিবারের লোকজন।সংবাদ সম্মেলনে বলা হয়, হঠাৎ তার মৃত্যুর খবরে পরিবারে নেমে এসেছে শোকের ছায়া।হারুন অর রশিদের বড় ভাই আল-আমিন বলেন, প্রথমে গত ২৫ আগস্ট সৌদি আরব থেকে অচেনা একজন ফোনে বলেন, হারুন গ্যাস বিস্ফোরণে মারা গেছেন। তাৎক্ষণিক হারুনের সঙ্গে যোগাযোগের চেষ্টা করলে তার ফোন বন্ধ পাওয়া যায়। এ সময় তার সহকর্মীদের সঙ্গে যোগাযোগ করলে কেউ সঠিক কিছু জানাতে পারেননি।হারুনের ছেলে পারভেজ বলেন, অনেক চেষ্টার পর গত শনিবার কোম্পানির এক লোক ফোন ধরে শুধু বলেন, ‘ইয়োর ফাদার ইজ লস্ট’। এর পর আর কেউ ফোন ধরছেন না।হারুনের স্ত্রী পারভীন খাতুন বলেন, ‘আমার স্বামী যদি মরেই যান, তাহলে অন্তত লাশটি ফেরত দিক তার কোম্পানি। সরকারের প্রবাসী কল্যাণ ও বৈদেশিক কর্মসংস্থান দপ্তরে আমি সহযোগিতা চেয়েছি। কিন্তু প্রতিকার পাইনি। আমি সরকারের কাছে আমার স্বামীকে জীবিত বা মৃত অবস্থায় ফিরিয়ে দেওয়ার অনুরোধ করছি।’

post
এনআরবি বিশ্ব

মালয়েশিয়া প্রবাসী বাবাকে বাঁচাতে ছোট্ট মেয়ের আকুতি

মালয়েশিয়ায় দুর্ঘটনায় গুরুতর আহত মাহবুব আলমকে বাঁচাতে বিত্তবানদের কাছে আকুতি জানিয়েছে তার ছোট্ট মেয়ে মাহিমা আক্তার অধরা (৭)। প্রায় আড়াই মাস ধরে মালয়েশিয়ার একটি হাসপাতালে চিকিৎসাধীন বাংলাদেশি কর্মী মাহবুব আলম (৪৮)। বর্তমানে তার অবস্থা খুবই সংকটাপন্ন। এর আগে চিকিৎসকরা বলছিলেন, তার সুস্থ হয়ে ওঠার সম্ভাবনা আছে। কিন্তু দুদিন ধরে মাহবুবের শারীরিক অবস্থা খারাপের দিকে। কথা বলতে পারেন না। বিদেশে ব্যয়বহুল চিকিৎসা এগিয়ে নেওয়া তার পরিবারের সাধ্যের বাইরে। সব মিলিয়ে তাকে দেশে ফিরিয়ে এনে চিকিৎসার ব্যবস্থা করাই এখন বেশি প্রয়োজন। কিন্তু মালয়েশিয়ার হাসপাতালের বিল পরিশোধ করে তাকে দেশে ফিরিয়ে আনার সামর্থ্য পরিবারের নেই। তাই একমাত্র উপার্জনক্ষম মানুষটিকে বাঁচাতে, দেশে ফিরিয়ে আনতে সরকার-বিত্তবানদের কাছে আকুতি জানিয়েছে মাহবুবের ছোট্ট মেয়েটি। কান্নাজড়িত কন্ঠে অধরা এ বলেন- আপনারা আমার বাবাকে আমার কাছে পাঠিয়ে দিন। আমার বাবাকে দেখতে খুবই ইচ্ছা করছে। গত ২২ জুন মালয়েশিয়ার সেলাঙ্গর রাজ্যের শাহ আলম শহরের পানির পাইপ সরাতে গিয়ে দুর্ঘটনায় গুরুতর আহত হন প্রবাসী মাহবুব। সেই থেকে স্থানীয় শাহ আলম হাসপাতালে চিকিৎসাধীন তিনি। দুর্ঘটনায় প্রচণ্ড আঘাতে তার মুখের হাড় ভেঙে গেছে, ডান চোখ নষ্ট হয়ে গেছে এবং ব্রেইনের গুরুতর ক্ষতি হয়েছে। ২০১৬ সালে সরকারি ভিসায় পাম অয়েল বাগানে কাজ নিয়ে মালয়েশিয়ায় যান মাহবুব। পাম অয়েল বাগানের ভিসা শেষ হলে অবৈধ হয়ে যান তিনি। তবে সরকারের রিক্যালিব্রেশন প্রক্রিয়ায় বৈধ হয়েছেন।এখন পর্যন্ত হাসপাতালে মাহবুবের বিল হয়েছে ৪৮ হাজার রিঙ্গিত, যা বাংলাদেশি মুদ্রায় প্রায় ১২ লাখ টাকা। হাসপাতালের বিলের অংক আরও বাড়বে। তবে এ টাকা পরিশোধ না করলে তার চিকিৎসা চালিয়ে যাওয়া মুশকিল। শুরুতেই আইসিইউতে রাখা হলেও অবস্থার অবনতি হওয়ায় তাকে এইচডিডব্লিউতে রাখা হয়। চিকিৎসা অব্যাহত না রাখলে তাকে বাঁচানো সম্ভব নাও হতে পারে বলে চিকিৎসকরা ইতোমধ্যে জানিয়েছেন।

post
এনআরবি বিশ্ব

সৌদিতে বাংলাদেশি খাদ্যপণ্যের চাহিদা বাড়ছে: রাষ্ট্রদূত

'সৌদি আরবে বাংলাদেশি খাদ্য ও জুসসহ বিভিন্ন পানীয় পণ্যের চাহিদা থাকায় আগামী দিনে এ সকল পণ্যের রপ্তানি বৃদ্ধির ব্যাপক সম্ভাবনা রয়েছে। সৌদি আরবে বসবাসরত প্রায় ২৬ লক্ষ বাংলাদেশি অভিবাসী ও অন্যান্য এশিয়ান দেশের অভিবাসীদের কাছে বাংলাদেশি পণ্যের চাহিদা রয়েছে যা দিন দিন বৃদ্ধি পাচ্ছে। সেই সাথে সৌদি নাগরিকদের চাহিদা অনুযায়ী পণ্য রপ্তানি করা সম্ভব হলে সৌদি আরবে বাংলাদেশি পণ্যের বিশাল বাজার তৈরির সুযোগ রয়েছে।'গতকাল রিয়াদের আন্তর্জাতিক এক্সিবিশন সেন্টারে আয়োজিত আন্তর্জাতিক খাদ্য ও পানীয় পণ্যের মেলা “ফুডেক্স সৌদি”তে রাষ্ট্রদূত ড. মোহাম্মদ জাবেদ পাটোয়ারী এসব কথা বলেন। রিয়াদে গত ১৩ সেপ্টেম্বর থেকে ৪ দিনব্যাপী নবম আন্তর্জাতিক ফুডেক্স সৌদি মেলা শুরু হয়েছে। মেলায় ৩০ টি দেশের প্রায় দুই শতাধিক কোম্পানি অংশগ্রহণ করে। রিয়াদস্থ বাংলাদেশ দূতাবাস ও রপ্তানি উন্নয়ন ব্যুরোর উদ্যোগে বাংলাদেশের ৪টি প্রতিষ্ঠান মেলায় অংশগ্রহণ করে। প্রতিষ্ঠানগুলো হল বেঙ্গল মিট প্রসেসিং, প্রাণ-আরএফএল গ্রুপ, বসুন্ধরা ফুড এন্ড বেভারেজ এবং এস এন্ড বি নাইস ফুড ভ্যালি লি.। গতকাল রাষ্ট্রদূত মোহাম্মদ জাবেদ পাটোয়ারী ও দূতাবাসের কর্মকর্তারা এ মেলা পরিদর্শন করেন। এ সময় রাষ্ট্রদূত বলেন, বাংলাদেশি পণ্য বিশ্বমানের এবং আশা করা যায় মেলায় অংশগ্রহণের মাধ্যমে সৌদি আরবে বাংলাদেশি খাদ্যপণ্যের বাজার ও রপ্তানি আরও বৃদ্ধি পাবে। সৌদি আরবের বাজারে মাছ-মাংসসহ সকল খাদ্যপণ্য প্রবেশের ক্ষেত্রে যে সকল মান অর্জন দরকার তা নিশ্চিত করে পণ্য রপ্তানি সুগম করার জন্য দূতাবাস নিবিড়ভাবে কাজ করে যাচ্ছে বলে জানান রাষ্ট্রদূত। আগামী দিনে সৌদি আরবের সাথে দ্বিপাক্ষিক বাণিজ্য ও বিনিয়োগ আরও বৃদ্ধি পাবে বলে রাষ্ট্রদূত আশা প্রকাশ করেন। সৌদি আরবে ইতোমধ্যে বসুন্ধরা, প্রাণ, বিডি ফুডসহ বিভিন্ন বাংলাদেশি কোম্পানির পণ্য বাজারে রয়েছে, যা বাংলাদেশিসহ বিভিন্ন দেশের মানুষের কাছে খুবই জনপ্রিয়। তিনি এসকল পণ্যের বাজারজাতকরণ, প্রচার এবং উন্নতমানের প্যাকেজিং এ গুরুত্বারোপ করেন। সৌদি আরব প্রায় ৮০ শতাংশ খাদ্যপণ্য বিদেশ থেকে আমদানি করে থাকে, তাই এখানে বাংলাদেশি খাদ্যপণ্যের রপ্তানি বৃদ্ধির সুযোগ রয়েছে। মেলায় আন্তর্জাতিক খ্যাতিসম্পন্ন শেফ নিয়ে বিভিন্ন ক্যাটাগরিতে প্রতিযোগিতার আয়োজন করা হয়। সৌদি বায়ার, বাংলাদেশি অভিবাসীগণ ও বিভিন্ন দেশের মানুষ মেলায় বাংলাদেশের প্যাভিলিয়ন পরিদর্শন করেন। দূতাবাসের মিশন উপপ্রধান আবুল হাসান মৃধা, মিনিস্টার রাকিব উল্লাহ, ইকোনমিক কাউন্সিলর মুর্তুজা জুলকার নাঈন নোমান, কাউন্সিলর (শ্রম) মুহাম্মদ রেজায়ে

post
এনআরবি বিশ্ব

মালদ্বীপে প্রবাসী বাংলাদেশিদের সাথে হাইকমিশনারের মতবিনিময়

মালদ্বীপের মাফুসী আইল্যান্ডে বসবাসরত বাংলাদেশি প্রবাসীদের সাথে মতবিনিময় করেছেন হাইকমিশনার রিয়ার এডমিরাল এস এম আবুল কালাম আজাদ। এর আগে তার নেতৃত্বে হাইকমিশনের একটি প্রতিনিধিদল মাফুসী আইল্যান্ড সফর করেন। এ সময় তারা মাফুসী কাউন্সিলের সাথে সৌজন্য সাক্ষাত করেন। গতকাল শুক্রবার এই মতবিনিময় সভা অনুষ্ঠিত হয়। মাফুসী কাউন্সিলের প্রেসিডেন্ট হাসান সোলাহ হাইকমিশনার ও প্রতিনিধিদলকে কাউন্সিল অফিসে স্বাগত জানান। অতঃপর মাফুসীতে বসবাসরত প্রবাসী বাংলাদেশিদের বিভিন্ন সুযোগ-সুবিধা ও মাফুসীর উন্নয়নে সহযোগিতার বিষয়ে আলোচনা হয়। সভার শুরুতে হাইকমিশনের প্রথম সচিব ও দূতালয় প্রধান মো. সোহেল পারভেজ বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ বিষয় যেমন, আনডকুমেন্টেড কর্মীদের দ্রুত নিয়মিতকরণ, বৈধ পথে রেমিটেন্স প্রেরণ, কল্যাণ বোর্ডের সদস্যপদ গ্রহণ, স্থানীয় আইন-কানুন, স্বাস্থ্য সুরক্ষা ইত্যাদি বিষয়ে বিস্তারিত আলোচনা করেন। এ সময় হাইকমিশনার দেশের অর্থনৈতিক উন্নয়নে রেমিটেন্স যোদ্ধাদের গুরুত্বপূর্ণ অবদানের বিষয় উল্লেখ করে বলেন, আনডকুমেন্টেড কর্মীদের দ্রুত বৈধ হওয়ার প্রচেষ্টা গ্রহণ করা হবে। এ ছাড়া প্রবাসী বাংলাদেশিদের নিজ স্বাস্থ্য সুরক্ষা, কর্মক্ষেত্রে নিরাপত্তা নিশ্চিত করা, বৈধ পথে রেমিটেন্স প্রেরণ ও স্থানীয় আইন কানুন মেনে চলার অনুরোধ করেন।

post
এনআরবি বিশ্ব

বাংলাদেশে বিনিয়োগের জন্য ব্রিটিশ বাংলাদেশি ব্যবসায়ীদের আহ্বান পররাষ্ট্রমন্ত্রীর

বাংলাদেশে বিনিয়োগের জন্য ব্রিটিশ বাংলাদেশি ব্যবসায়ীদের আহ্বান আহ্বান জানিয়েছেন পররাষ্ট্রমন্ত্রী এ কে আব্দুল মোমেন। ১৯ সেপ্টেম্বর সকালে লন্ডনের মারিয়ট হোটেলে বিবিসিসিআই নেতৃবৃন্দের সঙ্গে সৌজন্য সাক্ষাৎকালে এ আহ্বান জানান তিনি। পররাষ্ট্রমন্ত্রী বলেন, আমাদের দেশের সবচেয়ে বড় সম্পদ হচ্ছে জনশক্তি যা বিদেশে রপ্তানি করে বৈদেশিক মুদ্রা অর্জন এবং মানুষের জীবন উন্নত করা সম্ভব। কিন্তু এজন্য প্রয়োজন দেশের জনশক্তিকে দক্ষ জনশক্তিতে রূপান্তর করা। তিনি এই খাতে প্রবাসী বিনিয়োগের আহ্বান জানিয়ে শুধুমাত্র যুক্তরাজ্যে ক্যাটারিং সেক্ট্ররে দক্ষ জনশক্তির প্রচুর চাহিদা পূরণে দেশে ক্যাটারিং ইনস্টিটিউট প্রতিষ্ঠায় সব রকমের সহযোগিতার আশ্বাস দেন। এছাড়াও দেশের স্বাস্থ্যখাত এবং কৃষি খাতে বিনিয়োগের জন্য ও প্রবাসীদের প্রতি আহ্বান জানান। বিবিসিসিআই প্রেসিডেন্ট সাইদুর রহমান রেনু’র এক প্রশ্নের জবাবে তিনি বলেন, বিমানবন্দরে প্রবাসীদের বিদ্যমান দুর্দশা বিশেষ করে মধ্যপ্রাচ্যের যাত্রীদের অতিমাত্রায় হয়রানি লাগবে সরকার পদক্ষেপ নেবে। মন্ত্রী শিগগিরই বিমানের কার্গো সুবিধা চালুর জন্য প্রধানমন্ত্রীর নির্দেশের কথা ও উল্লেখ করেন।

post
এনআরবি বিশ্ব

বৈধপথে রেমিট্যান্স পাঠাতে উৎসাহিত করতে আমিরাতে প্রবাসীদের সঙ্গে মতবিনিময়

বৈধপথে রেমিট্যান্স পাঠাতে উৎসাহিত করতে এবং বিদ্যমান সমস্যাগুলো চিহ্নিতকরণ ও সমাধানে আমিরাতে অবস্থানরত বাংলাদেশি প্রবাসীদের সঙ্গে মতবিনিময় সভা অনুষ্ঠিত হয়েছে। সংযুক্ত আরব আমিরাতের বাণিজ্যিক রাজধানী দুবাইয়ে অবস্থিত বাংলাদেশ কনস্যুলেট জেনারেল ও বাংলাদেশ বিজনেস কাউন্সিল দুবাই ও আজমানের যৌথ উদ্যোগে এ সভা অনুষ্ঠিত হয়। রোববার (১৮ সেপ্টেম্বর) রাতে আজমান স্পাইসি রেস্টুরেন্ট মিলনায়তনে অনুষ্ঠিত এ মতবিনিময় সভায় প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন, প্রবাসী কল্যাণ ও বৈদেশিক কর্মসংস্থান মন্ত্রণালয়ের সচিব ড. আহমেদ মনিরুস সালেহীন।সচিব বলেন, বৈধপথে রেমিট্যান্স পাঠানোর প্রতিবন্ধকতাগুলো চিহ্নিত করে দ্রুত ইতিবাচক পদক্ষেপ নিতে হবে, বর্তমানে যেসব সমস্যাগুলো রেমিট্যান্স প্রবৃদ্ধিতে বাধাগ্রস্ত করছে সেগুলো দূর করতেও সরকারের সদিচ্ছা রয়েছে বলে জানান তিনি। দুবাই কনস্যুলেটের কনসাল জেনারেল বিএম জামাল হোসেনের পরিচালনায় সভায় বিশেষ অতিথি ছিলেন বাংলাদেশ ব্যাংকের নির্বাহী পরিচালক মোহা. খুরশিদ ওয়াহাব, বাংলাদেশ বিজনেস কাউন্সিল দুবাইয়ের সভাপতি ও এনআরবি ব্যাংকের চেয়ারম্যান মাহাতাবুর রহমান নাসির সিআইপি।

About Us

NRBC is an open news and tele video entertainment platform for non-residential Bengali network across the globe with no-business vision just to deliver news to the Bengali community.