post
এনআরবি সাফল্য

দুবাইতে পাঁচ দিনব্যাপী গালফ ফুড মেলা

সংযুক্ত আরব আমিরাতের দুবাইয়ে প্রতি বছরের মত এবারও অনুষ্ঠিত হলো পাঁচ দিনব্যাপী ‘গালফ ফুড’ মেলা। দেশটির অন্যতম প্রধান শহর দুবাইয়ে আয়োজিত এ মেলায় ১২৭টি দেশের ৫ হাজারেরও বেশি প্রতিষ্ঠান অংশ নেয়। মেলায় এবারও ভালো সাড়া পেয়েছে বাংলাদেশী প্রতিষ্ঠানগুলোও। বাংলাদেশ রপ্তানি উন্নয়ন ব্যুরোর তত্ত্বাবধানে অংশ নেওয়া ৪১টি প্রতিষ্ঠান ক্রয়াদেশ পেয়েছে প্রায় ১০৬ দশমিক ৯২ মিলিয়ন ডলার। দেশীয় পণ্যের ব্র্যান্ড তৈরির লক্ষ্যে অংশগ্রহণকারী প্রতিষ্ঠানগুলো পণ্যের গুণগত মানের পাশাপাশি এবার মোড়কীকরণকেও গুরুত্ব দিয়েছে। শেষদিন দুপুর পর্যন্ত বিদেশি ক্রেতাদের সঙ্গে আলোচনায় ব্যস্ত সময় পার করেন তারা। এ ছাড়া মেলায় খাদ্যপণ্য উৎপাদনকারী প্রতিষ্ঠানগুলোর পাশাপাশি পরিবেশক প্রতিষ্ঠানগুলোও নতুন নতুন পণ্য সম্পর্কে জানতে হাজির হয়। বিশ্বের কোন অঞ্চলে, কোন ধরনের পণ্যের সম্ভাবনা ও চাহিদা বেশি রয়েছে- সে সম্পর্কেও জানতে পেরেছে উৎপাদনকারী প্রতিষ্ঠানগুলো। মেলায় অংশগ্রহণকারী প্রতিষ্ঠানের কর্মকর্তারা জানান, বিশ্বব্যাপী খাদ্যপণ্যের বাজার সম্প্রসারণে ইতোমধ্যে অনেক দূর এগিয়েছে বাংলাদেশ। এই পরিধি বাড়াতে সক্রিয় ভূমিকা পালন করছে খাদ্যপণ্য উৎপাদন, প্রক্রিয়াজাতকরণ ও বিপণনের সঙ্গে জড়িত দেশীয় প্রতিষ্ঠানগুলো। মেলায় উপস্থিত ছিলেন আমিরাতে নিযুক্ত বাংলাদেশের রাষ্ট্রদূত আবু জাফর, দুবাই বাংলাদেশ কনস্যুলেটের কনসাল জেনারেল বি এম জামাল হোসেন সহ অনেকে।

post
এনআরবি সাফল্য

৪১ প্রতিষ্ঠান ক্রয়াদেশ পেয়েছে সাড়ে ১০ কোটি ডলারের

দুবাইয়ে অনুষ্ঠিত ‘গালফুড’ মেলায় এবারও ভালো সাড়া পেয়েছে বাংলাদেশের প্রতিষ্ঠানগুলো। বাংলাদেশ রপ্তানি উন্নয়ন ব্যুরোর (ইপিবি) তত্ত্বাবধানে অংশ নেওয়া ৪১টি প্রতিষ্ঠান এ মেলায় ক্রয়াদেশ পেয়েছে ১০৬ দশমিক ৯২ মিলিয়ন ডলারের। মেলায় ক্রয়াদেশে এগিয়ে রয়েছে প্রাণ এগ্রো লিমিটেড ও এলিন ফুড প্রোডাক্ট লিমিটেড। শুক্রবার মেলার শেষ দিনে এ তথ্য জানায় ইপিবি। তাদের দাবি, বিগত বছরের তুলনায় এবার ক্রয়াদেশ বেড়েছে। পাঁচ দিনের এই মেলায় এবার ১৯০টি দেশের প্রায় সাড়ে ৫ হাজার প্রতিষ্ঠান অংশগ্রহণ করেছে।সরেজমিন দেখা গেছে, দুবাইয়ের ওয়ার্ল্ড ট্রেড সেন্টারের জা’আবিল হল ফোরে ৩৩৬ স্কয়ার মিটার জায়গা ভাড়া নিয়ে মেলায় অংশ নিয়েছে বাংলাদেশ। দেশীয় পণ্যের ব্র্যান্ড তৈরির লক্ষ্যে অংশগ্রহণকারী প্রতিষ্ঠানগুলো পণ্যের গুণগত মানের পাশাপাশি এবার প্যাকেজিংকেও গুরুত্ব দিয়েছে। শেষদিন মধ্য দুপুর পর্যন্ত বিদেশি ক্রেতাদের সঙ্গে আলোচনায় ব্যস্ত সময় পার করে তারা। এ ছাড়া মেলায় খাদ্যপণ্য উৎপাদনকারী প্রতিষ্ঠানগুলোর পাশাপাশি পরিবেশক প্রতিষ্ঠানগুলোও নতুন নতুন পণ্য সম্পর্কে জানতে হাজির হয়েছে। বিশ্বের কোন অঞ্চলে, কোন ধরনের পণ্যের সম্ভাবনা ও চাহিদা বেশি রয়েছে সে সম্পর্কেও জানতে পারছে উৎপাদনকারী প্রতিষ্ঠানগুলো। মেলায় অংশগ্রহণকারী একাধিক প্রতিষ্ঠানের কর্মকর্তারা জানান, বিশ্বব্যাপী খাদ্যপণ্যের বাজার সম্প্রসারণে ইতোমধ্যে অনেক দূর এগিয়েছে বাংলাদেশ। এই পরিধি বাড়াতে সক্রিয় ভূমিকা পালন করছে খাদ্য পণ্য উৎপাদন, প্রক্রিয়াজাতকরণ ও বিপণনের সঙ্গে জড়িত দেশীয় প্রতিষ্ঠানগুলো। বিশেষ করে বহির্বিশ্বে বড় প্রদর্শনীগুলোতে অংশগ্রহণের মাধ্যমে দেশে উৎপাদিত পণ্যের গ্রহণযোগ্যতা, গুণগত মান যাচাই ও রপ্তানি চাহিদা তৈরিতে সক্ষমতা বাড়াচ্ছে তারা। দুবাইয়ে এই মেলায় অংশ নিয়ে বাংলাদেশ তার সক্ষমতা যাচাইয়ে আরও একধাপ এগিয়ে গেছে। সিটি গ্রুপের বিজনেস ডেভেলপমেন্ট ডিরেক্টর লুৎফুল কবির সমকালকে বলেন, গত বছরের তুলনায় এবার তারা দ্বিগুণের বেশি ক্রয়াদেশ পেয়েছেন। গত বছর ২২ থেকে ২৫টি দেশে পণ্য রপ্তানি হলেও এবার তাদের নতুন আরও ৮টি দেশ যুক্ত হয়েছে। যুক্তরাষ্ট্র, কানাডা, আফ্রিকা ও মধ্যপ্রাচ্যে আগের তুলনায় পণ্য বেশি রপ্তানি হবে বলেও জানান তিনি। তবে বাংলাদেশ এগ্রো প্রসেসরস অ্যাসোসিয়েশনের (বাপা) নেতাদের দাবি, ৬১টি প্রতিষ্ঠান মেলায় অংশগ্রহণের আবেদন করলেও জায়গা সংকুলান না হওয়ায় ২০টি প্রতিষ্ঠানকে বাদ দিয়ে তালিকা চূড়ান্ত করা হয়। বোম্বে সুইটস অ্যান্ড কোম্পানির মহাব্যবস্থাপক খুরশীদ আহমাদ ফরহাদ বলেন, মেলায় ১৫ থেকে ২০ লাখ টাকা ব্যয় করে প্রতিষ্ঠানগুলো অংশ নিয়েছে। কিন্তু স্টলগুলোতে জায়গা স্বল্পতা থাকায় যথাযথভাবে কাস্টমারদের সঙ্গে আলোচনার সুযোগ হয়নি। এতে প্রত্যাশিত সাড়া পাননি অনেকে। একই অভিযোগ বাপার সাবেক সহসভাপতি সৈয়দ শোয়াইব হাসানের। তিনি বলেন, ৬০০ বর্গমিটারের জায়গা বরাদ্দ প্রয়োজন ছিল বাংলাদেশের। আগামীতে পরিসর বৃদ্ধির পাশাপাশি মেলাকেন্দ্রিক আরও প্রচার-প্রচারণার জন্যেও ইপিবি ও বাণ্যিজ মন্ত্রণালয়কে অনুরোধ জানান তিনি। দুবাই বাংলাদেশ কনস্যুলেটের কমার্শিয়াল কাউন্সিলর আশীষ কুমার সরকার বলেন, গ্লোবাল মার্কেটে দেশীয় প্রতিষ্ঠানগুলো ভালো সাড়া পাচ্ছে। এটি ইতিবাচক দিক। বিশ্ববাজারে দেশীয় পণ্যের চাহিদা বাড়ায় পরবর্তীতে এই মেলায় অংশগ্রহণকারীর সংখ্যাও বাড়বে। আগামী আসরে আমরা পরিসর বাড়ানোর জন্য এখন থেকেই কাজ শুরু করেছি।

post
এনআরবি লাইফ

রিয়াদে বিভিন্ন দেশের কূটনীতিকদের নিয়ে মাতৃভাষা দিবস পালন

সৌদি আরবের রিয়াদে নানা কর্মসূচীর মধ্য দিয়ে যথাযোগ্য মর্যাদায় মহান শহীদ দিবস ও আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা দিবস পালন করা হয়েছে।বুধবার দূতাবাসের অডিটোরিয়ামে বিভিন্ন দেশের রাষ্ট্রদূত, কূটনীতিক ও সৌদি অফিশিয়ালদের নিয়ে এক আলোচনা সভা ও সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠানের আয়োজন করা হয়। অনুষ্ঠানের শুরুতে স্বাগত বক্তব্য দেন সৌদি আরবে নিযুক্ত বাংলাদেশের রাষ্ট্রদূত ড. মোহাম্মদ জাবেদ পাটোয়ারী। এতে বিশেষ অতিথি জাতিসংঘের আবাসিক সমন্বয়ক মোহাম্মদ আল জারকানি ও কূটনৈতিক কোরের ডীন জিবুতির রাষ্ট্রদূত দায়া আদদীন সাঈদ বামাখারামা বক্তব্য প্রদান করেন। এ ছাড়া বিশেষ অতিথি হিসেবে ইউরোপিয়ান ইউনিয়নের রাষ্ট্রদূত ক্রিস্টফি ফারনড, সৌদি আরবের শিক্ষা, সংস্কৃতি ও বিজ্ঞান বিষয়ক জাতীয় কমিশনের ডেপুটি সেক্রেটারি জেনারেল হানি মানসি এবং ওআইসির রাজনৈতিক বিষয়ক সহকারী মহাসচিব ইউসেফ আল দুবেহ বক্তব্য প্রদান করেন।

post
প্রবাস রাজনীতি

কাতার এর নবনির্বাচিত সাধারণ সম্পাদক মবিনুল হক চৌধুরীকে ফুলেল শুভেচছা

কাতার এর বিশিষ্ট ব্যবসায়ী ও রাঙ্গুনিয়া প্রবাসী কল্যাণ সমিতি কাতার এর নবনির্বাচিত সাধারণ সম্পাদক মবিনুল হক চৌধুরীকে হামাদ আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে ফুলেল শুভেচছা জানিয়েছে সংগঠনের সিনিয়র নেতৃবৃন্দ।চট্টগ্রাম থেকে বাংলাদেশ বিমানের একটি ফ্লাইটে দোহা এসে পৌঁছালে রাঙ্গুনিয়া প্রবাসী কল্যাণ সমিতি কাতার এর সভাপতি আব্দুল সালাম এর নেতৃত্বে আগত অতিথিকে বিমানবন্দরে শুভেচ্ছা জানানো হয়। এসময়ে সংগঠনের সিনিয়র সহ-সভাপতি কাজী ফারুক পেয়ারু, সহ-সভাপতি আলম শাহ তালুকদার, সিনিয়র যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক হাবিবুর রহমান, যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক অসীম কুমার শীল, প্রচার ও প্রকাশনা সম্পাদক সজল মালাকার উপস্থিত ছিলেন। শুভেচ্ছা জানাতে বিমান বন্দরে আরো উপস্থিত ছিলেন জাবেদ হোসেন, তসলিম গনি, মফিজুর রহমান, নজরুল ইসলাম আব্দুল মোতালেব চৌধুরী, রাহাদুল ইসলাম জাহেদ ও আরাফাত সিকদার।

post
এনআরবি লাইফ

ঢাকা বিভাগীয় পরিষদ-বাহরাইন এর নবগঠিত কমিটির পরিচিতি সভা অনুষ্ঠিত

চলবো মোরা একসাথে, করবো জয় মানবতাকে -স্লোগানে ঢাকা বিভাগীয় পরিষদ-বাহরাইন এর নবগঠিত কমিটির পরিচিতি সভা অনুষ্ঠিত হয়েছে।সংগঠনের সমন্বয়ক সৈয়দ মামুনের সঞ্চালনায় অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করেন সংগঠনের প্রধান উদ্যোক্তা আসিফ আহমেদ। প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন বাংলাদেশ দূতাবাসের চার্জ দা এফেয়ার্স এ কে এম মহিউদ্দিন কায়েস। বিশেষ অতিথি ছিলেন দূতাবাসের প্রথম সচিব মোঃ মাহফুজুর রহমান। পরে সংগঠনের প্রধান উদ্যোক্তা ইঞ্জিনিয়ার আসিফ আহমেদ নবগঠিত কমিটি ঘোষণা করেন। এসময় নজরুল ইসলাম নাহিদকে সভাপতি ,শেখ নাহিদকে সিনিয়র সহ-সভাপতি, মুরাদ হোসেনকে সহ-সভাপতি , রুবেল মাহমুদকে সাধারণ সম্পাদক করে ৭১ সদস্যের কমিটিকে পরিচয় করিয়ে দেন।

post
এনআরবি লাইফ

বাংলাদেশ মহিলা অঙ্গন আবুধাবির উদ্যোগে ফাল্গুনী সাজে পিঠা উৎসব অনুষ্ঠিত

প্রবাসে বেড়ে ওঠা নতুন প্রজন্মের কাছে দেশীয় সংস্কৃতি ও ঐতিহ্যকে পরিচয় করিয়ে দিতে "বাংলাদেশ মহিলা অঙ্গন আবুধাবির উদ্যোগে ফাল্গুনী সাজে পিঠা উৎসব অনুষ্ঠিত হয়েছে।আবুধাবির আল খাতিম এর একটি ফার্ম হাউজে এ অনুষ্ঠানের আয়োজন করা হয়। সংগঠনের সভানেত্রী সাইফুন নাহার জলির সভাপতিত্বে অনুষ্ঠান পরিচালনা করেন সাধারণ সম্পাদিকা ফেরদৌস আরা এবং সাংগঠনিক সম্পাদিকা শারিফুন নাহার জনি। অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি ছিলেন আমিরাতে নিযুক্ত বাংলাদেশের রাষ্ট্রদূত মোহাম্মদ আবু জাফর। বিশেষ অতিথি ছিলেন রাষ্ট্রদূত পত্নী সালমা জাফর, বাংলাদেশ সমিতি আরব আমিরাতের সভাপতি প্রকৌশলী মোয়াজ্জেম হোসেন, জনতা ব্যাংক আরব আমিরাতের সিইও মোহাম্মদ কামরুজ্জামান, জায়েদ বিশ্ববিদ্যালয়ের অধ্যাপক হাবিবুর রহমান খন্দকার, ডিপ্লোমা ইঞ্জিনিয়ার এসোসিয়েশন এর সভাপতি প্রকৌশলী আশীষ বড়ুয়া, বিশিষ্ট ব্যবসায়ী ওমর ফারুক এবং তানিয়া আহমেদ।

post
এনআরবি সাফল্য

দুবাইয়ে গালফ ফুড মেলায় দেশীয় ৪১ প্রতিষ্ঠান

সংযুক্ত আরব আমিরাতে শুরু হয়েছে পাঁচ দিন ব্যাপী গালফ ফুড মেলা। দুবাইয়ের ওয়ার্ল্ড ট্রেড সেন্টারে আয়োজিত মেলায় খাদ্য পণ্য উৎপাদন, প্রক্রিয়াজাতকরণ ও বিপণনের সঙ্গে জড়িত বিশ্বের ১২৭টি দেশের সাড়ে ৫ হাজারের বেশি প্রতিষ্ঠান অংশ নিয়েছে। বৃহত্তর খাদ্য পণ্য প্রদর্শনীর এ মেলায় বাংলাদেশ প্যাভিলিয়ন রয়েছে দুবাই ওয়ার্ল্ড ট্রেড সেন্টারের জা’আবিল হল ফোর-এ। এতে বাংলাদেশ রপ্তানি উন্নয়ন ব্যুরোর (ইপিবি) তত্ত্বাবধানে দেশীয় ৪১টি প্রতিষ্ঠান স্টল বরাদ্দ পেয়েছে। সোমবার মেলা শুরু হয়। শেষ হবে আগামী শুক্রবার। জানা যায়, পৃথিবীজুড়ে যেসব প্রতিষ্ঠান খাদ্যপণ্য উৎপাদন, বাজারজাত ও রপ্তানি করে থাকে তারা এই মেলাকে খুবই গুরুত্বপূর্ণ বলে মনে করছে। মেলায় খাদ্যপণ্য উৎপাদনকারী প্রতিষ্ঠানগুলোর পাশাপাশি পরিবেশক প্রতিষ্ঠানগুলোও নতুন নতুন পণ্য সম্পর্কে জানতে হাজির হয়েছে।সিটি গ্রুপে বিজনেস ডেভেলপমেন্ট ডিরেক্টর লুৎফুর কবির জানান, গত বছরের তুলনায় এবার তারা বেশি ক্রয়াদেশের প্রত্যাশা করছে। মেলায় প্রথমবারের মতো অংশ নিয়েছে আকিজ এসেনশিয়াল লিমিটেড। প্রতিষ্ঠানটির সিনিয়র ম্যানেজার (এক্সপোর্ট) সীমা দে বলেন, বিশ্বের অনেক দেশ এই মেলায় অংশ নিয়েছে। বাংলাদেশের রপ্তানির বাজারও দীর্ঘ হচ্ছে। তাই আমাদের পণ্যের প্রচার ও প্রসার ঘটাতে এখানে অংশগ্রহণ করেছি। পাশাপাশি বিশ্বের অন্যদেশগুলো তাদের পণ্য বাজারজাত করণে যে পদ্ধতিগুলো অবলম্বন করে সে বিষয়ে অভিজ্ঞতা সঞ্চয় করছি। মেলা ঘুরে দেখা গেছে, প্রতিযোগিতামূলক বাজারে নিজেদের আরও সমৃদ্ধ করতে এবং দেশীয় পণ্যের ব্র্যান্ড তৈরির লক্ষে অংশগ্রহণকারী প্রতিষ্ঠানগুলো এবার পণ্যের গুণগত মানের পাশাপাশি প্যাকেজিংকেও গুরুত্ব দিচ্ছে। দুবাই বাংলাদেশ কনস্যুলেটের কমার্শিয়াল কাউন্সিলর আশীষ কুমার সরকার জানান, গালফ ফুড মেলা থেকে ক্রয়াদেশসহ ভাল সাড়া পাওয়ার প্রত্যাশা করছেন সংশ্লিষ্টরা। তবে আগামী বছর এই মেলায় আরও বড় পরিসরে অংশগ্রহণের পরিকল্পনা করছে বাংলাদেশ। প্রসঙ্গত, ১৯৮৭ সালে ১৩টি দেশের মাত্র ৬৫টি প্রতিষ্ঠান নিয়ে খাদ্যপণ্যের এই মেলার শুরু হয়, যেখানে দর্শনার্থী ছিলেন মাত্র ১ হাজার ৬০০ জন। অথচ ২৯তম এই আসরে লক্ষাধিক দর্শনার্থীর আগমন ঘটবে বলে আশা করছে আয়োজক কর্তৃপক্ষ। 

post
সংবাদ

আমিরাতের পরিবেশমন্ত্রীর সঙ্গে সাবের হোসেনের বৈঠক

পরিবেশ, বন ও জলবায়ু পরিবর্তন মন্ত্রী সাবের হোসেন চৌধুরী সংযুক্ত আরব আমিরাতের (ইউএইউ) জলবায়ু পরিবর্তন ও পরিবেশমন্ত্রী ড. আমনা বিনতে আবদুল্লাহ আল দাহাকের সঙ্গে দ্বিপক্ষীয় বৈঠক করেছেন। বৈঠকে জলবায়ু পরিবর্তনের চ্যালেঞ্জ মোকাবিলায় বাংলাদেশকে সহযোগিতা করার আশ্বাস দিয়েছে সংযুক্ত আরব আমিরাত।বাংলাদেশ কনস্যুলেটের প্রথম সচিব (প্রেস) মো. আরিফুর রহমানের স্বাক্ষরিত এক বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয়, সোমবার দুবাইয়ে অবস্থিত সংযুক্ত আরব আমিরাতের জলবায়ু পরিবর্তন ও পরিবেশ বিষয়ক মন্ত্রণালয়ের সভাকক্ষে এ বৈঠক হয়।বৈঠকে বাংলাদেশ সরকারের মুজিব জলবায়ু সমৃদ্ধি পরিকল্পনা ২০২২-২০৪১ প্রণয়ন ও বাস্তবায়ন উদ্যোগের প্রশংসা করেন আমিরাতের পরিবেশমন্ত্রী। তিনি বলেন, বিগত বছরগুলোতে বাংলাদেশ জলবায়ু পরিবর্তন বিষয়ে নেতৃত্বের ভূমিকায় অবস্থান করছে। বাংলাদেশের জলবায়ু পরিবর্তনজনিত পরিস্থিতি মোকাবিলায় বিভিন্ন প্রকল্পে ইউএই বিনিয়োগ করতে পারে । এ সময় পরিবেশ, বন ও জলবায়ু পরিবর্তন বিষয়ক মন্ত্রী সাবের হোসেন চৌধুরী বিশ্বের বৃহত্তম ম্যানগ্রোভ বন সুন্দরবন অঞ্চলের জীববৈচিত্র ও প্রতিবেশ রক্ষা, ভাসমান সৌর বিদ্যুৎ প্রকল্প, বাংলাদেশের কক্সবাজার অঞ্চলে রোহিঙ্গা অনুপ্রবেশের কারণে ক্ষতিগ্রস্ত বিপুল বনাঞ্চল পুনঃবনায়ন, সৌরবিদ্যুৎ চালিত সেচ কার্যক্রম সংশ্লিষ্ট খাতগুলোতে ইউএই সরকারকে বিনিয়োগের আহ্বান জানান। এর আগে একইদিন সাবের হোসেন চৌধুরী সংযুক্ত আরব আমিরাতের পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী আহমেদ আলী আল সায়েঘের সঙ্গেও বৈঠক করেন। আবুধাবিতে অনুষ্ঠিত দ্বিপাক্ষিক এ বৈঠকে আমিরাতে নিযুক্ত বাংলাদেশের রাষ্ট্রদূত মো. আবু জাফর, সামরিক গোয়েন্দা সংস্থার মহাপরিচালকসহ আটজনের একটি প্রতিনিধি দল অংশ নেয়। সংযুক্ত আরব আমিরাতের পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রীর সঙ্গে সংযুক্ত আরব আমিরাতের বাণিজ্য মন্ত্রণালয়ের আন্ডার সেক্রেটারি, বাংলাদেশে নিযুক্ত ইউএই রাষ্ট্রদূত এবং পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন।

post
এনআরবি লাইফ

প্রবাসী জীবনের ইতি টেনে স্থায়ীভাবে স্বদেশে ফিরছেন মামুন আহমেদ নুর

দীর্ঘ চব্বিশ বছরের প্রবাসী জীবনের ইতি টেনে স্থায়ীভাবে স্বদেশে ফিরছেন চিরন্তন বাউল সংঘ কাতার এর সিনিয়র সহ-সভাপতি মামুন আহমেদ নুর। তার এ স্বদেশ ফেরা উপলক্ষে বিদায় সংবর্ধনা দিয়েছে চিরন্তন বাউল সংঘ কাতার।।রাজধানী দোহার স্টার অব ঢাকা রেস্টুরেন্টে সংগঠনের সভাপতি আবেদুর রহমান ফারুকের সভাপতিত্বে এ আয়োজন করা হয়। সিরাজুল ইসলাম শাহিন এবং মো: বদরুল আলম এর সঞ্চালনায় অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি ছিলেন কাতারে নিযুক্ত বাংলাদেশের রাষ্ট্রদূত মো: নজরুল ইসলাম। বিশেষ অতিথি ছিলেন দূতাবাসের প্রতিরক্ষা উপদেষ্টা বিগ্রেডিয়ার জেনারেল এম খায়ের উদ্দিন, বিসিকিউর প্রেসিডেন্ট ইঞ্জিনিয়ার আনোয়ার হোসেন, সংগঠনের প্রধান উপদেষ্টা আব্দুল মতিন পাটোয়ারী, বাবু শিবু দত্ত, শফিকুল কাদের, কপিল উদ্দিন, সৈয়দ আনা মিয়া ও শফিকুল ইসলাম প্রধান। এছাড়া বক্তব্য রাখেন মামুন আহমেদ নুর, আব্দুল হান্নান পান্না, বদরুল ইসলাম, আলাল খান, ফয়েজ আহমেদ, শাহ আলমসহ কমিউনিটির বিভিন্ন সামাজিক, রাজনৈতিক ও সাংস্কৃতিক সংগঠনের নেতৃবৃন্দ।

post
এনআরবি প্রজন্ম

আমিরাতে ভাষা, সংস্কৃতি ও ইতিহাস থেকে দূরে থাকছে শিশু কিশোররা

সংযুক্ত আরব আমিরাতে পরিবার নিয়ে বসবাস করছেন অনেক প্রবাসী বাংলাদেশি। দেশটিতে রয়েছে দুইটি বাংলা স্কুল,যেখানে নতুন প্রজন্মের বাংলাদেশি শিক্ষার্থীরা মাতৃভাষা ও সংস্কৃতি সম্পর্কে জানতে পারছেন। তবে, বেশিরভাগ বাংলাদেশিদের মাঝে বাংলা ভাষার চর্চা নেই বললেই চলে। ফলে দেশের ভাষা, সংস্কৃতি ও ইতিহাস থেকে দূরে থাকছে এসব শিশু কিশোররা।সংযুক্ত আরব আমিরাত প্রায় দশ লাখেরও বেশি প্রবাসীর বসবাস। এদের মধ্যে পরিবার নিয়ে বসবাস করছেন অনেকে। আর এসব বাংলাদেশিদের সন্তানরাও বড় হচ্ছেন ভিন্ন সংস্কৃতিতে। বাংলা ভাষা ও শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের অভাবে ভিন দেশী স্কুল কলেজে লেখা পড়া করছেন তারা। আমিরাতে অবস্থানরত নতুন প্রজন্মকে মাতৃভাষা-সংস্কৃতি শেখাতে ভাষা ও সংস্কৃতি চর্চাকেন্দ্র প্রতিষ্ঠাসহ সামাজিক সাংস্কৃতিক সংগঠনগুলো এগিয়ে আসার আহবান জানান বাংলাদেশিরা। নতুন প্রজন্মের মাঝে মাতৃভাষা ও সংস্কৃতি ছড়িয়ে দিতে বিভিন্ন প্রতিষ্ঠান স্থাপন করার আশ্বাস দেন দেশটিতে নিযুক্ত বাংলাদেশের রাষ্ট্রদূত মোহাম্মদ আবু জাফর। এসময় তিনি প্রবাসীর সন্তানদের মাঝে বাংলা ভাষা,সংস্কৃতি ও ইতিহাস পৌঁছে দিতে মা বাবাসহ পরিবারের সকলকে এগিয়ে আহবান জানান।

About Us

NRBC is an open news and tele video entertainment platform for non-residential Bengali network across the globe with no-business vision just to deliver news to the Bengali community.