post
এনআরবি বিশ্ব

দক্ষিণ আফ্রিকায় প্রবাসী বাংলাদেশি ব্যবসায়ীকে গুলি করে হত্যা

দক্ষিণ আফ্রিকায় নোয়াখালীর কোম্পানীগঞ্জ উপজেলার এক ব্যবসায়ীকে নিজ দোকানে গুলি করে হত্যা করেছে সন্ত্রাসীরা। নিহত নুরুল আফসার (৪০) উপজেলার চরপার্বতী ইউনিয়নের ৫ নম্বর ওয়ার্ড়ের দায় মোল্লা মৌলভী বাড়ির মৃত জয়নাল আবেদীনের ছেলে। রবিবার (২৩ অক্টোবর) সকাল ১০টার দিকে বিষয়টি নিশ্চিত করেন চরপার্বতী ইউনিয়ন পরিষদ চেয়ারম্যান কাজী মোহাম্মদ হানিফ। এর আগে, শনিবার (২২ অক্টোবর) দিবাগত রাত বাংলাদেশ সময় আনুমানিক ১টার দিকে দক্ষিণ আফ্রিকা ফ্রি ইস্ট প্রভিন্স বোসাবেলো শহরে এ ঘটনা ঘটে। চেয়ারম্যান কাজী মোহাম্মদ হানিফ বলেন, ১৬ বছর আগে আফসার জীবিকার তাগিদে দক্ষিণ আফ্রিকায় পাড়ি জমান। সেখানে বিয়ে করে পারিবারিক জীবন শুরু করেন। তিনি ২ সন্তানের জনক ছিলেন। প্রতিদিনের মতো নিজের দোকানে ব্যস্ত ছিলেন তিনি। দক্ষিণ আফ্রিকা সময় রাত ৯টার দিকে কয়েকজন অস্ত্রধারী তার দোকানের সামনে এসে অবস্থান নেয়। একপর্যায়ে দোকানের ভিতরেই আফসারকে সন্ত্রাসীরা গুলি করে হত্যা করে। পরে দোকান থেকে নগদ অর্থ এবং মূল্যবান মালামাল নিয়ে যায়। স্থানীয় লোকজন তাকে উদ্ধার করে দক্ষিণ আফ্রিকা ফ্রি ইস্ট প্রভিন্স বোসাবেলো শহরে একটি হাসপাতালে নিয়ে গেলে চিকিৎসক তাকে মৃত ঘোষণা করে। নিহতের ছোট কাকা মো.ইউসুফ বলেন, আফসারের মৃত্যুর খবর গ্রামের বাড়িতে পৌঁছালে পরিবারের সবাই কান্নায় ভেঙে পড়েন। তার মৃত্যুতে এলাকায় শোকের ছায়া নেমে এসেছে।

post
এনআরবি সাফল্য

যুক্তরাষ্ট্রে বাংলাদেশি বংশোদ্ভূত অর্থনীতিবিদ ড. মুশফিক মুবারকের বড় অর্জন

বিশ্বের দেশে দেশে মেধা ও মননশীলতায় আলো ছড়াচ্ছেন বহু বাংলাদেশি। উজ্জ্বল করছেন বাংলাদেশের নাম। এবার সেই তালিকায় যোগ হলেন আরও একজন। তিনি আর কেউ নন, বাংলাদেশি বংশোদ্ভূত অর্থনীতিবিদ ড. আহমেদ মুশফিক মুবারক।যুক্তরাষ্ট্রের খ্যাতনামা বিশ্ববিদ্যালয় ইয়েল ইউনিভার্সিটির অর্থনীতির এ অধ্যাপক দেশটির অন্যতম প্রভাবশালী গণমাধ্যম ভক্স-এর বাছাই করা বিশ্বের সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ ৫০ ব্যক্তির তালিকা ‘ফিউচার পারফেক্ট ৫০’-এ স্থান করে নিয়েছেন।বিশ্বে হাজারও বিজ্ঞানী, চিন্তাবিদ, পণ্ডিত, লেখক ও অধিকারকর্মী রয়েছেন। এর মধ্যে যারা ভবিষ্যৎকে আরও ভালোভাবে গড়ে তুলতে নিজেদের মেধা ও মননকে কাজে লাগাচ্ছেন, তাদের মধ্য থেকে সেরাদের খুঁজে বের করার চেষ্টা করেছে মার্কিন সংবাদমাধ্যম ভক্স। সেই সেরাদের তালিকাতেই উঠে এসেছেন তরুণ অর্থনীতিবিদ মুশফিক মোবারক।‘বৈশ্বিক ক্ষুধা, দারিদ্র্য ও ন্যায়বিচারহীনতার বিরুদ্ধে লড়াই’ ক্যাটাগরিতে সম্মান দেয়া হয়েছে মুশফিক মুবারককে। তিনি দেখিয়েছেন, সরকার ও বেসরকারি সংস্থার (এনজিও) গৃহীত পদক্ষেপ মানুষের জীবনকে ভালো ও মন্দের দিকে টেনে নেয়। বিষয়টি সহজ মনে হলেও বিশ বছর ধরে হাতে-কলমে এ বিষয়ে গবেষণা করে যাচ্ছেন মুশফিক। উন্মোচন করেছেন অঞ্চল বা মানুষভেদে ভিন্ন ভিন্ন দিক। মুশফিকের জন্ম ১৯৭৬ সালে বাংলাদেশের রাজধানী ঢাকার কাকরাইলে। বেড়ে উঠেছেন ঢাকার কলাবাগানে। শিক্ষাজীবনের শুরুতে অল্প সময়ের জন্য ঢাকার সানবিমস স্কুলে গিয়েছিলেন।এরপর সেখান থেকে চলে যান মোহাম্মদপুরের সেইন্ট জোসেফ স্কুলে। ভর্তি হন নবম শ্রেণিতে। সেখান থেকে তাকে ভারতের তামিলনাড়ুর একটি বোর্ডিং স্কুলে পাঠিয়ে দেয়া হয়। এরপর সেখান থেকে উচ্চশিক্ষার জন্য পাড়ি জমান যুক্তরাষ্ট্রে।যুক্তরাষ্ট্রের ম্যাকালেস্টার কলেজ থেকে ১৯৯৯ সালে গণিত ও অর্থনীতিতে স্নাতক ডিগ্রি সম্পন্ন করেন মুশফিক। এতে চার বছরের জায়গায় তার সময় লাগে মাত্র তিন বছর। ইউনিভার্সিটি অব মেরিল্যান্ড থেকে অর্থনীতিতে পিএইচডি করেন তিনি। পেশাগত জীবনে প্রথমে বিশ্বব্যাংক ও আন্তর্জাতিক মুদ্রা তহবিলের হয়ে কাজ করেন মুশফিক।এরপর ২০০২ সালে তিনি ইউনিভার্সিটি অব কলোরাডোতে শিক্ষকতা শুরু করেন। চার বছর পর ইয়েল ইউনিভার্সিটিতে সহযোগী অধ্যাপক হিসেবে যোগ দেন। এর মধ্যে আরও বেশ কিছু বিশ্ববিদ্যালয় থেকে শিক্ষকতার প্রস্তাব পেলেও ইয়েল ইউনিভার্সিটিতেই স্থায়ীভাবে থেকে যাওয়ার সিদ্ধান্ত নেন। ২০১৫ সালে এখানেই পূর্ণ অধ্যাপক পদে উন্নীত হন।মূলত উন্নয়ন অর্থনীতিবিদ হিসেবে পরিবেশগত বিষয় নিয়ে কাজ করা মুশফিক তার নিজ দেশ বাংলাদেশ ছাড়াও পাকিস্তান, নেপাল, সিয়েরা লিওন ও ইন্দোনেশিয়ায় চলমান বিভিন্ন গবেষণা প্রকল্পের কাজ করছেন।ইকোনোমেট্রিকা, সায়েন্স, আমেরিকান ইকোনমিক রিভিউ, রিভিউ অব ইকোনমিক স্টাডিজ, দ্য আমেরিকান পলিটিক্যাল সায়েন্স রিভিউ ও নেচারের মতো বিখ্যাত জার্নালে প্রকাশ হয়েছে তার গবেষণা। গবেষণার স্বীকৃতি হিসেবে ২০১৭ সালে তিনি লাভ করেন কার্নেগি ফেলোশিপ।ভক্সের প্রতিবেদনমতে, বায়ুদূষণ থেকে শুরু করে স্যানিটেশনের মতো অনেক বিষয় নিয়েই গবেষণা রয়েছে মুশফিক মুবারকের। কিন্তু সবচেয়ে বিখ্যাত কাজ মৌসুমি অভিবাসন বিষয়ে।গবেষণায় দেখা যায়, গ্রামীণ নিম্নবিত্তদের কর্মহীন মৌসুমে যদি সাময়িকভাবে শহরে গিয়ে কাজ করার জন্য অর্থ দেয়া যায়, তাহলে সার্বিকভাবে তাদের পারিবারিক আয় বাড়ে। এ গবেষণার ওপর ভর করে নেয়া হয় নতুন উদ্যোগ ‘নো লিন সিজন’।যারা সাময়িক কাজের জন্য শহরে যেতে চাইত, তাদের অর্থসহায়তা দেয়া হতো এর মাধ্যমে। কিন্তু লাখ লাখ মানুষের দরজায় এই উদ্যোগ পৌঁছে যাওয়ার পর দেখা গেল উল্লেখযোগ্য তেমন ফল আসছে না। ফলে ২০১৯ সালেই বন্ধ হয়ে যায় ‘নো লিন সিজন’ প্রকল্প।এখানেই স্পষ্ট হয় মুশফিক মুবারকের অনুসিদ্ধান্ত। একটি পদক্ষেপ কোনো একটি অঞ্চলে কার্যকরভাবে না-ও চলতে পারে। তবে অন্য কোনো নীতির যথাযথ প্রয়োগে আসতে পারে সাফল্য। যেখানে ভূমিকা রাখতে পারে সরকার ও অন্যান্য নীতিনির্ধারণী সংস্থা। ইয়েল রিসার্চ ইনিশিয়েটিভ অন ইনোভেশন অ্যান্ড স্কেলে (ওয়াই-আরআইএসই) মুবারকের গবেষণার কেন্দ্রবিন্দুই ছিল, নীতিনির্ধারণের যথাযথ ভূমিকা।ওয়াই-আরআইএসআই ক্ষুদ্রঋণ, শরণার্থী ও শিশু উন্নয়ন নিয়ে কাজ করে। ফলে গবেষণা করতে গিয়ে মুবারকের অনুসিদ্ধান্তের বাস্তবতা দেখা যায়। অর্থাৎ, সরকারের নীতিগত পরিবর্তন লাখো মানুষের জীবনের ওপর গভীর প্রভাব ফেলে।মুবারক দাবি করেছিলেন, বিশ্ব ক্রমেই কঠিন হয়ে উঠছে। দুটি গ্রামে একটি প্রোগ্রাম সফল। তার মানে এই নয় যে, তা জাতীয় পর্যায়ে সফল হবে। বাংলাদেশে একটা প্রোগ্রাম কাজ করছে মানে এমন নয় যে, কেনিয়ায়ও ভালো কাজ করবে।মুশফিকের আরেকটা গবেষণা হলো ‘স্পিললাভার এফেক্টস’ অর্থাৎ যারা কোনো প্রোগ্রাম থেকে সেবা গ্রহণ করেনি, তাদের ওপর ওই প্রোগ্রামের ইতিবাচক কিংবা নেতিবাচক ফলাফল। মূলত টয়লেট সম্প্রসারণে সহায়তা প্রদানের মাধ্যমে গবেষণাটি হয়েছে।এ ধরনের সহায়তার মাধ্যমে জীবাণুর বিস্তার রোধ হয়। যার উপকার কেবল সেবা গ্রহণকারীরাই পায়নি। যারা ভর্তুকি গ্রহণ করেনি, তারাও জীবাণুমুক্ত জীবনের নিশ্চয়তা পেয়েছে। ফলাফলের সূচক ছিল দরিদ্র ও ঘনবসতিপূর্ণ এলাকা।নিম্ন ও নিম্ন-মধ্যবিত্ত আয়ের দেশে মহামারির প্রতিক্রিয়া ও প্রযুক্তির সম্প্রসারণ নিয়ে এখন মুবারক কাজ করছেন। পৃথিবী নিয়ত পরিবর্তিত হচ্ছে। সেই পরিবর্তনের সঙ্গে তাল মিলিয়ে কাজ করছেন মুশফিক মুবারক।তার গবেষণা অর্থনৈতিক বৃদ্ধিতে বিভিন্ন নীতি গ্রহণে নতুন দৃষ্টিভঙ্গি দেবে। এমন কর্মমুখর জীবন ও তার সফল গবেষণা ভক্সের পরিভাষায় ‘পারফেক্ট ফিউচার’ গড়ার কারিগরদের তালিকার পরিপূরক হওয়ারই যোগ্য।  

post
বাংলাদেশ

ঢাকা-মালে রুটে সপ্তাহে ৬ দিন ফ্লাইট পরিচালনা করবে ইউএস-বাংলা

ঢাকা-মালে রুটে সপ্তাহে ৬ দিন ফ্লাইট পরিচালনা করবে ইউএস-বাংলা এয়ারলাইনস আগামী ৩১ অক্টোবর থেকে ঢাকা-মালে রুটে সপ্তাহে ৬ দিন ফ্লাইট পরিচালনা করবে ইউএস-বাংলা এয়ারলাইনস। আজ শনিবার এক বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানানো হয়েছে। এতে বলা হয়েছে, যাত্রী চাহিদা বেড়ে যাওয়ায় শীতকালীন সময়সূচিতে মালদ্বীপপ্রবাসী ও পর্যটকদের ভ্রমণ পরিকল্পনাকে সাবলীল করার জন্য বৃহস্পতিবার ছাড়া সপ্তাহের প্রতিদিন ঢাকা থেকে মালে ফ্লাইট পরিচালনা করবে ইউএস-বাংলা। বর্তমানে ঢাকা-মালে রুটে ৪টি ফ্লাইট চলছে। আগামী ৩১ অক্টোবর থেকে প্রতি সোম, মঙ্গল ও শনিবার সকাল ৯টায় এবং বুধ, শুক্র ও রোববার সকাল ৮টা ৪৫ মিনিটে ঢাকা থেকে মালদ্বীপের রাজধানী মালের উদ্দেশ্যে ছেড়ে যাবে। প্রতি সোম, মঙ্গল ও শনিবার মালদ্বীপের স্থানীয় সময় দুপুর ১টা ২০ মিনিটে এবং বুধ, শুক্র ও রোববার দুপুর ১টা ৫ মিনিটে মালের ভেলেনা আন্তর্জাতিক বিমানবন্দর থেকে ঢাকার উদ্দেশ্যে উড্ডয়ন করবে ইউএস-বাংলার ফ্লাইট। মালদ্বীপ ছাড়াও ইউএস-বাংলা চেন্নাই, কলকাতা, ব্যাংকক, কুয়ালালামপুর, সিঙ্গাপুর, গুয়াংজু, শারজাহ, দুবাই, মাস্কাট ও দোহায় ফ্লাইট পরিচালনা করছে।

post
এনআরবি বিশ্ব

মালয়েশিয়ায় নর্দমায় পড়ে এক বাংলাদেশি শ্রমিকের মৃত্যু

মালয়েশিয়ায় নির্মাণকাজ করতে গিয়ে নর্দমায় পড়ে এক বাংলাদেশি শ্রমিকের মৃত্যু হয়েছে। শুক্রবার (২১ অক্টোবর) দেশটির পেরাক রাজ্যের তাইপিং শহরের সিমপাংয়ের তামান লেজেন্ডায় এলাকায় নর্দমায় পড়ে তার মৃত্যু হয়েছে বলে জানা গেছে। পেরাক রাজ্যের ফায়ার অ্যান্ড রেসকিউ ডিপার্টমেন্টের (জেবিপিএম) একজন মুখপাত্র জানান, দুপুর ২ টা ৩২ মিনিটে ঘটনার বিষয়ে একটি ফোন পান তারা। এরপর ঘটনাস্থলে পৌঁছে দেখেন একজন বাংলাদেশি নর্দমার ৩ মিটার গভীরে পড়ে আছেন। এক বিবৃতিতে তিনি বলেন, নির্মাণকাজ করতে গিয়ে নর্দমার ৩ মিটার গভীরে পড়ে যায় ওই শ্রমিক। পরে প্রায় দেড়ঘণ্টার চেষ্টায় তাকে উদ্ধার করেন দমকল বাহিনীর কর্মীরা। তিনি আরও বলেন, ‘স্বাস্থ্য বিভাগের (কেকেএম) মেডিকেল টিম ঘটনাস্থলেই ওই বাংলাদেশির মৃত্যুর বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন। তবে তার বিস্তারিত পরিচয় জানায়নি পুলিশ।

post
এনআরবি বিশ্ব

যুক্তরাজ্যে বসবাসরত বাংলাদেশিদের বিভিন্ন সমস্যা নিয়ে জিএসসির বৈঠক

যুক্তরাজ্যে গ্রেটার সিলেট ডেভেলপমেন্ট অ্যান্ড ওয়েলফেয়ার কাউন্সিল (জিএসসি) ইউকের উদ্যোগে দেশটিতে বসবাসরত বাংলাদেশিদের বিভিন্ন সমস্যা নিয়ে সংগঠনটির পূর্ব লন্ডনের কেন্দ্রীয় কার্যালয়ে একটি গোলটেবিল বৈঠক অনুষ্ঠিত হয়েছে। বুধবার (১৯ অক্টোবর) সর্বদলীয় কমিউনিটি নেতাদের সমন্বয়ে বৈঠকটি অনুষ্ঠিত হয়। জিএসসি ইউকের কেন্দ্রীয় চেয়ারপারসন ব্যারিস্টার আতাউর রহমান এতে সভাপতিত্ব করেন। বৈঠক পরিচালনা করেন কেন্দ্রীয় সাধারণ সম্পাদক খসরু খান।সভায় বক্তারা বলেন, প্রবাসী বাংলাদেশিদের সমস্যা দিন দিন প্রকট হচ্ছে। প্রবাসীদের জাতীয় পরিচয়পত্র নেই। বার বার ওয়াদা করার পরও হাইকমিশনের মাধ্যমে দেওয়া হচ্ছে না। বাংলাদেশ হাইকমিশনে নো ভিসা স্টিকার ও পাওয়ার অব এটর্নি দিতে ২০১৫ সালের এক আইন দেখিয়ে অযথা হয়রানি করা হচ্ছে। বাংলাদেশি পাসপোর্ট পেতে দেরি করা হচ্ছে। বাংলাদেশে মিথ্যা মামলা দিয়ে প্রবাসী বিনিয়োগকারীদের বাধাগ্রস্ত ও হয়রানি করা হচ্ছে। প্রবাসীদের জায়গা-সম্পত্তি বেহাত হচ্ছে। সম্প্রতি সাতজন ব্রিটিশ বাংলাদেশিকে এক মিথ্যা মামলায় আট দিনের জন্য কারাবরণ করতে হয়েছে।প্রবাসী বাংলাদেশিদের এনআইডি কার্ড না থাকায় তাদের কী কী সমস্যার সম্মুখীন হতে হচ্ছে, বক্তারা তা তুলে ধরেন। বাংলাদেশি পাসপোর্ট রিনিউ বা নতুনভাবে করতে সীমাহীন ভোগান্তি পোহাতে হচ্ছে বলেও জানান তারা। নতুন প্রজন্মের সন্তানদের নো ভিসা স্টিকার না দেওয়ায় বক্তারা গভীর উদ্বেগ ও ক্ষোভ প্রকাশ করেন। তারা এসব সমস্যার সমাধানে বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রী, পররাষ্ট্রমন্ত্রী, প্রবাসবিষয়ক মন্ত্রীসহ সংশ্লিষ্ট সব মহলের জরুরি হস্তক্ষেপ কামনা করেন। তারা যুক্তরাজ্যে নিযুক্ত হাইকমিশনার ও আওয়ামী লীগ নেতাদের সহযোগিতা কামনা করেন। বক্তারা বাংলাদেশিদের ব্রিটিশ পাসপোর্টকে এনআইডি কার্ড দেওয়ার আগ পর্যন্ত আইডি হিসাবে স্বীকৃতি দিতে বাংলাদেশ সরকারের প্রতি আহ্বান জানান। প্রবাসীদের ন্যায়সঙ্গত দাবি আদায়ে তারা ঐক্যবদ্ধ আন্দোলনের ওপর গুরুত্বারোপ করেন।

post
দূতাবাস খবর

ইউক্রেনে অবস্থিত প্রবাসী বাংলাদেশিদের জন্য জরুরী নির্দেশনা

যুদ্ধবিধ্বস্ত ইউক্রেনে অবস্থানরত প্রবাসী বাংলাদেশিদের দ্রুত পোল্যান্ডে অবস্থিত বাংলাদেশ দূতাবাসের সঙ্গে দ্রুত যোগাযোগের নির্দেশ দেয়া হয়েছে। শুক্রবার (২১ অক্টোবর) নাগরিকদের প্রতি এ নির্দেশনা দিয়েছে বাংলাদেশ সরকার।পোল্যান্ডের রাজধানী ওয়ারশ’র বাংলাদেশ দূতাবাসের পক্ষ থেকে একটি লিখিত বিবৃতি প্রকাশ করা হয়েছে। তাতে বলা হয়েছে, বর্তমানে ইউক্রেনে অবস্থানরত প্রবাসী বাংলাদেশিদের পোল্যান্ডে অবস্থিত বাংলাদেশ দূতাবাসের সঙ্গে দ্রুত যোগাযোগ করার জন্য অনুরোধ করা যাচ্ছে। গত প্রায় আট মাস ধরে ইউক্রেন-রাশিয়া সংঘাত চলছে। ইতোমধ্যে ইউক্রেনের বিশাল এলাকা দখল করে নিয়েছে রুশ বাহিনী। হারানো এলাকাগুলো পুনরুদ্ধারের চেষ্টা করছে ইউক্রেন। এই মুহূর্তে অধিকৃত অঞ্চলগুলোর সীমান্তে উভয় পক্ষের মধ্যে তুমুল লড়াই চলছে।এমন পরিস্থিতিতে ইউক্রেনে নিজ নাগরিকদের সতর্ক করেছে বিভিন্ন দেশ। যেমন নিজ নাগরিকদের ইউক্রেন ছাড়ার নির্দেশ দিয়েছে ইরান। ইরানের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় শুক্রবার (২১ অক্টোবর) এক বিবৃতিতে ইউক্রেনে বসবাসরত সকল ইরানি নাগরিককে ইউক্রেন ছাড়ার আহ্বান জানায়। নতুন করে কাউকে ইউক্রেনে না যাওয়ার অনুরোধও করেছে কর্তৃপক্ষ।ইরানের প্রতিরক্ষা মন্ত্রণালয়ের ওই বিবৃতিতে আরও বলা হয়, ‘সামরিক দ্বন্দ্ব ও অস্থিরতা বৃদ্ধির কারণে নাগরিকদেরকে যত দ্রুত সম্ভব ইউক্রেন ছাড়ার আহ্বান জানানো হলো।বিবৃতিতে আরও বলা হয়েছে, ইউক্রেনে সামরিক দ্বন্দ্ব বৃদ্ধি এবং অস্থিরতা বাড়ায়, ইরানি নাগরিকদের ইউক্রেন ভ্রমণে না যেতে দৃঢ়ভাবে পরামর্শ দেয়া হচ্ছে। একই সঙ্গে, জীবন রক্ষা ও নিরাপত্তার জন্য ইউক্রেনে বসবাসরত সকল ইরানি নাগরিককে ইউক্রেন ছাড়ার পরামর্শ দেয়া হচ্ছে।ইরানের বিরুদ্ধে রাশিয়াকে অস্ত্র দেয়ার পশ্চিমা অভিযোগের মধ্যে ইরান তাদের নাগরিকদের ইউক্রেন ছাড়ার আহ্বান জানালো। গত কয়েকদিন ধরে যুক্তরাষ্ট্র ও ইউরোপীয় দেশগুলোর পক্ষ থেকে বলা হচ্ছে, রাশিয়াকে ড্রোন সরবরাহের পাশাপাশি সেগুলো চালানোর প্রশিক্ষণ দিচ্ছে ইরানের কর্মকর্তারা।

post
এনআরবি বিশ্ব

মালয়েশিয়ায় ১৬ বাংলাদেশিসহ ৫২ অভিবাসী গ্রেফতার

মালয়েশিয়া পাইকারি বাজারে অভিযান চালিয়ে বিভিন্ন অপরাধে ১৬ বাংলাদেশিসহ ৫২ অভিবাসীকে গ্রেফতার করেছে ইমিগ্রেশন বিভাগ।বৃহস্পতিবার (২০ অক্টোবর) রাতে দেশটির রোড ট্রান্সপোর্ট ডিপার্টমেন্টের (আরটিডি) একটি পাইকারি বাজারে অভিযান চালিয়ে তাদের গ্রেফতার করা হয়।আরটিডির ডেপুটি ডিরেক্টর জুলকিফ্লাই ইসমাইল বলেন, আরটিডি পাইকারি বাজারে টানা দুই ঘণ্টার অভিযানে ১৬ জন বাংলাদেশি, মিয়ানমারের ২৮ জন, ইন্দোনেশিয়ার ৬ জন এবং দুইজন ভারতীয়কে গ্রেফতার করেছে কুয়ালালামপুর ইমিগ্রেশন বিভাগ। যাদের বয়স ৩০ থেকে ৫০ বছরের মধ্যে।তিনি আরও বলেন, ড্রাইভিং লাইসেন্স ও পণ্যবাহী গাড়ির লাইসেন্স না থাকায় তাদের গ্রেফতার করা হয়েছে। এছাড়া অভিযানে আটটি লরি, ১২টি ভ্যান, ২৫টি মোটরসাইকেল, ছয়টি ও সাতটি ট্রাইসাইকেলসহ ৫৮টি যান জব্দ করা হয়েছে।অন্যদিকে, বৈধ কাগজপত্র না থাকায় আটক ৫২ অভিবাসীকে ইমিগ্রেশন কর্তৃপক্ষের কাছে হস্তান্তর করা হয়েছে।

post
এনআরবি সাফল্য

ম্যান অব দ্য সিটি অব লন্ডন’ অ্যাওয়ার্ডে ভূষিত হয়েছেন বাংলাদেশি নুরুজ্জামান

কমিউনিটি সেবায় বিশেষ অবদানের স্বীকৃতিস্বরূপ ‘ফ্রি ম্যান অব দ্য সিটি অব লন্ডন’ অ্যাওয়ার্ডে ভূষিত হয়েছেন ব্রিটিশ বাংলাদেশ চেম্বার অব কমার্সের ডিরেক্টর জেনারেল অ্যাকাউন্টেন্ট আবুল হায়াত নুরুজ্জামান।১৮ অক্টোবর দুপুরে সিটি অব লন্ডন গিলডহলের লর্ড চেম্বারলিন চেম্বারে অ্যাকাউন্টেন্সি, ব্যবসা, সাংগঠনিক দক্ষতা ও কমিউনিটি সেবায় বিশেষ অবদানের জন্য আনুষ্ঠানিকভাবে এই অ্যাওয়ার্ড দেওয়া হয়। এ সময় চেম্বার অব কমার্সের নেতা, সাংবাদিকসহ কমিটির বিশিষ্টজনরা উপস্থিত ছিলেন।‘ফ্রি ম্যান অব দ্য সিটি অব লন্ডন’ সম্মাননা নেওয়ার পর এক প্রতিক্রিয়ায় অ্যাকাউন্টেন্ট আবুল হায়াত নুরুজ্জামান বলেন, ‘আমি অত্যন্ত বিনয়ের সঙ্গে এই প্রেস্টিজিয়াস সম্মাননা নিয়েছি। এটি আমার কমিউনিটি জন্য উৎসর্গ করলাম। এই সম্মাননা কমিউনিটির জন্য বেশি কাজ করতে আমাকে উৎসাহিত ও অনুপ্রাণিত করবে।’অ্যাওয়ার্ড গ্রহণ অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন ব্রিটিশ বাংলাদেশ চেম্বার অব কমার্সের (বিবিসিসিআই) প্রেসিডেন্ট সাঈদুর রহমান রেনু, সাবেক প্রেসিডেন্ট শাহগির বখত ফারুক, বশির আহমদ, ফাইন্যান্স ডিরেক্টর আতাউর রহমান কুটি, বিবিসিসিআই লন্ডন রিজিয়নের প্রেসিডেন্ট মনির আহমদ, লন্ডন বাংলা প্রেস ক্লাবের জেনারেল সেক্রেটারি ও সাপ্তাহিক দেশ সম্পাদক তাইসির মাহমুদ, লন্ডন এন্টারপ্রাইজ একাডেমির হেড টিচার আশিদ আলী, সাবেক কাউন্সিলার ওয়াইসুল ইসলাম, কমিউনিটি অ্যাক্টিভিস্ট মুহি মিকদাদ, জিয়াউর রহমান, আলাউদ্দিন, সাংবাদিক জাকির হোসেন কয়েছ, চ্যানেল এসের প্রধান ক্যামেরাপার্সন রেজাউল করিম মৃধা প্রমুখ।উল্লেখ্য, অ্যাকাউন্টেন্ট আবুল হায়াত নুরুজ্জামান ১৯৮১ সালের ১০ ডিসেম্বর সিলেটে সদর উপজেলার হাটখোলা ইউনিয়নের দিঘিরপার রাজারগাঁও গ্রামে জন্ম নেন। তার বাবা মরহুম মুহাম্মদ নুরুল ইসলাম মতি বাংলাদেশ বনবিভাগের কর্মকর্তা ছিলেন। মা নুরুন্নাহার একজন গৃহিণী। ২১ বছর বয়সে তিনি লেখাপড়ার উদ্দেশ্যে ব্রিটেনে আসেন এবং গ্রিনিচ ইউনিভার্সিটি থেকে অ্যাকাউন্টিং অ্যান্ড ফাইন্যান্সের ওপর ডিগ্রি অর্জন করেন।তিনি ২০১০ সালে পূর্ব লন্ডনের ভ্যালেন্স রোডে নিজস্ব অ্যাকাউন্টটিং প্রতিষ্ঠান তাজ অ্যাকাউন্টেন্ট প্রতিষ্ঠা করেন। প্রথমে ছোট পরিসরে শুরু করলেও বর্তমানে এটি একটি বিশাল প্রতিষ্ঠানে পরিণত হয়েছে। প্রতিষ্ঠার পর থেকে কাস্টমার সার্ভিস এবং নিজের দক্ষতার কারণে একাধিক অ্যাওয়ার্ড লাভ করে তাজ অ্যাকাউন্টেন্ট। প্রতিষ্ঠানটি ব্যবসার পাশাপাশি কমিউনিটির বিভিন্ন সমাজসেবামূলক কর্মকাণ্ডেও সহযোগিতা করে আসছে।আবুল হায়াত নুরুজ্জামান ২০১৭ সালে ‘এএটি লাইসেন্স মেম্বার অব দ্য ইয়ার অ্যাওয়ার্ড লাভ করেন। তিনি ২০১৯ সালে দ্য লন্ডন এশিয়ান বিজনেস অ্যাওয়ার্ডস কর্তৃক বেস্ট স্মল বিজনেস অব দ্যা ইয়ার অ্যাওয়ার্ডে ভূষিত হন। অ্যাকাউন্টিং টেকনিশিয়ান ম্যাগাজিন জুলাই-আগস্ট ২০১৭ সংখ্যা তাকে নিয়ে বিশেষ কভার স্টোরি প্রকাশ করে।নুরুজ্জামান তার প্রতিষ্ঠানের পক্ষ থেকে ব্রিটেনের বিভিন্ন শহরে স্পেশাল স্পিকার হিসেবে বিভিন্ন ইভেন্টে নিয়মিত অংশ নেন। তিনি বিবিসিসিআইয়ের ডিরেক্টর জেনারেল নির্বাচিত হওয়ার আগে লন্ডন রিজিওয়নের প্রেসিডেন্ট হিসেবেও দায়িত্ব পালন করেন।১২৩৭ সাল থেকে ‘ফ্রি ম্যান অব দ্য সিটি অব লন্ডন’ (ফ্রিম্যানশিপ) সম্মাননা চালু রয়েছে। স্ব স্ব ক্ষেত্রে সফল ব্যক্তিরা এ সম্মাননা পেয়ে থাকেন। বিভিন্ন সময়ে অনারারি ‘ফ্রিম্যান অব দ্য সিটি অব লন্ডন’ সম্মাননা লাভ করেছেন সব নামি-দামি ব্যক্তিরা। এদের মধ্যে অন্যতম, ডিউক অব ক্যামব্রিজ, প্রিন্স জর্জ ১৮৫৭ সালে এ সম্মাননা লাভ করেন।

post
যুক্তরাষ্ট্র

নিউইয়র্কে করোনায় আক্রান্ত হয়ে প্রবাসী নারীর মৃত্যু

নিউইয়র্কে করোনায় আক্রান্ত হয়ে হুরুন্নাহার বেগম (৬২) নামে এক প্রবাসী বাংলাদেশী মারা গেছেন।১৮ অক্টোবর নিউইয়র্কের ম্যানহাটানে মাউন্টশিনাই হাসপাতালে মারা যান তিনি।১৯ অক্টোবর বুধবার জ্যামাইকা মুসলিম সেন্টার তার জানাযার সময় পরিবারের পক্ষ থেকে জানানো হয় যে, ক্যান্সারে আক্রান্ত থাকা অবস্থায় করোনায় আক্রান্ত হয়েছিলেন হুরুন্নাহার।এরপর তাকে ম্যানহাটানে মাউন্টশিনাই হাসপাতালে ভর্তি করা হয় কয়েকদিন আগে। সেখানেই তিনি শেষ নি:শ্বাস ত্যাগ করেছেন। মৃত হুরুন্নাহারের বাড়ি বাংলাদেশের মানিকগঞ্জ জেলার নবগ্রাম ইউনিয়নের বাড়ৈ গ্রামে। হুরুন্নাহার নিউইয়র্কে বসবাসরত আফাজউদ্দিন আহমদের স্ত্রী। বছর খানেকের মধ্যে করোনায় আক্রান্ত হয়ে আর কোন প্রবাসীর মৃত্যু হয়নি । হুরুন্নাহারের মৃত্যুতে কমিউনিটিতে করোনা নিয়ে পুনরায় আতংক দেখা দিয়েছে। তাকে লং আইল্যান্ড ওয়াশিংটন মেমরিয়্যাল পার্কে দাফন করা হয়েছে। উল্লেখ্য, ২০১৯, ২০২০ এবং ২০২১ সালে করোনায় আক্রান্ত হয়ে নিউইয়র্ক সিটিসহ সারা আমেরিকায় ১২ শতাধিক প্রবাসীর মৃত্যু হয়েছে।

post
বাংলাদেশ

শূন্য রেখায় অবস্থান করা রোহিঙ্গাদের মিয়ানমারে ফেরত পাঠাতে চায় বাংলাদেশ : পররাষ্ট্রমন্ত্রী

বাংলাদেশ-মিয়ানমার সীমান্তের শূন্য রেখায় অবস্থান করা রোহিঙ্গাদের মিয়ানমারে ফেরত পাঠাতে চায় বাংলাদেশ। এ ব্যাপারে উদ্যোগী হতে চীনকে অনুরোধ করেছে বাংলাদেশ। আর মূল প্রত্যাবাসন ইস্যুতে তেমন কোনো ‘সুখবর’ নেই বলে জানিয়েছেন পররাষ্ট্রমন্ত্রী।বৃহস্পতিবার (২০ অ‌ক্টোবর) রাষ্ট্রীয় অ‌তি‌থি ভবন পদ্মায় চীনের রাষ্ট্রদূত লি জিমিংয়ের স‌ঙ্গে বৈঠক ক‌রেন পররাষ্ট্রমন্ত্রী ড. এ কে আব্দুল মোমেন। পরে বৈঠকে হওয়া আলোচনার বিষয়ে সাংবাদিকদের ব্রিফ করেন তিনি।পররাষ্ট্রমন্ত্রী বলেন, রাষ্ট্রদূতের সঙ্গে মূলত রোহিঙ্গা ইস্যু নিয়ে আলাপ হয়েছে। চীনকে বলেছি, আমাদের সীমান্তের শূন্য রেখায় প্রায় ৫ হাজারের মতো রোহিঙ্গা আছে। আমরা বলেছি, ওদের মিয়ানমারের ভেতরে নিয়ে যাও। কারণ এগুলো এখানে থাকলে আমাদের একটা ভয় থাকে। ওদের শূন্য রেখায় রাখা যাবে না।মোমেন জানান, রোহিঙ্গাদের প্রত্যাবাসনে চীনা দূত আগে বলেছিলেন ‘সুখবর’ দেবেন। কিন্তু আজকের বৈঠকে তিনি কোনো সুখবর দিতে পারেননি।মন্ত্রী বলেন, আমি তাকে বলেছি, ‘আপনি বলেছিলেন, সুখবর দেবেন।’ জবাবে রাষ্ট্রদূত জানান, তিনি আশা করেছিলেন, কিন্তু এখনও কিছু হয়নি। তিনি শুধু বলেছেন, তারা (চীন) এখনো এক পায়ে দাঁড়িয়ে আছে রোহিঙ্গাদের নেওয়ার জন্য, এটাই সুখবর।ড. মোমেন বলেন, আমরা বলেছি, আপনারা যে প্রজেক্ট নিয়েছেন (ত্রি-পক্ষীয় উদ্যোগ) সেটা অনেক দিন ধরে ঝুলে আছে। এটা ভালো নয়। আমাদের কত আশা, আমরা শুধু চিন্তা করি এ মাসে হবে, ওই মাসে হবে। এজন্য একটা তাগাদা দেওয়া প্রয়োজন। তিনি জানিয়েছেন, তারা (চীন) চেষ্টা করছে। তারা (চীন) তো ওই দেশের মালিক নয়। এ সমস্যা মিয়ানমার করেছে। তাদেরকেই সমাধান করতে হবে। এর বিকল্প কিছু নেই।পররাষ্ট্রমন্ত্রী বলেন, চীনের পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে, আগে যে চুক্তি হয়েছে সে অনুযায়ী রোহিঙ্গাদের নিতে রাজি আছে মিয়ানমার। তারা (মিয়ানমার) বলেছে, তারা (মিয়ানমার) ভেরিফিকেশনের পর রোহিঙ্গাদের ফিরিয়ে নিয়ে যাবে। তারা এখনও বলছে, ‘আমরা ওদের নিরাপত্তা দিতে রাজি।’ তারা রাখাইনে সহায়ক পরিবেশ সৃষ্টি করবে, যাতে রোহিঙ্গারা সেখানে স্বেচ্ছায় যেতে পারে।তবে মিয়ানমার রোহিঙ্গাদের নিতে কতটা আন্তরিক হবে সেটা নিয়ে শঙ্কায় আছেন মোমেন। তিনি বলেন, এতদিন ধরে যে অবস্থা, মনে হয় না তাদের সে আগ্রহ আছে। এর আগে দুবার চেষ্টা করেছি। কিন্তু একজন রোহিঙ্গাও ফেরত যায়নি।পরপর দুবার ব্যর্থ বাংলাদেশ এখন আর রোহিঙ্গাদের প্রত্যাবাসনের দিন তারিখ জনসম্মুখে প্রকাশ করতে চায় না বলে জানান মন্ত্রী।

About Us

NRBC is an open news and tele video entertainment platform for non-residential Bengali network across the globe with no-business vision just to deliver news to the Bengali community.