post
অভিবাসন

মালয়েশিয়ায় চলতি বছরে বাংলাদেশি সহ ১৯ হাজারেরও বেশি অবৈধ অভিবাসী গ্রেফতার

মালয়েশিয়ায় চলতি বছরে ১৯ হাজারেরও বেশি অবৈধ অভিবাসী গ্রেফতার করা হয়েছে। জানুয়ারি থেকে ৩ নভেম্বর পর্যন্ত বিভিন্ন স্থানে অভিযান চালিয়ে ১৯ হাজার ৯৪৬ জন অভিবাসীকে গ্রেফতার করা হয় বলে অভিবাসন বিভাগ সূত্রে জানা গেছে। ইমিগ্রেশনের মহাপরিচালক, খাইরুল জাইমি দাউদ বলেছেন, এই বছরের অভিযানে বেশির ভাগ অভিবাসীকে আবাসিক বাড়ি থেকে গ্রেফতার করা হয়েছে। ২ হাজার ৭৪৮টি আবাসিক বাড়িতে অভিযান চালানো হয়- যা অন্যান্য স্থানের তুলনায় সর্বোচ্চ। ৩ নভেম্বর পর্যন্ত ৪ হাজার ৭৪৫ জন অভিবাসীকে গ্রেফতার করা হয়। তার মতে, কন্ডমিনিয়াম এবং নির্মাণ সাইটে ১ হাজার ৩০টি অভিযান চালিয়ে ৪ হাজার ৬৭৯ অভিবাসীকে গ্রেফতার হয়েছে। এছাড়া অবৈধ অভিবাসীদের গ্রেফতারে ম্যাসেজ হোম, জুয়া এবং বিনোদন কেন্দ্র, ব্যবসার জায়গা, বাজার, গাড়ি ধোয়া, নিরাপত্তা প্রহরীর স্থান থেকে গ্রেফতার করা হয়েছে।চলতি বছরে গ্রেফতার হওয়া অবৈধ অভিবাসীর সংখ্যা ১৯ হাজার ৯৪৬ জন। শুক্রবার (৪ নভেম্বর) সিনার হারিয়ানকে দেওয়া এক সাক্ষাৎকারে ইমিগ্রেশন পরিচালক খায়রুল জায়মি দাউদ এ তথ্য জানিয়েছেন। তিনি বলেন, গ্রেফতারদের মধ্যে রয়েছে, ইন্দোনেশিয়ানরা সবচেয়ে বেশি ৮ হাজার ৬৭৯ জন, তারপরে মিয়ানমার ২ হাজার ৯৩৯, বাংলাদেশ ২ হাজার ৭৬৭, থাইল্যান্ড ১ হাজার ৩৯৬ এবং ভারত ১ হাজার ২৬০। বাকিরা হলো ফিলিপাইন, পাকিস্তান, নেপাল, ভিয়েতনাম এবং চীনসহ অন্যান্য দেশে অভিবাসী।এদিকে অভিবাসী ছাড়াও, অভিবাসন ২৭২ নিয়োগকর্তাকে আটক করেছে যারা অবৈধ অভিবাসীদের নিয়োগ দিয়েছিল। ইমিগ্রেশন অ্যাক্ট ১৯৫৯/৬৩ এবং ইমিগ্রেশন রেগুলেশন ১৯৬৩ এর অধীনে অভিযান পরিচালিত হয়েছিল। কোনো অবৈধ অভিবাসীকে রক্ষা করা বা সহানুভূতি বোধ করা জনগণের উচিত নয়। যারা অবৈধ অভিবাসীকে রক্ষা করতে পাওয়া যাবে তাদের অভিবাসন আইন ১৯৫৯/৬৩ এর ধারা ৫৫ই এর অধীনে বিচার করা হবে এবং দোষী প্রমাণিত হলে ৫ হাজার রিঙ্গিত জরিমানা, কারাদণ্ড বা উভয় দণ্ডে দণ্ডিত করা হবে বলে সাফ জানিয়ে দিয়েছেন ইমিগ্রেশন মহাপরিচালক খায়রুল জাইমি দাউদ।

post
এনআরবি সাফল্য

মালয়েশিয়ায় স্বর্ণপদক পেলেন বাংলাদেশি

মালয়েশিয়ায় স্বর্ণপদক পেয়েছেন প্রবাসী বাংলাদেশি গবেষক ড. লায়লা নাহার। গ্রিন টেকনোলজি ব্যবহার করে স্বাস্থ্যকর মাশরুম ক্র্যাকারর্স উদ্ভাবনে উচ্চশিক্ষা মন্ত্রণালয় থেকে তাকে এ স্বর্ণপদক দেওয়া হয়। গত ১ নভেম্বর থেকে ৩ নভেম্বর উচ্চশিক্ষা মন্ত্রণালয়ের আয়োজনে ইউনিভার্সিটি মালয়েশিয়া কেলানতানে শুরু হয় আন্তর্জাতিক সম্মেলন। এ সম্মেলনে বিভিন্ন ক্যাটাগরিতে পদক দেওয়া হয়। ৩ নভেম্বর সম্মেলনের শেষ দিন ড. লায়লা নাহারসহ ইউনিভার্সিটি মালয়েশিয়া কেলানতানের ৮ জনকে স্বর্ণপদক দেওয়া হয়েছে। এ সময় ছিলেন- ইউনিভার্সিটি মালয়েশিয়া কেলানতানের ভাইস চ্যান্সেলর প্রফেসর ড. রাজলি বিন চী রাজাক, মালয়েশিয়ার উচ্চ শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের ডেপুটি সেক্রেটারি (ম্যানেজমেন্ট অ্যান্ড ডেভেলপমেন্ট) ড. মোহাম্মদ জাবরি বিন ইউসুফ, ডেপুটি ভাইস চ্যান্সেলর (রিসার্চ অ্যান্ড ইনোভেসন) প্রফেসর ড. আরহাম বিন আব্দুল্লাহ, ডাইরেক্টর অফ রিসার্চ অ্যান্ড ইনোভেশন প্রফেসর ড. আহমাদ জাইদ বিন সোলাইমান, ইউএমকের ডাইরেক্টর অফ আইসিডি, প্রফেসর ড. জুলি বিনতে মোহাম্মাদ।প্রতি দুই বছর পরপর সরকারি-বেসরকারি বিশ্ববিদ্যালয়, বেসরকারি প্রতিষ্ঠান, পলিটেকনিক, কমিউনিটি কলেজ, আন্তর্জাতিক প্রতিষ্ঠান, স্কুল, শিল্প/এজেন্সির বাছাই করা গবেষকদের আন্তর্জাতিক সম্মেলনের মাধ্যমে বিভিন্ন ক্যাটাগরিতে তাদের এ পদক দেওয়া হয়। PECIPTA'22 মালয়েশিয়ার উচ্চ শিক্ষা মন্ত্রণালয় আয়োজিত উদ্ভাবনের ওপর আন্তর্জাতিক সম্মেলন এবং প্রদর্শনীতে মালয়েশিয়ার সব বিশ্ববিদ্যালয়, বেসরকারি প্রতিষ্ঠান, পলিটেকনিক, কমিউনিটি কলেজ, স্কুল, শিল্প/এজেন্সি থেকে মোট অংশগ্রহণকারী ছিল ৪৭৭ জন গবেষক। ড. লায়লা নাহার, রাজশাহী পিএন গার্লস হাইস্কুল থেকে ১৯৯৫ সালে মাধ্যমিক এবং ১৯৯৭ সালে রাজশাহী সরকারি সিটি কলেজ থেকে উচ্চ মাধ্যমিক শেষে ২০০৪ সালে রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়, বাংলাদেশ থেকে তার মাস্টার্স এবং ২০১১ সালে ইউনিভার্সিটি পুত্রা মালয়েশিয়া (UPM) থেকে পিএইচডি (মাইকোলজি অ্যান্ড প্ল্যান্ট প্যাথলজি) ডিগ্রি লাভ করেন।তিনি বর্তমানে কৃষি-ভিত্তিক শিল্প অনুষদে, ইউনিভার্সিটি মালয়েশিয়া কেলানতান (UMK), ২০১৪ সালের জুন থেকে কৃষিপ্রযুক্তি প্রোগ্রামে সিনিয়র লেকচারার/সহকারী অধ্যাপক হিসেবে অধ্যাপনা করছেন। ইউএমকেতে যোগদানের আগে, তিনি ২০১২ ফেব্রুয়ারি থেকে ইউনিভার্সিটি পুত্রা মালয়েশিয়াতে পোস্টডক্টরাল ফেলো ছিলেন। ২০১৪ থেকে ইউনিভার্সিটি মালয়েশিয়া কেলানতানে তার শিক্ষকতার সময়, তিনি স্নাতক এবং স্নাতকোত্তর ছাত্র-ছাত্রীদের জন্য একজন সুপারভাইজার হিসাবে কাজ করেছেন। তিনি উদ্ভিদের রোগ নির্ণয়, প্যাথোজেনিক জীবাণু শনাক্তকরণ, উদ্ভিদ-প্যাথোজেন মিথস্ক্রিয়া, ছত্রাকের নির্যাস থেকে জৈব হার্বিসাইড যৌগ শনাক্তকরণ, মাশরুম চাষ, ব্যয়িত মাশরুম সাবস্ট্রেট থেকে জৈবসার উৎপাদন এবং পণ্য বিকাশের মতো বিভিন্ন ধরনের গবেষণার ক্ষেত্রে জড়িত। তিনি হাই ইম্প্যাক্ট জার্নালে ৪০টি গবেষণাপত্র প্রকাশ করেছেন (১৪ এইচ-ইনডেক্স), ৩টি বইয়ের অধ্যায় এবং ২০টি প্রসিডিংস পেপার। তার ফলাফল এ পর্যন্ত একটি ট্রেডমার্ক এবং দুটি কপিরাইট পেয়েছে। তিনি বেশ কয়েকটি আন্তর্জাতিক সম্মেলনে আমন্ত্রিত বক্তা হিসেবেও আমন্ত্রিত হয়েছেন। উচ্চ শিক্ষার পাঠদান এবং কোর্স পরিচালনার পাশাপাশি লায়লা নাহারের গবেষণার কিছু অংশ স্থানীয় কমিউনিটির উন্নয়নমূলক কাজেও জড়িত।রাজশাহী উপ-শহর নিবাসী মোহাম্মদ নাসিম আলী এবং হোসনে আরা বেগমের মেয়ে ড. লায়লা নাহার বর্তমানে ইউএমকেতে কৃষিপ্রযুক্তি প্রোগ্রামে সিনিয়র লেকচারার/সহকারী অধ্যাপক হিসেবে অধ্যাপনা করছেন। ড. লায়লা নাহারের এই সাফল্যর পেছনে আছে মা-বাবার সঙ্গে স্বামী সাইনুল ইসলামের অনুপ্রেরণা ও সাহস। পদক পাওয়ার অনূভূতি জানাতে গিয়ে ড. লায়লা নাহার বলেন, পৃথিবীর বিভিন্ন দেশে বাংলাদেশি গবেষকরা সুনামের সাথে কাজ করছেন। মালয়েশিয়াতেও এর ব্যতিক্রম নয়, তার প্রমাণ দিতে পেরে গর্ববোধ করছি। স্বামী সাইনুল ইসলাম বলেন, ড. লায়লা নাহারের শ্রম আজ সফল হয়েছে। নাহার বিদেশের মাটিতে দেশের নাম উজ্জ্বল করেছে। আমি গর্বিত।

post
এনআরবি বিশ্ব

দুবাইয়ে শেষ হলো প্রবাসী বাঙালিদের বইমেলা

সংযুক্ত আরব আমিরাতে দুবাইয়ে শেষ হলো প্রবাসী বাঙালির বইমেলা। মেলার শেষদিনে ছিল জমজমাট আয়োজন। আমিরাতে প্রবাসী বইপ্রেমীদের আনাগোনায় মুখর ছিলো তিনদিনব্যাপী বই মেলা। শিশু থেকে কিশোর-কিশোরীর কিংবা মধ্যবয়সী সবাই স্টলে স্টলে ঘুরে তাদের প্রিয় বইটি কিনেছেন। আমিরাতে বিভিন্ন প্রদেশ থেকে অনেকে পরিবারের সদস্য নিয়ে এসেছেন। তবে মেলায় শিশুদের উৎসাহ ছিল চোখে পড়ার মতো। মেলায় আসা ক্রেতা ও দর্শনার্থীরা বলেন, প্রবাসের মাটিতে এমন উদ্যোগ অত্যন্ত প্রশংসনীয়। এ ধরনের মেলা প্রতিবছরে করা দরকার। ছুটির দিন রবিবার ছিল মেলাল শেষ দিন। সরেজমিনে দুবাই বই মেলা ঘুরে দেখা গেছে, সকাল থেকে রাত পর্যন্ত বিভিন্ন বয়সের মানুষ এই বইমেলায় অংশ নিয়েছে। সকাল থেকে ভিড় কম থাকলেও বিকাল হতে মেলার শেষ ঘণ্টা পর্যন্ত মানুষের পদচারণায় মেলা মুখর হয়ে ওঠে। সেখান থেকে তারা বাংলা ও ইংরেজি ভাষার বিভিন্ন ধরনের বই কিনেছেন। বেলা ১১টা থেকে রাত ৮টা পর্যন্ত চলে বইমেলা। বঙ্গবন্ধু ফাউন্ডেশন ইউএই আহবায়ক মনছুর সবুর বলেন, ‘এমন বইমেলা প্রতি বছর হওয়া দরকার। ছোট পরিসরে এই বইমেলায় অংশ নিয়ে আমার অনেক ভালো লেগেছে। বই মানুষের নিঃস্বার্থ বন্ধু। প্রবাসের মাটিতে পরিবারের সদস্যদের সঙ্গে ছোটরাও এখানে বই কিনতে এসেছে। এমন উদ্যোগ বারবার করা দরকার।’ সমাপনী অনুষ্ঠানে মেলায় বাংলাদেশ প্রেসক্লাব (ইউএই) নেতৃবৃন্দের হাতে সম্মাননা স্মারক তুলে দেন কনসাল জেনারেল এ বি এম জামাল হোসেন। পরে মনোমুগ্ধকর সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠানের মধ্যে দিয়ে সমাপনী অনুষ্ঠান শেষ হয়।

post
এনআরবি বিশ্ব

ঢাকায় মা‌র্কিন দূতাবাসে ভিসা সেবা দি‌তে ‘সুপার ফ্রাইডে’

চল‌তি সপ্তাহের শেষ পর্যন্ত দুই শতা‌ধিক অ‌ভিবাসী‌কে ভিসা সেবা দি‌তে ‘সুপার ফ্রাইডে’ আয়োজন করেছে ঢাকায় মা‌র্কিন দূতাবাস। সোমবার (৭ ন‌ভেম্বর) এক ক্ষু‌দে বার্তায় এ তথ্য জা‌নি‌য়ে‌ছে মা‌র্কিন দূতাবাস।দূতাবাসের বার্তায় জানা‌নো হয়, চলতি সপ্তাহান্তে যুক্তরাষ্ট্র দূতাবাস ২০০শর বেশি অভিবাসী ভিসা আবেদনকারীকে সেবা দিতে ‘সুপার ফ্রাইডে’ আয়োজন করেছে। করোনা মহামারির পর সব কনস্যুলার পরিষেবা পুনরায় চালু হওয়ায় দূতাবাস সাক্ষাৎকারের জন্য অপেক্ষার সময় কমানোর জন্য বিশেষ প্রচেষ্টা নি‌য়ে‌ছে। ক‌রোনা মহামা‌রির পর চল‌তি বছ‌রের জুলাই মা‌সের মাঝামা‌ঝি‌তে অনভিবাসীদের ভিসা দেওয়ার প্রক্রিয়া ত্বরা‌ন্বিত কর‌তে শুক্রবার দূতাবাসে ‘সুপার ফ্রাইডে’ নামে বিশেষ এক কর্মদিবসের আয়োজন করা হয়। সে সময় অনভিবাসীর প্রায় ৬০০ শিক্ষার্থীর সাক্ষাৎকার নেওয়া হয়। ওই মা‌সের শে‌ষের দি‌কে আরেক‌টি সুপার ফ্রাইডে আয়োজন ক‌রে দূতাবাস।

post
এনআরবি বিশ্ব

করোনার সকল বিধিনিষেধ প্রত্যাহার করে নিয়েছে আরব আমিরাত

করোনাভাইরাস সংক্রান্ত সকল বিধিনিষেধ প্রত্যাহার করে নিয়েছে সংযুক্ত আরব আমিরাত (ইউএই)। এখন থেকে মাস্ক পরাসহ সামাজিক দূরত্ব মেনে চলার মতো বাধ্যবাধকতা আর থাকছে না মধ্যপ্রাচ্যের এই দেশটিতে। রোববার (৬ নভেম্বর) এক প্রতিবেদনে এই তথ্য জানিয়েছে সংবাদমাধ্যম খালিজ টাইমস এবং দ্য নিউজ ইন্টারন্যাশনাল। এদিকে সরকারি ঘোষণার পর সোমবার (৭ নভেম্বর) থেকেই আরব আমিরাতে নতুন এই নিয়ম কার্যকর হয়েছে।প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, রোববার কোভিড-১৯ সম্পর্কিত সকল বিধিনিষেধ এবং সতর্কতামূলক ব্যবস্থা তুলে নেওয়ার ঘোষণা দেয় সংযুক্ত আরব আমিরাত। এরপর স্থানীয় সময় সোমবার সকাল ৬টা থেকেই দেশটিতে নতুন এই নির্দেশনা কার্যকর হয়। এতে করে মাস্ক পরাসহ সামাজিক দূরত্ব মেনে চলার বিষয়ে এতোদিনের বাধ্যবাধকতা এখন শিথিল হলো। সংযুক্ত আরব আমিরাতের সরকার ঘোষণা করেছে, মসজিদ, উপাসনালয়, উন্মুক্ত জায়গা এবং আবদ্ধ স্থানগুলোতে এখন থেকে ফেসমাস্ক পরা ঐচ্ছিক বলে বিবেচিত হবে। অর্থাৎ কেউ চাইলে মাস্ক পরতে পারেন, আবার না পরলেও সরকারিভাবে কোনো বাধ্যবাধকতা নেই। তবে, হাসপাতাল এবং স্বাস্থ্য বিষয়ক কেন্দ্রগুলোতে বাধ্যতামূলকভাবে মাস্ক পরিধান করতে হবে।সংবাদমাধ্যম বলছে, কোভিড-১৯ নিষেধাজ্ঞা তুলে নেওয়ার পর এখন থেকে সরকারি স্থাপনা এবং সরকারি অফিসে প্রবেশের জন্য আর গ্রিন পাসের প্রয়োজন হবে না। উল্লেখ্য, বৈশ্বিক বাণিজ্যের অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ কেন্দ্র সংযুক্ত আরব আমিরাতের আয়তন ৮৩ হাজার ৬০০ বর্গকিলোমিটার। ২০২০ সালে করোনা মহামারি শুরুর পর বিশ্বের অন্যান্য দেশের মতো এই দেশটিতেও নানা বিধিনিষেধ জারি করা হয়।

post
এনআরবি বিশ্ব

ভারতে বাংলাদেশি নাগরিকদের অবৈধভাবে বসবাসের বিষয়ে সতর্কতা জারি

ভারতে বাংলাদেশি নাগরিকদের অবৈধভাবে বসবাসের বিষয়ে সতর্কতা জারি করেছে দেশটির কেন্দ্রীয় সরকার। রোববার (৬ নভেম্বর) দেশটির ক্ষমতাসীন নরেন্দ্র মোদির বিজেপি সরকারের এই সতর্কতা জারির খবরটি প্রকাশ হয়।এতে বলা হয়েছে, ভারতে অবৈধভাবে বসবাসরত বাংলাদেশিরা চাকরি, পাসপোর্ট পেতে ভুয়া পরিচয়পত্র দিয়ে প্রাপ্ত নথি ব্যবহার করছেন। রোববার এক প্রতিবেদনে এই তথ্য জানিয়েছে ভারতীয় সংবাদমাধ্যম দ্য হিন্দু। পুলিশ সূত্রের বরাত দিয়ে প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, সতর্কতা জারি করে রাজ্য/কেন্দ্রশাসিত অঞ্চলের ডিরেক্টর জেনারেল অব পুলিশকে বলা হয়েছে, অবৈধ অভিবাসীরা যারা পশ্চিমবঙ্গের বাংলাদেশ সীমান্ত দিয়ে ভারতে প্রবেশ করে লুকিয়ে লুকিয়ে দেশজুড়ে বসতি স্থাপন করেছে, তাদের বিরুদ্ধে যথাযথ ব্যবস্থা নিতে হবে। দ্য হিন্দু বলছে, নিরাপত্তা সংস্থাগুলোকে পশ্চিমবঙ্গ রাজ্যের স্থানীয় লোকজন এবং এজেন্টদের একটি শক্তিশালী নেটওয়ার্ক সম্পর্কে জানানো হয়েছে। নিজেদের মধ্যে অত্যন্ত মজবুতভাবে সম্পৃক্ত ওই নেটওয়ার্কটি বিদেশি (বাংলাদেশি) নাগরিকদের প্রবেশ, জাল ঠিকানা ও পরিচয় ইত্যাদির সাহায্যে আসল নথি পেতে সহায়তা করে থাকে। এছাড়া ভারতে প্রবেশের পর অবৈধ অভিবাসীদের যারা প্রাথমিকভাবে আধার কার্ড হাতে পান তারা কর্মসংস্থানের জন্য ভারতের বিভিন্ন স্থানে চলে যান এবং সেখানে বসতি স্থাপন করেন। কেউ কেউ ঠিকানা বা পরিচয়ের অন্যান্য প্রমাণ যেমন ব্যাংকের পাসবই, ভোটার পরিচয়পত্র এবং প্যান কার্ড পেতেও সক্ষম হয়েছেন বলে সূত্র জানিয়েছে। ভারতের সিনিয়র একজন পুলিশ কর্মকর্তা দ্য হিন্দুকে বলেছেন, ‘ভারতে প্রবেশের পর এই ধরনের নথিগুলো অবৈধ বিদেশিদের কোনো এক প্রদত্ত ঠিকানায় জাল পরিচয় প্রতিষ্ঠা করতে এবং চাকরি পেতে সহায়তা করে। বিদেশ ভ্রমণে পাসপোর্ট পেতে অনেকেই এগুলো ব্যবহার করছেন। যেহেতু পাসপোর্টসহ এই ধরনের নথিগুলো উপযুক্ত কর্তৃপক্ষের মাধ্যমে প্রদান করা হয়, তাই অভিযুক্ত ব্যক্তিরা সন্দেহ বা ধরা পড়া ছাড়াই ভ্রমণ করেন।’ সম্প্রতি জারি করা ভারতের মোদি সরকারের সতর্কতায় বলা হয়েছে, পশ্চিমবঙ্গের কিছু স্থানীয় বাসিন্দা জালিয়াতি করে প্রাপ্ত ভারতীয় পরিচয় নথি, বিশেষ করে আধার কার্ড প্রদান করে এসব কাজে এজেন্ট হিসাবে কাজ করছে। ভারতীয় নাগরিক হিসাবে জাহির করা বিদেশিরা ভারতজুড়ে বিভিন্ন উদ্দেশ্যে এসব নথি ব্যবহার করছে ইঙ্গিত দিয়ে ওই পুলিশ কর্মকর্তা আরও বলেছেন, অভিযুক্ত বিদেশি নাগরিকরা তামিলনাড়ু, কেরালা এবং কর্ণাটকসহ বেশ কয়েকটি রাজ্যে বসতি স্থাপন করছেন। সতর্কতা জারি হওয়ার কয়েকদিন পর ১৯৫৫ সালের আইনে বাংলাদেশি সংখ্যালঘুদের নাগরিকত্ব দেওয়ার ঘোষণা দেয় ভারত। মূলত দেশটির পশ্চিমাঞ্চলীয় রাজ্য গুজরাটের দুই জেলায় বসবাসকারী বাংলাদেশি সংখ্যালঘুরা এই ঘোষণার আওতায় নাগরিকত্ব পাবেন। একইভাবে পাকিস্তান ও আফগানিস্তান থেকে যাওয়া হিন্দু, শিখ, বৌদ্ধ, জৈন, পার্সি ও খ্রিস্টানসহ ধর্মীয় সংখ্যালঘুদেরও নাগরিকত্ব দেওয়া হবে জানায় ভারতের স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়। অবশ্য কয়েক বছর আগে ভারতের দক্ষিণাঞ্চলীয় রাজ্য তামিলনাড়ুর পুলিশ বাংলাদেশি নাগরিকদের বিরুদ্ধে অভিযান শুরু করেছিল। মূলত পশ্চিমবঙ্গের স্থানীয় বাসিন্দা হিসাবে নথি থাকা এসব বাংলাদেশিরা তামিলনাড়ুর বিভিন্ন জেলায় বসতি স্থাপন করেছিল এবং নির্মাণ, আতিথেয়তা এবং টেক্সটাইল শিল্পে চাকরি নিয়েছিল। সেসময় কয়েকজনকে ফরেনার্স অ্যাক্টের ধারায় গ্রেপ্তার করে কারাগারে রাখা হয়। এই ধরনের সন্দেহভাজনদের বেশিরভাগই তিরুপুর, চেঙ্গলপাট্টু, ইরোড, কুদ্দালোর এবং কাঞ্চিপুরম জেলায় বসতি স্থাপন করেছিলেন বলে জানায় দ্য হিন্দু। এছাড়া করোনা মহামারির লকডাউনের সময় কয়েক লাখ অভিবাসী ভারতীয় শ্রমিক তাদের নিজ নিজ রাজ্যের উদ্দেশে রওনা হলেও সেসময় বাংলাদেশি শ্রমিকরা তামিলনাড়ুতেই থেকে যান। তাদের মধ্যে কেউ কেউ মহামারির সময়কালে মাদক ব্যবসার মতো কার্যকলাপে লিপ্ত ছিলেন বলেও বেশ কয়েকটি সূত্র দাবি করেছে।

post
বাংলাদেশ

যান চলাচলের জন্য ১০০টি সেতু উদ্বোধন করেছেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা

যান চলাচলের জন্য ১০০টি সড়ক সেতুর উদ্বোধন করেছেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। আজ (সোমবার) বেলা ১১টায় গণভবন থেকে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা ভার্চুয়ালি এসব সেতুর উদ্বোধন করেন। আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক এবং সড়ক পরিবহন ও সেতুমন্ত্রী ওবায়দুল কাদেরের সভাপতিত্বে উদ্বোধনী অনুষ্ঠানটির গণভবন প্রান্তে সঞ্চালনা করেন প্রধানমন্ত্রীর মুখ্য সচিব ড. আহমদ কায়কাউস। অনুষ্ঠানে সেতুগুলোর বিস্তারিত তুলে ধরেন সড়ক পরিবহন ও মহাসড়ক বিভাগের সচিব এ বি এম আমিন উল্লাহ নুরী। অনুষ্ঠানের সেতুগুলো ওপরে একটি প্রামাণ্যচিত্র প্রদর্শন করা হয়।উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে শেখ হাসিনা বলেন, আমরা নিজস্ব অর্থায়নে পদ্মা সেতু নির্মাণ করেছি। এটা আমাদের জন্য অত্যন্ত গর্বের বিষয়। আমরা বাংলাদেশটাকে উন্নয়নের জন্য রূপকল্প ২০২১ ঘোষণা দিয়েছিলাম। সরকার ৮৭৯ কোটি ৬২ লাখ টাকা ব্যয়ে সেতুগুলো নির্মাণ করেছে। সেতুগুলোর মধ্যে চট্টগ্রাম বিভাগে ৪৫টি, সিলেট বিভাগে ১৭টি, বরিশাল বিভাগে ১৪টি, ময়মনসিংহে ছয়টি, গোপালগঞ্জ, রাজশাহী ও রংপুরে পাঁচটি করে, ঢাকায় দুটি ও কুমিল্লায় একটি রয়েছে।তিনি আরও বলেন, আজ ডিজিটাল বাংলাদেশ করেছি। পার্বত্য চট্টগ্রামে যেখানে মোবাইল নেটওয়ার্ক ছিল না, সেখানে সেটা করে দিয়েছি। এর জন্য বিভিন্ন জেলা যুক্ত করে আজ একসাথে ১০০ সেতুর উদ্বোধন করতে পারছি।

post
বাংলাদেশ

বাংলাদেশের রিজার্ভ নামবে ২৬ বিলিয়ন ডলারে !

ডলার সংকটের কারণে দেশে বৈদেশিক মুদ্রার রিজার্ভ ধারাবাহিকভাবে কমছে। এতে করে চাপে পড়েছে কেন্দ্রীয় ব্যাংক। সোমবার (৭ নভেম্বর) এশিয়ান ক্লিয়ারিং ইউনিয়নের (আকু) সেপ্টেম্বর-অক্টোবর মাসের আমদানি বিল ১৩০ কোটি ডলার পরিশোধ করা হলে রিজার্ভ কমে ৩৪ বিলিয়ন ডলারে নেমে আসবে।আন্তর্জাতিক মুদ্রা তহবিলের (আইএমএফ) শর্ত অনুযায়ী হিসাবায়ন হলে রিজার্ভের অঙ্ক নেমে দাঁড়াবে ২৬ বিলিয়ন ডলারে। যা গত সাত বছরের মধ্যে সর্বনিম্ন। এর আগে ২০১৪-১৫ অর্থবছরে রিজার্ভ ছিল ২৫ বিলিয়ন ডলার। আমদানি নিয়ন্ত্রণে বিভিন্ন পদক্ষেপ নিয়েছে কেন্দ্রীয় ব্যাংক। এতে করে নতুন এলসি খোলা কমেছে। তবে বাকি বা দেরিতে পরিশোধের শর্তে আগের খোলা এলসির দায় এখন পরিশোধ করতে হচ্ছে। ফলে বৈদেশিক মুদ্রার ব্যয় কমেনি। এই কারণে দিন দিন ডলারের সংকট বাড়ছে। বাজারে ‘স্থিতিশীলতা’ আনতে ডলার বিক্রির চাপে কমছে অর্থনীতির অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ ও স্পর্শকাতর এই সূচক। কেন্দ্রীয় ব্যাংক সূত্রে জানা গেছে, বর্তমানে দেশে বৈদেশিক মুদ্রার রিজার্ভ আছে ৩৫ দশমিক ৭২ বিলিয়ন ডলার । ৭ নভেম্বর আন্ত-আঞ্চলিক লেনদেন নিষ্পত্তিকারী সংস্থা-আকুর (সেপ্টেম্বর-অক্টোবর) আমদানি বিল বাবদ ১৩০ কোটি ডলার পরিশোধ করা হবে। এতে করে রিজার্ভ নেমে আসবে ৩৪ দশমিক ৪২ বিলিয়ন ডলারে। আইএমএফের দেওয়া শর্তে হিসাব করলে যা কমে দাঁড়াবে ২৬ দশমিক ০২ বিলিয়ন ডলারে। প্রতি মাসে ৮ বিলিয়ন ডলার হিসাবে এই রিজার্ভ দিয়ে সাড়ে তিন মাসের আমদানি ব্যয় মেটাতে পারবে বাংলাদেশ। সূত্র-ঢাকা পোস্ট

post
এনআরবি বিশ্ব

মিশিগানের ডেট্রয়েট বাংলাটাউন নামফলকে কালো কালি লেপন,ক্ষোভ প্রবাসীদের

মিশিগানের ডেট্রয়েট বাংলাটাউন নামফলকে কালো কালি লেপন করে দিয়েছে দুর্বৃত্তরা। এ ঘটনায় বাংলাদেশি প্রবাসীদের মাঝে ব্যাপক ক্ষোভের সৃষ্টি হয়েছে। নিন্দার ঝড় বইছে সোশ্যাল মিডিয়ায়। প্রবাসীরা এ ঘটনায় জড়িতদের খুঁজে বের করে দৃষ্টান্তমূলক শাস্তি দেওয়ার দাবি জানিয়েছেন প্রশাসনের কাছে। এদিকে দুর্বৃত্তদের চিহ্নিত করতে ডেট্রয়েট সিটি পুলিশ তদন্তে নেমেছে।শনিবার (৫ নভেম্বর) বিকেলে বিষয়টি স্থানীয় প্রবাসীদের নজরে আসে। তাদের ধারণা, শুক্রবার দিবাগত রাতের যেকোনো সময়ে দুর্বৃত্তরা এ ঘটনা ঘটিয়েছে।বাংলাটাউন নামফলকের দুই পাশে কালো রং দিয়ে লেপন করে দেওয়ায় ফলকটি শ্রীহীন হয়ে পড়েছে। ডেট্রয়েট সিটি পুলিশকে ঘটনার তদন্তের জন্য সরেজমিন পরিদর্শন করতে দেখা গেছে। বাংলাদেশের জাতীয় স্মৃতিসৌধ এবং আমেরিকা ও বাংলাদেশের জাতীয় পতাকা খচিত বাংলাটাউন এই ফলকটি নির্মাণ করে বাংলাদেশি আমেরিকান পাবলিক অ্যাফেয়ার্স। ২০১৭ সালের ২০ অক্টোবর ডেট্রয়েট সিটির মেয়র মাইক ডোগান আনুষ্ঠানিকভাবে এর উদ্বোধন করেন। এর আগে ২০১৫ সালে ৬ নভেম্বর মিশিগান স্টেটের তৎকালীন গভর্নর রিক স্নাইডার এই এলাকাকে আনুষ্ঠানিকভাবে বাংলাটাউন স্বীকৃতি প্রদান করেন।ডেট্রয়েট-হ্যামট্রাম্যাক শহরের প্রবেশমুখের কনান্টে দৃষ্টিনন্দন বাংলাটাউন ফলকটি বাংলাদেশিসহ অন্যদেশের মানুষের দৃষ্টি আকর্ষণ করে আসছে। বাংলাদেশি ঐতিহ্য বহন করে আসা এই ফলকটি মিশিগানে বেড়াতে আসা বাংলাদেশি পর্যটকদের কাছে খুবই আকর্ষণীয় স্পট।

post
বাংলাদেশ

বাংলাদেশে অবাধ ও সুষ্ঠু নির্বাচনের জন্য কাজ করছে যুক্তরাষ্ট্র

একটি অবাধ ও সুষ্ঠু নির্বাচনের জন্য যুক্তরাষ্ট্র বাংলাদেশের নাগরিক সমাজের সঙ্গে কাজ করছে বলে মন্তব্য করেছেন দক্ষিণ ও মধ্য এশিয়া বিষয়ক মার্কিন সহকারী উপসচিব আফরিন আক্তার।আজ রোববার পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ে পররাষ্ট্রসচিব মাসুদ বিন মোমেন ও মেরিটাইম ইউনিট সচিব অ্যাডমিরাল (অব.) খুরশেদ আলমের সঙ্গে সাক্ষাৎ শেষে তিনি এসব কথা বলেন। ২ দিনের সফরে গতকাল বিকেলে ঢাকায় আসেন আফরিন আক্তার। তিনি সাংবাদিকদের বলেছেন, বঙ্গোপসাগরে অবৈধভাবে মাছ ধরা ও অন্যান্য ধরণের অপরাধ মোকাবিলাসহ সমুদ্র নিরাপত্তায় সহযোগিতার সম্ভাবনা নিয়ে তিনি আলোচনা করেছেন। আফরিন আক্তার আগামী বছরের শেষের দিকে বাংলাদেশে অনুষ্ঠেয় নির্বাচন যেন অবাধ ও সুষ্ঠু হয়, সেই বিষয়েও আলোচনা করেন।

About Us

NRBC is an open news and tele video entertainment platform for non-residential Bengali network across the globe with no-business vision just to deliver news to the Bengali community.