post
সংবাদ

‘অপতৎপরতা চালালে শক্ত হাতে দমন করা হবে’

কোটা সংস্কার আন্দোলন ইস্যুতে আদালতের আদেশ না মেনে আইনশৃঙ্খলা ভঙ্গে মতো অপতৎপরতা চালানোর চেষ্টা করলে শক্ত হাতে দমন করা হবে- বলে হুঁশিয়ারি দিয়েছেন ডিএমপি কমিশনার হাবিবুর রহমান।সোমবার সকালে রাজধানীর হোসনী দালান ইমামবাড়ায় পবিত্র আশুরা উদযাপন ও তাজিয়া মিছিল উপলক্ষে, ঢাকা মেট্রোপলিটন পুলিশের গৃহীত নিরাপত্তা ব্যবস্থা সম্পর্কে প্রেস ব্রিফিংয়ে সাংবাদিকদের, এক প্রশ্নের জবাবে তিনি একথা বলেন। এসময় তিনি জানান, পবিত্র আশুরা ও তাজিয়া মিছিল উপলক্ষ্যে ব্যাপক নিরাপত্তা ব্যবস্থা নেয়া হয়েছে। হোসনী দালান এলাকায় ইন্সট্রুমেন্টাল চেকিং ও ডগ স্কোয়াড দিয়ে সুইপিং সম্পন্ন করা হয়েছে।

post
সংবাদ

গাজায় গণহত্যার বিরুদ্ধে ঐক্যবদ্ধের হওয়ার আহ্বান প্রধানমন্ত্রীর

বাংলাদেশে মিসরের রাষ্ট্রদূত ওমর মহি এলদিন আহমেদ ফাহমী সোমবার সকালে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার সঙ্গে তাঁর সরকারি বাসভবন গণভবনে সৌজন্য সাক্ষাৎ করতে এলে প্রধানমন্ত্রী এই মন্তব্য করেন। যুদ্ধের বিরুদ্ধে বাংলাদেশের অবস্থান পুনর্ব্যক্ত করেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। যুদ্ধের জন্য অস্ত্র উৎপাদন অর্থ ব্যয় না করে তা মানবজাতি বিশেষ করে মহিলা ও শিশুদের কল্যাণে কাজে লাগানোর আহবান জানান তিনি। প্রধানমন্ত্রী বলেন,তিনি যেখানেই গেছেন সেখানেই গাজায় গণহত্যার বিরুদ্ধে সবসময় সোচ্চার ছিলেন।

post
সংবাদ

জামিন পেলেন মিল্টন সমাদ্দার

প্রতারণার আশ্রয় নিয়ে জাল মৃত্যু সনদ তৈরির অভিযোগে মিরপুর মডেল থানার মামলায় চাইল্ড অ্যান্ড ওল্ড এজ কেয়ার আশ্রমের চেয়ারম্যান মিল্টন সমাদ্দারের জামিন মঞ্জুর করেছেন আদালত।সোমবার ঢাকা মহানগর দায়রা জজ মোহাম্মদ আস সামছ জগলুল হোসেনের আদালত এ আদেশ দেন। সংশ্লিষ্ট আদালতের অতিরিক্ত পাবলিক প্রসিকিউটর তাপস কুমার পাল বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন। আদালত সূত্রে জানা গেছে, মানবপাচার মামলায় উচ্চ আদালত থেকে জামিন পান মিল্টন সমাদ্দার। আরেকটি মামলায় সিএমএম আদালত থেকে জামিন পান তিনি। সবগুলো মামলায় জামিন পাওয়ায় তার মুক্তিতে বাধা নেই। গত ১ মে রাতে রাজধানীর মিরপুর এলাকায় অভিযান চালিয়ে মিল্টন সমাদ্দারকে গ্রেফতার করে ঢাকা মহানগর গোয়েন্দা (ডিবি) পুলিশ। তার বিরুদ্ধে জাল মৃত্যুসনদ তৈরি, টর্চার সেলে মানুষজনকে নির্যাতন ও মানবপাচারের অভিযোগে ৩টি মামলা করা হয়। পরে তাকে রিমান্ডেও নেওয়া হয়। এরপর থেকে তিনি কারাগারে রয়েছেন।

post
সংবাদ

‘রাজাকার’ স্লোগান নিয়ে যা বললেন প্রধানমন্ত্রী

নিজেদের ‘রাজাকার’ বলে স্লোগান দেওয়া কোটা আন্দোলনকারীরা একাত্তরের গণহত্যা, মা-বোনের ওপর পাশবিক নির্যাতন এবং এদের সহায়তাকারী রাজাকারদের ভূমিকা সম্পর্কে জানে কি না সেই প্রশ্ন তুলেছেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা।তাদের স্লোগানে বিস্ময় প্রকাশ করে তিনি বলেন, ‘রাস্তায় রাস্তায় লাশ পড়ে থাকতে এরা দেখেনি। তাই নিজেদের রাজাকার বলতে তাদের লজ্জা হয় না।’ সোমবার দুপুরে প্রধানমন্ত্রী কার্যালয়ে ২০২৪-২৫ অর্থবছরের বার্ষিক কর্মসম্পাদন চুক্তি (এপিএ) স্বাক্ষর এবং এপিএ ও শুদ্ধাচার পুরস্কার প্রদান অনুষ্ঠানে প্রধানমন্ত্রী এসব কথা বলেন। প্রধানমন্ত্রী বলেন, ‘মুক্তিযুদ্ধের চেতনাই আমাদের একমাত্র লক্ষ্য। লাখো শহীদ রক্ত দিয়ে গেছে। লাখো মা-বোন নির্যাতিত। তাদের এই অবদান ভুললে চলবে না। পাকিস্তানি হানাদার বাহিনী ও রাজাকার বাহিনী যেভাবে এদেশের অত্যাচার করেছে, আমার খুব দুঃখ লাগে যখন রোকেয়া হলের ছাত্রীরাও বলে তারা রাজাকার।’ তিনি বলেন, ‘তারা কি জানে একাত্তর সালের পচিশে মার্চ কি ঘটেছিল সেখানে? তিন’শ মেয়েকে হত্যা করেছিল, ৪০ জন মেয়েকে ধর্ষণ করেছিল। পাকিস্তানি ক্যাম্পে ধরে নিয়ে গিয়েছিল। অনেক মেয়ে শাড়ি বা ওড়না নিয়ে ফাঁসি দিয়েছিল বলে তাদের সেগুলো পড়তে দেয়া হতো না। ওই এক কাপড়ে বসিয়ে রাখতো। দিনের পর দিন তাদের ওপর পাশবিক অত্যাচার করা হতো।’

post
সংবাদ

ধাওয়া-পাল্টা ধাওয়া চলছেই, রণক্ষেত্র ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়

ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় এলাকায় প্রায় ৩ ঘণ্টারও বেশি সময় ধরে চলছে কোটাবিরোধী আন্দোলনকারী এবং ছাত্রলীগের মধ্যকার সংঘর্ষ। এতে করে দীর্ঘ হচ্ছে আহত শিক্ষার্থীর সংখ্যা।সোমবার (১৫ জুলাই) বিকেল ৫টা ১৫ মিনিটের দিকে এই সংঘর্ষের সূত্রপাত হয়। এই মুহূর্তে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের দোয়েল চত্বর এলাকার ড. মুহম্মদ শহীদুল্লাহ হলের সামনের সড়কের একপাশে ছাত্রলীগ এবং অপর পাশে কোটা আন্দোলনকারীরা অবস্থান করছেন। উভয় পক্ষই থেমে থেমে ধাওয়া-পাল্টা ধাওয়ায় অংশ নিচ্ছেন। একপক্ষ অপরপক্ষের দিকে ইট-পাটকেল ছুড়ে মারছেন। কিছুক্ষণ পরপর ঘটছে ককটেল বিস্ফোরণ। তবে কোন পক্ষ থেকে ককটেল বিস্ফোরণ ঘটানো হচ্ছে তা নিশ্চিত হওয়া যায়নি। বিজয় ৭১ হল থেকে উত্তেজনার সূত্রপাত, ক্যাম্পাস ছাড়া আন্দোলনকারীরা আহতদের ঢামেক থেকে বের হতে না দেওয়ার অভিযোগ সংঘর্ষের জন্য আন্দোলনকারীদের দায়ী করেছেন বাংলাদেশ ছাত্রলীগের সভাপতি সাদ্দাম হোসেন। তিনি বলেন, শুরু থেকেই আমরা দেশবিরোধী বিভিন্ন স্লোগান দেখতে পাচ্ছি। আজকেও তারা পূর্বপরিকল্পিত এবং উস্কানিমূলকভাবে কর্মসূচি দিয়েছে। তারা ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের বিভিন্ন হলে গিয়ে হামলা চালিয়েছে। ছাত্রলীগের নেতাকর্মীরা যারা শান্তিপূর্ণভাবে অবস্থান করছিল তাদের উপর নারকীয়ভাবে হামলা চালিয়েছে। পরে ছাত্রলীগের নেতাকর্মীরা এবং সাধারণ শিক্ষার্থীরা একত্রিত হয়ে রাজাকারের প্রেতাত্মাদের ক্যাম্পাস থেকে বিতাড়িত করেছে। তিনি আরও বলেন, আমরা প্রশাসনকে আহ্বান জানাবো যারা এই ক্যাম্পাসের শান্তিপূর্ণ অবস্থানকে বিনষ্ট করতে চায় তাদের ব্যাপারে আইনগত ব্যবস্থা নিক। আর ছাত্রলীগ তাদেরকে রাজপথে শায়েস্তা করার জন্য প্রস্তুত আছে। উল্লেখ্য, গতকাল চীন সফর নিয়ে আয়োজিত সংবাদ সম্মেলনে কোটা সংস্কার আন্দোলন প্রসঙ্গে করা এক প্রশ্নের জবাবে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা বলেন ‘মুক্তিযুদ্ধ নিয়ে এত ক্ষোভ কেন? মুক্তিযোদ্ধার নাতিপুতিরা কিছুই পাবে না, তাহলে কি রাজাকারের নাতিপুতিরা সব পাবে?’ প্রধানমন্ত্রীর এ বক্তব্যে কোটা সংস্কার আন্দোলনকারীদের ‘রাজাকারের বাচ্চা বা নাতিপুতি’ বলা হয়েছে অভিযোগ করে রোববার রাত থেকে প্রতিবাদ শুরু করেন ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীরা। রাতে প্রথমে রোকেয়া হলের মেয়ে শিক্ষার্থীরা হল থেকে মিছিল নিয়ে বের হয়ে আসেন। তারা স্লোগান দেওয়া শুরু করেন ‘তুমি কে আমি কে, রাজাকার রাজাকার’। এক পর্যায়ে বিশ্ববিদ্যালয়ের সব হল থেকে ছেলে ও মেয়ে শিক্ষার্থীরা দলে দলে মিছিল নিয়ে টিএসসির রাজু ভাস্কর্যের সামনে এসে বিক্ষোভ শুরু করেন। প্রায় দেড় ঘণ্টার বিক্ষোভ শেষে হলে ফিরে যান তারা। একই সময়ে মধ্যরাতে চট্টগ্রাম ও রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়সহ দেশের অন্যান্য বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীরাও প্রধানমন্ত্রীর বক্তব্যের প্রতিবাদ জানিয়ে বিক্ষোভ মিছিল করেন। একই ইস্যুতে আজ সোমবারও উত্তাল হয়ে ওঠে ঢাবিসহ দেশের বিভিন্ন বিশ্ববিদ্যালয়। দুপুরের দিকে ঢাবির রাজু ভাস্কর্যে এসে অবস্থান নেন কয়েকশ আন্দোলনকারী। এসময় তারা প্রধানমন্ত্রীর বক্তব্য প্রত্যাহার চেয়ে নানা স্লোগান দেন। তবে তাদের ‘তুমি কে আমি কে, রাজাকার রাজাকার’ স্লোগান নিয়ে ব্যাপক আলোচনা-সমালোচনা শুরু হয়। প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা এবং সেতুমন্ত্রী ওবায়দুল কাদের আলাদা অনুষ্ঠানে তাদের স্লোগানের ভাষার তীব্র সমালোচনা করেন। এরপর ক্যাম্পাসে সক্রিয় হয় ছাত্রলীগ। দুপুর ২টার দিকে তারা বিজয় ৭১ হলসহ বিভিন্ন হলে আন্দোলনকারীদের বাধা দেন। এ খবরে আন্দোলনকারীরা ছুটে গেলে ছাত্রলীগের সঙ্গে ধাওয়া-পাল্টা ধাওয়া শুরু হয়। উভয়পক্ষ ইট-পাটকেল নিক্ষেপ করে। এরপর থেকে গোটা ক্যাম্পাসে উত্তেজনা ছড়িয়ে পড়ে। বিকেল ৪টার পর থেকে পরিস্থিতির অবনতি হতে থাকে। এসময় ছাত্রলীগ আন্দোলনকারীদের ওপর লাঠি-সোটা নিয়ে আক্রমণ শুরু করে। বহু আন্দোলনকারীকে পিটিয়ে আহত করে তারা। তাদের অনেকের মাথা ফেটে যায়। আন্দোলনকারীরা কোথাও কোথাও প্রতিরোধের চেষ্টা করে। ফলে ক্যাম্পাসের বিভিন্ন স্থানে ব্যাপক সংঘর্ষ শুরু হয়। বিকেল ৪টা থেকে সাড়ে ৫টা পর্যন্ত চলা সংঘর্ষে শতাধিক আন্দোলনকারী শিক্ষার্থী আহত হন। তাদের অধিকাংশই ঢাকা মেডিকেলে ভর্তি হয়েছেন। এছাড়া আশপাশের অন্যান্য হাসপাতালেও গেছেন কেউ কেউ। এদিকে চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়েও বিকেল থেকে ছাত্রলীগ ও আন্দোলনকারীদের মধ্যে ধাওয়া পাল্টা ধাওয়া ও সংঘর্ষের ঘটনা ঘটে। সেখানে অনেকে আহত হন। এছাড়া সোমবার বিকেলে আন্দোলনে নামেন রাজশাহী, কুমিল্লা, খুলনাসহ বিভিন্ন বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীরা। তারা বিভিন্ন স্থানে সড়ক-মহাসড়ক অবরোধ করেন।

post
সংবাদ

কোটা আন্দোলনকারীদের হটাতে অ্যাকশনে পুলিশ

কোটা আন্দোলনকারীদের ওপর ছাত্রলীগের হামলা ও সংঘর্ষের পর ক্যাম্পাসের পরিস্থিতি স্বাভাবিক রাখতে ঢাবিতে অবস্থান নিয়েছে পুলিশ।সোমবার (১৫ জুলাই) সন্ধ্যা ৬টা ৫০ মিনিটে ঢাবির দোয়েল চত্বর এলাকা থেকে অভিযান শুরু করে তারা। এ সময় আর্মড পুলিশ ব্যাটালিয়নের একটি গ্রুপ এবং পুলিশের সাঁজোয়া যান একসঙ্গে সামনের দিকে যেতে দেখা যায়। অভিযানে নেতৃত্ব দিচ্ছেন ঢাকা মহানগর পুলিশের (ডিএমপি) যুগ্ম কমিশনার বিপ্লব কুমার সরকার। এর আগে সন্ধ্যা সাড়ে ৬টার পর ক্যাম্পাসে বিপুল সংখ্যক পুলিশ অবস্থান নেওয়া শুরু করে। এসময় ডিএমপির যুগ্ম কমিশনার বিপ্লব কুমার সরকারকে বিভিন্ন ধরনের দিক নির্দেশনা দিতে দেখা গেছে। এদিকে সন্ধ্যা ৭টা ৫ মিনিটের দিকে শহীদউল্লাহ হলের ভেতরে অবস্থান করা কোটা আন্দোলনকারী শিক্ষার্থীরা প্রভোস্ট ড. মোহাম্মদ জাভেদ হোসেনের উপস্থিতিতে হলের নিচে নেমে আসেন। এসময় আন্দোলনরত শিক্ষার্থীরা পুলিশকে দেখে বিভিন্ন ধরনের স্লোগান দিতে থাকেন। কোটা সংস্কারের দাবিতে আন্দোলনরত শিক্ষার্থীদের ওপর বিকেল সাড়ে ৩টার দিকে হামলা করে ছাত্রলীগ। মূলত ঢাবির একটি হল থেকে হামলার সূত্রপাত হয়। এরপর চলতে থাকে সংঘর্ষ। এতে আহত হয়ে দেড় শতাধিক শিক্ষার্থী ঢাকা মেডিকেল কলেজ (ঢামেক) হাসপাতালে চিকিৎসা নিচ্ছে। কয়েকজনের অবস্থা গুরুতর বলে জানা গেছে। এদিকে বিকেল ৫টার পর শহীদউল্লাহ হলের সামনে সংঘর্ষের সময় বেশ কয়েকটি ককটেল বিস্ফোরণের শব্দ শোনা যায়। এসময় উভয় পক্ষের মধ্যে উত্তেজনা আরও বেড়ে যায় এবং ইট-পাটকেল ছুড়তে দেখা যায় ছাত্রলীগ ও কোটা আন্দোলনকারীদের।

post
সংবাদ

হজ পালনে আরও এক বাংলাদেশির মৃত্যু

চলতি বছর পবিত্র হজ পালন করতে গিয়ে আরও একজন বাংলাদেশির মৃত্যু হয়েছে। এ নিয়ে চলতি বছর বাংলাদেশি মৃত্যুর সংখ্যা দাঁড়িয়েছে ৬৪ জনে। এর মধ্যে পুরুষ ৫১ জন এবং নারী ১৩ জন। তাদের মধ্যে মক্কায় ৫০ জন, মদিনায় ৫ জন, মিনায় ৭ জন ও জেদ্দায় ২ জন মারা গেছেন।হজ পোর্টালের সবশেষ বুলেটিনে এ তথ্য জানানো হয়। বুলেটিনে বলা হয়, পবিত্র হজ পালন শেষে এখন পর্যন্ত ৬৭ হাজার ৯৭৪ জন হাজি দেশে ফিরেছেন। সৌদি থেকে ১৮৪টি ফ্লাইটে হাজিরা দেশে ফিরেছেন। এর মধ্যে বিমান বাংলাদেশ এয়ারলাইন্স ৮৭, সৌদি এয়ারলাইন্স ৬৯টি এবং ফ্লাইনাস এয়ারলাইন্স ২৮টি ফ্লাইট পরিচালনা করে। আগামী ২২ জুলাই পর্যন্ত হাজিদের ফিরতি ফ্লাইট অব্যাহত থাকবে।

post
সংবাদ

নরসিংদীতে ট্রেনে কেটে প্রবাসীর স্ত্রী-সন্তানের মৃত্যু

নরসিংদীতে ট্রেনে কাটাপড়ে এক প্রবাসীর স্ত্রী ও সন্তানের মৃত্যু হয়েছে। শনিবার সন্ধায় নরসিংদী রেলওয়ে স্টেশনে মর্মান্তিক এ ঘটনা ঘটে। নিহতরা হলেন, শিবপুর উপজেলার মুনসেফেরচর এলাকার মালয়েশিয়া প্রবাসী জয়নাল আবেদিনের স্ত্রী সাবিনা বেগম ও তার শিশুকন্যা মায়মুনা আক্তার।এসময় গুরুত্বর আহত হয় আরেক কন্যা সিনহা আক্তার। প্রত্যক্ষদর্শী ও নিহতের পরিবার জানান, দুই সন্তানকে নিয়ে শপিং শেষে বাড়ি ফেরার পথে শিশুদের ট্রেন দেখাতে স্টেশনে যান সাবিনা বেগম। এসময় তিনি মোবাইল ফোনে ছবি তুলতে মগ্ন থাকায় রেললাইনে চলে যায় সিনহা আক্তার। তাৎক্ষণিক কোলে থাকা ময়মুনাকে নিয়েই সিনহাকে বাঁচাতে গেলে চট্রগ্রামগামী সূবর্ণা এক্সপ্রেসের নিচে কাঁটাপড়ে ঘটনাস্থলেই মৃত্যু হয়। পরে গুরুত্বর অবস্থায় স্থানীয়রা সিনহাকে উদ্ধার করে নরসিংদী সদর হাসপাতালে নিলে তাকে ঢাকায় রেফার করা হয়। এবিষয়ে আইনী প্রক্রিয়া চলমান রয়েছে বলে জানিয়েছে রেলওয়ে পুলিশ। জানা যায়,নরসিংদীতে রেলে কাটা পড়ে গত এক সপ্তাহে প্রায় ১০ জনের মৃত্য হয়েছে।

post
সংবাদ

ইউরোপে বাংলাদেশিদের পথ প্রশস্ত করার আহবান আয়েবা’র

ইউরোপে বৈধ অভিবাসনের পথ প্রশস্ত করার লক্ষ্যে ইউরোপীয় প্রশাসনের সাথে চলমান সম্পর্ক আরও জোরদারের আহবান জানিয়েছে অল ইউরোপিয়ান বাংলাদেশ এসোসিয়েশন-আয়েবা।রাজধানী প্যারিসের আয়েবা সদরদপ্তরে সংগঠনটির কার্যনির্বাহী পরিষদের ২৩তম সভায় এ দাবি জানান বক্তারা। এতে ইউরোপে বিভিন্ন দেশের সাম্প্রতিক প্রেক্ষাপট আমলে নিয়ে শ্রমবাজার ধরতে বাংলাদেশ সরকারসহ সংশ্লিস্ট সংস্থাকে এ আহবান জানানো হয়। আয়েবা মহাসচিব কাজী এনায়েত উল্লাহর সভাপতিত্বে সভা পরিচালনা করেন সহ-সভাপতি আহমেদ ফিরোজ। অনুষ্ঠানে মূল বক্তব্য উপস্থাপন করেন, সহ-সভাপতি ফখরুল আকম সেলিম। এতে আরও বক্তব্য রাখেন, মাহারুল ইসলাম মিন্টু, শরীফ আল মোমিন, টি এম রেজা, এমদাদুল হক স্বপন, তাপস বড়ুয়া রিপন, আজহার কবির বাবু, নুরুল আমিন এবং পোল্যান্ড থেকে আগত শরীফ আহমেদসহ অনেকে। এসময় একুশে ফেব্রুয়ারি আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা দিবস হিসেবে স্বীকৃতি লাভের ক্ষেত্রে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালনকারী ব্যক্তি ও সাবেক রাষ্ট্রদূত ড. তোজাম্মেল টনি হক এর মৃত্যুতে শোক জানানো হয়।

post
সংবাদ

‘কোটা নিয়ে আইনশৃঙ্খলা রক্ষায় পুলিশ সর্বোচ্চ ধৈর্য ধরছে’

ডিএমপির যুগ্ম-পুলিশ কমিশনার (অপারেশনস) বিপ্লব কুমার সরকার বলেছেন, শিক্ষার্থীদের লাঠিচার্জ কিংবা মারধরের কোনো ঘটনা ঘটেনি। পুলিশ চেষ্টা করেছে আইনশৃঙ্খলা রক্ষায় যতটুকু ধৈর্য ধরা প্রয়োজন ততটুকু ধৈর্য ধরে পরিস্থিতি মোকাবিলা করা হয়েছে। কোটাবিরোধী আন্দোলনে কোনো ধরনের সংঘাত যেন না হয় সে লক্ষ্যে কাজ করছে পুলিশ।রোববার (১৪ জুলাই) গুলিস্তানে শিক্ষার্থীদের আন্দোলন শেষে সাংবাদিকদের এক প্রশ্নের জবাবে তিনি এ কথা বলেন।বিপ্লব কুমার সরকার বলেন, ডিএমপি কমিশনার হাবিবুর রহমানের নির্দেশে পুলিশ সর্বোচ্চ ধৈর্য ধরে কাজ করছে। ডিএমপির সব ইউনিটের সব পুলিশ সদস্য আইনশৃঙ্খলা রক্ষায় কাজ করে যাচ্ছেন। আইনশৃঙ্খলা রক্ষায় যা করা প্রয়োজন আমরা তাই করছি।আরেক প্রশ্নের জবাবে ডিএমপির এ যুগ্ম-পুলিশ কমিশনার বলেন, শুরুতেই আমরা যদি কাউকে মারপিট করি সেটা সমাধান নয়। শান্তিপূর্ণভাবে সমাধান করার চেষ্টা করছি। পুলিশ সর্বোচ্চ ধৈর্য ধরে, কোনো ধরনের সংঘাত যেন না হয় সে লক্ষ্যে কাজ করে যাচ্ছে।জনদুর্ভোগের বিষয়ে বিপ্লব কুমার সরকার বলেন, ডিএমপির ট্রাফিক বিভাগের সব সদস্যের এজন্য অত্যন্ত কষ্ট হচ্ছে। যানজট কীভাবে নিরসন করা যায় এবং জনগণকে কীভাবে স্বস্তি দেওয়া যায় সে ব্যাপারে পুলিশ কাজ করছে। জনদুর্ভোগ যেন ন হয় সেজন্য শিক্ষার্থীসহ সবাইকে অনুরোধ জানান ডিএমপির এই কর্মকর্তা।

About Us

NRBC is an open news and tele video entertainment platform for non-residential Bengali network across the globe with no-business vision just to deliver news to the Bengali community.