post
এনআরবি সাফল্য

১৫ দিনে এসেছে প্রায় ১০৭ কোটি ডলার

বিজয়ের মাস ডিসেম্বরে আইএমএফের লোনের দ্বিতীয় কিস্তি আর এডিবির লোন পাওয়ার সঙ্গে রিজার্ভও কিছুটা বেড়েছে। পাশাপাশি আশা জাগাচ্ছে রেমিট্যান্সও। বিজয়ের মাসে বেশ ইতিবাচক হয়েছে বৈদেশিক মুদ্রার অন্যতম আয়ের উৎসটি। চলতি মাস ডিসেম্বরের প্রথম ১৫ দিনে এসেছে প্রায় ১০৭ কোটি ডলার, যা বাংলাদেশি মুদ্রায় প্রায় ১১ হাজার ৭৪০ কোটি টাকা। বাংলাদেশ ব্যাংকের হালনাগাদ প্রতিবেদনে এ তথ্য জানানো হয়েছে।খাত সংশ্লিষ্টরা বলছেন, রেমিট্যান্স বা প্রবাসী আয় আসার এ ধারা অব্যাহত থাকলে বিজয়ের মাসে দুই বিলয়ন ডলার ছাড়িয়ে যাবে রেমিট্যান্স। বাংলাদেশ ব্যাংকের প্রতিবেদন বলছে, ডিসেম্বরের প্রথম ১৫ দিনে এসেছে ১০৬ কোটি ৯৭ লাখ ৭০ হাজার ডলার। বাংলাদেশি মুদ্রায় প্রায় ১১ হাজার ৭৪০ কোটি টাকা। আর দিনে আসছে ৭ কোটি ১৩ লাখ ডলার বা ৭৮২ কোটি ৫১ লাখ টাকা করে। এর মধ্যে রাষ্ট্র মালিকানাধীন ব্যাংকগুলোর মাধ্যমে এসেছে ১০ কোটি ৮০ লাখ ৬০ হাজার ডলার, বিশেষায়িত দুই ব্যাংকের মধ্যে এক ব্যাংকের মাধ্যমে এসেছে ৩ কোটি ৭৭ লাখ ৫০ হাজার ডলার। আর বেসরকারি ব্যাংকগুলোর মাধ্যমে এসেছে ৯২ কোটি ১৬ লাখ ৯০ হাজার ডলার এবং বিদেশি ব্যাংকগুলোর মাধ্যমে এসেছে ২২ লাখ ৭০ হাজার ডলার।আলোচিত ১৫ দিনে কোনো রেমিট্যান্স আসেনি এমন ব্যাংকের সংখ্যা ১০টি। এর মধ্যে রয়েছে- রাষ্ট্র মালিকানাধীন বাংলাদেশ ডেভেলপমেন্ট ব্যাংক বা বিডিবিএল, বিশেষায়িত রাজশাহী কৃষি উন্নয়ন ব্যাংক বা রাকাব, বেসরকারি কমিউনিটি ব্যাংক, সিটিজেনস ব্যাংক, আইসিবি ব্যাংক, বিদেশি খাতের ব্যাংক আল-ফালাহ, হাবিব ব্যাংক, ন্যাশনাল ব্যাংক অব পাকিস্তান, স্টেট ব্যাংক অব ইন্ডিয়া এবং উরি ব্যাংক।অন্যদিকে সদ্যবিদায়ী নভেম্বর মাসে মোট ১৯৩ কোটি ডলারের রেমিট্যান্স এসেছে। বাংলাদেশি মুদ্রায় ২১ হাজার ১৮১ কোটি ৭৫ লাখ টাকা। এটি আগের মাস অক্টোবরের চেয়ে প্রায় ৫ কোটি ডলার কম এসেছে। অক্টোবর মাসে এসেছিল প্রায় ১৬০ কোটি ডলার। তবে গত বছরের একই মাসের চেয়ে ৩৩ কোটে ডলার বেশি এসেছে। গত বছরের নভেম্বর মাসে এসেছিল প্রায় ১৬০ কোটি ডলার।খাত সংশ্লিষ্টদের মতে, ২০২০ সালে হুন্ডি বন্ধ থাকায় ব্যাংকিং চ্যানেলে সর্বোচ্চ সংখ্যক রেমিট্যান্স এসেছিল। বিদায়ী ২০২২-২০২৩ অর্থবছরে ব্যাংকিং চ্যানেলে প্রবাসীরা পাঠিয়েছেন ২ হাজার ১৬১ কোটি মার্কিন ডলারের রেমিট্যান্স। এটি এ যাবৎকালের মধ্যে দ্বিতীয় সর্বোচ্চ। এর আগে করোনাকালীন ২০২০-২০২১ অর্থবছরে সর্বোচ্চ দুই হাজার ৪৭৭ কোটি ডলারের রেমিট্যান্স এসেছিল দেশে।

post
এনআরবি সাফল্য

১৫ দিনে ১০৭ কোটি ডলার রেমিট্যান্স পাঠিয়েছে প্রবাসীরা

দেশে রেমিট্যান্স প্রবাহ বাড়তে শুরু করেছে। চলতি মাসের (ডিসেম্বর) প্রথম ১৫ দিনে প্রবাসীরা বৈধ পথে ও ব্যাংকিং চ্যানেলে রেমিট্যান্স পাঠিয়েছেন ১০৭ কোটি মার্কিন ডলার। দৈনিক রেমিট্যান্স আসছে ৭ কোটি ১৩ লাখ ডলার করে।রোববার (১৭ ডিসেম্বর) বাংলাদেশ ব্যাংকের হালনাগাদ প্রতিবেদন থেকে এ তথ্য জানা গেছে। তথ্য পর্যালোচনায় দেখা গেছে, চলতি মাসের প্রথম ১৫ দিনে ব্যাংকগুলোতে ১০৬ কোটি ৯৭ লাখ ৭০ হাজার ডলার পাঠিয়েছেন প্রবাসীরা। এর মধ্যে রাষ্ট্রায়ত্ত ব্যাংকগুলোর মাধ্যমে ১০ কোটি ৮০ লাখ ৬০ হাজার ডলার, বিশেষায়িত একটি ব্যাংকের মাধ্যমে ৩ কোটি ৭৭ লাখ ৫০ হাজার মার্কিন ডলার, বেসরকারি ব্যাংকগুলোর মাধ্যমে ৯২ কোটি ১৬ লাখ ৯০ হাজার ডলার এবং বিদেশি ব্যাংকগুলোর মাধ্যমে এসেছে ২২ লাখ ৭০ হাজার মার্কিন ডলার।২০২৩-২৪ অর্থবছরের প্রথম মাস জুলাইয়ে রেমিট্যান্স এসেছে ১৯৭ কোটি ৩১ লাখ ৫০ হাজার মার্কিন ডলার, আগস্টে এসেছে ১৫৯ কোটি ৯৪ লাখ ৫০ হাজার ডলার, সেপ্টেম্বরে ১৩৩ কোটি ৪৩ লাখ মার্কিন ডলার, অক্টোবরে ১৯৭ কোটি ১৪ লাখ ৩০ হাজার ডলার এবং নভেম্বর মাসে এসেছে ১৯৩ কোটি মার্কিন ডলার। ২০২২-২৩ অর্থবছরে মোট রেমিট্যান্স এসেছে ২ হাজার ১৬১ কোটি ৭ লাখ মার্কিন ডলার। আগের ২০২১-২০২২ অর্থবছরে মোট রেমিট্যান্স এসেছিল ২ হাজার ১০৩ কোটি ১৭ লাখ মার্কিন ডলার। ২০২০-২১ অর্থবছরে সর্বোচ্চ রেমিট্যান্স আহরণ হয়েছিল। যার পরিমাণ ছিল ২ হাজার ৪৭৭ কোটি ৭৭ লাখ মার্কিন ডলার।রেমিট্যান্স প্রবাহ বাড়তে থাকলে কিছুদিনের মধ্যে দেশে ডলারের বাজার স্বাভাবিক হবে বলে আশা করছেন সংশ্লিষ্টরা। রাশিয়া-ইউক্রেন যুদ্ধ শুরুর পর থেকে দেশে ডলার-সংকট দেখা দেয়। এ সংকট মোকাবিলায় শুরুতে ডলারের দাম বেঁধে দেয় বাংলাদেশ ব্যাংক। কিন্তু তাতে সংকট আরও প্রকট হয়। পরে গত বছরের সেপ্টেম্বরে বাংলাদেশ ব্যাংক ডলারের দাম নির্ধারণের দায়িত্ব থেকে সরে দাঁড়ায়। এ দায়িত্ব দেওয়া হয় ব্যাংকের শীর্ষ নির্বাহীদের সংগঠন-অ্যাসোসিয়েশন অব ব্যাংকার্স বাংলাদেশ (এবিবি) ও বাংলাদেশ ফরেন এক্সচেঞ্জ ডিলার অ্যাসোসিয়েশন (বাফেদা) এর উপর। কেন্দ্রীয় ব্যাংকের নির্দেশনায় তারা সভা করে ডলারের রেট নির্ধারণ করে আসছে। গত ১৩ ডিসেম্বর দেশের মুদ্রা বাজারে ডলারের স্থিতিশীলতা তৈরি হওয়ায় মুদ্রাটির দাম তৃতীয় দফায় কমানোর সিদ্ধান্ত নেয় সংগঠনগুলো। ভবিষ্যতে ডলারের দাম আরও কমবে বলে জানানো হয়। সবশেষ ব্যাংকগুলোর ঘোষণা অনুযায়ী, প্রবাসী ও রপ্তানি আয় কেনার ক্ষেত্রে ডলারের ঘোষিত দাম ১০৯ টাকা ৫০ পয়সা। আর বিক্রি দর ১১০ টাকা। বাংলাদেশ ব্যাংকের সর্বশেষ তথ্য অনুযায়ী, আজকে আন্তঃব্যাংকে ডলার লেনদেন হচ্ছে ১১০ টাকা ২৫ পয়সা। কার্ব মার্কেট বা খোলা বাজারে নগদ এক ডলার কিনতে গ্রাহকদের গুনতে হচ্ছে ১২২ টাকা। চিকিৎসা, শিক্ষা বা ভ্রমণের জন্য যারা বিদেশে যাচ্ছেন তাদের নগদ প্রতি ডলার কিনতে খরচ করতে হচ্ছে ১২২ টাকা পর্যন্ত।

post
এনআরবি সাফল্য

বিজয়ের মাসে প্রথম ৮ দিনে 'ইতিবাচক' প্রবাসী আয়

বিজয়ের মাস ডিসেম্বরের আটদিনে প্রবাসীদের পাঠানো রেমিটেন্স এসেছে ৫৩ কোটি ডলারের বেশি। খাত সংশ্লিষ্টরা বলছেন,রেমিট্যান্স আসার এ ধারা অব্যাহত থাকলে মাস শেষে দুই বিলিয়ন ডলার ছাড়িয়ে যাবে রেমিট্যান্স।রোববার বাংলাদেশ ব্যাংকের হালনাগাদ প্রতিবেদন থেকে এ তথ্য জানা গেছে। প্রতিবেদন বলছে,ডিসেম্বরের প্রথম আটদিনে ৫৩ কোটি ২৭ লাখ ৫০ হাজার ডলার এসেছে। যা বাংলাদেশি মুদ্রায় পাঁচ হাজার ৮৪৬ কোটি ৩৮ লাখ টাকা। এরমধ্যে রাষ্ট্র মালিকানাধীন ব্যাংকগুলোর মাধ্যমে এসেছে পাঁচ কোটি ৬২ লাখ ১০ হাজার ডলার, বিশেষায়িত দুই ব্যাংকের মধ্যে এক ব্যাংকের মাধ্যমে এসেছে ১ কোটি ৩২ লাখ ৭০ হাজার ডলার। আর বেসরকারি ব্যাংকগুলোর মাধ্যমে এসেছে ৪৬ কোটি ১৮ লাখ ৮০ হাজার ডলার এবং বিদেশি ব্যাংকগুলোর মাধ্যমে এসেছে ১৩ লাখ ৯০ হাজার ডলার।

post
এনআরবি সাফল্য

আর্জেন্টিনার সিনেটে কমুনাস পুরস্কার পেলেন প্রবাসী বাংলাদেশি তালুকদার আলিম আল রাজী

আর্জেন্টিনার সিনেটে কমুনাস পুরস্কার পেয়েছেন প্রবাসী বাংলাদেশি তালুকদার আলিম আল রাজী।দেশটির জাতীয় সিনেটে তার হাতে এই পুরস্কার তুলে দেন ভিক্টোরিয়া ফাউন্ডেশনের আন্তর্জাতিক সম্পর্ক পর্যবেক্ষণ কেন্দ্রের সভাপতি জুলিয়া পেরি। আলিম আল রাজি বাংলাদেশ-আর্জেন্টিনা চেম্বার অব কর্মাসের সভাপতি। তিনি দু-দেশের মধ্যে বাণিজ্যিক উন্নয়ন, দ্বিপাক্ষিক সম্পর্ক ও কর্মসংস্থান সৃষ্টিতে বিশেষ ভূমিকা পালন করছেন। পাশাপাশি দেশটিতে বাংলা ভাষার বিকাশ ও উভয় দেশের মধ্যে সাংস্কৃতিক সম্পর্ক জোরদার করতে কাজ করে চলেছেন এই সফল ব্যবসায়ী ।

post
এনআরবি সাফল্য

যুক্তরাজ্যে বয়স্কদের সেবা দিতে জনপ্রিয় হচ্ছে হোমকেয়ার সার্ভিস

যুক্তরাজ্যসহ পশ্চিমা দেশগুলোতে দিন দিন জনপ্রিয় হয়ে উঠছে হোম কেয়ার সার্ভিস সিস্টেম।বৃদ্ধ পিতা-মাতার যত্নের ঘাটতি পূরণের জন্যে এ পথ বেঁছে নিচ্ছেন  ব্যস্ত সন্তানেরা। তবে কৃত্রিম এ সেবার প্রতি আগ্রহ কম প্রবাসী বাংলাদেশীদের। মূলত পিতা-মাতার প্রতি ভালোবাসা ও সামাজিক দায়বদ্ধতার কারণেই এ অনিহা তাদের। যুক্তরাজ্যে প্রতিনিয়ত কাজের পিছনে ছুঁটছেন নারী-পুরুষেরা। যার কারণে ব্যস্ততম এ দেশটিতে বিপাকে পড়তে হচ্ছে শিশু ও বৃদ্ধদের। বিশেষত বৃদ্ধ পিতা-মাতা যেন গলার কাঁটা হয়ে পড়ছেন অনেক সন্তানদের কাছে।এমন পেক্ষাপটে দেশটিতে জনপ্রিয় হয়ে উঠেছে হোম কেয়ার সার্ভিস সিস্টেম।  সরকারের তত্বাবধানে এ  প্রতিষ্ঠানগুলো দিচ্ছে নানান ধরনের সেবা।এদিকে অভিভাবকদের জন্যে ভালোবাসার নিদর্শন রাখা বাংলাদেশীদের বৃদ্ধাশ্রমের প্রতি অনাগ্রতা রয়েছে এই ভিনদেশেও। তবে তাদের উপযুক্ত সেবার জন্যে কেয়ার সার্ভিসকে গুরুত্ব দিচ্ছেন কমিউনিটি নেতারা।অভিভাবকের প্রতি দায়িত্ব ও ভালোবাসার উজ্জল  দৃষ্টান্ত রয়েছে বাংলাদেশীদের । তবে কোন কোন ক্ষেত্রে তার বিপরীত দৃশ্যপটও ভেসে আসে হরহামেশাই।

post
এনআরবি সাফল্য

২৪ দিনে রেমিট্যান্স এলো ১৪৯ কোটি ডলার

নভেম্বরের প্রথম ২৪ দিনে প্রবাসী বাংলাদেশিরা বৈধ পথে ও ব্যাংকিং চ্যানেলে ১৪৯ কোটি ২৯ লাখ ৪০ হাজার মার্কিন ডলার রেমিট্যান্স পাঠিয়েছেন। দৈনিক এসেছে গড়ে ৬ কোটি ২২ লাখ মার্কিন ডলার করে।সোমবার (২৭ নভেম্বর) বাংলাদেশ ব্যাংকের হালনাগাদ প্রতিবেদনে এ তথ্য জানা গেছে। তথ্য পর্যালোচনায় দেখা গেছে, চলতি মাসের ২৪ দিনে বেসরকারি ব্যাংকগুলোর মাধ্যমে ১৩৪ কোটি ১৫ লাখ ৯০ হাজার ডলার, রাষ্ট্রায়ত্ত ব্যাংকগুলোর মাধ্যমে ১০ কোটি ৫২ লাখ ৪০ হাজার ডলার, বিশেষায়িত একটি ব্যাংকের মাধ্যমে ৪ কোটি ১৫ লাখ ২০ হাজার মার্কিন ডলার এবং বিদেশি ব্যাংকগুলোর মাধ্যমে এসেছে ৪৫ লাখ ৫০ হাজার মার্কিন ডলার।অক্টোবর মাসে দেশে রেমিট্যান্স আসে ১৯৭ কোটি ৭৬ লাখ মার্কিন ডলার। সেপ্টেম্বরে আসে ১৩৩ কোটি ৪৩ লাখ ৫০ হাজার মার্কিন ডলার।অর্থবছরের প্রথম মাস জুলাইয়ে ১৯৭ কোটি ৩১ লাখ ৫০ হাজার মার্কিন ডলার এবং পরের মাস আগস্টে রেমিট্যান্স আসে ১৫৯ কোটি ৯৪ লাখ ৫০ হাজার মার্কিন ডলার। ২০২২-২৩ অর্থবছরে মোট রেমিট্যান্স এসেছিল ২ হাজার ১৬১ কোটি ৭ লাখ মার্কিন ডলার। তার আগের অর্থবছরে এসেছিল ২ হাজার ১০৩ কোটি ১৭ লাখ মার্কিন ডলার। ২০২০-২১ অর্থবছরে দেশে সর্বোচ্চ রেমিট্যান্স আহরণ হয়েছিল। যার পরিমাণ ছিল ২ হাজার ৪৭৭ কোটি ৭৭ লাখ মার্কিন ডলার।

post
এনআরবি সাফল্য

সারা কেয়ার ইউএসএ ব্রঙ্কস শাখার উদ্ভোধন

জলি আহমেদ: বরিবার, ১২ নভেম্বর ২০২৩ নিউইয়র্কের সারা হোমকেয়ার এর ব্রঙ্কস শাখা উদ্ভোধন করা হয়েছে ১২ নভেম্বর রবিবার। নতুন এই শাখায় রয়েছে সিডি প্যাপ ও হোমকেয়ারসহ আরো নানা সার্ভিস ।অনুষ্ঠানের আয়োজন এ সঞ্চানায় ছিলেন ইন্জি: আব্দুল খালেক (চেয়ারম্যান )ও এডভোকেট রিদয়ানা সেতু (ডিরেক্টর ) কে আর সেরা ইন কর্পোরেট। পুরো আয়োজনটি তাদের সাবলিল সঞ্চালনায় প্রানবন্ত হয়ে উঠে। অনুষ্ঠানের শুরুতে কোরআন তেলায়াত করেন মিরউল্লাহ ।সারা হোমকেয়ার এর প্রেসিডেন্ট ডা. শাহজাদী পারভীন সারা ও ভাইস প্রেসিডেন্ট ডা. জি সি পাটেল সরব উপস্থিতি অনুষ্ঠানটিকে আরো প্রানবন্ত করে তোলে। তারা দুজনেই নতুন শাখার খোলায় বেশ আশাবাদী। সহযোগী ও সহকর্মীদের উদ্দেশ্য করে ওনারা উৎসাহমূলক বক্তব্যও রাখেন। ডা. শাহজাদী পারভীন বলেন ,"আমি একজন ফামাসিষ্ট ,কিন্তু বয়ষ্ক মানুষ গুলো যেন সঠিক বেনিফিট পায় সে লক্ষ থেকেই হোমকেয়ার করেছি।” মানব সেবায় নিজেকে নিয়োজিত করতে তিনি “মা “ফাউন্ডেশন নামে আরোও একটি ননপ্রফিট অরগানাইজেশন করেছেন।উক্ত অনুষ্ঠানে বিশিষ্ট ব্যক্তিদের মধ্য উপস্থিত ছিলেন আব্দুল লতিফ সম্রাট, সাংবাদিক রিতা রহমান ,আলহ্বাজ সোলায়মান ভাইয়া ,বীর মুক্তিযোদ্ধ আব্দুস সালাম,বীর মুক্তিযোদ্ধ লিয়াকত আলী, ,বীর মুক্তিযোদ্ধ নাসির উদ্দিন, লেখক আবাব চৌধুরী,ফয়েজ চৌধুরী।ইমরান শাহ রন,মো:আনোয়ারুল আলম ভাইয়া প্রমুখ। বিশিষ্ট ব্যক্তিদের উওরিয় পরিয়ে সম্মানিত করা হয়।সারা হোমকেয়ার এ বিশেষ অবদানের জন্য তাদের। সহকর্মীদের হাতে উপহার তুলে দেয়া হয়। তাদের মধ্য উল্লেখযোগ্য হলেন-লিয়াকত আলী, সোলায়মান, আনোয়ার জাহিদ, লিটন, কোহিনুর ও শিউলী।অনুষ্ঠানে মনোমুগ্ধকর নাচ পরিবেশন করেন বাফার নৃত্যশিল্পিরা।গান পরিবেশন করেন আলী মাহমুদ ও নেন্সি।সবশেষে কেক কেটে নতুন শাখার শুভ সূচনা করা হয় ও সবাইকে নৈশভোজে আপ্যায়ন করা হয়।গান শুনতে শুনতে শুভ্র সুন্দর সুরের মুর্ছনায় সকলে উল্লাস করেন।

post
এনআরবি সাফল্য

মার্কিন নির্বাচনে বাংলাদেশী-আমেরিকান রাজনীতিবিদদের জয়-জয়কার

মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের নির্বাচনে বাংলাদেশিদের জয়-জয়কার। দেশটির ভার্জিনিয়া স্টেট পার্লামেন্টের সিনেটর হিসেবে বাংলাদেশি আমেরিকান সাদ্দাম সেলিম বিজয়ী হয়েছেন। মঙ্গলবার (৭ নভেম্বর) অনুষ্ঠিত এ নির্বাচনে ফিলাডেলফিয়া সিটির কাউন্সিল অ্যাট লার্জ (মেয়রের সমপর্যায়ের ক্ষমতাবান) পদে বিজয়ী হয়েছেন আরেক বাংলাদেশি আমেরিকান ড. নীনা আহমেদ। এদিকে নিউইয়র্ক সিটি কাউন্সিলে পুনরায় জয়ী হয়েছেন বাংলাদেশি বংশোদ্ভ’ত শাহানা হানিফ। মিলবোর্ন সিটির নির্বাচনে কাউন্সিলর হিসেবে পুনরায় জয়ী হয়েছেন নুরুল হাসান এবং সালাহউদ্দিন মিয়া। হাডসন সিটি কাউন্সিলেও ৪ বাংলাদেশি আমেরিকান পুনরায় বিপুল বিজয় পেয়েছেন। এরা হলেন, কাউন্সিলম্যান শেরশাহ মিজান, দেওয়ান সারওয়ার এবং রনী ইসলাম ও ওয়ার্ড সুপারভাইজার আব্দুস মিয়া। অপরদিকে মিশিগান স্টেটের হ্যামট্রমিক সিটির প্রো-টেম মেয়র হিসেবে দায়িত্ব পালনরত কামরুল হাসান টানা চতুর্থবারের মতো আবারো বিজয়ী হয়েছেন। এই সিটির নির্বাচনে প্রথমবারের মত কাউন্সিলর পদে বিজয়ী হলেন মোহতাসিন সাদমান। বিজয়ীরা ডেমক্র্যাটিক পার্টির প্রার্থী ছিলেন। নোয়াখালী জেলা সদরের সন্তান সাদ্দাম সেলিম ৭০% ভোট পেয়ে স্টেট সিনেটর হওয়ায় মার্কিন মুল্লুকে বাংলাদেশি আমেরিকান সিনেটরের সংখ্যা ৪ হলো। অপর সিনেটররা হলেন শেখ রহমান, মাসুদুর রহমান এবং নাবিলা ইসলাম। বিশ্বের রাজধানী খ্যাত নিউইয়র্ক সিটির ইতিহাসে প্রথম মুসলিম নারী ও প্রথম বাংলাদেশি বংশোদ্ভূত আমেরিকান হিসেবে দ্বিতীয় মেয়াদের জন্য কাউন্সিলওম্যান হিসেবে নির্বাচিত হলেন শাহানা হানিফ। তিনি ৭৫% ভোট পেয়েছেন। প্রেসিডেন্ট বারাক ওবামার উপদেষ্টা এবং ফিলাডেলফিয়া সিটির ডেপুটি মেয়র হিসেবে দায়িত্ব পালনকারী ড. নীনা আহমেদ এবার তৃণমূলের ভোটে ফিলাডেলফিয়া সিটির কাউন্সিলওম্যান অ্যাট লার্জ হিসেবে জয়ী হওয়ায় প্রবাসীরা উৎসবে মেতেছেন। উল্লেখ্য, ড. নীনা এর আগে পেনসিলভেনিয়া স্টেট অডিটর জেনারেল এবং লেফট্যানেন্ট গভর্ণর পদে ডেমক্র্যাটিক পার্টির টিকিটে লড়েছেন। কিন্তু জয়ী হতে পারেননি। সামগ্রিক অবস্থা বিবেচনায় রেখেই সিটি মেয়রের সমমর্যাদার একটি আসনে বিজয়ী হলেন। ড. নীনা হচ্ছেন এই সিটির প্রথম দক্ষিণ এশিয়ান কাউন্সিলম্যান ও প্রথম মুসলিম নারী। বিজয়ীদেরকে অভিনন্দন জানিয়েছেন জর্জিয়া স্টেট সিনেটর শেখ রহমান, কানেকটিকাট স্টেটের সিনেটর মাসুদুর রহমান এবং মিলবোর্ন সিটির মেয়র মাহবুবুল আলম তৈয়ব। বাংলাদেশি আমেরিকান কমিউনিটি ফোরাম অব পেনসিলভেনিয়ার পক্ষ থেকে প্রাণঢালা অভিনন্দন জানানো হয়েছে ড. নীনাকে। গভীর রাত অবধি এই সংগঠনের নেতা-কর্মীরা বিজয় উৎসব করেন ফিলাডেলফিয়া সিটিতে। 

post
এনআরবি সাফল্য

ফিলাডেলফিয়া সিটি কাউন্সিলম্যান অ্যাট লার্জ পদে বিজয়ী বাংলাদেশি বংশোদ্ভূত ড. নিনা আহমেদ

ড. নীনা আহমেদ পেনসিলভেনিয়া স্টেটের ফিলাডেলফিয়া সিটির ডেমোক্র্যাটিক পার্টি হতে ‘সিটি কাউন্সিলম্যান অ্যাট লার্জ’ পদে বিজয়ী হয়েছেন। ৭ নভেম্বর, মঙ্গলবার অনুষ্ঠিত এই নির্বাচনে মোট ৯ জন প্রার্থী লড়াই করেছিলেন, যেখানে বাংলাদেশি-আমেরিকান ড. নীনা আহমেদ অন্যান্যদের হারিয়ে বিজয়ী নির্বাচিত হয়েছেন। এই পদের গুরুত্ব এত বেশি যে এটি শহরের মেয়রের মতোই সার্বিক ভোটের মাধ্যমে নির্বাচিত হয় এবং মেয়রের সমান্তরাল ক্ষমতা বহন করে। কাউন্সিলম্যান অ্যাট লার্জ হিসেবে ড. আহমেদ সিদ্ধান্ত গ্রহণে মেয়রের পরামর্শ এবং সহযোগিতা প্রদান করবেন। এই নির্বাচনে ড. আহমেদের পাশাপাশি আরও ৪ জন বিজয়ী হয়েছেন। ড. আহমেদ এর আগে ফিলাডেলফিয়া সিটির ডেপুটি মেয়র হিসেবে দায়িত্ব পালন করেছেন। তাঁর বিজয়ে, আমেরিকার বাংলাদেশি কম্যুনিটি আনন্দের সাথে উদ্বেলিত হয়ে উঠেছে এবং সবাই তাকে অভিনন্দন জানাচ্ছেন। এদিকে, মিলর্বন বরোর কাউন্সিল নির্বাচনে দুই বাংলাদেশি, মোঃ নূরুল হাসান এবং সালাহউদ্দিন মিয়া বিনা প্রতিদ্বন্দ্বিতায় জয়ী হয়েছেন। নূরুল হাসানের এটি তৃতীয়বারের মতো জয়, এবং সালাহউদ্দিন মিয়া প্রথমবারের মতো নির্বাচিত হওয়ায় এটি তাঁর জন্য নতুন মাইলফলক। মিলর্বন বরো এখন বাংলাদেশি আমেরিকানদের দ্বারা পরিচালিত হচ্ছে, যেখানে মেয়র, কাউন্সিলম্যানদের এবং ট্যাক্স কালেক্টর পদে বাংলাদেশি আমেরিকানরা বিজয়ী হয়েছেন। বাংলাদেশি আমেরিকান কমিউনিটি ফোরাম অব পেনসিলভেনিয়া এই তিনজনের বিজয়ের জন্য তাঁদের উষ্ণ অভিনন্দন জানিয়েছেন। এই বিজয় নতুন প্রজন্মের জন্য অনুপ্রেরণা এবং সম্ভাবনার দ্বার উন্মোচন করছে।

post
এনআরবি সাফল্য

বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থার আঞ্চলিক পরিচালক নির্বাচিত হয়েছেন সায়মা ওয়াজেদ

প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার কন্যা সায়মা ওয়াজেদ বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থার (ডব্লিউএইচও) দক্ষিণ– পূর্ব এশিয়া অঞ্চলের পরিচালক নির্বাচিত হয়েছেন। আজ বুধবার ভারতের নয়াদিল্লিতে অনুষ্ঠিত ডব্লিউএইচওর আঞ্চলিক সম্মেলনে এ নির্বাচন হয়। নয়াদিল্লি থেকে ফেসবুক পোস্টে পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী মো. শাহরিয়ার আলম এ তথ্য জানান। পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী তাঁর পোস্টে লিখেছেন, সায়মা ওয়াজেদ ৮-২ ভোটে নির্বাচিত হয়েছেন। তিনি আগামী পাঁচ বছরের জন্য দায়িত্ব পালন করবেন। সায়মা ওয়াজেদ তাঁর এক্স (সাবেক টুইটার) অ্যাকাউন্টে দেওয়া পোস্টে নির্বাচিত হওয়ার খবর জানান। তিনি বলেন, ‘আঞ্চলিক পরিচালক হিসেবে নির্বাচিত করায় আমি ডব্লিউএইচওর দক্ষিণ–পূর্ব এশিয়া অঞ্চলের সদস্যরাষ্ট্রগুলোকে ধন্যবাদ জানাই। আমাদের অঞ্চলের জনস্বাস্থ্যে অবদানের জন্য আমি বিদায়ী পরিচালক ড. পুনম ক্ষেত্রপাল সিংয়ের প্রতি কৃতজ্ঞতা জানাই।’ বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থার প্রেস বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়েছে, আগামী বছরের (২০২৪) ১ ফেব্রুয়ারিতে সায়মা ওয়াজেদ তাঁর দায়িত্ব গ্রহণ করবেন। এর আগে বাংলাদেশ সরকার বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থার দক্ষিণ-পূর্ব এশিয়া অঞ্চলের আঞ্চলিক পরিচালক পদে সায়মা ওয়াজেদকে মনোনীত করেছিল। ডব্লিউএইচও দক্ষিণ–পূর্ব অঞ্চলবিষয়ক কার্যালয় ওই সংস্থার ছয়টি আঞ্চলিক অফিসের মধ্যে একটি। সায়মা ওয়াজেদ ১৯৯৭ সালে যুক্তরাষ্ট্রের ব্যারি বিশ্ববিদ্যালয় থেকে মনোবিজ্ঞানে স্নাতক এবং ২০০২ সালে ক্লিনিক্যাল মনস্তত্ত্বে স্নাতকোত্তর ডিগ্রি অর্জন করেন। পররাষ্ট্রমন্ত্রী এ কে আব্দুল মোমেন আজ দুপুরে তাঁর দপ্তরে সাংবাদিকদের বলেন, ‘আজ আমরা একটা সুখবর পেয়েছি। খুবই সুখবর। আমরা অনেক দিন ধরেই এ নির্বাচনের জন্য প্রচারণা চালাচ্ছিলাম। প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার কন্যা সায়মা ওয়াজেদ বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থার (ডব্লিউএইচও) দক্ষিণ-পূর্ব এশিয়ার আঞ্চলিক পরিচালক হিসেবে আগামী পাঁচ বছরের জন্য নির্বাচিত হয়েছেন।’

About Us

NRBC is an open news and tele video entertainment platform for non-residential Bengali network across the globe with no-business vision just to deliver news to the Bengali community.