post
এনআরবি বিশ্ব

কুয়েতে নিজস্ব জমিতে হবে বাংলাদেশ দূতাবাস

তিন দিক ঘিরে রয়েছে চীন, ফিলিস্তিন ও জাপানের দূতাবাস এবং একদম পাশ ঘেঁষেই রয়েছে জাতিসংঘের একটি ভবন। এরই মাঝামাঝি স্থানে নিজস্ব জমিতে হতে যাচ্ছে বাংলাদেশ দূতাবাসের চ্যান্সরী ভবন।দেশটির মুশরেফ এলাকার ডিপ্লোমেটিক জোনে কুয়েতের বরাদ্দকৃত ২টি জমি রাষ্ট্রদূতকে বুঝিয়ে দিতে দেশটির পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের প্রতিনিধিরা স্বশরীরে উপস্থিত হন সেখানে। এসময় রাষ্ট্রদূত জানান, প্রয়োজনীয় সকল প্রক্রিয়া সম্পন্ন শেষে দ্রুত কুয়েতে নিজস্ব চ্যান্সরী ভবন এবং বাংলাদেশ হাউজ নির্মাণের কাজ শুরু করা হবে। চ্যান্সরী ভবন এবং বাংলাদেশ হাউজ এর জন্য বরাদ্দকৃত জমি পরিদর্শন করেন, প্রতিরক্ষা উপদেষ্টা বিগ্রেডিয়ার জেনারেল মুহাম্মদ হাসান উজ-জামান, কাউন্সিলর ও দূতালয় প্রধান মুহাম্মদ মনিরুজ্জামান সহ দূতাবাসের জ্যেষ্ঠ কর্মকর্তারা।

post
এনআরবি বিশ্ব

আমিরাতে প্রতিষ্ঠিত বাংলাদেশী ব্যবসায়ীর সংখ্যা বাড়ছে

সংযুক্ত আরব আমিরাতে প্রতিষ্ঠিত বাংলাদেশী ব্যবসায়ীর সংখ্যা বেশ বড়। এদের মধ্যে কিছু ব্যবসায়ী দীর্ঘ দিন ধরে সুনামের সাথে ব্যবসা করে আসছেন। তাদের মধ্যে আবার কেউ কেউ আমিরাতের গন্ডি পেরিয়ে ব্যবসার ক্ষেত্র প্রসারিত করছেন বহিঃবিশ্বে। তাদেরই একজন সিলেটের মুরাদুল ইসলাম। বিগত ত্রিশ বছর ধরে মরুর দেশটিতে এই প্রবাসী করছেন সুগন্ধি ব্যবসা।সিলেটের ওসমানী নগর বালাগঞ্জ থানার মৃত আবুল হোসেনের ছেলে মুরাদুল ইসলাম। প্রায় চার দশক আগে পাড়ি জমান সংযুক্ত আরব আমিরাতে। চার বছর চাকরির পর ১৯৯১ সালে স্বল্প পরিসরে শুরু করেন, সুগন্ধি তৈরীর প্রধান কাঁচামাল আগার উদের ব্যবসা। বিভিন্ন চড়াই উৎরাই পেরিয়ে ১৯৯৬ সালে আবুধাবিতে শুরু করেন নিজস্ব প্রতিষ্ঠান "রিহ্ আল মাদিনা উদ এন্ড পারফিউমস কোম্পানি এলএলসি"। পরে দুবাইতে প্রতিষ্ঠানটির প্রধান কার্যালয়, বেশ কয়েকটি আউটলেট এবং আজমানে তৈরি করেন কারখানা।ইন্দোনেশিয়া, মালয়েশিয়া এবং সিঙ্গাপুর থেকে কাঁচামাল হিসেবে আগার উদ আমদানি করে প্রসেসিং-এর পর তা সরবরাহ করা হয়। আমিরাতের বিভিন্ন রাজ পরিবার ও সরকারী দপ্তরের পাশাপাশি সৌদি আরব ও কাতারসহ মধ্যপ্রাচ্যের প্রায় প্রতিটি দেশে সুগন্ধি সরবরাহ করছে মুরাদুল ইসলাম।বর্তমানে ইউরোপ, আমেরিকা ও কানাডায় সুগন্ধি রপ্তানির মাধ্যমে সেখানেও বাংলাদেশের প্রতিনিধিত্ব করার সিদ্ধান্ত নিয়েছেন তিনি। ইতিমধ্যে যার কার্যক্রম শুরু হয়েছে যুক্তরাজ্যে সুগন্ধি সরবরাহের মাধ্যমে।সিলেট ইবনে সিনা হাসপাতালের অংশীদার মুরাদুল ইসলাম বাংলাদেশেও বেশ কয়েকটি ব্যবসা প্রতিষ্ঠান পরিচালনা করছেন। দেশের মানুষের জন্যেও কিছু করতে চান সফল এই রেমিটেন্স যোদ্ধা।

post
আন্তর্জাতিক

ইরান-ইসরায়েল সংঘাত: জর্ডান কেন বেঈমানি করলো?

সুত্র: দ্য ক্রেডল, দ্য নিউ ইয়র্ক টাইমসইরানের কনস্যুলেটে ইসরায়েলের হামলার পর ইসরায়েলকে লক্ষ্য করে যখন ইরান ড্রোন ও ক্ষেপনাস্ত্র হামলা করে, তখন বেশিরভাগ আরব দেশ ইরানের পক্ষ নিলেও জর্ডান ইসরায়েলের পক্ষ নেয়। জর্ডানের ওপর দিয়ে যাওয়ার সময় ধ্বংস করে দেওয়া হয় ইরানের ক্ষেপনাস্ত্রগুলো। এতে খোদ জর্ডানেই শুরু হয়েছে সরকারবিরোধী বিক্ষোভ। কিন্তু স্রোতের বিপরীতে গিয়ে কেন জর্ডানের এই ইসরায়েলপন্থী পদক্ষেপ? বিগত বছরগুলোতে ধীরে ধীরে ফিলিস্তিন ও আরব বিশ্বের মতবাদ থেকে সরে এসেছে জর্দান। গত বছরের ৫ নভেম্বরেই জর্ডানের রাজা দ্বিতীয় আবদুল্লাহ গাজায় জর্ডানের হাসপাতালে চিকিৎসা সহায়তা পাঠাতে সফল হয়েছেন বলে বক্তব্য দেন। কিন্তু এদিকে ইসরায়েলের দিকে ছোঁড়া ইরানের ক্ষেপনাস্ত্র আটকাতে সক্রিয় হয়ে ওঠে জর্ডানের বিমানবাহিনী।জর্ডান সরকার এক বিবৃতিতে বলে, আত্মরক্ষার জন্য এই উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। এগুলো (ইরানের ড্রোন ও ক্ষেপণাস্ত্র) আমাদের জনগণ ও জনবহুল এলাকার জন্য হুমকিস্বরূপ ছিল। এরপর নিজেদেরকে নিরপেক্ষ প্রমাণ করতে জর্ডানের পররাষ্ট্রমন্ত্রী এক বিবৃতিতে বলেন, ইরানি হোক আর ইসরায়েলি, জর্ডানের আকাশসীমায় প্রবেশ করা যে কোনো ক্ষেপনাস্ত্র বা ড্রোন প্রতিহত করা হবে। এই বিবৃতির নিন্দা জানিয়েছে জর্ডানের সরকারবিরোধীরা। তারা দাবি করে, ইসরায়েলি যুদ্ধবিমান এর আগেও জর্ডানের আকাশসীমায় প্রবেশ করেছে- বিশেষ করে সিরিয়ায় অভিযান চালানোর সময়ে। তখন জর্ডান কোনো বাধা দেয়নি। ইরান থেকে ইসরায়েলে ক্ষেপনাস্ত্র ছোঁড়ার সময়েও নিজেদের আকাশসীমায় ইসরায়েলি যুদ্ধবিমান প্রবেশে বাধা দেয়নি জর্ডান। ইসরায়েলের চ্যানেল ১২ জানিয়েছে, ইসরায়েলি যুদ্ধবিমান জর্ডান এবং সিরিয়ার আকাশসীমানায় প্রবেশ করে এবং সেখানে ইরান থেকে ছোঁড়া ক্ষেপনাস্ত্র এবং ড্রোন ধ্বংস করে। এমনকি ইসরায়েলি যুদ্ধবিমানের পাশাপাশি তাদের মিত্র যুক্তরাষ্ট্রের যুদ্ধবিমানও এক্ষেত্রে জর্ডানের আকাশসীমায় প্রবেশ করে থাকতে পারে। আরব বিশ্বের সাথে বেঈমানি করে ইসরায়েলের সাথে হাত মেলানো জর্ডানের জন্য নতুন কিছু নয়। ১৯৪৮ থেকে ১৯৭৩ পর্যন্ত ইসরায়েলের সাথে জর্ডানের চারটি যুদ্ধ হয়। ১৯৯৪ সালে এক শান্তি চুক্তি হওয়ার পর থেকে এই দুই দেশের মধ্যে আর কোনো সংঘর্ষ হয়নি। এমনকি তাদের মধ্যে বেশ কয়েকটি নিরাপত্তা চুক্তিও হয়েছে। জর্ডানের জনসংখ্যার একটি বড় অংশ ফিলিস্তিনি এবং তাদের বংশধর। ১৯৪৮ সালে ইসরায়েল রাষ্ট্র প্রতিষ্ঠার পর এসব ফিলিস্তিনি ভূমিহীন হয়ে পড়ে এবং জর্ডানে আশ্রয় নেয়। ইসরায়েলের সাথে সম্পর্ক ভালো হয়ে আসার সুবাদে ১৯৭০ সালে একবার ফিলিস্তিনিদের উৎখাতের চেষ্টাও করে জর্ডান। সে সময়ে ইসরায়েল ও যুক্তরাষ্ট্রের সমর্থন নিয়ে প্রায় ১৫ হাজার ফিলিস্তিনিদের হত্যার কারণ হয়ে দাঁড়ান তৎকালীন জর্ডান রাজা হুসেইন বিন তালাল। যুক্তরাষ্ট্র, যুক্তরাজ্য এবং ফ্রান্সের কয়েকটি সামরিক ঘাঁটি রয়েছে জর্ডানে, যেখান থেকে তারা নিয়মিতই ইসরায়েলকে সহায়তা করে থাকে এবং সিরিয়া, ইরাক, লেবানন ও ইরানে আড়ি পাতার কাজ করে থাকে। জর্ডানের এমন বেঈমানিতে চুপ করে নেই ইরান। ইরানের সামরিক বাহিনীর এক সুত্রের বরাত দিয়ে দেশটির সংবাদ সংস্থা মেহর জানায়, জর্ডানের গতিবিধি পর্যবেক্ষণ করবে ইরান। যদি তারা ইসরায়েলের সাথে হাত মেলায়, তবে জর্ডান হয়ে উঠবে ইরানের পরবর্তী লক্ষ্য। জর্ডানের সরকারের ওপর এর নাগরিকরাও বিরক্ত। কয়েক সপ্তাহ ধরে আম্মানে ইসরায়েলের দূতাবাসের সামনে জড়ো হয়ে কয়েক হাজার স্থানীয় মানুষ বিক্ষোভ প্রদর্শন করছেন। তারা ১৯৯৪ সালে ইসরায়েল ও জর্ডানের মধ্যে সই হওয়া শান্তি চুক্তি বাতিলেরও আহ্বান জানান। এমন অবস্থায় আরব বিশ্ব জর্ডানকে একঘরে করে ফেলবে, এমন সম্ভাবনা দেখা যাচ্ছে। তবে জর্ডান যদি ইসরায়েল-ইরানের এই সংঘর্ষে আগ বাড়িয়ে আর কোনো পদক্ষেপ না নেয়, তাহলে তাদের ঘরে বাইরে দুই জায়গাতেই শান্তি বজায় থাকবে। 

post
বিশেষ প্রতিবেদন

মন ভালো রাখতে মেনে চলুন কিছু নিয়ম

মন ভালো রাখতে আমরা কত কিছুই না করি। তবে সহজ কিছু উপায় আছে যেগুলো মেনে চললে মন ভালো রাখা যায়। আসুন টিপসগুলো জেনে নেই: ঘুম: মন ভালো রাখতে স্বাস্থ্যকর খাবার ও পর্যাপ্ত ঘুম একান্ত দরকার। খাবারের সময় বদল করবেন না। আর প্রতিদন অন্তত ৮ ঘণ্টা ঘুম খুবই জরুরি। ঘুম আর খাওয়া ঠিক থাকলে আপনার মন এমনিই ভালো থাকবে। হাসি: মন ভালো রাখতে চাইলে হাসি সবচেয়ে উল্লেখযোগ্য উপায়। তাই প্রাণ খুলে হাসুন। হাসি মস্তিষ্কে এন্ডরফিনের মাত্রা বাড়ায়, যা মানসিক শান্তি প্রদান করে। ঘুরতে বের হন: সপ্তাহে একদিন এমন জায়গায় ঘুরে আসুন যেখানে শান্তি আছে, বা মানুষের ভিড় অনেক কম। এতে মনে প্রশান্তির সৃষ্টি হয়। পারলে খেলাধুলা করুন, সেটা অবশ্যই খোলা মাঠে। পরিষ্কার থাকুন: নিজের বাড়ি বা অফিসের ডেস্ক সব সময় পরিষ্কার পরিচ্ছন্ন রাখুন। জামা কাপড়, বই, ম্যাগাজিন সবই নিজের জায়গায় রাখুন। পরিচ্ছন্নতা মন ভালো রাখে। বন্ধুদের ফোন করুন: ম্যাসেজ করবেন না, বন্ধুর সঙ্গে ফোনে কথা বলুন। তাঁকে বলুন আপনার কষ্টের কথা। পরামর্শ চাইতে পারেন তাঁর কাছ থেকে। নতুন কিছু করুন: নেতিবাচক ভাবনা থেকে বেরিয়ে যান। নতুন কিছু করুন। জিমে ভর্তি হোন বা রান্নার ক্লাসে ভর্তি হোন। আগামীকাল সকালে উঠে নতুন কী করবেন তাঁর পরিকল্পনা করুন। এছাড়াও চোখে মুখে ঠান্ডা পানির ঝাপটা দিন। সুযোগ থাকলে গোসল করে পরিষ্কার কাপড় পরুন। এই সামান্য কাজটাও আপনার মন ভালো করে দিতে পারে।

post
সংবাদ

ভারী বর্ষণ, আমিরাত থেকে ঢাকাগামী ৯ ফ্লাইট বাতিল

সংযুক্ত আরব আমিরাতে ভারী বর্ষণের কারণে সে দেশের দুবাই ও শারজাহ থেকে ঢাকাগামী মোট নয়টি ফ্লাইট বাতিল করা হয়েছে। হযরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরের নির্বাহী পরিচালক গ্রুপ ক্যাপ্টেন কামরুল ইসলাম দ্য ডেইলি স্টারকে এ তথ্য জানিয়েছেন।তিনি জানান, এয়ার অ্যারাবিয়া ৫টি এবং এমিরেটস ও ফ্লাই দুবাই দুটি করে ফ্লাইট বাতিল করেছে।গত কয়েকদিন ধরে মরুভূমির দেশ সংযুক্ত আরব আমিরাতে ঝড়, বজ্রসহ ভারী বৃষ্টিপাত ও বন্যায় জনজীবন বিপর্যস্ত হয়ে পরেছে। বন্যায় প্রধান সড়ক এবং দুবাইয়ের ইন্টারন্যাশনাল এয়ারপোর্টের কিছু অংশ প্লাবিত হয়েছে বলে জানা গেছে। দুবাই এয়ারপোর্ট কর্তৃপক্ষের আবহাওয়ার তথ্য অনুযায়ী, সোমবার দিনের শেষে বৃষ্টি শুরু হয়। ২০ মিলিমিটার বৃষ্টিতে দুবাইয়ের রাস্তা নিমজ্জিত হয়েছে। মঙ্গলবার পর্যন্ত ১৪২ মিলিমিটারের বেশি বৃষ্টিতে ২৪ ঘণ্টা ধরে ডুবে আছে দুবাই। বিশ্বের ব্যস্ততম বিমানবন্দরগুলোর একটি দুবাই আন্তর্জাতিক বিমানবন্দর। দুই দিনের বৃষ্টিতে বিমানবন্দরে উড়োজাহাজ অবতরণের স্থানে পানি জমে গেছে। মঙ্গলবার রাতে বন্যার পানির মধ্যে যাত্রীদের টার্মিনালে পৌঁছাতে যথেষ্ট কষ্ট হয়েছে এবং পরে এ বিমানবন্দরে ফ্লাইট অবতরণ বন্ধ করে দেওয়া হয়। 

post
এনআরবি বিশ্ব

বেড়াতে যাওয়া এক বাংলাদেশীকে অপহরণের দায়ে মিশরে তিন প্রবাসী বাংলাদেশী গ্রেপ্তার

এলামি মোঃ কাউসার, কায়রো, মিশরবেড়াতে যাওয়া এক বাংলাদেশীকে অপহরণের দায়ে তিন প্রবাসী বাংলাদেশীকে গ্রেপ্তার করছে মিশরের পুলিশ। পাঁচ সদস্যের তিনজনকে গ্রেপ্তার করলেও দুজন এখনো পলাতক রয়েছেন। গ্রেপ্তারকৃতরা হলেন মোস্তফা, নাজিম ও নোমান। ইতিমধ্যেই এই তিন অপহরণকারী স্বীকারোক্তিমূলক জবানবন্দী দিয়েছেন। বাকি দুজনকে গ্রেপ্তারের চেষ্টা চলছে বলে জানিয়েছেন আইনশৃঙ্খলার বাহিনীর সদস্যরা। ঘটনা ১০ এপ্রিল ঈদুল ফিতরের রাতে। ইফতারির পরপর মিশরের আলেকজান্দ্রিয়া শহরের আমারিয়া এলাকায় টুরিস্ট ভিসায় আসা আলমগীর নামের এক বাংলাদেশীকে অপরহরণ করে পাঁচ সদস্যের একটি প্রবাসী বাংলাদেশী দল। অপহরণের পর অমানবিক নির্যাতন চালানো হয় আলমগীরের উপর। তখন গোপনে একজন তা ধারণ করে ছেড়ে দেন সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে। মুহুর্তেই ছড়িয়ে পড়লে ফুসে উঠে সেখানে বসবাসরত প্রবাসী বাংলাদেশীরা। রাত এগারোটার দিকে ক্ষুব্ধ প্রবাসীরা ঘটনাস্থল থেকে আলমগীরকে উদ্ধার করে। তবে পালিয়ে যায় অপহরণকারীরা। যদিও ভিডিও দেখে আসামীদের শনাক্ত করে ফেলেন স্থানীয় পুলিশ। ঐ রাতেই তাদের গ্রেপ্তার করা হয়। জানা যায়, অপহরণের শিকার হওয়া ভিকটিমের নাম আলমগীর। বাংলাদেশে তার বাড়ি পাবনায় জেলায়। কিছুদিন আগেই তিনি মিশরে এসেছেন টুরিস্ট ভিসায়। অপহরণকারী দলের প্রধান মোস্তফার সাথে তার পূর্বপরিচয় ছিলো। একসয়ম তার গার্মেন্টস প্রতিষ্ঠানে তিনি কাজ করতেন। বেতন ভাতা পাওনাসহ কিছু আর্থিক লেনদেন ছিলো মোস্তফার সাথে। সেসবের জেড় ধরেই আলমগীরকে অপহরণ করা হয়েছিলো বলে ধারণা করা হচ্ছে। মুক্তি পাবার পর হাসপাতালে গিয়ে প্রাথমিক চিকিৎসা নিয়েছেন আলমগীর। তারপর থানায় গিয়ে পুরো ঘনটা তিনি পুলিশের কাছে তুলে ধরেণ। স্থায়ী ভিসা না থাকায় বাংলাদেশ দূতাবাসের সহযোগীতায় তাকে দেশে পাঠানো প্রস্তুতি চলছে।এদিকে অপহরনকীরা দলের প্রধান মোস্তফার বাড়ি বাংলাদেশের পাবনা জেলার আটঘরিয়া থানার একদুরত্বপুর গ্রামে। তিনি কয়েক বছর ধরে মিশরে বসবাস করছেন। দেশে স্ত্রী থাকলে এখানে এসে তিনি দ্বিতীয় করেন। তার বর্তমান স্ত্রীর আগের সংসারের দুটি সন্তান রয়েছে।গ্রেপ্তার হওয়া অপর দুই সদস্যের মধ্যে নাজিমের বাড়িও পাবনায় আর নোমানের বাড়ি কুমিল্লায়। অপহরণের মতো অপরাধের জন্য মিশরে কঠিন শাস্তির বিধান রয়েছে। সংশ্লিষ্ট পুলিশ কর্মকর্তা জানিয়েছেন সব কিছু প্রমাণিত হলে আনুমানিক দশ বছর কারাদন্ড হতে পারে এই অপহরণকারীদের।

post
সংবাদ

লেবাননে বাংলাদেশিদের ঈদ উৎসব

লেবাননে গত কয়েক বছরের তুলনায় বাংলাদেশিদের এবারের ঈদ উৎসব কেটেছে অনেকটা স্বস্তিতে। ঈদের ছুটিতে ভূমধ্যসাগরপাড়সহ বিনোদন কেন্দ্রগুলোতে ছিলো বাংলাদেশিদের ঢল। পরবাসে ঈদ আনন্দের আমেজ আনতে প্রবাসী বন্ধুদের সাথে চলেছে বিরামহীন আড্ডা ও ঘুরাঘুরি। ঈদ উপলক্ষে বাংলাদেশিদের কেউ কেউ, অস্থায়ী দোকান খুলে বাড়তি অর্থ আয় করছেন। সবার মুখে রয়েছে আনন্দ।

post
এনআরবি বিশ্ব

ওমানে প্রবাসীদের ঈদ পুনর্মিলনী

ঈদের আনন্দ ভাগাভাগি করতে ওমানে প্রবাসী বাংলাদেশিদের ঈদ পুনর্মিলনী অনুষ্ঠিত হয়েছে। বাংলাদেশ সোশ্যাল ক্লাবের চেয়ারম্যান সিরাজুল হকের আলখয়েরের বাসভবনে এ আয়োজন করা হয়। এতে ক্লাবের কার্যকরী পরিষদের সদস্য, সোশ্যাল ক্লাবের কর্মকর্তা, কমিউনিটির বিশিষ্ট ব্যক্তি,ব্যবসায়ী, পেশাজীবী ও সুশীল সমাজের প্রতিনিধিসহ অনেকেই সপরিবারে অংশগ্রহণ করেন। বহুদিন পর সবাই একত্রিত হওয়ায় এসময় সৃষ্টি হয় আনন্দঘন পরিবেশের। হই-হুল্লোড়, গল্প, আড্ডা ছাড়াও কমিউনিটির নানান সমস্যা তুলে ধরে, এর সমাধানের রাস্তা খুঁজে বের করতেও সবাই ঐকমত্য প্রকাশ করেন। খোশগল্পে প্রবাসীদের ঈদের আনন্দের মাত্রা বেড়ে যায় বহুগুণ।

post
বিশেষ প্রতিবেদন

আবুধাবিতে প্রবাসীদের ঈদ পুনর্মিলনী

আবুধাবিতে ইউর্স হোম রিয়েল এস্টেট কোম্পানির উদ্যোগে ঈদ পুনর্মিলনী ও মতবিনিময় সভা অনুষ্ঠিত হয়েছে। কোম্পানির চেয়ারম্যান আলহাজ্ব আবুল বশরের বাড়িতে এ আয়োজন করা হয়। আবুল বশরের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠান পরিচালনা করেন সাইদুল ইসলাম জাবেদ। এতে প্রধান মেহমান ছিলেন আমিরাতে সফররত আল্লামা হাসান রেজা আল ক্বাদেরী। এসময় উপস্থিত ছিলেন, বাংলাদেশ সমিতি ইউএইর সাধারণ সম্পাদক আব্দুস সালাম তালুকদার, সহসভাপতি আব্দুল কুদ্দুস খালেদ, যুগ্ন সম্পাদক রুহুল আমীন চৌধুরী, মাওলানা মাহমুদ উল্লাহ, কমিউনিটি নেতা ও ব্যবসায়ী মাওলানা আবুল কালাম আজাদ, ব্যবসায়ী শওকত হাসান, মোহাম্মদ নাছির, সাইদুল ইসলাম জাবেদ, নজির হোসন, নুর আহমদ বাদশাহ, আব্দুল মজিদ, আবু তাহের, আবু বকর সিদ্দিক, সাইফুদ্দিন, জালাল উদ্দীন, সেলিম সিকদার, মোহাম্মদ আসিফ, ইলিয়াস, ফয়সাল এবং নাইমসহ অনেকে।

post
এনআরবি সাফল্য

দুবাইতে সফল প্রবাসী মোজাম্মেল হক

কুমিল্লা চান্দিনার মহিচাইল ইউনিয়নের হারলদা গ্রামের হাজী মোহাম্মদ ফজলুর রহমানের ছেলে মোঃ মোজাম্মেল হক। প্রায় ১০ বছর সৌদি আরবে ব্যবসা করে সফলতা অর্জনের পর,২০২১ সালে আমিরাতে শুরু করেন নতুন ব্যবসা। দুবাইতে তিনি একে একে তৈরি করেন "ইয়ামিন টেকনিক্যাল সার্ভিস এলএলসি ও এমডি নাহিদ মোবাইল ফোন এন্ড ইলেকট্রনিক্সসহ চারটি প্রতিষ্ঠান। কর্মসংস্থানের ব্যবস্থা করেন প্রায় একশো বাংলাদেশীর। মোজাম্মেল হকের প্রতিষ্ঠান "ইয়ামিন টেকনিক্যাল সার্ভিস" থেকে সকল প্রকার মেনটেনেন্স এর কাজ করা হয়। এছাড়াও "এমএস ট্রাভেল এন্ড টুরিজম" থেকে সব ধরনের টিকেটিং, দুবাইয়ের এমপ্লয়মেন্ট ভিসা, পার্টনার ভিসা, মাল্টিপল ভিসা ও ওমরা ভিসাসহ সকল ধরনের ভিসা প্রসেসিং করা হয়। চান্দিনা প্রবাসী কল্যাণ সংগঠন সংযুক্ত আরব আমিরাতের সাধারণ সম্পাদক হিসেবে দায়িত্ব পালন করছেন মোজাম্মেল। পাশাপাশি আরও বেশ কয়েকটি সামাজিক সংগঠনের সাথেও দীর্ঘদিন ধরে কাজ করে আসছেন, সফল এই রেমিটেন্স যোদ্ধা।

About Us

NRBC is an open news and tele video entertainment platform for non-residential Bengali network across the globe with no-business vision just to deliver news to the Bengali community.