post
আন্তর্জাতিক

আইএওটিপির-২০২৩'র সেরা অ্যাটর্নিদের একজন হলেন বাঙ্গালী মেয়ে মোহাইমিনা

ইন্টারন্যাশনাল অ্যাসোসিয়েশন অব টপ প্রোফেশনালাস অ্যাওয়ার্ড-২০২৩ এর শীর্ষ অ্যাটর্নিদের তালিকায় জায়গা করে নিয়েছেন বাঙ্গালী পরিবারের সন্তান অ্যাটর্নি মোহাইমিনা হক। যুক্তরাষ্ট্রের ওয়াশিংটন ডিসিতে তার প্রতিষ্ঠিত পিএলএলসি ল’ ফার্মের মাধ্যমে পেশাগত জগতে বিশেষ ভূমিকা রাখায় তিনি এই সম্মানে ভূষিত হয়েছেন। চলতি বছরের ২ ডিসেম্বরে নিউইয়পিকের আইকনিক প্লাজা হোটেলের আইএওটিপির বার্ষিক গালা নাইটে তাকে অ্যাওয়ার্ড প্রদানের মাধ্যমে সম্মানিত করা হবে। প্রতি বছর বিভিন্ন পেশায় অসামান্য অবদান রাখার জন্য ডাক্তার, ইঞ্জিনিয়ার, অ্যাটর্নি, এ্যাক্সিকিউটিভ শিল্পী ও অন্য পেশাদের মধ্য থেকে সেরাদের তালিকা প্রকাশ করে আইএওটিপি। পেশাগত দক্ষতা, একাডেমিক কৃতিত্ব, নেতৃত্বের দক্ষতা, কর্মক্ষেত্রে স্থায়ীত্বসহ অন্যান্য অনুষঙ্গ বিচার করে তৈরি করা হয় সেরাদের তালিকায়। সে সব যোগ্যতার ভিত্তিতে এই বছরের সেরা অ্যাটর্নিদের তালিকায় যারা জায়গা করে নিয়েছেন মোহাইমিনা হক। মোহাইমিনা হক তার ক্লায়েন্টদের কাছে পরিচিত ‘অ্যাটর্নি মিনা’ নামে। ব্যাক্তিগত ও যে কোন প্রতিষ্ঠানের জটিল সব কেস দক্ষতা ও আন্তরিকতার সাথে সমাধান দিয়ে থাকেন তিনি। যার কারণে গ্রেটার ওয়াশিংটন ডিসিতে মিনা বেশ পরিচিত একটি নাম। আইনী পরামর্শক হিসেবে পেশাগত জগতে বেশ জনপ্রিয় তিনি। সেবা গ্রহনকারীদের পরার্মশ দেয়া থেকে আদালতে গিয়ে প্রতিনিধিত্ব করা পর্যন্ত ব্যাপক সহায়তা করার বিশেষ সুনাম রয়েছে তার। কর্পোরেট আইন, অভিবাসন আইন, টর্ট আইনসহ আর বেশ কিছু বিষয়ে মিনা আইনি সেবা দিয়ে এসেছেন সফলতার সাথে। এছাড়া ব্যক্তিগত সমস্যা, বাণিজ্যিক চুক্তি, ফ্র্যাঞ্চাইজি আইন, মানহানি, ভোক্তা অর্থ এবং ট্রেডমার্ক, শক্তিশালী ট্র্যাক রেকর্ড, মিথ্যা বিজ্ঞাপনসহ বিভিন্ন বিষয়ে ওয়াশিংটন ডিসি-তে আইনী সেবা প্রদান করে থাকেন। এই সফলতার হার বিবেচনা করেই আইএওটিপির সেরা অ্যাটর্নিদের তালিকায় জায়গা করে নিয়েছেন মোহাইমিনা। সোশাল ও পাবলিক পলিসি বিষয়ের উপর জর্জটাউন বিশ্ববিদ্যালয় থেকে মোহাইমিনা হক তার স্নাতক এবং স্নাতকোত্তর করেন। এরপর তিনি আমেরিকান ইউনিভার্সিটির ওয়াশিংটন কলেজ অফ ল থেকে মর্যাদাপূর্ণ কাম লাউড ডিস্ট্রিঙ্কশনের সঙ্গে স্নাতক সম্পন্ন করেন। পেশাগত জীবন শুরুর পর তিনি মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের সিনেটের প্রয়াত সিনেটর এডওয়ার্ড কেনেডির অফিসে নির্বাচকদের জন্য অভিবাসন মামলায় কাজ করেছিলেন। কাজ করেছেন ভার্জিনিয়া সিনেটর মার্ক ওয়ার্নারের হয়েও। এছাড়া তিনি ওবামা প্রশাসনের সময় হোয়াইট হাউসে ইন্টার্নশিপের জন্য যারা নির্বাচিত হয়েছিলেন তাদের মধ্যে একজন ছিলেন। তারই ধারাবাহিকতায় তিনি প্রেসিডেন্টের কার্যনির্বাহী অফিসে ডোমেস্টিক পলিসি কাউন্সিলে দায়িত্ব পালন করেন। বিশ্বব্যাপী কাজ করার জন্য তিনি বিভিন্ন অ্যাওয়ার্ড অর্জন করেন। চলতি বছর তাকে আইএওটিপি-এর ক্ষমতাপ্রাপ্ত নারী পুরস্কারের জন্য এবং টাইমস স্কোয়ারের বিখ্যাত নাসডাক বিলবোর্ডে প্রদর্শনের জন্য বিবেচনা করা হচ্ছে। এছাড়া ২০২১ সালে ওয়াশিংটনিয়ান ম্যাগাজিন মোহাইমিনা হককে একজন অসাধারণ নারী হিসেবে উল্লেখ করা হয়েছে। মোহাইমিনার জন্ম বাংলাদেশে সম্ভ্রান্ত এক পরিবারে। তারা দাদা ফিরুজোর রহমান মাস্টার ছিলেন ফরিদপুরের বিখ্যাত একজন ব্যবসায়ী। আর নানা আদিলুদ্দিন আহমেদ ছিলেন যুক্ত ফ্রন্টের সাবেক মন্ত্রী। মোহাইমিনা এক বছর বয়সে যুক্তরাষ্ট্রে চলে আসেন। তারা বাবা মিজানুর রহমান বাংলাদেশ চেম্বার অব ইন্ড্রাসি বিসিআইয়ের একজন ডিরেক্টর। দুই ভাই বোনের মধ্যে মোহাইমিনা বড়। একই পেশায় আছেন মোহাইমিনার স্বামী মো: এহতেশামুল হকও। তিনি প্রযুক্তি ও লেনদেন বিষয়ক অ্যাটর্নি। দুই কন্যা ও স্বামীসহ পরিবার নিয়ে মোহাইমিনা বসবাস করেন ওয়াশিংটন ডিসি মেট্রো এলাকায়।

post
আন্তর্জাতিক

মুসলিম কমিউনিটির ব্যবসায়িক সম্পর্ক উন্নয়নের লক্ষ্য স্টার্লিংয়ে হলো প্রথম আমিন-অ্যাডাম অ্যাক্সপো

যুক্তরাষ্ট্রের ভার্জিনিয়ার স্টার্লিংয়ে মুসলিম কমিউনিটিকে নিয়ে প্রথমবারের মতো আয়োজিত হলো আমিন-অ্যাডাম অ্যাক্সপো। ১৮ মার্চ শনিবার আমিন প্রজেক্ট ও অ্যাডাম সেন্টারের যৌথ আয়োজনে অনুষ্ঠিত হয় একদিনের এই অ্যক্সপো।ডিএমভি এরিয়ার অর্ধশতাধিক নানা রকম পণ্য ও সেবামূলক প্রতিষ্ঠানের অংশ গ্রহনের বাণিজ্যিক এই প্রদর্শনীতে ভিড় করে মুসলিম কমিউনিটির হাজারো দর্শনার্থী। বেশ কিছু অন্যান্য কমিউনিটি বেজড কাজের পাশাটাশি মুসলিম ব্যবসায়ী ও উদোক্তাদের এক সাথে মিলিত করা এবং তাদের ব্যবসায়িক উন্নয়নের লক্ষ্যে দুই বছর আগে থেকে কাজ শুরু করে আমিন প্রজেক্ট। সেই প্রজেক্টের অধীনে বিজেনেস নেটওয়ার্কের অংশ হিসেবে অ্যাডাম সেন্টারের সাথে যৌথভাবে আয়োজন করে এই অ্যাক্সপোর। একদিনের এই অ্যাক্সপোতে দর্শনার্থীদের এমন সাড়া দেখে অভিভুত আয়োজকরা।অ্যাডাম সেন্টারের পুরোটা জায়গা জুড়ে বিস্তৃত ছিলো এই আয়োজন। নানা রকম পণ্যের সেম্পল, হালাল নিউট্রেশন পণ্য, বিশ্ববিদ্যালয়, আইটি ট্রেইনিং, চাকরির নিয়োগ, হেলথ সার্ভিস, রিয়েলেস্টেট, মটগেজ, ইন্সুইরেন্স, ডিজিটাল মার্কেটিং সার্ভিস, হ্যান্ডিক্রাপট, স্কিন ক্যারিয়ারের প্রতিষ্ঠানসহ নানা রকম ব্যবসায়ীক প্রতিষ্ঠান অংশ নিয়েছিলো প্রদর্শনীতে। প্রতিটি স্টলের প্রতিনিধিরা দর্শকদের সাথে ব্যস্ত সময় কাটিয়েছেন দিনভর। নিজেদের পণ্য ও সেবার তথ্য পৌছে দিতে পেরেছেন সরাসরি।নারী উদ্যেক্তাদের অংশগ্রহন ছিলো চোখে পড়ার মত। ডিএমভির বাইরের দূরের স্টেট থেকে অংশ নিয়েছে কেউ কেউ। ঈদের কেনাকাটার সুযোগ ছিলো এখানে। মুসলিম কমিউনিটির বিভিন্ন দেশের নারী উদ্যেক্তারা হরেক রকম কাপড়ের স্টল নিয়ে বসেছিলো অ্যক্সপোতে। দর্শকদের সবচেয়ে বেশি ভিড় ছিলো কাপড়ের স্টলগুলোতে। ওয়াশিংটন ইউনিভার্সিটি অব সায়েন্স অ্যান্ড টেকনোলজি এবং সফট স্কিল ডেভেলপমেন্টের আইটি ইনস্টিটিউট পিপলএনটেকর মতো বড় প্রতিষ্ঠানও অংশ নিয়েছিলো প্রদর্শনীতে। ডব্লিউইউএসটির চ্যান্সেলর আবুবকর হানিপের সাথে সরাসরি কথা বলার সুযোগ পেয়েছেন শিক্ষার্থী ও অভিভাবকগণ। উপস্থিত ছিলেন পিপলএনটেকের প্রেসিডেন্ট ফারহানা হানিপও। সার্বিক আয়োজন ও ব্যবস্থাপনা দেখে প্রশংসা করেন আগত দর্শনার্থীরাও। হালাল খাবারের বেশ কয়েকটি স্টল বসেছিলো অ্যাডাম সেন্টারের নীচ তলাতে। শুধু ব্যবসায়িক সম্পর্ক উন্নয়নই নয়, মাহে রমজানরের আগে মুসলিম কমিউনিটির একে অপরের সাথে দেখা হবার সুযোগ তৈরি হয়েছিলো এই আমিন-অ্যাক্সপোর মাধ্যমে।

post
আন্তর্জাতিক

আইটিখাতে ভবিষ্যত প্রজন্ম গঠনে ডব্লিউইউএসটির দারুণ সম্ভাবনা দেখছেন সিনেটর পিটার্সেন

যুক্তরাষ্ট্রের ওয়াশিংটন ইউনিভার্সিটি অব সায়েন্স অ্যান্ড টেকনোলজি পরিদর্শন করে গেলেন ভার্জিনিয়ার ফেয়ারফ্যাক্স স্টেট সিনেটর জন চ্যাপম্যান পিটারসেন। সোমবার ডব্লিউইউএসটি পরিদর্শন শেষে তিনি বলেন, চ্যান্সেলর আবুবকর হানিপের নেতৃত্বে ডব্লিউইউএসটি ভবিষ্যত প্রজন্ম গঠনে যেভাবে এগিয়ে চলছে তা প্রশংসার দাবিদার। যে কোন প্রয়োজনে এই বিশ্ববিদ্যালয়ের কাজে আসতে চান বলে জানান তিনি। এর আগে গত ১৮ জানুয়ারি ভার্জিনিয়া সিনেট অ্যাসেম্বলিতে ওয়াশিংটন ইউনিভার্সিটি অব সাইন্স টেকনোলজিকে বিশেষ রিকগনিশন দেন ভার্জিনিয়ার চল্লিশজন সেনেটর। সেই বিশেষ মুহুর্তের পর সিনেটর পিটারসেন এবার নিজেই পরিদর্শন করলেন তার নির্বাচনী এলাকার বিশ্ববিদ্যালয় ডব্লিউইউএসটি। এসেই ক্যাম্পাস ঘুরে দেখেন পিটারসেন। বিভিন্ন কক্ষ ঘুরে সে সম্পর্কে ব্রিফিং নেন তিনি। পরে ডব্লিউইউএসটির হলরুমে বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষক- কর্মকর্তাদের সঙ্গে মতবিনিময়ে বসেন। প্রেসিডেন্ট হাসান কারাবার্কের পরিচালনায় উপস্থিত সবাই পরিচিত হন সিনেটর পিটারসনের সাথে। আধা ঘন্টার ওই মতবিনিময়ে সিনেটরের সামনে তুলে ধরা হয় ওয়াশিংটন ইউনিভাসির্টি অব সায়েন্স অ্যান্ড টেকনোলজির শিক্ষাপদ্ধতি, নিজেদের বিশেষত্ব, বিশ্ববিদ্যালয়ের মিশন ও ভিশন। মার্কেটিং ডিরেক্টর হোসে উর্তেগার উপস্থাপনার পর পিটারসেন তার মন্তব্যে ডব্লিউইউএসটির দারুন সম্ভাবনার কথা উল্লেখ করেন। তিনি বলেন, ভবিষ্যত যেদিকে হাটছে এই বিশ্ববিদ্যালয় সেই প্রজন্ম তৈরি করার লক্ষ্যেই কাজ করছে। প্রথম বাংলাদেশি আমেরিকান হিসেবে ইঞ্জিনিয়ার আবুবকর হানিপের এই উদ্যোগের প্রশংসা করেন সিনেটর চ্যাপম্যান পিটারসেন। এই মিশনে তিনি নিজেও সংযুক্ত হবার প্রত্যাশা ব্যক্ত করেন। বলেন, তার এলাকায় পরিচালিত এই বিশ্ববিদ্যালয়ের যে কোন প্রয়োজনে তিনি পাশে থাকতে চান। গত ২৫ বছর ধরে ডেমোক্রেটের একজন প্রতিনিধি হয়ে আমেরিকায় মুলধারায় রাজনীতি করে আসছেন পিটারসেন। সিনেট অ্যাসেম্বলির বিশেষ সম্মাননার পর তার এই পরিদর্শনে উচ্ছসিত চ্যান্সেরল ইঞ্জিনিয়ার আবুবকর হানিপ। তিনি বলেন, ওয়াশিংটন ইউনিভার্সিটি অব সায়েন্স অ্যন্ড টেকনোলজির দায়িত্ব নেবার পর থেকে এমন কাউকে খুজছিলেন যার পরামর্শে আরও সঠিকভাবে বিশ্ববিদ্যালয়টি এগিয়ে যেতে পারবেন। এতোদিনে সেই মানুষটা মনে হয় তিনি পেয়ে গেছেন। যিনি নিজ আগ্রহে হাত বাড়িয়ে দিয়েছেন। পরিদর্শনে আসার জন্য সিনেটর পিটারসনকে ধন্যবাদ জানান, ডব্লিউইউএসটির প্রধান অর্থকমর্কতা ফারহানা হানিপ।এই আয়োজনে উপস্থিত ছিলেন বিশ্ববিদ্যালয়ের দুই ভাইস প্রেসিডেন্ট ড. জাফর পিরিম ও ড. শ্যান চো এবং স্কুল অব বিজনেস'র পরিচালক ড. মার্ক এল রবিনসন ছাড়াও ডব্লিউইউএসটির সব বিভাগের শিক্ষক ও কর্মকর্তাগণ। সিনেটর পিটারসেনের হাতে বিশ্ববিদ্যালয়ের পক্ষ থেকে তুলে দেয়া হয় বিশেষ উপহার। এরপর নিজ আগ্রহে সবার সাথে ছবি তোলায় অংশ নেন সিনেটর। তার বর্তমান সিনেটর মেয়াদের শেষ কার্য দিবস আসছে ৩১ মার্চ। সেদিন রাতে একটি নৌশভোজের আয়োজন করতে যাচ্ছেন তিনি। সেই নৌশভোজে সবাইকে আমন্ত্রন জানিয়ে বিদায় নেন সিনেটর পিটারসেন। বলে যান, সময় পেলেই আবারও ছুটে আসবেন ডব্লিউইউএসটির ক্যাম্পাসে। 

post
প্রযুক্তি

জাতীয় মোবাইল ব্রাউজার তর্জনী উদ্বোধন করলেন পলক

আইসিটি বিভাগের উদ্যোগে উদ্বোধন হয়েছে জাতীয় মোবাইল ব্রাউজার তর্জনী।তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি প্রতিমন্ত্রী আগারগাঁওস্থ বিসিসি অডিটরিয়ামে ঐতিহাসিক ৭ই মার্চ উপলক্ষ্যে আইসিটি বিভাগের উদ্যোগে দেশের সাধারণ জনগণকে বাংলায় ইন্টারনেট ব্যবহারে সহায়তা প্রদানে “জাতীয় মোবাইল ব্রাউজার তর্জনী” এর উদ্বোধন করেন।অনুষ্ঠানে জুনাইদ আহমেদ পলক বলেছেন ‘ঐতিহাসিক ৭ই মার্চে সাড়ে ৭ কোটি মানুষকে বঙ্গবন্ধু যে তর্জনীর ইশারা দিয়েছিলেন, সেই তর্জনীর ইশারায় দেশের ব্যাংক, বীমা, অফিস আদালতসহ সবকিছুই পরিচালিত হয়েছিল। তর্জনী উঁচিয়ে জাতিকে স্বাধীনতা সংগ্রামের জন্য ঐক্যবদ্ধ করেছিলেন এবং মুক্তিযুদ্ধের দিকনির্দেশনা দিয়েছিলেন। কীভাবে একটি সামরিক শক্তির বিরুদ্ধে যুদ্ধ পরিচালনা ও ঝাপিয়ে পড়তে আহ্বান জানান।অনুষ্ঠানে বাংলাদেশ কম্পিউটার কাউন্সিলের নির্বাহী পরিচালক রনজিৎ কুমার এর সভাপতিত্বে অন্যান্যোর মধ্যে বক্তব্য রাখেন আইসিটি বিভাগের সচিব মো. সামসুল আরেফিন, ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের তথ্যপ্রযুক্তি ইন্সটিটিউটের অধ্যাপক ড. বি এম মইনুল হোসেন এবং ডিজিটাল লিটারেসি সেন্টারের প্রকল্পের প্রকল্প পরিচালক সাইফুল আলম খান।প্রতিমন্ত্রী বলেন, আমরা এখন ডিজিটাল বাংলাদেশ থেকে স্মার্ট বাংলাদেশে প্রবেশ করছি। এই স্মার্ট বাংলাদেশের সুফল পেতে হলে আমাদের শুধু বিদেশ নির্ভর সেবার ওপর নির্ভর করে থাকলে চলবে না। আমাদের স্বাবলম্বী হতে হবে। আমরা এমন একটি ‘স্মার্ট বাংলাদেশ ইকোসিস্টেম তৈরি করতে চাই, যেটি হবে স্বাবলম্বী। সেই স্বাবলম্বী স্মার্ট বাংলাদেশের জন্য আমরা এনেছি তর্জনী। পলক বলেন, আমরা আত্মনির্ভরশীল স্মার্ট বাংলাদেশ গড়তে চাই যেখানে আমাদের নিজস্ব অপারেটিং সিস্টেম থাকবে, নিজস্ব ব্রাউজারে ব্যবহারকারীরা ইন্টারনেট ব্যবহার করবে। আমরা শুধু ফ্রিল্যান্সিং ও আউটসোর্সিং করবো না, আমাদের দেশ থেকেও গুগল, অ্যামাজন, ফেসবুক ও আলীবাবার মতো বিলিয়ন-ট্রিলিয়ন ডলারের কোম্পানি তৈরি ও উদ্ভাবনে তরুণদের সহযোগিতা করাই আমাদের আইসিটি বিভাগের মূল উদ্দেশ্য। সেই ক্ষেত্রে তর্জনী প্রকাশের মাধ্যমে আজ একটা বিশাল অগ্রগতি হলো। এখানে সরকারের বিভিন্ন সেবা, নিউজপোর্টাল ও বিনোদনের ব্যবস্থা রয়েছে।উল্লেখ্য, বাংলাদেশ কম্পিউটার কাউন্সিলের (বিসিসি) এস্টাবলিসমেন্ট অব সিকিউরড ই-মেইল ফর গভর্নমেন্ট অ্যান্ড ডিজিটাল লিটারেসি সেন্টার এর উদ্যোগে চালু করা ‘তর্জনী’ ব্রাউজার। গুগল ক্রোম একটি দ্রুত এবং নিরাপদ ব্রাউজার, যা সারা বিশ্বে ব্যাপকভাবে ব্যবহৃত হয়। অন্যদিকে তর্জনী ব্রাউজারটি তৈরি করা হয়েছে বাংলা ভাষা ব্যবহারকারীদের ভাষাগত জটিলতা দূরীকরণের জন্য। ব্রাউজারটিতে শুধু বাংলা নয়, ব্যবহারকারীদের জন্য রয়েছে ইংরেজি ভাষাও। অ্যাপল এবং গুগল প্লে স্টোরে মিলবে নিরাপদ ও দ্রুতগতির এই বাংলাদেশি ব্রাউজার। এর আগে সকালে প্রতিমন্ত্রী আইসিটি টাওয়ার চত্বরে স্থাপিত বঙ্গবন্ধুর ভাস্কর্যে পুষ্পস্তবক অর্পণ করেন। এসময় আইসিটি বিভাগের সচিব মো. সামসুল আরেফিনসহ বিভাগ ও সংস্থা সমূহের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তাগণ উপস্থিত ছিলেন।

post
বাংলাদেশ

হাজারীবাগে গড়ে উঠেছে চামড়া পণ্যের ক্লাস্টার: বছরে লেনদেন প্রায় ৬০ কোটি টাকা।

পরিবেশ ছাড়পত্র সহজ করা এবং সাভারের ট্যানারি পল্লীর পাশে উদ্যোক্তাদের জায়গা বরাদ্দের চেষ্টা করছে উন্নয়নে সহায়তা করছে এসএমই ফাউন্ডেশন।রাজধানীর হাজারীবাগে গড়ে উঠেছে বাহারী ও মানসম্পন্ন চামড়া পণ্যের ক্লাস্টার। এই ক্লাস্টারে বছরে লেনদেন হচ্ছে প্রায় ৬০ কোটি টাকা। ক্লাস্টারটির পণ্যের মানোন্নয়ন, বহুমুখীকরণ এবং উদ্যোক্তা-কর্মীর দক্ষতা উন্নয়নে সহায়তা করছে এসএমই ফাউন্ডেশন। ০৯ মার্চ ২০২৩ আগারগাঁও পর্যটন ভবনে এসএমই ফাউন্ডেশনের চেয়ারপার্সন অধ্যাপক ড. মো. মাসুদুর রহমানের সভাপতিত্বে ‘হাজারীবাগ এলাকায় লেদার প্রোডাক্ট ক্লাস্টারের সম্ভাবনা ও করণীয়’ সেমিনারে এসব তথ্য জানানো হয়। অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি ছিলেন পরিবেশ অধিদপ্তরের মহাপরিচালক ড. আবদুল হামিদ। সেমিনারে বিশেষ অতিথি ছিলেন এসএমই ফাউন্ডেশনের ব্যবস্থাপনা পরিচালক ড. মো. মফিজুর রহমান, পরিচালক পর্ষদ সদস্য মির্জা নূরুল গণী শোভন এবং বাণিজ্য মন্ত্রণালয়ের অতিরিক্ত সচিব মো. হাফিজুর রহমান এবং হাজারীবাগ লেদার ক্র্যাফটস অ্যাসোসিয়েশনের সভাপতি তানিয়া ওয়াহাব।মূল প্রবন্ধে এসএমই ফাউন্ডেশনের উপমহাব্যবস্থাপক আবু মঞ্জুর সাইফ বলেন, এসএমই ফাউন্ডেশনের ক্লাস্টার ম্যাপিং স্টাডি অনুযায়ী রাজধানীর হাজারীবাগে পুরনো ট্যানারি পল্লীতে গড়ে ওঠা লেদার ক্লাস্টারটিতে চামড়া থেকে তৈরি জুতা, বেল্ট, মানিব্যাগ, জ্যাকেট, অফিসিয়াল ব্যাগসহ নানা ধরনের পণ্য উৎপাদন করা হয়। হাজারীবাগ ট্যানারি মোড় থেকে লেদার টেকনোলজি কলেজ পর্যন্ত হাজারীবাগ বাজার, ধানমণ্ডি ১৫ নম্বর বাসস্ট্যান্ড গলিসহ পুরো এলাকাজুড়ে প্রায় ৩৫০-৪০০ দোকান, শোরুম ও চামড়াজাত পণ্যের ছোট কারখানা রয়েছে।এসএমই ফাউন্ডেশনের ব্যবস্থাপনা পরিচালক ড. মো. মফিজুর রহমান বলেন, ক্লাস্টারটির বাৎসরিক লেনদেন প্রায় ৫০-৬০ কোটি টাকা। দেশীয় বাজারে উন্নত মানের চামড়াজাত পণ্য সরবরাহের পাশাপাশি ক্লাস্টারটির বেশ কিছু উদ্যোক্তা বিদেশেও পণ্য রপ্তানি করে থাকেন। হাজারীবাগ লেদার ক্লাস্টারের প্রায় সকল উদ্যোক্তাই নিজস্ব শো-রুম থেকে সরাসরি পাইকারি ও খুচরা বিক্রয় করে থাকেন। পাশাপাশি চুক্তি ভিত্তিতে উদ্যোক্তারা দেশের বিভিন্ন স্বনামধন্য ব্র্যান্ডের জন্য চামড়াজাত বহুমুখী পণ্য সরবরাহ করে থাকেন। ক্লাস্টারের বেশ কিছু উদ্যোক্তা বিদেশে পণ্য রপ্তানি করেন। এসএমই ফাউন্ডেশন ক্লাস্টারটির উন্নয়নে নানা কর্মসূচি বাস্তবায়ন করছে। ফাউন্ডেশনের সহায়তায় অ্যাসোসিয়েশন প্রতিষ্ঠা করা হয়েছে। পণ্যের মানোন্নয়নে প্রশিক্ষণসহ অনলাইনে ক্লাস্টার পণ্য বাজারজাতকরণের লক্ষ্যে ফাউন্ডেশন হাজারীবাগ ক্লাস্টারে অনলাইন-মার্কেটিং প্রশিক্ষণ প্রদান করা হচ্ছে। এছাড়া ফাউন্ডেশন কর্তৃক আয়োজিত জাতীয় ও আঞ্চলিক এসএমই পণ্য মেলায় ক্লাস্টারের উদ্যোক্তারা অংশগ্রহণ করে থাকেন। ক্রেডিট হোলসেলিং কর্মসূচির আওতায় চামড়াজাত পণ্যের উদ্যোক্তাদের মাঝে ঋণ বিতরণ করা হচ্ছে।এসএমই ফাউন্ডেশনের চেয়ারপার্সন অধ্যাপক ড. মো. মাসুদুর রহমান বলেন, ২০২৬ সালের মধ্যে বাংলাদেশ স্বল্পোন্নত দেশ থেকে বেরিয়ে উন্নয়নশীল দেশে উন্নীত হওয়ার পর ইউরোপীয় বাজারে বাংলাদেশের তৈরি পোশাক রপ্তানিতে শুল্কমুক্ত সুবিধা নাও থাকতে পারে। এক্ষেত্রে তৈরি পোশাকের পাশাপাশি অথবা বিকল্প হিসাবে সম্ভাবনাময় খাত হতে পারে চামড়া শিল্প। উদ্যোক্তাদের দাবি, চামড়াজাত পণ্যের গুণগত মানোন্নয়ন, পণ্য বহুমুখীকরণ, নীতিগত বাধা দূর করা, কমপ্লায়েন্স অনুসরণ, সহজ শর্তে ঋণ, শুল্ক ও কর অব্যাহতি এবং নগদ প্রণোদনাসহ পরিবহন ও বন্দরে লজিস্টিক সুবিধা প্রদান করা হলে সম্ভাবনাময় এই খাত দেশের অর্থনীতিতে অবদান রাখার পাশাপাশি বৈদেশিক মুদ্রা অর্জনে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করবে।পরিবেশ অধিদপ্তরের মহাপরিচালক ড. আবদুল হামিদ বলেন, এখানকার ছোট চামড়া পণ্যের কারখানার পরিবেশ ছাড়পত্র প্রাপ্তি সহজ করার পাশাপাশি সাভারের ট্যানারি পল্লীর পাশে উদ্যোক্তাদের জায়গা বরাদ্দের চেষ্টা করছে সরকার। চামড়া পণ্যের ক্লাস্টারের উন্নয়নে যথাযথ কার্যক্রম গ্রহণ করবে বলেও আশ্বাস দেন তিনি।

post
বাংলাদেশ

বাংলাদেশ ট্রাভেল অ্যান্ড ট্যুরিজম মেলা শুরু

ট্যুর অপারেটরস অ্যাসোসিয়েশন অব বাংলাদেশ (টোয়াব) এর আয়োজনে শুরু হয়েছে ১১তম বাংলাদেশ ট্রাভেল অ্যান্ড ট্যুরিজম ফেয়ার (বিটিটিএফ)। এবারের আন্তর্জাতিক এই পর্যটন মেলায় টাইটেল স্পন্সর হিসেবে আছে ফার্স্ট ট্রিপ। রাজধানীর বঙ্গবন্ধু আন্তর্জাতিক সম্মেলন কেন্দ্রে শুরু হয়েছে তিন দিনব্যাপী বাংলাদেশ ট্রাভেল অ্যান্ড ট্যুরিজম ফেয়ার-২০২৩। বৃহস্পতিবার (২ মার্চ) দুপুরে মেলার উদ্বোধন করেন বেসামরিক বিমান চলাচল ও পর্যটন প্রতিমন্ত্রী মো. মাহবুব আলী।দেশের সবচেয়ে বড় পর্যটন এই মেলায় মুক্তিযোদ্ধা ও শিক্ষার্থীদের জন্য প্রবেশ ফি থাকছে না। অন্যরা ৩০ টাকা এন্টি ফি দিয়ে মেলায় অংশগ্রহণ করতে পারবে। আন্তর্জাতিক ও দেশি এয়ারলাইন্স, ট্যুরিজম বোর্ড, ট্রাভেল এজেন্সি, ট্যুর অপারেটর, হোটেল, রিসোর্ট, ক্রুজ লাইনার ও হাসপাতাল অংশ নিয়েছে। তারা নিজেদের সেবার উপর বিশেষ মূল্য ছাড়সহ নানান সুবিধা দিচ্ছে। এছাড়া ট্যুর অপারেটররা দিচ্ছে বিভিন্ন আকর্ষণীয় প্যাকেজ।মেলায় ৩টি হলে ১৪টি প্যাভিলিয়নসহ ১৫০টি স্টল রয়েছে। মেলা প্রতিদিন সকাল ১০টা থেকে রাত ৮টা পর্যন্ত দর্শনার্থীদের জন্য উন্মুক্ত থাকবে। এবার মেলায় দুটি সেমিনার আয়োজন করা হয়েছে।আন্তর্জাতিক এই মেলার আয়োজন করেছে ট্যুর অপারেটর অ্যাসোসিয়েশন অব বাংলাদেশ (টোয়াব)। এবারের মেলায় পৃষ্ঠপোষকতা করছে ফার্স্টট্রিপ। মেলার সার্বিক সহযোগিতায় রয়েছে বাংলাদেশ সরকারের বেসামরিক বিমান পরিবহন ও পর্যটন মন্ত্রণালয়, বাংলাদেশ পর্যটন করপরেশন, বাংলাদেশ ট্যুরিজম বোর্ড, এফবিসিসিআই এবং বাংলাদেশ ট্যুরিস্ট পুলিশ।উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে বেসামরিক বিমান চলাচল ও পর্যটন প্রতিমন্ত্রী মো. মাহবুব আলী বলেন, দেশের পর্যটন খাতের অসীম সম্ভাবনা রয়েছে। এই মেলার মাধ্যমে দেশের পর্যটন খাত সংশ্লিষ্টরা বাংলাদেশের পর্যটন খাতের সম্ভাবনাকে আমাদের দেশসহ অন্যান্য দেশে মানুষের সামনে তুলে ধরার সুযোগ পাবেন। টোয়াবের এই মেলা দেশি-বিদেশি পর্যটক আকৃষ্ট করতে সহায়ক হবে।উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করেন ট্যুর অপারেটর অ্যাসোসিয়েশন অব বাংলাদেশের সভাপতি ও বাংলাদেশ ট্যুরিজম বোর্ডের সদস্য শিবলুল আজম কোরেশী। অনুষ্ঠানটি সঞ্চালনা করেন মোহাম্মদ ইউনুস।উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে আরও উপস্থিত ছিলেন বেসামরিক বিমান পরিবহন ও পর্যটন সচিব মোকাম্মেল হোসেন, স্পেনের রাষ্ট্রদূত ফ্রান্সিস্কো ডি আসিস বেনিটেজ সালাস,বাংলাদেশ পর্যটন করপোরেশনের চেয়ারম্যান মোহাম্মদ আলী কদর, বাংলাদেশ ট্যুরিজম বোর্ডের প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা আবু তাহের মোহাম্মদ জাবের, শ্রীলঙ্কান হাইকমিশনের ফার্স্ট সেক্রেটারি শ্রীমালি জয়ারত্না, জাপান দূতাবাসের ফার্স্ট সেক্রেটারি কেন কমিনি, জাপান ন্যাশনাল ট্যুরিজম অরগানাইজেশনের সিনিয়র ডাইরেক্টর কানয়াকুমারী প্রমুখ।বিভিন্ন দেশের জাতীয় পর্যটন সংস্থা ও ট্যুরিজম অ্যাসোসিয়েশন অংশগ্রহণ করেছে। এছাড়াও ভারত, নেপাল, মালদ্বীপ, শ্রীলংকা, সংযুক্ত আরব আমিরাত, ভিয়েতনাম, জাপান ও তুরস্কের ট্যুর অপারেটর এবং ট্রাভেল এজেন্টরা অংশ নিয়েছে মেলায়।রাজধানীর বঙ্গবন্ধু আন্তর্জাতিক সম্মেলনে কেন্দ্রে এই পর্যটন মেলা চলবে আগামী ৪ মার্চ পর্যন্ত।

post
টেক মেন্টর

নাটোরের সিংড়ায় জাপানি শিক্ষা পদ্ধতি কুমন উদ্বোধন করলেন পলক

তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি প্রতিমন্ত্রী জুনাইদ আহমেদ পলক ২৮ ফেব্রুয়ারি (মঙ্গলবার) নাটোরের সিংড়া দমদমা পাইলট স্কুল এ্যান্ড কলেজে তথ্যপ্রযুক্তি অধিদপ্তর ও ব্র্যাক কুমন লিমিটেডের যৌথ উদ্যোগে দেশের শেখ রাসেল ডিজিটাল ল্যাবগুলেতে জাপানি আফটার স্কুল শিক্ষা পদ্ধতি 'ব্রাক কুমন' এর আনুষ্ঠানিক উদ্বোধন করেন।অনলাইন প্ল্যাটফর্মে যুক্ত হয়ে প্রধান অতিথির বক্তব্যে পলক বলেন, আধুনিক শিক্ষায় দক্ষতা অর্জন ও স্মার্ট বাংলাদেশ বিনির্মাণে ‘ব্র্যাক কুমন’ শিক্ষা পদ্ধতি বাস্তবায়ন গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করবে।তিনি বলেন, পৃথিবীতে তিনটি সম্পদ আছে যা বিতরণ করলে ও অন্যের সাথে ভাগাভাগি করলে কমে যায়না বরং বৃদ্ধি পায় এবং তা হলো- ভালোবাসা, সম্মান ও জ্ঞান। তাই গণিত ও ইংরেজির ভীতি দূর করে পারস্পরিক সহযোগিতা ও বন্ধুত্বের মাধ্যমে আফটার স্কুল লার্নিং পদ্ধতি আগামী প্রজন্মকে আধুনিক শিক্ষায় দক্ষ করে তুলবে।প্রতিমন্ত্রী ২০৩১ সালের মধ্যে ৩৫ হাজার শেখ রাসেল ডিজিটাল ল্যাবে কুমন পদ্ধতির শিক্ষাব্যবস্থা চালু করা হবে জানিয়ে বলেন, ব্রাক কুমন পদ্ধতি শিক্ষা ব্যবস্থার পাশাপাশি ‘লার্নিং ইকোসিস্টেম গড়ে তুলতে শিক্ষার্থীদের অনেক বেশি উৎসাহিত করবে। প্রতিভা বিকাশের মাধ্যমে স্মার্ট বাংলাদেশের ভবিষ্যৎ স্মার্ট নাগরিক হিসেবে নিজেদের গড়ে তুলতে কোমলমতি শিশুকিশোরদের প্রতি তিনি আহ্বান জানান।সিংড়া উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা মাহমুদা খাতুনের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে অন্যান্যের মধ্যে বক্তৃতা করেন ব্র্যাক কুমন লিমিটেডের ম্যানেজিং ডিরেক্টর লেডি সৈয়দা সারওয়াত আবেদ, তথ্যপ্রযুক্তি অধিদপ্তরের মহাপরিচালক মোস্তফা কামাল, জেলা শিক্ষা অফিসার আক্তার হোসেন, নাটোরের সিংড়ার মেয়র জান্নাতুল ফেরদৌস, মনেরবন্ধু প্রতিষ্ঠাতা তৌহিদ শিরোপা, দমদমা হাইস্কুল অ্যান্ড কলেজের অধ্যক্ষ আনোয়ারুল ইসলাম, স্থানীয় আওয়ামী লীগের সভাপতি অহিদুর রহমান, জাপান থেকে আগত কুমন বাংলাদেশের প্রকল্প পরিচালক কৈচি সান জেট্রো বাংলাদেশের আবাসিক প্রতিনিধি উইজি আন্দো প্রমুখ।অনুষ্ঠানে জানানো হয়, প্রতিষ্ঠার ১৬ তম বর্ষে ৬১ দেশে ২৪ হাজার সেন্টার আছে কুমনের।

post
বাংলাদেশ

৩ মার্চ শুরু হচ্ছে ‘বেকার্স ফেস্টিভ্যাল সিজন-৪’

এফ কমার্স বেইজড হোম বেকারদের অনলাইন কমিউনিটি ‘বিডি বেকার্স’ এর তত্ত্বাবধানে ‘বেকার্স ফেস্টিভ্যাল সিজন-৪’ অনুষ্ঠিত হতে যাচ্ছে।মহাখালীর এস কে এস টাওয়ার এর সেনা গৌরব হলে (লেভেল ৯) মার্চের ৩ ও ৪ তারিখ (শুক্র ও শনিবার) দুই দিনব্যাপী বেকিং এবং কেক ডেকোরেশন মেলার আয়োজন করা হয়েছে। মেলাটি প্রতিদিন সকাল ১১টা থেকে রাত ৮টা পর্যন্ত সকলের জন্য উন্মুক্ত থাকবে।মেলায় ঘরে তৈরি হরেক রকমের কেক, ডেজার্ট ও অন্যান্য খাবার প্রদর্শন এবং বিক্রির ব্যবস্থা থাকছে। অংশগ্রহণকারী প্রতিষ্ঠান ও উদ্যোক্তারা ঘরে বানানো বিভিন্ন ফ্লেভারের কেক, কুকিস, নানা রকমের মুজ, চকোলেট, ফ্রেঞ্চ স্পেশাল ডেজার্ট, হরেকরকম স্বাদের চিজকেক, নানা রকমের ব্রেড, বান, প্যাটিস থেকে শুরু করে নানা পদের দেশী বিদেশী খাবার নিয়ে আসবেন।এছাড়াও কাস্টোমাইজড কেক ডেকোরেশন শিখতে আগ্রহীদের জন্য থাকবে বেশ কয়েকটি ওয়ার্কশপ। মেলায় প্রবেশাধিকার সবার জন্য উন্মুক্ত থাকলেও বেকিং ওয়ার্কশপে অংশগ্রহণ করতে চাইলে ১ মার্চের মধ্যে রেজিস্ট্রেশন করতে হবে। এছাড়া দেশের জনপ্রিয় কাস্টোমাইজড কেক প্রস্তুতকারকদের তৈরি ডিসপ্লে কেক নিয়ে একটি ছোট প্রদর্শনীর ব্যবস্থাও থাকবে দর্শনার্থীদের জন্য।বেকিং এবং কেক সাজানোর প্রয়োজনীয় সরঞ্জাম ও কাঁচামাল সরবরাহকারী বেশ কয়েকটি প্রতিষ্ঠান তাদের রকমারি পণ্যের পসরা নিয়ে থাকবে এই আয়োজনে। সেই সাথে এই বছর কফি পার্টনার হিসেবে থাকছে জনপ্রিয় কফি চেইন কফি ওয়ার্ল্ড এবং বেভারেজ পার্টনার হিসেবে সাথে থাকছে ট্রান্সকম বেভারেজ লিমিটেড।বেকিং মেলার এই উদ্যোগের আয়োজক হিসেবে রয়েছেন পুনিজ কিচেনের কর্ণধার উম্মে আকলিমা আলম (আনিকা) ও আবু হেনা মোস্তফা কামাল (রুমি), মাদারস ড্রিম বেকারির কর্ণধার সুরাইয়া মান্নান, ডক্টরস বেক-এর কর্ণধার ড. শাহীন আখতার এবং বাংলা নীড এর কর্ণধার অপু সুলতান।আয়োজকদের সাথে মেলায় অংশগ্রহণকারী অন্যান্য উদ্যোক্তা প্রতিষ্ঠানগুলো হলো আব্দুল খালেক এন্টারপ্রাইজ, প্রেস্তো বাংলাদেশ, বেইক এ কেক, দীনা’স, প্রথমা কিচেন, জাফরিন’স কিচেন, কেকস, কেকারস’ শপ, আফরিন’স কিচেন, শিম্মি’স রেসিপি, বেকারস’ ক্রাফট, বাইটস অফ ডিলাইট বাই মিথিলা, স্কুপ এন ইট, বেলারিয়া ফুডস, নিম্মি’স কেকারি বাইট, লিটল বেকার, পিয়ারী’স কিচেন, নই-নয় এবং শারমিন’স কুকশ্যাক।এছাড়া ভলান্টিয়ার পার্টনার হিসেবে থাকছেন কেক বেক এর তানজিয়া রশীদ ও এনামুল হক।

post
আন্তর্জাতিক

ফাগুনের আমেজে নিউইয়র্কে হয়ে গেলো ফাগুন পিঠা উৎসব

৬১ রকমের পিঠার সমাহার নিয়ে ২৬ ফেব্রুয়ারি রবিবার যুক্তরাষ্ট্রের নিউইয়র্কে অনুষ্ঠিত হয়ে গেলো ‘ফাগুন ও পিঠা উৎসব’। কুইন্স প্যালেসে ‘শো-টাইম মিউজিক’র বর্ণাঢ্য এ উৎসবে জড়ো হয়েছিলেন বিভিন্ন শ্রেণিপেশার প্রবাসীরা । বিপুল করতালির মধ্য দিয়ে ফিতা কেটে বাঙালি সংস্কৃতির ঐতিহ্য হিসেবে এ পিঠা উৎসবের উদ্বোধন করেন যৌথভাবে ওয়াশিংটন ইউনিভার্সিটি অব সায়েন্স এ্যান্ড টেকনোলজির চ্যান্সেলর আবু বকর হানিফ এবং ডেমক্র্যাটিক পার্টির ডিস্ট্রিক্ট লিডার এ্যাট লার্জ এটর্নী মঈন চৌধুরী। হোস্ট সংগঠনের কর্ণধার আলমগীর খান আলমসহ সহযোগিতাকারিরাও উপস্থিত ছিলেন সেখানে।  এই উৎসবের উপস্থিত ছিলেন খ্যাতনামা এটর্নী ও ডেমক্র্যাটিক পার্টির নেতা মঈন চৌধুরী। দেয়া বক্তব্যে তিনি বলেন, কুইন্স কাউন্টিতে ১৯০টি দেশের ৩৬৫টিরও অধিক ভাষার মানুষ বাস করছে। অর্থাৎ বর্ণাঢ্য সংস্কৃতির তীর্থ ভূমি হচ্ছে আমাদের এই কুইন্স। এমন একটি বহুজাতিক সমাজে বাঙালিদের ইতিহাস-ঐতিহ্য তুলে ধরতে শো-টাইম মিউজিকের সকল কর্মকাণ্ডে আমার সহায়তা অব্যাহত থাকবে। পিঠা উৎসবের অন্যতম অতিথির বক্তব্যে যুক্তরাষ্ট্রে বাংলাদেশি মালিকানাধীন প্রথম ইউনিভার্সিটি ‘ওয়াশিংটন ইউনিভার্সিটি অব সায়েন্স এ্যান্ড টেকনোলজি’র চ্যান্সেলর আবু বকর হানিফ বলেন, এ উৎসব বাঙালি সংস্কৃতির ধারা ভিন্ন ভাষার মানুষের মধ্যেও ছড়িয়ে দিতে সক্ষম বলে মনে করছি। তিনি উল্লেখ করেন, শো-টাইম মিউজিকের কর্ণধার আলমগীর খান আলম নানা আয়োজনের মধ্যদিয়ে যুক্তরাষ্ট্রের মাটিতে বাংলা সংস্কৃতি, মূল্যবোধকে আমেরিকার মূলধারায় বিকাশ ঘটাতে আন্তরিকভাবে কাজ করছেন। এজন্যে সকলে যেনে তার জন্য সহায়তার হাত বাড়িয়ে দেন সেই অনুরোধ জানান।  সোনিয়ার সঞ্চালনায় এ আয়োজনে স্বাগত বক্তব্যে সর্বস্তরের প্রবাসীর প্রতি গভীর কৃতজ্ঞতা জানান আলমগীর খান আলম। উৎসবে বিকেল থেকে মধ্যরাত অবধি সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান পরিবেশিত হয়। প্রবাসের জনপ্রিয় শিল্পীরা এতে পারফর্ম করেন। গেয়ে শুনান জনপ্রিয় বেশ কিছু গান। এই উৎসব আয়োজিনে ছিল শাড়ি-কাপড়ের স্টলও। অর্থাৎ পিঠার আমেজে গৃহিনীরা কেনাকাটাও করেছেন ভিন্ন এক আমেজে। আয়োজকরা জানিয়েছেন সামনে আরও বড় পরিসরে উৎসব আয়োজন করা হবে।

post
আন্তর্জাতিক

উডব্রিজে বিসিসিডিআই বাংলা স্কুলের স্বপ্নের নতুন ভবনের উদ্বোধন

অবশেষে নিজেদের স্বপ্নের ভবন পেলো 'বাংলাদেশ সেন্টার ফর কমিউনিটি ডেভোলপমেন্ট' বিসিসিডিআই বাংলা স্কুল। যেটি যুক্তরাষ্ট্রের ডিএমভি এলাকায় বাংলা স্কুল নামেই সবার কাছে বেশি পরিচিত। যুক্তরাষ্ট্রের ভার্জিনিয়ার উডব্রিজে স্থায়ী এই কার্য্যালয়ের আনুষ্ঠানিক উদ্বোধন হয়েছে ২৬ ফেব্রুয়ারি রোববার। উদ্বোধন করেন যুক্তরাষ্ট্রে বাংলাদেশ দূতাবাসে নিযুক্ত রাষ্ট্রদুত মো: ইমরান। সেই সাথে তিনি উদ্বোধন করেন 'হল অব অনার' বোর্ড অর্থাৎ যাদের সহায়তায় দাড়িয়েছে বিসিসিডিআইয়ের নিজস্ব কার্য্যালয় তাদের খোদাই করা নামের তালিকা। আর সবশেষে উদ্বোধনের তালিকায় ছিলো আরও একটি গুরুত্বপূর্ণ অংশ তা হলো একটি লাইব্রেরি।উদ্বোধন করা আগে দুপুর ১২টায় কার্য্যালয়ের সামনে নির্মিত অস্থায়ী শহীদ মিনারে ফুল দিয়ে সকল ভাষা শহীদের প্রতি অর্পণ সম্মান জানান রাষ্ট্রদূত মো: ইমরান। এরপর শুরু হয় মূল অনুষ্ঠান। শুরুতে ভাষা শহীদদের স্মৃতির সম্মানে সবাই দাড়িয়ে এক মিনিট নীরবলতা পালন করা হয়। এরপর সূচনা বক্তব্য রাখেন বাংলা স্কুলের বর্তমান প্রেসিডেন্ট পঙ্কজ চৌধুরী। সেক্রেটারি রিদওয়ান চৌধুরী ধন্যবাদ জানান, সকল পৃষ্ঠপোষক, শিক্ষক, ছাত্র, অভিভাক, সমর্থকদের যারা শুরু থেকে বাংলা স্কুলকে নানাভাবে সমর্থন দিয়ে এসেছেন। এরপর প্রধান অতিথীর বক্তব্য রাখতে গিয়ে রাষ্ট্রদূত মো: ইমরান বলেন, অত্র এলাকায় সবার কাছে বাংলা স্কুল কতোটা জনপ্রিয় তা তিনি পুরোপুরি অবগত। বাংলা ভাষার চর্চা ও সংস্কৃতিকে যুক্তরাষ্ট্রের মাটিতে এই প্রতিষ্ঠান যেভাবে উপস্থাপন করছে তার কোন তুলনা হয়না। এই প্রতিষ্ঠানের পাশে সবসময় থাকবেন বলে তিনি বেশ কিছু প্রতিশ্রুতি ব্যক্ত করেন। অনুষ্ঠানে তিনজনের প্রতি জানানো হয় বিশেষ কৃতজ্ঞতা। যারা বিসিসিডিআইয়কে সহায়তা করে আসছেন নানাভাবে। আর তাদেরই একজন ভয়েস অব আমেরিকার দীর্ঘ সময় কাজ করা সাংবাদিক মাসুমা খাতুন। যিনি এই কার্য্যালয়ের লাইব্রেরি গড়ে তোলার পেছনে আর্থিক সহায়তার পাশাপাশি ২৫০ বই দিয়ে সহায়তা করেছেন। এছাড়াও অনুষ্ঠানে উপস্থিত অনেকেই তাদের মতামত উপস্থাপন করেন। সবশেষে ছিলো সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান। গ্রেটার ওয়াশিংটন এলাকায় সাংস্কৃতিক পারফরম্যান্সের জন্য খুবই জনপ্রিয় বাংলা স্কুলের শিক্ষার্থীরা। রাষ্ট্রদূতের সামনে তারা নানা ধরনের পারফর্ম করেন। ১৯৮৭ সাল থেকে অলাভজনক প্রতিষ্ঠান হিসেবে কাজ শুরু করে বাংলাদেশ সেন্টার ফর ডেভোলপমেন্ট। ফেয়ারফ্যাক্স, আর্লিংটন, প্রিন্স উইলিয়াম কাউন্টির কমিউনিটির নাগরিকদের উন্নয়ন এবং সক্ষমতা বৃদ্ধির জন্য কাজ করে আসছে। গ্রেটার ওয়াশিংটন মেট্রো এলাকায় বাংলা সাংস্কৃতিক বৈচিত্র্য বাজায় রাখতে এবং পরবর্তী প্রজন্মের তরুণদের বিভিন্ন ভাষা শেখানোর জন্য শুরু থেকে কাজ করে আসছে বাংলা স্কুল। এই লম্বা সময়ের পথচলায় সংস্থাটি এতোদিন অস্থায়ীভাবে অন্য জাগয়ায় থেকে কার্যক্রম চালিয়ে আসছিলো। কমিউনিটির সবার সহায়তায় ২০১২১ সালে জায়গা কিনে নতুন কার্য্যালয়ের কাজ শুরু করে দেয়। এবং সবশেষে এই কার্য্যালয়ে আনুষ্ঠানিকভাবে কার্যক্রম শুরু করলো বিসিসিডিআউ বাংলা স্কুল প্রতিষ্ঠানটি।

About Us

NRBC is an open news and tele video entertainment platform for non-residential Bengali network across the globe with no-business vision just to deliver news to the Bengali community.