post
এনআরবি লাইফ

অদম্য উদ্যোক্তার খোঁজে দে স্ট্যার্ক এন্ট্রেপ্রেনিউরস বাংলাদেশ

ক্ষু্দ্র এবং অতি ক্ষুদ্র উদ্যোক্তাদের নিয়ে বিজনেস আইডিয়া কম্পিটিশনের আয়োজন করে ডি স্টার্ক অনটারপ্রনার বাংলাদেশ। গত ৪ ফেব্রুয়ারি ধানমন্ডির বেক ইন্টারন্যাশনাল স্টাডি সেন্টারে দেশের বিভিন্ন প্রান্তের উদ্যোক্তাদের ২ মাসব্যাপী আয়োজনের চূড়ান্ত পর্ব অনুষ্ঠিত হলো। আইনসেবা এবং বি টেকনোলজি অ্যান্ড রিসার্চ হাবের সহযোগিতায় এই প্রতিযোগিতার আয়োজন করা হয়৷ টেকসই এবং অদম্য উদ্যোক্তাদের খু্ঁজে বের করতেই এ ধরনের আয়োজন বলে জানান আয়োজকরা।  আইন সেবার ফাউন্ডার ব্যরিস্টার রহিমা হক বলেন, আমাদের মূল উদ্দেশ্য হচ্ছে উদ্যোক্তাদের ব্যবসায়িক পরিকল্পনায় উদ্বুদ্ধ করা। কেননা উদ্যোক্তারা পণ্য কেনা বেচা করছেন কিন্তু কোনো রকম পরিকল্পনা করছেন না৷ যার কারণে টেকসই উদ্যোক্তা হচ্ছেন না। আমাদের দেশে অনেক উদ্যোক্তা রয়েছেন কিন্তু টেকসই উদ্যোক্তা না থাকায় অনেকেই ঝরে যাচ্ছেন।  তিনি আরো বলেন, অনেক উদ্যোক্তা জানেন না বার্ষিক আয় ব্যয়ের হিসেব কিভাবে করতে হয়। কত টাকা ইনভেস্ট করতে হবে, কোন কোন খাতে তার অর্থের প্রয়োজন এই বিষয়ে সঠিক জ্ঞান না থাকায় সঠিকভাবে ব্যবসা পরিচালনা করতে পারছেন না। আমরা সেই উদ্যোক্তাদের খুঁজে বের করতে চাই যারা ঝড় বৃষ্টি যাই আসুক অদম্য গতিতে কাজ করতে পারবেন এবং তাদের যে সকল সেক্টরে ঘাটতি রয়েছে আমরা সেগুলো মনিটরিং এবং ট্রেনিং এর মাধ্যমে টেকসই করার চেষ্টা করবো। বিজনেস আইডিয়া কম্পিটিশনে ১৫ জন উদ্যোক্তা থেকে চূড়ান্ত পর্বে আটজন উদ্যোক্তা নির্বাচিত হয়। চূড়ান্ত পর্বে সেরা ৩ নির্বাচন করা হয়৷ ফাইনাল পর্বে বিচারক হিসেবে ছিলেন বাংলাদেশ ইন্সটিটিউট অফ আইসিটি ইন ডেভেলপমেন্ট এর ব্যবস্থাপনা পরিচালক শহীদ উদ্দিন আকবর; ট্রিম টেক্স এর স্বত্ত্বাধিকারী এবং জাতীয় পুরস্কারপ্রাপ্ত উদ্যোক্তা শাহীদা পারভীন; প্রাইম ব্যাংক এর ওমেন অন্ট্রাপ্রেনিয়র ডেভেলপমেন্ট ইউনিট হেড সাজিয়া আফরিন। ফাইনাল পর্বে প্রতিযোগীরা প্রেজেন্টেশনের মাধ্যমে তাদের উদ্যোগের বাজেটিং, আন্তর্জাতিক বাজারে অবস্থান প্রক্রিয়া, বাজার রিসার্চ, ব্যবসায় সম্প্রসারণের প্রস্তুতি এবং আন্তর্জাতিক বাজার সম্পর্কে আলোচনা করেন । বিচারকদের বিভিন্ন প্রশ্ন উত্তর, বিগত ২ মাসের বিভিন্ন এ্যাসেসমেন্ট, ট্রেইনিং, সঠিক পরিকল্পনা এবং দক্ষতার ভিত্তিতে সেরা ৩ নির্বাচন করা হয়। তিন সেরা উদ্যোক্তার মধ্যে প্রথম হয়েছেন বেনে বৌ এর কর্ণধার মুনমুন, ১ম রানার আপ হাউজ অফ জামদানি'র স্বত্ত্বাধিকারী মুন দাস এবং ২য় রানার আপ জোহরা'স ভ্যানিটির ফাতেমা তুজ জোহরা৷ সেরা বিজয়ীর জন্য পুরস্কার হিসেবে ছিল; • ল্যাপটপ • ফ্রি ওয়েবসাইট (১ বছর) • ই-ট্রেডলাইসেন্স নবায়ন সেবা• ডিজিটাল মার্কেটিং প্যাকেজ • উদ্যোগ ও উদ্যোক্তার নামে ক্রেস্ট রানার-আপ বিজয়ীর জন্য ছিল:• ফ্রি ওয়েবসাইট (১ বছর) • ই-ট্রেডলাইসেন্স নবায়ন সেবা• ডিজিটাল মার্কেটিং প্যাকেজ • উদ্যোগ ও উদ্যোক্তার নামে ক্রেস্ট প্রথম পুরস্কারপ্রাপ্ত উদ্যোক্তা মুনমুন উদ্যোক্তা বার্তাকে জানান, এই প্রতিযোগিতায় অংশগ্রহণের মাধ্যমে আমি অনেক কিছু শিখেছি। আমি আগেও অনেক বিষয়ে পরিকল্পনা ছাড়াই সিদ্বান্ত নিতাম যা অনেক ভুল ছিল আমার জন্য। আমি ধন্যবাদ জানাই আয়োজকদের এই ধরনের প্রতিযোগিতার আয়োজন করার জন্য। আমরা সবাই অনেক কিছু শিখেছি যা আমাদের উদ্যোগের জন্য খুবই কার্যকরী৷

post
আন্তর্জাতিক

তৈরি পোশাক খাতে নতুন বাজার খুঁজে বের করার তাগিদ প্রধানমন্ত্রীর

দেশে তৈরি পোশাক খাতে যারা কাজ করেন, তাদের নতুন নতুন বাজার খুঁজে বের করা, পাশাপাশি নতুন নতুন পণ্য উৎপাদনের তাগিদ দিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। তিনি বলেছেন, ‘বিভিন্ন দেশে বিভিন্ন ধরনের পোশাক ব্যবহার করা হয়ে থাকে। সেই ধরনের নতুন বাজার আমরা খুঁজে বের করতে পারি। ইতোমধ্যে কিছু পাওয়া গেছে।’ মঙ্গলবার (১৪ ফেব্রুয়ারি) সকালে ‘জাতীয় বস্ত্র দিবস-২০২২’ উদযাপন এবং ছয়টি টেক্সাটাইল শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে তিনি এসব কথা বলেন। গণভবন থেকে শেরেবাংলা নগরে বঙ্গবন্ধু আন্তর্জাতিক সম্মেলন কেন্দ্রে আয়োজিত অনুষ্ঠানে ভার্চুয়ালি যুক্ত হন তিনি। এসময় প্রধানমন্ত্রী আরও বলেন, ‘আমাদের বস্ত্র উৎপাদন ও বিদেশে পাঠানো নিয়ে ঐতিহ্য রয়েছে। মেয়েদের কর্মসংস্থানে নতুন দ্বার উন্মোচন করে এই পোশাক শিল্প। গ্রামের প্রত্যন্ত অঞ্চল থেকে নারী এসে যখন কাজ করে, এই কাজের ফলে গ্রামীণ অর্থনীতিতেও তারা বিশেষ অবদান রাখছে। একেকটি পরিবারও আর্থিক স্বচ্ছলতা ফিরে পাচ্ছে।’ বস্ত্র ও পাট মন্ত্রী গোলাম দস্তগীর গাজী’র সভাপতিত্বে বিশেষ অতিথির বক্তব্য দেন শ্রম ও কর্মসংস্থান প্রতিমন্ত্রী বেগম মন্নুজান সুফিয়ান। অনুষ্ঠানে স্বাগত বক্তব্য দেন বস্ত্র ও পাট মন্ত্রণালয়ের সচিব আব্দুর রউফ। এজে/

post
বাংলাদেশ

এশিয়ার প্রথম দেশ হিসেবে বাংলাদেশ যে ঋণ পেতে যাচ্ছে

এশিয়ার প্রথম দেশ হিসেবে বাংলাদেশ আন্তর্জাতিক মুদ্রা তহবিলের (আইএমএফ) নতুন তহবিল থেকে প্রথম ঋণ পেতে যাচ্ছে। তবে বিশ্বে প্রথম এই ঋণটি পায় বার্বাডোজ, তারপর কোস্টারিকা, আর সবশেষে রুয়ান্ডা। এরপরই ঋণ পাওয়ার তালিকায় আছে আরও পাঁচটি দেশ। এর মধ্যে সবার ওপরে আছে বাংলাদেশের নাম। নতুন এই ঋণ তহবিলের নাম রেজিলিয়েন্স অ্যান্ড সাসটেইনিবিলিটি ফান্ড বা আরএসএফ। গত বছরের ১৩ এপ্রিল আইএমএফের বোর্ড এই তহবিলের অনুমোদন দেয় আর কার্যকর হয় পয়লা মে থেকে। যেসব স্বল্প ও মধ্যম আয়ের দেশ জলবায়ু পরিবর্তনজনিত ঝুঁকিতে আছে, তাদের জন্যই এই তহবিলের সৃষ্টি। আইএমএফ বলছে, যেসব দেশের আয় কম, ঋণ পরিশোধের দায় বেশি, জলবায়ু পরিবর্তনজনিত ঝুঁকি মোকাবিলায় অনেক বেশি অর্থ ব্যয় করতে হয়, এতে উন্নয়ন ব্যয়ে ঘাটতি পড়ে, তাদের জন্যই এই তহবিল। সংস্থাটি বলছে, কোভিড-১৯-এর পরে স্বল্প ও মধ্যম আয়ের অনেক দেশেরই ঋণ নেওয়ার পরিমাণ বৃদ্ধি পেয়েছে। সুতরাং এই তহবিলের প্রয়োজনও অনেক বেড়ে গেছে। জলবায়ু ঝুঁকি যেভাবে দায় বাড়াচ্ছে আইএমএফের মতে, জলবায়ু ঝুঁকি একটি দেশের ঋণসংকটকে তীব্রতর করে। দুইভাবে সরকারের এই ঋণ ঝুঁকি বাড়াচ্ছে। যেমন ঋণের অর্থ যেসব প্রকল্পে বিনিয়োগ হচ্ছে, জলবায়ু পরিবর্তনজনিত ক্ষয়ক্ষতির প্রকোপে তার ব্যয় বেড়ে যাচ্ছে। অন্যদিকে আন্তর্জাতিক মানের ঋণ মান সংস্থাগুলো সম্প্রতি কোনো কোনো দেশের ঋণ ঝুঁকি (কান্ট্রি রিস্ক) যাচাইয়ে বন্যা, ঘূর্ণিঝড়, মাটির লবণাক্ততা বৃদ্ধির মতো ভৌত পর্যায়ের জলবায়ু পরিবর্তনজনিত ঝুঁকিকে বিবেচনার মধ্যে আনছে। এর ফলে বাংলাদেশের মতো জলবায়ু ঝুঁকিতে থাকা দেশগুলোকে ঋণ গ্রহণে গুনতে হচ্ছে বাড়তি সুদ। জাতিসংঘের গবেষণায় দেখা গেছে, জলবায়ু ঝুঁকিতে থাকা উন্নয়নশীল দেশগুলোকে ঋণের সুদ পরিশোধে প্রতি ১০ ডলারে অতিরিক্ত আরও ১ ডলার ব্যয় করতে হয়। অপর্যাপ্ত অর্থ বরাদ্দ বাংলাদেশের রাজস্ব আয় অত্যন্ত কম। দেশের রাজস্ব আয় এখন মোট দেশজ উৎপাদনের (জিডিপি) মাত্র ৯ দশমিক ৪ শতাংশ। আর প্রতিবছর সরকারের রাজস্ব আয়ের ২১ দশমিক ১ শতাংশ ব্যয় হয় ঋণের সুদ পরিশোধে। বিপুল অঙ্কের এ ঋণদায় মেটাতে সরকারকে ধারাবাহিকভাবে বাজেটঘাটতির মধ্য দিয়ে যেতে হয়। আবার বাজেটের ঘাটতি মেটাতে সরকারকে আবারও ঋণ নিতে হয়। এভাবে ঋণ পরিশোধের চাপ সামলাতে হয় বলে জলবায়ু অর্থায়নে ধারাবাহিকভাবে পিছিয়ে থাকছে। বাজেট বিশ্লেষণ করে দেখা যাচ্ছে, ২০২১-২২ অর্থবছরে জলবায়ু অর্থায়নে বাজেটে বরাদ্দ ছিল জিডিপির মাত্র শূন্য দশমিক ৭ শতাংশ। আর এর আগের দুই অর্থবছরে বরাদ্দ ছিল শূন্য দশমিক ৬ শতাংশ। বিশ্বব্যাংকের মতে, ২০৩০ সালের মধ্যে জলবায়ু অর্থায়নে সরকারের চলমান বৃহৎ জলবায়ু ঝুঁকি মোকাবিলার প্রকল্পগুলোতে জিডিপির ৩ দশমিক ২৮ শতাংশ থেকে ৭ শতাংশ পর্যন্ত বাজেট বরাদ্দের প্রয়োজন হবে।অর্থনৈতিক মন্দাদশার চাপ বিশ্বব্যাংকের তথ্য অনুযায়ী, চলতি অর্থবছরে দেশের সরকারি ঋণের পরিমাণ ১৪ হাজার ৭৮০ কোটি ডলার। এর ৫৮ শতাংশই দেশের অভ্যন্তরীণ উৎস থেকে নেওয়া ঋণ। আর বৈদেশিক ঋণের পরিমাণ ৬ হাজার ২০০ কোটি ডলার। সম্প্রতি প্রকাশিত বিশ্বব্যাংক ও আইএমএফের এক যৌথ প্রতিবেদনে ঋণের স্থায়িত্ব বিশ্লেষণে বলা হয়েছে, বাংলাদেশ এখনো নিম্ন ঋণ ঝুঁকিতে আছে। কিন্তু বিশ্ববাজারে তেলের মূল্যবৃদ্ধি ও বৈশ্বিক মন্দার প্রেক্ষাপটে আরও অনেক দেশের মতো বাংলাদেশের অর্থনীতি সংকটের মুখে পড়েছে। চলতি অর্থবছরে বাংলাদেশের জিডিপি প্রবৃদ্ধি ৬ দশমিক ১ শতাংশে নেমে আসার পূর্বাভাস দিয়েছে বিশ্বব্যাংক। বছরজুড়েই ছিল উচ্চ মূল্যস্ফীতি, যা এখন ৮ শতাংশের বেশি। দেশের বৈদেশিক মুদ্রার মজুত নিয়ে আছে নানা উদ্বেগ। চলতি হিসাবের ভারসাম্য ঠিক রাখতেও সরকারকে হিমশিম খেতে হয়েছে। রপ্তানি ও প্রবাসী আয়ে ওঠানামা রয়েছে। আবার ডলারের বিপরীতে টাকার ব্যাপক অবমূল্যায়নের ফলে ঋণ পরিশোধে অতিরিক্ত অর্থ গুনতে হবে। ফলে আড়ালেই চলে যাচ্ছে জলবায়ু পরিবর্তনজনিত ঝুঁকি মোকাবিলার কার্যক্রম। জলবায়ু পরিবর্তনের ক্ষয়ক্ষতি বনভিত্তিক প্রতিষ্ঠান জার্মান ওয়াচ পরিচালিত ‘গ্লোবাল ক্লাইমেট রিস্ক’ সূচকের তথ্য অনুযায়ী, জলবায়ু পরিবর্তনের ঝুঁকিতে বাংলাদেশ প্রতিবছর শূন্য দশমিক ৪১ শতাংশ জিডিপি প্রবৃদ্ধি হারাচ্ছে। ২০০০ থেকে ২০১৯ সালের মধ্যে দুই দশকে এ ক্ষেত্রে দেশটির ক্ষয়ক্ষতির পরিমাণ ৩৭২ কোটি ডলার। গত ২০ বছরে জলবায়ু পরিবর্তনে বিশ্বের ক্ষতিগ্রস্ত দেশগুলোর মধ্যে বাংলাদেশের অবস্থান সপ্তম। বিশ্বব্যাংকের মতে, দেশে কৃষি খাতের অবদান এখনো মোট জিডিপির ১২ শতাংশ। মূল্যস্ফীতি নিয়ন্ত্রণে দেশ আজও কৃষি খাতের ওপর নির্ভরশীল। সাম্প্রতিককালে সেচব্যবস্থার উন্নয়ন, প্রযুক্তি ও সারের ব্যবহারের ফলে কৃষি উৎপাদন বহুগুণে বেড়েছে। কিন্তু অতিরিক্ত সার প্রয়োগের ফলে ধ্বংস হয়েছে পটাশিয়ামসহ মাটির অন্যান্য প্রয়োজনীয় উপাদান। বিশ্বব্যাংক বলছে, গত ৩০ বছরে মাটিতে সারের ব্যবহার ৪০০ শতাংশ বৃদ্ধি পেয়েছে। এ অবস্থা চলতে থাকলে ২০৫০ সালের মধ্যে কৃষি জিডিপির এক-তৃতীয়াংশ নষ্ট হতে পারে। শুধু তা-ই নয়, বাংলাদেশের মাটির লবণাক্ততা বৃদ্ধির কারণে ৩০ বছরের মধ্যে দেশে খাবার পানীয় ও সেচব্যবস্থায় সংকট দেখা দিতে পারে। এতে ১৫ দশমিক ৬ শতাংশ পর্যন্ত চাল উৎপাদন কমে যেতে পারে। চাল ছাড়াও গম, সবজি ও অন্যান্য শস্য উৎপাদনে জলবায়ু পরিবর্তনের বিশেষ প্রভাব পড়বে।শুধু বাংলাদেশই নয় উচ্চ ঋণ ঝুঁকিতে নেই, কিন্তু ঋণ পরিশোধের চাপে জলবায়ু অর্থায়নে রাজস্ব সক্ষমতা হারাচ্ছে, এমন দেশের তালিকায় বাংলাদেশ একা নয়। জলবায়ু ঝুঁকিতে আছে এমন ৫৫টি স্বল্প ও উন্নয়নশীল দেশ মিলে গঠন করেছে ভালনার‍্যাবল গ্রুপ অব টোয়েন্টি (ভি ২০)। এ তালিকায় বাংলাদেশও রয়েছে। গ্রুপের ২২টি দরিদ্র দেশ ইতিমধ্যে উচ্চ ঋণ ঝুঁকিতে আছে। ভি ২০ গ্রুপের প্রতিনিধিরা আশঙ্কা করছেন, এসব দেশের ঝুঁকিপূর্ণ ঋণের যৌক্তিক সমাধান করা না গেলে আগামী দশকে একটি বড় বৈশ্বিক ঋণখেলাপির ঘটনা ঘটতে পারে। নতুন তহবিল কতটা সহায়ক বাংলাদেশ আইএমএফের কাছ ৪৫০ কোটি ডলার ঋণ চেয়েছে। এর মধ্যে রেজিলিয়েন্স অ্যান্ড সাসটেইনিবিলিটি ফান্ড বা আরএসএফ থেকে চেয়েছে ১৩০ কোটি ডলার। নিয়ম হচ্ছে, আইএমএফের কোনো একটি ঋণ কর্মসূচির মধ্যে থাকলেই কেবল আরএসটি থেকে সহায়তা পাওয়া যাবে। বাংলাদেশই এশিয়ার প্রথম দেশ হিসেবে এই ঋণ চেয়েছে। ঋণের অর্থ দেওয়া হবে ১৮ মাসে। পরিশোধের সময় ২০ বছর, আর এর বাড়তি সময় বা গ্রেস পিরিয়ড হচ্ছে সাড়ে ১০ বছর। এই ঋণের সঙ্গেও শর্ত থাকবে। ঋণ পেতে আইএমএফের ভাষায় বেশ কিছু উচ্চ মানের বা ‘হাই কোয়ালিটি’ সংস্কার কর্মসূচি নিতে হবে। এর মধ্যে থাকবে দীর্ঘ মেয়াদে জলবায়ু ঝুঁকি মোকাবিলা করার মতো কর্মসূচি। প্রশ্ন হচ্ছে এই তহবিল কি জলবায়ুজনিত ঝুঁকি মোকাবিলায় কার্যকর হবে। বাংলাদেশই বা লাভবান হবে কতটা। আসলে এর উত্তর পাওয়া যাবে সামনের দিনগুলোতেই। সুত্র- প্রথম আলো 

post
বাংলাদেশ

২০২২ সালে বাংলাদেশে সড়ক দুর্ঘটনায় মৃত্যু ৯৯৫১ জন

বিদায়ী ২০২২ সালে বাংলাদেশে ছয় হাজার ৭৪৯টি সড়ক দুর্ঘটনায় নয় হাজার ৯৫১ জন নিহত হয়েছেন। আহত হয়েছেন ১২ হাজার ৩৫৬ জন। আগের বছরের চেয়ে এই বছর সড়কে দুর্ঘটনা ১৯.৮৯ শতাংশ এবং প্রাণহানি ২৭.৪ শতাংশ বেড়েছে। গত আট বছরের মধ্যে সবচেয়ে বেশি দুর্ঘটনা ঘটেছে গেল বছর।সোমবার (২ জানুয়ারি) ঢাকা রিপোর্টার্স ইউনিটির সাগর-রুনি মিলনায়তনে এক সংবাদ সম্মেলনে বাংলাদেশ যাত্রী কল্যাণ সমিতি এই তথ্য জানিয়েছে। একই সময় রেলপথে ৬০৬ দুর্ঘটনায় ৫৫০ জন নিহত এবং ২০১ জন আহত হয়েছে। নৌপথে ২৬২টি দুর্ঘটনায় ৩০৭ জন নিহত এবং একজন নিখোঁজ হয়েছে। সড়ক, রেল ও নৌ-পথে সর্বমোট ৭৬১৭টি দুর্ঘটনায় ১০৮৫৮ জন নিহত এবং ১২৮৭৫ জন আহত হন। বাংলাদেশ যাত্রী কল্যাণ সমিতির দুর্ঘটনা মনিটরিং সেলের বার্ষিক দুর্ঘটনা পর্যবেক্ষণ প্রতিবেদনে উঠে এসেছে এসব তথ্য। সংবাদ সম্মেলনে সংগঠনের মহাসচিব মো. মোজাম্মেল হক চৌধুরী এই প্রতিবেদন তুলে ধরেন দেশের জাতীয়, আঞ্চলিক ও অনলাইন সংবাদপত্রে প্রকাশিত সড়ক, রেল ও নৌ-পথে দুর্ঘটনার সংবাদ মনিটরিং করে প্রতি বছরের ধারাবাহিকতায় এই প্রতিবেদন তৈরি করা হয়। এতে দেখা গেছে, বিদায়ী ২০২২ সালে ছয় হাজার ৭৪৯টি সড়ক দুর্ঘটনায় নয় হাজার ৯৫১ জন নিহত এবং আহত হয়েছেন ১২ হাজার ৩৫৬ জন। নিবন্ধিত যানবাহনের পাশাপাশি ছোট যানবাহন বিশেষ করে মোটরসাইকেল ও ইজিবাইকের সংখ্যা চার গুণ বৃদ্ধি পাওয়ার পাশাপাশি ইজিবাইক, মোটরসাইকেল ও ব্রি-হুইলার সরকারি আদেশ অমান্য করে জাতীয় ও আঞ্চলিক মহাসড়কে অবাধে চলাচলের কারণে বিগত আট বছরের মধ্যে বিদায়ী ২০২২ সালে সড়কে সর্বোচ্চ দুর্ঘটনা ও প্রাণহানি ঘটেছে বলে জানায় সংস্থাটি। বিদায়ী ২০২২ সালে সারাদেশে ছয় হাজার ৭৪৯টি সড়ক দুর্ঘটনায় নয় হাজার ৯৫১ জন নিহত হয়েছেন। আহত হয়েছেন ১২ হাজার ৩৫৬ জন। আগের বছরের চেয়ে এই বছর সড়কে দুর্ঘটনা ১৯.৮৯ শতাংশ এবং প্রাণহানি ২৭.৪ শতাংশ বেড়েছে। গত আট বছরের মধ্যে সবচেয়ে বেশি দুর্ঘটনা ঘটেছে গেল বছর। সোমবার (২ জানুয়ারি) ঢাকা রিপোর্টার্স ইউনিটির সাগর-রুনি মিলনায়তনে এক সংবাদ সম্মেলনে বাংলাদেশ যাত্রী কল্যাণ সমিতি এই তথ্য জানিয়েছে। একই সময় রেলপথে ৬০৬ দুর্ঘটনায় ৫৫০ জন নিহত এবং ২০১ জন আহত হয়েছে। নৌপথে ২৬২টি দুর্ঘটনায় ৩০৭ জন নিহত এবং একজন নিখোঁজ হয়েছে। সড়ক, রেল ও নৌ-পথে সর্বমোট ৭৬১৭টি দুর্ঘটনায় ১০৮৫৮ জন নিহত এবং ১২৮৭৫ জন আহত হন। বাংলাদেশ যাত্রী কল্যাণ সমিতির দুর্ঘটনা মনিটরিং সেলের বার্ষিক দুর্ঘটনা পর্যবেক্ষণ প্রতিবেদনে উঠে এসেছে এসব তথ্য। সংবাদ সম্মেলনে সংগঠনের মহাসচিব মো. মোজাম্মেল হক চৌধুরী এই প্রতিবেদন তুলে ধরেন দেশের জাতীয়, আঞ্চলিক ও অনলাইন সংবাদপত্রে প্রকাশিত সড়ক, রেল ও নৌ-পথে দুর্ঘটনার সংবাদ মনিটরিং করে প্রতি বছরের ধারাবাহিকতায় এই প্রতিবেদন তৈরি করা হয়। এতে দেখা গেছে, বিদায়ী ২০২২ সালে ছয় হাজার ৭৪৯টি সড়ক দুর্ঘটনায় নয় হাজার ৯৫১ জন নিহত এবং আহত হয়েছেন ১২ হাজার ৩৫৬ জন। নিবন্ধিত যানবাহনের পাশাপাশি ছোট যানবাহন বিশেষ করে মোটরসাইকেল ও ইজিবাইকের সংখ্যা চার গুণ বৃদ্ধি পাওয়ার পাশাপাশি ইজিবাইক, মোটরসাইকেল ও ব্রি-হুইলার সরকারি আদেশ অমান্য করে জাতীয় ও আঞ্চলিক মহাসড়কে অবাধে চলাচলের কারণে বিগত আট বছরের মধ্যে বিদায়ী ২০২২ সালে সড়কে সর্বোচ্চ দুর্ঘটনা ও প্রাণহানি ঘটেছে বলে জানায় সংস্থাটি। সড়কে দুর্ঘটনায় আক্রান্ত তিন হাজার ৯০ জন চালক, এক হাজার ৫০৩ জন পথচারী, ৭৪২ জন পরিবহন শ্রমিক, ৮৮৫ জন শিক্ষার্থী, ১২ জন শিক্ষক, ২৮৩ জন আইন-শৃঙ্খলা বাহিনীর সদস্য, এক হাজার ১৫০ জন নারী, ৭৯৪ জন শিশু, ৪৪ জন সাংবাদিক, ৩১ জন চিকিৎসক, ১৮ জন বীর মুক্তিযোদ্ধা, পাঁচজন শিল্পী, নয়জন আইনজীবী ও ২৯ জন প্রকৌশলী এবং ১৬৮ জন বিভিন্ন রাজনৈতিক দলের নেতাকর্মীর পরিচয় মিলেছে। নিহত আইন-শৃঙ্খলা বাহিনীর ১১৪ জন সদস্যের মধ্যে ২৭ জন সেনা সদস্য, ৬২ জন পুলিশ সদস্য, নয়জন বিজিবি সদস্য, পাঁচজন নৌ-বাহিনীর সদস্য, আটজন আনসার সদস্য, দুইজন ডিজিএফআই সদস্য, একজন বিমানবাহিনীর সদস্য, একজন সিআইডি, একজন এনএসআই সদস্য, ১৬ জন বীর মুক্তিযোদ্ধা, ২৪ জন সাংবাদিক, ৭০৩ জন নারী, ৫৮৮ জন শিশু, ৬৬৬ জন শিক্ষার্থী, ১১৭ জন শিক্ষক, ২৩৮৩ জন চালক, ৪২১ জন পরিবহন শ্রমিক, ২৭ জন প্রকৌশলী, নয়জন আইনজীবী, ১৩৩ জন বিভিন্ন রাজনৈতিক দলের নেতাকর্মী, ৩১ জন চিকিৎসক। এ সময়ে সংঘটিত দুর্ঘটনায় সর্বমোট এক হাজার ৬১৬টি যানবাহনের পরিচয় মিলেছে। যার ১৩.৯৫ শতাংশ বাস, ২৪.৫০ শতাংশ ট্রাক-পিকাপ-কাভার্ডভ্যান ও লরি, ৬.৯৫ শতাংশ কার-জিপ-মাইক্রোবাস, ৬.২২ শতাংশ সিএনজিচালিত অটোরিকশা, ২৮.৫৯ শতাংশ মোটরসাইকেল, ১১.৪২ শতাংশ ব্যাটারিচালিত রিকশা ও ইজিবাইক, ৮.৩২ শতাংশ নছিমন-করিমন-মাহিন্দ্রা-ট্রাক্টর ও লেগুনা সড়ক দুর্ঘটনার কবলে পড়েছে। সংঘটিত মোট দুর্ঘটনার ৫২.৫৫ শতাংশ পথচারীকে গাড়ি চাপা দেওয়ার ঘটনা, ২১.৬১ শতাংশ মুখোমুখি সংঘর্ষ, ১৫.৭৯ শতাংশ নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে খাদে পড়ে, ৮.৬৩ শতাংশ বিবিধ কারণে, ০.৪০ শতাংশ যানবাহনের চাকায় ওড়না পেছিয়ে এবং ০.৯৯ শতাংশ ট্রেন-যানবাহন সংঘর্ষের ঘটনা ঘটে। পরিসংখ্যানের তুলনামূলক বিশ্লেষণে দেখা গেছে, বিগত ২০২১ সালের তুলনায় বিদায়ী ২০২২ সালে ১.৫২ শতাংশ গাড়িচাপা, ০.৫৬ শতাংশ মুখোমুখি সংঘর্ষ, ০.১৩ শতাংশ যানবাহনের চাকায় ওড়না পেছিয়ে, ০.৩৪ শতাংশ নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে খাদে পড়ার ঘটনা কমেছে। ট্রেন-যানবাহন সংঘর্ষের ঘটনা ০.১২ শতাংশ বেড়েছে। ২০২১ সালের তুলনায় ২০২২ সালে সড়ক দুর্ঘটনায় সংঘটিত যানবাহনের ৩১৯ শতাংশ বাস, ৩ শতাংশ মোটরসাইকেল, ২.৭৪ শতাংশ ব্যাটারিচালিত রিকশা-ভ্যান-ইজিবাইক, ২.৫১ শতাংশ সিএনজিচালিত অটোরিকশা, ০.৭৮ শতাংশ কার জিপ-মাইক্রোবাস দুর্ঘটনায় বেড়েছে। এছাড়া ৫.৯২ শতাংশ ট্রাক-কাভার্ডভ্যান-পরি, ১.৩২ শতাংশ নসিমন-মাহিন্দ্রা-লেগুনা দুর্ঘটনা বিগত বছরের চেয়ে কমেছে। দুর্ঘটনার ধরন বিশ্লেষণে দেখা গেছে, এই বছর মোট সংঘটিত দুর্ঘটনার ২৭.৭০ শতাংশ জাতীয় মহাসড়কে, ৫২.০২ শতাংশ আঞ্চলিক মহাসড়কে, ১১.৮৮ শতাংশ ফিডার রোডে সংঘটিত হয়েছে। এছাড়াও সারাদেশে সংঘটিত মোট দুর্ঘটনার ৫.৬৭ শতাংশ ঢাকা মহানগরীতে, ১.৭১ শতাংশ চট্টগ্রাম মহানগরীতে ০.৯৯ শতাংশ রেলক্রসিংয়ে সংঘটিত হয়েছে।

post
বাংলাদেশ

রেমিট্যান্স প্রবাহ বেড়েছে বাংলাদেশে, ডিসেম্বরে গেছে ১৮০০০ কোটি টাকা

২০২২ সালের বিদায়ি মাস ডিসেম্বরে বাংলাদেশে গেছে ১৬৯ কোটি ৯৬ লাখ ডলার, যা বাংলাদেশি মুদ্রায় (প্রতি ডলার ১০৭ টাকা হিসাবে) প্রায় ১৮ হাজার ১৯০ কোটি টাকা। বাংলাদেশ ব্যাংকের হালনাগাদ প্রতিবেদন সূত্রে এ তথ্য জানা গেছে।চলতি (২০২২-২৩) অর্থবছরের প্রথম দুই মাসে (জুলাই ও আগস্ট) টানা দুই বিলিয়ন ডলার করে রেমিট্যান্স যায় দেশে। পরের চার মাস দেড় বিলিয়ন ডলারের ঘরেই থাকে রেমিট্যান্স। কেন্দ্রীয় ব্যাংকের প্রতিবেদন বিশ্লেষণে দেখা গেছে, ডিসেম্বর মাসে রেমিট্যান্স এসেছে ১৬৯ কোটি ৯৬ লাখ ডলার বা ১৮ হাজার ১৯০ কোটি টাকা। আগের মাস নভেম্বরের চেয়ে প্রায় ১০ কোটি ডলার বা এক হাজার ৭০ কোটি টাকা বেশি। অন্যদিকে গত অর্থবছরের একই মাসের (ডিসেম্বর) তুলনায় সাত কোটি ডলার বেশি। গত অর্থবছরের ডিসেম্বর মাসে রেমিট্যান্স এসেছিল ১৬৩ কোটি ডলার।তথ্য বলছে, চলতি (২০২২-২৩) অর্থবছরের প্রথম মাস জুলাইয়ে এসেছিল ২০৯ কোটি ৬৩ লাখ ডলার, আগস্টে এসেছিল ২০৩ কোটি ৬৯ লাখ ডলার। এর পরই কমতে থাকে রেমিট্যান্সপ্রবাহ। পরের মাস সেপ্টেম্বরে এসেছিল ১৫৩ কোটি ৯৬ লাখ ডলার, অক্টোবরে এসেছিল ১৫২ কোটি ৫৫ লাখ ডলার, নভেম্বরে ১৫৯ কোটি ৪৭ লাখ ডলার।বাংলাদেশ ব্যাংকের সবশেষ হিসাব বলছে, ২৮ ডিসেম্বর পর্যন্ত দেশের বৈদেশিক মুদ্রার মজুদ (রিজার্ভ) কমে দাঁড়িয়েছে তিন হাজার ৩৮৩ কোটি ৮৯ লাখ ডলার বা ৩৩.৮৪ বিলিয়ন ডলারে। এক বছর আগের একই দিনে ছিল চার হাজার ৫৮০ কোটি ২২ লাখ ডলার।

post
বাংলাদেশ

বাংলাদেশে করোনার নতুন উপধরন বিএফ.৭ শনাক্ত

বাংলাদেশে করোনার নতুন উপধরন বিএফ.৭ শনাক্ত হয়েছে। আজ রোববার দুপুরে সরকারের রোগতত্ত্ব, রোগনিয়ন্ত্রণ ও গবেষণা প্রতিষ্ঠানের (আইইডিসিআর) পরিচালক অধ্যাপক ডা. তাহমিনা শিরিন গণমাধ্যমকে এ তথ্য নিশ্চিত করেছেন।চীন থেকে আসা ৪ নাগরিকের একজনের শরীরে করোনা এই নতুন ধরন শনাক্ত হয়। চীন থেকে তারা কোভিড নেগেটিভ সনদ সঙ্গে এনেছিলেন। তবে বাংলাদেশে র‌্যাপিড অ্যান্টিজেন পরীক্ষায় তাদের শরীরে করোনাভাইরাসের উপস্থিতি শনাক্ত হয়। 'ওই ফ্লাইটে আরও অনেকের উপসর্গ ছিল। তবে তাদের কোনো উপসর্গ দেখা যায়নি। করোনা শনাক্ত হওয়ায় তাদের ঢাকা ডিএনসিসি কোভিড-১৯ হাসপাতালে পাঠানো হয়,' বলেছিলেন হযরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরের স্বাস্থ্য কর্মকর্তা শাহরিয়ার সাজ্জাদ। নতুন উপধরনটি অনেক বেশি সংক্রামক। এর আগে স্বাস্থ্য অধিদপ্তর থেকে জানানো হয়েছে, বিএফ.৭ উপধরনে আক্রান্ত একজন ব্যক্তির থেকে ১৮ জন সংক্রমিত হতে পারে।

post
বাংলাদেশ

বিছানায় রক্তের দাগ, সংবাদ সম্মেলন করবেন পরিমনি

বিছানায় রক্তের দাগওয়ালা দুটি ছবি ফেসবুকে প্রকাশ করে ভক্তদের নববর্ষের শুভেচ্ছা জানিয়েছেন চিত্রনায়িকা পরীমনি। একই সঙ্গে তিনি সংবাদ সম্মেলন করবেন বলে জানান তার ফেসবুক স্ট্যাটাসে।রোববার ভোর ৫টা ১৩ মিনিটে ফেসবুকে ওই ছবি পোস্ট করলেও বিস্তারিত লেখেননি পরীমনি। তবে একদিন আগেই দিয়েছিলেন স্বামী শরিফুল রাজের সঙ্গে সংসারে ভাঙনের খবর। এর আগে শুক্রবার রাতে এক ফেসবুক স্ট্যাটাসে পরীমনি লিখেছিলেন— ‘হ্যাপি থার্টিফার্স্ট এভরিওয়ান! আমি আজ রাজকে আমার জীবন থেকে ছুটি দিয়ে দিলাম এবং নিজেকেও মুক্ত করলাম একটা অসুস্থ সম্পর্ক থেকে।’ আরেক অংশে এ নায়িকা লিখেছেন— ‘জীবনে সুস্থ হয়ে বেঁচে থাকার থেকে জরুরি আর কিছুই নাই।’ পরীমনি এ স্ট্যাটাস মুহূর্তেই ভাইরাল হয়ে পড়ে। লাইক কমেন্টের বন্যা বয়ে যায়। অনেকেই তাদের সম্ভাব্য বিচ্ছেদের কারণ নিয়ে প্রশ্ন তোলেন। স্ট্যাটাসের বিষয়ে পরীর সঙ্গে গণমাধ্যমের পক্ষ থেকে যোগাযোগ করা হলে রাজের সঙ্গে সম্পর্ক ছিন্ন করার কথা স্বীকার করেন পরীমনি। পরীমনি বলেন, ‘এখনো বিচ্ছেদ হয়নি। তবে আমি সম্পর্ক ছিন্ন করে রাজের বাসা থেকে বেরিয়ে এসেছি। আজ থেকে আমরা আলাদা হয়ে গেলাম। শিগগির বিচ্ছেদের চিঠি পাঠিয়ে দেব।’ আলাদা হয়ে যাওয়ার কারণ সম্পর্কে পরীমনির ভাষ্য— ‘বেশ কিছু দিন ধরেই সমস্যা হচ্ছিল। সমস্যা কাটিয়ে সন্তানের মুখের দিকে তাকিয়ে একসঙ্গে থাকার চেষ্টা করেছি, কিন্তু পারলাম না। তার (রাজ) যে আচার-আচরণ তাতে একসঙ্গে থাকার পরিস্থিতি নেই। তাই বাধ্য হয়ে বাসা ছেড়ে আলাদা হয়ে গেলাম। আমার মানসিক অবস্থা এখন ভালো নেই; এর বেশি আর কিছু বলতে পারছি না।’ চলতি বছরের ১০ জানুয়ারি প্রকাশ্যে আসে রাজ-পরীর সম্পর্কের খবর। গত ২২ জানুয়ারি দুই পরিবারের সদস্যদের উপস্থিতিতে ১০১ টাকার দেনমোহরে ঘরোয়া আয়োজনে তাদের বিবাহ সম্পন্ন হয়। গত চার মাসে তাদের ঘর আলো করে আসে ছেলেসন্তান রাজ্য। ঢাকাই সিনেমার আলোচিত এক নায়িকাকে ঘিরে সংসারে অশান্তি এমন ইঙ্গিত দিয়ে কিছু দিন আগে একটি পোস্ট করেন পরীমনি। সেটি নিয়ে তোলপাড় সৃষ্টি হয়।

post
বাংলাদেশ

দেশের প্রথম মেট্রো রেল চালালেন একজন নারী প্রকৌশলী

সবুজ পতাকা নেড়ে কাঙ্ক্ষিত স্বপ্নের মেট্রো রেল যাত্রার উদ্বোধন করেছেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। বুধবার সকাল ১১টায় উত্তরার দিয়াবাড়িতে বর্ণাঢ্য অনুষ্ঠানের মধ্য দিয়ে এই স্বপ্নের স্থাপনার উদ্বোধন করেন তিনি। আর প্রধানমন্ত্রীর সবুজ সঙ্কেতে প্রথম যাত্রার সেই মেট্রোরেল চালিয়ে নিয়ে যান একজন নারী। তার নাম মরিয়ম আফিজা।লক্ষ্মীপুরের মেয়ে আফিজা নোয়াখালী বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয় (নোবিপ্রবি) থেকে কেমিস্ট্রি অ্যান্ড কেমিকেল ইঞ্জিনিয়ারিংয়ে স্নাতকোত্তর সম্পন্ন করেছেন। আফিজা দেশের বুকে প্রথমবারের মতো মেট্রোরেল চালানোর সুযোগ পেলেন। আর তার প্রথম যাত্রায় যাত্রী হিসেবে পেলেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনাকে। আফিজা জানিয়েছেন এর মধ্য দিয়ে তার স্বপ্নপূরণ হয়েছে। যাত্রা শেষে আগারগাঁওয়ে এসে আনন্দে উদ্বেলিত আফিজা বলেন, "আজকে আমাদের স্বপ্নপূরণ হয়েছে। সবার মতো আমিও আনন্দিত।" তিনি বলেন, দেশবাসী স্বপ্নপূরণের জন্য যেমন অপেক্ষায় ছিল তেমনই আমাদেরও অনেক প্রস্তুতি ছিল। সবকিছু সফল হয়েছে আজকের মেট্রো রেল উদ্বোধনের পর। প্রধানমন্ত্রী এই যাত্রায় সঙ্গী ছিলেন, পুরো দেশবাসীর মতো আমিও অনেক গর্ববোধ করছি। আফিজা আরো বলেন, ঢাকায় যানজটে কী পরিমাণ ভোগান্তি হয়, এটি আমাদের সবার জানা। মেট্রো রেল চালুর ফলে যানজটের অভিশাপ থেকে আমরা মুক্তি পাব। মরিয়ম আফিজা গত বছরের ২ নভেম্বর চালক হিসেবে নিয়োগ পান। টানা এক বছর প্রশিক্ষণ নিয়ে পাকা চালক হিসেবে নিজেকে তৈরি করেন তিনি। মেট্রো রেলের নির্মাতা প্রতিষ্ঠান জাপানের মিতসুবিশি-কাওয়াসাকি কম্পানির বিশেষজ্ঞদের কাছ থেকে ট্রেন পরিচালনার কারিগরি ও প্রায়োগিক প্রশিক্ষণ নিয়েছেন মরিয়ম আফিজা ও অন্যরা।

post
বাংলাদেশ

রোহিঙ্গা সমস্যা সমাধানে নতুন আশাবাদ, প্রথমবারের মত জাতিসংঘের নিরাপত্তা পরিষদে মিয়ানমার বিষয়ক রেজুল্যুশন গৃহীত

জাতিসংঘ নিরাপত্তা পরিষদে প্রথমবারের মত “মিয়ানমারের পরিস্থিতি” বিষয়ক একটি রেজুল্যুশন গৃহীত হয়েছে। বুধবার গৃহীত এই রেজুলেশনে মিয়ানমারের বিদ্যমান রাজনৈতিক অস্থিতিশীলতা, জরুরি অবস্থা, বন্দি মুক্তিসহ বিভিন্ন বিষয় তুলে ধরে রোহিঙ্গা সমস্যার সমাধানের বিষয়টিকে প্রাধান্য দেয়া হয়।রেজুল্যুশনটির উপর ভোট আহবান করা হলে তা ১২-০ ভোটে অনুমোদিত হয়। ভোটাভুটি পর্বে এই প্রস্তাবনার বিপক্ষে কোন সদস্য ভোট অথবা ভেটো প্রদান করেনি । চীন, ভারত ও রাশিয়া ভোটদানে বিরত ছিল। ভোটদান শেষে সংযুক্ত আরব আমিরাত, ফ্রান্স, মেক্সিকো, গ্যাবন এবং নরওয়ে তাদের বক্তব্যে রেজুল্যুশনটিতে রোহিঙ্গা সংকটের বিষয়টি অন্তর্ভুক্তি করণের প্রশংসা করে এই সমস্যা সমাধানে নিরাপত্তা পরিষদের জোরালো ভূমিকার দাবি জানান। মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র তার বক্তব্যে রেজুল্যুশনটি উত্থাপন করার জন্য যুক্তরাজ্যকে ধন্যবাদ জ্ঞাপন করে। বলা বাহুল্য, এই রেজুল্যুশনটি রোহিঙ্গা বিষয়ে বাংলাদেশ সরকারের অবস্থানের প্রতি জাতিসংঘের সবচেয়ে ক্ষমতাধর অঙ্গটির শক্তিশালি সমর্থনেরই বহিঃপ্রকাশ। রাশিয়া-ইউক্রেন সংকটসহ অন্যান্য বৈশ্বিক চ্যালেঞ্জের প্রেক্ষাপটে গৃহীত রেজুল্যুশনটি রোহিঙ্গা সংকটের প্রতি বিশ্ব সম্প্রদায়ের দৃষ্টি আরো সুসংহত করতে সহায়ক হবে বলে আশা করা যায়। মিয়ানমার কর্তৃপক্ষের অমানবিক নির্যাতনের স্বীকার হয়ে ২০১৭ সালে ৮ লক্ষাধিক রোহিঙ্গাসহ এ পর্যন্ত ১.২ মিলিয়নের অধিক রোহিঙ্গা বাংলাদেশে প্রবেশ করে। প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা মানবিক কারণে তাদের অস্থায়ীভাবে বাংলাদেশে আশ্রয় প্রদান করেন এবং শুরু থেকেই তাদের মাতৃভূমি মিয়ানমারে নিরাপদ, টেকসই ও মর্যাদাপূর্ণ প্রতাবসনের নিমিত্ত্ব বিশ্ব নেতৃবৃন্দের কাছে জোরালো দাবি উত্থাপন করে আসছেন। এই প্রস্তাবনা অনুমোদিত হওয়ার ফলে রোহিঙ্গা সমস্যার সমাধানের বিষয়টি নিরাপত্তা পরিষদের নিয়মিত কার্যকলাপের অংশ হয়ে গেল। একই সাথে এটি রোহিঙ্গা সমস্যার দ্রুত ও স্থায়ী সমাধানে বাংলাদেশের এতদসংক্রান্ত অব্যাহত প্রচেষ্টাকে আরো শক্তিশালি ও ত্বরান্বিত করবে। রেজুল্যুশনটিতে রোহিঙ্গা শরণার্থীদের আশ্রয়, নিরাপত্তা ও মানবিক সহযোগিতা প্রদানের জন্য বাংলাদেশ সরকারের প্রশংসা করা হয়। পরিষদ রোহিঙ্গা সঙ্কটের মূল কারণগুলো চিহ্নিত করে তাদের নিরাপদ, টেকসই ও মর্যাদাপূর্ণ প্রত্যাবসনের নিমিত্ত্ব অনুকূল পরিবেশ সৃষ্টির জন্য মিয়ানমার কর্তৃপক্ষকে আহবান জানায়। মিয়ানমারের বর্তমান রাজনৈতিক অস্থিরতা যে রোহিঙ্গাদের তাদের নিজ বাসভূমি মিয়ানমারে প্রত্যাবসনের ওপর নেতিবাচক প্রভাব বিস্তার করবে এবং আঞ্চলিক নিরাপত্তাকে ঝুঁকিতে ফেলবে, সে বিষয়টি দৃঢ়ভাবে তুলে ধরা হয়। এছাড়া, এ সমস্যার সমাধানে আসিয়ানের সদস্য রাষ্ট্রসমূহের ২০২১ সালে গৃহীত পাঁচ দফা ঐক্যমত্যের দ্রুত ও পূর্ণবাস্তবায়নের উপর গুরুত্বারোপ করা হয় এবং এর বাস্তবায়নে জাতিসংঘের কোন সহযোগিতার প্রয়োজন হবে কিনা সে বিষয়ে জাতিসংঘ মহাসচিব এবং মিয়ানমার বিষয়ক বিশেষ দূতকে আগামি ১৫ মার্চ ২০২৩ তারিখের মধ্যে নিরাপত্তা পরিষদে একটি প্রতিবেদন পেশ করার জন্য অনুরোধ করা হয়। জাতিসংঘে বাংলাদেশ স্থায়ী মিশন রেজুল্যুশনটিতে বাংলাদেশের স্বার্থ সংরক্ষণে উল্লেখযোগ্য ভূমিকা পালন করে। বাংলাদেশের স্থায়ী প্রতিনিধি ও রাষ্ট্রদূত মোহাম্মদ আব্দুল মুহিত নিরাপত্তা পরিষদের গুরুত্বপূর্ণ স্থায়ী ও অস্থায়ী বিভিন্ন সদস্য রাষ্ট্রের সাথে প্রয়োজনীয় দ্বিপাক্ষিক বৈঠক করেন এবং বাংলাদেশের জন্য গুরুত্বপূর্ণ বিষয়গুলো যাতে রেজুল্যুশনে অন্তর্ভুক্ত হয়, সে বিষয়টি নিশ্চিত করেন। উল্লেখ্য, রেজুল্যুশনটির পেন হোল্ডার (মূল স্পন্সর) পরিষদের অন্যতম স্থায়ী সদস্য যুক্তরাজ্য। বিগত তিনমাস ধরে রেজুল্যুশনটির নেগোশিয়েশন শেষে আজ এটি নিরাপত্তা পরিষদে গৃহীত হয়। নিরাপত্তা পরিষদের ডিসেম্বর ২০২২ এর সভাপতি ভারত এবং তাদের সভাপতি থাকাকালীন সময়েই রেজুল্যুশনটি নিরাপত্তা পরিষদে গৃহীত হল। এর ফলে রোহিঙ্গা সমস্যার সমাধানে বহুপাক্ষিক কূটনীতিতে এক অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ প্রচেষ্টায় সফল হল বাংলাদেশ।

post
যুক্তরাষ্ট্র

নিউইয়র্কে হয়ে গেলো ইউএসবিসিসিআই নারী উদ্যোক্তা সামিট ও অ্যাওয়ার্ড অনুষ্ঠান

নারী উদ্যেক্তাদের স্বীকৃতি ও তাদের উৎসাহিত করতে জমকালো আয়োজনের মধ্য দিয়ে ইউএস-বাংলাদেশ চেম্বার অব কমার্স অ্যান্ড ইন্ডাস্ট্রি'র (ইউএসবিসিসিআই) উদ্যোগে অনুষ্ঠিত হয়ে গেল 'ইউএসবিসিসিআই উইমেন্স এন্টারপ্রেনিউর সামিট এবং উইমেন এন্টারপ্রেনিউর অ্যাওয়ার্ডস-২০২২'।শনিবার (১৭ ডিসেম্বর) নিউইয়র্কের লাগোর্ডিয়া ম্যারিয়ট হোটেলে এ অনুষ্ঠিত হয়। ২য় বারের মতো নারী উদ্যেক্তাদের স্বীকৃতি ও তাদের উৎসাহিত করতে আয়োজন করা হয়েছে ‘উইম্যান এন্টারপ্রেনিউর অ্যাওয়ার্ড - ২০২২। নারীর ক্ষমতায়নের প্রতি সমর্থন জানিয়ে প্রতিবছর ১৯ নভেম্বর তারিখটিকে নারী উদ্যেক্তা দিবস বা উইম্যান এন্টারপ্রেনিউরশিপ ডে হিসেবে ঘোষণা দিয়েছে জাতিসংঘ। এরই অংশ হিসেবে শনিবার (১৭ ডিসেম্বর) যুক্তরাষ্ট্রে বসবাসকারী ১৩ জন নারী উদ্যোক্তাকে সম্মাননা জানিয়েছে ইউএসবিসিসিআই। এতে সম্মাননা প্রাপ্ত ১৩ জন নারী উদ্যোক্তারা হলেন, সুমনা রিমি প্রতিষ্ঠাতা স্টাইল উইথ মি, ডিম্পল উইলাবাস প্রেসিডেন্ট ও সিইও রিদম নেশন এন্টারটেইনমেন্ট, রোকসানা আহমেদ প্রতিষ্ঠাতা, রোকসানা হালাল ডেলাইটস, পুজা রাই প্রতিষ্ঠাতা স্টেটস ভেনচার করপোরেশন, নাহিদ আহমেদ, প্রেসিডেন্ট ও সিইও আরবান সাটার, মাহবুবা রহমান সিইও ইনফিনিটি বিউটি বার, আনা গাজারা, চিফ স্ট্র্যাটেজি অফিসার ভারসাইলস ভেনচার, অর্পি আহমেদ, প্রতিষ্ঠাতা ব্রাইড বাই অর্পি, মেহেজাবিন মাহাবুব মেহা, সিইও ওমেনস ফ্যাশন, সাহেরা চৌধুরী কো ফাউন্ডার এস জে ইনোভেশন, ফাতেমা নাজনীন প্রিসিলা, প্রতিষ্ঠাতা প্রিসিলা নিউইয়র্ক আই এন সি, মেগডালিনা কুলিটস, সিইও অরেঞ্জ রিভার মিডিয়া ও ফারজানা হক চেয়ারম্যান হাইমোকান্তি ট্রেড করপোরেশন। অনুষ্ঠানটি সঞ্চালনা করেন, মেকডালিনা কুলসিজ, ও চেম্বারের পরিচালক শেখ ফরহাদ। স্বাগত বক্তব্য দেন আয়োজক সংগঠনের প্রধান কার্যনির্বাহী ও প্রেসিডেন্ট লিটন আহমেদ। অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি হিসেবে বক্তব্য রাখেন নিউইয়র্ক স্টেট সিনেটর জন লুইস, নিউইয়র্ক স্টেট এসেম্বলিম্যান ডেভিড আই. ওয়েপ্রিন, দিলীপ চৌহান, ডেপুটি কমিশনার, দ্যা নিউইয়র্ক সিটি, মেয়র অফিস ফর ইন্টারন্যাশনাল এফ্যায়ার, অ্যাটর্নি মইন চৌধুরী, ডেমোক্রেট ডিস্টিক লিডার, এট লার্জ কুইন্স নিউইয়র্ক। অনুষ্ঠানে মূল প্রবন্ধ উপস্থাপন করেন লীসা সরিন, প্রেসিডেন্ট এন্ড সিইও, ব্রঙ্কস চেম্বার অফ কমার্স। অতিথি বক্তা হিসাবে বক্তব্য রাখেন, সাহেরা চৌধুরী, কো-ফাউন্ডার, এস জে ইনোভেশন, পুজা রায়, ফাউন্ডার এন্ড সিইও, স্ট্যাটস ভেঞ্চার্স ইনক, মেকডালিনা কুলসিজ, নাহিদ আহমেদ, প্রেসিডেন্ট এন্ড সিইও, উরবান সেটার, আহাদ আলী, সিইও, আহাদ এন্ড কোং-সিপিএ, ইমরান ভূঁইয়া, ডাইরেক্টর অব সেলস, এক্সিট রিয়েলিটি প্রিমিয়াম, সাহেদ ইসলাম, ফাউন্ডার এস জে ইনোভেশন সহ আরো অনেকে। স্বাগত বক্তব্যে ইউএস বাংলাদেশ চেম্বার অফ কমার্স অ্যান্ড ইন্ড্রাস্ট্রি (ইউএসবিসিসিআই) প্রেসিডেন্ট ও প্রধান কার্যনির্বাহী, মো. লিটন আহমেদ বলেন, আমরা সবাই এখানে জড়ো হয়েছি এই অঞ্চলে এবং এর বাইরেও নারী উদ্যোক্তা দিবসের অর্জন উদযাপন করতে। আজকের সামিটে নতুন উদ্যোক্তারা তাদের কর্মজীবন এবং ব্যক্তিগত লক্ষ্য অর্জনে কিভাবে কাজ করেছে তা বিভিন্ন শ্রোতাদের জন্য একটি ইন্টারেক্টিভ পদ্ধতিতে প্রশিক্ষণ এবং তথ্য গ্রহণ করার জন্য একটি প্ল্যাটফর্ম দেয়। এই ইভেন্টে অংশগ্রহণকারীদের নানান পেশাদারদের সাথে পরিচিত হবার সুযোগ করে দিয়েছে এবং তাদের সফল হওয়ার জন্য প্রয়োজনীয় বিষয়গুলির নিয়ে আলোচনা করারও সুযোগ পেয়েছে। এই সামিট নতুন নারী উদ্যোক্তাদের তাদের পরবর্তী পরামর্শদাতা, বন্ধু এবং ক্লায়েন্টদের সাথে সংযুক্ত করবে, বলেন তিনি। বর্তমানে অনলাইনভিত্তিক উদ্যোগে নারী উদ্যোক্তাদের উপস্থিতি তুলনামূলক বেশি লক্ষ করা যায়। কারণ সামাজিক ও পারিবারিক দায়বদ্ধতা ও প্রতিবন্ধকতা বিশেষ বাধা হয়ে দাঁড়ায় না বলে অনলাইন ভিত্তক উদ্যোগে নারীরা খুব স্বচ্ছন্দেই পদচারণা করতে পারে। এ আয়োজনে অন্যান্যদের মধ্যে আরো বক্তব্য রাখেন, প্রতিষ্ঠানের সহ সভাপতি ইউএসবিসিসিআই-এর ভাইস-প্রেসিডেন্ট বখত রুম্মান বিরতীজ, সংগঠনটির প্রতিষ্ঠাতা পরিচালক ফখরুল ইসলাম দেলোয়ার, সংগঠনের পরিচালক শেখ ফরহাদ, উইমেন এম্পাওরমেন্ট কমিটির চেয়ারপারসন রুমা আহমেদ, একসপো ইউএসবিসিসিআই বদরুদুজ্জা সাগর, শেখ ফারজানা প্রমুখ।

About Us

NRBC is an open news and tele video entertainment platform for non-residential Bengali network across the globe with no-business vision just to deliver news to the Bengali community.