post
বাংলাদেশ

রাজধানীর গুলিস্তানে একটি ভবনে বিস্ফোরণ

রাজধানীর গুলিস্তানে বাসস্টান্ডের কাছে একটি ভবনে বিস্ফোরণের ঘটনা ঘটেছে। বিস্ফোরণে একজনের নিহত হবার কথা নিশ্চিত হওয়া গেছে। এছাড়া বহু লোক আহত হতে পারেন বলে জানা গেছে। মঙ্গলবার (৭ মার্চ) বিকেলে এ ঘটনা ঘটে। ঘটনাস্থলে কাজ করছে ফায়ার সার্ভিসের পাঁচটি ইউনিট। ফায়ার সার্ভিসের সদরদপ্তরে মিডিয়া সেলের ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা শাজাহান শিকদার জানান, মঙ্গলবার (৭ মার্চ) বিকেল ৪টা ৫০ মিনিটের দিকে বিস্ফোরণের এ ঘটনা ঘটে। এরই মধ্যে ঘটনাস্থল থেকে প্রায় ৩০ জনকে উদ্ধার করে ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে পাঠানো হয়েছে। একজন নিহত হয়েছেন। ধারণা করা হচ্ছে হতাহতের সংখ্যা আরো বাড়তে পারে। তাৎক্ষণাতভাবে বিস্ফোরণের কারণ জানা যায়নি। উদ্ধার তৎপরতা চালাচ্ছে ফায়ার সার্ভিস।

post
বাংলাদেশ

অর্থনৈতিক কূটনীতি জোরদারে সক্রিয় হওয়ার আহ্বান প্রধানমন্ত্রীর

শেখ হাসিনা বলেন, বাংলাদেশ যেহেতু একটি উন্নয়নশীল দেশে পরিণত হতে চলেছে, তাই যেসব দেশে বাংলাদেশের ব্যবসা-বাণিজ্য সম্প্রসারণের সুযোগ আছে, সেদিকে ‘মনোযোগ’ দেওয়া প্রয়োজন।উন্নয়নশীল দেশের কাতারে টিকে থাকতে এবং উন্নত দেশ হতে ব্যবসা-বাণিজ্য বাড়ানোর পাশপাশি অর্থনৈতিক কূটনীতি জোরদারে তৎপর হতে বাংলাদশের রাষ্ট্রদূত ও কূটনীতিকদের প্রতি আহ্বান জানিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা।প্রধানমন্ত্রী বলেন, 'আপনাদের (রাষ্ট্রদূত ও কূটনীতিক) চোখ খোলা রেখে সব দেশের সঙ্গে আলোচনা ও সমঝোতা করতে হবে। তাহলে উন্নয়নশীল দেশ হিসেবে আমরা টিকে থাকতে পারব, আরও এগিয়ে যেতে পারব এবং অবশেষে উন্নত দেশ হতে পারব।'দোহায় সোমবার (৬ মার্চ) সন্ধ্যায় মধ্যপ্রাচ্যের দেশগুলোতে অবস্থানরত বাংলাদেশি কূটনীতিকদের অংশগ্রহণে এক আঞ্চলিক দূত সম্মেলনে এ আহ্বান জানান প্রধানমন্ত্রী।প্রধানমন্ত্রী বলেন, বাংলাদেশ যেহেতু একটি উন্নয়নশীল দেশে পরিণত হতে চলেছে, তাই যেসব দেশে বাংলাদেশের ব্যবসা-বাণিজ্য সম্প্রসারণের সুযোগ আছে, সেদিকে ‘মনোযোগ’ দেওয়া প্রয়োজন।শেখ হাসিনা বলেন, এক সময় ‘কূটনীতি’ ছিলে রাজনৈতিক একটি বিষয়। কিন্তু সেই পরিচয়ের বাইরে কূটনীতির পরিচয় এখন ‘অর্থনৈতিক কূটনীতি’। তাই যারা বিভিন্ন দেশে কাজ করছেন, তাদের দায়িত্ব হল ব্যবসার ক্ষেত্র তৈরি করা যায় এমন দেশগুলোকে চিহ্নিত করা। যেসব দেশে আমাদের পণ্যের চাহিদা আছে, যেখানে রপ্তানি ও বিপণনের সুযোগ আছে সে সমস্ত দেশগুলোকে খুঁজে বের করা।বাংলাদেশের পররাষ্ট্র নীতির কথা ফের স্মরণ করিয়ে দিয়ে শেখ হাসিনা বলেন 'আমাদের পররাষ্ট্র নীতির মূল ভিত্তি হচ্ছে ‘সবার সঙ্গে বন্ধুত্ব, কারও সঙ্গে বৈরিতা নয়’। অন্তত আমি দাবি করতে পারি যে, বাংলাদেশ সঠিকভাবে এই নীতি অনুসরণ করছে।'শেখ হাসিনা বলেন, 'কোন অন্যায় দেখা গেলেও বন্ধুত্বপূর্ণ সম্পর্ক টিকিয়ে রেখেই বাংলাদেশ নিজেদের বক্তব্য জানাবে, যা মিয়ানমারের সঙ্গে করা হয়েছিল।'মিয়ানমারের সেনা নিপীড়নের মুখে রোহিঙ্গাদের বাংলাদেশে আশ্রয় দেওয়ার কারণও তুলে ধরেন শেখ হাসিনা।তিনি বলেন, 'আমরা মানবিক কারণে রোহিঙ্গাদের আশ্রয় দিয়েছিলাম। কিন্তু আমরা মিয়ানমারের সঙ্গে সংঘাতে জড়াইনি। রোহিঙ্গাদের তাদের নিজ দেশে ফেরত পাঠাতে বাংলাদেশ কূটনৈতিক প্রচেষ্টা চালাচ্ছে।'পররাষ্ট্রমন্ত্রী এ কে আব্দুল মোমেন, শিক্ষামন্ত্রী ডা. দীপু মনি এবং বাণিজ্যমন্ত্রী টিপু মুন্সি সম্মেলনে উপস্থিত ছিলেন।

post
বিনোদন

বর্ষাকে নিয়ে বুবলির ফেসবুক পোস্ট

বাংলাদেশের আলোচিত দুই অভিনেত্রী শবনম বুবলি ও আফিয়া নুসরাত বর্ষা। নানান কারণে এখন প্রায় নিয়মিতই খবরের শিরোনাম হন বুবলি। বর্ষা সিনেমার বাহিরে খুব একটা কথা বলেন না।রোববার মধ্যরাত থেকে দুই অভিনেত্রীর ভক্তদের মধ্যে অন্যরকম আলোচনা দেখা যায়। বর্ষা ও বুবলি একজনের প্রতি অন্যজনের সম্মান, স্নেহ ও ভালোবাসা দেখে ভক্তেদর প্রশংসায় ভাসছেন দুই জন। শুরুটা হয় মূলত বর্ষার ফেসবুক পোস্ট থেকে। রোববার মধ্যরাত, আনুমানিক ১২টা নাগাদ বুবলি ও তার ছেলে শেহজাদ খান বীরের একটি ছবি নিজের অফিসিয়াল ফেসবুক পেজে পোস্ট করেন বর্ষা। ছবিটিতে দেখা যায়, সাদা রঙের একটি শড়ি পরে বীরকে কোলে নিয়ে দাঁড়িয়ে আছেন বুবলি। ছবিটির ক্যাপশনে বর্ষা লেখেন,‘ সুন্দর’। আবার বুবলিকে ট্যাগও করেন। সোমবার দুপুরে ওই পোস্টটি আবার নিজের অফিসিয়াল ফেসবুক পেজে শেয়ার করে বুবলি লিখেন, ‘ধন্যবাদ বর্ষা আপু, অনেক ভালোবাসা’।

post
আন্তর্জাতিক

উড়োজাহাজ চলার সময় মাঝ আকাশেই দরজা খোলার চেষ্টা !

উড়োজাহাজ চলার সময় মাঝ আকাশেই এর জরুরি বের হওয়ার দরজা খোলার চেষ্টা করেন এক যাত্রী। বাধা দেওয়া হলে উড়োজাহাজের এক ক্রুকে ভাঙা ধাতব চামচ দিয়ে গলায় আঘাত করেন তিনি। পরে ফ্রান্সিসকো সেভেরো টরেস (৩৩) নামের ওই যাত্রীকে গ্রেপ্তার করা হয়। গতকাল সোমবার মার্কিন কৌঁসুলিরা বলেছেন, ইউনাইটেড এয়ারলাইনসের একটি উড়োজাহাজে এমন ঘটনা ঘটেছে। ফ্রান্সিসকো সেভেরো টরেস যুক্তরাষ্ট্রের ম্যাসাচুসেটস অঙ্গরাজ্যের লিওমিনস্টার এলাকার বাসিন্দা। গতকাল প্রাথমিকভাবে তাঁকে আদালতে হাজির করা হয়। তাঁকে জামিন না দিয়ে আটক রাখা হয়েছে। গত বৃহস্পতিবার পরবর্তী শুনানি অনুষ্ঠিত হবে। টরেসের আইনজীবীর মন্তব্য জানার চেষ্টা করেছিল রয়টার্স। তবে ওই আইনজীবী তাতে সাড়া দেননি। কৌঁসুলিরা বলেন, বোস্টনে ফ্লাইটটি অবতরণের প্রায় ৪৫ মিনিট আগে উড়োজাহাজের ক্রু ককপিটে একটি সতর্কসংকেত পান। সংকেত অনুযায়ী তিনি বুঝতে পারেন, উড়োজাহাজের প্রথম শ্রেণি ও কোচ অংশের মাঝখানের একটি দরজা অরক্ষিত আছে। কৌঁসুলিরা বলেন, দরজার কাছে টরেসকে দাঁড়িয়ে থাকতে দেখে অপর একজন ক্রু-এর সন্দেহ হয়। এর পর তাঁর এক সহকর্মী (উড়োজাহাজের ক্রু) টরেসের মুখোমুখি হন। টরেস তখন ক্রু-এর কাছে জানতে চান তিনি কিছু করেছেন বলে ক্যামেরায় রেকর্ড আছে কি না। কিছুক্ষণের মধ্যেই একটি ভাঙা ধাতব চামচ নিয়ে টরেস ওই ক্রু-এর গলার দিকে তিনবার আঘাত করেন। এরপর উড়োজাহাজের অন্য যাত্রী ও ক্রুরা তাঁকে থামান। পরে উড়োজাহাজটি বোস্টন লগান আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে অবতরণ করে। ইউনাইটেড এয়ারলাইনসের এক বিবৃতিতে বলা হয়, ‘যেকোনো ধরনের সহিংসতার ক্ষেত্রে আমরা জিরো টলারেন্স নীতি অনুসরণ করি। তদন্ত চলাকালীন এ যাত্রী ইউনাইটেড এয়ারলাইনসের ফ্লাইটে নিষিদ্ধ থাকবেন। আমরা আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীকে তদন্তকাজে সহায়তা করছি।’ টরেসের বিরুদ্ধে বিপজ্জনক অস্ত্র ব্যবহার করে ফ্লাইট ক্রুদের সঙ্গে সংঘর্ষে জড়ানোর চেষ্টার অভিযোগ আনা হয়েছে। দোষী সাব্যস্ত হলে তাঁর যাবজ্জীবন সাজা হতে পারে।

post
সংবাদ

পবিত্র শবে বরাত আজ

পবিত্র শবে বরাত আজ। ধর্মপ্রাণ মুসলমানরা যথাযোগ্য ধর্মীয় মর্যাদায় রাতে মহান রব্বুল আ’লামিনের রহমত কামনায় নফল ইবাদত-বন্দেগীর মধ্য দিয়ে পবিত্র শবে বরাত পালন করবেন। হিজরি বর্ষের শাবান মাসের ১৪ তারিখ দিনগত রাত ধর্মপ্রাণ মুসলমানদের কাছে পবিত্র রাত। এ রাতে আল্লাহর রহমত ও নৈকট্য লাভের আশায় নফল নামাজ, কোরআন তেলাওয়াত, জিকিরসহ বিভিন্ন ইবাদত করে থাকেন।শবে বরাতে পৃথক পৃথক বাণী দিয়েছেন রাষ্ট্রপতি মো. আবদুল হামিদ এবং প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। রাষ্ট্রপতি তার বাণীতে বলেন, মানুষের ইহকালীন কল্যাণ ও পরকালীন মুক্তির জন্য ইসলামের সুমহান আদর্শ আমাদের পাথেয়। শবে বরাতের এই রাতে আমরা সর্বশক্তিমান আল্লাহর দরবারে অশেষ রহমত ও বরকত কামনার পাশাপাশি দেশের অব্যাহত অগ্রগতি, কল্যাণ এবং মুসলিম উন্মাহর বৃহত্তর ঐক্যের প্রার্থনা জানাই।প্রধানমন্ত্রী তার বাণীতে পবিত্র শবে বরাতের মাহাত্ম্যে উদ্বুদ্ধ হয়ে মানব কল্যাণ ও দেশ গড়ার কাজে আত্মনিয়োগ করার জন্য সবার প্রতি আহ্বান জানিয়েছেন। এদিকে শবে বরাত উপলক্ষে ইসলামিক ফাউন্ডেশনের উদ্যোগে আজ বায়তুল মোকাররম জাতীয় মসজিদে ওয়াজ, দোয়া মাহফিল, পবিত্র কুরআন তেলাওয়াত, হামদ-নাতসহ অনুষ্ঠানমালার আয়োজন করা হয়েছে।

post
বাংলাদেশ

বঙ্গবন্ধুর প্রতিকৃতিতে প্রধানমন্ত্রীর শ্রদ্ধা

ঐতিহাসিক ৭ মার্চ উপলক্ষে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার পক্ষে বঙ্গবন্ধুর প্রতিকৃতিতে পুষ্পস্তবক অর্পণ করে শ্রদ্ধা জানিয়েছেন রাদওয়ান মুজিব সিদ্দিক ববি। মঙ্গলবার (৭ মার্চ) সকালে তিনি ধানমন্ডি ৩২ নম্বরে বঙ্গবন্ধুর প্রতিকৃতিতে শ্রদ্ধা জানান। এসময় জাতির পিতার প্রতি শ্রদ্ধার নিদর্শন স্বরূপ সেখানে কিছুক্ষণ নীরবে দাঁড়িয়ে থাকেন তিনি।এরপর আওয়ামী লীগ সাধারণ সম্পাদক ওবায়দুল কাদের দলীয় নেতাদের সঙ্গে নিয়ে বঙ্গবন্ধুর প্রতিকৃতিতে আওয়ামী লীগের পক্ষে পুষ্পস্তবক অর্পণ করেন। এসময় সংসদ উপনেতা ও আওয়ামী লীগের সভাপতিমণ্ডলীর সদস্য মতিয়া চৌধুরী, ইঞ্জিনিয়ার মোশাররফ হোসেন, ড. আব্দুর রাজ্জাক, শাজাহান খান, জাহাঙ্গীর কবির নানক ও আব্দুর রহমান, যুগ্ম-সাধারণ সম্পাদক ড. হাছান মাহমুদ, মাহবুবু-উল আলম হানিফ ও আ ফ ম বাহাউদ্দিন নাছিম, সাংগঠনিক সম্পাদক আফজাল হোসেন ও সুজিত রায় নন্দী, প্রচার ও প্রকাশনা সম্পাদক ড. আবদুস সোবহান গোলাপ, দপ্তর সম্পাদক ব্যারিস্টার বিপ্লব বড়ুয়াসহ নেতাকর্মীরা উপস্থিত ছিলেন।এরপর ঢাকা মহানগর আওয়ামী লীগ উত্তর ও দক্ষিণসহ দলের সহযোগী সংগঠনের নেতাকর্মী-সমর্থক এবং সর্বস্তরের মানুষ সারিবদ্ধভাবে বঙ্গবন্ধুর প্রতিকৃতিতে পুষ্পার্ঘ্য অর্পণ করেন।এছাড়াও বাংলাদেশ ছাত্রলীগ, আওয়ামী যুবলীগ, বাংলাদেশ কৃষক লীগ, আওয়ামী স্বেচ্ছাসেবক লীগ, মহিলা আওয়ামী লীগ, যুব মহিলা লীগ, জাতীয় শ্রমিক লীগের নেতাকর্মীরা বঙ্গবন্ধুর প্রতিকৃতিতে পুষ্পস্তবক অর্পণ করেন।পরে ধানমন্ডির ৩২ নম্বর সড়কে বঙ্গবন্ধু ভবনের সামনে রক্ষিত জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের প্রতিকৃতিতে ফুল দিয়ে শ্রদ্ধা নিবেদন করে আওয়ামী লীগসহ বিভিন্ন সামাজিক, রাজনৈতিক ও সাংস্কৃতিক সংগঠন। ঐতিহাসিক ৭ মার্চ উপলক্ষে আজ ধানমন্ডি ৩২ নম্বরে বঙ্গবন্ধু ভবন প্রাঙ্গণে আনন্দঘন পরিবেশের সৃষ্টি হয়। দিবসটি উপলক্ষে বঙ্গবন্ধুর স্মৃতির প্রতি শ্রদ্ধা জানাতে আওয়ামী লীগ এবং বিভিন্ন অঙ্গ ও সহযোগী সংগঠন, বিভিন্ন রাজনৈতিক, সামাজিক ও সাংস্কৃতিক সংগঠনের নেতা-কর্মী-সমর্থকসহ সর্বস্তরের মানুষ বঙ্গবন্ধু ভবনে ভিড় জমায়। সকাল সাড়ে ৭টা থেকে রাজধানীর বিভিন্ন স্থান থেকে আওয়ামী লীগ ও সহযোগী সংগঠনের নেতাকর্মী এবং সমর্থকরা মিছিল নিয়ে ৩২ নম্বর সড়কের পূর্ব ও পশ্চিম পাশের মোড়ে জমায়েত হতে থাকে।পরে হাজার হাজার নারী-পুরুষ বঙ্গবন্ধু ভবনের সামনে রক্ষিত জাতির পিতার প্রতিকৃতিতে পুষ্পস্তবক অর্পণের মধ্যদিয়ে বঙ্গবন্ধুকে শ্রদ্ধাভরে স্মরণ করেন। আওয়ামী লীগ ও সহযোগী সংগঠন ছাড়াও বঙ্গবন্ধু পরিষদ, বঙ্গবন্ধু সাংস্কৃতিক জোট, সম্মিলিত সাংস্কৃতিক জোট, বাংলাদেশ তাঁতি লীগ, বঙ্গবন্ধু সৈনিক লীগ, শেখ রাসেল শিশু সংঘ, আওয়ামী সাংস্কৃতিক ফোরাম, বাংলাদেশ পানি উন্নয়ন শ্রমিক কর্মচারী লীগ, মুক্তিযোদ্ধা সংহতি পরিষদ বঙ্গবন্ধুর প্রতিকৃতিতে পুষ্পস্তবক অর্পণের মাধ্যমে শ্রদ্ধা জানায়।

post
বিনোদন

বুবলীকে সমর্থন করায় বর্ষাকে কটাক্ষ করলেন অপু বিশ্বাস

অপু বিশ্বাস ও বুবলীর 'ঠান্ডা যুদ্ধ' এমন একটি বিষয় যা ঢালিউড ও শাকিব খানের ভক্তরা ভালোই জানেন। যদিও তারা সরাসরি তাদের ফেসবুক স্ট্যাটাসে একে অপরের নাম দেয় না; তাদের কটু মন্তব্য এবং একে অপরের প্রতি পরোক্ষ খোঁচা যা তাদের দ্বন্দ্ব সোশ্যাল মিডিয়ায় বিখ্যাত করে তোলে। তবে এবার তাদের সোশ্যাল মিডিয়া যুদ্ধে টেনেছেন বিখ্যাত তারকা দম্পতি অনন্ত জলিল ও বর্ষা।গতকাল বর্ষা তার ছেলে শেহজাদ খান বীরের সঙ্গে বুবলির একটি ছবি পোস্ট করেন, যার ক্যাপশন ছিল " সুন্দর"। তারই প্রতিক্রিয়ায় অপু বিশ্বাস ৪ বছর আগের একটি ভিডিও পোস্ট করেছিলেন "অনন্ত জলিলের মেয়ের হলুদ রাত" শিরোনামে একই ক্যাপশনে, "সুন্দর।" সৌভাগ্যবশত, নেটিজেনরা তাদের 'পরোক্ষ খোঁড়াখুঁড়ি' দেখেছেন এবং বর্ষার মন্তব্য বিভাগে অপু বিশ্বাসের পোস্টের স্ক্রিনশট পোস্ট করতে শুরু করেছেন।বর্ষার ওয়ালে একজন নেটিজেন মন্তব্য করেছেন, "কেউ আপনার অহংকারী পোস্টের কথা চিন্তা করে না; আপনিই একমাত্র তার বিরোধিতা করেন, যখন বাকি বাংলাদেশ তাকে সমর্থন করে। 

post
প্রযুক্তি

শুরু হতে যাচ্ছে ন্যাশনাল স্টিম অলিম্পিয়াড, আয়োজনে আইটেসারেক্ট টেকনোলজিস

শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের সহযোগিতায় ও আইটেসারেক্ট টেকনোলজিসের আয়োজনে শুরু হতে যাচ্ছে ন্যাশনাল স্টিম অলিম্পিয়াড-২০২৩। আগামী ১৫ মার্চ অনলাইনে আয়োজিত এ অলিম্পিয়াডে মোট তিনটি রাউন্ডে ৮টি ভিন্ন বিষয়ে বিভিন্ন স্তরের শিক্ষার্থীরা অংশগ্রহণ করতে পারবেন। সোমবার (৬ মার্চ) প্রেস ক্লাবে ন্যাশনাল স্টিম অলিম্পিয়াড উপলক্ষে আয়োজিত এক সংবাদ সম্মেলনে এসব তথ্য জানানো হয়। চতুর্থ শিল্প বিপ্লব সংশ্লিষ্ট বিভিন্ন দক্ষতা সমূহের ওপর গুরুত্বারোপ করে আসন্ন চ্যালেঞ্জ ও পরিবর্তনের জন্য প্রস্তুতি গ্রহণে সকল শিক্ষার্থীকে সচেতন ও দক্ষতা উন্নয়নে উৎসাহিত করাই ন্যাশনাল স্টিম অলিম্পিয়াডের মিশন ও ভিশন। মোট ০৩ রাউন্ডের ৮ টি বিভাগে ৬ টি ভিন্ন ভিন্ন স্তরে শিক্ষার্থীরা এ প্রতিযোগিতায় অংশগ্রহণ করতে পারবেন। বিজয়ীদের জন্য প্রতিটি বিভাগেই থাকছে পুরস্কার। ১ম পুরস্কার ৩ লক্ষ টাকা, ১ম রানার আপ ও ২য় রানার আপ এর জন্য যথাক্রমে ২ লক্ষ ও ১ লক্ষ টাকা করে মোট কোটি টাকার পুরষ্কার। সম্মেলনে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন ইউজিসির সদস্য অধ্যাপক মো সাজ্জাদ হোসেন। বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন বাংলাদেশ স্যাটেলাইট কোম্পানি লিমিটেডের চেয়ারম্যান শাহজাহান মাহমুদ, বঙ্গবন্ধু ডিজিটাল ইউনিভার্সিটির উপাচার্য অধ্যাপক ড মাহফুজুল ইসলাম, স্মার্ট গ্রুপের চেয়ারম্যান মাজহারুল ইসলাম প্রমুখ।

post
বাংলাদেশ

হজ প্যাকেজ ৪ লাখ টাকা নির্ধারণ চেয়ে লিগ্যাল নোটিশ

বাংলাদেশ থেকে সৌদি আরব যেতে এবারের হজ প্যাকেজ সংশোধন করে সর্বোচ্চ ৪ লাখ টাকা নির্ধারণ করতে একটি লিগ্যাল নোটিশ পাঠানো হয়েছে।সুপ্রিম কোর্টের আইনজীবী ও আল কোরআন স্টাডি সেন্টারের প্রধান সমন্বয়ক অ্যাডভোকেট আশরাফ উজ জামান সোমবার ধর্ম মন্ত্রণালয়ের সচিব বরাবর নোটিশটি পাঠিয়েছেন। সরকারি ব্যবস্থাপনায় চলতি মৌসুমে হজের খরচ ৬ লাখ ৮৩ হাজার ১৮ টাকা নির্ধারণ করেছে সরকার। আর কোরবানি ছাড়াই এবার সরকারি ব্যবস্থাপনায় হজযাত্রীদের জন্য সর্বনিম্ন প্যাকেজ নির্ধারণ করা হয়েছে ৬ লাখ ৭২ হাজার ৬১৮ টাকা। এর আগের বছরে যা ছিল ৫ লাখ ২২ হাজার ৭৪৪ টাকা।চাঁদ দেখা সাপেক্ষে আগামী ২৭ জুন সৌদি আরবে পবিত্র হজ অনুষ্ঠিত হবে। সৌদি সরকার ও বাংলাদেশ সরকারের মধ্যে দ্বি-পাক্ষিক চুক্তি অনুযায়ী এ বছর হজযাত্রীর কোটা ১ লাখ ২৭ হাজার ১৯৮ জন নির্ধারিত হয়েছে। যার মধ্যে সরকারি ব্যবস্থাপনায় ১৫ হাজার জন এবং বেসরকারি ব্যবস্থাপনায় ১ লাখ ১২ হাজার ১৯৮ জন পবিত্র হজ পালন করতে যেতে পারবেন।

post
বাংলাদেশ

কি ছিল বঙ্গবন্ধুর ৭ মার্চের ঐতিহাসিক ভাষণে

আজ দুঃখ ভারাক্রান্ত মন নিয়ে আপনাদের সামনে হাজির হয়েছি। আপনারা সবই জানেন এবং বুঝেন। আমরা আমাদের জীবন দিয়ে চেষ্টা করেছি। কিন্তু দুঃখের বিষয়, আজ ঢাকা, চট্টগ্রাম, খুলনা, রাজশাহী, রংপুরে আমার ভাইয়ের রক্তে রাজপথ রঞ্জিত হয়েছে। আজ বাংলার মানুষ মুক্তি চায়, বাংলার মানুষ বাঁচতে চায়, বাংলার মানুষ তার অধিকার চায়। কী অন্যায় করেছিলাম, নির্বাচনে বাংলাদেশের মানুষ সম্পূর্ণভাবে আমাকে আওয়ামী লীগকে ভোট দেন। আমাদের ন্যাশনাল অ্যাসেম্বলি বসবে, আমরা সেখানে শাসনতন্ত্র তৈয়ার করব এবং এই দেশকে আমরা গড়ে তুলব, এ দেশের মানুষ অর্থনৈতিক, রাজনৈতিক ও সাংস্কৃতিক মুক্তি পাবে। কিন্তু দুঃখের বিষয়, আজ দুঃখের সঙ্গে বলতে হয়, তেইশ বৎসরের করুণ ইতিহাস বাংলার অত্যাচারের, বাংলার মানুষের রক্তের ইতিহাস। তেইশ বৎসরের ইতিহাস মুমূর্ষু নর–নারীর আর্তনাদের ইতিহাস; বাংলার ইতিহাস এ দেশের মানুষের রক্ত দিয়ে রাজপথ রঞ্জিত করার ইতিহাস। ১৯৫২ সালে রক্ত দিয়েছি। ১৯৫৪ সালে নির্বাচনে জয়লাভ করেও আমরা গদিতে বসতে পারি নাই। ১৯৫৮ সালে আইয়ুব খান মার্শাল ল জারি করে দশ বৎসর পর্যন্ত আমাদের গোলাম করে রেখেছে। ১৯৬৬ সালে ছয় দফা আন্দোলনে ৭ই জুনে আমার ছেলেদের গুলি করে হত্যা করা হয়েছে। ১৯৬৯-এর আন্দোলনে আইয়ুব খানের পতন হওয়ার পর যখন ইয়াহিয়া খান সাহেব সরকার নিলেন, তিনি বললেন, দেশে শাসনতন্ত্র দেবেন, গণতন্ত্র দেবেন। আমরা মেনে নিলাম। তারপরে অনেক ইতিহাস হয়ে গেল, নির্বাচন হলো। আমি প্রেসিডেন্ট ইয়াহিয়া খান সাহেবের সঙ্গে দেখা করেছি। আমি, শুধু বাংলার নয়, পাকিস্তানের মেজরিটি পার্টির নেতা হিসাবে তাঁকে অনুরোধ করলাম, ১৫ই ফেব্রুয়ারি তারিখে আপনি জাতীয় পরিষদের অধিবেশন দেন। তিনি আমার কথা রাখলেন না, তিনি রাখলেন ভুট্টো সাহেবের কথা। তিনি বললেন, প্রথম সপ্তাহে মার্চ মাসে হবে। আমরা বললাম, ঠিক আছে, আমরা অ্যাসেম্বলিতে বসব। আমি বললাম, অ্যাসেম্বলির মধ্যে আলোচনা করব; এমনকি আমি এ পর্যন্ত বললাম, যদি কেউ ন্যায্য কথা বলে, আমরা সংখ্যায় বেশি হলেও, একজনও যদি সে হয়, তার ন্যায্য কথা আমরা মেনে নেব। জনাব ভুট্টো সাহেব এখানে এসেছিলেন, আলোচনা করলেন। বলে গেলেন যে আলোচনার দরজা বন্ধ না, আরও আলোচনা হবে। তারপর অন্যান্য নেতৃবৃন্দের সঙ্গে আলাপ করলাম, আপনারা আসুন বসুন, আমরা আলাপ করে শাসনতন্ত্র তৈয়ার করি। তিনি বললেন, পশ্চিম পাকিস্তানের মেম্বাররা যদি এখানে আসেন, তাহলে কসাইখানা হবে অ্যাসেম্বলি। তিনি বললেন, যে যাবে তাকে মেরে ফেলে দেওয়া হবে। যদি কেউ অ্যাসেম্বলিতে আসে তাহলে পেশোয়ার থেকে করাচি পর্যন্ত দোকান জোর করে বন্ধ করা হবে। আমি বললাম, অ্যাসেম্বলি চলবে। তারপর হঠাৎ ১ তারিখে অ্যাসেম্বলি বন্ধ করে দেওয়া হলো। ইয়াহিয়া খান সাহেব প্রেসিডেন্ট হিসাবে অ্যাসেম্বলি ডেকেছিলেন। আমি বললাম যে, আমি যাব। ভুট্টো সাহেব বললেন, তিনি যাবেন না। ৩৫ জন সদস্য পশ্চিম পাকিস্তান থেকে এখানে আসলেন। তারপরে হঠাৎ বন্ধ করে দেওয়া হলো। দোষ দেওয়া হলো বাংলার মানুষকে, দোষ দেওয়া হলো আমাকে। বন্দুকের মুখে মানুষ প্রতিবাদমুখর হয়ে উঠল। আমি বললাম, শান্তিপূর্ণভাবে আপনারা হরতাল পালন করেন। আমি বললাম, আপনারা কলকারখানা সবকিছু বন্ধ করে দেন। জনগণ সাড়া দিল। আপন ইচ্ছায় জনগণ রাস্তায় বেরিয়ে পড়ল। তারা শান্তিপূর্ণভাবে সংগ্রাম চালিয়ে যাওয়ার জন্য দৃঢ় প্রতিজ্ঞাবদ্ধ হলো। মনে রাখবা, রক্ত যখন দিয়েছি, রক্ত আরো দেব। এ দেশের মানুষকে মুক্ত করে ছাড়ব ইনশাল্লাহ্। কী পেলাম আমরা? যে আমার পয়সা দিয়ে অস্ত্র কিনেছি বহিঃশত্রুর আক্রমণ থেকে দেশকে রক্ষা করার জন্য, আজ সেই অস্ত্র ব্যবহার হচ্ছে আমার দেশের গরিব-দুঃখী আর্ত মানুষের বিরুদ্ধে, তার বুকের উপর হচ্ছে গুলি। আমরা পাকিস্তানের সংখ্যাগুরু। আমরা বাঙালিরা যখনই ক্ষমতায় যাবার চেষ্টা করেছি, তখনই তারা আমাদের উপর ঝাঁপিয়ে পড়েছেন। টেলিফোনে আমার সঙ্গে তাঁর কথা হয়। তাঁকে আমি বলেছিলাম, জনাব ইয়াহিয়া খান সাহেব, আপনি পাকিস্তানের প্রেসিডেন্ট, দেখে যান কীভাবে আমার গরিবের উপরে, আমার বাংলার মানুষের উপরে গুলি করা হয়েছে, কী করে আমার মায়ের কোল খালি করা হয়েছে। আপনি আসুন, দেখুন, বিচার করুন। তিনি বললেন, আমি সিদ্ধান্ত নিয়েছি, ১০ তারিখে রাউন্ড টেবিল কনফারেন্স ডাকব। আমি বলেছি, কিসের বৈঠক বসবে, কার সঙ্গে বসব? যারা আমার মানুষের বুকের রক্ত নিয়েছে, তাদের সঙ্গে বসব? হঠাৎ আমার সঙ্গে পরামর্শ না করে পাঁচ ঘণ্টা গোপনে বৈঠক করে যে বক্তৃতা তিনি করেছেন, সমস্ত দোষ তিনি আমার উপরে দিয়েছেন, বাংলার মানুষের উপর দিয়েছেন। ভাইয়েরা আমার, ২৫ তারিখে অ্যাসেম্বলি কল করেছে। রক্তের দাগ শুকায় নাই। আমি ১০ তারিখে বলে দিয়েছি যে ওই শহীদের রক্তের উপর পা দিয়ে কিছুতেই মুজিবুর রহমান যোগদান করতে পারে না। অ্যাসেম্বলি কল করেছে। আমার দাবি মানতে হবে: প্রথম, সামরিক আইন মার্শাল ল উইথ ড্র করতে হবে, সমস্ত সামরিক বাহিনীর লোকদের ব্যারাকে ফেরত নিতে হবে, যেভাবে হত্যা করা হয়েছে তার তদন্ত করতে হবে, আর জনগণের প্রতিনিধির কাছে ক্ষমতা হস্তান্তর করতে হবে । তারপর বিবেচনা করে দেখব, আমরা অ্যাসেম্বলিতে বসতে পারব কি পারব না। এর পূর্বে অ্যাসেম্বলিতে বসতে আমরা পারি না। আমি, আমি প্রধানমন্ত্রিত্ব চাই না। আমরা এ দেশের মানুষের অধিকার চাই। আমি পরিষ্কার অক্ষরে বলে দিবার চাই যে আজ থেকে এই বাংলাদেশে কোর্ট-কাচারি, আদালত-ফৌজদারি, শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান অনির্দিষ্টকালের জন্য বন্ধ থাকবে। গরিবের যাতে কষ্ট না হয়, যাতে আমার মানুষ কষ্ট না করে, সে জন্য সমস্ত অন্যান্য জিনিসগুলো আছে, সেগুলির হরতাল কাল থেকে চলবে না। রিকশা, গরুর গাড়ি চলবে, রেল চলবে, লঞ্চ চলবে; শুধু সেক্রেটারিয়েট, সুপ্রিম কোর্ট, হাইকোর্ট, জজকোর্ট, সেমি গভর্নমেণ্ট দপ্তরগুলো, ওয়াপদা কোনো কিছু চলবে না। ২৮ তারিখে কর্মচারীরা বেতন নিয়ে আসবেন। এর পরে যদি বেতন দেওয়া না হয়, আর যদি একটা গুলি চলে, আর যদি আমার লোকদের হত্যা করা হয়, তোমাদের কাছে আমার অনুরোধ রইল, প্রত্যেক ঘরে ঘরে দুর্গ গড়ে তোল। তোমাদের যা কিছু আছে তাই নিয়ে শত্রুর মোকাবেলা করতে হবে, এবং জীবনের তরে রাস্তাঘাট যা যা আছে সবকিছু, আমি যদি হুকুম দিবার নাও পারি, তোমরা বন্ধ করে দেবে। আমরা ভাতে মারব, আমরা পানিতে মারব। তোমরা আমার ভাই, তোমরা ব্যারাকে থাকো, কেউ তোমাদের কিছু বলবে না। কিন্তু আর আমার বুকের উপর গুলি চালাবার চেষ্টা করো না। সাত কোটি মানুষকে দাবায়ে রাখতে পারবা না। আমরা যখন মরতে শিখেছি, তখন কেউ আমাদের দমাতে পারবে না। আর যে সমস্ত লোক শহীদ হয়েছে, আঘাতপ্রাপ্ত হয়েছে, আমরা আওয়ামী লীগের থেকে যদ্দুর পারি তাদের সাহায্য করতে চেষ্টা করব। যারা পারেন আমার রিলিফ কমিটিতে সামান্য টাকাপয়সা পৌঁছিয়ে দেবেন। আর এই সাত দিন হরতালে যে সমস্ত শ্রমিক ভাইরা যোগদান করেছেন, প্রত্যেকটা শিল্পের মালিক তাঁদের বেতন পৌঁছায়ে দেবেন। সরকারি কর্মচারীদের বলি, আমি যা বলি তা মানতে হবে। যে পর্যন্ত আমার এই দেশের মুক্তি না হবে খাজনা-ট্যাক্স বন্ধ করে দেওয়া হলো, কেউ দেবে না। মনে রাখবেন, শত্রুবাহিনী ঢুকেছে, নিজেদের মধ্যে আত্মকলহ সৃষ্টি করবে, লুটপাট করবে। এই বাংলায় হিন্দু মুসলমান বাঙালি অবাঙালি যারা আছে, তারা আমাদের ভাই। তাদের রক্ষার দায়িত্ব আপনাদের উপরে। আমাদের যেন বদনাম না হয়। মনে রাখবেন রেডিও টেলিভিশনের কর্মচারীরা, যদি রেডিওতে আমাদের কথা না শোনেন, তাহলে কোনো বাঙালি রেডিও স্টেশনে যাবেন না। যদি টেলিভিশন আমাদের নিউজ না দেয়, কোনো বাঙালি টেলিভিশনে যাবেন না। দুই ঘণ্টা ব্যাংক খোলা থাকবে, যাতে মানুষ তাদের মায়নাপত্র নিবার পারে। কিন্তু পূর্ব বাংলা থেকে পশ্চিম পাকিস্তানে এক পয়সাও চালান হতে পারবে না। টেলিফোন টেলিগ্রাম আমাদের এই পূর্ব বাংলায় চলবে এবং বিদেশের সঙ্গে নিউজ পাঠাতে চালাবেন। কিন্তু যদি এ দেশের মানুষকে খতম করার চেষ্টা করা হয়, বাঙালিরা বুঝে–শুনে কাজ করবেন। প্রত্যেক গ্রামে, প্রত্যেক মহল্লায় আওয়ামী লীগের নেতৃত্বে সংগ্রাম পরিষদ গড়ে তোল এবং তোমাদের যা কিছু আছে তাই নিয়ে প্রস্তুত থাকো। মনে রাখবা, রক্ত যখন দিয়েছি, রক্ত আরো দেব। এ দেশের মানুষকে মুক্ত করে ছাড়ব ইনশাল্লাহ্। এবারের সংগ্রাম আমাদের মুক্তির সংগ্রাম, এবারের সংগ্রাম স্বাধীনতার সংগ্রাম।জয় বাংলা।

About Us

NRBC is an open news and tele video entertainment platform for non-residential Bengali network across the globe with no-business vision just to deliver news to the Bengali community.