post
বিনোদন

বাসায় শিক্ষক রেখে পড়াশোনা করছেন হিরো আলম

দেশের সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ও গণমাধ্যমে বহুল চর্চিত নাম হিরো আলম। তিনি যা করেন না কেন, পক্ষে-বিপক্ষে সুশীল সমাজ থেকে শুরু করে বিভিন্ন শ্রেণির মানুষের মন্তব্য পাওয়া যায়। সেটি আবার দেশজুড়ে আলোচনায় স্থান পায়।বরেণ্য নাট্যকার মামুনুর রশীদ কিছুদিন আগে হিরো আলমকে নিয়ে একটি মন্তব্য করেছিলেন। যেটি তোলপাড় সৃষ্টি করেছিল। শুধু তাই নয়, ‘টক অব দ্য কান্ট্রিতে’ পরিণত হয়েছিল। এর পরই হিরো আলম নিজেকে পরিবর্তন আনা শুরু করেন। সেই লক্ষ্যে বাসায় শিক্ষক রেখে পড়ালেখা শুরু করেছেন এ ইউটিউবার।হিরো আলম বলেন, সত্যি কথা বলতে— আমার বাসা উত্তরাঞ্চলের বগুড়া জেলা হওয়ায়, আমার জেলার আঞ্চলিকতার ভাষার টান থেকেই যায়। এই আঞ্চলিকতা পরিবর্তন করার জন্য আমাকে অনেকে পরামর্শ দিয়েছেন। তা ছাড়া আমার কিছু উচ্চারণে সমস্যা আছে, সবাই বলে হিরো আলম সবকিছু পরিবর্তন করতে পারে। এটিও পারবে। সে জন্য নিজেকে আমি পরিবর্তন করার চেষ্টা করছি। দেখি কতদূর পরিবর্তন হতে পারি। আমার কথা নিয়ে যেহেতু এত মানুষের প্রবলেম, সেটাই আগে ঠিক করব। এ ইউটিউবার আরও বলেন, সবাই পরামর্শ দিয়েছেন আমি যেন একটু পড়ালেখা করি এবং সুশিক্ষায় শিক্ষিত হন। সেই পরামর্শকে গুরুত্ব দিয়ে একটু একটু করে আমার অফিসে শিক্ষক রেখে শেখার চেষ্টা করছি। অনেকে আমাকে উন্মুক্ত বিশ্ববিদালয়ে ভর্তি হওয়ার পরামর্শ দিয়েছেন। সেটি তো আর আমার পক্ষে সম্ভব না । কারণ আমি নানা কাজে ব্যস্ত থাকি। আমাকে পরিবার চালানোর জন্য আয় করতে হয়। আমি বিশ্বাস করি আমার কিছু দুর্বলতা ছিল, সেগুলো পরিবর্তন করলে আর কোনো সমস্যা হবে না। আমাকে নিয়ে কেউ আর কথা বলতে পারবে না। কেউ রুচির দুর্ভিক্ষে পড়বে না। রুচির দুর্ভিক্ষ কাটাতে লেখাপড়ার দিকে মনোযোগ দিয়েছি। শিক্ষকের পরিচয় জানতে চাইলে হিরো আলম বলেন, সে শিক্ষকের পরিচয় এখন দিতে চাই না। সময় আসলে আমি বলে দেব। এখন আপাতত বলতে চাচ্ছিনা। সম্প্রতি হিরো আলমের চেহারা ও গেটাপে পরিবর্তন লক্ষ্য করা গেছে। সেটি কীভাবে হলো—এমন প্রশ্নে তিনি বলেন, সবাই মনে করেছিল হিরো আলম বদলাতে পারবে না। আমি সেটিকে চ্যালেঞ্জ হিসেবে নিয়েছি, পরিবর্তন করে দেখিয়ে দেব। ইতোমধ্যে অনেক পরিবর্তন করে ফেলেছি। আর যেটুকু সমস্যা আছে সেটুকু পুরোপুরি কাটিয়ে ওঠার চেষ্টা করছি। তবে এটা তো একসঙ্গে সম্ভব না। একটু ধৈর্য নিয়ে এগিয়ে যেতে হবে। সেই লক্ষ্যে এগিয়ে যাচ্ছি। সম্প্রতি হিরো আলমকে ইঙ্গিত করে নাট্যকার মামুনুর রশীদ এক অনুষ্ঠানে বলেন, আমরা একটা রুচির দুর্ভিক্ষের মধ্যে পড়ে গেছি। সেখান থেকে হিরো আলমের মতো একটা লোকের উত্থান হয়েছে। যে উত্থান কুরুচি, কুশিক্ষা ও অপসংস্কৃতির উত্থান। এই উত্থান কীভাবে রোধ করা যাবে, এটা যেমন রাজনৈতিক সমস্যা, তেমনি আমাদের সাংস্কৃতিক সমস্যাও। পরে এমন বিরূপ মন্তব্যর পরিপ্রেক্ষিতে হিরো আলম লাইভে প্রচণ্ড অভিমান করেন। তাকে নিয়ে প্রচুর সমস্যা হলে দেশ থেকে তাড়িয়ে দিতে বলেন। আর না হলে তিনি আত্মহত্যা করবেন বলে হুমকি দেন। তিনি নিজেকে বদলে দিতে মামুনুর রশীদের কাছে অনুরোধও করেন।

post
বিনোদন

দর্শক এভাবে আমাকে কখনো দেখেননি: মিথিলা

চলতি মাসেই কলকাতায় মুক্তি পাবে রাফিয়াত রশীদ মিথিলার ‘মায়া’। ঢাকা, কলকাতা মিলিয়ে মুক্তির অপেক্ষায় আছে তাঁর আরও চারটি সিনেমা। এ ছাড়া ঈদে তাঁকে চরকির সিরিজ ‘মাইসেলফ অ্যালেন স্বপন’-এও দেখা যাবে। উইলিয়াম শেক্‌সপিয়ারের ‘ম্যাকবেথ’-এর ছায়া অবলম্বনে তৈরি হয়েছে ‘মায়া’। ছবিটিতে মাহিরা থেকে মায়ারূপে হাজির হয়েছেন মিথিলা। কীভাবে? নিজেই সে গল্প শোনালেন মিথিলা, মাহিরা মুসলিম মেয়ে। জীবনের চলার পথে নানা ধরনের বাধার মুখে পড়ে। একটা সময় মায়া হয়ে ঘুরে দাঁড়ায়। গল্পে তিনটি আলাদা সময়, আলাদা রূপে মিথিলাকে দেখা যাবে। তা ছাড়া চরিত্রটির সংলাপে হিন্দির আধিক্য আছে। কাজটি তাঁর জন্য অতটা সহজ ছিল না। চরিত্রটির প্রস্তুতি নিয়ে মিথিলা বলেন, ‘পরিচালক তাঁর ভাবনাগুলো আমাকে বলেছেন, প্রস্তুতি আমি নিজে নিজে নিয়েছি। প্রায় দুই মাস প্রস্তুতি নিয়েছি। চরিত্রটি কীভাবে তাকাবে, কীভাবে কথা বলবে, হাঁটাচলা সবই অনুশীলন করেছি।’তিনি আরও বলেন, ‘একাধিক রূপ, বয়স ও অন্য ভাষা—এভাবে আমাকে আগে দর্শক কখনো দেখেননি। বলতে পারেন, সিনেমায় এটি আমার নতুন জন্ম।’অভিনেত্রী জানান, তিনটি চেহারার মধ্যে একটিতে তিনি ২০ থেকে ২২ বছরের মেয়ে, আরেকটিতে ৪০ বছরের, অন্যটিতে ৫৫ বছরের এক নারী। তিনটি বয়সের আলাদা চেহারা, কথা বলার ভঙ্গিও আলাদা। ছবিতে প্রায় ৭০ ভাগ সংলাপই হিন্দিতে দিতে হয়েছে। টানা শুটিং, পরপর তিনটি চরিত্রে কাজ করতে গিয়ে সমস্যা হয়নি? এ প্রশ্নের উত্তরে মিথিলা বলেন, ‘এটা তো মায়ার জার্নি। এ কারণে কিছুটা সুবিধা ছিল। দিন ভাগ করে করে চরিত্রগুলোর শুটিং হয়েছে। তা ছাড়া আমার নিজের একটা সুবিধা আছে, আমি যখনই যে চরিত্রের জন্য গেটআপ নিই, সঙ্গে সঙ্গে ওই চরিত্রের মধ্যে ঢুকে যেতে পারি। ভাষা নিয়েও তেমন সমস্যা হয়নি। হিন্দিটা আমি আগে থেকেই মোটামুটি পারি।’ভারতের জনপ্রিয় এফএম চ্যানেল রেডিও মিরচিতে প্রতি রোববার প্রচারিত হয় জনপ্রিয় অনুষ্ঠান ‘সানডে সাসপেন্স’, যেখানে রোমাঞ্চধর্মী গল্প, উপন্যাসের বেতার নাট্যরূপ দেওয়া হয়। সেই অনুষ্ঠানে ‘মৌমাছির শোক’ নামের নাটকে কণ্ঠ দিয়েছেন মিথিলা। এই অঙ্গনে এটি তাঁর প্রথম কাজ।গত ২৬ ফেব্রুয়ারি দুই পর্বে প্রচারিত হয় নাটকটি। রেডিওতে কাজ নিয়ে মিথিলা বলেন, ‘সানডে সাসপেন্স অনুষ্ঠানটি দুই বাংলায়ই বেশ জনপ্রিয়। হঠাৎই আমাকে আমন্ত্রণ জানানো হলো। কারণ, ওই নাটকে বাংলাদেশ থেকে আসা একটা মেয়ে চরিত্রের দরকার ছিল। আমিও রাজি হয়ে গেলাম। তা ছাড়া আগে রেডিওতে কাজ করিনি। সে অভিজ্ঞতাও নেওয়ার ইচ্ছা ছিল। প্রচারের পর দেখলাম, কলকাতা তো বটেই, বাংলাদেশেও প্রশংসা পাচ্ছি। কণ্ঠ দিয়ে অভিনয়ের ব্যাপারটি আমার ভালো লাগে। এ কারণে সিনেমার ডাবিং উপভোগ করি। কণ্ঠ দিয়ে চরিত্রটি নিয়ে খেলা যায়। অন্য রকমের মজা আছে।বেসরকারি উন্নয়ন সংস্থা ব্র্যাকে চাকরির সুবাদে মিথিলাকে কখনো উগান্ডা, কখনো তানজানিয়া, সুদান—ছুটতে হয় নানা দেশ। কলকাতার পরিচালক সৃজিতের সঙ্গে বিয়ের পর মিথিলার জীবনযাপনেও পরিবর্তন এসেছে।মেয়ে আইরাও কলকাতার একটি স্কুলে ভর্তি হয়েছে। তাই কাজের বাইরে বেশির ভাগ সময়ই এখন কলকাতায় থাকেন তিনি। কলকাতা ও ঢাকা দুই জায়গার কাজ নিয়েই এখন ব্যস্ত মিথিলা। এরই মধ্যে শেষ হয়েছে কলকাতার সিনেমা ‘নীতিশাস্ত্র ও মেঘলা’র শুটিং। ঢাকায় করেছেন ‘নুলিয়াছড়ির সোনার পাহাড়’ ও ‘কাজলরেখা’। ছবিগুলো মুক্তির অপেক্ষায় আছে। ঈদুল ফিতরে চরকিতে মুক্তি পাবে তাঁর সিরিজ ‘মাইসেলফ অ্যালেন স্বপন’। এটি নিয়েও দারুণ আশাবাদী মিথিলা, ‘এখন সবাই অ্যালেন স্বপন চরিত্রে নাসির উদ্দিন খানকে জানছেন। এখানে আমি শায়লা চরিত্রে অভিনয় করেছি। চরিত্রটা কী ধরনের, দর্শক এখনো তা জানতে পারেননি। মুক্তির পর চরিত্রটি দেখে দর্শক অবাক হতেই পারেন।’

post
অভিবাসন

২০ বাংলাদেশিসহ মালয়েশিয়ায় ৬৫ অভিবাসী আটক

মালয়েশিয়ায় প্রয়োজনীয় কাগজপত্র না থাকায় ৬৫ বিদেশি নাগরিককে গ্রেফতার করেছে দেশটির ইমিগ্রেশন পুলিশ। এর মধ্যে ২০ জন বাংলাদেশি। এ সময় জাল ভিসা, স্টিকার তৈরি চক্রের মূলহোতা এক বাংলাদেশি ও এক ভারতীয়কে গ্রেফতার করা হয়। গ্রেফতারদের বিরুদ্ধে আইনি ব্যবস্থা নিতে সেমুনিয়া ডিটেনশন ক্যাম্পে পাঠানো হয়েছে।স্থানীয় সময় শুক্রবার (৭ এপ্রিল) রাত ৯টার দিকে দেশটির অভিবাসন বিভাগের মহাপরিচালক দাতু রুসলিন জুসোহের সই করা সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানানো হয়। এতে বলা হয়, গত ৫ ও ৬ এপ্রিল পুত্রজায়ার বিশেষ শাখার কর্মকর্তাদের সমন্বয়ে গঠিত একটি এনফোর্সমেন্ট ডিভিশন গোপন সংবাদের ভিত্তিতে গোয়েন্দা নজরদারি চালিয়ে এ চক্রের সদস্যদের গ্রেফতার করে। গ্রেফতারদের মধ্যে ৪৩ জন ভারতীয়, ২০ জন বাংলাদেশি ও দুজন পাকিস্তানি নাগরিক রয়েছেন। তাদের সবার বয়স ২৫-৪৫ বছরের মধ্যে। অভিযানের সময় তাদের কাছ থেকে ভারতীয় ৪০টি, বাংলাদেশি ২০টি ও ও দুটি পাকিস্তানি পাসপোর্টসহ মোট ৬৫টি পাসপোর্ট জব্দ করা হয়েছে।এ পাসপোর্টগুলো দালালরা জাল পিএলকেএস ওয়ার্ক পারমিট লাগিয়ে বৈধ করার প্রলোভন দেখিয়ে সংগ্রহ করেছিল। প্রত্যেক পাসপোর্টে জাল ভিসা লাগানোর জন্য জনপ্রতি ছয় হাজার রিংগিত অগ্রিম নেওয়াও হয়েছিল। চক্রের মূলহোতা একজন ভারতীয় পুরুষ। তার বয়স ৪৩ বছর। রাজধানী কুয়ালালামপুরের ব্রিকফিল্ড এলাকায় প্রথমে তার অফিসে অভিযান চালানো হয়। এ সময় তার কাছ থেকে বিপুল পরিমাণ পাসপোর্ট ও জাল ভিসার স্টিকারসহ বিভিন্ন সরঞ্জাম উদ্ধার করা হয়।ভারতের ওই নাগরিকের দেওয়া তথ্যের ভিত্তিকে সেরেমবান রাজ্যে অভিযান চালিয়ে ৩০ বছর বয়সী এক বাংলাদেশিকে গ্রেফতার করা হয়। তিনিও এ চক্রের সক্রিয় সদস্য হিসেবে কাজ করছিলেন। গ্রেফতারদের অধিকতর তদন্ত ও পরবর্তী পদক্ষেপের জন্য সেমোনিয়া ইমিগ্রেশন ডিপোতে রাখা হয়েছে।

post
অভিবাসন

বৈধভাবে মালয়েশিয়ায় গিয়েও চাকরি না পাওয়া ২৬ বাংলাদেশিকে উদ্ধার

মালয়েশিয়ায় বৈধ কর্ম ভিসায় গিয়ে চাকরি বঞ্চিত ২৬ বাংলাদেশি কর্মীকে উদ্ধার করেছে দেশটির শ্রম বিভাগ। কোনো কাজ না দিয়ে তাদের বসিয়ে রেখেছিল নিয়োগকর্তা। গত বুধবার এলাকাবাসী কাছ থেকে পাওয়া তথ্যের ভিত্তিতে সেলাঙ্গর রাজ্যের পোর্ট ক্লাংয়ের একটি আবাসিক এলাকায় অভিযান চালিয়ে তাদের উদ্ধার করা হয়।অভিযানের নেতৃত্বে দেওয়া শ্রম বিভাগের উপ মহাপরিচালক (অপারেশন) আসরি আবদ ওয়াহাব গণমাধ্যমকে জানান, উদ্ধারের পর তাদের একটি সেফ হাউসে রাখা হয়েছে। শ্রম বিভাগের বিবৃতিতে বলা হয়, উদ্ধার করা শ্রমিকরা গত ১৫ ফেব্রুয়ারি বৈধভাবে মালয়েশিয়ায় আসেন। কিন্তু দুর্ভাগ্যবশত নিয়োগকর্তারা তাদের চাকরি দিতে ব্যর্থ হন এবং তাদের কোনো আয় ছাড়াই বসিয়ে রাখেন। সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ বলেছে, অভিবাসী শ্রমিকরা যাতে প্রতারণা বা বাধ্যতামূলক শ্রমের শিকার না হন তা নিশ্চিত করতে অভিযান চালানো হয়েছিল। শ্রম বিভাগ সম্ভাব্য চাকরি খোঁজা বা শেষ উপায় হিসেবে শ্রমিকদের তাদের দেশে ফেরত পাঠানোসহ অন্যান্য সহায়তা দেবে। বিবৃতিতে বলা হয়, 'শ্রম বিভাগ এমন কোনো বিষয় আপোস করবে না, যা বাধ্যতামূলক শ্রমের দিকে পরিচালিত করবে এবং দেশের ভাবমূর্তিকে বিরূপভাবে প্রভাবিত করবে।' 'প্রতিটি সেক্টরের নিয়োগকর্তারা বিদেশি কর্মীদের জন্য আবেদন করার পর তাদের বাধ্যবাধকতাকে সম্মান করতে হবে। এর মধ্যে আছে চাকরি দেওয়ার পাশাপাশি উপযুক্ত বাসস্থান।' বিদেশি কর্মীদের জন্য আবেদনে বাধ্যতামূলক মানদণ্ড ও নির্দেশিকাগুলো মেনে না চললে নিয়োগকর্তাকে কালো তালিকাভুক্ত করা হবে বলেও দেশটির শ্রম বিভাগের বিবৃতিতে বলা হয়েছে।

post
খেলা

শঙ্কা উড়িয়ে স্বস্তির জয় টাইগারদের

অবশেষে লজ্জার রেকর্ড থেকে মুক্তি পেলো বাংলাদেশ ক্রিকেট দল। ১০টি টেস্ট খেলুড়ে দেশের বিপক্ষে খেলতে নেমে প্রথম ম্যাচেই পরাজয়ের স্বাদ নিতে হয়েছিলো টাইগারদের। এমনকি আফগানিস্তানের কাছেও হারতে হয়েছিলো বাংলাদেশকে।অবশেষে আয়ারল্যান্ডকে হারিয়ে সেই লজ্জার ইতিহাস বদলালো সাকিব আল হাসানের দল। মিরপুর টেস্টে আইরিশদের ৭ উইকেটে হারিয়েছে টাইগাররা। জয়ের জন্য প্রয়োজন ছিল ১৩৮ রানের। ব্যাট করতে নেমে লিটন দাস, নাজমুল হোসেন শান্ত এবং তামিম ইকবালের উইকেট হারিয়ে জয়ের লক্ষ্যে পৌঁছে যায় বাংলাদেশ।২০১৯ সালে চট্টগ্রামে আফগানিস্তানের মুখোমুখি হয়ে বাংলাদেশ ভেবেছিলো ক্রিকেটের নবাগত দেশটিকে পেয়ে জয় তুলে নেবে। কিন্তু উল্টো মুমিনুল হকের দলকে লজ্জা দিয়ে ২২৪ রানের বিশাল ব্যবধানে জয় তুলে নিয়েছিলো আফগানরা।এবার আয়ারল্যান্ডকে পেয়ে বেশ সতর্ক ছিলো বাংলাদেশ। যে কারণে অধিনায়ক সাকিব আল হাসান এবং ওপেনার লিটন দাসকে আইপিএলের ছাড়পত্র পর্যন্ত দেয়নি বিসিবি। আয়ারল্যান্ডের বিপক্ষে টেস্ট ম্যাচটাকে তারা এতটা গুরুত্বের সঙ্গে নিয়েছিলো।মিরপুরে প্রথম দিন থেকেই প্রাধান্য ছিল বাংলাদেশের। সফরকারীদের ২১৪ রানে অলআউট করে দিয়ে বাংলাদেশ করেছিলো ৩৬৯ রান। ১৫৫ রানের লিড। জবাব দিতে নেমে দ্বিতীয় দিন শেষ বিকেলে ১৩ রানেই ৪ উইকেট হারিয়ে বসে আইরিশরা।বাংলাদেশের ক্রিকেট সমর্থকরা ভেবেছিলো ইনিংস ব্যবধানেই হয়তো জয় পেতে যাচ্ছে তাদের দল। বৃহস্পতিবার সে আশাতেই খেলা দেখতে বসেছিলো তারা।

post
বাংলাদেশ

এক নিমিষেই শেষ পশ্চিমাঞ্চলের ট্রেনের অগ্রিম টিকিট

আসন্ন পবিত্র ঈদুল ফিতর উপলক্ষে শুরু হয়েছে ট্রেনের অগ্রিম টিকিট বিক্রি। আজ শুক্রবার প্রথম দিন দেওয়া হচ্ছে ১৭ এপ্রিলের টিকিট। তবে টিকিট বিক্রি শুরুর কয়েক মিনিটের মধ্যে শেষ হয়ে গেছে পশ্চিমাঞ্চলের ১৭ তারিখের অগ্রিম টিকিট। বিশেষ করে রংপুর, পঞ্চগড়, কুড়িগ্রাম, রাজশাহীসহ উত্তরবঙ্গগামী কোনো ট্রেনেরই টিকিট নেই বলে জানা গেছে।আজ শুক্রবার সকাল ৮টা থেকে ট্রেনের টিকিট বিক্রি শুরু হয়েছে। ট্রেনের টিকিট এবার শতভাগ অনলাইনে দেওয়া হয়েছে। কোনো কাউন্টারে টিকিট বিক্রি হচ্ছে না।খোঁজ নিয়ে জানা যায়, ট্রেনের শতভাগ টিকিট অনলাইনে দেওয়ার কারণে কমলাপুরে টিকিটপ্রত্যাশীদের সেই চিরচেনা ভিড় নেই। ফলে টিকিট কাটা যাত্রীদের দুর্ভোগের খবর চোখে পড়েনি। তবে কিছু মানুষ আছেন, যাঁরা অনলাইনে টিকিট দেওয়ার বিষয়টি জানেন না, তাঁরা কমলাপুর স্টেশনে এসে ঘুরে গেছেন।রেলওয়ে সূত্র জানায়, এবার ঈদে ট্রেনে প্রতিদিন বিক্রি করা হবে ২৫ হাজার ৭৭৮টি টিকিট। আজ প্রথম দিন সকাল সাড়ে ৯টা পর্যন্ত ১৪ হাজার ২৪৫টি টিকিট বিক্রি হয়েছে। এর মধ্যে পশ্চিমাঞ্চলের সব টিকিট বিক্রি হয়ে গেছে। আছে বেশি সিলেট অঞ্চলের টিকিট।জানতে চাইলে রেলের ঢাকা বিভাগীয় রেলওয়ে ব্যবস্থাপক মোহাম্মদ সফিকুর রহমান বলেন, প্রথমবার সব টিকিট অনলাইনে দেওয়া হয়েছে। এখন পর্যন্ত বড় কোনো অভিযোগ পাওয়া যায়নি। সাধারণ মানুষের টিকিট কাটা নিয়ে ভোগান্তি একেবারেই নেই। টিকিটের জন্য স্টেশনে রাতভর অপেক্ষা করতে হয়নি যাত্রীদের। মানুষ স্বাচ্ছন্দ্যে অনলাইনে টিকিট কাটতে পেরেছেন। অনলাইনে টিকিট কাটতেও জটিলতা ছিল না।তবে যেসব ট্রেনের টিকিটের চাহিদা বেশি, সেগুলো নিমেষেই শেষ হয়ে গেছে। উত্তর ও পশ্চিমাঞ্চলের ট্রেনগুলোর টিকিটের চাহিদা বেশি থাকায় কয়েক মিনিটের মধ্যেই কিছু কিছু ট্রেনের টিকিট শেষ হয়ে গেছে। পূর্বাঞ্চলের চট্টগ্রাম ও সিলেট এর ট্রেনের টিকিট এখনো অনলাইনে পাওয়া যাচ্ছে।

post
এনআরবি বিশ্ব

মালয়েশিয়ায় ক্রেন উল্টে ২ বাংলাদেশি শ্রমিকের মৃত্যু

মালয়েশিয়ায় হাইড্রলিক টাওয়ার ক্রেন উল্টে ২ বাংলাদেশি শ্রমিক নিহত হয়েছেন। আজ বৃহস্পতিবার সকালে পেরাক ফায়ার অ্যান্ড রেসকিউয়ের প্রধান এক বিবৃতিতে এসব তথ্য জানিয়েছেন। দেশটির রাষ্ট্রীয় সংবাদ সংস্থা বারনামা বলছে, গতকাল রাত ৮টা ১৭ মিনিটে মালয়েশিয়ার সিম্পাং পুলাইয়ের একটি কন্সট্রাকশন কোয়ারি সাইডে ভূমিধসে একটি হাইড্রলিক টাওয়ার ক্রেন উল্টে যায়। এসময় টাওয়ার ক্রেনের নিচে চাপা পড়ে ২ বাংলাদেশি শ্রমিক নিহত হন।তবে, নিহত ২ বাংলাদেশির নাম ও ঠিকানা প্রকাশ করেনি পুলিশ। ফায়ার অ্যান্ড রেসকিউ টিম জানিয়েছে, নিহতদের বয়স ৩০-৪০ বছরের মধ্যে। ঘটনাস্থলে পৌঁছে রেসকিউ টিমের অত্যাধুনিক প্রযুক্তির যন্ত্রপাতির মাধ্যমে টাওয়ার ক্রেন সরিয়ে প্রায় এক ঘণ্টার চেষ্টায় মরদেহ উদ্ধার করা হয়। নিহতরা এখানে শ্রমিকের কাজ করতেন। পেরাক ফায়ার অ্যান্ড রেসকিউ ডিপার্টমেন্টের প্রধান জানান, নিহতদের মরদেহ পরবর্তী ব্যবস্থার জন্য স্থানীয় পুলিশের কাছে হস্তান্তর করা হয়েছে। রাত ৯টা ৫৫ মিনিটে এই উদ্ধার অভিযান শেষ হয়। ইপোহ জেলা পুলিশের প্রধান এসিপি ইয়াহায়া হাসান বলেছে, 'মরদেহ ময়নাতদন্তের জন্য রাজা পারমাইসুরি বাইনুন হাসপাতালে পাঠানো হয়েছে। নিহত ২ বাংলাদেশির পূর্ণ পরিচয় এখনো নিশ্চিত হওয়া যায়নি।'

post
এনআরবি বিশ্ব

বিশ্বে বিমানবন্দরের শীর্ষে দুবাই আন্তর্জাতিক বিমানবন্দর

করোনা মহামারির কারণে ২০২০ ও ২০২১ সালে বিশ্বের সকল বিমানবন্দরে কমে গিয়েছিল কর্ম তৎপরতা। তবে সবকিছু স্বাভাবিক হয়ে আসে ২০২২ সালে। এরসঙ্গে ফিরে আসে বিমানবন্দরগুলোর প্রাণচঞ্চলতাও। গত বছর অর্থাৎ ২০২২ সালে কোন বিমানবন্দর দিয়ে সবচেয়ে বেশি মানুষ যাতায়াত করেছেন সেটির তালিকা প্রকাশ করেছে এয়ারপোর্ট কাউন্সিল ইন্টারন্যাশনাল (এসিআই)।সংস্থাটির দেওয়া তথ্য অনুযায়ী, গত বছর বিশ্বে সবচেয়ে বেশি ব্যস্ত ছিল সংযুক্ত আরব আমিরাতের দুবাই আন্তর্জাতিক বিমানবন্দর। শুধু ২০২২ সাল নয়— এ বিমানবন্দরটি টানা ৯ বছর ব্যস্ততম বিমানবন্দরগুলোর শীর্ষে অবস্থান করছে। গত ৮ বছরের মতো এবারও এই ধারা অব্যাহত রাখল বিমানবন্দরটি। সংস্থাটির দেওয়া তথ্য অনুযায়ী, ২০২২ সালে দুবাই বিমানবন্দর দিয়ে যাতায়াত করেছেন ৬ কোটি ৬০ লাখ ৬৯ হাজার ৯৮১ জন মানুষ। যা ২০২১ সালের তুলনায় ১২৭ শতাংশ বেশি। এছাড়া বছরের শেষ চার মাসে বিমান বন্দরটি দিয়ে যে পরিমাণ যাত্রী যাতায়াত করেছেন— সেটি মহামারির আগে যে পরিমাণ যাত্রী যাতায়াত করতেন সেটির সমান ছিল।আন্তর্জাতিক ও অভ্যন্তরীণ বিমান চলাচলের সংখ্যা ও যাতায়াত বাড়তে থাকায় ধারণা করা হচ্ছে, ২০২৩ সালে ৭ কোটি ৮০ লাখ মানুষ দুবাই বিমানবন্দর ব্যবহার করবেন। দুবাই বিমানবন্দরের প্রধান নির্বাহী পল গ্রিফিথস জানিয়েছেন, আবারও বিশ্বের সবচেয়ে ব্যস্ত বিমানবন্দরের তালিকার শীর্ষে অবস্থান করায় তারা বেশ রোমাঞ্চিত। তিনি আরও জানিয়েছেন, তাদের লক্ষ্য সামনেও এ অবস্থান ধরে রাখা। বিশ্বের সবচেয়ে ব্যস্ত ১০ বিমানবন্দরের তালিকা (২০২২ সাল)— ১। দুবাই আন্তর্জাতিক বিমানবন্দর - ৬ কোটি ৬০ লাখ ২। হেথ্রু, যুক্তরাজ্য – ৫ কোটি ৮২ লাখ ৩। আমস্টারডাম, নেদারল্যান্ডস – ৫ কোটি ২৪ লাখ ৪। প্যারিস, ফ্রান্স – ৫ কোটি ১৭ লাখ ৫। ইস্তাম্বুল, তুরস্ক – ৪ কোটি ৮৫ লাখ ৬। ফ্রাঙ্কফ্রুট, জার্মানি – ৪ কোটি ৪৭ লাখ ৭। মাদ্রিদ, স্পেন – ৩ কোটি ৬২ লাখ ৮। দোহা, কাতার – ৩ কোটি ৫৭ লাখ ৯। সিঙ্গাপুর, সিঙ্গাপুর- ৩ কোটি ১৯ লাখ ১০। গ্যাটউইক, যুক্তরাজ্য- ৩ কোটি ১ লাখ সূত্র: খালিজ টাইমস

post
খেলা

টেস্ট ক্রিকেটে দশম সেঞ্চুরির দেখা পেলেন মুশফিকুর রহিম

মার্ক অ্যাডায়ারের বলটা স্লিপ ও কিপারের মাঝ দিয়ে বাউন্ডারিতে ঠেলে দিলেন মুশফিকুর রহিম। তারপর দুহাতে ব্যাট উঁচিয়ে ধরলেন তিনি। টেস্ট ক্রিকেটে দশম সেঞ্চুরির দেখা পেলেন বাংলাদেশের মিডল অর্ডার ব্যাটার। সাকিব আল হাসান সুযোগ হাতছাড়া করলেও মুশফিক কোন ভুল করলেন না। ১৩৫ বলে ১৩ চার, ১ ছক্কায় তিন অঙ্কের ঠিকানায় পৌঁছেন মুশফিক। বুধবার আয়ারল্যান্ডের বিপক্ষে একমাত্র টেস্টে মুশফিকের সেঞ্চুরিতে শক্ত অবস্থানে চলে গেছে বাংলাদেশ। এই প্রতিবেদন লেখা পর্যন্ত ৪ উইকেটে ২৬২ রান তুলে ফেলেছে বাংলাদেশ। ইতোমধ্যে লিড নিয়ে ফেলেছে ৪৮ রানের। টেস্টে মিরপুর শেরে বাংলা ক্রিকেট স্টেডিয়ামে সেঞ্চুরিতে রেকর্ড করলেন বাংলাদেশের তারকা। মুমিনুল হককে ছাড়িয়ে মিরপুরে সর্বোচ্চ চার সেঞ্চুরি এখন তার।সকালে নেমে থিতু হতে খানিকটা সময় নিয়েছিলেন মুশফিক। প্রতিপক্ষের আলগা বোলিংয়ের সুযোগে ডানা মেলতেও অবশ্য বেশি সময় লাগেনি। সাকিবের সঙ্গে চনমনে জুটিতে দলের রান বাড়াতে থাকেন তিনি। নিজেও ছুটে চলেন বড় রানের দিকে। সকালে নেমে তৃতীয় ওভারেই অ্যাডায়ারের বলে বোল্ড হয়ে গিয়েছিলেন মুমিনুল হক। ৪০ রানে ৩ উইকেট হারিয়ে ফেলেছিল বাংলাদেশ। চাপের সময়টা চোয়ালবদ্ধ দৃঢ়তায় আগলে রাখেন মুশফিক। আরেক প্রান্তে অবশ্য দ্রুত রান এনে চাপ বাড়তে দেননি সাকিব। সাকিব চালিয়ে খেলতে থাকায় স্পেসটা পান মুশফিক। ৬৯ বলে মুশফিক স্পর্শ করেন ফিফটি। সাকিবের সঙ্গে চতুর্থ উইকেট জুটিতে ১৮৮ বলে ১৫৯ রানের জুটিতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করেন তিনি। সাকিব ৯৪ বলে ৮৭ করে তাতে বড় অবদান রাখলেও ৯৪ বলে ৬৮ তুলে নির্ভরতা যোগান বাংলাদেশের মিডল অর্ডার ব্যাটার। সাকিবের বিদায়ের পর লিটন দাসের সঙ্গেও জুটি জমে উঠেছে তার। জুটিতে এরমধ্যেই ৬৭ বলে এসে গেছে ৬৩ রান।

post
এনআরবি সাফল্য

আন্তর্জাতিক কোরআন প্রতিযোগিতায় আবারো শ্রেষ্ঠ তাকরিম

আন্তর্জাতিক হিফজুল কোরআন প্রতিযোগিতায় আবারো বিজয়ী হয়েছেন বাংলাদেশের হাফেজ সালেহ আহমদ তাকরিম। এবার ২৬তম দুবাই আন্তর্জাতিক হিফজুল কোরআন প্রতিযোগিতায় অংশগ্রহণ করে প্রথম হলেন তাকরিম। প্রতিযোগিতায় দ্বিতীয় হয়েছেন ইথিওপিয়ার আব্বাস হাদি ও তৃতীয় স্থান অধিকার করেছেন সৌদি আরবের খালিদ সুলাইমান।মঙ্গলবার (৪ এপ্রিল) দিবাগত রাত ১২টা ৩৫ মিনিটে তাকরিমের প্রথম স্থান অর্জনের খবরটি নিশ্চিত করেছে রাজধানীর মারকাযু ফয়জিল কোরআন আল ইসলামী ঢাকার অফিস সংশ্লিষ্ট সূত্র। এছাড়াও খবরটি নিশ্চিত করেছেন তাকরিমের শিক্ষক ও মারকাযু ফয়জিল কোরআন আল ইসলামীর প্রিন্সিপাল মুফতি মুরতাজা হাসান ফয়েজী মাসুম।কোরআন প্রতিযোগিতার মূল পর্বে নিয়ম অনুযায়ী, তিলাওয়াতের সময় একাধারে পাঁচটি প্রশ্নের নির্ভুল উত্তর দেন তাকরিম। কোনো প্রশ্নের উত্তরের ক্ষেত্রে তার ভুল হয়নি। উপহার দিয়েছেন স্বভাবধর্মী মুগ্ধকর তিলাওয়াত। এর আগে, সৌদি আরব ও ইরানে আয়োজিত দুটি আন্তর্জাতিক কোরআন প্রতিযোগিতায় যথাক্রমে প্রথম ও তৃতীয় স্থান অর্জন করে তাকরিম। তাকরিম মারকাযু ফয়জিল কুরআন আল ইসলামী ঢাকার কিতাব বিভাগের ছাত্র। তার গ্রামের বাড়ি টাঙ্গাইলের নাগরপুর থানার ভাদ্রা গ্রামে। তার বাবা হাফেজ আবদুর রহমান একজন মাদরাসা শিক্ষক ও মা গৃহিণী।

About Us

NRBC is an open news and tele video entertainment platform for non-residential Bengali network across the globe with no-business vision just to deliver news to the Bengali community.