post
আন্তর্জাতিক

'ভালোবাসার জন্য' শিক্ষার্থীদের এক সপ্তাহের ছুটি ঘোষণা

পূর্ব এশিয়ার দেশ চীনের নয়টি কলেজের শিক্ষার্থীদের এক সপ্তাহের ছুটি দেওয়া হয়েছে। মূলত ভালোবাসা উপভোগের জন্য সপ্তাহব্যাপী শ্রেণি কার্যক্রম বন্ধ রাখার সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। চীনের এ ৯টি কলেজ এমন সময় এ উদ্যোগ নিল যখন দেশটিতে জন্মহার আশঙ্কাজনকহারে কমে গেছে। কলেজগুলো পরিচালনা করে ফান মেই এডুকেশন গ্রুপ নামের একটি সংস্থা। গত সপ্তাহে সংস্থাটি ঘোষণা দেয় ১ এপ্রিল থেকে ৭ এপ্রিল পর্যন্ত শিক্ষক এবং শিক্ষার্থীরা ‘ভালোবাসায় পড়ার জন্য মুক্ত’ থাকবেন।ওই ৯টি কলেজের অন্যতম একটি হলো মিনইয়াং এভিয়েশন ভোকেশনাল কলেজ। এ শিক্ষা প্রতিষ্ঠানটির ডিন লিয়াং গুহি ছুটির ব্যাপারে বলেছেন, ‘আমাদের প্রতিষ্ঠান বসন্তের ছুটি চালু করেছে এই আশায় যে শিক্ষার্থীরা প্রকৃতিকে ভালোবাসতে শিখতে পারবে, জীবনকে ভালোবাসবে এবং ভালোবাসা উপভোগ করবে।’ তিনি আরও বলেছেন, ‘আমি আশা করি শিক্ষার্থীরা স্বচ্ছ পানি ও সবুজ পাহাড় এবং বসন্তের আসল সৌন্দর্য্য উপভোগ করতে পারবে। এটি শুধুমাত্র শিক্ষার্থীদের মানসিক বিকাশই ঘটাবে না, সঙ্গে শ্রেণিকক্ষে শিক্ষার কনটেন্ট সমৃদ্ধ ও দৃঢ় করবে।’ জানা গেছে এই ৯টি কর্মমুখী কলেজে পড়াশুনা করে বিমান খাতের শিক্ষার্থীরা। ২০১৯ সাল থেকেই শিক্ষার্থীদের বসন্তের ছুটি দেওয়া হয়। তবে এবারের ছুটির থিম দেওয়া হয়েছে ‘ভালোবাসা।’ছুটির মধ্যে অবশ্য শিক্ষার্থীদের হোমওয়ার্কও দেওয়া হয়েছে। সেটি হলো— তারা ছুটির মধ্যে কী কী করবে সেগুলো ডায়েরিতে লিপিবদ্ধ করতে হবে অথবা ভিডিও প্রতিবেদন তৈরি করতে হবে। ছুটির কারণে যেন শিক্ষা কার্যক্রম ব্যহত না হয় বা শিক্ষার্থীরা পিছিয়ে না যান সে কারণে পরবর্তীতে বাড়তি ক্লাস নিয়ে সেগুলো পুষিয়ে দেওয়া হবে। তবে এখন শিক্ষার্থীদের ভালোবাসায় মনযোগী হওয়ার জন্য বলা হয়েছে। এদিকে বিশেষজ্ঞদের ধারণা, চীনে জন্মহার অত্যাধিক কমে যাওয়ার কারণে এবারের ছুটির থিম দেওয়া হয়েছে ভালোবাসা। দেশটির সরকার জনসংখ্যা বৃদ্ধিতে তরুণদের বিভিন্নভাবে উদ্বুদ্ধ করার চেষ্টা করছে। সূত্র ইয়াহু নিউজ

post
এনআরবি বিশ্ব

বিএসএফের গুলিতে রবিউল নামে এক বাংলাদেশি নিহত

লালমনিরহাটের পাটগ্রাম উপজেলায় ভারতীয় সীমান্তরক্ষী বাহিনীর (বিএসএফ) গুলিতে রবিউল ইসলাম (৫০) নামে এক বাংলাদেশি নিহত হয়েছেন। এ সময় গুলিবিদ্ধ হয়েছেন শহিদুল (৩০) নামে এক যুবক। শনিবার (১ এপ্রিল) দিনগত রাতে উপজেলার শমসেরনগর সীমান্তের মেইন পিলারে কাছে এ ঘটনা ঘটে।নিহত রবিউল উপজেলার বুড়িমারী কলাবাগান এলাকার মৃত চেনুমিয়া ছেলে। গুলিবিদ্ধ শহিদুল উপজেলার বুড়িমারী কলাবাগান এলাকার হেদুল মিয়ার ছেলে। তিনি গোপনে একটি হাসপাতালে চিকিৎসা নিচ্ছেন। স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, শনিবার দিনগত রাতে বাংলাদেশি চার-পাঁচজন ভারতের অভ্যন্তরে মেডিকেল ব্রিজ এলাকায় প্রবেশ করে। টের পেয়ে বিএসএফ সদস্যরা তাদের ওপর দুই রাউন্ড গুলি করে। এতে রবিউল ইসলাম মারা যান আর শহিদুলের বামপায়ে গুলিবিদ্ধ হন। ৬১ বিজিবির তিস্তা-২ ব্যাটালিয়নের অধিনায়ক লে. কর্নেল এ এম মাহবুবুল আলম খান জাগো নিউজকে বলেন, সীমান্তের কাঁটাতারের বেড়ার কাছে চোরাকারবারির সময় বিএসএফের গুলিতে একজন নিহত হয়েছেন। অপরজন আহত হয়েছেন। বিষয়টি আমরা তদন্ত করছি। এ বিষয়ে আরও বিস্তারিত পরে জানানো হবে।পাটগ্রাম থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) ওমর ফারুক জাগো নিউজকে বলেন, সীমান্ত থেকে ওই ব্যক্তির মরদেহ উদ্ধার করে পাটগ্রাম থানায় আনা হয়েছে। ময়নাতদন্তের জন্য লালমনিরহাট সদর হাসপাতালে পাঠানো হবে।

post
বিনোদন

এবার শর্টফিল্মে সাকিব আল হাসান

বিশ্বসেরা অলরাউন্ডার ক্রিকেটার সাকিব আল হাসান। ক্রিকেটের পাশাপাশি বিজ্ঞাপন জগতেও তার পদচারণা বহুদিন আগে থেকেই। সম্প্রতি একটি শর্টফিল্মে অভিনয় করেছেন তিনি। এপ্রিলের মাঝামাঝি এ সিনেমাটি প্রকাশ হবে বলে জানা গেছে।নির্মাতা প্রতিষ্ঠান জানিয়েছেন, এই রমজানে শর্টফিল্মটির মাধ্যমে মানুষের জন্য নতুন বার্তা দিবেন সাকিব। প্রতিষ্ঠানটি এক বার্তায় জানিয়েছে, সাকিব আল হাসান তার সাফল্য ও পরিশ্রমী স্বভাবের জন্য পরিচিত। বিশ্বের এক নম্বর অলরাউন্ডার হিসেবে শীর্ষস্থান অর্জন কিংবা ব্যক্তিগত জীবনে একজন দায়িত্বশীল মানুষ, সব ক্ষেত্রেই সাকিব একজন চ্যাম্পিয়ন এবং সবার জন্য অনুপ্রেরণার এক উৎস। স্বল্পদৈর্ঘ্য চলচ্চিত্রে সম্ভবত এটাই প্রতিফলন থাকছে। তবে প্রযোজনা প্রতিষ্ঠান থেকে এর নাম কিংবা গল্প সম্পর্কে বিস্তাারিত জানানো হয়নি।

post
বাংলাদেশ

বাংলাদেশে ডিজিটাল নিরাপত্তা আইনের প্রয়োগ স্থগিত করার আহ্বান জাতিসংঘের মানবাধিকারবিষয়ক হাইকমিশনারের

বাংলাদেশ সরকারের প্রতি অবিলম্বে ডিজিটাল নিরাপত্তা আইনের প্রয়োগ স্থগিত করার আহ্বান জানিয়েছেন জাতিসংঘের মানবাধিকারবিষয়ক হাইকমিশনার ফলকার টুর্ক। আজ শুক্রবার এক বিবৃতিতে তিনি এই আহ্বান জানিয়েছেন। ফলকার টুর্ক বলেছেন, ‘আমি উদ্বিগ্ন যে বাংলাদেশজুড়ে সাংবাদিক ও মানবাধিকারকর্মীদের গ্রেপ্তার, হয়রানি ও ভীতি প্রদর্শন এবং অনলাইনে সমালোচকদের কণ্ঠ রোধ করতে ডিজিটাল নিরাপত্তা আইন ব্যবহার করা হচ্ছে। আমি পুনরায় কর্তৃপক্ষের প্রতি অবিলম্বে এর প্রয়োগ স্থগিত এবং এই আইনকে আন্তর্জাতিক মানবাধিকার আইনের সঙ্গে সামঞ্জস্যপূর্ণ করতে এর ধারাগুলোতে প্রয়োজনীয় সংশোধনী আনার আহ্বান জানাচ্ছি।’ এই সংশোধনী আনতে সহযোগিতার লক্ষ্যে জাতিসংঘের মানবাধিকারবিষয়ক হাইকমিশনারের দপ্তর থেকে বাংলাদেশকে ইতিমধ্যে বিস্তারিত পরামর্শ পাঠানো হয়েছে বলে জানিয়েছেন ফলকার টুর্ক। তাঁর বিবৃতিতে বলা হয়েছে, ২০১৮ সালের ১ অক্টোবর ডিজিটাল নিরাপত্তা আইন কার্যকর হওয়ার পর থেকে এই আইনে দুই হাজারের বেশি মামলা হয়েছে। সর্বশেষ ২৯ মার্চ বাংলাদেশের সর্ববৃহৎ সংবাদপত্র প্রথম আলোর সাংবাদিক শামসুজ্জামান এর শিকার হয়েছেন। বাড়িতে তল্লাশি চালিয়ে তাঁকে আটক করা হয়েছে। সঙ্গে তাঁর ল্যাপটপ, ফোন ও অন্যান্য সরঞ্জাম জব্দ করে নেওয়া হয়েছে। তাঁর জামিনের আবেদন নাকচ করা হয়েছে। দ্বিতীয় আরেকটি মামলায় প্রথম আলোর সম্পাদক মতিউর রহমান এবং একজন আলোকচিত্রী সাংবাদিককেও আসামি করা হয়েছে। এই মামলা করা হয়েছে বাংলাদেশে জীবনযাপনের ব্যয় বেড়ে যাওয়ায় সৃষ্ট সংকট নিয়ে একটি প্রতিবেদনের ভিত্তিতে।গত ফেব্রুয়ারিতে পরিতোষ সরকার নামের এক তরুণকে এই আইনের আওতায় পাঁচ বছরের কারাদণ্ড দেওয়া হয়। তাঁর বিরুদ্ধে অভিযোগ ছিল, একটি ফেসবুক পোস্টে ধর্মীয় অনুভূতিতে আঘাত হেনেছেন তিনি।ফলকার টুর্ক বলেছেন, ডিজিটাল নিরাপত্তা আইনের কয়েকটি ধারা নিয়ে তাঁর দপ্তর থেকে ধারাবাহিকভাবে উদ্বেগ জানানো হচ্ছে। এসব ধারা অস্পষ্ট এবং বিস্তৃত পরিসরে সেগুলোর প্রয়োগ করা যায়। তিনি বলেছেন, বাংলাদেশ সরকার এই আইনের যথেচ্ছ ও মাত্রাতিরিক্ত প্রয়োগ বন্ধে সুরক্ষাকবচ রাখার প্রতিশ্রুতি দিয়েছিল। কিন্তু যখন গ্রেপ্তার করা অব্যাহত রয়েছে, তখন তাদের এই প্রতিশ্রুতি যথেষ্ট নয়। খোদ এই আইনেরই যথাযথ সংস্কার দরকার।প্রথম আলোর সাংবাদিক শামসুজ্জামানের মুক্তির দাবিতে একটি প্রচারণা শুরু করেছে আন্তর্জাতিক মানবাধিকার সংস্থা অ্যামনেস্টি ইন্টারন্যাশনাল বর্তমানে ডিজিটাল নিরাপত্তা আইনের যেসব মামলা রয়েছে, সেগুলো পর্যালোচনা করতে একটি স্বাধীন বিচারিক প্যানেল গঠনের জন্য বাংলাদেশ সরকারের প্রতি আহ্বান জানিয়েছেন জাতিসংঘের মানবাধিকারবিষয়ক হাইকমিশনার। তাঁর ভাষ্যমতে, এই পর্যালোচনা করা হবে যেন অভিযুক্ত ব্যক্তিরা মুক্তি পান।বাংলাদেশে নিবন্ধন হারানো মানবাধিকার সংগঠন অধিকারের আদিলুর রহমান খান ও নাসিরুদ্দিন এলানের বিরুদ্ধে চলমান বিচারপ্রক্রিয়া নিয়েও উদ্বেগ জানিয়েছেন ফলকার টুর্ক। তাঁদের বিরুদ্ধে ২০১৩ সালে মানবাধিকার লঙ্ঘন নিয়ে মিথ্যা প্রতিবেদন করার অভিযোগে এই মামলা হয়েছিল। 

post
এনআরবি সাফল্য

মালয়েশিয়ায় জোড়া সম্মাননা পেলেন ঝাড়খন্ডের সমাজসেবী লুৎফল হক

বাণিজ্যিক সাফল্য ও সমাজসেবায় অসামান্য অবদানের জন্য মালয়েশিয়াতে একসাথে জোড়া সম্মাননা পেলেন ঝাড়খণ্ডের প্রখ্যাত সমাজসেবী লুৎফল হক। তিনি ইতিমধ্যেই খ্যাতির শীর্ষে অবস্থান করছেন। ভারতবর্ষের বিভিন্ন প্রান্ত থেকে নানান সম্মানে ভূষিত হয়েছেন তিনি। এবার তার মুকুটে নতুন পালক যুক্ত হল। একসাথে দু-দুটি জোড়া সম্মান পেলেন তিনি। মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের সংস্থা গ্লোবাল হিউম্যান রাইটস কাউন্সিলের তরফে তাকে সমাজসেবায় অসামান্য অবদানের জন্য ইন্দো গ্লোবাল এক্সিলেন্স অ্যাওয়ার্ড ২০২৩ প্রদান করা হয়। পাশাপাশি কমনওয়েলথ ইউনিভার্সিটি তাঁকে বাণিজ্যিক সাফল্যের জন্য সম্মানিক ডক্টরেট ডিগ্রী প্রদান করেন। কমনওয়েলথ ইউনিভার্সিটির তরফে এদিন মালয়েশিয়ার কুয়ালালামপুরে একটি পাঁচতারা হোটেলে অনুষ্ঠানটি আয়োজিত হয়। এদিন অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন মালয়েশিয়ার প্রাক্তন শিক্ষামন্ত্রী, প্রখ্যাত শিক্ষাবিদ, উদ্যোগপতি জনাব ড: মজলি মালিক। এদিন জনাব লুৎফল হককে কমনওয়েলথ ইউনিভার্সিটির তরফে সম্মানিক ডক্টরেট ডিগ্রী ও ইন্দো গ্লোবাল এক্সিলেন্স অ্যাওয়ার্ড ২০২৩ তুলে দেন মালয়েশিয়ার প্রাক্তন শিক্ষামন্ত্রী ড: মজলি মালিক। জনাব লুৎফল হক অত্যন্ত দরিদ্র পরিবারে জন্মগ্রহণ করেন। জীবিকা নির্বাহের জন্য তিনি পাথর খনিতে দিনমজুর হিসেবে কাজ শুরু করেন। তিনি দিনমজুর হিসেবে তার কর্ম জীবন শুরু করলেও তার চোখ জুড়ে ছিল বিশাল স্বপ্ন। তিনি স্বপ্ন দেখতেন জীবনে একদিন সফল হতে হবে। দীর্ঘ কঠোর পরিশ্রম ও অধ্যাবসায়ের মাধ্যমে তিনি বর্তমানে একজন সফল ব্যবসায়ী হিসেবে সুনামের সাথে কাজ করছেন দেশজুড়ে। তার কঠোর পরিশ্রম এবং পিছনে না তাকানোর অভ্যাসের জোরে, লুৎফল হক শুধু ঝাড়খণ্ডেই নয়, তার বাণিজ্যিক সাফল্য ও মানব সেবার কথা ঝাড়খণ্ডের বাইরেও দেশজুড়ে চর্চা হচ্ছে। এই প্রথম বিদেশের মাটিতে ডঃ মালিক লুৎফল হকের মানবসেবার তুমুল প্রশংসা করেন। ডক্টর মালিক বলেন, জনাব লুৎফল হক জিরো থেকে হিরো হয়েছেন। তিনি শৈশবে কৈশোরে দারিদ্রতার সাথে লড়াই করেছেন। বর্তমানে তিনি একজন বড় মাপের সফল ব্যবসায়ী। তিনি কিন্তু শৈশবের দারিদ্রতার কথা ভুলে যাননি। তাই তিনি হাজার হাজার গরীব ও দুস্থ মানুষদের সেবায় আজও নিয়োজিত রয়েছেন। মালিক আরও বলেন, লুৎফল হকের সমাজসেবা অজস্র মানুষদের অনুপ্রাণিত করবে। এদিন কমনওয়েল ইউনিভার্সিটির প্রো ভাইস চ্যান্সেলর ড: রিপু রঞ্জন সিনহা উপস্থিত ছিলেন। তিনি লুৎফল হকের ভুয়সী প্রশংসা করেন। মালয়েশিয়ার কুয়ালালামপুর শহরের পাঁচতারা হোটেল সুইস গার্ডেন হোটেলে অনুষ্ঠানের আয়োজন করা হয়। যেখানে আমেরিকা,অস্ট্রেলিয়া, ফিলিপাইন, নিউজিল্যান্ড, মালয়েশিয়া, বাংলাদেশ, শ্রীলঙ্কা, ইন্দোনেশিয়া সহ ভারতের বহু বিশিষ্টজন উপস্থিত ছিলেন। উল্লেখ্য, সমাজসেবায় অসামান্য অবদানের জন্য ইতিপূর্বে লুৎফল হককে মুম্বাইতে অল ইন্ডিয়া জার্নালিস্ট প্রোটেকশন কমিটি কর্তৃক সমাজসেবার ক্ষেত্রে সম্মানিত করা হয়েছিল, যেখানে তাঁর সমাজসেবার কথা মুম্বাইয়ের বিভিন্ন সংবাদপত্র ও টিভি চ্যানেলে প্রকাশিত হয়েছিল। তাছাড়া গত মাস দুয়েক পূর্বে কলকাতায় একটি পাঁচতারা হোটেলে লুৎফল হককে সমাজসেবার ক্ষেত্রে নিঃস্বার্থ কাজের জন্য বেঙ্গল ইন্টারন্যাশনাল এক্সিলেন্স অ্যাওয়ার্ড সম্মান প্রদান করা হয়। এই মহার্ঘ্য সম্মানটি তুলে দেন বলিউডের কিংবদন্তি অভিনেত্রী শর্মিলা ঠাকুর। এ দিন মালেশিয়ার মাটিতে লুৎফল হকের দু’দুটি পুরস্কার প্রাপ্তিতে গোটা ঝাড়খন্ড ও বাংলা জুড়ে প্রশংসার বন্যা বইছে। সমাজের বহু গুণীজন লুৎফল হকের এই পুরস্কার প্রাপ্তিতে অভিনন্দন জানিয়েছেন। এদিকে লুৎফল হক বলেন, আমি শৈশবে দারিদ্রতার সাথে লড়াই করেছি, খুব কাছ থেকে দারিদ্রতাকে দেখেছি। আজ আমি ব্যবসায়ী হিসেবে সফল হয়েছি, তাই গরিব মানুষকে আমি ভুলিনি। আমি যতদিন পৃথিবীতে বাঁচবো, ততদিন গরিব ও অসহায় মানুষের সেবা করে যাব।

post
এনআরবি বিশ্ব

কুয়েতে বাংলাদেশ দূতাবাসে ই-পাসপোর্ট কার্যক্রম চালু

কুয়েতে বাংলাদেশ দূতাবাসে ই-পাসপোর্ট কার্যক্রম চালু করা হয়েছে। এর মাধ্যমে দেশটির প্রায় আড়াই লাখ প্রবাসী বাংলাদেশির স্বপ্ন পূরণ হলো। বুধবার দেশটির রাজধানী মিসিলায় দূতাবাস ভবনে আয়োজিত অনুষ্ঠানে ভার্চুয়ালি এ কার্যক্রমের উদ্বোধন করেন কুয়েতে নিযুক্ত বাংলাদেশের রাষ্ট্রদূত মেজর জেনারেল মো. আশিকুজ্জামান।এসময় আবেদনকারী ৩ প্রবাসী বাংলাদেশির হাতে ই-পাসপোর্টের বিতরণ স্লিপ তুলে দেওয়া হয়। অনুষ্ঠানে ই-পাসপোর্ট ও স্বয়ংক্রিয় বর্ডার নিয়ন্ত্রণ ব্যবস্থাপনা প্রকল্পের অতিরিক্ত প্রকল্প পরিচালক কর্নেল শাহরিয়ার কবির ই-পাসপোর্ট কার্যক্রম ও স্বয়ংক্রিয় বর্ডার নিয়ন্ত্রণ ব্যবস্থাপনা প্রকল্প নিয়ে বিস্তারিত তথ্য তুলে ধরেন। সুরক্ষা সেবা বিভাগের যুগ্মসচিব মো. আলী রেজা সিদ্দিকী বাংলাদেশ ও বিদেশে বাংলাদেশ মিশনগুলোতে ই-পাসপোর্ট কার্যক্রমের অগ্রগতি নিয়ে আলোচনা করেন। তিনি বর্তমান সরকারের নানামুখী উন্নয়নমূলক কার্যক্রম তুলে ধরে বলেন, বর্তমান সরকারের উন্নয়ন রূপরেখা বাস্তবায়নের একটি মাইলফলক হলো ই-পাসপোর্ট কার্যক্রম। রাষ্ট্রদূত মো. আশিকুজ্জামান তার বক্তব্য বাংলাদেশের বিস্ময়কর উন্নয়নের কথাও তুলে ধরেন। তিনি বলেন, 'ই-পাসপোর্টের প্রচলন উন্নত প্রযুক্তি নির্ভর স্মার্ট বাংলাদেশ' বিনির্মাণে একটি মাইলফলক হিসেবে বিবেচিত হবে।' তিনি আরও বলেন, 'জাতির পিতা বঙ্গবন্ধুর দেখানো পথে তারই সুযোগ্য কন্যা প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার দক্ষ নেতৃত্বে অদম্য গতিতে বাংলাদেশ এগিয়ে চলেছে।' তিনি বঙ্গবন্ধুর স্বপ্নের সোনার বাংলাদেশ গড়তে নিজ নিজ অবস্থান থেকে প্রবাসী বাংলাদেশিদের দেশের জন্য কাজ করার আহ্বান জানান। বাংলাদেশ কমিউনিটির নেতারা তাদের বক্তব্যে ই-পাসপোর্ট কার্যক্রমকে স্বাগত জানিয়ে প্রধানমন্ত্রী, সরকার ও সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের প্রতি ধন্যবাদ ও কৃতজ্ঞতা জানান।

post
এনআরবি বিশ্ব

সৌদি আরবে সড়ক দুর্ঘটনায় বাংলাদেশি নিহত বেড়ে ১৩

সৌদি আরবে মর্মান্তিক সড়ক দুর্ঘটনায় এখন পর্যন্ত ১৩ বাংলাদেশি ওমরাহ যাত্রী নিহত হওয়ার খবর নিশ্চিত হওয়া গেছে। এছাড়া হাসপাতালে চিকিৎসাধীন রয়েছেন বেশ কয়েকজন। বুধবার (২৯ মার্চ) পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় এ তথ্য জানিয়েছে।নিহত ১৩ বাংলাদেশি হলেন- নোয়াখালীর সেনবাগ উপজেলার শাহীদুল ইসলাম, কুমিল্লার মুরাদনগরের মামুন মিয়া ও রাসেল মোল্লা, নোয়াখালীর মো. হেলাল, লক্ষ্মীপুরের সবুজ হোসাইন, কক্সবাজারের মো. আসিফ ও মোহাম্মদ হোসেন, গাজীপুরের টঙ্গীর মো. ইমাম হোসাইন রনি, চাঁদপুরের রুকু মিয়া, কক্সবাজারের মহেশখালীর সিফাত উল্লাহ, কুমিল্লার গিয়াস হামিদ, যশোরের মোহাম্মদ নাজমুল ও রনি।হাসপাতালে চিকিৎসাধীন বাংলাদেশিরা হচ্ছেন- চট্টগ্রামের সীতাকুণ্ডের সালাহউদ্দিন, ভোলার আল আমিন ও বুরহান উদ্দিন, লক্ষীপুরের মিনহাজ ও রিয়াজ, চাঁদপুরের কচুয়ার জুয়েল, মাগুরার আফ্রিদি মোল্লা ও মিজানুর রহমান, নোয়াখালীর মোহাম্মদ শাহাবুদ্দিন, কুমিল্লার ইয়ার হোসাইন ও জাহিদুল ইসলাম এবং যশোরের মোশাররফ হোসাইন।এছাড়া চিকিৎসা নিয়ে হাসপাতাল ত্যাগ করেছেন আব্দুল হাই, রানা, সেলিম, দেলোয়ার হোসাইন, হোসাইন আলী ও কুদ্দস। সোমবার মক্কায় ওমরাহ পালনের জন্য যাওয়ার সময় সৌদির দক্ষিণাঞ্চলীয় আসির প্রদেশের আকাবা শার নামক স্থানে একটি সেতুর সঙ্গে সংঘর্ষে বাস উল্টে গিয়ে আগুন ধরে ২০ জন নিহত ও ২৯ জন আহত হন। 

post
বিনোদন

জীবনের শেষ কয়েকটি ইচ্ছার কথা জানালেন চিত্রনায়িকা মৌসুমী

জীবনের বেশ কয়েকটি ইচ্ছার কথার জানিয়েছেন চিত্রনায়িকা মৌসুমী। সেই তালিকায় আছে— মারা যাওয়ার পর তার লাশ যেন কাউকে দেখতে দেওয়া না হয়, দশর্কদের কাছে থাকা ছবি ডিলিট করাসহ বেশ কয়েকটি বিষয়। একটি বেসরকারি টেলিভিশনের ‘১৩টি প্রশ্ন’ শিরোনামের আয়োজনে এমন ইচ্ছার কথা জানিয়েছেন এই চিত্রনায়িকা। উপস্থাপক শাহরিয়ার নাজিম জয় প্রশ্ন রাখেন— ক্যামেরার সামনে শেষ কথা হলে সেটি কী বলতে চান? এমন প্রশ্নে মৌসুমী বলেছেন, ‘প্রথমত আমি বলব— আমি যদি মরে যাই, আমার সব ভুলের জন্য ক্ষমা চাই সবার কাছে। ক্ষমা করে দিবেন। আমার কয়েকটি ইচ্ছে আছে, একটি হলো— আমি মারা যাবার পর আমার লাশ যেন কাউকে দেখতে দেওয়া না হয়। যেন খুব সিক্রেটলি কবর দেওয়া হয়। জানাজা হবে। কিন্তু আমি চাই না আমাকে আর কেউ দেখুক।’ মৃত্যুর আগে হজে যাওয়ার ইচ্ছার কথা জানিয়ে মৌসুমী বলেন, ‘আমি মারা যাবার আগে বড় হজ করতে চাই। আমি যেন হজ করতে পারি, সে জন্য সবাই দোয়া করবেন।’ ওই প্রশ্নের উত্তরে মৌসুমী আরও বলেন, ‘আমি মারা যাবার পর টিভিতে ধুমধাড়াক্কা ছবি এবং দশর্কদের কাছে অনেক ছবি রয়ে গেছে, সেগুলো ডিলিট করে দিবেন। তবে ছবি যদি সংগ্রহ করতে হয়, তা হলে মৌসুমী আর্কাইভে আলাদাভাবে সংরক্ষণ করতে হবে। সেখানে সবাই আমার সব কিছু জমা দিয়ে দিবেন। যদি ভবিষ্যৎ প্রজন্মের জন্য আমার কোনো কাজ মনে হয় আর্কাইভে রাখলে ভালো হবে বা গবেষণার কাজে আসবে, তবে সে উদ্দেশ্যই ছবিগুলো সংরক্ষণ হবে। অবশ্যই বাছাইকৃত ছবিগুলো জমা দেওয়া হবে। এ ছাড়া অন্য সব কিছু ডিলিট করে দিলে ভালো হবে।’ তিনি আরও বলেন, ‘এ ছাড়া আমার কিছু উদ্দেশ্য রয়েছে। যেমন আমার কিছু সাংগঠনিকভাবে মৌসুমী ওয়েলফেয়ারের মাধ্যমে যেসব কাজ করার উদ্দেশ্য রয়েছে, আমার সব ভক্তকে অনুরোধ করব, এটাকে সবসময় সচল রাখার জন্য।’

post
বিনোদন

মামুনুর রশীদের মন্তব্যে হিরো আলমের কৌশলী জবাব

সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে আলোচিত হিরো আলমকে নিয়ে সম্প্রতি কড়া সমালোচনা করেছেন নাট্যজন মামুনুর রশীদ। রুচির দুর্ভিক্ষে হিরো আলমের উত্থান হয়েছে বলে মন্তব্য করেন এই নাট্যকার, অভিনেতা ও নাট্য পরিচালক। যার বিরুদ্ধে এই কথা সেই হিরো আলম কি আর চুপ করে থাকবেন? থাকেননি অবশেষে মুখ খুলেছেন হিরো আলম। সোমবার রাতে ফেসবুক লাইভে এসে আলোচিত-সমালোচিত ইউটিউবার হিরো আলম বলেছেন, ‘হিরো আলমকে মেরে ফেলে দেন। মেরে না ফেলে দিলে কেউ থামাতে পারবেন না। আমি আমার যোগ্যতায় আলম থেকে আজ হিরো আলম। মামুনুর রশীদ স্যার, আপনি আমাকে তৈরি করুন। আমাকে তৈরি করবে কে। আমাকে কেউ তৈরি করবে না। তাহলে রুচির পরিবর্তনও হবে না।’ রবিবার সংবাদমাধ্যমে ‘রুচির দুর্ভিক্ষে হিরো আলমের উত্থান: মামুনুর রশীদ’ শীর্ষক প্রতিবেদন প্রকাশিত হয়। এরপর বিষয়টি ভাইরাল হয় ফেসবুকসহ নানা মাধ্যমে। অভিনয় শিল্পী সংঘের একটি অনুষ্ঠানে মামুনুর রশিদ বলেন, ‘আমরা একটা রুচির দুর্ভিক্ষের মধ্যে পড়ে গেছি। সেখান থেকে হিরো আলমের মতো একটা লোকের উত্থান হয়েছে। যে উত্থান কুরুচি, কুশিক্ষা ও অপসংস্কৃতির উত্থান। এই উত্থান কীভাবে রোধ করা যাবে, এটা যেমন রাজনৈতিক সমস্যা, তেমনি আমাদের সাংস্কৃতিক সমস্যাও।’ ফেসবুক লাইভে হিরো আলম বলেন, ‘তাদের মতো এত বড় মানুষ আমাকে নিয়ে কথা বলেছেন। এটা আমার জন্য সৌভাগ্য। মানুষের রুচি নাকি নষ্ট হয়ে গেছে উল্লেখ করে তিনি আরও বলেন, ‘আমি নাকি ১৮ কোটি লোকের রুচি নষ্ট করেছি। আপনারা কেন আমাকে সাপোর্ট করেন, রুচি নষ্ট করেন।’ এই ইউটিউবার বলেন, ‘স্যার আপনি আমাকে নিয়ে যে কথাবার্তা বলেছেন, অনেক আর্টিস্ট আপনার হাতে তৈরি। অনেক লোক আপনার হাতে তৈরি। স্যার আপনি ইচ্ছে করলে কিন্তু আমাকে তৈরি করতে পারতেন। কিন্তু করেন না।’ তিনি আরও বলেন, ‘হিরো আলমের জন্য বাংলাদেশ নাকি নষ্ট হচ্ছে। যখন নাটকে গালিগালাজ করে, তখন কি আপনাদের রুচি নষ্ট হয় না।’ হিরো আলম বলেন, ‘আমার কী অপরাধ, কেন আমার লেখাপড়া নাই, চেহারা নাই? আপনার ছেলে যদি হতাম আমি। এভাবে বলতে পারতেন কেউ। হিরো আলমের মামা খালু নাই, ওয়েট নাই। অনেক এমপি দেখছি- সমাজের, দেশের, মানুষের কথা বলে না। নিজেরা ব্যস্ত।’ হিরো আলম বলেন, ‘আজ আমার জন্য কে দায়ী। আরে ভাই, আপনার আমাকে নিয়ে কথা কেন বলেন। কেন ভাই। একদিন এমন লাইভ করে পৃথিবী থেকে চলে যাব। আপনার রুচি নিয়ে থাকেন। আমি যদি আত্মহত্যা করি, এর জন্য দায়ী থাকবেন আপনারা। মানুষ আত্মহত্যা কখন করে জানেন? সবকিছুতে টর্চারিং করতেছেন।’ তিনি আরও বলেন, ‘হিরো আলমের কাজগুলো দেখেন, রুচি আছে কিনা। কত রুচি সম্পন্ন গান উপহার, নাটক বানাতে পারি। এতে আমার কী করণীয়।’ হিরো আলম বলেন, ‘প্রধানমন্ত্রীকে বলব, আপনি আমাকে জেলে দেন। আমাকে সাহায্য করেন কেউ? করেন, করেন না। আমাকে ধিক্কার দেওয়া বন্ধ করুন। আপনারা বড় বড় কথাবার্তা বলেন। রুচি চেঞ্জ করতে পারেন না কেন।’ তিনি বলেন, ‘আমি কি অপরাধ করেছি। আমি যদি রুচি নষ্ট করে থাকি, টিকটক দেখেন তো; কেন তাদের বন্ধ করতে পারতেছেন না। অন্যদের নিয়ে কথাবার্তা বলেন না। এসবের জন্য আমি যদি আত্মহত্যা করি; এর জন্য দায়ী থাকবেন রুচিসম্পন্ন মানুষেরা। অন্যদের মতো আমি তো এই রুচি নিয়ে আসি নাই।’ 

post
বাংলাদেশ

‘সংলাপ নয়, বিএনপিকে অনানুষ্ঠানিক বৈঠকের জন্য আমন্ত্রণ জানানো হয়েছিল’

সংলাপ নয়, বিএনপিকে অনানুষ্ঠানিক বৈঠকের জন্য আমন্ত্রণ জানানো হয়েছিল। এর সঙ্গে সরকারের কোনও সংশ্লিষ্টতা ছিল না বলে জানিয়েছেন প্রধান নির্বাচন কমিশনার (সিইসি) কাজী হাবিবুল আউয়াল। মঙ্গলবার (২৮ মার্চ) রাজধানীর আগারগাঁওয়ে নির্বাচন ভবনে নিজ দপ্তরের সামনে সংবাদ সম্মেলনে এ কথা বলেন সিইসি।তিনি বলেন, আমরা গণমাধ্যমে দেখলাম অনেকে লিখেছেন, বিএনপিকে চিঠি দেওয়া সরকারের কূটকৌশল। তবে আমি বলছি, বিএনপিকে চিঠি দেওয়ার পেছনে সরকারের কোনও কূটকৌশল নেই। বরং এটা ইসির কূটকৌশল হতে পারে। আর নির্বাচন কমিশন কখনোই কূটকৌশল হিসেবে এই কাজটি করেনি। নির্বাচন কমিশন প্রথম থেকেই অবাধ, সুষ্ঠু, নিরপেক্ষ, অংশগ্রহণমূলক ও কার্যকর প্রতিদ্বন্দ্বিতামূলক নির্বাচন প্রত্যাশা করে।’ সিইসি বলেন, সরকার ইসির ওপর চাপ দিলে যে ডেবে যাবে বিষয়টা ওরকম না। এখানে সরকারের কোনও রকম সংশ্লিষ্টতা নেই। সরকারের আজ্ঞাবহ কোনো কাজ নির্বাচন কমিশন করে না বলেও জানান কাজী হাবিবুল আউয়াল। তিনি আরও বলেন, ‘নির্বাচন কমিশন মনে করে গণতন্ত্রের স্বার্থে, নির্বাচনের স্বার্থে বিশেষ করে বড় দলগুলোর নির্বাচনে অংশগ্রহণ করা প্রয়োজন। সংসদীয় গণতন্ত্রে দলীয় শাসনটাই হচ্ছে মুখ্য। বিদ্রোহী প্রার্থী বা স্বতন্ত্র প্রার্থীর দ্বারা কখনো সরকার গঠন করা সম্ভব নয়। সেজন্য আমাদেরও লক্ষ্য দলগুলো চর্চার মাধ্যমে গণতন্ত্র আরও সমৃদ্ধ হোক, সংহত হোক। দলীয় চর্চা এবং সংস্কৃতির মাধ্যমে গণতান্ত্রিক চর্চা আরও সংহত হোক। সেটা আমাদের প্রথমদিন থেকে সদিচ্ছা। সেই সদিচ্ছার প্রতিফলন আমাদের প্রথমদিন থেকে সব সময় আপনাদের (গণমাধ্যমের) মাধ্যমে ঘটানোর চেষ্টা করেছি।’সাংবাদিকদের বিভিন্ন প্রশ্নের জবাবে সিইসি বলেন, বিএনপির মতো একটি দলকে নির্বাচনে আনতে পারলে ভালো হয়, সেজন্যই ডেকেছি অনানুষ্ঠানিকভাবে ডেকেছি। কোনো আন্তর্জাতিক গোষ্ঠীর চাপে বিএনপিকে ডাকা হয়নি। সব নির্বাচন কমিশনার বসেই সিদ্ধান্ত নিয়ে বিএনপিকে চিঠি দেওয়া হয়েছে। অপর এক প্রশ্নের জবাবে তিনি আরও বলেন, গাইবান্ধা ভোট বন্ধের ইস্যুতে ১৩৪ জনের মধ্যে ৪০ বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়া হয়েছে। বাকিদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নিতে আবারও পদক্ষেপ নিবে ইসি। গত ২৩ মার্চ বিএনপি ও সমমনা দলগুলোকে আলোচনার জন্য আমন্ত্রণ জানিয়ে চিঠি পাঠান সিইসি কাজী হাবিবুল আউয়াল। ওই চিঠিতে সিইসি লেখেন, ২০২২ সালের ২৭ ফেব্রুয়ারি আমরা দায়িত্ব গ্রহণের পর ধারাবাহিকভাবে স্থানীয় পর্যায়ের নির্বাচন করে আসছি। বর্তমান কমিশন দায়িত্ব গ্রহণের পর থেকেই অংশগ্রহণমূলক ও প্রতিদ্বন্দ্বিতাপূর্ণ সংসদ নির্বাচনের কথা অনুধাবন করে আসছে। বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল বর্তমান কমিশনের প্রতি অনাস্থা ব্যক্ত করে প্রত্যাখ্যান করে আসছে। আপনারা নির্বাচনকালীন তত্ত্বাবধায়ক সরকার ছাড়া নির্বাচন না করার সিদ্ধান্ত নিয়েছেন।

About Us

NRBC is an open news and tele video entertainment platform for non-residential Bengali network across the globe with no-business vision just to deliver news to the Bengali community.