post
খেলা

ঢাকায় পৌঁছেছেন আর্জেন্টাইন গোলরক্ষক এমিলিয়ানো মার্টিনেজ

ঢাকায় পৌঁছেছেন আর্জেন্টিনার বিশ্বকাপ জয়ী গোলরক্ষক এমিলিয়ানো মার্টিনেজ। আজ সোমবার (৩ জুলাই) ভোর সাড়ে পাঁচটায় তাকে বহন করা বিমানটি হযরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে অবতরণ করে। দুপুর ২টায় প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ে মার্টিনেজ ও প্রতিনিধি দলের সদস্যরা প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে সাক্ষাৎ করবেন।আমস্টারডাম থেকে স্থানীয় সময় রাত ১১টা ৪০ মিনিটে বিমানে উঠেন মার্টিনেজ। তিনি বাংলাদেশে থাকবেন ১১ ঘণ্টার মতো। এরপর বিকেলে কলকাতার উদ্দেশ্যে ঢাকা ত্যাগ করবেন। আজ দুপুর ২টায় প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ে মার্টিনেজ ও প্রতিনিধি দলের সদস্যরা প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে সাক্ষাৎ করবেন বলে জানিয়েছেন প্রধানমন্ত্রীর উপপ্রেস সচিব হাসান জাহিদ তুষার।মার্টিনেজকে ঢাকায় আতিথেয়তা দিচ্ছে ডিজিটাল বিজনেস গ্রুপের প্রতিষ্ঠান নেক্সট ভেঞ্চার। যদিও ঢাকায় আসার জন্য কোনো সম্মানী নিচ্ছেন না তিনি। শুধু বিমান ভাড়া এবং হোটেলে বিশ্রাম নেওয়ার খরচ বহন করবে নেক্সট ভেঞ্চার।নেদারল্যান্ডস থেকে ঢাকায় পা রাখার পর কিছুক্ষণ হোটেলে বিশ্রাম নেবেন মার্টিনেজ। এরপর নেক্সট ভেঞ্চারের কার্যালয় প্রদর্শন করবেন। সেখানে মাশরাফি বিন মর্তুজার সঙ্গেও দেখা হবে বিশ্বকাপজয়ী এ গোলরক্ষকের। গতকাল এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে নেক্সট ভেঞ্চারের পক্ষ থেকে এ তথ্য নিশ্চিত করা হয়।বাংলাদেশ ক্রিকেটের সাবেক এ অধিনায়ক ছাড়াও নেক্সট ভেঞ্চারের অনুষ্ঠানে থাকবেন তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি প্রতিমন্ত্রী জুনাইদ আহমেদ পলক।ঢাকা সফর শেষে বিকেল ৪টা ৪০ মিনিটের দিকে কলকাতার উদ্দেশ্যে ঢাকা ত্যাগ করবেন মার্টিনেজ। সেখানে ৪ ও ৫ জুলাই একাধিক অনুষ্ঠানে অংশ নেবেন তিনি। ৪ জুলাই বিকেল সাড়ে ৪টায় কলকাতার বিখ্যাত ক্লাব মোহনবাগানে একটি প্রদর্শনী ম্যাচে তার অংশ নেওয়ার কথা রয়েছে। মার্টিনেজের মূল সফর ভারতে। বাংলাদেশে আর্জেন্টিনার অনেক সমর্থক থাকায় নিজ আগ্রহে এখানে আসা তার। যে আগ্রহের কথা গত মে মাসে নিজের ফেসবুক পেজে এক বার্তায় জানিয়েছিলেন। আর মার্টিনেজকে কলকাতা ও ঢাকায় আনার উদ্যোগটা নেন ভারতীয় স্পোর্টস প্রমোটর কোম্পানি শতদ্রু দত্ত অ্যাসোসিয়েটসের মালিক শতদ্রু দত্ত।

post
এনআরবি বিশ্ব

তিন বছরের মধ্যে সর্বোচ্চ রেমিট্যান্স এলো জুনে

সদ্য শেষ হওয়া জুনে বাংলাদেশে রেমিট্যান্স বা প্রবাসী আয় এসেছে ২১৯ কোটি ৯০ লাখ ডলার। এ অর্থ প্রায় তিন বছরের মধ্যে কোনো একটি মাসে দেশে আসা সবচেয়ে বেশি প্রবাসী আয়। এর আগে ২০২০ সালের জুলাইয়ে ২৫৯ কোটি ৮২ লাখ ডলারের সর্বোচ্চ প্রবাসী আয় এসেছিল।বাংলাদেশ ব্যাংকের হিসাবে দেখা গেছে, গত বছরের একই মাসে অর্থাৎ জুনে প্রবাসী আয় এসেছিল ১৮৩ কোটি ৭২ লাখ ডলার। সেই হিসাবে প্রবাসী আয়ের প্রবৃদ্ধি হয়েছে প্রায় ২০ শতাংশ। সম্প্রতি ২০২০ সালের জুলাই মাসে সবচেয়ে বেশি প্রবাসী আয় দেশে এসেছিল। তবে তখন করোনাভাইরাস মহামারির কারণে পরিবহণ বন্ধ থাকায় হুন্ডি বন্ধ ছিল। ফলে বৈধপথে আসা প্রবাসী আয়ের পরিমাণ বেড়েছিল।ব্যাংক কর্মকর্তারা বলছেন, কেন্দ্রীয় ব্যাংক ঘোষিত দামের চেয়ে বেশি দামে প্রবাসী আয় কেনা বন্ধ করে দিয়েছিল ব্যাংকগুলো। তবে সংকটের কারণে ও বিদেশি ব্যাংকগুলোর দেনা শোধের চাপের কারণে বিদায়ী মাসে তদারকি অনেকটা শিথিল ছিল। ফলে কিছু ব্যাংক নির্ধারিত দামের চেয়ে বেশি দাম দিয়ে প্রবাসী আয়ের ডলার কেনে। এতে প্রবাসী আয় বেড়েছে। তবে এজন্য বাংলাদেশ ব্যাংকের কাছে ডলার বিক্রি করতে বাধ্য হয়েছে কিছু ব্যাংক।কেন্দ্রীয় ব্যাংকের তথ্য অনুযায়ী, ১ থেকে ২৫ জুন পর্যন্ত প্রবাসীরা প্রায় ২০২ কোটি মার্কিন ডলার দেশে পাঠিয়েছিলেন। এর পরের কয়েক দিনে তা বেড়ে দাঁড়ায় ২১৯ কোটি ৯০ লাখ ডলারে। গত মে মাসে দেশে প্রবাসী আয় এসেছিল ১৬৯ কোটি ১৬ লাখ ডলার।বাংলাদেশ ব্যাংকের তথ্য অনুসারে, গত বছরের জুনে প্রায় ১৮৪ কোটি ডলারের প্রবাসী আয় দেশে এসেছিল। ২০২১ সালের জুনে এসেছিল ১৯৪ কোটি ডলার। ২০১৯ ও ২০২০ সালের জুনে এসেছিল যথাক্রমে ১৩৬ কোটি ও ১৮৩ কোটি ডলার।প্রবাসী আয় ব্যবস্থাপনার সঙ্গে যুক্ত ব্যাংক খাত-সংশ্লিষ্টরা বলছেন, ঈদুল আজহাকে সামনে রেখেই মূলত প্রবাসীরা দেশে থাকা তাদের পরিবার-পরিজনের কাছে বাড়তি অর্থ পাঠিয়েছেন। সাধারণত প্রতি ঈদের আগে দেশে অতিরিক্ত প্রবাসী আয় আসে। তবে গত এপ্রিলে উদযাপিত ঈদুল ফিতরের আগে প্রবাসী আয় খুব বেশি বাড়েনি। সেই তুলনায় ঈদুল আজহার সময় দেশে প্রবাসী আয় বেশি এসেছে।এর কারণ হিসেবে ব্যাংক খাত-সংশ্লিষ্টরা বলছেন যে, প্রবাসী বাংলাদেশিদের অনেকেই দেশে কুরবানি দিয়ে থাকেন, তাই তারা বাড়তি অর্থ পাঠিয়েছেন। অন্যদিকে মধ্যপ্রাচ্যের দেশগুলো থেকে বিভিন্ন সংস্থা কুরবানির জন্যও বাংলাদেশে অর্থ পাঠায়।প্রবাসী আয় দেশে আনার দিক থেকে বরাবরের মতো এবারো শীর্ষে রয়েছে ইসলামী ব্যাংক। দ্বিতীয় সর্বোচ্চ প্রবাসী আয় এসেছে রাষ্ট্রমালিকানাধীন অগ্রণী ব্যাংকের মাধ্যমে। তৃতীয় সর্বোচ্চ প্রবাসী আয় এনেছে বেসরকারি খাতের প্রিমিয়ার ব্যাংক।দেশে দীর্ঘ সময় ধরে চলা ডলার-সংকট এখনো চলছে। তবে প্রবাসী আয় বৈধপথে দেশে আনার জন্য চেষ্টা জোরদার করা হয়েছে। প্রবাসী আয়ে এখন ব্যাংকগুলো ডলারপ্রতি ১০৮ টাকা ৫০ পয়সা দাম দিচ্ছে।বাংলাদেশ ব্যাংকের সহকারী মুখপাত্র সরোয়ার হোসেন বলেন, ডলারের সংকট কমে আসছে। একদিকে প্রবাসী আয় ভালো পরিমাণে আসছে, অন্যদিকে ব্যাংকগুলোতে ডলারের মজুতও বাড়ছে।

post
বাংলাদেশ

প্রেমের টানে মালয়েশিয়ান তরুণী ছুটে এলেন বাংলাদেশে

এবার প্রেমের টানে বাংলাদেশের নোয়াখালীর বেগমগঞ্জে এসেছেন মালয়েশীয় তরুণী স্মৃতি আয়েশা বিন রামাসামি (২২)। এই তরুণী বাংলাদেশে এসে নোয়াখালীর বেগমগঞ্জের ফরহাদ হোসেনকে (২৬) বিয়ে করেছেন। মালয়েশিয়ায় একই কোম্পানিতে চাকরির সুবাধে ফরহাদের সাথে পরিচয় হয় রামাসামির। একপর্যায়ে দুইজনের মধ্যে ভালোবাসার সম্পর্ক গড়ে উঠে।চলতি বছর দেশে ফেরেন ফরহাদ। এর পর ফরহাদের প্রেমে ছুটে আসেন প্রেমিকা রামাসামি। গত ২৪ জুন ঢাকার হযরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে আসেন রামাসামি। পরে একই দিন নোয়াখালীর বেগমগঞ্জ উপজেলার চৌমুহনী পৌরসভার হাজীপুর এলাকার বাসায় পৌঁছান তিনি।জানা যায়, রামাসামি বাংলাদেশে আসার পর দিন ২৫ জুন এফিডেভিটের মাধ্যমে ফরহাদ ও স্মৃতি আয়েশা বিন রামাসামি বিয়ে করেন। অনেকেই মালয়েশীয় নববধূকে দেখতে ছুটে আসছেন ফরহাদের বাড়িতে। ভিনদেশী কন্যা পেয়ে খুশি ফরহাদের পরিবার। বর্তমানে চৌমুহনী পৌরসভার হাজীপুর এলাকার বাসায় ফরহাদের সঙ্গে সংসার করছেন মালয়েশীয় এই তরুণী।ফরহাদ জানান, তিনি মালয়েশীয় একটি কোম্পানিতে প্রায় পাঁচ বছর চাকরি করার পর চলতি বছর দেশে ফিরে আসেন। কর্মক্ষেত্রে তাদের দুজনের পরিচয়। এক সময় পরিচয় প্রেমের সম্পর্কে রূপ নেয়। একপর্যায়ে তারা দুজই বিয়ে করার সিন্ধান্ত গ্রহণ করেন। এর পর রামাসামি বাংলাদেশে আসেন। তিনি আসার একদিন পরই তারা বিয়ে করেন।  বিয়ের পর ভাঙা ভাঙা বাংলায় রামাসামি বলেন, সকলে আমাদের জন্য দোয়া করবেন। আয়শা বিন রামাসামি আরও বলেন, তিনি ফরহাদকে ভালোবাসেন। শ্বশুর বাড়ির লোকজন অথিতিপরায়ণ। সবার আন্তরিকতা খুব ভালো লাগছে। শ্বশুরের পরিবারের সবাই তাকে আপন করে নিয়েছেন। বাংলাদেশি খাবার এবং পরিবেশ তার ভালো লেগেছে। এটা তার স্বামীর দেশ। এ দেশকে তিনি ভালোবাসেন। 

post
আন্তর্জাতিক

মালয়েশিয়ায় বিদেশি কর্মী নিয়োগে ১১ লাখ কোটা অনুমোদন

মালয়েশিয়ায় ছয়টি খাতে বিদেশী কর্মী নিয়োগে ১১ লাখ ৩৬ হাজার ২২টি কর্মসংস্থান কোটা অনুমোদন করেছে দেশটির মানবসম্পদ মন্ত্রণালয়। এর মধ্যে উৎপাদন খাতে ৪ লাখ ৬৯ হাজার ১০৬টি, নির্মাণ খাতে ৩ লাখ ৫৯ হাজার ৮৯৯টি, সেবা খাতে ১ লাখ ৭১ হাজার ৪৯০টি, আবাদে ৮৫ হাজার ৬৭৮টি, কৃষিতে ৪৯ হাজার ৪৭৩টি এবং খনি ও খনন খাতে ৩৭৬টি কোটা অনুমোদন করা হয়েছে।মোট কোটার মধ্যে ৪ লাখ ৬৭ হাজার ৫৯০টি বা ৪১ শতাংশ চলতি বছরের ৩ জানুয়ারি থেকে ১৮ মার্চের মধ্যে অনুমোদন দিয়েছে মন্ত্রণালয়। গত শুক্রবার (১৬ জুন) দেওয়ান রাকায়াতে (জাতীয় সংসদ) প্রশ্নোত্তর পর্বে সংসদ সদস্য লিম লিপ ইঞ্জির (পিএইচ-কেপং) এক প্রশ্নের জবাবে মালয়েশীয় মানবসম্পদ মন্ত্রী ভি শিবকুমার এসব তথ্য জানান।শিবকুমার বলেন, নিয়োগকর্তাদের মাধ্যমে বিদেশি কর্মীদের প্রবেশ প্রক্রিয়ার দিকে নজর দেওয়া হচ্ছে। এছাড়া, দেশের স্বার্থ ও খ্যাতি যেন ক্ষতিগ্রস্ত না হয়, তা নিশ্চিত করতে নিয়োগকর্তাদের মাধ্যমে শ্রমের মানদণ্ড মেনে চলার দিকেও নজর রাখছে মালয়েশিয়া সরকার।এদিকে, মালয়েশিয়ায় বাংলাদেশ হাইকমিশন সূত্র বলছে, দেশটির সরকারের পক্ষ থেকে এখন পর্যন্ত ৪ লাখ ২৭ হাজার ৭৫৯ জন নতুন কর্মী নিয়োগের অনুমোদন দেওয়া হয়েছে। এর মধ্যে ২ জুন পর্যন্ত ৩ লাখ ৫৭ হাজার ৩২৮ কর্মীর চাহিদাপত্র সত্যায়ন করেছে হাইকমিশন। আর মালয়েশিয়ায় পৌঁছেছেন (২ জুন পর্যন্ত) ১ লাখ ৬৩ হাজার ৪০৩ কর্মী। এছাড়া সত্যায়ন করা ১ লাখ ৯৩ হাজার ৯২৫ কর্মী বাংলাদেশ থেকে মালয়েশিয়ায় পৌঁছানোর অপেক্ষায় রয়েছেন।২০২২ সালের ৮ আগস্ট বাংলাদেশি কর্মীদের জন্য মালয়েশিয়ার শ্রমবাজার উন্মুক্ত হওয়ার পর শুরুতে বাংলাদেশি কর্মী যাওয়ার গতি কিছুটা কম থাকলেও চলতি বছরের প্রথম থেকেই পুরোদমে কর্মী যাচ্ছে দেশটিতে। এর মধ্যে, জানুয়ারিতে গেছেন ২৪ হাজার ৯৯৪ জন, ফেব্রুয়ারিতে ২৯ হাজার ৩২০ জন, মার্চে ২৮ হাজার ৫৮৯ জন এবং এপ্রিলে গেছেন ১৮ হাজার ৫৬৫ জন কর্মী।সব মিলিয়ে গত পাঁচ মাসে ১ লাখ ৩৬ হাজার ৬৫৮ জন বাংলাদেশি কর্মী মালয়েশিয়ায় পাড়ি দিয়েছেন বলে বিএমইটির বৈদেশিক কর্মসংস্থান সম্পর্কিত পরিসংখ্যান সূত্রে জানা গেছে।

post
বাংলাদেশ

গাবতলী হাটে বিক্রি হল না ৪০ মণ ওজনের ডন নং ওয়ান

দুটি গরু নিয়ে গাবতলীর হাটে এসেছিলেন কুষ্টিয়ার কুমারখালীর খামারি রফিকুল ইসলাম। শখ করে দুটি গরুর নাম রেখেছিলেন রাজা ও বাদশা। ইচ্ছে ছিল নিজের হাতে পালা এ দুটি গরুকে কোরবানির হাটে ভালো দামে বিক্রি করবেন। হাটে আনার পর মালা পরিয়ে রাজা-বাদশাকে সাজিয়েছিলেনও। কিন্তু আজ বুধবার সন্ধ্যা ছয়টার মধ্যেও একটিও বিক্রি হয়নি। বিষণ্ন মনে রাজা-বাদশাকে শাসনের জন্য সঙ্গে রাখা বাঁশের লাঠিতে মাথা ঠেকিয়ে বসে ছিলেন তিনি।রফিকুল ইসলাম বলেন, ‘মনটা খুব খারাপ ভাই। মানুষ খালি উল্টাপাল্টা দাম বলে। কত কষ্ট কইরা, কত আশা কইরা এই দুইটারে পালছি, এটার কথা মানুষ ভাবে না।’ তিনি জানান, বিক্রি করতে না পারলে ঘরে ফিরিয়ে নিয়ে যাবেন। পরে কসাইদের কাছে ভালো দাম পেলে বিক্রি করে দেবেন। আর যদি হাটেও কোনো কসাই ভালো দাম বলে, তাহলে বিক্রি করে দিয়ে যাবেন।কথা বলে জানা গেল, কালো রঙের রাজার ওজন প্রায় ২৩ মণ আর সাদা রঙের বাদশার ওজন ২৫ মণ। রাজা-বাদশার খাবারের পেছনে প্রতিদিন ১০০০ থেকে ১২০০ টাকা খরচ হয়েছে। রাজাকে ১৬ লাখ টাকায় আর বাদশাকে ১৮ লাখ টাকায় বিক্রি করবেন বলে আশা করেছিলেন। আর এখন রাজার জন্য চাইছেন ৭ লাখ টাকা আর বাদশার জন্য ৮ লাখ টাকা। কিন্তু ক্রেতারা দাম বলছেন মাত্র সাড়ে তিন থেকে চার লাখ টাকা।শুধু রফিকুল ইসলামের আনা বড় আকারের রাজা ও বাদশাই নয়, এবার গাবতলীর হাটে আনা বেশির ভাগ বড় আকারের গরুই এখনো অবিক্রীত রয়ে গেছে। এসব গরুর মধ্যে রয়েছে ৪০ মণ ওজনের ডন নাম্বার ওয়ান, নেপালি সংকর প্রজাতির ৩০ মণ ওজনের লাল বাহাদুর, সাড়ে ২৭ মণ ওজনের রাজা বাবু এবং ২২ মণ ওজনের কালো মানিকসহ বাহারি নামের আরও অনেক গরু।এসব গরু হাটের যে অংশে রাখা হয়েছে, সেখানে ক্রেতাদের সমাগমও খুব বেশি একটা নেই। হাটে যাওয়া উৎসুক মানুষ সেলফি তুলতে এবং গরুর দাম শুনতেই গরুগুলোর আশপাশে ভিড় করছেন।৪০ মণ ওজনের ফরিদপুরের ডন নাম্বার ওয়ানকে এই হাটে বিক্রির জন্য এনেছিলেন খামারি রুবায়েত হোসেন। দাম চেয়েছিলেন ২৫ লাখ টাকা। হাটে আনার পর সাড়ে ১৮ লাখ টাকা দামও উঠেছিল। তখন বিক্রি করেননি।মন খারাপ করে রুবায়েত হোসেন জানালেন, হাটে বড় গরুর ক্রেতা একেবারেই নেই। বিক্রি করার মতো দাম কেউ বলছে না। বিক্রি না হলে সাড়ে চার বছর বয়সের ডন নাম্বার ওয়ানকে তিনি আরেক বছর পালার চেষ্টা করবেন বলেও জানালেন।এদিকে ডন নাম্বার ওয়ানের সঙ্গে ছোট আকারের একটি গরু ফ্রি দেবেন বলেও সঙ্গে এনেছিলেন। বড় গরুটি বিক্রি করতে না পেরে শেষে ফ্রি দিতে নিয়ে আসা ছোট গরুটিই তিনি ৭০ হাজার টাকায় বিক্রি করে দিয়েছেন।নেপালি সংকর প্রজাতির ৩০ মণ ওজনের লাল বাহাদুরকে কুষ্টিয়ার দৌলতপুর থেকে এনেছিলেন খামারি আরিফুল ইসলাম। প্রথমে এই গরুর জন্য তিনি দাম চেয়েছিলেন ২২ লাখ টাকা। এখন ১০-১২ লাখ হলেও বিক্রি করে দেবেন বলে জানালেন। কিন্তু ক্রেতারা লাল বাহাদুরের জন্য সর্বোচ্চ ৬ লাখ টাকা পর্যন্ত দাম বলেছেন।আরিফুল ইসলাম বলেন, ‘গরুটিকে নিয়ে ঝুঁকির মধ্যে রয়েছি। ঘরে ফিরিয়ে নিয়ে গেলে আবার পালতে হবে। আর মাংস বিক্রির কসাইদের কাছে খুব বেশি দাম পাওয়া যাবে না।’ তাই যদি মোটামুটি দাম পান, তাহলেও বিক্রি করে দেওয়ার ইচ্ছা আছে।গরু বিক্রি করতে না পারায় মন খারাপ লাগা নিয়ে ঠিকমতো কথা বলতে পারছিলেন না ঝিনাইদহের শৈলকুপা থেকে এই হাটে গরু নিয়ে আসা মোহাম্মদ খালেকুজ্জামান। তিনি ২২ মণ ওজনের কালো মানিক নামের গরুটিকে নিয়ে এসেছিলেন।কথা না বাড়িয়ে শুধু এইটুকু বললেন, ‘গরুটাকে আমি সাড়ে তিন বছর পালছি। দিনে ওর পেছনে ৫০০ টাকার ওপরে খাবার খরচ লাগছে। এই গরুটার জন্য দাম বলে মাত্র ৫ লাখ টাকা। এত কমে গরু বেচলে তো মরা ছাড়া কোনো গতি নাই।’ সবশেষ ৭ লাখ টাকা হলেও তিনি গরুটি বিক্রি করবেন বলে জানান।গাবতলীর হাটে প্রতিবছরই দেশের বিভিন্ন প্রান্তের খামারিরা বড় আকারের গরু নিয়ে আসেন। বিশাল আকারের এসব গরুর বিভিন্ন ধরনের বাহারি নামও দেওয়া হয়ে থাকে। হাটে গরু নিয়ে আসা পাইকারেরা বলছেন, কয়েক বছর ধরেই কোরবানিতে বড় গরুর চাহিদা অনেক কমে গেছে। এখন হাটগুলোতে খুব বেশি একটা বড় গরু বিক্রি হয় না। তাই নিজের ঘরে কোনো গরুকে পালন করে বড় করাও এখন অনেক ঝুঁকির।এদিকে হাটে বড় গরু খুব বেশি একটা বিক্রি না হলেও গত কয়েক দিনের মতো ঈদের এক দিন আগে আজ দিনভর ছোট ও মাঝারি আকারের গরু বেশ ভালো বিক্রি হয়েছে। সকাল থেকে দুপুর পর্যন্ত থেমে থেমে বৃষ্টি থাকায় বিকেলের দিকে রাজধানীর বিভিন্ন এলাকার ক্রেতারা হাটে পশু কিনতে ভিড় করতে থাকেন। আজকে গরুর দামও তুলনামূলকভাবে কমেছে বলে জানান হাটে গরু কিনতে যাওয়া ক্রেতারা।

post
বাংলাদেশ

'সাংবাদিক হত্যা মামলায় এখন ২ ও ৩ নম্বরসহ এজাহারভুক্ত ১৭ জন আসামি গ্রেপ্তার হয়নি'

জামালপুরের বকশীগঞ্জে সাংবাদিক গোলাম রব্বানী নাদিম হত্যা মামলার এজাহারভুক্ত বাকি আসামিরা গ্রেপ্তার না হওয়ায় ক্ষোভ প্রকাশ করেছেন নিহতের মেয়ে রাব্বিলা তুল জান্নাত (১৯)। গত মঙ্গলবার সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম ফেসবুকে এ সংক্রান্ত একটি পোস্ট ভাইরাল হয়েছে। ওই পোস্টে রাব্বিলা তুল জান্নাত লিখেন, ‘আমার আব্বু গোলাম রাব্বানী নাদিমকে মেরে ফেলা হয়েছে আজকে নিয়ে ৮ দিন হয়ে গেল। র‍্যাব কর্তৃক এজাহারভুক্ত ১ নম্বর আসামিসহ চারজন সর্বশেষ গ্রেপ্তার হয় ছয়দিন আগে। হাস্যকর বিষয় হলো–এখন পর্যন্ত ২ নম্বর আসামি ছাত্রলীগ থেকে বহিষ্কৃত চেয়ারম্যানের ছেলে ফাহিম ফয়সাল রিফাত, ৩ নম্বর আসামি রাকিব বিল্লাহ, ৯ নম্বর আসামি শামিম খন্দকার, ইসমাইল হোসেন স্বপন মণ্ডলসহ এজাহারভুক্ত ১৭ জন আসামি কেন এখনো গ্রেপ্তার হলো না। প্রশাসন কি ঘুমিয়ে আছেন, ঘুমিয়ে থাকলে জেগে উঠুন। এক কলম হারিয়েছে, কিন্তু হাজার কলম আমাদের পাশে আছে।’ তিনি আরও লিখেন, ‘সবার কাছে আমাদের চাওয়া একটাই, আমার বাবার খুনিরা যাতে রক্ষা না পায়। তারা যাতে দেশত্যাগ করতে না পারে। মামলা হয়েছে ৭ দিন। কিন্তু আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর সদস্যরা মামলা হওয়ার পর একজন আসামিকেও গ্রেপ্তার করতে পারেনি। ফলে আমাদের মনে স্বাভাবিকভাবেই নানা সন্দেহ দানা বাঁধছে।’ গত ১৪ জুন (বুধবার) রাতে জামালপুরের বকশীগঞ্জে সন্ত্রাসী হামলার শিকার হন অনলাইন পোর্টাল বাংলানিউজের জেলা প্রতিনিধি গোলাম রব্বানী নাদিম। পরদিন বৃহস্পতিবার চিকিৎসাধীন অবস্থায় হাসপাতালে তিনি মারা যান।পরে নিহতের স্ত্রী বাদী হয়ে ২২ জনের নাম উল্লেখ করে একটি মামলা দায়ের করেন। এর আগে ঘটনার সিসিটিভি ফুটেজ দেখে বকশীগঞ্জ থানার–পুলিশ নয়জনকে আটক করে। এরপর আর কোনো আসামি পুলিশের হাতে গ্রেপ্তার হয়নি। তবে মামলার আগে র‍্যাব ও পুলিশ অভিযান চালিয়ে ১৩ জনকে আটক করে। তাঁদের সবাইকে ওই মামলায় গ্রেপ্তার দেখানো হয় এবং আসামিদের বিরুদ্ধে রিমান্ড চেয়ে আদালতে পাঠানো হয়।আদালত আসামিদের বিভিন্ন মেয়াদে রিমান্ড দেন। এর মধ্যে প্রধান আসামি মাহমুদুল আলম বাবুর পাঁচ দিনের রিমান্ড আজ (শুক্রবার) শেষ হয়েছে। পুলিশের হাতে আটক নয়জনের মধ্যে সাংবাদিক নাদিমের স্ত্রীর দায়ের করা মামলায় পাঁচজনের নাম উল্লেখ রয়েছে। বাকি চারজনকে পুলিশের তদন্তে গ্রেপ্তার দেখানো হয়েছে। বর্তমানে মামলাটি গোয়েন্দা পুলিশের (ডিবি) হাতে।গ্রেপ্তার আসামিরা হলেন—প্রধান আসামি মাহমুদুল আলম বাবু, রেজাউল করিম, মো. মনিরুজ্জামান, মো. মিলন মিয়া, মো. গোলাম কিবরিয়া, জাকিরুল ইসলাম, শহিদুর রহমান, মো. তোফাজ্জল, আয়নাল হক, মো. কফিল উদ্দিন, মো. ফজলু মিয়া, মো. মুকবুল ও মো. ওহিদুজ্জামান। এ বিষয়ে মামলার তদন্ত কর্মকর্তা ও জেলা গোয়েন্দা পুলিশের (ডিবি) ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা আরমান আলী বলেন আজকের পত্রিকাকে বলেন, ‘রিমান্ডে জিজ্ঞাসাবাদে আসামিদের কাছ থেকে অনেক তথ্য পাওয়া গেছে। তদন্তের স্বার্থে ওই সব প্রকাশ করা যাচ্ছে না।তবে আশা করছি, খুব অল্প সময়ের মধ্যে বাকি আসামিরা গ্রেপ্তার হবেন। একই সঙ্গে মামলাটি আমরা খুব গুরুত্ব দিয়েই দেখছি এবং কাজ করছি।’ এদিকে জামালপুর জেলা পুলিশ সুপার নাছির উদ্দিন আহমেদের সঙ্গে কথা বলতে চাইলে তিনি কোনো কথা বলবেন না বলে সাফ জানিয়ে বলেন, ‘নাদিম হত্যার বিষয়ে আমি কোনো কথাই বলব না। আপনারা কার কাছ থেকে নেবেন নিয়ে লেখেন।’ 

post
বাংলাদেশ

বাংলাদেশ শরীর গঠন ফেডারেশনের সভাপতি আদম তমিজি হক

বাংলাদেশ বডিবিল্ডিং ফেডারেশনের অ্যাডহক কমিটির সভাপতি নির্বাচিত হয়েছেন আদম তমিজী হক। এই কমিটির সাধারণ সম্পাদক করা হয়েছে শেখ হামিম হাসানকে। বুধবার (২১ জুন) জাতীয় ক্রীড়া পরিষদের সচিব পরিমল সিংহ স্বাক্ষরিত এক প্রজ্ঞাপনে বডিবিল্ডিং ফেডারেশনের নতুন অ্যাডহক কমিটি ঘোষণা দেওয়া হয়।বিশিষ্ঠ ব্যবসায়ী আদম তমিজী হক বর্তমানে ঢাকা মহানগর উত্তর আওয়ামী লীগের সদস্য আর শেখ হামিম হাসান জাতীয় ক্রীড়া পরিষদের পরিচালকের (প্রশাসন) দায়িত্ব পালন করছেন।প্রজ্ঞাপনে বাংলাদেশ বডিবিল্ডিং ফেডারেশনের কমিটিতে ডা. জায়াদুর রহমান ওয়াদুদ ও জব্বার হোসেনকে সহসভাপতি এবং আবুল হোসেন, ফজলে এলাহী ও মাহমুদ হোসেন খান দুলালকে সদস্য করা হয়।প্রজ্ঞাপনে আরও বলা হয়, গঠিত অ্যাডহক কমিটি আগামী ৯০ দিনের মধ্যে বাংলাদেশ শরীর গঠন ফেডারেশনের কার্যনির্বাহী কমিটির নির্বাচন সম্পন্ন করবেন এবং ওই সময়ের মধ্যে সার্বক্ষণিক কার্যাবলী সম্পন্ন করবে।বাংলাদেশ শরীর গঠন ফেডারেশনের বিদ্যমান কার্যনির্বাহী কমিটির মেয়াদোত্তীর্ণ হওয়ায় জাতীয় ক্রীড়া পরিষদ আইন ২০১৮ এর ২১ ধারায় প্রদত্ত ক্ষমতাবলে অ্যাডহক কার্যনির্বাহী কমিটি গঠন করা হলো। যথাযথ কর্তৃপক্ষের অনুমোদনক্রমে জনস্বার্থে জারিকৃত এ প্রজ্ঞাপন অবিলম্বে কার্যকর হবে।

post
বাংলাদেশ

যুক্তরাষ্ট্রের পালানোর সময় আওয়ামী লীগ নেতা গ্রেফতার

যুক্তরাষ্ট্রে পালানোর সময় হযরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে গ্রেফতার হয়েছেন প্রস্তাবিত পিপলস ব্যাংকের চেয়ারম্যান ও আওয়ামী লীগ নেতা আবুল কাশেম।বুধবার মধ্যরাতে বিমানবন্দরে ইমিগ্রেশন পুলিশ তাকে গ্রেফতার করে। অর্থ পাচারের এক মামলায় বিদেশ যাত্রায় নিষেধাজ্ঞা দেওয়ার কয়েক ঘণ্টার পর তিনি গ্রেফতার হলেন।গ্রেফতারের সত্যতা নিশ্চিত করেছে সিআইডির একটি সূত্র। সূত্রটি জানিয়েছে, বৃহস্পতিবার সকালে সিআইডির কাছে আবুল কাশেমকে বুঝিয়ে দিয়েছে ইমিগ্রেশন পুলিশ। এরপর রিমান্ড চেয়ে তাকে আদালতে পাঠানো হলে শুনানির জন্য ২৫ জুন তারিখ রাখেন বিচারক। সেইসঙ্গে আবুল কাশেমকে কারাগারে পাঠানোর নির্দেশ দেন।অর্থ পাচারের মামলায় বুধবার ই-কমার্স কোম্পানি আলেশা মার্টের চেয়ারম্যান মো. মঞ্জুর আলম শিকদারসহ চারজনের বিদেশযাত্রায় আদালত নিষেধাজ্ঞা দেয় তাদেরই একজন আবুল কাশেম। তিনি যুক্তরাষ্ট্র আওয়ামী লীগের অন্যতম সহ-সভাপতি তিনি।দেশত্যাগে নিষেধাজ্ঞা পাওয়া বাকি দুজন হলেন- আলেশা মার্টের ব্যবস্থাপনা পরিচালক ও মঞ্জুর আলমের স্ত্রী সাদিয়া চৌধুরী এবং আলেশা মার্টকে মোটরসাইকেল সরবরাহকারী প্রতিষ্ঠান এস কে ট্রেডার্সের মালিক মো. আল মামুন। আবুল কাশেম গ্রেফতার হলেও অন্যরা পলাতক রয়েছেন।এ মামলার একটি অভিযোগে বলা হয়েছে, প্রস্তাবিত পিপলস ব্যাংক লিমিটেডের পরিচালকের পদ পাওয়ার জন্য এবং শেয়ার বাজারে বিনিয়োগের উদ্দেশ্যে হাজারো গ্রাহকের কাছ থেকে নেওয়া একশ কোটি টাকা মঞ্জুর আলম ওই ব্যাংকের চেয়ারম্যান আবুল কাশেমকে দিয়েছিলেন।

post
বাংলাদেশ

নির্বাচনে ভোট চুরি করে আওয়ামী লীগের জিততে হয় না : শেখ হাসিনা

প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা বলেছেন, আওয়ামী লীগ যতবার নির্বাচনে হেরেছে, ততবারই চক্রান্ত করে হারানো হয়েছে। জনগণের ভোট ডাকাতি করে আওয়ামী লীগকে হারানো হয়েছে।বৃহস্পতিবার (২২ জুন) সকালে গণভবনে দলের কার্যনির্বাহী কমিটির সভায় তিনি এ কথা বলেন। প্রধানমন্ত্রী বলেন, নির্বাচনে ভোট চুরি করে আওয়ামী লীগের জিততে হয় না। ভালো কাজের মধ্য দিয়ে জনগণের আস্থা অর্জন করতে পেরেছে বলেই আওয়ামী লীগ ভোট পায়। যখনই এ দেশের মানুষ স্বাধীনভাবে ভোট দেওয়ার সুযোগ পেয়েছে, তখনই আওয়ামী লীগকে ভোট দিয়েছে। তার প্রমাণ ২০১৮ সালের নির্বাচন। তখন তত্ত্বাবধায়ক সরকারের অধীনেই আওয়ামী লীগকে জনগণ ভোট দিয়ে নির্বাচিত করেছে। বিএনপির সমালোচনা করে আওয়ামী লীগ সভাপতি শেখ হাসিনা বলেন, বিএনপি একটি সন্ত্রাসী দল। এটি আমার কথা নয়, কানাডার আদালত এই রায় দিয়েছেন। বিএনপির সন্ত্রাসীরা যারা মানুষ হত্যা, অগ্নিসন্ত্রাস, লুটপাট করেছে; তারা কানাডায় গিয়ে রাজনৈতিক আশ্রয় চেয়েছিল। তখন তারা বিএনপিকে সন্ত্রাস ও জঙ্গিবাদী দল হিসেবে ঘোষণা দেয়। তিনি আরও বলেন, বিএনপির প্রতিষ্ঠাতা জিয়াউর রহমান যুদ্ধাপরাধীদের বিচার না করে রাজনীতি করার সুযোগ দিয়েছে। জাতির পিতাকে হত্যার পর আমাদের মানবাধিকার কেড়ে নেওয়া হয়েছিল। আমরা বিচার চাইতে পারিনি। তাই আমরা মানবাধিকার সুরক্ষায় কাজ করছি।

post
বাংলাদেশ

বাংলাদেশ কারো খবরদারির কাছে মাথা নত করবে না : প্রধানমন্ত্রী

বাংলাদেশ কারো খবরদারির কাছে মাথা নত করবে না বলে মন্তব্য করেছেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। আজ রবিবার (১৮ জুন) সকালে প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ের শাপলা হলে স্পেশাল সিকিউরিটি ফোর্সের (এসএসএফ) ৩৭তম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী উদযাপন অনুষ্ঠানে এমন মন্তব্য করেন তিনি।শেখ হাসিনা বলেন, ‘বাংলাদেশের এত দ্রুত উন্নয়ন অনেকে সহ্য করতে পারছেন না বলেই নানা বাধা ও চক্রান্ত হচ্ছে। তবে এ নিয়ে ঘাবড়ানোর কিছু নেই। বাংলাদেশ কারো খবরদারির কাছে নতজানু হবে না। এটাই সরকারের সিদ্ধান্ত।’ দেশের মানুষের ভাগ্য পরিবর্তনের প্রত্যয় নিয়ে সরকার দেশ গড়ার কাজ করছে মন্তব্য করে প্রধানমন্ত্রী বলেন, ‘দেশের আর্থ-সামাজিক ক্ষেত্রে উন্নয়ন করাই সরকারের লক্ষ্য। সেই লক্ষ্য নিয়ে সরকার কাজ করছে। ইতোমধ্যে ঘরে ঘরে বিদ্যুৎ পৌঁছে দেওয়া হয়েছে।’ শেখ হাসিনা বলেন, ‘বাংলাদেশের মানুষ যেন বিশ্বে মাথা উঁচু করে চলতে পারে সরকার সেই লক্ষ্য নিয়ে কাজ করছে। দেশের আর্থ-সামাজিক উন্নয়নের পাশাপাশি সশস্ত্র বাহিনীকে যুগোপযোগী করে গড়ে তোলা হচ্ছে।’ দুর্নীতি করতে নয় দেশের মানুষের ভাগ্য গড়তে এসেছি এমন মন্তব্য করে বঙ্গবন্ধুকন্যা বলেন, ‘আমার পূর্বে যারা ক্ষমতায় ছিল (বিএনপি) বিভিন্ন জায়গায় দুর্নীতির কারণে তখনো বিশ্ব ব্যাংক তাদের অর্থ ফিরিয়ে নিয়েছিল। কিন্তু তখনকার সরকারের সাহস ছিল না যে তাদের প্রতিবাদ করে, কিন্তু পদ্মা সেতু নির্মাণের সময় তারা দুর্নীতির অভিযোগ তুলে যখন আমাদের ওপর দোষারোপ করল আমি তার প্রতিবাদ করেছিলাম। কারণ আমার কোনো দুর্বলতা ছিল না। আগের সরকার পারেনি কারণ তাদের দুর্বলতা ছিল। তারা সত্যিই দুর্নীতি করেছিল। আমরা দুর্নীতি করতে আসিনি, মানুষের ভাগ্য গড়তে এসেছি।’ সরকারপ্রধান বলেন, ‘পদ্মা সেতু করার একটা ঘটনাই আন্তর্জাতিকভাবে বাংলাদেশের ভাবমূর্তি পরিবর্তন হয়েছে। আগে যেমন প্রতিটি ক্ষেত্রে শুধু শর্ত আর শর্ত আর নানা কথা, এখন আর সেটা করতে কেউ সাহস পায় না। বাংলাদেশকে এখন সকলেই সমীহের চোখে দেখে। আমি মনে করি, এই আত্মবিশ্বাস নিয়েই আমাদের এগিয়ে যেতে হবে।’

About Us

NRBC is an open news and tele video entertainment platform for non-residential Bengali network across the globe with no-business vision just to deliver news to the Bengali community.