post
এনআরবি সাফল্য

সাইবার সিকিউরিটি এক্সপার্ট ও আর্টিফিশিয়াল ইন্টেলিজেন্স নিয়ে কাজ করবে পিপলএনটেক

স্মার্ট বাংলাদেশ’ গড়ার মূল চাবিকাঠি হবে ডিজিটাল সংযোগ। প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার ভিশন স্মার্ট বাংলাদেশ ও স্মার্ট জাতি গঠনই বাংলাদেশের পরবর্তী লক্ষ্য।স্মার্ট বাংলাদেশ গড়ার লক্ষ্য পূরণে সাইবার সিকিউরিটি ও আর্টিফিশিয়াল ইন্টেলিজেন্স নিয়ে কাজ করবে পিপলএনটেক বাংলাদেশ। ইতিমধ্যে সাইবার সিকিউরিটি ও আর্টিফিশিয়াল ইন্টেলিজেন্স নিয়ে কার্যক্রম শুরু করেছে প্রতিষ্ঠানটি। সাইবার সিকিউরিটি ও আর্টিফিশিয়াল ইন্টেলিজেন্স নিয়ে প্রতিষ্ঠানটির মূল ক্যাম্পাস হবে ঢাকার কেরানীগঞ্জে, এমনটি ঘোষণা দিয়েছেন প্রতিষ্ঠানটির প্রেসিডেন্ট ও ওয়াশিংটন ইউনিভার্সিটি অফ সায়েন্স এন্ড টেকনোলজির সিএফও ফারহানা হানিপ।সাইবার সিকিউরিটি, আর্টিফিশিয়াল ইন্টেলিজেন্স, ভার্চ্যুয়াল বাস্তবতা, উদ্দীপিত বাস্তবতা, রোবোটিকস ও বিগ ডেটার মতো ডিজিটাল প্রযুক্তির সর্বোচ্চ ব্যবহার নিশ্চিতের মাধ্যমে বাংলাদেশকে অর্থনৈতিকভাবে সমৃদ্ধ করতে বাংলাদেশে কাজ করে যাচ্ছে দেশের স্বনামধন্য আইটি প্রতিষ্ঠান পিপলএনটেক ইন্সটিটিউট অফ আইটি। বাংলাদেশ সহ বিশ্বের তিনটি দেশে দেড় যুগ যাবত কাজ করে যাচ্ছে প্রতিষ্ঠানটি।২০০৫ সালে যাত্রা শুরু করে পিপলএনটেক ইন্সটিটিউট অফ আইটি। প্রতিষ্ঠানটির শিক্ষণ-শিখন এবং জব প্লেসমেন্ট পদ্ধতি ইতোমধ্যেই একটি সফল মডেল হিসেবে বিবেচিত হয়েছে।ঢাকার কেরানীগঞ্জে বেড়ে উঠা ফারহানা হানিফ বর্তমানে অবস্থান করছেন যুক্তরাষ্ট্রের ভার্জিনিয়ায়। সম্ভ্রান্ত পরিবারের মেয়ে ফারহানা হানিপ পরিবারের প্রচেষ্টায় যুক্তরাষ্ট্রের স্ট্রেয়ার ইউনিভার্সিটি থেকে ডাবল ব্যাচেলর ইনফরমেশন টেকনোলজি এন্ড সাইবার সিকিউরিটি ইঞ্জিনিয়ারিং বিষয়ে উচ্চতর ডিগ্রি অর্জন করেন। এছাড়াও যুক্তরাষ্ট্রের জর্জ ওয়াশিংটন ইউনিভার্সিটিতে বর্তমানে এমবিএ, মাস্টার্স ইন লিডারশীপ ম্যানেজমেন্টে পড়ছেন তিনি।  যুক্তরাষ্ট্রের সর্বোৎকৃষ্ট আইটি কোম্পানিতে দীর্ঘ ২০ বছরের কাজের অভিজ্ঞতা নিয়ে পিপলএনটেক যুক্তরাষ্ট্র, ইন্ডিয়া ও বাংলাদেশ অফিসের স্বত্বাধিকারী ও প্রেসিডেন্টের দায়িত্ব নিয়ে সার্বক্ষণিক নজর রাখছেন তিনি।এছাড়াও যুক্তরাষ্ট্রের পাবলিক সেক্টর ও গভমেন্ট সেক্টর নিয়ে কাজের পাশাপাশি ওয়াশিংটন ডিসিতে উইমেন ইমপ্যাক্ট ইন পাবলিক পলিসি (ডব্লিউআইপিপি) সংগঠনের সাথে কাজ করে যাচ্ছেন তিনি। সম্প্রতি বাংলাদেশ ভিজিট করেন পিপলএনটেক প্রেসিডেন্ট ও ওয়াশিংটন ইউনিভার্সিটি অফ সায়েন্স এন্ড টেকনোলজির সিএফও ফারহানা হানিফ।গত ১৬ আগষ্ট বাংলাদেশে আরটিভির ইয়ং স্টার প্রোগামে মার্কিন দূতাবাসের মুখপাত্র ব্রায়ান শিলার ও তার স্ত্রী মার্সিয়া শিলারের সঙ্গে সৌজন্য সাক্ষাৎ করেন পিপলএনটেক প্রেসিডেন্ট ও ওয়াশিংটন ইউনিভার্সিটি অফ সায়েন্স এন্ড টেকনোলজির সিএফও । উপস্থিত ছিলেন বাংলাদেশের পররাষ্ট্রমন্ত্রী এ কে আব্দুল মোমেন, আরটিভির চেয়ারম্যান আলহাজ্ব মোরশেদ আলম।এসময় ফারহানা হানিপ বলেন, 'পিপলএনটেক থেকে প্রশিক্ষণ গ্রহণ করে প্রায় আট হাজারেরও অধিক শিক্ষার্থী আইটিতে জব করছে। যার অধিকাংশ'ই হচ্ছেন নারী। এছাড়াও বাংলাদেশের বিভিন্ন প্রকল্প, বিশ্ববিদ্যালয় মুঞ্জুরী কমিশন ও হাইটেকপার্কের সাথে পিপলএনটেক ও ওয়াশিংটন ইউনিভার্সিটি অফ সায়েন্স এন্ড টেকনোলজির কার্যক্রমসহ বিভিন্ন প্রকল্প বিষয়ক আলোচনা করা হয়। বর্তমানে যুক্তরাষ্ট্র,বাংলাদেশ ও ইন্ডিয়ার অন্যতম একটি সেরা আইটি ট্রেনিং সেন্টারে পরিনত হয়েছে পিপলএনটেক।পিপলএনটেক ও ওয়াশিংটন ইউনিভার্সিটি অফ সায়েন্স এন্ড টেকনোলজির কার্যক্রম শুনে এসময় উচ্ছ্বসিত হোন বাংলাদেশে মার্কিন রাষ্ট্রদূতের মুখপাত্র।ভবিষ্যতে পিপলএনটেক ও ওয়াশিংটন ইউনিভার্সিটি অফ সায়েন্স এন্ড টেকনোলজি নিয়ে সর্বাত্মক সহযোগিতা করার আশ্বাস দেন মুখপাত্র ব্রায়ান শিলার। বাংলাদেশ সহ তিনটি দেশ যুক্তরাষ্ট্র ও ভারতে কার্যক্রম চালিয়ে যাচ্ছে পিপলএনটেক ইন্সটিটিউট অফ আইটি। বাংলাদেশের শিক্ষা জীবন সমাপ্তি করা বেকার যুবক ও পিছিয়ে পড়া জনগোষ্ঠীকে আইটি শিক্ষায় শিক্ষিত করে স্মার্ট বাংলাদেশের কর্ণধার হতে নিরলস ভাবে পরিশ্রম করে যাচ্ছে পিপলএনটেক।বর্তমানে ফারহানা হানিপের স্বপ্ন ঢাকা জেলা ১ ও ২ এলাকার বেকার যুবকদের আইটি শিক্ষায় শিক্ষিত করে স্বাবলম্বী করে তোলা। তিনি বলেন, আমি চাই আমার সবচেয়ে পছন্দের ঢাকা ১ ও ২ এলাকার যুবকদের যেন বিশ্বের অন্য কোন দেশে গিয়ে অড জব করতে না হয়, তাদের স্কিল ডেভলপমেন্ট করার জন্য পিপলএনটেক সর্বদা তাদের পাশে থাকবে এবং আইটি শিক্ষায় শিক্ষিত করে তুলে আমরাই চাকুরির ব্যবস্থা করে দিবো।ঢাকা জেলা জিঞ্জিরা এলাকার যুবকদের পড়াশোনার মান এবং তাদের আইটি শিক্ষায় শিক্ষিত করার জন্য সর্বাত্মক সহযোগিতার অঙ্গীকার ব্যক্ত করেন তিনি।পিপলএনটেক ইনস্টিটিউট অফ আইটির পাশাপাশি যুক্তরাষ্ট্রে প্রথম বাংলাদেশি মালিকানায় ওয়াশিংটন ইউনিভার্সিটি অফ সায়েন্স এন্ড টেকনোলজি প্রতিষ্ঠা করেন পিপলএনটেকের নির্বাহী প্রতিষ্ঠাতা ইঞ্জিনিয়ার আবু বকর হানিপ। ঐ বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রধান অর্থ কর্মকর্তা হিসাবে দায়িত্বে রয়েছেন ফারহানা হানিপ।ফারহানা হানিপ বলেন, যুগের সাথে তাল মিলিয়ে বাংলাদেশীদেরকে উন্নতির চরম শিখরে পৌছানোর জন্য পিপলএনটেক এর পাশাপাশি ওয়াশিংটন ইউনিভার্সিটি অব সায়েন্স এ্যান্ড টেকনোলজিও বর্তমানে কাজ করে যাচ্ছে। তিনি বলেন চার বছরের ডিগ্রি নিয়ে যাতে করে বসে থাকতে না হয় তার জন্য ওয়াশিংটন ইউনিভার্সিটি অব সায়েন্স এ্যান্ড টেকনোলজি এবং পিপলএনটেক ইনস্টিটিউট অব ইনফরমেশন টেকনোলজির কর্মকর্তাবৃন্দ কাজ করে যাচ্ছেন। এ প্রসঙ্গে পিপলএনটেক ইনস্টিটিউট অব ইনফরমেশন টেকনোলজির ছাত্রছাত্রীদের জন্য ওয়াশিংটন ইউনিভার্সিটি অব সায়েন্স এ্যান্ড টেকনোলজির বিভিন্ন্ কোর্সে ভর্তির ক্ষেত্রে বিশেষ ছাড়ের ব্যবস্থা করবেন বলেও তিনি জানান'।সম্প্রতি পিপলএনটেক ইন্সটিটিউট অফ আইটি পরিদর্শনে আসেন ঢাকা জেলা আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক পনিরুজ্জামান তরুন।এসময় পিপলএনটেক ইন্সটিটিউট অফ আইটির কার্যক্রম দেখে উচ্ছ্বসিত হোন তিনি। এছাড়াও ফারহানা হানিপের সাথে সৌজন্য সাক্ষাৎ করেন ঢাকা জেলা আওয়ামী লীগের সাংগঠনিক সম্পাদক ও জিঞ্জিরা ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান মোঃ সাকুর হোসেন সাকু।সাক্ষাতকালে সাকু বলেন, পিপলএনটেক ও ওয়াশিংটন ইউনিভার্সিটি অফ সায়েন্স এন্ড টেকনোলজির কার্যক্রম দেখে আমি মুগ্ধ।এসময় তিনি শিক্ষার্থীদের দক্ষতা বৃদ্ধি ও যুক্তরাষ্ট্রে উচ্চ শিক্ষা বিষয়ক সেমিনার করার প্রস্তাব দেন।

post
টেক মেন্টর

পিপলএনটেকে সিসিএনএ এর নতুন ব্যাচ শুরু শুক্রবার

পিপলএনটেকে অনুষ্ঠিত হতে যাচ্ছে সিসিএনএ এর নতুন ব্যাচ। সিসিএনএ হলো সিসকো সার্টিফাইড নেটওয়ার্ক এসোসিয়েট।সিসকো কম্পানি এই সিসিএনএ কোর্সটি চালু করে।এই কোর্সটি করা থাকলে ধরে নেওয়া হয় যে আপনি আইটিতে অথবা নেটওয়ার্কিং এ নিয়ে কাজ করতে পারবেন। এই কোর্সটি আইটিতে ক্যারিয়ার করতে আগ্রহী যে কেউ করতে পারেন। ২৫ আগষ্ট শুক্রবার বাংলাদেশের স্বনামধন্য আইটি প্রতিষ্ঠান পিপলএনটেক ইনস্টিটিউট অফ আইটি তে দুপুর ২টা ৩০ মিনিট থেকে শুরু হয়ে প্রতিদিন চলবে সন্ধা ৬.৩০ পর্যন্ত। প্রতিষ্ঠানটির প্রশিক্ষকরা বলছেন, এই কোর্সটি করার মাধ্যমে কম্পিউটার নেটওয়ার্ক ইঞ্জিনিয়ার হিসেবে কাজ করার সুযোগ রয়েছে আইএসপি, মোবাইল কোম্পানি, ব্যাংক, এয়ারলাইন, ট্রাভেল এজেন্সি, শেয়ার মার্কেট, মাল্টিন্যাশনাল ও ন্যাশনাল কোম্পানি, বায়িং হাউজে অর্থাৎ যেখানে কম্পিউটার নেটওয়ার্ক আর ইন্টারনেট ব্যবহার করা হয় সেখানেই রয়েছে চাকরির সুযোগ। দিনে দিনে এই চাকরির বাজারটি আরো বড় হচ্ছে। রিয়েল লাইফে কাজ করার জন্য Cisco এর অফিসিয়াল সিলেবাসই যথেষ্ট না, এর বাইরেও আপনাকে অনেক কিছু বিষয়ে জানতে হবে যা মূলত ইন্ডাস্ট্রিতে ব্যাবহার করে যেমন:  ➡️Routing Protocol BGP  ➡️IP Telephony System  ➡️ASA Next Gen Firewall  ➡️Project base Automation সহ আরও অনেক কিছু। বিস্তারিত জানতে যোগাযোগ করতে বলা হয়েছে এই ঠিকানায়: 01799 446655 01611 446699 পিপলএনটেক ইনস্টিটিউট অফ আইটি ১৫১/৭, গুডলাক সেন্টার(৭ম ও ৮ম তলা), পান্থপথ সিগন্যাল, গ্রীন রোড, ঢাকা-১২০৫ ভিজিট করুনঃ https://www.peoplentech.com.bd

post
টেক মেন্টর

পিপলএনটেকে ১৯-২০ শিক্ষাবর্ষের পলিটেকনিক শিক্ষার্থীদের ইন্ডাস্ট্রিয়াল অ্যাটাচমেন্ট ক্লাস শুরু

বাংলাদেশের বিভিন্ন পলিটেকনিক ইনস্টিটিউট হতে বাস্তবসম্মত শিক্ষা গ্রহনের লক্ষ্যে পিপলএনটেক লিমিটেডে শিক্ষার্থীরা তাদের ইন্ডাস্ট্রিয়াল অ্যাটাচমেন্টের যাত্রা শুরু করেছে।যুক্তরাষ্ট্রভিত্তিক আইটি ইন্সটিটিউট ‘পিপলএনটেক’ রাজধানী ঢাকার গ্রীণরোডে (গুডলাক সেন্টার, ১৫১/৭ গ্রীণরোড) সম্প্রসারণ করেছে সকল কার্যক্রম।এই ধারাবাহিকতায় পিপলএনটেকে ২০১৯-২০২০ শিক্ষাবর্ষের পলিটেকনিক ইনস্টিটিউটের শিক্ষার্থীদের ৩ মাস মেয়াদী ‘স্কিল ডেভেলপমেন্ট’র কর্মসূচি তথা ‘ইন্ডাস্ট্রিয়াল অ্যাটাচমেন্টের উদ্বোধনী ক্লাস অনুষ্ঠিত হয়।রবিবার (২০ই আগষ্ট ) রাজধানীর গ্রীনরোড পান্থপথে পিপলএনটেক লিমিটেডের কার্যালয়ে সকাল থেকে সারাদেশের ৬৪টি জেলার বিভিন্ন পলিটেকনিক ইনস্টিটিউটের পর্যায়ক্রমে প্রায় পাঁচ শতাধিক শিক্ষার্থীদের অংশগ্রহণে ইন্ডাস্ট্রিয়াল অ্যাটাচমেন্টের প্রায় ১৫টি কোর্সের উদ্বোধনী ক্লাস অনুষ্ঠিত হয়।পিপলএনটেকে আগত সকল শিক্ষার্থীদের শুভেচ্ছা জানান প্রতিষ্ঠানটির চীফ অপারেটিং অফিসার আব্দুল হামিদ। এসময় তিনি শিক্ষার্থীদের উদ্দেশ্যে বলেন," পিপলএনটেক এমন একটি আইটি প্রতিষ্ঠান যারা শুধু কোর্স করানোর মধ্যেই সীমাবদ্ধ নয়, কোর্স শেষে তাদের চাকরি নিয়ে চিন্তা করতে হয় না'।প্রশিক্ষণার্থী শিক্ষার্থীদের উদ্দেশ্যে তিনি আরও বলেন, 'আপনারা কোর্স শেষ করে নিজেকে অভিজ্ঞ হিসেবে গড়ে তুলুন, অভিজ্ঞতা সম্পন্ন ব্যক্তিদের চাকরির ব্যবস্থা আমরাই করে দিবো'।এসময় উপস্থিত ছিলেন নেটওয়ার্কিং এন্ড সার্ভার শাখার হেড অফ ফ্যাকল্টি কাজী মাহমুদুল হক, পিপলএনটেক লিমিটেডের ব্যাবস্থাপক, এইচআর-এডমিন ফাতেমা তুজ জোহরা, সহকারি ব্যবস্থাপক অপারেশন শেখ আহমেদ, বিজনেস ডেভেলপমেন্ট ডেপুটি ম্যানেজার নজরুল ইসলাম, সিনিয়র প্রোগ্রামার ও ফ্যাকল্টি হাফিজুর রহমান সহ অনেকে।

post
টেক মেন্টর

পিপলএনটেক প্রেসিডেন্টের সাথে সাক্ষাৎ ডব্লিউইউএসটিতে যেতে চাওয়া শিক্ষার্থীদের

ওয়াশিংটন ইউনিভার্সিটি অফ সায়েন্স এন্ড টেকনোলজির প্রধান অর্থ কর্মকর্তা ও পিপলএনটেক প্রেসিডেন্ট ফারহানা হানিপের সাথে সাক্ষাৎ করলেন যুক্তরাষ্ট্রে গমনেচ্ছু শিক্ষার্থীরা। শনিবার ১৯ আগষ্ট বেলা ১১ টায় পিপলএনটেক বাংলাদেশ ক্যাম্পাসে এই সাক্ষাৎ অনুষ্ঠিত হয়।সাক্ষাৎ অনুষ্ঠানে যুক্তরাষ্ট্রে অবস্থিত ওয়াশিংটন ইউনিভার্সিটি অফ সায়েন্স এন্ড টেকনোলজিতে উচ্চ শিক্ষা অর্জনের জন্য ভর্তির যোগ্যতা, ভর্তির জন্য সুযোগ - সুবিধা , টিউশন ফি, থাকা ও খাওয়া খরচ, ও অন্যান্য বিষয়ে আলোচনা করা হয়। শিক্ষার্থীদের উদ্দেশ্যে ফারহানা হানিপ বলেন, যুক্তরাষ্ট্রে উচ্চ শিক্ষার জন্য আমরা বিশেষ করে বাংলাদেশি শিক্ষার্থীদের জন্য সুযোগ দিয়েছি আপনাদের এই সুযোগ গ্রহন করা উচিত।শিক্ষার্থীরা উচ্চ শিক্ষার জন্য এই বিশ্ববিদ্যালয়ে কেন যাবেন এমন প্রশ্নের জবাবে ফারহানা হানিপ বলেন, 'পিপলএনটেক ও ওয়াশিংটন ইউনিভার্সিটি অফ সায়েন্স এন্ড টেকনোলজি এই দুইটি প্রতিষ্ঠান যুক্তরাষ্ট্রের শিক্ষা ব্যবস্থাকে কর্মমুখী শিক্ষাব্যবস্থা হিসাবে গড়ে তুলতে অবিরাম কাজ করে যাচ্ছে।বাংলাদেশীদের জীবনমান উন্নয়নের কথা মাথায় রেখে দীর্ঘ দেড় যুগ আগে আমারা এপার্টমেন্টের বেইসমেন্টে আইটি চাকুরী পাওয়ার জন্য যে শিক্ষা পদ্ধতি চালু করেছিলাম তা এখন বাংলাদেশ কমিউনিটির গন্ডি পেরিয়ে যুক্তরাষ্ট্রের বিভিন্ন কমিউনিটির কাছে পৌছে গেছে। যুক্তরাষ্ট্রে বসবাসকারী প্রবাসী বাংলাদেশীদেরকে অড জব থেকে বের করে আইটি শিক্ষায় শিক্ষিত করে আইটিতে চাকুরীর ব্যবস্থা করার যে স্বপ্ন ছিল, তার সফল বাস্তবায়ন হয়েছে বলে তিনি উল্লেখ করেন । তিনি বলেন প্রায় আট হাজারেরও অধিক শিক্ষার্থীর আইটি জবের ব্যবস্থা করে পিপলএনটেক বর্তমানে যুক্তরাষ্ট্রর অন্যতম একটি সেরা আইটি ট্রেনিং সেন্টারে পরিনত হয়েছে'।তিনি আরো বলেন,' যুগের সাথে তাল মিলিয়ে বাংলাদেশীদেরকে উন্নতির চরম শিখরে পৌছানোর জন্য পিপলএনটেক এর পাশাপাশি ওয়াশিংটন ইউনিভার্সিটি অব সায়েন্স এ্যান্ড টেকনোলজিও বর্তমানে কাজ করে যাচ্ছে। তিনি বলেন চার বছরের ডিগ্রি নিয়ে যাতে করে বসে থাকতে না হয় তার জন্য ওয়াশিংটন ইউনিভার্সিটি অব সায়েন্স এ্যান্ড টেকনোলজি এবং পিপলএনটেক ইনস্টিটিউট অব ইনফরমেশন টেকনোলজির কর্মকর্তাবৃন্দ কাজ করে যাচ্ছেন। এ প্রসঙ্গে পিপলএনটেক ইনস্টিটিউট অব ইনফরমেশন টেকনোলজির ছাত্রছাত্রীদের জন্য ওয়াশিংটন ইউনিভার্সিটি অব সায়েন্স এ্যান্ড টেকনোলজির বিভিন্ন্ কোর্সে ভর্তির ক্ষেত্রে বিশেষ ছাড়ের ব্যবস্থা রয়েছে বলেও তিনি জানান'।অনুষ্ঠানে এসময় উপস্থিত ছিলেন পিপলএনটেক ইনস্টিটিউট অফ আইটির ভাইস প্রেসিডেন্ট মাশরুল হোসাইন খান লিওন, চীফ অপারেটিং অফিসার আব্দুল হামিদ, ও বিশ্ববিদ্যালয়ের বাংলাদেশ প্রতিনিধি মাছুমা ভুঞা ফারহা।

post
টেক মেন্টর

বহুল প্রতীক্ষিত 'ন্যাশনাল স্টিম অলিম্পিয়াড' এর যাত্রা শুরু ২৩ জুলাই

শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের সহযোগিতায় ও আইটেসারেক্ট টেকনোলজিসের আয়োজনে উদ্বোধন হতে যাচ্ছে বহুল প্রত্যাশিত ন্যাশনাল স্টিম অলিম্পিয়াড ২০২৩।২৩শে জুলাই (রবিবার) দুপুর ৩ টায় রাজধানীর সেগুনবাগিচায় আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা ইনস্টিটিউটে ন্যাশনাল স্টিম অলিম্পিয়াডের উদ্বোধন করবেন শিক্ষামন্ত্রী ড. দিপু মনি।বিজ্ঞান, প্রযুক্তি, প্রকৌশল, শিল্পকলা এবং গণিত (STEAM)-এ শিক্ষার্থীদের ব্যতিক্রমী প্রতিভা প্রদর্শনের জন্য এই জমকালো অনুষ্ঠানটি সারা বাংলাদেশের ছয়টি স্তরের শিক্ষার্থীদের একত্রিত করবে। অনুষ্ঠানটি থাকছে সবার জন্য উন্মুক্ত।অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত থাকবেন শিক্ষামন্ত্রী এবং ন্যাশনাল স্টিম অলিম্পিয়াডের প্রধান পৃষ্ঠপোষক ড. দীপু মনি এমপি। বিশেষ অতিথি হিসাবে উপস্থিত থাকবেন ন্যাশনাল স্টিম অলিম্পিয়াডের আহ্বায়ক ও প্রধান উপদেষ্টা প্রফেসর ড. সাজ্জাদ হোসেন। ন্যাশনাল স্টিম অলিম্পিয়াডের প্রধান সমন্বয়ক মোহাম্মদ আবদুল হামিদ বলেন, “অলিম্পিয়াডটি একটি যাত্রার সূচনা করবে যেখানে শিক্ষার্থীরা তাদের উদ্ভাবনী প্রকল্প, সমস্যা সমাধানের ক্ষমতা এবং বিভিন্ন STEAM বিষয়ে সহযোগিতামূলক দক্ষতা প্রদর্শন করার সুযোগ তৈরী করবে। এই প্ল্যাটফর্মটি শুধুমাত্র একাডেমিক উৎকর্ষকে উৎসাহিত করে না বরং প্রতিযোগিতা, সৃজনশীলতা এবং বুদ্ধিবৃত্তিক বৃদ্ধির চেতনাকেও উৎসাহিত করে।“তিনি আরো বলেন, ন্যাশনাল স্টিম অলিম্পিয়াডের লক্ষ্য বাংলাদেশের সবচেয়ে উজ্জ্বল মনদের চিহ্নিত করা এবং লালন করা, তাদের বিজ্ঞান, প্রযুক্তি, প্রকৌশল, কলা এবং গণিতের ক্ষেত্রে দক্ষতা অর্জনের এবং ইতিবাচক প্রভাব ফেলার ও চর্চা করার সুযোগ প্রদান করা। দেশের স্টিম শিক্ষার ভবিষ্যত গঠনে এই প্রোগ্রামটি গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করবে বলে আশা করছি।ন্যাশনাল স্টিম অলিম্পিয়াড ২০২৩ তরুণ প্রতিভার একটি অসাধারণ উদযাপন এবং উদ্ভাবন ও বুদ্ধিবৃত্তিক বৃদ্ধির সংস্কৃতি গড়ে তোলার জন্য জাতির প্রতিশ্রুতির প্রমাণ হিসেবে থাকবে।স্টিম প্রতিভা লালন করার জন্য তাদের বিশাল দক্ষতা এবং উৎসর্গ নিঃসন্দেহে অংশগ্রহণকারীদের অনুপ্রাণিত করবে এবং ইভেন্টে তাৎপর্য যোগ করবে।বিস্তারিত জানতে ভিজিট করুন ও রেজিস্ট্রেশন করুন https://nationalsteamolympiad.com

post
বাংলাদেশ

বগুড়ায় জামায়াতে ইসলামীর বিক্ষোভ মিছিল

এক দশক পর ওলামা মাশায়েখ পরিষদের ব্যানারে বগুড়ায় প্রকাশ্যে সমাবেশ ও মিছিল করেছে জামায়াতে ইসলামী।সুইডেনে পবিত্র কোরআন শরিফ পোড়ানোর প্রতিবাদে শুক্রবার (৭ জুলাই) জুমার নামাজ শেষে মিছিলটি বের হয়। পরে শহরের সাতমাথা হয়ে প্রধান প্রধান সড়ক প্রদক্ষিণ করে। এতে জামায়াতে ইসলামী ও ছাত্রশিবিরের কয়েক হাজার নেতাকর্মী অংশ নেন।মিছিল শুরুর আগে বায়তুর রহমান সেন্ট্রাল জামে মসজিদের সামনে এক সংক্ষিপ্ত সমাবেশ অনুষ্ঠিত হয়। সমাবেশে ওলামা মাশায়েখ পরিষদের সভাপতি ও জেলা জামায়াতের সাবেক নায়েবে আমির আলমগীর হোসেন এবং জামায়াতে ইসলামী বগুড়া শহর শাখার আমির আবিদুর রহমান সোহেল বক্তব্য রাখেন।ওলামা মাশায়েখ পরিষদের সভাপতি আলমগীর হোসেন বলেন, সুইডেন সরকারের সহায়তায় একজন ব্যক্তি নিজস্ব উদ্দীপনা নিয়ে আল্লাহর কোরআন পুড়িয়েছে। আমরা এর তীব্র নিন্দা ও তাদের গ্রেফতারের দাবি জানাই।জামায়াতে ইসলামী বগুড়া শহর শাখার আমির আবিদুর রহমান সোহেল বলেন, সুইডেনে ঈদুল আজহার দিনে একজন নাগরিক সরকারের সহযোগিতায় বাক স্বাধীনতার নামে মহাগ্রন্থ আল কোরআনে অগ্নিসংযোগ করে বিশ্বের ৭০০ কোটি মানুষের মনে আঘাত দিয়েছে।এসময় অবিলম্বে সুইডেন সরকারকে ভুল স্বীকার করে ক্ষমা প্রার্থনার আহ্বান জানান জামায়াতের এ নেতা। পাশাপাশি তিনি বাংলাদেশ সরকারের কাছে সুইডেন সরকারের সঙ্গে সবরকম কূটনৈতিক সম্পর্ক ছিন্ন করারও দাবি জানান।সমাবেশ ও বিক্ষোভ মিছিলে জামায়াতে ইসলামীকে রাজনৈতিক ব্যানার ও স্লোগান ব্যবহার করতে দেখা যায়নি। তবে দলটির ছাত্রসংগঠন ছাত্রশিবিরের নেতাকর্মীদের মিছিলের পুরো সময় নিজস্ব রাজনৈতিক স্লোগান ও বিক্ষোভ করতে দেখা যায়।এদিকে জুমার নামাজের আগে থেকেই সমাবেশ স্থল ও বগুড়া শহরের বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ মোড়ে পুলিশ সদস্যদের সতর্ক অবস্থানে থাকতে দেখা যায়।বগুড়ার অতিরিক্ত পুলিশ সুপার শরাফত ইসলাম বলেন, সাধারণ মুসল্লিদের ব্যানারে মিছিল হয়েছে। কোনো রাজনৈতিক দলকে কর্মসূচি পালনের অনুমতি দেওয়া হয়নি। রাজনৈতিকভাবে কেউ এ কর্মসূচি ব্যবহারের চেষ্টা করলে আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

post
খেলা

আন্তর্জাতিক ক্রিকেটকে বিদায় জানালেন তামিম ইকবাল

আন্তর্জাতিক ক্রিকেট থেকে অবসরের ঘোষণা দিয়েছেন তামিম ইকবাল। আজ (বৃহস্পতিবার) চট্টগ্রামের হোটেল টাওয়ার ইনে সংবাদ সম্মেলন ডেকে অবসরের ঘোষণা দেন টাইগার ওয়ানডে এই অধিনায়ক।গতকাল বৃষ্টিবিঘ্নিত ম্যাচে আফগানদের কাছে প্রথম ওয়ানডেতে হারের পর সিরিজ কাভার করতে চট্টগ্রামে যাওয়া সাংবাদিকদের কাছে মধ্যরাতে একটি ক্ষুদে বার্তা পাঠান তামিম। যেখানে জানান, আজ দুপুর ১২টায় সংবাদ সম্মেলন করে কিছু বিষয়ে জানাবেন তিনি। পরে সময় পরিবর্তন করে দেড়টায় কথা জানানো হয়। সংবাদ সম্মেলনের ভেন্যু চট্টগ্রামের হোটেল টাওয়ার ইনের বাইরে সময়ের সঙ্গে সঙ্গে জটলা বাড়ছিল ক্রিকেটপ্রেমীদের। নির্ধারিত সময়েই হাজির হন তামিম। তবে বিমর্ষ অবস্থায় থাকা তামিমের মুখ দিয়ে যেন কথা বেরোচ্ছিল না। কান্নার জন্য ঠিকমতো কথা বলতে পারছিলেন না। এর মধ্যেই জড়ানো গলায় জানালেন, আন্তর্জাতিক ক্রিকেট থেকে অবসরের সিদ্ধান্ত নিয়েছি।তামিম বলেন, ‘আফগানিস্তানের বিপক্ষে গতকালের ম্যাচটিই আমার ক্যারিয়ারের শেষ ম্যাচ। এই মুহূর্ত থেকে আমি আন্তর্জাতিক ক্রিকেটকে বিদায় জানাচ্ছি। সিদ্ধান্তটি হুট করে নেওয়া নয়। অনেকদিন ধরেই আমি এটা নিয়ে ভাবছি। পরিবারের সঙ্গে কথাও বলেছি এটা নিয়ে।’আন্তর্জাতিক ক্রিকেটের ১৬ বছরের দীর্ঘ ক্যারিয়ারের জন্য তামিম ধন্যবাদ দিয়েছেন সতীর্থ, কোচ, বিসিবি, পরিবার ও সমর্থকদের, ‘ক্যারিয়ারের এই দীর্ঘ পথচলায় আমার সব সতীর্থ, সব কোচ, বিসিবির কর্মকর্তাগণ, আমার পরিবার ও যারা আমার পাশে ছিলেন, নানাভাবে সহায়তা করেছেন, ভরসা রেখেছেন এবং আমার ভক্ত-সমর্থক, বাংলাদেশ ক্রিকেটের অনুসারী, সবার প্রতি কৃতজ্ঞতা জানাই। আপনাদের সবার অবদান ও ভালোবাসায় আমি চেষ্টা করেছি সব সময় দেশের জন্য নিজের সবটুকু উজাড় করে দিতে।’আফগানিস্তানের বিপক্ষে গতকালের ম্যাচটিই আমার ক্যারিয়ারের শেষ ম্যাচ। এই মুহূর্ত থেকে আমি আন্তর্জাতিক ক্রিকেটকে বিদায় জানাচ্ছি। সিদ্ধান্তটি হুট করে নেওয়া নয়। অনেকদিন ধরেই আমি এটা নিয়ে ভাবছি। পরিবারের সঙ্গে কথাও বলেছি এটা নিয়ে।তামিম ইকবালমাসখানেক ধরেই কোমরের চোটে ভুগছিলেন ওয়ানডে অধিনায়ক তামিম ইকবাল। যে কারণে সর্বশেষ আফগানিস্তানের বিপক্ষে একমাত্র টেস্ট ম্যাচটিও খেলতে পারেননি টাইগার এই ওপেনার। এরপর শঙ্কা জেগেছিল ওয়ানডে সিরিজে খেলা নিয়েও। নিয়মিত অনুশীলন চালিয়েও শতভাগ ফিট হয়ে উঠতে পারেননি তামিম। তবে আফগানদের বিপক্ষে প্রথম ওয়ানডের আগে সংবাদ সম্মেলনে তামিম জানিয়ে দেন শতভাগ ফিট না হলেও প্রথম ওয়ানডে খেলবেন তিনি। শেষমেশ খেলেছেনও।তামিমের এমন সিদ্ধান্তে কিছুটা রাগান্বিত হন বোর্ড সভাপতি নাজমুল হাসান পাপন। দেশের একটি দৈনিককে তিনি বলছিলেন, 'এটি তো আর পাড়া-মহল্লার কোনো ম্যাচ নয়, আন্তর্জাতিক একটা ম্যাচ। এমন সিরিজের আগের দিন অধিনায়ক বলছে সে ফিট না। কিন্তু খেলবে। খেলে নিজের ফিটনেস বোঝার চেষ্টা করবে। এটা তো পেশাদার কোনো আচরণ হতে পারে না। বিসিবি সভাপতির এমন মন্তব্যের পরপরই মূলত অবসরের ঘোষণাটা দিলেন তামিম। এর আগে ২০২২ সালের ১৬ জুলাই হঠাৎই সোশ্যাল মিডিয়ায় ঘোষণা দিয়ে টি-টোয়েন্টি ক্রিকেট ছাড়ার ঘোষণা দিয়েছিলেন তামিম। এবারো অনেকটা হুট করেই বিদায়ের কথা জানালেন।একনজরে তামিমের ক্যারিয়ার#২৪১ ম্যাচের ওয়ানডে ক্যারিয়ারে ৩৬.৬২ গড়ে ৮৩১৩ রান করেছেন তামিম। সেঞ্চুরি ১৪টি ও ফিফটি ৫৬টি।# টেস্টে ৭০ ম্যাচে ৩৮.৮৯ গড়ে ৫১৩৪ রান করেছেন তামিম। সেঞ্চুরি ১০টি ও ফিফটি ৩১টি। এই সংস্করণে বাংলাদেশের হয়ে দ্বিতীয় সর্বোচ্চ রান ও সেঞ্চুরি করেছেন তামিম।# টি–টোয়েন্টিতে ৭৪ ম্যাচে ১৭০১ রান করেছেন তামিম। আন্তর্জাতিক ক্রিকেটে ২৫ সেঞ্চুরি করা তামিম তিন সংস্করণ মিলিয়ে ১৫ হাজারের বেশি রান করেছেন। দেশের আর কোনো ক্রিকেটার আন্তর্জাতিক ক্রিকেটে এত রান করতে পারেননি।

post
বাংলাদেশ

জিআই পণ্যের মর্যাদা পেল বগুড়ার দই

শতকের সত্তরের দশকে জিনিসপত্রের দাম যখন চড়চড় করে বাড়ছিল, সেই সময় বগুড়ার শেরপুরের বিখ্যাত দইয়ের দাম ১ টাকা ২৫ পয়সা থেকে একলাফে ৫ টাকায় ওঠে। দইয়ের স্বাদ সাধারণ মানুষের নাগালের বাইরে চলে যায়। তখন এ নিয়ে গান বেঁধেছিলেন বগুড়ার বিখ্যাত গানের দল বগুড়া ইয়ুথ কয়্যারের শিল্পী, গীতিকার ও সুরকার তৌফিকুল আলম টিপু। গানের কথা—‘গোবরা তুই খ্যায়া যা শেরপুরের দই, পাঁচ শিকা আছলো এখন পাঁচ টেকায় লই।’বগুড়ার বিখ্যাত সেই সরার দই এবার পেল ভৌগোলিক নির্দেশক (জিআই) হিসেবে স্বীকৃতি। শিল্প মন্ত্রণালয়ের আওতাধীন প্রতিষ্ঠান পেটেন্ট, ডিজাইন ও ট্রেডমার্কস অধিদপ্তরের (ডিপিডিটি) ২৬ জুনের সভায় এ অনুমোদন দেওয়া হয়। ওই দিন বগুড়ার দই ছাড়া জিআই স্বীকৃতি পাওয়া অন্য পণ্যগুলো হলো শেরপুর জেলার তুলসীমালা ধান, চাঁপাইনবাবগঞ্জের ল্যাংড়া ও আশ্বিনা আম। এ নিয়ে দেশের ১৫টি পণ্য জিআই স্বীকৃতি পেল।কোনো একটি দেশের নির্দিষ্ট ভূখণ্ডের মাটি, পানি, আবহাওয়ার প্রেক্ষাপটে সেখানকার জনগোষ্ঠীর সংস্কৃতি যদি কোনো একটি পণ্য উৎপাদনে সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে, তাহলে সেটিকে সেই দেশের জিআই পণ্য হিসেবে স্বীকৃতি দেওয়া হয়। দেশের প্রথম ভৌগোলিক নির্দেশক (জিআই) পণ্য হিসেবে নিবন্ধন পায় জামদানি। এরপর একে একে স্বীকৃতি পায় ইলিশ, ক্ষীরশাপাতি আম, মসলিন, বাগদা চিংড়ি, কালিজিরা চাল, বিজয়পুরের সাদা মাটি, রাজশাহীর সিল্ক, রংপুরের শতরঞ্জি, দিনাজপুরের কাটারিভোগ চাল, রাজশাহী ও চাঁপাইনবাবগঞ্জের ফজলি আম। নতুন করে এ তালিকায় যুক্ত হলো বগুড়ার দইসহ চার পণ্য। এখন থেকে এসব পণ্য বাংলাদেশের নিজস্ব পণ্য হিসেবে বিশ্বে পরিচিতি পাবে।ডিপিডিটির ডেপুটি রেজিস্ট্রার মো. জিল্লুর রহমান আজ বুধবার প্রথম আলোকে বলেন, বগুড়া রেস্তোরাঁ মালিক সমিতির আবেদন পরীক্ষা-নিরীক্ষা ও যাচাই-বাছাই শেষে ২৬ জুন দই ছাড়াও তিনটিকে জিআই পণ্য হিসেবে চূড়ান্ত অনুমোদন দেওয়া হয়েছে।জিল্লুর রহমান বলেন, কোনো পণ্যের জিআই স্বীকৃতির আবেদন এলে তা যাচাই-বাছাই করে গেজেট আকারে প্রকাশ করা হয়। এরপর দুই মাস সময় দেওয়া, এ নিয়ে কারও কোনো আপত্তি আছে কি না। আপত্তি না থাকলে ওই পণ্যের স্বীকৃতি দিয়ে দেওয়া হয়। বগুড়ার দইয়ের ক্ষেত্রেও কেউ কোনো আপত্তি তোলেনি। তাই এর স্বীকৃতি মিলেছে।বিক্রির জন্য সাজিয়ে রাখা হয়েছে দই। ছবিটি আজ বুধবার বগুড়ার শেরপুর বাসস্ট্যান্ড এলাকার একটি দোকান থেকে তোলা।বিক্রির জন্য সাজিয়ে রাখা হয়েছে দই। ছবিটি আজ বুধবার বগুড়ার শেরপুর বাসস্ট্যান্ড এলাকার একটি দোকান থেকে তোলা।ছবি: প্রথম আলোবগুড়ার দইয়ের ইতিহাস শুরু শেরপুরেবগুড়ার দইয়ের জিআই পণ্যের স্বীকৃতির জন্য বগুড়া রেস্তোরাঁ মালিক সমিতি তাদের আবেদনে এর ইতিহাস তুলে ধরে। সেখানে বলা হয়, বাংলাদেশের অন্যান্য জেলা কিংবা অঞ্চলে দই উৎপাদিত হলেও কিছু বিশেষত্বের কারণে ‘বগুড়ার দই’-এর খ্যাতি দেশজুড়ে।উৎপাদনব্যবস্থার প্রতিটি পর্যায়ে কারিগরদের (উৎপাদক) বিশেষ পদ্ধতি অনুসরণের পাশাপাশি মান নিয়ন্ত্রণের ক্ষেত্রে তারা যত্নবান হওয়ায় বগুড়ার দই স্বাদে-গুণে তুলনাহীন। প্রায় ১৫০ বছর আগে বগুড়ার শেরপুর উপজেলার ঘোষ পরিবারের হাত ধরে বগুড়ার দইয়ের উৎপাদন শুরু হয়। শেরপুরে দই তৈরির প্রবর্তক ঘোষপাড়ার নীলকণ্ঠ ঘোষ।পরবর্তী সময়ে বগুড়ার নওয়াব আলতাফ আলী চৌধুরীর (পাকিস্তানের সাবেক প্রধানমন্ত্রী মোহাম্মদ আলীর বাবা) পৃষ্ঠপোষকতায় শেরপুরের ঘোষপাড়ার অন্যতম বাসিন্দা শ্রী গৌর গোপাল পাল বগুড়া শহরে দই উৎপাদন শুরু করেন। বর্তমানে নওয়াববাড়ি রোডে তাঁর উত্তরসূরি দুই সন্তান শ্রী বিমল চন্দ্র পাল ও শ্রী স্বপন চন্দ্র পাল ‘শ্রী গৌর গোপাল দধি ও মিষ্টান্ন ভান্ডার’ নামে সেই প্রাচীন দোকানটি চালু রেখেছেন।পাকিস্তানের সাবেক প্রধানমন্ত্রী মোহাম্মদ আলী তৎকালীন পার্লামেন্ট সদস্যদের দই খাইয়ে বাহবা পেয়েছিলেন বলে শ্রী স্বপন চন্দ্র পাল তাঁর দাদুর মুখে শুনেছেন।বিদেশে বগুড়ার দইয়ের খ্যাতি প্রথম ১৯৩৮ সালে ইংল্যান্ডে ছড়িয়ে পড়ে। ওই বছরের গোড়ার দিকে তৎকালীন বাংলার ব্রিটিশ গভর্নর স্যার জন এন্ডারসন বগুড়া নওয়াববাড়িতে বেড়াতে এসে প্রথম দইয়ের স্বাদ গ্রহণ করেন।তাঁকে কাচের পাত্রে তৈরি করা বিশেষ ধরনের দই খেতে দেওয়া হয়। লোভনীয় স্বাদের কারণে গভর্নর এন্ডারসন বগুড়ার দই ইংল্যান্ডে নেওয়ার পরিকল্পনা করেন।পণ্যের জিআই স্বীকৃতির গুরুত্ব কোথায়আন্তর্জাতিক মেধাস্বত্ববিষয়ক সংস্থা ইন্টারন্যাশনাল প্রপার্টি রাইটস অর্গানাইজেশনের (ডব্লিউআইপিও) নিয়ম মেনে শিল্প মন্ত্রণালয়ের অধীন ডিপিডিটি জিআই পণ্যের স্বীকৃতি ও সনদ দিয়ে থাকে। ২০১৩ সালে ভৌগোলিক নির্দেশক পণ্য (নিবন্ধন ও সুরক্ষা) আইন হয়। ২০১৫ সালে আইনের বিধিমালা তৈরির পর জিআই পণ্যের নিবন্ধন নিতে আহ্বান জানায় ডিপিডিটি।কোনো পণ্যের জিআই স্বীকৃতির অন্তত দুটো তাৎপর্য আছে। ডিপিডিটির ডেপুটি রেজিস্ট্রার মো. জিল্লুর রহমান বলেন, প্রথম গুরুত্ব হলো এর মাধ্যমে কোনো পণ্য কোনো নির্দিষ্ট এলাকার বলে চিহ্নিত হয়। এর বৈশ্বিক স্বীকৃতি মেলে। দ্বিতীয় গুরুত্ব হলো, এর মাধ্যমে পণ্যটির বাণিজ্যিকীকরণের সুবিধা হয়। পণ্যটি যখন বাইরের দেশে পাঠানো হয়, তখন জিআই স্বীকৃতি পণ্যের মান ও দাম নির্ধারণে বড় ভূমিকা রাখে।

post
খেলা

বিদেশে লীগ ফুটবলে প্রথম বাংলাদেশি কোচ আজমল

আজমল হোসেন বিদ্যুৎই তাহলে প্রথম!বাংলাদেশের কোন ফুটবল কোচ বিদেশের কোনো ক্লাবে কোচিং করিয়েছেন এর আগে। দ্বিধাদ্বন্দ্বের কোনো অবকাশ নেই। এই প্রথম বাংলাদেশের কোনো কোচ বিদেশি দলের কোচ হয়েছেন। জাতীয় ফুটবল দলের সাবেক খেলোয়াড় আজমল হোসেন (বিদ্যুৎ) ভুটানের প্রিমিয়ার লিগের নবাগত ক্লাব থিম্পু রেভেন এফসির কোচ হয়েছেন।১১ দলের ভুটান প্রিমিয়ার লিগ এ মাসের মাঝামাঝি শুরু হবে। আজমলের সঙ্গে রেভেন এফসির চুক্তি পাঁচ মাসের। কলকাতা থেকে দুজন সহকারী নেবেন আজমল। গতকাল সন্ধ্যায়ই তিনি থিম্পুর উদ্দেশে রওনা হয়েছেন কলকাতা হয়ে। দুই সহকারীকে নিয়ে আজ রাতে তাঁর ভুটান পৌঁছানোর কথা।ভুটানের ক্লাবের সঙ্গে যোগাযোগ কীভাবে হলো, সে প্রসঙ্গে আজমল প্রথম আলোকে বলে গেছেন, ‘ভারত থেকে আমাদের সঙ্গে ঢাকায় এএফসির কোচিং লাইসেন্স করেছেন ভুটানের প্রিমিয়ার ডিভিশনের একটি ক্লাবের কোচ। তিনি কলকাতার বাসিন্দা স্বপন বিশ্বাস। তাঁর মাধ্যমে সুযোগটা হয়েছে। আমি সব কাগজপত্র পাঠালে ভুটানের রেভেন এফসি আমাকে পছন্দ করেছে।’এশিয়ায় ক্লাব স্তরে শীর্ষ লিগে প্রধান কোচ হতে এএফসির ‘এ’ কোচিং সনদ লাগে। এই সনদ আজমলের আছে। তাই সুযোগটা গ্রহণ করেছেন। যদিও দেশের বাইরে গিয়ে কোচিং করানো একটা চ্যালেঞ্জ। সেই চ্যালেঞ্জ উতরানোর ব্যাপারে আশাবাদী আজমল, ‘বাংলাদেশের ফুটবলাররা বিদেশি লিগে খেলেছে। কিন্তু বাংলাদেশের কোচদের বিদেশে কাজ করার সুযোগ হয় না। আমার আগে কেউ বিদেশে কোচ হিসেবে কাজ করেনি। আমিই প্রথম। এই সুযোগ পেয়ে কিছুটা চমকেই গেছি।’ বাংলাদেশের ঘরোয়া ফুটবলে আজমল ২০১৯ সালে আরামবাগের সহকারী কোচ ছিলেন। ৪টি ম্যাচ ভারপ্রাপ্ত প্রধান কোচ ছিলেন। ২০১৭-১৮ মৌসুমে কোচ কাম খেলোয়াড় হিসেবে স্বাধীনতা ক্রীড়া সংঘকে প্রথম বিভাগে চ্যাম্পিয়ন করে তুলে আনেন পেশাদার লিগের দ্বিতীয় স্তরে। গত বছর চ্যাম্পিয়নশিপ লিগে (পেশাদার লিগের দ্বিতীয় স্তর) অগ্রণী ব্যাংকের প্রধান কোচ ছিলেন। চট্টগ্রাম প্রথম বিভাগে নওজোয়ান ক্লাবে কোচ ছিলেন দুই বছর।১৯৯৬ থেকে ২০১৭ সাল পর্যন্ত দেশের শীর্ষ ফুটবল লিগে খেলেছেন আজমল। আরামবাগ, ফরাশগঞ্জ, আবাহনীর পর টানা ১১ বছর কাটান মুক্তিযোদ্ধায়। ফেনী সকারে খেলেছেন ২ বছর। বয়সভিত্তিক বিভিন্ন স্তর পেরিয়ে ২০০৪ সালে থেকে দেশের হয়ে কয়েকটি ম্যাচও খেলেছেন।নারায়ণগঞ্জে তাঁর বাড়ি প্রয়াত ফুটবল তারকা মোনেম মুন্নার বাড়ির পাশেই। মুন্নাকে দেখেই ফুটবলে এসেছিলেন তিনি। বিদেশের মাটিতে কোচিং করাতে যাওয়ার আগে আজমলের খুব করেই মনে পড়েছে প্রয়াত ‘কিং ব্যাকে’র কথা।

post
আন্তর্জাতিক

ঢাকায় আসছে ইইউ প্রতিনিধি দল, যে আলোচনা হতে পারে

দ্বাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনের পরিবেশ ও পরিস্থিতি পর্যালোচনায় ইউরোপীয় ইউনিয়নের (ইইউ) অনুসন্ধানী মিশন ৯ জুলাই ঢাকায় আসছে। ছয় সদস্যের প্রতিনিধিদলের নেতৃত্ব দেবেন এ বিষয়ে অভিজ্ঞ ইতালীয় নাগরিক রিকার্ডো চিলিলিয়ার। প্রতিনিধি দলটি দুই সপ্তাহ বাংলাদেশে অবস্থান করে সংশ্লিষ্ট সরকারি-বেসরকারি বিভিন্ন পক্ষের সঙ্গে মতবিনিময় করবে। এই মিশনের সুপারিশের আলোকে বাংলাদেশের আগামী নির্বাচনে ইইউ পর্যবেক্ষক পাঠাবে কি না, সে বিষয়ে সিদ্ধান্ত হবে। অনুসন্ধানী মিশন প্রধানত জাতীয় সংসদ নির্বাচনে পর্যবেক্ষক দল পাঠানোর যৌক্তিকতা, প্রয়োজনীয়তা এবং সম্ভাব্যতা যাচাই করবে। তারা প্রধানত দুটি বিষয়ের ওপর জোর দেবে। একটি হচ্ছে নির্বাচনের আগে এদেশের রাজনৈতিক পরিবেশ ও দ্বিতীয়টি হচ্ছে নির্বাচনি কাঠামো। এসব বিষয় যাচাইয়ের জন্য বাংলাদেশের সরকারি কর্তৃপক্ষ, রাজনৈতিক দল, সুশীল সমাজ, শিক্ষাবিদ এবং গণমাধ্যমের প্রতিনিধিদের সঙ্গে মতবিনিময় করবেন। চলতি বছরের ডিসেম্বর বা আগামী বছরের জানুয়ারিতে দ্বাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন অনুষ্ঠিত হওয়ার কথা রয়েছে। নির্বাচনের আগে অনুসন্ধানী মিশনের এ সফরটি খুবই তাৎপর্যপূর্ণ বলে মনে করা হচ্ছে। নির্বাচন অংশগ্রহণমূলক না হলে ইইউ পর্যবেক্ষক পাঠাবে না। স্বাভাবিকভাবেই বিএনপি নির্বাচনে অংশ্রগহণ করে কি না-অনুসন্ধানী মিশনের মনোযোগ সেই দিকেই বেশি থাকবে। বিএনপি এখন পর্যন্ত দলীয় সরকারের অধীনে নির্বাচনে অংশ নেবে না বলেই তাদের অবস্থান জানিয়েছে। অপরদিকে সরকার সাংবিধানিক কাঠামোর বাইরে নির্দলীয় তত্ত্বাবধায়ক সরকারের প্রস্তাব মানতে নারাজ। উদ্ভূত পরিস্থিতিতে অবাধ ও সুষ্ঠু নির্বাচনের লক্ষ্যে রাজনৈতিক সমঝোতা জরুরি বলে মনে করে পর্যবেক্ষক মহল। তবে ইইউ মনে করে, যে কোনো রাজনৈতিক দলই দ্রুত তাদের সিদ্ধান্ত পালটাতে পারে। সেক্ষেত্রে জুলাইকে আগামী নির্বাচনের জন্য টার্নিং পয়েন্ট হিসাবে মনে করা হচ্ছে। এ কারণেই ইইউ জুলাইয়েই তাদের অনুসন্ধানী মিশন পাঠাচ্ছে। এ মাসেই যুক্তরাষ্ট্র ও ইইউ থেকে আরও একাধিক প্রতিনিধি বাংলাদেশে সফরে আসবেন। তারা অবাধ নির্বাচন ও মানবাধিকার পরিস্থিতি পর্যবেক্ষণ করবেন। সংশ্লিষ্ট সূত্র জানায়, ইইউ অনুসন্ধানী মিশন ঢাকায় অবস্থানকালে বেশ কয়েকটি দপ্তরের শীর্ষ ব্যক্তিদের সঙ্গে বৈঠক করবে। এর মধ্যে রয়েছে প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়, সুপ্রিমকোর্ট, নির্বাচন কমিশন, পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়, আইন মন্ত্রণালয়, অর্থ মন্ত্রণালয়, তথ্য ও সম্প্রচার মন্ত্রণালয়, পুলিশ সদর দপ্তর, অ্যাটর্নি জেনারেল কার্যালয় ও জাতীয় গোয়েন্দা সংস্থা। ইতোমধ্যে পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় থেকে এসব দপ্তরের সঙ্গে বৈঠকের সময়সূচি নির্ধারণের কার্যক্রম চলছে।

About Us

NRBC is an open news and tele video entertainment platform for non-residential Bengali network across the globe with no-business vision just to deliver news to the Bengali community.