post
প্রযুক্তি

দেশে প্রথমবারের জেসিআইয়ের স্মার্ট বাংলাদেশ সামিট ও এক্সপো

স্মার্ট বাংলাদেশ গড়ার অগ্রযাত্রা ইতিমধ্যে শুরু হয়ে গেছে আর স্মার্ট যুগের অপার সম্ভাবনাকে সুদৃঢ় করার প্রচেষ্টায় এগিয়ে এসেছে বিশ্বব্যাপী তরুণদের নিয়ে কাজ করা স্বেছাসেবী সংগঠন জেসিআই বাংলাদেশ। জেসিআই বাংলাদেশ এর আয়োজনে ও এসপায়ার টু ইনোভেট-এটুআই এর সহযোগিতায় আগামী ৯-১০ জুন ২০২৩ তারিখে ইন্টারন্যাশনাল কনভেনশন সিটিতে অনুষ্ঠিত হতে যাচ্ছে “জেসিআই স্মার্ট বাংলাদেশ সামিট, এক্সপো ও সিওয়াইই অ্যাওয়ার্ড ২০২৩”।মঙ্গলবার (৬ জুন) সকালে, সংবাদ সম্মেলনের এসব তথ্য জানান এসপায়ার টু ইনোভেট-এটুআই এর প্রকল্প পরিচালক (অতিরিক্ত সচিব) জনাব ড. দেওয়ান মুহাম্মদ হুমায়ূন কবীর। মূখ্য আলোচক হিসেবে উপস্থিত ছিলেন জেসিআই বাংলাদেশের ন্যাশনাল প্রেসিডেন্ট জনাব জিয়াউল হক ভূঁইয়া।অনুষ্ঠানে আরও উপস্থিত ছিলেন জেসিআই বাংলাদেশ ফাউন্ডেশনের সেক্রেটারী জেনারেল জনাব নিয়াজ মোর্শেদ এলিট, জেসিআই বাংলাদেশ এর ডেপুটি ন্যাশনাল প্রেসিডেন্ট জনাব ইমরান কাদির এবং এটুআই প্রোগ্রাম এর হিউম্যান ডেভেলপমেন্ট মিডিয়া ম্যানেজার পূরবী মতিন, জেসিআই পাইওনিয়ারের লোকাল প্রেসিডেন্ট আল শাহরিয়ার। স্মার্ট বাংলাদেশ সামিট ও এক্সপো’র উদ্যোগ নিয়েছেন জেসিআই বাংলাদেশের ন্যাশনাল অফিসার তাহসিন আজিম সেজান, মুহাম্মাদ আলতামিশ নাবিল, আরিজ আফসার খান, মোঃ এজাজুল হাসান খান, রেজয়ান উল হক, ষ্টিভ বেনেডিক্ট ডি’সিলভা, শান শাহেদ, শাখাওয়াত হোসেন, ফাহিম আহমেদ ও মো. ফজলে মুনিম।সংবাদ সম্মেলনে এসপায়ার টু ইনোভেট-এটুআই এর প্রকল্প পরিচালক (অতিরিক্ত সচিব) জনাব ড. দেওয়ান মুহাম্মদ হুমায়ূন কবীর বলেন “সরকার ‘স্মার্ট বাংলাদেশ’ গড়ার চারটি ভিত্তি সফলভাবে বাস্তবায়নে কাজ করছে, এগুলো হচ্ছে—স্মার্ট সিটিজেন, স্মার্ট ইকোনমি, স্মার্ট গভর্নমেন্ট ও স্মার্ট সোসাইটি। স্মার্ট বাংলাদেশ বাস্তবায়নে সৃষ্টিশীল তরুণদের সংগঠন জেসিআই বাংলাদেশ যে বিশেষ অনুষ্ঠানমালার আয়োজন করেছে সেজন্য তারা প্রশংসা পাওয়ার দাবি রাখে। তাদের এই অনুষ্ঠানটির সফল করার জন্য আমাদের পক্ষ থেকে আমরা আন্তরিক সহযোগিতা অব্যাহত রাখবো।”জেসিআই বাংলাদেশের ন্যাশনাল প্রেসিডেন্ট জিয়াউল হক ভূঁইয়া বলেন “আমরা আনন্দের সাথে জানাচ্ছি যে, দেশে “স্মার্ট বাংলাদেশ” শীর্ষক এতো বড় আয়োজন এটাই প্রথম। বাংলাদেশ সরকারের স্মার্ট বাংলাদেশ লক্ষ্য মাত্রার সাথে জেসিআই বাংলাদেশ সংগঠনের তারুণ্যদীপ্ত অংশগ্রহণ এক ভিন্ন মাত্রা যোগ করবে ।”তিনি আরও বলেন “অনুষ্ঠানে এবছরই প্রথম জেসিআই ক্রিয়েটিভ ইয়াং এন্টারপ্রেনিউর বা সিওয়াইই অ্যাওয়ার্ড প্রবর্তন করা হচ্ছে এই সেশনটিতে প্রায় ২৫০জন তাদের উদ্ভাবনী ব্যবসার আইডিয়া শেয়ার করেন এর মধ্যে থেকে ১৫ জন্ বিজয়ীর জন্য রয়েছে ৩.৫ লক্ষ টাকা নগদ অর্থ পুরস্কার, তাদের ব্যবসাকে জেসিআই এর বিশ্ব প্লাটফর্মে দেখানোর সুযোগ এবং ভেঞ্চার ক্যাপটালস্টদের থেকে আরও ফান্ডিং জেনারেশন এর সুযোগ।”জেসিআই বাংলাদেশ এর ডেপুটি ন্যাশনাল প্রেসিডেন্ট জনাব ইমরান কাদির বলেন “এক্সপো আয়োজনের মাধ্যমে জাতীয় এবং আন্তর্জাতিক নামী ব্র্যান্ডগুলো তাদের ভবিষ্যত স্মার্টসল্যুশন প্রদর্শন করার সুযোগ পাবে”। উক্ত আয়োজনের প্রধান আহ্বায়ক জনাব তাহসিন আজিম সেজান বলেন “২দিন ব্যাপি অনুষ্ঠানে মোট ১১টি বিশেষ অধিবেশন বা সেশন থাকছে, উক্ত সেশনগুলোতে দেশ এবং দেশের বাইরের বিশেষজ্ঞ ও বক্তারা উপস্থিত থাকবেন”।

post
বিনোদন

২৪ ঘন্টার মধ্যে রাজের থেকে ডিভোর্স চাইলেন পরীমনি

সহ্যের বাঁধ ভেঙে গেছে পরীমণির। তাই আর ছাড় দিতে রাজি নন তিনি। ২৪ ঘণ্টার মধ্যে স্বামী শরিফুল রাজের কাছে ডিভোর্স চাইলেন এ নায়িকা তিনি। সোমবার (৫ জুন) রাতে দেশের একটি গণমাধ্যমে লাইভে এসে এমনটাই জানান এ নায়িকা।লাইভে রাজের সঙ্গে সমঝোতা চান কি না প্রশ্নের উত্তরে পরীমণি বলেন, ‘আমি আর বসতে চাই না। যদি সমস্যা মিটে যেতো তাহলে অনেক আগেই হতো। আমি চাই ২৪ ঘণ্টার মধ্যে রাজ আমাকে ডিভোর্স দিয়ে দিক। সত্যি আমি চাই না, আমি রাজের স্ত্রী না, রাজ্যের মা আমার কাছে অনেক কমফোর্টএবল এবং অনেক আরাম, শান্তির ও সম্মানের। যেটার ভেতর কোনো ফেইকনেস নাই, কোনো মিথ্যা নাই।’নকল মানুষের সঙ্গে সংসার করা সম্ভব না জানিয়ে পরীমণি বলেন, ‘একটা ফেইক মানুষের সঙ্গে থাকতে পারব না। যে কি না দিতে পারে না। কালকে আপনাদের সঙ্গে যে কনভারসেশন (রাজের) হলো সেটা দেখেলেই মানুষ বুঝতে পারবে কতটা ফেইক, কতটা রিয়েল। আমার কিছু বলার নেই। আমি সমস্ত কিছু পাবলিককে দিয়ে দিলাম।’জানা গেছে, ওই ফাঁসের ঘটনার আগেই পরীমণির বাড়ি থেকে বেরিয়ে যান রাজ। এখন তারা আলাদা বসবাস করছেন। রাজও বিভিন্ন গণমাধ্যমে জানিয়েছেন যে, তিনি বিচ্ছেদ চান। কিন্তু এখন দেখার বিষয় তাদের সম্পর্কের জল কোথায় গিয়ে গড়ায়! কেননা, এর আগেও তাদের মধ্যে এমন ঘটনা ঘটেছে। পরে তারা এক হয়েছেন।

post
শিক্ষা

দ্বিতীয় মেয়াদে ইউজিসির সদস্য নির্বাচিত হওয়ায় ড. সাজ্জাদকে পিপলএনটেকের শুভেচ্ছা

বাংলাদেশ বিশ্ববিদ্যালয় মঞ্জুরি কমিশনের (ইউজিসি) পূর্ণকালীন সদস্য হিসেবে দ্বিতীয় মেয়াদে নিয়োগ পাওয়ায় অধ্যাপক ড. সাজ্জাদ হোসেন কে শুভেচ্ছা জানিয়েছেন পিপলএনটেক ইন্সটিটিউট অফ আইটির কর্মকর্তারা।৬ জুন (মঙ্গলবার) দুপুর ১টায় রাজধানীর আগারগাঁও বাংলাদেশ বিশ্ববিদ্যালয় মঞ্জুরী কমিশনের কার্যালয়ে তাকে ফুল দিয়ে শুভেচ্ছা জানান পিপলএনটেক ইন্সটিটিউট অফ আইটির ভাইস প্রেসিডেন্ট মাশরুল হোসাইন খান লিওন। এসময় উপস্থিত ছিলেন পিপলএনটেক ইন্সটিটিউট অফ আইটির চীফ অপারেটিং অফিসার আব্দুল হামিদ, সহকারী ব্যবস্থাপক (অপারেশন) শেখ আহমেদ প্রমুখ। এরআগে, দ্বিতীয় বারের মতো বাংলাদেশ বিশ্ববিদ্যালয় মঞ্জুরি কমিশনের পূর্ণকালীন সদস্য নির্বাচিত হন ড. সাজ্জাদ হোসেন। সোমবার (৫ জুন) শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের মাধ্যমিক ও উচ্চ শিক্ষা বিভাগের বেসরকারি বিশ্ববিদ্যালয়-১ শাখার উপসচিব ড. মো: ফরহাদ হোসেন স্বাক্ষরিত প্রজ্ঞাপনে বিষয়টি নিশ্চিত করা হয়।প্রজ্ঞাপনে বলা হয়, বাংলাদেশ বিশ্ববিদ্যালয় মঞ্জুরী কমিশন আদেশ, ১৯৭৩ (রাষ্ট্রপতির আদেশ নম্বর-১০/৭৩)-এর সংশোধিত আইন, ১৯৯৮-এর ২ (বি) ধারা অনুযায়ী বাংলাদেশ বিশ্ববিদ্যালয় মঞ্জুরী কমিশনের সদস্য অধ্যাপক ড. সাজ্জাদ হোসেনকে বাংলাদেশ বিশ্ববিদ্যালয় মঞ্জুরী কমিশনের পূর্ণকালীন সদস্য হিসেবে দ্বিতীয় মেয়াদে চার বছরের জন্য নিয়োগ প্রদান করা হয়েছে।উল্লেখ্য, এর আগে অধ্যাপক ড. সাজ্জাদ হোসেন ইউনিভার্সিটি অব লিবারেল আর্টস বাংলাদেশ (ইউল্যাব)-এ কম্পিউটার সায়েন্স এন্ড ইঞ্জিনিয়ারিং বিভাগে অধ্যাপকের দায়িত্ব পালন করেছেন।একই সঙ্গে তিনি যুক্তরাষ্ট্রের আইটি প্রতিষ্ঠান ‘পিপল এন টেক’ এর উপদেষ্টা হিসেবে দায়িত্ব পালন করে ছিলেন ।প্রযুক্তিবিদ ড. সাজ্জাদ হোসেন ১৯৬৮ সালের ১৬ ডিসেম্বর তিনি জন্মগ্রহণ করেন নিজ জেলা চট্টগ্রামে। পড়াশুনা করেছেন ফৌজদারহাট ক্যাডেট কলেজ এবং এর পর চট্টগ্রাম প্রকৌশল বিশ্ববিদ্যালয়ে। তিনি দেশের গণ্ডি ছাড়িয়ে রাশিয়ার বিখ্যাত মস্কো টেকনিক্যাল ইউনিভার্সিটি থেকে ব্যাচেলর ডিগ্রি এবং যুক্তরাষ্ট্রের পোর্টল্যান্ড ইউনিভার্সিটি থেকে কম্পিউটার সায়েন্সে মাস্টার্স ও পিএইচডি ডিগ্রি অর্জন করেন। তাঁর লেখা ‘প্রোগ্রামিং ইন সি’ নামে একটি বই প্রকাশিত হয়েছে।

post
শিক্ষা

শিক্ষকদের পিএইচডি ডিগ্রির সাথে কর্মক্ষেত্রের সামঞ্জস্য থাকা উচিত: ইউজিসি

দেশের সরকারি স্কুল-কলেজের শিক্ষকদের অর্জিত পিএইচডি ডিগ্রি তাঁদের শিক্ষাদান বিষয়ের সাথে সামঞ্জস্যপূর্ণ হওয়া উচিত বলে মনে করে বাংলাদেশ বিশ্ববিদ্যালয় মঞ্জুরী কমিশন (ইউজিসি)।‘শিক্ষক কর্তৃক পিএইচডি অভিসন্দর্ভ ও শিক্ষাদান সংশ্লিষ্ট বিষয়ের সামঞ্জস্য নিরূপণ’ শীর্ষক একাডেমিক সেমিনারের উদ্বোধন অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে এ কথা বলেন ইউজিসির গবেষণা সহায়তা ও প্রকাশনা বিভাগের দায়িত্বপ্রাপ্ত সদস্য প্রফেসর ড. মো. সাজ্জাদ হোসেন।বিভিন্ন সরকারি স্কুল ও কলেজের ১১ জন শিক্ষকের পিএইচডি অভিসন্দর্ভ মূল্যায়নপূর্বক শিক্ষাদান সংশ্লিষ্ট বিষয়ের সাথে অর্জিত ডিগ্রির সামঞ্জস্য নিরূপণে মঙ্গলবার ইউজিসি এই একাডেমিক সেমিনারের আয়োজন করে।অনুষ্ঠানে ইসলামী আরবি বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য প্রফেসর ড. মুহাম্মদ আবদুর রশিদ, বঙ্গমাতা শেখ ফজিলাতুন্নেছা মুজিব বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য প্রফেসর ড. মো. কামরুল আলম খান, ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রফেসর ড. আব্দুল হালিম, প্রফেসর ড. রুবিনা খান ও প্রফেসর ড. আখতার হোসেন, চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রফেসর ড. মোহাম্মদ জালাল আহাম্মদ, জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রফেসর ড. বশির আহমেদ, প্রফেসর ড. আলমগীর কবির ও প্রফেসর ড. সৈয়দ হাফিজুর রহমান, শাহজালাল বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রফেসর ড. আশরাফুল আলম এবং জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রফেসর ড. মিল্টন বিশ্বাস অংশগ্রহণ করেন। ইউজিসি’র গবেষণা সহায়তা ও প্রকাশনা বিভাগের পরিচালক ড. মো. ফখরুল ইসলাম সেমিনারে সভাপতিত্ব করেন। প্রধান অতিথির বক্তব্যে প্রফেসর সাজ্জাদ হোসেন বলেন, দেশে গুণগত শিক্ষা ও গবেষণার সংস্কৃতি গড়ে তুলতে ইউজিসি কাজ করে যাচ্ছে। সরকারি স্কুল-কলেজ শিক্ষকদের পিএইচডি ডিগ্রি অর্জন তাদের কর্মক্ষেত্রের সাথে সামঞ্জস্য কিনা সেটি যৌক্তিকতা নির্ধারণ করা প্রয়োজন। পিএইচডি ডিগ্রি অর্জনে আর্থিক প্রণোদনা প্রদান করা হয়। আর্থিক বিষয় যুক্ত হওয়ায় এক্ষত্রে স্বচ্চতা নিশ্চিত করা দরকার।তিনি আরও বলেন, স্মার্ট বাংলাদেশ বিনির্মাণে বিশ্ববিদ্যালয় শিক্ষকদের গবেষণা ও উদ্ভাবনের কোন বিকল্প নেই। গবেষণা ও উদ্ভাবন দরকার দেশের প্রয়োজনের নিরিখে। শিক্ষকদের অর্জিত পিএইচডি ডিগ্রি জাতির কোন কল্যাণে আসছে কিনা সেটি দেখতে হবে। ইউজিসি বিশেষজ্ঞ কমিটির মাধ্যমে সরকারি স্কুল-কলেজের শিক্ষকদের পিএইচডি ডিগ্রির সামঞ্জস্য নিরূপণ সুচিন্তিতভাবে করা হবে বলে তিনি জানান।বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্যদের গবেষণার সংস্কৃতি গড়ে তোলার আহ্বান জানিয়ে প্রফেসর সাজ্জাদ হোসেন বলেন, প্রত্যেক গবেষকের একাডেমিক প্রোফাইল ও গবেষণার তথ্য ওয়েবসাইটে নিয়মিত প্রকাশ করার প্রয়োজন। ইন্ডাস্ট্রি-একাডেমিয়া কোলাবোরেশন বৃদ্ধির জন্য গবেষকদের উৎসাহ প্রদান করা জরুরি। এছাড়া, দেশি ও বিদেশী প্রতিষ্ঠানসমূহ গবেষণার তথ্য ব্যবহার করে বাংলাদেশে যেন বিনিয়োগে আকৃষ্ট হয় সে ব্যাপারে ব্যবস্থা গ্রহণ করা যেতে পারে বলে তিনি মনে করেন।তিনি আরও বলেন, দেশে গুণগত শিক্ষা নিশ্চিত করা ও গবেষণা কর্মকাণ্ড পরিচালনায় ইউজিসি কাজ করছে। বিশ্ববিদ্যালয় শিক্ষকদের বৈদেশিক স্কলারশিপের জন্য প্রথম পর্যায়ে ১০ কোটি টাকা বরাদ্দ দিয়েছে। এছাড়া, গবেষণায় এ বছর বাজেট বরাদ্দ বৃদ্ধি করা হয়েছে যার পরিমান ১৭৪ কোটি টাকা।ইউজিসির গবেষণা সহায়তা ও প্রকাশনা বিভাগের অতিরিক্ত পরিচালক মো. শাহীন সিরাজ- এর সঞ্চালনায় অনুষ্ঠানে সংশ্লিষ্ট বিভাগের কর্মকর্তাগণ উপস্থিত ছিলেন।

post
শিক্ষা

দ্বিতীয় মেয়াদে ইউজিসির পূর্ণকালীন সদস্য হলেন ড. সাজ্জাদ হোসেন

বাংলাদেশ বিশ্ববিদ্যালয় মঞ্জুরি কমিশনের (ইউজিসি) পূর্ণকালীন সদস্য হিসেবে দ্বিতীয় মেয়াদে নিয়োগ পেয়েছেন অধ্যাপক ড. সাজ্জাদ হোসেন। সোমবার (৫ জুন) শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের মাধ্যমিক ও উচ্চ শিক্ষা বিভাগের বেসরকারি বিশ্ববিদ্যালয়-১ শাখার উপসচিব ড. মো: ফরহাদ হোসেন স্বাক্ষরিত প্রজ্ঞাপনে বিষয়টি নিশ্চিত করা হয়। প্রজ্ঞাপনে বলা হয়, বাংলাদেশ বিশ্ববিদ্যালয় মঞ্জুরী কমিশন আদেশ, ১৯৭৩ (রাষ্ট্রপতির আদেশ নম্বর-১০/৭৩)-এর সংশোধিত আইন, ১৯৯৮-এর ২ (বি) ধারা অনুযায়ী বাংলাদেশ বিশ্ববিদ্যালয় মঞ্জুরী কমিশনের সদস্য অধ্যাপক ড. সাজ্জাদ হোসেনকে বাংলাদেশ বিশ্ববিদ্যালয় মঞ্জুরী কমিশনের পূর্ণকালীন সদস্য হিসেবে দ্বিতীয় মেয়াদে চার বছরের জন্য নিয়োগ প্রদান করা হয়েছে। উল্লেখ্য, এর আগে অধ্যাপক ড. সাজ্জাদ হোসেন ইউনিভার্সিটি অব লিবারেল আর্টস বাংলাদেশ (ইউল্যাব)-এ কম্পিউটার সায়েন্স এন্ড ইঞ্জিনিয়ারিং বিভাগে অধ্যাপকের দায়িত্ব পালন করেছেন।একই সঙ্গে তিনি যুক্তরাষ্ট্রের আইটি প্রতিষ্ঠান ‘পিপল এন টেক’ এর উপদেষ্টা হিসেবে দায়িত্ব পালন করে ছিলেন । প্রযুক্তিবিদ ড. সাজ্জাদ হোসেন ১৯৬৮ সালের ১৬ ডিসেম্বর তিনি জন্মগ্রহণ করেন নিজ জেলা চট্টগ্রামে। পড়াশুনা করেছেন ফৌজদারহাট ক্যাডেট কলেজ এবং এর পর চট্টগ্রাম প্রকৌশল বিশ্ববিদ্যালয়ে। তিনি দেশের গণ্ডি ছাড়িয়ে রাশিয়ার বিখ্যাত মস্কো টেকনিক্যাল ইউনিভার্সিটি থেকে ব্যাচেলর ডিগ্রি এবং যুক্তরাষ্ট্রের পোর্টল্যান্ড ইউনিভার্সিটি থেকে কম্পিউটার সায়েন্সে মাস্টার্স ও পিএইচডি ডিগ্রি অর্জন করেন। তাঁর লেখা ‘প্রোগ্রামিং ইন সি’ নামে একটি বই প্রকাশিত হয়েছে।

post
বাংলাদেশ

রাজধানীর বসুন্ধরায় বিষক্রিয়ায় দুই শিশুর মৃত্যু

রাজধানী ভাটারা থানার বসুন্ধরা আবাসিক এলাকায় তেলাপোকা মারার স্প্রের বিষক্রিয়ায় দুই শিশুর মৃত্যুর অভিযোগ উঠেছে। পেস্ট কন্ট্রোল সার্ভিসের অদক্ষ কর্মীদের কারণে মর্মান্তিক এ ঘটনা ঘটেছে বলে অভিযোগ রয়েছে।নিহত শিশুরা হলো– শায়েন মোবারত জাহিন (১৫) ও শাহিল মোবারত জায়ান (৯)। তারা দুজনেই চিকিৎসাধীন অবস্থায় মারা যায়। এ ঘটনায় দুই শিশুর মা শারমিন জাহান লিমা ও বাবা মোবারক হোসেন বিষক্রিয়ায় অসুস্থ হয়ে হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় রয়েছেন।রোববার (৪ জুন) বসুন্ধরা আবাসিকের আই বক্লে এ ঘটনা ঘটে।সোমবার (৫ জুন) দুপুরে বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন ভাটারা থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. আসাদুজ্জামান। পুলিশ ও নিহতদের পরিবার সূত্রে জানা যায়, গত শুক্রবার (২ জুন) বসুন্ধরা আই বক্লের নতুন বাসায় স্প্রে পেস্ট কন্ট্রোল সার্ভিসের কর্মীরা এসে স্প্রে করে যান। এর দুই দিন পর পরিবারের সদস্যরা বাসায় প্রবেশ করে অসুস্থ হয়ে পড়েন। অসুস্থ অবস্থায় পরিবারের সদস্যদের হাসপাতালে নিয়ে যাওয়া হয়। হাসপাতালে রোববার ভোরে শাহিল মোবারত জায়ান মারা যায়। এরপর রোববার রাত ১০টায় বড় ছেলে শায়েন মোবারত জাহিন মারা যায়।নিহতের খালা ডা. রওনক জাহান রোজি অভিযোগ করে বলেন, পেস্ট কন্ট্রোল সার্ভিসের অদক্ষ কর্মীদের কারণে এ ঘটনা ঘটেছে। আমরা পেস্ট কন্ট্রোল সার্ভিসের কর্তৃপক্ষের সঙ্গে যোগাযোগ করেও কোন সঠিক উত্তর পাইনি। এ বিষয়ে ভাটারা থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) আসাদুজ্জামান বলেন, দুই শিশু বিষক্রিয়াজনিত কারণে মারা গেছে বলে জানতে পেরেছি। তাদের মরদহ এখন শহীদ সোহ্‌রাওয়ার্দী মেডিকেল কলেজ ও হাসপাতালে নিয়ে যাচ্ছি আমরা। এই বিষয়ে আইনি প্রক্রিয়া চলমান রয়েছে।

post
বিনোদন

নায়ক ফারুকের আসনে নির্বাচন করবেন হিরো আলম

নায়ক ফারুকের মৃত্যুতে শূন্য হওয়া ঢাকা-১৭ আসনের উপ-নির্বাচনে অংশ নেবেন কন্টেন্ট ক্রিয়েটর আশরাফুল আলম ওরফে হিরো আলম। (৫ জুন) সোমবার এ বিষয়ে হিরো আলম বলেন, আজ দুপুর ৪ টায় নির্বাচন কমিশন থেকে ফর্ম নেবো।তিনি আরও বলেন, অনেকটা নিজেকে নিজের মতো করে গুছিয়ে নিয়ে ঢাকা-১৭ আসনের উপ-নির্বাচনে অংশ নেওয়ার সিদ্ধান্ত নিয়েছি। সুষ্ঠু নির্বাচন হলে জয়ের ব্যাপারে শতভাগ আশাবাদী। ‘আগামী জাতীয় সংসদ নির্বাচনে বগুড়া থেকে নির্বাচনের প্রস্তুতি নিচ্ছি। সেভাবেই এলাকায় জনসংযোগ করতে চেষ্টা করছি। আর বগুড়াবাসী চায় আমি এমপি হয়ে তাদের হয়ে কাজ করি।’এর আগে বগুড়া-৬ (সদর) ও বগুড়া-৪ (কাহালু-নন্দীগ্রাম) দুটি আসন থেকেই সংসদ সদস্য পদে নির্বাচন করেছেন হিরো আলম।

post
বাংলাদেশ

পুরোপুরি বন্ধ হয়ে গেল পায়রা তাপবিদ্যুৎ কেন্দ্র

কয়লা না থাকায় পায়রা তাপবিদ্যুৎকেন্দ্রের উৎপাদন পুরোপুরি বন্ধ হয়ে গেল। ডলার-সংকটে বিল বকেয়া থাকায় কয়লা সরবরাহ বন্ধ হয়ে গেছে দেশের সবচেয়ে বড় এই বিদ্যুৎকেন্দ্রে। নতুন করে কয়লা এলে চলতি মাসের শেষ নাগাদ বিদ্যুৎকেন্দ্রটি আবার উৎপাদনে ফিরতে পারে।তিন বছর আগে উৎপাদনে আসে পায়রা বিদ্যুৎকেন্দ্র। তারপর এবারই প্রথম বিদ্যুৎকেন্দ্রটির উৎপাদন পুরোপুরি বন্ধ হয়ে গেল। এতে বাড়তে পারে লোডশেডিং। এর আগে ডলার-সংকটে কয়লা কিনতে না পেরে দুই দফায় বন্ধ হয়েছিল বাগেরহাটের রামপাল বিদ্যুৎকেন্দ্র। তবে এই বিদ্যুৎকেন্দ্রটি এখন উৎপাদনে রয়েছে। পায়রা বিদ্যুৎকেন্দ্রের মালিকানায় রয়েছে চীন ও বাংলাদেশের যৌথ উদ্যোগে গঠিত বাংলাদেশ-চায়না পাওয়ার কোম্পানি (বিসিপিসি)। পটুয়াখালীর পায়রা বিদ্যুৎকেন্দ্রটির দুটি ইউনিট মিলে উৎপাদনের সক্ষমতা ১ হাজার ৩২০ মেগাওয়াট।বিসিপিসির দুই কর্মকর্তা নাম প্রকাশ না করার শর্তে বলেন, বেশ কিছুদিন ধরে এই কেন্দ্র দিনে গড়ে ১ হাজার ২০০ মেগাওয়াটের বেশি বিদ্যুৎ সরবরাহ করে আসছিল। কয়লা না থাকায় গত ২৫ মে কেন্দ্রের একটি ইউনিটের উৎপাদন বন্ধ হয়। এরপর ৬৬০ মেগাওয়াট ক্ষমতার বাকি ইউনিট থেকে দিনে ৩০০ থেকে ৬২০ মেগাওয়াট করে বিদ্যুৎ উৎপাদন করা হচ্ছিল। এভাবে ২ জুন পর্যন্ত চালানোর কথা ছিল। তবে উৎপাদন কমিয়ে দুই দিন বাড়তি চালানো হয়। এখন উৎপাদন পুরোপুরি বন্ধ হয়ে গেল। পায়রা বিদ্যুৎকেন্দ্র সূত্র বলছে, কয়লা আসতে অন্তত ২৫ দিন সময় লাগতে পারে। সে হিসাবে জুনের শেষ সপ্তাহে আবার বিদ্যুৎ উৎপাদন শুরু হতে পারে। কয়লা আমদানির ঋণপত্র খোলা হয়েছে। ১২ জুন জাহাজে কয়লা তোলার কথা।আজ দুপুর সাড়ে ১২টায় পায়রা বিদ্যুৎকেন্দ্রের উৎপাদন পুরোপুরি বন্ধ করা হয় বলে নিশ্চিত করেছেন বিসিপিসির ব্যবস্থাপনা পরিচালক এ এম খোরশেদুল আলম। খোরশেদুল আলম বলেন, বকেয়ার ১০ কোটি ডলার পরিশোধ করা হয়েছে। এতে পায়রা বিদ্যুৎকেন্দ্রের ওপর আস্থা রেখে কয়লা সরবরাহ শুরু করতে যাচ্ছে সরবরাহকারী প্রতিষ্ঠান। যত দ্রুত কয়লা আনা যায়, তার চেষ্টা চলছে। বিদ্যুৎ উন্নয়ন বোর্ডের (পিডিবি) কর্মকর্তারা বলছেন, তিন বছর ধরে পায়রা থেকে বিদ্যুৎ আসছে। আগে এক দিনের জন্যও বিদ্যুৎ আসা বন্ধ হয়নি। দেশের সবচেয়ে নির্ভরযোগ্য এই বিদ্যুৎকেন্দ্র কয়লার অভাবে বন্ধ হয়ে যাওয়ায় উৎপাদন অনেক কমে যাবে। এতে বিদ্যুতের চাহিদা ও উৎপাদনের মধ্যে বড় পার্থক্য তৈরি হবে। এ কারণে লোডশেডিং বাড়তে পারে। এমনিতেই গ্যাসের অভাবে এখন অনেক বিদ্যুৎকেন্দ্র চালানো যাচ্ছে না।

post
আন্তর্জাতিক

গত বছর রেকর্ডসংখ্যক বিদেশি নাগরিকত্ব পেয়েছে জার্মানিতে

জার্মানিতে গত বছর রেকর্ডসংখ্যক বিদেশি নাগরিকত্ব নিয়েছেন। গত ২০ বছরের মধ্যে এ সংখ্যা সবচেয়ে বেশি। সরকারের হিসাব বলছে, ২০২২ সালে বিশ্বের ১৭১টি দেশের ১ লাখ ৬৮ হাজার ৫৪৫ জন জার্মানির নাগরিকত্ব গ্রহণ করেছেন। এ সংখ্যা আগের বছর, অর্থাৎ ২০২১ সালের তুলনায় ২৮ ভাগ বেশি। নাগিরকত্ব পাওয়া বিদেশিদের মধ্যে তালিকায় শীর্ষে রয়েছেন সিরীয়রা। মধ্যপ্রাচ্যের যুদ্ধবিধ্বস্ত দেশটি থেকে আসা যেসব ব্যক্তি জার্মানির নাগরিকত্ব নিয়েছেন, তাঁদের গড় বয়স ২৫ বছর (২৪ দশমিক ৮)। তাঁদের দুই-তৃতীয়াংশই পুরুষ। নাগরিকত্ব পাওয়ার আগে তাঁরা গড়ে সাড়ে ছয় বছরের মতো (৬ দশমিক ৪) দেশটিতে অবস্থান করেছেন। জার্মানির নাগরিকত্ব গ্রহণের তালিকায় দ্বিতীয় অবস্থানে রয়েছেন ইউক্রেনীয়রা। রাশিয়ার হামলা শুরুর পর হাজার হাজার ইউক্রেনীয় দেশ ছাড়েন। তাঁদের একটি অংশ জার্মানিতে আশ্রয় নেয়। ২০২২ সালে জার্মান নাগরিকত্ব পাওয়া অভিবাসীদের মধ্যে তৃতীয় অবস্থানে মধ্যপ্রাচ্যের আরেক যুদ্ধবিধ্বস্ত দেশ ইরাক থেকে আসা অভিবাসীরা। আর চতুর্থ অবস্থানে আছেন তুর্কিরা। ইন্টিগ্রেশন ও মাইগ্রেশন বিভাগের বিশেষজ্ঞ ইয়ান শ্নাইডার জানান, নাগরিকত্ব পাওয়া সিরীয়দের অর্ধেক ছয় বছরেই জার্মানির নাগরিকত্ব পেয়েছেন। এর কারণ হলো, তাঁরা জার্মান সমাজে একীভূত হতে পারার প্রমাণ দেখাতে পেরেছেন। শ্লাইডারের মতে, সিরীয়দের জার্মান নাগরিকত্ব চলতি বছর আরও বাড়বে। কারণ, ক্ষমতায় থাকা বর্তমান জোট সরকার নাগরিকত্ব আইন সহজ করার কাজ করছে। বর্তমানে জার্মান নাগরিত্ব পেতে প্রার্থীকে আট বছর জার্মানিতে অবস্থান করার এবং জার্মান ভাষায় দক্ষতার প্রমাণ (বি১ লেভেল) দেখাতে হয়। পাশাপাশি নাগরিকত্বের জন্য একটি বিশেষ লিখিত পরীক্ষায় পাস করতে হয়। এ ছাড়া রাষ্ট্রের সাহায্য ছাড়া চলার মতো অর্থনৈতিক সামর্থ্য থাকা এবং কোনো অপরাধমূলক রেকর্ড না থাকার বিধান রয়েছে। তবে বর্তমানে দেশটিতে দক্ষ কর্মীর ঘাটতি থাকায় নাগরিত্ব আইন সংশোধনের চেষ্টা করছে ওলাফ শলৎজের নেতৃত্বাধীন ক্ষমতাসীন জোট সরকার। নাগরিকত্ব আইন সহজ করা হলে তা দক্ষ বিদেশি কর্মীদের দেশটিতে অভিবাসী হতে উৎসাহিত করবে বলে সরকার মনে করছে। স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী ন্যান্সি ফেসারের প্রস্তাবিত নতুন নাগরিকত্ব আইনে তিনটি বড় পরিবর্তনের কথা বলা হচ্ছে। প্রস্তাবিত নতুন আইনে, আট বছরের পরিবর্তে পাঁচ বছর জার্মানিতে বৈধভাবে বসবাসের পর নাগরিকত্বের জন্য আবেদন করা যাবে। এ ছাড়া সমাজে বিশেষভাবে একীভূত হওয়ার প্রমাণ দেখাতে পারলে তিন বছর বসবাসের পরই আবেদন করার সুযোগ থাকছে। জার্মানিতে জন্ম নেওয়া শিশুর মা অথবা বাবার মধ্যে একজন যদি দেশটিতে পাঁচ বছর বৈধভাবে বসবাস করে থাকেন, তাহলে সেই শিশু জার্মানির নাগরিকত্ব পাওয়ার যোগ্য হবে। এ ছাড়া দ্বৈত নাগরিকত্ব রাখার সুবিধাও নতুন আইনে রাখা হচ্ছে বলে জানা গেছে।

post
বাংলাদেশ

বাংলাদেশ এখনো ইউরোপের দেশগুলোর মতো দুরবস্থায় পড়েনি

আওয়ামী লীগ সভাপতি ও প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা বলেছেন, বাংলাদেশ এখনো ইউরোপের দেশগুলোর মতো দুরবস্থায় পড়েনি, পড়বেও না।রোববার সকালে চিলাহাটি-ঢাকা-চিলাহাটি রুটে নতুন আন্তঃনগর ট্রেনের উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে তিনি এ কথা বলেন। উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে তিনি গণভবন থেকে ভার্চুয়ালি যুক্ত হয়েছিলেন। ইউরোপের উদাহরণ টেনে শেখ হাসিনা বলেন, গত শীতের সময় ইউরোপের দেশগুলো; তারা গরম পানি ব্যবহার করা বন্ধ করে দিয়েছে। কারণ সব কিছু ইলেকট্রিসিটিতে চলে। গরম পানি বন্ধ, হিটিং বন্ধ— এ রকম তাদের দুরবস্থা। এমনকি বাজারে গেলে সীমিতভাবে কিনতে হবে। একটি পরিবার ছয়টির বেশি ডিম কিনতে পারবে না। ১ লিটারের বেশি তেল কিনতে পারবে না, ৩টার বেশি টমেটো কিনতে পারবে না—ঠিক এই অবস্থাটা। বাংলাদেশ এখনো সেই দুরবস্থায় পড়ে নাই, ইনশাআল্লাহ পড়বেও না। তবে সেখানে আমাদের দেশের মানুষকে একটা কাজ করতে হবে, আমি বারবার যেটা বলছি— আমাদের যত অনাবাদি জমি আছে সব জমি চাষ করতে হবে। উৎপাদন বাড়াতে হবে। আমাদের যত জলাধার আছে সেখানে মাছের চাষ করতে হবে। প্রধানমন্ত্রী বলেন, আজকে আমরা বাংলাদেশে বাজেট দিয়েছি। ২০০৬ সালে বিএনপি সরকারের আমলে বাজেট ছিল মাত্র ৬১ হাজার কোটি টাকা। আর ১ জুন আমরা যে বাজেট দিয়েছি, সেটি ৭ লাখ ৬১ হাজার ৭৮৫ কোটি টাকার বাজেট। বাংলাদেশের ইতিহাসে সব থেকে বড় বাজেট আমরা দিয়েছি। এ বাজেট বাস্তবায়ন করতে আমরা দৃঢ় প্রতিজ্ঞাবদ্ধ এবং আমরা তা পারব। আওয়ামী লীগ পারবে। তিনি বলেন, আমি জানি অনেকে অনেক কথাই বলার চেষ্টা করেন; কিন্তু আমরা বাংলাদেশকে চিনি, জানি, আর এই বাংলাদেশের মানুষের অবস্থাটাও আমাদের জানা। অবশ্য ঢাকা শহরে বসে... আমরা এখন বিদ্যুৎ দিয়েছি, সেখানে এয়ারকন্ডিশন রুমে বসে; আমি এতগুলো টেলিভিশন বেসরকারি খাতে খুলে দিয়েছি, সেখানে বসে টকশোর সুবিধা পাচ্ছেন। ভালোমতো টকশোও দিচ্ছেন এবং আমরা যা কাজ করি, সেখানেই একটা সমালোচনা, সেখানেই একটা কিন্তু খুঁজে বেড়ানো। আর মানুষকে হতাশ করার কতগুলো কথা বলে বেড়ায়। তিনি আরও বলেন, আর বাংলাদেশের বদনাম বিদেশিদের কাছে বলে বলে নিজেরা সেখান থেকে বোধ হয়...কী পায় আমি জানি না। কিছু হাদিয়া-টাদিয়া জোগাড় করে কিনা তাও বলতে পারব না কিন্তু বাংলাদেশের বিরুদ্ধে কথা বলেই তারা যেন তৃপ্তি পায়। যারা এসব বলছেন এবং বাজেট দেওয়ার পরেই তারা প্রতিবারই বলেন, এটা সম্ভব না, এটা করতে পারবে না—আমরা কিন্তু সেটা করি এবং করে দেখাই। প্রধানমন্ত্রী বলেন, করোনাভাইরাস এবং বিশেষ করে ইউক্রেন-রাশিয়ার যুদ্ধ। তার ওপর স্যাংশন-কাউন্টার স্যাংশনের ফলে সারা বিশ্বব্যাপী প্রত্যেকটা পণ্যের মূল্য বেড়ে গেছে। আমাদের জ্বালানির মূল্য বেড়েছে, গ্যাসের মূল্য বেড়েছে, খাদ্যপণ্যের মূল্য বেড়েছে, গম-চিনি যা কিছু আমরা কিনতে যাচ্ছি, সব কিছুর দাম বেড়ে গেছে, পরিবহণ বেড়ে গেছে, সঞ্চালন বেড়ে গেছে। এমনকি বিদেশে আমরা যে ঋণ নিয়েছি, তারা সুদের হার বাড়িয়ে দিয়েছে। ফলে আমাদের অর্থনীতির ওপর একটা চাপ আছে। সেটা মোকাবিলা করার জন্য আমাদের নিজেদেরও কিছু উদ্যোগ আছে। তিনি বলেন, আমরা শতভাগ বিদ্যুৎ দেব— প্রত্যেক ঘরে ঘরে বিদ্যুৎ দিয়েছিলাম; কিন্তু আজকে সারা বিশ্বব্যাপী গ্যাস-তেল-কয়লা সব কিছুর দাম বেড়ে যাওয়াতে এখন বিদ্যুৎ উৎপাদনও ব্যাহত হচ্ছে। টাকা দিয়েও কেনা যাচ্ছে না এ রকমই অবস্থা দাঁড়িয়েছে। যার জন্য... আমি জানি, এই গরমে মানুষের একটু কষ্ট হচ্ছে। একদিকে মূল্যস্ফীতি আর অপরদিকে এখন বিদ্যুৎ নেই— এই দুটি কষ্ট আমার দেশের মানুষ পাচ্ছে। প্রধানমন্ত্রী বলেন, আর একবার যদি পাংখায় বাতাস খাওয়ার অভ্যাস হয়ে যায় তারপরে না পেলে তো আরও কষ্ট হয়! এটাও তো বাস্তব কথা। অভ্যাস হয়ে গেছে এখন পাওয়া যাচ্ছে না। কিন্তু যুদ্ধটা যদি না বাধতো আর স্যাংশন যদি না থাকত তাহলে আমাদের কোনো অসুবিধাই হতো না। আমরা ঠিকই দেশকে এগিয়ে নিয়ে যেতে পারতাম। আজকে যুদ্ধের কারণেই কিন্তু সারা বিশ্বব্যাপী...প্রত্যেকটা দেশই কিন্তু কষ্ট পাচ্ছে।

About Us

NRBC is an open news and tele video entertainment platform for non-residential Bengali network across the globe with no-business vision just to deliver news to the Bengali community.