post
এনআরবি বিশ্ব

মালয়েশিয়ায় অগ্নিকাণ্ডে দুই বাংলাদেশি শ্রমিকের মৃত্যু

মালয়েশিয়ায় অগ্নিকাণ্ডে দুই বাংলাদেশি শ্রমিকের মৃত্যু হয়েছে। দগ্ধ হয়েছেন আরও চার বাংলাদেশি। বৃহস্পতিবার (১৫ জুন) ভোরে সেলাঙ্গর রাজ্যের বান্ডারবারু বাঙ্গির তামান ইন্ডাস্ট্রি সোলেমানের একটি ছাপাখানায় এ অগ্নিকাণ্ড ঘটে। সেলাঙ্গর রাজ্যের ফায়ার অ্যান্ড রেসকিউ ডিপার্টমেন্টের (জেবিপিএম) সহকারী অপারেশন ডিরেক্টর মোহামাদুল এহসান মোহাম্মাদ জেইন বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন।তিনি বলেন, বৃহস্পতিবার ভোর ৪টা ১৪ মিনিটে ফোনে আগুন লাগার খবর পান। এরপর বান্ডারবারু বাঙ্গি ফায়ার অ্যান্ড রেসকিউ স্টেশন (বিবিপি), কাজাং ফায়ার অ্যান্ড রেসকিউ স্টেশন (বিবিপি), সেমেনিহ ফায়ার অ্যান্ড রেসকিউ স্টেশন (বিবিপি) এবং সেরদাং ফায়ার অ্যান্ড রেসকিউ স্টেশন (বিবিপি) থেকে ৩৬ জন কর্মকর্তা-কর্মী দ্রুত ঘটনাস্থলে ছুটে যান।আগুন নিয়ন্ত্রণে অংশ নেওয়া কর্মকর্তারা জানান, আগুন লাগার পর বাংলাদেশি ছয় শ্রমিক ওই কারখানায় আটকা পড়েন। তাদের মধ্যে চারজনকে জীবিত উদ্ধার করা হলেও দুজন ঘটনাস্থলেই মারা যান। তবে তাদের পরিচয় জানায়নি পুলিশ। হাসপাতালে দগ্ধদের চিকিৎসা চলছে। পরবর্তী পদক্ষেপের জন্য দুজনের মরদেহ পুলিশের কাছে হস্তান্তর করা হয়েছে।মোহামাদুল এহসান মোহাম্মাদ জেইন বলেন, ছাপাখানাটি ৬০/৮০ বর্গফুট আয়তনের। এতে বায়ু চলাচলের পর্যাপ্ত জায়গা ছিল না। এ কারণে আগুন লাগার পর ধোঁয়ায় নিশ্বাস নিতে না পেরে ঘটনাস্থলেই দুজনের মৃত্যু হয়েছে বলে নিশ্চিত করেছেন সংশ্লিষ্টরা। পরে দমকল কর্মীরা ভোর ৪টা ৪৮ মিনিটে আগুন নিয়ন্ত্রণে আনেন। আগুন লাগার কারণ জানার চেষ্টা চলছে। ঘটনা তদন্তের পর এ বিষয়ে বিস্তারিত জানানো হবে বলেও জানান এ কর্মকর্তা।

post
এনআরবি বিশ্ব

তিন বছরের মধ্যে সর্বোচ্চ রেমিট্যান্স এলো জুনে

সদ্য শেষ হওয়া জুনে বাংলাদেশে রেমিট্যান্স বা প্রবাসী আয় এসেছে ২১৯ কোটি ৯০ লাখ ডলার। এ অর্থ প্রায় তিন বছরের মধ্যে কোনো একটি মাসে দেশে আসা সবচেয়ে বেশি প্রবাসী আয়। এর আগে ২০২০ সালের জুলাইয়ে ২৫৯ কোটি ৮২ লাখ ডলারের সর্বোচ্চ প্রবাসী আয় এসেছিল।বাংলাদেশ ব্যাংকের হিসাবে দেখা গেছে, গত বছরের একই মাসে অর্থাৎ জুনে প্রবাসী আয় এসেছিল ১৮৩ কোটি ৭২ লাখ ডলার। সেই হিসাবে প্রবাসী আয়ের প্রবৃদ্ধি হয়েছে প্রায় ২০ শতাংশ। সম্প্রতি ২০২০ সালের জুলাই মাসে সবচেয়ে বেশি প্রবাসী আয় দেশে এসেছিল। তবে তখন করোনাভাইরাস মহামারির কারণে পরিবহণ বন্ধ থাকায় হুন্ডি বন্ধ ছিল। ফলে বৈধপথে আসা প্রবাসী আয়ের পরিমাণ বেড়েছিল।ব্যাংক কর্মকর্তারা বলছেন, কেন্দ্রীয় ব্যাংক ঘোষিত দামের চেয়ে বেশি দামে প্রবাসী আয় কেনা বন্ধ করে দিয়েছিল ব্যাংকগুলো। তবে সংকটের কারণে ও বিদেশি ব্যাংকগুলোর দেনা শোধের চাপের কারণে বিদায়ী মাসে তদারকি অনেকটা শিথিল ছিল। ফলে কিছু ব্যাংক নির্ধারিত দামের চেয়ে বেশি দাম দিয়ে প্রবাসী আয়ের ডলার কেনে। এতে প্রবাসী আয় বেড়েছে। তবে এজন্য বাংলাদেশ ব্যাংকের কাছে ডলার বিক্রি করতে বাধ্য হয়েছে কিছু ব্যাংক।কেন্দ্রীয় ব্যাংকের তথ্য অনুযায়ী, ১ থেকে ২৫ জুন পর্যন্ত প্রবাসীরা প্রায় ২০২ কোটি মার্কিন ডলার দেশে পাঠিয়েছিলেন। এর পরের কয়েক দিনে তা বেড়ে দাঁড়ায় ২১৯ কোটি ৯০ লাখ ডলারে। গত মে মাসে দেশে প্রবাসী আয় এসেছিল ১৬৯ কোটি ১৬ লাখ ডলার।বাংলাদেশ ব্যাংকের তথ্য অনুসারে, গত বছরের জুনে প্রায় ১৮৪ কোটি ডলারের প্রবাসী আয় দেশে এসেছিল। ২০২১ সালের জুনে এসেছিল ১৯৪ কোটি ডলার। ২০১৯ ও ২০২০ সালের জুনে এসেছিল যথাক্রমে ১৩৬ কোটি ও ১৮৩ কোটি ডলার।প্রবাসী আয় ব্যবস্থাপনার সঙ্গে যুক্ত ব্যাংক খাত-সংশ্লিষ্টরা বলছেন, ঈদুল আজহাকে সামনে রেখেই মূলত প্রবাসীরা দেশে থাকা তাদের পরিবার-পরিজনের কাছে বাড়তি অর্থ পাঠিয়েছেন। সাধারণত প্রতি ঈদের আগে দেশে অতিরিক্ত প্রবাসী আয় আসে। তবে গত এপ্রিলে উদযাপিত ঈদুল ফিতরের আগে প্রবাসী আয় খুব বেশি বাড়েনি। সেই তুলনায় ঈদুল আজহার সময় দেশে প্রবাসী আয় বেশি এসেছে।এর কারণ হিসেবে ব্যাংক খাত-সংশ্লিষ্টরা বলছেন যে, প্রবাসী বাংলাদেশিদের অনেকেই দেশে কুরবানি দিয়ে থাকেন, তাই তারা বাড়তি অর্থ পাঠিয়েছেন। অন্যদিকে মধ্যপ্রাচ্যের দেশগুলো থেকে বিভিন্ন সংস্থা কুরবানির জন্যও বাংলাদেশে অর্থ পাঠায়।প্রবাসী আয় দেশে আনার দিক থেকে বরাবরের মতো এবারো শীর্ষে রয়েছে ইসলামী ব্যাংক। দ্বিতীয় সর্বোচ্চ প্রবাসী আয় এসেছে রাষ্ট্রমালিকানাধীন অগ্রণী ব্যাংকের মাধ্যমে। তৃতীয় সর্বোচ্চ প্রবাসী আয় এনেছে বেসরকারি খাতের প্রিমিয়ার ব্যাংক।দেশে দীর্ঘ সময় ধরে চলা ডলার-সংকট এখনো চলছে। তবে প্রবাসী আয় বৈধপথে দেশে আনার জন্য চেষ্টা জোরদার করা হয়েছে। প্রবাসী আয়ে এখন ব্যাংকগুলো ডলারপ্রতি ১০৮ টাকা ৫০ পয়সা দাম দিচ্ছে।বাংলাদেশ ব্যাংকের সহকারী মুখপাত্র সরোয়ার হোসেন বলেন, ডলারের সংকট কমে আসছে। একদিকে প্রবাসী আয় ভালো পরিমাণে আসছে, অন্যদিকে ব্যাংকগুলোতে ডলারের মজুতও বাড়ছে।

post
এনআরবি বিশ্ব

ওয়ার্ল্ড ফেয়ার অ্যান্ড ফিস্ট-২০২৩ এ বিশেষ সম্মাননা অ্যাওয়ার্ড পেলেন রথীন্দ্রনাথ রায় ও কাজী মারুফ!

৬ আগষ্ট রোববার নিউইয়র্কের উডসাইটের গুলশান ট্যারেসে হয়ে গেলে ওয়ার্ল্ড ফেয়ার এন্ড ফিস্ট-২০২৩। অনুষ্ঠানটির আয়োজক অ্যাসোসিয়েশন অব ওয়ার্ল্ড ফেয়ার অ্যান্ড ফিস্ট ইউএসও ইনক। তারা কাজ করে বিভিন্ন পেশাজিবীদের মাঝে একটি নেটওয়ার্ক গড়ে তোলা, প্রচার, প্রদর্শন এবং বিভিন্ন ধরনের পণ্য ও পরিষেবা অন্য দেশগুলোর সাথে পরিচয় করিয়ে দেয়ার লক্ষ্য নিয়ে। সন্ধ্যা সাতটায় ফিতা ফ্যাস্টিভলের উদ্বোধন করেন আয়োজনের আহ্ববায়ক মেহজাবিন মেহা, প্রধান উপদেষ্টা মো: আতিকুর রহমান ও সভাপতি তারেক মাহমুদ, সাধারণ সম্পাদক সোহেল চৌধুরী, লেস্টার চ্যাং, মার্ক মেয়ার অ্যাপেল ও কে সি রায়। বাংলাদেশ ও যুক্তরাষ্ট্রের জাতীয় সঙ্গীতের মধ্য দিয়ে শুরু হয় মুলে আনিষ্ঠানিকতা।  বিশ্বের বিভিন্ন দেশের বিভিন্ন পেশার নেতৃস্থানীয় ব্যাক্তিবর্গ অংশ নেন এই আয়োজনে। একে অপরের ভাবনা শেয়ার করেন মঞ্চে। ফাকে ফাকে চলে বিশেষদের সম্মান জানানো ও বিশিষ্ট অতিথীদের পরিচিতি পর্ব। সেখানে আয়োজক ও আমন্ত্রিত অতিথীরা পুরস্কার তুলে দেন বিশেষ ক্ষেত্রে অবদান রাখা ১২ জন ব্যাক্তিবর্গকে। পুরস্কার পাওয়া ব্যাক্তিরা হলেন অভিনেতা কাজী মারুফ, রথীন্দ্র নাথ রায়, তমালিকা করমোকার, ইরফান খান। পুরস্কার দিয়ে সম্মাননা জানানো হয়েছে আমন্ত্রিত বিশেষ অতিথীদেরও। পুরস্কার প্রাপ্তরা হলেন লেস্টার চ্যাং, প্রতিষ্ঠাতা বিএমএপিসি মার্ক মেয়ার অ্যাপল, কে সি রায়, মার্সিডিজ নার্সিস, মার্ক মেয়ার অ্যাপল, অ্যাল্ডার অ্যাম্বার, ডাঃ সিমা কারেতনয়া এবং ফাহাদ সুলাইমান পুরস্কার পেয়েছেন।এরপর মার্ক মেয়ার আপেল নিউইয়র্ক সিটি ও স্টেট ডিপার্টমেন্টের পক্ষ থেকে সার্টিফিকেট গ্রহন করেন আয়োজনের আহ্বায়ক মেহাজাবিন মেহা এবং প্রধান উপদেষ্টা মোহাম্মদ আতিকুর রহমান। এরপর তাদের হাতে অ্যাওয়ার্ড তুলে দেন জনপ্রিয় অভিনেত্রী মডলে মোনালিসা। আমন্ত্রিত নগর কর্মকর্তাদের সামনে মঞ্চে ডেকে পরিচয় করিয়ে দেয়ার পাশাপাশি বিশেষ সম্মান জানানো হয় অনুষ্ঠানের রাষ্ট্রদূত সগীর খানকে, বাংলাদেশ আমেরিকান পুলিশ অ্যাসোসিয়েশনের সাধারণ সম্পাদর্ক প্রিন্স আলম, বাপার দ্বিতীয় সহ-সভাপতি আলী চৌধুরী, সিডব্লিউ লোকাল ১১৮২'র সভাপতি সৈয়দ রহিম সাধারণ সম্পাদক সৈয়দ ইসলাম ও সহ-সভাপতি সাদিক প্রমুখকে। অনুষ্ঠানে শেষ অংশে ছিলো সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান ও নৌশ ভোজ। খাবার গ্রহনের পাশাপাশি আমন্ত্রিত অতিথীরা উপভোগ করেছেন জমকালো সাংস্কৃতি অনুষ্ঠান। যেখানে পারফর্ম করে বাংলা ব্যান্ড। গান গেয়ে দর্শকদের মাতান রেশমী মির্জা, হীরা, মার্শাল টিটো, শামীম সিদ্দিক, অউনিক ও আহবায়ক নিজেও। সবশেষে পারফর্ম করেন বাংলাদেশের জনপ্রিয় প্লেব্যাক সিঙ্গার রিজিয়া পারভিন। রাত ১২টায় শেষ হয় ওয়ার্ল্ড ফিস্ট অ্যান্ড ফেয়ারের দ্বিতীয় আসরের আয়োজন। সংগঠনের কার্যক্রম ও পুরো আয়োজনকে সফল করতে যারা নিরলস পরিশ্রম করে যাচ্ছেন তারা হলেন সহ-আহ্বায়ক মার্শাল টিটো, সহ-সভাপতি সাংস্কৃতিক কমিটির সদস্য মাহমুদুল হাসান অণিক, অনুষ্ঠান কমিটির সদস্য হীরা, নিলুফার ইয়াসমিন, নাসরিন ঝুমুর, ডা. রফিক, ডা. মোক্তার, ড. কামরুল, প্রধান সমন্বয়ক মিন্টু কুমার রায় ও সদস্য সচিব দীপক দাস। অনুষ্ঠানটির পরিচালনা করে আনিকা চৌধুরী। ২০২০ সালে প্রতিষ্ঠা পাওয়া সংগঠনটি ২০২২ সালে ওরলেন্ডুতে করিছেলা তাদের প্রথম ওয়ার্ল্ড ফেয়ার অ্যান্ড ফ্যাস্টিবল। গতবারের আয়োজনে অংশ নিয়েছিলো বিশ্বের ছয়টি দেশের প্রতিনিধগণ। এবার আয়োজনে উপস্থিত হয়েছিলেন দশটি দেশের বিভিন্ন পেশার প্রতিনিধিরা। 

post
এনআরবি বিশ্ব

জাতিসংঘে বাংলাদেশ স্থায়ী মিশনে জাতীয় শোক দিবস ২০২৩ পালন

জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানকে হারানোর শোককে শক্তিতে রূপান্তরিত করে মাননীয় প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার নেতৃত্বে বাংলাদেশকে বঙ্গবন্ধুর স্বপ্নের সোনার বাংলা হিসেবে গড়ে তুলতে আমাদের সকলের একযোগে কাজ করার বিকল্প নেই।” ১৫ আগস্ট সোমবার জাতীয় শোক দিবস ও জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের ৪৮তম শাহাদত বার্ষিকী পালন উপলক্ষে নিউইয়র্কস্থ জাতিসংঘে বাংলাদেশ স্থায়ী মিশন আয়োজিত অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে একথা বলেন জাতিসংঘে নিযুক্ত বাংলাদেশের স্থায়ী প্রতিনিধি রাষ্ট্রদূত মোহাম্মদ আব্দুল মুহিত। স্থানীয় সময় সন্ধ্যা সাড়ে ছয়টায় মিশনস্থ বঙ্গবন্ধু মিলনায়তনে যথাযোগ্য মর্যাদায় ও অত্যন্ত ভাবগম্ভীর পরিবেশে জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের শাহাদাৎ বার্ষিকী এবং জাতীয় শোক দিবস পালন অনুষ্ঠান আয়োজন করে জাতিসংঘে বাংলাদেশ স্থায়ী মিশন। এতে যুক্তরাষ্ট্র বসবাসরত বীর মুক্তিযোদ্ধাগণ, আওয়ামী লীগ ও এর সহযোগী সংগঠন এবং বিভিন্ন শ্রেণী-পেশার বিপুল সংখ্যক প্রবাসী বাংলাদেশি অংশগ্রহণ করেন। জাতীয় সঙ্গীত পরিবেশনের মাধ্যমে শুরু হয় দিবসটির কর্মসূচি। এরপর জাতির পিতা, বঙ্গমাতা এবং ১৫ আগস্টের সকল শহীদদের স্মৃতির প্রতি গভীর শ্রদ্ধা জানিয়ে দাঁড়িয়ে একমিনিট নিরবতা পালন করা হয় এবং তাঁদের বিদেহী আত্মার মাগফেরাত কামনা করে বিশেষ মোনাজাত পরিচালনা করা হয়। বঙ্গবন্ধু মিলনায়তনে জাতির পিতার প্রতিকৃতিতে পুস্পস্তবক অর্পনের মাধ্যমে শ্রদ্ধাঞ্জলি জ্ঞাপন করেন জাতিসংঘে নিযুক্ত বাংলাদেশের স্থায়ী প্রতিনিধি ও রাষ্ট্রদূত মোহাম্মদ আব্দুল মুহিতসহ উপস্থিত সকল অতিথিবৃন্দ। এর পর শুরু হয় জাতীয় শোক দিবস উপলক্ষে আলোচনা। এতে বীর মুক্তিযোদ্ধাগণ এবং বিভিন্ন রাজনৈতিক সংগঠনের নেতৃত্ববৃন্দ বক্তব্য প্রদান করেন। স্থায়ী প্রতিনিধি ও রাষ্ট্রদূত মুহিত তার বক্তব্যে বলেন, “বঙ্গবন্ধুর বলিষ্ঠ নেতৃত্বে দীর্ঘ নয় মাস রক্তক্ষয়ী সংগ্রামের মধ্য দিয়ে একটি স্বাধীন দেশ পেয়েছে বাঙ্গালী জাতি। এমন একজন মহান ও বিশ্বনন্দিত নেতাকে যারা স্বপরিবারে হত্যা করেছে, তারা এখনো বিভিন্ন দেশে পালিয়ে আছে, তাদেরকে দেশে ফিরিয়ে নিয়ে বিচারকার্য সম্পন্ন করে জাতিকে কলংকমুক্ত করতে সকলকে সরকারের প্রতি সহযোগীতার হাত বাড়িয়ে দেবার কথা বলেন তিনি। বীর মুক্তিযোদ্ধাগণ এবং বিভিন্ন রাজনৈতিক সংগঠণের নেতৃবৃন্দ বঙ্গবন্ধু হত্যাকান্ডের সাথে জড়িত দন্ডপ্রাপ্ত খুনীদের মধ্যে যারা এখনও বিভিন্ন দেশে অবস্থান করছেন তাদের দেশে ফিরিয়ে এনে বিচারের মুখোমুখি করার ক্ষেত্রে যুক্তরাষ্ট্রে বসবাসরত সকল প্রবাসী বাংলাদেশীদের এগিয়ে আসার আহ্বান জানান। তারা বলেন, “আমরা চাই জাতির পিতার কোনো খুনীই যেন বিচারের হাত থেকে পার না পায়”। বক্তাগণ পনের আগস্টের এই শোককে শক্তিতে রূপান্তর করার মাধ্যমে জাতির পিতা যে স্বপ্নের সোনার বাংলা বিনির্মাণের স্বপ্ন দেখেছিলেন স্ব স্ব অবস্থান থেকে তা অর্জনের দৃঢ় প্রত্যয় ব্যক্ত করেন।

post
এনআরবি বিশ্ব

নিউইয়র্কে বাংলাদেশ কনস্যুলেট জেনারেলে শেখ রাসেল দিবস উদযাপন

বাংলাদেশ কনস্যুলেট জেনারেল ১৮ অক্টোবর বুধবার যথাযোগ্য মর্যাদায় জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের কনিষ্ঠ পুত্র শেখ রাসেল এর ৬০তম জন্মদিন ও শেখ রাসেল দিবস উদযাপন করে। দিবসটি উপলক্ষে সন্ধ্যা ৬ ঘটিকায় একটি সেমিনারের আয়োজন করা হয়। মেয়র অফিসের আন্তর্জাতিক বিষয়ক কমিশনার এডয়ার্ড মার্মেলস্টেইন, কলাম্বিয়া ইউনিভারসিটির অধ্যাপক মাইকেল স্টেকলারসহ বিদেশী অতিথিবৃন্দ, বীর মুক্তিযোদ্ধাগণ, রাজনৈতিক নেতৃবৃন্দ, সামাজিক ও সাস্কৃতিক সংগঠনের নেতৃবৃন্দ এবং বাংলাদেশ কমিউনিটির বিশিষ্ট ব্যক্তিবর্গ ও মিডিয়া ব্যক্তিবর্গ এ সেমিনারে উপস্থিত ছিলেন। কনসাল জেনারেল মোঃ নাজমুল হুদা উপস্থিত সকল কে নিয়ে শহিদ শেখ রাসেল এর প্রতিকৃতিতে পুষ্পস্তবক অর্পণের মধ্য দিয়ে অনুষ্ঠান শুরু করেন। এ দিবস উপলক্ষে মহামান্য রাষ্ট্রপতি ও মাননীয় প্রধানমন্ত্রীর বাণী পাঠ করে শোনানো হয়। অনুষ্ঠানে শেখ রাসেল দিবস উপলক্ষে নির্মিত একটি থিম সং ও একটি প্রামান্যচিত্র প্রদর্শন করা হয়। শহিদ শেখ রাসেল, জাতির পিতা ও তাঁর পরিবারের অন্যান্য শহিদ সদস্যসহ সকল শহিদ বীর মুক্তিযোদ্ধাদের আত্মার মাগফেরাত কামনা করে এবং দেশের অব্যাহত শান্তি ও সমৃদ্ধির জন্য বিশেষ দোয়া ও মোনাজাত করা হয়। কনসাল জেনারেল সর্বকালের সর্বশ্রেষ্ঠ বাঙ্গালী জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান এর প্রতি গভীর শ্রদ্ধা নিবেদন করেন। শহিদ শেখ রাসেল এর জীবন সম্বন্ধে আলোচনাকালে কনসাল জেনারেল উল্লেখ করেন যে, বঙ্গবন্ধু দীর্ঘ সময় কারাগারে বন্দী থাকায় শিশু রাসেল পিতার আদর যত্ন ও সান্নিধ্য থেকে বঞ্চিত হয়েছেন। শিশু বয়সে তার মধ্যে বিভিন্ন মানবিক গুণাবলীর উন্মেষ ঘটে। ১৯৭৫ সালের ১৫ আগস্ট কালোরাতে জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান তারঁ পরিবারের অনেক সদস্যসহ শহিদ হন। ছোট্ট শিশু শেখ রাসেলও সেদিন রেহাই পায়নি। শিশু-কিশোরদেরকে পৃথিবীর আশা ও ভবিষ্যৎ হিসাবে আখ্যায়িত করে তিনি নতুন প্রজন্মকে বাংলাদেশের ইতিহাস ও সংস্কৃতিকে আরো গভীরভাবে জানতে উৎসাহিত করেন। শেখ রাসেলের জন্মদিনে কনসাল জেনারেল মোঃ নাজমুল হুদা শোককে শক্তিতে পরিনত করে বাংলাদেশ তথা সারা বিশ্বের শিশুর জন্য সুস্থ্য, সুন্দর পৃথিবী গড়ার অঙ্গীকার ব্যক্ত করেন। সেমিনারে আলোচনাকালে উপস্থিত সুধীবৃন্দ শেখ রাসেলের ছোট্ট অথচ তাৎপর্যপূর্ণ এবং ঘটনাবহুল জীবনের নানাদিকের উপর আলোকপাত করেন। ১৯৭৫ সালের ১৫ ই আগষ্টের কালোরাতে কিভাবে মানবতা, মানবাধিকার এবং সভ্যতার অপমৃত্যু ঘটেছিল তা উল্লেখ করেন। জাতির স্মৃতিতে শেখ রাসেল চিরজীবন একজন নিষ্পাপ শিশু এবং সদ্য প্রস্ফুটিত ফুলের প্রতিচ্ছবি হিসেবে অমর হয়ে থাকবেন বলে বক্তারা অভিমত ব্যক্ত করেন। অনুষ্ঠানে উপস্থিত বীর মুক্তিযোদ্ধাগণ, রাজনৈতিক নেতৃবৃন্দ, সামাজিক ও সাস্কৃতিক সংগঠনের নেতৃবৃন্দ এবং বাংলাদেশ কমিউনিটির বিশিষ্ট ব্যক্তিবর্গ শহিদ শেখ রাসেলের জন্মদিন উপলক্ষে স্মৃতিচারণমূলক বক্তব্য প্রদান করেন। জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান, তাঁর পরিবারের অন্যান্য শহিদ সদস্য ও শহিদ বীর মুক্তিযোদ্ধাদের আত্মার মাগফেরাত কামনা করে এবং দেশের অব্যাহত নিরাপত্তা, শান্তি ও সমৃদ্ধির জন্য বিশেষ দোয়া ও মোনাজাতের মাধ্যমে অনুষ্ঠানের পরিসমাপ্তি ঘটে। 

post
এনআরবি বিশ্ব

জাতিসংঘে বাংলাদেশ স্থায়ী মিশনে শেখ রাসেল দিবস ২০২৩ উদযাপন

জাতিসংঘে বাংলাদেশ স্থায়ী মিশনে জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান ও বঙ্গমাতা বেগম ফজিলাতুন নেছা মুজিবের ছোট ছেলে শহিদ শেখ রাসেলের জন্মদিন স্মরণে ‘শেখ রাসেল দিবস-২০২৩’ উদ্‌যাপিত হয়েছে। স্থায়ী মিশনের বঙ্গবন্ধু মিলনায়তনে আয়োজিত এ অনুষ্ঠানে মিশনের সকল স্তরের কর্মকর্তা-কর্মচারী অংশ নেন। বৃহস্পতিবার (১৯ অক্টোবর) জাতিসংঘের বাংলাদেশ স্থায়ী মিশন এ তথ্য জানায়।অনুষ্ঠানের শুরুতেই শহিদ শেখ রাসেলের প্রতিকৃতিতে পুষ্পস্তবক অর্পণ করা হয়। শেখ রাসেলের বিদেহী আত্মার মাগফিরাত কামনা করে দোয়া ও মোনাজাত করা হয়। দিবসটি উপলক্ষে রাষ্ট্রপতি ও প্রধানমন্ত্রী প্রদত্ত বাণী পাঠ করা হয়। এরপর শেখ রাসেলের জীবন বিষয়ক একটি প্রামাণ্য চিত্র প্রদর্শন করা হয়। অনুষ্ঠানটিতে মূল বক্তব্য প্রদান করেন জাতিসংঘে নিযুক্ত বাংলাদেশের স্থায়ী প্রতিনিধি ও রাষ্ট্রদূত মুহাম্মদ আবদুল মুহিত। ১৯৭৫ সালের ১৫ আগস্টের কালরাতে সপরিবারে জাতির পিতার বর্বরোচিত ও নির্মম হত্যাকাণ্ডে কথা তুলে ধরে রাষ্ট্রদূত মুহিত বলেন, ‘শেখ রাসেলের জন্মদিন উদ্‌যাপনের এই মুহূর্তে দুটি অনুভূতি আমাকে তাড়িত করছে। প্রথমত, সেদিন মাত্র ১০ বছর বয়সের শেখ রাসেল, জাতির পিতা, বঙ্গমাতা ও তার পরিবারের অন্যান্য সদস্যদের যেভাবে নির্মমভাবে হত্যা করা হয়েছে, এমন নৃশংসতা সারা পৃথিবীতে বিরল। দ্বিতীয়ত, যে শিশুর বাবার নেতৃত্বে একটি স্বাধীন দেশ জন্মলাভ করেছে, সেখানে আজ সেই শিশুটি নেই, কিন্তু আমরা আছি। এটা আমার মাঝে এক গভীর দুঃখবোধ ও গ্লানির জন্ম দিয়েছে। ’ স্থায়ী প্রতিনিধি আরও বলেন, ১৫ আগস্টের খুনিদের কেউ কেউ এখনও যুক্তরাষ্ট্র ও কানাডায় পালিয়ে আছে। বিদেশে পালিয়ে থাকা এ সকল নৃশংস খুনিদের দেশে ফিরিয়ে নিয়ে বিচারের আওতায় আনতে সকলকে স্ব স্ব অবস্থান থেকে একযোগে কাজ করতে হবে। শিশু শেখ রাসেলকে হারানোর শোককে শক্তিতে পরিণত করে বাংলাদেশসহ সারা বিশ্বের শিশুদের অধিকার রক্ষায় কাজ করার ওপর গুরুত্বারোপ করেন রাষ্ট্রদূত। এ প্রসঙ্গে তিনি ফিলিস্তিনে হাজার হাজার শিশুকে নির্মমভাবে হত্যার তীব্র নিন্দা জ্ঞাপন করেন এবং সেখানে বসবাসরত শিশুদের অধিকার রক্ষায় আন্তর্জাতিক সম্প্রদায়কে একযোগে কাজ করার আহ্বান জানান। অনুষ্ঠানে মুক্ত আলোচনা পর্বে মিশনের কর্মকর্তা ও কর্মচারীরা অংশ নেন। তারা আশা প্রকাশ করেন দেশ ও দেশের বাইরে শেখ রাসেল দিবস উদ্‌যাপনের মাধ্যমে দেশে ও প্রবাসে বেড়ে ওঠা শিশু-কিশোররা শেখ রাসেল সম্পর্কে আরও জানতে পারবে। কেক কাটার মাধ্যমে শহীদ শেখ রাসেল এর জন্মদিন উপলক্ষে আয়োজিত অনুষ্ঠানটির সমাপ্তি হয়।

post
এনআরবি বিশ্ব

বাংলাদেশি উবার চালক রাকিবুল হাসান সড়ক দুর্ঘটনায় নিহত

বাংলাদেশি উবার চালক রাকিবুল হাসান (২৪) নিউইয়র্কে ব্রুকলিনের বেল্ট পার্কওয়েতে এক সড়ক দুর্ঘটনায় নিহত হয়েছেন। ১৬ অক্টোবর সোমবার রাত সাড়ে ১০টায় এ ঘটনা ঘটে। রাকিবুল হাসানের বাড়ি নোয়াখালী জেলার সোনাইমুড়ি উপজেলায়। ৪ বছর আগে মা-বাবা-ভাইয়ের সাথে ইমিগ্র্যান্ট হয়ে যুক্তরাষ্ট্রে আসেন রাকিবুল। পুলিশ জানায়, চাচা মোহাম্মদ হানিফের টয়োটা প্রাইয়াস চালাতেন রাকিবুল হাসান। শিফট শেষে বেল্টপার্কওয়ে ধরে বাসায় ফেরার সময় ফ্লাটবুশ এভিনিউর নিকটে প্লামবীচ এলাকা অতিক্রমকালে দ্রুতগামী একটি বিএমডব্লিউ তার গাড়িতে প্রচন্ড বেগে ধাক্কা দেয়। প্রায় একইসময় অন্য পথ দিয়ে আসা সিআরভি হুন্ডাও রাকিবুলের গাড়ির সাথে ধাক্কা খায় এবং রাকিবুলের গাড়িটি চূর্ণ-বিচূর্ণ হয়। সংবাদ পেয়ে দ্রুত অ্যাম্বুলেন্স এবং পুলিশ এসে মারাত্মক আহত অবস্থায় রাকিবুল হাসানকে ব্রুকলীনস্থ এনওয়াইইউ ল্যাঙ্গুন হাসপাতালের জরুরী বিভাগে নেয়। সেখানকার কর্তব্যরত চিকিৎসকরা তাকে মৃত ঘোষণা করেন।

post
এনআরবি বিশ্ব

নিউইয়র্ক পুলিশে 'মুসলিম একজিকিউটিভ কাউন্সিল' গঠন

যুক্তরাষ্ট্রের নিউইয়র্ক সিটিতে আইন শৃঙ্খলা পেশাজীবীদের নিয়ে একটি 'মুসলিম একজিকিউটিভ কাউন্সিল' গঠন করা হয়েছে। নিউইয়র্ক সিটি পুলিশ বিভাগে কর্মরত বিভিন্ন মুসলিম কর্মকর্তাদের নিয়ে এ কাউন্সিল গঠিত হয়েছে। নিউইয়র্ক পুলিশের সাব ইন্সপেক্টর খন্দকার আব্দুল্লাহ জানিয়েছেন, চলমান সময়ের নানা চ্যালেঞ্জকে মোকাবেলার জন্য এ কাউন্সিল কাজ করবে। কমিউনিটির সাথে সংযোগ বৃদ্ধি, পেশাগত উন্নয়ন এবং ভাবমূর্তী নিয়ে এ কাউন্সিল কাজ করবে বলে তিনি জানান। ১৭ অক্টোবর মঙ্গলবার অনাড়ম্বর এক আনুষ্ঠানিকতার মাধ্যমে এ একজিকিউটিভ কাউন্সিল গঠন করা হয়েছে।

post
এনআরবি বিশ্ব

এনআইডি জটিলতায় অবৈধ হয়ে পড়ছেন অনেক প্রবাসী,দূতাবাসের মাধ্যমে সংশোধনের সুযোগ দাবী

সমাধান না হলে রেমিটেন্সে বিরুপ প্রভাবের শংকাপ্রায় দেড় কোটি প্রবাসী পৃথিবীর বিভিন্ন দেশে বসবাস করছেন। তাদের পাঠানো রেমিটেন্স গতিশীল করছে দেশের অর্থনীতির ভিতকে। কিন্তু সেই রেমিটেন্স যোদ্ধারা বিদেশের মাটিতে নানা সমস্যায় ভোগেন বিশেষ করে পাসপোর্ট জটিলতা, পু:ন প্রিন্ট। এর পেছনে জড়িত রয়েছে জাতিয়পরিচয় পত্রের সমস্যা।পাসপোর্ট সমস্যা দূতাবাসের মাধ্যমে সমাধান করা গেলেও, জাতিয়পরিচয় পত্রের সমস্যা সমাধানে প্রবাসীদের যেতে হয় বাংলাদেশে, যা সবার পক্ষে সব সময় সম্ভব হয়ে ওঠে না। তাই বিদেশে বসেই দূতাবাসের মাধ্যমে জাতীয় পরিচয় পত্র -এনআইডি সংশোধনের সুযোগ চান বিভিন্ন দেশের প্রবাসীরা। আজ শনিবার সকালে ঢাকা রিপোর্টার্স ইউনিটির সাগর-রুনি মিলনায়তনে এক সংবাদ সম্মেলনে এ দাবি তুলে ধরেন তারা। ফ্রান্স-বাংলাদেশ বিজনেস ফোরামের উদ্যোগে এ সংবাদ সম্মেলনে প্রবাসীরা বলেন,বর্তমানে বাংলাদেশে জাতীয় পরিচয়পত্রের তথ্য সংশোধনের সুযোগ থাকলেও প্রবাসে সে সুযোগটি নেই। ফলে তাদের পড়তে হয় চরম ভোগান্তিতে। যে কারনে বিদেশে অবৈধ হয়ে পড়ছেন অনেকে এমনটা জানিয়েছেন, ফ্রান্স-বাংলাদেশ বিজনেস ফোরামের পরিচালক আবু তাহির।জাতীয় পরিচয় পত্র জটিলতায় দীর্ঘদিন ধরে সমস্যায় ভুগছেন প্রবাসী বাংলাদেশিরা। সমাধানের দাবি জানিয়ে আসলেও প্রতিকার মিলছে না। আবার যেটুকু কার্যকরের ঘোষণা দেওয়া হয়েছে, তাও বাস্তবায়নের মুখ দেখেনি। এমন পেক্ষাপটে বিপদে পড়েছেন বিপুল সংখ্যক প্রবাসী। সমস্যার সমাধান না করা গেলে রেমিট্যান্স প্রবাহ কমতে পারে বলেও শংকা অনেক প্রবাসীর। এমনটা জানিয়েছেন, ফ্রান্স-বাংলাদেশ বিজনেস ফোরামের পরিচালক লুৎফর রহমান বাবু। এনআইডি জটিলতায় পাসপোর্টের তথ্য সংশোধন করতে না পারলে অবৈধ হয়ে দেশে ফেরার ঝুঁকিতে রয়েছেন কয়েক হাজার বাংলাদেশী। জানালেন ফ্রান্স-বাংলাদেশ বিজনেস ফোরাম পরিচালক এনআই মাহমুদ। এমন হলে রেমিট্যান্স প্রবাহ হ্রাস পাবে বলেও মনে করেন এসব ইউরোপ প্রবাসী। দূতাবাসের মাধ্যমে প্রবাসে থেকেই যাতে এনআইডি সংশোধন করা যায়, সেই সুযোগের দাবি জানিয়েছেন রেমিটেন্সযোদ্ধারা। প্রবাসীদের পাসপোর্ট সমস্যা সমাধানে জাতিয় পরিচয়পত্র সংশোধন প্রক্রিয়া সহজ হবে এমন প্রত্যাশা কোটি প্রবাসীদের।##

post
এনআরবি বিশ্ব

কুয়েতে হোটেল মোটেলে বাড়ছে বাংলাদেশী কর্মীর সংখ্যা

মধ্য প্রাচ্যের ধনী দেশ কুয়েতে অন্তত ২০ লাখ বাংলাদেশীর বসবাস। এরমধ্যে প্রায় ৩ হাজার বাংলাদেশী কাজ করছেন দেশটির হোটেল-মোটেল সেক্টরে।যেখানে উর্ধতন কর্মকর্তাসহ প্রায় সকল ক্ষেত্রেই বাড়ছে প্রবাসী বাংলাদেশীদের সংখ্যা। কিন্তু উপযুক্ত যোগ্যতার অভাবে অন্যদের থেকে পিছিয়ে পড়ছেন অনেকে। তাই দক্ষতা বাড়ানোর পরামর্শ দিয়েছেন কমিউনিটি নেতারা। বিশ্বের সবচেয়ে শক্তিশালী মুদ্রার দেশ কুয়েত। খনিজ সম্পদের এ দেশটিতে হোটেলসহ বিভিন্ন সেক্টরে কাজের জন্য প্রতিনিয়ত পাড়ি জমাচ্ছে হাজারো বাংলাদেশী। দেশটির বিভিন্ন তারকা হোটেলে উর্ধতন পদেও কাজ করছেন অনেক বাংলাদেশী।কিন্তু উপযুক্ত দক্ষতা ও যোগ্যতার অভাবে সেক্টরটিতে পিছিয়ে পড়ছেন বাংলাদেশীরা। আবার ভিসা জটিলতায়ও আটকে যাচ্ছে সম্ভাবনাময় রেমিট্যান্স যোদ্ধারা।পর্যটন নির্ভর কুয়েতের হোটেল-মোটেলে দক্ষিণ এশিয়ার সব থেকে কম যোগ্যতার শ্রমিকদের মধ্যে রয়েছে বাংলাদেশীরা। শ্রমিকদের দক্ষ করে না পাঠানোর কারণে এই সংকট সৃষ্টি হয়েছে বলে জানিয়েছেন সংশ্লিষ্ট প্রবাসীরা।তাই দক্ষ জনশক্তি রপ্তানীর মাধ্যমে বৈদেশিক আয় নিশ্চিত করার আহবান জানিয়েছেন দেশটিতে অবস্থানরত প্রবাসী বাংলাদেশীরা।

About Us

NRBC is an open news and tele video entertainment platform for non-residential Bengali network across the globe with no-business vision just to deliver news to the Bengali community.