post
এনআরবি বিশ্ব

মালয়েশিয়ায় ৩ সেক্টরে দ্রুত বিদেশি কর্মী নিয়োগের তাগিদ

মালয়েশিয়ায় তিন সেক্টরে দ্রুত বিদেশি কর্মী নিয়োগে এগোচ্ছে সরকার। কৃষি, পরিষেবা এবং নির্মাণখাতের সেক্টরগুলোতে বিদেশিকর্মী নিয়োগের আবেদন দ্রুত সম্পন্ন করতে বলা হয়েছে। দেশটির প্রধানমন্ত্রী আনোয়ার ইব্রাহিম বলেছেন, মানবসম্পদ মন্ত্রণালয় এবং স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়কে প্রক্রিয়াটি দ্রুত সম্পন্ন করার জন্য বলা হয়েছে।বুধবার মন্ত্রিসভার বৈঠকে সভাপতিত্ব করার পর পেরদানা পুত্রায় এক সংবাদ সম্মেলনে তিনি বলেন, তিনটি খাতকে অবশ্যই জোর দিতে হবে কারণ দেরিতে অনুমোদনের ফলে স্থবিরতা সৃষ্টি হয়েছে। সরকারের মুখ্য সচিব এবং আমি এটিকে সহজ করব। যেন আবেদনের অনুমোদন দ্রুত করা যায়। তিনি বলেন, উৎপাদক এবং বিনিয়োগকারীরা এসে জিজ্ঞাসা করেছেন। সুতরাং, আমাদের অবশ্যই এটি খতিয়ে দেখে শুরু করতে হবে যেন অনুমোদনের গতি বৃদ্ধি পায় এবং আগের তুলনায় আরও কার্যকর হয়।এদিকে, মানবসম্পদ মন্ত্রী ভি. শিবকুমার বলেন, মন্ত্রণালয় শ্রম ঘাটতির বিষয়টি গুরুত্ব সহকারে দেখছে এবং এটি মন্ত্রিসভায় আলোচনা করা হয়েছে। তিনি বলেন, প্রক্রিয়াগুলোকে গতিশীল করতে এবং দ্রুত পর্যাপ্ত শ্রম সরবরাহ নিশ্চিত করতে স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের সঙ্গেও কাজ করবে।তিনি যোগ করেন, এ পর্যন্ত ৭০ হাজার বিদেশি কর্মীর আবেদন মানবসম্পদ মন্ত্রণালয় অনুমোদন করেছে। প্রদত্ত অনুমোদনগুলোর মধ্যে নির্মাণ, পরিষেবা এবং কৃষিখাত রয়েছে। কার্যকর হচ্ছে কর্মসংস্থান আইন: কর্মসংস্থান আইন ১৯৫৫ (সংশোধন) ২০২২, ২০২৩ সালের ১ জানুয়ারি থেকে কার্যকর হচ্ছে। ২১ ডিসেম্বর মানবসম্পদ মন্ত্রী ভি. শিবকুমার বলেছেন, কর্মসংস্থান আইন ১৯৫৫ (সংশোধন) ২০২২ এর সংশোধিত বিধি প্রয়োগ স্থগিত করা হয়েছিল, এখন ১ জানুয়ারি, ২০২৩-এ কার্যকর করা হবে।মন্ত্রী বলেছেন, যদিও স্থগিতকরণের সময়কাল বাড়ানোর জন্য শিল্প মালিকদের পক্ষ থেকে আহ্বান জানানো হয়েছিল, আইনটির সংশোধনী কার্যকর করারও প্রয়োজন ছিলতিনি মনে করেন বিষয়টি নিয়ে এগিয়ে যাওয়া উচিত কারণ এই আইনটি এরই মধ্যে সংসদে পাস হয়েছে এবং বেশিরভাগ সংশোধনী আন্তর্জাতিক শ্রম সংস্থা (আইএলও) কনভেনশনের ওপর ভিত্তি করে করা হয়েছে।গত ২৬ আগস্ট, তৎকালীন মানবসম্পদমন্ত্রী এম. সারাভানান কর্মসংস্থান আইন ১৯৫৫-এর সংশোধনী ১ সেপ্টেম্বর থেকে ১ জানুয়ারি, ২০২৩ পর্যন্ত স্থগিত করার ঘোষণা দেন। সংশোধনী অনুযায়ী প্রতি সপ্তাহে কর্মঘণ্টা ৪৮ থেকে ৪৫ ঘণ্টায় কমিয়ে আনার পাশাপাশি, মাতৃত্বকালীন ছুটি ৬০ দিন থেকে বাড়িয়ে ৯৮ দিন এবং পিতৃত্বকালীন ছুটি তিন দিন থেকে বাড়িয়ে সাত দিন করা হয়েছে। শিবকুমার বলেন, এমপ্লয়মেন্ট অ্যাক্ট ১৯৫৫-এর সংশোধনীর অধীনে, নিয়োগকর্তাদের ৬০ক (৪) ধারা অনুযায়ী বিদেশি কর্মী নিয়োগের জন্য অবশ্যই ডিপার্টমেন্ট অব লেবার পেনিনসুলার মালয়েশিয়ার (জেটিকেএসএম) ডিরেক্টর-জেনারেল থেকে অনুমোদন নিতে হবে। তার মতে, মালয়েশিয়ায় বিদেশি কর্মী নিয়োগকর্তাদের শ্রমের মান নিশ্চিত করতে ধারা ৬০ক (৪) কাজ করবে।

post
এনআরবি বিশ্ব

দক্ষিণ আফ্রিকার বাংলাদেশ দূতাবাসে ভিসা জটিলতা

দীর্ঘদিন ধরে ভিসা জটিলতার কারণে দেশে আসতে পারছেন না দক্ষিণ আফ্রিকার বাংলাদেশি প্রবাসীরা। দির্ঘসুত্রিতা ও দুর্নীতির কারণে হয়রানির শিকার হচ্ছেন তারা।এমন অবস্থায় বহু প্রবাসী হতাশা প্রকাশ করেছেন। সেই সঙ্গে দ্রুত ভিসা জটিলতা নিরসন করে তাদের দেশে যাওয়ার প্রক্রিয়া সহজ করার আহ্বান জানিয়েছেন তারা। দীর্ঘ একবছরের বেশি সময় ধরে যথাসময়ে ভিসা না পাওয়ায় বাংলাদেশে যেতে পারছেন না আফ্রিকার কয়েকটি দেশে বসবাসরত বাংলাদেশি বংশদ্ভূত প্রবাসী ও আফ্রিকান নাগরিকরা।বৈধ কাগজ এবং যথাযথ পক্রিয়া অনুসরণ করেও ভিসা না পাওয়ার অভিযোগ উঠেছে। দীর্ঘসূত্রিতার কারণে ভোগান্তির শিকার হচ্ছেন ভিসা প্রত্যাশীরা। বছরের শেষ দিকে শিক্ষা প্রতিষ্ঠান বন্ধ থাকলেও সন্তানদের নিয়ে যথাসময়ে নিজ জন্মভূমিতে যেতে না পেরে হতাশ অসংখ প্রবাসী বাংলাদেশি পরিবার।ভিসা প্রক্রিয়ায় অনিয়ম আর দুর্নীতি অভিযোগ তুলেছেন তারা। জটিলতা তুলে দিয়ে দেশে যাওয়ার প্রক্রিয়া সহজ করার আহ্বান জানিয়েছেন ভিসা প্রত্যাশীরা।

post
এনআরবি বিশ্ব

কুয়েতে এক প্রবাসীর পরিবারের সন্ধান চায় বাংলাদেশ দূতাবাস

কুয়েতে আবুল কালাম নামে এক প্রবাসীর পরিবারের সন্ধান চায় বাংলাদেশ দূতাবাস। মঙ্গলবার (২৭ ডিসেম্বর) বাংলাদেশ দূতাবাস সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ফেসবুকে তার স্বজনদের সন্ধান চেয়ে বিজ্ঞপ্তি প্রকাশ করেছে।বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়েছে, প্রবাসী আবুল কালামের বাড়ি কুমিল্লা জেলার বিজয়পুর ইউনিয়নের দূর্গাপুর এলাকায় এবং তার বাবার নাম আনু মিয়া। তিনি দীর্ঘদিন গুরুত্বর অসুস্থ হয়ে কুয়েতের ফরওয়ানিয়া হাসপাতালের ১৯ নম্বর ওয়ার্ডে চিকিৎসাধীন রয়েছেন। বাংলাদেশে তার পরিবারের কাছে পাঠাতে পাসপোর্টে দেওয়া নম্বরে যোগাযোগ করেও স্বজনদের খোঁজ পাওয়া যায়নি। আবুল কালামকে দেশে পাঠানোর সুবিধার্থে কুয়েতে অথবা বাংলাদেশে তার স্বজনদের দূতাবাসে কল্যাণ সহকারী ফরিদ হোসেনের +৯৬৫৯৪৪২৯৭৪৪ এ নম্বরে যোগাযোগ করার জন্য অনুরোধ করা হয়েছে।

post
এনআরবি বিশ্ব

মালয়েশিয়ায় কর্মী পাঠানোয় ধীরগতি

মালয়েশিয়ায় বাংলাদেশি কর্মীদের দক্ষতা ও চাহিদা রয়েছে অনেক। কিন্তু বাংলাদেশ থেকে কর্মী নিয়োগের পদ্ধতি যেন বাধা হয়ে দাঁড়িয়েছে। এর মূলে রয়েছে উভয় দেশের সরকার নির্ধারিত পদ্ধতি, আর্থিক খরচের বাইরে কিছু অলিখিত পদ্ধতি ও প্রক্রিয়া। তাহলে কী বাংলাদেশ সরকার অভিবাসন ব্যবস্থাপনায় দুই ধরনের নীতি অনুসরণ করছে কি না এমন প্রশ্ন ঘুরে ফিরে আসে। সম্প্রতি মালয়েশিয়ায় প্রাইভেট রিক্রুটিং এজেন্সির মাধ্যমে দেশটিতে যেতে কর্মীকে ধারদেনা করে দিতে হচ্ছে ৪/৫ লাখ টাকা। এটিও সরকারের অধীনেই হচ্ছে। অন্যদিকে সরকারি রিক্রুটিং এজেন্সি বোয়েসেলের মাধ্যমে মালয়েশিয়ায় যেতে কর্মীকে খরচ করতে হচ্ছে না।কর্মী সরকারি-বেসরকারি যে এজেন্সির মাধ্যমে মালয়েশিয়ায় যাক না কেন তাকে অবশ্যই প্রবাসীকল্যাণ বোর্ড, বিএমইটি এবং প্রবাসী কল্যাণ ও বৈদেশিক কর্মসংস্থান মন্ত্রণালয়ের অনুমতি নিয়েই যেতে হচ্ছে। প্রত্যেক আন্তর্জাতিক অভিবাসী দিবসে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা বিদেশ যেতে ঋণের জালে আবদ্ধ হওয়া, বিদেশে গিয়ে প্রতারিত হওয়া বিষয়গুলো নিজেই তুলে ধরে সংশ্লিষ্ট সবাইকে। দায়িত্বশীল ভূমিকা পালনের আহ্বানও জানান তিনি, কিন্তু বাস্তবে তার কোনো প্রতিফল দেখা যায় না। মালয়েশিয়া শ্রমবাজারের সুবিধা নিতে ব্যর্থতা এবং পারস্পরিক কাদা ছোঁড়াছুঁড়িতে সর্বনাশ হচ্ছে। আশির দশক থেকে মালয়েশিয়ায় বাংলাদেশিকর্মী গেলেও দেশটির সরকারের সঙ্গে আলাপ-আলোচনা করার আইনি ভিত্তি পায় ২০১৬ সালে। ২০১৫ সালে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার সফরের পর মালয়েশিয়া সরকার লেবার সোর্স কান্ট্রি হিসেবে স্বীকৃতি দেয় অর্থাৎ কর্মী নিয়োগের ক্ষেত্রে বাংলাদেশ অগ্রাধিকার পাবে এবং পারস্পরিক সহযোগিতা করবে, হঠাৎ করে শ্রম নিয়োগ বন্ধ করতে পারবে না।আগে যখন তখন কর্মী নিয়োগ বন্ধ করে দিত, ফলে কর্মী প্রেরণকারী সংস্থা, এজেন্ট, সাব এজেন্ট সবাই যেনতেনভাবে ইচ্ছামতো অর্থ নিয়ে কর্মী পাঠায়। এসব এজেন্সির বিরুদ্ধে কোনো কঠোর অবস্থান না থাকায় প্রকৃত এজেন্সি বঞ্চিত হয় এবং অভিবাসন ব্যবস্থাপনায় দুর্বলতা রয়ে যায় বলে সংশ্লিষ্টরা বিভিন্ন সময় তুলে ধরে। বাংলাদেশ সরকারের অভিবাসন নীতি, আইন, বিধি, আদেশ, নির্দেশ সবই আছে, এসব বাস্তবায়ন করার জন্য সংস্থা, প্রতিষ্ঠান, দপ্তর, লোকবল, ম্যাজিস্ট্রেট সবই আছে, আরো আছে একটি পূর্ণাঙ্গ মন্ত্রণালয়। কর্মীদের দেশে-বিদেশে কল্যাণ দেখবার জন্য মন্ত্রণালয়ের নিজস্ব লোকবল আছে। রিক্রুটিং এজেন্সির অনুমোদন, নবায়ন, বাতিল, শাস্তি আরোপ এসব মন্ত্রণালয় করে। তবে কর্মী অভিবাসন ব্যবস্থাপনায় দক্ষতার অভাব এবং এ সুযোগে অনিয়ম দাপটের সঙ্গে রয়ে গেছে। কর্মী অভিবাসন এক পক্ষের বিষয় নয় প্রেরক ও গ্রহণকারী উভয় দেশের বিষয় তাই এসব বিষয়ে মন্ত্রণালয়কে দক্ষ ও অভিজ্ঞ করে না তুললে সমস্যার গভীরে দেখবার কেউই থাকবে না। বাস্তবে তেমনি দেখা যাচ্ছে যে, মিশনে কর্মী নিয়ে যারা কাজ করে দক্ষতা ও অভিজ্ঞতা অর্জন করে দেশে এনে মন্ত্রণালয় বিদায় দিয়ে দেয়। এমন কি অনেককে অপমান করে তাড়ানোর নজির রয়েছে। বিপরীতে অনভিজ্ঞদের দায়িত্ব দেওয়া হচ্ছে। মন্ত্রণালয় যাদের তৈরি করছে তাদের বাদ দেওয়ার ট্র্যাডিশন এসেছে এজেন্সিগুলোর অপতৎপরতা থেকে বলে সংশ্লিষ্টরা মনে করেন।ধারণা করা হয় কোনো কোনো রিক্রুটিং এজেন্সি দূতাবাস থেকে অনৈতিক সুবিধা (অ্যাটেস্টেশন) না পেলে এবং বিদেশে কর্মীদের প্রতারিত করতে না পেলে, কর্মীদের জিম্মি করে অর্থ আয় করতে না পারলে সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তার ওপর রুষ্ট হয় এবং মন্ত্রণালয় ও বিভিন্ন দপ্তরে বেনামে পত্র দিয়ে থাকে মন্ত্রণালয়ের সংশ্লিষ্টদের কাছে তদবির করে ফলে এদের কথায় গুরুত্ব দেয় এবং এমন অবস্থা গ্রহণ করে যে মন্ত্রণালয় নিজেই ঠকে। দেখা গেছে, বিদেশে কর্মী পাঠানো এজেন্সির হাল হকিকত জানা কর্মকর্তা অভিবাসন ব্যবস্থাপনায় দায়িত্ব পেলে সে এজেন্সি আর সাহস পায় না। মালয়েশিয়া শ্রমবাজার বাংলাদেশের অভিবাসন ব্যবস্থাপনায় কিছু বাস্তবতা উন্মোচন করেছে অনেক আগেই। মালয়েশিয়ায় কর্মী নিয়োগ প্রক্রিয়া সম্পর্কে বাস্তব অভিজ্ঞতাকে অনুধাবন না করার ফলে সমস্যার আবর্তে ঘুরপাক খাচ্ছে, সেখান থেকে বের হওয়ার কোনো জোর প্রচেষ্টা দেখা যায় না। মালয়েশিয়ায় আশির ও নব্বই দশকের পদ্ধতি থেকে বের হয়েছে এবং বাংলাদেশের জন্য আউট সোর্সিং বন্ধ করেছে। কিন্তু কর্মী প্রেরণে বাংলাদেশি এজেন্সি, তাদের এজেন্ট, সাব এজেন্ট সবই আগের নিয়ম অব্যাহত রাখতে কসরত করে যাচ্ছে।ফলে বাংলাদেশ সরকার মালয়েশিয়া সরকারের সঙ্গে চুক্তি বা সমঝোতা স্মারক স্বাক্ষর করলেও পুরনো ঘূর্ণি থেকে বের হতে পারছে না কারণ এজেন্সি কর্মী পাঠাবে। অন্যদিকে জি-টু-জি পদ্ধতিতে সরকার কর্মী প্রেরণ করলে খরচ খুব কম হয় কিন্তু এরই মধ্যে মালয়েশিয়ার শ্রম বাজারে অর্থ বিনিয়োগকারী এজেন্সিগুলোর ব্যবসা বন্ধ হয়ে যায় এবং ক্ষতির শিকার হয়। ফলে তারা সবসময় সরকারকে এড়িয়ে যেতে চেষ্টা করে। অন্যদিকে বাংলাদেশ থেকে অতিরিক্ত কর্মী নিয়ে মালয়েশিয়ায় সমস্যা সৃষ্টি করায় এবং ফলে আন্তর্জাতিকভাবে ক্ষতির শিকার হওয়ায় মালয়েশিয়া এজেন্ট নিয়ন্ত্রণ করার জন্য বাংলাদেশকে বললেও কোনো ফল না পাওয়া মালয়েশিয়া নিজেই এজেন্ট নিয়ন্ত্রণ প্রক্রিয়া চালু করে। এতে আগের অভ্যাসে মালয়েশিয়ায় ভিসা ক্রয় করা বাংলাদেশি এজেন্সি ক্ষতির সম্মুখীন হয়। এ এজেন্সিগুলোর নানান যুক্তি তুলে ধরে মালয়েশিয়ায় সরকারের বিভিন্ন পর্যায়ে তদবির করে এবং অতিষ্ঠ হয়ে মালয়েশিয়ার নতুন সরকার (মাহাথির সরকার) বাংলাদেশ থেকে কর্মী নিয়োগ প্রক্রিয়া স্থগিত করে।

post
এনআরবি বিশ্ব

মালেশিয়ায় বাংলাদেশি অভিবাসীসহ ৫৪৪ জন আটক

মালয়েশিয়ায় বাংলাদেশিসহ ৫৪৪ জন অভিবাসীকে আটক করেছে দেশটির অভিবাসন বিভাগ। শনিবার (৭ জানুয়ারি) ভোরের দিকে রাজধানী কুয়ালালামপুরের জালান ইম্বিতে অভিযান চালিয়ে তাদের আটক করা হয়।এ সময় দেশটিতে ভ্রমণের কাগজপত্র না থাকা, মেয়াদোত্তীর্ণ ভ্রমণ নথি এবং সামাজিক ভ্রমণ পাসের অপব্যবহারের জন্য বাংলাদেশিসহ ৫৪৪ জনকে আটক হয়েছে। তবে এর মধ্যে কতজন বাংলাদেশি রয়েছে সেই তথ্য এখনো জানায়নি আইনশৃঙ্খলা বাহিনী।এছাড়া অভিযানের সময় মিয়ানমারের চীন জাতিগত গোষ্ঠীকে শরণার্থী কার্ড দেওয়ার একটি অনিবন্ধিত সংস্থার কার্যকলাপ উদঘাটন করেছে মালয়েশিয়ার অভিবাসন বিভাগ।অভিবাসন বিভাগের মহাপরিচালক খায়রুল যাইমি দাউদের নেতৃতে দেশটির জাতীয় নিবন্ধন বিভাগ ও বেসামরিক প্রতিরক্ষা বিভাগসহ অন্যান্য বিভাগের ৪৩ জন কর্মীর সহায়তায় ১১৫ জন অভিবাসন পুলিশ এই অভিযান পরিচালনা করেন।আটক বিদেশিদের মধ্যে রয়েছে বাংলাদেশ, ভারত, পাকিস্তান, নেপাল, মিয়ানমার ও ইন্দোনেশিয়ার নাগরিক। আটকদের সবার বয়স ১ থেকে ৬৮ বছরের মধ্যে।তাদের মধ্যে প্রথমে ১ হাজার ৫১ জনের নথিপত্র পরীক্ষা করা হয় এবং দেশটিতে থাকার বৈধ কাগজপত্র দেখাতে না পারায় ৫৪৪ জনকে আটক করা হয়। পরবর্তী পদক্ষেপের জন্য তাদের সবাইকে বুকিত জলিল ইমিগ্রেশন ডিটেনশন ডিপোতে পাঠানো হয়েছে। আটকদের মধ্যে চীন জাতি গোষ্ঠীর ১ থেকে ১০ বছর বয়সী ৩০ জন শিশু রয়েছে।মহাপরিচালক বলেন, অনিবন্ধিত সংস্থাটি ২০০৯ সালে থেকে ওই এলাকার একটি ফ্ল্যাটে এই কার্যকলাপ করে আসছিল। সংগঠনটির অফিসে তাদের নিজস্ব মেশিন ব্যবহার করে সরকার কর্তৃক স্বীকৃত নয় এমন কার্ড জারি করে জনপ্রতি ৫০০ রিঙ্গিত সদস্য ফি এবং অন্যান্য বিভিন্ন ফি বাবদ চার্জ করত।জব্দকৃত অর্থ দেওয়া রসিদের ওপর ভিত্তি করে অনুমান করা হয়েছে যে চীন জাতিগত গোষ্ঠীর ১ হাজার শরণার্থী এই সংস্থার সদস্য হয়েছেন এবং তাদের মধ্যে অনেকে ইউরোপসহ অন্যান্য দেশে যাওয়ার অনুমতির জন্য অপেক্ষা করছে।

post
এনআরবি বিশ্ব

বাংলাদেশির ঋণের টাকা পরিশোধে তহবিল সংগ্রহে সিঙ্গাপুরবাসী

আর্থিক সচ্ছলতা, পরিবার-পরিজনের জন্য উন্নত জীবন, বৃদ্ধ মা-বাবার শেষ বয়সে একটু স্বাচ্ছন্দ্যে দিনাতিপাতের নিশ্চয়তার জন্য ২ সপ্তাহ আগে সিঙ্গাপুর পাড়ি দিয়েছিলেন এক বাংলাদেশি যার বয়স মাত্র ২০ বছর। কিন্তু সেখানে গিয়ে তার যক্ষ্মা ধরা পড়ার কারণে ফেরত চলে যেতে হবে ওই বাংলাদেশীকে।যে স্বপ্ন নিয়ে সিঙ্গাপুর গেলেন তার সেই স্বপ্নটা অধরাই থেকে গেল। এখন আরেকটি বাড়তি চিন্তা মাথায় যোগ হলো আর সেটি হলো, ধার-দেনা করে যে টাকা দিয়ে তিনি সিঙ্গাপুর এসেছেন সেই টাকা তিনি কিভাবে পরিশোধ করবেন।এমন সময় তার প্রতি সাহায্যের হাত বাড়িয়ে দেন ‘ইটস রেইনিং রেইনকোটস’ নামের স্থানীয় এনজিওর একদল সদস্য। স্থানীয় সময় বৃহস্পতিবার (৫ জানুয়ারি) তাদের অফিসিয়াল ফেসবুক পেজে এ তথ্য প্রকাশ করা হয়।সেখানে বলা হয়, সংগঠনটির একজন স্বেচ্ছাসেবক যিনি নিয়মিত অসহায় অভিবাসী শ্রমিকদের কাজে জড়িত থাকেন, তিনি দুইদিন আগে ওই বাংলাদেশীর সম্পর্কে তথ্য পান। সবকিছু শোনার পর এনজিও’র পক্ষ থেকে ওই বাংলাদেশীর ঋণের টাকা পরিশোধের জন্য তারা একটি অনলাইন তহবিল সংগ্রহ গঠন করেন এবং মাত্র দুই ঘণ্টার ভেতর সংগঠনটি দ্রুত তহবিল সংগ্রহ করেন এবং বৃহস্পতিবার বাংলাদেশগামী তার ফ্লাইটের কয়েকমিনিট আগেও একজন স্থানীয় নাগরিক ট্যাক্সি যোগে চাঙ্গি বিমানবন্দরে ছুটে গিয়ে তাকে আরও কিছু নগদ অর্থ তার হাতে তুলে দেন। যা দিয়ে তার ধার-দেনা পরিশোধযোগ্য হবে বলে মনে করছেন ওই বাংলাদেশি।এরপর এয়ারপোর্টের সমস্ত কাজ শেষে তার হাতে নগদ এই অর্থ তুলে দেন সংগঠনের সদস্যরা। এসময় উপস্থিত সবাইকে এবং যারা এই অল্প অসময়ের মধ্যে তার পাশে এসে দাঁড়িয়েছে তাদের সবাইকে ধন্যবাদ জানান ওই বাংলাদেশি। এরপর হাসিমুখে তাকে বিদায় দেন স্থানীয় এনজিও’র সদস্যরা।

post
এনআরবি বিশ্ব

৭ বছর পর লাশ হয়ে মায়ের বুকে ফিরলেন প্রবাসী যুবক

বাবা মারা যাওয়ার পর সাত বছর আগে পরিবারের হাল ধরতে কাতারে গিয়েছিলেন রেজুয়ানুল হক তুষার (২৫)। ফোনে বিয়েও করেছিলেন। খুব শিগগির দেশে ফিরে নববধূকে আনুষ্ঠানিকভাবে ঘরে তোলার কথা ছিল। তবে জীবিত অবস্থায় তুষারের দেশে ফেরা হলো না। কাতারে সড়ক দুর্ঘটনায় তার মৃত্যু হয়েছে। নিহত হওয়ার ৯ দিন পর বুধবার (১১ জানুয়ারি) বিকেলে ব্রাহ্মণবাড়িয়ার বোডিং মাঠ এলাকায় নিজ বাড়িতে তুষারের মরদেহ এসে পৌঁছায়। সাত বছর পর ছেলের নিথর দেহ দেখে কান্নায় ভেঙে পড়েন মা আখিনুর আক্তার রেখা।বাড়িতে তুষারের মরদেহ পৌঁছালে এক হৃদয়বিদারক পরিস্থিতির সৃষ্টি হয়। অ্যাম্বুলেন্স থেকে কফিন নামানোর পরই মা আখিনুর আক্তার সন্তানের মরদেহের কফিন জড়িয়ে ধরেন। একমাত্র বোন জুঁই তার ভাইয়ের মরদেহের ওপর কান্নায় লুটিয়ে পড়েন। এসময় সারা বাড়িজুড়ে কান্নার রোল পড়ে যায়।পরে ট্যাংকের পাড় মাঠে বাদ আসর তুষারের জানাজা অনুষ্ঠিত হয়। সেখান থেকে শহরের শেরপুর মীর শাহাবুদ্দিন (রহ.) মাজার কবরস্থানে তার মরদেহ দাফন করা হয়। পরিবারের সদস্যরা জানান, ব্রাহ্মণবাড়িয়া সদর উপজেলার নাটাই উত্তর ইউনিয়নের মৃত হামিদুল হকের এক ছেলে ও এক মেয়ের মধ্যে রেজুয়ানুল হক তুষার ছোট। একমাত্র বোন জুঁইকে বিয়ে দিয়েছেন শহরের কান্দিপাড়ার জাপান প্রবাসী শাহনেওয়াজ ভূইয়া রাকিবের সঙ্গে। জুঁই স্বামী-সন্তানের সঙ্গে জাপানে থাকেন। বাবা হামিদুল হক পরিবার নিয়ে জেলা শহরের বোডিং মাঠ এলাকায় বাড়ি করে বসবাস করতেন। প্রায় আট বছর আগে হামিদুল হক মারা যান। বাবা মারা যাওয়ার পর পরিবারের হাল ধরতে মাকে বাড়িতে একা ফেলে কাতারে পাড়ি দেন তুষার। সেখানে গত সাত বছর ধরে তুষার একটি ফুড ডেলিভারি কোম্পানিতে চাকরি করছিলেন। গত ২ জানুয়ারি বাংলাদেশ সময় সকাল ৯টার দিকে কাতারের ছালোয়া রোডে ট্রাকচাপায় তুষারের মৃত্যু হয়।

post
এনআরবি বিশ্ব

মালদ্বীপে ব্যবসায়ীকে হত্যার অভিযোগে বাংলাদেশি নাগরিকের মৃত্যুদণ্ড

মালদ্বীপে ব্যবসায়ীকে হত্যার অভিযোগে এক বাংলাদেশি নাগরিককে মৃত্যুদণ্ড দিয়েছে দেশটির আদালত। তবে দণ্ডপ্রাপ্ত শাহ আলম মিয়া সেলিম (২৯) উচ্চ আদালতে শুনানিতে দাবি করেছেন, তিনি ওই ব্যবসায়ীকে হত্যা করেননি। দোভাষীর শেখানো কথায় হত্যার অভিযোগ স্বীকার করেন। এজন্য দোভাষী পরিবর্তনের দাবি জানিয়েছেন তিনি। মালদ্বীপের এডিএইচ ধানগেঠি আইল্যান্ডের ব্যবসায়ী মাহমুদ আবুবকরু (৫৭) হত্যা মামলায় সেলিমকে দণ্ড দিয়েছেন আদালত।মালদ্বীপের শীর্ষস্থানীয় সংবাদমাধ্যম সান এমবির তথ্য মতে, ৫৭ বছর বয়সী মাহমুদকে গত ২০২১ সালের ১৫ অক্টোবর দেশটির রাজধানীর দূরবর্তী আইল্যান্ড ধানগেঠির একটি পরিত্যক্ত বাড়িতে হত্যার পর মরদেহ পানির কূপের ভেতরে রাখা হয়। পরে কূপ থেকে তার মরদেহ উদ্ধার করা হয়। প্রবাসী বাংলাদেশি শাহ আলাম সেলিম একই আইল্যান্ডে একজন বয়স্ক ব্যক্তির লিভ-ইন কেয়ারটেকার হিসেবে কাজ করতেন। তাকে মাহমুদ হত্যার ঘটনায় সন্দেহভাজন হিসেবে পরের দিন পুলিশ গ্রেপ্তার করে আদালতে হাজির করে। রাষ্ট্রপক্ষের আইনজীবী তার বিরুদ্ধে দুটি অভিযোগ উপস্থাপন করেন— হত্যা এবং মরদেহের অপব্যবহার। সেলিম জবানবন্দিতে রাষ্ট্রপক্ষের আইনজীবীর কাছে হত্যার কথা স্বীকার করেন এবং আদালতে উভয় অভিযোগে দোষী বলে প্রমাণিত হন। পরে আদালত নিহতের সাত জন উত্তরাধিকারীর মতামত চাইলে তারা হত্যার পরিবর্তে কোনো ক্ষতিপূরণ বা ‘দিয়াত’ চাননি। তারা হত্যার বদলে সমান প্রতিশোধ চান। এর পরিপ্রেক্ষিতে সর্বোচ্চ শাস্তি হিসেবে মালদ্বীপের ফৌজদারি আদালত ২০২২ সালের ২৭ ফেব্রুয়ারি সেলিমকে মৃত্যুদণ্ড দেন। সেইসঙ্গে উল্লেখ করেন, আইন অনুযায়ী মৃত্যুদণ্ডপ্রাপ্ত ব্যক্তি আদালতের রায়ের বিরুদ্ধে আপিল না করলে নিম্ন আদালতের রায়ের বৈধতা নিশ্চিত করতে রাষ্ট্রপক্ষকে মামলাটি হাইকোর্টে জমা দিতে হবে।

post
এনআরবি বিশ্ব

পাসপোর্ট সূচকে ১০৯ দেশের মধ্যে বাংলাদেশের অবস্থান ১০১তম

পাসপোর্ট সূচকে মোট ১০৯ দেশ আছে। এর মধ্যে বাংলাদেশের অবস্থান ১০১তম। কসোভো ও লিবিয়াও একই অবস্থানে আছে।লন্ডনভিত্তিক অভিবাসন, নাগরিকত্ব ও পরিকল্পনাবিষয়ক সংস্থা 'হেনলি অ্যান্ড পার্টনার্স' গত ১০ জানুয়ারি এক গবেষণামূলক তথ্য প্রকাশ করে। ওই তথ্য নতুন করে প্রমাণ করেছে, এখনো জাপান, সিঙ্গাপুর, যুক্তরাষ্ট্র, কানাডা ও অস্ট্রেলিয়া থেকে কতটা পিছিয়ে আছে বাংলাদেশ। কতটা পিছিয়ে আছে দেশটির অর্থনীতি, শাসনপদ্ধতি ও মানুষের জীবনযাপন।হেনলি অ্যান্ড পার্টনার্সর তথ্য ৩ মাস পরপর হালনাগাদ করে। একটি দেশের সামাজিক, রাজনৈতিক ও অর্থনৈতিক জীবনযাপনের গতিশীলতা বিবেচনায় নিয়ে সে দেশের পাসপোর্টের অবস্থান নির্ধারণ করা হয়। গত ১৮ বছরেরও বেশি সময় ধরে অত্যাধুনিক বিশেষজ্ঞের ভাষ্য ও ঐতিহাসিক তথ্য নিয়ে হেনলি অ্যান্ড পার্টনার্স পাসপোর্টের সূচক নির্ধারণ করে আসছে। ২২৭ দেশের মধ্যে ১৯৯ দেশের পাসপোর্টের ভিসামুক্ত প্রবেশ তুলনা করতে ইন্টারন্যাশনাল এয়ার ট্রান্সপোর্ট অথরিটির তথ্য ব্যবহার করা হয়। একটি দেশের পাসপোর্টের শক্তির সঙ্গে সেই দেশের সার্বিক শক্তির সম্পর্ক আছে। পাসপোর্টের মাধ্যমে পরোক্ষভাবে নাগরিকত্বের মূল্যায়ন হয়। এই সূচকের মাধ্যমে একটি দেশ সম্পর্কে জানা যায়। পাসপোর্টের এ সূচক দেশের অর্থনীতি, শাসন ব্যবস্থা ও দেশের মানুষের অবস্থাসহ অনেক বিষয় বিবেচনায় নিয়ে তৈরি করা হয়। মনে করা হয়, যে দেশগুলোর পাসপোর্ট যত বেশি শক্তিশালী ওই দেশগুলোর প্রাতিষ্ঠানিক কাঠামো, অর্থনীতি ও শাসনপদ্ধতি তত বেশি শক্তিশালী। বিশ্বে ওই দেশগুলোর ইতিবাচক ভাবমূর্তি আছে। যে সব দেশের পাসপোর্টের অবস্থান তলানিতে তাদেরকে উন্নত দেশগুলো নানাভাবে অবমূল্যায়ন করে থাকে। কোন প্রচারণাতেই সেই বাস্তবতা ঢেকে দেওয়া যায় না। ২০২৩ সালের হেনলি পাসপোর্ট সূচকে শীর্ষে আছে জাপান। জাপানিরা এখন বিশ্বের ২২৭ দেশের মধ্যে ১৯৩ দেশে ভিসা ছাড়া যেতে পারেন। সূচকে সিঙ্গাপুর ও দক্ষিণ কোরিয়ার পাসপোর্ট বিশ্বে দ্বিতীয় শক্তিশালী। জার্মানি ও স্পেন তৃতীয় অবস্থানে আছে। তারা ১৯০ দেশে ভিসামুক্ত প্রবেশাধিকার পান। যুক্তরাজ্য ও যুক্তরাষ্ট্রের অবস্থান যথাক্রমে ৬ ও ৭-এ। তাদের দেশের নাগরিকরা ভিসা ছাড়া যথাক্রমে ১৮৭ ও ১৮৬ দেশে প্রবেশ করতে পারেন। অস্ট্রেলিয়ার পাসপোর্টের অবস্থান অষ্টম। এ দেশের নাগরিকরা ১৮৫ দেশে ভিসা ছাড়া ভ্রমণ করতে পারেন। বর্তমানে অস্ট্রেলিয়ান পাসপোর্টধারী প্রায় ৭০ হাজার বাংলাদেশিও এই সুযোগ পেয়ে থাকেন। পর্তুগাল থেকে পোল্যান্ড ও যুক্তরাজ্য থেকে যুদ্ধবিধ্বস্ত ইউক্রেন পর্যন্ত ৩৯ ইউরোপীয় দেশ অস্ট্রেলিয়ানদের ভিসা ছাড়াই প্রবেশের অনুমতি দিয়েছে। নিউজিল্যান্ড, ফিজি ও ফরাসি পলিনেশিয়াসহ বার্বাডোস, কেম্যান দ্বীপপুঞ্জ, জ্যামাইকা ও ক্যারিবিয়ান অঞ্চলের দেশগুলোয় যেতে অস্ট্রেলিয়ানদের ভিসার প্রয়োজন হয় না। উত্তর ও দক্ষিণ আমেরিকা মহাদেশে ১৯ দেশে ও আফ্রিকার ১২ দেশে অস্ট্রেলিয়ানদের ভিসা ছাড়া যেতে পারেন। এ ছাড়াও, অস্ট্রেলিয়ানরা ভিসা ছাড়া এশিয়ার ১০ দেশে এবং মধ্যপ্রাচ্যের ৬ দেশ ভ্রমণ করতে পারেন। কম্বোডিয়া, মিশর, লেবানন, প্যারাগুয়ে, সামোয়াসহ ৪০টিরও বেশি দেশে অস্ট্রেলিয়ানরা ভিসা বা ভিজিটর পারমিট পেতে পারেন। যুক্তরাষ্ট্র, কানাডা, শ্রীলঙ্কা ও পাকিস্তানে প্রবেশের সময় তাদেরকে ইলেকট্রনিক ট্রাভেল অথরিটি নিতে হয়।বাংলাদেশিরা ৪১ দেশ ভিসামুক্ত প্রবেশাধিকার পান। এশিয়ায় ভুটান, ইন্দোনেশিয়া, মালদ্বীপ, নেপাল, শ্রীলংকা ও পূর্ব তিমুর ছাড়াও আফ্রিকার ১৬, ওশেনিয়া অঞ্চলের ৭ ও ক্যারিবীয় অঞ্চলের ১২ দেশে বাংলাদেশিদের ভিসামুক্ত প্রবেশের সুবিধা মেলে। সূচক অনুসারে ভারত ৮৫তম অবস্থানে আছে। এই দেশের পাসপোর্টধারীরা ৬০ দেশে ভিসা ছাড়া যেতে পারেন। গত ১০ জানুয়ারি প্রকাশিত সূচকে বেশ কয়েকটি দেশ সম্পর্কে আকর্ষণীয় মন্তব্য ও তাদের ভবিষ্যৎ বাস্তবতা তুলে ধরেছে।

post
এনআরবি বিশ্ব

হজের খরচ ৩০ শতাংশ কমানোর সিদ্ধান্ত

আসন্ন হজে এবার ৩০ শতাংশ খরচ কমানোর সিদ্ধান্ত নিয়েছে সৌদি আরব সরকার। মহামারি করোনাভাইরাসের কারণে গত তিন বছর সীমিত সংখ্যক ধর্মপ্রাণ মুসল্লি হজ করার সুযোগ পেয়েছিলেন।সৌদি সরকারের নতুন সিদ্ধান্ত অনুযায়ী এ বছর থাকছে না কোনো বাধানিষেধ। গত সপ্তাহে সৌদি আরবের হজ ও ওমরাহ মন্ত্রণালয় এ তথ্য জানান। সৌদি আরব সরকারের নতুন ঘোষণামতে, ২০২২ সালের তুলনায় ২০২৩ সালে কমানো হয়েছে হজ প্যাকেজের মূল্যও। গত বছরের তুলনায় ৩০ শতাংশ কম খরচে এবার হজ পালনের সুযোগ পাবেন মুসল্লিরা। হজ ও ওমরাহ মন্ত্রণালয়ের সহকারী সচিব ডক্টর আমর বিন রেদা আল মাদ্দাহ ১৫ জানুয়ারি এ তথ্য জানিয়েছেন। তিনি আরও জানিয়েছেন, ‘ইকোনমিক হজ প্যাকেজের’ প্রায় ৯০ ভাগ ইতোমধ্যে বিক্রি হয়ে গেছে।সহকারী সচিব আল মাদ্দাহ আরও জানিয়েছেন, সৌদির অভ্যন্তরীণ যে হজ প্যাকেজগুলো রয়েছে, সেগুলো কোম্পানির সেবার মানের ওপর ভিত্তি করে কয়েকটি ক্যাটাগরিতে ভাগ করা হয়েছে। হজ ক্যাম্পে সেবার মান দেখে এটি নির্ধারণ করা হবে। এদিকে গত সপ্তাহে হজ মন্ত্রণালয় জানিয়েছিল, সৌদি আরবের স্থানীয় মুসল্লিরা চাইলে তিন ভাগে হজ প্যাকেজের অর্থ পরিশোধ করতে পারবেন। আগে একসঙ্গে পুরো অর্থ পরিশোধের নিয়ম ছিল। হজ পালনে আগ্রহীদের আগে নিবন্ধন করতে হবে। এরপর ৭২ ঘণ্টার মধ্যে প্যাকেজের ২০ শতাংশ অর্থ পরিশোধ করে নিজের জায়গা নিশ্চিত করতে হবে। এর পরের ৪০ শতাংশ অর্থ ২৯ জানুয়ারির (৭ রজব) মধ্যে পরিশোধ করতে হবে। আর শেষ ৪০ শতাংশ অর্থ দেওয়া যাবে এপ্রিলের ২৩ (৩ শাওয়াল) তারিখের মধ্যে। প্রতিটি কিস্তির অর্থ পাওয়ার পর একটি করে রসিদ দেওয়া হবে। নির্ধারিত সময়ের মধ্যে অর্থ পরিশোধের পর হজ প্যাকেজটি ‘নিশ্চিতকরণ’ করা হবে। না হলে এটি বাতিল করা হবে। প্রতিবছর সৌদি আরবের পবিত্র মক্কায় ২৫ লাখ মানুষ হজ পালন করেন। কিন্তু করোনাভাইরাসের বিধিনিষেধের কারণে এ সংখ্যা ২০২০ সালে কয়েক হাজারে নামিয়ে নিয়ে আসা হয়। ২০২১ সালে সৌদির ভেতর অবস্থানরত ৬০ হাজার মুসল্লি হজ পালনের সুযোগ পান। আর গত বছর বিদেশিসহ ১০ লাখ মানুষ হজ পালন করেছিলেন। চাঁদ দেখা সাপেক্ষে আগামী ২৮ জুন পবিত্র হজ অনুষ্ঠিত হওয়ার কথা রয়েছে।

About Us

NRBC is an open news and tele video entertainment platform for non-residential Bengali network across the globe with no-business vision just to deliver news to the Bengali community.